পরিচ্ছেদঃ ১. বিবাহের ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান

২০৪৬। ’আলকামাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ’আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.)-এর সাথে মিনায় হাঁটছিলাম। এ সময় ’উসমান (রাযি.)-এর সাথে দেখা হলে তিনি আব্দুল্লাহ (রাযি.)-এর সাথে নির্জনে আলাপ করেন। অতঃপর আব্দুল্লাহ যখন দেখলেন, এ বিষয়ে তার কোনো প্রয়োজন নেই, তখন তিনি আমাকে বললেন, হে আলকামাহ! এদিকে এসো। আমি এলে ’উসমান (রাযি.) তাকে বললেন, হে আবূ আব্দুর রহমান! আমরা কি আপনার সাথে একটি কুমারী মেয়ে বিয়ে দিবো, যাতে আপনি অতীতের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পান? আব্দুল্লাহ (রাযি.) বলেন, আমি এরূপ এজন্যই বলেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ বিয়ের সামর্থ্য রাখলে সে যেন অবশ্যই বিয়ে করে। কেননা বিয়ে দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং যৌন জীবনকে সংযমী করে। আর যে ব্যক্তির বিয়ে করার সামর্থ্য নাই সে যেন অবশ্যই সওম পালন করে। কেননা সওম তার যৌনস্পৃহা দমনকারী।[1]

সহীহ।

بَابُ التَّحْرِيضِ عَلَى النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ: إِنِّي لَأَمْشِي مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ بِمِنًى إِذْ لَقِيَهُ عُثْمَانُ فَاسْتَخْلَاهُ فَلَمَّا رَأَى عَبْدُ اللَّهِ، أَنْ لَيْسَتْ لَهُ حَاجَةٌ قَالَ لِي: تَعَالَ يَا عَلْقَمَةُ فَجِئْتُ فَقَالَ لَهُ: عُثْمَانُ أَلَا نُزَوِّجُكَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ بِجَارِيَةٍ بِكْرٍ لَعَلَّهُ يَرْجِعُ إِلَيْكَ مِنْ نَفْسِكَ مَا كُنْتَ تَعْهَدُ، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: لَئِنْ قُلْتَ ذَاكَ لَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ، فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ، وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ مِنْكُمْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ، فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ

صحيح

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، قال: اني لامشي مع عبد الله بن مسعود بمنى اذ لقيه عثمان فاستخلاه فلما راى عبد الله، ان ليست له حاجة قال لي: تعال يا علقمة فجىت فقال له: عثمان الا نزوجك يا ابا عبد الرحمن بجارية بكر لعله يرجع اليك من نفسك ما كنت تعهد، فقال عبد الله: لىن قلت ذاك لقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: من استطاع منكم الباءة فليتزوج، فانه اغض للبصر، واحصن للفرج، ومن لم يستطع منكم فعليه بالصوم، فانه له وجاء صحيح


‘Alqamah said “I was going with ‘Abd Allaah bin Mas’ud at Mina where ‘Uthman met him and desired to have a talk with him in privacy”. When ‘Abd Allaah (bin Mas’ud) thought there was no need of privacy, he said to me “Come, ‘Alqamah So I came (to him)”. Then ‘Uthman said to him “Should we not marry you, Abu ‘Abd Al Rahman to a virgin girl, so that the power you have lost may return to you?” ‘Abd Allaah (bin Mas’ud) said “If you say that , I heard the Apostle of Allaah(ﷺ) say “ Those of you who can support a wife, should marry, for it keeps you from looking at strange women and preserve from unlawful intercourse, but those who cannot should devote themselves to fasting, for it is a means of suppressing sexual desire.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আলকামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২. ধার্মিক মহিলা বিয়ে করার নির্দেশ

২০৪৭। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নারীদেরকে (সাধারণত) চারটি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়। তার ধন-সম্পদ, বংশমর্যাদা, তার রূপসৌন্দর্য এবং তার দ্বীনদারী। তবে তুমি দ্বীনদার নারী বিয়ে করো। অন্যথায় তুমি লাঞ্ছিত হবে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ تَزْوِيجِ ذَاتِ الدِّينِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " تُنْكَحُ النِّسَاءُ لِأَرْبَعٍ: لِمَالِهَا، وَلِحَسَبِهَا، وَلِجَمَالِهَا، وَلِدِينِهَا، فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ
صحيح

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى يعني ابن سعيد، حدثني عبيد الله، حدثني سعيد بن ابي سعيد، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " تنكح النساء لاربع: لمالها، ولحسبها، ولجمالها، ولدينها، فاظفر بذات الدين تربت يداك صحيح


Abu Hurairah reported the Prophet (ﷺ) as saying “Women may be married for four reasons:
for her property, her ranks, her beauty and her religiosity. So get the one who is religious and prosper (lit. may your hands cleave to the dust).”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩. কুমারী মহিলা বিয়ে করা

২০৪৮। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বলি, হ্যাঁ। তিনি আবার বললেনঃ কুমারী না অকুমারী? আমি বললাম, অকুমারী। তিনি বললেনঃ তুমি কোনো কুমারী মেয়েকে বিয়ে করলে না কেন? তার সাথে তুমি খেলতে পারতে সেও তোমার সাথে খেলাধুলা করতে পারতো।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي تَزْوِيجِ الْأَبْكَارِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، أَخْبَرَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَتَزَوَّجْتَ؟ قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: بِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا فَقُلْتُ: ثَيِّبًا قَالَ: أَفَلَا بِكْرٌ تُلَاعِبُهَا وَتُلَاعِبُكَ
صحيح

حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا ابو معاوية، اخبرنا الاعمش، عن سالم بن ابي الجعد، عن جابر بن عبد الله، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: اتزوجت؟ قلت: نعم، قال: بكرا ام ثيبا فقلت: ثيبا قال: افلا بكر تلاعبها وتلاعبك صحيح


Jabir bin ‘Abd Allah said “The Apostle of Allaah(ﷺ) said to me “Did you marry?” I said “Yes”. He again said “Virgin or Non Virgin (woman previously married)?” I said “Non Virgin”. He said “Why (did you) not (marry) a virgin with whom you could sport and she could sport with you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে মহিলা সন্তান দিতে অক্ষম তাকে বিয়ে করা নিষেধ সম্পর্কে

২০৪৯। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে অভিযোগ করলো, আমার স্ত্রী কোনো স্পর্শকারীর হাতকে নিষেধ করে না। তিনি বললেনঃ তুমি তাকে ত্যাগ করো। সে বললো, আমার আশংকা আমার মন তার পিছনে ছুটবে। তিনি বললেনঃ (যেহেতু ব্যভিচারের প্রমাণ নেই) তাহলে তুমি তার থেকে ফায়দা হাসিল করো।[1]

সহীহ।

بَابُ النَّهْيِ عَنْ تَزْوِيجِ مَنْ لَمْ يَلِدْ مِنَ النِّسَاءِ

قَالَ أَبُو دَاوُدَ: كَتَبَ إِلَيَّ حُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: إِنَّ امْرَأَتِي لَا تَمْنَعُ يَدَ لَامِسٍ قَالَ: غَرِّبْهَا قَالَ: أَخَافُ أَنْ تَتْبَعَهَا نَفْسِي، قَالَ: فَاسْتَمْتِعْ بِهَا
صحيح

قال ابو داود: كتب الي حسين بن حريث المروزي، حدثنا الفضل بن موسى، عن الحسين بن واقد، عن عمارة بن ابي حفصة، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: ان امراتي لا تمنع يد لامس قال: غربها قال: اخاف ان تتبعها نفسي، قال: فاستمتع بها صحيح


Narrated Abdullah ibn Abbas:

A man came to the Prophet (ﷺ), and said: My wife does not prevent the hand of a man who touches her. He said: Divorce her. He then said: I am afraid my inner self may covet her. He said: Then enjoy her.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে মহিলা সন্তান দিতে অক্ষম তাকে বিয়ে করা নিষেধ সম্পর্কে

২০৫০। মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাতে উপস্থিত হয়ে বললো, আমি এক সুন্দরী ও মর্যাদা সম্পন্ন নারীর সন্ধান পেয়েছি। কিন্তু সে বন্ধ্যা। আমি কি তাকে বিয়ে করবো? তিনি বললেনঃ না। অতঃপর লোকটি দ্বিতীয়বার এসেও তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে নিষেধ করলেন। লোকটি তৃতীয়বার তাঁর নিকট এলে তিনি তাকে বললেনঃ এমন নারীকে বিয়ে করো, যে প্রেমময়ী এবং অধিক সন্তান প্রসবকারী। কেননা আমি অন্যান্য উম্মাতের কাছে তোমাদের সংখ্যাধিক্যের কারণে গর্ব করবো।[1]

হাসান সহীহ।

بَابُ النَّهْيِ عَنْ تَزْوِيجِ مَنْ لَمْ يَلِدْ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا مُسْتَلِمُ بْنُ سَعِيدٍ ابْنَ أُخْتِ مَنْصُورِ بْنِ زَاذَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ يَعْنِي ابْنَ زَاذَانَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: إِنِّي أَصَبْتُ امْرَأَةً ذَاتَ حَسَبٍ وَجَمَالٍ، وَإِنَّهَا لَا تَلِدُ، أَفَأَتَزَوَّجُهَا، قَالَ: لَا ثُمَّ أَتَاهُ الثَّانِيَةَ فَنَهَاهُ، ثُمَّ أَتَاهُ الثَّالِثَةَ، فَقَالَ: تَزَوَّجُوا الْوَدُودَ الْوَلُودَ فَإِنِّي مُكَاثِرٌ بِكُمُ الْأُمَمَ
حسن صحيح

حدثنا احمد بن ابراهيم، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا مستلم بن سعيد ابن اخت منصور بن زاذان، عن منصور يعني ابن زاذان، عن معاوية بن قرة، عن معقل بن يسار، قال: جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: اني اصبت امراة ذات حسب وجمال، وانها لا تلد، افاتزوجها، قال: لا ثم اتاه الثانية فنهاه، ثم اتاه الثالثة، فقال: تزوجوا الودود الولود فاني مكاثر بكم الامم حسن صحيح


Narrated Ma'qil ibn Yasar:

A man came to the Prophet (ﷺ) and said: I have found a woman of rank and beauty, but she does not give birth to children. Should I marry her? He said: No. He came again to him, but he prohibited him. He came to him third time, and he (the Prophet) said: Marry women who are loving and very prolific, for I shall outnumber the peoples by you.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ 'ব্যভিচারী কেবল ব্যভিচারিনীকে বিয়ে করবে'

২০৫১। আমর ইবনু শু’আইব (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। মারসাদ ইবনু আবূ মারসাদ আল-গানবী (রাযি.) মক্কা থেকে বন্দীদেরকে বহন করতেন। সে সময় মক্কাতে ’আনাক’ নাস্মী নামক এক ব্যভিচারিনী ছিলো। সে ছিলো মারসাদের বান্ধবী। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাতে উপস্থিত হয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি ’আনাক’ কে বিয়ে করবো? মারসাদ (রাযি.) বলেন, তিনি চুপ থাকলেন। অতঃপর আয়াত অবতীর্ণ হলো।’ ব্যভিচারিনীকে ব্যভিচারী অথবা মুশরিক ছাড়া অন্য কেউ বিয়ে করবে না। (সূরা আন-নূরঃ ৩)। তিনি আমাকে ডেকে এনে আয়াতটি শুনান এবং বলেনঃ তুমি তাকে বিয়ে করো না।[1]

হাসান সহীহ।

بَابٌ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى الزَّانِي لَا يَنْكِحُ إِلَّا زَانِيَةً

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَخْنَسِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ مَرْثَدَ بْنَ أَبِي مَرْثَدٍ الْغَنَوِيَّ كَانَ يَحْمِلُ الْأَسَارَى بِمَكَّةَ، وَكَانَ بِمَكَّةَ بَغِيٌّ يُقَالُ لَهَا: عَنَاقُ وَكَانَتْ صَدِيقَتَهُ، قَالَ: جِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنْكِحُ عَنَاقَ؟ قَالَ فَسَكَتَ عَنِّي، فَنَزَلَتْ: (وَالزَّانِيَةُ لَا يَنْكِحُهَا إِلَّا زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ) [النور: ٣] فَدَعَانِي فَقَرَأَهَا عَلَيَّ وَقَالَ: لَا تَنْكِحْهَا
حسن صحيح

حدثنا ابراهيم بن محمد التيمي، حدثنا يحيى، عن عبيد الله بن الاخنس، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، ان مرثد بن ابي مرثد الغنوي كان يحمل الاسارى بمكة، وكان بمكة بغي يقال لها: عناق وكانت صديقته، قال: جىت الى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله، انكح عناق؟ قال فسكت عني، فنزلت: (والزانية لا ينكحها الا زان او مشرك) [النور: ٣] فدعاني فقراها علي وقال: لا تنكحها حسن صحيح


Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As:

Marthad ibn AbuMarthad al-Ghanawi used to take prisoners (of war) from Mecca (to Medina). At Mecca there was a prostitute called Inaq who had illicit relations with him. (Marthad said:) I came to the Prophet (ﷺ) and said to him: May I marry Inaq, Messenger of Allah? The narrator said: He kept silence towards me. Then the verse was revealed:"....and the adulteress none shall marry save and adulterer or an idolater." He called me and recited this (verse) to me, and said: Do not marry her.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ 'ব্যভিচারী কেবল ব্যভিচারিনীকে বিয়ে করবে'

২০৫২। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাজা প্রাপ্ত ব্যভিচারী তার অনুরূপ কাউকে বিয়ে করবে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى الزَّانِي لَا يَنْكِحُ إِلَّا زَانِيَةً

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَأَبُو مَعْمَرٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ حَبِيبٍ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا يَنْكِحُ الزَّانِي الْمَجْلُودُ إِلَّا مِثْلَهُ. وَقَالَ أَبُو مَعْمَرٍ حَدَّثَنِي حَبِيبٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ
صحيح

حدثنا مسدد، وابو معمر، قالا: حدثنا عبد الوارث، عن حبيب، حدثني عمرو بن شعيب، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا ينكح الزاني المجلود الا مثله. وقال ابو معمر حدثني حبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب صحيح


Narrated AbuHurayrah:

The Prophet (ﷺ) said: The adulterer who has been flogged shall not marry save the one like him. AbuMa'mar said: Habib al-Mu'allim narrated (this tradition) to us on the authority of Amr ibn Shu'ayb.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর বিয়ে করে

২০৫৩। আবূ মূসা (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসীকে দাসত্ব মুক্ত করার পর বিয়ে করে সে দুটি পুরস্কারের অধিকারী।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يُعْتِقُ أَمَتَهُ ثُمَّ يَتَزَوَّجُهَا

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ أَعْتَقَ جَارِيَتَهُ وَتَزَوَّجَهَا كَانَ لَهُ أَجْرَانِ
صحيح

حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبثر، عن مطرف، عن عامر، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من اعتق جاريته وتزوجها كان له اجران صحيح


Abu Dawud reported the Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “Anyone who sets his slave girl free and then marries her, will have a double reward.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর বিয়ে করে

২০৫৪। আনাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যাহ (রাযি.)-কে মুক্ত করেন এবং এ মুক্তিকে তার মোহর হিসেবে গণ্য করেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يُعْتِقُ أَمَتَهُ ثُمَّ يَتَزَوَّجُهَا

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَعَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَعْتَقَ صَفِيَّةَ وَجَعَلَ عِتْقَهَا صَدَاقَهَا
صحيح

حدثنا عمرو بن عون، اخبرنا ابو عوانة، عن قتادة، وعبد العزيز بن صهيب، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم، اعتق صفية وجعل عتقها صداقها صحيح


Anas bin ‘Malik said “The Prophet(ﷺ) manumitted Safiyyah and made her manumission her dower.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর বিয়ে করে

২০৫৫। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রক্তের সম্পর্কের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম, অনুরূপভাবে দুধপান জনিত সম্পর্কের কারণেও তারা হারাম।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يُعْتِقُ أَمَتَهُ ثُمَّ يَتَزَوَّجُهَا

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ الْوِلَادَةِ
صحيح

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن سليمان بن يسار، عن عروة، عن عاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال: يحرم من الرضاعة ما يحرم من الولادة صحيح


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Prophet (ﷺ) said: What is unlawful by reason of consanguinity is unlawful by reason of fosterage.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৭. রক্তের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম তারা দুধপানের কারণেও হারাম

২০৫৬। উম্মু সালামাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। উম্মু হাবীবাহ (রাযি.) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার বোনের প্রতি কোনো প্রয়োজন আছে কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাকে দিয়ে আমার কি দরকার? তিনি বললেন, তাকে বিয়ে করবেন। তিনি বললেনঃ তোমার বোন? উম্মু হাবীবাহ (রাযি.) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি এরূপ পছন্দ করো? তিনি বললেন, ’’আমি তো আপনার একমাত্র স্ত্রী না। কাজেই আমার ইচ্ছা, আমার বোনও আমার সাথে কল্যাণে শরীক হোক।’’ তিনি বললেনঃ আমার জন্য এরূপ হালাল নয়।

উম্মু হাবীবাহ (রাযি.) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি জেনেছি, আপনি আবূ সালামাহর কন্যা ’দোররাহ’-কে বিয়ে করতে আগ্রহী? তিনি বললেনঃ তুমি বলতে চাইছো আমি উম্মু সালামাহর কন্যাকে বিয়ে করতে চাই। উম্মু হাবীবাহ (রাযি.) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ সে আমার সপত্নী কন্যাও না হলেও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য বৈধ হতো না। যেহেতু সে দুধ সম্পর্কের কারণে আমার ভ্রাতুষ্পুত্রী। আমি এবং তার পিতা আবূ সালামাহ উভয়কে সুয়াইবিয়্যাহ দুধ পান করিয়েছেন। সুতরাং তোমাদের কন্যা ও ভগ্নিকে আমার জন্য পেশ করো না।[1]

সহীহ।

بَابُ يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ النَّسَبِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ، قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلْ لَكَ فِي أُخْتِي؟ قَالَ: فَأَفْعَلُ مَاذَا؟، قَالَتْ: فَتَنْكِحُهَا، قَالَ: أُخْتَكِ؟، قَالَتْ: نَعَمْ، قَالَ: أَوَتُحِبِّينَ ذَلِكَ؟، قَالَتْ: لَسْتُ بِمُخْلِيَةٍ بِكَ وَأَحَبُّ مَنْ شَرِكَنِي فِي خَيْرٍ أُخْتِي، قَالَ: فَإِنَّهَا لَا تَحِلُّ لِي، قَالَتْ: فَوَاللَّهِ لَقَدْ أُخْبِرْتُ أَنَّكَ تَخْطُبُ دُرَّةَ - أَوْ ذُرَّةَ - شَكَّ زُهَيْرٌ بِنْتَ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ؟، قَالَتْ: نَعَمْ، قَالَ: أَمَا وَاللَّهِ لَوْ لَمْ تَكُنْ رَبِيبَتِي فِي حِجْرِي، مَا حَلَّتْ لِي إِنَّهَا ابْنَةُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ، أَرْضَعَتْنِي وَأَبَاهَا ثُوَيْبَةُ، فَلَا تَعْرِضْنَة عَلَيَّ بَنَاتِكُنَّ وَلَا أَخَوَاتِكُنَّ
صحيح

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن زينب بنت ام سلمة، عن ام سلمة، ان ام حبيبة، قالت: يا رسول الله، هل لك في اختي؟ قال: فافعل ماذا؟، قالت: فتنكحها، قال: اختك؟، قالت: نعم، قال: اوتحبين ذلك؟، قالت: لست بمخلية بك واحب من شركني في خير اختي، قال: فانها لا تحل لي، قالت: فوالله لقد اخبرت انك تخطب درة - او ذرة - شك زهير بنت ابي سلمة، قال: بنت ام سلمة؟، قالت: نعم، قال: اما والله لو لم تكن ربيبتي في حجري، ما حلت لي انها ابنة اخي من الرضاعة، ارضعتني واباها ثويبة، فلا تعرضنة علي بناتكن ولا اخواتكن صحيح


Umm Salamah reported Umm Habibah said “Are you interested in my sister, Apostle of Allaah(ﷺ)?” He said “What should I do?” She said “You marry her” He said “Your sister?” She said “Yes”. He said “Do you like that?” she said “I am not alone with you of those who share me in this good, my sister is most to my liking. He said “She is not lawful for me.” She said “By Allaah, I was told that you were going to betroth with you Darrah to Durrah , the narrator Zuhair doubted the daughter of Abu Salamah. He said “The daughter of Umm Salamah? She said “Yes”. He said “(She is my step daughter). Even if she had not been my step daughter under my protection, she would not have been lawful for me. She is my foster niece (daughter of my brother by fosterage). Thuwaibah suckled me as well as his father (Abu Salamah). So do not present to me your daughters and your sisters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৮. দুধপিতা সম্পর্কে

২০৫৭। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবুল কুয়াইসের পুত্র আফলাহ (রাযি.) আমার কাছে এলে আমি তার থেকে পর্দা করলাম। তিনি বললেন, তুমি আমার থেকে পর্দা করছো? অথচ আমি তোমার চাচা। আমি বললাম, তা কেমন করে? তিনি বললেন, আমার ভাইয়ের স্ত্রী তোমাকে দুধ পান করিয়েছে। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বললেন, আমাকে তো একজন মহিলা দুধ পান করিয়েছেন, কোনো পুরুষ তো নয়। এমন সময় আমার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন। আমি তাঁকে ঘটনাটি জানালে তিনি বললেনঃ সে তোমার চাচা। সুতরাং সে তোমার নিকট আসতে পারে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي لَبَنِ الْفَحْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ أَفْلَحُ بْنُ أَبِي الْقُعَيْسِ فَاسْتَتَرْتُ مِنْهُ، قَالَ: تَسْتَتِرِينَ مِنِّي وَأَنَا عَمُّكِ، قَالَتْ: قُلْتُ: مِنْ أَيْنَ؟ قَالَ: أَرْضَعَتْكِ امْرَأَةُ أَخِي، قَالَتْ: إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ وَلَمْ يُرْضِعْنِي الرَّجُلُ، فَدَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَدَّثْتُهُ، فَقَالَ: إِنَّهُ عَمُّكِ فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ
صحيح

حدثنا محمد بن كثير العبدي، اخبرنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن عاىشة رضي الله عنها، قالت: دخل علي افلح بن ابي القعيس فاستترت منه، قال: تستترين مني وانا عمك، قالت: قلت: من اين؟ قال: ارضعتك امراة اخي، قالت: انما ارضعتني المراة ولم يرضعني الرجل، فدخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم فحدثته، فقال: انه عمك فليلج عليك صحيح


Aflah ibn AbulQu'ays entered upon me. I hid myself from him. He said: You are hiding yourself from me while I am your paternal uncle. She said: I said: From where? He said: The wife of my brother suckled you. She said: The woman suckled me and not the man. Thereafter the Messenger of Allah (ﷺ) entered upon me and I told him this matter. He said: He is your paternal uncle; he may enter upon you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৯. বয়স্ক লোকেরা দুধপান সম্পর্কে

২০৫৮। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে এমন সময় আসলেন যখন তার নিকট একটি লোক উপস্থিত ছিলো। হাফস-এর বর্ণনায় রয়েছে, এ দৃশ্য দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসন্তুষ্ট হলেন এবং তাঁর চেহারা বিবর্ণ হলো। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী একমত হয়ে বর্ণনা করেন যে, ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইনি তো আমার দুধভাই। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ যাচাই করে দেখো, কারা তোমার দুধ ভাই। কেননা দুধের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র ঐ সময় যখন শিশুর একমাত্র খাদ্য হবে দুধ।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي رِضَاعَةِ الْكَبِيرِ

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، الْمَعْنَى وَاحِدٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا رَجُلٌ، قَالَ حَفْصٌ: فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ، وَتَغَيَّرَ وَجْهُهُ، ثُمَّ اتَّفَقَا قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ، فَقَالَ: انْظُرْنَ مَنْ إِخْوَانُكُنَّ، فَإِنَّمَا الرَّضَاعَةُ مِنَ الْمَجَاعَةِ
صحيح

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن اشعث بن سليم، عن ابيه، عن مسروق، عن عاىشة، المعنى واحد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل، قال حفص: فشق ذلك عليه، وتغير وجهه، ثم اتفقا قالت: يا رسول الله، انه اخي من الرضاعة، فقال: انظرن من اخوانكن، فانما الرضاعة من المجاعة صحيح


A’ishah said the Apostle of Allaah(ﷺ) visited her when a man was with her. The narrator Hafs said “this grieved him and he frowned”. The agreed version then goes, She said “He is my foster brother Apostle of Allaah(ﷺ)”. He said “Consider, who are you brethren, for fosterage is consequent on hunger.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৯. বয়স্ক লোকেরা দুধপান সম্পর্কে

২০৫৯। ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বললেন, (দুধের দ্বারা) হাড় মজবুত করা এবং মাংস বৃদ্ধি করা ছাড়া দুধের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় না। তখন আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাযি.) বললেন, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো না, এ বিষয়ে তোমরা জ্ঞাত।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي رِضَاعَةِ الْكَبِيرِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ مُطَهَّرٍ، أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنٍ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: لَا رِضَاعَ إِلَّا مَا شَدَّ الْعَظْمَ وَأَنْبَتَ اللَّحْمَ، فَقَالَ أَبُو مُوسَى: لَا تَسْأَلُونَا وَهَذَا الْحَبْرُ فِيكُمْ
صحيح

حدثنا عبد السلام بن مطهر، ان سليمان بن المغيرة، حدثهم عن ابي موسى، عن ابيه، عن ابن لعبد الله بن مسعود، عن ابن مسعود، قال: لا رضاع الا ما شد العظم وانبت اللحم، فقال ابو موسى: لا تسالونا وهذا الحبر فيكم صحيح


‘Abd Allaah bin Mas’ud said “Fosterage is not valid except by what strengthens love and grows flesh.” Abu Musa said “Do not ask us so long as this learned man is among us”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৯. বয়স্ক লোকেরা দুধপান সম্পর্কে

২০৬০। ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় রয়েছেঃ যখন হাড় বিস্তৃত হয়।[1]

দুর্বলঃ মাওকুফ হওয়াটা সঠিক। যা এর পূর্বেরটিতে রয়েছে। ইরওয়া (২১৫৩), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬২৯০)।

بَابٌ فِي رِضَاعَةِ الْكَبِيرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْهِلَالِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَعْنَاهُ، وَقَالَ: أَنْشَزَ الْعَظْمَ

ضعيف وة الصواب وقفه، و هو الذي قبله //، الإرواء (٢١٥٣)، ضعيف الجامع الصغير (٦٢٩٠)

حدثنا محمد بن سليمان الانباري، حدثنا وكيع، عن سليمان بن المغيرة، عن ابي موسى الهلالي، عن ابيه، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه، وقال: انشز العظم ضعيف وة الصواب وقفه، و هو الذي قبله //، الارواء (٢١٥٣)، ضعيف الجامع الصغير (٦٢٩٠)


The aforesaid tradition has also been narrated by Ibn Mas’ud through a different chain of narrators and to the same effect from the Prophet (ﷺ). This version has the words anshaz al-‘azma meaning which nourishes bones and makes them sturdy and vigorous.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১০. বয়স্ক লোক দুধপান করলে যা নিষিদ্ধ হয়

২০৬১। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী আয়িশাহ ও উম্মু সালামাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। আবূ হুযাইফাহ ইবনু ’উতবাহ ইবনু রাবী’আহ ইবনু ’আবদি শাম্‌স সালিমকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করে তার সাথে স্বীয় ভাতিজী ওয়ালীদ ইবনু ’উতবাহ ইবনু রাবী’আহর মেয়ে হিন্দাকে বিয়ে দেন। সালিম এক আনসারী মহিলার ক্রীতদাস ছিলো। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়িদকে পালক পুত্র হিসাবে লালন করেছিলেন। জাহিলী যুগের নিয়ম ছিলো, কেউ কাউকে পালক পুত্র হিসাবে গ্রহণ করলে লোকেরা তাকে ঐ ব্যক্তির পুত্র হিসেবে সম্বোধন করতো এবং ঐ লোক মারা গেলে পরিত্যক্ত সম্পদের উত্তরাধিকারীও তাকে করা হতো।

কিন্তু যখন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ’’তাদেরকে (পালক পুত্রদেরকে) তাদের (প্রকৃত) পিতার নামে ডাকবে। তারা তোমাদের দীনি ভাই ও বন্ধু’’ (সূরা আহযাবঃ)। অতঃপর তাদের প্রকৃত পিতার নাম ধরেই ডাকা আরম্ভ হয়। আর পিতার সন্ধান না পাওয়া গেলে তাকে বন্ধু ও দীনি ভাই বলে ডাকা হতো। পরবর্তীতে আবূ হুযাইফাহ ইবনু ’উত্ববাহর স্ত্রী সাহলা সুহাইল ইবনু ’আমর আল-কুরাইশী আল-’আমিরী (রাযি.) এসে বলেন, হে আল্লাহ রাসূল! সালিমকে আমরা আমাদের পুত্র গণ্য করি। সে আমার ও আবূ হুযাইফাহর সাথে একই ঘরে থাকে। আর সে আমাকে একই বস্ত্রের মধ্যে দেখেছে। আল্লাহ যা কিছু অবতীর্ণ করেছেন আপনি তা ভালোভাবে অবহিত। এখন তার ব্যাপারে আপনি কি নির্দেশ দেন?

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে তোমার দুধ পান করাও। সুতরাং তিনি তাকে পাঁচ ঢোক দুধ পান করান। তখন থেকে সে তার দুধ পানকারী সন্তান গণ্য হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ’আয়িশাহ্ (রাঃ) তার ভাগ্নী ও ভাতিজীদেরকে নির্দেশ দিতেন যে, ’আয়িশাহ্ (রাঃ) নিজে যাদেরকে সাক্ষাৎ দান ও যাদের আগমন পছন্দ করতেন, তাদেরকে যেন পাঁচ ঢোক নিজেদের দুধ পান করানো হয়, তাদের বয়স দুধ পানের বয়সের (দু’বছরের) বেশী হয়েও। অতঃপর তারা ’আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর কাছে সরাসরি আসতো।

কিন্তু উম্মু সালামাহ (রাযি.) এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্যান্য স্ত্রীগণ যে কোনো ব্যক্তিকে এরূপ দুধসন্তান বানিয়ে তাদের কাছে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি বর্জন করলেন, যতক্ষণ না শিশু বয়সে দুধ পান করা হয়। তারা ’আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমাদের জানা নেই, সম্ভবত সালিমের বিষয়ে এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি বিশেষ অনুমোদন ছিলো যা অন্য কারোর জন্য প্রযোজ্য নয়।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِيمَنْ حَرَّمَ بِهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ، حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ أَبَا حُذَيْفَةَ بْنَ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ شَمْسٍ، كَانَ تَبَنَّى سَالِمًا وَأَنْكَحَهُ ابْنَةَ أَخِيهِ هِنْدَ بِنْتَ الْوَلِيدِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ وَهُوَ مَوْلًى لِامْرَأَةٍ مِنَ الْأَنْصَارِ كَمَا تَبَنَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَيْدًا وَكَانَ مَنْ تَبَنَّى رَجُلًا فِي الْجَاهِلِيَّةِ دَعَاهُ النَّاسُ إِلَيْهِ وَوُرِّثَ مِيرَاثَهُ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى فِي ذَلِكَ (ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ) [الأحزاب: ٥] إِلَى قَوْلِهِ (فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ) [الأحزاب: ٥] فَرُدُّوا إِلَى آبَائِهِمْ، فَمَنْ لَمْ يُعْلَمْ لَهُ أَبٌ كَانَ مَوْلًى وَأَخًا فِي الدِّينِ، فَجَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلِ بْنِ عَمْرٍو الْقُرَشِيِّ، ثُمَّ الْعَامِرِيِّ وَهِيَ امْرَأَةُ أَبِي حُذَيْفَةَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا كُنَّا نَرَى سَالِمًا وَلَدًا، وَكَانَ يَأْوِي مَعِي وَمَعَ أَبِي حُذَيْفَةَ، فِي بَيْتٍ وَاحِدٍ، وَيَرَانِي فُضْلًا، وَقَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِيهِمْ مَا قَدْ عَلِمْتَ فَكَيْفَ تَرَى فِيهِ؟ فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَرْضِعِيهِ فَأَرْضَعَتْهُ خَمْسَ رَضَعَاتٍ فَكَانَ بِمَنْزِلَةِ وَلَدِهَا مِنَ الرَّضَاعَةِ، فَبِذَلِكَ كَانَتْ عَائِشَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا تَأْمُرُ بَنَاتِ أَخَوَاتِهَا وَبَنَاتِ إِخْوَتِهَا أَنْ يُرْضِعْنَ مَنْ أَحَبَّتْ عَائِشَةُ أَنْ يَرَاهَا وَيَدْخُلَ عَلَيْهَا، وَإِنْ كَانَ كَبِيرًا خَمْسَ رَضَعَاتٍ، ثُمَّ يَدْخُلُ عَلَيْهَا وَأَبَتْ أُمُّ سَلَمَةَ وَسَائِرُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُدْخِلْنَ عَلَيْهِنَّ بِتِلْكَ الرَّضَاعَةِ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ، حَتَّى يَرْضَعَ فِي الْمَهْدِ، وَقُلْنَ لِعَائِشَةَ وَاللَّهِ مَا نَدْرِي لَعَلَّهَا كَانَتْ رُخْصَةً مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِسَالِمٍ دُونَ النَّاسِ
صحيح

حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، عن عاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، وام سلمة، ان ابا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس، كان تبنى سالما وانكحه ابنة اخيه هند بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة وهو مولى لامراة من الانصار كما تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا وكان من تبنى رجلا في الجاهلية دعاه الناس اليه وورث ميراثه حتى انزل الله سبحانه وتعالى في ذلك (ادعوهم لاباىهم) [الاحزاب: ٥] الى قوله (فاخوانكم في الدين ومواليكم) [الاحزاب: ٥] فردوا الى اباىهم، فمن لم يعلم له اب كان مولى واخا في الدين، فجاءت سهلة بنت سهيل بن عمرو القرشي، ثم العامري وهي امراة ابي حذيفة، فقالت: يا رسول الله، انا كنا نرى سالما ولدا، وكان ياوي معي ومع ابي حذيفة، في بيت واحد، ويراني فضلا، وقد انزل الله عز وجل فيهم ما قد علمت فكيف ترى فيه؟ فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم: ارضعيه فارضعته خمس رضعات فكان بمنزلة ولدها من الرضاعة، فبذلك كانت عاىشة رضي الله عنها تامر بنات اخواتها وبنات اخوتها ان يرضعن من احبت عاىشة ان يراها ويدخل عليها، وان كان كبيرا خمس رضعات، ثم يدخل عليها وابت ام سلمة وساىر ازواج النبي صلى الله عليه وسلم ان يدخلن عليهن بتلك الرضاعة احدا من الناس، حتى يرضع في المهد، وقلن لعاىشة والله ما ندري لعلها كانت رخصة من النبي صلى الله عليه وسلم لسالم دون الناس صحيح


A’ishah wife of the Prophet(ﷺ) and Umm Salamah said “Abu Hudaifah bin ‘Utbah bin Rabi’ah bin ‘Abd Shams adopted Salim as his son and married him to his niece Hind, daughter of Al Walid bin ‘Utbah bin Rabi’ah. He (Salim) was the freed slave of a woman from the Ansar (the Helpers) as the Apostle of Allaah(ﷺ) adopted Zaid as his son. In pre Islamic days when anyone adopted a man as his son, the people called him by his name and he was given a share from his inheritance. Allaah, the Exalted, revealed about this matter “Call them by (the name of) their fathers, that is juster in the sight of Allaah. And if ye know not their fathers, then (they are) your brethren in the faith and your clients. They were then called by their names of their fathers. A man, whose father was not known, remained under the protection of someone and considered brother in faith. Sahlah daughter of Suhail bin Amr Al Quraishi then came and said Apostle of Allaah(ﷺ), we used to consider Salim(our) son. He dwelled with me and Abu Hudhaifah in the same house, and he saw me in the short clothes, but Allaah the Exalted, has revealed about them what you know, then what is your opinion about him? The Prophet (ﷺ) said give him your breast feed. She gave him five breast feeds. He then became like her foster son. Hence, A’ishah(may Allaah be pleased with her) used to ask the daughters of her sisters and the daughters of her brethren to give him breast feed five times, whom A’ishah wanted to see and who wanted to visit her. Though he might be of age; he then visited her. But Umm Salamah and all other wives of the Prophet (ﷺ) refused to allow anyone to visit them on the basis of such breast feeding unless one was given breast feed during infancy. They told A’ishah by Allaah we do not know whether that was a special concession granted by the Prophet (ﷺ) to Salim exclusive of the people.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১১. পাঁচ ঢোকের কম দুধপানে নিষিদ্ধ সম্পর্ক স্থাপিত হয় কিনা?

২০৬২। আয়িশাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ কুরআনে প্রথম অবতীর্ণ করেছিলেন যে, দশ ঢোক দুধ পান করলেই বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম। অতঃপর এ বিধান মানসূখ করে পাঁচ ঢোক পানে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারামের বিধান বহাল করা হয়। কুরআনের এই বিধান পাঠ বহাল রেখেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন।[1]

সহীহ।

بَابُ هَلْ يُحَرِّمُ مَا دُونَ خَمْسِ رَضَعَاتٍ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: كَانَ فِيمَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مِنَ الْقُرْآنِ عَشْرُ رَضَعَاتٍ يُحَرِّمْنَ، ثُمَّ نُسِخْنَ بِخَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ يُحَرِّمْنَ، فَتُوُفِّيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُنَّ مِمَّا يُقْرَأُ مِنَ الْقُرْآنِ
صحيح

حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عاىشة، انها قالت: كان فيما انزل الله عز وجل من القران عشر رضعات يحرمن، ثم نسخن بخمس معلومات يحرمن، فتوفي النبي صلى الله عليه وسلم وهن مما يقرا من القران صحيح


A’ishah said “In what was sent down in the Qu’ran ten suckling’s made marriage unlawful, but they were abrogated by five known ones and when the Prophet (ﷺ) dies, these words were among what was recited in the Qur’an.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১১. পাঁচ ঢোকের কম দুধপানে নিষিদ্ধ সম্পর্ক স্থাপিত হয় কিনা?

২০৬৩। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একবার অথবা দুইবার চোষার কারণে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম হয় না।[1]

সহীহ।

بَابُ هَلْ يُحَرِّمُ مَا دُونَ خَمْسِ رَضَعَاتٍ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ وَلَا الْمَصَّتَانِ
صحيح

حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا اسماعيل، عن ايوب، عن ابن ابي مليكة، عن عبد الله بن الزبير، عن عاىشة رضي الله عنها، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تحرم المصة ولا المصتان صحيح


A’ishah reported “The Apostle of Allaah(ﷺ) as saying One or two sucks does not make marriage unlawful”.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১২. দুধপান ছাড়ার সময় প্রতিদান দেয়া

২০৬৪। হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমার দুধের হক কিভাবে পূর্ণরূপে আদায় হতে পারে? তিনি বললেনঃ একটি দাস বা দাসী প্রদানের দ্বারা।[1]

দুর্বলঃ মিশকাত (৩১৭৪), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৯৬/১১৬৯), যঈফ সুনান নাসায়ী (২১৩/৩৩২৯)।

بَابٌ فِي الرَّضْخِ عِنْدَ الْفِصَالِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وحَدَّثَنَا ابْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرَّضَاعَةِ؟، قَالَ: الْغُرَّةُ الْعَبْدُ أَوِ الْأَمَةُ. قَالَ النُّفَيْلِيُّ: حَجَّاجُ بْنُ حَجَّاجٍ الْأَسْلَمِيُّ وَهَذَا لَفْظُهُ

ضعيف//، المشكاة (٣١٧٤)، ضعيف سنن الترمذي (١٩٦/١١٦٩)، ضعيف سنن النساني (٢١٣/٣٣٢٩)

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا ابو معاوية، ح وحدثنا ابن العلاء، حدثنا ابن ادريس، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن حجاج بن حجاج، عن ابيه، قال: قلت: يا رسول الله، ما يذهب عني مذمة الرضاعة؟، قال: الغرة العبد او الامة. قال النفيلي: حجاج بن حجاج الاسلمي وهذا لفظه ضعيف//، المشكاة (٣١٧٤)، ضعيف سنن الترمذي (١٩٦/١١٦٩)، ضعيف سنن النساني (٢١٣/٣٣٢٩)


Narrated Hajjaj ibn Malik al-Aslami:

I asked: Messenger of Allah, what will remove from me the obligation due for fostering a child? He said: A slave or a slave-woman.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যেসব মহিলাকে একত্রে বিয়ে করা জায়িয নয়

২০৬৫। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো নারীকে তার ফুফুর সাথে এবং কোনো ফুফুকে তার ভাতিজীর সাথে একত্রে বিয়ে করা যাবে না। অনুরূপভাবে কোনো নারী ও তার খালা এবং কোনো খালা ও তার ভাগ্নীকে একত্রে বিয়ে কারা যাবে না। অনুরূপ বড় (বোন)-কে ছোট (বোনের) সাথে এবং ছোটকে বড় (বোনের) সাথেও একত্রে বিয়ে করা যাবে না।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ عَلَى عَمَّتِهَا، وَلَا الْعَمَّةُ عَلَى بِنْتِ أَخِيهَا، وَلَا الْمَرْأَةُ عَلَى خَالَتِهَا، وَلَا الْخَالَةُ عَلَى بِنْتِ أُخْتِهَا، وَلَا تُنْكَحُ الْكُبْرَى عَلَى الصُّغْرَى، وَلَا الصُّغْرَى عَلَى الْكُبْرَى
صحيح

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا داود بن ابي هند، عن عامر، عن ابي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تنكح المراة على عمتها، ولا العمة على بنت اخيها، ولا المراة على خالتها، ولا الخالة على بنت اختها، ولا تنكح الكبرى على الصغرى، ولا الصغرى على الكبرى صحيح


Abu Hurairah reported The Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “ A woman should not be married to one who had married her paternal aunt or a paternal aunt to one who had married her brother’s daughter or a woman to one who had married her maternal aunt or maternal aunt to one who had married her sister’s daughter. A woman who is elder (in relation) must not be married to one who had married a woman who is younger (in relation) to her nor a woman who is younger (in relation) must be married to one who has married a woman who is elder (in relation) to her.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যেসব মহিলাকে একত্রে বিয়ে করা জায়িয নয়

২০৬৬। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো মহিলাকে তার খালার সাথে এবং কোনো মহিলাকে তার ফুফুর সাথে একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي قَبِيصَةُ بْنُ ذُؤَيْبٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَخَالَتِهَا، وَبَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا
صحيح

حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عنبسة، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني قبيصة بن ذويب، انه سمع ابا هريرة، يقول: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يجمع بين المراة وخالتها، وبين المراة وعمتها صحيح


Abu Hurairah said “The Apostle of Allah (ﷺ) forbade that a woman and her maternal aunt and a woman and her paternal aunt are joined in marriage (to the same man).”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যেসব মহিলাকে একত্রে বিয়ে করা জায়িয নয়

২০৬৭। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন দুই মহিলাকে একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে ফুফু ও ভাতিজী এবং খালা ও ভাগ্নী। অনুরূপভাবে তিনি এমন দু’জন মহিলাকেও একত্রে বিয়ে করতে নিষেধ করেছেন যারা পরস্পর খালা বা ফুফু।[1]

দুর্বল।

بَابُ مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا خَطَّابُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَرِهَ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَ الْعَمَّةِ وَالْخَالَةِ، وَبَيْنَ الْخَالَتَيْنِ وَالْعَمَّتَيْنِ
ضعيف

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا خطاب بن القاسم، عن خصيف، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كره ان يجمع بين العمة والخالة، وبين الخالتين والعمتين ضعيف


Narrated Abdullah ibn Abbas:

The Prophet (ﷺ) abominated the combination of paternal and maternal aunts and the combination of two maternal aunts and two paternal aunts in marriage.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যেসব মহিলাকে একত্রে বিয়ে করা জায়িয নয়

২০৬৮। ইবনু শিহাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’উরওয়াহ ইবনুয যুবায়ের (রহ.) আমাকে বলেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ’আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে এ আয়াতের অর্থ জিজ্ঞেস করেছিলেনঃ ’’তোমরা যদি ভয় করো, ইয়াতীমদের প্রতি ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে তোমরা তোমাদের পছন্দ অনুযায়ী অন্য মহিলা বিয়ে করো।’’ (সূরা আন-নিসাঃ ৩)। তিনি বললেন, হে আমার ভাগ্নে! এ আয়াত ঐসব ইয়াতীম বালিকা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যারা কারো তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং সে তার সম্পদের অংশীদার। সে তার সৌন্দর্য ও সম্পদকেও পছন্দ করে। এমতাবস্থায় সে তাকে বিয়ে করতে আগ্রহী, কিন্তু অন্য মহিলাকে তার অনুরূপ মোহর আদায় করতে অনিচ্ছুক। এরূপ অভিবাকদেরকে ঐ ইয়াতীম বালিকাদের বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে যতক্ষণ না তারা পূর্ণ মোহর দেয় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে। আর তাদেরকে নিজেদের পছন্দ মতো অন্য মহিলা বিয়ে করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

’উরওয়াহ (রহ.) বলেন, ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেছেন, পরবর্তীতে লোকেরা এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইয়াতীম বালিকাদের বিষয়ে ফতোয়া চাইলে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ ও আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ’’লোকেরা আপনার কাছে নারীদের বিষয়ে ফতোয়া জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, আল্লাহ তাদের সম্পর্কে তোমাদেরকে সমাধান দিয়েছেন। এ কিতাবের মাধ্যমে শুনানো হচ্ছে হুকুমগুলো এই যে, তাদের জন্য যে মোহর নির্ধারিত তোমরা তা আদায় করো না অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে আগ্রহী।’’ (নিসাঃ ১২৭)।

’আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়ে মহান আল্লাহর কিতাবের মধ্যে তাদের উপর যা অবতীর্ণ করেছেন তা হচ্ছে, প্রথমের সে আয়াতটি যেখানে আল্লাহ বলেছেন, ’’তোমরা যদি ভয় করো যে, ইয়াতীমদের প্রতি ইনসাফ করতে পারবে না তাহলে তোমরা নিজেদের পছন্দ মোতাবেক অন্য নারী বিয়ে করো।’’ ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেছেন, ইয়াতীম বালিকা সুন্দরী এবং সম্পদশালী না হলে অভিভাবকরা এর কমতি দেখিয়ে তাদেরকে বাদ দিয়ে অন্য নারী বিয়ে করতো। সুতরাং তাদেরকে বলা হয়েছে, স্বার্থের বেলায় পূর্ণ ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করো এবং পুরো মোহর আদায় করা ছাড়া এসব ইয়াতীমকে বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ তারা এসব ইয়াতীমের হক আদায় করতে চাইতো না।

ইউনুস বলেন, রাবী’আহ, আল্লাহর বাণীঃ (وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى) এর অর্থ করেছেন, তোমরা যদি ভয় করো যে, ইয়াতীমদের প্রতি ইনসাফ করতে পারবে না, তবে তাদেরকে পরিত্যাগ করো। কেননা আমি তোমাদের জন্য চারজন মহিলা পর্যন্ত বিয়ে করা হালাল করেছি।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، عَنْ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى، (وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ) [النساء: ٣]، قَالَتْ: يَا ابْنَ أُخْتِي هِيَ الْيَتِيمَةُ تَكُونُ فِي حِجْرِ وَلِيِّهَا فَتُشَارِكُهُ فِي مَالِهِ، فَيُعْجِبُهُ مَالُهَا وَجَمَالُهَا، فَيُرِيدُ وَلِيُّهَا أَنْ يَتَزَوَّجَهَا بِغَيْرِ أَنْ يُقْسِطَ فِي صَدَاقِهَا فَيُعْطِيَهَا مِثْلَ مَا يُعْطِيهَا غَيْرُهُ، فَنُهُوا أَنْ يَنْكِحُوهُنَّ إِلَّا أَنْ يُقْسِطُوا لَهُنَّ، وَيَبْلُغُوا بِهِنَّ أَعْلَى سُنَّتِهِنَّ مِنَ الصَّدَاقِ، وَأُمِرُوا أَنْ يَنْكِحُوا مَا طَابَ لَهُمْ مِنَ النِّسَاءِ سِوَاهُنَّ، قَالَ عُرْوَةُ: قَالَتْ عَائِشَةُ: ثُمَّ إِنَّ النَّاسَ اسْتَفْتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ هَذِهِ الْآيَةِ فِيهِنَّ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ (وَيَسْتَفْتُونَكَ فِي النِّسَاءِ، قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِيهِنَّ وَمَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ فِي يَتَامَى النِّسَاءِ اللَّاتِي لَا تُؤْتُونَهُنَّ مَا كُتِبَ لَهُنَّ وَتَرْغَبُونَ، أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ) [النساء: ١٢٧] قَالَتْ: وَالَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ أَنَّهُ يُتْلَى عَلَيْهِمْ فِي الْكِتَابِ الْآيَةُ الْأُولَى الَّتِي قَالَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ فِيهَا (وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ) [النساء: ٣]. قَالَتْ عَائِشَةُ: وَقَوْلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فِي الْآيَةِ الْآخِرَةِ (وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ) [النساء: ١٢٧] هِيَ رَغْبَةُ أَحَدِكُمْ عَنْ يَتِيمَتِهِ الَّتِي تَكُونُ فِي حِجْرِهِ حِينَ تَكُونُ قَلِيلَةَ الْمَالِ وَالْجَمَالِ، فَنُهُوا أَنْ يَنْكِحُوا مَا رَغِبُوا فِي مَالِهَا وَجَمَالِهَا مِنْ يَتَامَى النِّسَاءِ إِلَّا بِالْقِسْطِ، مِنْ أَجْلِ رَغْبَتِهِمْ عَنْهُنَّ. قَالَ يُونُسُ: وَقَالَ رَبِيعَةُ: فِي قَوْلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ (وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى) [النساء: ٣] قَالَ: يَقُولُ: اتْرُكُوهُنَّ إِنْ خِفْتُمْ فَقَدْ أَحْلَلْتُ لَكُمْ أَرْبَعًا
صحيح

حدثنا احمد بن عمرو بن السرح المصري، حدثنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة بن الزبير، انه سال عاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، عن قول الله تعالى، (وان خفتم الا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء) [النساء: ٣]، قالت: يا ابن اختي هي اليتيمة تكون في حجر وليها فتشاركه في ماله، فيعجبه مالها وجمالها، فيريد وليها ان يتزوجها بغير ان يقسط في صداقها فيعطيها مثل ما يعطيها غيره، فنهوا ان ينكحوهن الا ان يقسطوا لهن، ويبلغوا بهن اعلى سنتهن من الصداق، وامروا ان ينكحوا ما طاب لهم من النساء سواهن، قال عروة: قالت عاىشة: ثم ان الناس استفتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد هذه الاية فيهن فانزل الله عز وجل (ويستفتونك في النساء، قل الله يفتيكم فيهن وما يتلى عليكم في الكتاب في يتامى النساء اللاتي لا توتونهن ما كتب لهن وترغبون، ان تنكحوهن) [النساء: ١٢٧] قالت: والذي ذكر الله انه يتلى عليهم في الكتاب الاية الاولى التي قال الله سبحانه فيها (وان خفتم الا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء) [النساء: ٣]. قالت عاىشة: وقول الله عز وجل في الاية الاخرة (وترغبون ان تنكحوهن) [النساء: ١٢٧] هي رغبة احدكم عن يتيمته التي تكون في حجره حين تكون قليلة المال والجمال، فنهوا ان ينكحوا ما رغبوا في مالها وجمالها من يتامى النساء الا بالقسط، من اجل رغبتهم عنهن. قال يونس: وقال ربيعة: في قول الله عز وجل (وان خفتم الا تقسطوا في اليتامى) [النساء: ٣] قال: يقول: اتركوهن ان خفتم فقد احللت لكم اربعا صحيح


Ibn Shihab said “’Urwah bin Al Zubair asked A’ishah , wife of the Prophet(ﷺ) about the Qur’anic verse “And if ye fear that ye will not deal fairly by the orphans, marry of the women, who seem good to you.” She said “O my nephew, this means the female orphan who is under the protection of her guardian and she holds a share in his property and her property and beauty attracts him; so her guardian intends to marry her without doing justice to her in respect of her dower and he gives her the same amount of dower as others give her. They (i.e., the guardians) were prohibited to marry them except that they do justice to them and pay them their maximum customary dower and they were asked to marry women other than them (i.e., the orphans) who seem good to them. ‘Urwah reported that A’ishah said “The people then consulted the Apostle of Allaah(ﷺ) about women after revelation of this verse. Thereupon Allaah the Exalted sent down the verse “They consult thee concerning women. Say Allaah giveth you decree concerning them and the scripture which hath been recited unto you(giveth decree) concerning female orphans unto whom you give not that which is ordained for them though you desire to marry them. “ She said “The mention made by Allaah about the Scripture recited to them refers to the former verse in which Allaah has said “And if ye fear that ye will not deal fairly by the orphans, marry of the women, who seem good to you.” A’ishah said “The pronouncement of Allaah , the Exalted in the latter verse “though you desire to marry them” means the disinterest of one of you in marrying a female orphan who was under his protection, but she said little property and beauty. So they were prohibited to marry them for their interest in the property and beauty of the female orphans due to their disinterest in themselves except that they do justice )to them). The narrator Yunus said “Rabi’ah said explain the Qur’anic verse “And if ye fear that ye will not deal fairly by the orphans” means “Leave them if you fear (that you will not do justice to them), for I have made four women lawful for you.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যেসব মহিলাকে একত্রে বিয়ে করা জায়িয নয়

২০৬৯। ইবনু শিহাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। আলী ইবনুল হুসাইন (রহ.) তাকে বর্ণনা করেন যে, হুসাইন ইবনু আলী (রাযি.)-এর শাহাদাতের পর যখন তারা ইয়াযীদ ইবনু মু’আবিয়াহর নিকট থেকে মদীনায় আসলেন, তখন আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাযি.) তার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, আপনি আমার উপর কোনো কাজের দায়িত্ব অর্পণ করবেন কি? তিনি বললেন, না। এরপর মিসওয়ার বললেন, আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তলোয়ারখানি দিবেন? কেননা আমার আশংকা হচ্ছে, লোকেরা আপনার উপর প্রভাব বিস্তার করবে। আল্লাহর শপথ! আপনি আমাকে তা দান করলে কেউ আমার দেহকে নিঃশেষ না করা পর্যন্ত তা ছিনিয়ে নিতে পারবে না। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযি.) ফাতিমাহ (রাযি.) বর্তমান থাকতে আবূ জাহলের কন্যাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠালেন।

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই মিম্বারের উপর লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে শুনেছি। তখন আমি যুবক ছিলাম। তিনি বলেছেনঃ ফাতিমাহ আমার দেহের একটি অংশ। আর আমার ভয় হচ্ছে, সে দীনি ফ্যাসাদে পতিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বনি ’আবদি শাম্‌সের সাথে শ্বশুর-জামাতার সম্পর্কে আলাপ করলেন। আর উক্ত শ্বশুর সম্পর্কীয় আত্মীয়তার ভূয়সী প্রশংসাই করলেন। তিনি বলেনঃ সে (জামাতা) আমার সাথে যে কথা দিয়েছিল তা সত্যে পরিণত করেছে এবং যে ওয়াদা করেছিল তাও পূরণ করেছে। কোনো হালাল জিনিসকে হারাম এবং হারাম জিনিসকে হালাল করার অধিকার আমার নেই। তবে আল্লাহর শপথ! আল্লাহর রাসূলের কন্যা এবং আল্লাহর দুশমনের কন্যা কখনো এক জায়গায় একত্র হতে পারে না।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ الدِّيْلِيُّ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، حَدَّثَهُ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ حَدَّثَهُ أَنَّهُمْ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ مِنْ عِنْدِ يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ مَقْتَلَ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، لَقِيَهُ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ، فَقَالَ لَهُ هَلْ لَكَ إِلَيَّ مِنْ حَاجَةٍ تَأْمُرُنِي بِهَا، قَالَ: فَقُلْتُ لَهُ: لَا، قَالَ: هَلْ أَنْتَ مُعْطِيَّ سَيْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يَغْلِبَكَ الْقَوْمُ عَلَيْهِ وَايْمُ اللَّهِ لَئِنْ أَعْطَيْتَنِيهِ لَا يُخْلَصُ إِلَيْهِ أَبَدًا حَتَّى يُبْلَغَ إِلَى نَفْسِي، إِنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَطَبَ بِنْتَ أَبِي جَهْلٍ عَلَى فَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا فَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَخْطُبُ النَّاسَ فِي ذَلِكَ عَلَى مِنْبَرِهِ هَذَا، وَأَنَا يَوْمَئِذٍ مُحْتَلِمٌ، فَقَالَ: إِنَّ فَاطِمَةَ مِنِّي، وَأَنَا أَتَخَوَّفُ أَنْ تُفْتَنَ فِي دِينِهَا قَالَ: ثُمَّ ذَكَرَ صِهْرًا لَهُ مِنْ بَنِي عَبْدِ شَمْسٍ فَأَثْنَى عَلَيْهِ فِي مُصَاهَرَتِهِ إِيَّاهُ فَأَحْسَنَ، قَالَ: حَدَّثَنِي فَصَدَقَنِي وَوَعَدَنِي فَوَفَّى لِي وَإِنِّي لَسْتُ أُحَرِّمُ حَلَالًا، وَلَا أُحِلُّ حَرَامًا، وَلَكِنْ وَاللَّهِ لَا تَجْتَمِعُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ وَبِنْتُ عَدُوِّ اللَّهِ مَكَانًا وَاحِدًا أَبَدًا "
صحيح

حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، حدثني ابي، عن الوليد بن كثير، حدثني محمد بن عمرو بن حلحلة الديلي، ان ابن شهاب، حدثه، ان علي بن الحسين حدثه انهم حين قدموا المدينة من عند يزيد بن معاوية مقتل الحسين بن علي رضي الله عنهما، لقيه المسور بن مخرمة، فقال له هل لك الي من حاجة تامرني بها، قال: فقلت له: لا، قال: هل انت معطي سيف رسول الله صلى الله عليه وسلم فاني اخاف ان يغلبك القوم عليه وايم الله لىن اعطيتنيه لا يخلص اليه ابدا حتى يبلغ الى نفسي، ان علي بن ابي طالب رضي الله عنه خطب بنت ابي جهل على فاطمة رضي الله عنها فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يخطب الناس في ذلك على منبره هذا، وانا يومىذ محتلم، فقال: ان فاطمة مني، وانا اتخوف ان تفتن في دينها قال: ثم ذكر صهرا له من بني عبد شمس فاثنى عليه في مصاهرته اياه فاحسن، قال: حدثني فصدقني ووعدني فوفى لي واني لست احرم حلالا، ولا احل حراما، ولكن والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله مكانا واحدا ابدا " صحيح


‘Ali bin al-Hussain said that when they returned to Madeenah from Yazid bin Mu’awiyah the place of massacre of Al Hussain bin Ali(may Allaah be pleased with him) Al Miswar bin Makhramah met them and said “tell me if you have any need for me. I said to him “No”. He then said Will you not give me the sword of the Apostle of Allaah(ﷺ)? I fear the people may not take it from you by force. (He said) By Allaah if you give it to me no one can take it from me so long as I am alive. Ali bin Abi Talib (may Allaah be pleased with him) asked for the hand of Abu Jahl’s daughter in marriage after the marriage with Fathima. I heard the Apostle of Allaah(ﷺ) say while he was addressing the people about this matter on the pulpit and I was mature in those days. Fathima is from me and I am not afraid that she will be tried in respect of her religion. He then mentioned his other son-in-law who belonged to Banu ‘Abd Shams. He admired him immensely for his relationship with him and extolled him well. He said “He talked to me and talked truly and he made promise with me and fulfilled it. I do not make lawful what Is unlawful and unlawful what is lawful. But, by Allaah the daughter of the Apostle of Allaah(ﷺ) and the daughter of the enemy of Allaah can never be combined together.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যেসব মহিলাকে একত্রে বিয়ে করা জায়িয নয়

২০৭০। ইবনু আবূ মূলাইকাহ (রহ.) এ হাদীস প্রসঙ্গে বলেন, অতঃপর আলী (রাযি.) সে বিবাহের সংকল্প ত্যাগ করেন।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، وَعَنْ أَيُّوبَ، عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، بِهَذَا الْخَبَرِ قَالَ: فَسَكَتَ عَلِيٌّ عَنْ ذَلِكَ النِّكَاحِ
صحيح

حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، وعن ايوب، عن ابن ابي مليكة، بهذا الخبر قال: فسكت علي عن ذلك النكاح صحيح


The aforesaid tradition has also been transmitted by Ibn Abi Mulaikah. He said “’Ali (Allaah be pleased with him) then kept silence about the marriage (i.e., marrying Abi Jahl’s daughter)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যেসব মহিলাকে একত্রে বিয়ে করা জায়িয নয়

২০৭১। আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাযি.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মসজিদের মিম্বারের উপর বলতে শুনেছিঃ হিশাম ইবনুল মুগীরাহর বংশের লোকেরা তাদের বংশের এক কন্যাকে আলী ইবনু আবূ তালিবের বিয়ে দিতে অনুমতি চাইছে। কিন্তু আমি অনুমতি দিবো না, তারপরও আমি অনুমতি দিবো না, অনুমতি দিবো না। অবশ্য আবূ তালিবের পুত্র আমার কন্যাকে তালাক দিলে সে তাদের কন্যা বিয়ে করতে পারবে। কারণ আমার কন্যা আমার দেহেরই একটি অংশ। যেটা তার অপছন্দ, সেটা আমার অপছন্দ এবং তাকে যা দুঃখ দেয়, তা আমাকেও দুঃখ দেয়। আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের এই অংশটি ইমাম আহমাদ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ الْمَعْنَى - قَالَ أَحْمَدُ - حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ الْقُرَشِيُّ التَّيْمِيُّ، أَنَّ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ، حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ: إِنَّ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُونِي أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ مِنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ فَلَا آذَنُ، - ثُمَّ لَا آذَنُ، ثُمَّ لَا آذَنُ إِلَّا أَنْ يُرِيدَ ابْنُ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ فَإِنَّمَا ابْنَتِي بَضْعَةٌ مِنِّي يُرِيبُنِي مَا أَرَابَهَا وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا. وَالْإِخْبَارُ فِي حَدِيثِ أَحْمَدَ
صحيح

حدثنا احمد بن يونس، وقتيبة بن سعيد المعنى - قال احمد - حدثنا الليث، حدثني عبد الله بن عبيد الله بن ابي مليكة القرشي التيمي، ان المسور بن مخرمة، حدثه، انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر يقول: ان بني هشام بن المغيرة استاذنوني ان ينكحوا ابنتهم من علي بن ابي طالب فلا اذن، - ثم لا اذن، ثم لا اذن الا ان يريد ابن ابي طالب ان يطلق ابنتي وينكح ابنتهم فانما ابنتي بضعة مني يريبني ما ارابها ويوذيني ما اذاها. والاخبار في حديث احمد صحيح


Al Miswar bin Makramah said that he heard the Apostle of Allaah(ﷺ) say on the pulpit Banu Hashim bin Al Mughirah sought permission from me to marry their daughter to ‘Ali bin Abi Talib. But I do not permit, again, I do not permit, again, I do not permit except that Ibn Abi Talib divorces my daughter and marries their daughter. My daughter is my part, what makes her uneasy makes me uneasy and what troubles her troubles me. The full information rests with the tradition narrated by Ahmad.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৪. মুত‘আহ বিবাহ

২০৭২। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহ.)-এর নিকট ছিলাম। তখন আমরা নারীদের মুত’আহ (সাময়িক) বিয়ে নিয়ে আলাপ করলাম। রাবী’ ইবনু সাবুরাহ নামক জনৈক ব্যক্তি বললেন, আমি আমার পিতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বর্ণনা করেছেন, বিদায় হজের (হজ্জের) সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুত’আহ নিষিদ্ধ করে দেন।[1]

শায। মাহফূয হচ্ছেঃ মক্কা বিজয়ের সময়। ইরওয়া (১৯০১)

بَابٌ فِي نِكَاحِ الْمُتْعَةِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، فَتَذَاكَرْنَا مُتْعَةَ النِّسَاءِ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يُقَالُ لَهُ رَبِيعُ بْنُ سَبْرَةَ: أَشْهَدُ عَلَى أَبِي أَنَّهُ حَدَّثَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْهَا فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ

شاذ والمحفوظ: زمن الفتح كما يأتي، ألإرواء (١٩٠١)

حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا عبد الوارث، عن اسماعيل بن امية، عن الزهري، قال: كنا عند عمر بن عبد العزيز، فتذاكرنا متعة النساء، فقال له رجل: يقال له ربيع بن سبرة: اشهد على ابي انه حدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنها في حجة الوداع شاذ والمحفوظ: زمن الفتح كما ياتي، الارواء (١٩٠١)


Al Zuhri said “we were with ‘Umar bin ‘Abd Al Aziz, there we discussed temporary marriage. A man called Rabi bin Saburah said “I bear witness that my father told me that the Apostle of Allaah(ﷺ) had prohibited it at the Farewell Pilgrimage.”


হাদিসের মানঃ শা'জ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৪. মুত‘আহ বিবাহ

২০৭৩। রাবী’ ইবনু সাবুরাহ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদের সাথে মুত’আহ বিয়ে হারাম করেছেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي نِكَاحِ الْمُتْعَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ رَبِيعِ بْنِ سَبْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَرَّمَ مُتْعَةَ النِّسَاءِ
صحيح

حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ربيع بن سبرة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم حرم متعة النساء صحيح


Rabi' b. Saburah reported on the authority of his father:
The Messenger of Allah (ﷺ) prohibited temporary marriage with women.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. আশ-শিগার পদ্ধতির বিয়ে

২০৭৪। ইবনু ’উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। মুসাদ্দাদ (রহ.) তার বর্ণনায় বলেন, আমি নাফি’ (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করি, শিগার কি? তিনি বললেন, ’’কোনো ব্যক্তি নিজের কন্যাকে অন্য ব্যক্তির সাথে বিয়ে দিবে এ শর্তে যে, ঐ ব্যক্তিও তার কাছে তার কন্যা বিয়ে দিবে মোহর ছাড়া। অথবা কোনো ব্যক্তি নিজের বোনকে অন্য এক ব্যক্তির নিকট বিয়ে দিবে এ শর্তে যে, তার বোনকে এ ব্যক্তি বিয়ে করবে মোহর ছাড়া।’’[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الشِّغَارِ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، ح وحَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، كِلَاهُمَا، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنِ الشِّغَارِ. زَادَ مُسَدَّد، فِي حَدِيثِهِ قُلْتُ لِنَافِعٍ: مَا الشِّغَارُ قَالَ: يَنْكِحُ ابْنَةَ الرَّجُلِ، وَيُنْكِحُهُ ابْنَتَهُ بِغَيْرِ صَدَاقٍ، وَيَنْكِحُ أُخْتَ الرَّجُلِ، وَيُنْكِحُهُ أُخْتَهُ بِغَيْرِ صَدَاقٍ
صحيح

حدثنا القعنبي، عن مالك، ح وحدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، كلاهما، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار. زاد مسدد، في حديثه قلت لنافع: ما الشغار قال: ينكح ابنة الرجل، وينكحه ابنته بغير صداق، وينكح اخت الرجل، وينكحه اخته بغير صداق صحيح


Ibn ‘Umar said “The Apostle of Allaah(ﷺ) prohibited shighar marriage. Musaddad added in his version “I said to ‘Nafi “What is shighar?” (It means that) a man marries the daughter of another man and gives his own daughter to him in marriage without fixing dower; and a man marries the sister of another man and gives him his sister in marriage without fixing dower.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. আশ-শিগার পদ্ধতির বিয়ে

২০৭৫। আব্দুর রহমান ইবনু হুরযুম আল-আ’রাজ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। আল-’আব্বাস ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনুল ’আব্বাস (রহ.) তার কন্যাকে আব্দুর রহমান হাকামের সাথে বিয়ে দেন আবার আব্দুর রহমান তার কন্যাকে আল-আব্বাসের কাছে বিয়ে দেন। তারা উভয়ে এই পারস্পরিক বিয়েকে মোহর গণ্য করেন। এ খবর শুনে মু’আবিয়াহ (রাযি.) তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে মাওয়ানের কাছে নির্দেশনামা পাঠান। তিনি তার ফরমানে বলেন, এটা শিগার, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতে নিষিদ্ধ করেছেন।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي الشِّغَارِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ هُرْمُزَ الْأَعْرَجُ، أَنَّ الْعَبَّاسَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ، أَنْكَحَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْحَكَمِ ابْنَتَهُ، وَأَنْكَحَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ ابْنَتَهُ وَكَانَا جَعَلَا صَدَاقًا فَكَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى مَرْوَانَ يَأْمُرُهُ بِالتَّفْرِيقِ بَيْنَهُمَا، وَقَالَ فِي كِتَابِهِ: هَذَا الشِّغَارُ الَّذِي نَهَى عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
حسن

حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن ابن اسحاق، حدثني عبد الرحمن بن هرمز الاعرج، ان العباس بن عبد الله بن العباس، انكح عبد الرحمن بن الحكم ابنته، وانكحه عبد الرحمن ابنته وكانا جعلا صداقا فكتب معاوية الى مروان يامره بالتفريق بينهما، وقال في كتابه: هذا الشغار الذي نهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم حسن


Abdur Rahman ibn Hurmuz al-A'raj said:
Al-Abbas ibn Abdullah ibn al-Abbas married his daughter to Abdur Rahman ibn al-Hakam, and AbdurRahman married his daughter to him. And they made this (exchange) their dower. Mu'awiyah wrote to Marwan commanding him to separate them. He wrote in his letter: This is the shighar which the Messenger of Allah (ﷺ) has forbidden.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৬. তাহলীল প্রসঙ্গে

২০৭৬। আলী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। ইসমাঈল বলেন, আমার ধারণা তিনি হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে মারফূভাবে বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হালালকারী এবং যার জন্য হালাল করা হয় তারা উভয়ে অভিশপ্ত।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي التَّحْلِيلِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ، عَنْ عَامِرٍ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ إِسْمَاعِيلُ: وَأُرَاهُ قَدْ رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَعَنَ اللَّهُ الْمُحَلِّلَ، وَالْمُحَلَّلَ لَهُ
صحيح

حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثني اسماعيل، عن عامر، عن الحارث، عن علي رضي الله عنه، قال اسماعيل: واراه قد رفعه الى النبي صلى الله عليه وسلم ان النبي صلى الله عليه وسلم قال: لعن الله المحلل، والمحلل له صحيح


Narrated Ali ibn AbuTalib:

(The narrator Isma'il said: I think ash-Sha'bi attributed this tradition to the Prophet)

The Prophet (ﷺ) said: Curse be upon the one who marries a divorced woman with the intention of making her lawful for her former husband and upon the one for whom she is made lawful.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৬. তাহলীল প্রসঙ্গে

২০৭৭। হারিস আল-আ’ওয়ার (রহ.) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী সূত্রে বর্ণিত। (বর্ণনাকারী বলেন) আমাদের ধারণা, তিনি ’আলী (রাযি.), যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে উক্ত হাদীসের সমার্থক বর্ণনা করেছেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي التَّحْلِيلِ

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنِ الْحَارِثِ الْأَعْوَرِ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فَرَأَيْنَا أَنَّهُ عَلِيٌّ عَلَيْهِ السَّلَام عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَعْنَاهُ
صحيح

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن حصين، عن عامر، عن الحارث الاعور، عن رجل من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال: فراينا انه علي عليه السلام عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه صحيح


The aforesaid tradition has also been transmitted by ‘Ali through a different chain of narrators from the Prophet (ﷺ) to the same effect.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৭. মনিবের বিনা অনুমতি ক্রীতদাসের বিয়ে করা

২০৭৮। জাবির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোনো ক্রীতদাস তার মনিবের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করবে সে ব্যভিচারী।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي نِكَاحِ الْعَبْدِ بِغَيْرِ إِذْنِ سَيِّدِهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهَذَا لَفْظُ إِسْنَادِهِ، وَكِلَاهُمَا، عَنْ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّمَا عَبْدٍ تَزَوَّجَ بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ، فَهُوَ عَاهِرٌ
حسن

حدثنا احمد بن حنبل، وعثمان بن ابي شيبة، وهذا لفظ اسناده، وكلاهما، عن وكيع، حدثنا الحسن بن صالح، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ايما عبد تزوج بغير اذن مواليه، فهو عاهر حسن


The Prophet (ﷺ) said: If any slave marries without the permission of his masters, he is a fornicator.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৭. মনিবের বিনা অনুমতি ক্রীতদাসের বিয়ে করা

২০৭৯। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোনো ক্রীতদাস তা মনিবের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার বিয়ে বাতিল গণ্য হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, এ হাদীসটি যঈফ মাওকূফ। এটা ইবনু ’উমার (রাযি.)-এর উক্তি।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي نِكَاحِ الْعَبْدِ بِغَيْرِ إِذْنِ سَيِّدِهِ

حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو قُتَيْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا نَكَحَ الْعَبْدُ بِغَيْرِ إِذْنِ مَوْلَاهُ فَنِكَاحُهُ بَاطِلٌ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: هَذَا الْحَدِيثُ ضَعِيفٌ وَهُوَ مَوْقُوفٌ وَهُوَ قَوْلُ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا
ضعيف

حدثنا عقبة بن مكرم، حدثنا ابو قتيبة، عن عبد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال: اذا نكح العبد بغير اذن مولاه فنكاحه باطل. قال ابو داود: هذا الحديث ضعيف وهو موقوف وهو قول ابن عمر رضي الله عنهما ضعيف


Ibn ‘Umar reported the Prophet (ﷺ) as saying “If a slave marries without the permission of his master, his marriage is null and void.

Abu Dawud said “This tradition is weak. This is mauquf(does not go back to the Prophet). This is the statement of the Ibn ‘Umar himself.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. কেউ তার অপর ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেয়া অপছন্দনীয়

২০৮০। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যেন তার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর নিজের প্রস্তাব না দেয়।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَنْ يَخْطُبَ الرَّجُلُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا يَخْطُبُ الرَّجُلُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ
صحيح

حدثنا احمد بن عمرو بن السرح، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يخطب الرجل على خطبة اخيه صحيح


Abu Hurairah reported the Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “ A man should not seek the hand of a woman in marriage when his brother has already sought her hand.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. কেউ তার অপর ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেয়া অপছন্দনীয়

২০৮১। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার (মুসলিম) ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। আর কেউ যেন তার ভাইয়ের ক্রয়ের উপর দর-দাম না করে, অবশ্য সে অনুমতি দিলে ভিন্ন কথা।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَنْ يَخْطُبَ الرَّجُلُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا يَخْطُبْ أَحَدُكُمْ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ، وَلَا يَبِعْ عَلَى بَيْعِ أَخِيهِ، إِلَّا بِإِذْنِهِ
صحيح

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يخطب احدكم على خطبة اخيه، ولا يبع على بيع اخيه، الا باذنه صحيح


Narrated Abdullah ibn Umar:

The Prophet (ﷺ) said: One of you must not ask a woman in marriage when his brother has done so already, and one of you must not sell (his own goods) when his brother has already sold (his goods) except with his permission.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ১৯. বিয়ের উদ্দেশ্যে পাত্রী দেখা প্রসঙ্গ

২০৮২। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোনো নারীকে বিবাহের প্রস্তাব দিবে তখন সম্ভব হলে তার এমন কিছু যেন দেখে নেয় যা তাকে বিবাহে উৎসাহিত করে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি একটি মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেবার পর তাকে দেখার আকাঙ্ক্ষা অন্তরে গোপন রেখেছিলাম। অতঃপর আমি তার মাঝে এমন কিছু দেখি যা আমাকে তাকে বিয়ে করতে আকৃষ্ট করলো। অতঃপর আমি তাকে বিয়ে করি।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَنْظُرُ إِلَى الْمَرْأَةِ وَهُوَ يُرِيدُ تَزْوِيجَهَا

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنْ وَاقِدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا خَطَبَ أَحَدُكُمُ الْمَرْأَةَ، فَإِنِ اسْتَطَاعَ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى مَا يَدْعُوهُ إِلَى نِكَاحِهَا فَلْيَفْعَلْ، قَالَ: فَخَطَبْتُ جَارِيَةً فَكُنْتُ أَتَخَبَّأُ لَهَا حَتَّى رَأَيْتُ مِنْهَا مَا دَعَانِي إِلَى نِكَاحِهَا وَتَزَوُّجِهَا فَتَزَوَّجْتُهَا
حسن

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا محمد بن اسحاق، عن داود بن حصين، عن واقد بن عبد الرحمن يعني ابن سعد بن معاذ، عن جابر بن عبد الله، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: اذا خطب احدكم المراة، فان استطاع ان ينظر الى ما يدعوه الى نكاحها فليفعل، قال: فخطبت جارية فكنت اتخبا لها حتى رايت منها ما دعاني الى نكاحها وتزوجها فتزوجتها حسن


Narrated Jabir ibn Abdullah:

The Prophet (ﷺ) said: When one of you asked a woman in marriage, if he is able to look at what will induce him to marry her, he should do so. He (Jabir) said: I asked a girl in marriage, I used to look at her secretly, until I looked at what induced me to marry her. I, therefore, married her.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২০. ওয়ালী সম্পর্কে

২০৮৩। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার সে বিয়ে বাতিল। তিনি একথাটি তিনবার বলেছেন। আর সে যদি তার সাথে সহবাস করে, তাহলে এজন্য তাকে মোহর দিবে। যদি উভয়ের উভয় পক্ষের (অভিভাবকদের) মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তাহলে শাসক হবেন তার অভিভাবক। কারণ যাদের অভিভাবক নাই তার অভিভাবক শাসক।[1]

সহীহ।

লাল মার্ক করা অংশের অনুবাদ সঠিক না হবার কারনে তা সংশোধন করা হল। - হাদিসবিডি এডমিন

بَابٌ فِي الْوَلِيِّ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّمَا امْرَأَةٍ نَكَحَتْ بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهَا، فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ، ثَلَاثَ مَرَّاتٍ فَإِنْ دَخَلَ بِهَا فَالْمَهْرُ لَهَا بِمَا أَصَابَ مِنْهَا، فَإِنْ تَشَاجَرُوا فَالسُّلْطَانُ وَلِيُّ مَنْ لَا وَلِيَّ لَهُ
صحيح

حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، اخبرنا ابن جريج، عن سليمان بن موسى، عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ايما امراة نكحت بغير اذن مواليها، فنكاحها باطل، ثلاث مرات فان دخل بها فالمهر لها بما اصاب منها، فان تشاجروا فالسلطان ولي من لا ولي له صحيح


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Messenger of Allah (ﷺ) said: The marriage of a woman who marries without the consent of her guardians is void. (He said these words) three times. If there is cohabitation, she gets her dower for the intercourse her husband has had. If there is a dispute, the sultan (man in authority) is the guardian of one who has none.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২০. ওয়ালী সম্পর্কে

২০৮৪। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উপরোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, জা’ফার সরাসরি যুহরী (রহ.) থেকে শুনেননি, বরং যুহরী তাকে লিখে পাঠিয়েছেন।[1]

আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

بَابٌ فِي الْوَلِيِّ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ جَعْفَرٍ يَعْنِي ابْنَ رَبِيعَةَ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَعْنَاهُ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: جَعْفَرٌ لَمْ يَسْمَعْ مِنَ الزُّهْرِيِّ كَتَبَ إِلَيْهِ

لم أجده في الصحيح و لا في الضعيف

حدثنا القعنبي، حدثنا ابن لهيعة، عن جعفر يعني ابن ربيعة، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه. قال ابو داود: جعفر لم يسمع من الزهري كتب اليه لم اجده في الصحيح و لا في الضعيف


This tradition has also been transmitted by A’ishah through a different chain of narrators from the Prophet (ﷺ) to the same effect.

Abu Dawud said “Ja’far did not hear any tradition from Al Zuhri. Al Zuhri gave him his writing.”


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২০. ওয়ালী সম্পর্কে

২০৮৫। আবূ মূসা (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া কোনো বিয়েই হতে পারে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসটির সনদ হলোঃ ইউনুস আবূ বুরদাহ থেকে, আর ইসরাঈল আবূ ইসহাক থেকে আবূ বুরদাহ সূত্রে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْوَلِيِّ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ بْنِ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ الْحَدَّادُ، عَنْ يُونُسَ، وَإِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَهُوَ يُونُسُ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، وَإِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ
صحيح

حدثنا محمد بن قدامة بن اعين، حدثنا ابو عبيدة الحداد، عن يونس، واسراىيل، عن ابي اسحاق، عن ابي بردة، عن ابي موسى، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا نكاح الا بولي. قال ابو داود: وهو يونس، عن ابي بردة، واسراىيل، عن ابي اسحاق، عن ابي بردة صحيح


Narrated Abu Musa:

The Prophet (ﷺ) said: There is no marriage without the permission of a guardian.

Abu Dawud said: The narrator Yunus also transmitted on the authority of Abu Burdah, and Isra'il narrated from Abu Ishaq on the authority of Abu Burdah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২০. ওয়ালী সম্পর্কে

২০৮৬। উম্মু হাবীবাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি (’উবাইদুল্লাহ) ইবনু জাহশের স্ত্রী ছিলেন। স্বামী মারা গেলে তিনি হিজরতকারীদের সাথে হাবশায় হিজরত করেন। অতঃপর হাবশার বাদশা নাজ্জাশী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাকে বিয়ে দেন। তিনি (অভিভাবক ছাড়া) তাদের কাছেই অবস্থান করেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْوَلِيِّ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، أَنَّهَا كَانَتْ عِنْدَ ابْنِ جَحْشٍ فَهَلَكَ عَنْهَا وَكَانَ فِيمَنْ هَاجَرَ إِلَى أَرْضِ الْحَبَشَةِ فَزَوَّجَهَا النَّجَاشِيُّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ عِنْدَهُمْ
صحيح

حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن ام حبيبة، انها كانت عند ابن جحش فهلك عنها وكان فيمن هاجر الى ارض الحبشة فزوجها النجاشي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عندهم صحيح


Ibn Az-Zubayr reported on the authority of Umm Habibah that she was the wife of Ibn Jahsh, but he died, He was among those who migrated to Abyssinia. Negus then married her to the Messenger of Allah (ﷺ).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু হাবীবা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২১. নারীদেরকে বিয়েতে বাধা দেয়া নিষেধ

২০৮৭। হাসান বাসরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাযি.) আমাকে বর্ণনা করেন যে, আমার এক বোন ছিলো। আমার নিকট তার বিয়ের ব্যাপারে পয়গাম আসতো। একদা আমার এক চাচাত ভাই আমার কাছে এলে আমি তার সাথে আমার বোনকে বিয়ে দিলাম। পরে সে তাকে এক তালাক রাজঈ দিয়ে ফেলে রাখলো। এমনকি তার ইদ্দাতকাল শেষ হলো। অতঃপর যখন তার বিয়ের পয়গাম আসতে থাকলো। আমার চাচাত ভাইও পুনরায় আমার কাছে পয়গাম পাঠালে আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি তাকে তার কাছে কখনোই বিয়ে দিবো না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমাকে কেন্দ্র করেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ ’’যখন তোমরা নারীদের তালাক দিবে, ইদ্দাতকাল শেষ হওয়ার পর যদি তারা তাদের পূর্ব-স্বামীকে বিয়ে করতে চায়, তাহলে তোমরা তাদেরকে বাধা দিও না’’... (সূরা আল-বাকারাহঃ ২৩২)। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি আমার শপথের কাফ্‌ফারাহ দিয়ে বোনকে তার সাথে বিয়ে দেই।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْعَضْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ رَاشِدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، حَدَّثَنِي مَعْقِلُ بْنُ يَسَارٍ، قَالَ: كَانَتْ لِي أُخْتٌ تُخْطَبُ إِلَيَّ فَأَتَانِي ابْنُ عَمٍّ لِي فَأَنْكَحْتُهَا إِيَّاهُ، ثُمَّ طَلَّقَهَا طَلَاقًا لَهُ رَجْعَةٌ، ثُمَّ تَرَكَهَا حَتَّى انْقَضَتْ عِدَّتُهَا، فَلَمَّا خُطِبَتْ إِلَيَّ أَتَانِي يَخْطُبُهَا، فَقُلْتُ: لَا، وَاللَّهِ لَا أُنْكِحُهَا أَبَدًا، قَالَ: فَفِيَّ نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ (وَإِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا تَعْضُلُوهُنَّ أَنْ يَنْكِحْنَ أَزْوَاجَهُنَّ) الْآيَةَ، قَالَ: فَكَفَّرْتُ عَنْ يَمِينِي فَأَنْكَحْتُهَا إِيَّاهُ
صحيح

حدثنا محمد بن المثنى، حدثني ابو عامر، حدثنا عباد بن راشد، عن الحسن، حدثني معقل بن يسار، قال: كانت لي اخت تخطب الي فاتاني ابن عم لي فانكحتها اياه، ثم طلقها طلاقا له رجعة، ثم تركها حتى انقضت عدتها، فلما خطبت الي اتاني يخطبها، فقلت: لا، والله لا انكحها ابدا، قال: ففي نزلت هذه الاية (واذا طلقتم النساء فبلغن اجلهن فلا تعضلوهن ان ينكحن ازواجهن) الاية، قال: فكفرت عن يميني فانكحتها اياه صحيح


Ma’qil bin Yasar said:
I had a sister and I was asked to give her in marriage. My cousin came to me and I married her to him. He then divorced her one revocable divorce. He abandoned her till her waiting period passed. When I was asked to give her in marriage, he again came to me and asked her in marriage. Thereupon I said to him “No, by Allah, I will never marry her to you. Then the following verse was revealed about my case: “And when ye have divorced women and they reach their term, place not difficulties in the way of their marrying their husbands.” So I expiated for my oath, and married her off to him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২২. কোনো নারীকে দু‘জন ওয়ালী বিয়ে দিলে

২০৮৮। সামুরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোনো নারীকে যদি দুই অভিভাবক বিয়ে দেয়, তবে প্রথম ওয়ালীর বিয়ে কার্যকরী হবে। কোনো ব্যক্তি যদি দুই লোকের কাছে কোনো জিনিস বিক্রি করে তাহলে দু’জনের মধ্যে প্রথম ক্রেতাই তার প্রাপক।[1]

দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (২২২৪), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৮৯/১১২২), যঈফ সুনান নাসায়ী (৩১৬/৪৬৮২), মিশকাত (৩১৫৬), ইরওয়া (১৮৫৩)।

بَابٌ إِذَا أَنْكَحَ الْوَلِيَّانِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، ح وحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، ح وحَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ الْمَعْنَى، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَيُّمَا امْرَأَةٍ زَوَّجَهَا وَلِيَّانِ فَهِيَ لِلْأَوَّلِ مِنْهُمَا، وَأَيُّمَا رَجُلٍ بَاعَ بَيْعًا مِنْ رَجُلَيْنِ فَهُوَ لِلْأَوَّلِ مِنْهُمَا

ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (٢٢٢٤)، ضعيف سنن الترمذي (١٨٩/١١٢٢)، ضعيف سنن النساني (٣١٦/٤٦٨٢)، الإرواء (١٨٥٣)

حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، ح وحدثنا محمد بن كثير، اخبرنا همام، ح وحدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد المعنى، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ايما امراة زوجها وليان فهي للاول منهما، وايما رجل باع بيعا من رجلين فهو للاول منهما ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (٢٢٢٤)، ضعيف سنن الترمذي (١٨٩/١١٢٢)، ضعيف سنن النساني (٣١٦/٤٦٨٢)، الارواء (١٨٥٣)


Narrated Samurah:

The Prophet (ﷺ) said: Any woman who is married by two guardians (to two different men) belongs to the first woman who is married by two guardians (to two different men) belongs to the first of them and anything sold by a man to two persons belongs to the first of them.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘জোরপূর্বক কোনো মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আর তোমরা তাদের অবরুদ্ধ করবে না।’ (সূরা আন-নিসাঃ ১৯)

২০৮৯। ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। ’’জোরপূর্বক কোনো মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আর তোমরা তাদের অবরুদ্ধ করবে না।’’ (সূরা আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াতের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, (জাহিলী যুগে) কোনো ব্যক্তি মারা গেলে মৃতের ওয়ারিসরা মৃতের স্ত্রীর অভিভাবকের পরিবর্তে নিজেরাই মালিক হতো। ইচ্ছে হলে তাদের কেউ তাকে বিয়ে করতো বা তাকে অন্যত্র গিয়ে বিয়ে দিতো, অথবা বিয়ে দিতো না। এ প্রসঙ্গে উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়।[1]

সহীহ।

بَابُ قَوْلِهِ تَعَالَى {لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا وَلَا تَعْضُلُوهُنَّ}

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: الشَّيْبَانِيُّ، وَذَكَرَهُ عَطَاءٌ أَبُو الْحَسَنِ السُّوَائِيُّ، وَلَا أَظُنُّهُ إِلَّا عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي هَذِهِ الْآيَةِ (لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا وَلَا تَعْضُلُوهُنَّ) [النساء: ١٩] قَالَ: كَانَ الرَّجُلُ إِذَا مَاتَ كَانَ أَوْلِيَاؤُهُ أَحَقَّ بِامْرَأَتِهِ مِنْ وَلِيِّ نَفْسِهَا: إِنْ شَاءَ بَعْضُهُمْ زَوَّجَهَا أَوْ زَوَّجُوهَا، وَإِنْ شَاءُوا لَمْ يُزَوِّجُوهَا فَنَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ فِي ذَلِكَ

صحيح

حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسباط بن محمد، حدثنا الشيباني، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: الشيباني، وذكره عطاء ابو الحسن السواىي، ولا اظنه الا عن ابن عباس، في هذه الاية (لا يحل لكم ان ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن) [النساء: ١٩] قال: كان الرجل اذا مات كان اولياوه احق بامراته من ولي نفسها: ان شاء بعضهم زوجها او زوجوها، وان شاءوا لم يزوجوها فنزلت هذه الاية في ذلك صحيح


Narrated Abdullah ibn Abbas:

About the Qur'anic verse: "It is not lawful for you forcibly to inherit the woman (of your deceased kinsmen), nor (that) ye should put constraint upon them. When a man died, his relatives had more right to his wife then her own guardian. If any one of them wanted to marry her, he did so; or they married her (to some other person), and if they did not want to marry her, they did so. So this verse was revealed about the matter.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘জোরপূর্বক কোনো মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আর তোমরা তাদের অবরুদ্ধ করবে না।’ (সূরা আন-নিসাঃ ১৯)

২০৯০। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’’জোরপূর্বক কোনো মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছো তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তরা স্পষ্ট ব্যভিচার করে’’ (সূরা আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়দের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ঠ করে তুলতো যে, হয় তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিতে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।[1]

হাসান সহীহ।

بَابُ قَوْلِهِ تَعَالَى {لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا وَلَا تَعْضُلُوهُنَّ}

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ ثَابِتٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: (لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا وَلَا تَعْضُلُوهُنَّ لِتَذْهَبُوا بِبَعْضِ مَا آتَيْتُمُوهُنَّ إِلَّا أَنْ يَأْتِينَ بِفَاحِشَةٍ مُبَيِّنَةٍ) [النساء: ١٩] وَذَلِكَ أَنَّ الرَّجُلَ كَانَ يَرِثُ امْرَأَةَ ذِي قَرَابَتِهِ فَيَعْضُلُهَا حَتَّى تَمُوتَ أَوْ تَرُدَّ إِلَيْهِ صَدَاقَهَا، فَأَحْكَمَ اللَّهُ عَنْ ذَلِكَ وَنَهَى عَنْ ذَلِك

حسن صحيح

حدثنا احمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن ابيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: (لا يحل لكم ان ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما اتيتموهن الا ان ياتين بفاحشة مبينة) [النساء: ١٩] وذلك ان الرجل كان يرث امراة ذي قرابته فيعضلها حتى تموت او ترد اليه صداقها، فاحكم الله عن ذلك ونهى عن ذلك حسن صحيح


Ibn ‘Abbas explained the Qur’anic verse It is not lawful for you forcibly to inherit the woman (of your deceased kinsmen) nor (that) ye should put constraint upon them that ye may take away a part of that which ye have given them, unless they be guilty of flagrant lewdness and said “This means that a man used to inherit a relative woman. He prevented her from marriage till she died or returned her dower to her. Hence, Allaah prohibited that practice.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘জোরপূর্বক কোনো মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আর তোমরা তাদের অবরুদ্ধ করবে না।’ (সূরা আন-নিসাঃ ১৯)

২০৯১। উমার (রাযি.)-এর মুক্তদাস উবাইদুল্লাহ দাহহাক (রহ.) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, মহান আল্লাহ (এ আয়াতে) মানুষকে নসীহত করেছেন।[1]

সহীহ। পূর্বেরটির (২০৯০) দ্বারা।

بَابُ قَوْلِهِ تَعَالَى {لَا يَحِلُّ لَكُمْ أَنْ تَرِثُوا النِّسَاءَ كَرْهًا وَلَا تَعْضُلُوهُنَّ}

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَبُّوَيْهِ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ عِيسَى بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، مَوْلَى عُمَرَ، عَنِ الضَّحَّاكِ بِمَعْنَاهُ قَالَ: فَوَعَظَ اللَّهُ ذَلِكَ

صحيح بما قبله (٢٠٩٠)

حدثنا احمد بن شبويه المروزي، حدثنا عبد الله بن عثمان، عن عيسى بن عبيد، عن عبيد الله، مولى عمر، عن الضحاك بمعناه قال: فوعظ الله ذلك صحيح بما قبله (٢٠٩٠)


The aforesaid tradition has also been transmitted by Al Dahhak to the same effect through a different chain of narrators. This version has Allaah prohibited that (practice).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৪. মেয়েদের কাছে বিয়ের অনুমতি চাওয়া

২০৯২। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো বিধবা মহিলাকে তার অনুমতি ছাড়া এবং কুমারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেয়া যাবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তার অনুমতি কি? তিনি বললেনঃ চুপ থাকা।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الِاسْتِئْمَارِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا تُنْكَحُ الثَّيِّبُ حَتَّى تُسْتَأْمَرَ، وَلَا الْبِكْرُ إِلَّا بِإِذْنِهَا قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَمَا إِذْنُهَا قَالَ: أَنْ تَسْكُتَ

صحيح

حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا ابان، حدثنا يحيى، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا تنكح الثيب حتى تستامر، ولا البكر الا باذنها قالوا: يا رسول الله، وما اذنها قال: ان تسكت صحيح


Abu Hurairah reported the Prophet(ﷺ) as saying “ A woman who has been previously married should not be married until her permission is asked nor should a virgin be married without her permission. “They (the people) asked “What is her permission, Apostle of Allaah(ﷺ)? He replied “it is by her keeping silence.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৪. মেয়েদের কাছে বিয়ের অনুমতি চাওয়া

২০৯৩। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইয়াতীম কুমারী মেয়ে থেকে সরাসরি সম্মতি নিতে হবে। তার চুপ থাকাই তার সম্মতি। সে অসম্মতি প্রকাশ করলে তার উপর কোনো জবরদস্তি করা চলবে না।[1]

হাসান সহীহ।

بَابٌ فِي الِاسْتِئْمَارِ

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ، ح وحَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ الْمَعْنَى، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: تُسْتَأْمَرُ الْيَتِيمَةُ فِي نَفْسِهَا، فَإِنْ سَكَتَتْ فَهُوَ إِذْنُهَا، وَإِنْ أَبَتْ فَلَا جَوَازَ عَلَيْهَا. وَالْإِخْبَارُ فِي حَدِيثِ يَزِيدَ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَبُو خَالِدٍ سُلَيْمَانُ بْنُ حَيَّانَ، وُمُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو
حسن صحيح

حدثنا ابو كامل، حدثنا يزيد يعني ابن زريع، ح وحدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد المعنى، حدثني محمد بن عمرو، حدثنا ابو سلمة، عن ابي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: تستامر اليتيمة في نفسها، فان سكتت فهو اذنها، وان ابت فلا جواز عليها. والاخبار في حديث يزيد. قال ابو داود: وكذلك رواه ابو خالد سليمان بن حيان، ومعاذ بن معاذ، عن محمد بن عمرو حسن صحيح


Narrated Abu Hurairah:

The Prophet (ﷺ) said: An orphan virgin girl should be consulted about herself; if she says nothing that indicates her permission, but if she refuses, the authority of the guardian cannot be exercised against her will. The full information rest with the tradition narrated by Yazid.

Abu Dawud said: This tradition has also been transmitted in a similar way by Abu Khalid Sulaiman b. Hayyan and Mu'adh b. Mu'adh on the authority of Muhammad b. 'Amr.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৪. মেয়েদের কাছে বিয়ের অনুমতি চাওয়া

২০৯৪। মুহাম্মাদ ইবনু ’আমর (রহ.) থেকে পূর্বোক্ত হাদীস উক্ত সনদে বর্ণিত। তবে তাতে আরো রয়েছেঃ ’’তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ’যদি সে কাঁদে অথবা নীরব থাকে।’ এখানে ’বাকাত্’ শব্দটি অতিরিক্ত। আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, ’বাকাত্’ শব্দটি নির্ভরযোগ্য নয়। এটি হাদীসের মধ্যে সংশয়। যা ইবনু ইদরীস থেকে হয়েছে।

আর ’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কুমারী (বিয়ের) কথাবার্তা বলতে লজ্জাবোধ করে। তিনি বললেনঃ তার চুপ থাকা তার সম্মতি।[1]

আবূ হুরাইরাহ বর্ণিত হাদীসটি শায। আয়িশাহ বর্ণিত হাদীসটি সহীহ। ইরওয়া (১৮৩৪, ১৮৩৮)।

بَابٌ فِي الِاسْتِئْمَارِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، بِهَذَا الْحَدِيثِ بِإِسْنَادِهِ زَادَ فِيهِ قَالَ: فَإِنْ بَكَتْ أَوْ سَكَتَتْ. زَادَ بَكَتْ قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَلَيْسَ بَكَتْ بِمَحْفُوظٍ وَهُوَ وَهْمٌ فِي الْحَدِيثِ الْوَهْمُ مِنْ ابْنِ إِدْرِيسَ أَوْ مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَلَاءِ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَرَوَاهُ أَبُو عَمْرٍو ذَكْوَانُ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ الْبِكْرَ تَسْتَحِي أَنْ تَتَكَلَّمَ؟ قَالَ: سُكَاتُهَا إِقْرَارُهَا

(حديث أبي هريرة) شاذ، (حديث عائشة) صحيح (حديث أبي هريرة) //، الإرواء (١٨٣٤، ١٨٣٨)

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابن ادريس، عن محمد بن عمرو، بهذا الحديث باسناده زاد فيه قال: فان بكت او سكتت. زاد بكت قال ابو داود: وليس بكت بمحفوظ وهو وهم في الحديث الوهم من ابن ادريس او من محمد بن العلاء. قال ابو داود: ورواه ابو عمرو ذكوان، عن عاىشة قالت: يا رسول الله، ان البكر تستحي ان تتكلم؟ قال: سكاتها اقرارها (حديث ابي هريرة) شاذ، (حديث عاىشة) صحيح (حديث ابي هريرة) //، الارواء (١٨٣٤، ١٨٣٨)


The aforesaid tradition has also been transmitted through a different chain of narrators by Muhammad bin ‘Amr. This version adds “If she weeps or keeps silence”. The narrator added the word “weeps”.

Abu Dawud said:
The word "weeps" is not guarded. This is a misunderstanding of the tradition on the part of the narrator Ibn Idris or Muhammad b. al-'Ata.

Abu Dawud said: This tradition has also been narrated by Abu 'Amr Dhakwan on the authority of 'Aishah who said: A virgin is ashamed of speaking, Messenger of Allah. He said: Her silence is her acceptance.


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৪. মেয়েদের কাছে বিয়ের অনুমতি চাওয়া

২০৯৫। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নারীদের থেকে তাদের কন্যাদের ব্যাপারে পরামর্শ নাও।[1]

দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (১৪)।

بَابٌ فِي الِاسْتِئْمَارِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، حَدَّثَنِي الثِّقَةُ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: آمِرُوا النِّسَاءَ فِي بَنَاتِهِنَّ

ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (١٤)

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا معاوية بن هشام، عن سفيان، عن اسماعيل بن امية، حدثني الثقة، عن ابن عمر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: امروا النساء في بناتهن ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (١٤)


Narrated Abdullah ibn Umar:

The Prophet (ﷺ) said: Consult women about (the marriage of) their daughters.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৫. যদি পিতা তার কুমারী কন্যাকে তার অমতে বিয়ে দেন

২০৯৬। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক যুবতী এসে বললো, তার অসম্মতিতে তার পিতা তাকে বিয়ে দিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এখতিয়ার প্রদান করলেন (সে বিয়ে রাখতেও পারে অথবা বিচ্ছেদ ঘটাতেও পারে)।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْبِكْرِ يُزَوِّجُهَا أَبُوهَا وَلَا يَسْتَأْمِرُهَا

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ جَارِيَةً بِكْرًا أَتَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَتْ أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ كَارِهَةٌ، فَخَيَّرَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

صحيح

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا حسين بن محمد، حدثنا جرير بن حازم، عن ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان جارية بكرا اتت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ان اباها زوجها وهي كارهة، فخيرها النبي صلى الله عليه وسلم صحيح


Narrated Abdullah ibn Abbas:

A virgin came to the Prophet (ﷺ) and mentioned that her father had married her against her will, so the Prophet (ﷺ) allowed her to exercise her choice.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৫. যদি পিতা তার কুমারী কন্যাকে তার অমতে বিয়ে দেন

২০৯৭। ’ইকরিমাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি উক্ত হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্র বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, বর্ণনাকারী হাম্মাদ ইবনু যায়িদ (রহ.) ইবনু ’আব্বাস (রাযি.)-এর নামে উল্লেখ করেননি। অনুরূপভাবে অন্যরাও হাদীসটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। আর এটাই প্রসিদ্ধ।[1]

আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।

بَابٌ فِي الْبِكْرِ يُزَوِّجُهَا أَبُوهَا وَلَا يَسْتَأْمِرُهَا

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهَذَا الْحَدِيثِ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: لَمْ يَذْكُرْ ابْنَ عَبَّاسٍ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ النَّاسُ مُرْسَلًا مَعْرُوفٌ

لم أجده في الصحيح و لا في الضعيف

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن عكرمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث. قال ابو داود: لم يذكر ابن عباس وكذلك رواه الناس مرسلا معروف لم اجده في الصحيح و لا في الضعيف


The above tradition has been transmitted by ‘Ikrimah from the Prophet (ﷺ). Abu Dawud said “He (Muhammad bin ‘Ubaid) did not mention the name of Ibn ‘Abbas in the chain of this tradition. The people have also narrated it mursal (without the mention of the name of Ibn ‘Abbas) in a similar way. Its transmission in the mursal form is well known.


হাদিসের মানঃ মুরসাল
বর্ণনাকারীঃ ইকরিমা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. স্বামীহীনা (তালাক প্রাপ্ত বা বিধবা) নারী প্রসঙ্গে

২০৯৮। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিধবা মহিলা (বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চেয়ে নিজেই অধিক হকদার এবং কুমারীর বিয়ের ব্যাপারে তার সম্মতি নিতে হবে, তার নীরব থাকা তার সম্মতি গণ্য হবে। হাদীসের মূল পাঠ আল-কা’নবীর।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الثَّيِّبِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، قَالَا: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْأَيِّمُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا وَالْبِكْرُ تُسْتَأْذَنُ فِي نَفْسِهَا، وَإِذْنُهَا صُمَاتُهَا. وَهَذَا لَفْظُ الْقَعْنَبِيِّ

صحيح

حدثنا احمد بن يونس، وعبد الله بن مسلمة، قالا: اخبرنا مالك، عن عبد الله بن الفضل، عن نافع بن جبير، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: الايم احق بنفسها من وليها والبكر تستاذن في نفسها، واذنها صماتها. وهذا لفظ القعنبي صحيح


Ibn ‘Abbas reported the Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “A woman without a husband has more right to her person than her guardian and a virgin’s permission must be asked, her permission being her silence. These are the words of Al Qa’nabi.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. স্বামীহীনা (তালাক প্রাপ্ত বা বিধবা) নারী প্রসঙ্গে

২০৯৯। আব্দুল্লাহ ইবনুল ফাদল (রহ.) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। বিধবা নারী (নিজের বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চাইতে নিজেই অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন। আর কুমারী মেয়ে থেকে তার পিতা সম্মতি নিবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের ’আবুহা’ (তার পিতা) শব্দটি সংরক্ষিত নয়।[1]

সহীহঃ পিতার কথা উল্লেখ বাদে تستأمر শব্দে। ইরওয়া (১৮৩৩)।

بَابٌ فِي الثَّيِّبِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ، قَالَ: الثَّيِّبُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا، وَالْبِكْرُ يَسْتَأْمِرُهَا أَبُوهَا. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: أَبُوهَا لَيْسَ بِمَحْفُوظٍ

صحيح بلفظ تستأمر دون ذكر أبوها/ ، الإرواء (١٨٣٣)

حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا سفيان، عن زياد بن سعد، عن عبد الله بن الفضل، باسناده ومعناه، قال: الثيب احق بنفسها من وليها، والبكر يستامرها ابوها. قال ابو داود: ابوها ليس بمحفوظ صحيح بلفظ تستامر دون ذكر ابوها/ ، الارواء (١٨٣٣)


The above tradition has been transmitted by ‘Abd Allaah bin Al Fadl through his chain of narrators and with different meaning. The version goes “A woman without a husband has more right to her person than her guardian and the father of a virgin should ask her permission about herself.”

Abu Dawud said “ The word “her father” is not guarded.


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. স্বামীহীনা (তালাক প্রাপ্ত বা বিধবা) নারী প্রসঙ্গে

২১০০। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিধবা নারীর উপর তার অভিভাবকের কোনো কর্তৃত্ব নাই, আর ইয়াতীম কুমারী মেয়ে থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং তার চুপ থাকাই তার সম্মতি।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الثَّيِّبِ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَيْسَ لِلْوَلِيِّ مَعَ الثَّيِّبِ أَمْرٌ، وَالْيَتِيمَةُ تُسْتَأْمَرُ، وَصَمْتُهَا إِقْرَارُهَا

صحيح

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن صالح بن كيسان، عن نافع بن جبير بن مطعم، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ليس للولي مع الثيب امر، واليتيمة تستامر، وصمتها اقرارها صحيح


Narrated Abdullah ibn Abbas:

The Prophet (ﷺ) said: A guardian has no concern with a woman previously married and has no husband, and an orphan girl (i.e. virgin) must be consulted, her silence being her acceptance.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. স্বামীহীনা (তালাক প্রাপ্ত বা বিধবা) নারী প্রসঙ্গে

২১০১। খানসাআ বিনতু খিযাম আল-আনসারিয়্যাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তার পিতা তাকে বিয়ে দেন তখন তিনি বয়স্কা (সাবালিকা)। তিনি এ বিয়ে অপছন্দ করলেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অভিযোগ করলে তিনি তার এ বিয়ে বাতিল করে দেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الثَّيِّبِ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَمُجَمِّعٍ ابْنَيْ يَزِيدَ الْأَنْصَارِيَّيْنِ، عَنْ خَنْسَاءَ بِنْتِ خِذَامٍ الْأَنْصَارِيَّةِ، أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ ثَيِّبٌ فَكَرِهَتْ ذَلِكَ فَجَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَرَدَّ نِكَاحَهَا

صحيح

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عبد الرحمن، ومجمع ابني يزيد الانصاريين، عن خنساء بنت خذام الانصارية، ان اباها زوجها وهي ثيب فكرهت ذلك فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فرد نكاحها صحيح


Khansa’ daughter of Khidham al-Ansariyyah reports that when her father married her when she had previously been married and she disapproved of that she went to the Apostle of Allaah(ﷺ) and mentioned it to him. He (the Prophet) revoked her marriage.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৭. সমতা

২১০২। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা আবূ হিন্দ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাথার তালুতে শিংগা লাগান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে বায়াদাহ গোত্রের লোকেরা! তোমাদের গোত্রের একটি মেয়ে আবূ হিন্দের কাছে বিয়ে দাও। ফলে তারা তাদের একটি কন্যা তার কাছে বিয়ে দিলো। তিনি বললেনঃ তোমরা যেসব চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করো সেসবের কোনোটিতে উপকার থাকলে তা শিংগা লাগানোতেই রয়েছে।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي الْأَكْفَاءِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ أَبَا هِنْدٍ، حَجَمَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْيَافُوخِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا بَنِي بَيَاضَةَ أَنْكِحُوا أَبَا هِنْدٍ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِ وَقَالَ: وَإِنْ كَانَ فِي شَيْءٍ مِمَّا تَدَاوُونَ بِهِ خَيْرٌ فَالْحِجَامَةُ

حسن

حدثنا عبد الواحد بن غياث، حدثنا حماد، حدثنا محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، ان ابا هند، حجم النبي صلى الله عليه وسلم في اليافوخ، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: يا بني بياضة انكحوا ابا هند وانكحوا اليه وقال: وان كان في شيء مما تداوون به خير فالحجامة حسن


Narrated AbuHurayrah:

AbuHind cupped the Prophet (ﷺ) in the middle of his head. The Prophet (ﷺ) said: Banu Bayadah, marry AbuHind (to your daughter), and ask him to marry (his daughter) to you. He said: The best thing by which you treat yourself is cupping.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. জন্মগ্রহণের আগেই বিয়ে দেয়া

২১০৩। সারাহ্ বিনতু মিকসাম (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি মায়মূনা বিনতু কারদাম (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের (হজ্জের) বছরে আমি আমার পিতার সাথে বের হলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখে আমার পিতা তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। এ সময় তিনি তাঁর উষ্ট্রীর উপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে ছিলো শিক্ষকদের হাতে যেরূপ দোররা থাকে সেরূপ দোররা। এ সময় আমি আরব ও অন্যান্যদের বলে শুনলাম, দোররা দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো।

অতঃপর আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়ে তার পা দু’খানা জড়িয়ে ধরে তাঁর রিসালাতের স্বীকৃতি দেন, তার কাছে অবস্থান করেন এবং তাঁর কথা শুনেন। আমার পিতা বলেন, আমি (জাহিলী যুগে) ’আসরান’ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছে ’গাস্‌রান।’ তখন তারিক ইবনুল মুরাক্কা’ বললো, আমাকে এর বিনিময়ে কে একটি তীর দিবে? আমি বললাম, এর বিনিময় কি? সে বললো, আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মগ্রহণ করবে তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। আমি আমার তীরটি তাকে দিলাম।

এরপর আমি তাদের কাছ থেকে চলে গেলাম। পরে আমি জানতে পারলাম, তার কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছে এবং সে সাবিলাকাও হয়েছে। অতঃপর আমি তার নিকট গিয়ে বললাম, আমার স্ত্রী আমাকে দিন। সুতরাং তারা তাকে আমার নিকট সোর্পদ করতে প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু সে (পিতা) শপথ করে বললো, অতিরিক্ত কিছু মোহর না দিলে কন্যাকে দিবো না। অপরদিকে আমিও শপথ করি, তাকে পূর্বে যা দিয়েছি, তা ছাড়া অতিরিক্ত কিছুই দিবো না।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বর্তমানে সে একজন মহিলা। হয় তো সে তোমাকে (বৃদ্ধ) দেখেছে। তিনি আরো বললেনঃ আমি ইচ্ছা, তুমি তাকে ত্যাগ করো। তিনি (কারদাম), বলেন, আমি আমার শপথের জন্য ভীত হলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে তাকালাম। তিনি আমার অবস্থা অনুধাবন করে বললেনঃ (শপথের কারণে) তোমার কোনো গুনাহ হবে না এবং তোমার প্রতিপক্ষেরও কোনো গুনাহ হবে না।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي تَزْوِيجِ مَنْ لَمْ يُولَدْ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى الْمَعْنَى، قَالَا: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ مِقْسَمٍ الثَّقَفِيُّ، مِنْ أَهْلِ الطَّائِفِ، حَدَّثَتْنِي سَارَةُ بِنْتُ مِقْسَمٍ، أَنَّهَا سَمِعَتْ مَيْمُونَةَ بِنْتَ كَرْدَمٍ، قَالَتْ: خَرَجْتُ مَعَ أَبِي فِي حَجَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَنَا إِلَيْهِ أَبِي وَهُوَ عَلَى نَاقَةٍ لَهُ فَوَقَفَ لَهُ وَاسْتَمَعَ مِنْهُ وَمَعَهُ دِرَّةٌ كَدِرَّةِ الْكُتَّابِ، فَسَمِعْتُ الْأَعْرَابَ وَالنَّاسَ وَهُمْ يَقُولُونَ: الطَّبْطَبِيَّةَ الطَّبْطَبِيَّةَ الطَّبْطَبِيَّةَ، فَدَنَا إِلَيْهِ أَبِي، فَأَخَذَ بِقَدَمِهِ، فَأَقَرَّ لَهُ، وَوَقَفَ عَلَيْهِ، وَاسْتَمَعَ مِنْهُ، فَقَالَ: إِنِّي حَضَرْتُ جَيْشَ، عِثْرَانَ، قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى: جَيْشَ غِثْرَانَ، فَقَالَ طَارِقُ بْنُ الْمُرَقَّعِ: مَنْ يُعْطِينِي رُمْحًا، بِثَوَابِهِ؟ قُلْتُ: وَمَا ثَوَابُهُ؟ قَالَ: أُزَوِّجُهُ أَوَّلَ بِنْتٍ تَكُونُ لِي، فَأَعْطَيْتُهُ رُمْحِي، ثُمَّ غِبْتُ عَنْهُ، حَتَّى عَلِمْتُ أَنَّهُ قَدْ وُلِدَ لَهُ جَارِيَةٌ وَبَلَغَتْ، ثُمَّ جِئْتُهُ فَقُلْتُ لَهُ: أَهْلِي جَهِّزْهُنَّ إِلَيَّ، فَحَلَفَ أَنْ لَا يَفْعَلَ حَتَّى أُصْدِقَهُ صَدَاقًا جَدِيدًا غَيْرَ الَّذِي كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ، وَحَلَفْتُ لَا أُصْدِقُ غَيْرَ الَّذِي أَعْطَيْتُهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: وَبِقَرْنِ أَيِّ النِّسَاءِ هِيَ الْيَوْمَ قَالَ: " قَدْ رَأَتِ الْقَتِيرَ، قَالَ: أَرَى أَنْ تَتْرُكَهَا قَالَ: فَرَاعَنِي ذَلِكَ، وَنَظَرْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ مِنِّي قَالَ: لَا تَأْثَمُ، وَلَا يَأْثَمُ صَاحِبُكَ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: الْقَتِيرُ الشَّيْبُ

ضعيف

حدثنا الحسن بن علي، ومحمد بن المثنى المعنى، قالا: حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا عبد الله بن يزيد بن مقسم الثقفي، من اهل الطاىف، حدثتني سارة بنت مقسم، انها سمعت ميمونة بنت كردم، قالت: خرجت مع ابي في حجة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم فدنا اليه ابي وهو على ناقة له فوقف له واستمع منه ومعه درة كدرة الكتاب، فسمعت الاعراب والناس وهم يقولون: الطبطبية الطبطبية الطبطبية، فدنا اليه ابي، فاخذ بقدمه، فاقر له، ووقف عليه، واستمع منه، فقال: اني حضرت جيش، عثران، قال ابن المثنى: جيش غثران، فقال طارق بن المرقع: من يعطيني رمحا، بثوابه؟ قلت: وما ثوابه؟ قال: ازوجه اول بنت تكون لي، فاعطيته رمحي، ثم غبت عنه، حتى علمت انه قد ولد له جارية وبلغت، ثم جىته فقلت له: اهلي جهزهن الي، فحلف ان لا يفعل حتى اصدقه صداقا جديدا غير الذي كان بيني وبينه، وحلفت لا اصدق غير الذي اعطيته، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: وبقرن اي النساء هي اليوم قال: " قد رات القتير، قال: ارى ان تتركها قال: فراعني ذلك، ونظرت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما راى ذلك مني قال: لا تاثم، ولا ياثم صاحبك. قال ابو داود: القتير الشيب ضعيف


Narrated Maymunah, daughter of Kardam:

I went out along with my father during the hajj performed by the Messenger of Allah (ﷺ). I saw the Messenger of Allah (ﷺ). My father came near him; he was riding his she-camel. He stopped there and listened to him. He had a whip like the whip of the teachers. I heard the Bedouin and the people saying: Keep away from the whip. My father came up to him. He caught hold of his foot and acknowledged him (his Prophethood). He stopped and listened to him.

He then said: I participated in the army of Athran (in the pre-Islamic days).

The narrator, Ibn al-Muthanna, said: Army of Gathran. Tariq ibn al-Muraqqa' said: Who will give me a lance and get a reward?

I asked: What is its reward? He replied: I shall marry him to my first daughter born to me. So I gave him my lance and then disappeared from him till I knew that a daughter was born to him and she came of age.

I then came to him and said: Send my wife to me. He swore that he would not do that until I fixed a dower afresh other than that agreed between me and him, and I swore that I should not give him the dower other than that I had given him before.

The Messenger of Allah (ﷺ) said: How old is she now?

He said: She has grown old. He said: I think you should leave her. He said: This put awe and fear into me, and I looked at the Messenger of Allah (ﷺ).

When he felt this in me, he said: You will not be sinful, nor will your companion be sinful.

Abu Dawud said: Qatir means old age.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. জন্মগ্রহণের আগেই বিয়ে দেয়া

২১০৪। ইবরাহীম ইবনু মাইসারার (রহ.) খালা থেকে জনৈক মহিলা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমার পিতা এক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং তাতে বালির গরমে চলাফিরা অসহনীয় হয়ে পড়ে। তখন এক ব্যক্তি বললো, কে আমাকে তার জুতাজোড়া দিবে? এর বিনিময়ে আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্ম লাভ করবে, তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। এ কথা শুনে আমার পিতা তার জুতাজোড়া তাকে দিলেন। অতঃপর তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলো এবং সে সাবালিকাও হলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন, তবে এতে ’আল-কাতীর’ শব্দটি উল্লেখ নেই।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي تَزْوِيجِ مَنْ لَمْ يُولَدْ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْسَرَةَ، أَنَّ خَالَتَهُ أَخْبَرَتْهُ عَنِ امْرَأَةٍ، قَالَتْ: هِيَ مُصَدَّقَةٌ امْرَأَةُ صِدْقٍ، قَالَتْ: بَيْنَا أَبِي فِي غَزَاةٍ فِي الْجَاهِلِيَّةِ إِذْ رَمِضُوا، فَقَالَ رَجُلٌ: مَنْ يُعْطِينِي نَعْلَيْهِ وَأُنْكِحُهُ أَوَّلَ بِنْتٍ تُولَدُ لِي؟ فَخَلَعَ أَبِي نَعْلَيْهِ فَأَلْقَاهُمَا إِلَيْهِ، فَوُلِدَتْ لَهُ جَارِيَةٌ فَبَلَغَتْ، وَذَكَرَ نَحْوَهُ، لَمْ يَذْكُرْ قِصَّةَ الْقَتِيرِ

ضعيف

حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني ابراهيم بن ميسرة، ان خالته اخبرته عن امراة، قالت: هي مصدقة امراة صدق، قالت: بينا ابي في غزاة في الجاهلية اذ رمضوا، فقال رجل: من يعطيني نعليه وانكحه اول بنت تولد لي؟ فخلع ابي نعليه فالقاهما اليه، فولدت له جارية فبلغت، وذكر نحوه، لم يذكر قصة القتير ضعيف


Ibrahim bin Maisarah reported from his maternal aunt who reported on the authority of a woman called Mussaddaqah (a truthful woman). She said “In pre Islamic days, when my father participated in a battle the feet of the people burnt due to intense heat. Thereupon a man said “Who gives me his shoes, I shall marry him to my first daughter born to me. My father took off his shoes and there them before him. A girl was thereafter born to him and came of age.” The narrator then mentioned a similar story. But he did not mention that she had grown old.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৯. মোহরানা সম্পর্কে

২১০৫। আবূ সালামাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ’আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর (স্ত্রীদের) মোহরানা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ’বারো ঊকিয়া ও এক নাস্‌স।’ আমি বললাম, ’নাস্‌স’ কি? তিনি বললেন, এক ঊকিয়ার অর্ধেক।[1]

সহীহ।

بَابُ الصَّدَاقِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، عَنْ صَدَاقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَتْ: ثِنْتَا عَشْرَةَ أُوقِيَّةً وَنَشٌّ، فَقُلْتُ: وَمَا نَشٌّ؟ قَالَتْ: نِصْفُ أُوقِيَّةٍ

صحيح

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، حدثنا يزيد بن الهاد، عن محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، قال: سالت عاىشة رضي الله عنها، عن صداق النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: ثنتا عشرة اوقية ونش، فقلت: وما نش؟ قالت: نصف اوقية صحيح


Abu Salamah said “I asked A’ishah about the dower given by the Apostle of Allaah(ﷺ). She said “It was twelve Uqiyahs and a nashsh”. I asked “What is nashsh?” She said it is half an uqiyah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৯. মোহরানা সম্পর্কে

২১০৬। আবুল আজফা আস্-সুলামী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমার (রাযি.) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, সাবধান! তোমরা নারীদের মোহর নির্ধারণে সীমালঙ্ঘন করো না। কারণ যদি তা দুনিয়ার মর্যাদার বস্তু হতো এবং আল্লাহর নিকট পরহেযগারীর বস্তু হতো, তবে তোমাদের চেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেন এর যোগ্যতম ব্যক্তি। অথচ তিনি তাঁর স্ত্রীদের কারো মোহর এবং তাঁর কন্যাদের কারো মোহর বারো ঊকিয়ার অধিক ধার্য করেননি।[1]

হাসান সহীহ।

بَابُ الصَّدَاقِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي الْعَجْفَاءِ السُّلَمِيِّ، قَالَ: خَطَبَنَا عُمَرُ رَحِمَهُ اللَّهُ، فَقَالَ: أَلَا لَا تُغَالُوا بِصُدُقِ النِّسَاءِ، فَإِنَّهَا لَوْ كَانَتْ مَكْرُمَةً فِي الدُّنْيَا، أَوْ تَقْوَى عِنْدَ اللَّهِ لَكَانَ أَوْلَاكُمْ بِهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مَا أَصْدَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ، وَلَا أُصْدِقَتْ امْرَأَةٌ مِنْ بَنَاتِهِ أَكْثَرَ مِنْ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ أُوقِيَّةً

حسن صحيح

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن محمد، عن ابي العجفاء السلمي، قال: خطبنا عمر رحمه الله، فقال: الا لا تغالوا بصدق النساء، فانها لو كانت مكرمة في الدنيا، او تقوى عند الله لكان اولاكم بها النبي صلى الله عليه وسلم، ما اصدق رسول الله صلى الله عليه وسلم امراة من نساىه، ولا اصدقت امراة من بناته اكثر من ثنتي عشرة اوقية حسن صحيح


AbulAjfa' as-Sulami said:
Umar (Allah be pleased with him) delivered a speech to us and said: Do not go to extremes in giving women their dower, for if it represented honour in this world and piety in Allah's sight, the one of you most entitled to do so would have been the Prophet (ﷺ). The Messenger of Allah (ﷺ) did not marry any of his wives or gave any of his daughters in marriage for more than twelve uqiyahs.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবুল আজফা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৯. মোহরানা সম্পর্কে

২১০৭। উম্মুল মু’মিনীন উম্মু হাবীবাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি ছিলেন ’উবাইদুল্লাহ ইবনু জাহশের স্ত্রী। অতঃপর উবাইদুল্লাহ হাবশায় মারা গেলে বাদশা নাজ্জাশী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাঁর বিয়ে দেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে মোহর আদায় করেন। অতঃপর তিনি তাকে শুরাহবীল ইবনু হাসানার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পাঠিয়ে দেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাসানাহ হলেন শুরাহবীলের মা।[1]

সহীহ।

بَابُ الصَّدَاقِ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ أَبِي يَعْقُوبَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ جَحْشٍ فَمَاتَ بِأَرْضِ الْحَبَشَةِ فَزَوَّجَهَا النَّجَاشِيُّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمْهَرَهَا عَنْهُ أَرْبَعَةَ آلَافٍ وَبَعَثَ بِهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ شُرَحْبِيلَ ابْنِ حَسَنَةَ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: حَسَنَةُ هِيَ أُمُّهُ

صحيح

حدثنا حجاج بن ابي يعقوب الثقفي، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا ابن المبارك، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن ام حبيبة، انها كانت تحت عبيد الله بن جحش فمات بارض الحبشة فزوجها النجاشي النبي صلى الله عليه وسلم وامهرها عنه اربعة الاف وبعث بها الى رسول الله صلى الله عليه وسلم مع شرحبيل ابن حسنة. قال ابو داود: حسنة هي امه صحيح


Urwah reported on the authority of Umm Habibah that she was married to Abdullah ibn Jahsh who died in Abyssinia, so the Negus married her to the Prophet (ﷺ) giving her on his behalf a dower of four thousand (dirhams). He sent her to the Messenger of Allah (ﷺ) with Shurahbil ibn Hasanah. AbuDawud said:
Hasanah is his mother.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু হাবীবা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ২৯. মোহরানা সম্পর্কে

২১০৮। আয-যুহরী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। আন-নাজ্জাশী আবূ সুফিয়ানের-কন্যা উম্মু হাবীবাহ (রাযি.)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বিয়ে দেন এবং এতে মোহর ধার্য করেন চার হাজার দিরহাম। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করলে তিনি তা কবূল করেন।[1]

দুর্বল।

بَابُ الصَّدَاقِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَنَّ النَّجَاشِيَّ، زَوَّجَ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ أَبِي سُفْيَانَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى صَدَاقِ أَرْبَعَةِ آلَافِ دِرْهَمٍ وَكَتَبَ بِذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَبِلَ

ضعيف

حدثنا محمد بن حاتم بن بزيع، حدثنا علي بن الحسن بن شقيق، عن ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، ان النجاشي، زوج ام حبيبة بنت ابي سفيان من رسول الله صلى الله عليه وسلم على صداق اربعة الاف درهم وكتب بذلك الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبل ضعيف


Az-Zuhri said:
The Negus married Umm Habibah daughter of Abu Sufyan to the Messenger of Allah (ﷺ) for a dower of four thousand dirhams. He wrote it to the Messenger of Allah (ﷺ) who accepted it.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩০. মোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ

২১০৯। আনাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুর রহমান ইবনু ’আওফ (রাযি.)-এর শরীরে জা’ফরানের চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, এটা কি? তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এক মহিলাকে বিয়ে করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তাকে কি পরিমাণ মোহর প্রদান করেছো? তিনি বলেন, খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ ওজনের স্বর্ণ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বিবাহভোজের আয়োজন করো, যদিও তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।[1]

সহীহ।

بَابُ قِلَّةِ الْمَهْرِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، وَحُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ وَعَلَيْهِ رَدْعُ زَعْفَرَانٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَهْيَمْ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً، قَالَ: مَا أَصْدَقْتَهَا؟ قَالَ: وَزْنَ نَوَاةٍ مِنْ ذَهَبٍ، قَالَ: أَوْلِمْ وَلَوْ بِشَاةٍ

صحيح

حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، وحميد، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى عبد الرحمن بن عوف وعليه ردع زعفران فقال النبي صلى الله عليه وسلم: مهيم فقال: يا رسول الله، تزوجت امراة، قال: ما اصدقتها؟ قال: وزن نواة من ذهب، قال: اولم ولو بشاة صحيح


Narrated Anas:
The Messenger of Allah (ﷺ) saw the trace of yellow on 'Abd al-Rahman b. 'Awf. The Prophet (ﷺ) said: What is this ? He replied: Messenger of Allah, I have married a woman. He asked: How much dower did you give her ? He said: A nawat weight of gold. He said: Hold a wedding feast, even if only with a sheep.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩০. মোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ

২১১০। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি মোহর হিসেবে এক মুষ্টি ছাতু অথবা খোরমা দিলে তার বিয়ে বৈধ।

দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৫৪৫৩), মিশকাত (৩২০৫)।

জাবির (রাযি.) অপর একটি হাদীসে বর্ণনা করেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় এক মুষ্টি খাদ্যের বিনিময়ে ফায়দা ভোগ করতাম। এরূপ হতো মুত’আহ বিবাহের ক্ষেত্রে। আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, ইবনু জুরাইজ আবুয-যুবায়রের উদ্ধৃতি দিয়ে জাবির (রাযি.) সূত্রে আবূ ’আসিমের অনুরূপ অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন।[1]

সহীহ।

بَابُ قِلَّةِ الْمَهْرِ

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ جِبْرَائِيلَ الْبَغْدَادِيُّ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ مُسْلِمِ بْنِ رُومَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ أَعْطَى فِي صَدَاقِ امْرَأَةٍ مِلْءَ كَفَّيْهِ سَوِيقًا أَوْ تَمْرًا فَقَدْ اسْتَحَلَّ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: رَوَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ صَالِحِ بْنِ رُومَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، مَوْقُوفًا

ضعيف، ضعيف الجامع الصغير (٥٤٥٣)، المشكاة (٣٢٠٥)

وَرَوَاهُ أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ رُومَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: كُنَّا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَسْتَمْتِعُ بِالْقُبْضَةِ، مِنَ الطَّعَامِ عَلَى مَعْنَى الْمُتْعَةِ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: رَوَاهُ ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَلَى مَعْنَى أَبِي عَاصِمٍ

ضعيف

حدثنا اسحاق بن جبراىيل البغدادي، اخبرنا يزيد، اخبرنا موسى بن مسلم بن رومان، عن ابي الزبير، عن جابر بن عبد الله، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال: من اعطى في صداق امراة ملء كفيه سويقا او تمرا فقد استحل. قال ابو داود: رواه عبد الرحمن بن مهدي، عن صالح بن رومان، عن ابي الزبير، عن جابر، موقوفا ضعيف، ضعيف الجامع الصغير (٥٤٥٣)، المشكاة (٣٢٠٥) ورواه ابو عاصم، عن صالح بن رومان، عن ابي الزبير، عن جابر، قال: كنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم نستمتع بالقبضة، من الطعام على معنى المتعة. قال ابو داود: رواه ابن جريج، عن ابي الزبير، عن جابر، على معنى ابي عاصم ضعيف


Narrated Jabir ibn Abdullah:

The Prophet (ﷺ) said: If anyone gives as a dower to his wife two handfuls of flour or dates he has made her lawful for him.

AbuDawud said: This tradition has been narrated by Abdur Rahman ibn Mahdi, from Salih ibn Ruman, from Abu al-Zubayr on the authority of Jabir as his own statement (not going back to the Prophet). It has also been transmitted by AbuAsim from Salih ibn Ruman , from AbuzZubayr on the authority of Jabir who said: During the lifetime of the Messenger of Allah (ﷺ) we used to contract temporary marriage for a handful of grain.

Abu Dawud said: This tradition has also been transmitted by Ibn Juraij from Abu al-Zubair on the authority of Jabir similar to the one narrated by Abu 'Asim.


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩১. কাজের বিনিময়ে বিয়ে

২১১১। সাহল ইবনু সা’দ আস্-সাঈদী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জনৈক মহিলা এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমাকে বিয়ে করার জন্য আপনার সমীপে সমর্পণ করলাম। এরপর সে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলো। তখন এক (আনসারী) ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তাকে আমার সাথে বিয়ে দিন, যদি আপনার প্রয়োজন না থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ তাকে মোহরানা দেয়ার জন্য তোমার নিকট কিছু আছে কি? সে বললো, আমার এই পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া আমার কাছে আর কিছু নেই।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার পরিধেয় বস্ত্র তাকে দিয়ে দিলে তো তোমাকে (ঘরেই) বসে থাকতে হবে। যেহেতু তোমার কাছে অন্য কোনো বস্ত্র নেই। কাজেই খুঁজে দেখো, কিছু পাও কিনা? সে বললো, আমি কিছুই পাচ্ছি না। তিনি আবার বললেনঃ খুঁজে দেখো, যদিও একটি লোহার আংটিও হয়। সে খোঁজ করলো, কিন্তু কিছুই পেলো না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি কুরআনের কিছু মুখস্থ জানো? সে বললো, হ্যাঁ, আমার অমুক অমুক সূরা, কয়েকটি সূরার নাম উল্লেখ করে বললো, এগুলো মুখস্থ আছে। রাসূলুল্লাহ বললেনঃ তুমি কুরআনের যেটুকু মুখস্থ জানো, তার বিনিময়ে আমি তোমার সাথে তাকে বিয়ে দিলাম।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي التَّزْوِيجِ عَلَى الْعَمَلِ يَعْمَلُ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَاءَتْهُ امْرَأَةٌ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي قَدْ وَهَبْتُ نَفْسِي لَكَ، فَقَامَتْ قِيَامًا طَوِيلًا، فَقَامَ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، زَوِّجْنِيهَا إِنْ لَمْ يَكُنْ لَكَ بِهَا حَاجَةٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: هَلْ عِنْدَكَ مِنْ شَيْءٍ تُصْدِقُهَا إِيَّاهُ؟، فَقَالَ: مَا عِنْدِي إِلَّا إِزَارِي هَذَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّكَ إِنْ أَعْطَيْتَهَا إِزَارَكَ جَلَسْتَ وَلَا إِزَارَ لَكَ فَالْتَمِسْ شَيْئًا، قَالَ: لَا أَجِدُ شَيْئًا، قَالَ: فَالْتَمِسْ وَلَوْ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ، فَالْتَمَسَ فَلَمْ يَجِدْ شَيْئًا، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فَهَلْ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ شَيْءٌ؟، قَالَ: نَعَمْ سُورَةُ كَذَا وَسُورَةُ كَذَا لِسُوَرٍ سَمَّاهَا، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: قَدْ زَوَّجْتُكَهَا بِمَا مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ

صحيح

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد الساعدي، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءته امراة، فقالت: يا رسول الله، اني قد وهبت نفسي لك، فقامت قياما طويلا، فقام رجل، فقال: يا رسول الله، زوجنيها ان لم يكن لك بها حاجة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: هل عندك من شيء تصدقها اياه؟، فقال: ما عندي الا ازاري هذا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: انك ان اعطيتها ازارك جلست ولا ازار لك فالتمس شيىا، قال: لا اجد شيىا، قال: فالتمس ولو خاتما من حديد، فالتمس فلم يجد شيىا، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: فهل معك من القران شيء؟، قال: نعم سورة كذا وسورة كذا لسور سماها، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: قد زوجتكها بما معك من القران صحيح


Narrated Sahl b. Sa'd al-Sa'idi :
A woman came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: Messenger of Allah, I have offered myself to you. When she stood for a long time, a man got up and said: Messenger of Allah, marry her to me if you have no need for her. The Messenger of Allah (ﷺ) asked: Have you anything to give her as dower ? He replied: I have nothing by this lower garment of mine. The Messenger of Allah (ﷺ) said: If you give your lower garment, you will sit while you have no lower garment. So look for something else. He said: I do not find anything. He said: Look for something, even though it should be an iron ring. The man sought it but found nothing. The Messenger of Allah (ﷺ) said: Do you know anything from the Qur'an ? He said: Yes, I know surah so and so, which he named. The Messenger of Allah (ﷺ) said: I have given you her in marriage for the part of the Qur'an which you know.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা'দ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩১. কাজের বিনিময়ে বিয়ে

২১১২। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এতে পরিধেয় বস্ত্র ও আংটির কথা নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ তুমি কুরআনের কতটুকু মুখস্থ জানো? সে বললো, সূরা আল-বাকারাহ অথবা তার পরবর্তী সূরা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে বিশটি আয়াত শিক্ষা দাও এবং সে তোমার স্ত্রী।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي التَّزْوِيجِ عَلَى الْعَمَلِ يَعْمَلُ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي حَفْصُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ الْحَجَّاجِ الْبَاهِلِيِّ، عَنْ عِسْلٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، نَحْوَ هَذِهِ الْقِصَّةِ لَمْ يَذْكُرِ الْإِزَارَ وَالْخَاتَمَ، فَقَالَ: مَا تَحْفَظُ مِنَ الْقُرْآنِ؟ قَالَ سُورَةَ الْبَقَرَةِ أَوِ الَّتِي تَلِيهَا، قَالَ: فَقُمْ فَعَلِّمْهَا عِشْرِينَ آيَةً، وَهِيَ امْرَأَتُكَ

ضعيف

حدثنا احمد بن حفص بن عبد الله، حدثني ابي حفص بن عبد الله، حدثني ابراهيم بن طهمان، عن الحجاج بن الحجاج الباهلي، عن عسل، عن عطاء بن ابي رباح، عن ابي هريرة، نحو هذه القصة لم يذكر الازار والخاتم، فقال: ما تحفظ من القران؟ قال سورة البقرة او التي تليها، قال: فقم فعلمها عشرين اية، وهي امراتك ضعيف


A tradition similar to the one narrated above has also been transmitted by Abu Hurairah through a different chain of narrators. This version does not mention the lower garment and iron ring. He (the Prophet) said:
How much do you memorize from Qur'an? He said: Surat al-Baqarah or the one that follows it. He said: Stand up and teach her twenty verses: she is your wife.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩১. কাজের বিনিময়ে বিয়ে

২১১৩। মাকহুল (রহ.) সূত্রে সাহল (রাযি.) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। মাকহুল (রহ.) বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে কারো জন্য মোহর ছাড়া বিয়ে জায়েয নয়।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي التَّزْوِيجِ عَلَى الْعَمَلِ يَعْمَلُ

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَبِي الزَّرْقَاءِ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَاشِدٍ، عَنْ مَكْحُولٍ، نَحْوَ خَبَرِ سَهْلٍ، قَالَ: وَكَانَ مَكْحُولٌ يَقُولُ: لَيْسَ ذَلِكَ لِأَحَدٍ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

ضعيف

حدثنا هارون بن زيد بن ابي الزرقاء، حدثنا ابي، حدثنا محمد بن راشد، عن مكحول، نحو خبر سهل، قال: وكان مكحول يقول: ليس ذلك لاحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيف


Makhul has also transmitted a tradition like the one narrated by Sahl (b. Sa'd al-Sa'idi). Makhul used to say:
This is not lawful for anyone after the Messenger of Allah (ﷺ).


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ মাকহূল (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩২. কেউ মোহর নির্ধারণ ছাড়া বিয়ে করার পরা মারা গেলে

২১১৪। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে বর্ণিত, যে কোনো নারীকে বিয়ে করার পর মারা গেছে কিন্তু তার সাথে সঙ্গম করেনি এবং মোহরও ধার্য করেনি। তিনি বললেন, যে পূর্ণ মোহরের হকদার, সে ইদ্দাত পালন করবে এবং স্বামীর সম্পদের মীরাসও পাবে। এ সময় মা’কিল ইবনু সিনান (রাযি.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিরওয়াআ বিনতু ওয়াশিকের সম্পর্কে অনুরূপ ফায়সালা দিতে শুনেছি।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِيمَنْ تَزَوَّجَ وَلَمْ يُسَمِّ صَدَاقًا حَتَّى مَاتَ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ فِرَاسٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، فِي رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً فَمَاتَ عَنْهَا، وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا الصَّدَاقَ، فَقَالَ: لَهَا الصَّدَاقُ كَامِلًا، وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ، وَلَهَا الْمِيرَاثُ، فَقَالَ مَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِهِ فِي بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ

صحيح

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن فراس، عن الشعبي، عن مسروق، عن عبد الله، في رجل تزوج امراة فمات عنها، ولم يدخل بها ولم يفرض لها الصداق، فقال: لها الصداق كاملا، وعليها العدة، ولها الميراث، فقال معقل بن سنان: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى به في بروع بنت واشق صحيح


Narrated Abdullah ibn Mas'ud:

Masruq said on the authority of Abdullah ibn Mas'ud: Abdullah (ibn Mas'ud ) was asked about a man who had married a woman without cohabiting with her or fixing any dower for her till he died. Ibn Mas'ud said: She should receive the full dower (as given to women of her class), observe the waiting period ('Iddah), and have her share of inheritance. Thereupon Ma'qil ibn Sinan said: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) giving the same decision regarding Birwa' daughter of Washiq (as the decision you have given).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩২. কেউ মোহর নির্ধারণ ছাড়া বিয়ে করার পরা মারা গেলে

২১১৫। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।[1]

আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

بَابٌ فِيمَنْ تَزَوَّجَ وَلَمْ يُسَمِّ صَدَاقًا حَتَّى مَاتَ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَابْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، وَسَاقَ عُثْمَانُ، مِثْلَهُ
.
لم أجده في الصحيح و لا في الضعيف

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، وابن مهدي، عن سفيان، عن منصور، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، وساق عثمان، مثله . لم اجده في الصحيح و لا في الضعيف


The aforesaid tradition has also been transmitted by 'Alqamah on the authority of 'Abd Allah. 'Uthman (b. Abi Shaibah) narrated a similar tradition.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩২. কেউ মোহর নির্ধারণ ছাড়া বিয়ে করার পরা মারা গেলে

২১১৬। আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.)-এর নিকট এক ব্যক্তি পূর্বোক্ত হাদীসের ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা এ বিষয়ে এক মাস ধরে বা অনেকবার মতভেদ করেন। অতঃপর ইবনু মাসঊদ বললেন, ঐ নারীর ব্যাপারে আমার বক্তব্য হচ্ছে, সে তার বংশের নারীর সমপরিমাণ মোহর পাবে, এতে কমবেশি করবে না, সে মীরাসের অংশও পাবে এবং তাকে ইদ্দাত পালন করতে হবে। এ হলো আমার অভিমত, এটা নির্ভুল হলে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে আর ভুল হলে তা আমার ও শয়তানের পক্ষ থেকে। তবে এ ব্যাপারে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সম্পূর্ণ নির্দোষ।

অতঃপর আশজা’ গোত্রের আল-জাররাহ ও আবূ সিনান (রাযি.)-সহ কতিপয় লোক দাঁড়িয়ে বললেন, হে ইবনু মাসঊদ! আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, উতবাহ (রাযি.) আমাদের মাঝে হেলাল ইবনু মুররার স্ত্রী বিরওয়াআ’ বিনতু ওয়াশিকের ব্যাপারে অনুরূপ ফতোয়া দিয়েছিলেন যেরূপ আপনি দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ যখন দেখলেন যে, তার ফতোয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফতোয়ার অনুরূপ, তখন তিনি খুবই খুশি হলেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِيمَنْ تَزَوَّجَ وَلَمْ يُسَمِّ صَدَاقًا حَتَّى مَاتَ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ خِلَاسٍ، وَأَبِي حَسَّانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، أُتِيَ فِي رَجُلٍ بِهَذَا الْخَبَرِ، قَالَ: فَاخْتَلَفُوا إِلَيْهِ، شَهْرًا - أَوْ قَالَ: مَرَّاتٍ، قَالَ: فَإِنِّي أَقُولُ فِيهَا إِنَّ لَهَا صَدَاقًا كَصَدَاقِ نِسَائِهَا، لَا وَكْسَ، وَلَا شَطَطَ، وَإِنَّ لَهَا الْمِيرَاثَ وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ، فَإِنْ يَكُ صَوَابًا، فَمِنَ اللَّهِ وَإِنْ يَكُنْ خَطَأً فَمِنِّي وَمِنَ الشَّيْطَانِ، وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ بَرِيئَانِ، فَقَامَ نَاسٌ مِنْ أَشْجَعَ فِيهِمُ الْجَرَّاحُ، وَأَبُو سِنَانٍ، فَقَالُوا: يَا ابْنَ مَسْعُودٍ نَحْنُ نَشْهَدُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَاهَا فِينَا فِي بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ وَإِنَّ زَوْجَهَا هِلَالُ بْنُ مُرَّةَ الْأَشْجَعِيُّ كَمَا قَضَيْتَ قَالَ: فَفَرِحَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ فَرَحًا شَدِيدًا حِينَ وَافَقَ قَضَاؤُهُ قَضَاءَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

صحيح

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن خلاس، وابي حسان، عن عبد الله بن عتبة بن مسعود، ان عبد الله بن مسعود، اتي في رجل بهذا الخبر، قال: فاختلفوا اليه، شهرا - او قال: مرات، قال: فاني اقول فيها ان لها صداقا كصداق نساىها، لا وكس، ولا شطط، وان لها الميراث وعليها العدة، فان يك صوابا، فمن الله وان يكن خطا فمني ومن الشيطان، والله ورسوله بريىان، فقام ناس من اشجع فيهم الجراح، وابو سنان، فقالوا: يا ابن مسعود نحن نشهد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قضاها فينا في بروع بنت واشق وان زوجها هلال بن مرة الاشجعي كما قضيت قال: ففرح عبد الله بن مسعود فرحا شديدا حين وافق قضاوه قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم صحيح


Narrated Abdullah ibn Mas'ud:

Abdullah ibn Utbah ibn Mas'ud said: Abdullah ibn Mas'ud was informed of this story of a man. The people continued to visit him for a month or visited him many times (the narrator was not sure).

He said: In this matter I hold the opinion that she should receive the type of dower given to women of her class with no diminution or excess, observe the waiting period ('iddah) and have her share of inheritance. If it is erroneous, that is from me and from Satan. Allah and His Apostle are free from its responsibility. Some people from Ashja' got up; among them were al-Jarrah and AbuSinan.

They said: Ibn Mas'ud, we bear witness that the Messenger of Allah (ﷺ) gave a decision for us regarding Birwa', daughter of Washiq, to the same effect as the decision you have given. Her husband was Hilal ibn Murrah al-Ashja'i. Thereupon Abdullah ibn Mas'ud was very pleased when his decision agreed with the decision of the Messenger of Allah (ﷺ).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩২. কেউ মোহর নির্ধারণ ছাড়া বিয়ে করার পরা মারা গেলে

২১১৭। ’উকবাহ ইবনু আমির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে বললেনঃ আমি তোমার সাথে অমুক মহিলার বিয়ে দিতে চাই, তুমি কি এতে খুশি আছো? সে বললো, হ্যাঁ। এরপর তিনি উক্ত মহিলাকে বললেনঃ আমি তোমাকে অমুক পুরুষের সাথে বিয়ে দিলে তুমি কি রাজি হবে? সে বললো, হ্যাঁ। সুতরাং তারা একে অপরকে বিয়ে করলো। তারপর লোকটি তার সাথে সঙ্গম করলো, কিন্তু তার জন্য কোনো মোহরানা নির্ধারণ করেনি এবং তাকে নগদ কিছু প্রদান করেনি।

লোকটি হুদায়বিয়াতে উপস্থিত ছিলো। হুদায়বিয়ায় উপস্থিত সকলকে খায়বারের এক এক অংশ দেয়া হয়েছিল। অতঃপর লোকটি মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে সে বললো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে অমুক মহিলার বিয়ে দিয়েছিলেন, অথচ আমি তার জন্য কোনো মোহর নির্ধারণ করিনি এবং তাকে নগদ কিছুই দেইনি। সুতরাং আমি আপনাদের সাক্ষী করছি যে, আমার খায়বারের অংশটুকু আমি তাকে মোহরানা বাবদ প্রদান করলাম। অতঃপর মহিলাটি (স্ত্রী) তা গ্রহণ করে এবং তা এক লক্ষ দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করে দেয়।

ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের শুরুতে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.) অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে বিবাহ সহজে সম্পন্ন হয় তাই উত্তম বিবাহ। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ লোককে বললেন,...। অতঃপর বাকী অংশটুকু একইরূপ বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, আমি আশংকা করি, এ হাদীসের সংযোজন হয়েছে। কেননা বিষয়টি ব্যতিক্রম।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِيمَنْ تَزَوَّجَ وَلَمْ يُسَمِّ صَدَاقًا حَتَّى مَاتَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ الذُّهْلِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، قَالَ مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَصْبَغِ الْجَزَرِيُّ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ خَالِدِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِرَجُلٍ: أَتَرْضَى أَنْ أُزَوِّجَكَ فُلَانَةَ؟، قَالَ: نَعَمْ، وَقَالَ لِلْمَرْأَةِ: أَتَرْضَيْنَ أَنْ أُزَوِّجَكِ فُلَانًا؟، قَالَتْ: نَعَمْ، فَزَوَّجَ أَحَدَهُمَا صَاحِبَهُ فَدَخَلَ بِهَا الرَّجُلُ وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا، وَلَمْ يُعْطِهَا شَيْئًا وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ الْحُدَيْبِيَةَ وَكَانَ مَنْ شَهِدَ الْحُدَيْبِيَةَ لَهُ سَهْمٌ بِخَيْبَرَ فَلَمَّا حَضَرَتْهُ الْوَفَاةُ قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَوَّجَنِي فُلَانَةَ، وَلَمْ أَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا، وَلَمْ أُعْطِهَا شَيْئًا، وَإِنِّي أُشْهِدُكُمْ أَنِّي أَعْطَيْتُهَا مِنْ صَدَاقِهَا سَهْمِي بِخَيْبَرَ، فَأَخَذَتْ سَهْمًا فَبَاعَتْهُ بِمِائَةِ أَلْفٍ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَزَادَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، وَحَدِيثُهُ أَتَمُّ فِي أَوَّلِ الْحَدِيثِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: خَيْرُ النِّكَاحِ أَيْسَرُهُ، وَقَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلرَّجُلِ ثُمَّ سَاقَ مَعْنَاهُ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: يُخَافُ أَنْ يَكُونَ هَذَا الْحَدِيثُ مُلْزَقًا لِأَنَّ الْأَمْرَ عَلَى غَيْرِ هَذَا

صحيح

حدثنا محمد بن يحيى بن فارس الذهلي، ومحمد بن المثنى، وعمر بن الخطاب، قال محمد: حدثنا ابو الاصبغ الجزري عبد العزيز بن يحيى، اخبرنا محمد بن سلمة، عن ابي عبد الرحيم خالد بن ابي يزيد، عن زيد بن ابي انيسة، عن يزيد بن ابي حبيب، عن مرثد بن عبد الله، عن عقبة بن عامر، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لرجل: اترضى ان ازوجك فلانة؟، قال: نعم، وقال للمراة: اترضين ان ازوجك فلانا؟، قالت: نعم، فزوج احدهما صاحبه فدخل بها الرجل ولم يفرض لها صداقا، ولم يعطها شيىا وكان ممن شهد الحديبية وكان من شهد الحديبية له سهم بخيبر فلما حضرته الوفاة قال: ان رسول الله صلى الله عليه وسلم زوجني فلانة، ولم افرض لها صداقا، ولم اعطها شيىا، واني اشهدكم اني اعطيتها من صداقها سهمي بخيبر، فاخذت سهما فباعته بماىة الف. قال ابو داود: وزاد عمر بن الخطاب، وحديثه اتم في اول الحديث قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير النكاح ايسره، وقال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للرجل ثم ساق معناه. قال ابو داود: يخاف ان يكون هذا الحديث ملزقا لان الامر على غير هذا صحيح


Narrated Uqbah ibn Amir:

The Prophet (ﷺ) said to a man: Would you like me to marry you to so-and-so?

He said: Yes. He also said to the woman: Would you like me to marry you to so-and-so?

She said: Yes. He then married one to the other. The man had sexual intercourse with her, but he did not fix any dower for her, nor did he give anything to her. He was one of those who participated in the expedition to al-Hudaybiyyah. One part of the expedition to al-Hudaybiyyah had a share in Khaybar.

When he was nearing his death, he said: The Messenger of Allah (ﷺ) married me to so-and-so, and I did not fix a dower for her, nor did I give anything to her. I call upon you as witness that I have given my share in Khaybar as her dower. So she took the share and sold it for one lakh (of dirhams).

Abu Dawud said: The version of 'Umar b. al-Khattab added in the beginning of this tradition, and his version is more perfect. He reported the Messenger of Allah (ﷺ) as saying: The best marriage is the one that is most easy. The Messenger of Allah (ﷺ) said to the man. The narrator then transmitted the rest of the tradition to the same effect.

Abu Dawud said: I am afraid this tradition has been added later on, for the matter is otherwise.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. বিবাহের খুৎবা

২১১৮। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বিবাহের খুৎবা শিক্ষা দিয়েছেনঃ ’’সমস্ত প্রশংসার এক আল্লাহর জন্যই। আমরা তাঁর কাছে সাহায্য চাই, তাঁর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি আমাদের দেহ ও আত্মার সকল অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন, কেউ তাকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না। আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, কেউ তাকে হিদায়াত করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, তোমাদের পরস্পরের মধ্যে চাওয়া-নেওয়া এবং আত্মীয়দের ব্যাপারে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।’’ (সুরা নিসাঃ ১) ’’হে ঈমানদারগণ! তোমরা যথাযথভাবে আল্লাহকে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মরো না।’’ (সূরা আলে ’ইমরানঃ ১০১) ’’হে ঈমানদারগণ! সঠিক কথা বলো। তাহলে তিনি তোমাদের কাজকর্ম সংশোধ করে দিবেন এবং তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, সে মহাসাফল্য লাভ করবে’’ (সূরা আহযাবঃ ৭০-৭১)।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي خُطْبَةِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، فِي خُطْبَةِ الْحَاجَةِ فِي النِّكَاحِ وَغَيْرِهِ، ح، وحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَنْبَارِيُّ، الْمَعْنَى، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، وَأَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: " عَلَّمَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خُطْبَةَ الْحَاجَةِ أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ نَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا، مَنْ يَهْدِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا (اتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا) [النساء: ١] (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ) [آل عمران: ١٠٢] (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا) [الأحزاب: ٧١].، لَمْ يَقُلْ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، أن

صحيح

حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن ابي عبيدة، عن عبد الله بن مسعود، في خطبة الحاجة في النكاح وغيره، ح، وحدثنا محمد بن سليمان الانباري، المعنى، حدثنا وكيع، عن اسراىيل، عن ابي اسحاق، عن ابي الاحوص، وابي عبيدة، عن عبد الله، قال: " علمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم خطبة الحاجة ان الحمد لله نستعينه ونستغفره ونعوذ به من شرور انفسنا، من يهد الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، واشهد ان لا اله الا الله، واشهد ان محمدا عبده ورسوله، يا ايها الذين امنوا (اتقوا الله الذي تساءلون به والارحام ان الله كان عليكم رقيبا) [النساء: ١] (يا ايها الذين امنوا اتقوا الله حق تقاته ولا تموتن الا وانتم مسلمون) [ال عمران: ١٠٢] (يا ايها الذين امنوا اتقوا الله وقولوا قولا سديدا يصلح لكم اعمالكم ويغفر لكم ذنوبكم ومن يطع الله ورسوله فقد فاز فوزا عظيما) [الاحزاب: ٧١].، لم يقل محمد بن سليمان، ان صحيح


Narrated Abdullah ibn Mas'ud:

The Messenger of Allah (ﷺ) taught us the address in case of some need:

Praise be to Allah from Whom we ask help and pardon, and in Whom we take refuge from the evils within ourselves. He whom Allah guides has no one who can lead him astray, and he whom He leads astray has no one to guide him. I testify that there is no god but Allah, and I testify that Muhammad is His servant and Apostle.

"You who believe,...fear Allah by Whom you ask your mutual rights, and reverence the wombs. Allah has been watching you." ..."you who believe, fear Allah as He should be feared, and die only as Muslims" ...."you who believe, fear Allah as He should be feared, and die only as Muslims"....."you who believe, fear Allah and say what is true. He will make your deeds sound, and forgive your sins. He who obeys Allah and His Apostle has achieved a mighty success."

The narrator, Muhammad ibn Sulayman, did mention the word "inna" (verily).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. বিবাহের খুৎবা

২১১৯। ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুৎবা দিতেন। অতঃপর পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেনঃ ’’তিনি তাঁকে সত্য সহ কিয়ামতের পূর্বে পাঠিয়েছেন সুসংবাদ প্রদানকারী এবং ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে সে সঠিক পথের সন্ধান পাবে। আর যে ব্যক্তি তাঁদের উভয়ের অবাধ্য হবে সে শুধু নিজেই অমঙ্গল ডেকে আনবে, কিন্তু আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’’[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي خُطْبَةِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ، عَنْ أَبِي عِيَاضٍ، عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا تَشَهَّدَ ذَكَرَ نَحْوَهُ وَقَالَ: بَعْدَ قَوْلِهِ: وَرَسُولُهُ: أَرْسَلَهُ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا بَيْنَ يَدَيِ السَّاعَةِ، مَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ رَشَدَ، وَمَنْ يَعْصِهِمَا فَإِنَّهُ لَا يَضُرُّ إِلَّا نَفْسَهُ وَلَا يَضُرُّ اللَّهَ شَيْئًا

ضعيف

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عاصم، حدثنا عمران، عن قتادة، عن عبد ربه، عن ابي عياض، عن ابن مسعود، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا تشهد ذكر نحوه وقال: بعد قوله: ورسوله: ارسله بالحق بشيرا ونذيرا بين يدي الساعة، من يطع الله ورسوله فقد رشد، ومن يعصهما فانه لا يضر الا نفسه ولا يضر الله شيىا ضعيف


Narrated Abdullah ibn Mas'ud:

When the Messenger of Allah (ﷺ) recited the tashahhud....He then narrated the same tradition. In this version after the word "and His Apostle" he added the words: "He has sent him in truth as a bearer of glad tidings and a warner before the Hour. He who obeys Allah and His Prophet is on the right path, and he who disobeys them does not harm anyone except himself, and he does not harm Allah to the least.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. বিবাহের খুৎবা

২১২০। বনু সুলাইমের এক ব্যক্তি সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উমামাহ বিনতু আব্দুল মুত্তালিবকে প্রস্তাব পাঠালে তিনি খুৎবা ছাড়াই আমাকে বিয়ে করান।[1]

بَابٌ فِي خُطْبَةِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا بَدَلُ بْنُ الْمُحَبَّرِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْعَلَاءِ ابْنَ أَخِي شُعَيْبٍ الرَّازِيِّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ، قَالَ: خَطَبْتُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمَامَةَ بِنْتَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَأَنْكَحَنِي مِنْ غَيْرِ أَنْ يَتَشَهَّدَ

ضعيف

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا بدل بن المحبر، اخبرنا شعبة، عن العلاء ابن اخي شعيب الرازي، عن اسماعيل بن ابراهيم، عن رجل، من بني سليم، قال: خطبت الى النبي صلى الله عليه وسلم امامة بنت عبد المطلب فانكحني من غير ان يتشهد ضعيف


Narrated Isma'il bin Ibrahim:
On the authority of a man from Banu Sulaim: I asked the Prophet (ﷺ) to marry Umamah daughter of 'Abd al-Muttalib to me. So he married her to me without reciting the tashahhud (i.e. the sermon for marriage).


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. অপ্রাপ্তা বয়স্কা মেয়ে বিয়ে দেয়া

২১২১। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার সাত বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিয়ে করেন। সুলাইমানের বর্ণনায় রয়েছে ছয় বছর। আর তিনি আমার সাথে বাসর যাপন করেন আমার নয় বছর বয়সে।[1]

সহীহ। এর দীর্ঘ মাতান সামনে আসছে। (হা/৪৯৩৩)।

بَابٌ فِي تَزْوِيجِ الصِّغَارِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَبُو كَامِلٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: تَزَوَّجَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا بِنْتُ سَبْعٍ. قَالَ سُلَيْمَانُ: أَوْ سِتٍّ وَدَخَلَ بِي وَأَنَا بِنْتُ تِسْعٍ

صحيح، سيأتي متنه مطولا (٤٩٣٣)

حدثنا سليمان بن حرب، وابو كامل، قالا: حدثنا حماد بن زيد، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت: تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا بنت سبع. قال سليمان: او ست ودخل بي وانا بنت تسع صحيح، سياتي متنه مطولا (٤٩٣٣)


Narrated 'Aishah:
The Messenger of Allah (ﷺ) married me when I was seven years old. The narrator Sulaiman said: or Six years. He had intercourse with me when I was nine years old.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. কুমারী স্ত্রীর নিকট অবস্থান

২১২২। উম্মু সালামাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মু সালামাকে বিয়ে করে তার কাছে তিন রাত অবস্থান করেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তুমি তোমার পরিজনের কাজে অবহেলিত নও। তুমি চাইলে আমি তোমার সাথে সাত রাত অবস্থান করবো। তবে তোমাকে সাত রাত দিলে আমার অন্যান্য স্ত্রীদের সাথেও সাত রাত অবস্থান করতে হবে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْمُقَامِ عِنْدَ الْبِكْرِ

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا تَزَوَّجَ أُمَّ سَلَمَةَ أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلَاثًا، ثُمَّ قَالَ: لَيْسَ بِكِ عَلَى أَهْلِكِ هَوَانٌ، إِنْ شِئْتِ سَبَّعْتُ لَكِ، وَإِنْ سَبَّعْتُ لَكِ سَبَّعْتُ لِنِسَائِي

صحيح

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال: حدثني محمد بن ابي بكر، عن عبد الملك بن ابي بكر، عن ابيه، عن ام سلمة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما تزوج ام سلمة اقام عندها ثلاثا، ثم قال: ليس بك على اهلك هوان، ان شىت سبعت لك، وان سبعت لك سبعت لنساىي صحيح


'Abd al-Malik b. Abi Bakr reported from his father on the authority of Umm Salamah:
When the Messenger of Allah (ﷺ) married Umm Salamah, he stayed with her three night, and said: Your people (i.e. clan) are not being humbled for you in my estimation. If you wish I shall stay with you seven nights; and if I stay with you seven nights, I shall stay with my other wives seven nights.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. কুমারী স্ত্রীর নিকট অবস্থান

২১২৩। আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাফিয়্যাহ (রাযি.)-কে বিয়ে করলেন তখন তিনি তার সাথে তিন দিন অবস্থান করেন। বর্ণনাকারী উসমান বলেন, তিনি বিধবা ছিলেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْمُقَامِ عِنْدَ الْبِكْرِ

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ هُشَيْمٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: لَمَّا أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَفِيَّةَ أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلَاثًا. زَادَ عُثْمَانُ: وَكَانَتْ ثَيِّبًا وَقَالَ: حَدَّثَنِي هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ، أَخْبَرَنَا أَنَسٌ

صحيح

حدثنا وهب بن بقية، وعثمان بن ابي شيبة، عن هشيم، عن حميد، عن انس بن مالك، قال: لما اخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم صفية اقام عندها ثلاثا. زاد عثمان: وكانت ثيبا وقال: حدثني هشيم، اخبرنا حميد، اخبرنا انس صحيح


Narrated Anas bin Malik:
When the Messenger of Allah (ﷺ) married Safiyyah, he stayed with her three nights. The narrator 'Uthman added: She was non virgin (previously married). He said: This tradition has been narrated to me by Hushaim, reported by Humaid, and transmitted by Anas.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. কুমারী স্ত্রীর নিকট অবস্থান

২১২৪। আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি স্ত্রী থাকা অবস্থায় কেউ কুমারী মেয়ে বিয়ে করলে সে যেন কুমারী স্ত্রীর কাছে সাত রাত অতিবাহিত করে। আর যদি কেউ বিধবাকে বিয়ে করে তাহলে সে বিধবার কাছে যেন তিন রাত অতিবাহিত করে। বর্ণনাকারী আবূ কিলাবাহ বলেন, আমি যদি বলি, আনাস (রাযি.) হাদীসটি মারফুভাবে বর্ণনা করেছেন, তা সঠিক হবে। তবে তিনি বলেছেন, এরূপ করাই সুন্নাত।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْمُقَامِ عِنْدَ الْبِكْرِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، وَإِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: إِذَا تَزَوَّجَ الْبِكْرَ عَلَى الثَّيِّبِ أَقَامَ عِنْدَهَا سَبْعًا، وَإِذَا تَزَوَّجَ الثَّيِّبَ أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلَاثًا، وَلَوْ قُلْتُ إِنَّهُ رَفَعَهُ لَصَدَقْتُ وَلَكِنَّهُ قَالَ السُّنَّةُ كَذَلِكَ

صحيح

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا هشيم، واسماعيل ابن علية، عن خالد الحذاء، عن ابي قلابة، عن انس بن مالك، قال: اذا تزوج البكر على الثيب اقام عندها سبعا، واذا تزوج الثيب اقام عندها ثلاثا، ولو قلت انه رفعه لصدقت ولكنه قال السنة كذلك صحيح


Narrated Anas b. Malik :
When a man who has a wife married a virgin he should stay with her seven nights ; if he marries to a woman who has been previously married he should stay with her three nights. (The narrator said:) If I say that he (Anas) narrated this tradition from the Prophet (ﷺ) I shall be true. But he said: The Sunnah is so-and-so.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীকে কিছু দেয়ার পূর্বে তার সাথে সহবাস করতে চায়

২১২৫। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আলী (রাযি.) ফাতিমাহ (রাযি.)-কে বিয়ে করেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তাকে কিছু প্রদান করো। তিনি বললেন, আমার নিকট কিছুই নেই। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমার হুতামীয়া বর্মটি কোথায়? (সেটাই দাও)।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَدْخُلُ بِامْرَأَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَنْقُدَهَا شَيْئًا

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الطَّالَقَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: لَمَّا تَزَوَّجَ عَلِيٌّ فَاطِمَةَ قَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَعْطِهَا شَيْئًا، قَالَ: مَا عِنْدِي شَيْءٌ، قَالَ: أَيْنَ دِرْعُكَ الْحُطَمِيَّةُ؟

صحيح

حدثنا اسحاق بن اسماعيل الطالقاني، حدثنا عبدة، حدثنا سعيد، عن ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: لما تزوج علي فاطمة قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: اعطها شيىا، قال: ما عندي شيء، قال: اين درعك الحطمية؟ صحيح


Narrated Abdullah ibn Abbas:

When Ali married Fatimah, the Prophet (ﷺ) said to him: Give her something. He said: I have nothing with me. He said: Where is your Hutamiyyah (coat of mail).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীকে কিছু দেয়ার পূর্বে তার সাথে সহবাস করতে চায়

২১২৬। মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু সাওবান (রহ.) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। আলী (রাযি.) যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতিমাহ (রাযি.)-কে বিয়ে করেন এবং তার সাথে বাসর যাপনের ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কিছু না দিয়ে তার কাছে যেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নিষেধ করলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে কিছুই নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে তোমার বর্মটি দাও। সুতরাং তিনি তাকে তার বর্মটি দিয়ে বাসর যাপন করলেন।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَدْخُلُ بِامْرَأَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَنْقُدَهَا شَيْئًا

حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو حَيْوَةَ، عَنْ شُعَيْبٍ يَعْنِي ابْنَ أَبِي حَمْزَةَ، حَدَّثَنِي غَيْلَانُ بْنُ أَنَسٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ عَلِيًّا لَمَّا تَزَوَّجَ فَاطِمَةَ بِنْتَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَرَادَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا، فَمَنَعَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى يُعْطِيَهَا شَيْئًا، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَيْسَ لِي شَيْءٌ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَعْطِهَا دِرْعَكَ، فَأَعْطَاهَا دِرْعَهُ، ثُمَّ دَخَلَ بِهَا

ضعيف

حدثنا كثير بن عبيد الحمصي، حدثنا ابو حيوة، عن شعيب يعني ابن ابي حمزة، حدثني غيلان بن انس، حدثني محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن رجل، من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، ان عليا لما تزوج فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم واراد ان يدخل بها، فمنعه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى يعطيها شيىا، فقال: يا رسول الله ليس لي شيء، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: اعطها درعك، فاعطاها درعه، ثم دخل بها ضعيف


Muhammad ibn Abdur Rahman ibn Thawban reported on the authority of a man from the Companions of the Prophet (ﷺ):
When Ali married Fatimah, daughter of the Messenger of Allah (ﷺ), he intended to have intercourse with her. The Messenger of Allah (ﷺ) prohibited him to do so until he gave her something. Ali said: I have nothing with me, Messenger of Allah. The Prophet (ﷺ) said: Give her your coat of mail. So he gave her his coat of mail, and then cohabited with her.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীকে কিছু দেয়ার পূর্বে তার সাথে সহবাস করতে চায়

২১২৭। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَدْخُلُ بِامْرَأَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَنْقُدَهَا شَيْئًا

حَدَّثَنَا كَثِيرٌ يَعْنِي ابْنَ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو حَيْوَةَ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنْ غَيْلَانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، مِثْلَهُ

ضعيف

حدثنا كثير يعني ابن عبيد، حدثنا ابو حيوة، عن شعيب، عن غيلان، عن عكرمة، عن ابن عباس، مثله ضعيف


A similar tradition has also been transmitted by Ibn 'Abbas through a different chain of narrators.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীকে কিছু দেয়ার পূর্বে তার সাথে সহবাস করতে চায়

২১২৮। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ দিলেন, আমি যেন জনৈকা মহিলাকে (স্বামীর পক্ষ থেকে) কিছু প্রদানের আগেই সহবাসের অনুমতি দেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, খায়সামাহ (রহ.) ’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে হাদীস শুনেননি।[1]

দুর্বলঃ যঈফ ইবনু মাজাহ (৪৩৩)।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَدْخُلُ بِامْرَأَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَنْقُدَهَا شَيْئًا

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ طَلْحَةَ، عَنْ خَيْثَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أُدْخِلَ امْرَأَةً عَلَى زَوْجِهَا قَبْلَ أَنْ يُعْطِيَهَا شَيْئًا. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَخَيْثَمَةُ، لَمْ يَسْمَعْ مِنْ عَائِشَةَ

ضعيف // ضعيف ابن ماجه (٤٣٣)

حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا شريك، عن منصور، عن طلحة، عن خيثمة، عن عاىشة، قالت: امرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ادخل امراة على زوجها قبل ان يعطيها شيىا. قال ابو داود: وخيثمة، لم يسمع من عاىشة ضعيف // ضعيف ابن ماجه (٤٣٣)


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Messenger of Allah (ﷺ) commanded me to send a woman to her husband before he gave something to her.

Abu Dawud said: The narrator Khaithamah did not hear (any tradition) from 'Aishah.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীকে কিছু দেয়ার পূর্বে তার সাথে সহবাস করতে চায়

২১২৯। আমর ইবনু শু’আইব (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো নারীকে বিয়ের পূর্বে মোহরানা বা দান হিসেবে কিংবা অন্য কোনো প্রকারে পাত্রের পক্ষ থেকে কিছু দেয়া হলে তা ঐ স্ত্রীলোকটির জন্যই। আর বিয়ের পরে যা কিছু দেয়া হবে সেটা তার যাকে তা দেয়া হয়েছে। আর বিয়ে উপলক্ষে কেউ নিজ কন্যা বা বোনকে কিছু দিলে সেটা অধিক সম্মানজনক।[1]

দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (২২২৯), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪২৪/১৯৫৫), যঈফ সুনান নাসায়ী (২১৪/৩৩৫৩)।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَدْخُلُ بِامْرَأَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَنْقُدَهَا شَيْئًا

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ الْبُرْسَانِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّمَا امْرَأَةٍ نُكِحَتْ عَلَى صَدَاقٍ أَوْ حِبَاءٍ أَوْ عِدَةٍ، قَبْلَ عِصْمَةِ النِّكَاحِ، فَهُوَ لَهَا وَمَا كَانَ بَعْدَ عِصْمَةِ النِّكَاحِ، فَهُوَ لِمَنْ أُعْطِيَهُ، وَأَحَقُّ مَا أُكْرِمَ عَلَيْهِ الرَّجُلُ ابْنَتُهُ أَوْ أُخْتُهُ

ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (٢٢٢٩)، ضعيف سنن ابن ماجة (٤٢٤/١٩٥٥)، ضعيف سنن النساي (٢١٤/٣٣٥٣)

حدثنا محمد بن معمر، حدثنا محمد بن بكر البرساني، اخبرنا ابن جريج، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ايما امراة نكحت على صداق او حباء او عدة، قبل عصمة النكاح، فهو لها وما كان بعد عصمة النكاح، فهو لمن اعطيه، واحق ما اكرم عليه الرجل ابنته او اخته ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (٢٢٢٩)، ضعيف سنن ابن ماجة (٤٢٤/١٩٥٥)، ضعيف سنن النساي (٢١٤/٣٣٥٣)


'Amr b. Shu'aib on his father's authority said that his grandfather reported The Messenger of Allah (ﷺ) said:
A woman who marries on a dower or a reward or a promise before the solemnisation of marriage is entitled to it; and whatever is fixed for her after solemnisation of marriage belongs to whom it is given. A man is more entitled to receive a thing given as a gift on account of his daughter or sister (than other kinds of gifts).


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. নব দম্পতির জন্য দু‘আ করা

২১৩০। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে বিয়ের পর শুভেচ্ছা জানালে বলতেনঃ ’আল্লাহ তোমার কল্যাণ করুন, তোমাকে বরকত দান করুন এবং তোমাদের দাম্পত্য জীবন কল্যাণময় হোক।’[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُقَالُ لِلْمُتَزَوِّجِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا رَفَّأَ الْإِنْسَانَ إِذَا تَزَوَّجَ، قَالَ: بَارَكَ اللَّهُ لَكَ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

صحيح

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز يعني ابن محمد، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا رفا الانسان اذا تزوج، قال: بارك الله لك، وبارك عليك، وجمع بينكما في خير صحيح


Narrated AbuHurayrah:

When the Prophet (ﷺ) congratulated a man on his marriage, he said: May Allah bless for you, and may He bless on you, and combine both of you in good (works).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যে ব্যক্তি কোনো মহিলাকে বিয়ে করার পরতাকে গর্ভবতী পায়

২১৩১। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) থেকে জনৈক আনসারী সূত্রে বর্ণিত। বর্ণনাকারী আবুস-সারী বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ’আনসার’ শব্দটি বলেননি। অতঃপর সমস্ত বর্ণনাকারী একমত হয়ে বর্ণনা করেছেন। ’বাসরা’ নামক এক ব্যক্তি বলেন, আমি জনৈকা কুমারী মেয়েকে না দেখে বিয়ে করি। অতঃপর বাসর যাপনের সময় আমি দেখি সে গর্ভবতী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি যেহেতু তার বিশেষ অঙ্গ উপভোগ করেছো সেজন্য তোমাকে মোহরানা দিতে হবে। আর যে সন্তানটি জন্ম নিবে সে তোমার গোলাম হবে। সন্তান প্রসবের পর তুমি বা তোমরা তাকে চাবুক মারবে অথবা বলেছেনঃ তার উপর ’হদ্দ’ কার্যকর করবে।

আবূ দাঊদ বলেন, হাদীসটি কাতাদাহ (রহ.) সাঈদ ইবনু ইয়াযীদ থেকে ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর ইয়াযীদ ইবনু নুয়াইমের মাধ্যমে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব থেকে, এবং ’আতা আল-খোরাসারনী সরাসরি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এদের সকলের হাদীস মুরসাল। ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীরের হাদীসে রয়েছেঃ ’বাসরা ইবনু আকসাম জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করেন।’ আর সমস্ত বর্ণনাকারী বলেছেন, তিনি সন্তানটিকে তার গোলাম বানিয়েছেন।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَتَزَوَّجُ الْمَرْأَةَ فَيَجِدُهَا حُبْلَى

حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ الْمَعْنَى، قَالُوا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ رَجُلٍ، مِنَ الْأَنْصَارِ، قَالَ ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: وَلَمْ يَقُلْ: مِنَ الْأَنْصَارِ ثُمَّ اتَّفَقُوا، يُقَالُ لَهُ بَصْرَةُ، قَالَ: تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً بِكْرًا فِي سِتْرِهَا، فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا فَإِذَا هِيَ حُبْلَى، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَهَا الصَّدَاقُ بِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِهَا، وَالْوَلَدُ عَبْدٌ لَكَ، فَإِذَا وَلَدَتْ قَالَ الْحَسَنُ: فَاجْلِدْهَا وَقَالَ ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ: " فَاجْلِدُوهَا - أَوْ قَالَ -: فَحُدُّوهَا " قَالَ أَبُو دَاوُدَ: رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ قَتَادَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، وَرَوَاهُ يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ نُعَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَعَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَرْسَلُوهُ كُلُّهُمْ وَفِي حَدِيثِ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، أَنَّ بَصْرَةَ بْنَ أَكْثَمَ نَكَحَ امْرَأَةً وَكُلُّهُمْ، قَالَ: فِي حَدِيثِهِ جَعَلَ الْوَلَدَ عَبْدًا لَهُ

ضعيف

حدثنا مخلد بن خالد، والحسن بن علي، ومحمد بن ابي السري المعنى، قالوا: حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، عن صفوان بن سليم، عن سعيد بن المسيب، عن رجل، من الانصار، قال ابن ابي السري من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم: ولم يقل: من الانصار ثم اتفقوا، يقال له بصرة، قال: تزوجت امراة بكرا في سترها، فدخلت عليها فاذا هي حبلى، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: لها الصداق بما استحللت من فرجها، والولد عبد لك، فاذا ولدت قال الحسن: فاجلدها وقال ابن ابي السري: " فاجلدوها - او قال -: فحدوها " قال ابو داود: روى هذا الحديث قتادة، عن سعيد بن يزيد، عن ابن المسيب، ورواه يحيى بن ابي كثير، عن يزيد بن نعيم، عن سعيد بن المسيب، وعطاء الخراساني، عن سعيد بن المسيب، ارسلوه كلهم وفي حديث يحيى بن ابي كثير، ان بصرة بن اكثم نكح امراة وكلهم، قال: في حديثه جعل الولد عبدا له ضعيف


A man from the Ansar called Basrah said:
I married a virgin woman in her veil. When I entered upon her, I found her pregnant. (I mentioned this to the Prophet). The Prophet (ﷺ) said: She will get the dower, for you made her vagina lawful for you. The child will be your slave. When she has begotten (a child), flog her (according to the version of al-Hasan). The version of Ibn AbusSari has: You people, flog her, or said: inflict hard punishment on him.

Abu Dawud said: This tradition has been transmitted by Qatadah from Sa'd b. Yazid on the authority of Ibn al-Musayyab in a similar way. This tradition has been narrated by Yahya b. Abi Kathir from Yazid b. Nu'aim from Sa'id b. al-Musayyab, and 'Ata al-Khurasani narrated it from Sa'id b. al-Musayyab ; they all narrated this tradition from the Prophet (ﷺ) omitting the link of the Companion (i.e. a mursal tradition). The version of Yahya b. Abi Kathir has: Basrah b. Aktham married a woman. The agreed version has: He made the child his servant.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যে ব্যক্তি কোনো মহিলাকে বিয়ে করার পরতাকে গর্ভবতী পায়

২১৩২। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। বাসরা ইবনু আকসাম নামক এক ব্যক্তি জনৈকা নারীকে বিয়ে করলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থে বর্ণনা করেন। এতে আরো রয়েছেঃ ’এবং তিনি তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেন।’ তবে ইবনু জুরাইজের বর্ণিত হাদীসটি পরিপূর্ণ।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَتَزَوَّجُ الْمَرْأَةَ فَيَجِدُهَا حُبْلَى

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عَلِيٌّ يَعْنِي ابْنَ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ يَزِيدَ بْنِ نُعَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّ رَجُلًا يُقَالُ لَهُ بَصْرَةُ بْنُ أَكْثَمَ، نَكَحَ امْرَأَةً، فَذَكَرَ مَعْنَاهُ زَادَ، وَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا. وَحَدِيثُ ابْنِ جُرَيْجٍ أَتَمُّ

ضعيف

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا علي يعني ابن المبارك، عن يحيى، عن يزيد بن نعيم، عن سعيد بن المسيب، ان رجلا يقال له بصرة بن اكثم، نكح امراة، فذكر معناه زاد، وفرق بينهما. وحديث ابن جريج اتم ضعيف


Sa'id b. al-Musayyab said:
A man called Basrah b. Akhtam married a woman. The narrator then reported the rest of the tradition to the same effect. This version added: And he separated them. The tradition narrated by Ibn Juraij is perfect.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করা

২১৩৩। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুই’জন স্ত্রী থাকা অবস্থায় তাদের একজনের প্রতি ঝুঁকে পড়লো, কিয়ামতের দিন সে পঙ্গু অবস্থায় উপস্থিত হবে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْقَسْمِ بَيْنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ كَانَتْ لَهُ امْرَأَتَانِ فَمَالَ إِلَى إِحْدَاهُمَا، جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّهُ مَائِلٌ

صحيح

حدثنا ابو الوليد الطيالسي، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن النضر بن انس، عن بشير بن نهيك، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: من كانت له امراتان فمال الى احداهما، جاء يوم القيامة وشقه ماىل صحيح


Narrated AbuHurayrah:

The Prophet (ﷺ) said: When a man has two wives and he is inclined to one of them, he will come on the Day of resurrection with a side hanging down.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করা

২১৩৪। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীদের মধ্যে ইনসাফভিত্তিক বন্টন করে বলতেনঃ ’হে আল্লাহ! এটা আমার পক্ষ থেকে ইনসাফ, যেটুকু আমার সম্ভব হয়েছে। আর যা আপনার নিয়ন্ত্রণে এবং আমার সাধ্যের বাইরে, সেজন্য আমাকে অভিযুক্ত করবেন না।’[1]

দুর্বলঃ মিশকাত (৩২৩৫), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪২৭), ইরওয়া (২০১৮), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৯৩/১১৫৫). যঈফ সুনান নাসায়ী (২৬১/৩৯৪৩)।

بَابٌ فِي الْقَسْمِ بَيْنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْخَطْمِيِّ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْسِمُ فَيَعْدِلُ، وَيَقُولُ: اللَّهُمَّ هَذَا قَسْمِي، فِيمَا أَمْلِكُ فَلَا تَلُمْنِي، فِيمَا تَمْلِكُ، وَلَا أَمْلِكُ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: يَعْنِي الْقَلْبَ

ضعيف//، المشكاة (٣٢٣٥)، ضعيف سنن ابن ماجة (٤٢٧)، الإرواء (٢٠١٨)، ضعيف سنن الترمذي (١٩٣/١١٥٥)، ضعيف سنن النسايي (٢٦١/٣٩٤٣)

حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن عبد الله بن يزيد الخطمي، عن عاىشة، قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم فيعدل، ويقول: اللهم هذا قسمي، فيما املك فلا تلمني، فيما تملك، ولا املك. قال ابو داود: يعني القلب ضعيف//، المشكاة (٣٢٣٥)، ضعيف سنن ابن ماجة (٤٢٧)، الارواء (٢٠١٨)، ضعيف سنن الترمذي (١٩٣/١١٥٥)، ضعيف سنن النسايي (٢٦١/٣٩٤٣)


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Messenger of Allah (ﷺ) used to divide his time equally and said: O Allah, this is my division concerning what I control, so do not blame me concerning what You control and I do not.

Abu Dawud said: By it meant the heart.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করা

২১৩৫। হিশাম ইবনু ’উরওয়াহ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেছেন, হে ভাগ্নে! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে অবস্থানের ব্যাপারে কাউকে কারো উপর প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুবই কম হয়েছে; যেদিন তিনি আমাদের সকলের কাছে আসতেন এবং সহবাস না করে সবার সাথে আলাপ করতেন। অতঃপর যার নিকট রাত যাপনের পালা হতো, তিনি সেখানে রাত যাপন করতেন। যখন সাওদা বিনতু যাম’আহ (রহ.) বার্ধক্যে পৌঁছলেন তখন আশংকা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হয় তো তাকে ত্যাগ করবেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার পালার দিনটি আয়িশাহকে দিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেনঃ ’’যদি কোনো নারী তার স্বামীর পক্ষ থেকে উপেক্ষিত হওয়ার আশংকা করে...’’ (সূরা আন-নিসাঃ ১২৮)[1]

হাসান সহীহ।

بَابٌ فِي الْقَسْمِ بَيْنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: يَا ابْنَ أُخْتِي كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُفَضِّلُ بَعْضَنَا عَلَى بَعْضٍ فِي الْقَسْمِ، مِنْ مُكْثِهِ عِنْدَنَا، وَكَانَ قَلَّ يَوْمٌ إِلَّا وَهُوَ يَطُوفُ عَلَيْنَا جَمِيعًا، فَيَدْنُو مِنْ كُلِّ امْرَأَةٍ مِنْ غَيْرِ مَسِيسٍ، حَتَّى يَبْلُغَ إِلَى الَّتِي هُوَ يَوْمُهَا فَيَبِيتَ عِنْدَهَا وَلَقَدْ قَالَتْ سَوْدَةُ بِنْتُ زَمْعَةَ: حِينَ أَسَنَّتْ وَفَرِقَتْ أَنْ يُفَارِقَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، يَوْمِي لِعَائِشَةَ، فَقَبِلَ ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْهَا، قَالَتْ: نَقُولُ فِي ذَلِكَ أَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى وَفِي أَشْبَاهِهَا أُرَاهُ قَالَ: (وَإِنِ امْرَأَةٌ خَافَتْ مِنْ بَعْلِهَا نُشُوزًا) [النساء: ١٢٨]

حسن صحيح

حدثنا احمد بن يونس، حدثنا عبد الرحمن يعني ابن ابي الزناد، عن هشام بن عروة، عن ابيه، قال: قالت عاىشة: يا ابن اختي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضل بعضنا على بعض في القسم، من مكثه عندنا، وكان قل يوم الا وهو يطوف علينا جميعا، فيدنو من كل امراة من غير مسيس، حتى يبلغ الى التي هو يومها فيبيت عندها ولقد قالت سودة بنت زمعة: حين اسنت وفرقت ان يفارقها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله، يومي لعاىشة، فقبل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم منها، قالت: نقول في ذلك انزل الله تعالى وفي اشباهها اراه قال: (وان امراة خافت من بعلها نشوزا) [النساء: ١٢٨] حسن صحيح


Narrated Hisham b. 'Urwah:
On the authority of his father that 'Aishah said: O my nephew, the Messenger of Allah (ﷺ) did not prefer one of us to the other in respect of his division of the time of his staying with us. It was very rare that he did not visit us any day (i.e. he visited all of us every day). He would come near each of his wives without having intercourse with her until he reached the one who had her day and passed his night with her. When Saudah daughter of Zam'ah became old and feared that the Messenger of Allah (ﷺ) would divorce her, she said: Messenger of Allah, I give to 'Aishah the day you visit me. The Messenger of Allah (ﷺ) accepted it from her. She said: We think that Allah, the Exalted, revealed about this or similar matter the Qur'anic verse: "If a wife fears cruelty or desertion on her husband's part...." [4:128]


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করা

২১৩৬। আয়িশাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, (মহান আল্লাহর বাণীঃ) ’’তুমি তাদের মধ্যে যার সাথে ইচ্ছা (থাকতে) পারো এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছ থেকে দূরে রাখতে পারো’’ (সূরা আল-আহযাবঃ ৫১) এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে অবস্থানের দিনের বিষয়ে অনুমতি চাইলেন। মু’আযা (রহ.) বলেন, আমি ’আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তখন আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কি বলতেন, তিনি বলেন, আমি বলতাম, পালার দিনটি আমার হলে আমি কাউকে আমার উপর অগ্রাধিকার দিবো না।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْقَسْمِ بَيْنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى الْمَعْنَى، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ مُعَاذَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَأْذِنُنَا إِذَا كَانَ فِي يَوْمِ الْمَرْأَةِ مِنَّا بَعْدَمَا نَزَلَتْ (تُرْجِي مَنْ تَشَاءُ مِنْهُنَّ وَتُؤْوِي إِلَيْكَ مَنْ تَشَاءُ) [الأحزاب: ٥١] قَالَتْ مَعَاذَةُ: فَقُلْتُ لَهَا: مَا كُنْتِ تَقُولِينَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ: كُنْتُ أَقُولُ إِنْ كَانَ ذَلِكَ إِلَيَّ لَمْ أُوثِرْ أَحَدًا عَلَى نَفْسِي

صحيح

حدثنا يحيى بن معين، ومحمد بن عيسى المعنى، قالا: حدثنا عباد بن عباد، عن عاصم، عن معاذة، عن عاىشة، قالت: " كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستاذننا اذا كان في يوم المراة منا بعدما نزلت (ترجي من تشاء منهن وتووي اليك من تشاء) [الاحزاب: ٥١] قالت معاذة: فقلت لها: ما كنت تقولين لرسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قالت: كنت اقول ان كان ذلك الي لم اوثر احدا على نفسي صحيح


Narrated 'Aishah:
The Messenger of Allah (ﷺ) used to aske our permission on the day he had to stay with one of his wives (by turns) after the following Qur'anic verse was revealed: "You may distance those whom you like, and draw close to those whom you like" [33:51]. The narrator Mu'adhah said: I said to her: What did you say to the Messenger of Allah (ﷺ) ? She said: I used to say: If had an option for that, I would not preferred anyone to myself.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করা

২১৩৭। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে মৃত্যুবরণ করেন তখন সকল স্ত্রীকে ডাকলেন। তারা সকলে একত্র হলে তিনি বললেনঃ আমি পালাক্রমে তোমাদের সকলের মাঝে ঘুরে ঘুরে অবস্থানের শক্তি পাচ্ছি না। যদি তোমরা ভালো মনে করো, তাহলে আমাকে আয়িশাহর কাছে অবস্থানের অনুমতি দাও। তখন তারা সকলেই তাঁকে অনুমতি দিলেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْقَسْمِ بَيْنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا مَرْحُومُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنِي أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ بَابَنُوسَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ إِلَى النِّسَاءِ، تَعْنِي فِي مَرَضِهِ - فَاجْتَمَعْنَ، فَقَالَ: إِنِّي لَا أَسْتَطِيعُ أَنْ أَدُورَ بَيْنَكُنَّ، فَإِنْ رَأَيْتُنَّ أَنْ تَأْذَنَّ لِي فَأَكُونَ عِنْدَ عَائِشَةَ، فَعَلْتُنَّ فَأَذِنَّ لَهُ

صحيح

حدثنا مسدد، حدثنا مرحوم بن عبد العزيز العطار، حدثني ابو عمران الجوني، عن يزيد بن بابنوس، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث الى النساء، تعني في مرضه - فاجتمعن، فقال: اني لا استطيع ان ادور بينكن، فان رايتن ان تاذن لي فاكون عند عاىشة، فعلتن فاذن له صحيح


A’ishah said The Apostle of Allaah(ﷺ) sent for his wives during his illness. When they got together, he(ﷺ) said “I am unable to visit all of you. If you think to permit me to stay with A’ishah you may do so.” So they permitted him (to stay with A’ishah).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. স্ত্রীদের মাঝে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করা

২১৩৮। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন স্ত্রীদের মধ্যে লটারী করতেন। লটারীতে যার নাম উঠতো তিনি তাকেই সঙ্গে নিয়ে যেতেন। আর তিনি প্রত্যেক স্ত্রীর জন্য পালাক্রমে রাত ও দিন ভাগ করে নিতেন। তবে যাম’আহর কন্যা সাওদাহ (রাযি.) তার পালার দিনটি ’আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে দিয়ে দেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْقَسْمِ بَيْنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَهُ، أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا أَقْرَعَ بَيْنَ نِسَائِهِ، فَأَيَّتُهُنَّ خَرَجَ سَهْمُهَا خَرَجَ بِهَا مَعَهُ، وَكَانَ يَقْسِمُ لِكُلِّ امْرَأَةٍ مِنْهُنَّ يَوْمَهَا، وَلَيْلَتَهَا غَيْرَ أَنَّ سَوْدَةَ بِنْتَ زَمْعَةَ وَهَبَتْ يَوْمَهَا لِعَائِشَةَ

صحيح

حدثنا احمد بن عمرو بن السرح، اخبرنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، ان عروة بن الزبير، حدثه، ان عاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اراد سفرا اقرع بين نساىه، فايتهن خرج سهمها خرج بها معه، وكان يقسم لكل امراة منهن يومها، وليلتها غير ان سودة بنت زمعة وهبت يومها لعاىشة صحيح


A’ishah wife of the Prophet (ﷺ) reported “When the Apostle of Allaah(ﷺ) intended to go on a journey he cast lots amongst his wives and the one who was chosen by lot went on it with him. He divided his time, day and night (equally) for each of his wives except that Saudah daughter of Zam’ah gave her day to A’ishah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪০. স্ত্রীর বাড়িতে সহাবস্থানের শর্তে বিয়ে করা

২১৩৯। ’উকবাহ ইবনু ’আমির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শর্তসমূহের মধ্যে যে শর্ত দ্বারা তোমরা স্ত্রীদের গুপ্তাঙ্গ ব্যবহার হালাল করে থাকো তা পূরণ করা অধিক অগ্রগণ্য।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَشْتَرِطُ لَهَا دَارَهَا

حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ أَحَقَّ الشُّرُوطِ أَنْ تُوفُوا بِهِ مَا اسْتَحْلَلْتُمْ بِهِ الْفُرُوجَ

صحيح

حدثنا عيسى بن حماد، اخبرني الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن ابي الخير، عن عقبة بن عامر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال: ان احق الشروط ان توفوا به ما استحللتم به الفروج صحيح


‘Uqbah bin ‘Amir reported the Apostle of Allaah (ﷺ) as saying “The condition worthier to be fulfilled by you is the one by which you made the private parts (of your wife) lawful (for you).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪১. স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার

২১৪০। কায়িস ইবনু সা’দ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (কুফার) আল-হীরা শহরে এসে দেখি, সেখানকার লোকেরা তাদের নেতাকে সিজদা্ করছে। আমি ভাবলাম, (তাহলে তো) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ই সিজদা অধিক হকদার। অতঃপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে এসে বলি, আমি আল-হীরা শহরে দেখে এসেছি, সেখানকার লোকরো তাদের নেতাকে সিজদা করে। সুতরাং হে আল্লাহর রাসূল! আপনিই তো এর অধিক হকদার যে, আমরা আপনাকে সিজদা করি? তিনি বললেনঃ যদি (মৃত্যুর পর) তুমি আমার কবরের পাশ দিয়ে যাও তখন কি তুমি সেটাকে সিজদা করবে? আমি বললামঃ না। তিনি বললেনঃ সাবধান! তোমরা এরূপ করবে না। আমি যদি কোনো মানুষকে সিজদা করার অনুমতি দিতাম তবে স্ত্রীদেরকে দিতাম তাদের স্বামীদেরকে সিজদা করতে। কেননা আল্লাহ স্ত্রীদের উপর স্বামীদের অধিকার দিয়েছেন।[1]

সহীহ। তবে কবর সম্পর্কিত বাক্যটি বাদে। যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৪৮৪২), ইরওয়া (১৯৯৮), মিশকাত (৩২৬৬)।

بَابٌ فِي حَقِّ الزَّوْجِ عَلَى الْمَرْأَةِ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: أَتَيْتُ الْحِيرَةَ فَرَأَيْتُهُمْ يَسْجُدُونَ لِمَرْزُبَانٍ لَهُمْ فَقُلْتُ: رَسُولُ اللَّهِ أَحَقُّ أَنْ يُسْجَدَ لَهُ، قَالَ: فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقُلْتُ: إِنِّي أَتَيْتُ الْحِيرَةَ فَرَأَيْتُهُمْ يَسْجُدُونَ لِمَرْزُبَانٍ لَهُمْ فَأَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَحَقُّ أَنْ نَسْجُدَ لَكَ، قَالَ: أَرَأَيْتَ لَوْ مَرَرْتَ بِقَبْرِي أَكُنْتَ تَسْجُدُ لَهُ؟ قَالَ: قُلْتُ: لَا، قَالَ: فَلَا تَفْعَلُوا، لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ النِّسَاءَ أَنْ يَسْجُدْنَ لِأَزْوَاجِهِنَّ لِمَا جَعَلَ اللَّهُ لَهُمْ عَلَيْهِنَّ مِنَ الْحَقِّ

صحيح دون جملة القبر // ضعيف الجامع الصغير (٤٨٤٢)، الإرواء (١٩٩٨)، المشكاة (٣٢٦٦)

حدثنا عمرو بن عون، اخبرنا اسحاق بن يوسف، عن شريك، عن حصين، عن الشعبي، عن قيس بن سعد، قال: اتيت الحيرة فرايتهم يسجدون لمرزبان لهم فقلت: رسول الله احق ان يسجد له، قال: فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقلت: اني اتيت الحيرة فرايتهم يسجدون لمرزبان لهم فانت يا رسول الله احق ان نسجد لك، قال: ارايت لو مررت بقبري اكنت تسجد له؟ قال: قلت: لا، قال: فلا تفعلوا، لو كنت امرا احدا ان يسجد لاحد لامرت النساء ان يسجدن لازواجهن لما جعل الله لهم عليهن من الحق صحيح دون جملة القبر // ضعيف الجامع الصغير (٤٨٤٢)، الارواء (١٩٩٨)، المشكاة (٣٢٦٦)


Narrated Qays ibn Sa'd:

I went to al-Hirah and saw them (the people) prostrating themselves before a satrap of theirs, so I said: The Messenger of Allah (ﷺ) has most right to have prostration made before him. When I came to the Prophet (ﷺ), I said: I went to al-Hirah and saw them prostrating themselves before a satrap of theirs, but you have most right, Messenger of Allah, to have (people) prostrating themselves before you. He said: Tell me , if you were to pass my grave, would you prostrate yourself before it? I said: No. He then said: Do not do so. If I were to command anyone to make prostration before another I would command women to prostrate themselves before their husbands, because of the special right over them given to husbands by Allah.


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪১. স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার

২১৪১। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে তার সাথে বিছানায় শোয়ার জন্য আহবান করার পর যদি স্ত্রী না আসে এবং স্বামী তার উপর অসন্তুষ্ট অবস্থায় রাত কাটায়, তাহলে সকাল পর্যন্ত ফিরিশতাগণ ঐ স্ত্রীকে অভিসম্পাত করতে থাকেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي حَقِّ الزَّوْجِ عَلَى الْمَرْأَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا دَعَا الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ فَأَبَتْ، فَلَمْ تَأْتِهِ فَبَاتَ غَضْبَانَ عَلَيْهَا، لَعَنَتْهَا الْمَلَائِكَةُ حَتَّى تُصْبِحَ

صحيح

حدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: اذا دعا الرجل امراته الى فراشه فابت، فلم تاته فبات غضبان عليها، لعنتها الملاىكة حتى تصبح صحيح


Abu Hurairah reported the Prophet (ﷺ) as saying “When a man calls his wife to come to his bed and she refuses and does not come to him and he spends the night angry, the angels curse her till the morning.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪২. স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকার

২১৪২। হাকীম ইবনু মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডল ে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।[1]

হাসান সহীহ।

بَابٌ فِي حَقِّ الْمَرْأَةِ عَلَى زَوْجِهَا

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو قَزَعَةَ الْبَاهِلِيُّ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْقُشَيْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا حَقُّ زَوْجَةِ أَحَدِنَا عَلَيْهِ؟، قَالَ: أَنْ تُطْعِمَهَا إِذَا طَعِمْتَ، وَتَكْسُوَهَا إِذَا اكْتَسَيْتَ، أَوِ اكْتَسَبْتَ، وَلَا تَضْرِبِ الْوَجْهَ، وَلَا تُقَبِّحْ، وَلَا تَهْجُرْ إِلَّا فِي الْبَيْتِ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: " وَلَا تُقَبِّحْ أَنْ تَقُولَ: قَبَّحَكِ اللَّهُ

حسن صحيح

حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، اخبرنا ابو قزعة الباهلي، عن حكيم بن معاوية القشيري، عن ابيه، قال: قلت: يا رسول الله، ما حق زوجة احدنا عليه؟، قال: ان تطعمها اذا طعمت، وتكسوها اذا اكتسيت، او اكتسبت، ولا تضرب الوجه، ولا تقبح، ولا تهجر الا في البيت، قال ابو داود: " ولا تقبح ان تقول: قبحك الله حسن صحيح


Narrated Mu'awiyah al-Qushayri:

Mu'awiyah asked: Messenger of Allah, what is the right of the wife of one of us over him? He replied: That you should give her food when you eat, clothe her when you clothe yourself, do not strike her on the face, do not revile her or separate yourself from her except in the house.

Abu Dawud said: The meaning of "do not revile her" is, as you say: "May Allah revile you".


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪২. স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকার

২১৪৩। বাহয ইবনু হাকীম তার পিতা থেকে তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আমাদের স্ত্রীদের কোন্ স্থানে সঙ্গম করবো, আর কোন্ স্থান বর্জন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি যেভাবে ইচ্ছে করো তোমার ফসল উৎপাদন স্থানে (সম্মুখের লজ্জাস্থানে) সঙ্গম করো। আর তুমি যখন খাবে তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি পরিধার করলে তাকেও পরিধান করাবে। তাকে গালমন্দ করবে না এবং মারবে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, যখন তুমি খাবে তখন তাকেও খাওয়াবে। আর যখন তুমি পরিধান করবে তখন তাকেও পরাবে।[1]

হাসান সহীহ।

بَابٌ فِي حَقِّ الْمَرْأَةِ عَلَى زَوْجِهَا

حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، نِسَاؤُنَا مَا نَأْتِي مِنْهُنَّ وَمَا نَذَرُ، قَالَ: ائْتِ حَرْثَكَ أَنَّى شِئْتَ، وَأَطْعِمْهَا إِذَا طَعِمْتَ، وَاكْسُهَا إِذَا اكْتَسَيْتَ، وَلَا تُقَبِّحِ الْوَجْهَ، وَلَا تَضْرِبْ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: رَوَى شُعْبَةُ تُطْعِمُهَا إِذَا طَعِمْتَ وَتَكْسُوهَا إِذَا اكْتَسَيْتَ

حسن صحيح

حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني ابي، عن جدي، قال: قلت: يا رسول الله، نساونا ما ناتي منهن وما نذر، قال: اىت حرثك انى شىت، واطعمها اذا طعمت، واكسها اذا اكتسيت، ولا تقبح الوجه، ولا تضرب. قال ابو داود: روى شعبة تطعمها اذا طعمت وتكسوها اذا اكتسيت حسن صحيح


Bahz bin Hakim reported on the authority of his father from his grandfather (Mu'awiyah ibn Haydah) as saying:
I said: Messenger of Allah, how should we approach our wives and how should we leave them? He replied: Approach your tilth when or how you will, give her (your wife) food when you take food, clothe when you clothe yourself, do not revile her face, and do not beat her.

Abu Dawud said: The version of Shu'bah has: That you give her food when you have food yourself, and that you clothe her when you clothe yourself.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪২. স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকার

২১৪৪। মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললাম, আমাদের স্ত্রীদের (হক) সম্পর্কে আপনি কি বলেন? তিনি বললেনঃ তোমরা যা খাবে তাদেকেও তা খাওয়াবে এবং তোমরা যা পরবে, তাদেরকেও তা পরিধান করাবে। তাদেরকে প্রহার করবে না এবং গালিগালাজ করবে না।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي حَقِّ الْمَرْأَةِ عَلَى زَوْجِهَا

أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الْمُهَلَّبِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَزِينٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنْ دَاوُدَ الْوَرَّاقِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ مُعَاوِيَةَ الْقُشَيْرِيِّ، قَالَ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَقُلْتُ: مَا تَقُولُ: فِي نِسَائِنَا قَالَ: أَطْعِمُوهُنَّ مِمَّا تَأْكُلُونَ، وَاكْسُوهُنَّ مِمَّا تَكْتَسُونَ، وَلَا تَضْرِبُوهُنَّ، وَلَا تُقَبِّحُوهُنَّ

صحيح

اخبرني احمد بن يوسف المهلبي النيسابوري، حدثنا عمر بن عبد الله بن رزين، حدثنا سفيان بن حسين، عن داود الوراق، عن سعيد بن حكيم بن معاوية، عن ابيه، عن جده معاوية القشيري، قال: اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: فقلت: ما تقول: في نساىنا قال: اطعموهن مما تاكلون، واكسوهن مما تكتسون، ولا تضربوهن، ولا تقبحوهن صحيح


Narrated Mu'awiyah al-Qushayri:

I went to the Messenger of Allah (ﷺ) and asked him: What do you say (command) about our wives? He replied: Give them food what you have for yourself, and clothe them by which you clothe yourself, and do not beat them, and do not revile them.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. স্ত্রীদেরকে প্রহার করা

২১৪৫। আবূ হুর্‌রাহ আর-রাকাশী (রহ.) থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি তোমরা স্ত্রীদের অবাধ্য হওয়ার আশংকা করো, তাহলে তাদেরকে তোমাদের বিছানা থেকে পৃথক করে দাও। হাম্মাদ (রহ.) বলেন, অর্থাৎ তাদের সাথে সহবাস বর্জন করো।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي ضَرْبِ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي حُرَّةَ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فَإِنْ خِفْتُمْ نُشُوزَهُنَّ فَاهْجُرُوهُنَّ فِي الْمَضَاجِعِ، قَالَ حَمَّادٌ: يَعْنِي النِّكَاحَ

حسن

حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن علي بن زيد، عن ابي حرة الرقاشي، عن عمه، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال: فان خفتم نشوزهن فاهجروهن في المضاجع، قال حماد: يعني النكاح حسن


Abu Harrah Al Ruqashi reported on the authority of his uncle” The Prophet (ﷺ) said “If you fear the recalcitrance abandon them in their beds.”

The narrator Hammad said “By abandonment he meant abandonment of intercourse.”


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. স্ত্রীদেরকে প্রহার করা

২১৪৬। ইয়াস ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ যুবাব (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহর দাসীদেরকে মারবে না। অতঃপর উমার (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, মহিলারা তাদের স্বামীদের অবাধ্য হচ্ছে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে মৃদু আঘাত করার অনুমতি দিলেন। অতঃপর অনেক মহিলা এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের কাছে স্বামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুহাম্মাদের পরিবারে কাছে অনেক মহিলা তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসেছে। সুতরাং যারা স্ত্রীদেরকে প্রহার করে তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম নয়।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي ضَرْبِ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي خَلَفٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، قَالَا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ ابْنُ السَّرْحِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: عَنْ إِيَاسِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تَضْرِبُوا إِمَاءَ اللَّهِ فَجَاءَ عُمَرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: ذَئِرْنَ النِّسَاءُ عَلَى أَزْوَاجِهِنَّ، فَرَخَّصَ فِي ضَرْبِهِنَّ، فَأَطَافَ بِآلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِسَاءٌ كَثِيرٌ يَشْكُونَ أَزْوَاجَهُنَّ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَقَدْ طَافَ بِآلِ مُحَمَّدٍ نِسَاءٌ كَثِيرٌ يَشْكُونَ أَزْوَاجَهُنَّ لَيْسَ أُولَئِكَ بِخِيَارِكُمْ

صحيح

حدثنا احمد بن ابي خلف، واحمد بن عمرو بن السرح، قالا: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عبد الله بن عبد الله، قال ابن السرح عبيد الله بن عبد الله: عن اياس بن عبد الله بن ابي ذباب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تضربوا اماء الله فجاء عمر الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ذىرن النساء على ازواجهن، فرخص في ضربهن، فاطاف بال رسول الله صلى الله عليه وسلم نساء كثير يشكون ازواجهن، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: لقد طاف بال محمد نساء كثير يشكون ازواجهن ليس اولىك بخياركم صحيح


Iyas ibn Abdullah ibn Abu Dhubab reported the Messenger of Allah (ﷺ) as saying:
Do not beat Allah's handmaidens, but when Umar came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: Women have become emboldened towards their husbands, he (the Prophet) gave permission to beat them. Then many women came round the family of the Messenger of Allah (ﷺ) complaining against their husbands. So the Messenger of Allah (ﷺ) said: Many women have gone round Muhammad's family complaining against their husbands. They are not the best among you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. স্ত্রীদেরকে প্রহার করা

২১৪৭। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (শালীন শিক্ষার উদ্দেশ্যে) আঘাত করলে এজন্য সে দোষী হবে না।[1]

দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬২১৮), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪৩১), মিশকাত (৩২৬৮)।

بَابٌ فِي ضَرْبِ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَوْدِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُسْلِيِّ، عَنِ الْأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا يُسْأَلُ الرَّجُلُ فِيمَا ضَرَبَ امْرَأَتَهُ

ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (٦٢١٨)، ضعيف سنن ابن ماجة (٤٣١)، المشكاة (٣٢٦٨)، الإرواء (٢٠٣٤)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا ابو عوانة، عن داود بن عبد الله الاودي، عن عبد الرحمن المسلي، عن الاشعث بن قيس، عن عمر بن الخطاب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا يسال الرجل فيما ضرب امراته ضعيف // ضعيف الجامع الصغير (٦٢١٨)، ضعيف سنن ابن ماجة (٤٣١)، المشكاة (٣٢٦٨)، الارواء (٢٠٣٤)


Narrated Umar ibn al-Khattab:

The Prophet (ﷺ) said: A man will not be asked as to why he beat his wife.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২১৪৮। জারীর (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হঠাৎ কোনো নারীর প্রতি দৃষ্টি পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তোমার চোখ ফিরিয়ে নিবে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ غَضِّ الْبَصَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نَظْرَةِ الْفَجْأَةِ؟ فَقَالَ: اصْرِفْ بَصَرَكَ

صحيح

حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، حدثني يونس بن عبيد، عن عمرو بن سعيد، عن ابي زرعة، عن جرير، قال: سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نظرة الفجاة؟ فقال: اصرف بصرك صحيح


Jarir said I asked the Apostle of Allaah(ﷺ) about an accidental glance (on a woman). He (ﷺ) said “Turn your eyes away.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২১৪৯। ইবনু বুরাইদাহ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেনঃ হে আলী! কোনো নারীকে একবার দেখার পর দ্বিতীয়বার দেখবে না। কেননা তোমার জন্য প্রথমবার দেখার অনুমতি আছে, কিন্তু দ্বিতীয়বার জায়িয নয়।[1]

হাসান।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ غَضِّ الْبَصَرِ

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى الْفَزَارِيُّ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي رَبِيعَةَ الْإِيَادِيِّ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَلِيٍّ: يَا عَلِيُّ لَا تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ، فَإِنَّ لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الْآخِرَةُ

حسن

حدثنا اسماعيل بن موسى الفزاري، اخبرنا شريك، عن ابي ربيعة الايادي، عن ابن بريدة، عن ابيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلي: يا علي لا تتبع النظرة النظرة، فان لك الاولى وليست لك الاخرة حسن


Narrated Buraydah ibn al-Hasib:

The Prophet (ﷺ) said: to Ali: Do not give a second look, Ali, (because) while you are not to blame for the first, you have no right to the second.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২১৫০। ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো মহিলা যেন অপর মহিলার দেহ স্পর্শ করে এমনভাবে তার বর্ণনা নিজের নিজের স্বামীর কাছে না দেয়, যেন সে তাকে চাক্ষুস দেখছে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ غَضِّ الْبَصَرِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا تُبَاشِرُ الْمَرْأَةُ الْمَرْأَةَ، لِتَنْعَتَهَا لِزَوْجِهَا كَأَنَّمَا يَنْظُرُ إِلَيْهَا

صحيح

حدثنا مسدد، حدثنا ابو عوانة، عن الاعمش، عن ابي واىل، عن ابن مسعود، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تباشر المراة المراة، لتنعتها لزوجها كانما ينظر اليها صحيح


Ibn Masu’d reported the Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “ A woman should not rub her body directly with the body of another woman so that she describes it to her husband as if he were looking at her.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২১৫১। জাবির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি অপরিচিতা নারীকে দেখে ফেললে তিনি তৎক্ষণাৎ যাইনাব বিনুত জাহশ (রাযি.)-এর নিকট গিয়ে নিজের প্রয়োজন পূর্ণ করেন। অতঃপর সাহাবীদের কাছে গিয়ে বললেনঃ নারী শয়তানের বেশে এসে যায়। সুতরাং তোমাদের কারো মনে এরূপ কিছু জাগ্রত হলে সে যেন তার স্ত্রীর কাছে গমন করে। কেননা এতে তার অন্তরের সুপ্ত জাগ্রত হয় সে যেন অবশ্যই তার স্ত্রীর কাছে আসে। কেননা এতে মনের বাসনা দুর্বল হবে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ غَضِّ الْبَصَرِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى امْرَأَةً فَدَخَلَ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَقَضَى حَاجَتَهُ مِنْهَا، ثُمَّ خَرَجَ إِلَى أَصْحَابِهِ فَقَالَ لَهُمْ: إِنَّ الْمَرْأَةَ تُقْبِلُ فِي صُورَةِ شَيْطَانٍ، فَمَنْ وَجَدَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَلْيَأْتِ أَهْلَهُ فَإِنَّهُ يُضْمِرُ مَا فِي نَفْسِهِ

صحيح

حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، عن ابي الزبير، عن جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم راى امراة فدخل على زينب بنت جحش فقضى حاجته منها، ثم خرج الى اصحابه فقال لهم: ان المراة تقبل في صورة شيطان، فمن وجد من ذلك شيىا فليات اهله فانه يضمر ما في نفسه صحيح


Jabir said “The Prophet (ﷺ) saw a woman so he entered upon Zainab daughter of Jahsh and had intercourse with her. He (ﷺ) then came out and said to his companions and said to them “A woman advances in the form of a devil. When one of you finds that he should go to his wife (and have intercourse with her) for that will repel what he is feeling.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২১৫২। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণিত হাদীসের চাইতে সগীরাহ গুনাহ সম্পর্কিত কোনো হাদীস দেখিনি। তিনি বলেছেনঃ মহান আল্লাহ প্রতিটি আদম সন্তানের মধ্যে যিনার একটি অংশ নির্ধারণ করে রেখেছেন, যা সে অবশ্যই করবে। সুতরাং দৃষ্টি হচ্ছে চোখের যিনা, প্রেমালাপ হচ্ছে জিহবার যিনা এবং অন্তরের যিনা হচ্ছে তা ভোগ করার আকাঙ্ক্ষা, আর গুপ্তস্থান তা সত্য কিংবা মিথ্যায় পরিণত করে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ غَضِّ الْبَصَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ ثَوْرٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: مَا رَأَيْتُ شَيْئًا أَشْبَهَ بِاللَّمَمِ مِمَّا قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ عَلَى ابْنِ آدَمَ حَظَّهُ مِنَ الزِّنَا، أَدْرَكَ ذَلِكَ لَا مَحَالَةَ، فَزِنَا الْعَيْنَيْنِ النَّظَرُ، وَزِنَا اللِّسَانِ الْمَنْطِقُ، وَالنَّفْسُ تَمَنَّى وَتَشْتَهِي، وَالْفَرْجُ يُصَدِّقُ ذَلِكَ وَيُكَذِّبُهُ

صحيح

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا ابن ثور، عن معمر، اخبرنا ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس، قال: ما رايت شيىا اشبه باللمم مما قال ابو هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: ان الله كتب على ابن ادم حظه من الزنا، ادرك ذلك لا محالة، فزنا العينين النظر، وزنا اللسان المنطق، والنفس تمنى وتشتهي، والفرج يصدق ذلك ويكذبه صحيح


Ibn ‘Abbas said “I did not see anything more resembling to minor sins than what Abu Hurairah reported from the Prophet (ﷺ) who said “Allaah has decreed for the children of Adam a share in adultery, he will get it by all means, the adultery of eyes is looking; the adultery of tongue is speaking; the soul desires and has a passion; the private parts confirms or falsifies it.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২১৫৩। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানের মধ্যে যিনার একটি অংশ আছে। অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেছেনঃ দুই হাত যিনা করে, হাতের যিনা হচ্ছে স্পর্শ করা। দুই পা যিনা করে, অগ্রসর হওয়াই হচ্ছে পায়ের যিনা। মুখও যিনা করে, মুখের যিনা হচ্ছে চুমু খাওয়া।[1]

হাসান।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ غَضِّ الْبَصَرِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لِكُلِّ ابْنِ آدَمَ حَظُّهُ مِنَ الزِّنَا بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ: وَالْيَدَانِ تَزْنِيَانِ فَزِنَاهُمَا الْبَطْشُ، وَالرِّجْلَانِ تَزْنِيَانِ فَزِنَاهُمَا الْمَشْيُ، وَالْفَمُ يَزْنِي فَزِنَاهُ الْقُبَلُ

حسن

حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال: لكل ابن ادم حظه من الزنا بهذه القصة قال: واليدان تزنيان فزناهما البطش، والرجلان تزنيان فزناهما المشي، والفم يزني فزناه القبل حسن


Abu Hurairah reported the Prophet (ﷺ) as saying “ Every child of Adam has his share in adultery. He then narrated the rest of the tradition. This version goes “And the hands commit adultery; their adultery is catching; and the legs commit adultery; their adultery is walking; and the mouth commits adultery – its adultery is kissing.”


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে

২১৫৪। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত হাদীসের ঘটনায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কানের যিনা হচ্ছে আলাপ শোনা।[1]

হাসান সহীহ।

بَابُ مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ غَضِّ الْبَصَرِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ: وَالْأُذُنُ زِنَاهَا الِاسْتِمَاعُ

حسن صحيح

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن ابي صالح، عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال: والاذن زناها الاستماع حسن صحيح


The aforesaid tradition has also been transmitted by Abu Hurairah through a different chain of narrators. This version adds “The fornication of ear is hearing.”


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা

২১৫৫। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। হুনাইনের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আওতাসের দিকে একদল সৈন্য পাঠালেন। তারা শত্রুর মুকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়ে তাদের নারীদেরকে বন্দী করে আনেন। কিন্তু সেই বন্দী নারীদের মুশরিক স্বামীরা বর্তমান থাকায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী তাদের সাথে সঙ্গম করাকে গুনাহ মনে করেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ এ আয়াতটি অবতীর্ণ করলেনঃ ’’যে মহিলাদের স্বামী আছে তারা তোমাদের জন্য হারাম। তবে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত’’ (সূরা আন-নিসাঃ ২৪) অর্থাৎ যুদ্ধবন্দী দাসী যখন তাদের ইদ্দাতকাল সমাপ্ত করবে তখন তারা তোমাদের জন্য বৈধ।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي وَطْءِ السَّبَايَا

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ صَالِحٍ أَبِي الْخَلِيلِ، عَنْ أَبِي عَلْقَمَةَ الْهَاشِمِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ يَوْمَ حُنَيْنٍ بَعْثًا إِلَى أَوْطَاسَ فَلَقُوا عَدُوَّهُمْ فَقَاتَلُوهُمْ فَظَهَرُوا عَلَيْهِمْ وَأَصَابُوا لَهُمْ سَبَايَا فَكَأَنَّ أُنَاسًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَحَرَّجُوا مِنْ غِشْيَانِهِنَّ مِنْ أَجْلِ أَزْوَاجِهِنَّ مِنَ الْمُشْرِكِينَ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى فِي ذَلِكَ (وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ إِلَّا مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ) [النساء: ٢٤] أَيْ: فَهُنَّ لَهُمْ حَلَالٌ إِذَا انْقَضَتْ عِدَّتُهُنَّ

صحيح

حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن صالح ابي الخليل، عن ابي علقمة الهاشمي، عن ابي سعيد الخدري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث يوم حنين بعثا الى اوطاس فلقوا عدوهم فقاتلوهم فظهروا عليهم واصابوا لهم سبايا فكان اناسا من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم تحرجوا من غشيانهن من اجل ازواجهن من المشركين، فانزل الله تعالى في ذلك (والمحصنات من النساء الا ما ملكت ايمانكم) [النساء: ٢٤] اي: فهن لهم حلال اذا انقضت عدتهن صحيح


Abu Sa’id Al Khudri said “The Apostle of Allaah(ﷺ) sent a military expedition to Awtas on the occasion of the battle of Hunain. They met their enemy and fought with them. They defeated them and took them captives. Some of the Companions of Apostle of Allaah (ﷺ) were reluctant to have relations with the female captives because of their pagan husbands. So, Allaah the exalted sent down the Qur’anic verse “And all married women (are forbidden) unto you save those (captives) whom your right hand posses.” This is to say that they are lawful for them when they complete their waiting period.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা

২১৫৬। আবূ দারদা (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক যুদ্ধে আসন্ন প্রসবা এক নারীকে দেখতে পেয়ে বললেনঃ সম্ভবতঃ এর মালিক এর সাথে সহবাস করেছে। লোকেরা বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম সহবাসকারীকে এমন অভিসম্পাত করি যেন সে অভিশপ্ত অবস্থায় কবরে প্রবেশ করে। সে কিভাবে ঐ সন্তানটিকে তার উত্তরাধিকারী বানাবে যেটি তার জন্য হালাল নয়? আর সে কিভাবে এ সন্তানকে গোলাম বানাবে? অথচ তা তার জন্য বৈধ নয়।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي وَطْءِ السَّبَايَا

حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مِسْكِينٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ فِي غَزْوَةٍ فَرَأَى امْرَأَةً مُجِحًّا فَقَالَ: لَعَلَّ صَاحِبَهَا أَلَمَّ بِهَا؟ قَالُوا: نَعَمْ، فَقَالَ: لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَلْعَنَهُ لَعْنَةً تَدْخُلُ مَعَهُ فِي قَبْرِهِ، كَيْفَ يُوَرِّثُهُ وَهُوَ لَا يَحِلُّ لَهُ؟ وَكَيْفَ يَسْتَخْدِمُهُ وَهُوَ لَا يَحِلُّ لَهُ؟

صحيح

حدثنا النفيلي، حدثنا مسكين، حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن ابيه، عن ابي الدرداء، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان في غزوة فراى امراة مجحا فقال: لعل صاحبها الم بها؟ قالوا: نعم، فقال: لقد هممت ان العنه لعنة تدخل معه في قبره، كيف يورثه وهو لا يحل له؟ وكيف يستخدمه وهو لا يحل له؟ صحيح


Abu Al Darda said “The Apostle of Allaah(ﷺ) was in a battle. He saw a woman who was nearing the time when she was to deliver a child. “He said “Perhaps the master has intercourse with her.”. They(the people) said “Yes”. He said “I am inclined to invoke a curse on him which will enter his grave with him. How can he make it (the child) an heir when it is not lawful for him? How can he take it into his service when that is not lawful for him?”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবুদ দারদা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা

২১৫৭। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আওতাস যুদ্ধের বন্দী দাসীদের সম্বন্ধে বলেছেনঃ সন্তান প্রসবের আগে গর্ভবতীর সাথে সঙ্গম করা যাবে না। আর গর্ভবতী নয় এমন নারীর মাসিক ঋতু শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সাথেও সঙ্গম করা যাবে না।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي وَطْءِ السَّبَايَا

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ قَيْسِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَرَفَعَهُ، أَنَّهُ قَالَ فِي سَبَايَا أَوْطَاسَ: لَا تُوطَأُ حَامِلٌ حَتَّى تَضَعَ، وَلَا غَيْرُ ذَاتِ حَمْلٍ حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً

صحيح

حدثنا عمرو بن عون، اخبرنا شريك، عن قيس بن وهب، عن ابي الوداك، عن ابي سعيد الخدري، ورفعه، انه قال في سبايا اوطاس: لا توطا حامل حتى تضع، ولا غير ذات حمل حتى تحيض حيضة صحيح


Abu Sa’id Al Khudri traced to Prophet (ﷺ) the following statement regarding the captives taken at Atwas. There must be no intercourse with pregnant woman till she gives birth to her child or with the one who is not pregnant till she has had one menstrual period.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা

২১৫৮। রুয়াইফি’ ইবনু সাবিত আল-আনসারী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। হানাশ (রহ.) বলেন, একদা রুয়াইফি’ আমাদের সাথে দাঁড়িয়ে ভাষণ প্রদানের সময় বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা কিছু শুনেছি তোমাদেরকে শুধু তাই বলবো। তিনি হুনাইনের দিন বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, তার জন্য বৈধ নয় অন্যের ফসলে নিজের পানি সেচন করা। অর্থাৎ গর্ভবতী মহিলার সাথে সঙ্গম করা। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে তার জন্য বৈধ নয় কোনো বন্দী নারীর সাথে সঙ্গম করা যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করে পবিত্র হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যও বৈধ নয় বন্টনের পূর্বে গনীমাত বিক্রয় করা।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي وَطْءِ السَّبَايَا

حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي مَرْزُوقٍ، عَنْ حَنَشٍ الصَّنْعَانِيِّ، عَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَامَ فِينَا خَطِيبًا، قَالَ: أَمَا إِنِّي لَا أَقُولُ لَكُمْ إِلَّا مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: يَوْمَ حُنَيْنٍ، قَالَ: لَا يَحِلُّ لِامْرِئٍ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ يَسْقِيَ مَاءَهُ زَرْعَ غَيْرِهِ - يَعْنِي: إِتْيَانَ الْحَبَالَى - وَلَا يَحِلُّ لِامْرِئٍ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ يَقَعَ عَلَى امْرَأَةٍ مِنَ السَّبْيِ حَتَّى يَسْتَبْرِئَهَا، وَلَا يَحِلُّ لِامْرِئٍ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ يَبِيعَ مَغْنَمًا حَتَّى يُقْسَمَ

حسن

حدثنا النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن اسحاق، حدثني يزيد بن ابي حبيب، عن ابي مرزوق، عن حنش الصنعاني، عن رويفع بن ثابت الانصاري، قال: قام فينا خطيبا، قال: اما اني لا اقول لكم الا ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: يوم حنين، قال: لا يحل لامرى يومن بالله واليوم الاخر ان يسقي ماءه زرع غيره - يعني: اتيان الحبالى - ولا يحل لامرى يومن بالله واليوم الاخر ان يقع على امراة من السبي حتى يستبرىها، ولا يحل لامرى يومن بالله واليوم الاخر ان يبيع مغنما حتى يقسم حسن


Narrated Ruwayfi' ibn Thabit al-Ansari:

Should I tell you what I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say on the day of Hunayn: It is not lawful for a man who believes in Allah and the last day to water what another has sown with his water (meaning intercourse with women who are pregnant); it is not lawful for a man who believes in Allah and the Last Day to have intercourse with a captive woman till she is free from a menstrual course; and it is not lawful for a man who believes in Allah and the Last Day to sell spoil till it is divided.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা

২১৫৯। ইবনু ইসহাক (রহ.) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। এতে যতক্ষণ না হায়িয থেকে মুক্ত হয় কথাটি রয়েছে। এতে আরো রয়েছেঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন মুসলিমদের যুদ্ধলব্ধ পশুর পিঠে না চড়ে (বন্টনের পূর্বে), অবশেষে সে তা দুর্বল অবস্থায় ফেরত দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন মুসলিমদের গনীমাতের কাপড় না পরে, অবশেষে তা পুরাতন করে ফেরত দেয়। আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের মধ্যে ’ঋতুবতী নারী’ শব্দটি সংরক্ষিত নয়।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي وَطْءِ السَّبَايَا

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ ابْنِ إِسْحَاقَ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ: حَتَّى يَسْتَبْرِئَهَا بِحَيْضَةٍ زَادَ فِيهِ بِحَيْضَةٍ. وَهُوَ وَهْمٌ مِنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ وَهُوَ صَحِيحٌ فِي حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ. زَادَ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَرْكَبْ دَابَّةً مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ، حَتَّى إِذَا أَعْجَفَهَا رَدَّهَا فِيهِ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَلْبَسْ ثَوْبًا مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى إِذَا أَخْلَقَهُ رَدَّهُ فِيهِ ". قَالَ أَبُو دَاوُدَ: الْحَيْضَةُ لَيْسَتْ بِمَحْفُوظَةٍ وَهُوَ وَهْمٌ مِنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ
حسن

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا ابو معاوية، عن ابن اسحاق، بهذا الحديث قال: حتى يستبرىها بحيضة زاد فيه بحيضة. وهو وهم من ابي معاوية وهو صحيح في حديث ابي سعيد. زاد ومن كان يومن بالله واليوم الاخر فلا يركب دابة من فيء المسلمين، حتى اذا اعجفها ردها فيه، ومن كان يومن بالله واليوم الاخر فلا يلبس ثوبا من فيء المسلمين حتى اذا اخلقه رده فيه ". قال ابو داود: الحيضة ليست بمحفوظة وهو وهم من ابي معاوية حسن


The aforesaid tradition has also been transmitted by Ibn Ishaq through a different chain of narrators. This version has the traditional word “a menstrual course” in the phrase “till she is free from a menstrual course”. This is a misunderstanding on the part of the narrator Abu Mu’awiyah. This is correct in the tradition of Abu Sa’id Al Khudri. This version has the additional words “he who believes in Allaah and the Last Day should not ride on a mount belonging to the spoil of Muslims and when he makes it emaciated returns it; he who believes in Allaah and the Last Day should not put on cloth belonging to the spoils of Muslims and when makes it old (shabby) returns it.

Abu Dawud said “The word “menstrual course” is not guarded. This is a misunderstanding on the part of Abu Mu’awiyah”


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান

২১৬০। আমর ইবনু শুআইব (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ কোনো নারীকে বিয়ে করে অথবা কোনো দাসী ক্রয় করে তখন সে যেন বলেঃ ’’হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এর মধ্যকার কল্যাণ এবং এর মাধ্যমে কল্যাণ চাই এবং তার মধ্যে নিহিত অকল্যাণ ও তার মাধ্যমে অকল্যাণ থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই।’’ আর যখন কোনো উট কিনবে তখন যেন সেটির কুঁজের উপরিভাগ ধরে অনুরূপ দু’আ করে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, আবূ সাঈদের বর্ণনায় রয়েছেঃ অতঃপর তার কপালের চুল ধরে বলবে। স্ত্রী এবং দাসীর ব্যাপারেও বরকতের দু’আ করবে।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي جَامِعِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ يَعْنِي سُلَيْمَانَ بْنَ حَيَّانَ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا تَزَوَّجَ أَحَدُكُمُ امْرَأَةً أَوِ اشْتَرَى خَادِمًا، فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ، وَإِذَا اشْتَرَى بَعِيرًا فَلْيَأْخُذْ بِذِرْوَةِ سَنَامِهِ وَلْيَقُلْ مِثْلَ ذَلِكَ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: زَادَ أَبُو سَعِيدٍ، ثُمَّ لِيَأْخُذْ بِنَاصِيَتِهَا وَلْيَدْعُ بِالْبَرَكَةِ فِي الْمَرْأَةِ وَالْخَادِمِ

حسن

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، وعبد الله بن سعيد، قالا: حدثنا ابو خالد يعني سليمان بن حيان، عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: اذا تزوج احدكم امراة او اشترى خادما، فليقل اللهم اني اسالك خيرها وخير ما جبلتها عليه، واعوذ بك من شرها ومن شر ما جبلتها عليه، واذا اشترى بعيرا فلياخذ بذروة سنامه وليقل مثل ذلك. قال ابو داود: زاد ابو سعيد، ثم لياخذ بناصيتها وليدع بالبركة في المراة والخادم حسن


'Amr b. Shu'aib on his father's authority said that his grandfather (Abdullah ibn Amr ibn al-'As) reported the Prophet (ﷺ) said:
If one of you marries a woman or buys a slave, he should say: "O Allah, I ask You for the good in her, and in the disposition You have given her; I take refuge in You from the evil in her, and in the disposition You have given her." When he buys a camel, he should take hold of the top of its hump and say the same kind of thing.

Abu Dawud said: Abu Sa'id added the following words in his version: He should then tale hold of her forelock and pray for blessing in the case of a woman or a slave.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান

২১৬১। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ নিজ স্ত্রীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার সময় যেন বলেঃ ’’বিসমিল্লাহ! হে আল্লাহ! আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখো এবং যে সন্তান আমাদেরকে দান করবে তাদেরকেও শয়তান থেকে দূরে রাখো।’’ অতঃপর এ সঙ্গমের মাধ্যমে যে সন্তান আসবে, শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي جَامِعِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَ أَهْلَهُ، قَالَ: بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا، ثُمَّ قُدِّرَ أَنْ يَكُونَ بَيْنَهُمَا وَلَدٌ فِي ذَلِكَ لَمْ يَضُرَّهُ شَيْطَانٌ أَبَدًا

صحيح

حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن ابي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: لو ان احدكم اذا اراد ان ياتي اهله، قال: بسم الله، اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا، ثم قدر ان يكون بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان ابدا صحيح


Ibn ‘Abbas reported the Prophet (ﷺ) as saying “If anyone who means to have intercourse with his wife says “In the name of Allaah, O Allaah, keep us away from the devil and keep the devil away from what You hast provided us.” It will be ordained that no devil will ever harm the child born to them.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান

২১৬২। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে সে অভিশপ্ত।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي جَامِعِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ مَخْلَدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَلْعُونٌ مَنْ أَتَى امْرَأَتَهُ فِي دُبُرِهَا

حدثنا هناد، عن وكيع، عن سفيان، عن سهيل بن ابي صالح، عن الحارث بن مخلد، عن ابي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ملعون من اتى امراته في دبرها


Narrated AbuHurayrah:

The Prophet (ﷺ) said: He who has intercourse with his wife through her anus is accursed.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান

২১৬৩। মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির (রাযি.)-কে বলতে শুনেছি, ইয়াহূদীরা বলতো, যদি কোনো ব্যক্তি স্ত্রীর গুহ্যদ্বারের দিক থেকে (পিছনের দিক থেকে) সঙ্গম করে তাহলে সন্তান টেরা হয়ে জন্মাবে। তখন এর প্রতিবাদে মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ’’তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের ক্ষেতস্বরূপ। সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা তোমাদের ক্ষেতে গমন করো’’ (সূরা আল-বাকারাহঃ ২২৩)।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي جَامِعِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرًا، يَقُولُ: إِنَّ الْيَهُودَ يَقُولُونَ: إِذَا جَامَعَ الرَّجُلُ أَهْلَهُ فِي فَرْجِهَا مِنْ وَرَائِهَا كَانَ وَلَدُهُ أَحْوَلَ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى (نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ) [البقرة: ٢٢٣]

صحيح

حدثنا ابن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، قال: سمعت جابرا، يقول: ان اليهود يقولون: اذا جامع الرجل اهله في فرجها من وراىها كان ولده احول، فانزل الله سبحانه وتعالى (نساوكم حرث لكم فاتوا حرثكم انى شىتم) [البقرة: ٢٢٣] صحيح


Muhammad bin Al Munkadir said I heard Jabir say The Jews used to say “When a man has intercourse with his wife through the vagina, but being on her back the child will have a squint, so the verse came down. Your wives are a tilth to you, so come to your tilth however you will.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান

২১৬৪। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ ইবনু উমার (রাযি.)-কে ক্ষমা করুন, তিনি ভুল করেছেন। আসল কথা হচ্ছে, আনসারদের এই জনপদের লোকেরা মূর্তিপূজারী ছিলো। তারা আহলে কিতাব ইয়াহুদীদের সাথে বসবাস করতো এবং ইয়াহুদীরা জ্ঞানের দিক দিয়ে মূর্তিপূজারীদের উপর নিজেদের মর্যাদা দিতো। সুতরাং তারা নিজেদের কাজকর্মে ইয়াহুদীদের অনুসারী ছিলো। আহলে কিতাবদের নিয়ম ছিলো, তারা স্ত্রীদেরকে কেবল চিৎ করে শুইয়ে সঙ্গম করতো এবং বলতো, মহিলাদের সতর এ নিয়মে অধিক সংরক্ষিত। আনসার সম্প্রদায়ও তাদের এ কাজে আহলে কিতাবদের নিয়ম অনুসরণ করতো। কিন্তু কুরাইশরা নারীদেরকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে সঙ্গম করতো এবং তাদেরকে সামনাসামনি, পেছনের দিকে এবং চিৎ করে শুইয়ে বিভিন্নভাবে সঙ্গম করতো।

অতঃপর যখন মুহাজিরগণ মদীনাহয় আসলেন তখন তাদের এক ব্যক্তি জনৈক আনাসারী নারীকে বিয়ে করে তার সাথে ঐভাবে সঙ্গম করতে চাইলো যেভাবে তারা মক্কার নারীদের সাথে করতো। কিন্তু মহিলাটি তাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললো, আমরা শুধু এক অবস্থায়ই সঙ্গম করি। সুতরাং তোমাকেও সেভাবেই সঙ্গম করতে হবে অন্যথায় আমার থেকে দূরে থাকো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে গেলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ খবর পৌঁছলে মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ’’তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের ক্ষেতস্বরূপ, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা করো তোমাদের ক্ষেতে গমন করো।’’ অর্থাৎ সামনের দিক থেকে, পিছনের দিক থেকে বা চিৎ করে শুইয়ে তার লজ্জাস্থানেই সঙ্গম করো।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي جَامِعِ النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ يَحْيَى أَبُو الْأَصْبَغِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبَانَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: " إِنَّ ابْنَ عُمَرَ وَاللَّهُ يَغْفِرُ لَهُ أَوْهَمَ إِنَّمَا كَانَ هَذَا الْحَيُّ مِنَ الْأَنْصَارِ وَهُمْ أَهْلُ وَثَنٍ مَعَ هَذَا الْحَيِّ مِنْ يَهُودَ وَهُمْ أَهْلُ كِتَابٍ وَكَانُوا يَرَوْنَ لَهُمْ فَضْلًا عَلَيْهِمْ فِي الْعِلْمِ فَكَانُوا يَقْتَدُونَ بِكَثِيرٍ مِنْ فِعْلِهِمْ وَكَانَ مِنْ أَمْرِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَنْ لَا يَأْتُوا النِّسَاءَ إِلَّا عَلَى حَرْفٍ وَذَلِكَ أَسْتَرُ مَا تَكُونُ الْمَرْأَةُ فَكَانَ هَذَا الْحَيُّ مِنَ الْأَنْصَارِ قَدْ أَخَذُوا بِذَلِكَ مِنْ فِعْلِهِمْ وَكَانَ هَذَا الْحَيُّ مِنْ قُرَيْشٍ يَشْرَحُونَ النِّسَاءَ شَرْحًا مُنْكَرًا، وَيَتَلَذَّذُونَ مِنْهُنَّ مُقْبِلَاتٍ وَمُدْبِرَاتٍ وَمُسْتَلْقِيَاتٍ فَلَمَّا قَدِمَ الْمُهَاجِرُونَ الْمَدِينَةَ تَزَوَّجَ رَجُلٌ مِنْهُمُ امْرَأَةً مِنَ الْأَنْصَارِ فَذَهَبَ يَصْنَعُ بِهَا ذَلِكَ فَأَنْكَرَتْهُ عَلَيْهِ، وَقَالَتْ: إِنَّمَا كُنَّا نُؤْتَى عَلَى حَرْفٍ فَاصْنَعْ ذَلِكَ وَإِلَّا فَاجْتَنِبْنِي، حَتَّى شَرِيَ أَمْرُهُمَا فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ (نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ) [البقرة: ٢٢٣] أَيْ: مُقْبِلَاتٍ وَمُدْبِرَاتٍ وَمُسْتَلْقِيَاتٍ يَعْنِي بِذَلِكَ مَوْضِعَ الْوَلَدِ

حسن

حدثنا عبد العزيز بن يحيى ابو الاصبغ، حدثني محمد يعني ابن سلمة، عن محمد بن اسحاق، عن ابان بن صالح، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال: " ان ابن عمر والله يغفر له اوهم انما كان هذا الحي من الانصار وهم اهل وثن مع هذا الحي من يهود وهم اهل كتاب وكانوا يرون لهم فضلا عليهم في العلم فكانوا يقتدون بكثير من فعلهم وكان من امر اهل الكتاب ان لا ياتوا النساء الا على حرف وذلك استر ما تكون المراة فكان هذا الحي من الانصار قد اخذوا بذلك من فعلهم وكان هذا الحي من قريش يشرحون النساء شرحا منكرا، ويتلذذون منهن مقبلات ومدبرات ومستلقيات فلما قدم المهاجرون المدينة تزوج رجل منهم امراة من الانصار فذهب يصنع بها ذلك فانكرته عليه، وقالت: انما كنا نوتى على حرف فاصنع ذلك والا فاجتنبني، حتى شري امرهما فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فانزل الله عز وجل (نساوكم حرث لكم فاتوا حرثكم انى شىتم) [البقرة: ٢٢٣] اي: مقبلات ومدبرات ومستلقيات يعني بذلك موضع الولد حسن


Narrated Abdullah Ibn Abbas:

Ibn Umar misunderstood (the Qur'anic verse, "So come to your tilth however you will")--may Allah forgive him. The fact is that this clan of the Ansar, who were idolaters, lived in the company of the Jews who were the people of the Book. They (the Ansar) accepted their superiority over themselves in respect of knowledge, and they followed most of their actions. The people of the Book (i.e. the Jews) used to have intercourse with their women on one side alone (i.e. lying on their backs). This was the most concealing position for (the vagina of) the women. This clan of the Ansar adopted this practice from them. But this tribe of the Quraysh used to uncover their women completely, and seek pleasure with them from in front and behind and laying them on their backs.

When the muhajirun (the immigrants) came to Medina, a man married a woman of the Ansar. He began to do the same kind of action with her, but she disliked it, and said to him: We were approached on one side (i.e. lying on the back); do it so, otherwise keep away from me. This matter of theirs spread widely, and it reached the Messenger of Allah (ﷺ).

So Allah, the Exalted, sent down the Qur'anic verse: "Your wives are a tilth to you, so come to your tilth however you will," i.e. from in front, from behind or lying on the back. But this verse meant the place of the delivery of the child, i.e. the vagina.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৭. ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম ও একত্রে বসবাস

২১৬৫। আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। ইয়াহুদীদের কোনো নারী ঋতুবতী হলে তারা তাকে ঘর থেকে বের করে দিতো এবং তাদের সাথে খানপিনায়ও শরীক করতো না এবং তাদের সাথে একই ঘরে অবস্থান করতে দিতো না। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলে মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ ’’লোকজন আপনাকে হায়িয সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে। আপনি বলুন, তা অপবিত্রতা। সুতরাং তোমরা হায়িয চলাকালে সঙ্গম বর্জন করো।’’ অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তাদেরকে নিয়ে একই ঘরে থাকো এবং সঙ্গম ছাড়া সবই একত্রে করো। এ কথা শুনে ইয়াহুদীরা বললো, এ ব্যক্তি তো আমাদের কাজগুলোকে শুধুমাত্র বর্জনই করে না, বরং স্বেচ্ছায় এর বিরোধিতাও করে থাকে।

তখন উসাইদ ইবনু হুদাইর ও ’আব্বাদ ইবনু বিশর (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! (ইয়াহুদীরা) এরূপ বলেছে। সুতরাং আমরা কি হায়িয অবস্থায় সঙ্গম করবো? একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেলো। আমরা মনে করলাম, তিনি এদের উপর রাগান্বিত হয়েছেন। এমন সময় তারা সেখান থেকে বেরিয়ে গেলেন। ঠিক তখন তাদের সামনে দিয়ে কিছু দুধ উপঢৌকন হিসাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলে তিনি তাদের খোঁজে লোক পাঠালেন। তখন আমরা বুঝতে পারলাম, তিনি তাদের উপর রাগান্বিত হননি।[1]

সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৫৮।

بَابٌ فِي إِتْيَانِ الْحَائِضِ وَمُبَاشَرَتِهَا

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ الْيَهُودَ كَانَتْ إِذَا حَاضَتْ مِنْهُمُ امْرَأَةٌ أَخْرَجُوهَا مِنَ الْبَيْتِ، وَلَمْ يُؤَاكِلُوهَا وَلَمْ يُشَارِبُوهَا، وَلَمْ يُجَامِعُوهَا فِي الْبَيْتِ فَسُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى (وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ المَحِيضِ، قُلْ: هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ) [البقرة: ٢٢٢] إِلَى آخِرِ الْآيَةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: جَامِعُوهُنَّ فِي الْبُيُوتِ، وَاصْنَعُوا كُلَّ شَيْءٍ غَيْرَ النِّكَاحِ فَقَالَتِ الْيَهُودُ: مَا يُرِيدُ هَذَا الرَّجُلُ أَنْ يَدَعَ شَيْئًا مِنْ أَمْرِنَا إِلَّا خَالَفَنَا فِيهِ، فَجَاءَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ، وَعَبَّادُ بْنُ بِشْرٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْيَهُودَ تَقُولُ: كَذَا وَكَذَا، أَفَلَا نَنْكِحُهُنَّ فِي الْمَحِيضِ، فَتَمَعَّرَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى ظَنَنَّا أَنْ قَدْ وَجَدَ عَلَيْهِمَا، فَخَرَجَا، فَاسْتَقْبَلَتْهُمَا هَدِيَّةٌ مِنْ لَبَنٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَبَعَثَ فِي آثَارِهِمَا، فَظَنَنَّا أَنَّهُ لَمْ يَجِدْ عَلَيْهِمَا

صحيح، مضى (٢٥٨)

حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، اخبرنا ثابت البناني، عن انس بن مالك، ان اليهود كانت اذا حاضت منهم امراة اخرجوها من البيت، ولم يواكلوها ولم يشاربوها، ولم يجامعوها في البيت فسىل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك، فانزل الله سبحانه وتعالى (ويسالونك عن المحيض، قل: هو اذى فاعتزلوا النساء في المحيض) [البقرة: ٢٢٢] الى اخر الاية، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: جامعوهن في البيوت، واصنعوا كل شيء غير النكاح فقالت اليهود: ما يريد هذا الرجل ان يدع شيىا من امرنا الا خالفنا فيه، فجاء اسيد بن حضير، وعباد بن بشر الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالا: يا رسول الله ان اليهود تقول: كذا وكذا، افلا ننكحهن في المحيض، فتمعر وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى ظننا ان قد وجد عليهما، فخرجا، فاستقبلتهما هدية من لبن الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث في اثارهما، فظننا انه لم يجد عليهما صحيح، مضى (٢٥٨)


Anas bin Malik said Among the Jews when a woman menstruated, they did not eat with her and drink with her and did not associate with her in their houses, so the Apostle of Allaah(ﷺ) was questioned about it. Hence, Allah the Exalted revealed “And they ask you about menstruation,. Say “It is harmful, so keep aloof from women during menstruation till the end of the verse. The Apostle of Allaah(ﷺ) said “Associate with them in the houses and do everything except sexual intercourse. The Jews thereupon said “This man does not leave anything we do without opposing us in it. Usaid bin Hudair and Abbad bin Bishr came to the Apostle of Allaah(ﷺ) and said, Apostle of Allaah(ﷺ) the Jews are saying such and such. Shall we not have intercourse with them during their menstruation? The face of the Apostle of Allaah(ﷺ) underwent such a change that we thought he was angry with them, so they went out. They were met by a gift of milk which was being brought to the Apostle of Allaah(ﷺ) and he sent after them, whereby we felt that he was not angry with them.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৭. ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম ও একত্রে বসবাস

২১৬৬। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হায়িয অবস্থায় আমি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই কম্বলে রাত কাটাতাম। আমার দেহের রক্ত তাঁর দেহে লাগলে তিনি শুধু ঐ স্থানটি ধুয়ে নিতেন। আর যদি রক্তের কিছু তাঁর কাপড়ে লাগতো তখনও তিনি শুধু তাই ধুয়ে নিতেন এবং সেই কাপড় পরেই সালাত আদায় করতেন।[1]

সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৯।

بَابٌ فِي إِتْيَانِ الْحَائِضِ وَمُبَاشَرَتِهَا

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ جَابِرِ بْنِ صُبْحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ خِلَاسًا الْهَجَرِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، تَقُولُ: كُنْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَبِيتُ فِي الشِّعَارِ الْوَاحِدِ وَأَنَا حَائِضٌ طَامِثٌ، فَإِنْ أَصَابَهُ مِنِّي شَيْءٌ غَسَلَ مَكَانَهُ، وَلَمْ يَعْدُهُ، وَإِنْ أَصَابَ تَعْنِي ثَوْبَهُ مِنْهُ شَيْءٌ غَسَلَ مَكَانَهُ وَلَمْ يَعْدُهُ وَصَلَّى فِيهِ

صحيح

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن جابر بن صبح، قال: سمعت خلاسا الهجري، قال: سمعت عاىشة رضي الله عنها، تقول: كنت انا ورسول الله صلى الله عليه وسلم نبيت في الشعار الواحد وانا حاىض طامث، فان اصابه مني شيء غسل مكانه، ولم يعده، وان اصاب تعني ثوبه منه شيء غسل مكانه ولم يعده وصلى فيه صحيح


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

I and the Messenger of Allah (ﷺ) used to lie in one cloth at night while I was menstruating. If anything from me smeared him, he washed the same place (that was smeared), and did not wash beyond it. If anything from him smeared his clothe, he washed the same place and did not wash beyond that, and prayed with it (i.e. the clothe).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৭. ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম ও একত্রে বসবাস

২১৬৭। মায়মূনাহ বিনতুল হারিস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একত্রে থাকতে চাইলে, তাকে ইযার শক্তভাবে বেঁধে পরিধান করার নির্দেশ দিতেন, অতঃপর তার সাথে ঘুমাতেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي إِتْيَانِ الْحَائِضِ وَمُبَاشَرَتِهَا

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، وَمُسَدَّدٌ، قَالَا: حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ خَالَتِهِ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُبَاشِرَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ وَهِيَ حَائِضٌ أَمَرَهَا أَنْ تَتَّزِرَ ثُمَّ يُبَاشِرُهَا

صحيح

حدثنا محمد بن العلاء، ومسدد، قالا: حدثنا حفص، عن الشيباني، عن عبد الله بن شداد، عن خالته ميمونة بنت الحارث، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم، كان اذا اراد ان يباشر امراة من نساىه وهي حاىض امرها ان تتزر ثم يباشرها صحيح


Maimunah daughter of Al Harith said “When the Apostle of Allaah(ﷺ) intended to associate and lie with any of his wives who was menstruating, he ordered her to wrap up the lower garment(loin-cloth) and then he had association with her.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সহবাসের কাফ্ফারাহ

২১৬৮। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কিত বর্ণিত, যে হায়িয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করেছে। তিনি বলেনঃ সে এক অথবা অর্ধ দীনার সাদাকাহ করবে।[1]

সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৪।

بَابٌ فِي كَفَّارَةِ مَنْ أَتَى حَائِضًا

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، َغَيْرُهُ، عَنْ سَعِيد، حَدَّثَنِي الْحَكَمُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَأْتِي امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ؟ قَالَ: يَتَصَدَّقُ بِدِينَارٍ، أَوْ بِنِصْفِ دِينَارٍ

صحيح، مضى (٢٦٤)

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، غيره، عن سعيد، حدثني الحكم، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن، عن مقسم، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الذي ياتي امراته وهي حاىض؟ قال: يتصدق بدينار، او بنصف دينار صحيح، مضى (٢٦٤)


Narrated Abdullah ibn Abbas:

The Prophet (ﷺ) said about a man who has sexual intercourse with a menstruating woman: He should give one or half dinar as sadaqah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সহবাসের কাফ্ফারাহ

২১৬৯। ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি কেউ হায়িয অবস্থায় স্ত্রীসহবাস করে তবে তাকে এক দীনার এবং যদি রক্তস্রাব না থাকাকালীন সময়ে সহবাস করে তবে অর্ধ দীনার সাদাকাহ করবে।[1]

সহীহ মাওকূফ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৫।

بَابٌ فِي كَفَّارَةِ مَنْ أَتَى حَائِضًا

حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ مُطَهَّرٍ، حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحَكَمِ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ الْجَزَرِيِّ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: إِذَا أَصَابَهَا فِي الدَّمِ فَدِينَارٌ، وَإِذَا أَصَابَهَا فِي انْقِطَاعِ الدَّمِ فَنِصْفُ دِينَارٍ

صحيح موقوف مضى (٢٦٥)

حدثنا عبد السلام بن مطهر، حدثنا جعفر يعني ابن سليمان، عن علي بن الحكم البناني، عن ابي الحسن الجزري، عن مقسم، عن ابن عباس، قال: اذا اصابها في الدم فدينار، واذا اصابها في انقطاع الدم فنصف دينار صحيح موقوف مضى (٢٦٥)


Narrated Abdullah ibn Abbas:

If a man has sexual intercourse (with menstruating woman) during her bleeding, he should give one dinar as sadaqah, and if he does so when bleeding has stopped, he should give half a dinar as sadaqah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৯. ‘আযল’ (স্ত্রী যৌনাঙ্গের বাইরে বীর্যপাত)

২১৭০। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ’আযল’ সম্পর্কে আলোচনা করা হলে তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ এরূপ কেন করে থাকো? কিন্তু তিনি এ কথা বলেননি যে, তোমাদের কেউ এরূপ করবে না। কেননা যে প্রাণ দুনিয়াতে সৃষ্টি হওয়ার জন্য নির্ধারিত, আল্লাহ তা সৃষ্টি করবেনই।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الْعَزْلِ

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الطَّالَقَانِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ قَزَعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، ذُكِرَ ذَلِكَ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْنِي الْعَزْلَ قَالَ: فَلِمَ يَفْعَلُ أَحَدُكُمْ؟، وَلَمْ يَقُلْ فَلَا يَفْعَلْ أَحَدُكُمْ، فَإِنَّهُ لَيْسَتْ مِنْ نَفْسٍ مَخْلُوقَةٍ إِلَّا اللَّهُ خَالِقُهَا. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: قَزَعَةُ: مَوْلَى زِيَادٍ

صحيح

حدثنا اسحاق بن اسماعيل الطالقاني، حدثنا سفيان، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن قزعة، عن ابي سعيد، ذكر ذلك عند النبي صلى الله عليه وسلم يعني العزل قال: فلم يفعل احدكم؟، ولم يقل فلا يفعل احدكم، فانه ليست من نفس مخلوقة الا الله خالقها. قال ابو داود: قزعة: مولى زياد صحيح


Abu Sa’id reported “The people mentioned about withdrawing the penis before the Prophet (ﷺ). He said “Why one of you does so? He did not say “One of you should not do so”. Every soul that is to be born, Allaah will create it. Abu Dawud said “Qaza’ah is a client of Ziyad”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৯. ‘আযল’ (স্ত্রী যৌনাঙ্গের বাইরে বীর্যপাত)

২১৭১। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি দাসী আছে, আমি তার সাথে ’আযল’ করে থাকি। আমি তার গর্ভবতী হওয়া পছন্দ করি না। আর আমি তাই (সঙ্গম) ইচ্ছা রাখি যা অন্যান্য পুরুষেরা (দাসীর সাথে) ইচ্ছা রাখে। ইয়াহুদীরা বলে থাকে, ’আযল’ নাকি গোপন হত্যা। তার কথা শুনে তিনি বললেনঃ ইয়াহুদীরা মিথ্যা বলেছে। যদি মহান আল্লাহ কোনো প্রাণীকে সৃষ্টি করা নির্ধারিত করেন তবে তা রোধ করার ক্ষমতা তোমার নেই।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الْعَزْلِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، حَدَّثَهُ، أَنَّ رِفَاعَةَ، حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَجُلًا، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ لِي جَارِيَةً وَأَنَا أَعْزِلُ عَنْهَا وَأَنَا أَكْرَهُ أَنْ تَحْمِلَ، وَأَنَا أُرِيدُ مَا يُرِيدُ الرِّجَالُ، وَإِنَّ الْيَهُودَ تُحَدِّثُ أَنَّ الْعَزْلَ مَوْءُودَةُ الصُّغْرَى قَالَ: كَذَبَتْ يَهُودُ لَوْ أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَخْلُقَهُ مَا اسْتَطَعْتَ أَنْ تَصْرِفَهُ

صحيح

حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا ابان، حدثنا يحيى، ان محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، حدثه، ان رفاعة، حدثه، عن ابي سعيد الخدري، ان رجلا، قال: يا رسول الله، ان لي جارية وانا اعزل عنها وانا اكره ان تحمل، وانا اريد ما يريد الرجال، وان اليهود تحدث ان العزل موءودة الصغرى قال: كذبت يهود لو اراد الله ان يخلقه ما استطعت ان تصرفه صحيح


Narrated AbuSa'id al-Khudri:

A man said: Messenger of Allah, I have a slave-girl and I withdraw the penis from her (while having intercourse), and I dislike that she becomes pregnant. I intend (by intercourse) what the men intend by it.

The Jews say that withdrawing the penis (azl) is burying the living girls on a small scale. He (the Prophet) said: The Jews told a lie. If Allah intends to create it, you cannot turn it away.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৯. ‘আযল’ (স্ত্রী যৌনাঙ্গের বাইরে বীর্যপাত)

২১৭২। ইবনু মুহায়রিয (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মসজিদে প্রবেশ করে সেখানে আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.)-কে দেখতে পেয়ে তাঁর কাছে গিয়ে বসি এবং তাকে ’আযল’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। আবূ সাঈদ (রাযি.) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বনু মুসতালিকের যুদ্ধাভিযানে বের হই। তখন আমাদের হাতে কিছু মহিলা বন্দী হয়। ঐ সময় আমরা স্ত্রীদের থেকে দূরে অবস্থান করায় নারী বন্দীদের প্রতি আমাদের আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। অতঃপর আমরা তাদেরকে অধিকমূল্যে বিক্রি করার ইচ্ছায় তাদের সাথে আযল করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমরা ভাবলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝেই আছেন। কাজেই তাকে কিছু জিজ্ঞেস না করে আযল করা উচিত হবে না। সুতরাং আমরা এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তোমরা এরূপ না করলে কি ক্ষতি? কেননা কিয়ামত পর্যন্ত যারা সৃষ্টি হবে বলে নির্ধারিত তারা তো জন্মাবেই।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الْعَزْلِ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، قَالَ: دَخَلْتُ الْمَسْجِدَ فَرَأَيْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، فَجَلَسْتُ إِلَيْهِ فَسَأَلْتُهُ عَنِ العَزْلِ؟، فَقَالَ: أَبُو سَعِيدٍ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ بَنِي الْمُصْطَلِقِ فَأَصَبْنَا سَبْيًا مِنْ سَبْيِ الْعَرَبِ فَاشْتَهَيْنَا النِّسَاءَ وَاشْتَدَّتْ عَلَيْنَا الْعُزْبَةُ وَأَحْبَبْنَا الْفِدَاءَ فَأَرَدْنَا أَنْ نَعْزِلَ، ثُمَّ قُلْنَا نَعْزِلُ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ أَظْهُرِنَا قَبْلَ أَنْ نَسْأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَسَأَلْنَاهُ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: مَا عَلَيْكُمْ أَنْ لَا تَفْعَلُوا، مَا مِنْ نَسَمَةٍ كَائِنَةٍ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ إِلَّا وَهِيَ كَائِنَةٌ

صحيح

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، قال: دخلت المسجد فرايت ابا سعيد الخدري، فجلست اليه فسالته عن العزل؟، فقال: ابو سعيد خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فاصبنا سبيا من سبي العرب فاشتهينا النساء واشتدت علينا العزبة واحببنا الفداء فاردنا ان نعزل، ثم قلنا نعزل ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين اظهرنا قبل ان نساله عن ذلك فسالناه عن ذلك، فقال: ما عليكم ان لا تفعلوا، ما من نسمة كاىنة الى يوم القيامة الا وهي كاىنة صحيح


Muhairiz said “I entered the mosque and saw Abu Sa’id Al Khudri . I sat with him and asked about withdrawing the penis (while having intercourse). Abu Sa’id said We went out with the Apostle of Allaah(ﷺ) on the expedition to Banu Al Mustaliq and took some Arab women captive and we desired the women for we were suffering from the absence of our wives and we wanted ransom, so we intended to withdraw the penis (while having intercourse with the slave women). But we asked ourselves “can we draw the penis when the Apostle of Allaah(ﷺ) is among us before asking him about it? So we asked him about it. He said “it does not matter if you do not do it, for very soul that is to be born up to the Day of Resurrection will be born.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু মুহায়রিয (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৪৯. ‘আযল’ (স্ত্রী যৌনাঙ্গের বাইরে বীর্যপাত)

২১৭৩। জাবির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক আনসরী লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললো, আমার একটি দাসী আছে, আমি তার সাথে সঙ্গম করে থাকি, কিন্তু সে গর্ভবতী হোক তা আমি পছন্দ করি না। তিনি বললেনঃ তুমি ইচ্ছা করলে তার সাথে আযল করো। কিন্তু তার ভাগ্যে যা নির্ধারিত, তা নিশ্চিত আসবেই। বর্ণনাকারী বলেন, কিছুদিন পর ঐ ব্যক্তি পুনরায় তাঁর কাছে এসে বললো, দাসীট গর্ভবতী হয়েছে। তখন তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাকে আগেই বলেছিলাম, তার ভাগ্যে যা নির্ধারিত তা অবশ্যই আসবে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الْعَزْلِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: إِنَّ لِي جَارِيَةً أَطُوفُ عَلَيْهَا وَأَنَا أَكْرَهُ أَنْ تَحْمِلَ، فَقَالَ: اعْزِلْ عَنْهَا إِنْ شِئْتَ، فَإِنَّهُ سَيَأْتِيهَا مَا قُدِّرَ لَهَا قَالَ: فَلَبِثَ الرَّجُلُ ثُمَّ أَتَاهُ، فَقَالَ: إِنَّ الْجَارِيَةَ قَدْ حَمَلَتْ، قَالَ: قَدْ أَخْبَرْتُكَ أَنَّهُ سَيَأْتِيهَا مَا قُدِّرَ لَهَا

صحيح

حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، حدثنا زهير، عن ابي الزبير، عن جابر، قال: جاء رجل من الانصار الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ان لي جارية اطوف عليها وانا اكره ان تحمل، فقال: اعزل عنها ان شىت، فانه سياتيها ما قدر لها قال: فلبث الرجل ثم اتاه، فقال: ان الجارية قد حملت، قال: قد اخبرتك انه سياتيها ما قدر لها صحيح


Jabir said “A man from the Ansar came to the Apostle of Allaah(ﷺ) and said “I have a slave girl and I have intercourse with her. But I dislike her to conceive. He replied “Withdraw your penis from her if you wish for what is decreed for her will come to her.” After a time the man came to him and said “The girl has become pregnant”. He said “I told you that what was decreed for her would come to her.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)

পরিচ্ছেদঃ ৫০. কোনো ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীর সাথে সঙ্গমের পর তা অন্যকে বর্ণনা দেয়া নিষেধ

২১৭৪। আবূ নাদরাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ত্বোফাওয়াত স্থানের এক বৃদ্ধ আমাকে বলেছেন, একদা আমি মদীনায় মেহমান হিসেবে আবূ হুরাইরাহ (রাযি.)-এর নিকট অবস্থান করি। এ সময় আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে কাউকে তার চেয়ে অধিক ইবাদাতকারী ও নিষ্ঠাবান অতিথি পরায়ণ দেখিনি। একবার আমি তার কাছে ছিলাম, তখন তিনি খাটের উপর বসা ছিলেন। তার সাথে পাথর বা খেজুরের আঁটির একটি থলি। এ সময় খাটের নীচে মেঝের উপর তার একটি কৃষ্ণবর্ণ দাসী বসা ছিলো। তিনি ঐ গুটিগুলো দিয়ে তাসবীহ পাঠ করতে থাকেন। থলির গুটি শেষ হলে তিনি থলিটি দাসীর কাছে নিক্ষেপ করেন, আর সে তা ভর্তি করে পুনরায় তাকে প্রদান করে। তখন তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে আমার পক্ষ থেকে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ থেকে হাদীস বর্ণনা করবো না? লোকটি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ।

অতঃপর তিনি বললেন, একদা আমি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মসজিদে পড়ে থাকি। এমন সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেনঃ দাওসী যুবকটির সংবাদ কে দিতে পারে? কথাটি তিনি তিনবার বললেন। জনৈক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মসজিদের এক পাশে পড়ে আছেন। তিনি হেঁটে আমার কাছে আসলেন এবং তাঁর হাত আমার গায়ের উপর রেখে আমাকে কিছু উত্তম কথা বললেন। আমি উঠে বসলাম। এরপর তিনি এখান থেকে হেঁটে সালাত আদায়ের স্থানে গিয়ে লোকদের দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন। এ সময় তাঁর সাথে দুই কাতার পুরুষ ও এক কাতার মহিলা অথবা দুই কাতার মহিলা ও এক কাতার পুরুষ ছিলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ যদি শয়তান আমাকে সালাতে কিছু ভুলিয়ে দেয় তবে পুরুষেরা সুবাহানাল্লাহ বলবে, আর মহিলার হাতের উপর হাত মেরে আমাকে সতর্ক করবে।

বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সালাত পড়ালেন কিন্তু সালাত কোথাও ভুল করেননি। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা নিজ অবস্থানে থাকো। তিনি আল্লাহর প্রশংসা করে পুরুষদের দিকে মুখ ফিরে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে নিজ স্ত্রী সঙ্গমের সময় দরজা বন্ধ করে, নিজেকে পর্দায় আড়াল করে এবং আল্লাহর নির্দেশ মতো তা গোপন রাখে? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ পরে (মিলন শেষে) সে একথা বলে যে, আমার স্ত্রীর সাথে আমি এরূপ এরূপ করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে সবাই চুপ হয়ে গেলো। অতঃপর তিনি মহিলাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন নারী আছে কি যে তার সঙ্গমের কথা নারীদেরকে বলে বেড়ায়? নারীরাও চুপ হয়ে গেলো।

এ সময় এক যুবতী নারী তার দুই পায়ে ভর দিয়ে ঘাড় উঁচু করে বসলো, যাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখতে পান এবং তার কথা শুনতে পান। যুবতী বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যা বলেছেন, আসলেই তা ঘটে। পুরুষেরা পুরুষদের মধ্যে, আর নারীরা নারীদের মধ্যে এরূপ কথা বলে থাকে। এরপর তিনি বললেনঃ তোমরা কি জানো, এদের উদাহরণ কি? তিনি বললেনঃ এদের উদাহরণ হচ্ছে, এমন এক শয়তানের যে স্ত্রী শয়তানের কাছে গিয়ে প্রকাশ্যে নিজেদের যৌনক্ষুধা মিটালো, এই এ দৃশ্য লোকেরা স্বচক্ষে দেখলো। সাবধান! জেনে রাখো, পুরুষের জন্য এমন সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত, যার ঘ্রাণ আছে কিন্তু রং নেই। সাবধান! নারীদের জন্য এমন সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত যেটার রং আছে, কিন্তু ঘ্রাণ নেই।

ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের এখান থেকে পরবর্তী অংশটুকু আমি আমার শায়খ মু’আম্মাল ও মূসা উভয় থেকে সংরক্ষণ করেছি। (এতে রয়েছে) সাবধান! কোনো পুরুষ যেন অন্য পুরুষের সাথে এবং কোনো নারী যেন অন্য নারীর সাথে একই বিছানায় না ঘুমায়। অবশ্য পিতা পুত্রের সাথে এবং পুত্র পিতার সাথে একই বিছানায় ঘুমাতে পারে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, তাদের তৃতীয় উক্তিটি আমার মনে নেই। অবশ্য তা মুসাদ্দাদের হাদীসে আছে, কিন্তু আমি তার থেকে কথাটি দৃঢ়ভাবে আয়ত্ত করতে পারিনি।[1]

দুর্বলঃ ইরওয়া (২০১১), তা’লীকুর রাগীব (৩/৯৬)।

بَابُ مَا يُكْرَهُ مِنْ ذِكْرِ الرَّجُلِ مَا يَكُونُ مِنْ إِصَابَتِهِ أَهْلَهُ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرٌ، حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ، ح وحَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، ح وحَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، كُلُّهُمْ عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، حَدَّثَنِي شَيْخٌ مِنْ طُفَاوَةَ قَالَ: تَثَوَّيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ بِالْمَدِينَةِ فَلَمْ أَرَ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَشَدَّ تَشْمِيرًا، وَلَا أَقْوَمَ عَلَى ضَيْفٍ مِنْهُ، فَبَيْنَمَا أَنَا عِنْدَهُ يَوْمًا، وَهُوَ عَلَى سَرِيرٍ لَهُ، وَمَعَهُ كِيسٌ فِيهِ حَصًى أَوْ نَوًى، وَأَسْفَلَ مِنْهُ جَارِيَةٌ لَهُ سَوْدَاءُ وَهُوَ يُسَبِّحُ بِهَا، حَتَّى إِذَا أَنْفَدَ مَا فِي الْكِيسِ أَلْقَاهُ إِلَيْهَا، فَجَمَعَتْهُ فَأَعَادَتْهُ فِي الْكِيسِ، فَدَفَعَتْهُ إِلَيْهِ، فَقَالَ: أَلَا أُحَدِّثُكَ عَنِّي وَعَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: قُلْتُ: بَلَى، قَالَ: بَيْنَا أَنَا أُوعَكُ فِي الْمَسْجِدِ إِذْ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى دَخَلَ الْمَسْجِدَ، فَقَالَ: مَنْ أَحَسَّ الْفَتَى الدَّوْسِيَّ؟ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هُوَ ذَا يُوعَكُ فِي جَانِبِ الْمَسْجِدِ، فَأَقْبَلَ يَمْشِي حَتَّى انْتَهَى إِلَيَّ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيَّ، فَقَالَ لِي مَعْرُوفًا: فَنَهَضْتُ، فَانْطَلَقَ يَمْشِي حَتَّى أَتَى مَقَامَهُ الَّذِي يُصَلِّي فِيهِ، فَأَقْبَلَ عَلَيْهِمْ وَمَعَهُ صَفَّانِ مِنْ رِجَالٍ، وَصَفٌّ مِنْ نِسَاءٍ، أَوْ صَفَّانِ مِنْ نِسَاءٍ وَصَفٌّ مِنْ رِجَالٍ، فَقَالَ: إِنْ أَنْسَانِي الشَّيْطَانُ شَيْئًا، مِنْ صَلَاتِي فَلْيُسَبِّحِ الْقَوْمُ وَلْيُصَفِّقِ النِّسَاءُ قَالَ: فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَمْ يَنْسَ مِنْ صَلَاتِهِ شَيْئًا، فَقَالَ مَجَالِسَكُمْ، مَجَالِسَكُمْ. زَادَ مُوسَى هَا هُنَا ثُمَّ حَمِدَ اللَّهَ تَعَالَى وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ أَمَّا بَعْدُ ثُمَّ اتَّفَقُوا: ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى الرِّجَالِ فَقَالَ: هَلْ مِنْكُمُ الرَّجُلُ إِذَا أَتَى أَهْلَهُ فَأَغْلَقَ عَلَيْهِ بَابَهُ وَأَلْقَى عَلَيْهِ سِتْرَهُ وَاسْتَتَرَ بِسِتْرِ اللَّهِ قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: ثُمَّ يَجْلِسُ بَعْدَ ذَلِكَ فَيَقُولُ فَعَلْتُ كَذَا فَعَلْتُ كَذَا قَالَ: فَسَكَتُوا، قَالَ فَأَقْبَلَ عَلَى النِّسَاءِ، فَقَالَ: هَلْ مِنْكُنَّ مَنْ تُحَدِّثُ؟ فَسَكَتْنَ فَجَثَتْ فَتَاةٌ قَالَ مُؤَمَّلٌ، فِي حَدِيثِهِ فَتَاةٌ كَعَابٌ عَلَى إِحْدَى رُكْبَتَيْهَا وَتَطَاوَلَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِيَرَاهَا وَيَسْمَعَ كَلَامَهَا فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُمْ لَيَتَحَدَّثُونَ، وَإِنَّهُنَّ لَيَتَحَدَّثْنَهُ، فَقَالَ: هَلْ تَدْرُونَ مَا مَثَلُ ذَلِكَ؟ فَقَالَ: إِنَّمَا مَثَلُ ذَلِكَ مَثَلُ شَيْطَانَةٍ، لَقِيَتْ شَيْطَانًا فِي السِّكَّةِ فَقَضَى مِنْهَا حَاجَتَهُ وَالنَّاسُ يَنْظُرُونَ إِلَيْهِ، أَلَا وَإِنَّ طِيبَ الرِّجَالِ مَا ظَهَرَ رِيحُهُ، وَلَمْ يَظْهَرْ لَوْنُهُ أَلَا إِنَّ طِيبَ النِّسَاءِ مَا ظَهَرَ لَوْنُهُ وَلَمْ يَظْهَرْ رِيحُهُ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَمِنْ هَا هُنَا حَفِظْتُهُ عَنْ مُؤَمَّلٍ، وَمُوسَى أَلَا لَا يُفْضِيَنَّ رَجُلٌ إِلَى رَجُلٍ وَلَا امْرَأَةٌ إِلَى امْرَأَةٍ إِلَّا إِلَى وَلَدٍ أَوْ وَالِدٍ. وَذَكَرَ ثَالِثَةً فَأُنْسِيتُهَا وَهُوَ فِي حَدِيثِ مُسَدَّدٍ وَلَكِنِّي لَمْ أُتْقِنْهُ كَمَا أُحِبُّ. وقَالَ مُوسَى، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنِ الطُّفَاوِيِّ

ضعيف، الإرواء (٢٠١١)، التعليق الرغيب (٣/٩٦)، لكن كثير من قضاياه جاء مفرقا في أحاديث

حدثنا مسدد، حدثنا بشر، حدثنا الجريري، ح وحدثنا مومل، حدثنا اسماعيل، ح وحدثنا موسى، حدثنا حماد، كلهم عن الجريري، عن ابي نضرة، حدثني شيخ من طفاوة قال: تثويت ابا هريرة بالمدينة فلم ار رجلا من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم اشد تشميرا، ولا اقوم على ضيف منه، فبينما انا عنده يوما، وهو على سرير له، ومعه كيس فيه حصى او نوى، واسفل منه جارية له سوداء وهو يسبح بها، حتى اذا انفد ما في الكيس القاه اليها، فجمعته فاعادته في الكيس، فدفعته اليه، فقال: الا احدثك عني وعن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: قلت: بلى، قال: بينا انا اوعك في المسجد اذ جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى دخل المسجد، فقال: من احس الفتى الدوسي؟ ثلاث مرات، فقال رجل: يا رسول الله، هو ذا يوعك في جانب المسجد، فاقبل يمشي حتى انتهى الي، فوضع يده علي، فقال لي معروفا: فنهضت، فانطلق يمشي حتى اتى مقامه الذي يصلي فيه، فاقبل عليهم ومعه صفان من رجال، وصف من نساء، او صفان من نساء وصف من رجال، فقال: ان انساني الشيطان شيىا، من صلاتي فليسبح القوم وليصفق النساء قال: فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم ينس من صلاته شيىا، فقال مجالسكم، مجالسكم. زاد موسى ها هنا ثم حمد الله تعالى واثنى عليه، ثم قال اما بعد ثم اتفقوا: ثم اقبل على الرجال فقال: هل منكم الرجل اذا اتى اهله فاغلق عليه بابه والقى عليه ستره واستتر بستر الله قالوا: نعم، قال: ثم يجلس بعد ذلك فيقول فعلت كذا فعلت كذا قال: فسكتوا، قال فاقبل على النساء، فقال: هل منكن من تحدث؟ فسكتن فجثت فتاة قال مومل، في حديثه فتاة كعاب على احدى ركبتيها وتطاولت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ليراها ويسمع كلامها فقالت: يا رسول الله، انهم ليتحدثون، وانهن ليتحدثنه، فقال: هل تدرون ما مثل ذلك؟ فقال: انما مثل ذلك مثل شيطانة، لقيت شيطانا في السكة فقضى منها حاجته والناس ينظرون اليه، الا وان طيب الرجال ما ظهر ريحه، ولم يظهر لونه الا ان طيب النساء ما ظهر لونه ولم يظهر ريحه. قال ابو داود: ومن ها هنا حفظته عن مومل، وموسى الا لا يفضين رجل الى رجل ولا امراة الى امراة الا الى ولد او والد. وذكر ثالثة فانسيتها وهو في حديث مسدد ولكني لم اتقنه كما احب. وقال موسى، حدثنا حماد، عن الجريري، عن ابي نضرة، عن الطفاوي ضعيف، الارواء (٢٠١١)، التعليق الرغيب (٣/٩٦)، لكن كثير من قضاياه جاء مفرقا في احاديث


Narrated AbuHurayrah:

AbuNadrah reported: An old man of Tufawah said to me: I was a guest of AbuHurayrah at Medina. I did not find any one of the companions of the Prophet (ﷺ) more devoted to worship and more hospitable than AbuHurayrah.

One day I was with him when he was sitting on his bed. He had a purse which contained pebbles or kernels. A black slave-girl of his was sitting below. Counting them he was glorifying Allah. When the pebbles or the kernels in the purse were finished, she gathered them and put them again in the purse, and gave it to him. He said: Should I not tell you about me and about the Messenger of Allah (ﷺ)?

I said: Yes. He said: Once when I was laid up with fever in the mosque, the Messenger of Allah (ﷺ) came and entered the mosque, and said: Who saw the youth of ad-Daws. He said this three times.

A man said: Messenger of Allah, there he is, laid up with fever on one side of the mosque. He moved, walking forward till he reached me. He placed his hand on me. He had a kind talk with me, and I rose. He then began to walk till he reached the place where he used to offer his prayer. He paid his attention to the people. There were two rows of men and one row of women, or two rows of women and one row of men (the narrator is doubtful).

He then said: If Satan makes me forget anything during the prayer, the men should glorify Allah, and the women should clap their hands. The Messenger of Allah (ﷺ) then prayed and he did not forget anything during the prayer.

He said: Be seated in your places, be seated in your places. The narrator, Musa, added the word "here". He then praised Allah and exalted Him, and said: Now to our topic.

The agreed version begins: He then said: Is there any man among you who approaches his wife, closes the door, covers himself with a curtain, and he is concealed with the curtain of Allah?

They replied: Yes. He said: later he sits and says: I did so-and-so; I did so-and-so. The people kept silence. He then turned to the women and said (to them): Is there any woman among you who narrates it? They kept silence. Then a girl fell on one of her knees. The narrator, Mu'ammil, said in his version: a buxom girl. She raised her head before the Messenger of Allah (ﷺ) so that he could see her and listen to her.

She said: Messenger of Allah, they (the men) describe the secrets (of intercourse) and they (the women) also describe the secrets (of intercourse) to the people.

He said: Do you know what the similitude is? He said: The likeness of this act is the likeness of a female Satan who meets the male Satan on the roadside; he fulfils his desire with her while the people are looking at him. Beware! The perfume of men is that whose smell becomes visible and its colour does not appear. Beware! The perfume of women is that whose colour becomes visible and whose smell is not obvious.

AbuDawud said: From here I remembered this tradition from Mu'ammil and Musa: Beware! No man should lie with another man, no woman should lie with another woman except with one's child or father. He also mentioned a third which I have forgotten. This has been mentioned in the version of Musaddad, but I do not remember it as precisely as I like.

The narrator, Musa, said: Hammad narrated this tradition from al-Jarir from AbuNadrah from at-Tufawi.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ নাদরা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) 6. Marriage (Kitab Al-Nikah)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১২৯ পর্যন্ত, সর্বমোট ১২৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে