ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 85 টি

পরিচ্ছেদঃ ৭৮। কোন কথা শুনে না বুঝলে জানার জন্য পুনরায় জিজ্ঞেস করা

১০৪। সা‘ঈদ ইবনু আবূ মারয়াম (রহঃ) .... ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) বলেন, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) কোন কথা শুনে বুঝতে না পারলে বার বার জিজ্ঞাসা করতেন। একবার নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “(কিয়ামতের দিন) যার হিসাব নেওয়া হবে তাকে আযাব দেওয়া হবে।” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আল্লাহ্ তা‘আলা কি ইরশাদ করেননি, (فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا‏) (তার হিসার-নিকাশ সহজেই নেওয়া হবে) (৮৪ : ৮)। তখন তিনি বললেনঃ তা কেবল হিসাব পেশ করা। কিন্তু যার হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খরুপে নেওয়া হবে সে ধবংস হবে।

باب مَنْ سَمِعَ شَيْئًا، فَرَاجَعَ حَتَّى يَعْرِفَهُ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ أَخْبَرَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم كَانَتْ لاَ تَسْمَعُ شَيْئًا لاَ تَعْرِفُهُ إِلاَّ رَاجَعَتْ فِيهِ حَتَّى تَعْرِفَهُ، وَأَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَنْ حُوسِبَ عُذِّبَ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ أَوَ لَيْسَ يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى ‏(‏فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا‏)‏ قَالَتْ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّمَا ذَلِكَ الْعَرْضُ، وَلَكِنْ مَنْ نُوقِشَ الْحِسَابَ يَهْلِكْ ‏"‏‏.‏

Whoever heard something (but did not understand it) and then asked again till he understood it completely


Narrated Ibn Abu Mulaika: Whenever `Aisha (the wife of the Prophet) heard anything which she did not understand, she used to ask again till she understood it completely. Aisha said: "Once the Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) said, "Whoever will be called to account (about his deeds on the Day of Resurrection) will surely be punished." I said, "Doesn't Allah say: "He surely will receive an easy reckoning." (84.8) The Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) replied, "This means only the presentation of the accounts but whoever will be argued about his account, will certainly be ruined."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮১৫. নবী (ﷺ)-এর বাণী: পরিজনের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তি কে আযাব দেওয়া হয়, যদি বিলাপ করা তার অভ্যাস হয়ে থাকে। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন: তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার পরিজনদের জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর। (সূরা তাহরীম: ৬) এবং নবী (সা:) বলেছেন: তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্ব প্রাপ্ত এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। কিন্তু তা যদি তার অভ্যাস না হয়ে থাকে তা হলে তার বিধান হবে যা আয়িশা (রা.) উদ্ধুত করেছেন: নিজ বোঝা বহনকারী কোন ব্যক্তি অপরের বোঝা বহন করবে না (সূরা ফাতির : ১৮)। আর এ হলো আল্লাহ্‌ পাকের এ বাণীর ন্যায়- “কোন (গুনাহের) বোঝা বহনকারী ব্যক্তি যদি কাকেও তা বহন করতে আহবান করে তবে তা থেকে এর কিছুই বহন করা হবে না। (সূরা ফাতির: ১৮)। আর বিলাপ ছাড়া কান্নার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নবী (সা:) বলেছেন: অন্যায়ভাবে কাউকে খুন করা হলে সে খুনের অপরাধের অংশ প্রথম আদম সন্তান (কাবিল) এর উপর বর্তাবে। আর তা এ কারণে যে, সেই প্রথম ব্যক্তি য়ে খুনের প্রবর্তন করেছে।

১২১১। আবদান (রহঃ) ... আবদুল্লাহ‌ ইবনু উবাইদুল্লাহ্ ইবনু আবূ মুলাইকা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মক্কায় উসমান (রাঃ) এর এক কন্যার ওফাত হল। আমরা সেখানে (জানাযায়) শরীক হওয়ার জন্য গেলাম। ইবনু উমর এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ)ও সেখানে হাযির হলেন। আমি তা্ঁদের দু’জনের মাঝে বসা ছিলাম, অথবা তিনি বলেছেন, আমি তাঁদের এক জনের পাশে গিয়ে বসলাম, পরে অন্য জন এসে আমার পাশে বসলেন। (কান্নার আওয়াজ শুনে) ইবনু উমর (রাঃ) আমর ইবনু উসমানকে বললেন, তুমি কেন কাঁদতে নিষেধ করছনা? কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যাক্তিকে তার পরিজনদের কান্নার কারণে আযাব দেওয়া হয়। তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, উমর (রাঃ)ও এরকম কিছু বলতেন।

এরপর ইবনু আব্ব্স (রাঃ) বর্ণনা করলেন, উমর (রাঃ) এর সাথে মক্কা থেকে ফিরছিলাম। আমরা বায়দা (নামক স্থানে) পৌঁছলে উমর (রাঃ) বাবলা গাছের ছায়ায় একটি কাফেলা দেখতে পেয়ে আমাকে বললেন, গিয়ে দেখোতো এ কাফেলা কার? ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি গিয়ে দেখলাম সেখানে সুহাইব (রাঃ) রয়েছেন। আমি তাকে তা জানালাম। তিনি বললেন, তাকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে আস। আমি সুহাইব (রাঃ)-এর নিকটে আবার গেলাম এবং বললাম, চলুন, আমীরুল মু’মিনীনের সঙ্গে সাক্ষাত করুন। এরপর যখন উমর (রাঃ) (ঘাতকের আঘাতে) আহত হলেন, তখন সুহাইব (রাঃ) তাঁর কাছে এসে এ বলে কাঁদতে লাগলেন, হায় আমার ভাই! হায় আমার বন্ধু! এতে উমর (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি আমার জন্য কাঁদছো? অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যাক্তির জন্য তার আপন জনের কোন কোন কান্নার কারণে অবশ্যই তাকে আযাব দেওয়া হয়।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, উমর (রাঃ)-এর ওফাতের পর আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে আমি উমর (রাঃ)-এর এ উক্তি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহ উমর (রাঃ)-কে রহম করুন। আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা বলেননি যে, আল্লাহ ঈমানদার(মৃত) ব্যাক্তিকে, তার জন্য তার পরিজনের কান্নার কারণে আযাব দিবেন। তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা কাফিরদের আযাব বাড়িয়ে দেন, তার জন্য তার পরিজনের কান্নার কারণে। এরপর আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কুরআনই তোমাদের জন্য যথেষ্ট (ইরশাদ হয়েছেঃ) “বোঝা বহনকারী কোন ব্যাক্তি অপরের বোঝা বহন করবেনা”। তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহই (বান্দাকে) হাসান এবং কাঁধান। রাবী ইবনু আবূ মুলাইকা (রহঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! (একথা শুনে) ইবনু উমর (রাঃ) কোন মন্তব্য করলেন না।

باب قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «يُعَذَّبُ الْمَيِّتُ بِبَعْضِ بُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ» إِذَا كَانَ النَّوْحُ مِنْ سُنَّتِهِ لِقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {قُوا أَنْفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا}. وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ». فَإِذَا لَمْ يَكُنْ مِنْ سُنَّتِهِ، فَهُوَ كَمَا قَالَتْ عَائِشَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: {لاَ تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى}. وَهُوَ كَقَوْلِهِ: {وَإِنْ تَدْعُ مُثْقَلَةٌ} ذُنُوبًا {إِلَى حِمْلِهَا لاَ يُحْمَلْ مِنْهُ شَيْءٌ} وَمَا يُرَخَّصُ مِنَ الْبُكَاءِ فِي غَيْرِ نَوْحٍ. وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لاَ تُقْتَلُ نَفْسٌ ظُلْمًا إِلاَّ كَانَ عَلَى ابْنِ آدَمَ الأَوَّلِ كِفْلٌ مِنْ دَمِهَا». وَذَلِكَ لأَنَّهُ أَوَّلُ مَنْ سَنَّ الْقَتْلَ

حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ تُوُفِّيَتِ ابْنَةٌ لِعُثْمَانَ ـ رضى الله عنه ـ بِمَكَّةَ وَجِئْنَا لِنَشْهَدَهَا، وَحَضَرَهَا ابْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهم ـ وَإِنِّي لَجَالِسٌ بَيْنَهُمَا ـ أَوْ قَالَ جَلَسْتُ إِلَى أَحَدِهِمَا‏.‏ ثُمَّ جَاءَ الآخَرُ، فَجَلَسَ إِلَى جَنْبِي فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ لِعَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ أَلاَ تَنْهَى عَنِ الْبُكَاءِ، فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِنَّ الْمَيِّتَ لَيُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ ‏"‏‏.‏ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَدْ كَانَ عُمَرُ ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ بَعْضَ ذَلِكَ، ثُمَّ حَدَّثَ قَالَ صَدَرْتُ مَعَ عُمَرَ ـ رضى الله عنه ـ مِنْ مَكَّةَ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ، إِذَا هُوَ بِرَكْبٍ تَحْتَ ظِلِّ سَمُرَةٍ فَقَالَ اذْهَبْ، فَانْظُرْ مَنْ هَؤُلاَءِ الرَّكْبُ قَالَ فَنَظَرْتُ فَإِذَا صُهَيْبٌ، فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ ادْعُهُ لِي‏.‏ فَرَجَعْتُ إِلَى صُهَيْبٍ فَقُلْتُ ارْتَحِلْ فَالْحَقْ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ‏.‏ فَلَمَّا أُصِيبَ عُمَرُ دَخَلَ صُهَيْبٌ يَبْكِي يَقُولُ وَاأَخَاهُ، وَاصَاحِبَاهُ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ ـ رضى الله عنه ـ يَا صُهَيْبُ أَتَبْكِي عَلَىَّ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ الْمَيِّتَ يُعَذَّبُ بِبَعْضِ بُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ ‏"‏‏.‏ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما فَلَمَّا مَاتَ عُمَرُ ـ رضى الله عنه ـ ذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ فَقَالَتْ رَحِمَ اللَّهُ عُمَرَ، وَاللَّهِ مَا حَدَّثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ لَيُعَذِّبُ الْمُؤْمِنَ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ‏.‏ وَلَكِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ لَيَزِيدُ الْكَافِرَ عَذَابًا بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ ‏"‏‏.‏ وَقَالَتْ حَسْبُكُمُ الْقُرْآنُ ‏(‏وَلاَ تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى‏)‏‏.‏ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ عِنْدَ ذَلِكَ وَاللَّهُ هُوَ أَضْحَكَ وَأَبْكَى‏.‏ قَالَ ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ وَاللَّهِ مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ شَيْئًا‏.‏


Narrated `Abdullah bin 'Ubaidullah bin Abi Mulaika: One of the daughters of `Uthman died at Mecca. We went to attend her funeral procession. Ibn `Umar and Ibn `Abbas were also present. I sat in between them (or said, I sat beside one of them. Then a man came and sat beside me.) `Abdullah bin `Umar said to `Amr bin `Uthman, "Will you not prohibit crying as Allah's Messenger (ﷺ) has said, 'The dead person is tortured by the crying of his relatives.?" Ibn `Abbas said, "`Umar used to say so." Then he added narrating, "I accompanied `Umar on a journey from Mecca till we reached Al-Baida. There he saw some travelers in the shade of a Samura (A kind of forest tree). He said (to me), "Go and see who those travelers are." So I went and saw that one of them was Suhaib. I told this to `Umar who then asked me to call him. So I went back to Suhaib and said to him, "Depart and follow the chief of the faithful believers." Later, when `Umar was stabbed, Suhaib came in weeping and saying, "O my brother, O my friend!" (on this `Umar said to him, "O Suhaib! Are you weeping for me while the Prophet (ﷺ) said, "The dead person is punished by some of the weeping of his relatives?" Ibn `Abbas added, "When `Umar died I told all this to Aisha and she said, 'May Allah be merciful to `Umar. By Allah, Allah's Messenger (ﷺ) did not say that a believer is punished by the weeping of his relatives. But he said, Allah increases the punishment of a non-believer because of the weeping of his relatives." Aisha further added, "The Qur'an is sufficient for you (to clear up this point) as Allah has stated: 'No burdened soul will bear another's burden.' " (35.18). Ibn `Abbas then said, "Only Allah makes one laugh or cry." Ibn `Umar did not say anything after that.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬৩৫. পরিচ্ছেদ নাই

২৪৪৮। ইবরাহীম ইবনু মূসা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ্ ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ইবন জুদ’আনের আযাদকৃত গোলাম সুহাইবের সন্তান দু’টি ঘর ও একটি কামরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ব (রাঃ) কে দান করেছিলেন বলে দাবী জানান। (মদিনার গভর্নর) মারওয়ান (রহঃ) তখন বললেন, এ ব্যাপারে তোমাদের পক্ষে কে সাক্ষী দিবে? তারা বলল, ইবনু উমর (রাঃ) (আমাদের হয়ে সাক্ষী দিবেন) মারওয়ান (রহঃ) তখন ইবনু উমর (রাঃ) কে ডেকে পাঠালেন। তিনি এ মর্মে সাক্ষী দিলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ব (রাঃ)-কে দু’টি ঘর ও একটি কামরা দান করেছিলেন। তাদের স্বপক্ষে ইবনু উমরের সাক্ষী অনুযায়ী মারওয়ান ফায়সালা করলেন।

باب

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَنَّ ابْنَ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَهُمْ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ بَنِي صُهَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ جُدْعَانَ ادَّعَوْا بَيْتَيْنِ وَحُجْرَةً، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَعْطَى ذَلِكَ صُهَيْبًا، فَقَالَ مَرْوَانُ مَنْ يَشْهَدُ لَكُمَا عَلَى ذَلِكَ قَالُوا ابْنُ عُمَرَ‏.‏ فَدَعَاهُ فَشَهِدَ لأَعْطَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صُهَيْبًا بَيْتَيْنِ وَحُجْرَةً‏.‏ فَقَضَى مَرْوَانُ بِشَهَادَتِهِ لَهُمْ‏.‏


Narrated Asma' bint Abu Bakr (ra): My mother came to me during the lifetime of Allah's Messenger (ﷺ) and she was a Mushrikah (polytheist, idolatress, pagan). I said to Allah's Messenger (ﷺ) (seeking his verdict), "My mother has come to and she desires to recieve a reward from me, shall I keep good relations with her ?" The Prophet (ﷺ) said, "Yes, keep good relation with her."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬৬১. অর্থ-সম্পদ ও হদ্দ এর (শরীয়ত নির্ধারিত দান্ড সমূহ) এর বেলায় বিবাদীর কসম করা। নাবী (সাঃ) বলেছেন, দু’জন সাক্ষী পেশ করতে হবে কিংবা তার (বিবাদীর) কসম করতে হবে। কুতায়বা (র) বলেন, সুফইয়ান ইবনু শুবরুমা (র) হতে বর্ণনা করেছেন, আবূ যিনাদ (র) সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং বাদীর কসমের ব্যাপারে আমার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আমি তাকে বললাম, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন : “...সাক্ষীদের মধ্যে যাদের উপর তোমরা রাজী, তাদের মধ্যে দু’জন পুরুষ সাক্ষী রাখবে, যদি দু’জন পুরুষ না থাকে, তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক, স্ত্রীলোকদের মধ্যে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়...” (সূরা আল-বাক্বারা : ২:২৮২)। আমি বললাম, একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য আর বাদীর কসম যথেষ্ঠ হলে এক মহিলা অপর মহিলাকে স্মরণ করিয়ে দেয়ার কী প্রয়োজন আছে? এই অপর মহিলাটির স্মরণ করাতে কী কাজ হবে?

২৪৯১। আবূ নু’আইম (রহঃ) ... ইবনু আবূ মূলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) আমাকে লিখে জানিয়েছেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়াসালা দিয়েছেন যে, বিবাদীকে কসম করতে হবে।

بَابُ الْيَمِينُ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ، فِي الأَمْوَالِ وَالْحُدُودِ وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «شَاهِدَاكَ أَوْ يَمِينُهُ». الزِّنَادِ فِي شَهَادَةِ الشَّاهِدِ وَيَمِينِ الْمُدَّعِي فَقُلْتُ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ‏{‏وَاسْتَشْهِدُوا شَهِيدَيْنِ مِنْ رِجَالِكُمْ فَإِنْ لَمْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَامْرَأَتَانِ مِمَّنْ تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاءِ أَنْ تَضِلَّ إِحْدَاهُمَا فَتُذَكِّرَ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى‏}‏‏.‏ قُلْتُ إِذَا كَانَ يُكْتَفَى بِشَهَادَةِ شَاهِدٍ وَيَمِينِ الْمُدَّعِي، فَمَا تَحْتَاجُ أَنْ تُذَكِّرَ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى، مَا كَانَ يَصْنَعُ بِذِكْرِ هَذِهِ الأُخْرَى

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ كَتَبَ ابْنُ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ‏.‏


Narrated Ibn Abu Mulaika: Ibn `Abbas wrote that the Prophet (ﷺ) gave his verdict on the basis of the defendant's oath.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯৩৭. বিজয়ী যোদ্ধাগণকে অভ্যর্থনা জানানো

২৮৬৪। আবদুল্লাহ ইবনু আবূল আসওয়াদ (রহঃ) ... ইবনু আবূ মূলাইকা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনু যুবাইর (রাঃ), ইবনু জাফর (রাঃ) কে বললেন, তোমার কি স্মরণ আছে, যখন আমি ও তুমি এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মিলিত হয়েছিলাম? ইবনু জাফর (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, স্মরণ আছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বাহনে তুলে নিলেন আর তোমাকে ছেড়ে আসেন।

باب اسْتِقْبَالِ الْغُزَاةِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الأَسْوَدِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، وَحُمَيْدُ بْنُ الأَسْوَدِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ ابْنُ الزُّبَيْرِ لاِبْنِ جَعْفَرٍ ـ رضى الله عنهم أَتَذْكُرُ إِذْ تَلَقَّيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَأَنْتَ وَابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ نَعَمْ، فَحَمَلَنَا وَتَرَكَكَ‏.‏


Narrated Ibn Abi Mulaika: Ibn Az-Zubair said to Ibn Ja`far "Do you remember when I, you and Ibn `Abbas went out to receive Allah's Messenger (ﷺ)?" Ibn Ja`far replied in the affirmative. Ibn Az-Zubair added, "And Allah's Messenger (ﷺ) made us (i.e. I and Ibn `Abbas) ride along with him and left you."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯৫১. ইমামের নিকট যা আসে, তা বন্টন করা এবং যে ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয় নি কিংবা যে দূরে আছে তার জন্য রেখে দেওয়া

২৯০৭। আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল ওহহাব (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মূলায়কা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সোনালী কারুকার্য খচিত কিছু রেশমী কাবা জাতীয় পোষাক হাদীয়া দেয়া হল। তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে তা বণ্টন করে দেন এবং তা থেকে একটি কাবা মাখরামা ইবনু নাওফল (রাঃ)-এর জন্য আলাদা করে রাখেন। তারপর মাখরামা (রাঃ) তাঁর পুত্র মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) কে সাথে নিয়ে এসে দরজায় দাঁড়ালেন আর পুত্রকে বললেন, তাঁকে আমার জন্য আহবান কর। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি একটি কাবা নিয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন। আর এর কারুকার্য খচিত অংশ তাঁর সামনে তুলে ধরে বললেন, হে আবুল মিসওয়ার! আমি এটি তোমার জন্য রেখে দিয়েছি। আমি এটি তোমার জন্য রেখে দিয়েছি। আর মাখরামা (রাঃ) কিছুটা স্বভাবে কিছুটা রুঢ়তা ছিল।

এ হাদীসটি ইসমাঈল ইবন উলাইয়া (রহঃ)-ও আইউব (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর হাতিম ইবনু ওয়ারদান (রহঃ) বলেন, আইউব (রহঃ) ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) সূত্রে মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্ণণা করেছেন। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কয়েকটি কাবা জাতীয় পোষাক এসেছিল। (বাকী অংশ আগের মত) লাইস (রহঃ) ইবনু আবূ মূলাইকা (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় আইয়ূব (রহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।

باب قِسْمَةِ الإِمَامِ مَا يَقْدَمُ عَلَيْهِ، وَيَخْبَأُ لِمَنْ لَمْ يَحْضُرْهُ أَوْ غَابَ عَنْهُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُهْدِيَتْ لَهُ أَقْبِيَةٌ مِنْ دِيبَاجٍ مُزَرَّرَةٌ بِالذَّهَبِ، فَقَسَمَهَا فِي نَاسٍ مِنْ أَصْحَابِهِ، وَعَزَلَ مِنْهَا وَاحِدًا لِمَخْرَمَةَ بْنِ نَوْفَلٍ، فَجَاءَ وَمَعَهُ ابْنُهُ الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ، فَقَامَ عَلَى الْبَابِ فَقَالَ ادْعُهُ لِي‏.‏ فَسَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَوْتَهُ فَأَخَذَ قَبَاءً فَتَلَقَّاهُ بِهِ وَاسْتَقْبَلَهُ بِأَزْرَارِهِ فَقَالَ ‏ "‏ يَا أَبَا الْمِسْوَرِ، خَبَأْتُ هَذَا لَكَ، يَا أَبَا الْمِسْوَرِ، خَبَأْتُ هَذَا لَكَ ‏"‏‏.‏ وَكَانَ فِي خُلُقِهِ شِدَّةٌ‏.‏ وَرَوَاهُ ابْنُ عُلَيَّةَ عَنْ أَيُّوبَ‏.‏ قَالَ حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ الْمِسْوَرِ قَدِمَتْ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَقْبِيَةٌ‏.‏ تَابَعَهُ اللَّيْثُ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ‏.‏


Narrated `Abdullah bin Abu Mulaika: Some silken cloaks with golden buttons were presented to the Prophet. He distributed them amongst his companions and kept one for Makhrama, bin Naufal. Later on Makhrama came along with his son Al-Miswar bin Makhrama, and stood up at the gate and said (to his son). "Call him (i.e. the Prophet) to me." The Prophet (ﷺ) heard his voice, took a silken cloak and brought it to him, placing those golden buttons in front of him saying, "O Abu-al-Miswar! I have kept this aside for you! O Abu-al Miswar! I have kept this aside for you!" Makhrama was a bad-tempered man.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯৯৭. মুসলমানের সর্বোত্তম সম্পদ ছাগ-পাল, যা নিয়ে তারা পাহাড়ের চুড়ায় চলে যায়

৩০৭৮। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... ইবনু আবূ মূলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনু উমর (রাঃ) প্রথমে সাপ মেরে ফেলতেন। পরে মারতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর একটি দেয়াল ভেঙ্গে ফেলেন। তাতে তিন সাপের খোলস দেখতে পান। তখন তিনি বললেন, দেখ! কোথায় সাপ আছে? লোকেরা দেখল (এবং তাঁকে জানাল) তিনি বললেন, একে মেরে ফেল। এ কারণে আমি সাপ মেরে ফেরতাম। এরপর আবূ লুবাবার সাথে আমার দেখা হল। তিনি আমাকে জানালেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পিঠের উপর দু’টি রেখা বিশিষ্ট এবং লেজকাটা সাপ ব্যতীত অন্য কোন সাপকে তোমরা মেরা না। কেননা এগুলো গর্ভপাত ঘটায় এবং চোখের জ্যোতি নষ্ট করে দেয়। তাই এ জাতীয় সাপ মেরে ফেল।

باب خَيْرُ مَالِ الْمُسْلِمِ غَنَمٌ يَتْبَعُ بِهَا شَعَفَ الْجِبَالِ

حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ أَبِي يُونُسَ الْقُشَيْرِيِّ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقْتُلُ الْحَيَّاتِ ثُمَّ نَهَى قَالَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم هَدَمَ حَائِطًا لَهُ، فَوَجَدَ فِيهِ سِلْخَ حَيَّةٍ فَقَالَ ‏"‏ انْظُرُوا أَيْنَ هُوَ ‏"‏‏.‏ فَنَظَرُوا فَقَالَ ‏"‏ اقْتُلُوهُ ‏"‏‏.‏ فَكُنْتُ أَقْتُلُهَا لِذَلِكَ‏.‏ فَلَقِيتُ أَبَا لُبَابَةَ فَأَخْبَرَنِي أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تَقْتُلُوا الْجِنَّانَ، إِلاَّ كُلَّ أَبْتَرَ ذِي طُفْيَتَيْنِ، فَإِنَّهُ يُسْقِطُ الْوَلَدَ، وَيُذْهِبُ الْبَصَرَ، فَاقْتُلُوهُ ‏"‏‏.‏


Narrated Abu Mulaika: Ibn `Umar used to kill snakes, but afterwards he forbade their killing and said, "Once the Prophet (ﷺ) pulled down a wall and saw a cast-off skin of a snake in it. He said, 'Look for the snake. 'They found it and the Prophet (ﷺ) said, "Kill it." For this reason I used to kill snakes. Later on I met Abu Lubaba who told me the Prophet (ﷺ) said, 'Do not kill snakes except the short-tailed or mutilated-tailed snake with two white lines on its back, for it causes abortion and makes one blind. So kill it.' "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২০৮৩. নবী করীম (সাঃ) এর উক্তিঃ আমি যদি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহন করতাম। আবু সাঈদ (রাঃ) এটা বর্ণনা করেছেন

৩৩৯৬। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুফাবাসীগণ দাদার (মিরাস) সম্পর্কে জানতে চেয়ে ইবনু যুবায়রের নিকট পত্র পাঠালেন, তিনি বললেন, ঐ মহান ব্যাক্তি যার সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ উম্মতের কাউকে যদি অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে তাকেই করতাম, [অর্থাৎ আবূ বকর (রাঃ)] তিনি দাদাকে মিরাসের ক্ষেত্রে পিতার সমপর্যায়ভুক্ত করেছেন।

باب قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلاً ‏"‏ قَالَهُ أَبُو سَعِيدٍ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ كَتَبَ أَهْلُ الْكُوفَةِ إِلَى ابْنِ الزُّبَيْرِ فِي الْجَدِّ‏.‏ فَقَالَ أَمَّا الَّذِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا مِنْ هَذِهِ الأُمَّةِ خَلِيلاً لاَتَّخَذْتُهُ ‏"‏‏.‏ أَنْزَلَهُ أَبًا يَعْنِي أَبَا بَكْرٍ‏.‏


Narrated `Abdullah bin Abi Mulaika: The people of Kufa sent a letter to Ibn Az-Zubair, asking about (the inheritance of) (paternal) grandfather. He replied that the right of the inheritance of (paternal) grandfather is the same as that of father if the father is dead) and added, "Allah's Messenger (ﷺ) said, ' If I were to take a Khalil from this nation, I would have taken him (i.e. Abu Bakr).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১০৮. মু'আবিয়া (রাঃ) এর আলোচনা

৩৪৯২। হাসান ইবনু বিশর (রহঃ) ... ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার মু‘আবিয়া (রাঃ) ইশার সালাতের পর এক রাকআত মিলিয়ে বিতরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেন। তখন তাঁর নিকট ইবনু আব্বাসের আযাদকৃত গোলাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করেন, তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, তাঁকে কিছু বলোনা, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহচর্য লাভে ধন্য হয়েছেন।

باب ذِكْرُ مُعَاوِيَةَ رضى الله عنه

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا الْمُعَافَى، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ أَوْتَرَ مُعَاوِيَةُ بَعْدَ الْعِشَاءِ بِرَكْعَةٍ وَعِنْدَهُ مَوْلًى لاِبْنِ عَبَّاسٍ، فَأَتَى ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ دَعْهُ، فَإِنَّهُ صَحِبَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏


Narrated Ibn Abu Mulaika: Muawiya offered one rak`a witr prayer after the `Isha prayer, and at that time a freed slave of Ibn `Abbas was present. He (i.e. the slave) went to Ibn `Abbas (and told him that Muawiya offered one rak`a witr prayer). Ibn `Abbas said, "Leave him, for he was in the company of Allah's Messenger (ﷺ)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১০৮. মু'আবিয়া (রাঃ) এর আলোচনা

৩৪৯৩। ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) ... ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে বলা হলে, আপনি আমীরুল মু’মিনীন মু‘আবিয়া (রাঃ) এর সাথে এ বিষয় আপ করবেন কি? যেহেতু তিনি বিতর সালাত (নামায/নামাজ) এক রাকআত মিলিয়ে আদায় করেছেন। ইবনু আব্বাস বললেন, তিনি (তাঁর দৃষ্টিতে) ঠিকই করেছেন, কেননা তিনি নিজেই একজন ফকীহ্।

باب ذِكْرُ مُعَاوِيَةَ رضى الله عنه

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، قِيلَ لاِبْنِ عَبَّاسٍ هَلْ لَكَ فِي أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ مُعَاوِيَةَ، فَإِنَّهُ مَا أَوْتَرَ إِلاَّ بِوَاحِدَةٍ‏.‏ قَالَ إِنَّهُ فَقِيهٌ‏.‏


Narrated Ibn Abi Mulaika: Somebody said to Ibn `Abbas, "Can you speak to the chief of the believers Muwaiya, as he does not pray except one rak`a as witr?" Ibn `Abbas replied, "He is a Faqih (i.e. a learned man who can give religious verdicts) ."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 85 পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 8 9 Next »