মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে টি

পরিচ্ছেদঃ ৩৪/৬৫. কেউ পালানে দুধ জমা করা পশু খরিদ করার পর চাইলে ফিরিয়ে দিতে পারে। কিন্তু তা দোহন করার বিনিময়ে এক সা‘ খেজুর প্রদান করতে হবে।

২১৫১. মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি (স্তনে) দুধ আটকিয়ে রাখা বকরী ক্রয় করে, তবে দোহনের পরে যদি ইচ্ছা করে তবে সেটি রেখে দেবে আর যদি অপছন্দ করে তবে দুহিত দুধের বিনিময়ে এক সা‘ খেজুর দিবে। (২১৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০১৮)

بَاب إِنْ شَاءَ رَدَّ الْمُصَرَّاةَ وَفِي حَلْبَتِهَا صَاعٌ مِنْ تَمْرٍ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا الْمَكِّيُّ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي زِيَادٌ أَنَّ ثَابِتًا مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ زَيْدٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ اشْتَرَى غَنَمًا مُصَرَّاةً فَاحْتَلَبَهَا فَإِنْ رَضِيَهَا أَمْسَكَهَا وَإِنْ سَخِطَهَا فَفِي حَلْبَتِهَا صَاعٌ مِنْ تَمْرٍ


Narrated Abu Huraira: Allah's Messenger (ﷺ) said, "Whoever buys a sheep which has been kept unmilked for a long period, and milks it, can keep it if he is satisfied, and if he is not satisfied, he can return it, but he should pay one Sa of dates for the milk."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০. আযানের (জবাবে) যা বলতে হয়

১২৩৫. মুহাম্মদ ইবনু আমর তার পিতা (আমর) হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুয়াযযিনকে আযান দিতে শুনতে পেলেন। যখন সে (মুয়াযযিন) বললো: ’আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: ’আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। যখন মুয়াযযিন বললো, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ’আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: আমিও বলছি, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, তারপর ’আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। যখন মুয়াযযিন বললো, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, তখন মুয়াবিয়া রা:ও বললেন: আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ। মুয়াযযিন যখন ’হাইয়্যা আলাস সালাহ’ বললো, তখন তিনি ’লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বললেন। মুয়াযযিন যখন বললেন: ’হাইয়্যা আলাল ফালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ,’ তখন তিনি বললেন, ’লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ । তারপর মুয়াযযিন বললেন: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ তখন তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ তারপর তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ করেছেন।[1]

بَاب مَا يُقَالُ عِنْدَ الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ مُعَاوِيَةَ سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ فَقَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ فَقَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - দিয়াত (রক্তপণ)

৩৫০৩-[১৮] মুহাম্মাদ ইবনু ’আমর (রহঃ) আবূ সালামাহ্ (রহঃ) হতে, তিনি আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, গর্ভস্থ ভ্রূণ নষ্ট করার দরুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গোলাম বা বাঁদী অথবা একটি ঘোড়া বা খচ্চর রক্তপণের নির্দেশ দিয়েছেন। (আবূ দাঊদ)[1]

ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) আরও বলেন, হাদীসটি হাম্মাদ ইবনু সালামাহ্ এবং খালিদ ওয়াসিত্বী (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবনু ’আমর (রহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু উভয়ের একজনও ঘোড়া অথবা খচ্চরের কথা বর্ণনা করেননি।

وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الجَنينِ بغُرَّةٍ: عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ أَوْ فَرَسٍ أَوْ بَغْلٍ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَقَالَ: رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَخَالِدٌ الْوَاسِطِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو وَلَمْ يَذْكُرْ: أَوْ فَرَسٍ أَوْ بغل

ব্যাখ্যা: এ হাদীসটিতে যে বিধান দেয়া হয়েছে তা হচ্ছে, কারো দ্বারা যদি গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হয়ে যায় তবে তারও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। হাদীসে এ সম্পর্কে غُرَّةٌ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে মূল্যবান ও সুন্দর জিনিস, ‘আরবরা শব্দটিকে এ অর্থেই ব্যবহার করে থাকে। আর এখানে এর দ্বারা ক্রীতদাস অথবা ক্রীতদাসীকে বুঝানো হয়েছে, তবে হাদীসের মধ্যে ঘোড়া ও খচ্চরের কথা বর্ণিত রয়েছে তা ঊর্ধ্বতন বর্ণনাকারী ‘ঈসা ইবনু ইউনুস কর্তৃক ভুলক্রমে বর্ণিত হয়েছে। এ অংশটি সহীহ নয়। (তুহফাতুল আহওয়াযী ৪র্থ খন্ড, হাঃ ৪৫৬৮; মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. ইকামত এবং এ সম্পর্কিত হাদীস বর্ণনায় মতভেদ

৯৩৯(৫৭). মুহাম্মাদ ইবনে ইয়হইয়া (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবনে আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমার দাদা আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রাঃ) এই হাদীস বর্ণনা করেন ... অতএব আমার দাদা ইকামত দেন (আবু দাউদ, মুসনাদ আহমাদ)।

আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে আমর মদীনার বাসিন্দা। আর ইবনে মাহদী (রহঃ) বসরাবাসী থেকে হাদীস বর্ণনা করেননি।

بَابُ ذِكْرِ الْإِقَامَةِ ، وَاخْتِلَافِ الرِّوَايَاتِ فِيهَا

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، ثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : كَانَ جَدِّي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ يُحَدِّثُ .... بِهَذَا الْخَبَرِ ، فَأَقَامَ جَدِّي . وَقَالَ أَبُو دَاوُدَ : مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو مَدَنِيٌّ ، وَابْنُ مَهْدِيٍّ لَا يُحَدِّثُ عَنِ الْبَصْرِيِّ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০. জিবরীল (আ.) এর ইমামতি

১০০২(১৯). আবু উমার আল-কাযী (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবনে আমর (রহঃ) থেকে এই সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। রাবী বলেন, তারপর তিনি পরদিন তাঁর নিকট আসেন এবং সূর্য ডুবে গেলে এবং যখন রোযাদারের জন্য ইফতার করা হালাল হয় এরূপ একই ওয়াক্তে তাঁকে নিয়ে মাগরিবের নামায পড়েন।

بَابُ إِمَامَةِ جِبْرِيلَ

ثَنَا أَبُو عُمَرَ الْقَاضِي ، نَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَجَّاجِ ، نَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ ، نَحْوَهُ ، وَقَالَ : " ثُمَّ جَاءَهُ الْغَدَ ، فَصَلَّى لَهُ الْمَغْرِبَ لِوَقْتٍ وَاحِدٍ ، حِينَ غَابَتِ الشَّمْسُ وَحَلَّ فِطْرُ الصَّائِمِ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “মুয়ায্যিন যা বলে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আযানের কিছু বাক্য; সব বাক্য উদ্দেশ্য নয় মর্মে বর্ণনা

১৬৮৫. মুহাম্মাদ বিন আমর তার পিতা থেকে, তিনি তার তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তার দাদা বলেন, “আমি মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে ছিলাম, অতঃপর মুয়ায্যিন বললো, “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়।)”, তখন মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়।), যখন মুয়ায্যিন বলে, “আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই।), তখন তিনিও বলেন, “আশহাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই)”, যখন মুয়ায্যিন বলে, “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রসূল), তখন তিনিও বলেন, “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রসূল)”, যখন মুয়ায্যিন বলে, “হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ, (এসো সালাতের দিকে।), তখন তিনি বলেন, “লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার কোন ক্ষমতা নেই আল্লাহ ছাড়া, এবং ভাল কাজ করার কোন ক্ষমতা নেই আল্লাহ ছাড়া)।”

যখন মুয়ায্যিন বলে, “হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ, (এসো সফলতার দিকে)”, তখন তিনি বলেন, “লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার কোন ক্ষমতা নেই আল্লাহ ছাড়া এবং ভাল কাজ করার কোন ক্ষমতা নেই আল্লাহ ছাড়া)।”

যখন মুয়ায্যিন বলে, “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়।), তিনিও বলেন, “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, (আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়)।”

যখন মুয়ায্যিন বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই)”, তখন তিনিও বলেন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই)”, তারপর তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এরকম বলতেন।”[1]

ذِكْرُ الْبَيَانِ بِأَنَّ قَوْلَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (كَمَا يَقُولُ) أَرَادَ بِهِ بَعْضَ الْأَذَانِ لا الكل

1685 - أَخْبَرَنَا ابْنُ خُزَيْمَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ جَدِّي قَالَ:: كُنْتُ عِنْدَ مُعَاوِيَةَ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ: اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ: حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ: حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ: اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ثُمَّ قَالَ: هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يقول.
الراوي : مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 1685 | خلاصة حكم المحدث: صحيح ـ ((التعليق على سنن النسائي)) (2/ 25).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে