হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 13 টি

পরিচ্ছেদঃ ১৬. সালাতে তাশাহুদ পাঠ

৭৮৯। সাঈদ ইবনু মানসূর, কুতায়বা ইবনু সাঈদ, আবূ কামিল আল জাহদারী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক আল উমাবী (রহঃ) ... হিত্তান ইবনু আবদুল্লাহ আর রুকাশী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন (একবার) আমি আবূ মূসা (রাঃ) এর সাথে এক সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলাম। তিনি যখন তাশালূদের বৈঠকে ছিলেন তখন মুসল্লীদের মধ্য থেকে এক ব্যাক্তি বলে উঠল, أُقِرَّتِ الصَّلاَةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ (সালাত (নামায/নামাজ) নেকী ও যাকাতের সাথে ফরয করা হয়েছে)। হিত্তান বলেন, আবূ মূসা যখন সালাত (নামায/নামাজ) শেষ করলেন এবং সালাম ফিরালেন তখন বললেন, তোমাদের মধ্যে এই ধরনের কথা কে বলেছে? সবাই চুপ করে রইল। তিনি আবার বললেন, এরকম কথা তোমাদের কে বলেছে? সবাই চুপ রইল। তিনি বললেন, “হিত্তান! তুমিই হয়ত এরকম বলেছ। হিত্তান বললেন, আমি এটা বলিনি। আমি ভয় করলাম যে, আপনি এ কারনে আমাকে তিরস্কার করবেন। অতঃপর এক ব্যাক্তি বলল, আমি এটা বলেছি। আর আমি এটা কেবলমাত্র সাওয়াব হাসিলের জন্য বলেছি”।

আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, তোমরা তোমাদের সালাত (নামায/নামাজ) কি বলবে তা জান না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আমাদেরকে খুতবা দিলেন। তিনি আমাদের করনীয় কাজসমূহ পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করলেন এবং আমাদেরকে সালাত (নামায/নামাজ) শিক্ষা দিয়ে বললেন যখন তোমরা সালাত (নামায/নামাজ)-এর ইচ্ছা করবে তখন তোমাদের কাতার সোজা করবে। তারপর তোমাদের একজন ইমামত করবে। ইমাম যখন তাকবীর বলবে তখন তোমরা সবাই তাকবীর বলবে আর যখন وَلاَ الضَّالِّينَ বলবে তখন তোমরা آمِينَ বলবে। এতে আল্লাহ তোমাদের দুই দু’আ কবুল করবেন।

অতঃপর ইমাম যখন তাকবীর বলবে এবং রুকু করবে, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে এবং রুকু করবে। কারন ইমামকে তোমাদের আগে রুকুতে যেতে হয় এবং তোমাদের আগে উঠতে হয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ফলে তোমাদের এই দেরি করাটা (ইমামকতৃক আগে করা) এর বদলা হয়ে যায়। আর যখন ইমাম سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলবে তখন তোমরা বলবে اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ আল্লাহ তাআলা তোমাদের দুয়া শুনেন।

কারন তিনি তার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যবানিতে বলেছেন যে, যে ব্যাক্তি আল্লাহর প্রশংসা করে আল্লাহ তা শুনেন। আর যখন ইমাম তাকবীর বলবে এবং সিজদা করবে তখন তোমরাও তাকবীর বলবে এবং সিজদা করবে। কারণ ইমাম তোমাদের আগে সিজদা করে এবং তোমাদের আগে উঠে।

অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ফলে তোমাদের এই দেরী করা (ইমামকতৃক আগে করা) এর বদলা হয়ে যায়। ইমাম যখন তাশাহুদে বসবে তখন সর্বপ্রথমে তোমরা বলবে,

التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

باب التَّشَهُّدِ فِي الصَّلاَةِ ‏

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الأُمَوِيُّ - وَاللَّفْظُ لأَبِي كَامِلٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ صَلاَةً فَلَمَّا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أُقِرَّتِ الصَّلاَةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ - قَالَ - فَلَمَّا قَضَى أَبُو مُوسَى الصَّلاَةَ وَسَلَّمَ انْصَرَفَ فَقَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا قَالَ فَأَرَمَّ الْقَوْمُ ثُمَّ قَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ فَقَالَ لَعَلَّكَ يَا حِطَّانُ قُلْتَهَا قَالَ مَا قُلْتُهَا وَلَقَدْ رَهِبْتُ أَنْ تَبْكَعَنِي بِهَا ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أَنَا قُلْتُهَا وَلَمْ أُرِدْ بِهَا إِلاَّ الْخَيْرَ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى أَمَا تَعْلَمُونَ كَيْفَ تَقُولُونَ فِي صَلاَتِكُمْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَنَا فَبَيَّنَ لَنَا سُنَّتَنَا وَعَلَّمَنَا صَلاَتَنَا فَقَالَ ‏"‏ إِذَا صَلَّيْتُمْ فَأَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ ثُمَّ لْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَالَ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ ‏.‏ يُجِبْكُمُ اللَّهُ فَإِذَا كَبَّرَ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَرْكَعُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏.‏ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ ‏.‏ يَسْمَعُ اللَّهُ لَكُمْ فَإِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏.‏ وَإِذَا كَبَّرَ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ ‏.‏ وَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمُ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏.‏


Hattan b. `Abdullah al-Raqashi reported: I observed prayer with Abu Musa al-Ash`ari and when he was in the qa`dah, one among the people said: The prayer has been made obligatory along with piety and Zakat. He (the narrator) said: When Abu Musa had finished the prayer after salutation he turned (towards the people) and said: Who amongst you said such and such a thing? A hush fell on the people. He again said: Who amongst you has said such and such a thing? A hush fell on the people. He (Abu Musa) said: Hattan, it is perhaps you that have uttered it. He (Hattan) said No. I have not uttered it. I was afraid that you might be annoyed with me on account of this. A person amongst the people said: It was I who said it, and in this I intended nothing but good. Abu Musa said: Don't you know what you have to recite in your prayers? Verily the Messenger of Allah (ﷺ) addressed us and explained to us all its aspects and taught us how to observe prayer (properly). He (the Holy Prophet) said: When you pray make your rows straight and let anyone amongst you act as your Imam. Recite the takbir when he recites it and when he recites: Not of those with whom Thou art angry, nor of those who go astray, say: Amin. Allah would respond you. And when he (the Imam) recites the takbir, you may also recite the takbir, for the Imam bows before you and raises himself before you. Then the Messenger of Allah (ﷺ) said: The one is equivalent to the other. And when he says: Allah listens to him who praises Him, you should say: O Allah, our Lord, to Thee be the praise, for Allah, the Exalted and Glorious, has vouchsafed (us) through the tongue of His Apostle (ﷺ) that Allah listens to him who praises Him. And when he (the Imam) recites the takbir and prostrates, you should also recite the takbir and prostrate, for the Imam prostrates before you and raises himself before you. The Messenger of Allah (ﷺ) said: The one is equivalent to the other. And when he (the Imam) sits for Qa`da (for tashahhud) the first words of every one amongst you should be: All services rendered by words, acts of worship and all good things are due to Allah. Peace be upon you, O Apostle, and Allah's mercy and blessings. Peace be upon us and upon the upright servants of Allah. I testify that there is no god but Allah, and I testify that Muhammad is His servant and His Messenger.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮৮. তাশাহুদের বর্ণনা।

৯৭২. আমর ইবন আওন (রহঃ) ....  হিত্তান ইবন আবদুল্লাহ আর-রুকাশী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবু মূসা আল্-আশআরী (রাঃ) আমাদের সাথে জামাআতে নামায আদায়ের পর যখন সর্বশেষ বৈঠকে বসেন, তখন এক ব্যক্তি বলেঃ কল্যাণ ও পবিত্রতার মধ্যে নামায সুস্থির হয়েছে। আবু মূসা (রাঃ) নামায শেষে লোকদের প্রতি লক্ষ্য করে বলেনঃ তোমাদের মধ্যেকার কোন ব্যক্তি এরূপ কথা বলেছে? রাবী বলেনঃ সমবেত সকলে নিশ্চুপ থাকে। পুনরায় তিনি একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে সকলে একইরূপে চুপ থাকে। তখন তিনি বলেনঃ হে হিত্তান! সম্ভবত তুমিই এরূপ বলেছ। জবাবে তিনি বলেনঃ আমি তা বলি নাই। তবে আমি ভয় করেছিলাম যে, এ ব্যাপারে হয়ত আমাকেই দোষারোপ করা হবে।

রাবী হিত্তান বলেনঃ এমন সময় কওমের মধ্যেকার এক ব্যক্তি বলল, আমিই তা বলেছি। তবে আমি এরূপ বলার দ্বারা ভালো কিছুর আশা করেছিলাম। তখন আবু মূসা (রাঃ) বলেনঃ তোমরা কি অবগত নও তোমরা নামাযের মধ্যে কি বলবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম. এ সম্পর্কে আমাদের খুতবার মধ্যে শিক্ষা দিয়েছিল এবং নিয়ম কানুন ও নামায সম্পর্কে বিশেষরূপে জ্ঞাত করিয়েছেন। অতঃপর তিনি বলেনঃ যখন তোমরা নামায আদায়ের ইরাদা করবে, তখন সোজাভাবে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে এবং তোমাদের মধ্যেকার একজন ইমামতি করবে। ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলবেন তখন তোমরাও তা বলবে এবং যখন ইমাম ‘‘গায়রিল মাগদূবে আলায়হিম ওলাদদাল্লীন পড়বেন তখন তোমরা ‘‘আমীন’’ বলবে। (এর ফলশ্রুতিতে) আল্লাহ পাক তোমাদের দু‘আ কবুল করবেন। অতঃপর ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলে রুকু করবেন, তখন তোমরাও আল্লাহু আকবার বলে রুকুতে যাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পূর্বেই রুকুতে গমন করবেন এবং উঠবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, এটা ওর পরিবর্তে (অর্থাৎ ইমাম রুকুতে আগে যাওয়ার আগে উঠবেন)।

অতঃপর ইমাম যখন ‘‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’’ বলবেন, তখন তোমরা বলবেঃ ‘‘আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদু।’’ আল্লাহ তোমাদের ওটা কবুল করবেন। কেননা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু তাঁর নবীর যবানীতে ‘‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলিয়েছেন। অতঃপর ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলে সিজদা করবেন, তখন তোমরাও তা বলে সিজদা করবে এবং যেহেতু ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদায় গমন করবেন, সেহেতু তিনি তোমাদের পূর্বেই উঠবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসালাম বলেছেনঃ এটা ওটার পরিবর্তে। অতঃপর তোমরা যখন বৈঠকে বসবে, তখন তোমরা বলবেঃ ‘‘আত্তাহিয়্যাতু ওয়াততায়্যেবাতু ওয়াস্-সালাতু লিল্লাহে আস্-সালামু আলায়কা আয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহে ওয়া বারাকাতুহু আস্-সালামু আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালেহীন। আশহাদু আন্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াআশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।’’

রাবী আহমদের বর্ণনায় ‘‘ওয়া বারাকাতুহু’’ ও ‘‘আশহাদু’’ শব্দ দুইটির উল্লেখ নাই বরং ‘‘ওয়া আন্না মুহাম্মাদান’’ এর উল্লেখ আছে।

باب التَّشَهُّدِ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ، قَالَ صَلَّى بِنَا أَبُو مُوسَى الأَشْعَرِيُّ فَلَمَّا جَلَسَ فِي آخِرِ صَلاَتِهِ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أُقِرَّتِ الصَّلاَةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ ‏.‏ فَلَمَّا انْفَتَلَ أَبُو مُوسَى أَقْبَلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ فَقَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ قَالَ فَلَعَلَّكَ يَا حِطَّانُ أَنْتَ قُلْتَهَا ‏.‏ قَالَ مَا قُلْتُهَا وَلَقَدْ رَهِبْتُ أَنْ تَبْكَعَنِي بِهَا ‏.‏ قَالَ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أَنَا قُلْتُهَا وَمَا أَرَدْتُ بِهَا إِلاَّ الْخَيْرَ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى أَمَا تَعْلَمُونَ كَيْفَ تَقُولُونَ فِي صَلاَتِكُمْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَنَا فَعَلَّمَنَا وَبَيَّنَ لَنَا سُنَّتَنَا وَعَلَّمَنَا صَلاَتَنَا فَقَالَ ‏"‏ إِذَا صَلَّيْتُمْ فَأَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ ثُمَّ لْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَرَأَ ‏(‏ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ ‏)‏ فَقُولُوا آمِينَ يُجِبْكُمُ اللَّهُ وَإِذَا كَبَّرَ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَرْكَعُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ يَسْمَعِ اللَّهُ لَكُمْ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَإِذَا كَبَّرَ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمْ أَنْ يَقُولَ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏.‏ لَمْ يَقُلْ أَحْمَدُ ‏"‏ وَبَرَكَاتُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَلاَ قَالَ ‏"‏ وَأَشْهَدُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَأَنَّ مُحَمَّدًا ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuMusa al-Ash'ari: Hittan ibn Abdullah ar-Ruqashi said: AbuMusa al-Ash'ari led us in prayer. When he sat at the end of his prayer, one of the people said: Prayer has been established by virtue and purity. When AbuMusa returned (from his prayer or finished his prayer), he gave his attention to the people, and said: Which of you is the speaker of such and such words? The people remained silent. Which of you is the speaker of such and such words? The people remained silent. He said: You might have said them, Hittan. He replied: I did not say them. I was afraid you might punish me. One of the people said: I said them and I did not intend by them (anything) except good. AbuMusa said: Do you not know how you utter (them) in your prayer? The Messenger of Allah (ﷺ) addressed us, and taught us and explained to us our way of doing and taught us our prayer. He said: When you pray a (congregational) prayer, straighten your rows, then one of you should lead you in prayer. When he says the takbir (Allah is Most Great), say the takbir, and when he recites verses "Not of those upon whom is Thy anger, nor of those who err" (i.e. the end of Surah i.), say Amin; Allah will favour you. When he says "Allah is most great," and bows, say "Allah is most great" and bow, for the imam will bow before you, and will raise (his head) before you. The Messenger of Allah (ﷺ) said: This is for that. When he says "Allah listens to the one who praises Him," say: "O Allah, our Lord, to Thee be praise, Allah be praised," Allah will listen to you, for Allah, the Exalted, said by the tongue of His Prophet (ﷺ): "Allah listens to the one who praises Him." When he says "Allah is most great" and prostrates, say: "Allah is most great" and prostrate, for the imam prostrates before you and raises his head before you. The Messenger of Allah (ﷺ) said: This is for that. When he sits, each one of you should say "The adorations of the tongue, all good things, and acts of worship are due to Allah. Peace be upon you, O Prophet, and Allah's mercy and His blessings. Peace be upon us and upon Allah's upright servants. I testify that there is no god but Allah, and I testify that Muhammad is His servant and Apostle." This version of Ahmad does not mention the words "and His blessings" nor the phrase "and I testify"; instead, it has the words "that Muhammad."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮৮. তাশাহুদের বর্ণনা।

৯৭৩. আসেম ইবনু ন নাদর (রহঃ) ..... হিত্তান ইবন আবদুল্লাহ আর-রুকাশী (রহ) হতে উপরোক্ত হাদীছের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এর মধ্যে অতিরিক্ত আছে যে, ইমাম যখন কিরাআত পাঠ করবেন, তখন তোমরা চুপ থাকবে।

রাবী বলেনঃ তাশাহহুদের মধ্যে ‘‘আশহহাদু আন্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’’ এর পর ‘‘ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু’’ অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে।

ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, চুপ করে থাকা সম্পর্কে বর্ণনা সংরক্ষিত নয়। কেননা রাবী সুলায়মান তায়মী ব্যতীত আর কেউই তা উল্লেখ করেন নাই। (মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজা)।

باب التَّشَهُّدِ

حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَبِي غَلاَّبٍ، يُحَدِّثُهُ عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ، بِهَذَا الْحَدِيثِ زَادَ ‏"‏ فَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ فِي التَّشَهُّدِ بَعْدَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ زَادَ ‏"‏ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَقَوْلُهُ ‏"‏ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ لَيْسَ بِمَحْفُوظٍ لَمْ يَجِئْ بِهِ إِلاَّ سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ فِي هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏


This tradition has also been transmitted by Hittan b. ‘Abd Allah al-Ruqashi through a different chain of narrators. This version adds: When he( the imam) recites the Qur’an, keep silence(and listen attentively). And in the tashahhud this version adds after the words “I testify that there is no god but Allah” the words “He is alone, and there is no associate of Him.” Abu Dawud said: His word "And keep silence" is not guarded; it has been narrated by Sulaiman al-Taimi alone in his version.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৮/ ইমামের আগে কোন কাজ করা।

৮৩১। মুহাম্মদ ইবনু হিশাম (রহঃ) ... হিত্তান ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ মুসা (রাঃ) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি বৈঠকে থাকাকালে এক ব্যক্তি প্রবেশ করে বলল, “সালাত নেকী এবং যাকাত” এর সাথে মিলিত হয়েছে। আবূ মুসা (রাঃ) যখন সালাম ফিরালেন তখন তিনি লোকের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে একথা বলেছে? তখন লোকটা চুপ হয়ে গেল আর, তিনি বললেনঃ হে হিত্তান! তুমি এটা বলে থাকবে। তিনি বললেনঃ না, আমি ভয় করছিলাম, আপনি এর জন্য আমাকে দোষারোপ করবেন।

তিনি বললেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সালাত ও তার নিয়ম-কানুন শিক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেনঃ ইমাম এজন্য যে তার ইকতেদা করা হবে। যখন তিনি তাকবীর বলবেন তোমরাও তাকবীর বলবে, আর যখন তিনি غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ বলেন তখন তোমরা আমীন বলবে। তাহলে আল্লাহ তোমাদের দোয়া কবুল করবেন। আর যখন তিনি রুকু করেন তখন তোমরাও রুকু করবে। আর যখন তিনি মাথা উঠিয়েছেন سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তখন তোমরা বলবে رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ আল্লাহ তোমাদের কথা শুনবেন।

আর যখন ইমাম সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাবেন, তোমরাও মাথা উঠাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পুর্বে সিজদা করবেন এবং তোমাদের পূর্বে মাথা উঠাবেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এটা তার সমান হয়ে যাবে।

أَخْبَرَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ صَلَّى بِنَا أَبُو مُوسَى فَلَمَّا كَانَ فِي الْقَعْدَةِ دَخَلَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ فَقَالَ أُقِرَّتِ الصَّلاَةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ ‏.‏ فَلَمَّا سَلَّمَ أَبُو مُوسَى أَقْبَلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ هَذِهِ الْكَلِمَةَ فَأَرَمَّ الْقَوْمُ ‏.‏ قَالَ يَا حِطَّانُ لَعَلَّكَ قُلْتَهَا قَالَ لاَ وَقَدْ خَشِيتُ أَنْ تَبْكَعَنِي بِهَا فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعَلِّمُنَا صَلاَتَنَا وَسُنَّتَنَا فَقَالَ ‏"‏ إِنَّمَا الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَالَ ‏(‏ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ ‏)‏ فَقُولُوا آمِينَ يُجِبْكُمُ اللَّهُ وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَإِذَا رَفَعَ فَقَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ يَسْمَعِ اللَّهُ لَكُمْ وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that Hittan bin 'Abdullah said: "Abu Musa led us in prayer and when he was sitting, a man from among the people entered and said: 'Prayer is based on righteousness and is always mentioned longside Zakah (in the Qur'in).' When Abu Musa had said the Salam, he turned to the people and said: 'Which of you spoke these words?' The people kept quiet. Then he said: '0 Hittan, perhaps you said it?' He said: 'No, but I was afraid that you would rebuke me for it.' He said: 'The Messenger of Allah (ﷺ) taught us our prayer and Sunnah prayers, and he said: The Imam is appointed to be followed, so when he says the Takbir, say the Takbir; when he says "Not (the way) of those who earned Your Anger, nor of those who went astray," say Amin, and Allah will respond to you; when he from bowing and rises up says, 'Sami' Allalhu liman hamidah (Allih hears those who praise Him), say 'Rabbana lakal-hamd (Our Lord, to You be praise),' and Allah will hear you; when he prostrates, prostrate, and when he sits up, sit up. The Imam should prostrate before you do and sit up before you do.' The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'This makes up for that."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০১/ তাশাহ্‌হুদের অন্য প্রকার।

১১৭৫। উবায়দুল্লাহ ইবনু সায়ীদ আবূ কুদামা সারখাসী (রহঃ) ... হিত্তান ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ মুসা আশ’আরী (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেরকে লক্ষ্য করে ওয়াজ করলেন, আমাদের সূন্নত শিখালেন। আমাদের সালাত সম্বন্ধে বর্ণনা করলেন। বললেন, তোমরা তোমাদের কাতার ঠিক করবে। তারপর তোমাদের একজন ইমাম হবে। যখন সে তাকবীর বলবে, তখন তোমরাও তাকবীর বলবে। আর যখন সে وَلاَ الضَّالِّينَ বলবে, তখন তোমরা آمِين বলবে। তাহলে আল্লাহ তা'আলা তোমাদের ভালবাসবেন।

আর যখন ইমাম তাকবীর বলবে এবং রুকু করবে তখন তোমরাও তাকবীর বলে রুকু করবে। কারণ ইমাম তোমাদের পূর্বে রুকু করবে আর তোমাদের পূর্বে মাথা উঠাবে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এটা তার পরিবর্তে হয়ে যাবে। আর যখন ইমাম سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলবে, তখন তোমরা বলবে رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ আল্লাহ তোমাদের কথা শুনবেন। কেননা, আল্লাহ তার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভাষায় বলেছেন, আল্লাহ ঐ ব্যক্তির কথা শ্রবণ করেন, যে তার প্রশংসা করে।

তারপর যখন ইমাম তাকবীর বলে সিজদা করবে তখন তোমরাও তাকবীর বলে সিজদা করবে। কেননা, ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদা করবে আর তোমাদের পূর্বে মাথা উঠাবে। আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এটা তার পরিবর্তে। আর যখন বৈঠকে পৌছবে, তখন তোমরা সর্ব প্রথম বলবেঃ

التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ أَبُو قُدَامَةَ السَّرْخَسِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ حَدَّثَنِي قَتَادَةُ، عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ الأَشْعَرِيَّ، قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَنَا فَعَلَّمَنَا سُنَّتَنَا وَبَيَّنَ لَنَا صَلاَتَنَا فَقَالَ ‏"‏ أَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ ثُمَّ لْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَالَ ‏(وَلاَ الضَّالِّينَ)‏ فَقُولُوا آمِينَ يُجِبْكُمُ اللَّهُ وَإِذَا كَبَّرَ الإِمَامُ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَرْكَعُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ يَسْمَعِ اللَّهُ لَكُمْ فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ثُمَّ إِذَا كَبَّرَ الإِمَامُ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمْ أَنْ يَقُولَ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Hittan bin 'Abdullah that Al-Ash'ari said: "The Messenger of Allah (ﷺ) addressed us and taught us our Sunnahs and our prayer. He said: 'Make your rows straight, then let one of you lead the others. When he says the takbir, then say the takbir; when he says: "Wa lad-dallin" then say "Amin" and Allah (SWT) will answer you. When the Imam says the takbir and bows, then say the takbir and bow, for the Imam bows before you and stands up before you.' The Prophet of Allah (ﷺ) said: 'This makes up for that. When he says: 'Sami Allahu liman hamidah (Allah hears the one who praises Him), say: "Rabbana wa lakal-hamd (Our Lord, to You be praise)," Allah (SWT) will hear you, for indeed Allah, the Mighty and Sublime, has said on the tongue of His Prophet (ﷺ): "Allah hears the one who praises Him." Then when the Imam says the takbir and prostrates, say the takbir and prostrate, for the Imam prostrates before you and rises before you.' The Prophet of Allah (ﷺ) said: 'This makes up for that. Then when you are sitting, let the first thing that any one of you says be: At-tahiyyatu lillahi was-salawatu wat-tayyibat, as-salamu 'alaika ayyuhan-Nabiyyu wa rahmatAllahi wa baraktuhu. As-salamu 'alaina wa 'ala 'ibad illahis-salihin, ashahdu an la illaha ill-Allah wa ashhadu anna Muhammadan 'abduhu wa rasuluhu (Allah compliments, prayers and pure words are due to Allah. Peace be upon you, O Prophet, and the mercy of Allah (SWT) and his blessings. Peace be upon us and upon the righteous slaves of Allah (SWT). I bear witness that none has the right to be worshipped except Allah and I bear witness that Muhammad is His slave and Messenger)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০২/ তাশাহ্‌হুদের অন্য প্রকার।

১১৭৬। আবূল আশআছ আহমদ ইবনু মিকদাম আজলী বাসরী (রহঃ) ... হিত্তান ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তারা (কিছু সংখ্যক লোক) আবূ মুসা (রাঃ)-এর সাথে সালাত আদায় করেছেন। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন শেষ বৈঠকের নিকট হবে তখন তোমাদের প্রথম কথাই হবেঃ

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الأَشْعَثِ، أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ الْبَصْرِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي غَلاَّبٍ، - وَهُوَ يُونُسُ بْنُ جُبَيْرٍ - عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُمْ صَلَّوْا مَعَ أَبِي مُوسَى فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمُ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Hittan bin Abdullah that: They prayed with Abu Musa and he said: "The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'When you are sitting then let the first words that any of you says be: At-tahiyyatu lillahi was-salawatu wat-tayyibat, as-salamu 'alaika ayyuhan-Nabiyyu wa rahmatAllahi wa baraktuhu. As-salamu 'alaina wa 'ala 'ibad illahis-salihin, ashahdu an la illaha ill-Allah wa ashhadu anna Muhammadan 'abduhu wa rasuluhu (Allah compliments, prayers and pure words are due to Allah. Peace be upon you, O Prophet, and the mercy of Allah (SWT) and his blessings. Peace be upon us and upon the righteous slaves of Allah (SWT). I bear witness that none has the right to be worshipped except Allah and I bear witness that Muhammad is His slave and Messenger)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯২. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাতের বৈশিষ্ট্য

১৩৯৫. হিত্তান ইবনু আব্দুল্লাহ আর রুকাশী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) আমি আবূ মুসা রা: এর সাথে ’ইশা’র সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন তাশাহহুদের বৈঠকে ছিলেন তখন মুসল্লীদের মধ্যে থেকে এক ব্যক্তি বলে উঠলো, ‘সালাত নেকী ও যাকাতের সাথে ফরয করা হয়েছে’। হিত্তান বলেন, আবূ মুসা রা: যখন সালাত শেষ করে সালাম ফিরালেন তখন বললেন, তোমাদের মধ্যে এই ধরণের কথা কে বলেছো? সবাই চুপ করে রইলো। তিনি আবার বললেন, এরকম কথা তোমাদের মধ্য থেকে কে বলেছো? সবাই চুপ করে রইলো। তিনি বললেন, হিত্তান! তুমিই হয়তো এরকম বলেছো।’ হিত্তান বললেন, আমি এটা বলিনি। আমি ভয় করছিলাম যে, আপনি এ কারণে আমাকে তিরস্কার করবেন। অতঃপর এক ব্যক্তি বললো, আমি এটি বলেছি। আর আমি এর কেবলমাত্র সাওয়াবের উদ্দেশ্যেই বলেছি।’

আবূ মূসা রা: বললেন, তোমরা তোমাদের সালাতে কী বলবে, তা জান না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সামনে খুতবা দিয়েছেন এরপর আমাদেরকে সালাত শিক্ষা দিয়েছেন এবং আমাদের জন্য পন্থা-পদ্ধতি (সুন্নাত) প্রবর্তন করেছেন। তিনি বলেন, আমার ধারণা, তিনি বলেছেন: “সালাতের ইকামাত দেয়া হলে তোমাদের মধ্যে থেকে কোনো একজন যেন তোমাদের ইমামতি করে। ফলে সে যখন তাকবীর দেবে, তখন তোমরাও তাকবীর দেবে। আর যখন সে পাঠ করবে [“গয়রিল মাগদ্বুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দ্বল্লীন।” (সুরা ফাতিহা: ৭)] তখন তোমরা বলবে, ‘আমীন’। তাহলে আল্লাহ তোমাদের (দু’আ) কে কবুল করবেন। আর যখন সে তাকবীর দিয়ে রুকূ’ করবে তখন তোমরাও তাকবীর দিয়ে রুকূ’ করবে।

তবে ইমাম অবশ্যই তোমাদের পূর্বে রুকু’ করবেন এবং তোমাদের পূর্বেই রুকূ’ হতে উঠবেন।” নাবীউল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “ফলে ঐটার সঙ্গেই ঐটা। আর যখন সে বলবে, ‘সামি’য়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ তখন তোমরা বলবে, আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ’ অথবা, তিনি বলেন: ‘রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’। কেননা, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর নাবীর মুখ দিয়ে বলিয়েছেন, ‘সামি’য়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ (অর্থ: যে ব্যক্তি আল্লাহ’র প্রশংসা করে, মহান আল্লাহ তা শোনেন)।’

এরপর তিনি যখন তাকবীর দিয়ে সাজদা করবে, তখন তোমরাও তাকবীর দিয়ে সাজদা করবে। আর ইমাম অবশ্যই তোমাদের পূর্বে সাজদা করবেন এবং তোমাদের পূর্বেই (সিজদা হতে মাথা) উঠাবেন।”নাবীউল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “ফলে ঐটার সঙ্গেই ঐটা। আর যখন সে বসবে, তোমাদের কারো প্রথম কথা যেন হয়: ‘আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি, ওয়াস সলাওয়াতু ওয়াত তয়্যিবাতু, আস সালামু- অথবা সালামু আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু; আস সালামু- অথবা সালামু- আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস স্বলিহীন।’ তোমরা যখন একথা বলবে, তখন আসমান-যমীনের সকল সালেহীন বান্দাগণ তা প্রাপ্ত হবে।- (এরপর বলবে) ‘আশহাদু আন্ লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রসূলুহু।”[1]

 

بَاب صِفَةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ قَالَ صَلَّى بِنَا أَبُو مُوسَى إِحْدَى صَلَاتَيْ الْعَشِيِّ فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ أُقِرَّتْ الصَّلَاةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ فَلَمَّا قَضَى أَبُو مُوسَى الصَّلَاةَ قَالَ أَيُّكُمْ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ فَقَالَ لَعَلَّكَ يَا حِطَّانُ قُلْتَهَا قَالَ مَا أَنَا قُلْتُهَا وَقَدْ خِفْتُ أَنْ تَبْكَعَنِي بِهَا فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ أَنَا قُلْتُهَا وَمَا أَرَدْتُ بِهَا إِلَّا الْخَيْرَ فَقَالَ أَبُو مُوسَى أَوَ مَا تَعْلَمُونَ مَا تَقُولُونَ فِي صَلَاتِكُمْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطَبَنَا فَعَلَّمَنَا صَلَاتَنَا وَبَيَّنَ لَنَا سُنَّتَنَا قَالَ أَحْسَبُهُ قَالَ إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَالَ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ يُجِبْكُمْ اللَّهُ فَإِذَا كَبَّرَ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا فَإِنَّ الْإِمَامَ يَرْكَعُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتِلْكَ بِتِلْكَ فَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ أَوْ قَالَ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ فَإِنَّ اللَّهَ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَإِذَا كَبَّرَ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا فَإِنَّ الْإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتِلْكَ بِتِلْكَ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمْ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلَامُ أَوْ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ أَوْ سَلَامٌ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬. সলাতে তাশাহহুদ পাঠ করা

৭৯০-(৬২/৪০৪) সাঈদ ইবনু মানসূর, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবূ কামিল আল জাহদারী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক আল উমাবী (রহঃ) ... হিত্‌তান ইবনু আবদুল্লাহ আর রাকাশী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ মূসা আশ'আরী (রাযিঃ) এর সাথে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন তাশাহ্‌হুদে বসলেন, জামা'আতের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বলে উঠল, সালাত পুণ্য ও যাকাতের সাথে ফরয করা হয়েছে। রাবী বলেন, আবূ মূসা (রাযিঃ) সালাত শেষ করে সালাম ফিরানোর পর বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এরূপ বলেছে? লোকেরা নীরব থাকল। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে এরূপ এরূপ বলেছে? এবারও লোকেরা নীরব থাকল। অতঃপর তিনি বললেন, হে হিততান সম্ভবত তুমিই এটা বলেছ। তিনি (হিত্তান) বললেন, আমি তা বলিনি। অবশ্য আমার ভয় হচ্ছিল যে আপনি আমার উপর এজন্য রেগে যান কি-না! এমন সময় লোকেদের মধ্যে হতে এক ব্যক্তি বলল, আমি এরূপ বলেছি। আমি এর মাধ্যমে কল্যাণই আশা করেছিলাম।

আবূ মূসা (রাযিঃ) বললেন, নিজেদের সলাতের মধ্যে কী বলতে হবে তা কি তোমরা জান না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন, তিনি আমাদেরকে নিয়মকানুন স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন এবং আমাদেরকে সালাত আদায় করার শিক্ষা দিয়েছেন। তা হচ্ছেঃ তোমরা যখন সালাত আদায় করবে, তোমাদের লাইনগুলো ঠিক করে নিবে। অতঃপর তোমাদের কেউ তোমাদের ইমামতি করবে। সে যখন তাকবীর বলবে, তোমরাও তাকবীর বলবে। সে যখন “গাইরিল মাগযুবি 'আলাইহিম ওয়ালায যোল্লীন" বলবে তোমরা তখন আমীন বলবে। আল্লাহ তোমাদের ডাকে সাড়া দিবেন। সে যখন তাকবীর বলে রুকু’তে যাবে, তোমরাও তাকবীর বলে রুকু’তে যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে রুকু’তে যাবে এবং তোমাদের আগে রুকু থেকে উঠবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ এটা ওটার বিনিময়ে, তথা ইমাম যেমন রুকু সাজদার আগে যাবে, তেমনি আগে উঠবে। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলবে, তোমরা তখন "আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ" বলবে, আল্লাহ তোমাদের এ কথা শুনবেন। কেননা আল্লাহ তা'আলা তার নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভাষায় বলছেনঃ "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" (আল্লাহ তার প্রশংসাকারীর প্রশংসা শুনেন)। সে যখন তাকবীর বলবে এবং সাজদায় যাবে, তোমরাও তার পরপর তাকবীর বলে সাজদায় যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে সাজদায় যাবে এবং তোমাদের আগে সাজদাহ থেকে উঠবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের তাকবীর ও সাজদাহ ইমামের পরে হবে। যখন তোমরা বৈঠকে বসবে, তোমাদের পাঠ হবেঃ আত্তাহিয়াতুত তাইয়্যিবা-তুস্ সালাওয়া-তু লিল্লা-হি আসসালা-মু 'আলাইকা আইয়ুহান নাবীয়্যু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহ আসসালামু 'আলাইনা- ওয়া'আলা- ইবা-দিল্লা-হিস্ সলিহীন, আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসূলুহ।" অর্থাৎ- সকল প্রকার পবিত্র ও একান্ত মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ইবাদাতসমূহ আল্লাহরই জন্য। হে নাবী! আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি, রহমাত ও বারাকাত নাযিল হোক এবং আমাদের উপর ও আল্লাহর নেককার বান্দাদের উপরও শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ইবাদাতের যোগ্য নয় এবং আমি এও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর দাস ও তাঁর দূত।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৮৭, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৯৯)

باب التَّشَهُّدِ فِي الصَّلاَةِ ‏

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الأُمَوِيُّ - وَاللَّفْظُ لأَبِي كَامِلٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ صَلاَةً فَلَمَّا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أُقِرَّتِ الصَّلاَةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ - قَالَ - فَلَمَّا قَضَى أَبُو مُوسَى الصَّلاَةَ وَسَلَّمَ انْصَرَفَ فَقَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا قَالَ فَأَرَمَّ الْقَوْمُ ثُمَّ قَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ فَقَالَ لَعَلَّكَ يَا حِطَّانُ قُلْتَهَا قَالَ مَا قُلْتُهَا وَلَقَدْ رَهِبْتُ أَنْ تَبْكَعَنِي بِهَا ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أَنَا قُلْتُهَا وَلَمْ أُرِدْ بِهَا إِلاَّ الْخَيْرَ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى أَمَا تَعْلَمُونَ كَيْفَ تَقُولُونَ فِي صَلاَتِكُمْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَنَا فَبَيَّنَ لَنَا سُنَّتَنَا وَعَلَّمَنَا صَلاَتَنَا فَقَالَ ‏"‏ إِذَا صَلَّيْتُمْ فَأَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ ثُمَّ لْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَالَ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ ‏.‏ يُجِبْكُمُ اللَّهُ فَإِذَا كَبَّرَ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَرْكَعُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏.‏ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ ‏.‏ يَسْمَعُ اللَّهُ لَكُمْ فَإِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏.‏ وَإِذَا كَبَّرَ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ ‏.‏ وَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمُ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏.‏


Hattan b. `Abdullah al-Raqashi reported: I observed prayer with Abu Musa al-Ash`ari and when he was in the qa`dah, one among the people said: The prayer has been made obligatory along with piety and Zakat. He (the narrator) said: When Abu Musa had finished the prayer after salutation he turned (towards the people) and said: Who amongst you said such and such a thing? A hush fell on the people. He again said: Who amongst you has said such and such a thing? A hush fell on the people. He (Abu Musa) said: Hattan, it is perhaps you that have uttered it. He (Hattan) said No. I have not uttered it. I was afraid that you might be annoyed with me on account of this. A person amongst the people said: It was I who said it, and in this I intended nothing but good. Abu Musa said: Don't you know what you have to recite in your prayers? Verily the Messenger of Allah (ﷺ) addressed us and explained to us all its aspects and taught us how to observe prayer (properly). He (the Holy Prophet) said: When you pray make your rows straight and let anyone amongst you act as your Imam. Recite the takbir when he recites it and when he recites: Not of those with whom Thou art angry, nor of those who go astray, say: Amin. Allah would respond you. And when he (the Imam) recites the takbir, you may also recite the takbir, for the Imam bows before you and raises himself before you. Then the Messenger of Allah (ﷺ) said: The one is equivalent to the other. And when he says: Allah listens to him who praises Him, you should say: O Allah, our Lord, to Thee be the praise, for Allah, the Exalted and Glorious, has vouchsafed (us) through the tongue of His Apostle (ﷺ) that Allah listens to him who praises Him. And when he (the Imam) recites the takbir and prostrates, you should also recite the takbir and prostrate, for the Imam prostrates before you and raises himself before you. The Messenger of Allah (ﷺ) said: The one is equivalent to the other. And when he (the Imam) sits for Qa`da (for tashahhud) the first words of every one amongst you should be: All services rendered by words, acts of worship and all good things are due to Allah. Peace be upon you, O Apostle, and Allah's mercy and blessings. Peace be upon us and upon the upright servants of Allah. I testify that there is no god but Allah, and I testify that Muhammad is His servant and His Messenger.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮২. তাশাহ্হুদ পাঠ

৯৭২। হিত্তান ইবনু ‘আবদুল্লাহ আর-রাক্বাশী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) আমাদের সলাত পড়ালেন। সলাতের শেষ দিকে তিনি যখন বসলেন, তখন দলের একজন বললো, নেকী ও পবিত্রতা অর্জনের জন্যই সলাত। সলাত শেষে আবূ মূসা (রাঃ) লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে উপস্থিত লোকজন নীরব রইলো। তিনি পুনরায় বললেন, তোমাদের মধ্যকার কে এরূপ কথা বলেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তখনও লোকেরা চুপ রইলো। হিত্তান বললেন, তিনি আমাকে বললেন, হে হিত্তান! সম্ভবত তুমিই একথাগুলো বলেছো। হিত্তান বললেন, না, আমি বলি নাই। অবশ্য আমি ভয় পাচ্ছিলাম যে, এজন্য আপনি আমাকে শাস্তি দিবেন।

হিত্তান বললেন, এক ব্যক্তি বললো, কথাগুলো আমিই বলেছি এবং শুধু ভাল উদ্দেশেই বলেছি। আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, সলাতের মধ্যে কি বলতে হয় তাকি তোমরা অবহিত নও? একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে খুত্ববাহ দিলেন। তাতে তিনি আমাদেরকে সলাতের পদ্ধতি ও সলাত শিক্ষা দিলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা সলাত আদায়ের ইচ্ছা করলে প্রথমে কাতারসমূহ ঠিক করে নিবে। অতঃপর তোমাদের একজন ইমামতি করবে। ইমাম তাকবীর বললে, তোমরাও তাকবীর বলবে, ইমাম যখন ‘‘গাইরিল্ মাগদূূুুবি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ্দোয়াল্লীন’’ পড়লে তোমরা ‘‘আমীন’’ বলবে।

তবেই আল্লাহ তা কবুল করবেন। ইমাম তাকবীর বলে রুকূ‘ করলে তোমরাও তাকবীর বলে রুকূ‘ করবে। কারণ ইমাম তোমাদের পূর্বে রুকূ‘তে যাবে এবং তোমাদের পূর্বেই রুকূ‘ হতে মাথা উঠাবে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা তার বিকল্প। ইমাম ‘‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ্’’ বললে তোমরা তখন বলবে ‘‘আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল্ হামদ্’’। আল্লাহ তোমাদের একথা শুনবেন। কেননা মহান আল্লাহ তাঁর নাবীর যবানীতে বলেছেনঃ ‘‘সামি‘ আল্লাহু লিমান হামিদাহ্’’।

অতঃপর ইমাম যখন তাকবীর বলে সিজদায় যাবে তখন তোমরাও তাকবীর বলে সাজদাহ্ করবে। ইমাম তোমাদের আগে তাকবীর বলবে এবং আগে সাজদাহ্ করবে। একথা বলার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা সেটার বিকল্প। তাশাহহুদের বৈঠকে তোমাদের সর্বপ্রথম পড়তে হবেঃ ‘‘আত্তাহিয়্যাতু তায়্যিবাতুস সাল্লাওয়াতু লিল্লাহি; আস্‌সালামু ‘আলাইকা আয়্যূহান্ নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল­াহি ও বারাকাতুহু। আস্সালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লাহিস সালিহীন। আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রসূলুহু’’। ইমাম আহমাদ (রহঃ) স্বীয় বর্ণনাতে ‘‘বারাকাতুহু’’ ও ‘‘আশহাদু’’ শব্দদ্বয় উল্লেখ করেননি। তিনি ‘‘আন্না মুহাম্মাদান’’ কথাটি উল্লেখ করেছেন।[1]

সহীহ : মুসলিম।

باب التَّشَهُّدِ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللهِ الرَّقَاشِيِّ، قَالَ صَلَّى بِنَا أَبُو مُوسَى الأَشْعَرِيُّ فَلَمَّا جَلَسَ فِي آخِرِ صَلَاتِهِ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أُقِرَّتِ الصَّلَاةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ ‏.‏ فَلَمَّا انْفَتَلَ أَبُو مُوسَى أَقْبَلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ فَقَالَ أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ قَالَ فَلَعَلَّكَ يَا حِطَّانُ أَنْتَ قُلْتَهَا ‏.‏ قَالَ مَا قُلْتُهَا وَلَقَدْ رَهِبْتُ أَنْ تَبْكَعَنِي بِهَا ‏.‏ قَالَ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ أَنَا قُلْتُهَا وَمَا أَرَدْتُ بِهَا إِلَا الْخَيْرَ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى أَمَا تَعْلَمُونَ كَيْفَ تَقُولُونَ فِي صَلَاتِكُمْ إِنَّ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَنَا فَعَلَّمَنَا وَبَيَّنَ لَنَا سُنَّتَنَا وَعَلَّمَنَا صَلَاتَنَا فَقَالَ ‏"‏ إِذَا صَلَّيْتُمْ فَأَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ ثُمَّ لْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَرَأَ ‏(‏ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ ‏)‏ فَقُولُوا آمِينَ يُجِبْكُمُ اللهُ وَإِذَا كَبَّرَ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَرْكَعُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ يَسْمَعِ اللهُ لَكُمْ فَإِنَّ اللهَ تَعَالَى قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صلي الله عليه وسلم سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَإِذَا كَبَّرَ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا فَإِنَّ الإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَتِلْكَ بِتِلْكَ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمْ أَنْ يَقُولَ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ للهِ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَا اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏"‏ ‏ لَمْ يَقُلْ أَحْمَدُ ‏"‏ وَبَرَكَاتُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَلَا قَالَ ‏"‏ وَأَشْهَدُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَأَنَّ مُحَمَّدًا ‏"‏ ‏.‏

- صحيح : م


Narrated AbuMusa al-Ash'ari: Hittan ibn Abdullah ar-Ruqashi said: AbuMusa al-Ash'ari led us in prayer. When he sat at the end of his prayer, one of the people said: Prayer has been established by virtue and purity. When AbuMusa returned (from his prayer or finished his prayer), he gave his attention to the people, and said: Which of you is the speaker of such and such words? The people remained silent. Which of you is the speaker of such and such words? The people remained silent. He said: You might have said them, Hittan. He replied: I did not say them. I was afraid you might punish me. One of the people said: I said them and I did not intend by them (anything) except good. AbuMusa said: Do you not know how you utter (them) in your prayer? The Messenger of Allah (ﷺ) addressed us, and taught us and explained to us our way of doing and taught us our prayer. He said: When you pray a (congregational) prayer, straighten your rows, then one of you should lead you in prayer. When he says the takbir (Allah is Most Great), say the takbir, and when he recites verses "Not of those upon whom is Thy anger, nor of those who err" (i.e. the end of Surah i.), say Amin; Allah will favour you. When he says "Allah is most great," and bows, say "Allah is most great" and bow, for the imam will bow before you, and will raise (his head) before you. The Messenger of Allah (ﷺ) said: This is for that. When he says "Allah listens to the one who praises Him," say: "O Allah, our Lord, to Thee be praise, Allah be praised," Allah will listen to you, for Allah, the Exalted, said by the tongue of His Prophet (ﷺ): "Allah listens to the one who praises Him." When he says "Allah is most great" and prostrates, say: "Allah is most great" and prostrate, for the imam prostrates before you and raises his head before you. The Messenger of Allah (ﷺ) said: This is for that. When he sits, each one of you should say "The adorations of the tongue, all good things, and acts of worship are due to Allah. Peace be upon you, O Prophet, and Allah's mercy and His blessings. Peace be upon us and upon Allah's upright servants. I testify that there is no god but Allah, and I testify that Muhammad is His servant and Apostle." This version of Ahmad does not mention the words "and His blessings" nor the phrase "and I testify"; instead, it has the words "that Muhammad."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮২. তাশাহ্হুদ পাঠ

৯৭৩। হিত্তান ইবনু ‘আবদুল্লাহ আর-রাক্বাশী হতে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তার বর্ণনায় আরো রয়েছে, ইমাম যখন ক্বিরাআত পড়বে তখন তোমরা চুপ করে থাকবে। বর্ণনাকারী তাশাহহুদের ‘‘আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’’ এর পরে ‘‘ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু’’ কথাটি বৃদ্ধি করেছেন।

সহীহ : মুসলিম।

ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘‘আনসিতু’’ (চুপ করে থাকবে) কথাটি সংরক্ষিত নয়। এ হাদীসে বর্ণনাকারী সুলায়মান আত্-তাইমী ছাড়া অন্য কেউ তা উল্লেখ করেননি।[1]  

باب التَّشَهُّدِ

حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَبِي غَلَابٍ، يُحَدِّثُهُ عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللهِ الرَّقَاشِيِّ، بِهَذَا الْحَدِيثِ زَادَ ‏"‏ فَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ فِي التَّشَهُّدِ بَعْدَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَا اللهُ زَادَ ‏"‏ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏

- صحيح : م ‏

قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَقَوْلُهُ ‏"‏ فَأَنْصِتُوا ‏"‏ ‏.‏ لَيْسَ بِمَحْفُوظٍ لَمْ يَجِئْ بِهِ إِلَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ فِي هَذَا الْحَدِيثِ


This tradition has also been transmitted by Hittan b. ‘Abd Allah al-Ruqashi through a different chain of narrators. This version adds: When he( the imam) recites the Qur’an, keep silence(and listen attentively). And in the tashahhud this version adds after the words “I testify that there is no god but Allah” the words “He is alone, and there is no associate of Him.” Abu Dawud said: His word "And keep silence" is not guarded; it has been narrated by Sulaiman al-Taimi alone in his version.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর বাণীঃ যে ব্যক্তি ইমামের সাথে নামায পড়ে, ইমামের কিরাআতই তার কিরাআত এবং এতদসম্পর্কিত হাদীসসমূহের বিভিন্নতা

১২২১(১৬). আবু হামেদ মুহাম্মাদ ইবনে হারূন আল-হাদরামী (রহঃ) ... হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু মূসা (রাঃ) আমাদের নামায পড়ালেন। আবু মূসা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের শিক্ষা দিতেন, যখন তিনি আমাদের নিয়ে নামায পড়তেন তখন বলতেনঃ ইমাম এজন্যই নিযুক্ত হয়ে থাকে যাতে তার অনুসরণ করা হয়। অতএব সে যখন তাকবীর বলে তখন তোমরাও তাকবীর বলো এবং সে যখন কিরাআত পড়ে তখন তোমরা নীরব থাকো।

এই হাদীস আবু হামেদ (রহঃ) পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ সংক্ষিপ্তভাবে আমাদের লেখান। সালেম ইবনে নূহ (রহঃ) শক্তিশালী রাবী নন।

بَابُ ذِكْرِ قَوْلِهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - " مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ ، فَقِرَاءَةُ الْإِمَامِ لَهُ قِرَاءَةٌ " وَاخْتِلَافِ الرِّوَايَاتِ

حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْقُطَعِيُّ ، ثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ ، ثَنَا عُمَرُ بْنُ عَامِرٍ ، وَسَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ ، عَنْ حِطَّانَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ ، قَالَ : صَلَّى بِنَا أَبُو مُوسَى ، فَقَالَ أَبُو مُوسَى : إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - كَانَ يُعَلِّمُنَا إِذَا صَلَّى بِنَا ، قَالَ : " إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ ؛ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا ، وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا " . هَكَذَا أَمْلَاهُ عَلَيْنَا أَبُو حَامِدٍ مُخْتَصَرًا ، سَالِمُ بْنُ نُوحٍ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর বাণীঃ যে ব্যক্তি ইমামের সাথে নামায পড়ে, ইমামের কিরাআতই তার কিরাআত এবং এতদসম্পর্কিত হাদীসসমূহের বিভিন্নতা

১২২২(১৭)। আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুবাশশির (রহঃ) ... হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবু মূসা আল-আশআরী (রাঃ)-এর সাথে এশার নামায পড়লাম ... অতঃপর রাবী বিস্তারিতভাবে হাদীস বর্ণনা করেন। তাতে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে বক্তৃতা দেন। তিনি আমাদেরকে আমাদের নামায শিক্ষা দিতেন এবং আমাদের প্রয়োজনীয় সুন্নাত (রীতিনীতি) শিক্ষা দিতেন। তিনি বলেন, তোমরা নামাযের কাতার সমান্তরাল করো, অতঃপর তোমাদের একজন যেন তোমাদের ইমামতি করে। ইমাম যখন তাকবীর বলে তখন তোমরাও তাকবীর বলো এবং যখন সে কিরাআত পড়ে তখন তোমরা নীরব থাকো।

এই হাদীস সুফিয়ান আস-সাওরী (রহঃ) সুলায়মান আত-তায়মী (রহঃ) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস হিশাম আদ-দাসতাওয়াঈ, সাঈদ, শো'বা, হাম্মাম, আবু আওয়ানা, আবান ও আদী ইবনে আবু উমারা (রহঃ) সবাই কাতাদা (রহঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাদের কেউ একথা বর্ণনা করেননিঃ “যখন সে (ইমাম) কিরাআত পড়ে তখন তোমরা নীরব থাকো”। তারা সবাই কাতাদা (রহঃ) এর ছাত্র এবং তার থেকে হাদীস মুখস্ত করেছেন।

بَابُ ذِكْرِ قَوْلِهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - " مَنْ كَانَ لَهُ إِمَامٌ ، فَقِرَاءَةُ الْإِمَامِ لَهُ قِرَاءَةٌ " وَاخْتِلَافِ الرِّوَايَاتِ

ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ ، ثَنَا أَبُو الْأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ ، ثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، حَدَّثَنَا أَبِي ، عَنْ قَتَادَةَ ، ح : وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْعَلَاءِ ، ثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى ، ثَنَا جَرِيرٌ ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَبِي غَلَّابٍ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : صَلَّيْنَا مَعَ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ صَلَاةَ الْعَتَمَةِ ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ ، وَقَالَ فِيهِ : فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - خَطَبَنَا ، فَكَانَ يُعَلِّمُنَا صَلَاتَنَا ، وَيُبَيِّنُ لَنَا سُنَّتَنَا ، قَالَ : " أَقِيمُوا الصُّفُوفَ ، ثُمَّ لْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ ، فَإِذَا كَبَّرَ الْإِمَامُ فَكَبِّرُوا ، وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا " . وَكَذَلِكَ رَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ ، وَرَوَاهُ هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ ، وَسَعِيدُ ، وَشُعْبَةُ ، وَهَمَّامٌ ، وَأَبُو عَوَانَةَ ، وَأَبَانُ ، وَعَدِيُّ بْنُ أَبِي عُمَارَةَ ، كُلُّهُمْ عَنْ قَتَادَةَ ؛ فَلَمْ يَقُلْ أَحَدٌ مِنْهُمْ : " وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا " . وَهُمْ أَصْحَابُ قَتَادَةَ الْحُفَّاظُ عَنْهُ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. তাশাহ্‌হুদের বর্ণনা এবং তা পড়া ওয়াজিব এবং এ সম্পর্কে বিভিন্ন রিওয়ায়াত

১৩০৩(৯). আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুবাশশির (রহঃ) ... হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তারা আবু মূসা (রাঃ)-এর সাথে নামায পড়লেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি তাতে আমাদের নিকট আমাদের নামাযের নিয়ম-কানুন বর্ণনা করেন এবং আমাদেরকে আমাদের অনুসরণীয় সুন্নাত তরীকা শিক্ষা দেন। রাবী পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন এবং তাতে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তাশাহ্‌হুদের বৈঠকে তোমাদের প্রত্যেকের কথা হবে, “আত্তাহিয়্যাতুত তয়্যিবাতুয-যাকিয়্যাতু লিল্লাহ। আসসালামু আলাইকা আয়্যুহান-নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস-সালিহীন। আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু”। এই হাদীসে কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনার সাথে আরো যোগ করা হয়েছে, “ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু”।

হিশাম, সাঈদ, আবান, আবু আওয়ানা (রহঃ) প্রমুখ কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণনায় পার্থক্য করেছেন। এই সনদসূত্র মুত্তাসিল (পরস্পর সংযুক্ত) ও হাসান (উত্তম)।

بَابُ صِفَةِ التَّشَهُّدِ وَوُجُوبِهِ وَاخْتِلَافِ الرِّوَايَاتِ فِيهِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ ، ثَنَا الْمُعْتَمِرُ قَالَ : سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي غَلَّابٍ عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ أَنَّهُمْ صَلَّوْا مَعَ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ فَقَالَ : إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - خَطَبَنَا فَكَانَ يُبَيِّنُ لَنَا مِنْ صَلَاتِنَا وَيُعَلِّمُنَا سُنَّتَنَا فَذَكَرَ الْحَدِيثَ وَقَالَ فِيهِ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ قَوْلِ أَحَدِكُمْ " التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إلََّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ " . زَادَ فِيهِ عَلَى أَصْحَابِ قَتَادَةَ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَخَالَفَهُ هِشَامٌ وَسَعِيدٌ وَأَبَانٌ وَأَبُو عَوَانَةَ وَغَيْرُهُمْ عَنْ قَتَادَةَ . وَهَذَا إِسْنَادٌ مُتَّصِلٌ حَسَنٌ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 13 of 13