রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 10 টি

পরিচ্ছেদঃ ২০৭৩. নবী করীম (ﷺ) সম্পর্কে বর্ণনা

৩২৯৫। ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) ... রাবী'আ ইবনু আবূ আবদুর রাহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (দৈহিক গঠন) বর্ণনা দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের মধ্যে মাঝারি গড়নের ছিলেন-- বেমানান লম্বাও ছিলেন না বা বেঁটেও ছিলেন না। তাঁর শরীরের রং গোলাপী ধরনের ছিল, ধবধবে সাদাও নয় কিংবা তামাটে বর্ণেরও নয়। মাথার চুল কুঁকড়ানোও ছিল না আবার সম্পূর্ণ সোজাও ছিল না। চল্লিশ বছর বয়সে তাঁর উপর ওহী নাযিল হওয়া আরম্ভ হয়। প্রথম দশ বছর মক্কায় অবস্থানকালে ওহী যথারীতি নাযিল হতে থাকে। এরপর দশ বছর মদিনায় অতিবাহিত করেন। অতঃপর তাঁর ওফাত হয় তখন তাঁর মাথা ও দাঁড়িতে কুড়িটি সাদা চুলও ছিল না। রাবি'আ বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি চুল দেখেছি উহা লাল রং-এর ছিল। তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, বলা হল যে অধিক সুগন্ধী লাগানোর কারণে উহার রং লাল হয়ে গিয়েছিল।

باب صِفَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنِي ابْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَصِفُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ رَبْعَةً مِنَ الْقَوْمِ، لَيْسَ بِالطَّوِيلِ وَلاَ بِالْقَصِيرِ، أَزْهَرَ اللَّوْنِ لَيْسَ بِأَبْيَضَ أَمْهَقَ وَلاَ آدَمَ، لَيْسَ بِجَعْدٍ قَطَطٍ وَلاَ سَبْطٍ رَجِلٍ، أُنْزِلَ عَلَيْهِ وَهْوَ ابْنُ أَرْبَعِينَ، فَلَبِثَ بِمَكَّةَ عَشْرَ سِنِينَ يُنْزَلُ عَلَيْهِ وَبِالْمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ، وَلَيْسَ فِي رَأْسِهِ وَلِحْيَتِهِ عِشْرُونَ شَعَرَةً بَيْضَاءَ‏.‏ قَالَ رَبِيعَةُ فَرَأَيْتُ شَعَرًا مِنْ شَعَرِهِ، فَإِذَا هُوَ أَحْمَرُ فَسَأَلْتُ فَقِيلَ احْمَرَّ مِنَ الطِّيبِ‏.‏


Narrated Rabi`a bin Abi `Abdur-Rahman: I heard Anas bin Malik describing the Prophet (ﷺ) saying, "He was of medium height amongst the people, neither tall nor short; he had a rosy color, neither absolutely white nor deep brown; his hair was neither completely curly nor quite lank. Divine Inspiration was revealed to him when he was forty years old. He stayed ten years in Mecca receiving the Divine Inspiration, and stayed in Medina for ten more years. When he expired, he had scarcely twenty white hairs in his head and beard." Rabi`a said, "I saw some of his hairs and it was red. When I asked about that, I was told that it turned red because of scent. "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৪৩৫১। আবূ তাহির (রহঃ) ... রাবী'আহ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে একই সুত্রে মালেক (রাঃ) এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি অধিক বর্ণনা করেছেন যে, একব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এল তখন আমি তার সঙ্গে ছিলাম। সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হারানো বস্তু প্রাপ্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো। বর্ণনাকারী বলেন, আমর (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেছেন যে, যখন এর কোন দাবীদার না আসে তখন তা খরচ করে দেবে।

باب

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، وَمَالِكُ، بْنُ أَنَسٍ وَعَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ وَغَيْرُهُمْ أَنَّ رَبِيعَةَ بْنَ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَهُمْ بِهَذَا الإِسْنَادِ، مِثْلَ حَدِيثِ مَالِكٍ غَيْرَ أَنَّهُ زَادَ قَالَ أَتَى رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَعَهُ فَسَأَلَهُ عَنِ اللُّقَطَةِ ‏.‏ قَالَ وَقَالَ عَمْرٌو فِي الْحَدِيثِ ‏ "‏ فَإِذَا لَمْ يَأْتِ لَهَا طَالِبٌ فَاسْتَنْفِقْهَا ‏"‏ ‏.‏


This hadith has been narrated on the authority of Rabi'a b. Abu Abd al-Rahman with the same chain of transmitters but with this addition: " There came a person to Allah's Messenger (ﷺ) while I was with him, and he asked him about picking up of a stray article, and he said: When none comes to demand it, then spend that."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭৪. যমীন খন্ড করে বন্দোবস্ত দেওয়া।

৩০৫০. আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা (রহঃ) .... রবী'আ ইবন আবী আবদির রহমান (রাঃ) কয়েক ব্যক্তি হতে শ্রবণ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফার'আর পার্শ্ববর্তী স্থানে অবস্থিত কিবলিয়া খনিটি বিলাল ইবন হারিছ মুযানীকে বন্দোবস্ত প্রদান করেন। ঐ খনি হতে আজও পর্যন্ত যাকাত ছাড়া আর কিছুই নেওয়া হয় না।

باب فِي إِقْطَاعِ الأَرَضِينَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ غَيْرِ، وَاحِدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْطَعَ بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ مَعَادِنَ الْقَبَلِيَّةِ وَهِيَ مِنْ نَاحِيَةِ الْفُرْعِ فَتِلْكَ الْمَعَادِنُ لاَ يُؤْخَذُ مِنْهَا إِلاَّ الزَّكَاةُ إِلَى الْيَوْمِ ‏.‏


Narrated Rabi'ah ibn AbuAbdurRahman: Rabi'ah reported on the authority of more than one person saying: The Messenger of Allah (ﷺ) assigned as a fief to Bilal ibn al-Harith al-Muzani the mines of al-Qabaliyyah which is in the neighbourhood of al-Fur', and only zakat is levied on those mines up to the present day.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ব্যক্তি অনুমতি চাওয়ার সময় ক'বার সালাম করবে?

৫০৯৪. আবদুল্লাহ্‌ ইবন মাসলামা (রহঃ) .... রাবীআ ইবন আবূ আবদুর রহমান এবং অন্যান্য আলিমদের পক্ষ হতে এ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে যে, তখন উমার (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ)-কে বলেনঃ আমি তোমার কোনরূপ দোষারূপ করছি না, বরং আমি ভয় করছি যে, লোকেরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর কথাবার্তা বলছে! (অর্থাৎ তারা হাদীছ বর্ণনার ক্ষেত্রে সতর্কতা পরিহার করছে।)

باب كَمْ مَرَّةٍ يُسَلِّمُ الرَّجُلُ فِي الاِسْتِئْذَانِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ غَيْرِ، وَاحِدٍ، مِنْ عُلَمَائِهِمْ فِي هَذَا فَقَالَ عُمَرُ لأَبِي مُوسَى أَمَا إِنِّي لَمْ أَتَّهِمْكَ وَلَكِنْ خَشِيتُ أَنْ يَتَقَوَّلَ النَّاسُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏


The tradition mentioned above has also been transmitted by Abu Musa through a different chain of narrators in a similar manner. This version has : ‘Umar said to Abd Musa: I do not blame you, but I am afraid that the people may talk carelessly about the Messenger of Allah (May peace be upon him).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬১/২৩. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ণনা।

৩৫৪৭. রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ণনা দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের মধ্যে মাঝারি গড়নের ছিলেন- বেশি লম্বাও ছিলেন না বা বেঁটেও ছিলে না। তাঁর শরীরের রং গোলাপী ধরনের ছিল, ধবধবে সাদাও নয় কিংবা তামাটে বর্ণেরও নয়। মাথার চুল কোঁকড়ানোও ছিল না, আবার একেবারে সোজাও ছিল না। চল্লিশ বছর বয়সে তাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হওয়া শুরু হয়। প্রথম দশ বছর মক্কা্য় অবস্থানকালে ওয়াহী যথারীতি নাযিল হতে থাকে। অতঃপর দশ বছর মদিনা্য় কাটান। অতঃপর তাঁর মৃত্যুর সময়ে তাঁর মাথা ও দাড়িতে কুড়িটি সাদা চুলও ছিল না। রাবী‘আ (রহ.) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি চুল দেখেছি তা লাল রং-এর ছিল। আমি জিজ্ঞেস করলে বলা হল যে, সুগন্ধি লাগানোর জন্য তা লাল হয়েছিল। (৩৫৪৮, ৫৯০০, মুসলিম ৪৩/৩১ হাঃ ২৩৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৯২)

بَابُ صِفَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنِيْ ابْنُ بُكَيْرٍ قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ عَنْ خَالِدٍ عَنْ سَعِيْدِ بْنِ أَبِيْ هِلَالٍ عَنْ رَبِيْعَةَ بْنِ أَبِيْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَصِفُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ رَبْعَةً مِنْ الْقَوْمِ لَيْسَ بِالطَّوِيْلِ وَلَا بِالْقَصِيْرِ أَزْهَرَ اللَّوْنِ لَيْسَ بِأَبْيَضَ أَمْهَقَ وَلَا آدَمَ لَيْسَ بِجَعْدٍ قَطَطٍ وَلَا سَبْطٍ رَجِلٍ أُنْزِلَ عَلَيْهِ وَهُوَ ابْنُ أَرْبَعِيْنَ فَلَبِثَ بِمَكَّةَ عَشْرَ سِنِيْنَ يُنْزَلُ عَلَيْهِ وَبِالْمَدِيْنَةِ عَشْرَ سِنِيْنَ وَقُبِضَ وَلَيْسَ فِيْ رَأْسِهِ وَلِحْيَتِهِ عِشْرُوْنَ شَعَرَةً بَيْضَاءَ قَالَ رَبِيْعَةُ فَرَأَيْتُ شَعَرًا مِنْ شَعَرِهِ فَإِذَا هُوَ أَحْمَرُ فَسَأَلْتُ فَقِيْلَ احْمَرَّ مِنْ الطِّيبِ


Narrated Rabi`a bin Abi `Abdur-Rahman: I heard Anas bin Malik describing the Prophet (ﷺ) saying, "He was of medium height amongst the people, neither tall nor short; he had a rosy color, neither absolutely white nor deep brown; his hair was neither completely curly nor quite lank. Divine Inspiration was revealed to him when he was forty years old. He stayed ten years in Mecca receiving the Divine Inspiration, and stayed in Medina for ten more years. When he expired, he had scarcely twenty white hairs in his head and beard." Rabi`a said, "I saw some of his hairs and it was red. When I asked about that, I was told that it turned red because of scent. "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৩/৩১. নবী (ﷺ)-এর বৈশিষ্ট্য এবং তাকে রাসূল হিসাবে প্রেরণ এবং তাঁর বয়স।।

১৫১৪. রাবী'আহ ইবনু আবু আবদুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ণনা দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের মধ্যে মাঝারি গড়নের ছিলেন- বেশি লম্বাও ছিলেন না বা বেঁটেও ছিলে না। তাঁর শরীরের রং গোলাপী ধরনের ছিল, ধবধবে সাদাও নয় কিংবা তামাটে বর্ণেরও নয়। মাথার চুল কোঁকড়ানোও ছিল না, আবার একেবারে সোজাও ছিল না। চল্লিশ বছর বয়সে তার উপর ওয়াহী নাযিল হওয়া শুরু হয়। প্রথম দশ বছর মাক্কায় অবস্থানকালে ওয়াহী যথারীতি নাযিল হতে থাকে। অতঃপর দশ বছর মাদীনায় কাটান। অতঃপর তাঁর মৃত্যুর সময় তখন তার মাথা ও দাড়িতে কুড়িটি সাদা চুলও ছিল না।

في صفة النبيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ومبعثه وسنه

حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ يَصِفُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: كَانَ رَبْعَةً مِنَ الْقَوْمِ، لَيْسَ بِالطَّوِيلِ وَلاَ بِالْقَصِيرِ، أَزْهَرَ اللَّوْنِ، لَيْسَ بِأَبْيَضَ أَمْهَقَ، وَلاَ آدَمَ، لَيْسَ بِجَعْدٍ قَطَطٍ، وَلاَ سَبْطٍ رَجِلٍ؛ أُنْزِلَ عَلَيْهِ وَهُوَ ابْنُ أَرْبَعِينَ، فَلَبِثَ بِمَكَّةَ عَشْرَ سِنِينَ يُنْزَلُ عَلَيْهِ، وَبِالْمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ، وَلَيْسَ فِي رَأْسِهِ وَلِحْيَتِهِ عِشْرُونَ شَعَرَةً بَيْضَاءَ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. কাউকে জায়গীর হিসাবে জমি দেয়া

৩০৬১। রবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আব্দুর রাহমান (রহঃ) একাধিক সাহাবী সূত্রে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযনীকে আল-ফুর’ এর পাশ্ববর্তী জায়গায় অবস্থিত কাবালিয়া খনিটি বন্দোবস্ত করে দেন। ঐ খনি থেকে যাকাত ব্যতীত অন্য কিছু ধার্য হয়নি।[1]

بَابٌ فِي إِقْطَاعِ الْأَرَضِينَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْطَعَ بِلَالَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ مَعَادِنَ الْقَبَلِيَّةِ، وَهِيَ مِنْ نَاحِيَةِ الْفُرْعِ، فَتِلْكَ الْمَعَادِنُ لَا يُؤْخَذُ مِنْهَا إِلَّا الزَّكَاةُ إِلَى الْيَوْمِ

ضعيف


Narrated Rabi'ah ibn AbuAbdurRahman: Rabi'ah reported on the authority of more than one person saying: The Messenger of Allah (ﷺ) assigned as a fief to Bilal ibn al-Harith al-Muzani the mines of al-Qabaliyyah which is in the neighbourhood of al-Fur', and only zakat is levied on those mines up to the present day.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৩৯. অনুমতি নিতে কতবার সালাম দিবে?

৫১৮৪। রাবী‘আহ ইবনু আবূ আব্দুর রাহমান (রহঃ) এবং তাদের একাধিক আলিমের সূত্রে এ ঘটনাটি বর্ণিত। উমার (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ)-কে বলেন, জেনে রাখুন! আমি আপনাকে অপবাদ দিচ্ছি না। কিন্তু আমি ভয় করছি যে, মানুষ হয় তো দায়িত্বহীনভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস বর্ণনা করবে।[1]’

সনদ সহীহ।

بَابُ كَمْ مَرَّةً يُسَلِّمُ الرَّجُلُ فِي الِاسْتِئْذَانِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَعَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مَنْ عُلَمَائِهِمْ فِي هَذَا فَقَالَ عُمَرُ: لِأَبِي مُوسَى أَمَا إِنِّي لَمْ أَتَّهِمْكَ وَلَكِنْ خَشِيتُ أَنْ يَتَقَوَّلَ النَّاسُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

صحيح الإسناد


The tradition mentioned above has also been transmitted by Abu Musa through a different chain of narrators in a similar manner. This version has : ‘Umar said to Abd Musa: I do not blame you, but I am afraid that the people may talk carelessly about the Messenger of Allah (May peace be upon him).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩. নামাযের বিভিন্ন আমল

রেওয়ায়ত ৭৫. রবী’আ ইবন আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, লোকজন নামায সমাপ্ত করিয়াছেন, এই অবস্থায় আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) মসজিদে পৌছিলে তিনি ফরয নামায আরম্ভ করিতেন এবং উহার পূর্বে অন্য কোন নামায পড়িতেন না।

بَاب الْعَمَلِ فِي جَامِعِ الصَّلَاةِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا جَاءَ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّى النَّاسُ بَدَأَ بِصَلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ وَلَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا شَيْئًا


Yahya related to me from Malik from Rabia ibn Abi Abd ar-Rahman that if Abdullah ibn Umar arrived at the mosque and the people had already prayed, he would begin with the obligatory prayer and not pray anything before it.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১. কিছু ফল বা ফল-বৃক্ষের কিছু শাখা বিক্রয় হইতে বাদ দিয়া দেওয়া জায়েয হওয়া প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ১৭. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) তাহার বাগানের ফল বিক্রয় করিতেন এবং উহা হইতে কিছু বৃক্ষ শাখা বাদ রাখিয়া দিতেন।

بَاب مَا يَجُوزُ فِي اسْتِثْنَاءِ الثَّمَرِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ كَانَ يَبِيعُ ثَمَرَ حَائِطِهِ وَيَسْتَثْنِي مِنْهُ


Yahya related to me from Malik from Rabia ibn Abd ar-Rahman that al-Qasim ibn Muhammad would sell produce from his orchard and keep some of it aside.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ রাবী‘আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 10