হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 8 টি

পরিচ্ছেদঃ ২৬/৪. রামাযান মাসে ‘উমরাহ আদায় করা।

১৭৮০. হাম্মাম (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি ‘উমরাহ করেছেন। তন্মধ্যে হাজ্জের মাসে যে ‘উমরাহ করেছেন তা ছাড়া বাকী সব ‘উমরাহই যুল-কা‘দা মাসে করেছেন। অর্থাৎ হুদাইবিয়ার ‘উমরাহ, পরবর্তী বছরের ‘উমরাহ, জি‘রানার ‘উমরাহ, যেখানে তিনি হুনাইনের মালে গনীমত বণ্টন করেছিলেন এবং হাজ্জের মাসে আদায়কৃত ‘উমরাহ। (১৭৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৫৩. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৬২ )

بَاب عُمْرَةٍ فِي رَمَضَانَ

حَدَّثَنَا هُدْبَةُ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ وَقَالَ اعْتَمَرَ أَرْبَعَ عُمَرٍ فِي ذِي الْقَعْدَةِ إِلاَّ الَّتِي اعْتَمَرَ مَعَ حَجَّتِهِ عُمْرَتَهُ مِنْ الْحُدَيْبِيَةِ وَمِنْ الْعَامِ الْمُقْبِلِ وَمِنْ الْجِعْرَانَةِ حَيْثُ قَسَمَ غَنَائِمَ حُنَيْنٍ وَعُمْرَةً مَعَ حَجَّتِهِ


Narrated Hammam: The Prophet (ﷺ) performed four `Umra (three) in Dhi-l-Qa'da except the (one) `Umra which he performed with his Hajj: His `Umra from Al-hudaibiya, and the one of the following year, and the one from Al- Jr'rana where he distributed the booty (of the battle) of Hunain, and another `Umra with his Hajj.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৩/৯. হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ আমার এ ছেলেটি একজন নেতা। সম্ভবত আল্লাহ্ এর মাধ্যমে দু’টি বড় দলের মধ্যে সন্ধি স্থাপন করাবেন।

وَقَوْلُهُ جَلَّ ذِكْرُهُ: (فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا)

আর আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ তোমরা তাদের উভয় দলের মাঝে মীমাংশা করে দাও। 

(সূরা আল-হুজুরাত ৯)


২৭০৪. হাসান (বাসরী) (রহ.) বলেন, আল্লাহর কসম, হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) পর্বত প্রমাণ সেনাদল নিয়ে মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর মুখোমুখী হলেন। আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) বললেন, আমি এমন সেনাদল দেখতে পাচ্ছি যারা প্রতিপক্ষকে হত্যা না করে ফিরে যাবে না। মু‘আবিয়াহর (রাঃ) তখন বললেন, আল্লাহর কসম! আর (মু‘আবিয়াহ ও ‘আমর ইবনুল ‘আস) (রাঃ) উভয়ের মধ্যে মু‘আবিয়াহ (রাঃ) ছিলেন উত্তম ব্যক্তি- ‘হে ‘আমর! এরা ওদের এবং ওরা এদের হত্যা করলে, আমি কাকে দিয়ে লোকের সমস্যার সমাধান করব? তাদের নারীদেও কে তত্ত্বাবধান করবে? তাদের দুর্বল ও শিশুদের কে রক্ষণাবেক্ষণ করবে? অতঃপর তিনি কুরায়শের বানূ আবদে শাম্স্ শাখার দু’ ব্যক্তি ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর (রাঃ)-কে হাসান (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তিনি তাদের বললেন, ‘তোমরা উভয়ে এ ব্যক্তিটির নিকট যাও এবং তাঁর নিকট (সন্ধির) প্রস্তাব পেশ করো, তাঁর সঙ্গে আলোচনা কর ও তাঁর বক্তব্য জানতে চেষ্টা কর।’ তাঁরা তাঁর নিকট রয়ে গেলেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বললেন, আলাপ-আলোচনা করলেন এবং তাঁর বক্তব্য জানলেন। হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) তাদের বললেন, ‘আমরা ‘আবদুল মুত্তালিবের সন্তান, এই সম্পদ (বায়তুল মালের) আমরা পেয়েছি। আর এরা রক্তপাতে লিপ্ত হয়েছে।’ তারা উভয়ে বললেন, [মুআবিয়াহ (রাঃ)] আপনার নিকট এরূপ বক্তব্য পেশ করেছেন। আর আপনার বক্তব্যও জানতে চেয়েছেন ও সন্ধি কামনা করেছেন। তিনি বললেন, ‘এ দায়িত্ব কে নিবে?’ তারা (তার জওয়াবে) বললেন, ‘আমরা এ দায়িত্ব নিচ্ছি।’ অতঃপর তিনি তাঁর সঙ্গে সন্ধি করলেন। হাসান (বসরী) (রহ.) বলেন, আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ ‘রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমি মিম্বরের উপর দেখেছি, হাসান বিন ‘আলী (রাঃ) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি একবার লোকদের দিকে আরেকবার তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, আমার এ সন্তান একজন নেতা। সম্ভবত তার মাধ্যমে আল্লাহ্ তা‘আলা মুসলমানদের দু’টি বড় দলের মধ্যে মীমাংশা করাবেন।’ আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) বলেন, ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ আমাকে বলেছেন যে, এ হাদীসের মাধ্যমেই আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে হাসানের শোনা কথা আমাদের নিকট প্রমাণিত হয়েছে। (৩৬২৯, ৩৭৪৬, ৭১০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৫০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৫২০)

 

بَابُ قَوْلِ النَّبِيِّ لِلْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا ابْنِيْ هَذَا سَيِّدٌ وَلَعَلَّ اللهَ أَنْ يُصْلِحَ بِهِ بَيْنَ فِئَتَيْنِ عَظِيْمَتَيْنِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِيْ مُوْسَى قَالَ سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُوْلُ اسْتَقْبَلَ وَاللهِ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ مُعَاوِيَةَ بِكَتَائِبَ أَمْثَالِ الْجِبَالِ فَقَالَ عَمْرُوْ بْنُ الْعَاصِ إِنِّيْ لَارَى كَتَائِبَ لَا تُوَلِّيْ حَتَّى تَقْتُلَ أَقْرَانَهَا فَقَالَ لَهُ مُعَاوِيَةُ وَكَانَ وَاللهِ خَيْرَ الرَّجُلَيْنِ أَيْ عَمْرُوْ إِنْ قَتَلَ هَؤُلَاءِ هَؤُلَاءِ وَهَؤُلَاءِ هَؤُلَاءِ مَنْ لِيْ بِأُمُوْرِ النَّاسِ مَنْ لِيْ بِنِسَائِهِمْ مَنْ لِيْ بِضَيْعَتِهِمْ فَبَعَثَ إِلَيْهِ رَجُلَيْنِ مِنْ قُرَيْشٍ مِنْ بَنِيْ عَبْدِ شَمْسٍ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ سَمُرَةَ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ عَامِرِ بْنِ كُرَيْزٍ فَقَالَ اذْهَبَا إِلَى هَذَا الرَّجُلِ فَاعْرِضَا عَلَيْهِ وَقُوْلَا لَهُ وَاطْلُبَا إِلَيْهِ فَأَتَيَاهُ فَدَخَلَا عَلَيْهِ فَتَكَلَّمَا وَقَالَا لَهُ فَطَلَبَا إِلَيْهِ فَقَالَ لَهُمَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ إِنَّا بَنُوْ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قَدْ أَصَبْنَا مِنْ هَذَا الْمَالِ وَإِنَّ هَذِهِ الْأُمَّةَ قَدْ عَاثَتْ فِيْ دِمَائِهَا قَالَا فَإِنَّهُ يَعْرِضُ عَلَيْكَ كَذَا وَكَذَا وَيَطْلُبُ إِلَيْكَ وَيَسْأَلُكَ قَالَ فَمَنْ لِيْ بِهَذَا قَالَا نَحْنُ لَكَ بِهِ فَمَا سَأَلَهُمَا شَيْئًا إِلَّا قَالَا نَحْنُ لَكَ بِهِ فَصَالَحَهُ فَقَالَ الْحَسَنُ وَلَقَدْ سَمِعْتُ أَبَا بَكْرَةَ يَقُوْلُ رَأَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ إِلَى جَنْبِهِ وَهُوَ يُقْبِلُ عَلَى النَّاسِ مَرَّةً وَعَلَيْهِ أُخْرَى وَيَقُوْلُ إِنَّ ابْنِيْ هَذَا سَيِّدٌ وَلَعَلَّ اللهَ أَنْ يُصْلِحَ بِهِ بَيْنَ فِئَتَيْنِ عَظِيْمَتَيْنِ مِنْ الْمُسْلِمِيْنَ قَالَ أَبُوْ عَبْد اللهِ قَالَ لِيْ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ إِنَّمَا ثَبَتَ لَنَا سَمَاعُ الْحَسَنِ مِنْ أَبِيْ بَكْرَةَ بِهَذَا الْحَدِيْثِ


Narrated Al-Hasan Al-Basri: By Allah, Al-Hasan bin `Ali led large battalions like mountains against Muawiya. `Amr bin Al-As said (to Muawiya), "I surely see battalions which will not turn back before killing their opponents." Muawiya who was really the best of the two men said to him, "O `Amr! If these killed those and those killed these, who would be left with me for the jobs of the public, who would be left with me for their women, who would be left with me for their children?" Then Muawiya sent two Quraishi men from the tribe of `Abd-i-Shams called `Abdur Rahman bin Sumura and `Abdullah bin 'Amir bin Kuraiz to Al-Hasan saying to them, "Go to this man (i.e. Al-Hasan) and negotiate peace with him and talk and appeal to him." So, they went to Al-Hasan and talked and appealed to him to accept peace. Al-Hasan said, "We, the offspring of `Abdul Muttalib, have got wealth and people have indulged in killing and corruption (and money only will appease them)." They said to Al-Hasan, "Muawiya offers you so and so, and appeals to you and entreats you to accept peace." Al-Hasan said to them, "But who will be responsible for what you have said?" They said, "We will be responsible for it." So, whatever Al- Hasan asked they said, "We will be responsible for it for you." So, Al-Hasan concluded a peace treaty with Muawiya. Al-Hasan (Al-Basri) said: I heard Abu Bakr saying, "I saw Allah's Messenger (ﷺ) on the pulpit and Al-Hasan bin `Ali was by his side. The Prophet (ﷺ) was looking once at the people and once at Al-Hasan bin `Ali saying, 'This son of mine is a Saiyid (i.e. a noble) and may Allah make peace between two big groups of Muslims through him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫/৩৫. নবী (ﷺ)-এর উমরাহ আদায়ের সংখ্যা এবং তা আদায় করার সময়ের বর্ণনা।

৭৮২. হাম্মাম (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি ‘উমরাহ করেছেন। তন্মধ্যে হাজ্জের মাসে যে ‘উমরাহ করেছেন তা ছাড়া বাকী সব ‘উমরাহই যুল-কাদা মাসে করেছেন। অর্থাৎ হুদাইবিয়ার উমরাহ, পরবর্তী বছরের ‘উমরাহ, জিরানার ‘উমরাহ, যেখানে তিনি হুনাইনের মালে গনীমত বণ্টন করেছিলেন এবং হজ্জের মাসে আদায়কৃত ‘উমরাহ।

بيان عدد عمر النبي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وزمانهن

حديث أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: اعْتَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْبَعَ عُمَرٍ فِي ذِي الْقَعْدَةِ، إِلاَّ الَّتِي اعْتَمَرَ مَعَ حَجَّتِهِ: عُمْرَتَهُ مِنَ الْحُدَيْبِيَةِ، وَمِنَ الْعَامِ الْمُقْبِلِ، وَمِنَ الْجِعْرَانَةِ حَيْثُ قَسَمَ غَنَائِمَ حُنَيْنٍ، وَعُمْرَةً مَعَ حَجَّتِهِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. যিনি ওয়াসীয়াত করেন নি

৩২২১. হাম্মাম হতে বর্ণিত, (إِنْ تَرَكَ خَيْراً الْوَصِيَّة) “যখন তোমাদের কারও মৃত্যু নিকটবর্তী বলে মনে হয়, সে যদি তখন ধন-সম্পত্তি ছেড়ে যায় তবে পিতা-মাতা ও আত্মীয় স্বজনের জন্যে বৈধভাবে ওয়াসীয়াত করা তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করা হলো, আল্লাহভীরুদের জন্য এটি অবশ্যকরণীয়।” (সূরা বাকারাঃ আয়াত ১৮০)

এ আয়াত সম্পর্কে কাতাদা (রহঃ) বলেন, (এখানে) ‘আল খাইর’ অর্থ ‘মাল’-সম্পদ। আর বলা হতো: এক হাজার ও তার অধিক সম্পদে (ওসীয়াত কার্যকর)।[1]

باب مَنْ لَمْ يُوصِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ قَالَ الْخَيْرُ الْمَالُ كَانَ يُقَالُ أَلْفًا فَمَا فَوْقَ ذَلِكَ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩৩০০. হাম্মাম হতে বর্ণিত, মহান আল্লাহর বাণী: “যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয়, সে যদি সম্পদ রেখে যায়, তবে ন্যায়ানুগ প্রথামত তার পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত করার বিধান তোমাদের দেওয়া হলো।” (সুরা বাকারা: ১৮০) (এ আয়াত সম্পর্কে) কাতাদা বলেন, উল্লিখিত আয়াতে পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত নির্ধারিত ছিল। পরে সুরা নিসার আয়াতের মাধ্যমে তা প্রত্যাহার করা হয়। ফলে পিতা-মাতা উভয়ের জন্য অংশ নির্ধারিত হয়েছে। আর মীরাছের হকদারদেরও এতে অংশ নির্ধারিত রয়েছে। ফলে তাদের জন্য কোনো ওয়াসীয়াত নেই। ফলে যে ব্যক্তি ওয়ারিস নয়, কেবল এমন নিকট আত্মীয় ও অন্যদের জন্য এখন ওয়াসীয়াতের বিধান স্থির হয়ে গেল।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمْ الْمَوْتُ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ فَأَمَرَ أَنْ يُوصِيَ لِوَالِدَيْهِ وَأَقَارِبِهِ ثُمَّ نُسِخَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي سُورَةِ النِّسَاءِ فَجَعَلَ لِلْوَالِدَيْنِ نَصِيبًا مَعْلُومًا وَأَلْحَقَ لِكُلِّ ذِي مِيرَاثٍ نَصِيبَهُ مِنْهُ وَلَيْسَتْ لَهُمْ وَصِيَّةٌ فَصَارَتْ الْوَصِيَّةُ لِمَنْ لَا يَرِثُ مِنْ قَرِيبٍ وَغَيْرِهِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৬. মোজাদ্বয়ের উপর মসেহ করা

৭১৭(১). আল-কাযী আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জারীর (রাঃ) পেশাব করেন, তারপর উযু করেন এবং নিজের মোজাদ্বয়ের উপর মসেহ করেন। তাকে বলা হলো, আপনি এটা করলেন, অথচ আপনি পেশাব করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি যে, তিনি পেশাব করলেন, তারপর উযু করলেন এবং নিজের মোজাদ্বয়ের উপর মসেহ করলেন।

আল-আমাশ (রহঃ) বলেন, ইবরাহীম বলেছেন, এই হাদীস তাদের নিকট বিস্ময়কর মনে হতো। কেননা জারীর (রাঃ) সূরা আল-মাইদা নাযিল হওয়ার পর ইসলাম গ্রহণ করেন। এটি আবু মুয়াবিয়ার হাদীস। আর ঈসা ইবনে ইউনুস (রহঃ) বলেন, তাকে বলা হলো, হে আবু আমর! আপনি এটা করলেন, অথচ আপনি পেশাব করেছেন? তিনি বলেন, (তা করতে) আমাকে কিসে বাধা দিবে? নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তার মোজাদ্বয়ের উপর মসেহ করতে দেখেছি। আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সঙ্গীগণ তাতে অবাক হন। কেননা জারীর (রাঃ) সূরা আল-মাইদা নাযিল হওয়ার পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

بَابٌ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ

حَدَّثَنَا الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، نَا أَبُو مُعَاوِيَةَ ، وَعِيسَى بْنُ يُونُسَ ، قَالَا : نَا الْأَعْمَشُ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ هَمَّامٍ ، قَالَ : " بَالَ جَرِيرٌ ، ثُمَّ تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ، فَقِيلَ لَهُ : أَتَفْعَلُ هَذَا وَقَدْ بُلْتَ ؟! قَالَ : نَعَمْ ؛ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - بَالَ ثُمَّ تَوَضَّأَ ، وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ " . ، قَالَ الْأَعْمَشُ ، قَالَ إِبْرَاهِيمُ : فَكَانَ يُعْجِبُهُمْ هَذَا الْحَدِيثُ ؛ لِأَنَّ جَرِيرًا كَانَ إِسْلَامُهُ بَعْدَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ . هَذَا حَدِيثُ أَبِي مُعَاوِيَةَ ، وَقَالَ عِيسَى بْنُ يُونُسَ : فَقِيلَ لَهُ : يَا أَبَا عَمْرٍو ، أَتَفْعَلُ هَذَا وَقَدْ بُلْتَ ؟! فَقَالَ : وَمَا يَمْنَعُنِي ، وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - يَمْسَحُ عَلَى خُفَّيْهِ ، فَكَانَ أَصْحَابُ عَبْدِ اللَّهِ يُعْجِبُهُمْ ذَلِكَ ؛ لِأَنَّ إِسْلَامَهُ كَانَ بَعْدَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬১. ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পর নামায কাযা করা এবং কোন ব্যক্তি নামায শুরু করার পর তা সমাপ্ত হওয়ার পূর্বে ওয়াক্ত শেষ হয়ে গেলে

১৪০৩(৩). আহমাদ ইবনুল আব্বাস আল-বাগাবী (রহঃ) ... হাম্মাম (রহঃ) বলেন, কাতাদা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন ব্যক্তি ফজরের এক রাকআত নামায পড়লো, তারপর সূর্য উদিত হলো। তিনি বলেন, আমার নিকট খাল্লাস (রহঃ) আবু রাফে'-আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে তার নামায পূর্ণ করবে।

بَابُ قَضَاءِ الصَّلَاةِ بَعْدَ وَقْتِهَا وَمَنْ دَخَلَ فِي صَلَاةٍ فَخَرَجَ وَقْتُهَا قَبْلَ تَمَامِهَا

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْبَغَوِيُّ ، ثَنَا أَبُو بَدْرٍ عَبَّادُ بْنُ الْوَلِيدِ ، ثَنَا عَفَّانُ ، ثَنَا هَمَّامٌ قَالَ : سُئِلَ قَتَادَةُ عَنْ رَجُلٍ صَلَّى رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ ثُمَّ طَلَعَتِ الشَّمْسُ ، فَقَالَ : ، حَدَّثَنِي خِلَاسٌ عَنْ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ : " يُتِمُّ صَلَاتَهُ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৫. কৃতজ্ঞতার সিজদাসমূহের সুন্নাত নিয়ম

১৫০১(৪). আহমাদ ইবনুল আব্বাস আল-বাগাবী (রহঃ) ... হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। কাতাদা (রহঃ)-এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, সে ফজরের এক রাকআত নামায পড়ার পর সূর্য উঠে গেল। তিনি বলেন, আমার নিকট খাল্লাস (রহঃ) আবু রাফে-আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে তার নামায (অবশিষ্ট রাকআত) পূর্ণ করবে।

بَابُ السُّنَّةِ فِي سُجُودِ الشُّكْرِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْبَغَوِيُّ ، ثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْوَلِيدِ ، ثَنَا عَفَّانُ ، ثَنَا هَمَّامٌ قَالَ سُئِلَ قَتَادَةُ عَنْ رَجُلٍ صَلَّى رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ ثُمَّ طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَقَالَ ، حَدَّثَنِي خِلَاسٌ عَنْ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ : " يُتِمُّ صَلَاتَهُ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 8 of 8