আবূ রিমসাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 17 টি

পরিচ্ছেদঃ ১৭. খিজাব সম্পর্কে।

৪১৫৮. আহমদ ইব্‌ন ইউনুস (রহঃ) .... আবূ রিমছা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার আমি আমার পিতার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে দেখতে পাই যে, তাঁর চুল কান পর্যন্ত লম্বা এবং তা মেহেদী রঙে রঞ্জিত ছিল; আর তিনি সবুজ রঙের দু’টি চাদর পরেছিলেন।

باب فِي الْخِضَابِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ إِيَادٍ - قَالَ حَدَّثَنَا إِيَادٌ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ أَبِي نَحْوَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا هُوَ ذُو وَفْرَةٍ بِهَا رَدْعُ حِنَّاءَ وَعَلَيْهِ بُرْدَانِ أَخْضَرَانِ ‏.‏


Narrated AbuRimthah: I went with my father to the Prophet (ﷺ). He had locks hanging down as far as the lobes of the ears stained with henna, and he was wearing two green garments.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. খিজাব সম্পর্কে।

৪১৫৯. মুহাম্মদ ইব্‌ন আলা (রহঃ) .... আবূ রিমছা (রাঃ) এ হাদিছে বর্ণনা করেন যে, আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলেনঃ আমি একজন ডাক্তার, আপনার পিঠে কি হয়েছে তা আমাকে দেখান। তখন তিনি বলেনঃ ডাক্তার তো আল্লাহ-ই। তুমি বরং রোগীর একজন বন্ধু। (তিনি আরো বলেনঃ) আসল ডাক্তার তো তিনিই, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন।

باب فِي الْخِضَابِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبْجَرَ، عَنْ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، فِي هَذَا الْخَبَرِ قَالَ فَقَالَ لَهُ أَبِي أَرِنِي هَذَا الَّذِي بِظَهْرِكَ فَإِنِّي رَجُلٌ طَبِيبٌ ‏.‏ قَالَ ‏ "‏ اللَّهُ الطَّبِيبُ بَلْ أَنْتَ رَجُلٌ رَفِيقٌ طَبِيبُهَا الَّذِي خَلَقَهَا ‏"‏ ‏.‏


This version adds (to the previous hadith No 4194): My father said to him (the Prophet): Show me what is on your back, for I am a physician. He (the Prophet) said: You are only a soother. Its physician is He Who has created it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. খিজাব সম্পর্কে।

৪১৬০. ইব্‌ন বাশ্‌শার (রহঃ) .... আবূ রিমছা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার আমি এবং আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলে, তিনি জনৈক ব্যক্তিকে অথবা তার পিতাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ এ কে? তিনি বলেনঃ আমার পুত্র। তখন তিনি বলেনঃ সে (কিয়ামতের দিন) তোমার বোঝা উঠাবে না। (রাবী বলেনঃ) এ সময় তিনি তাঁর দাঁড়িতে মেহেদী রং লাগিয়েছিলেন।

باب فِي الْخِضَابِ

حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَأَبِي فَقَالَ لِرَجُلٍ أَوْ لأَبِيهِ ‏"‏ مَنْ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لاَ تَجْنِي عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ وَكَانَ قَدْ لَطَخَ لِحْيَتَهُ بِالْحِنَّاءِ ‏.‏


Narrated AbuRimthah: I and my father came to the Prophet (ﷺ). He said to a man or to my father: Who is this? He replied: He is my son. He said: Do not commit a crime on him. He had stained his beard with henna.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. পিতা বা ভাইয়ের অপরাধে- অন্যকে শাস্তি দেয়া যাবে না।

৪৪৩৫. আহমদ ইবন ইউনুস (রহঃ) .... আবূ রিমছা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গমন করি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একি তোমার ছেলে? তিনি বলেনঃ কা'বার রবের শপথ! হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি সত্য বলছো? আমার পিতা বলেনঃ এ ব্যাপারে আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি। তিনি বলেনঃ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এজন্য মুচকি হাসেন যে, আমার চেহারার সাথে আমার পিতার চেহারার হুবহু মিল ছিল, তবুও আমার পিতা শপথ করেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জেনে রাখ! তোমার অপরাধে সে দোষী সাব্যস্ত হবে না এবং তুমিও তার অপরাধে দোষী হবে না। এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেনঃ একে অপরের গুনাহের বোঝা উঠাবে না।

باب لاَ يُؤْخَذُ الرَّجُلُ بِجَرِيرَةِ أَخِيهِ أَوْ أَبِيهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ إِيَادٍ - حَدَّثَنَا إِيَادٌ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ أَبِي نَحْوَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لأَبِي ‏"‏ ابْنُكَ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ قَالَ ‏"‏ حَقًّا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَشْهَدُ بِهِ ‏.‏ قَالَ فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ضَاحِكًا مِنْ ثَبْتِ شَبَهِي فِي أَبِي وَمِنْ حَلْفِ أَبِي عَلَىَّ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ أَمَا إِنَّهُ لاَ يَجْنِي عَلَيْكَ وَلاَ تَجْنِي عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏(‏ وَلاَ تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى ‏)‏


Narrated AbuRimthah: I went to the Prophet (ﷺ) with my father. The Messenger of Allah (ﷺ) then asked my father: Is this your son? He replied: Yes, by the Lord of the Ka'bah. He again said: Is it true? He said: I bear witness to it. The Messenger of Allah (ﷺ) then smiled for my resemblance with my father, and for the fact that my father took an oath upon me. He then said: He will not bring evil on you, nor will you bring evil on him. The Messenger of Allah (ﷺ) recited the verse: "No bearer of burdens can bear the burden of another."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬/ উভয় ঈদের খুৎবা দেওয়ার জন্য সাজ-সজ্জা করা

১৫৭৫। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ রিমছা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একবার দেখলাম যে, তিনি খুৎবা দিচ্ছেন সবুজ চাদর পরিহিত অবস্থায়।

باب الزِّينَةِ لِلْخُطْبَةِ لِلْعِيدَيْنِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ وَعَلَيْهِ بُرْدَانِ أَخْضَرَانِ ‏.‏


It was narrated that Abu Rimthah said: "I saw the Prophet (ﷺ) delivering the Khutbah, wearing two green Burds."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ সবুজ বস্ত্র পরিধান করা।

২৮১২. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবূ রিমছা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখেছি তখন তাঁর পরিধানে দুটি সবুজ চাদর ছিল।  সহীহ, মুখতাসার শামাইল ৩৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদিসটি হাসান গারীব। উবায়দুল্লাহ্ ইবন উবাদের সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। আবূ রিমছা তায়মী (রহঃ) এর নাম হল হাবীব ইবন হায়্যান। কথিত আছে যে, তাঁর নাম হল রিফাআ ইবন ইয়াছরিবী।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الثَّوْبِ الأَخْضَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ بُرْدَانِ أَخْضَرَانِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ إِيَادٍ ‏.‏ وَأَبُو رِمْثَةَ التَّيْمِيُّ يُقَالُ اسْمُهُ حَبِيبُ بْنُ حَيَّانَ وَيُقَالُ اسْمُهُ رِفَاعَةُ بْنُ يَثْرِبِيٍّ ‏.‏


Narrated Abu Rimthah: "I saw the Messenger of Allah wearing two green Burud."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. সবুজ পোশাক প্রসঙ্গে

২৮১২। আবূ রিমসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুটি সবুজ চাদর পরিহিত অবস্থায় দেখেছি।

সহীহঃ মুখতাসার শামা-য়িল (৩৬)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র উবাইদুল্লাহ ইবনু ইয়াদের সূত্রেই জেনেছি। আবূ রিমসা আত-তাইনীর নাম হাবীব ইবনু হাইয়্যান, মতান্তরে রিফাআ ইবনু ইয়াসরিবী।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ بُرْدَانِ أَخْضَرَانِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ إِيَادٍ ‏.‏ وَأَبُو رِمْثَةَ التَّيْمِيُّ يُقَالُ اسْمُهُ حَبِيبُ بْنُ حَيَّانَ وَيُقَالُ اسْمُهُ رِفَاعَةُ بْنُ يَثْرِبِيٍّ ‏.‏


Narrated Abu Rimthah: "I saw the Messenger of Allah wearing two green Burud."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫. কোনো ব্যক্তিকে অন্যের অপরাধে পাকড়াও করা (বা শাস্তি দেওয়া) হবে না

২৪২৭. আবূ রিমছা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার এক ছেলেকে সাথে নিয়ে মদীনায় গমন করি। আর আমরা ইতিপূর্বে কখনো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখিনি। এরপর আমরা যখন তাঁর নিকট এলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এলেন। তখন তারঁ গায়ে ছিল সবুজ রংয়ের দু’টি চাদর। আমি তাঁর সিফাত (বাহ্যিক গুণাবলী বা চেহারা) দেখেই তাঁকে চিনে ফেললাম। ফলে আমি তাঁর নিকট গেলাম। তখন তিনি বলেনঃ “তোমার সঙ্গে যে রয়েছে সে কে? তিনি বলেনঃ কা'বার রবের শপথ! এ আমার ছেলে। তখন তিনি বলেনঃ “তোমার ছেলে?” আমি বললাম: এ ব্যাপারে আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি । তিনি বলেনঃ তাহলে ( জেনে রাখ!) তোমার এ ছেলের অপরাধের দায় তোমার উপর বর্তাবে না এবং তোমার অপরাধের দায়ও তার উপর বর্তাবে না।”[1]

بَاب لَا يُؤْخَذُ أَحَدٌ بِجِنَايَةِ غَيْرِهِ

أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ يَعْنِي ابْنَ حَازِمٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ عُمَيْرٍ حَدَّثَنِي إِيَادُ بْنُ لَقِيطٍ عَنْ أَبِي رِمْثَةَ قَالَ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ وَمَعِيَ ابْنٌ لِي وَلَمْ نَكُنْ رَأَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَيْتُهُ فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْهِ ثَوْبَانِ أَخْضَرَانِ فَلَمَّا رَأَيْتُهُ عَرَفْتُهُ بِالصِّفَةِ فَأَتَيْتُهُ فَقَالَ مَنْ هَذَا الَّذِي مَعَكَ قُلْتُ ابْنِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ فَقَالَ ابْنُكَ فَقُلْتُ أَشْهَدُ بِهِ قَالَ فَإِنَّ ابْنَكَ هَذَا لَا يَجْنِي عَلَيْكَ وَلَا تَجْنِي عَلَيْهِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫. কোনো ব্যক্তিকে অন্যের অপরাধে পাকড়াও করা (বা শাস্তি দেওয়া) হবে না

২৪২৮. আবূ রিমছা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গমন করি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পিতাকে বলেনঃ “একি তোমার ছেলে?” তিনি বলেনঃ কা'বার রবের শপথ! হাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “সত্যিই?” আমার পিতা বলেনঃ এ ব্যাপারে আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি । তিনি বলেনঃ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এজন্য মুচকি হাসেনি এজন্য যে, আমার চেহারার সাথে আমার পিতার চেহারার হুবহু মিল ছিল, তবুও আমার পিতা আমার ব্যাপারে শপথ করেন। এরপর তিনি বলেনঃ “জেনে রাখ! তোমার এ ছেলের অপরাধের দায় তোমার উপর বর্তাবে না এবং তোমার অপরাধের দায়ও তার উপর বর্তাবে না।” এরপর রাসূলুল্লাহ এ আয়াত পাঠ করেনঃ “একে অপরের (গুনাহের) বোঝা বহন করবে না।”[1]

بَاب لَا يُؤْخَذُ أَحَدٌ بِجِنَايَةِ غَيْرِهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادٍ حَدَّثَنَا إِيَادٌ عَنْ أَبِي رِمْثَةَ قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ أَبِي نَحْوَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لِأَبِي ابْنُكَ هَذَا فَقَالَ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ قَالَ حَقًّا قَالَ أَشْهَدُ بِهِ قَالَ فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَاحِكًا مِنْ ثَبَتِ شَبَهِي فِي أَبِي وَمِنْ حَلِفِ أَبِي عَلَيَّ فَقَالَ إِنَّ ابْنَكَ هَذَا لَا يَجْنِي عَلَيْكَ وَلَا تَجْنِي عَلَيْهِ قَالَ وَقَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৪৭১-[২৬] আবূ রিমসাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদিন) আমি আমার পিতার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার সাথে এটা কে? আমার পিতা বললেন, আমার ছেলে। এ ব্যাপারে আপনি সাক্ষী থাকুন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, জেনে রাখ! তার অন্যায়ের শাস্তি তোমার ওপর এবং তোমার অন্যায়ের শাস্তি তার ওপর বর্তাবে না। (আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)[1]

আর শারহুস্ সুন্নাহ্-তে হাদীসের প্রথম দিকে কিছু অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে। তিনি (আবূ রিমসাহ্ ) বলেন, আমি আমার পিতার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তখন আমার পিতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পৃষ্ঠদর্শনে (মোহরে নাবূওয়াত দেখে) বললেন, আমাকে অনুমতি দিন। আপনার পিঠে যেটি আছে, আমি এর সুচিকিৎসা করে দেই। কেননা আমি একজন চিকিৎসক। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কেবল একজন সেবক আর আল্লাহ তা‘আলা হলেন (প্রকৃত) চিকিৎসক।

اَلْفَصْلُ الثَّانِىْ

وَعَنْ أَبِىْ رِمْثَةَ قَالَ : أَتَيْتُ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ مَعَ أَبِىْ فقالَ : «مَنْ هٰذَا الَّذِىْ مَعَكَ؟» قَالَ : ابْنِىْ أَشْهِدْ بِه قَالَ : «أَمَا إِنَّه لَا يَجْنِىْ عَلَيْكَ وَلَا تَجْنِىْ عَلَيْهِ». رَوَاهُ أَبُوْ دَاودَ وَالنَّسَائِىُّ وَزَادَ فِىْ «شَرْحِ السُّنَّةِ» فِى اَوَّلِه قَالَ : دَخَلْتُ مَعَ أَبِىْ عَلٰى رَسُوْلِ اللّٰهِ ﷺ فَرَأَى أَبِى الَّذِىْ بِظَهْرِ رَسُول الله ﷺ فَقَالَ : دَعْنِىْ أُعَالِجُ الَّذِىْ بِظَهْرِكَ فَإِنِّى طَبِيبٌ. فَقَالَ : أَنْتَ رَفِيْقٌ وَاللّٰهُ الطَّبِيْبُ

ব্যাখ্যা: ‘‘সে আমার পুত্র, এ ব্যাপারে আপনি সাক্ষী থাকুন।’’ এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- যদি আমি কোনো অপরাধ করি তাহলে আমার বদলে সে, আর যদি সে কোনো অপরাধ করে তাহলে তার বদলে আমি শাস্তি ভোগ করব। আর এ ধরনের নিয়ম জাহিলী যুগের সমাজ ব্যবস্থায় চালু ছিল।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী : তোমার অপরাধের শাস্তি তার ওপর এবং তার অপরাধের শাস্তি তোমার ওপর বর্তাবে না। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, একজনের অপরাধের দরুন অপরজনকে জবাবদিহি করতে হবে না।

এ ব্যাপারে ইমাম ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ এখানে দু’টি ব্যাখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা রাখে- ১. একজনের জন্য অপরজনের ওপর কিসাস বর্তাবে না। ২. একজন অপরজনের পাপের শাস্তি ভোগ করবে না।

এ হাদীসের শেষাংশে বলা হয়েছে যে, সমস্ত রোগ নিরাময়কারী একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ শুধু সেবাযত্ন করতে পারে। প্রকৃত আরোগ্য দানকারী হলেন একমাত্র মহান আল্লাহ। (মিরকাতুল মাফাতীহ; ‘আওনুল মা‘বূদ ৭ম খন্ড, হাঃ ৪৪৮৬; শারহেন্ নাসায়ী ৪র্থ খন্ড, হাঃ ৪৮৪৭)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ রিমসাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 17 পাতা নাম্বারঃ 1 2 Next »