বুলুগুল মারাম পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ মুসলমানের রক্তের মর্যাদা

১১৫৮। ইবনু মাস’উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল এ সত্যে বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও এর প্রতি স্বীকৃতি ঘোষণা করেছে এমন কোন মুসলিমের জীবননাশ বৈধ নয়, তবে যদি সে তিনটি অপরাধের কোন একটি করে বসে (১) বিবাহিত হওয়ার পর যিানা (ব্যভিচার) করে (২) অন্যায়ভাবে কারো জীবন নাশ করে, (৩) ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতঃ মুসলমানের জামা’আত হতে যে দূরে চলে যায়।[1]

عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ; يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ, وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ, إِلَّا بِإِحْدَى ثَلَاثٍ: الثَّيِّبُ الزَّانِي, وَالنَّفْسُ بِالنَّفْسِ, وَالتَّارِكُ لِدِينِهِ; الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَةِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (6878)، ومسلم (1676)


lbn Mas’ud (RAA) narrated that The Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The blood of a Muslim who testifies that none has the right to be worshipped but Allah and that I am His Messenger, cannot be shed lawfully, except in three cases: a married person who committed adultery, in Qisas (retaliation) for murder (life for life) and the apostate from Islam who abandons the Muslim Jama’ah (community).” Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ মুসলমানের রক্তের মর্যাদা

১১৫৯। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল, তবে তিন-তিনটি কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করা বৈধ নয়। (যথা) বিবাহিত ব্যভিচারী, জানের বদলে জান, আর নিজের দীন ত্যাগকারী মুসলিম জামা’আত থেকে পৃথক হয়ে যাওয়া ব্যক্তি।[1]

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا, عَنْ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَحِلُّ قَتْلُ مُسْلِمٍ إِلَّا فِي إِحْدَى ثَلَاثِ خِصَالٍ: زَانٍ مُحْصَنٌ فَيُرْجَمُ, وَرَجُلٌ يَقْتُلُ مُسْلِمًا مُتَعَمِّدًا فَيُقْتَلُ, وَرَجُلٌ يَخْرُجُ مِنَ الْإِسْلَامِ فَيُحَارِبُ اللَّهَ وَرَسُولَهُ, فَيُقْتَلُ, أَوْ يُصْلَبُ, أَوْ يُنْفَى مِنَ الْأَرْضِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

-

صحيح. رواه أبو داود (4353)، والنسائي (7/ 91)، والحاكم (4/ 367)


'A’ishah (RAA) narrated that Allah’s Messenger (ﷺ) said:
“The blood of a Muslim is not to be shed except for three reasons: a married man who committed adultery, a man who kills another Muslim intentionally for which he must be killed (in Qisas or retaliation), and a man who abandons Islam and fights against Allah and His Messenger, in which case he should be either killed, crucified, or exiled.” Related by Abu Dawud and An-Nasa’i. Al-Hakim graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ রক্তের মর্যাদা

১১৬০। আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিবসে মানুষের হক্ব প্রসঙ্গে সবার আগে খুনের বিচার করা হবে।[1]

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَوَّلُ مَا يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِي الدِّمَاءِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (6533)، ومسلم (1678) واللفظ لمسلم، إذ البخاري ليس عنده اللفظ: يوم القيامة


'Abdullah Ibn Mas’ud (RAA) narrated that The Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The first issues to be judged among people on the Day of Resurrection, are those of unlawful blood-shed.” Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ দাসের হত্যার বদলে মনিবকে হত্যা করার বিধান

১১৬১। সামুরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করবে আমরা তাকে হত্যা করব, যে তার দাসের নাক কান কাটবে আমরা তার নাক কান কেটে নেব।[1]

وَعَنْ سَمُرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَتَلَ عَبْدَهُ قَتَلْنَاهُ, وَمَنْ جَدَعَ عَبْدَهُ جَدَعْنَاهُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَحَسَّنَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَهُوَ مِنْ رِوَايَةِ الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ عَنْ سَمُرَةَ, وَقَدِ اخْتُلِفَ فِي سَمَاعِهِ مِنْهُ

وَفِي رِوَايَةٍ لِأَبِي دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيِّ: «وَمَنْ خَصَى عَبْدُهُ خَصَيْنَاهُ». وَصَحَّحَ الْحَاكِمُ هَذِهِ الزِّيَادَةَ

-

ضعيف. رواه أحمد (50 و 11 و 12 و 18 و 19)، وأبو داود (4515)، والنسائي (81)، والترمذي (1414)، وابن ماجه (2663) من طريق الحسن، عن سمُرة، به. وليس الأمر هنا إثباتَ أسَمِعَ الحسن من سمُرة أم لا؟ فهو لا شك قد ثبت سماعه منه، ولكنه رحمه الله كان يدلس، فلا يقبل من حديثه إلا ما صرح فيه بالسماع، وهو ما لا يوجد هنا. «فائدة»: في رواية الإمام أحمد (50) بالإسناد الصحيح التصريح بأن الحسن لم يسمع هذا الحديث من سمرة

ضعيف أيضا. وهذه الرواية عند أبي داود (4516)، والنسائي (80 - 21)، والحاكم (4/ 367 - 368) وعلته كعلة سابقة


Samurah (RAA) narrated that The Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever kills his slave we shall kill him, and whoever cuts the nose of his slave we shall cut off his nose.” Related by Ahmad and the four lmams. At-Tirmidhi graded it as Hasan. Abu Dawud and An-Nasa’i added the following, “and whoever castrates his slave we shall castrate him.” Al-Hakim graded this addition as Sahih.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ সন্তানকে হত্যার বদলে পিতাকে হত্যা করার বিধান

১১৬২। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, সন্তানের হত্যার বদলে পিতাকে হত্যা করা যাবে না।[1]

وَعَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا يُقَادُ الْوَالِدُ بِالْوَلَدِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ وَالْبَيْهَقِيُّ, وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: إِنَّهُ مُضْطَرِبٌ

-

صحيح بطرقه وشواهده. رواه أحمد (12 و 49)، والترمذي (1400)، وابن ماجه (2662)، وابن الجارود (788)، والبيهقي (8/ 38)


’Umar bin al-Khattab (RAA) narrated, ‘I heard the Messenger of Allah say, “A father is not to be killed for his offspring.” Related by Ahmad, At-Tirmidhi and Ibn Majah. Ibn al-Garud and al-Baihaqi graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ কাফিরের হত্যার বদলে মুসলিম হত্যা করা প্রসঙ্গ এবং সকল মুমিনের রক্ত সমমর্যাদা সম্পন্ন

১১৬৩। আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ)-কে বললাম, আপনাদের নিকট কি কিছু লিপিবদ্ধ আছে? তিনি বললেন, ‘না, শুধুমাত্র আল্লাহর কিতাব রয়েছে, আর একজন মুসলিমকে যে জ্ঞান দান করা হয় সেই বুদ্ধি ও বিবেক। এছাড়া কিছু এ সহীফাতে লিপিবদ্ধ রয়েছে’। তিনি [আবূ জুহাইফাহ (রাঃ)] বলেন, আমি বললাম, এ সহীফাটিতে কী আছে? তিনি বললেন, ‘ক্ষতিপূরণ ও বন্দী মুক্তির বিধান, আর এ বিধানটিও যে, ‘কোন মুসলিমকে কাফির হত্যার বদলে হত্যা করা যাবে না’।[1]

وَعَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ: قُلْتُ لَعَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: هَلْ عِنْدَكُمْ شَيْءٌ مِنَ الْوَحْيِ غَيْرَ الْقُرْآنِ? قَالَ: لَا، وَالَّذِي فَلَقَ الْحَبَّةَ وَبَرَأَ النِّسْمَةَ, إِلَّا فَهْمٌ يُعْطِيهِ اللَّهُ رَجُلًا فِي الْقُرْآنِ, وَمَا فِي هَذِهِ الصَّحِيفَةِ. قُلْتُ: وَمَا فِي هَذِهِ الصَّحِيفَةِ قَالَ: الْعَقْلُ, وَفِكَاكُ الْأَسِيرِ, وَلَا يُقْتَلُ مُسْلِمٌ بِكَافِرٍ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

-

صحيح. رواه البخاري (111)، وانظر أطرافه


Abu Juhaifah (RAA) narrated, ‘I asked 'Ali:
‘Do you have any other Divine Revelation besides what is in the Qur’an? ’Ali said, ‘No. By Him Who made the grain split (germinate) and created the soul, we have nothing besides the Qur’an except the gift of understanding the Qur’an, which Allah gives a man, besides what is written in this manuscript. I said, ‘What is in this manuscript?’ ‘Ali said, ‘The regulations of Diyah (Blood money), the ransom for captives and the ruling that no Muslim should be killed in Qisas for killing a disbeliever.’ Related by Al-Bukhari.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ জুহাইফাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ কাফিরের হত্যার বদলে মুসলিম হত্যা করা প্রসঙ্গ এবং সকল মুমিনের রক্ত সমমর্যাদা সম্পন্ন

১১৬৪। অন্য সূত্রে (সানাদে) আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, মু’মিন মুসলিমগণ তাদের রক্তের বদলার ব্যাপারে সমান। একজন অতি সাধারণ মুসলিমের (কোন কাফির শত্রুকে) আশ্রয় দান সকল মুসলিমের নিকটে সমান গুরুত্বপূর্ণ। মুসলিমের হাত অন্য সকল মুসলমানেরও হাত; (অর্থাৎ তারা একটি সংঘবদ্ধ শক্তি) কোন মু’মিনকে কাফির হত্যার বদলে হত্যা করা যাবে না, আর কোন চুক্তিবদ্ধ (অমুসলিমকেও) চুক্তি বহাল থাকা পর্যন্ত হত্যা করা যাবে না।[1]

وَأَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ: مِنْ وَجْهٍ آخَرَ عَنْ عَلِيٍّ وَقَالَ فِيهِ: «الْمُؤْمِنُونَ تَتَكَافَأُ دِمَاؤُهُمْ, وَيَسْعَى بِذِمَّتِهِمْ أَدْنَاهُمْ, وَهُمْ يَدٌ عَلَى مَنْ سِوَاهُمْ, وَلَا يُقْتَلُ مُؤْمِنٌ بِكَافِرٍ, وَلَا ذُو عَهْدٍ فِي عَهْدِهِ». وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

-

صحيح. رواه أحمد (122)، وأبو داود (4530)، والنسائي (89 - 20) وزادوا جميعا: ومن أحدث حدثا أو آوى محدثا، فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين


The previous tradition was also transmitted by Ahmad, An-Nasa’i and Abu Dawud on the authority of 'Ali with a different chain of narrators where he said, ‘The blood of one Muslim (his life) is equivalent to the blood of another Muslim (i.e. equal in Qisas and blood money), the protection of Allah is one (and is equally) extended to the most humble of the believers (i.e. if a Muslim gives protection to a man or to a group of men, they should all help him even is he was the most humble of them). Believers are all like one hand against their enemies. No believer is to be killed for a disbeliever (i.e. in Qisas), nor should one who has a covenant with the Muslims be killed while his covenant holds.’ Al-Hakim graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ ভারী জিনিস দ্বারা হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া এবং মহিলার খুনের দায়ে পুরুষকে হত্যা করা

১১৬৫। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক দাসীর মস্তক দু’টি পাথরের মধ্যে থেতলানো পাওয়া যায়, তাকে জিজ্ঞেস করা হল, কে তোমাকে এরূপ করেছে? অমুক ব্যক্তি, অমুক ব্যক্তি? যখন জনৈক ইয়াহুদীর নাম বলা হল- তখন সে দাসী মাথার দ্বারা হ্যাঁ সূচক ইশারা করল। ইয়াহুদীকে ধরে আনা হল। সে অপরাধ স্বীকার করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে নির্দেশ দিলেন। তখন তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝখানে রেখে পিষে দেয়া হল।[1]

وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه: أَنَّ جَارِيَةً وُجِدَ رَأْسُهَا قَدْ رُضَّ بَيْنَ حَجَرَيْنِ, فَسَأَلُوهَا: مَنْ صَنَعَ بِكِ هَذَا? فُلَانٌ. فُلَانٌ. حَتَّى ذَكَرُوا يَهُودِيًّا. فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا, فَأُخِذَ الْيَهُودِيُّ, فَأَقَرَّ, فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يُرَضَّ رَأْسُهُ بَيْنَ حَجَرَيْنِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

-

صحيح. رواه البخاري (2413)، ومسلم (1672) (17)


Anas bin Malik (RAA) narrated that A girl was found with her head crushed between two stones. They asked her, ‘Who did that to you? Is it so and so, or so and so? They mentioned some names to her until they mentioned the name of a Jew, whereupon she nodded her head. The Jew was captured and he confessed. The Messenger of Allah (ﷺ) ordered that his head be crushed between two stones.’ Agreed upon and the wording is from Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ গরীব পরিবারের বালকের অপরাধের বিধান

১১৬৬। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত; গরীব লোকেদের কোন এক ছেলে ধনী লোকেদের কোন এক বালকের কান কেটে ফেলে। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে বিচার প্রার্থী হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য কোন দিয়াত দেয়ার ব্যবস্থা করেননি। (তাদের পক্ষে ক্ষতিপূরণ সম্ভব ছিল না বলে)।[1]

وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ - رضي الله عنه: أَنَّ غُلَامًا لِأُنَاسٍ فُقَرَاءَ قَطَعَ أُذُنَ غُلَامٍ لِأُنَاسٍ أَغْنِيَاءَ, فَأَتَوا النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَلَمْ يَجْعَلْ لَهُمْ شَيْئًا. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالثَّلَاثَةُ, بِإِسْنَادٍ صَحِيحٍ

-

صحيح. رواه أحمد (4/ 438)، وأبو داود (4590)، والنسائي (85 - 26) «تنبيه»: عزو الحافظ الحديثَ للثلاثة وَهْمٌ منه رحمه الله تعالى، إذ لم يروه الترمذي، ولا نسبه له المزي في «التحفة» ولا النابلسي في الذخائر


'Imran bin Al-Husain (RAA) narrated that A slave of some poor people cut off the ear of another slave belonging to some rich people. They came to the Messenger of Allah (ﷺ) but he appointed no compensation for them.’ Related by Ahmad and the three Imams with a sound chain of narrators.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ ক্ষত সেরে উঠার পূর্বে কিসাস বা প্রতিশোধ নেওয়া নিষেধ

১১৬৭। আমর, তিনি তার পিতা শুআইব (রাঃ) হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কোন এক লোক অন্য এক লোকের হাঁটুতে শিং দ্বারা আঘাত করে। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললোঃ আমার বদলা নিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ তুমি ক্ষত সেরে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা কর। লোকটি কিন্তু (সেরে যাওয়ার আগেই)। আবার এসে বললো: আমার জখমের মূল্য বা খেসারত আদায় করে দিন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার খেসারত আদায় করে দেন। তারপর লোকটি এসে বললোঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো খোঁড়া হয়ে গেলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাকে নিষেধ করেছিলাম তুমি তা মাননি। ফলে আল্লাহ তোমাকে (তাঁর রহমত হতে) দূর করে দিয়েছেন এবং তোমার খোড়াত্ব বাতিল হয়ে গেছে। (দিয়াত আদায়ের যোগ্য রাখেননি)। এরপর থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন জখম আরোগ্য না হওয়া পর্যন্ত জখমী লোকের পক্ষে কোন বদলা আদায়ের ফয়সালা দিতে নিষেধ করেছেন।[1]

وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ; - رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلًا طَعَنَ رَجُلًا بِقَرْنٍ فِي رُكْبَتِهِ, فَجَاءَ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: أَقِدْنِي. فَقَالَ: «حَتَّى تَبْرَأَ». ثُمَّ جَاءَ إِلَيْهِ. فَقَالَ: أَقِدْنِي, فَأَقَادَهُ, ثُمَّ جَاءَ إِلَيْهِ. فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! عَرِجْتُ, فَقَالَ: «قَدْ نَهَيْتُكَ فَعَصَيْتَنِي, فَأَبْعَدَكَ اللَّهُ, وَبَطَلَ عَرَجُكَ». ثُمَّ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «أَنْ يُقْتَصَّ مِنْ جُرْحٍ حَتَّى يَبْرَأَ صَاحِبُهُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَأُعِلَّ بِالْإِرْسَالِ

-

حسن. رواه أحمد (217)، والدارقطني (3/ 88)، وإعلاله بالإرسال لا يضره إذ له شواهد يصح بها. وقال الصنعاني: «في معناه أحاديث تزيده قوة». وقال ابن التركماني (8/ 67): روي من عدة طرق يشد بعضها بعضا


'Amro bin Shu’aib narrated on the authority of his father, on the authority of his grandfather (RAA), that a man stabbed another man in his knee with a horn. So he came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said, ‘Retaliate on my behalf.’’ The Messenger of Allah (ﷺ) said to him, “Wait until your wound has healed.” The man came again and said, ‘O Messenger of Allah! Retaliate on my behalf.’ So, he allowed him to retaliate against the one who attacked him (by stabbing him the same way). Then he came again to the Messenger of Allah (ﷺ) and said, ‘O Messenger of Allah! I have become lame.’ The Messenger of Allah (ﷺ) said to him, “I forbade you (to take retaliation until your wound was healed) but you disobeyed me, may Allah keep you away from His mercy (for your disobedience), and as for your lameness you are not entitled to any compensation (as he retaliated before he discovered the lameness otherwise he would have been entitled half the Diyah).” Then Allah]s Messenger prohibited the following, ‘No retaliation is to be made for a wound before the victim is totally recovered.’ Related by Ahmad and Ad-Daraqutni.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ 'শিবহে আমাদ' (ইচ্ছাকৃত হত্যার অনুরুপ হত্যা) হত্যা প্রসঙ্গ এবং ভ্রুণ হত্যার পণ

১১৬৮। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, হুযাইল গোত্রের দু’জন মহিলা উভয়ে মারামারি করেছিল। তাদের একজন অন্যজনের উপর পাথর নিক্ষেপ করে। পাথর গিয়ে তার পেটে লাগে। সে ছিল গর্ভবতী। ফলে তার পেটের বাচ্চাকে সে হত্যা করে। তারপর তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অভিযোগ দায়ের করে। তিনি ফায়সালা দেন যে, এর পেটের সন্তানের বদলে একটি পূর্ণ দাস অথবা দাসী দিতে হবে। আর নিহত মেয়েটির জন্য হত্যাকারিণীর আসাবাগণের (অভিভাবকদের) উপর দিয়াত (একশত উট) দেয়ার নির্দেশ দেন এবং এ দিয়াতের ওয়ারিসদের মধ্যে নিহত মহিলার সন্তান ও তাদের সঙ্গে অন্য যারা অংশীদার রয়েছে তাদের শামিল করেন। এরূপ ফায়সালার জন্য হামাল বিন নাবিগাহ আল-হুযালী বলল: হে আল্লাহর রসূল! এমন সন্তানের জন্য আমার উপর জরিমানা কেন হবে, যে পান করেনি, খাদ্য খায়নি, কথা বলেনি এবং কান্নাকাটিও করেনি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছন্দযুক্ত কথার জন্য তাকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ এ তো (দেখছি) গণকদের ভাই।[1]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: اقْتَتَلَتِ امْرَأَتَانِ مِنْ هُذَيْلٍ, فَرَمَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى بِحَجَرٍ, فَقَتَلَتْهَا وَمَا فِي بَطْنِهَا, فَاخْتَصَمُوا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّ دِيَةَ جَنِينِهَا: غُرَّةٌ; عَبْدٌ أَوْ وَلِيدَةٌ, وَقَضَى بِدِيَةِ الْمَرْأَةِ عَلَى عَاقِلَتِهَا. وَوَرَّثَهَا وَلَدَهَا وَمَنْ مَعَهُمْ. فَقَالَ حَمَلُ بْنُ النَّابِغَةِ الْهُذَلِيُّ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! كَيْفَ يَغْرَمُ مَنْ لَا شَرِبَ, وَلَا أَكَلَ, وَلَا نَطَقَ, وَلَا اسْتَهَلَّ, فَمِثْلُ ذَلِكَ يُطَلُّ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا هَذَا مِنْ إِخْوَانِ الْكُهَّانِ» ; مِنْ أَجْلِ سَجْعِهِ الَّذِي سَجَعَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (5758)، ومسلم (1681) (36) واللفظ لمسلم


Abu Hurairah (RAA) narrated “Two woman of the tribe of Hudhail fought with each other and one of them threw a stone at the other. In this way she killed the woman and what was in her womb (as she was pregnant). Their dispute was presented to the Prophet (ﷺ) who ordained that the Diyah (blood money) of the unborn child, is a male or a female slave of the best quality. He also decided that the Diyah of the woman is to be paid by her relatives (the one who killed) on her father’s side. The Messenger of Allah (ﷺ) also ordained that her inheritance (of the woman who killed as she died later) be for her sons and husband (and not for her relatives who had to pay the Diyah). Hamal bin An-Nabighah Al-Hudhaili then said, ‘O Messenger of Allah! Why should I pay the Diyah for one who neither drank nor ate nor spoke, nor cried (i.e. the dead fetus), such a creature is not entitled to blood money.’ The Messenger of Allah (ﷺ) then said, “This man is one of the brothers of the soothsayers,” on account of the rhymed speech which he used, concerning the dead fetus.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ 'শিবহে আমাদ' (ইচ্ছাকৃত হত্যার অনুরুপ হত্যা) হত্যা প্রসঙ্গ এবং ভ্রুণ হত্যার পণ

১১৬৯। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; উমার (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ভ্ৰমণ সম্পর্কিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ফয়সালায় কে উপস্থিত ছিল? বৰ্ণনাকারী বলেন, অতঃপর হামাল ইবনু নাবিগা দাঁড়িয়ে বলেন: আমি দু’টি রমণির মধ্যে ছিলাম তাদের একজন অন্যজনকে মেরেছিল। ঘটনাটি সংক্ষেপে বর্ণনা করলেন।[1]

وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ: مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ; أَنَّ عُمَرَ - رضي الله عنه - سَأَلَ مَنْ شَهِدَ قَضَاءَ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي الْجَنِينِ قَالَ: فَقَامَ حَمَلُ بْنُ النَّابِغَةِ, فَقَالَ: كُنْتُ بَيْنَ امْرَأَتَيْنِ, فَضَرَبَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى ... فَذَكَرَهُ مُخْتَصَرًا. وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ

-

صحيح. رواه أبو داود (4572)، والنسائي (81 - 22) وأيضا ابن ماجة (2641)، وابن حبان (5989)، والحاكم (3/ 575) بسند صحيح، وتمامه: «بمسطح، فقتلتها وجنينها، فقضى النبي صلى الله عليه وسلم في جنينها بغرة، وأن تقتل بها». وزاد الحاكم: فقال عمر: الله أكبر. لو لم نسمع بهذا ما قضينا بغيره


Abu Dawud and An-Nasa’i narrated on the authority of Ibn ’Abbas that 'Umar (RAA) asked about the judgment of the Prophet (ﷺ) concerning the Diyah of the dead fetus. Hamal bin An-Nabighah Al-Hudhaili then got up and said, “I was between the two women. One of them struck the other with a stone, killing her and what was in her womb. So the Messenger of Allah (ﷺ) ordained....” (as above). Ibn Hibban and al-Hakim graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ দাঁতের মতোই অন্যান্য অঙ্গের কিসাস সাব্যস্ত হবে

১১৭০। আনাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। আনাসের ফুফু রুবাঈ এক বাঁদির সম্মুখ দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। এরপর বাঁদির কাছে রুবাঈয়ের লোকজন ক্ষমা চাইলে বাঁদির লোকেরা অস্বীকার করে। তখন তাদের কাছে দিয়াত পেশ করা হল, তখন তা তারা গ্রহণ করল না। অগত্যা তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে এসে ঘটনা জানাল। কিন্তু কিসাস ব্যতীত অন্য কিছু গ্ৰহণ করতে তারা অস্বীকার করল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসাসের নির্দেশ দিলেন। তখন আনাস ইবনু নযর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! রুবাঈদের সামনের দাঁত ভাঙ্গা হবে? না, যে সত্তা আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন তাঁর শপথ, তার দাঁত ভাঙ্গা হবে না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আনাস! আল্লাহর কিতাব তো কিসাসের নির্দেশ দেয়। এরপর বাঁদির লোকেরা রাযী হয়ে যায় এবং রুবাঈ’কে ক্ষমা করে দেয়। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আল্লাহর বান্দাদের মাঝে এমন মানুষও আছে যিনি আল্লাহর নামে শপথ করলে আল্লাহ তা পূরণ করেন।[1]

وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ - عَمَّتَهُ - كَسَرَتْ ثَنِيَّةَ جَارِيَةٍ, فَطَلَبُوا إِلَيْهَا الْعَفْوَ, فَأَبَوْا, فَعَرَضُوا الْأَرْشَ, فَأَبَوْا, فَأَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَأَبَوْا إِلَّا الْقِصَاصَ, فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - بِالْقِصَاصِ, فَقَالَ أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَتُكْسَرُ ثَنِيَّةُ الرُّبَيِّعِ? لَا, وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ, لَا تُكْسَرُ ثَنِيَّتُهَا, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «يَا أَنَسُ! كِتَابُ اللَّهِ: الْقِصَاصُ». فَرَضِيَ الْقَوْمُ, فَعَفَوْا, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ

-

صحيح. رواه البخاري (2703)، ومسلم (1675)


Anas narrated that Ar-Rubai’ bint An-Nadr (his aunt) broke the incisor teeth of a girl. The family of Ar·Rubai' asked the family of the girl to pardon her, but they refused. They then offered them Arsh, (as compensation) but they also refused. They came to the Messenger of Allah (ﷺ) asking for Qisas, and he gave orders that they should take their Qisas from Ar-Rubai'. Anas bin An-Nadr then came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said, ‘O Messenger ofAllah! Will the incisor tooth of Ar-Rubai' be broken? No, by Him Who sent you with the truth, her incisor tooth will not be broken. The Messenger of Allah (ﷺ) then said to him, “Anas! Allah’s decree is equal retaliation.” But the family of the girl agreed to pardon Ar-Rubai'. The Messenger of Allah (ﷺ) then said, “Among Allah’s servants are those who if they swear by Allah (for something), Allah will consent to their oath.” Agreed upon, and the wording is from Al·Bukhari.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ লোকেদের মধ্যে পড়ে যে নিহত হয় আর তার হত্যাকারী কে তা জানা যায় না

১১৭১। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অজ্ঞাত অবস্থার মধ্যে নিহত হয় অথবা পাথর ছোঁড়াছুঁড়ি হচ্ছে এমন সময় পাথরের আঘাতে নিহত হয় অথবা কোড়া বা লাঠির আঘাতে নিহত হয়, তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুলক্রমে হত্যা করার অনুরূপ দিয়াত বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ লাগবে। আর যাকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয় সে ক্ষেত্রে কিসাস (জানের বদলে জান) নেয়ার হাক্বদার হবে। আর যে কিসাস কায়িম করার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করবে (সুপারিশ বা অন্য উপায় দ্বারা) তার উপরে আল্লাহর লানত বৰ্ষিত হবে।[1]

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قُتِلَ فِي عِمِّيَّا أَوْ رِمِّيَّا بِحَجَرٍ, أَوْ سَوْطٍ, أَوْ عَصًا, فَعَلَيْهِ عَقْلُ الْخَطَإِ, وَمِنْ قُتِلَ عَمْدًا فَهُوَ قَوَدٌ, وَمَنْ حَالَ دُونَهُ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, بِإِسْنَادٍ قَوِيٍّ

-

حسن. رواه أبو داود (4540)، والنسائي (8/ 39 - 40 و 40)، وابن ماجه (3635)، من طريق سليمان بن كثير العبدي، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن ابن عباس، مرفوعا به. وتمامه: «والملائكة والناس أجمعين، لا يقبل الله منه صرفا ولا عدلا». قلت: وسليمان بن كثير فيه كلام وهو من رجال الشيخين، ويخشى من روايته عن الزهري، وهذه ليس منها، فلا أقل من أن يكون حسن الحديث. والله أعلم


Ibn ’Abbas (RAA) narrated that The Messenger of Allah (ﷺ) said:
“If anyone is killed and his killer is not known, or was killed with a stone, a whip or with a stick (i.e. killed by mistake but with a deliberate injury) his Diyah will be that of killing by mistake (manslaughter). As for whoever killed deliberately, retaliation is due (from the one who killed him). Anyone who tries to prevent taking Qisas (from the killer) may Allah curse him.” Related by Abu Dawud, An-Nasa’i and Ibn Majah with a strong chain of narrators.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ আটককারী এবং হত্যাকারীর শান্তি

১১৭২। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যখন কোন লোক কোন লোককে ধরে রাখে ও অন্য লোক তাকে হত্যা করে তখন হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে। আর যে ধরে রাখে তাকে (যাবজ্জীবন) কারাদন্ড দিতে হবে।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا أَمْسَكَ الرَّجُلُ الرَّجُلَ, وَقَتَلَهُ الْآخَرُ, يُقْتَلُ الَّذِي قَتَلَ, وَيُحْبَسُ الَّذِي أَمْسَكَ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ مَوْصُولًا وَمُرْسَلًا, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْقَطَّانِ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ, إِلَّا أَنَّ الْبَيْهَقِيَّ رَجَّحَ الْمُرْسَلَ

-

صحيح. وهو مخرج في «الأقضية النبوية» لابن الطلاع ص (8 منسوختي)


Ibn 'Umar (RAA) narrated that The Messenger of Allah (ﷺ) said:
“If a man holds another man so that a third man can kill the seized one, then the one who killed is to be killed (in Qisas) and the one who seized the killed one is to be imprisoned.” Related by Ad-Daraqutni. Ibn al-Qattan graded it as Sahih and its narrators are trustworthy.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ চুক্তিবদ্ধ কাফিরকে হত্যার অপরাধে মুসলমানকে হত্যা করার বিধান

১১৭৩। আব্দুর রহমান ইবনু বাইলামানী (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন মুসলিমকে হত্যা করেছিলেন- যিম্মী কাফিরকে হত্যা করার অপরাধে। এবং বলেছিলেন, আমি (অঙ্গিকার) পালনকারীদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি। দারাকুত্বনী ইবনু উমারের উল্লেখপূর্বক একে মাওসুল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাওসূল সানাদটি দুর্বল।[1]

وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَتَلَ مُسْلِمًا بِمَعَاهِدٍ. وَقَالَ: «أَنَا أَوْلَى مَنْ وَفَى بِذِمَّتِهِ». أَخْرَجَهُ عَبْدُ الرَّزَّاقِ هَكَذَا مُرْسَلًا
وَوَصَلَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, بِذِكْرِ اِبْنِ عُمَرَ فِيهِ, وَإِسْنَادُ الْمَوْصُولِ وَاهٍ

-

ضعيف جدا. والمرسل رواه عبد الرزاق (1001 / رقم 18514) عن الثوري، عن ربيعة، عن ابن البيلماني به. وهذا فضلا عن إرساله، فمرسله ضعيف لا يحتج به، فقد قال الدارقطني: «ابن البيلماني ضعيف لا تقوم به حجة إذا وصل الحديث، فكيف بما يرسله؟!». وأما الموصول: فرواه الدارقطني (334 - 13565) من طريق إبراهيم بن محمد الأسلمي، عن ربيعة، عن ابن البيلماني، عن ابن عمر، به. وقال الدارقطني: «لم يسنده غير إبراهيم بن أبي يحيى، وهو متروك الحديث». قلت: بل كذبه بعضهم، وابن البيلماني ضعيف. وثم علة أخرى، وهي نكارة هذا المتن إذ يعارض الحديث الصحيح المتقدم برقم (1163) وهو قوله صلى الله عليه وسلم: لا يقتل مسلم بكافر


’Abdur Rahman bin Al-Bailamani narrated that The Messenger of Allah (ﷺ) killed a Muslim who killed a Mu'ahid who had made a covenant with the Muslims, and said, “I am closest to the ones who keep their covenants of protection.” Related by 'Abdur Razzaq.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ একজনের হত্যার বদলে সকলকে হত্যা করার প্রসঙ্গে

১১৭৪। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; একটি বালককে গোপনে হত্যা করা হয়। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি গোটা সান’আবাসী এতে অংশ নিত তাহলে আমি তাদেরকে হত্যা করতাম।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قُتِلَ غُلَامٌ غِيلَةً, فَقَالَ عُمَرُ: «لَوِ اشْتَرَكَ فِيهِ أَهْلُ صَنْعَاءَ لَقَتَلْتُهُمْ بِهِ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ

-

صحيح. رواه البخاري (6896) وليس عنده لفظ: به


Ibn ’Umar (RAA) narrated, ‘A young boy was murdered deceitfully. 'Umar (RAA) thereupon said, ‘If all the people of San'a’ (in Yemen) participated in killing him, I would kill them all.’ Related by al-Bukhari.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ নিহতের অভিভাবকদের কিসাস এবং দিয়াত- এ দুটোর কোন একটির সুযোগ দেওয়া

১১৭৫। আবূ শুরাইহ খুযাঈ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার এ ঘোষণার পর কোন খুনের বদলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ (দিয়াত) গ্ৰহণ করবে, নয় সে প্রাণদন্ডের (কিসাসের) দাবী করবে।[1]

وَعَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «فَمَنْ قُتِلَ لَهُ قَتِيلٌ بَعْدَ مَقَالَتِي هَذِهِ, فَأَهْلُهُ بَيْنَ خِيَرَتَيْنِ: إِمَّا أَنْ يَأْخُذُوا الْعَقْلِ أَوْ يَقْتُلُوا». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ

-

صحيح. رواه أبو داود (4504)، والترمذي (1406) بسند صحيح. وقال الترمذي: «حديث حسن صحيح». «تنبيه» قوله: رواه النسائي، وهم من الحافظ رحمه الله، وإنما رواه من أصحاب السنن الترمذي كما ترى، ويؤكد ذلك عدم عزو المزي (925) الحديث للنسائي


Abil Shuraih Al-Khaza'i (RAA) narrated that The Messenger of Allah (ﷺ) said:
“If the relative of one of you is killed after my speech, his family has one of two choices: ‘Either they take his Diyah or kill the killer.” Related by Abu Dawud and An-Nasa’i.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ শুরায়হ্ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ নিহতের অভিভাবকদের কিসাস এবং দিয়াত- এ দুটোর কোন একটির সুযোগ দেওয়া

১১৭৬। এর মূল বক্তব্যটি অনুরূপ অর্থে হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বুখারী ও মুসলিমে বিদ্যমান আছে।[1]

وَأَصْلُهُ فِي «الصَّحِيحَيْنِ» مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ بِمَعْنَاهُ

-

رواه البخاري (6880)، ومسلم (1355) عن أبي هريرة من حديث طويل، وفيه: «ومن قتل له قتيل، فهو بخير النظرين؛ إما أن يُودَى، وإما أن يقاد» لفظ البخاري. ولفظ مسلم: إما أن يفدى، وإما أن يقتل


A similar narration is transmitted by Al-Bukhari and Muslim on the authority of Abu Hurairah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)

পরিচ্ছেদঃ ১. (দিয়াতের) আর্থিক দণ্ডের বিধান - দিয়াতের পরিমাণসমূহ

১১৭৭। আবূ বকর তার পিতা মুহাম্মাদ হতে তিনি তার দাদা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামান প্রদেশের অধিবাসীবৃন্দকে লিখেছিলেন ঐ হাদীসে (ঐ পত্রে) এটাও লিখেছিলেন-এটা নিশ্চিত যে, কেউ যদি কোন মুমিন মুসলিমকে বিনা অপরাধে হত্যা করে এবং ঐ হত্যা প্রমাণিত হয় তবে তাতে প্রাণদন্ড হবে; কিন্তু নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণ যদি অন্য কোনভাবে (ক্ষমা করতে বা ক্ষতিপূরণ নিতে) রাজি হয় তবে তার প্রাণদন্ড হবে না। প্রাণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে একশত উট দেয়া হবে। নাক যদি সম্পপূর্ণরূপে কেটে ফেলা হয় তবে তাতে একশত উট দেয়া হবে; জিহ্বা কেটে ফেলা হলে পূর্ণ দিয়াত (১০০ উট) দেয়া হবে; উভয় ঠোঁট কেটে ফেলা হলে পুর্ণ দিয়াত দিতে হবে; পুরুষাঙ্গ কাটা হলে পূর্ণ খেসারত (১০০ উট) দেয়া হবে; উভয় অন্ডকোষ নষ্ট করা হলে পূর্ণ দিয়াত লাগবে; এবং মেরুদন্ড ভেঙ্গে ফেললে পূর্ণ দিয়াত লাগবে। (একটা অন্ডকোষের জন্য ৫০টি উট দেয়া।) উভয় চক্ষু নষ্ট করা হলে একশত উট দেয়া হবে।

তারপর এক পায়ের জন্য অর্ধেক এবং অর্ধেক মাথার আঘাত প্রাপ্ত হলে এক তৃতীয়াংশ দিয়াত দিতে হবে; পেটে কিছু বিদ্ধ করা হলে (যদি তা পেটের ভিতরে গিয়ে পৌছে।) তবে এক তৃতীয়াংশ দিয়াত দিতে হবে; আঘাতের জন্য হাড় ভেঙ্গে গেলে বা স্থানান্তরিত হয়ে গেলে ১৫টি উট, হাত পায়ের আঙ্গুলগুলোর যে কোন ১টির জন্য ১০টি উট, একটি দাঁতের জন্য ৫টি উট, যে আঘাতের ফলে মাথা ও মুখ ছাড়া হাড় ঠেলে উঠে বা অন্য কোন কারণে দৃশ্যমান হয়ে উঠে তাতে ৫টি উট দেয়া হবে।

তারপর এটাও নিশ্চিত যে, (কোন পুরুষ কোন রমণীকে হত্যা করে তবে) নিহত স্ত্রীলোকের কারণে হত্যাকারী অপরাধী পুরুষকে হত্যা করা হবে। হত্যাকারীর যদি স্বর্ণমুদ্রা থাকে। তবে সে এক হাজার দিনার (স্বর্ণমাদ্রা) নিহতের ওয়ারিসকে প্রদান করবে।

হাদীসটি আবূ দাউদতার মুরসাল সানাদের হাদীগুলোর মধ্যে রিওয়ায়াত করেছেন। নাসাঈ, ইবনু খুযাইমাহ, ইবনুল হিব্বান, আহমদ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর সহীহ হওয়া প্রসঙ্গে মুহাদ্দিসগণের মতভেদ রয়েছে। (মুরসাল সানাদ প্রসঙ্গে এরূপ অভিমত, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে হাদীসটি ফুকাহাগণের নিকটে স্বীকৃতি লাভ করেছে ও এ হাদীসের উপর আমল হয়ে আসছে।)[1]

عَنْ أَبِي بَكْرٍ بْنِ مُحَمَّدٍ بْنِ عَمْرِوِ بْنِ حَزْمٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ ... فَذَكَرَ الْحَدِيثَ, وَفِيهِ: «أَنَّ مَنِ اعْتَبَطَ مُؤْمِنًا قَتْلًا عَنْ بَيِّنَةٍ, فَإِنَّهُ قَوَدٌ, إِلَّا أَنْ يَرْضَى أَوْلِيَاءُ الْمَقْتُولِ, وَإِنَّ فِي النَّفْسِ الدِّيَةَ مِائَةً مِنْ الْإِبِلِ, وَفِي الْأَنْفِ إِذَا أُوعِبَ جَدْعُهُ الدِّيَةُ, وَفِي اللِّسَانِ الدِّيَةُ, وَفِي الشَّفَتَيْنِ الدِّيَةُ, وَفِي الذَّكَرِ الدِّيَةُ, وَفِي الْبَيْضَتَيْنِ الدِّيَةُ, وَفِي الصُّلْبِ الدِّيَةُ, وَفِي الْعَيْنَيْنِ الدِّيَةُ, وَفِي الرِّجْلِ الْوَاحِدَةِ نِصْفُ الدِّيَةِ, وَفِي الْمَأْمُومَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ, وَفِي الْجَائِفَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ, وَفِي الْمُنَقِّلَةِ خَمْسَ عَشْرَةَ مِنَ الْإِبِلِ, وَفِي كُلِّ إِصْبَعٍ مِنْ أَصَابِعِ الْيَدِ وَالرِّجْلِ عَشْرٌ مِنَ الْإِبِلِ, وَفِي السِّنِّ خَمْسٌ مِنَ الْإِبِلِ وَفِي الْمُوضِحَةِ خَمْسٌ مِنَ الْإِبِلِ, وَإِنَّ الرَّجُلَ يُقْتَلُ بِالْمَرْأَةِ, وَعَلَى أَهْلِ الذَّهَبِ أَلْفُ دِينَارٍ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي «الْمَرَاسِيلِ» وَالنَّسَائِيُّ, وَابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ الْجَارُودِ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَأَحْمَدُ, وَاخْتَلَفُوا فِي صِحَّتِهِ

-

ضعيف؛ لإرساله، ولأنه من رواية سليمان بن أرقم، وهو متروك، وفي الحديث كلام كثير، وقد فصلت القول فيه في الأصل


Abu Bakr bin Muhammad bin 'Amro bin Hazm narrated on the authority of his father on the authority of his grandfather (RAA) that ‘The Messenger of Allah (ﷺ) wrote to the people of Yemen (mentioning the hadith which included), ‘Whoever kills a believer deliberately for no reason or a crime that he committed, he should be killed (in retaliation), unless the family of the murdered person agrees to take Diyah (blood money). The Diyah for a life is a hundred camels. Full blood money (i.e. total Diyah of 100 camels) is paid for the total cut off of each of the following:

the nose, the eyes, the tongue, the lips, the penis, the testicles and the backbone. For the cutting off of one leg; half a Diyah is paid (i.e. 50 camels). For a head injury a third of the Diyah is paid, for a stab which penetrates the body, one third of the Diyah, for a blow which breaks a bones or dislocates it, 15 camels. For each finger or toe, 10 camels are paid. For each tooth five camels are paid. For a wound which exposes a bone five camels are paid. A man is killed in Qisas for killing a woman. For those who possess gold, they should pay the equivalent of the 100 camels which is fixed as one thousand Dinars.’ Related by Abu Dawud in his book “al-Marasil”, an-Nasa'i, Ibn Khuzaimah, Ibn al-Garud, Ibn Hibban and Ahmad, but they disagreed regarding its authenticity.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ৯ঃ অপরাধ প্রসঙ্গ (كتاب الجنايات)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৪৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 পরের পাতা »