খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 15 টি

পরিচ্ছেদঃ ২. আযানের শব্দ গুলো দুই-দুইবার এবং ইকামাতের শব্দগুলো قد قامت الصلواة ছাড়া একবার বলা

৭২৬। মুহাম্মদ ইবনু হাতিম (রহঃ) … খালিদ আল হাযযা থেকে উক্ত সনদে বর্ণিত আছে যে, যখন লোকজন বেশী হয়ে গেল তখন তারা সালাত (নামায/নামাজ)-এর ওয়াক্ত জানিয়ে দেয়ার আলোচনা করল। এরপর সাকাফীর হাদীস-এর অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে এতেأَنْ يُنَوِّرُوا نَارًا এর স্থলেأَنْ يُورُوا نَارًا উল্লেখ রয়েছে।

باب الأَمْرِ بِشَفْعِ الأَذَانِ وَإِيتَارِ الإِقَامَةِ ‏

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ لَمَّا كَثُرَ النَّاسُ ذَكَرُوا أَنْ يُعْلِمُوا ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ الثَّقَفِيِّ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ أَنْ يُورُوا نَارًا ‏.‏


This hadith is transmitted by Khalid Hadhdha with the same chain of transmitters (and the words are): When the majority of the people discussed they should know, like the hadith narrated by al-Thaqafi (mentioned above) except for the words:" They (the people) should kindle fire."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. ইমামতির জন্য কে বেশী যোগ্য

১৪১২। আবূ সাঈদ আল-আশাজ্জ (রহঃ) ... খালিদ আল হাযযা (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে যে, হাযযা (রহঃ) বলেছেন, তারা উভয়ে কুরআন পাঠে প্রায় সমান ছিলেন।

باب مَنْ أَحَقُّ بِالإِمَامَةِ

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، - يَعْنِي ابْنَ غِيَاثٍ - حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَزَادَ قَالَ الْحَذَّاءُ وَكَانَا مُتَقَارِبَيْنِ فِي الْقِرَاءَةِ ‏.‏


This hadith has been narrated with the same chain of transmitters, but al-Hadra' made this addition: " They both were equal in recitation."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করে দেওয়া ও মৃত্যুকালে তার জন্য দু'আ করা

২০০৩। মুহাম্মাদ ইবনু মূসা কাত্তান ওয়াসিতী (রহঃ) ... খালিদুল হাযযা (রহঃ) এ সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, তার উত্তরাধিকারীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি নিযুক্ত কর এবং বলেছেন, হে আল্লাহ! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। কিন্তু তিনিافْسَحْ لَهُ শব্দ বলেন নি। তিনি আরো বলেন যে, খালিদুল হাযযা (রহঃ) বলেছেন, ছটি দু’আর পর সপ্তম আরেকটি দুআ করেছিলেন, যা আমি ভুলে গেছি।

باب فِي إِغْمَاضِ الْمَيِّتِ وَالدُّعَاءِ لَهُ إِذَا حُضِرَ

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُثَنَّى بْنُ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ وَاخْلُفْهُ فِي تَرِكَتِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ أَوْسِعْ لَهُ فِي قَبْرِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلِ ‏"‏ افْسَحْ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ قَالَ خَالِدٌ الْحَذَّاءُ وَدَعْوَةٌ أُخْرَى سَابِعَةٌ نَسِيتُهَا ‏.‏


This hadith has been narrated by Khalid al Hadhdha' with the same chain of transmitters but with this alteration that he said: (O Allah! ) let Thee be the caretaker of what is left by him, and he said: Grant him expansion of the grave, but he did not say: Make his grave spacious. Khalid said: He supplicated for the seventh (thing too) which I have forgotten.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬. সুন্নাতের অনুসরণ করা জরুরী।

৪৫৩৭. আবদুল্লাহ ইবন জাররাহ (রহঃ) ..... খালিদ হাযযা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি হাসান বসরী (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিঃ হে আবূ সাঈদ! আমাকে বলুন, আদম (আঃ)-কে কি আসমানের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না যমীনের জন্য? তিনি বলেনঃ তাকে যমীনের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল। আমি বলিঃ যদি তিনি গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতেন এবং নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল ভক্ষণ না করতেন? তিনি বলেনঃ এ ছাড়া তার গত্যন্তর ছিল না, (কেননা, তাঁর তাকদীরে এরূপ লেখা ছিল)। আমি বলি, আপনি আমাকে এ আয়াত সম্পর্কে বলুনঃ শয়তান তোমাদের কাউকে গুমরাহ করতে পারে না, তবে তাকে, যে জাহান্নামের যাবে। তিনি বলেনঃ অবশ্যই শয়তান তার গুমরাহীতে কাউকে আবদ্ধ করতে পারে না, তবে তাকে, যার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম অবধারিত করেছেন।

باب فِي لُزُومِ السُّنَّةِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَرَّاحِ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، قَالَ قُلْتُ لِلْحَسَنِ يَا أَبَا سَعِيدٍ أَخْبِرْنِي عَنْ آدَمَ، لِلسَّمَاءِ خُلِقَ أَمْ لِلأَرْضِ قَالَ لاَ بَلْ لِلأَرْضِ ‏.‏ قُلْتُ أَرَأَيْتَ لَوِ اعْتَصَمَ فَلَمْ يَأْكُلْ مِنَ الشَّجَرَةِ قَالَ لَمْ يَكُنْ لَهُ مِنْهُ بُدٌّ ‏.‏ قُلْتُ أَخْبِرْنِي عَنْ قَوْلِهِ تَعَالَى ‏(‏ مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ * إِلاَّ مَنْ هُوَ صَالِ الْجَحِيمِ ‏)‏ قَالَ إِنَّ الشَّيَاطِينَ لاَ يَفْتِنُونَ بِضَلاَلَتِهِمْ إِلاَّ مَنْ أَوْجَبَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَحِيمَ ‏.‏


Khalid al-Hadhdha said: I said to al-Hasan: Abu Sa’id, tell me about Adam. Was he created for the heaven or the earth? He said: No, for the earth. I said: It was unavoidable for him. I said: Tell me about the following verse of the Quran: ”can lead (any) into temptation concerning Allah, except such as are (themselves) going to blazing fire.” He said: The devils do not lead anyone astray by their temptation except the one whom Allah destined to go to Hell.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬. সুন্নাতের অনুসরণ করা জরুরী।

৪৫৩৯. আবূ কামিল (রহঃ) .... খালিদ হাযযা (রহঃ) বলেনঃ আমি হাসান (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি, এ আয়াতের অর্থ কি? যেখানে বলা হয়েছেঃ শয়তান তোমাদের কাউকে গুমরাহ করতে পারে না, তবে যে জাহান্নামে যাবে, (তার কথা স্বতন্ত্র)। তিনি বলেনঃ অবশ্যই শয়তান তার গুমরাহীর ফাঁদে তাকেই আবদ্ধ করবে, যার জন্য আল্লাহ্‌ জাহান্নাম ওয়াজিব করেছেন।

باب فِي لُزُومِ السُّنَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، قَالَ قُلْتُ لِلْحَسَنِ ‏(‏ مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ * إِلاَّ مَنْ هُوَ صَالِ الْجَحِيمِ ‏)‏ قَالَ إِلاَّ مَنْ أَوْجَبَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ أَنَّهُ يَصْلَى الْجَحِيمَ ‏.‏


Khalid al-Hadhdha asked al-Hasan about the Quranic verse: “Can lead (any) into temptation concerning Allah, except such as are (themselves) going to the blazing fire.” He said: Except the one whom Allah destined that he should go to Hell.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১৩. পশ্চাদ্দার দিয়ে মহিলাদের নিকট গমণ করা

১১৬৭. খালিদ আল হাজ্জা হতে বর্ণিত, [“অতএব তোমরা যেভাবেই ইচ্ছা তোমাদের ক্ষেতে গমণ কর।” (সুরা বাকারা: ২২৩)] (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) ’ইকরিমাহ রাহি. বলেন, ‘স্ত্রীলোকের দাঁড়ানো কিংবা বসা অবস্থায়, সামনে থেকে কিংবা পিছন থেকে, যে অবস্থায়ই চায়, সেভাবেই সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে পারে।[1]

بَاب إِتْيَانِ النِّسَاءِ فِي أَدْبَارِهِنَّ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ عِكْرِمَةَ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ قَالَ يَأْتِي أَهْلَهُ كَيْفَ شَاءَ قَائِمًا وَقَاعِدًا وَبَيْنَ يَدَيْهَا وَمِنْ خَلْفِهَا


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২০. দাসীর ইসতিবরা’আ’

১২১১. খালিদ আল হাজ্জা থেকে বর্ণিত, আবী কিলাবাহ রাহি. বলেন, (তা) তিন মাস।[1]

بَاب اسْتِبْرَاءِ الْأَمَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ ثَلَاثَةُ أَشْهُرٍ


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা

৩১৮৯. খালিদ আল হাজ্জা হতে বর্ণিত, এক স্ত্রীলোক তার এক পুত্র রেখে মৃত্যু বরণ করে, ফলে তার সে পুত্র তার সম্পদ ও কয়েকটি দাস ওয়ারিস সূত্রে লাভ করে। এরপর স্ত্রীলোকের সে পুত্রটি মৃত্যুবরণ করে- এ সম্পর্কে আবী কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, এ মহিলার আসাবা (নিকটাত্মীয়)-গণের নিকট এ দাসদের মালিকানা প্রত্যাবর্তিত হবে।[1]

باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ فِي امْرَأَةٍ مَاتَتْ وَتَرَكَتْ بَنِيهَا فَوَرِثُوهَا مَالًا وَمَوَالِيَ ثُمَّ مَاتَ بَنُوهَا قَالَ يَرْجِعُ الْوَلَاءُ إِلَى عَصَبَةِ الْمَرْأَةِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. আযানের শব্দগুলো দু’বার করে এবং ইকামাতের শব্দগুলো একবার করে

৭২৬-(৪/...) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... খালিদ আল হাযযা হতে উল্লেখিত সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন লোকসংখ্যা বেড়ে গেল, সাহাবাগণ সালাতের সময় জানানোর একটি উপায় খুঁজে বের করার জন্যে পরস্পর আলোচনা করলেন ..... অতঃপর সাকাকী-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। এ বর্ণনায় أَنْ يُنَوِّرُوا نَارًا শব্দের পরিবর্তেأَنْ يُورُوا نَارًا শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে। (অর্থাৎ "আগুন জ্বালানো হোক" উভয় শব্দের অর্থ একই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৩৯)

باب الأَمْرِ بِشَفْعِ الأَذَانِ وَإِيتَارِ الإِقَامَةِ ‏

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ لَمَّا كَثُرَ النَّاسُ ذَكَرُوا أَنْ يُعْلِمُوا ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ الثَّقَفِيِّ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ أَنْ يُورُوا نَارًا ‏.‏


This hadith is transmitted by Khalid Hadhdha with the same chain of transmitters (and the words are): When the majority of the people discussed they should know, like the hadith narrated by al-Thaqafi (mentioned above) except for the words:" They (the people) should kindle fire."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে?

১৪২৫-(.../...) আবূ সাঈদ ইবনু আল আশাজ্জ (রহঃ) ..... খালিদ আল হাযযা (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে হাফস ইবনু গিয়াস এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেন যে, হাযযা (রহঃ) বলেছেন, তারা উভয়ে (মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস এবং তার বন্ধু) কিরআতের ব্যাপারে সমকক্ষ ছিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪১০, ইসলামীক সেন্টার ১৪২১)

باب مَنْ أَحَقُّ بِالإِمَامَةِ

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، - يَعْنِي ابْنَ غِيَاثٍ - حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَزَادَ قَالَ الْحَذَّاءُ وَكَانَا مُتَقَارِبَيْنِ فِي الْقِرَاءَةِ ‏.‏


This hadith has been narrated with the same chain of transmitters, but al-Hadra' made this addition: " They both were equal in recitation."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪. মাইয়্যিতের দৃষ্টি বন্ধ করা এবং মৃত্যু উপস্থিত হলে তার জন্য দুআ করা

২০১৬-(৮/...) মুহাম্মাদ ইবনু মূসা আল কাত্ত্বান আল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... খালিদ আল হাযযা (রহঃ) একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ব্যতিক্রম এই যে, এ সূত্রে বলেছেন, "তার পরিবার পরিজনদের অভিভাবক হও।" এছাড়া বলেছেন, তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও কিন্তু "আফসিহ" শব্দটি এ বর্ণনায় নেই। খালিদ আল হাযযা এ কথাটুকুও বর্ণনা করেছেন, সপ্তম অন্য আরেকটি দু'আ আছে যা আমি ভুলে গেছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০০০, ইসলামীক সেন্টার ২০০৭)

باب فِي إِغْمَاضِ الْمَيِّتِ وَالدُّعَاءِ لَهُ إِذَا حُضِرَ

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُثَنَّى بْنُ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ وَاخْلُفْهُ فِي تَرِكَتِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ أَوْسِعْ لَهُ فِي قَبْرِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلِ ‏"‏ افْسَحْ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ قَالَ خَالِدٌ الْحَذَّاءُ وَدَعْوَةٌ أُخْرَى سَابِعَةٌ نَسِيتُهَا ‏.‏


This hadith has been narrated by Khalid al Hadhdha' with the same chain of transmitters but with this alteration that he said: (O Allah! ) let Thee be the caretaker of what is left by him, and he said: Grant him expansion of the grave, but he did not say: Make his grave spacious. Khalid said: He supplicated for the seventh (thing too) which I have forgotten.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. সুন্নাত অনুসরণে আহবান

৪৬১৪। খালিদ আল-হাযযা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরো বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোনো উপায় ছিলো না। আমি বললাম, আল্লাহর বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুনঃ ‘‘তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত’’ (সূরা আস-সাফফাতঃ ১৬২-৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।[1]

সনদ হাসান মাকতু।

بَابُ لُزُومِ السُّنَّةِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَرَّاحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، قَالَ: قُلْتُ لِلْحَسَنِ: يَا أَبَا سَعِيدٍ، أَخْبِرْنِي عَنْ آدَمَ، أَلِلسَّمَاءِ خُلِقَ أَمْ لِلْأَرْضِ؟ قَالَ: لَا، بَلْ لِلْأَرْضِ، قُلْتُ: أَرَأَيْتَ لَوْ اعْتَصَمَ فَلَمْ يَأْكُلْ مِنَ الشَّجَرَةِ؟ قَالَ: لَمْ يَكُنْ لَهُ مِنْهُ بُدٌّ، قُلْتُ: أَخْبِرْنِي عَنْ قَوْلِهِ تَعَالَى (مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ. إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ) [الصافات: ١٦٣] الْجَحِيمِ قَالَ: إِنَّ الشَّيَاطِينَ لَا يَفْتِنُونَ بِضَلَالَتِهِمْ إِلَّا مَنْ أَوْجَبَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَحِيمَ

حسن الإسناد مقطوع


Khalid al-Hadhdha said: I said to al-Hasan: Abu Sa’id, tell me about Adam. Was he created for the heaven or the earth? He said: No, for the earth. I said: It was unavoidable for him. I said: Tell me about the following verse of the Quran: ”can lead (any) into temptation concerning Allah, except such as are (themselves) going to blazing fire.” He said: The devils do not lead anyone astray by their temptation except the one whom Allah destined to go to Hell.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. সুন্নাত অনুসরণে আহবান

৪৬১৬। খালিদ আল-হাযযা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে ‘‘তোমরা কেউই কাউকে আল্লাহ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।’’ এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শুধু তাদেরকেই শয়তান পথভ্রষ্ট করতে পারবে যাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাকে আল্লাহ অবধারিত করেছেন।[1]

সনদ সহীহ মাকতু।

بَابُ لُزُومِ السُّنَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، قَالَ: قُلْتُ لِلْحَسَنِ: (مَا أَنْتُمْ عَلَيْهِ بِفَاتِنِينَ. إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ) [الصافات: ١٦٣] الْجَحِيمِ قَالَ: إِلَّا مَنْ أَوْجَبَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ أَنَّهُ يَصْلَى الْجَحِيمَ

صحيح الإسناد مقطوع


Khalid al-Hadhdha asked al-Hasan about the Quranic verse: “Can lead (any) into temptation concerning Allah, except such as are (themselves) going to the blazing fire.” He said: Except the one whom Allah destined that he should go to Hell.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯. কিবলামুখী হয়ে পায়খানায় বসা

১৬০(৪). আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আল-জামাল (রহঃ) ... খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তারা উমার ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, আমি বালেগ হওয়ার পর থেকে কখনও কিবলাকে সামনে বা পিছনে রেখে পায়খানা-পেশাব করিনি। ইরাক ইবনে মালেক (রহঃ) তখন তার নিকট উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতে পারলেন যে, একদল লোক কিবলাকে সামনে অথবা পিছনে রেখে পায়খানা-পেশাব করা অপছন্দ করে। তিনি তার শৌচাগারের পাদানি কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিলেন এবং তদনুযায়ী তা ফিরিয়ে দেয়া হলো। এ হাদীস পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।

بَابُ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ فِي الْخَلَاءِ

نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْجَمَّالُ ، نَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، نَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ ، نَا الْقَاسِمُ بْنُ مُطَيَّبٍ ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ ، قَالَ : كَانُوا عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، فَقَالَ : مَا اسْتَقْبَلْتُ الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ مُذْ كُنْتُ رَجُلًا . وَعِرَاكُ بْنُ مَالِكٍ عِنْدَهُ ، فَقَالَ عِرَاكٌ : قَالَتْ عَائِشَةُ : بَلَغَ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَنَّ قَوْمًا يَكْرَهُونَهُ ، فَأَمَرَ بِمَقْعَدَتِهِ فَحُوِّلَتْ إِلَى الْقِبْلَةِ . وَهَذَا مِثْلُهُ . تَابَعَهُ يَحْيَى بْنُ مَطَرٍ ، عَنْ خَالِدٍ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯. নামাযের ওয়াক্তসমূহ এবং এ সম্পর্কিত হাদীস বর্ণনায় মতভেদ।

৯৮০(১৯). আল-কাযী আবু উমার (রহঃ) ... খালিদ আল-হাযযা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল-হাসান, ইবনে সীরীন ও আবু কিলাবা (রহঃ) আসর (আসরকে) নামকরণ করেন।

بَابُ ذِكْرِ بَيَانِ الْمَوَاقِيتِ وَاخْتِلَافِ الرِّوَايَاتِ فِي ذَلِكَ

حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو عُمَرَ ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الرَّبِيعِ ، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ : " أَنَّ الْحَسَنَ وَابْنَ سِيرِينَ وَأَبَا قِلَابَةَ كَانُوا يُمْسُونَ بِالْعَصْرِ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৫ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে