মুয়াত্তা মালিক ৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১. কিরায সম্বন্ধে রেওয়ায়ত

রেওয়ায়ত ১. যায়দ ইবন আসলাম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর দুই পুত্র আবদুল্লাহ ও উবায়দুল্লাহ্ জিহাদের উদ্দেশ্যে এক কাফেলার সহিত ইরাক যাত্রা করিলেন। ফিরিবার সময় তাহারা আবু মূসা আশ'আরী (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। তিনি তখন বসরার আমীর ছিলেন। তিনি তাহাদের স্বাগতম জানাইয়া বলিলেন, যদি আমি তোমাদের কোন উপকার করিতে পারিতাম তাহা হইলে নিশ্চয়ই তাহা করিতাম। ঠিক আছে আমার নিকট আল্লাহর কিছু সম্পদ রহিয়াছে, আমি উহা আমীরুল মুমিনীনের নিকট পাঠাইতে ইচ্ছা করিয়াছি। আমি উহা তোমাদিগকে দিয়া দিতেছি। তোমরা উহা দ্বারা ইরাক হইতে কিছু বস্তু খরিদ করিয়া লও, পরে উহা মদীনায় বিক্রয় করিয়া কিছু মুনাফা অর্জন করিতে পার। তাহারা বলিলেন, আমরাও তাহাই চাহিতেছি। পরে আবু মূসা তাহাই করিলেন এবং উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে লিখিয়া পাঠাইলেন যে, তাহাদের নিকট হইতে মূলধন লইয়া লইবেন। তাহারা মদীনায় পৌছিয়া ঐ বস্তু বিক্রয় করিয়া অনেক মুনাফা অর্জন করিলেন। মূল অর্থ লইয়া উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হইলেন। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) জিজ্ঞাসা করিলেন, আবু মূসা কি প্রত্যেক সৈনিককে এত অর্থ ঋণ দিয়াছেন? তাহারা বললেন, না। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বললেন, তিনি তোমাদিগকে আমীরুল মু'মিনীনের পুত্র হিসাবে এই অর্থ দিয়াছেন। তোমরা মূল অর্থ এবং মুনাফা উভয়টাই আদায় কর। শুনিয়া আবদুল্লাহ তো চুপ করিয়া রহিলেন। কিন্তু উবায়দুল্লাহ বলিলেন, আমীরুল মু'মিনীন, আপনার এইরূপ করা উচিত হইবে না। কারণ যদি এই অর্থ নষ্ট হইয়া যাইত বা ক্ষতি হইত, তবে আমরা উহার জন্য জিম্মাদার হইতাম। উমর (রাঃ) বলিলেন, না তোমরা সমস্তই দিয়া দাও। আবদুল্লাহ চুপই রহিলেন কিন্তু উবায়দুল্লাহ্ তাহার উক্তির পুনরাবৃত্তি করিলেন। তখন উমর (রাঃ)-এর উপদেষ্টা (আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ) বলিলেন, আমীরুল মু'মিনীন! এই ব্যাপারকে বা’য়ই-মুযারাবা সাব্যস্ত করিতে পারেন, ইহাই উত্তম হইবে। উমর (রাঃ) বলিলেন, উহাই সাব্যস্ত করিলাম। পরে তিনি মূলধন এবং অর্ধেক মুনাফা গ্রহণ করিলেন আর অর্ধেক মুনাফা গ্রহণ করিলেন আবদুল্লাহ ও উবায়দুল্লাহ।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاضِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ خَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ وَعُبَيْدُ اللَّهِ ابْنَا عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فِي جَيْشٍ إِلَى الْعِرَاقِ فَلَمَّا قَفَلَا مَرَّا عَلَى أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ وَهُوَ أَمِيرُ الْبَصْرَةِ فَرَحَّبَ بِهِمَا وَسَهَّلَ ثُمَّ قَالَ لَوْ أَقْدِرُ لَكُمَا عَلَى أَمْرٍ أَنْفَعُكُمَا بِهِ لَفَعَلْتُ ثُمَّ قَالَ بَلَى هَاهُنَا مَالٌ مِنْ مَالِ اللَّهِ أُرِيدُ أَنْ أَبْعَثَ بِهِ إِلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فَأُسْلِفُكُمَاهُ فَتَبْتَاعَانِ بِهِ مَتَاعًا مِنْ مَتَاعِ الْعِرَاقِ ثُمَّ تَبِيعَانِهِ بِالْمَدِينَةِ فَتُؤَدِّيَانِ رَأْسَ الْمَالِ إِلَى أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَيَكُونُ الرِّبْحُ لَكُمَا فَقَالَا وَدِدْنَا ذَلِكَ فَفَعَلَ وَكَتَبَ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنْ يَأْخُذَ مِنْهُمَا الْمَالَ فَلَمَّا قَدِمَا بَاعَا فَأُرْبِحَا فَلَمَّا دَفَعَا ذَلِكَ إِلَى عُمَرَ قَالَ أَكُلُّ الْجَيْشِ أَسْلَفَهُ مِثْلَ مَا أَسْلَفَكُمَا قَالَا لَا فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ابْنَا أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ فَأَسْلَفَكُمَا أَدِّيَا الْمَالَ وَرِبْحَهُ فَأَمَّا عَبْدُ اللَّهِ فَسَكَتَ وَأَمَّا عُبَيْدُ اللَّهِ فَقَالَ مَا يَنْبَغِي لَكَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ هَذَا لَوْ نَقَصَ هَذَا الْمَالُ أَوْ هَلَكَ لَضَمِنَّاهُ فَقَالَ عُمَرُ أَدِّيَاهُ فَسَكَتَ عَبْدُ اللَّهِ وَرَاجَعَهُ عُبَيْدُ اللَّهِ فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ جُلَسَاءِ عُمَرَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ لَوْ جَعَلْتَهُ قِرَاضًا فَقَالَ عُمَرُ قَدْ جَعَلْتُهُ قِرَاضًا فَأَخَذَ عُمَرُ رَأْسَ الْمَالِ وَنِصْفَ رِبْحِهِ وَأَخَذَ عَبْدُ اللَّهِ وَعُبَيْدُ اللَّهِ ابْنَا عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ نِصْفَ رِبْحِ الْمَالِ

حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أنه قال خرج عبد الله وعبيد الله ابنا عمر بن الخطاب في جيش إلى العراق فلما قفلا مرا على أبي موسى الأشعري وهو أمير البصرة فرحب بهما وسهل ثم قال لو أقدر لكما على أمر أنفعكما به لفعلت ثم قال بلى هاهنا مال من مال الله أريد أن أبعث به إلى أمير المؤمنين فأسلفكماه فتبتاعان به متاعا من متاع العراق ثم تبيعانه بالمدينة فتؤديان رأس المال إلى أمير المؤمنين ويكون الربح لكما فقالا وددنا ذلك ففعل وكتب إلى عمر بن الخطاب أن يأخذ منهما المال فلما قدما باعا فأربحا فلما دفعا ذلك إلى عمر قال أكل الجيش أسلفه مثل ما أسلفكما قالا لا فقال عمر بن الخطاب ابنا أمير المؤمنين فأسلفكما أديا المال وربحه فأما عبد الله فسكت وأما عبيد الله فقال ما ينبغي لك يا أمير المؤمنين هذا لو نقص هذا المال أو هلك لضمناه فقال عمر أدياه فسكت عبد الله وراجعه عبيد الله فقال رجل من جلساء عمر يا أمير المؤمنين لو جعلته قراضا فقال عمر قد جعلته قراضا فأخذ عمر رأس المال ونصف ربحه وأخذ عبد الله وعبيد الله ابنا عمر بن الخطاب نصف ربح المال


Malik related to me from Zayd ibn Aslam that his father said, "Abdullah and Ubaydullah, the sons of Umar ibn al-Khattab went out with the army to Iraq. On the way home, they passed by Abu Musa al- Ashari who was the amir of Basra. He greeted them and made them welcome, and told them that if there was anything he could do to help them, he would do it. Then he said, 'There is some of the property of Allah which I want to send to the amir al-muminin, so I will lend it to you, and you can buy wares from Iraq and sell them in Madina. Then give the principal to the amir al-muminin, and you keep the profit.' They said that they would like to do it, and so he gave them the money and wrote to Umar ibn al-Khattab to take the money from them. When they came to sell they made a profit, and when they paid the principal to Umar he asked, 'Did he lend everyone in the army the like of what he lent you?' They said, 'No.' Umar ibn al-Khattab said, 'He made you the loan, because you are the sons of the amir al-muminin, so pay the principal and the profit.' Abdullah was silent. Ubaydullah said, 'You do not need to do this, amir al-muminin. Had the principal decreased or been destroyed, we would have guaranteed it.' Umar said, 'Pay it.' Abdullah was silent, and Ubaydullah repeated it. A man who was sitting with Umar said, 'Amir al-muminin, better that you make it a qirad. 'Umar said, 'I have made it qirad.' Umar then took the principal and half of the profit, and Abdullah and Ubaydullah, the sons of Umar ibn al-Khattab took half of the profit."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১. কিরায সম্বন্ধে রেওয়ায়ত

রেওয়ায়ত ২. আলী ইবন আবদির রহমান তাহার পিতার মধ্যস্থতায় তাহার দাদা হইতে বর্ণনা করেন, উসমান ইবন আফফান (রাঃ) তাহাকে কিরায বা মুযারাবার উপর মাল দিয়াছিলেন যে, সে পরিশ্রম করিবে আর মুনাফা উভয়ে ভাগ করিয়া লইবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاضِ

وَحَدَّثَنِي مَالِك عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ أَعْطَاهُ مَالًا قِرَاضًا يَعْمَلُ فِيهِ عَلَى أَنَّ الرِّبْحَ بَيْنَهُمَا

وحدثني مالك عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن جده أن عثمان بن عفان أعطاه مالا قراضا يعمل فيه على أن الربح بينهما


Malik related to me from al-Ala ibn Abd ar-Rahman from his father from his father that Uthman ibn Affan gave him some money as qirad to use provided the profit was shared between them.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ২. কোন কোন মুযারাবা বৈধ

রেওয়ারত ৩. মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুযারাবাত বা শরীকী কারবার এইভাবে বৈধ যে, কেহ কাহারও নিকট হইতে এই শর্তে টাকা নেয় যে, সে শ্রম ও মেহনত করিবে। ক্ষতি হইলে সে দায়ী থাকিবে না। সফরে খাওয়া-দাওয়া এবং বহন খরচ ও অন্যান্য বৈধ খরচ ঐ মাল হইতে নিয়ম মাফিক ব্যয় করা হইবে মূলধন অনুযায়ী। অবশ্য অর্থ গ্রহণকারী আবাসে থাকিলে মূলধন হইতে ব্যয় করিতে পারবে না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি অর্থ গ্রহণকারী অর্থদাতাকে, অর্থদাতা অর্থ গ্রহণকারীকে তাহার শ্রমের পরিমাণ মতো কোন শর্ত ব্যতীত সাহায্য করে তবে তাহাতে কোন ক্ষতি নাই। যদি অর্থদাতা অর্থ গ্রহণকারী হইতে শর্ত ব্যতীত কোন বস্তু খরিদ করে তবে ইহাতেও কোন ক্ষতি নাই।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে এবং স্বীয় দাসকে শরীকী কারবারের জন্য অর্থ দেয় এবং এই শর্ত করে যে, উভয়ই ইহাতে কাজ করিবে, তবে তাহা জায়েয আছে। কারণ নির্ধারিত লভ্যাংশের মালিক ক্রীতদাস হইবে, তাহার প্রভু উহা ছিনাইয়া লইতে পরিবে না, এই মালের স্বত্বাধিকারী ক্রীতদাসই থাকিবে।

بَاب مَا يَجُوزُ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ مَالِك وَجْهُ الْقِرَاضِ الْمَعْرُوفِ الْجَائِزِ أَنْ يَأْخُذَ الرَّجُلُ الْمَالَ مِنْ صَاحِبِهِ عَلَى أَنْ يَعْمَلَ فِيهِ وَلَا ضَمَانَ عَلَيْهِ وَنَفَقَةُ الْعَامِلِ فِي الْمَالِ فِي سَفَرِهِ مِنْ طَعَامِهِ وَكِسْوَتِهِ وَمَا يُصْلِحُهُ بِالْمَعْرُوفِ بِقَدْرِ الْمَالِ إِذَا شَخَصَ فِي الْمَالِ إِذَا كَانَ الْمَالُ يَحْمِلُ ذَلِكَ فَإِنْ كَانَ مُقِيمًا فِي أَهْلِهِ فَلَا نَفَقَةَ لَهُ مِنْ الْمَالِ وَلَا كِسْوَةَ قَالَ مَالِك وَلَا بَأْسَ بِأَنْ يُعِينَ الْمُتَقَارِضَانِ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا صَاحِبَهُ عَلَى وَجْهِ الْمَعْرُوفِ إِذَا صَحَّ ذَلِكَ مِنْهُمَا قَالَ مَالِك وَلَا بَأْسَ بِأَنْ يَشْتَرِيَ رَبُّ الْمَالِ مِمَّنْ قَارَضَهُ بَعْضَ مَا يَشْتَرِي مِنْ السِّلَعِ إِذَا كَانَ ذَلِكَ صَحِيحًا عَلَى غَيْرِ شَرْطٍ قَالَ مَالِك فِيمَنْ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ وَإِلَى غُلَامٍ لَهُ مَالًا قِرَاضًا يَعْمَلَانِ فِيهِ جَمِيعًا إِنَّ ذَلِكَ جَائِزٌ لَا بَأْسَ بِهِ لِأَنَّ الرِّبْحَ مَالٌ لِغُلَامِهِ لَا يَكُونُ الرِّبْحُ لِلسَّيِّدِ حَتَّى يَنْتَزِعَهُ مِنْهُ وَهُوَ بِمَنْزِلَةِ غَيْرِهِ مِنْ كَسْبِهِ

قال مالك وجه القراض المعروف الجائز أن يأخذ الرجل المال من صاحبه على أن يعمل فيه ولا ضمان عليه ونفقة العامل في المال في سفره من طعامه وكسوته وما يصلحه بالمعروف بقدر المال إذا شخص في المال إذا كان المال يحمل ذلك فإن كان مقيما في أهله فلا نفقة له من المال ولا كسوة قال مالك ولا بأس بأن يعين المتقارضان كل واحد منهما صاحبه على وجه المعروف إذا صح ذلك منهما قال مالك ولا بأس بأن يشتري رب المال ممن قارضه بعض ما يشتري من السلع إذا كان ذلك صحيحا على غير شرط قال مالك فيمن دفع إلى رجل وإلى غلام له مالا قراضا يعملان فيه جميعا إن ذلك جائز لا بأس به لأن الربح مال لغلامه لا يكون الربح للسيد حتى ينتزعه منه وهو بمنزلة غيره من كسبه


Malik said, "The recognised and permitted form of qirad is that a man take capital from an associate to use. He does not guarantee it and in travelling pays out of the capital for food and clothes and what he makes good use of, according to the amount of capital. That is, when he travels to do the work and the capital can support it. If he remains with his people, he does not have expenses or clothing from the capital."

Malik said, "There is no harm in the two parties in a qirad helping each other by way of a favour when it is acceptable to them both."

Malik said, "There is no harm in the investor of the capital buying some of the goods from the agent in the qirad if that is acceptable and without conditions."

Malik spoke about an investor making a qirad loan to a man and his slave, to be used by both. He said, "That is permitted, and there is no harm in it because the profit is property for his slave, and the profit is not for the master until he takes it from him. It is like the rest of his earnings."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ৩. অবৈধ মুযারাবা

রেওয়ারত ৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ কাহারও নিকট করযের টাকা পাওনা থাকে আর যাহার নিকট টাকা পাওনা রহিয়াছে সে বলিল, তোমার যে টাকা আমার নিকট রহিয়াছে, তাহা আমার নিকট শরীকী কারবারে থাকিতে দাও ইহা অবৈধ বরং প্রথমে টাকা উশুল করিয়া লওয়া উচিত, পরে তাহার ইচ্ছা হইলে শরীকী কারবারে ঐ টাকা দিতেও পারে, নাও দিতে পারে। কেননা টাকা উশুল করার পূর্বে উহাকে শরীকী কারবারে দিলে উহাতে সুদ হওয়ার আশংকা রহিয়াছে, যেমন দাতা তাহাকে সময় দেওয়ার পরিবর্তে ঋণ বাড়াইয়া দিল।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ কাহাকেও শরীকী কারবারের জন্য টাকা দেয় এবং ব্যবসা আরম্ভ করিবার পূর্বেই কিছু টাকা নষ্ট হইয়া যায়, অতঃপর বাকী টাকা দ্বারা ব্যবসা করিয়া ঐ অবশিষ্ট টাকাকেই মূলধন ধরিয়া লভ্যাংশের আধা-আধি ভাগ করিয়া নেয়, তবে ইহা অবৈধ বরং প্রথমে সম্পূর্ণ মূলধন তাহার পরিশোধ করিতে হইবে, পরে যদি কিছু টাকা অবশিষ্ট থাকে উহাকে মুনাফা ধরিয়া ভাগ করিয়া নিবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ শরীকী কারবার স্বর্ণ, রৌপ্য ইত্যাদিতে জায়েয, অন্য আসবাব বৈধ নহে, কিন্তু যদি কারবারে বা ক্রয়-বিক্রয়ে কিছু অসুবিধা দেখা দেয় যাহা শোধরান কষ্টকর হয়, তবে বৈধ হইবে, কিন্তু সুদ ইহার ব্যতিক্রম, কেননা উহার কম-বেশি সবই হারাম, কোন প্রকারেই জায়েয নহে। আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ

وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَالِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ

অর্থাৎ যদি তোমরা সুদের কারবার হইতে তওবা কর, তবে তোমাদের জন্য মূলধন রহিয়াছে। না তোমরা কাহারও উপর জুলুম করিবে, আর না কেহ তোমাদের উপর জুলুম করবে। (বাকারাঃ ২৭৯)

بَاب مَا لَا يَجُوزُ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ مَالِك إِذَا كَانَ لِرَجُلٍ عَلَى رَجُلٍ دَيْنٌ فَسَأَلَهُ أَنْ يُقِرَّهُ عِنْدَهُ قِرَاضًا إِنَّ ذَلِكَ يُكْرَهُ حَتَّى يَقْبِضَ مَالَهُ ثُمَّ يُقَارِضُهُ بَعْدُ أَوْ يُمْسِكُ وَإِنَّمَا ذَلِكَ مَخَافَةَ أَنْ يَكُونَ أَعْسَرَ بِمَالِهِ فَهُوَ يُرِيدُ أَنْ يُؤَخِّرَ ذَلِكَ عَلَى أَنْ يَزِيدَهُ فِيهِ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَهَلَكَ بَعْضُهُ قَبْلَ أَنْ يَعْمَلَ فِيهِ ثُمَّ عَمِلَ فِيهِ فَرَبِحَ فَأَرَادَ أَنْ يَجْعَلَ رَأْسَ الْمَالِ بَقِيَّةَ الْمَالِ بَعْدَ الَّذِي هَلَكَ مِنْهُ قَبْلَ أَنْ يَعْمَلَ فِيهِ قَالَ مَالِك لَا يُقْبَلُ قَوْلُهُ وَيُجْبَرُ رَأْسُ الْمَالِ مِنْ رِبْحِهِ ثُمَّ يَقْتَسِمَانِ مَا بَقِيَ بَعْدَ رَأْسِ الْمَالِ عَلَى شَرْطِهِمَا مِنْ الْقِرَاضِ قَالَ مَالِك لَا يَصْلُحُ الْقِرَاضُ إِلَّا فِي الْعَيْنِ مِنْ الذَّهَبِ أَوْ الْوَرِقِ وَلَا يَكُونُ فِي شَيْءٍ مِنْ الْعُرُوضِ وَالسِّلَعِ وَمِنْ الْبُيُوعِ مَا يَجُوزُ إِذَا تَفَاوَتَ أَمْرُهُ وَتَفَاحَشَ رَدُّهُ فَأَمَّا الرِّبَا فَإِنَّهُ لَا يَكُونُ فِيهِ إِلَّا الرَّدُّ أَبَدًا وَلَا يَجُوزُ مِنْهُ قَلِيلٌ وَلَا كَثِيرٌ وَلَا يَجُوزُ فِيهِ مَا يَجُوزُ فِي غَيْرِهِ لِأَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ فِي كِتَابِهِ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَالِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ

قال مالك إذا كان لرجل على رجل دين فسأله أن يقره عنده قراضا إن ذلك يكره حتى يقبض ماله ثم يقارضه بعد أو يمسك وإنما ذلك مخافة أن يكون أعسر بماله فهو يريد أن يؤخر ذلك على أن يزيده فيه قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فهلك بعضه قبل أن يعمل فيه ثم عمل فيه فربح فأراد أن يجعل رأس المال بقية المال بعد الذي هلك منه قبل أن يعمل فيه قال مالك لا يقبل قوله ويجبر رأس المال من ربحه ثم يقتسمان ما بقي بعد رأس المال على شرطهما من القراض قال مالك لا يصلح القراض إلا في العين من الذهب أو الورق ولا يكون في شيء من العروض والسلع ومن البيوع ما يجوز إذا تفاوت أمره وتفاحش رده فأما الربا فإنه لا يكون فيه إلا الرد أبدا ولا يجوز منه قليل ولا كثير ولا يجوز فيه ما يجوز في غيره لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه وإن تبتم فلكم رءوس أموالكم لا تظلمون ولا تظلمون


Malik said, "When a man owes money to another man and he asks him to let it stay with him as a quirad, that is disapproved of until the creditor receives his property. Then he can make it a qirad loan or keep it. That is because the debtor may be in a tight situation, and want to delay it to increase it for him."

Malik spoke about an investor who made a qirad loan to a man, and some of the principal was lost before he used it, and then he used it and made a profit. The agent wanted to make the principal the remainder of the money after what was lost from it. Malik said, "His statement is not accepted, and the principal is made up to its original amount from his profit. Then they divide what remains after the principal has been repaid according to the conditions of the qirad."

Malik said, "Qirad loan is only good in gold or silver coin and it is never permitted in any kind of wares or goods or articles."

Malik said, "There are certain transactions which if a long span of time passes after the transaction takes place, its revocation becomes unacceptable. As for usury, there is never anything except its rejection whether it is a little or a lot. What is permitted in other than it is not permitted in it because Allah, the Blessed and the Exalted, said in His Book, 'If you repent, you have your capital back, not wronging and not wronged.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ৪. শরীকী কারবারের বৈধ শর্তসমূহ

রেওয়ায়ত ৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ কাহাকেও শরীকী কারবারের জন্য কিছু অর্থ দেয় আর এই শর্ত করে যে, এই এই মাল ক্রয় করিতে পারবে না। অথবা নির্দিষ্ট করিয়া বলে অমুক পণ্য ক্রয় করিবে না তবে উহা বৈধ। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি নির্দিষ্ট কোন পশু বা পণ্য ক্রয় না করার ঋণগ্রহীতার প্রতি শর্ত আরোপ করা হয় তবে ইহাতে কোন দোষ নাই।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি এই শর্ত আরোপ করে যে, এই প্রকার মালেরই ব্যবসায় করিবে তবে উহা মাকরূহ। হ্যাঁ, যদি সেই মাল প্রত্যেক মৌসুমে বাজারে পর্যন্ত পাওয়া যায় তবে তাহা মাকরূহ নহে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি মূলধন বিনিয়োগকারী নিজের জন্য শরীকী কারবারে কোন নির্দিষ্ট অংক নির্ধারিত করে, যাহাতে অপর শরীকের কোন অধিকার থাকিবে না তাহা এক দিরহামই হউক না কেন তবুও ইহা জায়েয নহে। কেননা হইতে পারে উহার উর্ধ্বে লাভ হইবে না। হ্যাঁ, যদি ব্যবসায়ীর জন্য লাভের অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ বা চতুর্থাংশ বা ইহা হইতে কম-বেশি নির্দিষ্ট করে অবশিষ্ট নিজের জন্য তবে উহা জায়েয। ইহা হইতেছে মুসলিমদের মধ্যে প্রচলিত কিরায পদ্ধতি।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি লভ্যাংশের এক দিরহাম পুঁজি বিনিয়োগকারী নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে যাহাতে অপর শরীকের কোন অধিকার থাকিবে না, অবশিষ্ট লাভ উভয়ের মধ্যে অর্ধেক হারে ভাগ হইবে। তবে শরীকী কারবার অবৈধ হইবে। ইহা মুসলিমদের কিরায-নীতি নহে।

بَاب مَا يَجُوزُ مِنْ الشَّرْطِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا وَشَرَطَ عَلَيْهِ أَنْ لَا تَشْتَرِيَ بِمَالِي إِلَّا سِلْعَةَ كَذَا وَكَذَا أَوْ يَنْهَاهُ أَنْ يَشْتَرِيَ سِلْعَةً بِاسْمِهَا قَالَ مَالِك مَنْ اشْتَرَطَ عَلَى مَنْ قَارَضَ أَنْ لَا يَشْتَرِيَ حَيَوَانًا أَوْ سِلْعَةً بِاسْمِهَا فَلَا بَأْسَ بِذَلِكَ وَمَنْ اشْتَرَطَ عَلَى مَنْ قَارَضَ أَنْ لَا يَشْتَرِيَ إِلَّا سِلْعَةَ كَذَا وَكَذَا فَإِنَّ ذَلِكَ مَكْرُوهٌ إِلَّا أَنْ تَكُونَ السِّلْعَةُ الَّتِي أَمَرَهُ أَنْ لَا يَشْتَرِيَ غَيْرَهَا كَثِيرَةً مَوْجُودَةً لَا تُخْلِفُ فِي شِتَاءٍ وَلَا صَيْفٍ فَلَا بَأْسَ بِذَلِكَ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا وَاشْتَرَطَ عَلَيْهِ فِيهِ شَيْئًا مِنْ الرِّبْحِ خَالِصًا دُونَ صَاحِبِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ لَا يَصْلُحُ وَإِنْ كَانَ دِرْهَمًا وَاحِدًا إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ نِصْفَ الرِّبْحِ لَهُ وَنِصْفَهُ لِصَاحِبِهِ أَوْ ثُلُثَهُ أَوْ رُبُعَهُ أَوْ أَقَلَّ مِنْ ذَلِكَ أَوْ أَكْثَرَ فَإِذَا سَمَّى شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا فَإِنَّ كُلَّ شَيْءٍ سَمَّى مِنْ ذَلِكَ حَلَالٌ وَهُوَ قِرَاضُ الْمُسْلِمِينَ قَالَ وَلَكِنْ إِنْ اشْتَرَطَ أَنَّ لَهُ مِنْ الرِّبْحِ دِرْهَمًا وَاحِدًا فَمَا فَوْقَهُ خَالِصًا لَهُ دُونَ صَاحِبِهِ وَمَا بَقِيَ مِنْ الرِّبْحِ فَهُوَ بَيْنَهُمَا نِصْفَيْنِ فَإِنَّ ذَلِكَ لَا يَصْلُحُ وَلَيْسَ عَلَى ذَلِكَ قِرَاضُ الْمُسْلِمِينَ

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا وشرط عليه أن لا تشتري بمالي إلا سلعة كذا وكذا أو ينهاه أن يشتري سلعة باسمها قال مالك من اشترط على من قارض أن لا يشتري حيوانا أو سلعة باسمها فلا بأس بذلك ومن اشترط على من قارض أن لا يشتري إلا سلعة كذا وكذا فإن ذلك مكروه إلا أن تكون السلعة التي أمره أن لا يشتري غيرها كثيرة موجودة لا تخلف في شتاء ولا صيف فلا بأس بذلك قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا واشترط عليه فيه شيئا من الربح خالصا دون صاحبه فإن ذلك لا يصلح وإن كان درهما واحدا إلا أن يشترط نصف الربح له ونصفه لصاحبه أو ثلثه أو ربعه أو أقل من ذلك أو أكثر فإذا سمى شيئا من ذلك قليلا أو كثيرا فإن كل شيء سمى من ذلك حلال وهو قراض المسلمين قال ولكن إن اشترط أن له من الربح درهما واحدا فما فوقه خالصا له دون صاحبه وما بقي من الربح فهو بينهما نصفين فإن ذلك لا يصلح وليس على ذلك قراض المسلمين


Yahya said that Malik spoke about an investor who made a qirad loan and stipulated to the agent that only certain goods should be bought with his money or he forbade certain goods which he named to be bought. He said, "There is no harm in an investor making a condition on an agent in qirad not to buy a certain kind of animal or goods which he specifies. It is disapproved of for an investor to make as a condition on an agent in qirad that he only buy certain goods unless the goods which he orders him to buy are in plentiful supply and do not fail either in winter or summer. There is no harm in that case."

Malik spoke about an investor who loaned qirad money and stipulated that something of the profit should be his alone without the agent sharing in it. He said, "That is not good, even if it is only one dirham unless he stipulates that half the profit is his and half the profit is the agent's or a third or a fourth or whatever. When he names a percentage, whether great or small, everything specified by that is halal. This is the qirad of the muslims."

He said, "It is also not good if the investor stipulates that one dirham or more of the profit is purely his, with out the agent sharing it and then what remains of the profit is to be divided in half between them. That is not the qirad of the Muslims."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ৫. শরীকী কারবারের অবৈধ শর্তসমূহ

রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ শরীকী কারবারে যে অর্থ দেয় সে যদি লভ্যাংশের কিছু অংশ নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে বা যে ব্যবসা করিবে সে নিজের জন্য কিছু নির্দিষ্ট করিয়া লয় তবে ইহা অবৈধ। শরীকী কারবারের সহিত কোন বস্তু ক্রয়ের, ভাড়া দেওয়ার, করযের অথবা অন্য কোন উপকারের শর্ত করা অবৈধ। তবে কোন শর্ত ব্যতীত নিয়ম মাফিক একে অন্যের সাহায্য করা বৈধ। নিয়ম মুতাবিক লাভ কর্তন ছাড়া একে অন্যের উপর কিছু অতিরিক্ত ধার্য করা অবৈধ, সেই অতিরিক্ত ধার্য করা সোনায়, চাঁদিতে, খাদ্য-সামগ্রীতে বা অন্য কোন কিছুতে হইলেও যদি এইরূপে কোন শর্ত করা হয়, তবে তাহা ইজারা হইয়া যাইবে। আর ইজারা শুধু নির্দিষ্ট ভাড়ার পরিবর্তে বৈধ হইবে। শরীকী কারবারে অর্থ গ্রহীতার পক্ষে কাহাকেও কোন উপকারের পরিবর্তে কিছু দান করা বা ক্রয়কৃত মাল তাওলিয়াতে বিক্রয় করা বা নিজে নির্দিষ্ট কোন বস্তুর অধিকারী হওয়া বৈধ নহে। যদি ব্যবসায়ে লাভ হয় তবে মূলধন পৃথক করার পর উভয়ে শর্ত অনুযায়ী ভাগ করিয়া লইবে। যদি লাভ না হয় বা ক্ষতি হয় তবে ব্যবসায়ী দায়ী হইবে না। নিজের খরচের জন্যও নহে, ক্ষতির জন্যও নহে, বরং ক্ষতি হইবে অর্থ প্রদানকারীর। যদি ব্যবসায়ী এবং অর্থ প্রদানকারী উভয়ে লভ্যাংশের আধা-আধি অথবা প্রথম ব্যক্তি চার ভাগের এক ও দ্বিতীয় ব্যক্তি চার ভাগের এক বা এই ধরনের আর কিছুতে বেশি বা কমের উপর উভয়ে সম্মত হইয়া যায়, তবে শরীকী কারবার বৈধ হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি বর্ণিত শর্ত করে যে, এত দিনের মধ্যে আমার নিকট হইতে মূলধন উঠাইয়া নেওয়া চলিবে না বা শর্ত করে যে, সে এতদিন মূলধন ফিরাইয়া দিতে পারবে না, তবে ইহা অবৈধ হইবে। কেননা শরীকী কারবারে সময়ের শর্ত হইতে পারে না। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী নিজের অর্থ বণিককে দিয়া দেয় আর বণিকের উহা দ্বারা ব্যবসা করা ভাল না লাগে এমতাবস্থায় যদি অর্থ জমা থাকে তবে মূলধনের মালিক উহা ফেরত লইয়া লইবে। আর যদি উহা দ্বারা কোন সামগ্ৰী ইত্যাদি ক্রয় করা হইয়া থাকে তবে পুঁজি বিনিয়োগকারী ঐ সামগ্ৰী লইবে না এবং বণিকও তাহাকে উহা লইতে বাধ্য করিবে না, বরং এ সামগ্ৰী বিক্রয় করিয়া নগদ অর্থ যোগাড় করিবে ও উহা ফেরত দিবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী শর্ত করে যে, উহার যাকাত লভ্যাংশ হইতে দিবে তবে ইহা অবৈধ হইবে। আর পুঁজি বিনিয়োগকারীর পক্ষে এই শর্ত করাও বৈধ হইবে না যে, অমুক ব্যক্তি হইতেই মাল খরিদ করিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী তাহার শরীক ব্যবসায়ীর উপর মালের জন্য দায়ী হইবার শর্ত করে ইহা জায়েয হইবে না। এই অবস্থায় যদি লাভ হয় তাহা হইলে এই দায়িত্বের জন্য অতিরিক্ত কিছুও দেওয়া হইবে না। যদি মাল নষ্ট হইয়া যায় তবে ব্যবসায়ীর উপর দায়িত্বও অর্পিত হইবে না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীর নিকট এই শর্ত আরোপ করে যে, এই মূলধন দ্বারা কিছু খেজুর গাছ বা কোন জন্তু খরিদ করিয়া লইবে আর উহার ফল ও বাচ্চা বিক্রয় করিতে থাকিবে, ঐ গাছ বা জন্তু বিক্রয় করিবে না, তবে উহা বৈধ হইবে না, আর ইহা শরীকী কারবারের নিয়ম নহে। হ্যাঁ, যদি ঐ গাছ বা জন্তু খরিদ করিয়া অন্যান্য সামগ্রীর মতো বিক্রয় করিয়া দেয় তবে তাহা বৈধ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী অর্থ বিনিয়োগকারীর প্রতি শর্ত আরোপ করে যে, আমি মূলধন হইতে একটি দাস খরিদ করিয়া লইব নিজের সাহায্যের জন্য, তবে ইহা বৈধ হইবে। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী এইরূপ অঙ্গীকার না নেয় যে, এই দাস কেবল পণ্যের রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করিবে, অন্য কোন কার্যে সাহায্য করিবে না।

بَاب مَا لَا يَجُوزُ مِنْ الشَّرْطِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك لَا يَنْبَغِي لِصَاحِبِ الْمَالِ أَنْ يَشْتَرِطَ لِنَفْسِهِ شَيْئًا مِنْ الرِّبْحِ خَالِصًا دُونَ الْعَامِلِ وَلَا يَنْبَغِي لِلْعَامِلِ أَنْ يَشْتَرِطَ لِنَفْسِهِ شَيْئًا مِنْ الرِّبْحِ خَالِصًا دُونَ صَاحِبِهِ وَلَا يَكُونُ مَعَ الْقِرَاضِ بَيْعٌ وَلَا كِرَاءٌ وَلَا عَمَلٌ وَلَا سَلَفٌ وَلَا مِرْفَقٌ يَشْتَرِطُهُ أَحَدُهُمَا لِنَفْسِهِ دُونَ صَاحِبِهِ إِلَّا أَنْ يُعِينَ أَحَدُهُمَا صَاحِبَهُ عَلَى غَيْرِ شَرْطٍ عَلَى وَجْهِ الْمَعْرُوفِ إِذَا صَحَّ ذَلِكَ مِنْهُمَا وَلَا يَنْبَغِي لِلْمُتَقَارِضَيْنِ أَنْ يَشْتَرِطَ أَحَدُهُمَا عَلَى صَاحِبِهِ زِيَادَةً مِنْ ذَهَبٍ وَلَا فِضَّةٍ وَلَا طَعَامٍ وَلَا شَيْءٍ مِنْ الْأَشْيَاءِ يَزْدَادُهُ أَحَدُهُمَا عَلَى صَاحِبِهِ قَالَ فَإِنْ دَخَلَ الْقِرَاضَ شَيْءٌ مِنْ ذَلِكَ صَارَ إِجَارَةً وَلَا تَصْلُحُ الْإِجَارَةُ إِلَّا بِشَيْءٍ ثَابِتٍ مَعْلُومٍ وَلَا يَنْبَغِي لِلَّذِي أَخَذَ الْمَالَ أَنْ يَشْتَرِطَ مَعَ أَخْذِهِ الْمَالَ أَنْ يُكَافِئَ وَلَا يُوَلِّيَ مِنْ سِلْعَتِهِ أَحَدًا وَلَا يَتَوَلَّى مِنْهَا شَيْئًا لِنَفْسِهِ فَإِذَا وَفَرَ الْمَالُ وَحَصَلَ عَزْلُ رَأْسِ الْمَالِ ثُمَّ اقْتَسَمَا الرِّبْحَ عَلَى شَرْطِهِمَا فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لِلْمَالِ رِبْحٌ أَوْ دَخَلَتْهُ وَضِيعَةٌ لَمْ يَلْحَقْ الْعَامِلَ مِنْ ذَلِكَ شَيْءٌ لَا مِمَّا أَنْفَقَ عَلَى نَفْسِهِ وَلَا مِنْ الْوَضِيعَةِ وَذَلِكَ عَلَى رَبِّ الْمَالِ فِي مَالِهِ وَالْقِرَاضُ جَائِزٌ عَلَى مَا تَرَاضَى عَلَيْهِ رَبُّ الْمَالِ وَالْعَامِلُ مِنْ نِصْفِ الرِّبْحِ أَوْ ثُلُثِهِ أَوْ رُبُعِهِ أَوْ أَقَلَّ مِنْ ذَلِكَ أَوْ أَكْثَرَ قَالَ مَالِك لَا يَجُوزُ لِلَّذِي يَأْخُذُ الْمَالَ قِرَاضًا أَنْ يَشْتَرِطَ أَنْ يَعْمَلَ فِيهِ سِنِينَ لَا يُنْزَعُ مِنْهُ قَالَ وَلَا يَصْلُحُ لِصَاحِبِ الْمَالِ أَنْ يَشْتَرِطَ أَنَّكَ لَا تَرُدُّهُ إِلَيَّ سِنِينَ لِأَجَلٍ يُسَمِّيَانِهِ لِأَنَّ الْقِرَاضَ لَا يَكُونُ إِلَى أَجَلٍ وَلَكِنْ يَدْفَعُ رَبُّ الْمَالِ مَالَهُ إِلَى الَّذِي يَعْمَلُ لَهُ فِيهِ فَإِنْ بَدَا لِأَحَدِهِمَا أَنْ يَتْرُكَ ذَلِكَ وَالْمَالُ نَاضٌّ لَمْ يَشْتَرِ بِهِ شَيْئًا تَرَكَهُ وَأَخَذَ صَاحِبُ الْمَالِ مَالَهُ وَإِنْ بَدَا لِرَبِّ الْمَالِ أَنْ يَقْبِضَهُ بَعْدَ أَنْ يَشْتَرِيَ بِهِ سِلْعَةً فَلَيْسَ ذَلِكَ لَهُ حَتَّى يُبَاعَ الْمَتَاعُ وَيَصِيرَ عَيْنًا فَإِنْ بَدَا لِلْعَامِلِ أَنْ يَرُدَّهُ وَهُوَ عَرْضٌ لَمْ يَكُنْ ذَلِكَ لَهُ حَتَّى يَبِيعَهُ فَيَرُدَّهُ عَيْنًا كَمَا أَخَذَهُ قَالَ مَالِك وَلَا يَصْلُحُ لِمَنْ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا أَنْ يَشْتَرِطَ عَلَيْهِ الزَّكَاةَ فِي حِصَّتِهِ مِنْ الرِّبْحِ خَاصَّةً لِأَنَّ رَبَّ الْمَالِ إِذَا اشْتَرَطَ ذَلِكَ فَقَدْ اشْتَرَطَ لِنَفْسِهِ فَضْلًا مِنْ الرِّبْحِ ثَابِتًا فِيمَا سَقَطَ عَنْهُ مِنْ حِصَّةِ الزَّكَاةِ الَّتِي تُصِيبُهُ مِنْ حِصَّتِهِ وَلَا يَجُوزُ لِرَجُلٍ أَنْ يَشْتَرِطَ عَلَى مَنْ قَارَضَهُ أَنْ لَا يَشْتَرِيَ إِلَّا مِنْ فُلَانٍ لِرَجُلٍ يُسَمِّيهِ فَذَلِكَ غَيْرُ جَائِزٍ لِأَنَّهُ يَصِيرُ لَهُ أَجِيرًا بِأَجْرٍ لَيْسَ بِمَعْرُوفٍ قَالَ مَالِك فِي الرَّجُلِ يَدْفَعُ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا وَيَشْتَرِطُ عَلَى الَّذِي دَفَعَ إِلَيْهِ الْمَالَ الضَّمَانَ قَالَ لَا يَجُوزُ لِصَاحِبِ الْمَالِ أَنْ يَشْتَرِطَ فِي مَالِهِ غَيْرَ مَا وُضِعَ الْقِرَاضُ عَلَيْهِ وَمَا مَضَى مِنْ سُنَّةِ الْمُسْلِمِينَ فِيهِ فَإِنْ نَمَا الْمَالُ عَلَى شَرْطِ الضَّمَانِ كَانَ قَدْ ازْدَادَ فِي حَقِّهِ مِنْ الرِّبْحِ مِنْ أَجْلِ مَوْضِعِ الضَّمَانِ وَإِنَّمَا يَقْتَسِمَانِ الرِّبْحَ عَلَى مَا لَوْ أَعْطَاهُ إِيَّاهُ عَلَى غَيْرِ ضَمَانٍ وَإِنْ تَلِفَ الْمَالُ لَمْ أَرَ عَلَى الَّذِي أَخَذَهُ ضَمَانًا لِأَنَّ شَرْطَ الضَّمَانِ فِي الْقِرَاضِ بَاطِلٌ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا وَاشْتَرَطَ عَلَيْهِ أَنْ لَا يَبْتَاعَ بِهِ إِلَّا نَخْلًا أَوْ دَوَابَّ لِأَجْلِ أَنَّهُ يَطْلُبُ ثَمَرَ النَّخْلِ أَوْ نَسْلَ الدَّوَابِّ وَيَحْبِسُ رِقَابَهَا قَالَ مَالِك لَا يَجُوزُ هَذَا وَلَيْسَ هَذَا مِنْ سُنَّةِ الْمُسْلِمِينَ فِي الْقِرَاضِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِيَ ذَلِكَ ثُمَّ يَبِيعَهُ كَمَا يُبَاعُ غَيْرُهُ مِنْ السِّلَعِ قَالَ مَالِك لَا بَأْسَ أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُقَارِضُ عَلَى رَبِّ الْمَالِ غُلَامًا يُعِينُهُ بِهِ عَلَى أَنْ يَقُومَ مَعَهُ الْغُلَامُ فِي الْمَالِ إِذَا لَمْ يَعْدُ أَنْ يُعِينَهُ فِي الْمَالِ لَا يُعِينُهُ فِي غَيْرِهِ

قال يحيى قال مالك لا ينبغي لصاحب المال أن يشترط لنفسه شيئا من الربح خالصا دون العامل ولا ينبغي للعامل أن يشترط لنفسه شيئا من الربح خالصا دون صاحبه ولا يكون مع القراض بيع ولا كراء ولا عمل ولا سلف ولا مرفق يشترطه أحدهما لنفسه دون صاحبه إلا أن يعين أحدهما صاحبه على غير شرط على وجه المعروف إذا صح ذلك منهما ولا ينبغي للمتقارضين أن يشترط أحدهما على صاحبه زيادة من ذهب ولا فضة ولا طعام ولا شيء من الأشياء يزداده أحدهما على صاحبه قال فإن دخل القراض شيء من ذلك صار إجارة ولا تصلح الإجارة إلا بشيء ثابت معلوم ولا ينبغي للذي أخذ المال أن يشترط مع أخذه المال أن يكافئ ولا يولي من سلعته أحدا ولا يتولى منها شيئا لنفسه فإذا وفر المال وحصل عزل رأس المال ثم اقتسما الربح على شرطهما فإن لم يكن للمال ربح أو دخلته وضيعة لم يلحق العامل من ذلك شيء لا مما أنفق على نفسه ولا من الوضيعة وذلك على رب المال في ماله والقراض جائز على ما تراضى عليه رب المال والعامل من نصف الربح أو ثلثه أو ربعه أو أقل من ذلك أو أكثر قال مالك لا يجوز للذي يأخذ المال قراضا أن يشترط أن يعمل فيه سنين لا ينزع منه قال ولا يصلح لصاحب المال أن يشترط أنك لا ترده إلي سنين لأجل يسميانه لأن القراض لا يكون إلى أجل ولكن يدفع رب المال ماله إلى الذي يعمل له فيه فإن بدا لأحدهما أن يترك ذلك والمال ناض لم يشتر به شيئا تركه وأخذ صاحب المال ماله وإن بدا لرب المال أن يقبضه بعد أن يشتري به سلعة فليس ذلك له حتى يباع المتاع ويصير عينا فإن بدا للعامل أن يرده وهو عرض لم يكن ذلك له حتى يبيعه فيرده عينا كما أخذه قال مالك ولا يصلح لمن دفع إلى رجل مالا قراضا أن يشترط عليه الزكاة في حصته من الربح خاصة لأن رب المال إذا اشترط ذلك فقد اشترط لنفسه فضلا من الربح ثابتا فيما سقط عنه من حصة الزكاة التي تصيبه من حصته ولا يجوز لرجل أن يشترط على من قارضه أن لا يشتري إلا من فلان لرجل يسميه فذلك غير جائز لأنه يصير له أجيرا بأجر ليس بمعروف قال مالك في الرجل يدفع إلى رجل مالا قراضا ويشترط على الذي دفع إليه المال الضمان قال لا يجوز لصاحب المال أن يشترط في ماله غير ما وضع القراض عليه وما مضى من سنة المسلمين فيه فإن نما المال على شرط الضمان كان قد ازداد في حقه من الربح من أجل موضع الضمان وإنما يقتسمان الربح على ما لو أعطاه إياه على غير ضمان وإن تلف المال لم أر على الذي أخذه ضمانا لأن شرط الضمان في القراض باطل قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا واشترط عليه أن لا يبتاع به إلا نخلا أو دواب لأجل أنه يطلب ثمر النخل أو نسل الدواب ويحبس رقابها قال مالك لا يجوز هذا وليس هذا من سنة المسلمين في القراض إلا أن يشتري ذلك ثم يبيعه كما يباع غيره من السلع قال مالك لا بأس أن يشترط المقارض على رب المال غلاما يعينه به على أن يقوم معه الغلام في المال إذا لم يعد أن يعينه في المال لا يعينه في غيره


Yahya said that Malik said, "The person who puts up the principal must not stipulate that he has something of the profit alone without the agent sharing in it, nor must the agent stipulate that he has something of the profit alone without the investor sharing. In qirad, there is no sale, no rent, no work, no advance, and no convenience which one party specifies to himself without the other party sharing unless one party allows it to the other unconditionally as a favour and that is alright to both. Neither of the parties should make a condition over the other which increases him in gold or silver or food over the other party."

He said, "If any of that enters the qirad, it becomes hire, and hire is only good with known and fixed terms. The agent should not stipulate when he takes the principal that he repay or commission anyone with the goods, nor that he take any of them for himself. When there is a profit, and it is time to separate the capital, then they divide the profit according to the terms of the contract. If the principal does not increase or there is a loss, the agent does not have to make up for what he spent on himself or for the loss. That falls to the investor from the principal. Qirad is permitted upon whatever terms the investor and the agent make a mutual agreement, of half the profit, or a third or a fourth or whatever."

Malik said, "It is not permitted for the agent to stipulate that he use the qirad money for a certain number of years and that it not be taken from him during that time."

He said, "It is not good for the investor to stipulate that the qirad money should not be returned for a certain number of years which are specified, because the qirad is not for a term. The investor loans it to an agent to use for him. If it seems proper to either of them to abandon the project and the money is coin, and nothing has been bought with it, it can be abandoned, and the investor takes his money back. If it seems proper to the investor to take the qirad loan back after goods have been purchased with it, he cannot do so until the buyer has sold the goods and they have become money. If it seems proper to the agent to return the loan, and it has been turned to goods he cannot do so until he has sold them. He returns the loan in cash as he took it."

Malik said, "It is not good for the investor to stipulate that the agent pay any zakat due from his portion of the profit in particular, because the investor by stipulating that, stipulates fixed increase for himself from the profit because the portion of zakat he would be liable for by his portion of the profit, is removed from him.

"It is not permitted for the investor to stipulate to the agent to only buy from so-and-so, referring to a specific man. That is not permitted because by doing so he would become his hireling for a wage."

Malik spoke about an investor in qirad who stipulated a guarantee for an amount of money from the agent, "The investor is not permitted to stipulate conditions about his principal other than the conditions on which qirad is based or according to the precedent of the sunna of the Muslims. If the principal is increased by the condition of guarantee, the investor has increased his share of the profit because of the position of the guarantee. But the profit is only to be divided according to what it would have been had the loan been given without the guarantee. If the principal is destroyed, I do not think that the agent has a guarantee held against him because the stipulation of guarantees in qirad is null and void."

Malik spoke about an investor who gave qirad money to a man and the man stipulated that he would only buy palms or animals with it because he sought to eat the dates or the offspring of the animals and he kept them for some time to use for himself. He said, "That is not permitted. It is not the sunna of the Muslims in qirad unless he buys it and then sells it as other goods are sold."

Malik said, "There is no harm in the agent stipulating on the investor a slave to help him provided that the slave stands to gain along with him out of the investment, and when the slave only helps him with the investment, not with anything else."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ৬. পণ্যদ্রব্য ইত্যাদিতে শরীকী কারবার

রেওয়ায়ত ৭. মালিক (রহঃ) বলেনঃ শরীকী কারবার শুধু সোনা চাঁদিতে হইবে, পণ্যদ্রব্যে হইবে না, কেননা পণ্য সামগ্রীতে শরীকী কারবার দুই প্রকারে হইতে পারে; প্রথমত পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীকে পণ্য সামগ্ৰী দিয়া বলিবে, ইহা বিক্রয় করিয়া ঐ টাকা দিয়া কারবার কর – ইহা বৈধ নহে। কেননা ইহাতে অর্থ বিনিয়োগকারীর এক বিশেষ উপকার এই রহিয়াছে যে, তাহার মাল নির্বিঘ্নে বিক্রয় হইয়া গেল; দ্বিতীয়ত, অর্থ বিনিয়োগকারী পণ্যসামগ্ৰী দিয়া বলিয়া দিল ইহার বিনিময়ে অন্য সামগ্ৰী ক্রয় করিয়া লও এবং ব্যবসা করিতে থাক, যখন লেনদেন শেষ করিতে ইচ্ছা কর তখন এই সামগ্রীর মতো সামগ্ৰী আমাকে বাজার হইতে খরিদ করিয়া দিও। আর যাহা অতিরিক্ত থাকে তাহা আমরা ভাগ করিয়া লইব, তবে ইহাও অবৈধ হইবে। কেননা ইহাতে ধোঁকার আশংকা রহিয়াছে, হয়তো তখন এই মাল অধিক মূল্যে ক্রয় করিতে হইবে। আর সামগ্ৰী দেওয়ার সময় যে দাম ছিল সেই দাম হইতে যদি এখন সস্তা হইয়া গিয়া থাকে, তবে ব্যবসায়ীর সামগ্রীর মূল্যের হ্রাস অনুসারে লাভ করিয়া যাইবে বা আসল ও লাভ সমস্তই তাহা খরিদ করিতে ব্যয় হইয়া যাইবে, আর ব্যবসায়ীর মেহনত বৃথা যাইবে। তবুও যদি কেহ এইরূপ লেনদেন করিয়াই ফেলে তবে ব্যবসায়ীকে প্রথমে সামগ্ৰী বিক্রয়ের নিয়ম মতো পারিশ্রমিক দিতে হইবে। আর যে দিন হইতে মূলধন নগদ টাকা হইল সেইদিন হইতে শরীকী কারবার শুরু হইবে। অতঃপর কারবার শেষ হওয়ার সময় এই পরিমাণ মূলধনই ধরা হইবে।

بَاب الْقِرَاضِ فِي الْعُرُوضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك لَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ أَنْ يُقَارِضَ أَحَدًا إِلَّا فِي الْعَيْنِ لِأَنَّهُ لَا تَنْبَغِي الْمُقَارَضَةُ فِي الْعُرُوضِ لِأَنَّ الْمُقَارَضَةَ فِي الْعُرُوضِ إِنَّمَا تَكُونُ عَلَى أَحَدِ وَجْهَيْنِ إِمَّا أَنْ يَقُولَ لَهُ صَاحِبُ الْعَرْضِ خُذْ هَذَا الْعَرْضَ فَبِعْهُ فَمَا خَرَجَ مِنْ ثَمَنِهِ فَاشْتَرِ بِهِ وَبِعْ عَلَى وَجْهِ الْقِرَاضِ فَقَدْ اشْتَرَطَ صَاحِبُ الْمَالِ فَضْلًا لِنَفْسِهِ مِنْ بَيْعِ سِلْعَتِهِ وَمَا يَكْفِيهِ مِنْ مَئُونَتِهَا أَوْ يَقُولَ اشْتَرِ بِهَذِهِ السِّلْعَةِ وَبِعْ فَإِذَا فَرَغْتَ فَابْتَعْ لِي مِثْلَ عَرْضِي الَّذِي دَفَعْتُ إِلَيْكَ فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَهُوَ بَيْنِي وَبَيْنَكَ وَلَعَلَّ صَاحِبَ الْعَرْضِ أَنْ يَدْفَعَهُ إِلَى الْعَامِلِ فِي زَمَنٍ هُوَ فِيهِ نَافِقٌ كَثِيرُ الثَّمَنِ ثُمَّ يَرُدَّهُ الْعَامِلُ حِينَ يَرُدُّهُ وَقَدْ رَخُصَ فَيَشْتَرِيَهُ بِثُلُثِ ثَمَنِهِ أَوْ أَقَلَّ مِنْ ذَلِكَ فَيَكُونُ الْعَامِلُ قَدْ رَبِحَ نِصْفَ مَا نَقَصَ مِنْ ثَمَنِ الْعَرْضِ فِي حِصَّتِهِ مِنْ الرِّبْحِ أَوْ يَأْخُذَ الْعَرْضَ فِي زَمَانٍ ثَمَنُهُ فِيهِ قَلِيلٌ فَيَعْمَلُ فِيهِ حَتَّى يَكْثُرَ الْمَالُ فِي يَدَيْهِ ثُمَّ يَغْلُو ذَلِكَ الْعَرْضُ وَيَرْتَفِعُ ثَمَنُهُ حِينَ يَرُدُّهُ فَيَشْتَرِيهِ بِكُلِّ مَا فِي يَدَيْهِ فَيَذْهَبُ عَمَلُهُ وَعِلَاجُهُ بَاطِلًا فَهَذَا غَرَرٌ لَا يَصْلُحُ فَإِنْ جُهِلَ ذَلِكَ حَتَّى يَمْضِيَ نُظِرَ إِلَى قَدْرِ أَجْرِ الَّذِي دُفِعَ إِلَيْهِ الْقِرَاضُ فِي بَيْعِهِ إِيَّاهُ وَعِلَاجِهِ فَيُعْطَاهُ ثُمَّ يَكُونُ الْمَالُ قِرَاضًا مِنْ يَوْمَ نَضَّ الْمَالُ وَاجْتَمَعَ عَيْنًا وَيُرَدُّ إِلَى قِرَاضٍ مِثْلِهِ

قال يحيى قال مالك لا ينبغي لأحد أن يقارض أحدا إلا في العين لأنه لا تنبغي المقارضة في العروض لأن المقارضة في العروض إنما تكون على أحد وجهين إما أن يقول له صاحب العرض خذ هذا العرض فبعه فما خرج من ثمنه فاشتر به وبع على وجه القراض فقد اشترط صاحب المال فضلا لنفسه من بيع سلعته وما يكفيه من مئونتها أو يقول اشتر بهذه السلعة وبع فإذا فرغت فابتع لي مثل عرضي الذي دفعت إليك فإن فضل شيء فهو بيني وبينك ولعل صاحب العرض أن يدفعه إلى العامل في زمن هو فيه نافق كثير الثمن ثم يرده العامل حين يرده وقد رخص فيشتريه بثلث ثمنه أو أقل من ذلك فيكون العامل قد ربح نصف ما نقص من ثمن العرض في حصته من الربح أو يأخذ العرض في زمان ثمنه فيه قليل فيعمل فيه حتى يكثر المال في يديه ثم يغلو ذلك العرض ويرتفع ثمنه حين يرده فيشتريه بكل ما في يديه فيذهب عمله وعلاجه باطلا فهذا غرر لا يصلح فإن جهل ذلك حتى يمضي نظر إلى قدر أجر الذي دفع إليه القراض في بيعه إياه وعلاجه فيعطاه ثم يكون المال قراضا من يوم نض المال واجتمع عينا ويرد إلى قراض مثله


Yahya said that Malik said, "No one should make a qirad loan except in coin, because the loan must not be in wares, since loaning wares can only be worked in one of two ways:
Either the owner of the wares says to the borrower, 'Take these wares and sell them. Buy and sell with the capital realized according to qirad.' The investor stipulates increase for himself from the sale of his goods and what relieves him of expenses in selling it. Or else he says, 'Barter with these goods and sell. When you are through, buy for me the like of my goods which I gave you. If there is increase, it is between you and me. 'It may happen that the investor gives the goods to the agent at a time in which they are in demand and expensive, and then the agent returns them while they are cheap and he might have bought them for only a third of the original price or even less than that. The agent then has a profit of half the amount by which the price of the wares has decreased as his portion of the profit. Or he might take the wares at a time when their price is low, and make use of them until he has a lot of money. Then those wares become expensive and their price rises when he returns them, so he buys them for all that he has so that all his work and concern have been in vain. This is an uncertain transaction and is not good. If, however, that is not known until it has happened, then the wage an agent in qirad would be paid for selling that, is looked at and he is given it for his concern. Then the money is qirad from the day the money became cash and collected as coin and it is returned as a qirad like that."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ৭. শরীকী ব্যবসার মালের ভাড়া

রেওয়ায়ত ৮. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী কিছু সামগ্রী খরিদ করিয়া কোন শহরে লইয়া যায় কিন্তু তথায় বিক্রয় করিতে পারিল না, পরে ক্ষতি মনে করিয়া অন্য এক শহরে লইয়া গেল। তথায় লোকসান দিয়া ঐ মাল বিক্রয় করিল আর মূলধন ভাড়া বাবত খরচ হইয়া গেল, তবে ভাড়া পরিশোধ করার পর পুঁজি বিনিয়োগকারীও কিছু পাইবে না এবং ব্যবসায়ীও ক্ষতি বহন করিবে না। আর যদি উহার পরও কিছু ভাড়া বাকী রাখিয়া গেল, তবে উহা ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হইতে দিবে, অর্থ বিনিয়োগকারী থেকে লইতে পারবে না। কারণ অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীকে তাহার দেয় অর্থে ব্যবসা করিতে বলিয়াছে, উহার বাইরে নহে। অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের দায়িত্ব তাহার উপর চাপানো যায় না।

باب الكراء في القراض

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَاشْتَرَى بِهِ مَتَاعًا فَحَمَلَهُ إِلَى بَلَدِ التِّجَارَةِ فَبَارَ عَلَيْهِ وَخَافَ النُّقْصَانَ إِنْ بَاعَهُ فَتَكَارَى عَلَيْهِ إِلَى بَلَدٍ آخَرَ فَبَاعَ بِنُقْصَانٍ فَاغْتَرَقَ الْكِرَاءُ أَصْلَ الْمَالِ كُلَّهُ قَالَ مَالِك إِنْ كَانَ فِيمَا بَاعَ وَفَاءٌ لِلْكِرَاءِ فَسَبِيلُهُ ذَلِكَ وَإِنْ بَقِيَ مِنْ الْكِرَاءِ شَيْءٌ بَعْدَ أَصْلِ الْمَالِ كَانَ عَلَى الْعَامِلِ وَلَمْ يَكُنْ عَلَى رَبِّ الْمَالِ مِنْهُ شَيْءٌ يُتْبَعُ بِهِ وَذَلِكَ أَنَّ رَبَّ الْمَالِ إِنَّمَا أَمَرَهُ بِالتِّجَارَةِ فِي مَالِهِ فَلَيْسَ لِلْمُقَارَضِ أَنْ يَتْبَعَهُ بِمَا سِوَى ذَلِكَ مِنْ الْمَالِ وَلَوْ كَانَ ذَلِكَ يُتْبَعُ بِهِ رَبُّ الْمَالِ لَكَانَ ذَلِكَ دَيْنًا عَلَيْهِ مِنْ غَيْرِ الْمَالِ الَّذِي قَارَضَهُ فِيهِ فَلَيْسَ لِلْمُقَارِضِ أَنْ يَحْمِلَ ذَلِكَ عَلَى رَبِّ الْمَالِ

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاشترى به متاعا فحمله إلى بلد التجارة فبار عليه وخاف النقصان إن باعه فتكارى عليه إلى بلد آخر فباع بنقصان فاغترق الكراء أصل المال كله قال مالك إن كان فيما باع وفاء للكراء فسبيله ذلك وإن بقي من الكراء شيء بعد أصل المال كان على العامل ولم يكن على رب المال منه شيء يتبع به وذلك أن رب المال إنما أمره بالتجارة في ماله فليس للمقارض أن يتبعه بما سوى ذلك من المال ولو كان ذلك يتبع به رب المال لكان ذلك دينا عليه من غير المال الذي قارضه فيه فليس للمقارض أن يحمل ذلك على رب المال


Yahya said that Malik spoke about a man who made a qirad loan to a man and he bought wares with it and transported them to a commercial centre. It was not profitable to sell them and the agent feared a loss if he sold them, so he hired transport to take them to another city, and he sold them there and made a loss, and the cost of the hire was greater than the principal.

Malik said, "If the agent can pay the cost of the hire from what the capital realized, his way is that. Whatever portion of the hire is not covered by the principal, the agent must pay it. The investor is not answerable for any of it. That is because the investor only ordered him to trade with the principal. The investor is not answerable for other than the principal. Had the investor been liable, it would have been an additional loss to him on top of the principal which he invested. The agent cannot put that on to the investor."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ৮. শরীকী কারবারের মালে সীমালংঘন

রেওয়ায়ত ৯. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি শরীকী কারবারে ব্যবসায়ী ব্যবসা করিয়া লাভ করিল। অতঃপর মূলধন বা লভ্যাংশ দ্বারা একটি দাসী খরিদ করিয়া তাহার সহিত সহবাস করিল। ইহাতে সে গর্ভবতী হইল, আর পরবর্তীতে ব্যবসায়ে ক্ষতি হইল তাহা হইলে ব্যবসায়ীর নিজস্ব মাল হইতে ঐ দাসীর মূল্য লইয়া ক্ষতিপূরণ করা হইবে। তারপর অতিরিক্ত মাল দুইজনের মধ্যে বন্টিত হইবে। আর যদি ক্ষতিপূরণ না হয় (ক্ষতিপূরণ করার মতো মাল তাহার না থাকে), তবে ঐ দাসী বিক্রয় করিয়া ক্ষতি পূরণ করা হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী মাল খরিদ করার সময় নিজের পক্ষ হইতে বিনা কারণে উহার মূল্য বাড়াইয়া দেয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করিবে। সে হয় পণ্য সামগ্ৰী ঐভাবে থাকিতে দিবে বা মূলধন হইতে যাহা অতিরিক্ত দেওয়া হইয়াছে, উহা আদায় করিয়া দিবে অথবা ঐ মালে ব্যবসায়ীকে শরীক করিয়া লইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী অন্য কাহাকেও শরীকী কারবারে মাল দিয়া দেয় এবং অর্থ বিনিয়োগকারীর নিকট জিজ্ঞাসা না করিয়া থাকে, তবে সে মালের জন্য দায়ী হইবে। যদি উহাতে ক্ষতি হয়, তবে প্রথমে ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হইতে এই ক্ষতি পূরণ করিবে আর যদি লাভ হয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারী লভ্যাংশ শর্ত মতো আদায় করবে। অতঃপর বাড়তি মালে প্রথম ব্যবসায়ী ও দ্বিতীয় ব্যবসায়ী উভয়ে শরীক হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালের দ্বারা নিজের জন্য কোন কিছু খরিদ করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী ইচ্ছা করিলে উহাতে নিজেও শরীক হইতে পারে বা উহা ছাড়িয়া দিতে পারে এবং নিজের মূলধন ব্যবসায়ী হইতে ফিরাইয়া লইতে পারে। ব্যবসায়ী এই ধরনের যেকোন সীমালংঘন করিলে অর্থ বিনিয়োগকারীর মূলধন ফিরাইয়া লইবার অধিকার থাকিবে।

بَاب التَّعَدِّي فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَعَمِلَ فِيهِ فَرَبِحَ ثُمَّ اشْتَرَى مِنْ رِبْحِ الْمَالِ أَوْ مِنْ جُمْلَتِهِ جَارِيَةً فَوَطِئَهَا فَحَمَلَتْ مِنْهُ ثُمَّ نَقَصَ الْمَالُ قَالَ مَالِك إِنْ كَانَ لَهُ مَالٌ أُخِذَتْ قِيمَةُ الْجَارِيَةِ مِنْ مَالِهِ فَيُجْبَرُ بِهِ الْمَالُ فَإِنْ كَانَ فَضْلٌ بَعْدَ وَفَاءِ الْمَالِ فَهُوَ بَيْنَهُمَا عَلَى الْقِرَاضِ الْأَوَّلِ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ وَفَاءٌ بِيعَتْ الْجَارِيَةُ حَتَّى يُجْبَرَ الْمَالُ مِنْ ثَمَنِهَا قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَتَعَدَّى فَاشْتَرَى بِهِ سِلْعَةً وَزَادَ فِي ثَمَنِهَا مِنْ عِنْدِهِ قَالَ مَالِك صَاحِبُ الْمَالِ بِالْخِيَارِ إِنْ بِيعَتْ السِّلْعَةُ بِرِبْحٍ أَوْ وَضِيعَةٍ أَوْ لَمْ تُبَعْ إِنْ شَاءَ أَنْ يَأْخُذَ السِّلْعَةَ أَخَذَهَا وَقَضَاهُ مَا أَسْلَفَهُ فِيهَا وَإِنْ أَبَى كَانَ الْمُقَارَضُ شَرِيكًا لَهُ بِحِصَّتِهِ مِنْ الثَّمَنِ فِي النَّمَاءِ وَالنُّقْصَانِ بِحِسَابِ مَا زَادَ الْعَامِلُ فِيهَا مِنْ عِنْدِهِ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ أَخَذَ مِنْ رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا ثُمَّ دَفَعَهُ إِلَى رَجُلٍ آخَرَ فَعَمِلَ فِيهِ قِرَاضًا بِغَيْرِ إِذْنِ صَاحِبِهِ إِنَّهُ ضَامِنٌ لِلْمَالِ إِنْ نَقَصَ فَعَلَيْهِ النُّقْصَانُ وَإِنْ رَبِحَ فَلِصَاحِبِ الْمَالِ شَرْطُهُ مِنْ الرِّبْحِ ثُمَّ يَكُونُ لِلَّذِي عَمِلَ شَرْطُهُ بِمَا بَقِيَ مِنْ الْمَالِ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ تَعَدَّى فَتَسَلَّفَ مِمَّا بِيَدَيْهِ مِنْ الْقِرَاضِ مَالًا فَابْتَاعَ بِهِ سِلْعَةً لِنَفْسِهِ قَالَ مَالِك إِنْ رَبِحَ فَالرِّبْحُ عَلَى شَرْطِهِمَا فِي الْقِرَاضِ وَإِنْ نَقَصَ فَهُوَ ضَامِنٌ لِلنُّقْصَانِ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَاسْتَسْلَفَ مِنْهُ الْمَدْفُوعُ إِلَيْهِ الْمَالُ مَالًا وَاشْتَرَى بِهِ سِلْعَةً لِنَفْسِهِ إِنَّ صَاحِبَ الْمَالِ بِالْخِيَارِ إِنْ شَاءَ شَرِكَهُ فِي السِّلْعَةِ عَلَى قِرَاضِهَا وَإِنْ شَاءَ خَلَّى بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا وَأَخَذَ مِنْهُ رَأْسَ الْمَالِ كُلَّهُ وَكَذَلِكَ يُفْعَلُ بِكُلِّ مَنْ تَعَدَّى

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح ثم اشترى من ربح المال أو من جملته جارية فوطئها فحملت منه ثم نقص المال قال مالك إن كان له مال أخذت قيمة الجارية من ماله فيجبر به المال فإن كان فضل بعد وفاء المال فهو بينهما على القراض الأول وإن لم يكن له وفاء بيعت الجارية حتى يجبر المال من ثمنها قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتعدى فاشترى به سلعة وزاد في ثمنها من عنده قال مالك صاحب المال بالخيار إن بيعت السلعة بربح أو وضيعة أو لم تبع إن شاء أن يأخذ السلعة أخذها وقضاه ما أسلفه فيها وإن أبى كان المقارض شريكا له بحصته من الثمن في النماء والنقصان بحساب ما زاد العامل فيها من عنده قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا ثم دفعه إلى رجل آخر فعمل فيه قراضا بغير إذن صاحبه إنه ضامن للمال إن نقص فعليه النقصان وإن ربح فلصاحب المال شرطه من الربح ثم يكون للذي عمل شرطه بما بقي من المال قال مالك في رجل تعدى فتسلف مما بيديه من القراض مالا فابتاع به سلعة لنفسه قال مالك إن ربح فالربح على شرطهما في القراض وإن نقص فهو ضامن للنقصان قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاستسلف منه المدفوع إليه المال مالا واشترى به سلعة لنفسه إن صاحب المال بالخيار إن شاء شركه في السلعة على قراضها وإن شاء خلى بينه وبينها وأخذ منه رأس المال كله وكذلك يفعل بكل من تعدى


Yahya said that Malik spoke about an investor who made a qirad loan to a man, who used it and made a profit. Then the man bought with all the profit a slave-girl and he had intercourse with her and she became pregnant by him, and so the capital decreased. Malik said, "If he has money, the price of the slave-girl is taken from his property, and the capital is restored by it. If there is something left over after the money is paid, it is divided between them according to the first qirad. If he cannot pay it, the slave-girl is sold so that the capital is restored from her price."

Malik spoke about an investor who made a qirad loan to a man, and the agent spent more than the amount of the qirad loan when buying goods with it and paid the increase from his own money. Malik said, "The investor has a choice if the goods are sold for a profit or loss or if they are not sold. If he wishes to take the goods, he takes them and pays the agent back what he put in for them. If the agent refuses, the investor is a partner for his share of the price in increase and decrease according to what the agent paid extra for them from himself."

Malik spoke about an agent who took qirad money from a man and then gave it to another man to use as a qirad without the consent of the investor. He said, "The agent is responsible for the property. If it is decreased, he is responsible for the loss. If there is profit, the investor has his stipulation of the profit, and then the agent has his stipulation of what remains of the money."

Malik spoke about an agent who exceeded and borrowed some of what he had of qirad in money and he bought goods for himself with it. Malik said, "If he has a profit, the profit is divided according to the condition between them in the qirad. If he has a loss, he is responsible for the loss."

Malik said about an investor who paid qirad money to a man, and the agent borrowed some of the cash and bought goods for himself with it, "The investor of the capital has a choice. If he wishes, he shares with him in the goods according to the qirad, and if he wishes, he frees himself of them, and takes all of the principal back from the agent. That is what is done with some one who oversteps."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ৯. শরীকী কারবারে যাহা ব্যয় করা বৈধ

রেওয়ায়ত ১০. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি শরীকী কারবারের মাল এত অধিক হয় যে, খরচের বোঝা উঠাইতে সক্ষম তবে ব্যবসায়ী উহা হইতে সফরে স্বীয় খোরাক-পোশাক নিয়ম মতো লইতে পারে। যদি তাহার একজনের পক্ষে সেই ব্যবসার কাজ আঞ্জাম দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে সে অন্য কাহাকেও শ্রমিক নিযুক্ত করিতে পারে। কোন কোন কাজ এমন রহিয়াছে যাহা ব্যবসায়ী নিজে একা করিতে পারে না, যেমন অর্থ আদায়ের জন্য তাগাদা করা মাল আসবাব বাঁধিয়া লওয়া, উহা উঠাইয়া অন্য স্থানে লইয়া যাওয়া ইত্যাদি। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যবসায়ী নিজের শহরে থাকে ততক্ষণ শরীকী মাল হইতে খাদ্য ও পোশাক লইবে না। আর নিজ শহরে বিক্রয়ের যোগ্য পণ্য হইলে মেহনতকারী উহা হইতে কোন প্রকার খোরপোষ গ্রহণ করিতে পারিবে না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি সফরে ব্যবসায়ী নিজের মালও লইয়া যায় তবে সফরের খরচ উভয় মালে বর্তিবে হিসসা অনুযায়ী।

بَاب مَا يَجُوزُ مِنْ النَّفَقَةِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا إِنَّهُ إِذَا كَانَ الْمَالُ كَثِيرًا يَحْمِلُ النَّفَقَةَ فَإِذَا شَخَصَ فِيهِ الْعَامِلُ فَإِنَّ لَهُ أَنْ يَأْكُلَ مِنْهُ وَيَكْتَسِيَ بِالْمَعْرُوفِ مِنْ قَدْرِ الْمَالِ وَيَسْتَأْجِرَ مِنْ الْمَالِ إِذَا كَانَ كَثِيرًا لَا يَقْوَى عَلَيْهِ بَعْضَ مَنْ يَكْفِيهِ بَعْضَ مَئُونَتِهِ وَمِنْ الْأَعْمَالِ أَعْمَالٌ لَا يَعْمَلُهَا الَّذِي يَأْخُذُ الْمَالَ وَلَيْسَ مِثْلُهُ يَعْمَلُهَا مِنْ ذَلِكَ تَقَاضِي الدَّيْنِ وَنَقْلُ الْمَتَاعِ وَشَدُّهُ وَأَشْبَاهُ ذَلِكَ فَلَهُ أَنْ يَسْتَأْجِرَ مِنْ الْمَالِ مَنْ يَكْفِيهِ ذَلِكَ وَلَيْسَ لِلْمُقَارَضِ أَنْ يَسْتَنْفِقَ مِنْ الْمَالِ وَلَا يَكْتَسِيَ مِنْهُ مَا كَانَ مُقِيمًا فِي أَهْلِهِ إِنَّمَا يَجُوزُ لَهُ النَّفَقَةُ إِذَا شَخَصَ فِي الْمَالِ وَكَانَ الْمَالُ يَحْمِلُ النَّفَقَةَ فَإِنْ كَانَ إِنَّمَا يَتَّجِرُ فِي الْمَالِ فِي الْبَلَدِ الَّذِي هُوَ بِهِ مُقِيمٌ فَلَا نَفَقَةَ لَهُ مِنْ الْمَالِ وَلَا كِسْوَةَ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَخَرَجَ بِهِ وَبِمَالِ نَفْسِهِ قَالَ يَجْعَلُ النَّفَقَةَ مِنْ الْقِرَاضِ وَمِنْ مَالِهِ عَلَى قَدْرِ حِصَصِ الْمَالِ

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا إنه إذا كان المال كثيرا يحمل النفقة فإذا شخص فيه العامل فإن له أن يأكل منه ويكتسي بالمعروف من قدر المال ويستأجر من المال إذا كان كثيرا لا يقوى عليه بعض من يكفيه بعض مئونته ومن الأعمال أعمال لا يعملها الذي يأخذ المال وليس مثله يعملها من ذلك تقاضي الدين ونقل المتاع وشده وأشباه ذلك فله أن يستأجر من المال من يكفيه ذلك وليس للمقارض أن يستنفق من المال ولا يكتسي منه ما كان مقيما في أهله إنما يجوز له النفقة إذا شخص في المال وكان المال يحمل النفقة فإن كان إنما يتجر في المال في البلد الذي هو به مقيم فلا نفقة له من المال ولا كسوة قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فخرج به وبمال نفسه قال يجعل النفقة من القراض ومن ماله على قدر حصص المال


Yahya said that Malik spoke about an investor who made a qirad loan to a man.

He said, "When the investment is large, the travelling expenses of the agent are taken from it. He can use it to eat and clothe himself in an acceptable fashion according to the size of the investment. If it saves him trouble, he can take a wage from some of the capital, if it is large, and he cannot support himself. There are certain jobs which an agent or his like are not responsible for, amongst them are collecting debts, transporting the goods, loading up and so forth. He can hire from the capital someone to do that for him. The agent should not spend from the capital nor clothe himself from it while he resides with his family. It is only permitted for him to have expenses when he travels for the investment. The expenses are taken from the capital. If he is only trading with the property in the city in which he resides, he has no expenses from the capital and no clothing."

Malik spoke about an investor who paid qirad money to a man, and the agent went out with it and with his own capital. He said, "The expenses come from the qirad and from his own capital according to their proportions."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১০. শরীকী কারবারে যাহা ব্যয় করা অবৈধ

রেওয়ায়ত ১১. মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মাল হইতে হেথা করিতে পারিবে না; কোন ফকীরকে কিছু দিতে পরিবে না এবং কাহারো ইহসানের বদলা দিতে পরিবে না। যদি অন্যান্য লোক নিজেদের খাবার লইয়া আসে তবে ব্যবসায়ীও নিজের খাবার তাহার সঙ্গে মিশাইয়া খাইতে পারে, তবে অধিক লইতে পরিবে না। যদি অধিক লইতে ইচ্ছা করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী হইতে অনুমতি না মিলিলে তবে উহার ক্ষতি পূরণ দিতে হইবে।

بَاب مَا لَا يَجُوزُ مِنْ النَّفَقَةِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ مَعَهُ مَالٌ قِرَاضٌ فَهُوَ يَسْتَنْفِقُ مِنْهُ وَيَكْتَسِي إِنَّهُ لَا يَهَبُ مِنْهُ شَيْئًا وَلَا يُعْطِي مِنْهُ سَائِلًا وَلَا غَيْرَهُ وَلَا يُكَافِئُ فِيهِ أَحَدًا فَأَمَّا إِنْ اجْتَمَعَ هُوَ وَقَوْمٌ فَجَاءُوا بِطَعَامٍ وَجَاءَ هُوَ بِطَعَامٍ فَأَرْجُو أَنْ يَكُونَ ذَلِكَ وَاسِعًا إِذَا لَمْ يَتَعَمَّدْ أَنْ يَتَفَضَّلَ عَلَيْهِمْ فَإِنْ تَعَمَّدَ ذَلِكَ أَوْ مَا يُشْبِهُهُ بِغَيْرِ إِذْنِ صَاحِبِ الْمَالِ فَعَلَيْهِ أَنْ يَتَحَلَّلَ ذَلِكَ مِنْ رَبِّ الْمَالِ فَإِنْ حَلَّلَهُ ذَلِكَ فَلَا بَأْسَ بِهِ وَإِنْ أَبَى أَنْ يُحَلِّلَهُ فَعَلَيْهِ أَنْ يُكَافِئَهُ بِمِثْلِ ذَلِكَ إِنْ كَانَ ذَلِكَ شَيْئًا لَهُ مُكَافَأَةٌ

قال يحيى قال مالك في رجل معه مال قراض فهو يستنفق منه ويكتسي إنه لا يهب منه شيئا ولا يعطي منه سائلا ولا غيره ولا يكافئ فيه أحدا فأما إن اجتمع هو وقوم فجاءوا بطعام وجاء هو بطعام فأرجو أن يكون ذلك واسعا إذا لم يتعمد أن يتفضل عليهم فإن تعمد ذلك أو ما يشبهه بغير إذن صاحب المال فعليه أن يتحلل ذلك من رب المال فإن حلله ذلك فلا بأس به وإن أبى أن يحلله فعليه أن يكافئه بمثل ذلك إن كان ذلك شيئا له مكافأة


Yahya said that Malik spoke about an agent who had qirad money with him and he spent from it and clothed himself. He said, "He cannot give away any of it, and neither a beggar nor anyone else is to be given any of it and he does not pay anyone compensation from it. If he meets some people, and they bring out food and he brings out food, I hope that that will be permitted to him if he does not intend to bestow something on them. If he intends that or what is like that without the permission of the investor, he must get the sanction of the investor for it. If he sanctions it, there is no harm. If he refuses to sanction it, he must repay it with like if he has something which is suitable as compensation."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১১. ধারে বা বাকীতে মাল বিক্রয় করার বিধান

রেওয়ায়ত ১২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই যে, এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে অর্থ যোগান দিল। সে উহা দ্বারা পণ্য খরিদ করিল, অতঃপর উহা লাভের উপর ধারে বিক্রয় করিল এবং টাকা উত্তল করার পূর্বেই ব্যবসায়ী মারা গেল। তবে ব্যবসায়ীর ওয়ারিসদের ইখতিয়ার থাকিবে যে, হয় ব্যবসায়ীর স্থলাভিষিক্ত হইয়া মাল উশুল করিবে বা ঐ কর্যের টাকা পুঁজি বিনিয়োগকারীকে উশুল করিতে দিয়া নিজেরা সরিয়া পড়িবে, সেই অবস্থায় তাহাদের কিছুই মিলিবে না, যদি ওয়ারিসগণ তাগাদা করিয়া তাহার কর্য আদায় করিয়া লইয়া থাকে। তবে ব্যবসায়ী খরচ ও লভ্যাংশ শর্ত মুতাবিক যাহা পাইত ওয়ারিসগণও তাহা পাইবে যদি তাহারা সত্যিকারের ওয়ারিস হইয়া থাকে। যদি এমন হয় যে, তাহাদের উপর বিশ্বাস করা যায় না, তবে কোন বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করিয়া কৰ্য উশুল করাইয়া দেবে। যদি উহা উশুল হইয়া যায় তবে উহাদেরও ব্যবসায়ীর মতো হক মিলিবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীর সহিত এই শর্ত করিয়া থাকে যে, ধারে মাল বিক্রয় করিবে না, করিলে সে তাহার জন্য দায়ী হইবে। ইহার পর যদি ব্যবসায়ী ধারে বিক্রয় করিয়া থাকে তবে সে নিজেই দায়ী হইবে।

بَاب الدَّيْنِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَاشْتَرَى بِهِ سِلْعَةً ثُمَّ بَاعَ السِّلْعَةَ بِدَيْنٍ فَرَبِحَ فِي الْمَالِ ثُمَّ هَلَكَ الَّذِي أَخَذَ الْمَالَ قَبْلَ أَنْ يَقْبِضَ الْمَالَ قَالَ إِنْ أَرَادَ وَرَثَتُهُ أَنْ يَقْبِضُوا ذَلِكَ الْمَالَ وَهُمْ عَلَى شَرْطِ أَبِيهِمْ مِنْ الرِّبْحِ فَذَلِكَ لَهُمْ إِذَا كَانُوا أُمَنَاءَ عَلَى ذَلِكَ فَإِنْ كَرِهُوا أَنْ يَقْتَضُوهُ وَخَلَّوْا بَيْنَ صَاحِبِ الْمَالِ وَبَيْنَهُ لَمْ يُكَلَّفُوا أَنْ يَقْتَضُوهُ وَلَا شَيْءَ عَلَيْهِمْ وَلَا شَيْءَ لَهُمْ إِذَا أَسْلَمُوهُ إِلَى رَبِّ الْمَالِ فَإِنْ اقْتَضَوْهُ فَلَهُمْ فِيهِ مِنْ الشَّرْطِ وَالنَّفَقَةِ مِثْلُ مَا كَانَ لِأَبِيهِمْ فِي ذَلِكَ هُمْ فِيهِ بِمَنْزِلَةِ أَبِيهِمْ فَإِنْ لَمْ يَكُونُوا أُمَنَاءَ عَلَى ذَلِكَ فَإِنَّ لَهُمْ أَنْ يَأْتُوا بِأَمِينٍ ثِقَةٍ فَيَقْتَضِي ذَلِكَ الْمَالَ فَإِذَا اقْتَضَى جَمِيعَ الْمَالِ وَجَمِيعَ الرِّبْحِ كَانُوا فِي ذَلِكَ بِمَنْزِلَةِ أَبِيهِمْ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا عَلَى أَنَّهُ يَعْمَلُ فِيهِ فَمَا بَاعَ بِهِ مِنْ دَيْنٍ فَهُوَ ضَامِنٌ لَهُ إِنَّ ذَلِكَ لَازِمٌ لَهُ إِنْ بَاعَ بِدَيْنٍ فَقَدْ ضَمِنَهُ

قال يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاشترى به سلعة ثم باع السلعة بدين فربح في المال ثم هلك الذي أخذ المال قبل أن يقبض المال قال إن أراد ورثته أن يقبضوا ذلك المال وهم على شرط أبيهم من الربح فذلك لهم إذا كانوا أمناء على ذلك فإن كرهوا أن يقتضوه وخلوا بين صاحب المال وبينه لم يكلفوا أن يقتضوه ولا شيء عليهم ولا شيء لهم إذا أسلموه إلى رب المال فإن اقتضوه فلهم فيه من الشرط والنفقة مثل ما كان لأبيهم في ذلك هم فيه بمنزلة أبيهم فإن لم يكونوا أمناء على ذلك فإن لهم أن يأتوا بأمين ثقة فيقتضي ذلك المال فإذا اقتضى جميع المال وجميع الربح كانوا في ذلك بمنزلة أبيهم قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا على أنه يعمل فيه فما باع به من دين فهو ضامن له إن ذلك لازم له إن باع بدين فقد ضمنه


Yahya said that Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us about an investor who pays qirad money to an agent to buy goods, and the agent then sells the goods for a price to be paid later, and has a profit in the transaction, then the agent dies before he has received payment, is that if his heirs want to take that money, they have their father's stipulated portion from the profit. That is theirs if they are trustworthy to take the payment. If they dislike to collect it from the debtor and they refer him to the investor, they are not obliged to collect it and there is nothing against them and nothing for them by their surrendering it to the investor. If they do collect it, they have a share of it and expenses like their father had. They are in the position of their father. If they are not trustworthy to do so, they can bring someone reliable and trustworthy to collect the money. If he collects all the capital and all the profit, they are in the position of their father."

Malik spoke about an investor who paid qirad money to a man provided that he used it and was responsible for any delayed payment for which he sold it. He said, "This is obligatory on the agent. If he sells it for delayed payment, he is responsible for it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১২. শরীকী কারবারে ব্যবসা

রেওয়ায়ত ১৩. মালিক (রহঃ) বলেনঃ পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ী হইতে বা ব্যবসায়ী পুঁজি বিনিয়োগকারী হইতে কিছু কৰ্জ লইল বা পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীকে কিছু মাল বিক্রয় করিতে দিল যে, ইহা বিক্রয় করিয়া দাও বা কিছু দীনার দিল যে, ইহা দ্বারা কিছু মাল খরিদ করিয়া লও। যদি এই লেনদেন বন্ধুত্বের নিয়মানুযায়ী হইয়া থাকে বা সাধারণ কাজ বিধায় শরীকী কারবারের মতো উহা না হইয়া থাকে। অর্থাৎ শরীকী কারবারের ব্যাপার না হইলেও এই কাজ তাহারা একে অন্যের জন্য করিয়া দিত, তবে ইহা বৈধ হইবে, অন্যথায় নহে। আর যদি ইহাতে কোন শর্ত প্রবেশ করে অথবা ব্যবসায়ী এইরূপ করিয়াছে এইজন্য যাহাতে অর্থ বিনিয়োগকারী অর্থ তাহার নিকট রাখিয়া দেয়, অথবা অর্থ বিনিয়োগকারী এইরূপ করিল যাহাতে ব্যবসায়ী অর্থ ফেরত দিয়া ব্যবসা বন্ধ করিয়া না দেয়, আহল-ই ইলম এইরূপ করিতে নিষেধ করেন।

بَاب الْبِضَاعَةِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا وَاسْتَسْلَفَ مِنْ صَاحِبِ الْمَالِ سَلَفًا أَوْ اسْتَسْلَفَ مِنْهُ صَاحِبُ الْمَالِ سَلَفًا أَوْ أَبْضَعَ مَعَهُ صَاحِبُ الْمَالِ بِضَاعَةً يَبِيعُهَا لَهُ أَوْ بِدَنَانِيرَ يَشْتَرِي لَهُ بِهَا سِلْعَةً قَالَ مَالِك إِنْ كَانَ صَاحِبُ الْمَالِ إِنَّمَا أَبْضَعَ مَعَهُ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ لَوْ لَمْ يَكُنْ مَالُهُ عِنْدَهُ ثُمَّ سَأَلَهُ مِثْلَ ذَلِكَ فَعَلَهُ لِإِخَاءٍ بَيْنَهُمَا أَوْ لِيَسَارَةِ مَئُونَةِ ذَلِكَ عَلَيْهِ وَلَوْ أَبَى ذَلِكَ عَلَيْهِ لَمْ يَنْزِعْ مَالَهُ مِنْهُ أَوْ كَانَ الْعَامِلُ إِنَّمَا اسْتَسْلَفَ مِنْ صَاحِبِ الْمَالِ أَوْ حَمَلَ لَهُ بِضَاعَتَهُ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ لَوْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ مَالُهُ فَعَلَ لَهُ مِثْلَ ذَلِكَ وَلَوْ أَبَى ذَلِكَ عَلَيْهِ لَمْ يَرْدُدْ عَلَيْهِ مَالَهُ فَإِذَا صَحَّ ذَلِكَ مِنْهُمَا جَمِيعًا وَكَانَ ذَلِكَ مِنْهُمَا عَلَى وَجْهِ الْمَعْرُوفِ وَلَمْ يَكُنْ شَرْطًا فِي أَصْلِ الْقِرَاضِ فَذَلِكَ جَائِزٌ لَا بَأْسَ بِهِ وَإِنْ دَخَلَ ذَلِكَ شَرْطٌ أَوْ خِيفَ أَنْ يَكُونَ إِنَّمَا صَنَعَ ذَلِكَ الْعَامِلُ لِصَاحِبِ الْمَالِ لِيُقِرَّ مَالَهُ فِي يَدَيْهِ أَوْ إِنَّمَا صَنَعَ ذَلِكَ صَاحِبُ الْمَالِ لِأَنْ يُمْسِكَ الْعَامِلُ مَالَهُ وَلَا يَرُدَّهُ عَلَيْهِ فَإِنَّ ذَلِكَ لَا يَجُوزُ فِي الْقِرَاضِ وَهُوَ مِمَّا يَنْهَى عَنْهُ أَهْلُ الْعِلْمِ

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا واستسلف من صاحب المال سلفا أو استسلف منه صاحب المال سلفا أو أبضع معه صاحب المال بضاعة يبيعها له أو بدنانير يشتري له بها سلعة قال مالك إن كان صاحب المال إنما أبضع معه وهو يعلم أنه لو لم يكن ماله عنده ثم سأله مثل ذلك فعله لإخاء بينهما أو ليسارة مئونة ذلك عليه ولو أبى ذلك عليه لم ينزع ماله منه أو كان العامل إنما استسلف من صاحب المال أو حمل له بضاعته وهو يعلم أنه لو لم يكن عنده ماله فعل له مثل ذلك ولو أبى ذلك عليه لم يردد عليه ماله فإذا صح ذلك منهما جميعا وكان ذلك منهما على وجه المعروف ولم يكن شرطا في أصل القراض فذلك جائز لا بأس به وإن دخل ذلك شرط أو خيف أن يكون إنما صنع ذلك العامل لصاحب المال ليقر ماله في يديه أو إنما صنع ذلك صاحب المال لأن يمسك العامل ماله ولا يرده عليه فإن ذلك لا يجوز في القراض وهو مما ينهى عنه أهل العلم


Yahya said that Malik spoke about an investor who gave qirad money to a man, and then the man sought a loan from the investor or the investor borrowed money from the agent, or the investor left goods with the agent to sell for him, or the investor gave the agent dinars to buy goods with. Malik said, "There is no harm if the investor leaves his goods with him knowing that if the agent did not have his money and he had asked a similar thing of him, he would have still done it because of the brotherhood between them or because it would have been no bother to him and that had the agent refused that, he would not have removed his capital from him. Or if the agent had borrowed from the investor or carried his goods for him and he knew that if the investor had not had his capital with him, he would have still done the same for him, and had he refused that to him, he would not have returned his capital to him. If that is true between both of them and it is in the way of a favour between them and it is not a condition in the terms of the qirad, it is permitted and there is no harm in it. If a condition comes into it, or it is feared that the agent is only doing it for the investor in order to safeguard the capital in his possession, or the investor is only doing it because the agent has taken his capital and will not return it to him, that is not permitted in qirad and it is part of what the people of knowledge forbid.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. শরীকী কারবারে কর্জ

রেওয়ায়ত ১৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কেহ কাহারও নিকট কর্জ পাওনা হয় আর যে কর্জ নিয়াছে সে দাতাকে বলে, যে অর্থ আমি কর্জ হিসাবে লইয়াছিলাম উহা শরীকী কারবারে আমার নিকট থাকিতে দাও। তবে এইরূপ কারবার বৈধ হইবে না। হ্যাঁ, যদি প্রথমে কর্জের অর্থ উশুল হইয়া যায় আর পরে ইচ্ছা হইলে শরীকী কারবারে দিয়া দেয় তবে বৈধ হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী পুঁজি বিনিয়োগকারীকে বলে, আমার নিকট যে কারবারের অর্থ জমা আছে উহা আমাকে কর্জ হিসাবে দিয়া দাও, তবে উহা অবৈধ হইবে। কর্জ শোধ হইলে পরে যদি ইচ্ছা হয় কর্জ দেবে, ইচ্ছা না হইলে দেবে না। কারণ হয়তো ব্যবসায়ীর নিকট মূলধনে কিছু ঘাটতি হইয়াছে। সে সময় বৃদ্ধি করাইয়া উক্ত ঘাটতি পূরণ করিতে চায়, ইহা অবৈধ।

بَاب السَّلَفِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ أَسْلَفَ رَجُلًا مَالًا ثُمَّ سَأَلَهُ الَّذِي تَسَلَّفَ الْمَالَ أَنْ يُقِرَّهُ عِنْدَهُ قِرَاضًا قَالَ مَالِك لَا أُحِبُّ ذَلِكَ حَتَّى يَقْبِضَ مَالَهُ مِنْهُ ثُمَّ يَدْفَعَهُ إِلَيْهِ قِرَاضًا إِنْ شَاءَ أَوْ يُمْسِكَهُ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَأَخْبَرَهُ أَنَّهُ قَدْ اجْتَمَعَ عِنْدَهُ وَسَأَلَهُ أَنْ يَكْتُبَهُ عَلَيْهِ سَلَفًا قَالَ لَا أُحِبُّ ذَلِكَ حَتَّى يَقْبِضَ مِنْهُ مَالَهُ ثُمَّ يُسَلِّفَهُ إِيَّاهُ إِنْ شَاءَ أَوْ يُمْسِكَهُ وَإِنَّمَا ذَلِكَ مَخَافَةَ أَنْ يَكُونَ قَدْ نَقَصَ فِيهِ فَهُوَ يُحِبُّ أَنْ يُؤَخِّرَهُ عَنْهُ عَلَى أَنْ يَزِيدَهُ فِيهِ مَا نَقَصَ مِنْهُ فَذَلِكَ مَكْرُوهٌ وَلَا يَجُوزُ وَلَا يَصْلُحُ

قال يحيى قال مالك في رجل أسلف رجلا مالا ثم سأله الذي تسلف المال أن يقره عنده قراضا قال مالك لا أحب ذلك حتى يقبض ماله منه ثم يدفعه إليه قراضا إن شاء أو يمسكه قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فأخبره أنه قد اجتمع عنده وسأله أن يكتبه عليه سلفا قال لا أحب ذلك حتى يقبض منه ماله ثم يسلفه إياه إن شاء أو يمسكه وإنما ذلك مخافة أن يكون قد نقص فيه فهو يحب أن يؤخره عنه على أن يزيده فيه ما نقص منه فذلك مكروه ولا يجوز ولا يصلح


Yahya said that Malik spoke about a man who loaned another man money and then the debtor asked him to leave it with him as a qirad. Malik said, "I do not like that unless he takes his money back from him, and then pays it to him as a qirad if he wishes or if he wishes keep it."

Malik spoke about an investor who paid a man qirad money and the man told him that it was collected with him and asked him to write it for him as a loan. He said, "I do not like that unless he takes his money from him and then lends it to him or keeps it as he wishes. That is only out of fear that he has lost some of it, and wants to defer it so that he can make up what has been lost of it. That is disapproved of and is not permitted and it is not good."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১৪. শরীকী কারবারের হিসাব

রেওয়ায়ত ১৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী ব্যবসা করিয়া লাভ করিল আর পুঁজি বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতিতে নিজের লভ্যাংশ লইতে ইচ্ছা করিল তবে ইহা বৈধ হইবে না, যতক্ষণ না অর্থ বিনিয়োগকারী উপস্থিত হয়। যদি তাহার অনুপস্থিতিতেই নিয়া নেয়, তবে সে ইহার জন্য দায়ী হইবে, উভয়ের মধ্যে বন্টনের সময় উক্ত মাল একত্রিত করা পর্যন্ত।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ পুঁজি বিনিয়োগকারীর জন্য ইহা বৈধ হইবে না যে, মাল না দেখিয়া লভ্যাংশের হিসাব করবে, বরং মাল উপস্থাপন প্রয়োজন হইবে। প্রথমে পুঁজি বিনিয়োগকারী মূলধন লইয়া লইবে। পরে শর্তানুযায়ী লভ্যাংশ ভাগ করিবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী কোন সামগ্ৰী ক্রয় করে আর ব্যবসায়ীর ঋণদাতাগণ তাহা আটকাইয়া বলে, এই মাল বিক্রয় করিয়া যে লাভ হইবে তোমার অংশে উহা হইতে আমরা ঋণ নিয়া দেব। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতিতে এইরূপ করে তবে ইহা অবৈধ হইবে। পুঁজি বিনিয়োগকারী তাহার মূলধন বাহির করিয়া লওয়ার পর লভ্যাংশ ভাগ করা হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী ব্যবসা করিয়া লাভ করে এবং পুঁজি বিনিয়োগকারীর অবর্তমানে মূলধন পৃথক করিয়া লভ্যাংশ সাক্ষীদের সম্মুখে ভাগ করিয়া নেয় ইহা অবৈধ হইবে। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী আসিবার পূর্বে এইরূপ করিয়াও ফেলে, তবে উহা ফেরত দিতে হইবে, পুঁজি বিনিয়োগকারী আসিয়া প্রথমে তাহার মূলধন পৃথক করিয়া লইবে, তারপর অবশিষ্ট লভ্যাংশ ভাগ করা হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী ব্যবসা করিয়া লাভ করিল এবং সে পুঁজি বিনিয়োগকারীর লভ্যাংশ লইয়া উপস্থিত হইল এবং বলিতে লাগিল, ইহা তোমার লাভের অংশ। আমিও এইটুকু লইয়াছি। আর তোমার মূলধন আমার নিকট জমা রহিয়াছে, তবে এইরূপ করা অবৈধ হইবে, বরং সে সমস্ত মূলধন ও লাভ লইয়া পুঁজি বিনিয়োগকারীর সম্মুখে উপস্থিত করিবে। অতঃপর পুঁজির মালিকের ইখতিয়ার রহিয়াছে, হয় মূলধন লইয়া নিজে রাখিয়া দিকে বা পুনরায় ব্যবসায়ীকে দিবে।

بَاب الْمُحَاسَبَةِ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَعَمِلَ فِيهِ فَرَبِحَ فَأَرَادَ أَنْ يَأْخُذَ حِصَّتَهُ مِنْ الرِّبْحِ وَصَاحِبُ الْمَالِ غَائِبٌ قَالَ لَا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَأْخُذَ مِنْهُ شَيْئًا إِلَّا بِحَضْرَةِ صَاحِبِ الْمَالِ وَإِنْ أَخَذَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ ضَامِنٌ حَتَّى يُحْسَبَ مَعَ الْمَالِ إِذَا اقْتَسَمَاهُ قَالَ مَالِك لَا يَجُوزُ لِلْمُتَقَارِضَيْنِ أَنْ يَتَحَاسَبَا وَيَتَفَاصَلَا وَالْمَالُ غَائِبٌ عَنْهُمَا حَتَّى يَحْضُرَ الْمَالُ فَيَسْتَوْفِي صَاحِبُ الْمَالِ رَأْسَ مَالِهِ ثُمَّ يَقْتَسِمَانِ الرِّبْحَ عَلَى شَرْطِهِمَا قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ أَخَذَ مَالًا قِرَاضًا فَاشْتَرَى بِهِ سِلْعَةً وَقَدْ كَانَ عَلَيْهِ دَيْنٌ فَطَلَبَهُ غُرَمَاؤُهُ فَأَدْرَكُوهُ بِبَلَدٍ غَائِبٍ عَنْ صَاحِبِ الْمَالِ وَفِي يَدَيْهِ عَرْضٌ مُرَبَّحٌ بَيِّنٌ فَضْلُهُ فَأَرَادُوا أَنْ يُبَاعَ لَهُمْ الْعَرْضُ فَيَأْخُذُوا حِصَّتَهُ مِنْ الرِّبْحِ قَالَ لَا يُؤْخَذُ مِنْ رِبْحِ الْقِرَاضِ شَيْءٌ حَتَّى يَحْضُرَ صَاحِبُ الْمَالِ فَيَأْخُذَ مَالَهُ ثُمَّ يَقْتَسِمَانِ الرِّبْحَ عَلَى شَرْطِهِمَا قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَتَجَرَ فِيهِ فَرَبِحَ ثُمَّ عَزَلَ رَأْسَ الْمَالِ وَقَسَمَ الرِّبْحَ فَأَخَذَ حِصَّتَهُ وَطَرَحَ حِصَّةَ صَاحِبِ الْمَالِ فِي الْمَالِ بِحَضْرَةِ شُهَدَاءَ أَشْهَدَهُمْ عَلَى ذَلِكَ قَالَ لَا تَجُوزُ قِسْمَةُ الرِّبْحِ إِلَّا بِحَضْرَةِ صَاحِبِ الْمَالِ وَإِنْ كَانَ أَخَذَ شَيْئًا رَدَّهُ حَتَّى يَسْتَوْفِيَ صَاحِبُ الْمَالِ رَأْسَ مَالِهِ ثُمَّ يَقْتَسِمَانِ مَا بَقِيَ بَيْنَهُمَا عَلَى شَرْطِهِمَا قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَعَمِلَ فِيهِ فَجَاءَهُ فَقَالَ لَهُ هَذِهِ حِصَّتُكَ مِنْ الرِّبْحِ وَقَدْ أَخَذْتُ لِنَفْسِي مِثْلَهُ وَرَأْسُ مَالِكَ وَافِرٌ عِنْدِي قَالَ مَالِك لَا أُحِبُّ ذَلِكَ حَتَّى يَحْضُرَ الْمَالُ كُلُّهُ فَيُحَاسِبَهُ حَتَّى يَحْصُلَ رَأْسُ الْمَالِ وَيَعْلَمَ أَنَّهُ وَافِرٌ وَيَصِلَ إِلَيْهِ ثُمَّ يَقْتَسِمَانِ الرِّبْحَ بَيْنَهُمَا ثُمَّ يَرُدُّ إِلَيْهِ الْمَالَ إِنْ شَاءَ أَوْ يَحْبِسُهُ وَإِنَّمَا يَجِبُ حُضُورُ الْمَالِ مَخَافَةَ أَنْ يَكُونَ الْعَامِلُ قَدْ نَقَصَ فِيهِ فَهُوَ يُحِبُّ أَنْ لَا يُنْزَعَ مِنْهُ وَأَنْ يُقِرَّهُ فِي يَدِهِ

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح فأراد أن يأخذ حصته من الربح وصاحب المال غائب قال لا ينبغي له أن يأخذ منه شيئا إلا بحضرة صاحب المال وإن أخذ شيئا فهو له ضامن حتى يحسب مع المال إذا اقتسماه قال مالك لا يجوز للمتقارضين أن يتحاسبا ويتفاصلا والمال غائب عنهما حتى يحضر المال فيستوفي صاحب المال رأس ماله ثم يقتسمان الربح على شرطهما قال مالك في رجل أخذ مالا قراضا فاشترى به سلعة وقد كان عليه دين فطلبه غرماؤه فأدركوه ببلد غائب عن صاحب المال وفي يديه عرض مربح بين فضله فأرادوا أن يباع لهم العرض فيأخذوا حصته من الربح قال لا يؤخذ من ربح القراض شيء حتى يحضر صاحب المال فيأخذ ماله ثم يقتسمان الربح على شرطهما قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتجر فيه فربح ثم عزل رأس المال وقسم الربح فأخذ حصته وطرح حصة صاحب المال في المال بحضرة شهداء أشهدهم على ذلك قال لا تجوز قسمة الربح إلا بحضرة صاحب المال وإن كان أخذ شيئا رده حتى يستوفي صاحب المال رأس ماله ثم يقتسمان ما بقي بينهما على شرطهما قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فجاءه فقال له هذه حصتك من الربح وقد أخذت لنفسي مثله ورأس مالك وافر عندي قال مالك لا أحب ذلك حتى يحضر المال كله فيحاسبه حتى يحصل رأس المال ويعلم أنه وافر ويصل إليه ثم يقتسمان الربح بينهما ثم يرد إليه المال إن شاء أو يحبسه وإنما يجب حضور المال مخافة أن يكون العامل قد نقص فيه فهو يحب أن لا ينزع منه وأن يقره في يده


Yahya said that Malik spoke about an investor paying qirad money to an agent who made a profit and then wanted to take his share of the profit and the investor was away. He said, "He should not take any of it unless the investor is present. If he takes something from it, he is responsible for it until it is accounted for in the division of the capital."

Malik said, "It is not permitted for the parties involved in a qirad to account and divide property which is away from them until the capital is present, and the investor is given the principal in full. Then they divide the profit into their agreed portions."

Malik spoke about a man taking qirad money, and buying goods with it while he had a debt. His creditors sought and found him while he was in a city away from the investor, and he had profitable merchandise whose good quality was clear. They wanted him to sell the merchandise for them so that they could take his share of the profit. Malik said, "None of the profit of the qirad is taken until the investor is present. He takes his principal and then the profit is divided mutually between them."

Malik spoke about an investor who put qirad money with an agent and he used it and had a profit. Then the principal was set aside and the profit divided. He took his share and added the share of the investor to his principal in the presence of witnesses he had called. Malik said, "It is not permitted to divide the profit unless the investor is present. If he has taken something here turns it until the investor has received the principal in full. Then what remains is divided into their respective portions."

Malik spoke about an investor who put qirad money with an agent. The agent used it and then came to the investor and said, "This is your portion of the profit, and I have taken the like of it for myself, and I have retained your principal in full." Malik said, "I do not like that, unless all the capital is present, the principal is there and he knows that it is complete and he receives it. Then they divide the profit between them. He returns the principal to him if he wishes, or he keeps it. The presence of the principal is necessary out of fear that the agent might have lost some of it, and so may want it not to be removed from him and to keep it in his hand."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. শরীকী কারবারের বিভিন্ন বিধান

রেওয়ায়ত ১৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী কিছু মাল খরিদ করিলে পুঁজি বিনিয়োগকারী বলিল, উহা বিক্রয় করিয়া দাও, কিন্তু ব্যবসায়ী বলিল, এখন বিক্রয় করা ঠিক হইবে না, তবে এ ব্যাপারে অন্যান্য বিচক্ষণ ব্যবসায়ীর নিকট জিজ্ঞাসা করা হইবে। যদি তাহারা বিক্রয় করিবার পরামর্শ দেয়, তবে বিক্রয় করা হইবে, না হয় রাখিয়া দেওয়া হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালে ব্যবসা আরম্ভ করার পর পুঁজি বিনিয়োগকারী তাহার পূর্ণ মাল মুনাফাসহ তলব করিল। উত্তরে ব্যবসায়ী বলিল, আমার নিকট পূর্ণ মালই জমা রহিয়াছে। অতঃপর যখন মাল ফেরত লওয়া আরম্ভ হইল তখন ব্যবসায়ী বলিল, আমার নিকট কিছু মাল নষ্ট হইয়া গিয়াছে, আমি প্রথমে এইজন্য বলিয়াছিলাম যেন মাল আমার নিকট থাকিতে দেওয়া হয় তবে কোন প্রমাণ ব্যতীত ব্যবসায়ীর এই কথা বিশ্বাস করা হইবে না। বরং তাহার পূর্ণ স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফায়সালা দেওয়া হইবে ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ অনুরূপভাবে ব্যবসায়ী পুঁজি বিনিয়োগকারীকে বলিল, সে এত লাভ করিয়াছে। অতঃপর যখন পুঁজি বিনিয়োগকারী মূলধন ও লভ্যাংশ চাহিল তখন বলিত লাগিল সাভ হয়ই নাই, মূলধন আমার হাতে রাখিয়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে লাভের কথা বলিয়াছি, তবে প্রমাণ ব্যতীত তাহার কথা বিশ্বাস করা হইবে না। বরং পূর্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফায়সালা দেওয়া হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী ব্যবসায়ে লাভ করে তখন পুঁজি বিনিয়োগকারী বলিল, লাভের এক-তৃতীয়াংশ তোমার এবং দুই-তৃতীয়াংশ আমার নির্ধারিত ছিল। ব্যবসায়ী বলিল, না বরং দুই-তৃতীয়াংশ আমার আর এক-তৃতীয়াংশ তোমার নির্ধারিত করা হইয়াছিল। তবে ব্যবসায়ীর কথা কসম সহকারে মানিয়া লওয়া হইবে। কিন্তু ইহা যদি দেশ প্রথার বিরুদ্ধে হয় তবে প্রথানুযায়ী লাভ বন্টনের ব্যবস্থা করা হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে একশত দীনার শরীকী কারবারের জন্য দিল। সে উহা দ্বারা মাল খরিদ করিল। যখন বিক্রেতাকে মালের মূল্য দিতে লাগিল তখন বুঝা গেল ঐ দীনার চুরি হইয়া গিয়াছে। এমতাবস্থায় অর্থ বিনিয়োগকারী বলিল, এই মাল বিক্রয় করিয়া ফেল। যদি উহাতে লাভ হয়, তবে উহা আমার আর যদি ক্ষতি হয়, তবে সে জন্য তুমি দায়ী, কেননা তুমি আমার অর্থ নষ্ট করিয়াছ। কিন্তু ব্যবসায়ী বলিল, তুমি এই মালের মূল্য আদায় করিয়া দাও, কেননা আমি এই মাল তোমার অর্থ দ্বারা খরিদ করিয়াছি।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই অবস্থায় ক্রেতা ব্যবসায়ীকে বলা হইবে তুমি এই মালের মূল্য বিক্রেতাকে আদায় করিয়া দাও এবং অর্থ বিনিয়োগকারীকে বলা হইবে যদি তোমার সম্মতি হয় তবে ব্যবসায়ীকে একশত দীনার আরও প্রদান কর যেন শরীকী কারবার বহাল থাকে, না হয় এই মালের সহিত তোমার কোন সম্পর্ক নাই। যদি পুঁজি বা বিনিয়োগকারী একশত দীনার দেয়, তবে কারবার বহাল থাকিবে, না হয় ঐ মাল ব্যবসায়ীর হইয়া যাইবে। চুরি যাওয়ার কারণে অর্থ বিনিয়োগকারীর একশত দীনার বিনষ্ট হইয়া গেল।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যখন পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ী পৃথক হইয়া যায় (শরীকী কারবার বন্ধ হইয়া যায়), কিন্তু ব্যবসায়ীর নিকট ব্যবসায়ে মাল হইতে কোন মাল যেমন পুরাতন মশক বা পুরাতন কাপড় ইত্যাদি থাকিয়া যায়, যদি এ দ্রব্যগুলি নিতান্ত স্বল্প মূল্যের হইয়া থাকে তবে উহা ব্যবসায়ীরই থাকিবে। ইহা ফেরত দিতে হইবে না। যদি এই দ্রব্যগুলি মূল্যবান হয় যেমন কোন জন্তু, উট বা ইয়ামনী মোটা কাপড়, তবে যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী হইতে মাফ করাইয়া লইয়া থাকে তবে তো ভাল, না হয় ইহাও ফেরত দিতে হইবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاضِ

قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَابْتَاعَ بِهِ سِلْعَةً فَقَالَ لَهُ صَاحِبُ الْمَالِ بِعْهَا وَقَالَ الَّذِي أَخَذَ الْمَالَ لَا أَرَى وَجْهَ بَيْعٍ فَاخْتَلَفَا فِي ذَلِكَ قَالَ لَا يُنْظَرُ إِلَى قَوْلِ وَاحِدٍ مِنْهُمَا وَيُسْأَلُ عَنْ ذَلِكَ أَهْلُ الْمَعْرِفَةِ وَالْبَصَرِ بِتِلْكَ السِّلْعَةِ فَإِنْ رَأَوْا وَجْهَ بَيْعٍ بِيعَتْ عَلَيْهِمَا وَإِنْ رَأَوْا وَجْهَ انْتِظَارٍ انْتُظِرَ بِهَا قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ أَخَذَ مِنْ رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَعَمِلَ فِيهِ ثُمَّ سَأَلَهُ صَاحِبُ الْمَالِ عَنْ مَالِهِ فَقَالَ هُوَ عِنْدِي وَافِرٌ فَلَمَّا آخَذَهُ بِهِ قَالَ قَدْ هَلَكَ عِنْدِي مِنْهُ كَذَا وَكَذَا لِمَالٍ يُسَمِّيهِ وَإِنَّمَا قُلْتُ لَكَ ذَلِكَ لِكَيْ تَتْرُكَهُ عِنْدِي قَالَ لَا يَنْتَفِعُ بِإِنْكَارِهِ بَعْدَ إِقْرَارِهِ أَنَّهُ عِنْدَهُ وَيُؤْخَذُ بِإِقْرَارِهِ عَلَى نَفْسِهِ إِلَّا أَنْ يَأْتِيَ فِي هَلَاكِ ذَلِكَ الْمَالِ بِأَمْرٍ يُعْرَفُ بِهِ قَوْلُهُ فَإِنْ لَمْ يَأْتِ بِأَمْرٍ مَعْرُوفٍ أُخِذَ بِإِقْرَارِهِ وَلَمْ يَنْفَعْهُ إِنْكَارُهُ قَالَ مَالِك وَكَذَلِكَ أَيْضًا لَوْ قَالَ رَبِحْتُ فِي الْمَالِ كَذَا وَكَذَا فَسَأَلَهُ رَبُّ الْمَالِ أَنْ يَدْفَعَ إِلَيْهِ مَالَهُ وَرِبْحَهُ فَقَالَ مَا رَبِحْتُ فِيهِ شَيْئًا وَمَا قُلْتُ ذَلِكَ إِلَّا لِأَنْ تُقِرَّهُ فِي يَدِي فَذَلِكَ لَا يَنْفَعُهُ وَيُؤْخَذُ بِمَا أَقَرَّ بِهِ إِلَّا أَنْ يَأْتِيَ بِأَمْرٍ يُعْرَفُ بِهِ قَوْلُهُ وَصِدْقُهُ فَلَا يَلْزَمُهُ ذَلِكَ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ دَفَعَ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا فَرَبِحَ فِيهِ رِبْحًا فَقَالَ الْعَامِلُ قَارَضْتُكَ عَلَى أَنَّ لِي الثُّلُثَيْنِ وَقَالَ صَاحِبُ الْمَالِ قَارَضْتُكَ عَلَى أَنَّ لَكَ الثُّلُثَ قَالَ مَالِك الْقَوْلُ قَوْلُ الْعَامِلِ وَعَلَيْهِ فِي ذَلِكَ الْيَمِينُ إِذَا كَانَ مَا قَالَ يُشْبِهُ قِرَاضَ مِثْلِهِ وَكَانَ ذَلِكَ نَحْوًا مِمَّا يَتَقَارَضُ عَلَيْهِ النَّاسُ وَإِنْ جَاءَ بِأَمْرٍ يُسْتَنْكَرُ لَيْسَ عَلَى مِثْلِهِ يَتَقَارَضُ النَّاسُ لَمْ يُصَدَّقْ وَرُدَّ إِلَى قِرَاضِ مِثْلِهِ قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ أَعْطَى رَجُلًا مِائَةَ دِينَارٍ قِرَاضًا فَاشْتَرَى بِهَا سِلْعَةً ثُمَّ ذَهَبَ لِيَدْفَعَ إِلَى رَبِّ السِّلْعَةِ الْمِائَةَ دِينَارٍ فَوَجَدَهَا قَدْ سُرِقَتْ فَقَالَ رَبُّ الْمَالِ بِعْ السِّلْعَةَ فَإِنْ كَانَ فِيهَا فَضْلٌ كَانَ لِي وَإِنْ كَانَ فِيهَا نُقْصَانٌ كَانَ عَلَيْكَ لِأَنَّكَ أَنْتَ ضَيَّعْتَ وَقَالَ الْمُقَارَضُ بَلْ عَلَيْكَ وَفَاءُ حَقِّ هَذَا إِنَّمَا اشْتَرَيْتُهَا بِمَالِكَ الَّذِي أَعْطَيْتَنِي قَالَ مَالِك يَلْزَمُ الْعَامِلَ الْمُشْتَرِيَ أَدَاءُ ثَمَنِهَا إِلَى الْبَائِعِ وَيُقَالُ لِصَاحِبِ الْمَالِ الْقِرَاضِ إِنْ شِئْتَ فَأَدِّ الْمِائَةَ الدِّينَارِ إِلَى الْمُقَارَضِ وَالسِّلْعَةُ بَيْنَكُمَا وَتَكُونُ قِرَاضًا عَلَى مَا كَانَتْ عَلَيْهِ الْمِائَةُ الْأُولَى وَإِنْ شِئْتَ فَابْرَأْ مِنْ السِّلْعَةِ فَإِنْ دَفَعَ الْمِائَةَ دِينَارٍ إِلَى الْعَامِلِ كَانَتْ قِرَاضًا عَلَى سُنَّةِ الْقِرَاضِ الْأَوَّلِ وَإِنْ أَبَى كَانَتْ السِّلْعَةُ لِلْعَامِلِ وَكَانَ عَلَيْهِ ثَمَنُهَا قَالَ مَالِك فِي الْمُتَقَارِضَيْنِ إِذَا تَفَاصَلَا فَبَقِيَ بِيَدِ الْعَامِلِ مِنْ الْمَتَاعِ الَّذِي يَعْمَلُ فِيهِ خَلَقُ الْقِرْبَةِ أَوْ خَلَقُ الثَّوْبِ أَوْ مَا أَشْبَهَ ذَلِكَ قَالَ مَالِك كُلُّ شَيْءٍ مِنْ ذَلِكَ كَانَ تَافِهًا لَا خَطْبَ لَهُ فَهُوَ لِلْعَامِلِ وَلَمْ أَسْمَعْ أَحَدًا أَفْتَى بِرَدِّ ذَلِكَ وَإِنَّمَا يُرَدُّ مِنْ ذَلِكَ الشَّيْءُ الَّذِي لَهُ ثَمَنٌ وَإِنْ كَانَ شَيْئًا لَهُ اسْمٌ مِثْلُ الدَّابَّةِ أَوْ الْجَمَلِ أَوْ الشَّاذَكُونَةِ أَوْ أَشْبَاهِ ذَلِكَ مِمَّا لَهُ ثَمَنٌ فَإِنِّي أَرَى أَنْ يَرُدَّ مَا بَقِيَ عِنْدَهُ مِنْ هَذَا إِلَّا أَنْ يَتَحَلَّلَ صَاحِبَهُ مِنْ ذَلِكَ

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فابتاع به سلعة فقال له صاحب المال بعها وقال الذي أخذ المال لا أرى وجه بيع فاختلفا في ذلك قال لا ينظر إلى قول واحد منهما ويسأل عن ذلك أهل المعرفة والبصر بتلك السلعة فإن رأوا وجه بيع بيعت عليهما وإن رأوا وجه انتظار انتظر بها قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا فعمل فيه ثم سأله صاحب المال عن ماله فقال هو عندي وافر فلما آخذه به قال قد هلك عندي منه كذا وكذا لمال يسميه وإنما قلت لك ذلك لكي تتركه عندي قال لا ينتفع بإنكاره بعد إقراره أنه عنده ويؤخذ بإقراره على نفسه إلا أن يأتي في هلاك ذلك المال بأمر يعرف به قوله فإن لم يأت بأمر معروف أخذ بإقراره ولم ينفعه إنكاره قال مالك وكذلك أيضا لو قال ربحت في المال كذا وكذا فسأله رب المال أن يدفع إليه ماله وربحه فقال ما ربحت فيه شيئا وما قلت ذلك إلا لأن تقره في يدي فذلك لا ينفعه ويؤخذ بما أقر به إلا أن يأتي بأمر يعرف به قوله وصدقه فلا يلزمه ذلك قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فربح فيه ربحا فقال العامل قارضتك على أن لي الثلثين وقال صاحب المال قارضتك على أن لك الثلث قال مالك القول قول العامل وعليه في ذلك اليمين إذا كان ما قال يشبه قراض مثله وكان ذلك نحوا مما يتقارض عليه الناس وإن جاء بأمر يستنكر ليس على مثله يتقارض الناس لم يصدق ورد إلى قراض مثله قال مالك في رجل أعطى رجلا مائة دينار قراضا فاشترى بها سلعة ثم ذهب ليدفع إلى رب السلعة المائة دينار فوجدها قد سرقت فقال رب المال بع السلعة فإن كان فيها فضل كان لي وإن كان فيها نقصان كان عليك لأنك أنت ضيعت وقال المقارض بل عليك وفاء حق هذا إنما اشتريتها بمالك الذي أعطيتني قال مالك يلزم العامل المشتري أداء ثمنها إلى البائع ويقال لصاحب المال القراض إن شئت فأد المائة الدينار إلى المقارض والسلعة بينكما وتكون قراضا على ما كانت عليه المائة الأولى وإن شئت فابرأ من السلعة فإن دفع المائة دينار إلى العامل كانت قراضا على سنة القراض الأول وإن أبى كانت السلعة للعامل وكان عليه ثمنها قال مالك في المتقارضين إذا تفاصلا فبقي بيد العامل من المتاع الذي يعمل فيه خلق القربة أو خلق الثوب أو ما أشبه ذلك قال مالك كل شيء من ذلك كان تافها لا خطب له فهو للعامل ولم أسمع أحدا أفتى برد ذلك وإنما يرد من ذلك الشيء الذي له ثمن وإن كان شيئا له اسم مثل الدابة أو الجمل أو الشاذكونة أو أشباه ذلك مما له ثمن فإني أرى أن يرد ما بقي عنده من هذا إلا أن يتحلل صاحبه من ذلك


Yahya said that Malik spoke about an investor who put qirad money with an agent who bought goods with it, and the investor told him to sell them. The agent said that he did not see any way to sell at that time and they quarrelled about it. He said, "One does not look at the statement of either of them. The people of experience and insight concerning such goods are asked about these goods. If they can see anyway of selling them they are sold for them. If they think it is time to wait, they should wait."

Malik spoke about a man who took qirad money from an investor and used it and when the investor asked him for his money, he said that he had it in full. When he held him to his settlement he admitted that "Such-and-such of it was lost with me," and he named an amount of money. "I told you that so that you would leave it with me." Malik said, "He does not benefit by denying it after he had confirmed that he had it all . He is answerable by his confession against himself unless he produces evidence about the loss of that property which confirms his statement. If he does not produce an acceptable reason he is answerable by his confession, and his denial does not avail him."

Malik said, "Similarly, had he said, 'I have had such-and-such a profit from the capital,' and then the owner of the capital asked him to pay him the principal and his profit, and he said that he had not had any profit in it and had said that only so it might be left in his possession, it does not benefit him. He is taken to account for what he affirmed unless he brings acceptable proof of his word, so that the first statement is not binding on him."

Malik spoke about an investor who put qirad money with an agent who made a profit with it. The agent said, "I took the qirad from you provided that I would have two-thirds." The owner of the capital says, "I gave you a qirad provided that you had a third." Malik said, "The word is the word of the agent, and he must take an oath on that if what he says resembles the known practice of qirad or is close to it. If he brings a matter which is unacceptable and people do not make qirads like that, he is not believed, and it is judged to be according to how a qirad like it would normally be."

Malik spoke about a man who gave a man one hundred dinars as a qirad. He bought goods with it and then went to pay the one hundred dinars to the owner of the goods and found that they had been stolen. The investor says, "Sell the goods. If there is anything over, it is mine. If there is a loss, it is against you because you lost it." The agent says, "Rather you must fulfil what the seller is owed. I bought them with your capital which you gave me." Malik said, "The agent is obliged to pay the price to the seller and the investor is told, 'If you wish, pay the hundred dinars to the agent and the goods are between you. The qirad is according to what the first hundred was based on. If you wish, you are free of the goods.' If the hundred dinars are paid to the agent, it is a qirad according to the conditions of the first qirad. If he refuses, the goods belong to the agent and he must pay their price."

Malik spoke about two people in a qirad who settled up and the agent still had some of the goods which he used - threadbare cloth or a waterskin or the like of that. Malik said, "Any of that which is insignificant is of no importance and belongs to the agent. I have not heard anyone give a decision calling for the return of that. Anything which has a price is returned. If it is something which has value like an animal, camel, coarse cloth or the like of that which fetches a price, I think that he should return what he has remaining of such things unless the owner overlooks it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৩২. শরীকী কারবার করা অধ্যায় (كتاب القراض)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে