মুয়াত্তা মালিক ২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ১. কোথাও হাটিয়া যাওয়ার মানত করা

রেওয়ায়ত ১. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন-সাদ ইবন উবাদা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জিজ্ঞাসা করিলেন, আমার মাতার ইন্তেকাল হইয়া গিয়াছে। তিনি একটা মানত করিয়াছিলেন, কিন্তু পূর্ণ করিয়া যাইতে পারেন নাই। এখন কি করা যায়? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তাহার তরফ হইতে তুমিই উহা আদায় করিয়া দাও।

بَاب مَا يَجِبُ مِنْ النُّذُورِ فِي الْمَشْيِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ اسْتَفْتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ أُمِّي مَاتَتْ وَعَلَيْهَا نَذْرٌ وَلَمْ تَقْضِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْضِهِ عَنْهَا

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أن سعد بن عبادة استفتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن أمي ماتت وعليها نذر ولم تقضه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقضه عنها


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Ubaydullah ibn Abdullah ibn Utba ibn Masud from Abdullah ibn Abbas that Sad ibn Ubada questioned the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and said,"My mother died while she still had a vow which she had not fulfilled." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Fulfill it for her."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ১. কোথাও হাটিয়া যাওয়ার মানত করা

রেওয়ায়ত ২. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার ফুফু বর্ণনা করিয়াছেন, তাহার দাদী মসজিদ-ই কোবায় হাঁটিয়া যাওয়ার মানত করিয়াছিলেন, কিন্তু ইহা পূরণ করার পূর্বেই তাহার ইন্তেকাল হইয়া যায়। তখন আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) ঐ মানত আদায় করিয়া দেওয়ার জন্য তাহার কন্যাকে নির্দেশ দেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ কাহারো তরফ হইতে হাঁটিয়া যাওয়ার মানত পূরণ করা জরুরী নহে।

بَاب مَا يَجِبُ مِنْ النُّذُورِ فِي الْمَشْيِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ عَمَّتِهِ أَنَّهَا حَدَّثَتْهُ عَنْ جَدَّتِهِ أَنَّهَا كَانَتْ جَعَلَتْ عَلَى نَفْسِهَا مَشْيًا إِلَى مَسْجِدِ قُبَاءٍ فَمَاتَتْ وَلَمْ تَقْضِهِ فَأَفْتَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ ابْنَتَهَا أَنْ تَمْشِيَ عَنْهَا قَالَ يَحْيَى وَسَمِعْت مَالِك يَقُولُ لَا يَمْشِي أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ

وحدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عمته أنها حدثته عن جدته أنها كانت جعلت على نفسها مشيا إلى مسجد قباء فماتت ولم تقضه فأفتى عبد الله بن عباس ابنتها أن تمشي عنها قال يحيى وسمعت مالك يقول لا يمشي أحد عن أحد


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr that his paternal aunt related that her grandmother made a vow to walk to the Quba mosque. She died, and did not fulfill it, so Abdullah ibn Abbas asked her daughter to walk for her.

Yahya said that he had heard Malik say, "No one walks for anyone else."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ১. কোথাও হাটিয়া যাওয়ার মানত করা

রেওয়ায়ত ৩. আবদুল্লাহ ইবন আবু হাবীব (রাঃ) বলেন, আমার বয়স তখন অল্প। এক ব্যক্তিকে বলিলাম “বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাঁটিয়া যাওয়ার নযর বা মানত করিলাম” কোন ব্যক্তি এই কথা না বলিয়া “বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাঁটিয়া যাওয়া আমার উপর ওয়াজিব” এরূপ বলিলে ইহাতে কোন দোষ নাই। ঐ ব্যক্তি আমাকে তখন বলিল, আমার হাতে এই শসাটি তুমি নিয়া যাও, আর এইটুকু বল দেখি, “বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাটিয়া যাওয়া আমার উপর ওয়াজিব।” আমি বলিলামঃ হ্যাঁ, বলিতেছি এবং ঐ কথা বলিয়া দিলাম। তখন আমি অল্প বয়স্ক ছিলাম। তাই প্রথমে কিছু চিন্তা করি নাই। কিন্তু পরে বুঝ হওয়ার পর চিন্তা হইল। অন্য লোকেরা বলিতে লাগিল, এখন তোমার উপর বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাঁটিয়া যাওয়া ওয়াজিব হইয়াছে। শেষে সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে আমি এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলাম। তিনিও আমাকে বলিলেনঃ হ্যাঁ, বায়তুল্লাহ পর্যন্ত তোমাকে হাঁটিয়া যাইতে হইবে। শেষ পর্যন্ত আমি বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাঁটিয়া যাইয়া এই নযর পুরা করিলাম ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার মতেও হুকুম ইহাই।

بَاب مَا يَجِبُ مِنْ النُّذُورِ فِي الْمَشْيِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي حَبِيبَةَ قَالَ قُلْتُ لِرَجُلٍ وَأَنَا حَدِيثُ السِّنِّ مَا عَلَى الرَّجُلِ أَنْ يَقُولَ عَلَيَّ مَشْيٌ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ وَلَمْ يَقُلْ عَلَيَّ نَذْرُ مَشْيٍ فَقَالَ لِي رَجُلٌ هَلْ لَكَ أَنْ أُعْطِيَكَ هَذَا الْجِرْوَ لِجِرْوِ قِثَّاءٍ فِي يَدِهِ وَتَقُولُ عَلَيَّ مَشْيٌ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ قَالَ فَقُلْتُ نَعَمْ فَقُلْتُهُ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ حَدِيثُ السِّنِّ ثُمَّ مَكَثْتُ حَتَّى عَقَلْتُ فَقِيلَ لِي إِنَّ عَلَيْكَ مَشْيًا فَجِئْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ لِي عَلَيْكَ مَشْيٌ فَمَشَيْتُ قَالَ مَالِك وَهَذَا الْأَمْرُ عِنْدَنَا

وحدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي حبيبة قال قلت لرجل وأنا حديث السن ما على الرجل أن يقول علي مشي إلى بيت الله ولم يقل علي نذر مشي فقال لي رجل هل لك أن أعطيك هذا الجرو لجرو قثاء في يده وتقول علي مشي إلى بيت الله قال فقلت نعم فقلته وأنا يومئذ حديث السن ثم مكثت حتى عقلت فقيل لي إن عليك مشيا فجئت سعيد بن المسيب فسألته عن ذلك فقال لي عليك مشي فمشيت قال مالك وهذا الأمر عندنا


Yahya related to me from Malik that Abdullah ibn Abi Habiba said, "I said to a man, when I was young, 'A man who only says that he must walk to the House of Allah and does not say that he has vowed to walk, does not have to walk.' A man said, 'Shall I give you this small cucumber?' and he had a small cucumber in his hand and you will say, 'I must walk to the house of Allah?' I said, 'Yes' and I said it, for at that time I was still immature. Then, when I came of age, some one said to me that I had to fulfill my vow. I went and asked Said ibn al- Musayyab about it, and he said to me, 'You must walk.' So I walked."

Malik said, "That is the custom among us."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ২. বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাঁটিয়া যাওয়ার মানত করা এবং পরে অক্ষম হওয়া

রেওয়ায়ত ৪. উরওয়াহ ইবন উয়াইনী লাইসী (রাঃ) বর্ণনা করেন-আমার দাদী বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাটিয়া যাওয়ার মানত করিয়াছিলেন। তিনি যখন মানত পূরণ করিতে যাত্রা করেন আমিও তাহার সহিত চলিলাম। শেষে হাঁটিতে হাঁটিতে অত্যন্ত ক্লান্ত হইয়া পড়িলে তিনি স্বীয় গোলামকে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিতে প্রেরণ করেন। আমিও তাহার সহিত গেলাম। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) জবাবে বলিলেনঃ এখন সে কিছুতে আরোহণ করিয়া যাক। পরে যে স্থান হইতে আরোহণ করিয়াছিল সেই স্থান হইতে পুনরায় তাহাকে হাঁটিয়া যাইতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহার সহিত এই ধরনের ব্যক্তিকে একটি কুরবানীও করিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) জ্ঞাত হইয়াছেন-সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) এবং আবু সালমা ইবন আবদুর রহমানও এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর মতো অভিমত ব্যক্ত করেন।

بَاب مَا جَاءَ فِيمَنْ نَذَرَ مَشْيًا إِلَى بَيْتِ اللَّهِ فَعَجَزَ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عُرْوَةَ بْنِ أُذَيْنَةَ اللَّيْثِيِّ أَنَّهُ قَالَ خَرَجْتُ مَعَ جَدَّةٍ لِي عَلَيْهَا مَشْيٌ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِبَعْضِ الطَّرِيقِ عَجَزَتْ فَأَرْسَلَتْ مَوْلًى لَهَا يَسْأَلُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ فَخَرَجْتُ مَعَهُ فَسَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ مُرْهَا فَلْتَرْكَبْ ثُمَّ لْتَمْشِ مِنْ حَيْثُ عَجَزَتْ قَالَ يَحْيَى وَسَمِعْت مَالِك يَقُولُ وَنَرَى عَلَيْهَا مَعَ ذَلِكَ الْهَدْيَ وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ وَأَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ كَانَا يَقُولَانِ مِثْلَ قَوْلِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ

حدثني يحيى عن مالك عن عروة بن أذينة الليثي أنه قال خرجت مع جدة لي عليها مشي إلى بيت الله حتى إذا كنا ببعض الطريق عجزت فأرسلت مولى لها يسأل عبد الله بن عمر فخرجت معه فسأل عبد الله بن عمر فقال له عبد الله بن عمر مرها فلتركب ثم لتمش من حيث عجزت قال يحيى وسمعت مالك يقول ونرى عليها مع ذلك الهدي وحدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وأبا سلمة بن عبد الرحمن كانا يقولان مثل قول عبد الله بن عمر


Yahya related to me from Malik that Urwa ibn Udhayna al-Laythi said, "I went out with my grandmother who had vowed to walk to the House of Allah. When we had gone part of the way, she could not go on. I sent one of her mawlas to question Abdullah ibn Umar and I went with him. He asked Abdullah ibn Umar, and Abdullah ibn Umar said to him, 'Take her and let her ride, and when she has the strength let her ride back, and start to walk from the place from which she was unable to go on.'~

Yahya said that he had heard Malik say, "I think that she must sacrifice an animal."

Yahya related to me from Malik that he had heard that Said ibn al-Musayyab and Abu Salama ibn Abd ar- Rahman said the same as Abdullah ibn Umar.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ২. বায়তুল্লাহ পর্যন্ত হাঁটিয়া যাওয়ার মানত করা এবং পরে অক্ষম হওয়া

রেওয়ায়ত ৫. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি বায়তুল্লাহ্ পর্যন্ত হাটিয়া যাওয়ার মানত করিয়াছিলাম, কিন্তু কোমরের ব্যথায় আক্রান্ত হইয়া পড়ি। তাই বাহনে চড়িয়া আমাকে মক্কায় আসিতে হইল। আতা ইবন আবূ রাবাহ (রহঃ) অন্যদেরকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলে তাহারা বলিলেনঃ তোমাকে একটা কুরবানী দিতে হইবে । মদীনায় আসিয়া সেখানকার আলিমদের নিকটও এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিলাম। তাহারা বলিলেনঃ যে স্থান হইতে সওয়ার হইয়াছিলে সেই স্থান হইতে তোমাকে আবার হাঁটিয়া যাইতে হইবে। শেষে আমি তাহাই করিলাম।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পায়ে হাঁটিয়া যাওয়া আমার ওপর ওয়াজিব। এই কথা বলিয়া যদি কেহ হাঁটিয়া যাত্রা শুরু করে এবং পরে অপারক হইয়া যায় তবে সে সওয়ার হইয়া যাইবে এবং পরবর্তী সময়ে যে স্থান হইতে সে অপারক হইয়াছিল সেই স্থান হইতে পুনরায় হাঁটিয়া যাইবে। হাঁটিতে না পারিলে যতদূর সামর্থে কুলায় হাঁটিয়া যাইবে আর বাকীটুকু সওয়ার হইয়া যাইবে এবং একটি উট বা গরু কুরবানী করিবে। সম্ভব না হইলে একটি বকরী কুরবানী করিবে।

মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল, যদি কেহ অন্য একজনকে বলে, তোমাকে আমি বায়তুল্লাহ পর্যন্ত বহন করিয়া লইয়া যাইব, তবে কি হকুম হইবে? তিনি বলিলেন, যদি এই কথা বলার সময় কথকের এই নিয়্যত হইয়া থাকে যে, তাহার ঘাড়ে উঠাইয়া নিয়া যাইবে এবং এইভাবে নিজেকে কষ্টে ফেলাই তাহার উদ্দেশ্য হয়, তবে তাহার উপর কিছুই ওয়াজিব হইবে না বরং সে পায়ে হাঁটিয়া যাইবে এবং একটি কুরবানী দিবে। আর বলার সময় যদি তাহার কিছু নিয়্যত না থাকে, তবে সে সওয়ার হইয়া যাইবে এবং ঐ ব্যক্তিকেও সঙ্গে নিয়া যাইবে। কারণ সে তাহাকে বহন করিয়া লইয়া যাওয়ার অঙ্গীকার করিয়াছিল। ঐ ব্যক্তি যদি সঙ্গে যাইতে না চায় তবে তাহার উপর কিছুই ওয়াজিব হইবে না। কেননা সে আপন অঙ্গীকার রক্ষা করিয়াছে।

মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল-কেহ যদি নির্দিষ্ট কতিপয় মানতের শপথ করে যাহা প্রতি বৎসর চেষ্টা করিলেও সারা জীবনে পূরণ করা অসম্ভব, যেমন সে বলিল, পায়ে হাটিয়া বায়তুল্লাহ যাইব বা এক হাজার বার হজ্জ করিব, ভাই অথবা পিতার সহিত কথা বলিব না ইত্যাদি। সে কি একটি মানতই পূরণ করিবে, না সবগুলিই তাহাকে পূরণ করিতে হইবে?

মালিক (রহঃ) বললেন, আমার মতে সবগুলিই তাহাকে পূরণ করিতে হইবে, যতদিন এবং যতদূর পর্যন্ত সম্ভব হয় সে উহা পূরণ করিতে থাকিবে এবং নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করিয়া যাইবে।

بَاب مَا جَاءَ فِيمَنْ نَذَرَ مَشْيًا إِلَى بَيْتِ اللَّهِ فَعَجَزَ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ كَانَ عَلَيَّ مَشْيٌ فَأَصَابَتْنِي خَاصِرَةٌ فَرَكِبْتُ حَتَّى أَتَيْتُ مَكَّةَ فَسَأَلْتُ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ وَغَيْرَهُ فَقَالُوا عَلَيْكَ هَدْيٌ فَلَمَّا قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ سَأَلْتُ عُلَمَاءَهَا فَأَمَرُونِي أَنْ أَمْشِيَ مَرَّةً أُخْرَى مِنْ حَيْثُ عَجَزْتُ فَمَشَيْتُ قَالَ يَحْيَى وَسَمِعْت مَالِك يَقُولُ فَالْأَمْرُ عِنْدَنَا فِيمَنْ يَقُولُ عَلَيَّ مَشْيٌ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ أَنَّهُ إِذَا عَجَزَ رَكِبَ ثُمَّ عَادَ فَمَشَى مِنْ حَيْثُ عَجَزَ فَإِنْ كَانَ لَا يَسْتَطِيعُ الْمَشْيَ فَلْيَمْشِ مَا قَدَرَ عَلَيْهِ ثُمَّ لْيَرْكَبْ وَعَلَيْهِ هَدْيُ بَدَنَةٍ أَوْ بَقَرَةٍ أَوْ شَاةٍ إِنْ لَمْ يَجِدْ إِلَّا هِيَ
وَسُئِلَ مَالِك عَنْ الرَّجُلِ يَقُولُ لِلرَّجُلِ أَنَا أَحْمِلُكَ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ فَقَالَ مَالِك إِنْ نَوَى أَنْ يَحْمِلَهُ عَلَى رَقَبَتِهِ يُرِيدُ بِذَلِكَ الْمَشَقَّةَ وَتَعَبَ نَفْسِهِ فَلَيْسَ ذَلِكَ عَلَيْهِ وَلْيَمْشِ عَلَى رِجْلَيْهِ وَلْيُهْدِ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ نَوَى شَيْئًا فَلْيَحْجُجْ وَلْيَرْكَبْ وَلْيَحْجُجْ بِذَلِكَ الرَّجُلِ مَعَهُ وَذَلِكَ أَنَّهُ قَالَ أَنَا أَحْمِلُكَ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ فَإِنْ أَبَى أَنْ يَحُجَّ مَعَهُ فَلَيْسَ عَلَيْهِ شَيْءٌ وَقَدْ قَضَى مَا عَلَيْهِ قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِك عَنْ الرَّجُلِ يَحْلِفُ بِنُذُورٍ مُسَمَّاةٍ مَشْيًا إِلَى بَيْتِ اللَّهِ أَنْ لَا يُكَلِّمَ أَخَاهُ أَوْ أَبَاهُ بِكَذَا وَكَذَا نَذْرًا لِشَيْءٍ لَا يَقْوَى عَلَيْهِ وَلَوْ تَكَلَّفَ ذَلِكَ كُلَّ عَامٍ لَعُرِفَ أَنَّهُ لَا يَبْلُغُ عُمْرُهُ مَا جَعَلَ عَلَى نَفْسِهِ مِنْ ذَلِكَ فَقِيلَ لَهُ هَلْ يُجْزِيهِ مِنْ ذَلِكَ نَذْرٌ وَاحِدٌ أَوْ نُذُورٌ مُسَمَّاةٌ فَقَالَ مَالِك مَا أَعْلَمُهُ يُجْزِئُهُ مِنْ ذَلِكَ إِلَّا الْوَفَاءُ بِمَا جَعَلَ عَلَى نَفْسِهِ فَلْيَمْشِ مَا قَدَرَ عَلَيْهِ مِنْ الزَّمَانِ وَلْيَتَقَرَّبْ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ الْخَيْرِ

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال كان علي مشي فأصابتني خاصرة فركبت حتى أتيت مكة فسألت عطاء بن أبي رباح وغيره فقالوا عليك هدي فلما قدمت المدينة سألت علماءها فأمروني أن أمشي مرة أخرى من حيث عجزت فمشيت قال يحيى وسمعت مالك يقول فالأمر عندنا فيمن يقول علي مشي إلى بيت الله أنه إذا عجز ركب ثم عاد فمشى من حيث عجز فإن كان لا يستطيع المشي فليمش ما قدر عليه ثم ليركب وعليه هدي بدنة أو بقرة أو شاة إن لم يجد إلا هي وسئل مالك عن الرجل يقول للرجل أنا أحملك إلى بيت الله فقال مالك إن نوى أن يحمله على رقبته يريد بذلك المشقة وتعب نفسه فليس ذلك عليه وليمش على رجليه وليهد وإن لم يكن نوى شيئا فليحجج وليركب وليحجج بذلك الرجل معه وذلك أنه قال أنا أحملك إلى بيت الله فإن أبى أن يحج معه فليس عليه شيء وقد قضى ما عليه قال يحيى سئل مالك عن الرجل يحلف بنذور مسماة مشيا إلى بيت الله أن لا يكلم أخاه أو أباه بكذا وكذا نذرا لشيء لا يقوى عليه ولو تكلف ذلك كل عام لعرف أنه لا يبلغ عمره ما جعل على نفسه من ذلك فقيل له هل يجزيه من ذلك نذر واحد أو نذور مسماة فقال مالك ما أعلمه يجزئه من ذلك إلا الوفاء بما جعل على نفسه فليمش ما قدر عليه من الزمان وليتقرب إلى الله تعالى بما استطاع من الخير


Yahya related to me from Malik that Yahya ibn Said said, "I vowed to walk, but I was struck by a pain in the kidney, so I rode until I came to Makka. I questioned Ata ibn Abi Rabah and others, and they said, 'You must sacrifice an animal.' When I came to Madina I questioned the ulama there, and they ordered me to walk again from the place from which I was unable to go on. So I walked."

Yahya said that he had heard Malik say, "What is done among us regarding someone who makes a vow to walk to the House of Allah, and then cannot do it and so rides, is that he must return and walk from the place from which he was unable to go on. If he cannot walk, he should walk what he can and then ride, and he must sacrifice a camel, a cow, or a sheep if that is all that he can find."

Malik, when asked about a man who said to another, "I will carry you to the House of Allah", answered, "If he intended to carry him on his shoulder, by that he meant hardship and exhaustion to himself, and he does not have to do that. Let him walk by foot and make sacrifice. If he did not intend anything, let him do hajj and ride, and take the man on hajj with him. That is because he said, 'I will carry you to the house of Allah.' If the man refuses to do hajj with him, then there is nothing against him, and what is demanded of him is cancelled."

Yahya said that Malik was asked whether it was enough for a man who had made a vow that he would walk to the House of Allah a certain (large) number of times, or who had forbidden himself from talking to his father and brother, if he did not fulfil a certain vow, and he had taken upon himself, by the oath, something which he was incapable of fulfilling in his lifetime, even though he were to try every year, to fulfil only one or a (smaller) number of vows by Allah? Malik said, "The only satisfaction for that that I know is fulfilling what he has obliged himself to do. Let him walk for as long as he is able and draw near Allah the Exalted by what he can of good."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৩. পায়ে হাঁটিয়া কা'বা শরীফে যাওয়ার অঙ্গীকার করা

মালিক (রহঃ) বলেনঃ পুরুষ বা মহিলা যদি পায়ে হাঁটিয়া হজ্জ বা উমরা করার কসম করে, তবে ঐ পুরুষ বা মহিলার কসম ভাঙ্গিয়া ফেলিবে। কসম ভঙ্গ করার পর, উমরার বেলায় সায়ী করা পর্যন্ত এবং হজ্জের বেলায় তাওয়াফে যিয়ারত করা পর্যন্ত সে পায়ে হাঁটিয়া চলিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ হজ্জ অথবা উমরা ব্যতীত অন্য কিছুর জন্য এই ধরনের মানতে হাটিতে হইবে না।

আমি এই বিষয়ে যাহাই শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহাই উত্তম।

بَاب الْعَمَلِ فِي الْمَشْيِ إِلَى الْكَعْبَةِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّ أَحْسَنَ مَا سَمِعْتُ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي الرَّجُلِ يَحْلِفُ بِالْمَشْيِ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ أَوْ الْمَرْأَةِ فَيَحْنَثُ أَوْ تَحْنَثُ أَنَّهُ إِنْ مَشَى الْحَالِفُ مِنْهُمَا فِي عُمْرَةٍ فَإِنَّهُ يَمْشِي حَتَّى يَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَإِذَا سَعَى فَقَدْ فَرَغَ وَأَنَّهُ إِنْ جَعَلَ عَلَى نَفْسِهِ مَشْيًا فِي الْحَجِّ فَإِنَّهُ يَمْشِي حَتَّى يَأْتِيَ مَكَّةَ ثُمَّ يَمْشِي حَتَّى يَفْرُغَ مِنْ الْمَنَاسِكِ كُلِّهَا وَلَا يَزَالُ مَاشِيًا حَتَّى يُفِيضَ قَالَ مَالِك وَلَا يَكُونُ مَشْيٌ إِلَّا فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ

حدثني يحيى عن مالك أن أحسن ما سمعت من أهل العلم في الرجل يحلف بالمشي إلى بيت الله أو المرأة فيحنث أو تحنث أنه إن مشى الحالف منهما في عمرة فإنه يمشي حتى يسعى بين الصفا والمروة فإذا سعى فقد فرغ وأنه إن جعل على نفسه مشيا في الحج فإنه يمشي حتى يأتي مكة ثم يمشي حتى يفرغ من المناسك كلها ولا يزال ماشيا حتى يفيض قال مالك ولا يكون مشي إلا في حج أو عمرة


Yahya related to me from Malik that what he preferred of what he had heard from the people of knowledge about a man or woman who vowed to walk to the House of Allah, was that they fulfilled the oath when performing umra, by walking until they had done say between Safa and Marwa. When they had done say it was finished. If they vowed to walk in the hajj, they walked until they came to Makka, then they walked until they had finished all the rites.

Malik said, "Walking is only for hajj or umra."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৪. পাপকার্যে মানত বৈধ নহে

রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ হুমায়দ ইবন কায়স (রাঃ) এবং সাউর ইবন দীলী (রাঃ) তাহারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে তাহার নিকট রেওয়ায়ত বর্ণনা করিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একবার রৌদ্রে দাঁড়াইয়া থাকিতে দেখিতে পাইলেন। তিনি বলিলেনঃ এই ব্যক্তির কি হইয়াছে? তাহারা বলিলেনঃ এই ব্যক্তি মানত করিয়াছে যে, সে কাহারও সহিত কথা বলিবে না, ছায়ায় দাড়াইবে না, কোথাও বসিবে না এবং সর্বদাই সে রোযা রাখিবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তখন বলিলেনঃ তাহাকে বলিয়া দাও, সে যেন কথা বলে, ছায়ায় দাঁড়ায় ও বসে, আর যেন রোযা পুরা করিয়া নেয়।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাফফারার নির্দেশ দিয়াছেন বলিয়া আমি শুনি নাই। তিনি তাহাকে যাহা ইবাদত তাহা পূরণ করা এবং যাহা নাফরমানী তাহা বর্জন করার নির্দেশ দিয়াছেন।

بَاب مَا لَا يَجُوزُ مِنْ النُّذُورِ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ حُمَيْدِ بْنِ قَيْسٍ وَثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَحَدُهُمَا يَزِيدُ فِي الْحَدِيثِ عَلَى صَاحِبِهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى رَجُلًا قَائِمًا فِي الشَّمْسِ فَقَالَ مَا بَالُ هَذَا فَقَالُوا نَذَرَ أَنْ لَا يَتَكَلَّمَ وَلَا يَسْتَظِلَّ مِنْ الشَّمْسِ وَلَا يَجْلِسَ وَيَصُومَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرُوهُ فَلْيَتَكَلَّمْ وَلْيَسْتَظِلَّ وَلْيَجْلِسْ وَلْيُتِمَّ صِيَامَهُ قَالَ مَالِك وَلَمْ أَسْمَعْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهُ بِكَفَّارَةٍ وَقَدْ أَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُتِمَّ مَا كَانَ لِلَّهِ طَاعَةً وَيَتْرُكَ مَا كَانَ لِلَّهِ مَعْصِيَةً

حدثني يحيى عن مالك عن حميد بن قيس وثور بن زيد الديلي أنهما أخبراه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأحدهما يزيد في الحديث على صاحبه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا قائما في الشمس فقال ما بال هذا فقالوا نذر أن لا يتكلم ولا يستظل من الشمس ولا يجلس ويصوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم مروه فليتكلم وليستظل وليجلس وليتم صيامه قال مالك ولم أسمع أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره بكفارة وقد أمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتم ما كان لله طاعة ويترك ما كان لله معصية


Yahya related to me from Malik that Humayd ibn Qays and Thawr ibn Zayd adDili both informed him that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, (and one of them gave more detail than the other),saw a man standing in the sun. The Messenger asked, "What's wrong with him?" The people said, "He has vowed not to speak or to seek shade from the sun or to sit and to fast." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Go and tell him to speak, seek shade, and sit, but let him complete his fast."

Malik said, "I have not heard that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, ordered the man in question to do any kaffara. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, only ordered him to complete that in which there was obedience to Allah and to abandon that in which there was disobedience to Allah."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৪. পাপকার্যে মানত বৈধ নহে

রেওয়ায়ত ৭. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন-আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট একজন মহিলা আসিয়া বলিল, আমার পুত্রকে কুরবানী দেওয়ার মানত করিয়াছি। তিনি বলিলেনঃ পুত্রকে জবাই করিও না এবং তোমার কসমের কাফফার দিয়া দাও। এক ব্যক্তি তখন বলিয়া উঠিলঃ কাফফারা কি করিয়া হইতে পারে? ইবন আব্বাস বলিলেনঃ স্ত্রীর সহিত যিহার করাও গুনাহ। উহাতেও আল্লাহ তা'আলা কাফফারার বিধান রাখিয়াছেন।

بَاب مَا لَا يَجُوزُ مِنْ النُّذُورِ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ أَتَتْ امْرَأَةٌ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَتْ إِنِّي نَذَرْتُ أَنْ أَنْحَرَ ابْنِي فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لَا تَنْحَرِي ابْنَكِ وَكَفِّرِي عَنْ يَمِينِكِ فَقَالَ شَيْخٌ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ وَكَيْفَ يَكُونُ فِي هَذَا كَفَّارَةٌ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَالَ وَالَّذِينَ يُظَاهِرُونَ مِنْكُمْ مِنْ نِسَائِهِمْ ثُمَّ جَعَلَ فِيهِ مِنْ الْكَفَّارَةِ مَا قَدْ رَأَيْتَ

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه سمعه يقول أتت امرأة إلى عبد الله بن عباس فقالت إني نذرت أن أنحر ابني فقال ابن عباس لا تنحري ابنك وكفري عن يمينك فقال شيخ عند ابن عباس وكيف يكون في هذا كفارة فقال ابن عباس إن الله تعالى قال والذين يظاهرون منكم من نسائهم ثم جعل فيه من الكفارة ما قد رأيت




Yahya related to me from Malik that Yahya ibn Said heard al-Qasim ibn Muhammad say, "A woman came to Abdullah ibn Abbas and said, 'I have vowed to sacrifice my son.' Ibn Abbas said, 'Do not sacrifice your son. Do kaffara for your oath.' An old man with Ibn Abbas said, 'What kaffara is there for this?' Ibn Abbas said, 'Allah the Exalted said, "Those of you who say, regarding their wives.'Be as my mother's back' (Sura58 ayat 2) and then He went on to oblige the kaffara for it as you have seen.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৪. পাপকার্যে মানত বৈধ নহে

রেওয়ায়ত ৮. আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্য করার মানত করে সে অবশ্যই তাহার আনুগত্য করিবে আর যে আল্লাহর নাফরমানী করিবে সে তাহার নাফরমানী করিবে না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ গুনাহর কাজ করার মানত যদি কেহ করে তবে সে যেন ঐ গুনাহ করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের এই কথার মর্ম হইল-যে সমস্ত কাজের সওয়াব নাই তেমন কাজে মানত করিয়া উহা ভাঙ্গিয়া ফেলিলে তবে তাহার উপর কিছুই ওয়াজিব হইবে না। যেমন কেহ শাম বা মিসর বা রাবাযা যাওয়ার মানত করিল। তদ্রুপ কাহারও সঙ্গে কথা না বলার মানত করিল অথবা মন্দ কাজ করার কসম করিল, যেহেতু এইসব কাজে আল্লাহর ফরমানবরদারী নাই। এইগুলি পূরণ না করিলে কিছুই ওয়াজিব হইবে না। যে কাজে আল্লাহর আনুগত্য রহিয়াছে সেই ধরনের কাজে মানত করিলে ইহা পূরণ করা জরুরী হয়।

بَاب مَا لَا يَجُوزُ مِنْ النُّذُورِ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْأَيْلِيِّ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ابْنِ الصِّدِّيقِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ نَذَرَ أَنْ يُطِيعَ اللَّهَ فَلْيُطِعْهُ وَمَنْ نَذَرَ أَنْ يَعْصِيَ اللَّهَ فَلَا يَعْصِهِ قَالَ يَحْيَى وَسَمِعْت مَالِك يَقُولُ مَعْنَى قَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ نَذَرَ أَنْ يَعْصِيَ اللَّهَ فَلَا يَعْصِهِ أَنْ يَنْذِرَ الرَّجُلُ أَنْ يَمْشِيَ إِلَى الشَّامِ أَوْ إِلَى مِصْرَ أَوْ إِلَى الرَّبَذَةِ أَوْ مَا أَشْبَهَ ذَلِكَ مِمَّا لَيْسَ لِلَّهِ بِطَاعَةٍ إِنْ كَلَّمَ فُلَانًا أَوْ مَا أَشْبَهَ ذَلِكَ فَلَيْسَ عَلَيْهِ فِي شَيْءٍ مِنْ ذَلِكَ شَيْءٌ إِنْ هُوَ كَلَّمَهُ أَوْ حَنِثَ بِمَا حَلَفَ عَلَيْهِ لِأَنَّهُ لَيْسَ لِلَّهِ فِي هَذِهِ الْأَشْيَاءِ طَاعَةٌ وَإِنَّمَا يُوَفَّى لِلَّهِ بِمَا لَهُ فِيهِ طَاعَةٌ

وحدثني عن مالك عن طلحة بن عبد الملك الأيلي عن القاسم بن محمد ابن الصديق عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من نذر أن يطيع الله فليطعه ومن نذر أن يعصي الله فلا يعصه قال يحيى وسمعت مالك يقول معنى قول رسول الله صلى الله عليه وسلم من نذر أن يعصي الله فلا يعصه أن ينذر الرجل أن يمشي إلى الشام أو إلى مصر أو إلى الربذة أو ما أشبه ذلك مما ليس لله بطاعة إن كلم فلانا أو ما أشبه ذلك فليس عليه في شيء من ذلك شيء إن هو كلمه أو حنث بما حلف عليه لأنه ليس لله في هذه الأشياء طاعة وإنما يوفى لله بما له فيه طاعة


Yahya related to me from Malik from Talha ibn Abi al-Malik al- Ayli from al-Qasim ibn Muhammad ibn as-Siddiq from A'isha that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Whoever vows to obey Allah, let him obey Him. Whoever vows to disobey Allah, let him not disobey Him."

Yahya said that he had heard Malik say, "The meaning of the statement of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, 'Whoever vows to disobey Allah, let him not disobey Him' is that for instance a man who vows that, if he speaks to such-and-such a person, he will walk to Syria, Egypt, or any other such things which are not considered as ibada, is not under any obligation by any of that, even if he did speak to the man or did break whatever it was he swore, because Allah does not demand obedience in such things. He should only fulfill those things in which there is obedience to Allah."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৫. নিরর্থক কসমের বিবরণ

রেওয়ায়ত ৯. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) বলিতেন, কথায় কথায় লা ওয়াল্লাহি, বালা ওয়াল্লাহি (না, আল্লাহর কসম, হ্যাঁ আল্লাহর কসম) ধরনের কসম করা য়ামীনে লাগব হইবে (অর্থাৎ শরীয়তের দৃষ্টিতে উহা কসম বলিয়া ধর্তব্য হইবে না)।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ য়ামীনে লাগব হইল সত্য মনে করিয়া কোন বিষয়ে কসম করা অথচ পরে উহা বিপরীত বলিয়া সাব্যস্ত হয়। এই বিষয়ে ইহাই উত্তম যাহা আমি শুনিয়াছি।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ভবিষ্যতে কোন কাজ করা না করা সম্পর্কে কসম করা হইলে তাহা পূরণ করা বাধ্যতামূলক, عقد اليمين যেমন কেহ বলিলঃ আল্লাহর কসম, এই কাপড়টি আমি দশ দীনারে বিক্রয় করিব না। কিন্তু পরে দশ দীনারে উহা বিক্রয় করিয়া দিল বা কেহ বলিলঃ আল্লাহর কসম, এই ব্যক্তির গোলামকে আমি মারিব, পীর মারিল না ইত্যাদি। এই ধরনের কসমের কাফফার ওয়াজিব হয়। আর য়ামীনে লাগব-এর জন্য কাফফারা নাই।

মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ য়ামীনে গুমুস হইল কাহাকেও খুশী করিবার জন্য বা ওযর গ্রহণ করানোর জন্য বা কাহারো ধন-সম্পত্তি আত্মসাৎ করিবার উদ্দেশ্যে জানিয়া-শুনিয়া মিথ্যা কসম করা। এই ধরনের কসমের গুনাহ এত মারাত্মক যে, ইহার কাফফারা হয় না।

بَاب اللَّغْوِ فِي الْيَمِينِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ لَغْوُ الْيَمِينِ قَوْلُ الْإِنْسَانِ لَا وَاللَّهِ وَبَلَى وَاللَّهِ
قَالَ مَالِك أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ فِي هَذَا أَنَّ اللَّغْوَ حَلِفُ الْإِنْسَانِ عَلَى الشَّيْءِ يَسْتَيْقِنُ أَنَّهُ كَذَلِكَ ثُمَّ يُوجَدُ عَلَى غَيْرِ ذَلِكَ فَهُوَ اللَّغْوُ قَالَ مَالِك وَعَقْدُ الْيَمِينِ أَنْ يَحْلِفَ الرَّجُلُ أَنْ لَا يَبِيعَ ثَوْبَهُ بِعَشَرَةِ دَنَانِيرَ ثُمَّ يَبِيعَهُ بِذَلِكَ أَوْ يَحْلِفَ لَيَضْرِبَنَّ غُلَامَهُ ثُمَّ لَا يَضْرِبُهُ وَنَحْوَ هَذَا فَهَذَا الَّذِي يُكَفِّرُ صَاحِبُهُ عَنْ يَمِينِهِ وَلَيْسَ فِي اللَّغْوِ كَفَّارَةٌ قَالَ مَالِك فَأَمَّا الَّذِي يَحْلِفُ عَلَى الشَّيْءِ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ آثِمٌ وَيَحْلِفُ عَلَى الْكَذِبِ وَهُوَ يَعْلَمُ لِيُرْضِيَ بِهِ أَحَدًا أَوْ لِيَعْتَذِرَ بِهِ إِلَى مُعْتَذَرٍ إِلَيْهِ أَوْ لِيَقْطَعَ بِهِ مَالًا فَهَذَا أَعْظَمُ مِنْ أَنْ تَكُونَ فِيهِ كَفَّارَةٌ

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها كانت تقول لغو اليمين قول الإنسان لا والله وبلى والله قال مالك أحسن ما سمعت في هذا أن اللغو حلف الإنسان على الشيء يستيقن أنه كذلك ثم يوجد على غير ذلك فهو اللغو قال مالك وعقد اليمين أن يحلف الرجل أن لا يبيع ثوبه بعشرة دنانير ثم يبيعه بذلك أو يحلف ليضربن غلامه ثم لا يضربه ونحو هذا فهذا الذي يكفر صاحبه عن يمينه وليس في اللغو كفارة قال مالك فأما الذي يحلف على الشيء وهو يعلم أنه آثم ويحلف على الكذب وهو يعلم ليرضي به أحدا أو ليعتذر به إلى معتذر إليه أو ليقطع به مالا فهذا أعظم من أن تكون فيه كفارة


Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa from his father that A'isha, umm al-muminin said, "Rashness in oaths is that a man says, 'By Allah, No! by Allah!' " i.e. out of habit.

Malik said, "The best of what I have heard on the matter is that rashness in oaths is that a man take an oath on something to show that he is certain that it is like he said, only to find that it is other than what he said. This is rashness."

Malik said, "The binding oath is for example, that a man says that he will not sell his garment for ten dinars, and then he sells it for that, or that he will beat his young slave and then does not beat him, and so on. One does kaffara for making such an oath, and there is no kaffara in rashness."

Malik said, "As for the one who swears to a thing which he knows is wicked, and he swears to a lie he knows to be a lie, in order to please someone with it or to excuse himself to someone by it or to gain money by it, no kaffara that he does for it can cover it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যে ধরনের কসমে কাফফারা ওয়াজিব হয় না

রেওয়ায়ত ১০. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেন, যদি কেহ কসম করিয়া ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চাহেন) বলে তবে কসমকৃত কাজটি না করিলে এই কসম ভঙ্গ হইবে না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইনশাআল্লাহ কসমের সঙ্গে সঙ্গে এবং কথার ধারাবাহিকতা বজায় থাকিতে বলিতে হইবে। কেহ কসম করিয়া কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর যদি ইনশাআল্লাহ বলে তবে আর উহা ধর্তব্য হইবে না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেহ বলিল, আমি যদি এই কাজ করি তবে আমি কাফের বা মুশরিক। পরে যদি ঐ ব্যক্তি কাজটি করিয়া ফেলে তবে তাহার কাফফারা ওয়াজিব হইবে না। কিন্তু অন্তরে শিরক কুফরীর আকীদা না হইলে সে ইহাতে কাফের বা মুশরিক হইয়া যাইবে না। তবে গুনাহগার হইবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কিছু করিবে না বলিয়া তাহাকে তওবা করিতে হইবে। এই ধরনের কসম অতি নিন্দনীয়।

بَاب مَا لَا تَجِبُ فِيهِ الْكَفَّارَةُ مِنْ الْيَمِينِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مَنْ قَالَ وَاللَّهِ ثُمَّ قَالَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ لَمْ يَفْعَلْ الَّذِي حَلَفَ عَلَيْهِ لَمْ يَحْنَثْ
قَالَ مَالِك أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ فِي الثُّنْيَا أَنَّهَا لِصَاحِبِهَا مَا لَمْ يَقْطَعْ كَلَامَهُ وَمَا كَانَ مِنْ ذَلِكَ نَسَقًا يَتْبَعُ بَعْضُهُ بَعْضًا قَبْلَ أَنْ يَسْكُتَ فَإِذَا سَكَتَ وَقَطَعَ كَلَامَهُ فَلَا ثُنْيَا لَهُ قَالَ يَحْيَى وَقَالَ مَالِك فِي الرَّجُلِ يَقُولُ كَفَرَ بِاللَّهِ أَوْ أَشْرَكَ بِاللَّهِ ثُمَّ يَحْنَثُ إِنَّهُ لَيْسَ عَلَيْهِ كَفَّارَةٌ وَلَيْسَ بِكَافِرٍ وَلَا مُشْرِكٍ حَتَّى يَكُونَ قَلْبُهُ مُضْمِرًا عَلَى الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ وَلْيَسْتَغْفِرْ اللَّهَ وَلَا يَعُدْ إِلَى شَيْءٍ مِنْ ذَلِكَ وَبِئْسَ مَا صَنَعَ

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول من قال والله ثم قال إن شاء الله ثم لم يفعل الذي حلف عليه لم يحنث قال مالك أحسن ما سمعت في الثنيا أنها لصاحبها ما لم يقطع كلامه وما كان من ذلك نسقا يتبع بعضه بعضا قبل أن يسكت فإذا سكت وقطع كلامه فلا ثنيا له قال يحيى وقال مالك في الرجل يقول كفر بالله أو أشرك بالله ثم يحنث إنه ليس عليه كفارة وليس بكافر ولا مشرك حتى يكون قلبه مضمرا على الشرك والكفر وليستغفر الله ولا يعد إلى شيء من ذلك وبئس ما صنع


Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar said, "Whoever swears by Allah and then says, 'Allah willing' and then does not do what he has sworn to, has not broken his oath."

Malik said, "The best I have heard on this reservation is that it belongs to the statement made if the speaker does not break the normal flow of speech before he is silent. If he is silent and breaks the flow of speech, he has no exception."

Yahya said, "Malik said that a man who said that he had disbelieved or associated something with Allah and then he broke his oath, had no kaffara, and he was not a disbeliever or one who associated something with Allah unless his heart concealed something of either of those. He should ask forgiveness of Allah and not return to it - for what he did was evil."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৭. যে ধরনের কসমে কাফফারা ওয়াজিব হয়

রেওয়ায়ত ১১. আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ কোন বিষয়ে কসম করার পর উহার বিপরীত বিষয় যদি অধিক ভাল ও মঙ্গলজনক মনে হয়; তবে ঐ কসম ভাঙ্গিয়া উহার কাফফারা দিবে এবং মঙ্গলজনক কাজটি করিবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, কেহ বলিলঃ আমি মানত করিলাম। কিন্তু কিসের উপর মানত করিল তাহা বলিল না। তবুও তাহার উপর কাফফারা ওয়াজিব হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ একই কসম কেহ যদি একাধিকবার করে, যেমন আল্লাহর কসম, আমি ইহা হইতে কম করিব না। এই বিষয়ের উপর সে তিনবার বা ততোধিক কসম করিল। তবে তাহার একবারই কাফফারা ওয়াজিব হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেহ কসম করিল-আল্লাহর কসম, আমি এই খাদ্য আহার করিব না, এই কাপড়টি পরিব না এবং এই ঘরে প্রবেশ করিব না। পরে এই কাজগুলি সে যদি করিয়া ফেলে তবে তাহার উপর একই কাফফারা ওয়াজিব হইবে। যেমন কোন ব্যক্তি তাহার স্ত্রীকে বলিল, তোমাকে যদি এই কাপড়টি পরিতে দেই এবং মসজিদে যাইতে অনুমতি দেই তবে তুমি তালাক। উহা সমস্তটা মিলাইয়া একই কথা বলিয়া গণ্য হয় এবং যে কোন একটি হইলে তালাক হইয়া যায় আর পরে অন্যটি সংঘটিত হইলে দ্বিতীয়বার তালাক হয় না। এইখানেও তদ্রুপ একবারই কাফফারা ওয়াজিব হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসআলা এই, স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকেও স্ত্রীর মানত করা জায়েয আছে। তবে উহা একান্ত ব্যক্তিগত হইতে হইবে। শর্ত হইল, স্বামীর কোন ক্ষতি যেন না হয়। স্বামীর ক্ষতি হইলে সে স্ত্রীকে এই ধরনের মানত হইতে বিরত করিতে পারিবে। তবে স্ত্রীর উপর ঐ মানত ওয়াজিব থাকিয়া যাইবে। যখনই স্বামীর অনুমতি লাভ করিবে উহা আদায় করিবে।

بَاب مَا تَجِبُ فِيهِ الْكَفَّارَةُ مِنْ الْأَيْمَانِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ حَلَفَ بِيَمِينٍ فَرَأَى غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا فَلْيُكَفِّرْ عَنْ يَمِينِهِ وَلْيَفْعَلْ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ
قَالَ يَحْيَى وَسَمِعْت مَالِك يَقُولُ مَنْ قَالَ عَلَيَّ نَذْرٌ وَلَمْ يُسَمِّ شَيْئًا إِنَّ عَلَيْهِ كَفَّارَةَ يَمِينٍ قَالَ مَالِك فَأَمَّا التَّوْكِيدُ فَهُوَ حَلِفُ الْإِنْسَانِ فِي الشَّيْءِ الْوَاحِدِ مِرَارًا يُرَدِّدُ فِيهِ الْأَيْمَانَ يَمِينًا بَعْدَ يَمِينٍ كَقَوْلِهِ وَاللَّهِ لَا أَنْقُصُهُ مِنْ كَذَا وَكَذَا يَحْلِفُ بِذَلِكَ مِرَارًا ثَلَاثًا أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ قَالَ فَكَفَّارَةُ ذَلِكَ كَفَّارَةٌ وَاحِدَةٌ مِثْلُ كَفَّارَةِ الْيَمِينِ فَإِنْ حَلَفَ رَجُلٌ مَثَلًا فَقَالَ وَاللَّهِ لَا آكُلُ هَذَا الطَّعَامَ وَلَا أَلْبَسُ هَذَا الثَّوْبَ وَلَا أَدْخُلُ هَذَا الْبَيْتَ فَكَانَ هَذَا فِي يَمِينٍ وَاحِدَةٍ فَإِنَّمَا عَلَيْهِ كَفَّارَةٌ وَاحِدَةٌ وَإِنَّمَا ذَلِكَ كَقَوْلِ الرَّجُلِ لِامْرَأَتِهِ أَنْتِ الطَّلَاقُ إِنْ كَسَوْتُكِ هَذَا الثَّوْبَ وَأَذِنْتُ لَكِ إِلَى الْمَسْجِدِ يَكُونُ ذَلِكَ نَسَقًا مُتَتَابِعًا فِي كَلَامٍ وَاحِدٍ فَإِنْ حَنِثَ فِي شَيْءٍ وَاحِدٍ مِنْ ذَلِكَ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الطَّلَاقُ وَلَيْسَ عَلَيْهِ فِيمَا فَعَلَ بَعْدَ ذَلِكَ حِنْثٌ إِنَّمَا الْحِنْثُ فِي ذَلِكَ حِنْثٌ وَاحِدٌ قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي نَذْرِ الْمَرْأَةِ إِنَّهُ جَائِزٌ بِغَيْرِ إِذْنِ زَوْجِهَا يَجِبُ عَلَيْهَا ذَلِكَ وَيَثْبُتُ إِذَا كَانَ ذَلِكَ فِي جَسَدِهَا وَكَانَ ذَلِكَ لَا يَضُرُّ بِزَوْجِهَا وَإِنْ كَانَ ذَلِكَ يَضُرُّ بِزَوْجِهَا فَلَهُ مَنْعُهَا مِنْهُ وَكَانَ ذَلِكَ عَلَيْهَا حَتَّى تَقْضِيَهُ

حدثني يحيى عن مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من حلف بيمين فرأى غيرها خيرا منها فليكفر عن يمينه وليفعل الذي هو خير قال يحيى وسمعت مالك يقول من قال علي نذر ولم يسم شيئا إن عليه كفارة يمين قال مالك فأما التوكيد فهو حلف الإنسان في الشيء الواحد مرارا يردد فيه الأيمان يمينا بعد يمين كقوله والله لا أنقصه من كذا وكذا يحلف بذلك مرارا ثلاثا أو أكثر من ذلك قال فكفارة ذلك كفارة واحدة مثل كفارة اليمين فإن حلف رجل مثلا فقال والله لا آكل هذا الطعام ولا ألبس هذا الثوب ولا أدخل هذا البيت فكان هذا في يمين واحدة فإنما عليه كفارة واحدة وإنما ذلك كقول الرجل لامرأته أنت الطلاق إن كسوتك هذا الثوب وأذنت لك إلى المسجد يكون ذلك نسقا متتابعا في كلام واحد فإن حنث في شيء واحد من ذلك فقد وجب عليه الطلاق وليس عليه فيما فعل بعد ذلك حنث إنما الحنث في ذلك حنث واحد قال مالك الأمر عندنا في نذر المرأة إنه جائز بغير إذن زوجها يجب عليها ذلك ويثبت إذا كان ذلك في جسدها وكان ذلك لا يضر بزوجها وإن كان ذلك يضر بزوجها فله منعها منه وكان ذلك عليها حتى تقضيه


Yahya related to me from Malik from Suhayl ibn Abi Salih from his father from Abu Hurayra that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Whoever makes an oath and then sees that something else would be better than it, should do kaffara for his oath and do what is better."

Yahya said that he heard Malik say, "Anyone who says that he has a vow but does not mention the name of Allah, is still obliged to make the kaffara for an oath (if he breaks it)".

Malik said, "Emphasis is when a man swears one thing several times, repeating the oath in his speech time after time. For instance, the statement, 'By Allah, I will not decrease it from such-and-such,' sworn three times or more. The kaffara of that is like the kaffara of one oath. If a man swears, 'I will not eat this food or wear these clothes or enter this house,' that is all in one oath, and he is only obliged to do one kaffara. It is the same for a man who says to his wife, 'You are divorced if I clothe you in this garment or let you go to the mosque,' and it is one entire statement in the normal pattern of speech. If he breaks any of that oath, divorce is necessary, and there is no breaking of oath after that in whatever he does. There is only one oath to be broken in that."

Malik said, "What we do about a woman who makes a vow without her husband's permission is that she is allowed to do so and she must fulfill it, if it only concerns her own person and will not harm her husband. If, however, it will harm her husband, he may forbid her to fulfill it, but it remains an obligation against her until she has the opportunity to complete it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৮. কসমের কাফফারা

রেওয়ায়ত ১২. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ কেহ যদি কসম করে ও পরে আরও কসম স্বারা উহাকে জোরালো করে এবং পরে উহা ভাঙ্গিয়া ফেলে তবে তাহার উপর একটি গোলাম আযাদ করা অথবা দশজনকে কাপড় দেওয়া জরুরী হইবে। আর যদি তাকীদযুক্ত নয় এমন কসম করিয়া ভাঙ্গিয়া ফেলে তবে দশজন মিসকীনের প্রত্যেককে এক মুদ পরিমাণ গম দিবে আর তাহা না পারিলে তিন দিন রোযা রাখিবে।

بَاب الْعَمَلِ فِي كَفَّارَةِ الْيَمِينِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مَنْ حَلَفَ بِيَمِينٍ فَوَكَّدَهَا ثُمَّ حَنِثَ فَعَلَيْهِ عِتْقُ رَقَبَةٍ أَوْ كِسْوَةُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ وَمَنْ حَلَفَ بِيَمِينٍ فَلَمْ يُؤَكِّدْهَا ثُمَّ حَنِثَ فَعَلَيْهِ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ لِكُلِّ مِسْكِينٍ مُدٌّ مِنْ حِنْطَةٍ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول من حلف بيمين فوكدها ثم حنث فعليه عتق رقبة أو كسوة عشرة مساكين ومن حلف بيمين فلم يؤكدها ثم حنث فعليه إطعام عشرة مساكين لكل مسكين مد من حنطة فمن لم يجد فصيام ثلاثة أيام


Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar said, "If someone breaks an oath which he has stressed, he has to free a slave, or clothe ten poor people. If someone breaks an oath, but has not stressed it, he only has to feed ten poor people and each poor person is fed a mudd of wheat. Some one who does not have the means for that, should fast for three days."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৮. কসমের কাফফারা

রেওয়ায়ত ১৩. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন স্বীয় কসমের কাফফারা দিতেন তখন দশজন মিসকীনকে আহার করাইতেন এবং প্রতিজনকে এক মুদ পরিমাণ গম দিতেন, আর কসম যত তাকীদযুক্ত করিতেন তত সংখ্যক গোলাম আযাদ করিতেন।

ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিলেন, আমি লোকদিগকে পাইয়াছি তাহারা যখন কসমের কাফফারা দিতেন তখন প্রত্যেক মিসকীনকে ছোট মুদের এক মুদ পরিমাণ গম দিতেন এবং উহাই যথেষ্ট বলিয়া মনে করিতেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ কসমের কাফফারা কাপড় দিতে চাহিলে পুরুষ মিসকীনকে একটি কাপড় দিলেই চলিবে, আর মিসকীন নারী হইলে অন্তত দুইটি করিয়া কাপড় দিতে হইবে। একটি জামা আরেকটি ওড়না। কেননা এতটুকুর কমে নামায হয় না।

بَاب الْعَمَلِ فِي كَفَّارَةِ الْيَمِينِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يُكَفِّرُ عَنْ يَمِينِهِ بِإِطْعَامِ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ لِكُلِّ مِسْكِينٍ مُدٌّ مِنْ حِنْطَةٍ وَكَانَ يَعْتِقُ الْمِرَارَ إِذَا وَكَّدَ الْيَمِينَ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُ قَالَ أَدْرَكْتُ النَّاسَ وَهُمْ إِذَا أَعْطَوْا فِي كَفَّارَةِ الْيَمِينِ أَعْطَوْا مُدًّا مِنْ حِنْطَةٍ بِالْمُدِّ الْأَصْغَرِ وَرَأَوْا ذَلِكَ مُجْزِئًا عَنْهُمْ
قَالَ مَالِك أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ فِي الَّذِي يُكَفِّرُ عَنْ يَمِينِهِ بِالْكِسْوَةِ أَنَّهُ إِنْ كَسَا الرِّجَالَ كَسَاهُمْ ثَوْبًا ثَوْبًا وَإِنْ كَسَا النِّسَاءَ كَسَاهُنَّ ثَوْبَيْنِ ثَوْبَيْنِ دِرْعًا وَخِمَارًا وَذَلِكَ أَدْنَى مَا يُجْزِئُ كُلًّا فِي صَلَاتِهِ

وحدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يكفر عن يمينه بإطعام عشرة مساكين لكل مسكين مد من حنطة وكان يعتق المرار إذا وكد اليمين وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أنه قال أدركت الناس وهم إذا أعطوا في كفارة اليمين أعطوا مدا من حنطة بالمد الأصغر ورأوا ذلك مجزئا عنهم قال مالك أحسن ما سمعت في الذي يكفر عن يمينه بالكسوة أنه إن كسا الرجال كساهم ثوبا ثوبا وإن كسا النساء كساهن ثوبين ثوبين درعا وخمارا وذلك أدنى ما يجزئ كلا في صلاته


Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar used to do kaffara for a broken oath by feeding ten poor people. Each person got a mudd of wheat. He sometimes freed a slave if he had repeated the oath.


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that Sulayman ibn Yasar said, "I understood from people that when they made the kaffara for a broken oath, they gave a mudd of wheat according to the smaller mudd. They thought that that would compensate for them."

Malik said, "The best of what I have heard about the one who does kaffara for breaking his oath by clothing people is that if he clothes men he clothes them each in one garment. If he clothes women, he clothes them each in two garments, a long shift and a long scarf, because that is what is satisfactory for each of them in the prayer."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৯. কসম সম্পৰ্কীয় বিবিধ আহকাম

রেওয়ায়ত ১৪. নাফি’ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) একবার আরোহী হইয়া যাইতেছিলেন এবং পিতার নামে কসম খাইতেছিলেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের সহিত তাহার সাক্ষাত হয়। তিনি তখন বলিলেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা পিতার নামে কসম করিতে নিষেধ করিয়াছেন। কেহ কসম করিলে আল্লাহর নামে করিও, আর তাহা না হইলে চুপ থাকিও ৷

بَاب جَامِعِ الْأَيْمَانِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَدْرَكَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَهُوَ يَسِيرُ فِي رَكْبٍ وَهُوَ يَحْلِفُ بِأَبِيهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ فَمَنْ كَانَ حَالِفًا فَلْيَحْلِفْ بِاللَّهِ أَوْ لِيَصْمُتْ

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أدرك عمر بن الخطاب رضي الله عنه وهو يسير في ركب وهو يحلف بأبيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله ينهاكم أن تحلفوا بآبائكم فمن كان حالفا فليحلف بالله أو ليصمت


Yahya related to me from Malik from Nafi from Abdullah ibn Umar that one time the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, was speaking to Umar ibn al-Khattab while he was travelling with a troop and Umar swore by his father and he (the Messenger) said, "Allah forbids you to swear by your fathers. If anyone swears, let him swear by Allah or keep silent."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৯. কসম সম্পৰ্কীয় বিবিধ আহকাম

রেওয়ায়ত ১৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিতেনঃ লা ওয়া মুকাল্লিবাল কুলুব! এরূপ নহে, মনের গতি পরিবর্তনকারীর কসম।

بَاب جَامِعِ الْأَيْمَانِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ لَا وَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ

وحدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول لا ومقلب القلوب


Yahya related to me from Malik that he had heard that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, used tosay, "No, by the Overturner of hearts."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৯. কসম সম্পৰ্কীয় বিবিধ আহকাম

রেওয়ায়ত ১৬. ইবন শিহাব (রহঃ) জ্ঞাত হইয়াছেন, আবু লুবাবা ইবন আবদুল মুনজির (রাঃ) এর তওবা যখন আল্লাহ্ তা'আলা কবুল করেন তখন তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের নিকট আসিয়া আরয করিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আমি যেইখানে বাস করি, আমার যেই বাড়িটিতে আমি গুনাহ করিয়াছিলাম, যেইখানে আমার এই গুনাহ হইয়াছিল, উহা ত্যাগ করিয়া আপনার নিকট আসিয়া থাকিব কি? আর আল্লাহ ও তাহার রাসূলের ওয়াস্তে এই বাড়িটি সদকা করিব কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তোমার ধন-সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ সদকা দিয়া দিলেই যথেষ্ট হইবে।[1]

بَاب جَامِعِ الْأَيْمَانِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عُثْمَانَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ بْنِ خَلْدَةَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَبَا لُبَابَةَ بْنَ عَبْدِ الْمُنْذِرِ حِينَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَهْجُرُ دَارَ قَوْمِي الَّتِي أَصَبْتُ فِيهَا الذَّنْبَ وَأُجَاوِرُكَ وَأَنْخَلِعُ مِنْ مَالِي صَدَقَةً إِلَى اللَّهِ وَإِلَى رَسُولِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُجْزِيكَ مِنْ ذَلِكَ الثُّلُثُ


وحدثني عن مالك عن عثمان بن حفص بن عمر بن خلدة عن ابن شهاب أنه بلغه أن أبا لبابة بن عبد المنذر حين تاب الله عليه قال يا رسول الله أهجر دار قومي التي أصبت فيها الذنب وأجاورك وأنخلع من مالي صدقة إلى الله وإلى رسوله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يجزيك من ذلك الثلث


Yahya related to me from Malik from Uthman ibn Hafs ibn Umar ibn Khalda that Ibn Shihab had heard that Abu Lubaba ibn Abd al-Mundhir, when Allah turned to him said, "Messenger of Allah, should I leave my people's house in which I committed wrong action and keep your company, and give away all my property as sadaqa for Allah and His Messenger? "The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Giving away a third of it is enough for you."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)

পরিচ্ছেদঃ ৯. কসম সম্পৰ্কীয় বিবিধ আহকাম

রেওয়ায়ত ১৭. উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল। সে বলিয়াছিলঃ আমার ধন-সম্পদ কা'বার দরজায় ওয়াকফ করিলাম, তবে ইহার কি হুকুম হইবে? আয়েশা (রাঃ) বলিলেনঃ তাহাকে কসমের কাফফারার মতো কাফফারা দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ বলেঃ আমার ধন-সম্পদ আল্লাহর রাহে সদকা করিয়া দিলাম। অতঃপর সে কসম ভঙ্গ করিল; তবে তাহাকে সমস্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ সদকা করিতে হইবে। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু লুবাবা (রাঃ) সম্পর্কে এই হুকুমই দিয়াছিলেন।

بَاب جَامِعِ الْأَيْمَانِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى عَنْ مَنْصُورِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَجَبِيِّ عَنْ أُمِّهِ عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا أَنَّهَا سُئِلَتْ عَنْ رَجُلٍ قَالَ مَالِي فِي رِتَاجِ الْكَعْبَةِ فَقَالَتْ عَائِشَةُ يُكَفِّرُهُ مَا يُكَفِّرُ الْيَمِينَ قَالَ مَالِك فِي الَّذِي يَقُولُ مَالِي فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ يَحْنَثُ قَالَ يَجْعَلُ ثُلُثَ مَالِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَذَلِكَ لِلَّذِي جَاءَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَمْرِ أَبِي لُبَابَةَ

وحدثني عن مالك عن أيوب بن موسى عن منصور بن عبد الرحمن الحجبي عن أمه عن عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها أنها سئلت عن رجل قال مالي في رتاج الكعبة فقالت عائشة يكفره ما يكفر اليمين قال مالك في الذي يقول مالي في سبيل الله ثم يحنث قال يجعل ثلث ماله في سبيل الله وذلك للذي جاء عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في أمر أبي لبابة


Yahya related to me from Malik from Ayyub ibn Musa from Mansur ibn Abd ar-Rahman al-Hajabi from his mother that A'isha, umm al- muminin, may Allah be pleased with her, was asked about a man who devoted his property to the door of Kaba. She said, "Let him do kaffara for it with the kaffara of the oath."

Malik said, that someone who devoted all his property in the way of Allah, and then broke his oath, should put a third of his property in the way of Allah, as that was what the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, did in the case of Abu Lubaba.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২২. মানত ও কসম সম্পর্কিত অধ্যায় (كتاب النذور والأيمان)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৮ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৮ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে