ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 97 টি

পরিচ্ছেদঃ ২১১৮. আনসারদের সম্পর্কে নবী করীম (ﷺ) এর উক্তিঃ তোমরা ধৈর্যধারণ করবে অবশেষে আমার সঙ্গে হাওযে কাউসারের নিকট সাক্ষাত করবে। এ হাদিসটি আবদুল্লাহ ইবন যায়েদ (রাঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন

৩৫২২। আবদুল্লাহ ইবনু (রহঃ) ... ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি যখন আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর সঙ্গে ওয়ালীদ (ইবনু আবদুল মালিক) এর সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বসরা থেকে দামেস্ক সফর করতে গিয়েছিলেন, তখন তিনি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহরাইনের জমি তাদের জন্য (জায়গীর হিসাবে) বরাদ্দ করার উদ্দেশ্যে আনসারদিগকে আহবান করলে তারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের মুহাজির ভাইদের জন্য এরূপ জায়গীর বরাদ্দ না করা পর্যন্ত আমরা তা গ্রহণ করব না। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা যদি তা গ্রহণ করতে না চাও, তবে (কিয়ামতের ময়দানে) হাউযে কাওসারের নিকটে আমার সাথে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত ধৈর্যধারণ করতে থাক। কেননা অচিরেই তোমরা দেখতে পাবে, আমার পরে তোমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

بَابُ قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلأَنْصَارِ: «اصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي عَلَى الْحَوْضِ» قَالَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ حِينَ خَرَجَ مَعَهُ إِلَى الْوَلِيدِ قَالَ دَعَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الأَنْصَارَ إِلَى أَنْ يُقْطِعَ لَهُمُ الْبَحْرَيْنِ‏.‏ فَقَالُوا لاَ، إِلاَّ أَنْ تُقْطِعَ لإِخْوَانِنَا مِنَ الْمُهَاجِرِينَ مِثْلَهَا‏.‏ قَالَ ‏ "‏ إِمَّا لاَ، فَاصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي، فَإِنَّهُ سَيُصِيبُكُمْ بَعْدِي أُثْرَةٌ ‏"‏‏.‏


Narrated Yahya bin Sa`id: That he heard Anas bin Malik when he went with him to Al-Walid, saying, "Once the Prophet (ﷺ) called the Ansar in order to give them the territory of Bahrain they said, 'No, unless you give to our emigrant brethren a similar share.' On that he said 'If you do not agree to it, then be patient till you meet me, for after me others will be given preference to you."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮. বিলাপ সম্পর্কে কঠোর সতর্কবাণী

২০৩৩। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ), আবূ তাহির, আহমাদ ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাফী (রহঃ) ... ইয়াহয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে আবদুল আযীযের (রহঃ) বর্ণনায় রয়েছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বিরক্ত করা হতেও নিবৃত্ত হচ্ছো না।

باب التَّشْدِيدِ فِي النِّيَاحَةِ

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - كُلُّهُمْ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ نَحْوَهُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَمَا تَرَكْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْعِيِّ ‏.‏


This hadith has been narrated by Yahya b. Sa'id with the same chain of transmitters like one narrated by 'Abd al-'Aziz (with the change of these words): " You did not spare the Messenger of Allah (ﷺ) the botheration."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

১৭০৮. মূসা ইব্‌ন ইসমাঈল (রহঃ) .... ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন সাঈদ ও রাবীআ (রহঃ) রাবী কুতায়বা বর্ণিত হাদীসের সনদ ও বিষয়বস্তুর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে আরও বর্ণনা করেছেনঃ যদি এর অনুসন্ধানকারী (মালিক) এসে যায় এবং এর থলি ও পরিমাণ সম্পর্কে ঠিকভাবে বলতে পারে তবে তা তাকে ফেরত দিবে।

রাবী হাম্মাদ ও উবায়দুল্লাহ ইব্‌ন উমার হতে, তিনি আমর ইব্‌ন শুআয়ের হতে, তিনি পর্যায়ক্রমে তার পিতা এবং দাদার সূত্রে, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।

ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেনঃ রাবী হাম্মাদ ইব্‌ন সালমা, সালামা ইব্‌ন কুহায়েল, ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন সাঈদ ও উবায়দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমারের হাদীসের মধ্যে যা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। তা হলঃ যদি এর মালিক এসে যায় এবং সে তার থলি ও মুখবন্ধনী চিনতে পারে। আর রাবী উকবা ইব্‌ন সুওয়ায়েদ, যিনি তার পিতার সূত্রে এবং তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম হতে, একইরূপ বর্ণনা করেছেনঃ “এক বছর যাবত ঐ প্রাপ্ত মাল সম্পর্কে ঘোষণা দিতে থাকবে।” আর উমার ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ) ও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাতে আছেঃ “ঐ প্রাপ্ত মাল সম্পর্কে এক বছর যাবত ঘোষণা দিতে থাকবে।”

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، وَرَبِيعَةَ، بِإِسْنَادِ قُتَيْبَةَ وَمَعْنَاهُ وَزَادَ فِيهِ ‏"‏ فَإِنْ جَاءَ بَاغِيهَا فَعَرَفَ عِفَاصَهَا وَعَدَدَهَا فَادْفَعْهَا إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ حَمَّادٌ أَيْضًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذِهِ الزِّيَادَةُ الَّتِي زَادَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ فِي حَدِيثِ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ وَيَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَرَبِيعَةَ ‏"‏ إِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا فَعَرَفَ عِفَاصَهَا وَوِكَاءَهَا فَادْفَعْهَا إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ لَيْسَتْ بِمَحْفُوظَةٍ ‏"‏ فَعَرَفَ عِفَاصَهَا وَوِكَاءَهَا ‏"‏ ‏.‏ وَحَدِيثُ عُقْبَةَ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَيْضًا قَالَ ‏"‏ عَرِّفْهَا سَنَةً ‏"‏ ‏.‏ وَحَدِيثُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَيْضًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ عَرِّفْهَا سَنَةً ‏"‏ ‏.‏


The above mentioned tradition has also been transmitted by Yahya bin Sa’id and Rabi’ah through the chain of narrators mentioned by Qutaibah to the same effect. This version adds; if its seeker comes, and recognizes its container and its number, then give it to him. Hammad also narrated it from `Ubaid Allah bin `Umar from `Amr bin Shu’aib, from his father, from his grandfather, from the Prophet (SWAS) something similar. Abu Dawud said : This addition made by Hammad bin Salamah bin Kuhail, Yahya bin Sa’id, `Ubaid Allah bin `Umar and Rabi’ah; “if its owner comes and recognizes its container, and its string,” is not guarded. The version narrated by Uqbah bin Suwaid on the authority of his father from the Prophet (SWAS) has also the words : “make it known for a year”. The version of `Umar bin al-Khattab has also been transmitted from the Prophet (SWAS). This version has : “Make it known for a year”.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১৬. কোন ব্যক্তির কোন সম্পদ ওয়াকফ করা সম্পর্কে।

২৮৬৯. সুলায়মান ইবন মাহরী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) ‘উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) এর সাদকা সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আমাকে আবদুল হামীদ ইবন ‘আবদুল্লাহ্ ইবন ‘উমার ইবন খাত্তাব এরূপ লিখে দিয়েছেনঃ

বিসমিল্লাহির রাহিমানির রাহীম। এ হলো ঐ বর্ণনা, যা ‘আবদুল্লাহ্ ইবন ‘উমার ‘ছামাগ’ সম্পর্কে লিখেছিলেন। অতঃপর রাবী নাফি‘(রহঃ) এর বর্ণিত হাদীছের ন্যায় বর্ণনা করেছেন যে, ধন-সম্পদ জমাকারী হবে না, আর যে ফল তাতে পতিত হবে, তা হবে ভিক্ষুক এবং বঞ্চিতদের অংশ। অতঃপর রাবী এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেনঃ যদি ঐ বাগানের মুতাওয়াল্লী চায়, তবে সে বাগানের ফল বিক্রি করে সে মূল্য দিয়ে বাগানের কাজের জন্য গোলাম খরিদ করতে পারে। আর মু‘আয়কীব এ বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেন এবং ‘আবদুল্লাহ্ ইবন আরকাম এর সাক্ষী হন।

‘‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এটা ঐ ওসীয়তনামা, যার ওসীয়ত আল্লাহর বান্দা আমীরুল মু‘মিনীন ‘উমার (রাঃ) করেনঃ যদি তাঁর [উমার (রাঃ)] উপর কোন দুর্ঘটনা ঘটে (অর্থাৎ তিনি মারা যান), তাহলে ‘ছামাগ’ ইবন আকুয়ের ‘সুরমা’ [১] এবং সেখানে যে গোলামেরা আছে, তা; আর খায়বরের একশত হিস্‌সা এবং সেখানকার গোলামেরা এবং ঐ একশত ভাগ যা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে খায়বরের নিকটবর্তী উপত্যকায় দিয়েছিলেন এ সবের মুতাওয়াল্লী হবে, যতদিন সে জীবিত থাকবে, হাফসা (রাঃ)।[২] তাঁর অবর্তমানে, তাঁর পরিবার পরিজনদের মাঝে যারা জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন হবে তারা এর মুতাওয়াল্লী হবে। এ শর্তে যে, তারা এ বাগান বেচাকেনা করতে পারবে না। কিন্তু যখন কোন ভিক্ষুক, বঞ্চিত, নিকটাত্মীয় বা কোন বন্ধু বান্ধব হবে, তাদের জন্য এ থেকে খরচ করবে। আর এই বাগানরে মুতাওয়াল্লী যদি এ থেকে কিছু ভক্ষণ করে, অভাবগ্রস্থদের খাওয়ায় এর মুনাফা হতে (বাগানের কাজের জন্য) কোন গোলাম খরিদ করে, তবে এত কোন দোষ নেই।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجُلِ يُوقِفُ الْوَقْفَ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ صَدَقَةِ، عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضى الله عنه قَالَ نَسَخَهَا لِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ هَذَا مَا كَتَبَ عَبْدُ اللَّهِ عُمَرُ فِي ثَمْغٍ فَقَصَّ مِنْ خَبَرِهِ نَحْوَ حَدِيثِ نَافِعٍ قَالَ غَيْرَ مُتَأَثِّلٍ مَالاً فَمَا عَفَا عَنْهُ مِنْ ثَمَرِهِ فَهُوَ لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ - قَالَ وَسَاقَ الْقِصَّةَ - قَالَ وَإِنْ شَاءَ وَلِيُّ ثَمْغٍ اشْتَرَى مِنْ ثَمَرِهِ رَقِيقًا لِعَمَلِهِ وَكَتَبَ مُعَيْقِيبٌ وَشَهِدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الأَرْقَمِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ هَذَا مَا أَوْصَى بِهِ عَبْدُ اللَّهِ عُمَرُ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ إِنْ حَدَثَ بِهِ حَدَثٌ أَنَّ ثَمْغًا وَصِرْمَةَ بْنَ الأَكْوَعِ وَالْعَبْدَ الَّذِي فِيهِ وَالْمِائَةَ سَهْمٍ الَّتِي بِخَيْبَرَ وَرَقِيقَهُ الَّذِي فِيهِ وَالْمِائَةَ الَّتِي أَطْعَمَهُ مُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم بِالْوَادِي تَلِيهِ حَفْصَةُ مَا عَاشَتْ ثُمَّ يَلِيهِ ذُو الرَّأْىِ مِنْ أَهْلِهَا أَنْ لاَ يُبَاعَ وَلاَ يُشْتَرَى يُنْفِقُهُ حَيْثُ رَأَى مِنَ السَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ وَذِي الْقُرْبَى وَلاَ حَرَجَ عَلَى مَنْ وَلِيَهُ إِنْ أَكَلَ أَوْ آكَلَ أَوِ اشْتَرَى رَقِيقًا مِنْهُ ‏.‏


Narrated Yahya b. Sa'id: 'Abd al-Hamid b. Abd 'Allah b. 'Abd Allah b. 'Umar b. al-Khattab copied to me a document about the religious endowment (waqf) made by 'Umar b. al-Khattab : In the name of Allah, the Compassionate, the Merciful. This is what Allah's servant 'Umar has written about Thamgh. He narrated the tradition like the one transmitted by Nafi'. He added: "provided he is not storing up goods (for himself)". The surplus fruit will be devoted to the beggar and the deprived. He then went on with the tradition, saying: If the man in charge of Thamgh wishes to buy a slave for his work for its fruits (by selling them), he may do so. Mu'iqib penned it and 'Abd Allah b. al-Arqam witnessed it : In the name of Allah, the Compassionate, the Merciful. This is what Allah's servant 'Umar , Commander of Faithful, directed, in case of some incident happens to him (i.e. he dies), that Thamg, Sirmah b. al-Akwa', the servant who is there, the hundred shares in (the land of) Khaibr, the servant who is there and the hundred sahres which Muhammad (ﷺ) had donated to me in the valley (nearly) will remain in the custody of Hafsah during her life, then the men of opinion from her family will be in charge of these (endowments), that these will neither be sold not purchased, spending (its produce) where they think (necessary on the beggar, deprived and relatives). There is no harm to the one in charge (of this endowment) if he eats himself, or feeds, or buys slaves with it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৫৩. দৈব-দুর্বিপাকের ব্যাখ্যা প্রসংগে।

৩৪৩৬. সুলায়মান ইবন দাঊদ (রহঃ) ...... ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যদি তিন ভাগের চাইতে কম মালের উপর দৈব-দুর্বিপাক আসে, তবে একে বিপদ হিসাবে গণ্য করা যাবে না। ইয়াহইয়া বলেনঃ এটাই মুসলমানদের নিয়ম।

باب فِي تَفْسِيرِ الْجَائِحَةِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ الْحَكَمِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ قَالَ لاَ جَائِحَةَ فِيمَا أُصِيبَ دُونَ ثُلُثِ رَأْسِ الْمَالِ - قَالَ يَحْيَى - وَذَلِكَ فِي سُنَّةِ الْمُسْلِمِينَ ‏.‏


Yahya b. Sa'id said: Blight is not effective when less than one-third of goods are damaged. Yayha said: That has been the established practice of Muslims.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০. বিলাপ করে কান্নাকাটি করার ব্যাপারে হুশিয়ারী

২০৫১-(.../...) আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূত তাহির, আহমাদ ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... সকলেই ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুল আযীয (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পরিশ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকছ না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৩০, ইসলামীক সেন্টার ২০৩৬)

باب التَّشْدِيدِ فِي النِّيَاحَةِ

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُسْلِمٍ - كُلُّهُمْ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ نَحْوَهُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَمَا تَرَكْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْعِيِّ ‏.‏


This hadith has been narrated by Yahya b. Sa'id with the same chain of transmitters like one narrated by 'Abd al-'Aziz (with the change of these words): " You did not spare the Messenger of Allah (ﷺ) the botheration."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫. জানাযার জন্য দাঁড়ানো থেকে অব্যাহতি

২১১৮-(.../...) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে একই সানাদে বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০৯৭, ইসলামীক সেন্টার ২১০১)

باب نَسْخِ الْقِيَامِ لِلْجَنَازَةِ ‏‏

وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏


This hadith has been narrated by Yahya b. Sa'id with the same chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৭. আরাফাহ থেকে মুযদালিফায় প্রত্যাবর্তন এবং মুযদালিফায় এ রাতের মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করা মুস্তাহাব

৩০০০-(.../...) কুতায়বাহ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু রুমূহ তার বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আল খাত্বমীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে, আবূ আইয়ুব আল আনসারী (রাযিঃ) আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর খিলাফতকালে কুফার আমীর ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৭৫, ইসলামীক সেন্টার)

باب الإِفَاضَةِ مِنْ عَرَفَاتٍ إِلَى الْمُزْدَلِفَةِ وَاسْتِحْبَابِ صَلاَتَىِ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ جَمْعًا بِالْمُزْدَلِفَةِ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ

وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ، وَابْنُ، رُمْحٍ عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ قَالَ ابْنُ رُمْحٍ فِي رِوَايَتِهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْخَطْمِيِّ، وَكَانَ، أَمِيرًا عَلَى الْكُوفَةِ عَلَى عَهْدِ ابْنِ الزُّبَيْرِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. মাদীনাহ নিজের মধ্য থেকে নিকৃষ্ট জিনিস বের করে দিবে

৩২৪৫-(.../...) আমর আন নাকিদ, ইবনু আবূ উমার ও ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকেও এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এরা দু’জন বলেছেনঃ “যেমন হাপর ময়লা দূর করে" এবং "লোহা" শব্দের উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২২০, ইসলামীক সেন্টার ৩২১৭)

باب الْمَدِينَةِ تَنْفِي شِرَارَهَا ‏‏

وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، جَمِيعًا عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالاَ ‏ "‏ كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ الْخَبَثَ "‏ ‏.‏ لَمْ يَذْكُرَا الْحَدِيدَ


This hadith has been narrated by Yabya b. Sa'id with the same chain of transmitters (and the words are): " Just as a furance removes impurity," but no mention is made of iron.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯৪. মাক্কাহ ও মাদীনার মসজিদদ্বয়ে সালাত আদায়ের ফযীলত

৩২৬৯-(.../...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২৪৪, ইসলামীক সেন্টার ৩২৪১)

باب فَضْلِ الصَّلاَةِ بِمَسْجِدَىْ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ ‏‏

وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا يَحْيَى، الْقَطَّانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏


This hadith has been narrated by Yabya b. Sa'id with the same chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. ত্বলাকপ্রাপ্তা স্ত্রী হালাল হবে না ত্বলাকদাতার জন্য, যতক্ষণ না সে তাকে ছাড়া অন্য স্বামীকে বিবাহ করে এবং সে তার সাথে যৌন সঙ্গম করে এবং অতঃপর তাকে ত্বলাক দেয় এবং তার ইদ্দাত শেষ হয়

৩৪২৪-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ... ইয়াহইয়া অর্থাৎ ইবনু সাঈদ সহ সকলেই উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। উবায়দুল্লাহ সূত্রে ইয়াহইয়া হাদীসে বলেন যে, কাসিম আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৭, ইসলামীক সেন্টার ৩৩৯৬)

باب لاَ تَحِلُّ الْمُطَلَّقَةُ ثَلاَثًا لِمُطَلِّقِهَا حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ وَيَطَأَهَا ثُمَّ يُفَارِقَهَا وَتَنْقَضِي عِدَّتُهَا

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - جَمِيعًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ مِثْلَهُ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ عَنْ عَائِشَةَ ‏.‏


A hadith like this has been narrated on the same chain of transmitters by 'A'isha (Allah be pleased with her).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮. বিধবা ও অন্যান্য ত্বলাকপ্রাপ্তা মহিলার সন্তান প্রসবের সাথে সাথে ইদ্দাত পূর্ণ হওয়া

৩৬১৬-(.../...) মুহাম্মদ ইবনু রুমূহ, আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ ও আমর আন নাদি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে "তারা সাবাই উম্মু সালামার কাছে সংবাদ পাঠালেন" এবং তিনি (লায়স) কুরায়বের নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫৮৬, ইসলামীক সেন্টার ৩৫৮৬)

باب انْقِضَاءِ عِدَّةِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا وَغَيْرِهَا بِوَضْعِ الْحَمْلِ ‏‏

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو، النَّاقِدُ قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، كِلاَهُمَا عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ غَيْرَ أَنَّقَالَ فِي حَدِيثِهِ فَأَرْسَلُوا إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ وَلَمْ يُسَمِّ كُرَيْبًا ‏.‏


This hadith has been narated with the same chain of transrmitters except with a small change of words (and that is): They sent him to Umm Salama, but no mention was made of Kuraib.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪. শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম কিন্তু আরায়া হারাম নয়

৩৭৭৪-(৬২/...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর সূত্রে উক্তরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি কিছু অতিরিক্ত বলেছেন যে, খেজুর গাছের আরায়া হল নির্দিষ্ট সংখ্যক গাছ কাউকে দান করা। এরপর তার ঐ গাছগুলোর খেজুর অনুমান করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭৩৮, ইসলামিক সেন্টার ৩৭৩৮)

باب تَحْرِيمِ بَيْعِ الرُّطَبِ بِالتَّمْرِ إِلاَّ فِي الْعَرَايَا ‏‏

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَالْعَرِيَّةُ النَّخْلَةُ تُجْعَلُ لِلْقَوْمِ فَيَبِيعُونَهَا بِخَرْصِهَا تَمْرًا ‏.‏


Yahya b. Sa'id reported this hadith with the same chain of transmitters but with this change: 'Ariyya implies that date-palm trees should be donated to the people and then they sell it with a measure of dry dates.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯. স্বর্ণ-রৌপের বিনিময়ে জমি ভাড়া দেয়া

৩৮৪৬-(.../...) আবূর রাবী’ ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৮১০, ইসলামিক সেন্টার ৩৮০৯)

باب كِرَاءِ الأَرْضِ بِالذَّهَبِ وَالْوَرِقِ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، جَمِيعًا عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏


This hadith has been narrated on the authority of Yahya b. Sa'id with the same chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - চুল আঁচড়ানো

৪৪৮৮-[৭০] ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন : আল্লাহর বন্ধু ইব্রাহীম খলীল (আ.) -ই প্রথম মানুষ যিনি মেহমানের আতিথেয়তা করেছেন। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি খৎনা করেছেন। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি গোঁফ কেটেছেন। আর তিনিই প্রথম মানুষ যিনি চুল সাদা হতে দেখেছেন। তখন তিনি বলে উঠলেন : হে প্রভু! এটা কি? মহান আল্লাহ তা‘আলা বললেনঃ হে ইব্রাহীম! এটা মর্যাদার প্রতীক। তখন ইব্রাহীম (আ.) প্রার্থনা করলেন : হে প্রভু! আমার মর্যাদাকে আরো বৃদ্ধি করে দাও। (মালিক)[1]

وَعَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - يَقُولُ : كَانَ إِبْرَاهِيمُ - خَلِيلُ الرَّحْمَنِ - أَوَّلَ النَّاسِ ضَيَّفَ ، وَأَوَّلَ النَّاسِ اخْتَتَنَ ، وَأَوَّلَ النَّاسِ قَصَّ شَارِبَهُ ، وَأَوَّلَ النَّاسِ رَأَى الشَّيْبَ ، فَقَالَ : يَا رَبِّ : مَا هَذَا ؟ قَالَ الرَّبُّ - تَبَارَكَ وَتَعَالَى : وَقَارٌ يَا إِبْرَاهِيمُ . قَالَ : رَبِّ زِدْنِي وَقَارًا . رَوَاهُ مَالِكٌ

ব্যাখ্যাঃ ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব-কে বলতে শুনেছেন : ইবরাহীম খলীলুর রহমান সর্বপ্রথম মেহমানের জন্য মেহমানদারী করেছেন। আর তিনিই মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম খৎনা করেছেন। কেননা ইতিপূর্বে সমস্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খৎনা অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছেন। আর সর্বসাধারণের জন্য তখনো খৎনা করার আদেশ দেয়া হয়নি। যখন থেকে ইবরাহীম (আ.) খৎনা করলেন তখন থেকে এটা সমস্ত মানুষের জন্য সুন্নাত হিসেবে সাব্যস্ত হল। তবে তারা ব্যতীত যারা খৎনা অবস্থায়ই জন্মগ্রহণ করেছে। তিনিই সর্বপ্রথম গোফ কেটে ছোট করেছেন। এটা এ কারণে যে, হতে পারে তার পূর্বের লোকেদের গোফ বেশী লম্বা হতো না। শুধু তাঁরই লম্বা গোফ হয়েছিল, তাই কেটেছেন। অথবা পূর্বের লোকেরা গোফের পূজা করতো না। অথবা এটাও হতে পারে যে, তিনি বেশী করে কেটে ছোট করেছেন যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তী লোকেরা তার অনুসরণ করেছে। তিনি প্রথম লোক যিনি মাথায় সাদা চুল দেখেছেন এবং আল্লাহকে প্রশ্ন করেছেন- হে প্রভু! এটা কি? আল্লাহ তা‘আলা জবাব দিলেন, হে ইবরাহীম! এটা মর্যাদার প্রতীক অর্থাৎ সাদা চুল প্রকাশ পাওয়া মানে তার জ্ঞানের পরিপক্কতা আসা এবং সকল কাজে ধিরস্থিরতা আসার যা ধৈর্য, সহিষ্ণুতা এবং ক্ষমার মতো মহৎগুণের সমাবেশ ঘটায়। তিনি আল্লাহ তা‘আলাকে বললেন- হে আল্লাহ! আমার মর্যাদাকে আরো বাড়িয়ে দাও। (ইমাম মুওয়াত্ত্বা হাদীসটি বর্ণনা করেন)

‘আল্লামা সুয়ূত্বী (রহিমাহুল্লাহ) মুওয়াত্ত্বা কিতাবের হাশিয়াতে উল্লেখ করেছেন, ইব্রাহীম (আ.) সর্বপ্রথম মানুষ যিনি তার নখ কর্তন করেছেন এবং প্রথম মানব যিনি চুল আঁচড়িয়েছেন এবং নাভির নীচের লোম পরিষ্কার করে চেছে ফেলেছেন, পায়জামা পরিধান করেছেন, দাড়ির পাকা চুলকে মেহেদী ও কাতামের মাধ্যমে খিযাব করেছেন এবং প্রথম মিম্বারে খুত্ববাহ্ দিয়েছেন এবং সর্বপ্রথম আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন এবং সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি যুদ্ধের ময়দানে সৈন্যবাহিনীকে সুবিন্যস্ত করেছেন। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. নামাযের সময় সম্পৰ্কীয় বিবিধ রেওয়ায়ত

রেওয়ায়ত ২২. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আসরের নামায হইতে প্রত্যাবর্তনের পথে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর এমন এক ব্যক্তির সহিত সাক্ষাৎ হইল যিনি আসরের নামাযে হাজির হন নাই। উমর (রাঃ) বলিলেনঃ আসরের নামায হইতে তোমাকে কোন বস্তু বিরত রাখিল? লোকটি তাহার (উমরের) নিকট ওজর ব্যক্ত করিলেন। ওজর শোনার পর উমর (রাঃ) বললেনঃ (জামাআতে হাযির না হওয়ায়) তোমার পুণ্য কমিয়াছে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ বলা হইয়া থাকে “প্রত্যেক বস্তুর পূর্ণতা এবং ক্ষতি বা লোকসান রহিয়াছে।”

بَاب جَامِعْ الْوُقُوتِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ انْصَرَفَ مِنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ فَلَقِيَ رَجُلًا لَمْ يَشْهَدْ الْعَصْرَ فَقَالَ عُمَرُ مَا حَبَسَكَ عَنْ صَلَاةِ الْعَصْرِ فَذَكَرَ لَهُ الرَّجُلُ عُذْرًا فَقَالَ عُمَرُ طَفَّفْتَ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك وَيُقَالُ لِكُلِّ شَيْءٍ وَفَاءٌ وَتَطْفِيفٌ


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that once Umar ibn al-Khattab left after doing the asr prayer and met a man who had not been there. Umar asked him what had kept him from the prayer and eventhough the man gave a good reason, Umar said, "You have given yourself short measure." Yahya added that Malik commented, "It is said that everything has a short measure and a full measure."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. নামাযের সময় সম্পৰ্কীয় বিবিধ রেওয়ায়ত

রেওয়ায়ত ২৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলতেনঃ মুসল্লি এমন সময়ে নামায পড়িবে, যখন তাহার নামাযের ওয়াক্ত ফাউত হয় নাই, তাহা অতি উত্তম, কিন্তু মুসল্লির নামাযের যে সময় ফাউত হইয়া গিয়াছে (অর্থাৎ মুস্তাহাব সময় ফাউত হইয়া মাকরূহ ওয়াক্ত উপস্থিত হইয়াছে) তবে সেই (ফাউত হওয়া মুস্তাহাব) সময় তাহার পরিজন ও মাল অপেক্ষাও বড় উত্তম।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ সফরকালে (যেই সফরে নামায কসর পড়িতে হয় সেইরূপ সফর) যাহার নামাযের সময় উপস্থিত হইয়াছে, সে যদি ভুলে অথবা ব্যস্ততাবশত নামায পড়িতে বিলম্ব করে এবং এই অবস্থায় নিজের পরিজনের নিকট প্রত্যাবর্তন করে, তবে সে যদি নামাযের সময় থাকিতে পরিজনের নিকট প্রত্যাবর্তন করে সে মুকীমের নামায পড়িবে, আর যদি নামাযের সময় চলিয়া যাওয়ার পর প্রত্যাবর্তন করে, সে মুসাফিরের নামায পড়িবে। কারণ যেরূপ তাহার উপর ফরয হইয়াছিল সেইরূপ সে কাযা পড়িবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নগরীর লোকজন ও আহলে ইলমকে আমি ইহার উপরই পাইয়াছি (অর্থাৎ তাহাদের আমল ও অভিমতও ঐরূপই ছিল)।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ অস্তাচলে যে লালিমা দৃষ্ট হয় উহাই শফক (شفق)। লালিমা চলিয়া গেলে ইশার নামায ওয়াজিব হইল এবং তুমি মাগরিবের সময় হইতে বাহির হইলে।[1]

بَاب جَامِعْ الْوُقُوتِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ إِنَّ الْمُصَلِّيَ لَيُصَلِّي الصَّلَاةَ وَمَا فَاتَهُ وَقْتُهَا وَلَمَا فَاتَهُ مِنْ وَقْتِهَا أَعْظَمُ أَوْ أَفْضَلُ مِنْ أَهْلِهِ وَمَالِهِ
قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك مَنْ أَدْرَكَ الْوَقْتَ وَهُوَ فِي سَفَرٍ فَأَخَّرَ الصَّلَاةَ سَاهِيًا أَوْ نَاسِيًا حَتَّى قَدِمَ عَلَى أَهْلِهِ أَنَّهُ إِنْ كَانَ قَدِمَ عَلَى أَهْلِهِ وَهُوَ فِي الْوَقْتِ فَلْيُصَلِّ صَلَاةَ الْمُقِيمِ وَإِنْ كَانَ قَدْ قَدِمَ وَقَدْ ذَهَبَ الْوَقْتُ فَلْيُصَلِّ صَلَاةَ الْمُسَافِرِ لِأَنَّهُ إِنَّمَا يَقْضِي مِثْلَ الَّذِي كَانَ عَلَيْهِ قَالَ مَالِك وَهَذَا الْأَمْرُ هُوَ الَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ النَّاسَ وَأَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا وَقَالَ مَالِك الشَّفَقُ الْحُمْرَةُ الَّتِي فِي الْمَغْرِبِ فَإِذَا ذَهَبَتْ الْحُمْرَةُ فَقَدْ وَجَبَتْ صَلَاةُ الْعِشَاءِ وَخَرَجْتَ مِنْ وَقْتِ الْمَغْرِبِ


Yahya related to me from Malik thatYahya ibn Said used to say, "Even if someone manages to pray before the time of the prayer has passed, the time that has passed him by is more important, or better, than his family and wealth." Yahya said that Malik said, "If the time for a prayer comes and a traveller delays a prayer through neglect or forgetfulness until he reaches his family, he should do that prayer in full if he arrives within the time. But if he arrives when the time has past, he should do the travelling prayer. That way he only repays what he owes." Malik said, "This is what I have found the people and men of knowledge doing in our community." Malik explained that shafaq was the redness in the sky after the sun had set, and said, "When the redness has gone then the isha prayer is due and you have left the time of maghrib."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. আগুনে জ্বাল দেওয়া বস্তু আহার করিয়া ওযূ না করা

রেওয়ায়ত ২৩. ইয়াহইয়াহ্ ইবন সাঈদ (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন আমির ইবন রবী'আ (রহঃ)-এর নিকট একটি প্রশ্ন করিলেন এমন এক লোক সম্পর্কে, যে নামাযের জন্য ওযু করিয়া আগুনে রন্ধন করা খাদ্যবস্তু আহার করিল, সে কি ওযু করিবে? তিনি বলিলেনঃ আমার পিতাকে দেখিয়াছি তিনি এইরূপ রাধা খাদ্য খাইতেন ও ওযু করিতেন না।

بَاب تَرْكِ الْوُضُوءِ مِمَّا مَسَّتْهُ النَّارُ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنِ الرَّجُلِ، يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ ثُمَّ يُصِيبُ طَعَامًا قَدْ مَسَّتْهُ النَّارُ أَيَتَوَضَأُ قَالَ رَأَيْتُ أَبِي يَفْعَلُ ذَلِكَ وَلاَ يَتَوَضَّأُ


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that he asked Abdullah ibn Amir ibn Rabia whether a man who did wudu for prayer and then ate cooked food had to do wudu again. He said, "I saw my father do that without doing wudu ."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬. ওযু সম্পৰ্কীয় বিবিধ হাদীস

রেওয়ায়ত ৩৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) শুনিয়াছেন যে, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল, মল-মূত্র ত্যাগের কারণে পানি দ্বারা ইস্তিন্জা (মল-মূত্র ত্যাগের পর বিশেষ স্থান ধৌত করা) করা সম্পর্কে। সাঈদ (রহঃ) বললেনঃ ইহা অবশ্য মেয়েদের ইস্তিন্জা।

بَاب جَامِعِ الْوُضُوءِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، يُسْأَلُ عَنِ الْوُضُوءِ، مِنَ الْغَائِطِ بِالْمَاءِ فَقَالَ سَعِيدٌ إِنَّمَا ذَلِكَ وُضُوءُ النِّسَاءِ


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that he heard someone ask Said ibn al-Musayyab about washing off excreta with water. Said said, "That is the way women wash."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪. ওদী (আর্দ্রতা যাহা পেশাবের পরে অনুভূত হয়)-এর কারণে ওযু না করার অনুমতি

রেওয়ায়ত ৫৬. ইয়াহইয়াহ ইবস সাঈদ (রহঃ) শুনিয়াছেন- সাঈদ ইবন মুসায়াব (রহঃ)-কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করতে সে বলিলঃ আমি নামায পড়িতেছি এই অবস্থায় আর্দ্রতা অনুভব করি। তবে আমি কি (নামায ছাড়িয়া) ফিরিয়া যাইব? সাঈদ বলিলেনঃ আমার রানের উপর দিয়া ভাসিয়া পড়িলেও আমি আমার নামায সমাপ্ত না করিয়া ফিরিব না।[1]

بَاب الرُّخْصَةِ فِي تَرْكِ الْوُضُوءِ مِنْ الْمَذْيِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ سَمِعَهُ وَرَجُلٌ يَسْأَلُهُ فَقَالَ إِنِّي لَأَجِدُ الْبَلَلَ وَأَنَا أُصَلِّي أَفَأَنْصَرِفُ فَقَالَ لَهُ سَعِيدٌ لَوْ سَالَ عَلَى فَخِذِي مَا انْصَرَفْتُ حَتَّى أَقْضِيَ صَلَاتِي


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that he was listening to Said ibn al-Musayyab and a man questioned him saying, "I discover a liquid when I am praying. Should I leave?" Said ibn al-Musayyab said to him, "Even if it were to flow on my leg I would not leave until I had finished the prayer."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৯৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 পরের পাতা »