ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 26 টি

পরিচ্ছেদঃ ৭০৬. সফরে ফরয সালাতের আগে ও পরে নফল আদায় করা।

وَرَكَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ فِي السَّفَرِ

সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দু’ রাকা’আত (সুন্নাত) আদায় করেছেন।


১০৪০ হাফস ইবনু উমর (রহঃ) ... ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, উম্মে হানী (রাঃ) ব্যতিত অন্য কেউ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাতুয যুহা (পূর্বাহ্ন এর সালাত) আদায় করতে দেখেছেন বলে আমাদের জানাননি। তিনি [উম্মে হানী (রাঃ)] বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন তাঁর ঘরে গোসল করার পর আট রাকা’আত সালাত আদায় করেছেন। আমি তাঁকে এর চাইতে সংক্ষিপ্ত কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি, তবে তিনি রুকূ’ ও সিজদা পূর্ণভাবে আদায় করেছিলেন।

লায়স (রহঃ) আমির ইবনু রাবীআ’) (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাতের বেলা বাহনের পিঠে বাহনের গতিমুখী হয়ে নফল সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে দেখেছেন।

باب مَنْ تَطَوَّعَ فِي السَّفَرِ فِي غَيْرِ دُبُرِ الصَّلَوَاتِ وَقَبْلَهَا

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ مَا أَنْبَأَ أَحَدٌ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الضُّحَى غَيْرُ أُمِّ هَانِئٍ ذَكَرَتْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِي بَيْتِهَا، فَصَلَّى ثَمَانِ رَكَعَاتٍ، فَمَا رَأَيْتُهُ صَلَّى صَلاَةً أَخَفَّ مِنْهَا، غَيْرَ أَنَّهُ يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ‏.‏

وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرٍ، أَنَّ أَبَاهُ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى السُّبْحَةَ بِاللَّيْلِ فِي السَّفَرِ عَلَى ظَهْرِ رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ‏.‏


Narrated Ibn Abu Laila: Only Um Hani told us that she had seen the Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) (p.b.u.h) offering the Duha (forenoon prayer). She said, "On the day of the conquest of Mecca, the Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) took a bath in my house and offered eight rak`at. I never saw him praying such a light prayer but he performed perfect prostration and bowing. Narrated `Abdullah bin Amir that his father had told him that he had seen the Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) (p.b.u.h) praying Nawafil at night on the back of his Mount on a journey, facing whatever direction it took.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২১৪. মক্কা বিজয়ের দিন নাবী (সাঃ) এর অবস্থানস্থল

৩৯৬২। আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) ... ইবনু আবী লায়লা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে চাশতের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে দেখেছে এ কথাটি একমাত্র উম্মে হানী (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ আমাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তিনি বলেছেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাড়িতে গোসল করেছিলেন, এরপর তিনি আট রাকাত সালাত আদায় করেছেন। উম্মে হানী (রাঃ) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ সালাত অপেক্ষা হালকাভাবে অন্য কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি। তবে তিনি রুকূ, সিজ্‌দা পুরোপুরই আদায় করেছিলেন।

باب مَنْزِلُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْفَتْحِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، مَا أَخْبَرَنَا أَحَدٌ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى غَيْرَ أُمِّ هَانِئٍ، فَإِنَّهَا ذَكَرَتْ أَنَّهُ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِي بَيْتِهَا ثُمَّ صَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ، قَالَتْ لَمْ أَرَهُ صَلَّى صَلاَةً أَخَفَّ مِنْهَا غَيْرَ أَنَّهُ يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ‏.‏


Narrated Ibn Abi Laila: None informed us that he saw the Prophet (ﷺ) offering the Duha (i.e. forenoon) prayer, except Um Hani who mentioned that the Prophet (ﷺ) took a bath in her house on the day of the Conquest (of Mecca) and then offered an eight rak`at prayer. She added, "I never saw the Prophet (ﷺ) offering a lighter prayer than that prayer, but he was performing perfect bowing and prostrations."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২৪৬. সোনার পাত্রে পানি পান করা

৫২৩০। হাফস ইবনু উমর (রহঃ) ... ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন হুযায়ফা (রাঃ) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন জনৈক গ্রামবাসী একটি রুপার পেয়ালায় পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুঁড়ে মারলেন। এরপর তিনি বললেনঃ আমি এটি ছুড়ে ফেলতাম না কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করা সত্তেও সে তা থেকে বিরত হয়নি। অথচ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরিধান করতে, সোনা ও রুপার পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত জিনিসগুলো হল দুনিয়াতে কাকির সম্প্রদায়ের জন্য আর আখিরাতে তোমাদের জন্য।

باب الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ كَانَ حُذَيْفَةُ بِالْمَدَايِنِ فَاسْتَسْقَى، فَأَتَاهُ دِهْقَانٌ بِقَدَحِ فِضَّةٍ، فَرَمَاهُ بِهِ فَقَالَ إِنِّي لَمْ أَرْمِهِ إِلاَّ أَنِّي نَهَيْتُهُ فَلَمْ يَنْتَهِ، وَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَانَا عَنِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَالشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَقَالَ ‏ "‏ هُنَّ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَهْىَ لَكُمْ فِي الآخِرَةِ ‏"‏‏.‏


Narrated Ibn Abi Laila: While Hudhaita was at Mada'in, he asked for water. The chief of the village brought him a silver vessel. Hudhaifa threw it away and said, "I have thrown it away because I told him not to use it, but he has not stopped using it. The Prophet (ﷺ) forbade us to wear clothes of silk or Dibaj, and to drink in gold or silver utensils, and said, 'These things are for them (unbelievers) in this world and for you (Muslims) in the Hereafter.' "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২৪৭. সোনা-রূপার পাত্রে পানি পান করা

৫২৩১। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমরা হুযায়ফা (রাঃ) এর সঙ্গে বাইরে বেরুলাম। এ সময় তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা আলোচনা করেন যে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সোনা ও রুপার পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশমের কাপড় পরিধান করবে না। কেননা, এগুলো দুনিয়াতে তাদের (অমুসলিম সম্প্রদায়ের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের (মুসলিম সম্প্রদায়ের) জন্য হল আখিরাতের ভোগ্য সামগ্রী।

باب آنِيَةِ الْفِضَّةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ حُذَيْفَةَ وَذَكَرَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ، وَلاَ تَلْبَسُوا الْحَرِيرَ وَالدِّيبَاجَ، فَإِنَّهَا لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَكُمْ فِي الآخِرَةِ ‏"‏‏.‏


Narrated Hudhaifa: The Prophet (ﷺ) said, "Do not drink in gold or silver utensils, and do not wear clothes of silk or Dibaj, for these things are for them (unbelievers) in this world and for you in the Hereafter."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩৫৪. পুরুষের জন্য রেশমী পোশাক পরা, রেশমী চাদর বিছানো এবং কী পরিমাণ রেশমী কাপড় ব্যবহার বৈধ

৫৪১৪। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) ... ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন হুযায়ফা (রাঃ) মাদাইনে অবস্থানরত ছিলেন। তিনি পানি পান করতে চাইলেন। এক গ্রাম্য লোক একটি রূপার পাত্রে কিছু পানি নিয়ে আসলো। হুযায়ফা (রাঃ) তা ছুঁড়ে মারলেন এবং বললেনঃ আমি ছুঁড়ে মারতাম না; কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করেছি, সে নিবৃত হয়নি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সোনা, রুপা, পাতলা ও মোটা রেশম তাদের জন্য (কাফিরদের জন্য) দুনিয়ায় এবং তোমাদের (মুসলিমদের) জন্য পরকালে।

باب لُبْسِ الْحَرِيرِ، وَافْتِرَاشِهِ لِلرِّجَالِ، وَقَدْرِ مَا يَجُوزُ مِنْهُ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ كَانَ حُذَيْفَةُ بِالْمَدَايِنِ فَاسْتَسْقَى، فَأَتَاهُ دِهْقَانٌ بِمَاءٍ فِي إِنَاءٍ مِنْ فِضَّةٍ فَرَمَاهُ بِهِ وَقَالَ إِنِّي لَمْ أَرْمِهِ إِلاَّ أَنِّي نَهَيْتُهُ فَلَمْ يَنْتَهِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الذَّهَبُ وَالْفِضَّةُ وَالْحَرِيرُ وَالدِّيبَاجُ هِيَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا، وَلَكُمْ فِي الآخِرَةِ ‏"‏‏.‏


Narrated Ibn Abi Laila: While Hudhaifa was at Al-Madain, he asked for water whereupon the chief of the village brought him water in a silver cup. Hudhaifa threw it at him and said, "I have thrown it only because I have forbidden him to use it, but he does not stop using it. Allah's Messenger (ﷺ) said, 'Gold, silver, silk and Dibaj (a kind of silk) are for them (unbelievers) in this world and for you (Muslims) in the hereafter.'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. তাশাহুদ এর পর নবী (ﷺ) এর উপর দুরুদ পাঠ

৭৯৩। মুহাম্মাদ ইবনুল মূসান্না ও মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... ইবনু আবূ লায়লা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, এক বার কাবা ইবনু উজরা (রাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, আমি তোমাকে একটি হাদিয়া দেব না? একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে এলেন! আমরা বললাম, (ইয়া রাসুলাল্লাহ!) আপনাকে কিভাবে সালাম দিতে হয় তাতো আমরা জানি, কিন্তু আপনার উপর সালাত আমরা কি ভাবে পাঠ করব? তিনি বললেন, তোমরা বলবেঃ

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

[উচ্চারনঃ “আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলে মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা আলে ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ, আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলে মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা আলে ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ”।]

باب الصَّلاَةِ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ التَّشَهُّدِ ‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ لَقِيَنِي كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ فَقَالَ أَلاَ أُهْدِي لَكَ هَدِيَّةً خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْنَا قَدْ عَرَفْنَا كَيْفَ نُسَلِّمُ عَلَيْكَ فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ قَالَ ‏ "‏ قُولُوا اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ ‏"‏ ‏.‏


Ibn Abi Laila reported: Ka'b b. 'Ujra met me and said: Should I not offer you a present (and added): The Messenger of Allah (ﷺ) came to us and we said: We have learnt how to invoke peace upon you; (kindly tell us) how we should bless you. He (the Holy Prophet) said: Say:" O Allah: bless Muhammad and his family as Thou didst bless the family of Ibrahim. Verily Thou art Praiseworthy and Glorious, O Allah."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪. কুরআন সাত হরফে অবতীর্ণ হওয়ার বিবরণ ও এর মর্মার্থ

১৭৭৮। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আব্দুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) খরব দিয়েছেন যে, তিনি মসজিদে উপবিষ্ট ছিলেন। তখনই এ ব্যাক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, নামায পড়ল এবং কিরআত পাঠ করলেন যে...... ইবনু নুমায়র (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ।

باب بَيَانِ أَنَّ الْقُرْآنَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ وَبَيَانِ مَعْنَاهُ ‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي، خَالِدٍ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِيسَى، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، أَخْبَرَنِي أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ، أَنَّهُ كَانَ جَالِسًا فِي الْمَسْجِدِ إِذْ دَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى فَقَرَأَ قِرَاءَةً وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ ‏.‏


Ubayy b. Ka'b reported that he was sitting in a mosque that a person entered it and he observed prayer, and made recitation, the rest of the hadith is the same.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮. শবদেহের জন্য দাঁড়ানো

২০৯৬। আবূ বকর আবূ শায়বা (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনুল মূসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, কায়স ইবনু সা’দ ও সাহল ইবনু হুনায়িফ দু'জনই কাদিসিয়ায় অবস্থায় করছিলেন। তাদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা যাচ্ছিল। এতে তারা দুজনই দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন তাদেরকে বলা হল যে, এ জানাযাটি একজন কাদিসিয়াবাসীর। তাঁরা দুঁজনই বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশ দিয়ে একটি জানাযা যাচ্ছিল, তিনি দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। তখন তাঁকে বলা হয়েছিল জানাযাটি ইয়াহুদীর। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, সে কি মানুষ নয়?

باب الْقِيَامِ لِلْجَنَازَةِ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، أَنَّ قَيْسَ بْنَ سَعْدٍ، وَسَهْلَ بْنَ حُنَيْفٍ، كَانَا بِالْقَادِسِيَّةِ فَمَرَّتْ بِهِمَا جَنَازَةٌ فَقَامَا فَقِيلَ لَهُمَا إِنَّهَا مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ ‏.‏ فَقَالاَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّتْ بِهِ جَنَازَةٌ فَقَامَ فَقِيلَ إِنَّهُ يَهُودِيٌّ ‏.‏ فَقَالَ ‏ "‏ أَلَيْسَتْ نَفْسًا ‏"‏ ‏.‏


It is narrated on the authority of Ibn Abu Laila that while Qais b. Sa'd and Sahl b. Hunaif were both in Qadislyya a bier passed by them and they both stood up. They were told that it was the bier of one of the people of the land (non-Muslim). They said that a bier passed before the Prophet (ﷺ) and he stood up. He was told that he (the dead man) was a Jew. Upon this he remarked: Was he not a human being or did he not have a soul?


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩২. আযানের নিয়ম সম্পর্কে।

৫০৬. আমর ইবনু মারযূক .... ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) বলেন, নামাযের ব্যাপারে (কিবলার) পরিবর্তন তিনবার সাধিত হয়েছে। রাবী বলেন, আমাদের সাথীরা বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ মুসলমানগণ একত্রিত হয়ে জামাআতে নামায আদায় করায় আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি। আমি প্রথমাবস্থায় এরূপ চিন্তা করি যে, লোকদের নামাযের আহবানের জন্য বাড়ীতে বাড়ীতে কিছু লোক প্রেরণ করি আমি এরূপও ইরাদা করি যে, লোকদেরকে জামাআতে আনার জন্য কিছু সংখ্যক লোককে (মহল্লার) উঁচু স্থানে উঠিয়ে দিব, যারা তাদেরকে নামাযের জন্য আহবান করবে, অথবা তারা শিংগা ধ্বনির মাধ্যমে লোকদেরকে জামাআতে আহবান করার চিন্তাও করেছিল।

রাবী বলেন, এমতাবস্থায় আনসারদের মধ্য হতে একজন এসে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকদেরকে জামাআতে-হাযির করার ব্যাপারে আপনাকে উৎকণ্ঠিত দেখার পর রাতে আমি স্বপ্নে দেখি যে এক ব্যক্তি দুটি হলুদ বর্ণের কাপড় পরিধাণ করে মসজিদের সম্মুখে আযান দিচ্ছেন। আযান শেযে কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর তিনি ইকামত দেন এবং এখানে তিনি আযানের শব্দের সাথে “কাদ কামাতিস-সালাহ” শব্দটি যোগ করেন। অতঃপর তিনি বলেন- মানুষের মিথ্যা অপবাদের ভয় যদি আমার না থাকত তবে নিশ্চয়ই আমি বলতাম, আমি তা জাগ্রত অবস্থায় দেখেছি- স্বপ্নে নয়।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তোমাকে উত্তম স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তুমি বিলালকে নির্দেশ দাও যেন সে আযান দেয়। তখন উমার (রাঃ) বলেন, আমিও ইতিপূর্বে তার অনুরূপ স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু আমার আগেই অনুরূপ স্বপ্নের কথা ব্যক্ত হওয়ার কারণে আমি তা প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করি। রাবী বলেন, ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে যখন নামাযের হুকুম-আহকাম পরির্ণভাবে নাযিল হয় নাই তখন সাহাবায়ে কিরামদের মধ্য হতে যারা নামায আরম্ভের পরে আসতেন তারা জিজ্ঞেস করতেন- নামাযের কতটুকু আদায় করা হয়েছে। অতঃপর তাদের অবহিত করা হত। যারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে প্রথম হতে নামাযে শরীক হতেন তারা এক অবস্থায় থাকতেন এবং যারা পরে আসতেন তাদের কেউ দাঁড়ান, বসা বা রুকুর অবস্থায় থাকতেন।

ইবনুল মুছান্না, আমর, হুসায়েন, ইবনু আবূ লায়লা হতে বর্ণনা করেছেন যে, একদা মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) জামাআত শুরু হওয়ার পর মসজিদে আসেন। শোবা- হুসায়েন হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি তাকে এক অবস্হায় দেখতে পাই নাই- হতে, অনুরূপভাবে তোমরা কর…পর্যন্ত বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অতঃপর আমি আমরের হাদীছ বর্ণনা করি রাবী বলেন, মুআয (রাঃ) মসজিদে আগমনের পর উপস্হিত সাহাবীগণ তাকে ইশরা করে বলেন…।

শোবা বলেন, আমি হুসায়েনের নিকট শুনেছি, মুআয (রাঃ) বলেন, আমি তাকে নামাযের মধ্যে যে অবস্থায় পাই সে অবস্থায় তাঁর সাথে নামায আরম্ভ করব। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বলেনঃ মুআয তোমাদের জন্য একটি উত্তম সুন্নাত সৃষ্টি করেছে (অর্থাৎ সর্বপ্রথম ইমামের সাথে কিরূপে নামায আদায় করতে হয়, তা ভালভাবে দেখিয়েছেন। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে প্রাপ্ত নামায জামাআতে আদায়ের পর অবশিষ্ট নামায পরে আদায় করেন)। অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরাও এরূপ করবে। রাবী বলেন, আমাদের সাথীরা বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মদ্বীনায় আসার পর তাদেরকে প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখার নির্দেশ দেন। অতঃপর রমযানের রোযার আয়াত নাযিল হয় সাহাবীদের ইতিপূর্বে রোযা রাখার অভ্যাস না থাকায় তা তাঁদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়।

অতঃপর যারা রোযা রাখতে অক্ষম তাঁরা মিসকীনদের আহার করাতেন। অতঃপর এই আয়াত নাযিল হয়ঃ(‏فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ) “তোমাদের মধ্যে যারা রমযান মাস পাবে তারা যেন অবশ্যই রোযা রাখে।” মুসাফির ও রোগগ্রস্ত ব্যক্তির জন্যই কেবলমাত্র রমযান মাসের রোযা না রাখার অনুমতি ছিল (কিন্তু অন্য সময়ে এর কাযা আদায় করতে হত)। এভাবে তাদেরকে রমযানের রোযা রাখার নির্দেশ দেয়া হয় ইসলামের প্রথম যুগে রোযার নিয়ম এইরূপ ছিল যে, ইফতারের পর খাওয়ার পূর্বে কোন ব্যক্তি যদি কোন কারণ বশত ঘুমিয়ে পড়ত তবে তার জন্য পরের দিন সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত কোনরূপ খাদ্য গ্রহণ নাজায়েয ছিল।

এক রাতে উমার (রাঃ) তাঁর স্ত্রীর নিকট সহবাসের ইচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি বলেন, আমি তো ঘুমিয়ে ছিলাম। তখন উমার (রাঃ) এরূপ ধারণা করেন যে, তাঁর স্ত্রী মিথ্যা বাহানা করে তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। অতঃপর তিনি তাঁর সাথে সংগম করেন। অপরপক্ষে একজন আনসার সাহাবী ঘরে ফিরে খাদ্য চাইলে তাঁর পরিবারের লোকেরা বলেন, ধৈর্য ধরুন, আমরা খাবার প্রস্তুত করে আনছি। ইত্যবসরে তিনি না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন পরের দিন ভোরে এই আয়াত নাযিল হয়ঃ (أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ) “রমযান মাসের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের বিবিদের সাথে সংগম হালাল করা হয়ছে।”

باب كَيْفَ الأَذَانُ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ أُحِيلَتِ الصَّلاَةُ ثَلاَثَةَ أَحْوَالٍ - قَالَ - وَحَدَّثَنَا أَصْحَابُنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لَقَدْ أَعْجَبَنِي أَنْ تَكُونَ صَلاَةُ الْمُسْلِمِينَ - أَوْ قَالَ الْمُؤْمِنِينَ - وَاحِدَةً حَتَّى لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَبُثَّ رِجَالاً فِي الدُّورِ يُنَادُونَ النَّاسَ بِحِينِ الصَّلاَةِ وَحَتَّى هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ رِجَالاً يَقُومُونَ عَلَى الآطَامِ يُنَادُونَ الْمُسْلِمِينَ بِحِينِ الصَّلاَةِ حَتَّى نَقَسُوا أَوْ كَادُوا أَنْ يَنْقُسُوا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَجَاءَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لَمَّا رَجَعْتُ - لِمَا رَأَيْتُ مِنَ اهْتِمَامِكَ - رَأَيْتُ رَجُلاً كَأَنَّ عَلَيْهِ ثَوْبَيْنِ أَخْضَرَيْنِ فَقَامَ عَلَى الْمَسْجِدِ فَأَذَّنَ ثُمَّ قَعَدَ قَعْدَةً ثُمَّ قَامَ فَقَالَ مِثْلَهَا إِلاَّ أَنَّهُ يَقُولُ قَدْ قَامَتِ الصَّلاَةُ وَلَوْلاَ أَنْ يَقُولَ النَّاسُ - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى أَنْ تَقُولُوا - لَقُلْتُ إِنِّي كُنْتُ يَقْظَانًا غَيْرَ نَائِمٍ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى ‏"‏ لَقَدْ أَرَاكَ اللَّهُ خَيْرًا ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ عَمْرٌو ‏"‏ لَقَدْ أَرَاكَ اللَّهُ خَيْرًا فَمُرْ بِلاَلاً فَلْيُؤَذِّنْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ عُمَرُ أَمَا إِنِّي قَدْ رَأَيْتُ مِثْلَ الَّذِي رَأَى وَلَكِنِّي لَمَّا سُبِقْتُ اسْتَحْيَيْتُ ‏.‏ قَالَ وَحَدَّثَنَا أَصْحَابُنَا قَالَ وَكَانَ الرَّجُلُ إِذَا جَاءَ يَسْأَلُ فَيُخْبَرُ بِمَا سُبِقَ مِنْ صَلاَتِهِ وَإِنَّهُمْ قَامُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ بَيْنِ قَائِمٍ وَرَاكِعٍ وَقَاعِدٍ وَمُصَلٍّ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى قَالَ عَمْرٌو وَحَدَّثَنِي بِهَا حُصَيْنٌ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى حَتَّى جَاءَ مُعَاذٌ ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ وَقَدْ سَمِعْتُهَا مِنْ حُصَيْنٍ فَقَالَ لاَ أَرَاهُ عَلَى حَالٍ إِلَى قَوْلِهِ كَذَلِكَ فَافْعَلُوا ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ ثُمَّ رَجَعْتُ إِلَى حَدِيثِ عَمْرِو بْنِ مَرْزُوقٍ قَالَ فَجَاءَ مُعَاذٌ فَأَشَارُوا إِلَيْهِ - قَالَ شُعْبَةُ وَهَذِهِ سَمِعْتُهَا مِنْ حُصَيْنٍ - قَالَ فَقَالَ مُعَاذٌ لاَ أَرَاهُ عَلَى حَالٍ إِلاَّ كُنْتُ عَلَيْهَا ‏.‏ قَالَ فَقَالَ إِنَّ مُعَاذًا قَدْ سَنَّ لَكُمْ سُنَّةً كَذَلِكَ فَافْعَلُوا ‏.‏ قَالَ وَحَدَّثَنَا أَصْحَابُنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ أَمَرَهُمْ بِصِيَامِ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ ثُمَّ أُنْزِلَ رَمَضَانُ وَكَانُوا قَوْمًا لَمْ يَتَعَوَّدُوا الصِّيَامَ وَكَانَ الصِّيَامُ عَلَيْهِمْ شَدِيدًا فَكَانَ مَنْ لَمْ يَصُمْ أَطْعَمَ مِسْكِينًا فَنَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏(‏ فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ‏)‏ فَكَانَتِ الرُّخْصَةُ لِلْمَرِيضِ وَالْمُسَافِرِ فَأُمِرُوا بِالصِّيَامِ ‏.‏ قَالَ وَحَدَّثَنَا أَصْحَابُنَا قَالَ وَكَانَ الرَّجُلُ إِذَا أَفْطَرَ فَنَامَ قَبْلَ أَنْ يَأْكُلَ لَمْ يَأْكُلْ حَتَّى يُصْبِحَ ‏.‏ قَالَ فَجَاءَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فَأَرَادَ امْرَأَتَهُ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ نِمْتُ فَظَنَّ أَنَّهَا تَعْتَلُّ فَأَتَاهَا فَجَاءَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَأَرَادَ الطَّعَامَ فَقَالُوا حَتَّى نُسَخِّنَ لَكَ شَيْئًا فَنَامَ فَلَمَّا أَصْبَحُوا أُنْزِلَتْ عَلَيْهِ هَذِهِ الآيَةُ ‏(‏ أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ ‏)‏ ‏.‏


Ibn Abi Laila said: Prayer passed through three stages. And out people narrated to us that Messenger of Allah (May peace be upon him) said; it is to my liking that the prayer of Muslims or believers should be united (i.e., in congregation), so much so that I intended to send people to the houses to announce the time of prayer; and I also resolved that I should order people to stand at (the tops of) the forts and announce the time of the prayer for Muslims; and they struck the bell or were about to strike the bell (to announce the time for prayer). Then came a person from among the Ansar who said: Messenger of Allah, when I returned from you, as I saw your anxiety. I saw (in sleep) a person with two green clothes on him; he stood on the mosque and called (people) to prayer. He then sat down for a short while and stood up and pronounced in a like manner, except that he added: “The time for prayer has come”. If the people did not call me (a liar), and according to the version of Ibn al-Muthanna, if you did not call me (a liar). I would say that I was awake; I was awake; I was not asleep. The Messenger of Allah (May peace be upon him) said: According to the version of Ibn al-Muthanna, Allah has shown you a good (dream). But the version of ‘Amr does not have the words: Allah has shown you a good (dream). Then ask Bilal to pronounce the ADHAN (to call to the prayer). ‘Umar (in the meantime) said: I also had a dream like the one he had. But as he informed earlier. I was ashamed (to inform). Our people have narrated to us: when a person came (to the mosque during the prayer in congregation), he would ask (about the RAKAHS of prayer), and he would be informed about the number of RAKAHS already performed. They would stand (in prayer) along with the Messenger of Allah (May peace be upon him): some in standing position; others bowing; some sitting and some praying along with the Messenger of Allah (May peace be upon him). Ibn al-Muthanna reported from ‘Amr from Hussain b. Abi Laila, saying ; Until Mu’adh came. Shu’bah said ; I heard it from Hussain who said : I shall follow the position (in the prayer in which I find him (the prophet)). . . you should do in a similar way. Abu Dawud said: I then turned to the tradition reported by ‘Amr b. Marzuq he said; then Ma’adh came and they (the people) hinted at him. Shu’bah said; I heard it from hussain who said: Mu’adh then said; I shall follow the position (in the prayer when I join it) in which I find him (the prophet). He then said: Mu’adh has prayer when I join it in which I find him (the prophet). He then said: MU’adh has introduced for you a SUNNAH (a model behaviour), so you should do in a like manner. He said; our people have narrated to us; when the Messenger of Allah (ﷺ) came to Madina, he commanded them (the people) to keep fast for three days. Thereafter the Quranic verses with regard to the fasts during Ramadan were revealed. But they were people who were not accustomed to keep fast ; hence the keeping of the fasts was hard for them; so those who could not keep fast would feed an indigent; then the month”. The concession was granted to the patient and the traveler; all were commanded to keep fast.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫৯. নামাযের মধ্যে দু'আ করা সম্পর্কে।

৮৮১. মুসাদ্দাদ (রহঃ) ..... আব্দুর রহমান ইবনে আবু লায়লা (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশে দাঁড়িয়ে নফল নামায আদায় করছিলাম এসময় আমি তাঁকে “আউযু বিল্লাহি মিনান্নার ওয়াইলুন লি-আহলিন নার” বলতে শুনেছি। (ইবনে মাজাহ)।

باب الدُّعَاءِ فِي الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَةِ تَطَوُّعٍ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ ‏ "‏ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ النَّارِ وَيْلٌ لأَهْلِ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuLayla al-Ansari: I prayed by the side of the Messenger of Allah (ﷺ) in the supererogatory prayer and I heard him say: "I refuge in Allah from the Hell-Fire; woe to the inmates of the Hell-fire!"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩০৬. বেলা এক প্রহরে চাশতের নামায।

১২৯১. হাফস ইবন উমার (রহঃ) ..... ইবন আবু লায়লা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মে হানী (রাঃ) ব্যতীত আর কেউই এরূপ বর্ণনা করেননি যে, সে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দ্বিপ্রহরের পূর্বে নামায পড়তে দেখেছে। উম্মে হানী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন নবী করী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে প্রবেশ করে গোসল করেন, অতঃপর আট রাকাত নামায পড়েন। পরবর্তীকালে আর কেউই তাঁকে কখনও এরূপ নামায পড়তে দেখেনি। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)

باب صَلاَةِ الضُّحَى

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ مَا أَخْبَرَنَا أَحَدٌ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الضُّحَى غَيْرَ أُمِّ هَانِئٍ فَإِنَّهَا ذَكَرَتْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِي بَيْتِهَا وَصَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ فَلَمْ يَرَهُ أَحَدٌ صَلاَّهُنَّ بَعْدُ ‏.‏


Narrated Ibn Abi Laila: No one told us that the Prophet (ﷺ) had offered Duha prayer except Umm Hani. She said that the Prophet (ﷺ) had taken bath in her house on the day of the Conquest of Mecca and prayed eight rak'ahs. But no one saw him afterwards praying these rak'ahs.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮/১২. সফরে ফরয সালাতের পূর্বে ও পরে নফল আদায় করা

وَرَكَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ فِي السَّفَرِ.

সফরে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দু’ রাক‘আত (সুন্নাত) আদায় করেছেন।



১১০৩. ইবনু আবূ লায়লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। উম্মু হানী (রাযি.) ব্যতীত অন্য কেউ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সালাতুয্ যুহা (পূর্বাহ্নের সালাত) আদায় করতে দেখেছেন বলে আমাদের জানাননি। তিনি [উম্মু হানী (রাযি.)] বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন তাঁর ঘরে গোসল করার পর আট রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। আমি তাঁকে এর চেয়ে সংক্ষিপ্তভাবে কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি, তবে তিনি রুকূ’ ও সিজদা্ পূর্ণভাবে আদায় করেছিলেন। (১১৭৬, ৪২৯২; মুসলিম ৩/১৬, হাঃ ৩৩৬, আহমাদ ২৬৯৭৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১০৪০)

بَاب مَنْ تَطَوَّعَ فِي السَّفَرِ فِي غَيْرِ دُبُرِ الصَّلَوَاتِ وَقَبْلَهَا

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ مَا أَنْبَأَ أَحَدٌ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الضُّحَى غَيْرُ أُمِّ هَانِئٍ ذَكَرَتْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِي بَيْتِهَا، فَصَلَّى ثَمَانِ رَكَعَاتٍ، فَمَا رَأَيْتُهُ صَلَّى صَلاَةً أَخَفَّ مِنْهَا، غَيْرَ أَنَّهُ يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ‏.‏


Narrated Ibn Abu Laila: Only Um Hani told us that she had seen the Prophet (p.b.u.h) offering the Duha (forenoon prayer). She said, "On the day of the conquest of Mecca, the Prophet (ﷺ) took a bath in my house and offered eight rak`at. I never saw him praying such a light prayer but he performed perfect prostration and bowing.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯/৩১. সফরে যুহা সালাত আদায় করা।

১১৭৬. ‘আবদুর রাহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু হানী (রাযি.) ব্যতীত অন্য কেউ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে চাশ্তের সালাত আদায় করতে দেখেছেন, এমন আমাদের নিকট কেউ বর্ণনা করেননি। তিনি উম্মে হানী (রাযি.) অবশ্য বলেছেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন (পূর্বাহ্নে) তাঁর ঘরে গিয়ে গোসল করেছেন। (তিনি বলেছেন) যে, আমি আর কখনো (তাঁর) অনুরূপ সংক্ষিপ্ত সালাত দেখিনি। তবে কিরা‘আত ছাড়া তিনি রুকূ‘ ও সিজদা্ পূর্ণাঙ্গরূপে আদায় করছিলেন। (১১০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১১০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১১০৬)

بَاب صَلاَةِ الضُّحَى فِي السَّفَرِ

آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي لَيْلَى يَقُولُ مَا حَدَّثَنَا أَحَدٌ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى غَيْرُ أُمِّ هَانِئٍ فَإِنَّهَا قَالَتْ إِنَّ النَّبِيَّ دَخَلَ بَيْتَهَا يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ فَاغْتَسَلَ وَصَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ فَلَمْ أَرَ صَلاَةً قَطُّ أَخَفَّ مِنْهَا غَيْرَ أَنَّهُ يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ.


Narrated `Abdur Rahman bin Abi Laila: Only Um Hani narrated to me that she had seen the Prophet (ﷺ) offering the Duha prayer. She said, "On the day of the conquest of Mecca, the Prophet (ﷺ) entered my house, took a bath and offered eight rak`at (of Duha prayers. I had never seen the Prophet (ﷺ) offering such a light prayer but he performed bowing and prostrations perfectly .


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩/৪৯. যে ব্যক্তি ইয়াহূদীর জানাযা দেখে দাঁড়ায়।

১৩১২. ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহল ইবনু হুনাইফ ও কায়স ইবনু সা‘দ (রাঃ) কাদিসিয়াতে উপবিষ্ট ছিলেন, তখন লোকেরা তাদের সামনে দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাচ্ছিল। (তা দেখে) তারা দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন তাদের বলা হল, এটা তো এ দেশীয় জিম্মী ব্যক্তির (অমুসলিমের) জানাযা। তখন তারা বললেন, (একদা) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে দিয়ে একটি জানাযা যাচ্ছিল। তখন তিনি দাঁড়িয়ে গেলে তাঁকে বলা হল, এটা তো এক ইয়াহূদীর জানাযা। তিনি এরশাদ করলেনঃ সে কি মানুষ নয়?[1]  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২৩৪)

بَاب مَنْ قَامَ لِجَنَازَةِ يَهُودِيٍّ

حَدَّثَنَا آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمٰنِ بْنَ أَبِي لَيْلَى قَالَ كَانَ سَهْلُ بْنُ حُنَيْفٍ وَقَيْسُ بْنُ سَعْدٍ قَاعِدَيْنِ بِالْقَادِسِيَّةِ فَمَرُّوا عَلَيْهِمَا بِجَنَازَةٍ فَقَامَا فَقِيلَ لَهُمَا إِنَّهَا مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ أَيْ مِنْ أَهْلِ الذِّمَّةِ فَقَالاَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّتْ بِهِ جِنَازَةٌ فَقَامَ فَقِيلَ لَهُ إِنَّهَا جِنَازَةُ يَهُودِيٍّ فَقَالَ أَلَيْسَتْ نَفْسًا


Narrated `Abdur Rahman bin Abi Laila: Sahl bin Hunaif and Qais bin Sa`d were sitting in the city of Al-Qadisiya. A funeral procession passed in front of them and they stood up. They were told that funeral procession was of one of the inhabitants of the land i.e. of a non-believer, under the protection of Muslims. They said, "A funeral procession passed in front of the Prophet (ﷺ) and he stood up. When he was told that it was the coffin of a Jew, he said, "Is it not a living being (soul)?"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩/৪৯. যে ব্যক্তি ইয়াহূদীর জানাযা দেখে দাঁড়ায়।

১৩১৩. ইবনু আবূ লায়লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাহল এবং কায়স (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তখন তাঁরা দু’জন বললেন, আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম। যাকারিয়া (রহ.) সূত্রে ইবনু আবূ লায়লাহ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন, আবূ মাস‘উদ ও কায়স (রাঃ) জানাযা যেতে দেখলে দাঁড়িয়ে যেতেন। (মুসলিম ১১/২৪, হাঃ ৯৬১, আহমাদ ২৩৯০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২৩৪)

بَاب مَنْ قَامَ لِجَنَازَةِ يَهُودِيٍّ

وَقَالَ أَبُو حَمْزَةَ عَنْ الأَعْمَشِ عَنْ عَمْرٍو عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ كُنْتُ مَعَ قَيْسٍ وَسَهْلٍ فَقَالاَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ زَكَرِيَّاءُ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى كَانَ أَبُو مَسْعُودٍ وَقَيْسٌ يَقُومَانِ لِلْجَنَازَةِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৪/৫১. মাক্কাহ বিজয়ের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবস্থানস্থল।

৪২৯২. ইবনু আবী লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে চাশতের সালাত আদায় করতে দেখেছে-এ কথাটি একমাত্র উম্মু হানী (রাঃ) ব্যতীত অন্য কেউ আমাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তিনি বলেছেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাড়িতে গোসল করেছিলেন, এরপর তিনি আট রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। উম্মু হানী (রাঃ) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ সালাত অপেক্ষা হালকাভাবে অন্য কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি। তবে তিনি রুকূ‘, সিজদা্ পুরোপুরিই আদায় করেছিলেন। [১১০৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৫৮)

بَاب مَنْزِلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْفَتْحِ

أَبُو الْوَلِيْدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ ابْنِ أَبِيْ لَيْلَى مَا أَخْبَرَنَا أَحَدٌ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّيْ الضُّحَى غَيْرَ أُمِّ هَانِئٍ فَإِنَّهَا ذَكَرَتْ أَنَّهُ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِيْ بَيْتِهَا ثُمَّ صَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ قَالَتْ لَمْ أَرَهُ صَلَّى صَلَاةً أَخَفَّ مِنْهَا غَيْرَ أَنَّهُ يُتِمُّ الرُّكُوْعَ وَالسُّجُوْدَ.


Narrated Ibn Abi Laila: None informed us that he saw the Prophet (ﷺ) offering the Duha (i.e. forenoon) prayer, except Um Hani who mentioned that the Prophet (ﷺ) took a bath in her house on the day of the Conquest (of Mecca) and then offered an eight rak`at prayer. She added, "I never saw the Prophet (ﷺ) offering a lighter prayer than that prayer, but he was performing perfect bowing and prostrations."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৪/২৭. স্বর্ণের পাত্রে পানি পান করা।

৫৬৩২. ইবনু আবূ লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযাইফা (রাঃ) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন এক গ্রামবাসী একটি রূপার পাত্রে পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুঁড়ে মারলেন। এরপর তিনিবললেনঃ আমি এটি ছুঁড়ে ফেলতাম না, কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করার পরও সে তাত্থেকে বিরত হয়নি। অথচ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরতে, স্বর্ণ ও রৌপ্যের পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত বস্ত্তগুলো হ’ল দুনিয়াতে কাফির সম্প্রদায়ের জন্য; আর আখিরাতে তোমাদের জন্য। [৫৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৭)

بَاب الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ.

حَفْصُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلٰى قَالَ كَانَ حُذَيْفَةُ بِالْمَدَايِنِ فَاسْتَسْقٰى فَأَتَاه“ دِهْقَانٌ بِقَدَحِ فِضَّةٍ فَرَمَاه“ بِه„ فَقَالَ إِنِّي لَمْ أَرْمِه„ إِلاَّ أَنِّي نَهَيْتُه“ فَلَمْ يَنْتَهِ وَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَانَا عَنِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَالشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَقَالَ هُنَّ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَهِيَ لَكُمْ فِي الآخِرَةِ.


Narrated Ibn Abi Laila: While Hudhaita was at Mada'in, he asked for water. The chief of the village brought him a silver vessel. Hudhaifa threw it away and said, "I have thrown it away because I told him not to use it, but he has not stopped using it. The Prophet (ﷺ) forbade us to wear clothes of silk or Dibaj, and to drink in gold or silver utensils, and said, 'These things are for them (unbelievers) in this world and for you (Muslims) in the Hereafter.' "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৪/২৮. স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পানি পান করা।

৫৬৩৩. ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে বাইরে বের হলাম। এ সময় তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা আলোচনা করেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশম বস্ত্র পরিধান করবে না। কেননা, এগুলো দুনিয়াতে তাদের (অর্থাৎ অমুসলিমদের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের জন্য হল আখিরাতের ভোগ্য বস্ত্ত। [৫৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৮)

بَاب آنِيَةِ الْفِضَّةِ

مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنّٰى حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلٰى قَالَ خَرَجْنَا مَعَ حُذَيْفَةَ وَذَكَرَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَلاَ تَلْبَسُوا الْحَرِيرَ وَالدِّيبَاجَ فَإِنَّهَا لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَكُمْ فِي الآخِرَةِ.


Narrated Hudhaifa: The Prophet (ﷺ) said, "Do not drink in gold or silver utensils, and do not wear clothes of silk or Dibaj, for these things are for them (unbelievers) in this world and for you in the Hereafter."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৭/২৫. পুরুষের জন্য রেশমী পোশাক পরা, রেশমী চাদর বিছানো এবং কী পরিমাণ রেশমী কাপড় ব্যবহার জায়িয।

৫৮৩১. ইবনু আবূ লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযাইফাহ মাদাইনে অবস্থান করছিলেন। তিনি পানি পান করতে চাইলেন। এক গ্রাম্য লোক একটি রৌপ্য পাত্রে কিছু পানি নিয়ে আসল। হুযাইফাহ তা ছুঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি ছুঁড়ে ফেলতাম না; কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করেছি, সে নিবৃত হয়নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বর্ণ, রৌপ্য, পাতলা ও মোটা রেশম তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের জন্য) দুনিয়ায় এবং তোমাদের (মুসলিমদের) জন্য আখিরাতে। [৫৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০২ [1])

بَاب لُبْسِ الْحَرِيرِ وَافْتِرَاشِهৃ لِلرِّجَالِ وَقَدْرِ مَا يَجُوزُ مِنْهُ

سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلٰى قَالَ كَانَ حُذَيْفَةُ بِالْمَدَايِنِ فَاسْتَسْقٰى فَأَتَاه“ دِهْقَانٌ بِمَاءٍ فِي إِنَاءٍ مِنْ فِضَّةٍ فَرَمَاه“ بِه„ وَقَالَ إِنِّي لَمْ أَرْمِه„ إِلاَّ أَنِّي نَهَيْتُه“ فَلَمْ يَنْتَهِ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الذَّهَبُ وَالْفِضَّةُ وَالْحَرِيرُ وَالدِّيبَاجُ هِيَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَكُمْ فِي الآخِرَةِ.


Narrated Ibn Abi Laila: While Hudhaifa was at Al-Madain, he asked for water whereupon the chief of the village brought him water in a silver cup. Hudhaifa threw it at him and said, "I have thrown it only because I have forbidden him to use it, but he does not stop using it. Allah's Messenger (ﷺ) said, 'Gold, silver, silk and Dibaj (a kind of silk) are for them (unbelievers) in this world and for you (Muslims) in the hereafter.'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬/১৩. চাশতের সালাত মুস্তাহাব এবং তার সর্বনিম্ন পরিমাণ দুরাকআত। সর্বোচ্চ পরিমাণ আট রাকআত, মধ্যম পরিমাণ চার বা ছয় রাকাআত এবং এই সলতি সংরক্ষণের প্রতি উৎসাহ প্রদান।

৪১৭. ইবনু আবূ লায়লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত, উম্মু হানী (রাযি.) ব্যতীত অন্য কেউ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতুয্ যুহা (পূর্বাহ্নের সালাত) আদায় করতে দেখেছেন বলে আমাদের জানাননি। তিনি [উম্মে হানী (রাযি.)] বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন তাঁর ঘরে গোসল করার পর আট রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। আমি তাঁকে এর থেকে সংক্ষিপ্ত কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি, তবে তিনি রুকূ’ ও সিজদা্ পূর্ণভাবে আদায় করেছিলেন।

استحباب صلاة الضحى وأن أقلها ركعتان

حَدِيْثُ أُمِّ هَانِئٍ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ مَا أَخْبَرَنَا أَحَدٌ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ ﷺ صَلَّى الضُّحَى غَيْرُ أُمِّ هَانِئٍ ذَكَرَتْ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِي بَيْتِهَا فَصَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ فَمَا رَأَيْتُهُ صَلَّى صَلاَةً أَخَفَّ مِنْهَا غَيْرَ أَنَّهُ يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »