আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 27 টি

পরিচ্ছেদঃ ৬২৯. বিতরের সময়।

قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَوْصَانِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ঘুমানোর আগে বিতর আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।


৯৪১। আবূ নুমান (রহঃ) ‍... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) খেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ) কে বললাম, ফজরের পূর্বের দু’রাকাআতে আমি কিরাআত দীর্ঘ করব কি না, এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ দু’ রাকাআত করে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন এবং এক রাকাআত মিলিয়ে বিতর পড়তেন। এরপর ফজরের সালাতের পূর্বে তিনি দু’রাকাআত এমন সময় আদায় করতেন যেন একামতের শব্দ তার কানে আসছে। রাবী হাম্মদ (রহঃ) বলেন, অর্থ্যাৎ দ্রুততার সাথে। (সংক্ষিপ্ত কিরাআতে)

باب سَاعَاتِ الْوِتْرِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ، قَالَ قُلْتُ لاِبْنِ عُمَرَ أَرَأَيْتَ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْغَدَاةِ أُطِيلُ فِيهِمَا الْقِرَاءَةَ فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى، وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ وَيُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْغَدَاةِ وَكَأَنَّ الأَذَانَ بِأُذُنَيْهِ‏.‏ قَالَ حَمَّادٌ أَىْ سُرْعَةً‏.‏


Narrated Anas bin Seereen: I asked Ibn `Umar, "What is your opinion about the two rak`at before the Fajr (compulsory) prayer, as to prolonging the recitation in them?" He said, "The Prophet (ﷺ) used to pray at night two rak`at followed by two and so on, and end the prayer by one rak`ah witr. He used to offer two rak`at before the Fajr prayer immediately after the Adhan." (Hammad, the sub-narrator said, "That meant (that he prayed) quickly.)"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭০৪. গাধার উপর নফল সালাত আদায় করা।

১০৩৭। আহমদ ইবনু সায়ীদ (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) যখন শাম (সিরিয়া) থেকে ফিরে আসছিলেন, তখন আমরা তাঁকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করার জন্য এগিয়ে এসেছিলাম। আইনুত্ তাম্‌র (নামক) স্থানে আমরা তাঁর সাক্ষাৎ পেলাম। তখন আমি তাঁকে দেখলাম গাধার পিঠে (আরোহী অবস্থায়) সামনের দিকে মুখ করে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন। অর্থাৎ কিবলার বাম দিকে মুখ করে। তখন তাঁকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনাকে তো দেখলাম কিব্‌লা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, যদি আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এরূপ করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না।

باب صَلاَةِ التَّطَوُّعِ عَلَى الْحِمَارِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حَبَّانُ، قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ، قَالَ اسْتَقْبَلْنَا أَنَسًا حِينَ قَدِمَ مِنَ الشَّأْمِ، فَلَقِينَاهُ بِعَيْنِ التَّمْرِ، فَرَأَيْتُهُ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَوَجْهُهُ مِنْ ذَا الْجَانِبِ، يَعْنِي عَنْ يَسَارِ الْقِبْلَةِ‏.‏ فَقُلْتُ رَأَيْتُكَ تُصَلِّي لِغَيْرِ الْقِبْلَةِ‏.‏ فَقَالَ لَوْلاَ أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَلَهُ لَمْ أَفْعَلْهُ‏.‏ رَوَاهُ ابْنُ طَهْمَانَ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏


Narrated Anas bin Seereen: We went to receive Anas bin Malik when he returned from Sham and met him at a place called 'Ainat- Tamr. I saw him praying riding the donkey, with his face to this direction, i.e. to the left of the Qibla. I said to him, "I have seen you offering the prayer in a direction other than that of the Qibla." He replied, "If I had not seen Allah's Messenger (sallallahu 'alaihi wa sallam) doing it, I would not have done it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যে ব্যক্তি আযান শোনে, মসজিদে আসা তার উপর ওয়াজিব

১৩৬৮। নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জুনদুব ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যাক্তি ফজরের সালাত আদায় করল, সে আল্লাহর যিম্মায় রইল। তখন আল্লাহ তায়ালা তাঁর যিম্মার ব্যাপারে তোমাদের কারো কাছে কিছু চান না। এমন হবে না যে, তোমাকে ধরে তিনি আধো মূখে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন।

باب يَجِبُ إِتْيَانُ الْمَسْجِدِ عَلَى مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ ‏

وَحَدَّثَنِي نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُفَضَّلٍ - عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَمِعْتُ جُنْدَبَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ فَلاَ يَطْلُبَنَّكُمُ اللَّهُ مِنْ ذِمَّتِهِ بِشَىْءٍ فَيُدْرِكَهُ فَيَكُبَّهُ فِي نَارِ جَهَنَّمَ ‏"‏ ‏.‏


Jundab b. 'Abdullah reported Allah's Messenger (ﷺ) as saying: He who prayed the morning prayer (in congregation) he is in fact under the protection of Allah. And it can never happen that Allah should demand anything from you in connection with the protection (that He guarantees) and one should not get it. He would then throw him in the fire of Hell.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যে ব্যক্তি আযান শোনে, মসজিদে আসা তার উপর ওয়াজিব

১৩৬৯। ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম আত দাওরাকী (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরিন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জুনদুব আল-কাসরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যাক্তি ফজরের সালাত আদায় করল, সে আল্লাহর যিম্মায় চলে গেল। সুতরাং এমন যেন না হয় যে, আল্লাহ্‌ আমাদেরকে তার যিম্মাভুক্ত কোন বিষয়ে তলব করে বসেন। কেননা তিনি তার যিম্মাভুক্ত কোন ব্যাপারে কাউকে তলব করলে নিশ্চিত তাকে ধরে অধোমুখে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন।

باب يَجِبُ إِتْيَانُ الْمَسْجِدِ عَلَى مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ ‏

وَحَدَّثَنِيهِ يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَمِعْتُ جُنْدَبًا الْقَسْرِيَّ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ صَلَّى صَلاَةَ الصُّبْحِ فَهْوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ فَلاَ يَطْلُبَنَّكُمُ اللَّهُ مِنْ ذِمَّتِهِ بِشَىْءٍ فَإِنَّهُ مَنْ يَطْلُبْهُ مِنْ ذِمَّتِهِ بِشَىْءٍ يُدْرِكْهُ ثُمَّ يَكُبَّهُ عَلَى وَجْهِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ ‏"‏ ‏.‏


Anas b. Sirin reported: I heard Jundab b. Qasri saying that the Messenger of Allah (ﷺ) said: He who observed the morning prayer (in congregation), he is in fact under the protection of Allah and it never happens that Allah should make a demand in connection with the protection (that He guarantees and should not get it) for when he asks for anything in relation to His protection, he definitely secures it. He then throws him flatly in the Hell-fire.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪. সফরে সাওয়ারী জন্তুর উপর নফল সালাত আদায় করা বৈধ, জন্তুটি যেদিকেই গমন করুক

১৪৯৩। মুহাম্মদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) যখন সিরিয়া থেকে আসলেন তখন আমরা তাঁর সঙ্গে মিলিত হলাম। তখন তাঁকে দেখলাম যে, তিনি গাধার উপর বসে সালাত আদায় করেছেন এবং তাঁর মুখ ছিল এই দিকে। (রাবী হাম্মাম ইঙ্গিত করলেন, কিবলার বাঁ দিকে) তখন আমি তাকে বললাম, আমি আপনাকে কিবলার বিপরীতমুখী সালাত আদায় করতে দেখেছি। তিনি বললেন, আমি যদি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তা করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না।

باب جَوَازِ صَلاَةِ النَّافِلَةِ عَلَى الدَّابَّةِ فِي السَّفَرِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ ‏‏

وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ، قَالَ تَلَقَّيْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ حِينَ قَدِمَ الشَّامَ فَتَلَقَّيْنَاهُ بِعَيْنِ التَّمْرِ فَرَأَيْتُهُ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَوَجْهُهُ ذَلِكَ الْجَانِبَ - وَأَوْمَأَ هَمَّامٌ عَنْ يَسَارِ الْقِبْلَةِ - فَقُلْتُ لَهُ رَأَيْتُكَ تُصَلِّي لِغَيْرِ الْقِبْلَةِ ‏.‏ قَالَ لَوْلاَ أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُهُ لَمْ أَفْعَلْهُ ‏.‏


Anas b. Sirin reported: We met Anas b. Malik as he came to Syria at a place known as 'Ain-al-Tamar and saw him observing prayer on the back of his donkey with his face turned in that direction. (Hammam one of the narrators) pointed towards the left of Qibla, so I said to him: I find you observing prayer towards the side other than that of Qibla. Upon this he said: Had I not seen the Messenger of Allah (ﷺ) doing like this, I would not have done so at all.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. রাতের সালাত, রাতের বেলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সালাতের রাক’আত সংখ্যা, বিতর সালাত এক রাক’আত এবং এক রাক’আত সালাতও বিশুদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গ

১৬৩৪। খালফ ইবনু হিশাম ও আবূ কামিল (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমর (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ভোরের সালাতের আগের দু-রাকআত সম্পর্কে আপনার কি অভিমত, আমি কি তাতে কির’আত দীর্ঘ করব? তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে দুই দুই (রাক’আত) করে সালাত আদায় করতেন এবং এক রাকআত দিয়ে বিতর করতেন। আনাস বলেন, আমি বললাম, আমি তো এ বিষয় আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি না। তিনি বললেন, তুমি তো স্থুলবুদ্ধির লোক। তুমি কি আমাকে পূরো হাদীস বলার অবকাশ দিবে না?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত্রিকালে দুই দুই (রাকআত) সালাত আদায় করতেন এবং এক রাকআত দিয়ে বিতর করতেন এবং ফজরের আগে দু' রাকআত সূন্নাত এত দ্রুত আদায় করতেন যেন আযান অর্থাৎ ইকামত তাঁর কানে বাজছে। খালফ (রহঃ) তাঁর রিওয়ায়াতেবলেছেন ফজরের আগের দু' রাক’আত সম্পর্কে অভিমতকি? 'সালাত' শব্দ উল্লেখ করেননি।

باب صَلاَةِ اللَّيْلِ وَعَدَدِ رَكَعَاتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي اللَّيْلِ وَأَنَّ الْوِتْرَ رَكْعَةٌ وَأَنَّ الرَّكْعَةَ صَلاَةٌ صَحِيحَةٌ

حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ قُلْتُ أَرَأَيْتَ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْغَدَاةِ أَأُطِيلُ فِيهِمَا الْقِرَاءَةَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ - قَالَ - قُلْتُ إِنِّي لَسْتُ عَنْ هَذَا أَسْأَلُكَ ‏.‏ قَالَ إِنَّكَ لَضَخْمٌ أَلاَ تَدَعُنِي أَسْتَقْرِئُ لَكَ الْحَدِيثَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْغَدَاةِ كَأَنَّ الأَذَانَ بِأُذُنَيْهِ ‏.‏ قَالَ خَلَفٌ أَرَأَيْتَ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْغَدَاةِ وَلَمْ يَذْكُرْ صَلاَةِ ‏.‏


Anas b. Sirin reported: I asked Ibn 'Umar to tell me about the practice of the Prophet (ﷺ) in regard to two rak'ahs before the dawn prayer: Should I make lengthy recitation in them? He said: The Messenger of Allah (ﷺ) used to observe, the night prayer in pairs and then made the number odd by observing one rak'ah. I said: I am not asking you about it. He said: You are a bulky man, will you not show me the patience to narrate to you the hadith completely? The Messenger of Allah (ﷺ) used to observe the night prayer in pairs and then made the number odd by observing one rak'ah, and then he observed two rak'ahs before dawn quite close to the call for prayer (Khalaf said:" Did you see [yourself the Prophet observing] the two rak'ahs before the dawn?" and he made no mention of prayer.)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. রাতের সালাত, রাতের বেলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সালাতের রাক’আত সংখ্যা, বিতর সালাত এক রাক’আত এবং এক রাক’আত সালাতও বিশুদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গ

১৬৩৫। ইবনুল মূসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমর (রাঃ) কে আমি জিজ্ঞাসা করলাম .... পূর্বোক্ত রিওয়ায়াতের অনুরূপ। তিনি একটু অতিরিক্ত বলেছেন, ‘রাতের শেষ ভাগে এক রাকআত দিয়ে বিতর আদায় করতেন’। তাতে আরো রয়েছে, বাঃ বাঃ তুমি তো বড় স্থুলবুদ্ধির লোক।

باب صَلاَةِ اللَّيْلِ وَعَدَدِ رَكَعَاتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي اللَّيْلِ وَأَنَّ الْوِتْرَ رَكْعَةٌ وَأَنَّ الرَّكْعَةَ صَلاَةٌ صَحِيحَةٌ

وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ ‏.‏ بِمِثْلِهِ وَزَادَ وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ ‏.‏ وَفِيهِ فَقَالَ بَهْ بَهْ إِنَّكَ لَضَخْمٌ ‏.‏


Anas b. Sirin reported: I asked Ibn 'Umar like this (as recorded in the previous hadith) and he made this addition:" And he (the Holy Prophet) made the end of the night prayer as odd number by one rak'ah." And there is also (this addition):" Stop, stop, you are bulky."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২. আযলের হুকুম

৩৪১৬। নাসর ইবনু আলী জাহযামী (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) মা'বাদ ইবনু সীরীন (রহঃ) সুত্রে আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি (আনাস ইবনু সীরীন) বলেন, আমি তাকে (মা'বাদ ইবনু সীরীন) জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। তিনি বলেন, এটা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা, এটা হল তাকদীরের অন্তর্ভুক্ত।

باب حُكْمِ الْعَزْلِ ‏

وَحَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَنَسِ، بْنِ سِيرِينَ عَنْ مَعْبَدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قُلْتُ لَهُ سَمِعْتَهُ مِنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ نَعَمْ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ عَلَيْكُمْ أَنْ لاَ تَفْعَلُوا فَإِنَّمَا هُوَ الْقَدَرُ‏"‏ ‏.‏


Abu Sa'id al-Khudri (Allah be pleased with him) (was asked if he had heard it himself), to which he said: Yes. (I heard) Allah's Apostle (ﷺ) as saying: There is no harm if you do not practise it, for it (the birth of the child) is something ordained (by Allah).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. সম্মতি ব্যতীত ঋতুমতীকে তালাক প্রদান হারাম, যদি তালাক দেয় তবে তালাক হয়ে যাবে এবং তালাক প্রদানকারীকে রাজ'আতের নির্দেশ দিতে হবে

৩৫৩৪। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমর (রাঃ) কে তার সে স্ত্রী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যাকে তিনি তালাক দিয়েছিলেন। তিনি বললেন, তাকে আমি তালাক দিয়েছিলাম- যখন সে হায়িয অবস্থায় ছিল। আমি বিষয়টি উমার (রাঃ) এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি তা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জানালেন। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তার স্ত্রীকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়। পরে যখন সে পাক হবে তখন যেন সে (ইচ্ছা করলে) তার পাক অবস্থায় তাকে তালাক দেয়। ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, তবে কি হায়িয অবস্থায় প্রদত্ত তালাকটি কি আপনি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, আমি কেন সেটা গণনায় ধরবো না? যদি আমি অক্ষম হই অথবা নির্বুদ্ধিতা প্রকাশ করি (তাহলে কি আমার এ কাজ গণনায় আসবে না)?

باب تَحْرِيمِ طَلاَقِ الْحَائِضِ بِغَيْرِ رِضَاهَا وَأَنَّهُ لَوْ خَالَفَ وَقَعَ الطَّلاَقُ وَيُؤْمَرُ بِجْعَتِهَا

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ، سِيرِينَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ امْرَأَتِهِ الَّتِي، طَلَّقَ فَقَالَ طَلَّقْتُهَا وَهْىَ حَائِضٌ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِعُمَرَ فَذَكَرَهُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهَرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا لِطُهْرِهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَرَاجَعْتُهَا ثُمَّ طَلَّقْتُهَا لِطُهْرِهَا ‏.‏ قُلْتُ فَاعْتَدَدْتَ بِتِلْكَ التَّطْلِيقَةِ الَّتِي طَلَّقْتَ وَهْىَ حَائِضٌ قَالَ مَا لِيَ لاَ أَعْتَدُّ بِهَا وَإِنْ كُنْتُ عَجَزْتُ وَاسْتَحْمَقْتُ ‏.‏


Anas b. Sirin reported: I asked Ibn 'Umar (Allah be pleased with them) about the woman whom he had divorced. He said: I divorced her while she was in the state of menses. It was mentioned to 'Umar (Allah be pleased with him) and he then made a mention of that to Allah's Apostle (ﷺ), whereupon he said: Command him to take her back and when the period of menses is over, then (he may divorce her in the state of her purity. He (Ibn Umar) said: So I took her back, then divorced her in her purity. I (the narrator) said: Did you count that divorce which you pronounced in the state of menses? He said: Why should I not have counted that? Was I helpless or foolish?


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. কোন প্রকার দ্রাক্ষারস পান করা জায়েয এবং কোন প্রকার পান করা জায়েয নয়

৫৭২৬. ইসহাক ইবন ইব্রাহীম (রহঃ) ... আনাস ইবন সিরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ শয়তান নূহ (আঃ)-এর সাথে একটি খেজুরগাছের ব্যাপারে ঝগড়া করলো। সে বললোঃ এটা আমার, আর নূহ (আঃ) বললেনঃ এটা আমার। তখন সাব্যস্ত হলো যে, এর দুই অংশ শয়তানের এবং এক অংশ নূহ (আঃ)-এর।

ذِكْرُ مَا يَجُوزُ شُرْبُهُ مِنْ الطِّلَاءِ وَمَا لَا يَجُوزُ

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ قَالَ حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ أَوْسٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ إِنَّ نُوحًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَازَعَهُ الشَّيْطَانُ فِي عُودِ الْكَرْمِ فَقَالَ هَذَا لِي وَقَالَ هَذَا لِي فَاصْطَلَحَا عَلَى أَنَّ لِنُوحٍ ثُلُثَهَا وَلِلشَّيْطَانِ ثُلُثَيْهَا


It was narrated that Anas bin Sirin said: "I heard Anas bin Malik say: 'The Shaitan disputed with Nuh, peace be upon him, concerning the grapevine. One said: "This is for me," and the other said: "This is for me." Then they agreed that Nuh would have one-third and the Shaitan would have two-thirds.'


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ বিতর এক রাকআত।

৪৬১. কুতায়রা (রহঃ) .... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম ফজরের দুই রাকআত (সুন্নাত) কি দীর্ঘ করব? তিনি বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাতের সালাত (নামায/নামাজ) হতো দুই রাকআত করে। তিনি বিতর করতেন এক রাকআত। আর (ফজরের) দুই রাকআত (সুন্নাত) এমনভাবে আদায় করতেন যে, আযানের আওয়াজ তখনো তাঁর কানে বাজত। - ইবনু মাজাহ ১১৪৪, ১৩১৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আয়িশা, জাবির, ফযল ইবনু আব্বাস, আবূ আইয়ূব ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক সাহাবী ও তাবিঈ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেনঃ দ্বিতীয় রাকআত ও তৃতীয় রাকআতের মাঝে ব্যবধান করবে এবং এক রাকআত বিতর আদায় করবে। ইমাম মালিক, শাফঈ, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এরও অভিমত এ-ই।

باب مَا جَاءَ فِي الْوِتْرِ بِرَكْعَةٍ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ فَقُلْتُ أُطِيلُ فِي رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ وَكَانَ يُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ وَالأَذَانُ فِي أُذُنِهِ ‏.‏ يَعَنِي يُخَفِّفُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَجَابِرٍ وَالْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي أَيُّوبَ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ رَأَوْا أَنْ يَفْصِلَ الرَّجُلُ بَيْنَ الرَّكْعَتَيْنِ وَالثَّالِثَةِ يُوتِرُ بِرَكْعَةٍ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكٌ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏


Anas bin Sirin narrated that : he asked Ibn Umar about the length of the two Rak'ah (before) Al-Fajr. He said: "The Prophet would pray two and two during the night, and he would perform Al-Witr with one Rak'ah. And he would pray two Rak'ah while he was hearing the Adhan [meaning that they were light]."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪/২. অধ্যায়ঃ বিতরের ওয়াক্ত।

قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَوْصَانِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ.

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ঘুমানোর পূর্বে বিতর আদায়ের আদেশ দিয়েছেন।



৯৯৫. আনাস ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে বললাম, ফজরের পূর্বের দু’ রাকআতে আমি কিরাআত দীর্ঘ করব কি-না, এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে দু’ দু’ রাক‘আত করে সালাত আদায় করতেন এবং এক রাক‘আত বিতর আদায় করতেন।* অতঃপর ফজরের সালাতের পূর্বে তিনি দু’ রাক‘আত এমনভাবে আদায় করতেন যেন ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের শব্দ তাঁর কানে আসছে। রাবী হাম্মাদ (রহ.) বলেন, অর্থাৎ তাড়াতাড়ি। (৪৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪১)

بَاب سَاعَاتِ الْوِتْرِ

أَبُو النُّعْمَانِ قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَرَأَيْتَ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْغَدَاةِ أُطِيلُ فِيهِمَا الْقِرَاءَةَ فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنْ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ وَيُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْغَدَاةِ وَكَأَنَّ الْأَذَانَ بِأُذُنَيْهِ قَالَ حَمَّادٌ أَيْ سُرْعَةً.


Narrated Anas bin Seereen: I asked Ibn `Umar, "What is your opinion about the two rak`at before the Fajr (compulsory) prayer, as to prolonging the recitation in them?" He said, "The Prophet (ﷺ) used to pray at night two rak`at followed by two and so on, and end the prayer by one rak`ah witr. He used to offer two rak`at before the Fajr prayer immediately after the Adhan." (Hammad, the sub-narrator said, "That meant (that he prayed) quickly.)"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮/১০. গাধার উপর (সওয়ার হয়ে) নফল সালাত আদায় করা।*

১১০০. আনাস ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) যখন সিরিয়া হতে ফিরে আসছিলেন, তখন আমরা তাঁকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্য এগিয়ে এসেছিলাম। আইনুত্ তামর (নামক) স্থানে আমরা তাঁর সাক্ষাৎ পেলাম। তখন আমি তাঁকে দেখলাম গাধার পিঠে (আরোহী অবস্থায়) সামনের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন। অর্থাৎ কিবলাহর বাম দিকে মুখ করে। তখন তাঁকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনাকে তো দেখলাম কিবলা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, যদি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এমন করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না। (মুসলিম ৬/৪, হাঃ ৭০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১০৩৭)

بَاب صَلاَةِ التَّطَوُّعِ عَلَى الْحِمَارِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حَبَّانُ، قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ، قَالَ اسْتَقْبَلْنَا أَنَسًا حِينَ قَدِمَ مِنَ الشَّأْمِ، فَلَقِينَاهُ بِعَيْنِ التَّمْرِ، فَرَأَيْتُهُ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَوَجْهُهُ مِنْ ذَا الْجَانِبِ، يَعْنِي عَنْ يَسَارِ الْقِبْلَةِ‏.‏ فَقُلْتُ رَأَيْتُكَ تُصَلِّي لِغَيْرِ الْقِبْلَةِ‏.‏ فَقَالَ لَوْلاَ أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَلَهُ لَمْ أَفْعَلْهُ‏.‏ رَوَاهُ ابْنُ طَهْمَانَ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏


Narrated Anas bin Seereen: We went to receive Anas bin Malik when he returned from Sham and met him at a place called 'Ainat- Tamr. I saw him praying riding the donkey, with his face to this direction, i.e. to the left of the Qibla. I said to him, "I have seen you offering the prayer in a direction other than that of the Qibla." He replied, "If I had not seen Allah's Messenger (ﷺ) doing it, I would not have done it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৬/১০২. ইসলাম ও নবুওয়াতের দিকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহবান আর মানুষ যেন আল্লাহ ব্যতীত তাদের পরস্পরকে রব হিসেবে গ্রহণ না করে।

২৯৪৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদেরকে নিয়ে কোন যুদ্ধে যেতেন ...................... (৩৭১)

بَابُ دُعَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم النَّاسَ إِلَى الْإِسْلَامِ وَالنُّبُوَّةِ وَأَنْ لَا يَتَّخِذَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللهِ

... حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيْلُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا غَزَا بِنَا ..


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬/৪. সফরে যানবাহনের উপর নফল সালাত বৈধ মুখ যে দিকেই থাক।

৪০৮. আনাস ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) যখন শাম (সিরিয়া) হতে ফিরে আসছিলেন, তখন আমরা তাঁকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করার জন্য এগিয়ে এসেছিলাম। আইনুত্ তামর (নামক) স্থানে আমরা তাঁর সাক্ষাৎ পেলাম। তখন আমি তাঁকে দেখলাম গাধার পিঠে (আরোহী অবস্থায়) সামনের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন। অর্থাৎ কিবলার বাম দিকে মুখ করে। তখন তাঁকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনাকে তো দেখলাম কিবলা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, যদি আমি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপ করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না।

جواز صلاة النافلة على الدابة في السفر حيث توجهت

حَدِيْثُ أَنَسٍ عَنْ أَنَسِ بْنُ سِيرِينَ قَالَ اسْتَقْبَلْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ حِينَ قَدِمَ مِنْ الشَّأْمِ فَلَقِينَاهُ بِعَيْنِ التَّمْرِ فَرَأَيْتُهُ يُصَلِّي عَلَى حِمَارٍ وَوَجْهُهُ مِنْ ذَا الْجَانِبِ يَعْنِي عَنْ يَسَارِ الْقِبْلَةِ فَقُلْتُ رَأَيْتُكَ تُصَلِّي لِغَيْرِ الْقِبْلَةِ فَقَالَ لَوْلاَ أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ فَعَلَهُ لَمْ أَفْعَلْهُ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮. বিতর নামায এক রাক’আত

৪৬১। আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, আমি কি সকালের দুই রাকাআত (সুন্নাত) দীর্ঘ করতে পারি? তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের নামায দুই দুই রাকাআত করে আদায় করতেন এবং এক রাকাআত বিতর আদায় করতেন। অতঃপর দুই রাকাআত (সুন্নাত) আদায় করতেন এমনভাবে যে, তখনও তার কানে আযানের শব্দ আসত অর্থাৎ তিনি সংক্ষিপ্ত করতেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৪৪, ১৩১৮), বুখারী ও মুসলিম।

এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ্, জাবির, ফযল ইবনু আব্বাস, আবু আইয়ুব ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবী ও তাবিঈ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেন, দুই রাক’আত আদায় করে সালাম ফিরাবে, পরে এক রাকাআত বিতর আদায় করবে। ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ কথা বলেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي الْوِتْرِ بِرَكْعَةٍ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ فَقُلْتُ أُطِيلُ فِي رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى وَيُوتِرُ بِرَكْعَةٍ وَكَانَ يُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ وَالأَذَانُ فِي أُذُنِهِ ‏.‏ يَعَنِي يُخَفِّفُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَجَابِرٍ وَالْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي أَيُّوبَ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ رَأَوْا أَنْ يَفْصِلَ الرَّجُلُ بَيْنَ الرَّكْعَتَيْنِ وَالثَّالِثَةِ يُوتِرُ بِرَكْعَةٍ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكٌ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏


Anas bin Sirin narrated that : he asked Ibn Umar about the length of the two Rak'ah (before) Al-Fajr. He said: "The Prophet would pray two and two during the night, and he would perform Al-Witr with one Rak'ah. And he would pray two Rak'ah while he was hearing the Adhan [meaning that they were light]."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৩. আনাস ইবনু সীরীন বলেন, আনাসের পরিবারের এক মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত হলে তারা আমাকে নির্দেশ দিলেন, ফলে আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: এ প্রসঙ্গে কথা হলো যখন সে প্রবলভাবে (গাড় লাল) রক্ত প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন সে সালাত আদায় করবে না। তারপর যদি সে দিনের কোনো এক মুহুর্তের জন্যও পবিত্র অবস্থা লক্ষ্য করে, তবে সে যেন গোসল করে এবং সালাত আদায় করে।[1]

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ اسْتُحِيضَتْ امْرَأَةٌ مِنْ آلِ أَنَسٍ فَأَمَرُونِي فَسَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ أَمَّا مَا رَأَتْ الدَّمَ الْبَحْرَانِيَّ فَلَا تُصَلِّي فَإِذَا رَأَتْ الطُّهْرَ وَلَوْ سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ
إسناده صحيح


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৪. আনাস ইবনু সীরীন বলেন, আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) এক মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত হলে তারা আমাকে নির্দেশ দিলেন যে, আমি যেন ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা নিকট এ ব্যাপারে ফতোয়া চাই। ফলে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: যখন সে প্রবলভাবে (গাড় লাল) রক্ত প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন সে সালাত আদায় করবে না। আর যখন সে পবিত্র অবস্থা লক্ষ্য করবে, তখন সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে।[1]

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ كَانَتْ أُمُّ وَلَدٍ لِأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرُونِي أَنْ أَسْتَفْتِيَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ الْبَحْرَانِيَّ فَلَا تُصَلِّي فَإِذَا رَأَتْ الطُّهْرَ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ
إسناده صحيح


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে

৩০৩৬. আনাস ইবনু সিরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ একে অপরের ওয়ারিস হবে না এবং যে ওয়ারিস হয় না, সে অন্যকে (মীরাস থেকে) বঞ্চিত করতে পারে না।[1]

باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لَا يَتَوَارَثُ مِلَّتَانِ شَتَّى وَلَا يَحْجُبُ مَنْ لَا يَرِثُ


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুয়াযযিন আযান দিলে মাসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়া নিষেধ

১৩৮০-(২৬২/...) ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জুনদুব (ইবনু আবদুল্লাহ) আল কাসরীকে বলতে শুনেছি যে, রসূলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল সে আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ করল। আর আল্লাহ তা'আলা যদি তার নিরাপত্তা প্রদানের হাক্ব কারো থেকে দাবী করে বসেন তাহলে সে আর রক্ষা পাবে না। তাই তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬৭, ইসলামীক সেন্টার ১৩৭৯)

باب النَّهْىِ عَنِ الْخُرُوجِ، مِنَ الْمَسْجِدِ إِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ ‏

وَحَدَّثَنِيهِ يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ سَمِعْتُ جُنْدَبًا الْقَسْرِيَّ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ صَلَّى صَلاَةَ الصُّبْحِ فَهْوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ فَلاَ يَطْلُبَنَّكُمُ اللَّهُ مِنْ ذِمَّتِهِ بِشَىْءٍ فَإِنَّهُ مَنْ يَطْلُبْهُ مِنْ ذِمَّتِهِ بِشَىْءٍ يُدْرِكْهُ ثُمَّ يَكُبَّهُ عَلَى وَجْهِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ ‏"‏ ‏.‏


Anas b. Sirin reported: I heard Jundab b. Qasri saying that the Messenger of Allah (ﷺ) said: He who observed the morning prayer (in congregation), he is in fact under the protection of Allah and it never happens that Allah should make a demand in connection with the protection (that He guarantees and should not get it) for when he asks for anything in relation to His protection, he definitely secures it. He then throws him flatly in the Hell-fire.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »