সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 11 টি

পরিচ্ছেদঃ ৩৬৩। আসরের ওয়াক্ত

৫২০। মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল (রহঃ) .... সায়্যার ইবনু সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমি ও আমার পিতা আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) এর কাছে গেলাম। আমার পিতা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরয সালাতসমূহ কিভাবে আদায় করতেন? তিনি বললেন, আল-হাজীর, যাকে তোমরা আল-উলা বা যুহর বলে থাক, তা তিনি আদায় করতেন যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ত। আর আসরের সালাত (নামায/নামাজ) এমন সময় আদায় করতেন যে, তারপর আমাদের কেউ মদিনার শেষ প্রান্তে তার ঘরে ফিরে যেতো সূর্য তখনও সতেজ থাকতো। মাগরিব সম্পর্কে তিনি কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গেছি। আর ইশার সালাত যাকে তোমরা ‘আতামা’ বলে থাক, তা তিনি বিলম্বে আদায় করা পছন্দ করতেন। আর তিনি ইশার সালাতের আগে নিদ্রা যাওয়া এবং পরে কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। তিনি ফজরের সালাত এমন সময় সমাপ্ত করতেন যখন প্রত্যেকে তার পাশ্ববর্তী ব্যাক্তিকে চিনতে পারত। এ সালাতে তিনি ষাট থেকে একশ’ আয়াত তেলাওয়াত করতেন।

باب وَقْتِ الْعَصْرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَوْفٌ، عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلاَمَةَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبِي، عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، فَقَالَ لَهُ أَبِي كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ فَقَالَ كَانَ يُصَلِّي الْهَجِيرَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الأُولَى حِينَ تَدْحَضُ الشَّمْسُ، وَيُصَلِّي الْعَصْرَ، ثُمَّ يَرْجِعُ أَحَدُنَا إِلَى رَحْلِهِ فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ ـ وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ ـ وَكَانَ يَسْتَحِبُّ أَنْ يُؤَخِّرَ الْعِشَاءَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الْعَتَمَةَ، وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا، وَكَانَ يَنْفَتِلُ مِنْ صَلاَةِ الْغَدَاةِ حِينَ يَعْرِفُ الرَّجُلُ جَلِيسَهُ، وَيَقْرَأُ بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ‏.‏


Narrated Saiyar bin Salama: I along with my father went to Abu- Barza Al-Aslami and my father asked him, "How Allah's Messenger (sallallahu 'alaihi wa sallam) used to offer the five compulsory congregational prayers?" Abu- Barza said, "The Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) used to pray the Zuhr prayer which you (people) call the first one at midday when the sun had just declined The `Asr prayer at a time when after the prayer, a man could go to the house at the farthest place in Medina (and arrive) while the sun was still hot. (I forgot about the Maghrib prayer). The Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) Loved to delay the `Isha which you call Al- `Atama [??] and he disliked sleeping before it and speaking after it. After the Fajr prayer he used to leave when a man could recognize the one sitting beside him and he used to recite between 60 to 100 Ayat (in the Fajr prayer) .


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৯৫. ফজরের সালাতে কিরাআত। উম্মে সালামা (রা.) বলেন, নবী (সাঃ) সূরা তূর পড়েছেন।

৭৩৫। আদম (রহঃ) ... সাইয়ার ইবনু সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ও আমার পিতা আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে সালাত (নামায/নামাজ) সমূহের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত সূর্য ঢলে গেলেই আদায় করতেন। আর আসর (এমন সময় যে, সালাতের শেষে) কোন ব্যাক্তি সজীব থাকতে থাকতেই মদিনার প্রান্ত সীমায় ফিরে আসতে পারত। মাগরিব সম্পর্কে তিনি কি বলেছিলেন, তা আমি ভুলে গেছি। আর তিনি ইশা রাতের তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করতে কোন দ্বিধা করতেন না, এবং ইশার আগে ঘুমানো ও পরে কথাবার্তা বলা তিনি পছন্দ করতেন না। আর তিনি ফজর আদায় করতেন এমন সময় যে, সালাত শেষে ফিরে যেতে লোকেরা তার পার্শ্ববর্তী ব্যাক্তিকে চিনতে পারত। এর দু’রাকাআতে অথবা রাবী বলেছেন, এক রাকাআতে তিনি ষাট থেকে একশ’ আয়াত পড়তেন।

باب الْقِرَاءَةِ فِي الْفَجْرِ وَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ قَرَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالطُّورِ.

حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سَيَّارُ بْنُ سَلاَمَةَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبِي، عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ فَسَأَلْنَاهُ عَنْ وَقْتِ الصَّلَوَاتِ، فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ، وَالْعَصْرَ وَيَرْجِعُ الرَّجُلُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ، وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ، وَلاَ يُبَالِي بِتَأْخِيرِ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ وَلاَ يُحِبُّ النَّوْمَ قَبْلَهَا، وَلاَ الْحَدِيثَ بَعْدَهَا، وَيُصَلِّي الصُّبْحَ فَيَنْصَرِفُ الرَّجُلُ فَيَعْرِفُ جَلِيسَهُ، وَكَانَ يَقْرَأُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ أَوْ إِحْدَاهُمَا مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ‏


Narrated Saiyar bin Salama: My father and I went to Abu Barza-al-Aslami to ask him about the stated times for the prayers. He replied, "The Prophet (s) used to offer the Zuhr prayer when the sun just declined from its highest position at noon; the `Asr at a time when if a man went to the farthest place in Medina (after praying) he would find the sun still hot (bright). (The sub narrator said: I have forgotten what Abu Barza said about the Maghrib prayer). The Prophet (s) never found any harm in delaying the `Isha' prayer to the first third of the night and he never liked to sleep before it and to talk after it. He used to offer the morning prayer at a time when after finishing it one could recognize the person sitting beside him and used to recite between 60 to 100 verses in one or both the rak`at."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫২. এক কাপড়ে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধানের নিয়ম

১০৩৮। কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও ঈসা ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) ... উমার ইবনু আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এক কাপড়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে দেখেছি। তিনি তার দু প্রান্ত দুই বিপরীত দিকে নিয়ে জড়িয়ে রেখেছিলেন। ঈসা ইবনু হাম্মাদ তাঁর বর্ণনায় "দুই কাঁধের উপর" কথাটি অতিরিক্ত বলেছেন।

باب الصَّلاَةِ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ وَصِفَةِ لُبْسِهِ ‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَعِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ مُلْتَحِفًا مُخَالِفًا بَيْنَ طَرَفَيْهِ ‏.‏ زَادَ عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ فِي رِوَايَتِهِ قَالَ عَلَى مَنْكِبَيْهِ ‏.‏


Umar b. Abu Salama reported: I saw the Messenger of Allah (ﷺ) praying in a single garment with its ends crossing each other. 'Isa b. Hammad added:" placing on his shoulders".


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪০. ফজরের সালাত প্রত্যুষে প্রথম ওয়াক্তে যাকে ‘তাগলীস’ বলা হয়, আদায় করা মুস্তাহাব এবং তাতে সূরা পাঠের পরিমাণ

১৩৩৭। ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ... সায়্যার ইবনু সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত সম্পর্কে আবূ বারযা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। শু'বা বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি নিজেই শুনেছেন? সায়্যার বলেন, আমি যেন এই মুহূর্তেই শুনতে পাচ্ছি। এরপর সায়্যার বলেন, আমি আমার পিতাকে আবূ বারযা (রাঃ) এর কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি আবূ বারযা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কোন কোন সালাত অর্থাৎ এশার সালাত অর্ধরাত পর্যন্ত বিলম্ব করতে কুণ্ঠিত হতেন না। তবে এশার সালাতের পূর্বে নিদ্রা যেতে এবং পরে আলোচনায় মশশুল হতে অপছন্দ করতেন।

শুবা বলেন, এরপর আমি আবূ বারযা (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম, এবং জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করতেন, যখন সূর্য ঢলে পড়ত। আসরের সালাত আদায় করতেন, যখন সালাত শেষে কোন ব্যাক্তি মদিনার শেষ প্রান্তে চলে যেত এবং সূর্য তখনো সজীব থাকত।

শুবা বলেন, পরে আমি আবার আবূ বারযা (রাঃ) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি আবার তাঁকে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সময় ফজরের সালাত আদায় করতেন যে, সালাত শেষ করে মুসল্লী যখন ফিরে বসত, তখন সামনে বসা লোকটি পরিচিত হলে তাকে চিনতে পারত। বর্ণনাকারী বলেন, রাসুলুল্লাহ ফজরের সালাতে ৬০ থেকে ১০০ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

باب اسْتِحْبَابِ التَّبْكِيرِ بِالصُّبْحِ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا وَهُوَ التَّغْلِيسُ وَبَيَانِ قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِيهَا

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي سَيَّارُ بْنُ سَلاَمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَسْأَلُ أَبَا بَرْزَةَ، عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - قُلْتُ آنْتَ سَمِعْتَهُ قَالَ فَقَالَ كَأَنَّمَا أَسْمَعُكَ السَّاعَةَ - قَالَ - سَمِعْتُ أَبِي يَسْأَلُهُ عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ لاَ يُبَالِي بَعْضَ تَأْخِيرِهَا - قَالَ يَعْنِي الْعِشَاءَ - إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ وَلاَ يُحِبُّ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَلاَ الْحَدِيثَ بَعْدَهَا ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ ثُمَّ لَقِيتُهُ بَعْدُ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ وَكَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ وَالْعَصْرَ يَذْهَبُ الرَّجُلُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ - قَالَ - وَالْمَغْرِبَ لاَ أَدْرِي أَىَّ حِينٍ ذَكَرَ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ لَقِيتُهُ بَعْدُ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ وَكَانَ يُصَلِّي الصُّبْحَ فَيَنْصَرِفُ الرَّجُلُ فَيَنْظُرُ إِلَى وَجْهِ جَلِيسِهِ الَّذِي يَعْرِفُ فَيَعْرِفُهُ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ يَقْرَأُ فِيهَا بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏


Sayyar b. Salama reported: I heard my father asking Abu Barza (al- Aslami) about the prayer of Allah's Messenger (ﷺ) I (Shu'ba, one of the narrators) said: Did you hear it (from Abu Barza)? He said: 1 feel as if I am bearing you at this very time. He said: I heard my father asking about the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ) and he (Abu Barza) making this reply: He (the Holy Prophet) did not mind delaying-some (prayer) i. e. 'Isya' prayer, even up to the midnight and did not like sleeping before observing it, and talking after it. Shu'ba said: I met him subsequently and asked him (about the prayers of the Holy Prophet) and he said: He observed the noon prayer when the sun was past the meridian, he would pray the afternoon prayer, after which a person would o to the outskirts of Medina and the sun was still bright; (I forgot what he said about the evening prayer) ; I then met him on a subsequent occasion and asked him (about the prayers of the Holy Prophet; and he said: He would observe the morning prayer (at such a time) so that a man would go back and would recognise his neighbour by casting a glance at his face, and he would recite from sixty to one hundred verses in it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২/ যোহরেরে প্রথম ওয়াক্ত

৪৯৬। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ... সাইয়ার ইবনু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতাকে আবূ বার্‌যা (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। (সনদের একজন রাবী) শু’বাহ সাইয়ার ইবনু সালামাকে বললেন, আপনি নিজে তা শুনেছেন কি? (সাইয়ার) বললেনঃ হ্যাঁ, যেমন আপনাকে শোনাচ্ছি। তিনি-(সাইয়ার) বলেনঃ আমার পিতাকে আমি আবূ বারযা (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। আবূ বারযা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত কখনো অর্ধরাতে আদায় করতেন এবং তিনি সালাতের পূর্বে নিদ্রা যাওয়া ও সালাতের পর কথা বলা পছন্দ করতেন না।

শু’বা (রহঃ) বলেনঃ আমি আবার সাইয়ার ইবনু সালামার সঙ্গে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্য ঢলে পড়তো, আসরের সালাত এমন সময়ে আদায় করতেন যে, কোন লোক মদিনার দূর প্রান্ত পর্যন্ত যেতে পারত এবং সূর্যের আলো তখনও উজ্জ্বল থাকত। মাগরিবের সালাত কোন্‌ সময় আদায় করতেন বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন তা আমার জানা নেই। আবার আমি তাঁর সাথে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, লোক ফিরে যেত এবং তার পাশের উপবিষ্ট কোন পরিচিত লোকের দিকে তাকালে চিনতে পারত। রাবী বলেনঃ তিনি উক্ত সালাতে ষাট থেকে এক’শ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سَيَّارُ بْنُ سَلاَمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَسْأَلُ أَبَا بَرْزَةَ، عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ أَنْتَ سَمِعْتَهُ قَالَ كَمَا أَسْمَعُكَ السَّاعَةَ فَقَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَسْأَلُ عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ لاَ يُبَالِي بَعْضَ تَأْخِيرِهَا - يَعْنِي الْعِشَاءَ - إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ وَلاَ يُحِبُّ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَلاَ الْحَدِيثَ بَعْدَهَا ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ ثُمَّ لَقِيتُهُ بَعْدُ فَسَأَلْتُهُ قَالَ كَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ وَالْعَصْرَ يَذْهَبُ الرَّجُلُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ وَالْمَغْرِبَ لاَ أَدْرِي أَىَّ حِينٍ ذَكَرَ ثُمَّ لَقِيتُهُ بَعْدُ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ وَكَانَ يُصَلِّي الصُّبْحَ فَيَنْصَرِفُ الرَّجُلُ فَيَنْظُرُ إِلَى وَجْهِ جَلِيسِهِ الَّذِي يَعْرِفُهُ فَيَعْرِفُهُ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ يَقْرَأُ فِيهَا بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏


Shu'bah said: "Sayyar bin Salamah, narrated to us, he said: 'I heard my father ask Abu Barzah about the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ).' I said: 'Did you really hear him?' He said: 'As I can hear you now.' He said: 'I heard my father ask about the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ).' He said: 'He would not mind if he delayed it - meaning 'Isha' until midnight, and he did not like to sleep before it or speak after it.'" Shu'bah said: "Then I met him later on and asked him. He said: 'He used to pray Zauhr when the sun had passed its zenith, and (he would pray) 'Asr and a man could walk to the farthest point in Al-Madinah and the sun would still be clear and hot. And Maghrib, I do not know the time he mentioned.' After that I met him and asked him, and he said: 'He used to pray Fajr then after the prayer a man could regarding it, sitting next to him, look at the face of someone he knew and he could recognize it.' He said: 'And he used to recite in it between sixty and one hundred (verses).'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬/ মাগরিবের নামাযের পর ঘুমানো মাকরূহ ।

৫২৬। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... সাইয়ার ইবনু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে আবূ বারযাহ (রাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমার পিতা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে ফরজ সালাত আদায় করতেন, এ সমন্ধে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেনঃ সুর্য ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন যাকে তোমরা প্রথম সালাত বল। তিনি এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যে, সালাত আদায় করে কেউ মদিনার এক প্রান্তে নিজ অবস্থানে আসতে পারত এবং তখনও সুর্য করোজ্জ্বল থাকত।

বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ) বলেনঃ মাগরিব সমন্ধে কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গেয়েছি। ইশার সালাত যাকে তোমরা ‘আতামা’ বল, বিলম্বে আদায় করাকে তিনি পছন্দ করতেন। ‘ইশার পূর্বে ঘুমানো ও ইশার পর কথা বলাকে মকরূহ জানতেন। আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যে, তখন যে কেউ তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারত। আর এ সালাতে ষাট আয়াত থেকে একশত আয়াত পাঠ করতেন।

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَوْفٌ، قَالَ حَدَّثَنِي سَيَّارُ بْنُ سَلاَمَةَ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى أَبِي بَرْزَةَ فَسَأَلَهُ أَبِي كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ قَالَ كَانَ يُصَلِّي الْهَجِيرَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الأُولَى حِينَ تَدْحَضُ الشَّمْسُ وَكَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ حِينَ يَرْجِعُ أَحَدُنَا إِلَى رَحْلِهِ فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ وَكَانَ يَسْتَحِبُّ أَنْ يُؤَخِّرَ الْعِشَاءَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الْعَتَمَةَ وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا وَكَانَ يَنْفَتِلُ مِنْ صَلاَةِ الْغَدَاةِ حِينَ يَعْرِفُ الرَّجُلُ جَلِيسَهُ وَكَانَ يَقْرَأُ بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏


Sayyar bin Salamah said: "I entered upon Abu Barzah, and my fatehr asked him: 'How did the Messenger of Allah (ﷺ) pray the prescribed prayers?' He said: 'He used to pray Zuhr, which you call Al-Uula (the first) when the sun passed its zenith; he used to pray 'Asr when one of us could go back to his hoome in the farthest part of Al-Madinah while the sun was still bright.' I forgot what he said about Maghrib. 'And he used to like to delay 'Isha', which you call Al-'Atamah, and he did not like to sleep before it nor talk after it. And he used to finish the Al-Ghadah (Fajr) prayer when a man could recognize his neighbor, and he used to recite (in it) between sixty and one hundred verses.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২০/ ইশার নামায দেরী করে আদায় করা মুস্তাহাব।

৫৩১। সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... সাইয়ার ইবনু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আমার পিতা আবূ বারযাহ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমার পিতা জিজ্ঞাসা করলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরজ সালাত কিভাবে আদায় করতেন? তিনি বললেনঃ সুর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন, যাকে তোমরা (সালাতে) উলা বল এবং আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, আমাদের কেউ মদিনার দূর প্রান্তে নিজ অবস্থানে চলে যেতে পারত, তখনও সুর্য দীপ্তিমান থাকত।

[বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ)] বলেনঃ মাগরিব সমন্ধে কি বলেছিলেন আমার স্মরণ নেই। ইশার সালাত যাকে তোমরা ‘আতামা’ বল, বিলম্বে আদায় করা তিনি পছন্দ করতেন। ইশার পূর্বে ঘুমানো ও পরে কথা বলাকে তিনি অপছন্দ করতেন। আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যখন কোনো ব্যাক্তি তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারত। তিনি ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلاَمَةَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبِي، عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ فَقَالَ لَهُ أَبِي أَخْبِرْنَا كَيْفَ، كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ قَالَ كَانَ يُصَلِّي الْهَجِيرَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الأُولَى حِينَ تَدْحَضُ الشَّمْسُ وَكَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَرْجِعُ أَحَدُنَا إِلَى رَحْلِهِ فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ قَالَ وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ قَالَ وَكَانَ يَسْتَحِبُّ أَنْ تُؤَخَّرَ صَلاَةُ الْعِشَاءِ الَّتِي تَدْعُونَهَا الْعَتَمَةَ قَالَ وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا وَكَانَ يَنْفَتِلُ مِنْ صَلاَةِ الْغَدَاةِ حِينَ يَعْرِفُ الرَّجُلُ جَلِيسَهُ وَكَانَ يَقْرَأُ بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏


Sayyar bin Salamah said: "My father and I entered upon Abu Barzah, and my father said to him: 'How did the Messenger of Allah (ﷺ) pray the prescribed prayers?' He said: He used to pray Zuhr, which you call Al-Uala (the first) when the sun passed its zenith; he used to pray 'Asr then one of us could go back to his home in the farthest part of Al-Madinah when the sun was still bright.'" - He said: "I forgot what he said to me about Maghrib." - "And he used to like to delay 'Isha', which you call Al-'Atamah, and he did not like to sleep before it nor speak after it. And he used to finish the Al-Ghadah (Fajr) prayer when a man could recognize his neighbor, and he used to recite between sixty and one hundred verses.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯/১৩. ‘আসরের ওয়াক্ত।

৫৪৭. সায়্যার ইবনু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ও আমার পিতা আবূ বারযা আসলামী (রাযি.)-এর নিকট গেলাম। আমার পিতা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরজ সালাতসমূহ কীভাবে আদায় করতেন? তিনি বললেন, আল-হাজীর, যাকে তোমরা আল-উলা বা যুহর বলে থাকো, তা তিনি আদায় করতেন যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়তো। আর ‘আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, অতঃপর আমাদের কেউ মাদ্বীনার শেষ প্রান্তে তার ঘরে ফিরে যেতো আর সূর্য তখনও সতেজ থাকতো। মাগরিব সম্পর্কে তিনি কী বলেছিলেন তা আমি ভুলে গেছি। আর ‘ইশার সালাত যাকে তোমরা ‘আতামা’ বলে থাকো, তা তিনি বিলম্বে আদায় করা পছন্দ করতেন। আর তিনি ‘ইশার সালাতের পূর্বে নিদ্রা যাওয়া এবং পরে কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। তিনি ফজরের সালাত এমন সময় সমাপ্ত করতেন যখন প্রত্যেকে তার পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিকে চিনতে পারতো। এ সালাতে তিনি ষাট হতে একশ’ আয়াত তিলাওয়াত করতেন। (৫৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৫১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫২০)

بَاب وَقْتُ الْعَصْرِ

مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَوْفٌ عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلاَمَةَ قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبِي عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ فَقَالَ لَهُ أَبِي كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ فَقَالَ كَانَ يُصَلِّي الْهَجِيرَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الْأُولَى حِينَ تَدْحَضُ الشَّمْسُ وَيُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَرْجِعُ أَحَدُنَا إِلَى رَحْلِهِ فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ وَكَانَ يَسْتَحِبُّ أَنْ يُؤَخِّرَ الْعِشَاءَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الْعَتَمَةَ وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا وَكَانَ يَنْفَتِلُ مِنْ صَلاَةِ الْغَدَاةِ حِينَ يَعْرِفُ الرَّجُلُ جَلِيسَهُ وَيَقْرَأُ بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ.


Narrated Saiyar bin Salama: I along with my father went to Abu- Barza Al-Aslami and my father asked him, "How Allah's Messenger (ﷺ) used to offer the five compulsory congregational prayers?" Abu- Barza said, "The Prophet (ﷺ) used to pray the Zuhr prayer which you (people) call the first one at midday when the sun had just declined The `Asr prayer at a time when after the prayer, a man could go to the house at the farthest place in Medina (and arrive) while the sun was still hot. (I forgot about the Maghrib prayer). The Prophet (ﷺ) Loved to delay the `Isha which you call Al- `Atama [??] and he disliked sleeping before it and speaking after it. After the Fajr prayer he used to leave when a man could recognize the one sitting beside him and he used to recite between 60 to 100 Ayat (in the Fajr prayer) .


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০/১০৪. ফাজরের সলাতে কিরাআত।

৭৭১. সাইয়ার ইবনু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও আমার পিতা আবূ বারযা আসলামী (রাযি.)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সালাতসমূহের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত সুর্য ঢলে গেলেই আদায় করতেন। আর ‘আসর (এমন সময় যে, সালাতের শেষে) কোন ব্যক্তি সূর্য সতেজ থাকাবস্থায় মদিনার প্রান্তে ফিরে আসতে পারতো। মাগরিব সম্পর্কে তিনি কী বলেছিলেন, তা আমি ভুলে গেছি। আর তিনি রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত ‘ইশা বিলম্ব করতে কোন দ্বিধা করতেন না এবং ‘ইশার পূর্বে ঘুমানো ও পরে কথাবার্তা বলা তিনি পছন্দ করতেন না। আর তিনি ফজর আদায় করতেন এমন সময় যে, সালাত শেষে ফিরে যেতে লোকেরা তার পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিকে চিনতে পারতো। এর দু’ রাক‘আতে অথবা রাবী বলেছেন, এক রাক‘আতে তিনি ষাট থেকে একশ’ আয়াত পাঠ করতেন। (৫৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৫)

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي الْفَجْرِ

حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سَيَّارُ بْنُ سَلاَمَةَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَأَبِي، عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ فَسَأَلْنَاهُ عَنْ وَقْتِ الصَّلَوَاتِ، فَقَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ، وَالْعَصْرَ وَيَرْجِعُ الرَّجُلُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ، وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ، وَلاَ يُبَالِي بِتَأْخِيرِ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ وَلاَ يُحِبُّ النَّوْمَ قَبْلَهَا، وَلاَ الْحَدِيثَ بَعْدَهَا، وَيُصَلِّي الصُّبْحَ فَيَنْصَرِفُ الرَّجُلُ فَيَعْرِفُ جَلِيسَهُ، وَكَانَ يَقْرَأُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ أَوْ إِحْدَاهُمَا مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ‏.‏


Narrated Saiyar bin Salama: My father and I went to Abu Barza-al-Aslami to ask him about the stated times for the prayers. He replied, "The Prophet (ﷺ) used to offer the Zuhr prayer when the sun just declined from its highest position at noon; the `Asr at a time when if a man went to the farthest place in Medina (after praying) he would find the sun still hot (bright). (The sub narrator said: I have forgotten what Abu Barza said about the Maghrib prayer). The Prophet (ﷺ) never found any harm in delaying the `Isha' prayer to the first third of the night and he never liked to sleep before it and to talk after it. He used to offer the morning prayer at a time when after finishing it one could recognize the person sitting beside him and used to recite between 60 to 100 verses in one or both the rak`at."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৬. ফজর সালাতে কিরাআতের পরিমাণ

১৩৩৫. সাইয়ার ইবনু সালামাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সাথে আবী বরযাহ আল আসলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট প্রবেশ করলাম। তিনি তখন বাঁশ বা বেতের তৈরী একটি উঁচু আসনে উপবিষ্ট ছিলেন। আমার পিতা তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন, ‘হাজির’ যাকে তোমরা ‘যাহিরাহ’ (যুহর) বলে ডাকো, এ সালাত তিনি সুর্য় মধ্য আকাশ হতে ঢলে পড়লে আদায় করতেন। আর তিনি আসর সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, এরপর (সালাত শেষে) আমাদের কেউ মদীনার শেষ প্রান্তে অবস্থিত তার পরিবারের নিকট চলে যেতো এবং তখনও সূর্য উজ্জ্বল থাকতো।তিনি (রাবী) বলেন, তিনি মাগরিব সম্পর্কে কী বলেছিলেন, আমি তা ভুলে গেছি। আর যাকে তোমরা ‘আতামাহ’ বলে ডাকো, সেই ’ইশার সালাতকে তিনি বিলম্বে আদায় করতে পছন্দ করতেন। আর তিনি যখন ফজরের সালাত (শেষ করে) ফিরতেন তখন কোনো লোক তার পাশের সঙ্গীকে চিনতে পারতো। আর তিনি এতে ষাট থেকে একশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন।[1]

 

بَاب قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِي الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا عَوْفٌ عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلَامَةَ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ أَبِي عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ وَهُوَ عَلَى عِلْوٍ مِنْ قَصَبٍ فَسَأَلَهُ أَبِي عَنْ وَقْتِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ كَانَ يُصَلِّي الْهَجِيرَ الَّتِي تَدْعُونَ الظُّهْرَ إِذَا دَحَضَتْ الشَّمْسُ وَكَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَنْطَلِقُ أَحَدُنَا إِلَى أَهْلِهِ فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ قَالَ وَنَسِيتُ مَا ذَكَرَ فِي الْمَغْرِبِ وَكَانَ يَسْتَحِبُّ أَنْ يُؤَخِّرَ مِنْ صَلَاةِ الْعِشَاءِ الَّتِي تَدْعُونَ الْعَتَمَةَ وَكَانَ يَنْصَرِفُ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ وَالرَّجُلُ يَعْرِفُ جَلِيسَهُ وَكَانَ يَقْرَأُ فِيهَا مِنْ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সায়্যার ইবনু সালামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 11 পাতা নাম্বারঃ 1 2 Next »