সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ১/ পরিচ্ছেদ নেই

৪৯৫। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) (একদিন) আসরের সালাত একটু বিলম্বে আদায় করলে উরওয়া তাঁকে বললেন যে, আপনি কি অবহিত নন যে, জিবরীল (আলাইহিস সালাম) অবতীর্ণ হন এবং রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে সালাত আদায় করেন। উমর (রহঃ) বললেন, হে ‘উরওয়া! তুমি কি বলছো তা ভালভাবে চিন্তা করে বল। উরওয়া বললেন, আমি বাশীর ইবনু আবূ মাসউদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বললেনঃ আমি আবূ মাসউদকে বলতে শুনেছিঃ তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, জিবরীল (আলাইহিস সালাম) অবতীর্ণ হয়ে আমার সালাতের ইমামতি করেন। আমি তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করি, পুনরায় তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করি। পুনরায় তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করি। পুনরায় তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করি। পুনরায় তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করি। তিনি তার হাতের আঙ্গুলে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত গননা করেন।

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخَّرَ الْعَصْرَ شَيْئًا فَقَالَ لَهُ عُرْوَةُ أَمَا إِنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ قَدْ نَزَلَ فَصَلَّى أَمَامَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ اعْلَمْ مَا تَقُولُ يَا عُرْوَةُ ‏.‏ فَقَالَ سَمِعْتُ بَشِيرَ بْنَ أَبِي مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا مَسْعُودٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ نَزَلَ جِبْرِيلُ فَأَمَّنِي فَصَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ثُمَّ صَلَّيْتُ مَعَهُ ‏"‏ ‏.‏ يَحْسُبُ بِأَصَابِعِهِ خَمْسَ صَلَوَاتٍ ‏.‏

أخبرنا قتيبة، قال حدثنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، أن عمر بن عبد العزيز، أخر العصر شيئا فقال له عروة أما إن جبريل عليه السلام قد نزل فصلى أمام رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال عمر اعلم ما تقول يا عروة ‏.‏ فقال سمعت بشير بن أبي مسعود يقول سمعت أبا مسعود يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ نزل جبريل فأمني فصليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ‏"‏ ‏.‏ يحسب بأصابعه خمس صلوات ‏.‏


It was narrated from Ibn Shihab that 'Umar bin 'Abdul-'Aziz delayed the 'Asr prayer a little. 'Urwah said to him:
"Jibril came down and led the Messenger of Allah (ﷺ) in prayer." 'Umar said: "Watch what you are saying, O 'Urwah!" He said: "I heard Bashir bin Abi Mas'ud say: 'I heard Abu Mas'ud say: "I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Jibril came down and led me in prayer, and I prayed with him, then I prayed with him, then I prayed with him, then I prayed with him, then I prayed with him - and he counted off five prayers on his fingers.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ২/ যোহরেরে প্রথম ওয়াক্ত

৪৯৬। মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ... সাইয়ার ইবনু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতাকে আবূ বার্‌যা (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। (সনদের একজন রাবী) শু’বাহ সাইয়ার ইবনু সালামাকে বললেন, আপনি নিজে তা শুনেছেন কি? (সাইয়ার) বললেনঃ হ্যাঁ, যেমন আপনাকে শোনাচ্ছি। তিনি-(সাইয়ার) বলেনঃ আমার পিতাকে আমি আবূ বারযা (রাঃ)-এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। আবূ বারযা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত কখনো অর্ধরাতে আদায় করতেন এবং তিনি সালাতের পূর্বে নিদ্রা যাওয়া ও সালাতের পর কথা বলা পছন্দ করতেন না।

শু’বা (রহঃ) বলেনঃ আমি আবার সাইয়ার ইবনু সালামার সঙ্গে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্য ঢলে পড়তো, আসরের সালাত এমন সময়ে আদায় করতেন যে, কোন লোক মদিনার দূর প্রান্ত পর্যন্ত যেতে পারত এবং সূর্যের আলো তখনও উজ্জ্বল থাকত। মাগরিবের সালাত কোন্‌ সময় আদায় করতেন বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন তা আমার জানা নেই। আবার আমি তাঁর সাথে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফযরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, লোক ফিরে যেত এবং তার পাশের উপবিষ্ট কোন পরিচিত লোকের দিকে তাকালে চিনতে পারত। রাবী বলেনঃ তিনি উক্ত সালাতে ষাট থেকে এক’শ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سَيَّارُ بْنُ سَلاَمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَسْأَلُ أَبَا بَرْزَةَ، عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ أَنْتَ سَمِعْتَهُ قَالَ كَمَا أَسْمَعُكَ السَّاعَةَ فَقَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَسْأَلُ عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ لاَ يُبَالِي بَعْضَ تَأْخِيرِهَا - يَعْنِي الْعِشَاءَ - إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ وَلاَ يُحِبُّ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَلاَ الْحَدِيثَ بَعْدَهَا ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ ثُمَّ لَقِيتُهُ بَعْدُ فَسَأَلْتُهُ قَالَ كَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ وَالْعَصْرَ يَذْهَبُ الرَّجُلُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ وَالْمَغْرِبَ لاَ أَدْرِي أَىَّ حِينٍ ذَكَرَ ثُمَّ لَقِيتُهُ بَعْدُ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ وَكَانَ يُصَلِّي الصُّبْحَ فَيَنْصَرِفُ الرَّجُلُ فَيَنْظُرُ إِلَى وَجْهِ جَلِيسِهِ الَّذِي يَعْرِفُهُ فَيَعْرِفُهُ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ يَقْرَأُ فِيهَا بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال حدثنا خالد، قال حدثنا شعبة، قال حدثنا سيار بن سلامة، قال سمعت أبي يسأل أبا برزة، عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت أنت سمعته قال كما أسمعك الساعة فقال سمعت أبي يسأل عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان لا يبالي بعض تأخيرها - يعني العشاء - إلى نصف الليل ولا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها ‏.‏ قال شعبة ثم لقيته بعد فسألته قال كان يصلي الظهر حين تزول الشمس والعصر يذهب الرجل إلى أقصى المدينة والشمس حية والمغرب لا أدري أى حين ذكر ثم لقيته بعد فسألته فقال وكان يصلي الصبح فينصرف الرجل فينظر إلى وجه جليسه الذي يعرفه فيعرفه ‏.‏ قال وكان يقرأ فيها بالستين إلى المائة ‏.‏


Shu'bah said:
"Sayyar bin Salamah, narrated to us, he said: 'I heard my father ask Abu Barzah about the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ).' I said: 'Did you really hear him?' He said: 'As I can hear you now.' He said: 'I heard my father ask about the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ).' He said: 'He would not mind if he delayed it - meaning 'Isha' until midnight, and he did not like to sleep before it or speak after it.'" Shu'bah said: "Then I met him later on and asked him. He said: 'He used to pray Zauhr when the sun had passed its zenith, and (he would pray) 'Asr and a man could walk to the farthest point in Al-Madinah and the sun would still be clear and hot. And Maghrib, I do not know the time he mentioned.' After that I met him and asked him, and he said: 'He used to pray Fajr then after the prayer a man could regarding it, sitting next to him, look at the face of someone he knew and he could recognize it.' He said: 'And he used to recite in it between sixty and one hundred (verses).'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ২/ যোহরেরে প্রথম ওয়াক্ত

৪৯৭। কাসীর ইবনু উবায়দ (রহঃ) ... যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা সূর্য ঢলে পড়লে বের হন এবং তাঁদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করেন।

أَخْبَرَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَنَسٌ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ حِينَ زَاغَتِ الشَّمْسُ فَصَلَّى بِهِمْ صَلاَةَ الظُّهْرِ

أخبرنا كثير بن عبيد، قال حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، قال أخبرني أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج حين زاغت الشمس فصلى بهم صلاة الظهر


It was narrated from Az-Zuhri he said:
"Anas told me that the Messenger of Allah (ﷺ) went out when the sun had passed its zenith, and led them in Zuhr prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ২/ যোহরেরে প্রথম ওয়াক্ত

৪৯৮। ইয়াকূব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উত্তপ্ত বালুর অভিযোগ করলাম। তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহন করলেন না। আবূ ইসহাক (রাঃ)-কে বলা হল, সাথীরা কি সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করার অভিযোগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ خَبَّابٍ، قَالَ شَكَوْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَرَّ الرَّمْضَاءِ فَلَمْ يُشْكِنَا ‏.‏ قِيلَ لأَبِي إِسْحَاقَ فِي تَعْجِيلِهَا قَالَ نَعَمْ ‏.‏

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال حدثنا حميد بن عبد الرحمن، قال حدثنا زهير، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب، قال شكونا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حر الرمضاء فلم يشكنا ‏.‏ قيل لأبي إسحاق في تعجيلها قال نعم ‏.‏


It was narrated that Khabbab said:
"We complained to the Messenger of Alalh (ﷺ) about how hot the sand was, but he did not respond to our complaint." It was said to Abu Ishaq (one of the narrators): "Did they complain regarding his praying it early?" He said: "Yes."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৩/ সফরের সময় যোহরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৪৯৯। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... হামযাতুল আয়িযী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন মনযিলে যোহরের পূর্বে অবতরণ করতেন তখন যোহরের সালাত আদায় না করে সেই স্থান ত্যাগ করতেন না। এক ব্যাক্তি বলল, অর্ধদিন ঠিক দুপুর হলেও? তিনি বললেন, ঠিক দুপুর বেলায় হলেও।

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي حَمْزَةُ الْعَائِذِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا نَزَلَ مَنْزِلاً لَمْ يَرْتَحِلْ مِنْهُ حَتَّى يُصَلِّيَ الظُّهْرَ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ وَإِنْ كَانَتْ بِنِصْفِ النَّهَارِ قَالَ وَإِنْ كَانَتْ بِنِصْفِ النَّهَارِ ‏.‏

أخبرنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، قال حدثني حمزة العائذي، قال سمعت أنس بن مالك، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا نزل منزلا لم يرتحل منه حتى يصلي الظهر ‏.‏ فقال رجل وإن كانت بنصف النهار قال وإن كانت بنصف النهار ‏.‏


Hamzah Al-'A'idhi said:
"I heard Anas bin Malik say: 'When the Prophet (ﷺ) halted, he would not move on until he had prayed Zuhr.' A man said: 'Even if it was the middle of the day?' He said: 'Even if it was the middle of the day.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৪/ ঠাণ্ডার মধ্যে যোহরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৫০০। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... খালিদ ইবনু দ্বীনার খালদাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গরমের সময় (যোহরের সালাত) বিলম্বে এবং ঠাণ্ডার সময় তাড়াতাড়ি আদায় করতেন।

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ، مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ دِينَارٍ أَبُو خَلْدَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ الْحَرُّ أَبْرَدَ بِالصَّلاَةِ وَإِذَا كَانَ الْبَرْدُ عَجَّلَ ‏.‏

أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال حدثنا أبو سعيد، مولى بني هاشم قال حدثنا خالد بن دينار أبو خلدة، قال سمعت أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان الحر أبرد بالصلاة وإذا كان البرد عجل ‏.‏


Khalid bin Dinar Abu Khaldah said:
"I heard Anas bin Malik say: 'When it was hot, the Messenger of Allah (ﷺ) would wait until it cooled down to pray, and when it was cold he would hasten to pray.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৫/ প্রচণ্ড গরম হলে যোহরের নামায গরম কমলে পড়া।

৫০১। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গরম প্রচন্ড হলে সালাত বিলম্ব করে আদায় কর। কেননা গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের ভাপ।

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا عَنِ الصَّلاَةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ ‏"‏ ‏.‏

أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، وأبي، سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة، قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that Abu Hurairah said:
"The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'If it is very hot, wait until it cools down before you pray, for intense heat is a breeze from Hell.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৫/ প্রচণ্ড গরম হলে যোহরের নামায গরম কমলে পড়া।

৫০২। ইবরাহিম ইবনু ইয়াকুব (রহঃ) ও আমর ইবনু মনসুর (রহঃ) ... আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যোহরের সালাত বিলম্ব করে আদায় কর। কারণ তোমরা যে গরম অনুভব কর তা জাহান্নামের ভাপ।

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ، قَالَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَأَنْبَأَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حَفْصٌ، ح وَأَنْبَأَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَوْسٍ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، يَرْفَعُهُ قَالَ ‏ "‏ أَبْرِدُوا بِالظُّهْرِ فَإِنَّ الَّذِي تَجِدُونَ مِنَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ ‏"‏

أخبرنا إبراهيم بن يعقوب، قال حدثنا عمر بن حفص، قال حدثنا أبي ح، وأنبأنا إبراهيم بن يعقوب، قال حدثنا يحيى بن معين، قال حدثنا حفص، ح وأنبأنا عمرو بن منصور، قال حدثنا عمر بن حفص بن غياث، قال حدثنا أبي، عن الحسن بن عبيد الله، عن إبراهيم، عن يزيد بن أوس، عن ثابت بن قيس، عن أبي موسى، يرفعه قال ‏ "‏ أبردوا بالظهر فإن الذي تجدون من الحر من فيح جهنم ‏"‏


It was narrated from Abu Musa in a Marfu' [1] report:
"Wait until it cools down to pray Zuhr, for the heat you experience is a breeze from Hell." [1] Meaning he attributed it to the Prophet (ﷺ).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৬/ যোহরের নামাযের শেষ সময়।

৫০৩। হুসায়ন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইনি জিবরীল (আলাইহিস সালাম), যিনি তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দেয়ার জন্য এসেছিলান। তিনি ঊষা উদিত হলে ফজরের সালাত আদায় করেন। যোহরের সালাত আদায় করেন সুর্য ঢলে পড়লে, তারপর আসরের সালাত আদায় করেন যখন ছায়া তাঁর সমান দেখেন। তারঃপর যখন সূর্য অস্তমিত হলো, আর সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালনকারীর জন্য ইফতার করা হালাল হল তখন মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। তারপর ইশার সালাত আদায় করেন সুর্য অস্তমিত হওয়ার পর যে শাফাক দেখা যায়, তা অদৃশ্য হওয়ার পর।

জিবরীল (আলাইহিস সালাম) আবার পরদিন আসলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সাথে নিয়ে ফজরের নামায আদায় করলেন যখন কিছুটা ফর্সা হলো তখন। পরে তাকে নিয়ে যোহরের নামায আদায় করেন যখন ছায়া তার সমান হলো। তারপর আসরের নামায আদায় করেন যখন ছায়া তার দিগুণ হলো। পরে মাগরিবের নামায একই সময়ে পূর্বের দিনের ন্যায় আদায় করেন। যখন সূর্য অস্তমিত হলো এবং রোজা পালনকারীর জন্য ইফতার করা হালাল হলো। এরপর রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হয়ে গেলে ইশার নামায আদায় করেন। পরে তিনি বলেন, আপনার আজকের নামায ও গতকালকের নামাযের মধ্যবর্তী সময়ই হলো নামাযের সময়।

أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَذَا جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلاَمُ جَاءَكُمْ يُعَلِّمُكُمْ دِينَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَصَلَّى الصُّبْحَ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ وَصَلَّى الظُّهْرَ حِينَ زَاغَتِ الشَّمْسُ ثُمَّ صَلَّى الْعَصْرَ حِينَ رَأَى الظِّلَّ مِثْلَهُ ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ حِينَ غَرَبَتِ الشَّمْسُ وَحَلَّ فِطْرُ الصَّائِمِ ثُمَّ صَلَّى الْعِشَاءَ حِينَ ذَهَبَ شَفَقُ اللَّيْلِ ثُمَّ جَاءَهُ الْغَدَ فَصَلَّى بِهِ الصُّبْحَ حِينَ أَسْفَرَ قَلِيلاً ثُمَّ صَلَّى بِهِ الظُّهْرَ حِينَ كَانَ الظِّلُّ مِثْلَهُ ثُمَّ صَلَّى الْعَصْرَ حِينَ كَانَ الظِّلُّ مِثْلَيْهِ ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ بِوَقْتٍ وَاحِدٍ حِينَ غَرَبَتِ الشَّمْسُ وَحَلَّ فِطْرُ الصَّائِمِ ثُمَّ صَلَّى الْعِشَاءَ حِينَ ذَهَبَ سَاعَةٌ مِنَ اللَّيْلِ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ الصَّلاَةُ مَا بَيْنَ صَلاَتِكَ أَمْسِ وَصَلاَتِكَ الْيَوْمَ ‏"‏ ‏.‏

أخبرنا الحسين بن حريث، قال أنبأنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هذا جبريل عليه السلام جاءكم يعلمكم دينكم ‏"‏ ‏.‏ فصلى الصبح حين طلع الفجر وصلى الظهر حين زاغت الشمس ثم صلى العصر حين رأى الظل مثله ثم صلى المغرب حين غربت الشمس وحل فطر الصائم ثم صلى العشاء حين ذهب شفق الليل ثم جاءه الغد فصلى به الصبح حين أسفر قليلا ثم صلى به الظهر حين كان الظل مثله ثم صلى العصر حين كان الظل مثليه ثم صلى المغرب بوقت واحد حين غربت الشمس وحل فطر الصائم ثم صلى العشاء حين ذهب ساعة من الليل ثم قال ‏"‏ الصلاة ما بين صلاتك أمس وصلاتك اليوم ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that Abu Hurairah said:
"The Messenger of Allah (ﷺ) said: This is 'Jibril, peace be upon you, he came to teach you your religion. He prayed Subh when the dawn appeared, and he prayed Zuhr when the sun had (passed its zenith), and he prayed 'Asr when he saw that the shadow of a thing was equal to its height, then he prayed Maghrib when the sub had set and it is permissible for the fasting person to eat. Then he prayed 'Isha' when the twilight had disappeared. Then he came to him the following day and prayed Subh when it had got a little lighter, then he prayed Zuhr when the shadow of a thing was equal to its height, then he prayed 'Asr when the shadow of a thing was equal to twice its height, then he prayed Maghrib at the same time as before, then he prayed 'Isha' when a short period of the night had passed. Then he said: 'The prayer is between the times when you prayed yesterday and the times when you prayed today.'"


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৬/ যোহরের নামাযের শেষ সময়।

৫০৪। আবূ আব্দুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ আযরামী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গ্রীষ্মকালে যোহরের সালাত আদায় করতেন যখন কোন ব্যাক্তির ছায়া তিন হতে পাঁচ কদমের মধ্যে হতো এবং শীতকালে ছায়া যখন পাঁচ হতে সাত কদমের মধ্যে হতো।

أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَذْرَمِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الأَشْجَعِيِّ، سَعْدِ بْنِ طَارِقٍ عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُدْرِكٍ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ كَانَ قَدْرُ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ فِي الصَّيْفِ ثَلاَثَةَ أَقْدَامٍ إِلَى خَمْسَةِ أَقْدَامٍ وَفِي الشِّتَاءِ خَمْسَةَ أَقْدَامٍ إِلَى سَبْعَةِ أَقْدَامٍ ‏.‏

أخبرنا أبو عبد الرحمن عبد الله بن محمد الأذرمي، قال حدثنا عبيدة بن حميد، عن أبي مالك الأشجعي، سعد بن طارق عن كثير بن مدرك، عن الأسود بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، قال كان قدر صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر في الصيف ثلاثة أقدام إلى خمسة أقدام وفي الشتاء خمسة أقدام إلى سبعة أقدام ‏.‏


It was narrated that 'Abdullah bin Mas'ud said:
"The Prophet (ﷺ) prayed Zuhr when the length of (a person's shadow) was between three and five feet in summer, and between five and seven feet in winter."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৭/ আসরের প্রথম ওয়াক্ত প্রসঙ্গে

৫০৫। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতের নির্ধারিত সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেনঃ আমার সঙ্গে সালাত আদায় কর। তারপর তিনি যোহরের সালাত আদায় করেন যখন সুর্য অনেকখানি ঢলে যায়। আসরের সালাত আদায় করেন যখন প্রতিটি বস্তুর ছায়া তার সমান হয়ে গেল, মাগরিবের সালাত আদায় করেন যখন সুর্য অদৃশ্য হয়ে গেল এবং ইশার সালাত আদায় করেন যখন সুর্য অস্তমিত হওয়ার পর শাফাক অদৃশ্য হয়ে গেল।

রাবী বলেনঃ (পরদিন) যোহরের সালাত আদায় করেন যখন মানুষের ছায়া তার সমান হল, আসরের সালাত আদায় করেন যখন মানুষের ছায়া দ্বিগুন হল। মাগরিবের সালাত আদায় করলেন শাফাক অদৃশ্য হওয়ার পূর্বে। আবদুল্লাহ ইবনু হারিস বলেন, তারপর বর্ণনাকারী ইশার সালাতের কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, তা রাতের এক-তৃতীয়াংশের দিকে আদায় করেছেন বলে আমার মনে হয়।

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ، قَالَ حَدَّثَنَا ثَوْرٌ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ مَوَاقِيتِ الصَّلاَةِ فَقَالَ ‏ "‏ صَلِّ مَعِي ‏"‏ ‏.‏ فَصَلَّى الظُّهْرَ حِينَ زَاغَتِ الشَّمْسُ وَالْعَصْرَ حِينَ كَانَ فَىْءُ كُلِّ شَىْءٍ مِثْلَهُ وَالْمَغْرِبَ حِينَ غَابَتِ الشَّمْسُ وَالْعِشَاءَ حِينَ غَابَ الشَّفَقُ قَالَ ثُمَّ صَلَّى الظُّهْرَ حِينَ كَانَ فَىْءُ الإِنْسَانِ مِثْلَهُ وَالْعَصْرَ حِينَ كَانَ فَىْءُ الإِنْسَانِ مِثْلَيْهِ وَالْمَغْرِبَ حِينَ كَانَ قُبَيْلَ غَيْبُوبَةِ الشَّفَقِ ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ ثُمَّ قَالَ فِي الْعِشَاءِ أُرَى إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ ‏.‏

أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال حدثنا عبد الله بن الحارث، قال حدثنا ثور، حدثني سليمان بن موسى، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر، قال سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن مواقيت الصلاة فقال ‏ "‏ صل معي ‏"‏ ‏.‏ فصلى الظهر حين زاغت الشمس والعصر حين كان فىء كل شىء مثله والمغرب حين غابت الشمس والعشاء حين غاب الشفق قال ثم صلى الظهر حين كان فىء الإنسان مثله والعصر حين كان فىء الإنسان مثليه والمغرب حين كان قبيل غيبوبة الشفق ‏.‏ قال عبد الله بن الحارث ثم قال في العشاء أرى إلى ثلث الليل ‏.‏


It was narrated that Jabir said:
"A man asked the Messenger of Allah (ﷺ) about the times of prayer. He said: 'Pray with me.' So he prayed Zuhr when the sun had passsed its zenith, 'Asr when the shadow of a thing was equal to its height, Maghrib when the sun had set and 'Isha' when the twilight had disappeared." He said: "Then he prayed Zuhr when the shadow of a man was equal in length to his height, 'Asr when the length of a man's shadow was twice his height, and Maghrib just before the twilight disappeared." (One of the narrators) 'Abdullah bin Al-Harith said: "then he said: 'With regard to 'Isha' I think it is up to one-third of the night.'" [1]

[1] The speaker there is Thawr, who narrated it from 'Ata' from Jabir.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৮/ আসরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৫০৬। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এমন সময়) আসরের সালাত আদায় করলেন যে, সুর্যরশ্মি তখনও তাঁর ঘরে ছিলো এবং সুর্যরশ্মি তখনো গৃহের আঙিনা থেকে উপরে উঠেনি।

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى صَلاَةَ الْعَصْرِ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا لَمْ يَظْهَرِ الْفَىْءُ مِنْ حُجْرَتِهَا ‏.‏

أخبرنا قتيبة، قال حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى صلاة العصر والشمس في حجرتها لم يظهر الفىء من حجرتها ‏.‏


It was narrated from 'Aishah that the Messenger of Allah (ﷺ) prayed 'Asr when the sun was in her room and the shadow had not appeared on her wall.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৮/ আসরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৫০৭। সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সময় আদায় করতেন যে, কোনো গমনকারী ‘কুবা’ পর্যন্ত যেত। (বর্ণনাকারী) যুহরী অথবা ইসহাকের মধ্যে একজন বলেন, গমনকারী এসে ‘কুবা’ বাসিদেরকে (আসরের) সালাত আদায় করতে দেখতে পেত। অন্যজন বলেন, সুর্য তখনও উপরে (উজ্জ্বল) থাকতো।

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مَالِكٍ، قَالَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ، وَإِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى قُبَاءٍ فَقَالَ أَحَدُهُمَا فَيَأْتِيهِمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ وَقَالَ الآخَرُ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ ‏.‏

أخبرنا سويد بن نصر، قال أنبأنا عبد الله، عن مالك، قال حدثني الزهري، وإسحاق بن عبد الله، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر ثم يذهب الذاهب إلى قباء فقال أحدهما فيأتيهم وهم يصلون وقال الآخر والشمس مرتفعة ‏.‏


It was narrated from Anas:
"The Messenger of Allah (ﷺ) used to pray 'Asr, then a person could go to Quba'." One of them [1] said: "And he would come to them when they were prayed." The other said: "And the sub was still high."

[1] Both Az-Zuhri and Ishaq bin 'Abdullah narrated it from Anas, so the reference is about them.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৮/ আসরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৫০৮। কুতায়বা (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, সুর্য তখনও অনেক উপরে উজ্জ্বল থাকত। কোনো গমনকারী আওয়ালী’ তে পৌছলেও সুর্য তখনও উপরে থাকত।

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ حَيَّةٌ وَيَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْعَوَالِي وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ ‏

أخبرنا قتيبة، قال حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أنه أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس مرتفعة حية ويذهب الذاهب إلى العوالي والشمس مرتفعة ‏


It was narrated that Anas bin Malik said:
"The Messenger of Allah (ﷺ) used to pray 'Asr when the sun was still high and bright, and a person could go to Al-'Awali [1] when the sun was still high."

[1] Al-'Awali is the southern most district of Al-Madinah, and it is very big. Its nearest limit is at a distance of about two miles from the center of Al-Madinah. While its furthest limit is about eight miles.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৮/ আসরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৫০৯। ইসহাক ইবনু ইবরাহিম (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে আসরের সালাত আদায় করতেন যখন সুর্য উর্ধাকাশে করোজ্জ্বল থাকত।

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ أَبِي الأَبْيَضِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي بِنَا الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ بَيْضَاءُ مُحَلِّقَةٌ ‏.‏

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن ربعي بن حراش، عن أبي الأبيض، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بنا العصر والشمس بيضاء محلقة ‏.‏


It was narrated that Anas bin Malik said:
"The Messenger of Allah (ﷺ) used to lead us in 'Asr prayer when the sun was still bright and high."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৮/ আসরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৫১০। সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... আবূ বকর ইবনু উসমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ উমামা ইবনু সাহল (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমরা উমর ইবনু আবদুল আজীজ (রহঃ)-এর সঙ্গে যোহরের সালাত আদায় করে বের হলাম। তারপর আমরা আনাস (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে আসরের সালাত আদায় করতে দেখতে পেলাম। আমি বললাম, হে পিতৃব্য! এ কোন সালাত, যা আপনি আদায় করলেন? তিনি বললেন, আসরের সালাত এবং এটাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর সালাত যা আমরা (তাঁর সাথে) আদায় করতাম।

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ بْنَ سَهْلٍ، يَقُولُ صَلَّيْنَا مَعَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الظُّهْرَ ثُمَّ خَرَجْنَا حَتَّى دَخَلْنَا عَلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ فَوَجَدْنَاهُ يُصَلِّي الْعَصْرَ قُلْتُ يَا عَمِّ مَا هَذِهِ الصَّلاَةُ الَّتِي صَلَّيْتَ قَالَ الْعَصْرَ وَهَذِهِ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الَّتِي كُنَّا نُصَلِّي ‏

أخبرنا سويد بن نصر، قال أنبأنا عبد الله، عن أبي بكر بن عثمان بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا أمامة بن سهل، يقول صلينا مع عمر بن عبد العزيز الظهر ثم خرجنا حتى دخلنا على أنس بن مالك فوجدناه يصلي العصر قلت يا عم ما هذه الصلاة التي صليت قال العصر وهذه صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم التي كنا نصلي ‏


It was narrated that Abu Bakr bin 'Uthman bin Sahl bin Hunaif said:
"I heard Abu Umamah bin Sahl say: 'We prayed Zuhr with 'Umar bin 'Abdul-'Aziz, then we went out and entered upon Anas bin Malik, and we found him praying 'Asr.'" I said: "O uncle, what is this prayer that you prayed?" He said: "'Asr; this is the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ) that we used to pray with him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৮/ আসরের নামায তাড়াতাড়ি পড়া।

৫১১। ইসহাক ইবনু ইবরাহিম (রহঃ) ... আবূ সালামা (রহঃ) বলেন, আমরা উমর ইবনু আব্দুল আজীজ (রহঃ)-এর জমানায় একদা (যোহরের) সালাত আদায় করে আনাস (রাঃ)-এর নিকটে গেলাম এবং তাঁকে সালাত আদায় করা অবস্থায় পেলাম। সালাত সমাপ্ত করার পর তিনি আমাদের বললেন যে, তোমরা কি সালাত আদায় করেছ? আমরা বললাম, যোহরের সালাত আদায় করেছি। তিনি বললেন, আমি তো আসরের সালাত আদায় করেছি। লোকেরা বলল, আপনি তাড়াতাড়ি আদায় করে ফেলেছেন। তিনি বললেন, আমি ঐভাবেই সালাত আদায় করি যেভাবে আমার সাথীদেরকে আদায় করতে দেখেছি।

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَلْقَمَةَ الْمَدَنِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ صَلَّيْنَا فِي زَمَانِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ثُمَّ انْصَرَفْنَا إِلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ فَوَجَدْنَاهُ يُصَلِّي فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ لَنَا أَصَلَّيْتُمْ قُلْنَا صَلَّيْنَا الظُّهْرَ ‏.‏ قَالَ إِنِّي صَلَّيْتُ الْعَصْرَ ‏.‏ فَقَالُوا لَهُ عَجَّلْتَ ‏.‏ فَقَالَ إِنَّمَا أُصَلِّي كَمَا رَأَيْتُ أَصْحَابِي يُصَلُّونَ ‏.‏

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال حدثنا أبو علقمة المدني، قال حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، قال صلينا في زمان عمر بن عبد العزيز ثم انصرفنا إلى أنس بن مالك فوجدناه يصلي فلما انصرف قال لنا أصليتم قلنا صلينا الظهر ‏.‏ قال إني صليت العصر ‏.‏ فقالوا له عجلت ‏.‏ فقال إنما أصلي كما رأيت أصحابي يصلون ‏.‏


It was narrated that Abu Salamah said:
"We prayed at the time of 'Umar bin 'Abdul-'Aziz, then we went to Anas bin Malik and found him praying. when he finished he said to us: 'Have you prayed?' We said: 'We prayed Zuhr.' He said: 'I prayed 'Asr.' They said: 'You have prayed early.' He said: 'Rather I prayed as I saw my companions pray.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৯/ আসরের নামায বিলম্বে আদায়ের ব্যাপারে সাবধান বানী।

৫১২। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আ’লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি যোহরের সালাত আদায় করার পর আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর বসরায় অবস্থিত বাসস্থানে গেলেন। তাঁর বাড়ি মসজিদের পার্শ্বেই ছিল। আ’লা (রহঃ) বলেন, যখন আমরা তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি আসরের সালাত আদায় করেছ? আমরা বললাম, না। আমরা তো এইমাত্র যোহরের সালাত আদায় করলাম। তিনি বললেন, এখন আসরের সালাত আদায় কর।

আ’লা বলেন, আমরা তত্ক্ষনাত সালাতে দাঁড়িয়ে গেলাম এবং সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, এটা মুনাফিকের সালাত যে, বসে সালাতের অপেক্ষারত থাকে, তারপর সুর্য যখন শয়তানের দুই শিং-এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে (সূর্যাস্তের সময় নিকটবর্তী হয়ে যায়) তখন (তাড়াহুড়া করে মোরগের মত) চারটি ঠোকর মারে এবং তাতে আল্লাহ তা'আলার স্মরণ সামান্যই করে।

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرِ بْنِ إِيَاسِ بْنِ مُقَاتِلِ بْنِ مُشَمْرِجِ بْنِ خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنَا الْعَلاَءُ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ فِي دَارِهِ بِالْبَصْرَةِ حِينَ انْصَرَفَ مِنَ الظُّهْرِ - وَدَارُهُ بِجَنْبِ الْمَسْجِدِ - فَلَمَّا دَخَلْنَا عَلَيْهِ قَالَ أَصَلَّيْتُمُ الْعَصْرَ قُلْنَا لاَ إِنَّمَا انْصَرَفْنَا السَّاعَةَ مِنَ الظُّهْرِ ‏.‏ قَالَ فَصَلُّوا الْعَصْرَ ‏.‏ قَالَ فَقُمْنَا فَصَلَّيْنَا فَلَمَّا انْصَرَفْنَا قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ تِلْكَ صَلاَةُ الْمُنَافِقِ جَلَسَ يَرْقُبُ صَلاَةَ الْعَصْرِ حَتَّى إِذَا كَانَتْ بَيْنَ قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ قَامَ فَنَقَرَ أَرْبَعًا لاَ يَذْكُرُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ فِيهَا إِلاَّ قَلِيلاً ‏"‏ ‏

أخبرنا علي بن حجر بن إياس بن مقاتل بن مشمرج بن خالد، قال حدثنا إسماعيل، قال حدثنا العلاء، أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر - وداره بجنب المسجد - فلما دخلنا عليه قال أصليتم العصر قلنا لا إنما انصرفنا الساعة من الظهر ‏.‏ قال فصلوا العصر ‏.‏ قال فقمنا فصلينا فلما انصرفنا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تلك صلاة المنافق جلس يرقب صلاة العصر حتى إذا كانت بين قرنى الشيطان قام فنقر أربعا لا يذكر الله عز وجل فيها إلا قليلا ‏"‏ ‏


Al-'Ala' narrated to us that he entered upon Anas bin Malik in his house in Al-Basrah, when he had finished Zuhr, and his house was beside the Masjid. "When we entered upon him, he said:
'Have you prayed 'Asr?' We said: 'No, we have just finished Zuhr.' He said: 'Pray 'Asr.' So we got up and prayed, and when we finished he said: 'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: "That is the prayer of the hypocrite: he sits and delays 'Asr prayer until (the sun) is between the horns of the Shaitan, then he gets up and pecks four (Rak'ahs) in which he only remembers Allah a little.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ৯/ আসরের নামায বিলম্বে আদায়ের ব্যাপারে সাবধান বানী।

৫১৩। ইসহাক ইবনু ইবরাহিম (রহঃ) ... সালিমের পিতার সুত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যার আসরের সালাত ফওত হল, তার যেন পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ লুন্ঠিত হয়ে গেল।

সহিহ, ইবনু মাহাজ হাঃ ৬৮৫, বুখারি হাঃ ৫৫২, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৩০৫

৫১৩/ক - ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যার আসরের সালাত ছুটে গেল তার যেন পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ লুন্ঠিত হয়ে গেল।

সহিহ, বুখারী ও মুসলিম

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ ‏"‏ ‏.‏

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ ‏"‏ ‏.‏

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الذي تفوته صلاة العصر فكأنما وتر أهله وماله ‏"‏ ‏.‏ أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الذي تفوته صلاة العصر فكأنما وتر أهله وماله ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Salim, from his father, that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"The one who misses 'Asr prayer, it is as if he has been robbed of his family and his wealth."

It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"The one who misses 'Asr prayer, it is as if he has been robbed of his family and his wealth."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)

পরিচ্ছেদঃ ১০/ আসরের শেষ সময় প্রসঙ্গে।

৫১৪। ইউসুফ ইবনু ওয়াদিহ (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। জিবরীল (আলাইহিস সালাম) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতের ওয়াক্ত শিক্ষা দেয়ার জন্য আসলেন। তারপর জিবরীল (আলাইহিস সালাম) সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পেছনে এবং অনান্য লোকেরা দাঁড়ালেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেছনে। এরপর যোহরের সালাত আদায় করলেন যখন সুর্য ঢলে পড়লো, আবার যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার বরাবর হল, তখন জিবরীল (আলাইহিস সালাম) আগমন করলেন এবং পূর্বের মত তিনি আগে দাঁড়ালেন, আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পেছনে এবং অনান্য লোকগণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর পেছনে (সারিবদ্ধ হয়ে) দাঁড়িয়ে গেলেন। (এভাবে) আসরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় সূর্যাস্তের পর জিবরীল (আলাইহিস সালাম) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পেছনে এবং অনান্য লোকগণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেছনে দাঁড়িয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। আবার সূর্যাস্তের পর যখন শফক অদৃশ্য হয়ে গেলো, তখন জিবরীল (আলাইহিস সালাম) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পেছনেদাঁড়ালেন এবং লোকগণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর পেছনে দাঁড়িয়ে গেলেন। এইভাবে ইশার সালাত আদায় করলেন। পুনরায় প্রভাত হওয়ার পর জিবরীল (আলাইহিস সালাম) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পেছনে ও অনান্য লোকগণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–এর পেছনে দাঁড়িয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন।

তারপর দ্বিতীয় দিন আসলেন যখন লোকের ছায়া তার সমান হল। তখন গতদিন যেরূপ করা হয়েছিল সেরূপ করা হল-- যোহরের সালাত আদায় করলেন। পরে আবার তিনি আসলেন যখন লোকের ছায়া তার দ্বিগুন হল, তখন গত দিনের ন্যায় আসরের সালাত আদায় করলেন। আবার আসলেন যখন সুর্য অস্তমিত হয়ে গেল, তখন গত দিনের ন্যায় মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। পরে আমরা ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম থেকে জাগলাম, পুনরায় ঘুমিয়ে ঘুম থেকে জাগলাম। এরপর তিনি এসে পূর্বের ন্যায় ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। পুনরায় আসলেন যখন প্রভাত হল এবং (আকাশে) তারকাগুলি দৃশ্যমান ছিল। তখনও পূর্বের ন্যায় ফজরের সালাত আদায় করলেন। তারপর বললেনঃ উভয় দিনের সালাতের মধ্যবর্তী সময় সালাতের জন্য নির্ধারিত।

أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ وَاضِحٍ، قَالَ حَدَّثَنَا قُدَامَةُ، - يَعْنِي ابْنَ شِهَابٍ - عَنْ بُرْدٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ جِبْرِيلَ، أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُعَلِّمُهُ مَوَاقِيتَ الصَّلاَةِ فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى الظُّهْرَ حِينَ زَالَتِ الشَّمْسُ وَأَتَاهُ حِينَ كَانَ الظِّلُّ مِثْلَ شَخْصِهِ فَصَنَعَ كَمَا صَنَعَ فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ أَتَاهُ حِينَ وَجَبَتِ الشَّمْسُ فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى الْمَغْرِبَ ثُمَّ أَتَاهُ حِينَ غَابَ الشَّفَقُ فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى الْعِشَاءَ ثُمَّ أَتَاهُ حِينَ انْشَقَّ الْفَجْرُ فَتَقَدَّمَ جِبْرِيلُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَهُ وَالنَّاسُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى الْغَدَاةَ ثُمَّ أَتَاهُ الْيَوْمَ الثَّانِيَ حِينَ كَانَ ظِلُّ الرَّجُلِ مِثْلَ شَخْصِهِ فَصَنَعَ مِثْلَ مَا صَنَعَ بِالأَمْسِ فَصَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ أَتَاهُ حِينَ كَانَ ظِلُّ الرَّجُلِ مِثْلَ شَخْصَيْهِ فَصَنَعَ كَمَا صَنَعَ بِالأَمْسِ فَصَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ أَتَاهُ حِينَ وَجَبَتِ الشَّمْسُ فَصَنَعَ كَمَا صَنَعَ بِالأَمْسِ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ فَنِمْنَا ثُمَّ قُمْنَا ثُمَّ نِمْنَا ثُمَّ قُمْنَا فَأَتَاهُ فَصَنَعَ كَمَا صَنَعَ بِالأَمْسِ فَصَلَّى الْعِشَاءَ ثُمَّ أَتَاهُ حِينَ امْتَدَّ الْفَجْرُ وَأَصْبَحَ وَالنُّجُومُ بَادِيَةٌ مُشْتَبِكَةٌ فَصَنَعَ كَمَا صَنَعَ بِالأَمْسِ فَصَلَّى الْغَدَاةَ ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ مَا بَيْنَ هَاتَيْنِ الصَّلاَتَيْنِ وَقْتٌ ‏"‏ ‏.

أخبرنا يوسف بن واضح، قال حدثنا قدامة، - يعني ابن شهاب - عن برد، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله، أن جبريل، أتى النبي صلى الله عليه وسلم يعلمه مواقيت الصلاة فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى الظهر حين زالت الشمس وأتاه حين كان الظل مثل شخصه فصنع كما صنع فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى العصر ثم أتاه حين وجبت الشمس فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى المغرب ثم أتاه حين غاب الشفق فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى العشاء ثم أتاه حين انشق الفجر فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى الغداة ثم أتاه اليوم الثاني حين كان ظل الرجل مثل شخصه فصنع مثل ما صنع بالأمس فصلى الظهر ثم أتاه حين كان ظل الرجل مثل شخصيه فصنع كما صنع بالأمس فصلى العصر ثم أتاه حين وجبت الشمس فصنع كما صنع بالأمس فصلى المغرب فنمنا ثم قمنا ثم نمنا ثم قمنا فأتاه فصنع كما صنع بالأمس فصلى العشاء ثم أتاه حين امتد الفجر وأصبح والنجوم بادية مشتبكة فصنع كما صنع بالأمس فصلى الغداة ثم قال ‏ "‏ ما بين هاتين الصلاتين وقت ‏"‏ ‏.


It was narrated from Jabir bin 'Abdullah that Jibril came to the Prophet (ﷺ) to teach him the times of prayer. Jibril went forward, with the Messenger of Allah (ﷺ) behind him and the people behind the Messenger of Allah (ﷺ), and he prayed Zurh when the sun had passed its zenith. Then he came to him when the shadow of a person was equal to his height, and did as he had done before; Jibril went forward, with the Messenger of Allah (ﷺ) behind him and the people behind the Messenger of Allah (ﷺ), and he prayed 'Asr. Then Jibril came to him when the sun had set; Jibril went forward, with the Messenger of Allah (ﷺ) behind him and the people behind the Messenger of Allah (ﷺ), and he prayed Al-Ghadah. [1] Then he came to him on the second day when a man's shadow was equal to his height, and did as he had done the day before, he prayed Zuhr. Then he came to him when the shadow of a man was twice his height, and did what he had done the day before, and prayed 'Asr. Then he came to him when the sun had set and did what he had done the day before, and prayed Maghrib. Then we slept and got up, and slept and got up again. Then he came to him and did what he had done the day before and prayed 'Isha.' The he came to him when the (the light of) dawn was spread (on the horizon) [2] and the starts were still clear in the sky, and he did the same as he had done the day before, and prayed Al-Ghadah. Then he said:
' The time between these two is the time for prayer.'"

[1] Meaning Fajr, the morning prayer.

[2] The Fajr prayer was elongated because the Prophet recited at length during the prayer, so that it ended just before sunrise. That defined the end of the time for Fajr, as the beginning of the time was defined by the moment when he started the first Rak'ah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ নামাজের সময়সীমা (كتاب المواقيت)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৩২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 7 পরের পাতা »