জাবির ইবনু আতীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 7 টি

পরিচ্ছেদঃ ১৯৪. মহামারীতে মৃত্যুবরণকারীর ফযীলত।

৩০৯৭. আল-কা'নাবী (রহঃ) ..... জাবির ইবন আতীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ্‌ ইবন ছাবিত (রাঃ)-এর রোগের খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য আসেন। এ সময় তিনি তাঁকে বেহুশ অবস্থায় পান। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে জোরে ডাকেন, কিন্তু তিনি কোন জওয়াব দেননি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজিঊন' পাঠ করেন এবং বলেনঃ হে আবূ রাবী! আমি তোমার ব্যাপারে পরাস্ত হয়েছি। এ কথা শুনে মহিলারা চীৎকার দিয়ে কাঁদা শুরু করে। তখন ইবন আতীক (রাঃ) তাদের শান্ত হতে বলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাদের ছেড়ে দাও, (অর্থাৎ কাঁদতে দাও)। অবশ্য যখন ওয়াজিব হবে, তখন যেন কোন ক্রন্দনকারী আর না কাঁদে। তখন তারা জিজ্ঞাসা করেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ওয়াজিব হওয়ার অর্থ কি? তিনি বলেনঃ মৃত্যু।

(রাবী বলেনঃ) তখন আবদুল্লাহ্‌ ইবন ছাবিত (রাঃ)-এর কন্যা বললঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমার তো এরূপ ধারণা ছিল যে, তুমি শহীদ হবে। কেননা, তুমি যুদ্ধের জন্য যাবতীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করছিলে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তাকে তার নিয়্যতের ছাওয়াব প্রদান করবেন। তোমরা শাহাদত বলতে কি মনে কর? তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র রাস্তায় কতল হয়ে যাওয়াকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ্‌র রাস্তায় শহীদ হওয়া ছাড়াও আরো সাত ধরনের শহীদ আছে যথাঃ

(১) মহামরীতে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;

(২) পানিতে ডুবে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;

(৩) পক্ষাঘাতে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;

(৪) পেটের রোগের কারণে (কলেরা, ডায়রিয়া ইত্যাদিতে) মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;

(৫) অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ;

(৬) কোন কিছুর নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু বরণকারীও শহীদ এবং

(৭) যে মহিলা গর্ভাবস্থায় মারা যাবে, সেও শহীদ।

باب فِي فَضْلِ مَنْ مَاتَ فِي الطَّاعُونِ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ عَتِيكِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَتِيكٍ، - وَهُوَ جَدُّ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو أُمِّهِ - أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمَّهُ جَابِرَ بْنَ عَتِيكٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَ يَعُودُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ثَابِتٍ فَوَجَدَهُ قَدْ غُلِبَ فَصَاحَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُجِبْهُ فَاسْتَرْجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏"‏ غُلِبْنَا عَلَيْكَ يَا أَبَا الرَّبِيعِ ‏"‏ ‏.‏ فَصَاحَ النِّسْوَةُ وَبَكَيْنَ فَجَعَلَ ابْنُ عَتِيكٍ يُسْكِتُهُنَّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ دَعْهُنَّ فَإِذَا وَجَبَ فَلاَ تَبْكِيَنَّ بَاكِيَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَمَا الْوُجُوبُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْمَوْتُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتِ ابْنَتُهُ وَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لأَرْجُو أَنْ تَكُونَ شَهِيدًا فَإِنَّكَ كُنْتَ قَدْ قَضَيْتَ جِهَازَكَ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ أَوْقَعَ أَجْرَهُ عَلَى قَدْرِ نِيَّتِهِ وَمَا تَعُدُّونَ الشَّهَادَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا الْقَتْلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الشَّهَادَةُ سَبْعٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ الْحَرِيقِ شَهِيدٌ وَالَّذِي يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Jabir ibn Atik: The Messenger of Allah (ﷺ) came to visit Abdullah ibn Thabit who was ill. He found that he was dominated (by the divine decree). The Messenger of Allah (ﷺ) called him loudly, but he did not respond. He uttered the Qur'anic verse "We belong to Allah and to Him do we return" and he said: We have been dominated against you, AburRabi'. Then the women cried and wept, and Ibn Atik began to silence them. The Messenger of Allah (ﷺ) said: Leave them, when the divine decree is made, no woman should weep. They (the people) asked: What is necessary happening, Messenger of Allah? He replied: Death. His daughter said: I hope you will be a martyr, for you have completed your preparations for jihad. The Messenger of Allah (ﷺ) said: Allah Most High gave him a reward according to his intentions. What do you consider martyrdom? They said: Being killed in the cause of Allah. The Messenger of Allah (ﷺ) said: There are seven types of martyrdom in addition to being killed in Allah's cause: one who dies of plague is a martyr; one who is drowned is a martyr; one who dies of pleurisy is a martyr; one who dies of an internal complaint is a martyr; one who is burnt to death is a martyr; who one is killed by a building falling on him is a martyr; and a woman who dies while pregnant is a martyr.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আতীক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪/ মৃতের জন্য ক্রন্দনের নিষেধাজ্ঞা

১৮৪৯। উতবা ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) ... জাবির ইবনু আতীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্দুল্লাহ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর শুশ্রুষার জন্য গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তার মৃত্যূ আসন্ন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উচ্চ স্বরে ডেকেও তার কোন নাড়া শব্দ না পেয়ে انا لله وانا اليه راجعون পড়লেন এবং বললেন, হে আবূ বুবী! আমাদের সম্মূখে তোমার উপর আল্লাহ তা’আলার হুকুম বিজয়ী হতে যাচ্ছে (তুমি মৃত্যূ বরণ করেছ)। একথা শুনে কিছু মহিলা উচ্চ স্বরে ক্রন্দন শুরু করে দিলে ইবনু আতীক (রাঃ) (জাবির) তাদের শান্ত করাতে লাগলেন।

তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদের ছেড়ে দাও। যখন মৃত্যৃ হয়ে যারে তখন কোনই ক্রন্দনকারিণী ক্রন্দন করবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, 'উজুব' শব্দের অর্থ কি ইয়া রাসুলাল্লাহ! তিনি বললেন, ‘মৃত্যু’। তার কন্যা বলল, যে আমি তো এ আশাই করতাম যে, আপনি শহীদ হবেন। আপনি তো শাহাদাতের যাবতীয় পাথেয় সংগ্রহ করেই রেখেছিলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তা'আলা তার নিয়্যত অনুযায়ী তাকে শাহাদাতের সওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। আচ্ছা, তোমরা শাহাদাত কাকে মনে কর? তারা বললেন, আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যুবরণ করাকে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর রাস্তায় মৃত্যুবরণ করা ব্যতীতও আরো সাত প্রকারের শাহাদাত আছে-

১. প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ
২. পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ
৩. পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি শহীদ
৪. প্রাচীর চাপায় মৃত ব্যক্তি শহীদ
৫. আভ্যন্তরীণ বিষ ফোঁড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ
৬. অগ্নিদাহে মৃত ব্যক্তি শহীদ
৭. প্রসবকালে মৃত রমনী শহীদ।

باب النَّهْىِ عَنِ الْبُكَاءِ، عَلَى الْمَيِّتِ ‏

أَخْبَرَنَا عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَبْرِ بْنِ عَتِيكٍ، أَنَّ عَتِيكَ بْنَ الْحَارِثِ، وَهُوَ جَدُّ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو أُمِّهِ أَخْبَرَهُ أَنَّ جَبْرَ بْنَ عَتِيكٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَاءَ يَعُودُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ثَابِتٍ فَوَجَدَهُ قَدْ غُلِبَ عَلَيْهِ فَصَاحَ بِهِ فَلَمْ يُجِبْهُ فَاسْتَرْجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏"‏ قَدْ غُلِبْنَا عَلَيْكَ أَبَا الرَّبِيعِ ‏"‏ ‏.‏ فَصِحْنَ النِّسَاءُ وَبَكَيْنَ فَجَعَلَ ابْنُ عَتِيكٍ يُسَكِّتُهُنَّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ دَعْهُنَّ فَإِذَا وَجَبَ فَلاَ تَبْكِيَنَّ بَاكِيَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا وَمَا الْوُجُوبُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الْمَوْتُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتِ ابْنَتُهُ إِنْ كُنْتُ لأَرْجُو أَنْ تَكُونَ شَهِيدًا قَدْ كُنْتَ قَضَيْتَ جِهَازَكَ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ أَوْقَعَ أَجْرَهُ عَلَيْهِ عَلَى قَدْرِ نِيَّتِهِ وَمَا تَعُدُّونَ الشَّهَادَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا الْقَتْلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الشَّهَادَةُ سَبْعٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ وَالْغَرِيقُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ الْهَدْمِ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ الْحَرَقِ شَهِيدٌ وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدَةٌ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Jabir bin 'Abdullah bin 'Atik that 'Atik bin Al-Harith who was the grandfather of 'Abdullah bin 'Abdullah, his mother's fathr told him that the Jabir bin "Atik told him that: the Prophet came to visit 'Abdullah bin Thabit (when he was sick) and found him very close to death. He called out to him and he did not respond, so the Messenger of Allah said: "Truly, to Allah we belong and truly, to Him we shall return," and said: "We wanted you to live but we were overtaken by the decree of Allah, O Abu Ar-Rabi." The women screamed and wept, and Ibn "Atik started telling them to quiet. The Messenger of Allah said: "Leave them; when the inevitable comes, no one should weep." They said: "What is the inevitable, O Messenger of Allah?" He said: "Death." His daughter said: "I had hoped that you would become a martyr, for you had prepared yourself for it." The Messenger of Allah said: "Allah, the Mighty and Sublime, has rewarded him according to his intention. What do you think martyrdom is?" They said: "Being killed for the sake of Allah." The Messenger of Allah said: "Martyrdom is of seven types besides being killed for the sake of Allah. The one who dies of the plague is a martyr; the one who is crushed by a falling building is a martyr; the one who is crusheds by a falling building is a martyr; the one who dies of pleurisy is a martyr; the one who dies of pleurisy is a martyr; the one who is burned to death is a martyr, and the woman who dies in pregnancy is a martyr."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আতীক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮/১৭. যার জন্য শহীদের মর্যাদা আশা করা যায় (শহীদের শ্রেণীবিভাগ)

১/২৮০৩। জাবির ইবনে আতীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখতে আসেন। জাবির (রাঃ) এর পরিবারের কেউ বললো, আমরা আশা করতাম যে, সে আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হয়ে মৃত্যুবরণ করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাহলে আমার উম্মাতের শহীদের সংখ্যা তো খুব কম হয়ে যাবে। আল্লাহর পথে নিহত হলে শহীদ, মহামারীতে নিহত হলে শহীদ, যে মহিলা গর্ভাবস্থায় মারা যায় সে শহীদ এবং পানিতে ডুবে, আগুনে পুড়ে ও ক্ষয়রোগে মৃত্যুবরণকারী শহীদ।

بَاب مَا يُرْجَى فِيهِ الشَّهَادَةُ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ أَبِي الْعُمَيْسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّهُ مَرِضَ فَأَتَاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعُودُهُ فَقَالَ قَائِلٌ مِنْ أَهْلِهِ إِنْ كُنَّا لَنَرْجُو أَنْ تَكُونَ وَفَاتُهُ قَتْلَ شَهَادَةٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ شُهَدَاءَ أُمَّتِي إِذًا لَقَلِيلٌ الْقَتْلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ شَهَادَةٌ وَالْمَطْعُونُ شَهَادَةٌ وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهَادَةٌ - يَعْنِي الْحَامِلَ - وَالْغَرِقُ وَالْحَرِقُ وَالْمَجْنُوبُ - يَعْنِي ذَاتَ الْجَنْبِ - شَهَادَةٌ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from ‘Abdullah bin ‘Abdullah bin Jabir bin ‘Atik, from his father, that his grandfather fell sick and the Prophet (ﷺ) came to visit him. One of his family members said: “We hoped that when he died it would be as a martyr in the cause of Allah.” The Messenger of Allah (ﷺ) said: “In that case the martyrs of my nation would be few. Being killed in the cause of Allah is martyrdom; dying of the plague is martyrdom; when a pregnant woman dies in childbirth that is martyrdom; and dying of drowning, or burning, or of pleurisy, is martyrdom.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আতীক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. আত্মসম্মানবোধ সম্পর্কে

২২৬৫. জাবির ইবনু আতীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, “গীরাত (আত্মমর্যাদাবোধ) (দু‘ধরণের; একটি হলো-) যা আল্লাহ্ পছন্দ করেন এবং (অপরটি)- যা আল্লাহ্ অপছন্দ করেন। যে ‘গীরাত’ মহান আল্লাহ্ পছন্দ করেন, তা হলো- সন্দেহের ক্ষেত্রে গীরাতের প্রদর্শন। আর যে ‘গীরাত’ আল্লাহ্ অপছন্দ করেন, তা হলো- যেখানে কোনরূপ সন্দেহের অবকাশ নেই, সে বিষয়ে গীরাত দেখানো।”[1]

بَاب فِي الْغَيْرَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنِي ابْنُ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مِنْ الْغَيْرَةِ مَا يُحِبُّ اللَّهُ وَمِنْهَا مَا يُبْغِضُ اللَّهُ فَالْغَيْرَةُ الَّتِي يُحِبُّ اللَّهُ الْغَيْرَةُ فِي الرِّيبَةِ وَالْغَيْرَةُ الَّتِي يُبْغِضُ اللَّهُ الْغَيْرَةُ فِي غَيْرِ رِيبَةٍ


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আতীক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - লি‘আন

৩৩১৯-[১৬] জাবির ইবনু ‘আতীক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আত্মমর্যাদাবোধ আল্লাহর নিকট কোনো ক্ষেত্রে পছন্দনীয় হয়, আবার কোনো ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হয়। যে আত্মমর্যাদাবোধ আল্লাহ পছন্দ করেন, তা হলো সন্দেহভাজন আত্মমর্যাদা লালন করা। পক্ষান্তরে সন্দেহভাজন নয় এমন ক্ষেত্রে আত্মমর্যাদা লালন করা আল্লাহর নিকট নিন্দনীয়। অনুরূপভাবে গর্ববোধ কোনো ক্ষেত্রে আল্লাহ পছন্দ করেন এবং কোনো ক্ষেত্রে নিন্দনীয়। আর যে গর্বকে আল্লাহ ভালোবাসেন তা হলো, (ইসলামের শত্রুদের সাথে) যুদ্ধক্ষেত্রে ও দান-সদাকাতে গর্ববোধ আল্লাহর নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয়। আর যে গর্ববোধ আল্লাহর কাছে নিন্দনীয় তা হলো (বংশ-মর্যাদার) অহংকারের উদ্দেশে গর্ববোধ। অপর বর্ণনায়, অহংকারের পরিবর্তে জুলুম বা অন্যায় শব্দ এসেছে। (আহমাদ, আবূ দাঊদ, নাসায়ী)[1]

وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَتِيْكٍ أَنَّ نَبِىَّ اللّٰهِ ﷺ قَالَ : «مِنْ الْغَيْرَةِ مَا يُحِبُّ اللّٰهُ وَمِنْهَا مَا يُبْغِضُ اللّٰهُ فَأَمَّا الَّتِىْ يُحِبُّهَا اللّٰهُ فَالْغَيْرَةُ فِى الرِّيبَةِ وَأَمَّا الَّتِىْ يُبْغِضُهَا اللّٰهُ فَالْغَيْرَةُ فِىْ غَيْرِ رِيبَةٍ وَإِنَّ مِنَ الْخُيَلَاءِ مَا يُبْغِضُ اللّٰهُ وَمِنْهَا مَا يُحِبُّ اللّٰهُ فَأَمَّا الْخُيَلَاءُ الَّتِىْ يُحِبُّ اللّٰهُ فَاخْتِيَالُ الرَّجُلِ عِنْدَ الْقِتَالِ وَاخْتِيَالُه عِنْدَ الصَّدَقَةِ وَأَمَّا الَّتِىْ يُبْغِضُ اللّٰهُ فَاخْتِيَالُه فِى الْفَخْرِ» وَفِىْ رِوَايَةٍ : «فِى الْبَغْىِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأَبُوْ دَاودَ وَالنَّسَائِىُّ

ব্যাখ্যা: (فَالْغَيْرَةُ فِى الرِّيبَةِ) ‘‘গইরত’’ অর্থ আত্মমর্যাদাবোধ। কোনকিছুর দ্বারা আত্মমর্যাদায় আঘাত লাগার নাম গাইরত। এর কোনটা আল্লাহর পছন্দ আবার কোনটা আল্লাহ তা‘আলা অপছন্দ। হাদীসে বলা হচ্ছে, (الريبة) এর স্থানে গাইরত আল্লাহর পছন্দ। ‘রীবাহ্’ অর্থাৎ সন্দেহমূলক স্থান, অপবাদের স্থান। এই আত্মমর্যাদার দুই দিক হতে পারে। একটি হলোঃ আত্মমর্যাদার কারণে নিজে এমন স্থানে পতিত না হওয়া। আত্মমর্যাদা তাকে নিষিদ্ধ অপবাদমূলক জায়গা থেকে তাকে দূরে রাখার কারণে তা আল্লাহর নিকট পছন্দ। আরেকটি হলো, নিজের মাহরাম কারো সাথে অন্য কাউকে হারাম কাজে লিপ্ত দেখে আত্মমর্যাদায় আঘাত লাগা। এ ধরনের গাইরত আল্লাহর নিকট পছন্দনীয়। সহীহ হাদীসে রয়েছেঃ

مَا مِنْ أَحَدٍ أَغْيَرُ مِنْ اللّٰهِ مِنْ أَجْلِ ذٰلِكَ حَرَّمَ الْفَوَاحِشَ

‘‘আল্লাহর চেয়ে অধিক আত্মমর্যাদাশীল কেউ নেই। আর এজন্যই তিনি অশ্লীলতা (যিনা) হারাম করেছেন।’’ (সহীহুল বুখারী- অধ্যায় : নিকাহ, অনুচ্ছেদ : গাইরত, হাঃ ৪৮১৯)

(فَالْغَيْرَةُ فِىْ غَيْرِ رِيبَةٍ) অর্থাৎ সন্দেহযুক্ত স্থান বা অপবাদমূলক স্থান ছাড়া গাইরত। এই গইরত আল্লাহ তা‘আলার নিকট অপছন্দ। অর্থাৎ বাস্তব কোনো সন্দেহ ছাড়া কারো ওপর খারাপ ধারণার ভিত্তিতে নিজের আত্মমর্যাদায় আঘাত লাগা। যেমন কাউকে দরজা দিয়ে বের হতে দেখে বা কাউকে কারো সাথে কথা বলতে দেখেই মন্দ ধারণার ভিত্তিতে আত্মমর্যাদায় আঘাত লাগা। এ ধরনের গইরতে পরস্পরের মাঝে অযথা বিদ্বেষ, ক্রোধ ও ফিতনা সৃষ্টি হয়। এও হতে পারে যে, নিজের মা থাকাবস্থায় পিতা আরেক নারীকে বিয়ে করার কারণে ছেলের আত্মমর্যাদায় আঘাত। এভাবে তার অন্যান্য মাহরামের ক্ষেত্রে। এ ধরনের গাইরতকে আল্লাহ তা‘আলা অপছন্দ করেন। কেননা আল্লাহ তা‘আলা যা হালাল করেছেন তার উপর আমাদের সন্তুষ্ট থাকা ওয়াজিব। আল্লাহ কর্তৃক বৈধ বিষয়ে গইরত দেখানো মানে জাহিলিয়্যাতে তথা অন্ধকার যুগের অহংবোধ আত্মমর্যাদাকে অগ্রাধিকার দেয়া। তাই আল্লাহ এমন গাইরতকে অপছন্দ করেন।

(وَإِنَّ مِنَ الْخُيَلَاءِ مَا يُبْغِضُ اللّٰهُ وَمِنْهَا مَا يُحِبُّ اللّٰهُ) অর্থাৎ অহঙ্কার ও আত্মঅহমিকা কোনটা আল্লাহ অপছন্দ করেন এবং কোনটা আল্লাহ ভালোবাসেন।
অহঙ্কার মূলত হারাম হলেও গইরতের মতই কোনো কোনো ক্ষেত্রে অহঙ্কার আল্লাহ তা‘আলার পছন্দ। হাদীসে আল্লাহর পছনদনীয় অহঙ্কার ও অপছন্দীয় অহঙ্কারের বিবরণ দেয়া হয়েছে। যে অহঙ্কার বা গর্বকে আল্লাহ তা‘আলা ভালোবাসেন তা হলো, জিহাদে কোনো ব্যক্তির অহঙ্কার। অর্থাৎ যুদ্ধের সময় সে দুশমনের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে অগ্রে থাকবে; শক্তি, সাহসিকতা ও বীরত্ব প্রকাশ করবে, যুদ্ধের ময়দানে অহঙ্কারী ভঙ্গিতে চলবে এবং দুশমনকে তুচ্ছ মনে করবে। এই গর্ব আল্লাহর নিকট পছন্দ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিহাদের ময়দানে গর্বস্বরে বলতেন, (أَنَا النَّبِيُّ لَا كَذِبْ أَنَا ابْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبْ) ‘‘আমি নাবী এ কথা মিথ্যা নয়, আমি ইবনুল মুত্ত্বালিব-এর ছেলে।’’ (সহীহুল বুখারী- অধ্যায় : জিহাদ, হাঃ ২৬৫২। উল্লেখ্য, বুখারীর একাধিক অধ্যায় ও অনুচ্ছেদের বিভিন্ন জায়গায় হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে)

জিহাদের ময়দানে গর্বে নিজের শক্তি সাহস ছাড়াও সাথীদের মাঝে শক্তি সাহস জোগায়।

পছন্দনীয় গর্বের আরেকটি স্থান হলো দান। অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় দান ও সাদাকা করতে গর্বভরে করবে। বেশি দিয়েও কম মনে করবে। অর্থাৎ সে ভাববে আমার মতো ধনীর জন্য আরো দেয়া দরকার। কেউ কেউ বলেন, এখানে অহঙ্কার বলতে সে বলবে, আমি ধনী, অতএব বেশি বেশি দান করব, আল্লাহর ওপর আমার আস্থা রয়েছে। এই গর্ব তাকে এবং অন্যকে অধিক দানে উৎসাহিত করে। তাই তা আল্লাহ তা‘আলার নিকট পছন্দীয়।

(وَأَمَّا الَّتِىْ يُبْغِضُ اللّٰهُ فَاخْتِيَالُه فِى الْفَخْرِ) এখানে এমন অহঙ্কারের কথা বলা হচ্ছে যা আল্লাহ তা‘আলার নিকট অপছন্দ। অর্থাৎ কেবল বড়াইয়ের অহঙ্কার। যেমন কেউ বলে, আমার বংশ অধিক মর্যাদাবান, আমার পিতা অধিক সম্মানিত। অথচ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার’’- (সূরা আল হুজুরাত ৪৯ : ৩)। অর্থাৎ অন্যকে হেয় করে নিজেকে বড় ভাবার অহঙ্কার আল্লাহর নিকট অপছন্দীয়।

কোনো কোনো বর্ণনায় (فَاخْتِيَالُه في الفخر) এর স্থলে (فَاخْتِيَالُه فِي الْبَغْيِ) বলা হয়েছে। অর্থাৎ অন্যায় কাজের উপর অহঙ্কার। যেমন কেউ গর্ব করে বলে, সে অমুককে হত্যা করেছে, অমুকের মাল ছিনিয়ে নিয়েছে, অথবা অন্যায় কাজ করার সময় গর্ব করে কাজ করে। এ ধরনের অহঙ্কারে আল্লাহ তা‘আলা রাগাম্বিত হন। (সুনানু আবী দাঊদ- অধ্যায় : জিহাদ, অনুচ্ছেদ : যুদ্ধে অহঙ্কার, হাঃ ২২৮৬)


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আতীক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১৪. যুদ্ধের ময়দানে অহংকার প্রদর্শন

২৬৫৯। জাবির ইবনু আতীক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ আল্লাহ এক প্রকার আত্মমর্যাদা পছন্দ করেন, এবং আরেক প্রকার আত্মমর্যাদা তিনি ঘৃণা করেন। মহান আল্লাহ যেটা অপছন্দ করেন তা হলো, সন্দেহজনক বিষয় বর্জনের আত্মসম্মানবোধ। সন্দেহজনক বিষয় ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে আত্মসম্মানবোধ প্রদর্শনকে আল্লাহ ঘৃণা করেন। অনুরূপভাবে এক প্রকার অহংকার প্রদর্শনকে আল্লাহ অপছন্দ করেন, আর এক প্রকার অহংকারকে পছন্দ করেন। আল্লাহ যে অহংকার প্রদর্শন পছন্দ করেন তা হলো, যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মোকাবিলায় অহংকার প্রদর্শন করা (যেন দুশমন ভয় পায়) এবং সাদাকাহ দেয়ার সময় নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করা। মহান আল্লাহ যেরূপ অহংকারকে ঘৃণা করেন তা হলো, যুলম-অত্যাচার ও বিদ্রোহমূলক কাজে অহংকার প্রদর্শন করা। বর্ণনাকারী মূসা স্বীয় বর্ণনায় খুয়ালা শব্দের পর ফাখর (অহংকার) শব্দ উল্লেখ করেছেন।[1]

بَابٌ فِي الْخُيَلَاءِ فِي الْحَرْبِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، الْمَعْنَى وَاحِدٌ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ ابْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَتِيك، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: مِنَ الْغَيْرَةِ مَا يُحِبُّ اللَّهُ وَمِنْهَا مَا يُبْغِضُ اللَّهُ، فَأَمَّا الَّتِي يُحِبُّهَا اللَّهُ فَالْغَيْرَةُ فِي الرِّيبَةِ، وَأَمَّا الْغَيْرَةُ الَّتِي يُبْغِضُهَا اللَّهُ فَالْغَيْرَةُ فِي غَيْرِ رِيبَةٍ، وَإِنَّ مِنَ الخُيَلَاءِ مَا يُبْغِضُ اللَّهُ، وَمِنْهَا مَا يُحِبُّ اللَّهُ، فَأَمَّا الْخُيَلَاءُ الَّتِي يُحِبُّ اللَّهُ فَاخْتِيَالُ الرَّجُلِ نَفْسَهُ عِنْدَ الْقِتَالِ، وَاخْتِيَالُهُ عِنْدَ الصَّدَقَةِ، وَأَمَّا الَّتِي يُبْغِضُ اللَّهُ فَاخْتِيَالُهُ فِي الْبَغْيِ قَالَ مُوسَى: وَالْفَخْرِ

حسن


Narrated Jabir ibn Atik: The Prophet (ﷺ) said: There is jealousy which Allah loves and jealousy which Allah hates. That which Allah loves is jealousy regarding a matter of doubt, and that which Allah hates is jealousy regarding something which is not doubtful. There is pride which Allah hates and pride which Allah loves. That which Allah loves is a man's pride when fighting and when giving sadaqah and that which Allah hates is pride shown by oppression. The narrator Musa said: "by boasting."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আতীক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫. মহামারীতে মৃত্যুবরণকারীর ফযীলত

৩১১১। জাবির ইবনু আতীক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে দেখতে যান। তিনি দেখলেন, সে বেহুঁশ অবস্থায় রয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সশব্দে ডাকলেন। কিন্তু তিনি তাঁর ডাকে সাড়া দিতে পারলেন না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’’ পাঠ করলেন। তিনি বললেনঃ হে আবুর রাবী’! ‘আমরা তোমার ব্যাপারে পরাজিত। এতে মহিলারা চিৎকার করলো এবং কাঁদতে লাগলো। ইবনু আতীক (রহঃ) তাদেরকে থামাতে চেষ্টা করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলরেন তাদের ছেড়ে দাও। ওয়াজিব হয়ে গেলে কোনো ক্রন্দনকারিণীই কাঁদবে না।

সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ওয়াজিবের তাৎপর্য কি? তিনি বললেনঃ মৃত্যু। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু সাবিতের কন্যা বললো, আল্লাহর শপথ! আমি মনে করেছিলাম, (হে আমার পিতা) তুমি শহীদ হবে। কারণ তুমি জিহাদের সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছিলে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মহামহিম আল্লাহ নিশ্চয়ই তার নিয়্যাত অনুযায়ী প্রতিদানের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তোমরা কাকে শহীদ বলে গণ্য করো? তারা বললেন, আল্লাহর পথে (যুদ্ধে) নিহত ব্যক্তিকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী শহীদ, পানিতে ডুবে নিহত ব্যক্তি শহীদ, চাপা পড়ে নিহত ব্যক্তি শহীদ এবং প্রসবকালীন কষ্টে নিহত নারী শহীদ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আল-জুমউ’ অর্থ গর্ভবর্তী মহিলা।[1]

بَابٌ فِي فَضْلِ مَنْ مَاتَ فِي الطَّاعُونِ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ عَتِيكِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَتِيكٍ، وَهُوَ جَدُّ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو أُمِّهِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمَّهُ جَابِرَ بْنَ عَتِيكٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَاءَ يَعُودُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ثَابِتٍ، فَوَجَدَهُ قَدْ غُلِبَ، فَصَاحَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمْ يُجِبْهُ فَاسْتَرْجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَالَ: غُلِبْنَا عَلَيْكَ يَا أَبَا الرَّبِيعِ، فَصَاحَ النِّسْوَةُ، وَبَكَيْنَ فَجَعَلَ ابْنُ عَتِيكٍ يُسَكِّتُهُنَّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: دَعْهُنَّ، فَإِذَا وَجَبَ فَلَا تَبْكِيَنَّ بَاكِيَةٌ قَالُوا: وَمَا الْوُجُوبُ؟ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: الْمَوْتُ قَالَتِ ابْنَتُهُ: وَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لَأَرْجُو أَنْ تَكُونَ شَهِيدًا، فَإِنَّكَ كُنْتَ قَدْ قَضَيْتَ جِهَازَكَ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ أَوْقَعَ أَجْرَهُ عَلَى قَدْرِ نِيَّتِهِ، وَمَا تَعُدُّونَ الشَّهَادَةَ؟ قَالُوا: الْقَتْلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ تَعَالَى، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " الشَّهَادَةُ سَبْعٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ: الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ، وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ، وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ، وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ، وَصَاحِبُ الْحَرِيقِ شَهِيدٌ، وَالَّذِي يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ، وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ

صحيح


Narrated Jabir ibn Atik: The Messenger of Allah (ﷺ) came to visit Abdullah ibn Thabit who was ill. He found that he was dominated (by the divine decree). The Messenger of Allah (ﷺ) called him loudly, but he did not respond. He uttered the Qur'anic verse "We belong to Allah and to Him do we return" and he said: We have been dominated against you, AburRabi'. Then the women cried and wept, and Ibn Atik began to silence them. The Messenger of Allah (ﷺ) said: Leave them, when the divine decree is made, no woman should weep. They (the people) asked: What is necessary happening, Messenger of Allah? He replied: Death. His daughter said: I hope you will be a martyr, for you have completed your preparations for jihad. The Messenger of Allah (ﷺ) said: Allah Most High gave him a reward according to his intentions. What do you consider martyrdom? They said: Being killed in the cause of Allah. The Messenger of Allah (ﷺ) said: There are seven types of martyrdom in addition to being killed in Allah's cause: one who dies of plague is a martyr; one who is drowned is a martyr; one who dies of pleurisy is a martyr; one who dies of an internal complaint is a martyr; one who is burnt to death is a martyr; who one is killed by a building falling on him is a martyr; and a woman who dies while pregnant is a martyr.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আতীক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৭ পর্যন্ত, সর্বমোট ৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে