নাফে ইবনে মাহমূদ ইবনুর-রবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 5 টি

পরিচ্ছেদঃ ১৪২. কোন ব্যাক্তি নামাযে (সুরা ফাতিহা অথবা) কিরাত পাঠ ত্যাগ করলে।

৮২৪. আর-রবী ইবনু সুলায়মান ..... নাফে ইবনু মাহমূদ হতে বর্ণিত। নাফে বলেন, একদা উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) বিলম্বে ফজরের নামাযের জামাআতে উপস্থিত হন। এমতাবস্থায় মুয়াযযিন আবূ নুআয়েম (রহঃ) তাকবীর বলে লোকদের নামায আরম্ভ করেন। তখন আমি এবং উবাদা ইবনুুস সামিত (রাঃ) উপস্থিত হয়ে আবূ নুআয়েমের পিছনে ইকতিদা করি। এই সময় আবূ নুআয়েম উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ করছিলেন এবং উবাদা (রাঃ) সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। নামাযান্তে আমি উবাদা (রাঃ)-কে বলিঃ ইমাম আবূ নুআয়েম যখন উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ করছিলেন, তখন আমি আপনাকেও সূরা ফাতিহা পড়তে শুনি, এর হেতু কি? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, আমি পাঠ করেছি।

একদা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন এক ওয়াক্তের নামাযে আমাদের ইমামতি করেন, যার মধ্যে উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ করতে হয়। রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিরাআত পাঠের সময় আটকে যান। অতঃপর নামাযান্তে সমবেত মুসল্লীদের লক্ষ্য করে বলেনঃ আমি যখন উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ করছিলাম। তখন তোমরাও কি কিরাআত পাঠ করেছ? জবাবে আমাদের কেউ বলেন, হ্যাঁ আমরাও কিরাআত পাঠ করেছি। তখন তিনি বলেন, এইরূপ আর কখনও করবে না। তিনি আরো বলেন, কিরাআত পাঠের সময় যখন আমি আটকে যাই তখন আমি এইরূপ চিন্তা করি যে, আমার কুরআন পাঠে কিসে বা কে বাধার সৃষ্টি করছে? অতএব আমি নামাযের মধ্যে উচ্চস্বরে যখন কিরআত পাঠ করি, তখন তোমরা সূরা ফাতিহা ব্যতীত অন্য কিছু পাঠ করবে না। (নাসাঈ)।

باب مَنْ تَرَكَ الْقِرَاءَةَ فِي صَلاَتِهِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ

حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ نَافِعٌ أَبْطَأَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ عَنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ، فَأَقَامَ أَبُو نُعَيْمٍ الْمُؤَذِّنُ الصَّلاَةَ فَصَلَّى أَبُو نُعَيْمٍ بِالنَّاسِ وَأَقْبَلَ عُبَادَةُ وَأَنَا مَعَهُ، حَتَّى صَفَفْنَا خَلْفَ أَبِي نُعَيْمٍ وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ فَجَعَلَ عُبَادَةُ يَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَلَمَّا انْصَرَفَ قُلْتُ لِعُبَادَةَ سَمِعْتُكَ تَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ قَالَ أَجَلْ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْضَ الصَّلَوَاتِ الَّتِي يَجْهَرُ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ قَالَ فَالْتَبَسَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ وَقَالَ ‏"‏ هَلْ تَقْرَءُونَ إِذَا جَهَرْتُ بِالْقِرَاءَةِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ بَعْضُنَا إِنَّا نَصْنَعُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلاَ وَأَنَا أَقُولُ مَا لِي يُنَازَعُنِي الْقُرْآنُ فَلاَ تَقْرَءُوا بِشَىْءٍ مِنَ الْقُرْآنِ إِذَا جَهَرْتُ إِلاَّ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏


Nafi’b. Mahmudb. Al-Rabi’ Al-Ansari said: “Ubadah b. al-samit came to late to lead the morning prayer. Abu Nu’aim, the mu’adhdhin, pronounced the takbir and he led the people in prayer. Then Ubadah came and I was with him. We Joined the row behind Abu Nu’aim, while Abu Nu’aim was reciting the Qur’an loudly. Then ‘Ubadah began to recite the Umm al-Quran (I.e Surah al Fatihah). When he finished, I said to Ubadah: I heard you reciting the Umm al-Qur’an while Abu Nu’aim was reciting Qur’an loudly. He replied: yes> The Messenger of Allah (ﷺ) led us in a certain prayer in which the Qur’an is recited loudly, but he became confused in the recitation. When he finished he turned his face to us and said: Do you recite when I recite the Qur’an loudly? Some of us said: we do so; this is why I said to myself: What is that which confused me (in the recitation of ) the Qur’an. Do not recite anything from the Qur’an when I recite it loudly except the Umm al-Qur’an.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ নাফে ইবনে মাহমূদ ইবনুর-রবী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৩৬. সালাতে কেউ সূরাহ্ পড়া ছেড়ে দিলে

৮২৪। নাফি' ইবনু মাহমুদ ইবনু রাবী‘ আল-আনসারী সূত্রে বর্ণিত। নাফি‘ বলেন, একবার ‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) ফজর সালাতে বিলম্বে উপস্থিত হন। ফলে মুয়াজ্জিন আবূ নু‘আইম (রহঃ) সালাতের তাকবীর বলে লোকদের নিয়ে সালাত আরম্ভ করেন। তখন আমি এবং ‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) উপস্থিত হয়ে আবূ নু‘আইমের পিছনে ইক্বাতিদা করি। আবূ নু‘আইম সালাতে স্বরবে কিরাত পড়ছিলেন। ‘উবাদাহ (রাঃ) (তার পিছনে) সূরাহ ফাতিহা পড়েন। সালাত শেষে আমি ‘উবাদাহ (রাঃ)-কে বললামঃ আবূ নু‘আইমের স্বরবে কিরাত পাঠকালে আমি আপনাকেও সূরাহ ফাতিহা পাঠ করতে শুনলাম?

তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক ওয়াক্তের স্বরব ক্বিরাআতের সালাতে আমাদের ইমামতি করেন। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্বিরাআতের সময় আটকে গেলেন। অতঃপর সলাম শেষে তিনি আমাদের লক্ষ্য করে বলেনঃ আমার স্বরবে কিরাত পাঠকালে তোমরাও কি কিরাত করেছ? জবাবে আমাদের কেউ বলেন, হ্যাঁ আমরাও কিরাত করেছি। তখন তিনি বলেন, এমনটি করবে না। তিনি আরো বলেন, কিরাত পাঠের সময় তাইতো ভাবছিলাম, আমার কুরআন পাঠ কিসে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে? অতএব আমি যখন সালাতে স্বরবে কিরাত করি, তখন তোমরা উম্মুল কুরআন (সূরাহ ফাতিহা) ছাড়া অন্য কিছু পড়বে না।[1]

দুর্বল।

بَابُ مَنْ تَرَكَ الْقِرَاءَةَ فِي صَلَاتِهِ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ

حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ نَافِعٌ: أَبْطَأَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ عَنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ، فَأَقَامَ أَبُو نُعَيْمٍ الْمُؤَذِّنُ الصَّلَاةَ فَصَلَّى أَبُو نُعَيْمٍ بِالنَّاسِ، وَأَقْبَلَ عُبَادَةُ وَأَنَا مَعَهُ، حَتَّى صَفَفْنَا خَلْفَ أَبِي نُعَيْمٍ، وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ فَجَعَلَ عُبَادَةُ يَقْرَأُ أُمَّ الْقُرْآنِ فَلَمَّا انْصَرَفَ، قُلْتُ لِعُبَادَةَ: سَمِعْتُكَ تَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ، قَالَ: أَجَلْ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلي الله عليه وسلم بَعْضَ الصَّلَوَاتِ الَّتِي يَجْهَرُ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ قَالَ: فَالْتَبَسَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، وَقَالَ:هَلْ تَقْرَءُونَ إِذَا جَهَرْتُ بِالْقِرَاءَةِ؟، فَقَالَ بَعْضُنَا: إِنَّا نَصْنَعُ ذَلِكَ، قَالَ: " فَلَا، وَأَنَا أَقُولُ: مَا لِي يُنَازِعُنِي الْقُرْآنُ، فَلَا تَقْرَءُوا بِشَيْءٍ مِنَ الْقُرْآنِ إِذَا جَهَرْتُ إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ "

- ضعيف


Nafi’b. Mahmudb. Al-Rabi’ Al-Ansari said: “Ubadah b. al-samit came to late to lead the morning prayer. Abu Nu’aim, the mu’adhdhin, pronounced the takbir and he led the people in prayer. Then Ubadah came and I was with him. We Joined the row behind Abu Nu’aim, while Abu Nu’aim was reciting the Qur’an loudly. Then ‘Ubadah began to recite the Umm al-Quran (I.e Surah al Fatihah). When he finished, I said to Ubadah: I heard you reciting the Umm al-Qur’an while Abu Nu’aim was reciting Qur’an loudly. He replied: yes> The Messenger of Allah (ﷺ) led us in a certain prayer in which the Qur’an is recited loudly, but he became confused in the recitation. When he finished he turned his face to us and said: Do you recite when I recite the Qur’an loudly? Some of us said: we do so; this is why I said to myself: What is that which confused me (in the recitation of ) the Qur’an. Do not recite anything from the Qur’an when I recite it loudly except the Umm al-Qur’an.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ নাফে ইবনে মাহমূদ ইবনুর-রবী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. নামাযে ইমামের পিছনে উম্মুল কিতাব পড়া ওয়াজিব

১১৯০(৯). ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সায়েদ (রহঃ) ... নাফে' ইবনে মাহমূদ ইবনুর রবী' আল-আনসারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নাফে' (রহঃ) বলেন, (একদা) উবাদা (রাঃ) ফজরের নামায পড়তে বিলম্ব করলেন। মুআযযিন আবু নুআইম (রহঃ) নামাযের ইকামত দিলেন। আর আবু নুআইম (রহঃ)-ই সর্বপ্রথম বায়তুল মুকাদ্দাসে আযান দিয়েছিলেন। অতঃপর আবু নুআইম (রহঃ) লোকদের নিয়ে নামায পড়লেন। উবাদা (রাঃ) এলেন এবং আমি তার সাথে ছিলাম। শেষে আমরা আবু নুআইম (রহঃ)-এর পিছনে কাতারে দাঁড়ালাম। আবু নুআইম (রহঃ) সশব্দে কিরাআত পড়লেন। (ইমামের পিছনে) উবাদা (রাঃ) সূরা আল-ফাতিহা পড়লেন। নামাযশেষে আমি উবাদা (রাঃ)-কে বললাম, অবশ্যই আপনি এমন একটি কাজ করেছেন, আমি জানি না এটি কি সুন্নাত, নাকি আপনি ভুল করেছেন? তিনি বলেন, তা কি? তিনি বলেন, আমি আপনাকে সূরা আল-ফাতিহা পড়তে শুনেছি, যখন আবু নুআইম (রহঃ) সশব্দে কিরাআত পাঠ করেছেন। তিনি বলেন, হাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কোন এক ওয়াক্তের নামায পড়ান, যাতে তিনি সশব্দে কিরাআত পাঠ করেন। তার জন্য কিরাআত পাঠ জটিল অনুভূত হলো। নামাযশেষে তিনি আমাদের দিকে ফিরে বলেন, আমি যখন সশব্দে কিরাআত পড়েছি তখন কি তোমরা কিরাআত পড়েছ? আমাদের কেউ বললেন, অবশ্যই আমরা পড়েছি। তিনি বলেন, এরূপ করো না। তাই আমি বলছিলাম, কি ব্যাপার! আমার সাথে কুরআন নিয়ে বিবাদ করা হচ্ছে! আমি যখন সশব্দে কিরাআত পাঠ করি তখন তোমরা কুরআনের কোন অংশ (কিরাআত) পড়বে না, তবে সূরা আল-ফাতিহা পড়বে। এই হাদীসের সমস্ত রাবী নির্ভরযোগ্য।

بَابُ وُجُوبِ قِرَاءَةِ أُمِّ الْكِتَابِ فِي الصَّلَاةِ وَخَلْفَ الْإِمَامِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ التِّنِّيسِيُّ ، ثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ ، عَنْ مَكْحُولٍ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ الْأَنْصَارِيِّ ، قَالَ نَافِعٌ : أَبْطَأَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ عَنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ ، فَأَقَامَ أَبُو نُعَيْمٍ الْمُؤَذِّنُ الصَّلَاةَ ، وَكَانَ أَبُو نُعَيْمٍ أَوَّلَ مَنْ أَذَّنَ فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ ، فَصَلَّى بِالنَّاسِ أَبُو نُعَيْمٍ ، وَأَقْبَلَ عُبَادَةُ ، وَأَنَا مَعَهُ حَتَّى صَفَفْنَا خَلْفَ أَبِي نُعَيْمٍ ، وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ ، فَجَعَلَ عُبَادَةُ يَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ ، قُلْتُ لِعُبَادَةَ : قَدْ صَنَعْتَ شَيْئًا فَلَا أَدْرِي : أَسُنَّةٌ هِيَ أَمْ سَهْوٌ كَانَ مِنْكَ ! قَالَ : وَمَا ذَاكَ ؟ قَالَ : سَمِعْتُكَ تَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ، وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ ، قَالَ : أَجَلْ ؛ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - بَعْضَ الصَّلَوَاتِ الَّتِي يُجْهَرُ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ ، فَالْتَبَسَتْ عَلَيْهِ الْقِرَاءَةُ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ ، فَقَالَ " هَلْ تَقْرَءُونَ إِذَا جَهَرْتُ بِالْقِرَاءَةِ " ، فَقَالَ بَعْضُنَا : إِنَّا لَنَصْنَعُ ذَلِكَ ، قَالَ : " فَلَا تَفْعَلُوا ، وَأَنَا أَقُولُ : مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ ؟! فَلَا تَقْرَءُوا بِشَيْءٍ مِنَ الْقُرْآنِ إِذَا جَهَرْتُ إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ " . كُلُّهُمْ ثِقَاتٌ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফে ইবনে মাহমূদ ইবনুর-রবী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. নামাযে ইমামের পিছনে উম্মুল কিতাব পড়া ওয়াজিব

১১৯৩(১২). আবু মুহাম্মাদ ইবনে সায়েদ (রহঃ) ... নাফে ইবনে মাহমূদ ইবনুর-রবী (রহঃ) থেকে পূর্বের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তিনি উবাদা ইবনুস্ সামিত (রাঃ)-কে সূরা আল-ফাতিহা পড়তে শুনলেন। আর আবু নু'ম (রহঃ) সশব্দে কিরাআত পড়ছিলেন। আমি বললাম, আমি আপনাকে নামাযের মধ্যে কিছু করতে দেখেছি। তিনি বলেন, তা কি? রাবী বলেন, আমি আপনাকে (নামাযে) সূরা আল-ফাতিহা পড়তে শুনেছি। তখন আবু নু'ম (রহঃ) সশব্দে কিরাআত পড়ছিলেন। তিনি বলেন, হাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে সশব্দে কিরাআত পাঠ করা হয় এমন এক ওয়াক্তের নামায পড়েন। নামাযশেষে তিনি বলেনঃ আমি যখন সশব্দে কিরাআত পড়েছি তখন তোমাদের কেউ কি কুরআনের কোন অংশ পড়েছে? আমরা বললাম, হাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাই আমি (মনে মনে) বলছিলাম, কি ব্যাপার! আমার সাথে কুরআন নিয়ে বিবাদ করা হচ্ছে কেন? আমি যখন সশব্দে কিরাআত পড়বো তখন তোমাদের কেউ যেন কুরআনের কোন অংশ না পড়ে, অবশ্য সূরা আল-ফাতিহা পড়বে। এই সনদসূত্র হাসান এবং তার সমস্ত রাবী নির্ভরযোগ্য। এই হাদীস ইয়াহইয়া আল-বাবিলতী (রহঃ) সাদাকা-যায়েদ ইবনে ওয়াকিদ-উসমান ইবনে আবু সাওদা (রহঃ)-নাফে ইবনে মাহমূদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

بَابُ وُجُوبِ قِرَاءَةِ أُمِّ الْكِتَابِ فِي الصَّلَاةِ وَخَلْفَ الْإِمَامِ

حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ صَاعِدٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَنْجَوَيْهِ ، وَأَبُو زُرْعَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو الدِّمَشْقِيُّ - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَا : نَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ الصُّورِيُّ ، ثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ ، ثَنَا زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ ، عَنْ حَرَامِ بْنِ حَكِيمٍ ، وَمَكْحُولٍ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ - كَذَا قَالَ - " أَنَّهُ سَمِعَ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ يَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ، وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ ، فَقُلْتُ : رَأَيْتُكَ صَنَعْتَ فِي صَلَاتِكَ شَيْئًا ؟ قَالَ : وَمَا ذَاكَ ؟ قَالَ : سَمِعْتُكَ تَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ ، وَأَبُو نُعَيْمٍ يَجْهَرُ بِالْقِرَاءَةِ ؛ قَالَ : نَعَمْ ، صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - بَعْضَ الصَّلَوَاتِ الَّتِي يَجْهَرُ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ : " مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ يَقْرَأُ شَيْئًا مِنَ الْقُرْآنِ إِذَا جَهَرْتُ بِالْقِرَاءَةِ ؟ " . قُلْنَا : نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " وَأَنَا أَقُولُ مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ ، لَا يَقْرَأَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ شَيْئًا مِنَ الْقُرْآنِ إِذَا جَهَرْتُ بِالْقِرَاءَةِ ، إِلَّا بِأُمِّ الْقُرْآنِ " . هَذَا إِسْنَادٌ حَسَنٌ ، وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ كُلُّهُمْ . وَرَوَاهُ يَحْيَى الْبَابُلُتِّيُّ ، عَنْ صَدَقَةَ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ مَحْمُودٍ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফে ইবনে মাহমূদ ইবনুর-রবী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. নামাযে ইমামের পিছনে উম্মুল কিতাব পড়া ওয়াজিব

১১৯৪(১৩). ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সায়েদ (রহঃ) ... নাফে ইবনে মাহমুদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ)-এর নিকট এলাম। অতএব তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তাতে তিনি বলেন, অবশ্যই তোমাদের কেউ কিরাআত পড়বে না, তবে সূরা আল-ফাতিহা পড়বে। কেননা যে ব্যক্তি সূরা আল-ফাতিহা পড়ে না তার নামায হয় না।

بَابُ وُجُوبِ قِرَاءَةِ أُمِّ الْكِتَابِ فِي الصَّلَاةِ وَخَلْفَ الْإِمَامِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ ، ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ سَيْفٍ الْحَرَّانِيُّ ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الضَّحَّاكِ ، ثَنَا صَدَقَةُ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ مَحْمُودٍ ، قَالَ : أَتَيْتُ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ ... فَذَكَرَ عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : نَحْوَهُ ، وَقَالَ فِيهِ : " فَلَا يَقْرَأَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمْ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ؛ فَإِنَّهُ لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِهَا


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফে ইবনে মাহমূদ ইবনুর-রবী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৫ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে