উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 20 টি

পরিচ্ছেদঃ ১০. জুমু'আর সালাতে যা পড়া হবে

১৯০০। কুতায়বা ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রহঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, মারওয়ান আবূ হুরায়রা (রাঃ) কে তার স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করলেন। অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে কুতায়বার উসতাদ হাতিমের বর্ণনায় এ কথা রয়েছে যে, তিনি সূরা জুমু'আহ পাঠ করলেন প্রথম রাক'আতে এবং দ্বিতীয় রাক'আতে পাঠ করলেন "ইয়া জাআকাল মুনাফিকুন"। আবদুল আযীযের রিওয়ায়াতে সুলায়মান ইবনু বিলালের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

باب مَا يُقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْجُمُعَةِ ‏

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالاَ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - كِلاَهُمَا عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ اسْتَخْلَفَ مَرْوَانُ أَبَا هُرَيْرَةَ ‏.‏ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّ فِي، رِوَايَةِ حَاتِمٍ فَقَرَأَ بِسُورَةِ الْجُمُعَةِ فِي السَّجْدَةِ الأُولَى وَفِي الآخِرَةِ ‏(‏ إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ‏)‏ وَرِوَايَةُ عَبْدِ الْعَزِيزِ مِثْلُ حَدِيثِ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ ‏.‏


This hadith is narrated by Abdullah b. Abu Rafi' with the same chain of transmitters but with this modification: " That he recited Surah Jumu'a (lxii.) in the first rak'ah and" The hypocrites came" in the second rak'ah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. খারিজীদের হত্যা করতে উৎসাহ দান

২৩৩৯। আবুত তাহির ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ... রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আযাদকৃত গোলাম উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। যখন খারেজী সম্প্রদায়ের লোকেরা বেরিয়ে গেল তখন তিনি (রাবী) আলী (রাঃ) এর সাথে ছিলেন, তারা বলতে লাগল যে, "হুকুম একমাত্র আল্লাহর" তখন আলী (রাঃ) বললেন, কথা তো হক কিন্তু এর উদ্দেশ্য বাতিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় লোকের নিদর্শন বর্ণনা করেছেন, এ নিদর্শনগুলো এদের মাঝে আমি অবশ্যই দেখতে পাচ্ছি। দেখতে পাচ্ছি তারা মুখে সত্য কথা বলবে কিন্তু এ কথা তাদের এস্থানও অতিক্রম করবে না। এ সময় তিনি কণ্ঠনালীর দিকে ইশারা করেছেন। তারা সৃষ্টি জগতের সর্বাপেক্ষা ঘৃণিত লোক। তাদের মধ্যে একজন কাল লোক রয়েছে। তার একটি হাত বকরীর স্তনের মত অথবা স্তনের বোটার মত।

যখন আলী (রাঃ) তাদেরকে হত্যা করলেন তখন তিনি বললেন, তোমরা (তাকে) তালাশ কর। তারা তালাশ করলেন কিন্তু কিছুই পেলেন না। এরপর তিনি বললেন, তোমরা ফিরে যাও, আল্লাহর শপথ! আমি মিথ্যা বলিনি এবং আমার নিকট মিথ্যা বলা হয়নি, একথা তিনি দু'বার কিংবা তিনবার বললেন। অতঃপর তারা তাকে লাশের স্তুপের মধ্যে পেয়ে আলী (রাঃ) এর নিকট নিয়ে আসলেন এবং তার সামনে রেখে দিলেন।

উবায়দুল্লাহ (রহঃ) বলেন, তাদের বিষয়টি আমি প্রত্যক্ষ করেছি এবং তাদের সম্পর্কে আলী (রাঃ) যা বলেছেন আমি তা শুনেছি। ইউনূস (রহঃ) এর রিওয়ায়াতে তিনি এ কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, বুকায়র বলেন, এক ব্যাক্তি ইবন হুনায়ন থেকে আমাকে বর্ণনা করেছেন, ইবনু হুনায়ন (রহঃ) বলেছেন, আমি কাল লোকটিকে দেখেছি।

باب التحريض على قتل الخوارج

حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَيُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ الْحَرُورِيَّةَ لَمَّا خَرَجَتْ وَهُوَ مَعَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رضى الله عنه - قَالُوا لاَ حُكْمَ إِلاَّ لِلَّهِ ‏.‏ قَالَ عَلِيٌّ كَلِمَةُ حَقٍّ أُرِيدَ بِهَا بَاطِلٌ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَصَفَ نَاسًا إِنِّي لأَعْرِفُ صِفَتَهُمْ فِي هَؤُلاَءِ ‏ "‏ يَقُولُونَ الْحَقَّ بِأَلْسِنَتِهِمْ لاَ يَجُوزُ هَذَا مِنْهُمْ - وَأَشَارَ إِلَى حَلْقِهِ - مِنْ أَبْغَضِ خَلْقِ اللَّهِ إِلَيْهِ مِنْهُمْ أَسْوَدُ إِحْدَى يَدَيْهِ طُبْىُ شَاةٍ أَوْ حَلَمَةُ ثَدْىٍ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا قَتَلَهُمْ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ - رضى الله عنه - قَالَ انْظُرُوا ‏.‏ فَنَظَرُوا فَلَمْ يَجِدُوا شَيْئًا فَقَالَ ارْجِعُوا فَوَاللَّهِ مَا كَذَبْتُ وَلاَ كُذِبْتُ ‏.‏ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا ثُمَّ وَجَدُوهُ فِي خَرِبَةٍ فَأَتَوْا بِهِ حَتَّى وَضَعُوهُ بَيْنَ يَدَيْهِ ‏.‏ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ وَأَنَا حَاضِرُ ذَلِكَ مِنْ أَمْرِهِمْ ‏.‏ وَقَوْلِ عَلِيٍّ فِيهِمْ زَادَ يُونُسُ فِي رِوَايَتِهِ قَالَ بُكَيْرٌ وَحَدَّثَنِي رَجُلٌ عَنِ ابْنِ حُنَيْنٍ أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ ذَلِكَ الأَسْوَدَ ‏.‏


'Ubaidullah b. Abu Rafi', the freed slave of the Messenger of Allah (ﷺ), said: When Haruria (the Khawarij) set out and as he was with 'Ali b. Abu Talib (Allah be pleased with him) they said, "There is no command but that of Allah." Upon this 'Ali said: The statement is true but it is intentionally applied (to support) a wrong (cause). The Messenger of Allah (ﷺ) described their characteristics and I found these characteristics in them. They state the truth with their tongue, but it does not go beyond this part of their bodies (and the narrator pointed towards his throat). The most hateful among the creation of Allah is one black man among them (Khawarij). One of his hand is like the teat of a goat or the nipple of the breast. When 'Ali b. Abu Talib (Allah be pleased with him) killed them, he said: Search (for his dead body). They searched for him, but they did not find it (his dead body). Upon this he said: Go (and search for him). By Allah, neither I have spoken a lie nor has the lie been spoken to me. 'Ali said this twice and thrice. They then found him (the dead body) in a rain. They brought (his dead) body till they placed it before him (Hadrat 'Ali). 'Ubaidullah said: And, I was present at (that place) when this happened and when 'Ali said about them. A person narrated to me from Ibn Hanain that he said: I saw that black man.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. হাতিব ইবন আবু বালতা'আ (রাঃ) এবং বদরী সাহাবীগণ (রাঃ) এর ফযীলত

৬১৭৬। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা, আমর নাকিদ, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ... আলী (রাঃ) এর কাতিব উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি আলী (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার এবং যুবায়র, মিকদাদ (রাঃ) কে (বিশেষ কাজে) পাঠালেন এবং বললেনঃ তোমরা রাওযা খাখ (মদ্বীনার নিকটবর্তী একটি স্থানের নাম) যাও। সেখানে উটের পিঠে আরোহি এক মহিলা আছে। তার কাছে একখানা গোপন চিঠি আছে। তোমরা তার কাছ থেকে সেটা নিয়ে এসো। আমরা ঘোড়ার পিঠে আরোহণ করে ছুটে চললাম। সেখানে আমরা এক মহিলাকে দেখতে পেলাম।

আমরা তাকে বললাম, চিঠি বের করে দাও সে বলল, আমার কাছে কোন চিঠি নেই। আমরা বললাম, তোমাকে চিঠি বের করতেই হবে, অন্যথায় তোমার পোশাকাদি খুলে ফেলেতে হবে। এরপর সে তার চুলের বেনীর মধ্য থেকে তা বের করে দিল। তখন আমরা তা নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। চিঠিতে দেখা গেল যে, হাতিব ইবনু আবূ বালতা (রাঃ) এর পক্ষ থেকে মক্কার কতক মুশরিকের প্রতি লেখা ছিল। তিনি (এই চিঠিতে) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় বিষয় সম্পর্কে তাদের অবহিত করছিলেন (গুরুত্বপূর্ণ কাজের গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন)।

তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে হাতিব! তুমি একি কাজ করলে? সে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিবেন না। আমি কুরায়শ সংযুক্ত একজন লোক। সুফয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি তাদের (চুক্তিবদ্ধ) মিত্র ছিলেন, তাদের গোত্রভুক্ত ছিলেন না। আর আপনার মুহাজির সাহাবীদের অনেকের আত্মীয় স্বজন সেখানে রয়েছে, যাদের বদৌলতে তাদের পরিবার পরিজনের নিরপত্তা নিশ্চিত হচ্ছিল। তাই আমি মনস্থ করলাম যে, কুরায়শের শঙ্গে যখন আমার কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই তখন তাদের প্রতি এমন কোন (কাজ) উপকার করি যার কারনে তারা আমার পরিবার পরিজন রক্ষা করবে। আমি এ কাজটি এজন্য করিনি যে, আমি কাফির হয়ে গেছি কিংবা দ্বীন থেকে মুরতাদ হয়েছি। আমি ইসলাম গ্রহনের পরে কফরের প্রতি আসক্তও হইনি।

এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে সত্যই বলেছ। উমর (রাঃ) বললেন ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এই মুনাফিকের গর্দান উড়িয়ে দেই। তখন তিনি বললেন, সে তো বদর যুদ্ধে শরীক হয়েছিল এবং তুমি কি জান যে (এমন হতে পারে যে) আল্লাহ্‌ বদরী (সাহাবী)–দের প্রতি দর্শন দিয়ে বলেছেনঃ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ অর্থাৎ “তোমরা যা খুশী করতে পার, আমি তোমাদের (অগ্রিম) ক্ষমা করে দিয়েছি”। এরপর আল্লাহ্‌ তা’আলা এই আয়াত নাযিল করেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ‏ অর্থাৎ “হে মুমিনগণ! আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরুপে গ্রহন কর না”। (সূরা মুমতাহানাঃ ১)।

আবূ বকর ও যুহায়র বর্ণিত হাদিসে আয়াতের উল্লেখ নেই। আর ইসহাক তাঁর বর্ণনায় আয়তটিকে সুফিয়ানের তিলাওয়াত হিসাবে গণ্য করেছেন।

باب مِنْ فَضَائِلِ أَهْلِ بَدْرٍ رضى الله عنهم وَقِصَّةِ حَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ - وَاللَّفْظُ لِعَمْرٍو - قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ، عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرٍو، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي رَافِعٍ، - وَهُوَ كَاتِبُ عَلِيٍّ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا، رضى الله عنه وَهُوَ يَقُولُ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَالزُّبَيْرَ وَالْمِقْدَادَ فَقَالَ ‏"‏ ائْتُوا رَوْضَةَ خَاخٍ فَإِنَّ بِهَا ظَعِينَةً مَعَهَا كِتَابٌ فَخُذُوهُ مِنْهَا ‏"‏ ‏.‏ فَانْطَلَقْنَا تَعَادَى بِنَا خَيْلُنَا فَإِذَا نَحْنُ بِالْمَرْأَةِ فَقُلْنَا أَخْرِجِي الْكِتَابَ ‏.‏ فَقَالَتْ مَا مَعِي كِتَابٌ ‏.‏ فَقُلْنَا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ ‏.‏ فَأَخْرَجَتْهُ مِنْ عِقَاصِهَا فَأَتَيْنَا بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا فِيهِ مِنْ حَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ إِلَى نَاسٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ يُخْبِرُهُمْ بِبَعْضِ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يَا حَاطِبُ مَا هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ تَعْجَلْ عَلَىَّ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ امْرَأً مُلْصَقًا فِي قُرَيْشٍ - قَالَ سُفْيَانُ كَانَ حَلِيفًا لَهُمْ وَلَمْ يَكُنْ مِنْ أَنْفُسِهَا - وَكَانَ مِمَّنْ كَانَ مَعَكَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ لَهُمْ قَرَابَاتٌ يَحْمُونَ بِهَا أَهْلِيهِمْ فَأَحْبَبْتُ إِذْ فَاتَنِي ذَلِكَ مِنَ النَّسَبِ فِيهِمْ أَنْ أَتَّخِذَ فِيهِمْ يَدًا يَحْمُونَ بِهَا قَرَابَتِي وَلَمْ أَفْعَلْهُ كُفْرًا وَلاَ ارْتِدَادًا عَنْ دِينِي وَلاَ رِضًا بِالْكُفْرِ بَعْدَ الإِسْلاَمِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صَدَقَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ دَعْنِي يَا رَسُولَ اللَّهِ أَضْرِبْ عُنُقَ هَذَا الْمُنَافِقِ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّهُ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ اللَّهَ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ‏)‏ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ وَزُهَيْرٍ ذِكْرُ الآيَةِ وَجَعَلَهَا إِسْحَاقُ فِي رِوَايَتِهِ مِنْ تِلاَوَةِ سُفْيَانَ ‏.‏


Ubaidullah b. Rafi', who was the scribe of 'All, reported: I heard 'Ali (Allah be pleased with him) as saying: Allah's Messenger (ﷺ) sent me and Zubair and Miqdad saying: Go to the garden of, Khakh [it is a place between Medina and Mecca at a distance of twelve miles from Medina] and there you will find a woman riding a camel. She would be in possession of a letter, which you must get from her. So we rushed on horses and when we met that woman, we asked her to deliver that letter to us. She said: There is no letter with me. We said: Either bring out that letter or we would take off your clothes. She brought out that letter from (the plaited hair of) her head. We delivered that letter to Allah's Messenger (ﷺ) in which Hatib b. Abu Balta'a had informed some people amongst the polytheists of Mecca about the affairs of Allah's Messenger (ﷺ). Allah's Messenger (ﷺ) said: Hatib, what is this? He said: Allah's messenger, do not be hasty in judging my intention. I was a person attached to the Quraish. Sufyan said: He was their ally but had no relationship with them. (Hatib further said): Those who are with you amongst the emigrants have blood-relationship with them (the Quraish) and thus they would protect their families. I wished that when I had no blood-relationship with them I should find some supporters from (amongst them) who would help my family. I have not done this because of any unbelief or apostasy and I have no liking for the unbelief after I have (accepted) Islam. Thereupon Allah's Apostle (ﷺ) said: You have told the truth. 'Umar said: Allah's Messenger, permit me to strike the neck of this hypocrite. But he (the Holy Prophet) said: He was a participant in Badr and you little know that Allah revealed about the people of Badr: Do what you like for there is forgiveness for you. And Allah, the Exalted and Glorious, said:" O you who believe, do not take My enemy and your enemy for friends" (lx. 1). And there is no mention of this verse in the hadith transmitted on the authority of Abu Bakr and Zubair and Ishaq has in his narration made a mention of the recitation of this verse by Sufyan.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫. নব-জাতকের কানে আযান দেয়া- সম্পর্কে।

৫০১৭. মুসাদ্দাদ (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবন আবূ রাফি (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আযান দিতে দেখেছি হাসান ইবন আলী (রাঃ)-এর কানে, যখন ফাতিমা (রাঃ) তাকে প্রসব করেন, নামাযের আযানের ন্যায়।

باب فِي الصَّبِيِّ يُولَدُ فَيُؤَذَّنُ فِي أُذُنِهِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَذَّنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ - حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ - بِالصَّلاَةِ ‏.‏


Narrated AbuRafi': I saw the Messenger of Allah (ﷺ) uttering the call to prayer (Adhan) in the ear of al-Hasan ibn Ali when Fatimah gave birth to him.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫/৯০. জুমু‘আহর সলাতের কিরাআত।

১/১১১৮। উবাঈদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রহ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মারওয়ান ইবনুল হাকাম আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) কে মদিনা্য় তার স্থলাভিষিক্ত করে মক্কা্য় যান। আবূ হুরাইরাহ আমাদের নিয়ে জুমুআহর দিন সালাত (নামায/নামাজ) পড়লেন। তিনি প্রথম রাকআতে সূরাহ জুমুআহ এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরাহ ইযা জাআকাল মুনাফিকূন পড়েন। উবাঈদুল্লাহ্ (রহ ) বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সালাত থেকে অবসর হলে আমি তাকে বললাম, আপনি এমন দুটি সূরাহ পড়লেন, যা আলী (রাঃ) কূফায় পড়েছিলেন। আবূ হুরাইরাহ বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ দুটি সূরাহ পড়তে শুনেছি।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقِرَاءَةِ فِي الصَّلَاةِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَدَنِيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ اسْتَخْلَفَ مَرْوَانُ أَبَا هُرَيْرَةَ عَلَى الْمَدِينَةِ فَخَرَجَ إِلَى مَكَّةَ فَصَلَّى بِنَا أَبُو هُرَيْرَةَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَرَأَ بِسُورَةِ الْجُمُعَةِ فِي السَّجْدَةِ الأُولَى وَفِي الآخِرَةِ ‏(إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ)‏ ‏.‏ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ فَأَدْرَكْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ حِينَ انْصَرَفَ فَقُلْتُ لَهُ إِنَّكَ قَرَأْتَ بِسُورَتَيْنِ كَانَ عَلِيٌّ يَقْرَأُ بِهِمَا بِالْكُوفَةِ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقْرَأُ بِهِمَا ‏.‏


It was narrated that ‘Ubaidullah bin Abu Rafi’ said: “Marwan appointed Abu Hurairah in charge of Al-Madinah, and set out for Makkah. Abu Hurairah led us in prayer on Friday, and he recited Surat Al-Jumu’ah in the first Rak’ah, and in the second, ‘When the hypocrites come to you,” [Al-Munafiqun (63)] ‘Ubaidullah said: “I caught up with Abu Hurairah when he finished and said to him: ‘You recited two Surah that ‘Ali used to recite in Kufah.’ Abu Hurairah said: ‘I heard the Messenger of Allah (ﷺ) reciting them.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫/১৪৬. সলাতের অবস্থায় সাপ ও বিছা হত্যা করা।

৩/১২৪৭। ইবনু আবূ রাফি (রহঃ) থেকে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায/নামাজ) অবস্থায় একটি বিছা হত্যা করেন।

بَاب مَا جَاءَ فِي قَتْلِ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ، حَدَّثَنَا مَنْدَلٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَتَلَ عَقْرَبًا وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ ‏.‏


It was narrated from Ibn Abu Rafi’, from his father, from his grandfather, that the Prophet (ﷺ) killed a scorpion while he was praying.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩/৩৮. খেজুর

২/৩৩২৮। উবাইদুল্লাহ ইবনে আবূ রাফে (রাঃ) থেকে তাঁর দাদী সালমা (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ঘরে খেজুর নেই সে ঘর খাদ্যশূন্য ঘরের ন্যায়।

بَاب التَّمْرِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ جَدَّتِهِ، سَلْمَى أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ بَيْتٌ لاَ تَمْرَ فِيهِ كَالْبَيْتِ لاَ طَعَامَ فِيهِ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from ‘Ubaidullah bin Abu Rafi’, from his grandmother Salma, that the Prophet (ﷺ) said: “A house in which there are no dates is like a house in which there is no food.”


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ সূরা আল-মুমতাহিনা

৩৩০৫. ইবন আবু উমর (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবন আবু রাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি আলী ইবন আবু তালিবকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এবং যুবায়র ও মিকদাদ ইবন আসওয়াদকে এক অভিযানে প্রেরণ করেন। তিনি বললেন তোমরা "রওযা এ খাখ" নামক স্থানে যবে। সেখানে এক উষ্ট্রারহীনী মহীলা পাবে। তার কাছে একটি (গোপন) পত্র আছে। তা তার কাছ থেকে সংগ্রহ করে আমার নিকট নিয়ে আসবে। আমরা বের হয়ে পড়লাম। এবং আমাদের ঘোড়া দ্রুত ছুটিয়ে রাওযা-এ-খাখে এসে সেখানে এক উষ্ট্রারহীনী মহিলা পেলাম। আমরা বললাম পত্রটি বের কর।

সে বলল আমার সাথে কোন চিঠি নেই। আমরা বললামঃ পত্রটি বের কর নয়তো কাপড় খুলে ফেলা হবে।

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ সে তার চুলের বেনীর ভিতর থেকে পত্রটি বের করে দিল। আমরা সেটি নিয়ে রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। দেখা গেল যে হাতিব ইবন আবূ বালতা'আ এর পক্ষ থেকে মক্কার কতিপয় মুশরিকের কাছে এটি লেখা হয়েছে এবং এতে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু বিশেষ বিষয় (মক্কা অভিযান) সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়েছে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন হে হাতিব! এটা কি?

হাতিব বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার ক্ষেত্রে (ফায়সালা দিতে) ত্বরা করবেন না। আমি মূলত কুরায়শী নই। তাদের সঙ্গে সংযুক্ত এক ব্যক্তি মাত্র। আপনার সঙ্গে যে সকল মুহাজির রয়েছেন, তাদের সবারই কুরায়শদের নিকট আত্মিয়তার সম্পর্ক আছে। এ কারণে কুরায়শরা তাদের মক্কাস্থিত পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের হেফাজত করে থাকে। আমি চাইলাম তাদের সঙ্গে উক্ত সম্পর্ক না থাকায় যখন ঐ সুযোগ আমার নেই, তখন তাদের উপর একটা ইহসান ও দয়ার ব্যাবহার করে রাখি যাতে আমার আত্মীয়-পরিজনদের তারা হেফাযত করে। এ কাজটি আমি কুফরী এবং আমার ধর্মচ্যুতি কুফরীর প্রতি সন্তুষ্টির কারণে করিনি।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সত্য কথা বলেছে। উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন আমাকে ছেড়ে (অনুমতি) দিন ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই মুনাফিকটির গর্দান উড়িয়ে দেই।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ (হাতিব) তো বদরে হাযির ছিল। তোমার কি জানা আছে সম্ভবত আল্লাহ তা’আলা বদরীদেও প্রতি নজর দিবেন এবং বলে দিবেন তোমরা যা ইচ্ছা করতে পার; তোমাদের আমি মাফ করে দিলাম। এ প্রসঙ্গে এ সূরাটি নাযিল হয়ঃ

يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ

হে মুমিনগণ! আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুদের বন্ধুরুপে গ্রহণ করবে না। (সূরা মুমতাহানা ৬০ঃ ১) বর্ণনানাকারী আমর (রহঃ) বলেনঃ আমি ইবন আবু রাফি’ (রহঃ)-কে দেখেছি। তিনি ছিলেন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর লিপিকার। 

সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২৩৮১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয় উমার ও জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। একাধিক রাবী এই হাদীসটি সুফয়ান ইবন উরয়ায়না (রহঃ) এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তারা তাতে এ বাক্যটিরও উল্লেখ করেছেন (لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ) এটি আবু আবদুর রাজ্জাক সুলামী (রহঃ) সূত্রে আলী ইবন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কোন রাবী এতে উল্লেখ করেছেনঃ (لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنُجَرِّدَنَّكِ)।

بَابٌ: وَمِنْ سُورَةِ الْمُمْتَحِنَةِ

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، هُوَ ابْنُ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، يَقُولُ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَالزُّبَيْرَ وَالْمِقْدَادَ بْنَ الأَسْوَدِ فَقَالَ ‏"‏ انْطَلِقُوا حَتَّى تَأْتُوا رَوْضَةَ خَاخٍ فَإِنَّ بِهَا ظَعِينَةً مَعَهَا كِتَابٌ فَخُذُوهُ مِنْهَا فَائْتُونِي بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَخَرَجْنَا تَتَعَادَى بِنَا خَيْلُنَا حَتَّى أَتَيْنَا الرَّوْضَةَ فَإِذَا نَحْنُ بِالظَّعِينَةِ فَقُلْنَا أَخْرِجِي الْكِتَابَ ‏.‏ فَقَالَتْ مَا مَعِي مِنْ كِتَابٍ ‏.‏ فَقُلْنَا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ ‏.‏ قَالَ فَأَخْرَجَتْهُ مِنْ عِقَاصِهَا ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْنَا بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا هُوَ مِنْ حَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ إِلَى نَاسٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ بِمَكَّةَ يُخْبِرُهُمْ بِبَعْضِ أَمْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ مَا هَذَا يَا حَاطِبُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ تَعْجَلْ عَلَىَّ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ امْرَأً مُلْصَقًا فِي قُرَيْشٍ وَلَمْ أَكُنْ مِنْ أَنْفُسِهَا وَكَانَ مَنْ مَعَكَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ لَهُمْ قَرَابَاتٌ يَحْمُونَ بِهَا أَهْلِيهِمْ وَأَمْوَالَهُمْ بِمَكَّةَ فَأَحْبَبْتُ إِذْ فَاتَنِي ذَلِكَ مِنْ نَسَبٍ فِيهِمْ أَنْ أَتَّخِذَ فِيهِمْ يَدًا يَحْمُونَ بِهَا قَرَابَتِي وَمَا فَعَلْتُ ذَلِكَ كُفْرًا وَلاَ ارْتِدَادًا عَنْ دِينِي وَلاَ رِضًا بِالْكُفْرِ بَعْدَ الإِسْلاَمِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صَدَقَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضى الله عنه دَعْنِي يَا رَسُولَ اللَّهِ أَضْرِبْ عُنُقَ هَذَا الْمُنَافِقِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّهُ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا فَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ اللَّهَ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِيهِ أُنْزِلَتْ هَذِهِ السُّورَةُ ‏:‏ ‏(‏يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ ‏)‏ السُّورَةَ ‏.‏ قَالَ عَمْرُو وَقَدْ رَأَيْتُ ابْنَ أَبِي رَافِعٍ وَكَانَ كَاتِبًا لِعَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِيهِ عَنْ عُمَرَ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَرَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ هَذَا الْحَدِيثَ نَحْوَ هَذَا وَذَكَرُوا هَذَا الْحَرْفَ فَقَالُوا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ أَيْضًا عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ نَحْوُ هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏ وَذَكَرَ بَعْضُهُمْ فِيهِ فَقَالَ لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنُجَرِّدَنَّكِ ‏.‏


Al-Hasan bin Muhammad – and he is Al-Hanafiyyah- narrated from Ubaidallah bin Abi Rafi who said: “I heard Ali bin Abi Talib saying: “the Messenger of Allah dispatched us – myself, Az-Zubair, and Al-Miqad bin Al- Aswad. He said: “Proceed until you reach Rawdah Khakh, where there is a lady carrying a letter. Take the letter from her and bring it to me.” So we proceeded on our way with our horses galloping until we reached the Rawdah. There we found the lady and said to her: “Give me the letter.” She said: “I have no letter.” We said: “Either you take out the letter, or we shall take off your clothes.’” He said: ‘So she took it out of her braid.’ He said: ‘We brought it to the Messenger of Allah, and it was from Hatib bin Abi Balta’ah, addressed to some of people among the idolaters of Makkah, infrmed them of some matter regarding the Prophet. So he said: “What is this O Hatib?” He said: “Do not be hasty with me O Messenger of Allah! I was a person who is an ally to the Quraish, not being related to them. The Muhajirun who are with you have relatives who can protect their families and their wealth in Makkah. So since I have no lineage among them, I wanted to do them a favor, so they might protect my relatives. I did not do this out of disbelief, nor to renegade from my religion, nor did I do it to chose disbelief [after Islam].” The Prophet said: “He said the truth.” Umar bin Al-Khattab said: “Allow me to chop off the head of this hypocrite!” The Prophet said: “Indeed he participated in (the battle of) Badr. You do not know, perhaps Allah looked at those who attended Badr and said: ‘O people of Badr! Do as you like, for I have forgiven you.’” He said: ‘It was about him, that this Surah was revealed: O you who believe! Do not take My enemies and your enemies as protecting friends showing affection towards them.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. সদ্য প্রসূত শিশুর কানে আযান দেওয়া

১৫১৪। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (আবূ রাফি) বলেন, ফাতিমা (রাঃ) হাসান ইবনু আলী (রাঃ)-কে প্রসব করলে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হাসানের কানে নামাযের আযানের মতই আযান দিতে দেখেছি।

যঈফ, যঈফা নতুন সংস্করণ (১/৪৯৩)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আকীকা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হাদীস "ছেলে সন্তানের পক্ষ হতে সমবয়সী দুটি বকরী এবং মেয়ে সন্তানের পক্ষ হতে একটি বকরী যবেহ করতে হবে" অনুযায়ী আমল করতে হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আরো বর্ণিত আছে যে, তিনি একটি বকরী দিয়ে হাসান ইবনু আলীর আকীকা করেছেন। একদল বিশেষজ্ঞ আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করার পক্ষে মত দিয়েছেন।

باب الأَذَانِ فِي أُذُنِ الْمَوْلُودِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالاَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَذَّنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ بِالصَّلاَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي الْعَقِيقَةِ عَلَى مَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنِ الْغُلاَمِ شَاتَانِ مُكَافِئَتَانِ وَعَنِ الْجَارِيَةِ شَاةٌ ‏.‏ - وَرُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَيْضًا أَنَّهُ عَقَّ عَنِ الْحَسَنِ بِشَاةٍ وَقَدْ ذَهَبَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِلَى هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏


Narrated 'Ubaidullah bin Abi Rafi': That his father said: "I saw the Messenger of Allah (ﷺ) say the Adhan in the ear of Al-Hasan bin 'Ali - when he was born to Fatimah - the Adhan of Salat."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬১. সূরা আল-মুমতাহিনাহ

৩৩০৫। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবূ তলিব-এর পুত্র ‘আলী (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে অর্থাৎ আমাকে, যুবাইরকে ও মিক্‌দাদ ইবনুল আসওয়াদকে (চিঠি উদ্ধারের জন্য) পাঠিয়ে বললেনঃ তোমরা রাওনা হয়ে রাওযা খাখ’ নামক জায়গায় পৌছে যাও, সেখানে (মাক্কার লক্ষ্যে) গমনরত এক নারীকে পাওয়া যাবে। তার নিকট একটি পত্র আছে। তোমরা তার নিকট হতে সেই পত্র উদ্ধার করে তা সরাসরি আমার নিকট নিয়ে আসবে। অতঃপর আমরা রাওনা হয়ে গেলাম। আমাদেরকে নিয়ে আমাদের ঘোড়া অতীব দ্রুত গতিতে এগিয়ে গেল এবং আমরা সেই রাওযা খাখ’ নামক জায়গায় গিয়ে পৌছলাম।

আমরা সেই নারীকে সেখানে পেয়ে গেলাম। আমরা তাকে বললাম, পত্রটি বের করে দাও। সে বলল, আমার সঙ্গে কোন পত্র নেই। আমরা বললাম, অবশ্যই তুমি পত্রটি বের করে দাও, তা না হলে তোমার পরিধেয় পোশাক ত্যাগ কর। আলী (রাযিঃ) বলেন, সে তার চুলের খোপা হতে অবশেষে পত্রটি বের করে দিল এবং তা নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আমরা হাযির হলাম। দেখা গেল যে, এটি মাক্কার কিছু সংখ্যক মুশরিকের লক্ষ্যে লিখিত হাতিব ইবনু আবী বালতা'আর পত্র। তিনি এই পত্রের মাধ্যমে তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কিছু পদক্ষেপ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে হাতিব! এ কি? হাতিব (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পর্কে তাড়াতাড়ি করে কোন পদক্ষেপ নিবেন না। আমি কুরাইশদের সঙ্গে বসবাস করতাম, কিন্তু আমি তাদের সম্প্রদায়ের লোক নই। যে সকল মুহাজির আপনার সঙ্গে রয়েছেন মক্কায় পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারে। আমি চিন্তা করলাম, মক্কায় আমার কোন আত্মীয়-স্বজন নেই। যদি আমি তাদের প্রতি কোন রকম উপকার করতে পারি তবে তার বিনিময়ে তারা আমার  আত্মীয়-স্বজনকে সাহায্য-সহযোগিতা করবে। আমি কাফির হয়ে কিংবা আমার ধর্ম ছেড়ে দিয়ে বা কুফরীর প্রতি খুশী হয়ে এ কাজ করিনি।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সত্য কথা বলেছে। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এ মুনাফিকের ঘাড় উড়িয়ে দেই। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। তুমি কি জান! নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা বদরের মুজাহিদদের প্রতি উকি মেরেছেন এবং বলেছেনঃ “তোমরা যা চাও কর, আমি তোমাদেরকে মাফ করে দিয়েছি”।

আলী (রাযিঃ) বলেন, উক্ত বিষয়েই এই সূরা অবতীর্ণ হয়েছেঃ “হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার শক্র ও তোমাদের শক্রকে বন্ধুর মতো করে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের নিকট বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও; অথচ তারা তোমাদের নিকট যে সত্য এসেছে তা স্বীকার করেনি....”। আমর (রহঃ) বলেন, আমি উবাইদুল্লাহ ইবনু আবী রাফি'কে দেখেছি। তিনি আলী (রাযিঃ)-এর সচিব ছিলেন।

সহীহঃ সহীহ আবূ দাউদ (হাঃ ২৩৮১), বুখারী ও মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে উমার ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ হতেও একাধিক বর্ণনাকারী একই অর্থে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন। তাতে এ কথা রয়েছেঃ “তোমাকে পত্র বের করে দিতে হবে, তা না হলে তোমার বস্ত্র ত্যাগ করতে হবে"। এ হাদীসটি 'আবদুর রাহমান আস-সুলামীর সূত্রে ‘আলী (রাযিঃ) হতে একই রকম বর্ণিত হয়েছে। কেউ কেউ এ কথাগুলো উল্লেখ করেছেনঃ “তোমাকে অবশ্যই পত্রটি বের করে দিতে হবে, নতুবা তোমাকে আমরা উলঙ্গ করব।

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، هُوَ ابْنُ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، يَقُولُ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَالزُّبَيْرَ وَالْمِقْدَادَ بْنَ الأَسْوَدِ فَقَالَ ‏"‏ انْطَلِقُوا حَتَّى تَأْتُوا رَوْضَةَ خَاخٍ فَإِنَّ بِهَا ظَعِينَةً مَعَهَا كِتَابٌ فَخُذُوهُ مِنْهَا فَائْتُونِي بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَخَرَجْنَا تَتَعَادَى بِنَا خَيْلُنَا حَتَّى أَتَيْنَا الرَّوْضَةَ فَإِذَا نَحْنُ بِالظَّعِينَةِ فَقُلْنَا أَخْرِجِي الْكِتَابَ ‏.‏ فَقَالَتْ مَا مَعِي مِنْ كِتَابٍ ‏.‏ فَقُلْنَا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ ‏.‏ قَالَ فَأَخْرَجَتْهُ مِنْ عِقَاصِهَا ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْنَا بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا هُوَ مِنْ حَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ إِلَى نَاسٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ بِمَكَّةَ يُخْبِرُهُمْ بِبَعْضِ أَمْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ مَا هَذَا يَا حَاطِبُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ تَعْجَلْ عَلَىَّ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ امْرَأً مُلْصَقًا فِي قُرَيْشٍ وَلَمْ أَكُنْ مِنْ أَنْفُسِهَا وَكَانَ مَنْ مَعَكَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ لَهُمْ قَرَابَاتٌ يَحْمُونَ بِهَا أَهْلِيهِمْ وَأَمْوَالَهُمْ بِمَكَّةَ فَأَحْبَبْتُ إِذْ فَاتَنِي ذَلِكَ مِنْ نَسَبٍ فِيهِمْ أَنْ أَتَّخِذَ فِيهِمْ يَدًا يَحْمُونَ بِهَا قَرَابَتِي وَمَا فَعَلْتُ ذَلِكَ كُفْرًا وَلاَ ارْتِدَادًا عَنْ دِينِي وَلاَ رِضًا بِالْكُفْرِ بَعْدَ الإِسْلاَمِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صَدَقَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضى الله عنه دَعْنِي يَا رَسُولَ اللَّهِ أَضْرِبْ عُنُقَ هَذَا الْمُنَافِقِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّهُ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا فَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ اللَّهَ اطَّلَعَ عَلَى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ فَقَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِيهِ أُنْزِلَتْ هَذِهِ السُّورَةُ ‏:‏ ‏(‏يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ ‏)‏ السُّورَةَ ‏.‏ قَالَ عَمْرُو وَقَدْ رَأَيْتُ ابْنَ أَبِي رَافِعٍ وَكَانَ كَاتِبًا لِعَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِيهِ عَنْ عُمَرَ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَرَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ هَذَا الْحَدِيثَ نَحْوَ هَذَا وَذَكَرُوا هَذَا الْحَرْفَ فَقَالُوا لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ أَيْضًا عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عَلِيٍّ نَحْوُ هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏ وَذَكَرَ بَعْضُهُمْ فِيهِ فَقَالَ لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنُجَرِّدَنَّكِ ‏.‏


Al-Hasan bin Muhammad – and he is Al-Hanafiyyah- narrated from Ubaidallah bin Abi Rafi who said: “I heard Ali bin Abi Talib saying: “the Messenger of Allah dispatched us – myself, Az-Zubair, and Al-Miqad bin Al- Aswad. He said: “Proceed until you reach Rawdah Khakh, where there is a lady carrying a letter. Take the letter from her and bring it to me.” So we proceeded on our way with our horses galloping until we reached the Rawdah. There we found the lady and said to her: “Give me the letter.” She said: “I have no letter.” We said: “Either you take out the letter, or we shall take off your clothes.’” He said: ‘So she took it out of her braid.’ He said: ‘We brought it to the Messenger of Allah, and it was from Hatib bin Abi Balta’ah, addressed to some of people among the idolaters of Makkah, infrmed them of some matter regarding the Prophet. So he said: “What is this O Hatib?” He said: “Do not be hasty with me O Messenger of Allah! I was a person who is an ally to the Quraish, not being related to them. The Muhajirun who are with you have relatives who can protect their families and their wealth in Makkah. So since I have no lineage among them, I wanted to do them a favor, so they might protect my relatives. I did not do this out of disbelief, nor to renegade from my religion, nor did I do it to chose disbelief [after Islam].” The Prophet said: “He said the truth.” Umar bin Al-Khattab said: “Allow me to chop off the head of this hypocrite!” The Prophet said: “Indeed he participated in (the battle of) Badr. You do not know, perhaps Allah looked at those who attended Badr and said: ‘O people of Badr! Do as you like, for I have forgiven you.’” He said: ‘It was about him, that this Surah was revealed: O you who believe! Do not take My enemies and your enemies as protecting friends showing affection towards them.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু রাফে (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 20 পাতা নাম্বারঃ 1 2 Next »