সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ৯৬. বিবাহের ব্যাপারে উৎসাহিত করা।

২০৪২. উসমান ইবন আবূ শায়বা ....... আলকামা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ (রাঃ) এর সাথে মিনাতে গমণকালে উসমান (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাত হলে তিনি তাঁর নিকট হতে দূরে সরে নির্জন আলাপের জন্য অনুমতি চান। অতঃপর যখন আবদুল্লাহ্ দেখতে পান যে, তাঁর (বিবাহের) কোন প্রয়োজন নেই, তিনি আমাকে বলেন হে আলকামা! আমার নিকট এসো! আমি তার নিকট এলে উসমান (রাঃ) তাকে বলেন, হে আবূ আবদুর রহমান! আমি তোমাকে একটি কুমারী নারীর সাথে বিবাহ দেব না? যাতে তুমি তোমার শারীরিক শক্তি সামর্থ ও বলবীর্য ফিরে পাও? আবদুল্লাহ্ বলেন, আমি তা এজন্য বলছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তোমাদের মধ্যে যে বিবাহে সক্ষম, সে যেন অবশ্যই বিবাহ করে। কেননা তা দৃষ্টিকে সংবরণকারী এবং লজ্জাস্থানকে সংরক্ষণকারী। আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিবাহে অসমর্থ, সে যেন অবশ্যই রোযা রাখে। কেননা তা তার জন্য কামস্পৃহা দমনকারী।

باب التَّحْرِيضِ عَلَى النِّكَاحِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ إِنِّي لأَمْشِي مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ بِمِنًى إِذْ لَقِيَهُ عُثْمَانُ فَاسْتَخْلاَهُ فَلَمَّا رَأَى عَبْدُ اللَّهِ أَنْ لَيْسَتْ لَهُ حَاجَةٌ قَالَ لِي تَعَالَ يَا عَلْقَمَةُ فَجِئْتُ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ أَلاَ نُزَوِّجُكَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ بِجَارِيَةٍ بِكْرٍ لَعَلَّهُ يَرْجِعُ إِلَيْكَ مِنْ نَفْسِكَ مَا كُنْتَ تَعْهَدُ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَئِنْ قُلْتَ ذَاكَ لَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ مِنْكُمْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، قال إني لأمشي مع عبد الله بن مسعود بمنى إذ لقيه عثمان فاستخلاه فلما رأى عبد الله أن ليست له حاجة قال لي تعال يا علقمة فجئت فقال له عثمان ألا نزوجك يا أبا عبد الرحمن بجارية بكر لعله يرجع إليك من نفسك ما كنت تعهد فقال عبد الله لئن قلت ذاك لقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من استطاع منكم الباءة فليتزوج فإنه أغض للبصر وأحصن للفرج ومن لم يستطع منكم فعليه بالصوم فإنه له وجاء ‏"‏ ‏.‏


‘Alqamah said “I was going with ‘Abd Allaah bin Mas’ud at Mina where ‘Uthman met him and desired to have a talk with him in privacy”. When ‘Abd Allaah (bin Mas’ud) thought there was no need of privacy, he said to me “Come, ‘Alqamah So I came (to him)”. Then ‘Uthman said to him “Should we not marry you, Abu ‘Abd Al Rahman to a virgin girl, so that the power you have lost may return to you?” ‘Abd Allaah (bin Mas’ud) said “If you say that , I heard the Apostle of Allaah(ﷺ) say “ Those of you who can support a wife, should marry, for it keeps you from looking at strange women and preserve from unlawful intercourse, but those who cannot should devote themselves to fasting, for it is a means of suppressing sexual desire.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আলকামাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ৯৭. ধর্মপরায়ণা রমণী বিবাহের নির্দেশ।

২০৪৩. মুসাদ্দাদ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ (সাধারণ) রমণীদেরকে চারটি গুণের অধিকারী দেখে বিবাহ করা হয়। যথাঃ (ক) তার ধন-সম্পদ, (খ) বংশমর্যাদা, (গ) তার সৌন্দর্য, (ঘ) তার দ্বীনদারী। তোমরা দ্বীনদার নারীকে বিবাহ করে ধন্য হও, অন্যথায় তোমার উভয় হাত অবশ্যই ধুলায় ধূসরিত হবে। (অর্থাৎ তুমি লাঞ্জিত ও অপমানিত হবে। হাদীসে ধর্মপরায়ণা নারীকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে।)।

باب مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنْ تَزْوِيجِ ذَاتِ الدِّينِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ تُنْكَحُ النِّسَاءُ لأَرْبَعٍ لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - حدثني عبيد الله، حدثني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تنكح النساء لأربع لمالها ولحسبها ولجمالها ولدينها فاظفر بذات الدين تربت يداك ‏"‏ ‏.‏


Abu Hurairah reported the Prophet (ﷺ) as saying “Women may be married for four reasons:
for her property, her ranks, her beauty and her religiosity. So get the one who is religious and prosper (lit. may your hands cleave to the dust).”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ৯৮. কুমারী নারীকে বিবাহ করা।

২০৪৪. আহমদ ইবন হাম্বল (রহঃ) ..... জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, তুমি কি বিবাহ করেছ? আমি বলি, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করেন, সে কি কুমারী, নাকি অকুমারী? আমি বলি, অকুমারী। তিনি বলেন, তুমি কোন কুমারী স্ত্রীলোককে কেন বিবাহ করলে না, যার সাথে তুমি আমোদ-ফুর্তি করতে পারতে এবং সেও তোমার সাথে আমোদ-ফুর্তি করতে পারত?

باب فِي تَزْوِيجِ الأَبْكَارِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، أَخْبَرَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَتَزَوَّجْتَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ بِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ ثَيِّبًا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَفَلاَ بِكْرٌ تُلاَعِبُهَا وَتُلاَعِبُكَ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، أخبرنا الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أتزوجت ‏"‏ ‏.‏ قلت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ بكرا أم ثيبا ‏"‏ ‏.‏ فقلت ثيبا ‏.‏ قال ‏"‏ أفلا بكر تلاعبها وتلاعبك ‏"‏ ‏.‏


Jabir bin ‘Abd Allah said “The Apostle of Allaah(ﷺ) said to me “Did you marry?” I said “Yes”. He again said “Virgin or Non Virgin (woman previously married)?” I said “Non Virgin”. He said “Why (did you) not (marry) a virgin with whom you could sport and she could sport with you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ৯৮. কুমারী নারীকে বিবাহ করা।

২০৪৫. আল্ ফাযল ইবন মূসা (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ পেশ করে যে, আমার স্ত্রী কোন স্পর্শকারীর হাতকে মানা করে না (অর্থাৎ ভাবগতিতে ভ্রষ্টা মনে হয়) তিনি বলেন, তুমি তাকে ত্যাগ করো (অর্থাৎ তালাক দাও)। সে ব্যক্তি বলে, আমি এরূপ আশংকা করি যে, হয়ত আমি তার বিরহে ব্যথিত হব। তিনি বলেন, তুমি তার নিকট হতে ফায়দা গ্রহণ করতে থাক। (ব্যভিচারের কোন প্রমাণ না থাকার কারণে এরূপ বলা হয়েছে)।

باب فِي تَزْوِيجِ الأَبْكَارِ

حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنَّ امْرَأَتِي لاَ تَمْنَعُ يَدَ لاَمِسٍ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ غَرِّبْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَخَافُ أَنْ تَتْبَعَهَا نَفْسِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَاسْتَمْتِعْ بِهَا ‏"‏ ‏.‏

حدثنا الفضل بن موسى، عن الحسين بن واقد، عن عمارة بن أبي حفصة، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي لا تمنع يد لامس ‏.‏ قال ‏"‏ غربها ‏"‏ ‏.‏ قال أخاف أن تتبعها نفسي ‏.‏ قال ‏"‏ فاستمتع بها ‏"‏ ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Abbas:

A man came to the Prophet (ﷺ), and said: My wife does not prevent the hand of a man who touches her. He said: Divorce her. He then said: I am afraid my inner self may covet her. He said: Then enjoy her.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ৯৮. কুমারী নারীকে বিবাহ করা।

২০৪৬. আহমদ ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ..... মা‘কাল ইবন ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলে, আমি এক সুন্দরী এবং সদ্বংশীয়া রমনীর সন্ধান পেয়েছি, কিন্তু সে কোন সন্তান প্রসব করে না (বন্ধ্যা)। আমি কি তাকে বিবাহ করব? তিনি বলেন, না। অতঃপর সে ব্যক্তি দ্বিতীয়বার এসে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাকে নিষেধ করেন। পরে তৃতীয়বার সে ব্যক্তি এলে তিনি বলেন, তোমরা এমন স্ত্রীলোকদের বিবাহ করবে, যারা স্বামীদের অধিক মহাব্বাত করে এবং অধিক সন্তান প্রসব করে। কেননা আমি (কিয়ামতের দিন) তোমাদের সংখ্যাধিক্যের কারণে (পূর্ববর্তী উম্মতের উপর) গর্ব প্রকাশ করব।

باب فِي تَزْوِيجِ الأَبْكَارِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا مُسْتَلِمُ بْنُ سَعِيدِ ابْنُ أُخْتِ، مَنْصُورِ بْنِ زَاذَانَ عَنْ مَنْصُورٍ، - يَعْنِي ابْنَ زَاذَانَ - عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي أَصَبْتُ امْرَأَةً ذَاتَ حَسَبٍ وَجَمَالٍ وَإِنَّهَا لاَ تَلِدُ أَفَأَتَزَوَّجُهَا قَالَ ‏"‏ لاَ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ أَتَاهُ الثَّانِيَةَ فَنَهَاهُ ثُمَّ أَتَاهُ الثَّالِثَةَ فَقَالَ ‏"‏ تَزَوَّجُوا الْوَدُودَ الْوَلُودَ فَإِنِّي مُكَاثِرٌ بِكُمُ الأُمَمَ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا مستلم بن سعيد ابن أخت، منصور بن زاذان عن منصور، - يعني ابن زاذان - عن معاوية بن قرة، عن معقل بن يسار، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني أصبت امرأة ذات حسب وجمال وإنها لا تلد أفأتزوجها قال ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ ثم أتاه الثانية فنهاه ثم أتاه الثالثة فقال ‏"‏ تزوجوا الودود الولود فإني مكاثر بكم الأمم ‏"‏ ‏.‏


Narrated Ma'qil ibn Yasar:

A man came to the Prophet (ﷺ) and said: I have found a woman of rank and beauty, but she does not give birth to children. Should I marry her? He said: No. He came again to him, but he prohibited him. He came to him third time, and he (the Prophet) said: Marry women who are loving and very prolific, for I shall outnumber the peoples by you.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ৯৯. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ যিনাকার পুরূষ কেবল যিনাকারিণী স্ত্রীলোককে বিবাহ করবে।

২০৪৭. ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) ...... আমর ইবন শু‘আয়ব (রহঃ) তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা আবদুল্লাহ্ ইবন আমর ইবনুল আস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, মারসাদ ইবন মারসাদ আল্-গানবী মক্কাতে অন্তরীণ অবস্থায় ছিলেন। আর সে সময় মক্কাতে আনাক্ নাম্নী জনৈক যিনাকারীণী ছিল, যে (জাহিলিয়াতের যুগে) তার বান্ধবী ছিল। তিনি বলেন, তখন আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে হাজির হয়ে আরয করি, হে আল্লাহ্‌র রাসুল! আমি কি আনাক-কে বিবাহ করব? তিনি (রাবী) বলেন, তিনি চুপ করে থাকাকালে এই আয়াত নাযিল হয়ঃ ‘‘যিনাকারিণী স্ত্রীলোক, তাকে কোন যিনাকার পুরুষ বা মুশরিক ব্যতীত আর কেউই বিবাহ করবে না।’’ তখন তিনি আমাকে ডেকে আমার সম্মুখে তা তিলাওয়াত করেন। অতঃপর বলেন, তুমি তাকে বিবাহ করো না।

باب فِي قَوْلِهِ تَعَالَى ‏{‏ الزَّانِي لاَ يَنْكِحُ إِلاَّ زَانِيَةً ‏}‏

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ مَرْثَدَ بْنَ أَبِي مَرْثَدٍ الْغَنَوِيَّ، كَانَ يَحْمِلُ الأُسَارَى بِمَكَّةَ وَكَانَ بِمَكَّةَ بَغِيٌّ يُقَالُ لَهَا عَنَاقُ وَكَانَتْ صَدِيقَتَهُ قَالَ جِئْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْكِحُ عَنَاقَ قَالَ فَسَكَتَ عَنِّي فَنَزَلَتْ ‏(‏ وَالزَّانِيَةُ لاَ يَنْكِحُهَا إِلاَّ زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ ‏)‏ فَدَعَانِي فَقَرَأَهَا عَلَىَّ وَقَالَ ‏"‏ لاَ تَنْكِحْهَا ‏"‏ ‏.‏

حدثنا إبراهيم بن محمد التيمي، حدثنا يحيى، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن مرثد بن أبي مرثد الغنوي، كان يحمل الأسارى بمكة وكان بمكة بغي يقال لها عناق وكانت صديقته قال جئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله أنكح عناق قال فسكت عني فنزلت ‏(‏ والزانية لا ينكحها إلا زان أو مشرك ‏)‏ فدعاني فقرأها على وقال ‏"‏ لا تنكحها ‏"‏ ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As:

Marthad ibn AbuMarthad al-Ghanawi used to take prisoners (of war) from Mecca (to Medina). At Mecca there was a prostitute called Inaq who had illicit relations with him. (Marthad said:) I came to the Prophet (ﷺ) and said to him: May I marry Inaq, Messenger of Allah? The narrator said: He kept silence towards me. Then the verse was revealed:"....and the adulteress none shall marry save and adulterer or an idolater." He called me and recited this (verse) to me, and said: Do not marry her.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ৯৯. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ যিনাকার পুরূষ কেবল যিনাকারিণী স্ত্রীলোককে বিবাহ করবে।

২০৪৮. মুসাদ্দাদ (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যিনাকার পুরুষ, যিনাকারিণী স্ত্রীলোক ব্যতীত অন্যকে বিবাহ করবে না।

باب فِي قَوْلِهِ تَعَالَى ‏{‏ الزَّانِي لاَ يَنْكِحُ إِلاَّ زَانِيَةً ‏}‏

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَأَبُو مَعْمَرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ حَبِيبٍ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَنْكِحُ الزَّانِي الْمَجْلُودُ إِلاَّ مِثْلَهُ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو مَعْمَرٍ حَدَّثَنِي حَبِيبٌ الْمُعَلِّمُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ ‏.‏

حدثنا مسدد، وأبو معمر قالا حدثنا عبد الوارث، عن حبيب، حدثني عمرو بن شعيب، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا ينكح الزاني المجلود إلا مثله ‏"‏ ‏.‏ وقال أبو معمر حدثني حبيب المعلم عن عمرو بن شعيب ‏.‏


Narrated AbuHurayrah:

The Prophet (ﷺ) said: The adulterer who has been flogged shall not marry save the one like him. AbuMa'mar said: Habib al-Mu'allim narrated (this tradition) to us on the authority of Amr ibn Shu'ayb.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০০. যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর তাকে বিবাহ করে।

২০৪৯. হান্নাদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) ও আবূ মূসা আল আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর তাকে বিবাহ করবে সে দ্বিগুণ সাওয়াবের অধিকারী হবে।

باب فِي الرَّجُلِ يَعْتِقُ أَمَتَهُ ثُمَّ يَتَزَوَّجُهَا

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ أَعْتَقَ جَارِيَتَهُ وَتَزَوَّجَهَا كَانَ لَهُ أَجْرَانِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبثر، عن مطرف، عن عامر، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أعتق جاريته وتزوجها كان له أجران ‏"‏ ‏.‏


Abu Dawud reported the Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “Anyone who sets his slave girl free and then marries her, will have a double reward.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০০. যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর তাকে বিবাহ করে।

২০৫০. আমর ইবন আওন (রহঃ) ..... আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফিয়্যাকে মুক্ত করে দেন এবং তাঁর মুক্তিপণকে তাঁর মাহর হিসাবে গণ্য করেন (ও বিবাহ করেন)।

باب فِي الرَّجُلِ يَعْتِقُ أَمَتَهُ ثُمَّ يَتَزَوَّجُهَا

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَعَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَعْتَقَ صَفِيَّةَ وَجَعَلَ عِتْقَهَا صَدَاقَهَا ‏.‏

حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو عوانة، عن قتادة، وعبد العزيز بن صهيب، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم أعتق صفية وجعل عتقها صداقها ‏.‏


Anas bin ‘Malik said “The Prophet(ﷺ) manumitted Safiyyah and made her manumission her dower.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০১. বংশীয় সম্পর্কের কারণে যা হারাম হয়, তা দুগ্ধ পানের কারণেও হারাম হয়।

২০৫১. আবদুল্লাহ্ ইবন মাসলামা (রহঃ) ..... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, বংশের কারণে যা হারাম হয়, তা দুগ্ধ পানের কারণেও হারাম হয়।

باب يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ النَّسَبِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ الْوِلاَدَةِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن سليمان بن يسار، عن عروة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يحرم من الرضاعة ما يحرم من الولادة ‏"‏ ‏.‏


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Prophet (ﷺ) said: What is unlawful by reason of consanguinity is unlawful by reason of fosterage.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০১. বংশীয় সম্পর্কের কারণে যা হারাম হয়, তা দুগ্ধ পানের কারণেও হারাম হয়।

২০৫২. আবদুল্লাহ্ ইবন মুহাম্মদ আন নুফায়লী (রহঃ) ..... উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসুল! আমার বোনের ব্যাপারে আপনার প্রয়োজন বা অনুরাগ আছে? তিনি বলেন, সে যা বলেছে যে, আপনি তাকে বিবাহ করুন, তা আমি করতাম। (কিন্তু) তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আমি কি তোমার বোনকে বিবাহ করব? তিনি (উম্মে হাবীবা) বলেন, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করেন, অথবা তুমি কি তা পছন্দ কর? তিনি বলেন, আপনি এ ব্যাপারে একক সিন্ধান্তের অধিকারী নন? তবে আমি আমার বোনের মঙ্গলের ব্যাপারে শরীক হতে পছন্দ করি। (অর্থাৎ সে আপনার স্ত্রী হওয়ার গৌরব লাভ করলে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণের অধিকারী হবে এবং আমি তার জন্য কামনা করি)।

তিনি বলেন, সে আমার জন্য হালাল নয় (কেননা দুই বোনকে একই সঙ্গে স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করা শরীয়ত সম্মত নয়)। তিনি (উম্মে হাবীবা) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি নাকি দুর্‌রা অথবা যুর্‌রা (রাবীর সন্দেহ) যুহায়র বিন্ত আবূ সালামাকে বিবাহের জন্য প্রস্তাব পেশ করেছেন? তিনি জিজ্ঞাসা করেন, বিনতে উম্মে সালামা? তিনি বলেন, হ্যাঁ। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! যদি সে আমার ঘরে প্রতিপালিত না হত এবং আমার দুধ-ভাইয়ের কন্যা না হত, তবে সে আমার জন্য হালাল হত। কেননা তার পিতা আবূ সালামাকে ও আমাকে সূওয়াইবিয়্যা দুগ্ধপান করিয়েছেন। কাজেই তোমরা তোমাদের বোন ও কন্যাকে আমার (সাথে বিবাহের) জন্য পেশ কর না।

باب يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ النَّسَبِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ، قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ لَكَ فِي أُخْتِي قَالَ ‏"‏ فَأَفْعَلُ مَاذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَتَنْكِحُهَا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أُخْتَكِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَوَتُحِبِّينَ ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ لَسْتُ بِمُخْلِيَةٍ بِكَ وَأَحَبُّ مَنْ شَرَكَنِي فِي خَيْرٍ أُخْتِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّهَا لاَ تَحِلُّ لِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَوَاللَّهِ لَقَدْ أُخْبِرْتُ أَنَّكَ تَخْطُبُ دُرَّةَ - أَوْ ذَرَّةَ شَكَّ زُهَيْرٌ - بِنْتَ أَبِي سَلَمَةَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَمَا وَاللَّهِ لَوْ لَمْ تَكُنْ رَبِيبَتِي فِي حِجْرِي مَا حَلَّتْ لِي إِنَّهَا ابْنَةُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ أَرْضَعَتْنِي وَأَبَاهَا ثُوَيْبَةُ فَلاَ تَعْرِضْنَ عَلَىَّ بَنَاتِكُنَّ وَلاَ أَخَوَاتِكُنَّ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، أن أم حبيبة، قالت يا رسول الله هل لك في أختي قال ‏"‏ فأفعل ماذا ‏"‏ ‏.‏ قالت فتنكحها ‏.‏ قال ‏"‏ أختك ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ أوتحبين ذاك ‏"‏ ‏.‏ قالت لست بمخلية بك وأحب من شركني في خير أختي ‏.‏ قال ‏"‏ فإنها لا تحل لي ‏"‏ ‏.‏ قالت فوالله لقد أخبرت أنك تخطب درة - أو ذرة شك زهير - بنت أبي سلمة ‏.‏ قال ‏"‏ بنت أم سلمة ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ أما والله لو لم تكن ربيبتي في حجري ما حلت لي إنها ابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأباها ثويبة فلا تعرضن على بناتكن ولا أخواتكن ‏"‏ ‏.‏


Umm Salamah reported Umm Habibah said “Are you interested in my sister, Apostle of Allaah(ﷺ)?” He said “What should I do?” She said “You marry her” He said “Your sister?” She said “Yes”. He said “Do you like that?” she said “I am not alone with you of those who share me in this good, my sister is most to my liking. He said “She is not lawful for me.” She said “By Allaah, I was told that you were going to betroth with you Darrah to Durrah , the narrator Zuhair doubted the daughter of Abu Salamah. He said “The daughter of Umm Salamah? She said “Yes”. He said “(She is my step daughter). Even if she had not been my step daughter under my protection, she would not have been lawful for me. She is my foster niece (daughter of my brother by fosterage). Thuwaibah suckled me as well as his father (Abu Salamah). So do not present to me your daughters and your sisters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০২. দুধ সম্পর্কীয় পুরুষ আত্মীয়।

২০৫৩. মুহাম্মদ ইবন কাসীর (রহঃ) ...... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার নিকট আফলাহ্ ইবন আবূল কু'আইস (রাঃ) প্রবেশ করলে আমি তার নিকট পর্দা করি। তিনি বলেন, তুমি আমার কাছে পর্দা করছ, অথচ আমি তোমার চাচা। তিনি বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, আপনি কিরূপে আমার চাচা হন? তিনি বললেন, আমার ভাইয়ের স্ত্রী তোমাকে দুধ পান করিয়েছে। তিনি বলেন, আমাকে তো একজন মহিলা দুধ পান করিয়েছে, কোন পুরুষ তো আমাকে দুধ পান করায়নি? এমতাবস্থায় আমার নিকট রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করলেন। আমি তাঁকে সব খুলে বললাম, তিনি বললেন, হ্যাঁ, সে তোমার চাচা, কাজেই সে তোমার নিকট আসতে পারে।

باب فِي لَبَنِ الْفَحْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ دَخَلَ عَلَىَّ أَفْلَحُ بْنُ أَبِي الْقُعَيْسِ فَاسْتَتَرْتُ مِنْهُ ‏.‏ قَالَ تَسْتَتِرِينَ مِنِّي وَأَنَا عَمُّكِ قَالَتْ قُلْتُ مِنْ أَيْنَ قَالَ أَرْضَعَتْكِ امْرَأَةُ أَخِي ‏.‏ قَالَتْ إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ وَلَمْ يُرْضِعْنِي الرَّجُلُ ‏.‏ فَدَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَدَّثْتُهُ فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّهُ عَمُّكِ فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا محمد بن كثير العبدي، أخبرنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت دخل على أفلح بن أبي القعيس فاستترت منه ‏.‏ قال تستترين مني وأنا عمك قالت قلت من أين قال أرضعتك امرأة أخي ‏.‏ قالت إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل ‏.‏ فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فحدثته فقال ‏ "‏ إنه عمك فليلج عليك ‏"‏ ‏.‏


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

Aflah ibn AbulQu'ays entered upon me. I hid myself from him. He said: You are hiding yourself from me while I am your paternal uncle. She said: I said: From where? He said: The wife of my brother suckled you. She said: The woman suckled me and not the man. Thereafter the Messenger of Allah (ﷺ) entered upon me and I told him this matter. He said: He is your paternal uncle; he may enter upon you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৩. বয়স্ক ব্যক্তির দুধপান সম্পর্কে।

২০৫৪. হাফস ইবন উমার ..... আয়েশা (রাঃ) হতে একই রকম (শু‘বা ও সাওরী বর্ণিত হাদীসের মত) হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট এমন সময় হাজির হন, যখন তাঁর নিকট একজন পুরুষ লোক উপস্থিত ছিল। রাবী হাফস বলেন, এটা তাঁর নিকট খুবই অপছন্দনীয় মনে হয় এবং তাঁর চেহারা মোবারক (রাগের কারণে) পরিবর্তিত হয়। অতঃপর রাবী (হাফস ও মুহাম্মদ ইবন কাসীর) একমত হয়ে বর্ণনা করেন যে, তখন তিনি (আয়েশা) বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! ইনি আমার দুধভাই। তিনি বলেন, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের সুযোগ দিবে। বস্তুত শিশুকালে একই সঙ্গে দুধপান, যা ক্ষুধা নিবারণ করে এর দ্বারা সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

باب فِي رَضَاعَةِ الْكَبِيرِ

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ الْمَعْنَى، وَاحِدٌ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا رَجُلٌ قَالَ حَفْصٌ فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ وَتَغَيَّرَ وَجْهُهُ - ثُمَّ اتَّفَقَا - قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ ‏.‏ فَقَالَ ‏ "‏ انْظُرْنَ مَنْ إِخْوَانُكُنَّ فَإِنَّمَا الرَّضَاعَةُ مِنَ الْمَجَاعَةِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أشعث بن سليم، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة المعنى، واحد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل قال حفص فشق ذلك عليه وتغير وجهه - ثم اتفقا - قالت يا رسول الله إنه أخي من الرضاعة ‏.‏ فقال ‏ "‏ انظرن من إخوانكن فإنما الرضاعة من المجاعة ‏"‏ ‏.‏


A’ishah said the Apostle of Allaah(ﷺ) visited her when a man was with her. The narrator Hafs said “this grieved him and he frowned”. The agreed version then goes, She said “He is my foster brother Apostle of Allaah(ﷺ)”. He said “Consider, who are you brethren, for fosterage is consequent on hunger.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৩. বয়স্ক ব্যক্তির দুধপান সম্পর্কে।

২০৫৫. আবদুস সালাম ইবন মুতাহ্‌হার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দুধপান করানোর অর্থই হল (পানকারীর) অস্থি মজবূত করানো এবং গোশত বৃদ্ধি করা। তখন আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) বলেন, আমাদেরকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করো না, বরং এ ব্যাপারে তোমরাই অধিক ওয়াকিফহাল।

باب فِي رَضَاعَةِ الْكَبِيرِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ مُطَهِّرٍ، أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنٍ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ لاَ رِضَاعَ إِلاَّ مَا شَدَّ الْعَظْمَ وَأَنْبَتَ اللَّحْمَ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو مُوسَى لاَ تَسْأَلُونَا وَهَذَا الْحَبْرُ فِيكُمْ ‏.‏

حدثنا عبد السلام بن مطهر، أن سليمان بن المغيرة، حدثهم عن أبي موسى، عن أبيه، عن ابن لعبد الله بن مسعود، عن ابن مسعود، قال لا رضاع إلا ما شد العظم وأنبت اللحم ‏.‏ فقال أبو موسى لا تسألونا وهذا الحبر فيكم ‏.‏


‘Abd Allaah bin Mas’ud said “Fosterage is not valid except by what strengthens love and grows flesh.” Abu Musa said “Do not ask us so long as this learned man is among us”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৩. বয়স্ক ব্যক্তির দুধপান সম্পর্কে।

২০৫৬. মুহাম্মদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ..... ইবন মাসঊদ (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাবী (ওয়াকী) বলেন, এর দ্বারা অস্থি মজবুত করানো হয়।

باب فِي رَضَاعَةِ الْكَبِيرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْهِلاَلِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَاهُ وَقَالَ أَنْشَزَ الْعَظْمَ ‏.‏

حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا وكيع، عن سليمان بن المغيرة، عن أبي موسى الهلالي، عن أبيه، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه وقال أنشز العظم ‏.‏


The aforesaid tradition has also been narrated by Ibn Mas’ud through a different chain of narrators and to the same effect from the Prophet (ﷺ). This version has the words anshaz al-‘azma meaning which nourishes bones and makes them sturdy and vigorous.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৪. বয়স্ক ( দুধ পানকারী) ব্যক্তির জন্য যা হারাম হয়।

২০৫৭. আহমাদ ইবন সালিহ্ (রহঃ) .... নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) ও উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নিশ্চই আবূ হুযায়ফা ইবন উতবা ইবন রাবী‘আ ইবন আবদি শামস সালেমকে পালক পুত্র হিসাবে লালনপালন করেন এবং তার সাথে তার ভ্রাতুষ্পুত্রী হিনদা বিনতুল ওয়ালীদ ইবন রাবী‘আর বিবাহ দেন। আর সে ছিল একজন আনসার মহিলার আযাদকৃত গোলাম। যেমন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়িদকে পালক পুত্র হিসাবে লালনপালন করেন। জাহিলিয়াতের যুগের প্রথা ছিল, কাউকে পালক পুত্র হিসাবে লালন-পালন করা হলে লোকেরা তাকে তার সাথে সম্পর্কিত করে ডাকতো এবং সে তার উত্তরাধিকারীও হতো। অতঃপর কুরআনের এই আয়াত নাযিল হলঃ ‘‘তোমরা তাদের ডাকবে তাদের প্রকৃত পিতার সাথে সম্পর্কিত করে, তারা তোমাদের দীনী ভাই এবং তোমাদের আযাদকৃত গোলাম।’’ কাজেই, তোমরা তাদেরকে তাদের পিতার সহিত সম্পর্কিত করবে। আর যদি কারো পিতৃ পরিচয় জানা না যায়, তবে সে দীনী ভাইও আযাদকৃত হবে।

অতঃপর সাহলা বিনতু সুহাইল ইবন উমার আল্-কুরায়শী আল্-আমিরী যিনি আবূ হুযায়ফার স্ত্রী ছিলেন, আগমন করেন এবং বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসুল! আমরা সালেমকে আমাদের পুত্র হিসাবে গণ্য করি। আর সে আমার সাথে এবং আবূ হুযায়ফার সাথে আমাদের ঘরে (আমাদের সন্তান হিসাবে) লালিত পালিত হয়েছে। আর সে আমাকে একই বস্ত্রের মধ্যে দেখেছে। আর আল্লাহ্ তা‘আলা এদের সম্পর্কে যা নাযিল করেছেন, তা আপনি বিশেষভাবে অবগত। এখন তার সম্পর্কে আপনি কী নির্দেশ দেন?

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, তাকে পাঁচবার তোমার দুধ পান করাও তাতে তুমি তার দুধ-মাতা হিসাবে পরিগণিত হবে। অতঃপর তিনি তাকে পাঁচবার দুধ পান করান এবং তিনি তার দুধ মা হিসাবে গণ্য হন। এই কারণেই আয়েশা (রাঃ) তাঁর বোনের ও ভাইয়ের মেয়েদের ও ছেলেদেরকে পাঁচবার দুধ পান করাতে নির্দেশ দিতেন যারা তাকে ভালবাসতেন, যাতে তিনি তাদের সাথে দেখা করতে পারেন।

কিন্তু উম্মে সালামা (রাঃ) ও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্যান্য স্ত্রীগণ এ বয়সে দুগ্ধ পানকারীগণকে নিজেদের নিকট উপস্থিত হতে বাধা দিতেন, বরং তারা ছোট বেলার দুধ পান করাকেই প্রাধান্য দিতেন (বয়স্ক ব্যক্তির নয়)। আর আমরা আয়েশা (রাঃ) সম্পর্কে বলতাম, আল্লাহর শপথ! আমাদের জানা নেই, সম্ভবত এটা (সালেমের ব্যাপারটি) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তরফ হতে বিশেষভাবে অনুমদিত ছিল, যা অন্যদের জন্য নয়।

باب فِيمَنْ حَرَّمَ بِهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ، حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا حُذَيْفَةَ بْنَ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ شَمْسٍ كَانَ تَبَنَّى سَالِمًا وَأَنْكَحَهُ ابْنَةَ أَخِيهِ هِنْدَ بِنْتَ الْوَلِيدِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ وَهُوَ مَوْلًى لاِمْرَأَةٍ مِنَ الأَنْصَارِ كَمَا تَبَنَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم زَيْدًا وَكَانَ مَنْ تَبَنَّى رَجُلاً فِي الْجَاهِلِيَّةِ دَعَاهُ النَّاسُ إِلَيْهِ وَوُرِّثَ مِيرَاثَهُ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى فِي ذَلِكَ ‏(‏ ادْعُوهُمْ لآبَائِهِمْ ‏)‏ إِلَى قَوْلِهِ ‏(‏ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ ‏)‏ فَرُدُّوا إِلَى آبَائِهِمْ فَمَنْ لَمْ يُعْلَمْ لَهُ أَبٌ كَانَ مَوْلًى وَأَخًا فِي الدِّينِ فَجَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلِ بْنِ عَمْرٍو الْقُرَشِيِّ ثُمَّ الْعَامِرِيِّ - وَهِيَ امْرَأَةُ أَبِي حُذَيْفَةَ - فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا كُنَّا نَرَى سَالِمًا وَلَدًا وَكَانَ يَأْوِي مَعِي وَمَعَ أَبِي حُذَيْفَةَ فِي بَيْتٍ وَاحِدٍ وَيَرَانِي فُضْلاً وَقَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِيهِمْ مَا قَدْ عَلِمْتَ فَكَيْفَ تَرَى فِيهِ فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَرْضِعِيهِ ‏"‏ ‏.‏ فَأَرْضَعَتْهُ خَمْسَ رَضَعَاتٍ فَكَانَ بِمَنْزِلَةِ وَلَدِهَا مِنَ الرَّضَاعَةِ فَبِذَلِكَ كَانَتْ عَائِشَةُ - رضى الله عنها - تَأْمُرُ بَنَاتِ أَخَوَاتِهَا وَبَنَاتِ إِخْوَتِهَا أَنْ يُرْضِعْنَ مَنْ أَحَبَّتْ عَائِشَةُ أَنْ يَرَاهَا وَيَدْخُلَ عَلَيْهَا وَإِنْ كَانَ كَبِيرًا خَمْسَ رَضَعَاتٍ ثُمَّ يَدْخُلَ عَلَيْهَا وَأَبَتْ أُمُّ سَلَمَةَ وَسَائِرُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُدْخِلْنَ عَلَيْهِنَّ بِتِلْكَ الرَّضَاعَةِ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ حَتَّى يَرْضَعَ فِي الْمَهْدِ وَقُلْنَ لِعَائِشَةَ وَاللَّهِ مَا نَدْرِي لَعَلَّهَا كَانَتْ رُخْصَةً مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لِسَالِمٍ دُونَ النَّاسِ ‏.‏

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم وأم سلمة أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس كان تبنى سالما وأنكحه ابنة أخيه هند بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة وهو مولى لامرأة من الأنصار كما تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا وكان من تبنى رجلا في الجاهلية دعاه الناس إليه وورث ميراثه حتى أنزل الله سبحانه وتعالى في ذلك ‏(‏ ادعوهم لآبائهم ‏)‏ إلى قوله ‏(‏ فإخوانكم في الدين ومواليكم ‏)‏ فردوا إلى آبائهم فمن لم يعلم له أب كان مولى وأخا في الدين فجاءت سهلة بنت سهيل بن عمرو القرشي ثم العامري - وهي امرأة أبي حذيفة - فقالت يا رسول الله إنا كنا نرى سالما ولدا وكان يأوي معي ومع أبي حذيفة في بيت واحد ويراني فضلا وقد أنزل الله عز وجل فيهم ما قد علمت فكيف ترى فيه فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أرضعيه ‏"‏ ‏.‏ فأرضعته خمس رضعات فكان بمنزلة ولدها من الرضاعة فبذلك كانت عائشة - رضى الله عنها - تأمر بنات أخواتها وبنات إخوتها أن يرضعن من أحبت عائشة أن يراها ويدخل عليها وإن كان كبيرا خمس رضعات ثم يدخل عليها وأبت أم سلمة وسائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخلن عليهن بتلك الرضاعة أحدا من الناس حتى يرضع في المهد وقلن لعائشة والله ما ندري لعلها كانت رخصة من النبي صلى الله عليه وسلم لسالم دون الناس ‏.‏


A’ishah wife of the Prophet(ﷺ) and Umm Salamah said “Abu Hudaifah bin ‘Utbah bin Rabi’ah bin ‘Abd Shams adopted Salim as his son and married him to his niece Hind, daughter of Al Walid bin ‘Utbah bin Rabi’ah. He (Salim) was the freed slave of a woman from the Ansar (the Helpers) as the Apostle of Allaah(ﷺ) adopted Zaid as his son. In pre Islamic days when anyone adopted a man as his son, the people called him by his name and he was given a share from his inheritance. Allaah, the Exalted, revealed about this matter “Call them by (the name of) their fathers, that is juster in the sight of Allaah. And if ye know not their fathers, then (they are) your brethren in the faith and your clients. They were then called by their names of their fathers. A man, whose father was not known, remained under the protection of someone and considered brother in faith. Sahlah daughter of Suhail bin Amr Al Quraishi then came and said Apostle of Allaah(ﷺ), we used to consider Salim(our) son. He dwelled with me and Abu Hudhaifah in the same house, and he saw me in the short clothes, but Allaah the Exalted, has revealed about them what you know, then what is your opinion about him? The Prophet (ﷺ) said give him your breast feed. She gave him five breast feeds. He then became like her foster son. Hence, A’ishah(may Allaah be pleased with her) used to ask the daughters of her sisters and the daughters of her brethren to give him breast feed five times, whom A’ishah wanted to see and who wanted to visit her. Though he might be of age; he then visited her. But Umm Salamah and all other wives of the Prophet (ﷺ) refused to allow anyone to visit them on the basis of such breast feeding unless one was given breast feed during infancy. They told A’ishah by Allaah we do not know whether that was a special concession granted by the Prophet (ﷺ) to Salim exclusive of the people.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৫. পাঁচবারের কম দুধপানে হুরমাত প্রতিষ্ঠিত হবে কি?

২০৫৮. আবদুল্লাহ্ ইবন মাসলামা (রহঃ) ..... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনে যা অবতীর্ণ করেছেন, তাতে দশবার দুগ্ধ পান করা হলে হুরমাত (বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম) প্রতিষ্ঠিত হয়। অতঃপর পাঁচবার দুধ পান করানো হুরমাতের (বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম) জন্য নির্ধারিত হয় এবং পূর্বোক্ত নির্দেশ মানসুখ (রহিত) হয়। অতঃপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন এবং এর শুধু কিরআত (পঠন) অবশিষ্ট থাকে।

باب هَلْ يُحَرِّمُ مَا دُونَ خَمْسِ رَضَعَاتٍ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ فِيمَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مِنَ الْقُرْآنِ عَشْرُ رَضَعَاتٍ يُحَرِّمْنَ ثُمَّ نُسِخْنَ بِخَمْسٍ مَعْلُومَاتٍ يُحَرِّمْنَ فَتُوُفِّيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُنَّ مِمَّا يُقْرَأُ مِنَ الْقُرْآنِ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، عن مالك، عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عائشة، أنها قالت كان فيما أنزل الله عز وجل من القرآن عشر رضعات يحرمن ثم نسخن بخمس معلومات يحرمن فتوفي النبي صلى الله عليه وسلم وهن مما يقرأ من القرآن ‏.‏


A’ishah said “In what was sent down in the Qu’ran ten suckling’s made marriage unlawful, but they were abrogated by five known ones and when the Prophet (ﷺ) dies, these words were among what was recited in the Qur’an.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৫. পাঁচবারের কম দুধপানে হুরমাত প্রতিষ্ঠিত হবে কি?

২০৫৯. মুসাদ্দাদ (রহঃ) .... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, একবার বা দু‘বার দুধ চোষার কারণে হুরমাত (বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম) প্রতিষ্ঠিত হয় না।

باب هَلْ يُحَرِّمُ مَا دُونَ خَمْسِ رَضَعَاتٍ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ وَلاَ الْمَصَّتَانِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا إسماعيل، عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن عبد الله بن الزبير، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تحرم المصة ولا المصتان ‏"‏ ‏.‏


A’ishah reported “The Apostle of Allaah(ﷺ) as saying One or two sucks does not make marriage unlawful”.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৬. দুগ্ধপান ত্যাগের সময় বিনিময় প্রদান।

২০৬০. আবদুল্লাহ্ ইবন মুহাম্মদ ..... হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তাঁর পিতা হাজ্জাজ ইবন হাজ্জাজ (রহঃ) হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, একদা আমি বলি, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার উপর দুগ্ধ পানের জন্য হক (দেয়) কি? তিনি বলেন, আল-গুর্‌রা অর্থাৎ দাস অথবা দাসী (দিতে হবে)।

باب فِي الرَّضْخِ عِنْدَ الْفِصَالِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرَّضَاعَةِ قَالَ ‏ "‏ الْغُرَّةُ الْعَبْدُ أَوِ الأَمَةُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ النُّفَيْلِيُّ حَجَّاجُ بْنُ حَجَّاجٍ الأَسْلَمِيُّ وَهَذَا لَفْظُهُ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا ابن العلاء، حدثنا ابن إدريس، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن حجاج بن حجاج، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله ما يذهب عني مذمة الرضاعة قال ‏ "‏ الغرة العبد أو الأمة ‏"‏ ‏.‏ قال النفيلي حجاج بن حجاج الأسلمي وهذا لفظه ‏.‏


Narrated Hajjaj ibn Malik al-Aslami:

I asked: Messenger of Allah, what will remove from me the obligation due for fostering a child? He said: A slave or a slave-woman.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)

পরিচ্ছেদঃ ১০৭. যে সমস্ত স্ত্রীলোককে একত্রে বিবাহ করা হারাম।

২০৬১. আবদুল্লাহ্ ইবন মাহমুদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা কোন স্ত্রীলোককে তার ফুফুর সাথে অথবা তার ভাইয়ের মেয়ের সাথে একত্রে বিবাহ করবে না। আর কোন স্ত্রীলোককে তার খালার সাথে অথবা খালাকে তার বোনের সাথে একত্রে বিবাহ করবে না। আর তোমরা বড় (বোন) কে, ছোট (বোনের) উপর এবং ছোট (বোন) কে বড় (বোনের) উপর বিবাহ করবে না (অর্থাৎ দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করবে না)।

باب مَا يُكْرَهُ أَنْ يُجْمَعَ بَيْنَهُنَّ مِنَ النِّسَاءِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ عَلَى عَمَّتِهَا وَلاَ الْعَمَّةُ عَلَى بِنْتِ أَخِيهَا وَلاَ الْمَرْأَةُ عَلَى خَالَتِهَا وَلاَ الْخَالَةُ عَلَى بِنْتِ أُخْتِهَا وَلاَ تُنْكَحُ الْكُبْرَى عَلَى الصُّغْرَى وَلاَ الصُّغْرَى عَلَى الْكُبْرَى ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا داود بن أبي هند، عن عامر، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تنكح المرأة على عمتها ولا العمة على بنت أخيها ولا المرأة على خالتها ولا الخالة على بنت أختها ولا تنكح الكبرى على الصغرى ولا الصغرى على الكبرى ‏"‏ ‏.‏


Abu Hurairah reported The Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “ A woman should not be married to one who had married her paternal aunt or a paternal aunt to one who had married her brother’s daughter or a woman to one who had married her maternal aunt or maternal aunt to one who had married her sister’s daughter. A woman who is elder (in relation) must not be married to one who had married a woman who is younger (in relation) to her nor a woman who is younger (in relation) must be married to one who has married a woman who is elder (in relation) to her.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৬/ বিবাহ (كتاب النكاح)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৩০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 7 পরের পাতা »