মুয়াত্তা মালিক ৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ১. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, ইহুদীদের একদল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া বলিল, তাহাদের একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রীলোক ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়াছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম তাহাদেরকে জিজ্ঞাসা করিলেন : রজম বা প্রস্তরাঘাতের ব্যাপারে তাওরাতে কি আদেশ রহিয়াছে? তাহারা বলিলঃ আমরা ব্যভিচারকারীকে লজ্জিত করি এবং বেত্ৰাঘাত করিয়া থাকি। আবদুল্লাহ ইবন সালাম বলিলেন, তোমরা মিথ্যা বলিতেছ। তাওরাতে প্রস্তরাঘাতের শাস্তি রহিয়াছে। তাওরাত আনয়ন কর, উহা পড়িয়া দেখ। অতঃপর তাহারা তাওরাত খুলিল এক ব্যক্তি বেত্রাঘাতের উপর হাত রাখিয়া পূর্বাপর অবশিষ্ট আয়াত পড়িয়া শুনাইল। আবদুল্লাহ ইবন সালাম তাহাকে বলিলঃ তোমার হাত উঠাও তো। সে তাহার হাত উঠাইলে দেখা গেল উহাতে প্রস্তরাঘাতের আয়াত রহিয়াছে। অতঃপর সকল ইহুদীই স্বীকার করিল যে, আবদুল্লাহ ইবন সালাম ঠিকই বলিয়াছে তাওরাতে প্রস্তাঘাতের আয়াত বিদ্যমান রহিয়াছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয়কে প্রস্তরাঘাতের আদেশ করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশে উভয়কে প্রস্তরাঘাত করা হইল। আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ আমি দেখিলাম, পুরুষটি ঐ নারীকে আঘাত হইতে রক্ষা করিতে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িতেছিল।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ উহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িতেছিল অর্থ পুরুষ নিজে প্রস্তরাঘাত সহ্য করিয়াও ঐ নারীকে প্রস্তরাঘাত হইতে রক্ষা করিতে যাইয়া তাহার উপর উপুড় হইয়া পড়িয়ছিল।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنَا مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ جَاءَتْ الْيَهُودُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرُوا لَهُ أَنَّ رَجُلًا مِنْهُمْ وَامْرَأَةً زَنَيَا فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا تَجِدُونَ فِي التَّوْرَاةِ فِي شَأْنِ الرَّجْمِ فَقَالُوا نَفْضَحُهُمْ وَيُجْلَدُونَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ كَذَبْتُمْ إِنَّ فِيهَا الرَّجْمَ فَأَتَوْا بِالتَّوْرَاةِ فَنَشَرُوهَا فَوَضَعَ أَحَدُهُمْ يَدَهُ عَلَى آيَةِ الرَّجْمِ ثُمَّ قَرَأَ مَا قَبْلَهَا وَمَا بَعْدَهَا فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ ارْفَعْ يَدَكَ فَرَفَعَ يَدَهُ فَإِذَا فِيهَا آيَةُ الرَّجْمِ فَقَالُوا صَدَقَ يَا مُحَمَّدُ فِيهَا آيَةُ الرَّجْمِ فَأَمَرَ بِهِمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرُجِمَا فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَرَأَيْتُ الرَّجُلَ يَحْنِي عَلَى الْمَرْأَةِ يَقِيهَا الْحِجَارَةَ قَالَ مَالِك يَعْنِي يَحْنِي يُكِبُّ عَلَيْهَا حَتَّى تَقَعَ الْحِجَارَةُ عَلَيْهِ

حدثنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال جاءت اليهود إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكروا له أن رجلا منهم وامرأة زنيا فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تجدون في التوراة في شأن الرجم فقالوا نفضحهم ويجلدون فقال عبد الله بن سلام كذبتم إن فيها الرجم فأتوا بالتوراة فنشروها فوضع أحدهم يده على آية الرجم ثم قرأ ما قبلها وما بعدها فقال له عبد الله بن سلام ارفع يدك فرفع يده فإذا فيها آية الرجم فقالوا صدق يا محمد فيها آية الرجم فأمر بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجما فقال عبد الله بن عمر فرأيت الرجل يحني على المرأة يقيها الحجارة قال مالك يعني يحني يكب عليها حتى تقع الحجارة عليه


Malik related to me from Nafi that Abdullah ibn Umar said, "The Jews came to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and mentioned to him that a man and woman from among them had committed adultery. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, asked them, 'What do you find in the Torah about stoning?' They said, 'We make their wrong action known and flog them.' Abdullah ibn Salam said, 'You have lied! It has stoning for it, so bring the Torah.' They spread it out and one of them placed his hand over the ayat of stoning. Then he read what was before it and what was after it. Abdullah ibn Salam told him to lift his hand. He lifted his hand and there was the ayat of stoning. They said, 'He has spoken the truth, Muhammad. The ayat of stoning is in it.' So the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, gave the order and they were stoned . "

Abdullah ibn Umar added, "I saw the man leaning over the woman to protect her from the stones."

Malik commented, "By leaning he meant throwing himself over her so that the stones fell on him."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ২. সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রহঃ) বলেন, আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তি আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট আসিয়া বলিল, এই অধম ব্যক্তি[1] ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়াছে। আবু বকর (রাঃ) তাহাকে বলিলেন, আমাকে ব্যতীত অন্য কাহারও নিকট ইহা প্রকাশ কর নাই তো? সে ব্যক্তি বলিলঃ না। তিনি বলিলেনঃ আল্লাহর নিকট তওবা কর আর আল্লাহর পর্দার আড়ালে লুকাইয়া থাক। কেননা আল্লাহ তা’আলা স্বীয় বান্দাদের তওবা গ্রহণ করিয়া থাকেন।
কিন্তু ইহাতে তাহার প্রবোধ হইল না। সে অতঃপর উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হইল এবং আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট যেরূপ বর্ণনা করিয়াছিল তদ্রুপ বর্ণনা করিল। উমরও তাহাকে ঐরপই বলিলেন, যেরূপ আবু বকর (রাঃ) বলিয়াছিলেন। ইহাতেও তাহার মনে প্রবোধ মানিল না। অগত্যা সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া বলিলঃ এই হতভাগা ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়াছে। সাঈদ বলেনঃ ইহা শ্রবণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহা হইতে মুখ ফিরাইয়া লইলেন। সে ব্যক্তি তাহার নিকট তিনবার এইরূপ বলিল। তিনবারই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহা হইতে মুখ ফিরাইয়া লইলেন। অতঃপর যখন সে বলিতেই থাকিল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার পরিবারের নিকট লোক পাঠাইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন : এ ব্যক্তি কি রোগাক্রান্ত? এ ব্যক্তি উন্মাদ তো হইয়া যায় নাই? তাহারা বলিলেনঃ এই ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ রহিয়াছে, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তাহার বিবাহ হইয়াছে কি? রাবী বলেন, উপস্থিত লোকগণ বলিলঃ তাহার বিবাহ হইয়াছে, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। অতঃপর তাহার সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্তরাঘাতের আদেশ করিলে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَسْلَمَ جَاءَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فَقَالَ لَهُ إِنَّ الْأَخِرَ زَنَى فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ هَلْ ذَكَرْتَ هَذَا لِأَحَدٍ غَيْرِي فَقَالَ لَا فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ فَتُبْ إِلَى اللَّهِ وَاسْتَتِرْ بِسِتْرِ اللَّهِ فَإِنَّ اللَّهَ يَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِ فَلَمْ تُقْرِرْهُ نَفْسُهُ حَتَّى أَتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَقَالَ لَهُ مِثْلَ مَا قَالَ لِأَبِي بَكْرٍ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ مِثْلَ مَا قَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ فَلَمْ تُقْرِرْهُ نَفْسُهُ حَتَّى جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ إِنَّ الْأَخِرَ زَنَى فَقَالَ سَعِيدٌ فَأَعْرَضَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ كُلُّ ذَلِكَ يُعْرِضُ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى إِذَا أَكْثَرَ عَلَيْهِ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى أَهْلِهِ فَقَالَ أَيَشْتَكِي أَمْ بِهِ جِنَّةٌ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ إِنَّهُ لَصَحِيحٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبِكْرٌ أَمْ ثَيِّبٌ فَقَالُوا بَلْ ثَيِّبٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرُجِمَ

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن رجلا من أسلم جاء إلى أبي بكر الصديق فقال له إن الأخر زنى فقال له أبو بكر هل ذكرت هذا لأحد غيري فقال لا فقال له أبو بكر فتب إلى الله واستتر بستر الله فإن الله يقبل التوبة عن عباده فلم تقرره نفسه حتى أتى عمر بن الخطاب فقال له مثل ما قال لأبي بكر فقال له عمر مثل ما قال له أبو بكر فلم تقرره نفسه حتى جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له إن الأخر زنى فقال سعيد فأعرض عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات كل ذلك يعرض عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا أكثر عليه بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أهله فقال أيشتكي أم به جنة فقالوا يا رسول الله والله إنه لصحيح فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أبكر أم ثيب فقالوا بل ثيب يا رسول الله فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجم


Malik related to me from Yahya ibn Said from Said ibn al-Musayyab that a man from the Aslam tribe came to Abu Bakr as-Siddiq and said to him, "I have committed adultery." Abu Bakr said to him, "Have you mentioned this to anyone else?" He said, "No." Abu Bakr said to him, "Then cover it up with the veil of Allah. Allah accepts tawba from his slaves." His self was still unsettled, so he went to Umar ibn al- Khattab. He told him the same as he had said to Abu Bakr, and Umar told him the same as Abu Bakr had said to him. His self was still not settled so he went to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and said to him, "I have committed adultery," insistently. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, turned away from him three times. Each time the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, turned away from him until it became too much. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, questioned his family, "Does he have an illness which affects his mind, or is he mad?" They said, "Messenger of Allah, by Allah, he is well." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Unmarried or married?" They said, "Married, Messenger of Allah." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, gave the order and he was stoned.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ৩. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তিকে যাহার নাম হাযযাল ছিল, বলিলেন, “হে হাযযাল, যদি তুমি ঐ খবরটি (মাইয়ের ব্যভিচারের খবর) গোপন রাখিতে তাহা হইলে উহা তোমার জন্য ভালই হইত।”

ইয়াহইয়া ইবনে সায়ীদ (রহঃ) বলেনঃ আমি এক সময় এক সভাস্থলে এই ঘটনা বর্ণনা করিলাম। তথায় ইয়াযীদ ইবনে নুয়াইম ইবনে হাযযালও উপস্থিত ছিল। তখন ইয়াযীদ বলিলঃ হাযযাল আমার পিতামহ ছিলেন। এই হাদীস সত্য।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِرَجُلٍ مِنْ أَسْلَمَ يُقَالُ لَهُ هَزَّالٌ يَا هَزَّالُ لَوْ سَتَرْتَهُ بِرِدَائِكَ لَكَانَ خَيْرًا لَكَ قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ فَحَدَّثْتُ بِهَذَا الْحَدِيثِ فِي مَجْلِسٍ فِيهِ يَزِيدُ بْنُ نُعَيْمِ بْنِ هَزَّالٍ الْأَسْلَمِيِّ فَقَالَ يَزِيدُ هَزَّالٌ جَدِّي وَهَذَا الْحَدِيثُ حَقٌّ

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل من أسلم يقال له هزال يا هزال لو سترته بردائك لكان خيرا لك قال يحيى بن سعيد فحدثت بهذا الحديث في مجلس فيه يزيد بن نعيم بن هزال الأسلمي فقال يزيد هزال جدي وهذا الحديث حق


Malik related to me from Yahya ibn Said that Said ibn al-Musayyab said, "I have heard that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said to a man from the Aslam tribe called Hazzal, 'Hazzal, had you veiled him with your cloak, it would have been better for you.' "

Yahya ibn Said said, "I related this hadith in an assembly among whom was Yazid ibn Nuaym ibn Hazzal al-Aslami. Yazid said, 'Hazzal was my grandfather. This hadith is true.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ৪. ইবনে শিহাব যুহরী (রহঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সময়ে এক ব্যক্তি নিজে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার কথা চারিবার স্বীকার করিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের আদেশে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

ইবনে শিহাব বলেনঃ এজন্যই কোন ব্যক্তি নিজ অপরাধ করিলে উহা দ্বারা তাহার শাস্তি হইয়া থাকে।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَجُلًا اعْتَرَفَ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَشَهِدَ عَلَى نَفْسِهِ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرُجِمَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَمِنْ أَجْلِ ذَلِكَ يُؤْخَذُ الرَّجُلُ بِاعْتِرَافِهِ عَلَى نَفْسِهِ

حدثني مالك عن ابن شهاب أنه أخبره أن رجلا اعترف على نفسه بالزنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وشهد على نفسه أربع مرات فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجم قال ابن شهاب فمن أجل ذلك يؤخذ الرجل باعترافه على نفسه


Malik related to me that Ibn Shihab informed him that a man confessed that he had committed adultery in the time of the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and he testified against himself four times, so the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, gave the order and he was stoned.

Ibn Shihab said, "Because of this a man is to be taken for his own confession against himself."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ৫. আবদুল্লাহ ইবনে আবী মুলাইকা (রহঃ) বলেনঃ এক স্ত্রীলোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইয়া ব্যভিচারের কথা স্বীকার করিল। সে মহিলা তখন অন্তঃসত্ত্বা ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ তোমার সন্তান প্রসবের পর আসিও। অতঃপর ঐ স্ত্রীলোকটি প্রসবের পর আসিল। এবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ এখন যাও, সন্তানের দুধ ছাড়া হলে আসিও। সন্তানের দুধ ছাড়ানোর পর ঐ মহিলাটি আবার আসিল। এবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেন, যাও, এই সন্তানকে কাহারও তত্ত্বাবধানে রাখিয়া আস। সে তাহাকে কাহারও তত্ত্বাবধানে রাখিয়া আসিল। অতঃপর তাহার আদেশে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ زَيْدِ بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ زَيْدِ بْنِ طَلْحَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ امْرَأَةً جَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا زَنَتْ وَهِيَ حَامِلٌ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اذْهَبِي حَتَّى تَضَعِي فَلَمَّا وَضَعَتْ جَاءَتْهُ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اذْهَبِي حَتَّى تُرْضِعِيهِ فَلَمَّا أَرْضَعَتْهُ جَاءَتْهُ فَقَالَ اذْهَبِي فَاسْتَوْدِعِيهِ قَالَ فَاسْتَوْدَعَتْهُ ثُمَّ جَاءَتْ فَأَمَرَ بِهَا فَرُجِمَتْ

حدثني مالك عن يعقوب بن زيد بن طلحة عن أبيه زيد بن طلحة عن عبد الله بن أبي مليكة أنه أخبره أن امرأة جاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته أنها زنت وهي حامل فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم اذهبي حتى تضعي فلما وضعت جاءته فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم اذهبي حتى ترضعيه فلما أرضعته جاءته فقال اذهبي فاستودعيه قال فاستودعته ثم جاءت فأمر بها فرجمت


Malik related to me from Yaqub ibn Zayd ibn Talha from his father Zayd ibn Talha that Abdullah ibn Abi Mulayka informed him that a woman came to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and informed him that she had committed adultery and was pregnant. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said to her, "Go away until you give birth." When she had given birth, she came to him. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said to her, "Go away until you have suckled and weaned the baby." When she had weaned the baby, she came to him. He said, "Go and entrust the baby to someone." She entrusted the baby to someone and then came to him. He gave the order and she was stoned.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ৬. আবু হুরায়রা (রাঃ) ও খালিদ জুহানী (রাঃ) বলেনঃ দুই ব্যক্তির মধ্যে ঝগড়া হইয়া তাহারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খিদমতে উপস্থিত হইল। তাহাদের একজন বলিলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ আল্লাহর কিতাবের আইন অনুসারে আমাদের মীমাংসা করিয়া দিন। দ্বিতীয় ব্যক্তি খুব চতুর ছিল, বলিতে লাগিল : ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আল্লাহর কিতাব অনুসারে মীমাংসা করুন এবং আমাকে কথা বলিতে দিন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তুমি কি বলিতে চাও বল। সে বলিলঃ আমার ছেলে এই ব্যক্তির এখানে চাকর ছিল। সে এ ব্যক্তির স্ত্রীর সহিত ব্যভিচার করিয়াছে। অনেকে বলিলঃ তোমার ছেলেকে প্রস্তরাঘাত করা হইবে। আমি তাহার পক্ষ হইতে একশত বকরী এবং একটি দাসী ক্ষতিপূরণ হিসাবে দান করিলাম। অতঃপর আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞাসা করিলাম। তাহারা বলিলেনঃ তোমার ছেলেকে একশত বেত্ৰাঘাত করা হইবে এবং এ বৎসরের জন্য নির্বাসন দেওয়া হইবে। আর তাহার স্ত্রীকে প্রস্তরাঘাত করা হইবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ আল্লাহর কিতাব অনুসারেই আমি তোমাদের ফয়সালা করিব। তোমার বকরী ও দাসী তুমি ফেরত লইয়া যাও। ইহা তোমার মাল। অতঃপর তাহার ছেলেকে একশত বেত্ৰাঘাত লাগান হইল আর এক বৎসরের জন্য দেশ ত্যাগের আদেশ দিলেন এবং আনীস আসলামীকে দ্বিতীয় ব্যক্তির স্ত্রীকে হাযির করিতে নির্দেশ দেওয়া হইল। সেই স্ত্রীলোক অপরাধ স্বীকার করিলে তাহাকে প্রস্তারাঘাত করিতে বলা হইল। স্ত্রীলোকটি অপরাধ স্বীকার করায় তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ উক্ত হাদীসে যে ‘আসীফ' (العسيف) শব্দ রহিয়াছে, উহার অর্থ ভৃত্য।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ أَنَّ رَجُلَيْنِ اخْتَصَمَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَحَدُهُمَا يَا رَسُولَ اللَّهِ اقْضِ بَيْنَنَا بِكِتَابِ اللَّهِ وَقَالَ الْآخَرُ وَهُوَ أَفْقَهُهُمَا أَجَلْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَاقْضِ بَيْنَنَا بِكِتَابِ اللَّهِ وَأْذَنْ لِي فِي أَنْ أَتَكَلَّمَ قَالَ تَكَلَّمْ فَقَالَ إِنَّ ابْنِي كَانَ عَسِيفًا عَلَى هَذَا فَزَنَى بِامْرَأَتِهِ فَأَخْبَرَنِي أَنَّ عَلَى ابْنِي الرَّجْمَ فَافْتَدَيْتُ مِنْهُ بِمِائَةِ شَاةٍ وَبِجَارِيَةٍ لِي ثُمَّ إِنِّي سَأَلْتُ أَهْلَ الْعِلْمِ فَأَخْبَرُونِي أَنَّ مَا عَلَى ابْنِي جَلْدُ مِائَةٍ وَتَغْرِيبُ عَامٍ وَأَخْبَرُونِي أَنَّمَا الرَّجْمُ عَلَى امْرَأَتِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَأَقْضِيَنَّ بَيْنَكُمَا بِكِتَابِ اللَّهِ أَمَّا غَنَمُكَ وَجَارِيَتُكَ فَرَدٌّ عَلَيْكَ وَجَلَدَ ابْنَهُ مِائَةً وَغَرَّبَهُ عَامًا وَأَمَرَ أُنَيْسًا الْأَسْلَمِيَّ أَنْ يَأْتِيَ امْرَأَةَ الْآخَرِ فَإِنْ اعْتَرَفَتْ رَجَمَهَا فَاعْتَرَفَتْ فَرَجَمَهَا قَالَ مَالِك وَالْعَسِيفُ الْأَجِيرُ

حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أبي هريرة وزيد بن خالد الجهني أنهما أخبراه أن رجلين اختصما إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أحدهما يا رسول الله اقض بيننا بكتاب الله وقال الآخر وهو أفقههما أجل يا رسول الله فاقض بيننا بكتاب الله وأذن لي في أن أتكلم قال تكلم فقال إن ابني كان عسيفا على هذا فزنى بامرأته فأخبرني أن على ابني الرجم فافتديت منه بمائة شاة وبجارية لي ثم إني سألت أهل العلم فأخبروني أن ما على ابني جلد مائة وتغريب عام وأخبروني أنما الرجم على امرأته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما والذي نفسي بيده لأقضين بينكما بكتاب الله أما غنمك وجاريتك فرد عليك وجلد ابنه مائة وغربه عاما وأمر أنيسا الأسلمي أن يأتي امرأة الآخر فإن اعترفت رجمها فاعترفت فرجمها قال مالك والعسيف الأجير


Malik related to me from Ibn Shihab from Ubaydullah ibn Abdullah ibn Utba ibn Masud that Abu Hurayra and Zayd ibn Khalid al-Juhani informed him that two men brought a dispute to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace. One of them said, "Messenger of Allah! Judge between us by the Book of Allah!" The other said, and he was the wiser of the two, "Yes, Messenger of Allah. Judge between us by the Book of Allah and give me permission to speak." He said, "Speak." He said, "My son was hired by this person and he committed fornication with his wife. He told me that my son deserved stoning, and I ransomed him for one hundred sheep and a slave-girl. Then I asked the people of knowledge and they told me that my son deserved to be flogged with one hundred lashes and exiled for a year, and they informed me that the woman deserved to be stoned." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "By him in whose Hand myself is, I will judge between you by the Book of Allah. As for your sheep and slave girl, they should be returned to you. Your son should have one hundred lashes and be exiled for a year." He ordered Unays al-Aslami to go to the wife of the other man and to stone her if she confessed . She confessed and he stoned her.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, সা’দ ইবন উবাদা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমি আমার স্ত্রীর নিকট কোন ব্যক্তিকে পাই, তবে কি চারজন সাক্ষী আনা পর্যন্ত তাহাকে সময় দিব? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হ্যাঁ।

সা'দ বলিলেনঃ আমি ঐ আল্লাহর শপথ করিয়া বলিতেছি, যিনি আপনাকে নবী করিয়া পাঠাইয়াছেন, আমি তো তাহাকে দেখামাত্র তলোয়ার দ্বারা দ্বিখণ্ডিত করিয়া ফেলিব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হে আনসারগণ, তোমাদের নেতা কি বলিতেছে শোন, সে তাহাকে বড় আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মনে করে। আমি তো তাহা অপেক্ষা আত্মমর্যাদাসম্পন্ন আর আল্লাহ তা’আলা আমা অপেক্ষা অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنِّي وَجَدْتُ مَعَ امْرَأَتِي رَجُلًا أَأُمْهِلُهُ حَتَّى آتِيَ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ

حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت لو أني وجدت مع امرأتي رجلا أأمهله حتى آتي بأربعة شهداء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم


Malik related to me from Suhayl ibn Abi Salih from his father from Abu Hurayra that Sad ibn Ubada said to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, "What do you think I should do if I were to find a man with my wife? Should I leave him there until I had brought four witnesses?" The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Yes."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ৮. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন, আল্লাহর কিতাবে প্রস্তরাঘাতের যে বিধান রহিয়াছে উহা বাস্তব সত্য। যে ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় সে পুরুষ হউক অথবা নারী যদি বিবাহিত হয় আর চারজন সাক্ষী পাওয়া যায় অথবা তাহার পেটে বাচ্চা হয় বা স্বীকার করে, তবে প্রস্তরাঘাত করা হইবে।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ الرَّجْمُ فِي كِتَابِ اللَّهِ حَقٌّ عَلَى مَنْ زَنَى مِنْ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ إِذَا أُحْصِنَ إِذَا قَامَتْ الْبَيِّنَةُ أَوْ كَانَ الْحَبَلُ أَوْ الْاعْتِرَافُ

حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أنه قال سمعت عمر بن الخطاب يقول الرجم في كتاب الله حق على من زنى من الرجال والنساء إذا أحصن إذا قامت البينة أو كان الحبل أو الاعتراف


Malik related to me from Ibn Shihab from Ubaydullah ibn Abdullah ibn Utba ibn Masud that Abdullah ibn Abbas said, "I heard Umar ibn al- Khattab say, 'Stoning is in the Book of Allah for those who commit adultery, men or women when they are muhsan and when there is clear proof of pregnancy or a confession.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ৯. আবু ওয়াকিদ পাঠনী (রহঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) যখন সিরিয়ায় ছিলেন এক ব্যক্তি তাহাকে বলিলঃ আমি আমার স্ত্রীর নিকট এক ব্যক্তিকে পাইলাম। উমর (রাঃ) আবু ওয়াকিদ লাইসীকে ঐ স্ত্রীলোকটির নিকট জিজ্ঞাসা করিতে পাঠাইলেন। আবু ওয়াকিদ তাহার নিকট যাইয়া দেখিলেন আরও কয়েকজন নারী বসিয়া আছে। আবু ওয়াকিদ স্ত্রীলোকটির নিকট তাহার স্বামী উমর (রাঃ)-এর নিকট যাহা বর্ণনা করিয়াছে তাহা বলিলেন। তিনি ইহাও বলিলেনঃ তোমার স্বামীর কথায় তোমাকে শাস্তি দেওয়া হইবে না, যদি না তুমি স্বীকার কর। অতঃপর আরও এই জাতীয় নানা কথা তাহাকে শিখাইতে লাগিলেন, যাহাতে সে স্বীকার না করে। কিন্তু সে ইহা মানিল না, বরং ব্যভিচারের কথা স্বীকার করিল। অতঃপর উমর (রাঃ)-এর আদেশে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي وَاقِدٍ اللَّيْثِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَتَاهُ رَجُلٌ وَهُوَ بِالشَّامِ فَذَكَرَ لَهُ أَنَّهُ وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا فَبَعَثَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَبَا وَاقِدٍ اللَّيْثِيَّ إِلَى امْرَأَتِهِ يَسْأَلُهَا عَنْ ذَلِكَ فَأَتَاهَا وَعِنْدَهَا نِسْوَةٌ حَوْلَهَا فَذَكَرَ لَهَا الَّذِي قَالَ زَوْجُهَا لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَأَخْبَرَهَا أَنَّهَا لَا تُؤْخَذُ بِقَوْلِهِ وَجَعَلَ يُلَقِّنُهَا أَشْبَاهَ ذَلِكَ لِتَنْزِعَ فَأَبَتْ أَنْ تَنْزِعَ وَتَمَّتْ عَلَى الْاعْتِرَافِ فَأَمَرَ بِهَا عُمَرُ فَرُجِمَتْ

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار عن أبي واقد الليثي أن عمر بن الخطاب أتاه رجل وهو بالشام فذكر له أنه وجد مع امرأته رجلا فبعث عمر بن الخطاب أبا واقد الليثي إلى امرأته يسألها عن ذلك فأتاها وعندها نسوة حولها فذكر لها الذي قال زوجها لعمر بن الخطاب وأخبرها أنها لا تؤخذ بقوله وجعل يلقنها أشباه ذلك لتنزع فأبت أن تنزع وتمت على الاعتراف فأمر بها عمر فرجمت


Malik related to me from Yahya ibn Said from Sulayman ibn Yasar from Abu Waqid al-Laythi that a man came to Umar ibn al-Khattab while he was in ash-Sham . He mentioned to him that he had found a man with his wife Umar sent Abu Waqid al-Laythi to the wife to question her about that. He came to her while there were women around her and mentioned to her what her husband had mentioned to Umar ibn al- Khattab, and informed her that she would not be punished on his word and began to suggest to her by that, that she should retract. She refused to retract and held firm to confession. Umar gave the order and she was stoned.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ১০. সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) বর্ণনা করেন, উমর (রাঃ) যখন মিনা হইতে প্রত্যাবর্তন (২৩ হিজরী) করিলেন তখন তিনি (মক্কার অনতিদূরে) আবতাহ নাম স্থানে তাহার উট বসাইলেন। আর এদিকে কতকগুলি পাথর একত্র করিলেন। উহার উপর একখানা চাদর রাখিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িলেন। অতঃপর আকাশের দিকে স্বীয় হস্তদ্বয় উত্তোলন করিয়া বলিতে লাগিলেনঃ হে আল্লাহ! আমার অনেক বয়স হইয়াছে। শক্তি রহিত হইয়া গিয়াছে, প্রজাবৃন্দ অনেক হইয়া গিয়াছে। এ সময় আপনি আমাকে আপনার সন্নিধানে ডাকিয়া লউন, যাহাতে আমা দ্বারা আপনার কোন আদেশ অমান্য না হইয়া যায় এবং আপনার ইবাদতে অনিচ্ছা প্রকাশ হইয়া পড়ে। অতঃপর তিনি মদীনা চলিয়া গেলেন, মদীনার লোকদের সম্মুখে খুতবা দিতে যাইয়া বলিলেনঃ হে উপস্থিত ভ্রাতৃবৃন্দ তোমাদের সম্মুখে সমস্ত পথই প্রকাশ হইয়া পড়িয়াছে; যত রকম ফরয কাজ ছিল সমস্তই নির্ধারিত হইয়া গিয়াছে। তোমরা পরিষ্কার সোজা পথে চালিত হইয়াছ। এখন তোমরা পথ ভুলিয়া যেন এদিক-ওদিক বিপথগামী না হইয়া যাও। তিনি তাহার এক হাত অন্য হাতের উপর রাখিয়া বলিলেনঃ দেখ, তোমরা প্রস্তরাঘাতের আয়াতটি ভুলিয়া যাইও না। কেহ যেন না বলে, আমরা আল্লাহর কিতাবে প্রস্তরাঘাতের আয়াত দেখিতেছি না। দেখ আল্লাহর রাসূল প্রস্তরাঘাত করিয়াছেন। ঐ আল্লাহর কসম, যাহার হাতে আমার প্রাণ রহিয়াছে, যদি মানুষ এ কথা না বলিত যে, উমর আল্লাহর কিতাবে অতিরিক্ত করিয়াছে তাহা হইলে আমি (الشَّيْخُ وَالشَّيْخَةُ فَارْجُمُوهُمَا الْبَتَّةَ) (অর্থাৎ যখন বিবাহিত পুরুষ অথবা নারী ব্যভিচার করে তবে তাহদেরকে প্রস্তরাঘাত কর) আয়াতটি কুরআনে লিখাইয়া দিতাম।

আমরা এই আয়াত পাঠ করিয়াছি। অতঃপর উহার তিলাওয়াত রহিত হইয়া গিয়াছে (কিন্তু ইহার হুকুম কিয়ামত পর্যন্ত থাকিবে)। সাঈদ বলেন, অতঃপর যিলহজ্জ মাস শেষ না হইতেই উমর (রাঃ) নিহত হইলেন।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ لَمَّا صَدَرَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ مِنْ مِنًى أَنَاخَ بِالْأَبْطَحِ ثُمَّ كَوَّمَ كَوْمَةً بَطْحَاءَ ثُمَّ طَرَحَ عَلَيْهَا رِدَاءَهُ وَاسْتَلْقَى ثُمَّ مَدَّ يَدَيْهِ إِلَى السَّمَاءِ فَقَالَ اللَّهُمَّ كَبِرَتْ سِنِّي وَضَعُفَتْ قُوَّتِي وَانْتَشَرَتْ رَعِيَّتِي فَاقْبِضْنِي إِلَيْكَ غَيْرَ مُضَيِّعٍ وَلَا مُفَرِّطٍ ثُمَّ قَدِمَ الْمَدِينَةَ فَخَطَبَ النَّاسَ فَقَالَ أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ سُنَّتْ لَكُمْ السُّنَنُ وَفُرِضَتْ لَكُمْ الْفَرَائِضُ وَتُرِكْتُمْ عَلَى الْوَاضِحَةِ إِلَّا أَنْ تَضِلُّوا بِالنَّاسِ يَمِينًا وَشِمَالًا وَضَرَبَ بِإِحْدَى يَدَيْهِ عَلَى الْأُخْرَى ثُمَّ قَالَ إِيَّاكُمْ أَنْ تَهْلِكُوا عَنْ آيَةِ الرَّجْمِ أَنْ يَقُولَ قَائِلٌ لَا نَجِدُ حَدَّيْنِ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَقَدْ رَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَجَمْنَا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْلَا أَنْ يَقُولَ النَّاسُ زَادَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فِي كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى لَكَتَبْتُهَا الشَّيْخُ وَالشَّيْخَةُ فَارْجُمُوهُمَا أَلْبَتَّةَ فَإِنَّا قَدْ قَرَأْنَاهَا قَالَ مَالِك قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ فَمَا انْسَلَخَ ذُو الْحِجَّةِ حَتَّى قُتِلَ عُمَرُ رَحِمَهُ اللَّهُ قَالَ يَحْيَى سَمِعْت مَالِك يَقُولُ قَوْلُهُ الشَّيْخُ وَالشَّيْخَةُ يَعْنِي الثَّيِّبَ وَالثَّيِّبَةَ فَارْجُمُوهُمَا أَلْبَتَّةَ

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه سمعه يقول لما صدر عمر بن الخطاب من منى أناخ بالأبطح ثم كوم كومة بطحاء ثم طرح عليها رداءه واستلقى ثم مد يديه إلى السماء فقال اللهم كبرت سني وضعفت قوتي وانتشرت رعيتي فاقبضني إليك غير مضيع ولا مفرط ثم قدم المدينة فخطب الناس فقال أيها الناس قد سنت لكم السنن وفرضت لكم الفرائض وتركتم على الواضحة إلا أن تضلوا بالناس يمينا وشمالا وضرب بإحدى يديه على الأخرى ثم قال إياكم أن تهلكوا عن آية الرجم أن يقول قائل لا نجد حدين في كتاب الله فقد رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا والذي نفسي بيده لولا أن يقول الناس زاد عمر بن الخطاب في كتاب الله تعالى لكتبتها الشيخ والشيخة فارجموهما ألبتة فإنا قد قرأناها قال مالك قال يحيى بن سعيد قال سعيد بن المسيب فما انسلخ ذو الحجة حتى قتل عمر رحمه الله قال يحيى سمعت مالك يقول قوله الشيخ والشيخة يعني الثيب والثيبة فارجموهما ألبتة


Malik related to me that Yahya ibn Said heard Said ibn al- Musayyab say, "When Umar ibn al-Khattab came from Mina, he made his camel kneel at al-Abtah, and then he gathered a pile of small stones and cast his cloak over them and dropped to the ground. Then he raised his hands to the sky and said, 'O Allah! I have become old and my strength has weakened. My flock is scattered. Take me to You with nothing missed out and without having neglected anything.' Then he went to Madina and addressed the people. He said, 'People! Sunan have been laid down for you. Obligations have been placed upon you. You have been left with a clear way unless you lead people astray right and left.' He struck one of his hands on the other and then said, 'Take care lest you destroy the ayat of stoning so that one will say, "We do not find two hadds in the Book of Allah." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, stoned, so we have stoned. By He in Whose Hand my self is, had it not been that people would say that Umar ibn al-Khattab has added to the Book of Allah ta- ala, we would have written it, "The full-grown man and the full-grown woman, stone them absolutely." We have certainly recited that.'"

Malik said, "Yahya ibn Said said Said ibn al-Musayyab said, 'Dhu'l-Hijja had not passed before Umar was murdered, may Allah have mercy on him.' "

Yahya said that he had heard Malik say, "As for his words 'The full-grown man and the full-grown woman' he meant, 'The man and the woman who have been married, stone them absolutely.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রস্তরাঘাত করা

রেওয়ায়ত ১১. মালিক (রহঃ)-এর নিকট সংবাদ পৌছিয়াছে যে, উসমান (রাঃ)-এর নিকট একটি স্ত্রীলোককে আনা হইয়াছিল, ছয় মাসেই যাহার সন্তান প্রসব হইয়াছে। উসমান (রাঃ) তাহাকে প্রস্তরাঘাত করার আদেশ দিয়া দিলেন। আলী (রাঃ) তাহাকে বলিলেনঃ তাহার উপর প্রস্তরাঘাত করা যাইবে না। কেননা আল্লাহ তা'আলা (‏‏وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلاَثُونَ شَهْرًا) “সন্তানের মাতৃগর্ভে অবস্থান এবং মাতৃস্তন ছাড়াইবার সময় ৩০ মাস।”

অন্য আয়াতে বলা হইয়াছেঃ “মা তাহার সন্তানকে পূর্ণ দুই বৎসর দুধ দান করিবে। (অতএব ৩০ মাস হইতে ২৪ মাস বাদ দিলে ৬ মাস থাকে) তাহা হইলে সন্তানের মাতৃউদরে অবস্থানকাল ৬ মাস হইল। অতএব তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা যাইতে পারে না।

ইহা শুনিয়া উসমান (রাঃ) তাহার নিকট লোক পাঠাইয়া দিলেন। তাহারা যাইয়া দেখিল, ততক্ষণে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইয়াছে।

আলী (রাঃ)-এর এই ইজতিহাদ দ্বারা সন্তানের মাতৃউদরে অবস্থান সর্বদা ছয় মাস অনিবার্য হইয়া পড়ে, অথচ তাহা হইল সর্বনিম্ন সময়, বরং এই আয়াতের উদ্দেশ্য এই যে, পৌনে দুই বৎসর স্তন দানের এবং নয় মাস উদরে অবস্থানের সময় যে উহা পূর্ণ করিতে চায়। কেননা স্তন দান দুই বৎসরের অতিরিক্ত হওয়া প্রমাণিত নহে।

মালিক (রহঃ) ইবন শিহাবকে জিজ্ঞাসা করিলেন, পুং মৈথুন করিলে তাহার শাস্তি কি? তিনি বলিলেন, তাহাকেও প্রস্তরাঘাত করিতে হইবে, সে বিবাহিত হউক বা অবিবাহিত।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّجْمِ

وَحَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ أُتِيَ بِامْرَأَةٍ قَدْ وَلَدَتْ فِي سِتَّةِ أَشْهُرٍ فَأَمَرَ بِهَا أَنْ تُرْجَمَ فَقَالَ لَهُ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ لَيْسَ ذَلِكَ عَلَيْهَا إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ فِي كِتَابِهِ وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلَاثُونَ شَهْرًا وَقَالَ وَالْوَالِدَاتُ يُرْضِعْنَ أَوْلَادَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ لِمَنْ أَرَادَ أَنْ يُتِمَّ الرَّضَاعَةَ فَالْحَمْلُ يَكُونُ سِتَّةَ أَشْهُرٍ فَلَا رَجْمَ عَلَيْهَا فَبَعَثَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فِي أَثَرِهَا فَوَجَدَهَا قَدْ رُجِمَتْ
حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنْ الَّذِي يَعْمَلُ عَمَلَ قَوْمِ لُوطٍ فَقَالَ ابْنُ شِهَابٍ عَلَيْهِ الرَّجْمُ أَحْصَنَ أَوْ لَمْ يُحْصِنْ

وحدثني مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان أتي بامرأة قد ولدت في ستة أشهر فأمر بها أن ترجم فقال له علي بن أبي طالب ليس ذلك عليها إن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه وحمله وفصاله ثلاثون شهرا وقال والوالدات يرضعن أولادهن حولين كاملين لمن أراد أن يتم الرضاعة فالحمل يكون ستة أشهر فلا رجم عليها فبعث عثمان بن عفان في أثرها فوجدها قد رجمت حدثني مالك أنه سأل ابن شهاب عن الذي يعمل عمل قوم لوط فقال ابن شهاب عليه الرجم أحصن أو لم يحصن


Malik related to me that he had heard that Uthman ibn Affan was brought a woman who had given birth after six months and he ordered her to be stoned. Ali ibn Abi Talib said to him, "She does not deserve that. Allah, the Blessed, the Exalted, says in His Book, 'Their carrying and weaning is thirty months,' (Sura 46 ayat 15) and he said, 'Mothers suckle their children for two full years for whoever wishes to complete the suckling.' (Sura 2 ayat 233) Pregnancy can then be six months, so she does not deserve to be stoned." Uthman ibn Affan sent for her and found that she had already been stoned.

Malik related to me that he asked Ibn Shihab about someone who committed sodomy. Ibn Shihab said, "He is to be stoned, whether or not he is muhsan."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ২. ব্যভিচার স্বীকারকারী

রেওয়ায়ত ১২. যায়দ ইবন আসলাম (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সময়ে এক ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়াছে বলিয়া স্বীকার করিল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার জন্য একটি বেত্র আনাইতে চাহিলে তাহার নিকট একটি নূতন বেত্র আনা হইল যাহার মাথা এখনও কাটা হয় নাই। তিনি বলিলেনঃ ইহা হইতে নরম একটি লও। অতঃপর একটি ভাঙ্গা বেত্র আনা হইল। তিনি বলিলেনঃ ইহা হইতে শক্ত একটি বেত্র আনয়ন কর। অতঃপর এমন একটি বেত্র আনা হইল যাহা বাহনে ব্যবহার করা হইয়াছে তজ্জন্য নরম হইয়া গিয়াছে। অতঃপর তাহার আদেশে তাহাকে বেত্ৰাঘাত করা হইল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ এখন সময় আসিয়াছে তোমরা আল্লাহর নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করা হইতে ফিরিয়া আসিবে। যদি কেহ এইরূপ কোন কিছু করিয়া বসে তবে তাহাকে আল্লাহর পর্দার আড়ালে লুকাইয়া থাকা উচিত। যে ব্যক্তি স্বীয় পর্দা উন্মোচন করিবে তবে আমরা তাহার উপর আল্লাহর কিতাবের নির্ধারিত শাস্তি জারি করিব।

باب مَا جَاءَ فِيمَنْ اعْتَرَفَ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ رَجُلًا اعْتَرَفَ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَعَا لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَوْطٍ فَأُتِيَ بِسَوْطٍ مَكْسُورٍ فَقَالَ فَوْقَ هَذَا فَأُتِيَ بِسَوْطٍ جَدِيدٍ لَمْ تُقْطَعْ ثَمَرَتُهُ فَقَالَ دُونَ هَذَا فَأُتِيَ بِسَوْطٍ قَدْ رُكِبَ بِهِ وَلَانَ فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجُلِدَ ثُمَّ قَالَ أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ آنَ لَكُمْ أَنْ تَنْتَهُوا عَنْ حُدُودِ اللَّهِ مَنْ أَصَابَ مِنْ هَذِهِ الْقَاذُورَاتِ شَيْئًا فَلْيَسْتَتِرْ بِسِتْرِ اللَّهِ فَإِنَّهُ مَنْ يُبْدِي لَنَا صَفْحَتَهُ نُقِمْ عَلَيْهِ كِتَابَ اللَّهِ

حدثني مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا اعترف على نفسه بالزنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعا له رسول الله صلى الله عليه وسلم بسوط فأتي بسوط مكسور فقال فوق هذا فأتي بسوط جديد لم تقطع ثمرته فقال دون هذا فأتي بسوط قد ركب به ولان فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فجلد ثم قال أيها الناس قد آن لكم أن تنتهوا عن حدود الله من أصاب من هذه القاذورات شيئا فليستتر بستر الله فإنه من يبدي لنا صفحته نقم عليه كتاب الله


Malik related to me from Zayd ibn Aslam that a man confessed to fornication in the time of the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, called for a whip, and he was brought a broken whip. He said, "Above this," and he was brought a new whip whose knots had not been cut yet. He said, "Below this," and he was brought a whip which had been used and made flexible. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, gave the order and he was flogged. Then he said, "People! The time has come for you to observe the limits of Allah. Whoever has had any of these ugly things befall him should cover them up with the veil of Allah. Whoever reveals to us his wrong action, we perform what is in the Book of Allah against him."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ২. ব্যভিচার স্বীকারকারী

রেওয়ায়ত ১৩. সফীয়া বিনত আবূ উরায়দ (রাঃ) বর্ণনা করেন, আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট এক ব্যক্তিকে আনা হইল। সে একটি কুমারী বালিকার সহিত ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়া তাহাকে গর্ভবতী করিয়াছিল। অতঃপর সে ব্যভিচারের কথা স্বীকার করিল। সে বিবাহিত ছিল না। আবু বকর (রাঃ) তাহাকে কোড়া লাগাইবার আদেশ করিলেন। ইহার পর ঐ লোকটি ফিদক নামক স্থানে চলিয়া গেল।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন ব্যক্তি ব্যভিচারের কথা স্বীকার করার পর আবার অস্বীকার করিয়া বলে যে, আমি ব্যভিচার করি নাই, তাহা হইলে তাহা হইতে শাস্তি রহিত হইয়া যাইবে। কেননা ব্যভিচারের শাস্তির জন্য হয় চারিজন উপযুক্ত সাক্ষী হইবে, না হয় তাহার স্বীকারোক্তি হইতে হইবে যাহার উপর সে শাস্তির সময় পর্যন্ত স্থির থাকে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার দেশের উলামার মত হইল যে, যদি গোলাম ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তবে তাহাকে দেশান্তরিত করা হইবে না।

باب مَا جَاءَ فِيمَنْ اعْتَرَفَ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ أَخْبَرَتْهُ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ أُتِيَ بِرَجُلٍ قَدْ وَقَعَ عَلَى جَارِيَةٍ بِكْرٍ فَأَحْبَلَهَا ثُمَّ اعْتَرَفَ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا وَلَمْ يَكُنْ أَحْصَنَ فَأَمَرَ بِهِ أَبُو بَكْرٍ فَجُلِدَ الْحَدَّ ثُمَّ نُفِيَ إِلَى فَدَكَ
قَالَ مَالِك فِي الَّذِي يَعْتَرِفُ عَلَى نَفْسِهِ بِالزِّنَا ثُمَّ يَرْجِعُ عَنْ ذَلِكَ وَيَقُولُ لَمْ أَفْعَلْ وَإِنَّمَا كَانَ ذَلِكَ مِنِّي عَلَى وَجْهِ كَذَا وَكَذَا لِشَيْءٍ يَذْكُرُهُ إِنَّ ذَلِكَ يُقْبَلُ مِنْهُ وَلَا يُقَامُ عَلَيْهِ الْحَدُّ وَذَلِكَ أَنَّ الْحَدَّ الَّذِي هُوَ لِلَّهِ لَا يُؤْخَذُ إِلَّا بِأَحَدِ وَجْهَيْنِ إِمَّا بِبَيِّنَةٍ عَادِلَةٍ تُثْبِتُ عَلَى صَاحِبِهَا وَإِمَّا بِاعْتِرَافٍ يُقِيمُ عَلَيْهِ حَتَّى يُقَامَ عَلَيْهِ الْحَدُّ فَإِنْ أَقَامَ عَلَى اعْتِرَافِهِ أُقِيمَ عَلَيْهِ الْحَدُّ قَالَ مَالِك الَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ أَنَّهُ لَا نَفْيَ عَلَى الْعَبِيدِ إِذَا زَنَوْا

حدثني مالك عن نافع أن صفية بنت أبي عبيد أخبرته أن أبا بكر الصديق أتي برجل قد وقع على جارية بكر فأحبلها ثم اعترف على نفسه بالزنا ولم يكن أحصن فأمر به أبو بكر فجلد الحد ثم نفي إلى فدك قال مالك في الذي يعترف على نفسه بالزنا ثم يرجع عن ذلك ويقول لم أفعل وإنما كان ذلك مني على وجه كذا وكذا لشيء يذكره إن ذلك يقبل منه ولا يقام عليه الحد وذلك أن الحد الذي هو لله لا يؤخذ إلا بأحد وجهين إما ببينة عادلة تثبت على صاحبها وإما باعتراف يقيم عليه حتى يقام عليه الحد فإن أقام على اعترافه أقيم عليه الحد قال مالك الذي أدركت عليه أهل العلم أنه لا نفي على العبيد إذا زنوا


Malik related to me from Nafi that Safiyya bint Abi Ubayd informed him that a man who had had intercourse with a virgin slave- girl and made her pregnant was brought to Abu Bakr as-Siddiq. He confessed to fornication, and he was not muhsan. Abu Bakr gave the order and he was flogged with the hadd punishment. Then he was banished to Fadak, (thirty miles from Madina).

Malik spoke about a person who confessed to fornication and then retracted it and said, "I didn't do it. I said that for such-and-such a reason," and he mentioned the reason. Malik said, "That is accepted from him and the hadd is not imposed on him. That is because the hadd is what is for Allah, and it is only applied by one of two means, either by a clear proof which establishes guilt or by a confession which is persisted in so that the hadd is imposed. If someone persists in his confession, the hadd is imposed on him."

Malik said, "I have not seen the people of knowledge exiling slaves who have committed adultery."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. ব্যভিচারের শাস্তির বিভিন্ন হাদীস

রেওয়ায়ত ১৪. আবু হুরায়রা (রাঃ) ও যায়দ ইবন খালিদ জুহানী (রাঃ) বলেনঃ কেহ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অবিবাহিতা দাসী সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করিল যে, যদি সে ব্যভিচারে লিপ্ত হয় তবে তাহার বিধান কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, যদি সে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তবে তাহাকে বেত্ৰাঘাত করিতে হইবে। তিনবার তিনি এইরূপ বললেন। অতঃপর তাহাকে বিক্রয় করিয়া ফেল, যদি তাহার মূল্য একটি রশির তুল্যও হয়।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইবন শিহাব বলেন, তিনি কি তিনবারের পর এ কথা বলিয়াছেন, না চারিবারের পর, তাহা আমার স্মরণ নাই।

باب جَامِعِ مَا جَاءَ فِي حَدِّ الزِّنَا

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ الْأَمَةِ إِذَا زَنَتْ وَلَمْ تُحْصِنْ فَقَالَ إِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا ثُمَّ إِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا ثُمَّ إِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا ثُمَّ بِيعُوهَا وَلَوْ بِضَفِيرٍ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ لَا أَدْرِي أَبَعْدَ الثَّالِثَةِ أَوْ الرَّابِعَةِ قَالَ يَحْيَى سَمِعْت مَالِك يَقُولُ وَالضَّفِيرُ الْحَبْلُ

حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أبي هريرة وزيد بن خالد الجهني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الأمة إذا زنت ولم تحصن فقال إن زنت فاجلدوها ثم إن زنت فاجلدوها ثم إن زنت فاجلدوها ثم بيعوها ولو بضفير قال ابن شهاب لا أدري أبعد الثالثة أو الرابعة قال يحيى سمعت مالك يقول والضفير الحبل


Malik related to me from Ibn Shihab from Ubaydullah ibn Abdullah ibn Utba ibn Masud from Abu Hurayra and Zayd ibn Khalid al-Juhani that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, was asked about a slave-girl who committed fornication and was not muhsana. He said, "If she commits fornication, then flog her. If she commits fornication again, then flog her, and if she commits fornication again, then sell her, if only for a rope."

Ibn Shihab added, "I don't know whether it was three or four times."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. ব্যভিচারের শাস্তির বিভিন্ন হাদীস

রেওয়ায়ত ১৫. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, গনীমতের এক-পঞ্চমাংশের মালের মধ্যে যে সকল দাসদাসী ছিল তাহাদের মধ্যে এক দাস ও এক দাসীর সহিত বলপূর্বক ব্যভিচার করিয়াছিল। উমর (রাঃ) তাহাকে বেত্ৰাঘাত করিয়া তাড়াইয়া দিলেন, (কিন্তু) তিনি দাসীকে প্রহার করিলেন না। কারণ তাহার উপর বল প্রয়োগ করা হইয়াছিল।

باب جَامِعِ مَا جَاءَ فِي حَدِّ الزِّنَا

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدًا كَانَ يَقُومُ عَلَى رَقِيقِ الْخُمُسِ وَأَنَّهُ اسْتَكْرَهَ جَارِيَةً مِنْ ذَلِكَ الرَّقِيقِ فَوَقَعَ بِهَا فَجَلَدَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَنَفَاهُ وَلَمْ يَجْلِدْ الْوَلِيدَةَ لِأَنَّهُ اسْتَكْرَهَهَا

حدثني مالك عن نافع أن عبدا كان يقوم على رقيق الخمس وأنه استكره جارية من ذلك الرقيق فوقع بها فجلده عمر بن الخطاب ونفاه ولم يجلد الوليدة لأنه استكرهها


Malik related to me from Nafi that a slave was in charge of the slaves in the khumus and he forced a slave-girl among those slaves against her will and had intercourse with her. Umar ibn al-Khattab had him flogged and banished him, and he did not flog the slave-girl because the slave had forced her.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. ব্যভিচারের শাস্তির বিভিন্ন হাদীস

রেওয়ায়ত ১৬. আবদুল্লাহ ইবন আইয়্যাস ইবন আবি রবিয়া মাখযুমী (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) আমাকে এবং আরও কতিপয় কুরাইশী যুবককে ব্যভিচারের দায়ে প্রহার করিতে আদেশ দিলে আমরা ব্যভিচারের শাস্তি হিসাবে বায়তুলমালের দাসীদেরকে পঞ্চাশ পঞ্চাশ বেত্ৰাঘাত করিতাম।

باب جَامِعِ مَا جَاءَ فِي حَدِّ الزِّنَا

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَيَّاشِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ الْمَخْزُومِيَّ قَالَ أَمَرَنِي عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فِي فِتْيَةٍ مِنْ قُرَيْشٍ فَجَلَدْنَا وَلَائِدَ مِنْ وَلَائِدِ الْإِمَارَةِ خَمْسِينَ خَمْسِينَ فِي الزِّنَا

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن سليمان بن يسار أخبره أن عبد الله بن عياش بن أبي ربيعة المخزومي قال أمرني عمر بن الخطاب في فتية من قريش فجلدنا ولائد من ولائد الإمارة خمسين خمسين في الزنا


Malik related to me from Yahya ibn Said that Sulayman ibn Yasar informed him that Abdullah ibn Abbas ibn Abi Rabia al-Makhzumi said, "Umar ibn al-Khattab gave me orders about the slaves of Quraysh and we flogged some of the slave-girls of the muslim lands fifty times each for fornication."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কোন নারীকে হরণ করিয়া বল প্রয়োগে সহবাস করা হইলে তাহার হুকুম

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে সমস্ত রমণী গর্ভবতী হয়, অথচ তাহদের কোন স্বামী না থাকে আর তাহাদের কেহ বলে, তাহার সহিত বলপূর্বক ব্যভিচার করা হইয়াছে অথবা বলে, আমি বিবাহ করিয়াছি, তবে তাহার এই কথা ধর্তব্য নহে, বরং তাহার উপর শাস্তির বিধান করা হইবে যতক্ষণ পর্যন্ত সে বিবাহের কোন সাক্ষী উপস্থিত করিতে অসমর্থ হইবে অথবা সে নিজের অসমর্থতার জন্য সাক্ষী না আনিবে। যেমন এক অবিবাহিতা রমণী এই অবস্থায় কাঁদিতে কাঁদিতে আসিবে যে, তাহার লজ্জাস্থান হইতে রক্ত নির্গত হইতেছে, আর সে কুমারী ছিল (ব্যভিচারের সময়) অথবা চিৎকার করিবে আর লোক একত্র হইয়া তাহার এই অবস্থা দেখিবে অথবা এই ধরনের অন্য কোন নিদর্শন। এই সব কিছুই সে না করিলে তাহাকে শাস্তি দেওয়া হইবে, আর তাহার কথা বিশ্বাস করা হইবে না।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ কোন রমণীর সহিত বলপূর্বক সহবাস করে, তবে তিন হয়েয অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে সে বিবাহ করিবে না। যদি গর্ভ হওয়ার সন্দেহ হয়, তবে গর্ভের সন্দেহ দূর না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ করিবে না।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُغْتَصَبَةِ

قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي الْمَرْأَةِ تُوجَدُ حَامِلًا وَلَا زَوْجَ لَهَا فَتَقُولُ قَدْ اسْتُكْرِهْتُ أَوْ تَقُولُ تَزَوَّجْتُ إِنَّ ذَلِكَ لَا يُقْبَلُ مِنْهَا وَإِنَّهَا يُقَامُ عَلَيْهَا الْحَدُّ إِلَّا أَنْ يَكُونَ لَهَا عَلَى مَا ادَّعَتْ مِنْ النِّكَاحِ بَيِّنَةٌ أَوْ عَلَى أَنَّهَا اسْتُكْرِهَتْ أَوْ جَاءَتْ تَدْمَى إِنْ كَانَتْ بِكْرًا أَوْ اسْتَغَاثَتْ حَتَّى أُتِيَتْ وَهِيَ عَلَى ذَلِكَ الْحَالِ أَوْ مَا أَشْبَهَ هَذَا مِنْ الْأَمْرِ الَّذِي تَبْلُغُ فِيهِ فَضِيحَةَ نَفْسِهَا قَالَ فَإِنْ لَمْ تَأْتِ بِشَيْءٍ مِنْ هَذَا أُقِيمَ عَلَيْهَا الْحَدُّ وَلَمْ يُقْبَلْ مِنْهَا مَا ادَّعَتْ مِنْ ذَلِكَ قَالَ مَالِك وَالْمُغْتَصَبَةُ لَا تَنْكِحُ حَتَّى تَسْتَبْرِئَ نَفْسَهَا بِثَلَاثِ حِيَضٍ قَالَ فَإِنْ ارْتَابَتْ مِنْ حَيْضَتِهَا فَلَا تَنْكِحُ حَتَّى تَسْتَبْرِئَ نَفْسَهَا مِنْ تِلْكَ الرِّيبَةِ

قال مالك الأمر عندنا في المرأة توجد حاملا ولا زوج لها فتقول قد استكرهت أو تقول تزوجت إن ذلك لا يقبل منها وإنها يقام عليها الحد إلا أن يكون لها على ما ادعت من النكاح بينة أو على أنها استكرهت أو جاءت تدمى إن كانت بكرا أو استغاثت حتى أتيت وهي على ذلك الحال أو ما أشبه هذا من الأمر الذي تبلغ فيه فضيحة نفسها قال فإن لم تأت بشيء من هذا أقيم عليها الحد ولم يقبل منها ما ادعت من ذلك قال مالك والمغتصبة لا تنكح حتى تستبرئ نفسها بثلاث حيض قال فإن ارتابت من حيضتها فلا تنكح حتى تستبرئ نفسها من تلك الريبة


Malik said, "The position with us about a woman who is found to be pregnant and has no husband and she says, 'I was forced,' or she says, 'I was married,' is that it is not accepted from her and the hadd is inflicted on her unless she has a clear proof of what she claims about the marriage or that she was forced or she comes bleeding if she was a virgin or she calls out for help so that someone comes to her and she is in that state or what resembles it of the situation in which the violation occurred." He said, "If she does not produce any of those, the hadd is inflicted on her and what she claims of that is not accepted from her."

Malik said, "A raped woman cannot marry until she has restored herself by three menstrual periods."

He said, "If she doubts her periods, she does not marry until she has freed herself of that doubt."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৫. অপবাদের শাস্তি, নসব অস্বীকার, ইশারায় কাহাকেও গালি দেওয়া সম্পর্কিত মাস'আলা

রেওয়ায়ত ১৭. আবূ যিনাদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) এক দাসকে অপবাদের শাস্তি হিসাবে আশিটি বেত্ৰাঘাত করিয়াছিলেন। আবূ যিনাদ বলেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিলাম। তিনি বলিলেন, আমি উমর ও উসমান (রাঃ)-কে এবং তাহাদের পর অপর দুই খলীফাকে দেখিয়াছি কেহই কোন দাসকে অপবাদের শাস্তি হিসাবে চল্লিশ বেত্রাঘাতের বেশি মারেন নাই।

باب الْحَدِّ فِي الْقَذْفِ وَالنَّفْيِ وَالتَّعْرِيضِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ أَبِي الزِّنَادِ أَنَّهُ قَالَ جَلَدَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَبْدًا فِي فِرْيَةٍ ثَمَانِينَ قَالَ أَبُو الزِّنَادِ فَسَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ أَدْرَكْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ وَعُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ وَالْخُلَفَاءَ هَلُمَّ جَرًّا فَمَا رَأَيْتُ أَحَدًا جَلَدَ عَبْدًا فِي فِرْيَةٍ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ

حدثني مالك عن أبي الزناد أنه قال جلد عمر بن عبد العزيز عبدا في فرية ثمانين قال أبو الزناد فسألت عبد الله بن عامر بن ربيعة عن ذلك فقال أدركت عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان والخلفاء هلم جرا فما رأيت أحدا جلد عبدا في فرية أكثر من أربعين


Malik related to me from Abu'z-Zinad that he said, ''Umar ibn Abd al-Aziz flogged a slave with eighty lashes for slander."

Abu'z-Zinad said, "I asked Abdullah ibn Amir ibn Rabia about that. He said, 'I saw Umar ibn al-Khattab, Uthman ibn Affan, the Khalifs, and so on, and I did not see any of them flog a slave more than forty lashes for slander.'


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবূ যিনাদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৫. অপবাদের শাস্তি, নসব অস্বীকার, ইশারায় কাহাকেও গালি দেওয়া সম্পর্কিত মাস'আলা

রেওয়ায়ত ১৮. যুরাইক ইবন হাকিম (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি, যাহার নাম মিসবাহ, স্বীয় ছেলেকে কোন কাজে ডাকিলেন। সে আসিতে বিলম্ব করিল। যখন আসিল তখন মিসবাহ বলিলঃ হে ব্যভিচারী। যুরাইক বলেনঃ ঐ ছেলেটি আমার নিকট ফরিয়াদ করিল। আমি যখন তাহার পিতাকে শাস্তি দিতে চাহিলাম, সে বলিতে লাগিল, যদি তুমি আমার পিতাকে বেত্ৰাঘাত কর, তাহা হইলে আমি ব্যভিচারের স্বীকারোক্তি করিব। ইহা শুনিয়া আমি অস্থির হইলাম আর এই ঝগড়ার ফয়সালা করা কষ্টকর হইয়া পড়িল। আমি উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ)-কে লিখিলাম। ঐ সময় তিনি মদীনার শাসনকর্তা ছিলেন। উমর ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) উত্তরে লিখিলেনঃ ছেলেকে ক্ষমা কর। যুরাইক বলেনঃ আমি উমরকে ইহাও লিখিলাম, যদি কোন ব্যক্তি কাহাকেও অথবা তাহার পিতাকে অথবা তাহার মাতাকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয় আর তাহার মাতাপিতা মৃত্যুবরণ করে অথবা তাহাদের একজন মৃত্যুবরণ করিয়া থাকে, তখন উমর (রাঃ) উত্তরে লিখিলেন, যাহাকে অপবাদ দেওয়া হইয়াছে যদি সে ক্ষমা করে, তবে ক্ষমা ঠিকই হইবে। হ্যাঁ, যদি তাহার মাতাপিতা উভয়ে অথবা কোন একজন মৃত্যুবরণ করিয়া থাকে, তবে আল্লাহর কিতাবের বিধান মতে তাহার শাস্তি হইবে। হ্যাঁ, যদি ছেলে স্বীয় পিতার অবস্থা লুকাইবার জন্য ক্ষমা করে তবে ক্ষমা বৈধ হইবে।

باب الْحَدِّ فِي الْقَذْفِ وَالنَّفْيِ وَالتَّعْرِيضِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ زُرَيْقِ بْنِ حَكِيمٍ الْأَيْلِيِّ أَنَّ رَجُلًا يُقَالُ لَهُ مِصْبَاحٌ اسْتَعَانَ ابْنًا لَهُ فَكَأَنَّهُ اسْتَبْطَأَهُ فَلَمَّا جَاءَهُ قَالَ لَهُ يَا زَانٍ قَالَ زُرَيْقٌ فَاسْتَعْدَانِي عَلَيْهِ فَلَمَّا أَرَدْتُ أَنْ أَجْلِدَهُ قَالَ ابْنُهُ وَاللَّهِ لَئِنْ جَلَدْتَهُ لَأَبُوءَنَّ عَلَى نَفْسِي بِالزِّنَا فَلَمَّا قَالَ ذَلِكَ أَشْكَلَ عَلَيَّ أَمْرُهُ فَكَتَبْتُ فِيهِ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَهُوَ الْوَالِي يَوْمَئِذٍ أَذْكُرُ لَهُ ذَلِكَ فَكَتَبَ إِلَيَّ عُمَرُ أَنْ أَجِزْ عَفْوَهُ قَالَ زُرَيْقٌ وَكَتَبْتُ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَيْضًا أَرَأَيْتَ رَجُلًا افْتُرِيَ عَلَيْهِ أَوْ عَلَى أَبَوَيْهِ وَقَدْ هَلَكَا أَوْ أَحَدُهُمَا قَالَ فَكَتَبَ إِلَيَّ عُمَرُ إِنْ عَفَا فَأَجِزْ عَفْوَهُ فِي نَفْسِهِ وَإِنْ افْتُرِيَ عَلَى أَبَوَيْهِ وَقَدْ هَلَكَا أَوْ أَحَدُهُمَا فَخُذْ لَهُ بِكِتَابِ اللَّهِ إِلَّا أَنْ يُرِيدَ سِتْرًا
قَالَ يَحْيَى سَمِعْت مَالِك يَقُولُ وَذَلِكَ أَنْ يَكُونَ الرَّجُلُ الْمُفْتَرَى عَلَيْهِ يَخَافُ إِنْ كُشِفَ ذَلِكَ مِنْهُ أَنْ تَقُومَ عَلَيْهِ بَيِّنَةٌ فَإِذَا كَانَ عَلَى مَا وَصَفْتُ فَعَفَا جَازَ عَفْوُهُ

حدثني مالك عن زريق بن حكيم الأيلي أن رجلا يقال له مصباح استعان ابنا له فكأنه استبطأه فلما جاءه قال له يا زان قال زريق فاستعداني عليه فلما أردت أن أجلده قال ابنه والله لئن جلدته لأبوءن على نفسي بالزنا فلما قال ذلك أشكل علي أمره فكتبت فيه إلى عمر بن عبد العزيز وهو الوالي يومئذ أذكر له ذلك فكتب إلي عمر أن أجز عفوه قال زريق وكتبت إلى عمر بن عبد العزيز أيضا أرأيت رجلا افتري عليه أو على أبويه وقد هلكا أو أحدهما قال فكتب إلي عمر إن عفا فأجز عفوه في نفسه وإن افتري على أبويه وقد هلكا أو أحدهما فخذ له بكتاب الله إلا أن يريد سترا قال يحيى سمعت مالك يقول وذلك أن يكون الرجل المفترى عليه يخاف إن كشف ذلك منه أن تقوم عليه بينة فإذا كان على ما وصفت فعفا جاز عفوه


Malik related to me from Zurayq ibn Hakim al-Ayli that a man called Misbah asked his son for help and he thought him unnecessarily slow. When the son came, his father said to him, "O fornicator." Zurayq said, "So the son asked me to help him against the father. When I wanted to flog him, his son said, 'By Allah, if you flog him, I will acknowledge that I have committed fornication.' When he said that, the situation was confused for me, so I wrote about it to Umar ibn Abd al- Aziz who was the governor at that time, and I mentioned it to him. Umar wrote me to permit his pardon."

Zurayq said, "I wrote to Umar ibn Abd al-Aziz also, 'What do you think about a man who is slandered or his parents are slandered and both or only one of them are dead?' He said, Umar wrote to me, 'If he forgives, his pardon is permitted for himself. If his parents are slandered and one or both of them are dead, take the judgement of the Book of Allah for it unless he wants to veil it.' "

Yahya said, "I heard Malik say, 'That is because the slandered man might fear that if that is unveiled about him, a clear proof might be established. If it is according to what we have described, his pardon is permitted."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৫. অপবাদের শাস্তি, নসব অস্বীকার, ইশারায় কাহাকেও গালি দেওয়া সম্পর্কিত মাস'আলা

রেওয়ায়ত ১৯. উরওয়া ইবন যুবাইর (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি এক কথায়ই অনেক লোকের উপর ব্যভিচারের অপবাদ দেয়, যেমন বলিলঃ তোমরা সকলে ব্যভিচারী অথবা হে ব্যভিচারীর দল, তাহা হইলে তাহার উপর অপবাদের এক শাস্তিই হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি তাহারা পৃথকও হইয়া যায় তবুও একই শাস্তি হইবে।

আমারা বিন্‌তে আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, উমর (রাঃ)-এর সময় দুই ব্যক্তির মধ্যে গালমন্দ হইল। একজন অপরজনকে বলিল, আল্লাহর কসম, আমার পিতা বদকার ছিল না, আমার মাও বদকার ছিল না। উমর (রাঃ) এ ব্যাপারে পরামর্শ করিলেন। এক ব্যক্তি বলিল, ইহাতে সে মন্দ কি বলিল। সে তো স্বীয় মাতাপিতার ভালই বর্ণনা করিল। অন্যরা বলিল, তাহার পিতার কি এই গুণ অবশিষ্ট ছিল যে, বর্ণনা করিবে? আমাদের মতে তাহাকে অপবাদের শাস্তি দিতে হইবে। অবশেষে উমর (রাঃ) তাহাকে আশি বেত্ৰাঘাত লাগাইলেন। (কেননা তাহার এই কথায় অন্যের মাতাপিতার উপর অপবাদ ছিল। আবু হানীফা ও শাফেয়ীর মতে শাস্তি অনিবার্য হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে অপবাদ, অস্বীকার ও ইশারায় গালি ছাড়া অন্য কোন কথায় শাস্তি অনিবার্য হয় না।)

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে যদি কেহ কাহাকেও তাহার পিতার বংশের অস্বীকার করে তাহা হইলে শাস্তি ওয়াজিব হইবে, তাহার মা দাসী হইলেও।

باب الْحَدِّ فِي الْقَذْفِ وَالنَّفْيِ وَالتَّعْرِيضِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ فِي رَجُلٍ قَذَفَ قَوْمًا جَمَاعَةً أَنَّهُ لَيْسَ عَلَيْهِ إِلَّا حَدٌّ وَاحِدٌ قَالَ مَالِك وَإِنْ تَفَرَّقُوا فَلَيْسَ عَلَيْهِ إِلَّا حَدٌّ وَاحِدٌ
حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ أَبِي الرِّجَالِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَارِثَةَ بْنِ النُّعْمَانِ الْأَنْصَارِيِّ ثُمَّ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ عَنْ أُمِّهِ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ رَجُلَيْنِ اسْتَبَّا فِي زَمَانِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِلْآخَرِ وَاللَّهِ مَا أَبِي بِزَانٍ وَلَا أُمِّي بِزَانِيَةٍ فَاسْتَشَارَ فِي ذَلِكَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فَقَالَ قَائِلٌ مَدَحَ أَبَاهُ وَأُمَّهُ وَقَالَ آخَرُونَ قَدْ كَانَ لِأَبِيهِ وَأُمِّهِ مَدْحٌ غَيْرُ هَذَا نَرَى أَنْ تَجْلِدَهُ الْحَدَّ فَجَلَدَهُ عُمَرُ الْحَدَّ ثَمَانِينَ
قَالَ مَالِك لَا حَدَّ عِنْدَنَا إِلَّا فِي نَفْيٍ أَوْ قَذْفٍ أَوْ تَعْرِيضٍ يُرَى أَنَّ قَائِلَهُ إِنَّمَا أَرَادَ بِذَلِكَ نَفْيًا أَوْ قَذْفًا فَعَلَى مَنْ قَالَ ذَلِكَ الْحَدُّ تَامًّا قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّهُ إِذَا نَفَى رَجُلٌ رَجُلًا مِنْ أَبِيهِ فَإِنَّ عَلَيْهِ الْحَدَّ وَإِنْ كَانَتْ أُمُّ الَّذِي نُفِيَ مَمْلُوكَةً فَإِنَّ عَلَيْهِ الْحَدَّ

حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في رجل قذف قوما جماعة أنه ليس عليه إلا حد واحد قال مالك وإن تفرقوا فليس عليه إلا حد واحد حدثني مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة بن النعمان الأنصاري ثم من بني النجار عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أن رجلين استبا في زمان عمر بن الخطاب فقال أحدهما للآخر والله ما أبي بزان ولا أمي بزانية فاستشار في ذلك عمر بن الخطاب فقال قائل مدح أباه وأمه وقال آخرون قد كان لأبيه وأمه مدح غير هذا نرى أن تجلده الحد فجلده عمر الحد ثمانين قال مالك لا حد عندنا إلا في نفي أو قذف أو تعريض يرى أن قائله إنما أراد بذلك نفيا أو قذفا فعلى من قال ذلك الحد تاما قال مالك الأمر عندنا أنه إذا نفى رجل رجلا من أبيه فإن عليه الحد وإن كانت أم الذي نفي مملوكة فإن عليه الحد


Malik related to me from Hisham ibn Urwa that his father said that there was only one hadd against a man who slandered a group of people.

Malik said, "If they are on separate occasions there is still only one hadd against him."

Malik related to me from Abu'r-Rijal Muhammad ibn Abd ar-Rahman ibn Haritha ibn an-Numan al- Ansari, then from the Banu'n-Najar from his mother Amra bint Abd ar- Rahman that two men cursed each other in the time of Umar ibn al- Khattab. One of them said to the other, " By Allah, my father is not an adulterer and my mother is not an adulteress." Umar ibn al-Khattab asked advice about that. One person said, "He has praised his father and mother." Another said, "His father and mother have praise other than this. We think that he is to be flogged with the hadd." So Umar flogged him with the hadd of eighty lashes.

Malik said, "There is no hadd in our view except for slander, denial or insinuation, in which one sees that the speaker intends by that denial or slander. Then the hadd is completely imposed on the one who said it."

Malik said, "What is done in our community when a man denies that another man is from his father, is that he deserves the hadd. If the mother who is denied is a slave, then he deserves the hadd as well. '


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪১. হুদুদের অধ্যায় (كتاب الحدود)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »