মুয়াত্তা মালিক ১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ১. কুরআন স্পর্শ করার জন্য ওযুর নির্দেশ

রেওয়ায়ত ১. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন হাযম (রহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'আমর ইবন হাযমের নিকট যে পত্র লিখিয়াছিলেন উহাতে ইহাও লিখিত ছিল যে, পবিত্র ব্যক্তি ছাড়া কুরআনকে যেন কেউ স্পর্শ না করে।

ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ কুরআনকে জুযবদান-এর ফিতা ধরিয়া অথবা বালিশের উপর রাখিয়া যেন উত্তোলন না করে, তবে পবিত্রাবস্থায়। যদি উহা (ফিতা ধরিয়া এবং বালিশের উপর কুরআন রাখিয়া ওযু ছাড়া স্পর্শ করা) জায়েয হইত, তবে জিলদকেও পবিত্রতা ছাড়া স্পর্শ করা যাইত। আর ইহা এই কারণে মাকরূহ করা হয় নাই যে, যে ব্যক্তি কুরআন উঠাইতেছে তাহার হাতে এমন কোন জিনিস আছে যদ্বারা ইহা অপরিষ্কার হইয়া যাইবে। অপবিত্র অবস্থায় উহা উঠান মাকরূহ, এই হুকুম করা হইয়াছে কুরআনের তাযীম ও সম্মানার্থে।

ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ (لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ) অর্থাৎ যাহারা পূত-পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করে না (সূরা ওয়াকিয়াহঃ ৭৯) এই আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে সর্বোত্তম যাহা আমি শুনিয়াছি তাহা হইল যেইরূপ সূরা আবাসা'তে ইরশাদ করা হইয়াছে (كَلَّا إِنَّهَا تَذْكِرَةٌ فَمَن شَاءَ ذَكَرَهُ فِي صُحُفٍ مُّكَرَّمَةٍ مَّرْفُوعَةٍ مُّطَهَّرَةٍ) অর্থাৎ এই প্রকার আচরণ অনুচিত, ইহা উপদেশবাণী; যে ইচ্ছা করিবে সে ইহা স্মরণ রাখিবে। উহা আছে মহান, উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন, পবিত্র গ্রন্থে, মহান, পূতচরিত্র লিপিকারদের হস্তে। (সূরা আবাসাঃ ১১-১৪)

بَاب الْأَمْرِ بِالْوُضُوءِ لِمَنْ مَسَّ الْقُرْآنَ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ أَنَّ فِي الْكِتَابِ الَّذِي كَتَبَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنْ لَا يَمَسَّ الْقُرْآنَ إِلَّا طَاهِرٌ
قَالَ مَالِك وَلَا يَحْمِلُ أَحَدٌ الْمُصْحَفَ بِعِلَاقَتِهِ وَلَا عَلَى وِسَادَةٍ إِلَّا وَهُوَ طَاهِرٌ وَلَوْ جَازَ ذَلِكَ لَحُمِلَ فِي خَبِيئَتِهِ وَلَمْ يُكْرَهْ ذَلِكَ لِأَنْ يَكُونَ فِي يَدَيْ الَّذِي يَحْمِلُهُ شَيْءٌ يُدَنِّسُ بِهِ الْمُصْحَفَ وَلَكِنْ إِنَّمَا كُرِهَ ذَلِكَ لِمَنْ يَحْمِلُهُ وَهُوَ غَيْرُ طَاهِرٍ إِكْرَامًا لِلْقُرْآنِ وَتَعْظِيمًا لَهُ قَالَ مَالِك أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ فِي هَذِهِ الْآيَةِ لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ إِنَّمَا هِيَ بِمَنْزِلَةِ هَذِهِ الْآيَةِ الَّتِي فِي عَبَسَ وَتَوَلَّى قَوْلُ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى كَلَّا إِنَّهَا تَذْكِرَةٌ فَمَنْ شَاءَ ذَكَرَهُ فِي صُحُفٍ مُكَرَّمَةٍ مَرْفُوعَةٍ مُطَهَّرَةٍ بِأَيْدِي سَفَرَةٍ كِرَامٍ بَرَرَةٍ


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr ibn Hazm that in a letter that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, sent to Amr ibn Hazm it said that no-one should touch the Qur'an unless he was pure.

Malik said, "No-one should carry the Qur'an by its strap, or on a cushion, unless he is pure. If it were permissible to do so, it would also have been permissible to carry it in its cover. This is not because there is something on the hands of the one who carries it by which the Qur'an will be soiled, but because it is disapproved of for someone to carry the Qur'an without being pure out of respect for the Qur'an, and in order to honour it."

Malik said, "The best thing that I have heard about this is the ayat 'None touch it except the purified.' (Sura 56 ayat 79) It ranks with the ayat in Surat Abasa (Sura 80), where Allah, the Blessed and Exalted, says, 'No, it is a reminder, and whoever wishes will remember it. Upon honoured pages, exalted and purified, by the hands of scribes, noble and obedient.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ২. ওযু ব্যতীত কুরআন পাঠ করার অনুমতি

রেওয়ায়ত ২. এক সময় উমর (রাঃ) এমন এক সম্প্রদায়ের মধ্যে ছিলেন, যাহারা কুরআন পাঠ করিতেছিলেন, (ইতিমধ্যে) তিনি প্ৰস্ৰাব-পায়খানার আবশ্যকে গমন করিলেন, পুনরায় প্রত্যাবর্তন করিলেন এবং কুরআন পাঠ করিতে শুরু করিলেন। (ইহা দেখিয়া) এক ব্যক্তি তাহাকে বলিলঃ হে আমিরুল মু'মিনীন! আপনি (কুরআন) পাঠ করিতেছেন অথচ আপনি বে-ওযু। তখন উমর (রাঃ) বললেনঃ এইরূপ ফতওয়া কে দিয়াছে? মুসায়লামা কি?

بَاب الرُّخْصَةِ فِي قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ عَلَى غَيْرِ وُضُوءٍ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَيُّوبَ بْنِ أَبِي تَمِيمَةَ السَّخْتِيَانِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَانَ فِي قَوْمٍ وَهُمْ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ فَذَهَبَ لِحَاجَتِهِ ثُمَّ رَجَعَ وَهُوَ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَتَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَلَسْتَ عَلَى وُضُوءٍ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ مَنْ أَفْتَاكَ بِهَذَا أَمُسَيْلِمَةُ


Yahya related to me from Malik from Ayyub ibn Abi Tamima as- Sakhtayani from Muhammad ibn Sirin that Umar ibn al-Khattab was with some people who were reciting Qur'an. He went to relieve himself and then came back and recited Qur'an. One of the men said to him, "Amir al muminin, are you reciting the Qur'an without being in wudu?" Umar replied, "Who gave you a verdict on this? Was it Musaylima?"'


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৩. তাহযিবুল কুরআন (বিশেষ সময়ে পড়ার জন্য কুরআনের অংশ নির্দিষ্ট করা অর্থাৎ ওযীফাস্বরূপ পাঠ করা

রেওয়ায়ত ৩. আবদুর রহমান ইবনে আবদিল কারী (রহঃ) হইতে আ’রজ (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেন, যাহার রাত্রের (নির্দিষ্ট তিলাওয়াতের) অংশ ছুটিয়া যায়, সে উহা যোহরের নামাযের পূর্ব পর্যন্ত (সময়ে) পড়িয়া লইবে; তবে তাহার সে ওয়ীফা যেন ছুটে নাই (রবী বলেন) অথবা তিনি বলিয়াছেন, সে যেন উহা পূর্ণ করিয়াছে।

بَاب مَا جَاءَ فِي تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ مَنْ فَاتَهُ حِزْبُهُ مِنْ اللَّيْلِ فَقَرَأَهُ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ إِلَى صَلَاةِ الظُّهْرِ فَإِنَّهُ لَمْ يَفُتْهُ أَوْ كَأَنَّهُ أَدْرَكَهُ


Yahya related to me from Malik from Dawud ibn al-Husayn from al- Araj from Abd ar-Rahman ibn Abd al-Qari that Umar ibn al Khattab said, "Whoever misses reading his hizb at night and reads it from when the sun has passed the meridian until the dhuhr prayer has not missed it, or it is as if he has caught it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৩. তাহযিবুল কুরআন (বিশেষ সময়ে পড়ার জন্য কুরআনের অংশ নির্দিষ্ট করা অর্থাৎ ওযীফাস্বরূপ পাঠ করা

রেওয়ায়ত ৪. ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ (রহঃ) বলেনঃ আমি ও মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাব্বান (রহঃ) (এক জায়গায়) বসা ছিলাম। তারপর মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া এক ব্যক্তিকে ডাকিলেন এবং বলিলেন, আপনার পিতা হইতে যাহা শুনিয়াছেন তাহা আমার নিকট বলুন। সেই ব্যক্তি বলিলেন, আমাকে আমার পিতা বলিয়াছেন- তিনি একবার যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট গেলেন; তারপর তাহাকে বলিলেনঃ সাত দিনে কুরআন পাঠ (খতম) করা সম্বন্ধে আপনি কি মনে করেন? (উত্তরে) যায়দ (রাঃ) বলিলেনঃ ভাল। কিন্তু পনর অথবা বিশ দিনে পাঠ (শেষ) করা আমার নিকট অতি পছন্দনীয়। আর তুমি ইহার কারণ কি জানিতে চাহিলে শোন (তিনি বলিলেন), ইহা এইজন্য যে, (কুরআনকে) থামিয়া থামিয়া পড়িলে আমি কুরআনের মর্ম বোঝার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করিতে পারিব।

بَاب مَا جَاءَ فِي تَحْزِيبِ الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ أَنَا وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ جَالِسَيْنِ فَدَعَا مُحَمَّدٌ رَجُلًا فَقَالَ أَخْبِرْنِي بِالَّذِي سَمِعْتَ مِنْ أَبِيكَ فَقَالَ الرَّجُلُ أَخْبَرَنِي أَبِي أَنَّهُ أَتَى زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ فَقَالَ لَهُ كَيْفَ تَرَى فِي قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ فِي سَبْعٍ فَقَالَ زَيْدٌ حَسَنٌ وَلَأَنْ أَقْرَأَهُ فِي نِصْفٍ أَوْ عَشْرٍ أَحَبُّ إِلَيَّ وَسَلْنِي لِمَ ذَاكَ قَالَ فَإِنِّي أَسْأَلُكَ قَالَ زَيْدٌ لِكَيْ أَتَدَبَّرَهُ وَأَقِفَ عَلَيْهِ


Yahya related to me from Malik that Yahya ibn Said said, "Once Muhammad ibn Yahya ibn Habban and I were sitting down, and Muhammad called a man over to him and said to him, 'Tell me what you have heard from your father.' The man replied that his father had told him that he went to Zayd ibn Thabit and asked him, 'What do you think of reciting the whole Qur'an in seven days?' Zayd said, 'That's good, but I prefer to recite it in two weeks, or ten days. Ask me why that is.' He said, 'I ask you then.' Zayd said, 'So that I can reflect on it and pause in it.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কুরআন সম্পৰ্কীয় বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৫. আবদুর রহমান ইবন আবদিল কারী (রহঃ) বলেনঃ আমি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি হিশাম ইবন হাকিম ইবন হিযামকে সূরা আল-ফুরকান আমি যেইরূপ পড়িয়া থাকি উহার ভিন্নরূপ পড়িতে শুনিলাম। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সেই সূরাটি পড়াইয়াছেন। (আমি ক্রোধে) তাঁহাকে ধরিবার উপক্রম করিয়াছিলাম। কিন্তু নামায সমাপ্ত করা পর্যন্ত তাহাকে আমি সময় দিলাম। অতঃপর তাহার চাদর দ্বারা আমি তাহাকে পেচাইয়া লইলাম। পরে তাহাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে নিয়া আসিলাম এবং আরজ করিলামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সূরায়ে আল-ফুরকান আপনি আমাকে যেরূপ পড়াইয়াছেন, আমি ইহাকে উহার ভিন্নরূপ পড়িতে শুনিয়াছি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তুমি তাঁহাকে ছাড়িয়া দাও। অতঃপর তাহাকে বললেনঃ তুমি পাঠ কর। তারপর আমি যেরূপ কিরাআত পড়িতে তাহাকে শুনিয়াছি সেই কিরাআতই তিনি পড়িলেন। (এই কিরাআত শুনিয়া) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, এইরূপ অবতীর্ণ করা হইয়াছে। অতঃপর আমাকে (উদ্দেশ্য করিয়া) বলিলেনঃ তুমি পড়। আমি উহা (ফুরকান) পাঠ করিলাম। তিনি বলিলেনঃ এইরূপ অবতীর্ণ করা হইয়াছে এবং কুরআন সাত অক্ষরের উপর নাযিল হইয়াছে, ফলে তোমরা তাহা হইতে যেইটি সহজ হয় সেইটি পাঠ কর।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقُرْآنِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ عَلَى غَيْرِ مَا أَقْرَؤُهَا وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْرَأَنِيهَا فَكِدْتُ أَنْ أَعْجَلَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَمْهَلْتُهُ حَتَّى انْصَرَفَ ثُمَّ لَبَّبْتُهُ بِرِدَائِهِ فَجِئْتُ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي سَمِعْتُ هَذَا يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ عَلَى غَيْرِ مَا أَقْرَأْتَنِيهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْسِلْهُ ثُمَّ قَالَ اقْرَأْ يَا هِشَامُ فَقَرَأَ الْقِرَاءَةَ الَّتِي سَمِعْتُهُ يَقْرَأُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَكَذَا أُنْزِلَتْ ثُمَّ قَالَ لِي اقْرَأْ فَقَرَأْتُهَا فَقَالَ هَكَذَا أُنْزِلَتْ إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ أُنْزِلَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Urwa ibn az- Zubayr that Abd ar-Rahman ibn Abd al-Qari said that he had heard Umar ibn al-Khattab say, "I heard Hisham ibn Hakim ibn Hizam reciting Surat al-Furqan (Sura 25) differently from me, and it was the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, who had recited it to me. I was about to rush up to him but I granted him a respite until he had finished his prayer. Then I grabbed him by his cloak and took him to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and said, 'Messenger of Allah, I heard this man reciting Surat al- Furqan differently from the way you recited it to me.' The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, 'Let him go.' Then he said, 'Recite, Hisham,' and Hisham recited as I had heard him recite. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, 'It was sent down like that.' Then he said to me, 'Recite' and I recited the sura, and he said, 'It was sent down like that. This Qur'an was sent down in seven (different) ways, so recite from it whatever is easy for you .' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কুরআন সম্পৰ্কীয় বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৬. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ কুরআনওয়ালা রশিতে বাধা উটওয়ালার মত; যদি উহাকে তদারক করে, তবে নিয়ন্ত্রণে রাখিতে পারবে; আর যদি উহাকে ছাড়িয়া দেয়, তবে উহা চলিয়া যাইবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّمَا مَثَلُ صَاحِبِ الْقُرْآنِ كَمَثَلِ صَاحِبِ الْإِبِلِ الْمُعَقَّلَةِ إِنْ عَاهَدَ عَلَيْهَا أَمْسَكَهَا وَإِنْ أَطْلَقَهَا ذَهَبَتْ


Yahya related to me from Malik from Nafi from Abdullah ibn Umar that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "A man who knows the Qur'an well is like a man who has a hobbled camel. If he takes care of it, he keeps it, and if he lets it go, it gets away."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কুরআন সম্পৰ্কীয় বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৭. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, (একবার) হারিস ইবন হিশাম (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রশ্ন করলেন, আপনার নিকট ওহী কিরূপে আসে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উত্তরে) বলিলেনঃ কখনও কখনও আমার নিকট (ওহী) আসে ঘন্টাধ্বনির মত, এই (প্রকারে অবতীর্ণ) ওহী আমার উপর অতি কঠিন হয়। তারপর আমা হইতে (এই অবস্থার) অবসান হয়, (এই দিকে) তিনি যাহা বলিয়াছেন আমি তাহা হিফাযত করিয়াছি। আর কোন কোন সময় ফেরেশতা কোন ব্যক্তির রূপ ধারণ করিয়া আমার নিকট আসেন এবং আমার সঙ্গে কথা বলেনঃ তিনি যাহা বলেন আমি উহা হিফাযত করি।

আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি অবশ্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখিয়াছি প্রচণ্ড শীতের দিনে তাহার প্রতি ওহী অবতীর্ণ হইতেছে। অতঃপর সেই অবস্থার অবসান হইয়াছে, তখন তাহার ললাট হইতে ঘাম টপকাইতেছে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ يَأْتِيكَ الْوَحْيُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحْيَانًا يَأْتِينِي فِي مِثْلِ صَلْصَلَةِ الْجَرَسِ وَهُوَ أَشَدُّهُ عَلَيَّ فَيَفْصِمُ عَنِّي وَقَدْ وَعَيْتُ مَا قَالَ وَأَحْيَانًا يَتَمَثَّلُ لِي الْمَلَكُ رَجُلًا فَيُكَلِّمُنِي فَأَعِي مَا يَقُولُ قَالَتْ عَائِشَةُ وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ يَنْزِلُ عَلَيْهِ فِي الْيَوْمِ الشَّدِيدِ الْبَرْدِ فَيَفْصِمُ عَنْهُ وَإِنَّ جَبِينَهُ لَيَتَفَصَّدُ عَرَقًا


Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa from his father from A'isha, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, that al-Harith ibn Hisham asked the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, "How does the revelation come to you?" and the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Sometimes it comes to me like the ringing of a bell, and that is the hardest for me, and when it leaves me I remember what it has said. And sometimes the angel appears to me in the likeness of a man and talks to me and I remember what he says."

A'isha added, "I saw it coming down on him on an intensely cold day, and when it had left him his forehead was dripping with sweat."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কুরআন সম্পৰ্কীয় বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৮. হিশাম ইবনে উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি বলিয়াছেন, সূরা আবাসা অবতীর্ণ করা হইয়াছে আবদুল্লাহ্ ইবন উম্মে মাকতুম (রাঃ)-এর শানে। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসিয়া বলিতে লাগিলেনঃ হে মুহাম্মদ! আমাকে আপনার নিকট বসিতে দিন, সেই সময় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মুশরিকগণের নেতাদের একজন বড় নেতা উপস্থিত ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহা ইহতে মনোযোগ ফিরাইয়া সেই নেতা ব্যক্তির দিকে মনোনিবেশ করিলেন এবং বলিতেছিলেনঃ হে আবূ ফুলান (অমুকের পিতা), আমি যাহা বলি উহাতে কোন ক্রটি দেখিয়াছ কি? (উত্তরে) সে বলিতেছিলঃ মূর্তির কসম, না, আপনি যাহা বলেন উহাতে কোন প্রকার ক্রটি দেখিতেছি না। অতঃপর এই সূরা অর্থাৎ সূরা আবাসা অবতীর্ণ হয়।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ أُنْزِلَتْ عَبَسَ وَتَوَلَّى فِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ يَقُولُ يَا مُحَمَّدُ اسْتَدْنِينِي وَعِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ مِنْ عُظَمَاءِ الْمُشْرِكِينَ فَجَعَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُعْرِضُ عَنْهُ وَيُقْبِلُ عَلَى الْآخَرِ وَيَقُولُ يَا أَبَا فُلَانٍ هَلْ تَرَى بِمَا أَقُولُ بَأْسًا فَيَقُولُ لَا وَالدِّمَاءِ مَا أَرَى بِمَا تَقُولُ بَأْسًا فَأُنْزِلَتْ عَبَسَ وَتَوَلَّى أَنْ جَاءَهُ الْأَعْمَى


Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa that his father said that Abasa (Sura 80) was sent down about Abdullah ibn Umm Maktum. He came to the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, and began to say, "O Muhammad, show me a place near you (where I can sit)," whilst one of the leading men of the idol worshippers was in audience with the Prophet, may Allah bless him and grant him peace. The Prophet, may Allah bless him and grant him peace, began to turn away from him and give his attention to the other man, and he said to him, "Father of so-and-so, do you see any harm in what I am saying?" and he said, "No, by the blood (of our sacrifices) I see no harm in what you are saying." And Abasa - "He frowned and turned away when the blind man came" - was sent down.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কুরআন সম্পৰ্কীয় বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৯. যায়দ ইবন আসলাম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার সফরসমূহের কোন এক সফরে পথ চলিতেছিলেন। রাত্রে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-ও তাহার সঙ্গে চলিতেছিলেন। তখন উমর (রাঃ) কোন বিষয়ে তাহাকে প্রশ্ন করিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে কোন উত্তর দিলেন না। উমর (রাঃ) পুনরায় সওয়াল করিলেন। কিন্তু তিনি উহার জবাব দিলেন না। অতঃপর তাহার নিকট (উমর) আবার সওয়াল করিলেন, কিন্তু (এইবারও) তিনি উহার জবাব দিলেন না। তখন উমর (রাঃ) (মনে মনে) বলিলেন, উমর, তোমার মাতা তোমাকে হারাইয়া ফেলুন (এবং কাঁদিতে থাকুন অর্থাৎ তোমার সর্বনাশ)। তুমি বিনয় সহকারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সওয়াল করিলে, আর তিনি তোমাকে কোন জবাব দিলেন না।

উমর (রাঃ) বলেনঃ তারপর আমার উটকে আমি চালিত করিলাম, এমন কি আমি লোকের আগে আগে চলিয়া গেলাম। আমি আশংকা করিলাম আমার বিষয়ে কুরআন অবতীর্ণ হইতে পারে। তারপর আমি (বেশিক্ষণ) অবস্থান করি নাই, (হঠাৎ) এক উচ্চস্বরে আহবানকারী আমাকে ডাকিতেছিল। তিনি (উমর) বলেনঃ আমি আশংকা করিতেছিলাম আমার বিষয়ে হয় তো কুরআন নাযিল হইয়াছে। (উমর) বলেন, অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসিলাম এবং সালাম করিলাম। অতঃপর তিনি বলিলেনঃ অবশ্য এই রাত্রে আমার উপর একটি সূরা অবতীর্ণ হইয়াছে। নিঃসন্দেহে সেই সূরাটি আমার নিকট অধিক প্রিয়, সেই সব বস্তু অপেক্ষা যাহার উপর সূর্য উদিত হইয়াছে। অতঃপর তিনি পাঠ করিলেন (إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُّبِينًا) অর্থাৎ সূরা ফাতহ সূরাটি।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَسِيرُ فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَسِيرُ مَعَهُ لَيْلًا فَسَأَلَهُ عُمَرُ عَنْ شَيْءٍ فَلَمْ يُجِبْهُ ثُمَّ سَأَلَهُ فَلَمْ يُجِبْهُ ثُمَّ سَأَلَهُ فَلَمْ يُجِبْهُ فَقَالَ عُمَرُ ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ عُمَرُ نَزَرْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ كُلُّ ذَلِكَ لَا يُجِيبُكَ قَالَ عُمَرُ فَحَرَّكْتُ بَعِيرِي حَتَّى إِذَا كُنْتُ أَمَامَ النَّاسِ وَخَشِيتُ أَنْ يُنْزَلَ فِيَّ قُرْآنٌ فَمَا نَشِبْتُ أَنْ سَمِعْتُ صَارِخًا يَصْرُخُ بِي قَالَ فَقُلْتُ لَقَدْ خَشِيتُ أَنْ يَكُونَ نَزَلَ فِيَّ قُرْآنٌ قَالَ فَجِئْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ فَقَالَ لَقَدْ أُنْزِلَتْ عَلَيَّ هَذِهِ اللَّيْلَةَ سُورَةٌ لَهِيَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِمَّا طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ ثُمَّ قَرَأَ إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا


Yahya related to me from Malik from Zayd ibn Aslam from his father that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, was on one of his journeys, and one night Umar ibn al-Khattab, who was travelling with him, asked him about something, but he did not answer him. He asked him again, but he did not answer him. Then he asked him again, and again he did not answer him. Umar said, "May your mother be bereaved of you, Umar. Three times you have importuned the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, with a question and he has not answered you at all."

Umar continued, "I got my camel moving until, when I was in front of the people, I feared that a piece of Qur'an was being sent down about me. It was not long before I heard a crier calling for me, and I said that I feared that a piece of Qur'an had been sent down about me." He continued, "I came to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and said, 'Peace be upon you' to him, and he said, 'A sura has been sent down to me this night that is more beloved to me than anything on which the sun rises.' Then he recited al-Fath (Sura 48).


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কুরআন সম্পৰ্কীয় বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০. আবু সাইদ খুদরী (রাঃ) বলেন- আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলিতে শুনিয়াছিঃ তোমাদের মধ্যে এক সম্প্রদায় বাহির হইবে যাহারা তুচ্ছ মনে করিবে তোমাদের নামাযকে তাহাদের নামাযের মুকাবিলায় এবং তোমাদের রোযাসমূহকে তাহদের রোযার মুকাবিলায় এবং তোমাদের আমলসমূহকে তাহদের আমলসমূহের মুকাবিলায়। তাহারা কুরআন পাঠ করিবে কিন্তু কুরআন তাহাদের গলদেশের নিচে যাইবে না। তাহারা ধর্ম হইতে এমনভাবে বাহির হইয়া যাইবে, যেমন তীর শিকারকে ভেদ করিয়া বাহির হইয়া যায়। তীরের ফলা দেখিবে, তাহাতেও কোন কিছু দেখিবে না; তীরের লাকড়ি দেখিবে, সেখানেও কিছু দেখিতে পাইবে না; পালকের প্রতি লক্ষ করিবে, পালকেও কিছু দেখিবে না; ধনুকের ছিলার দিকে দেখিবে, সেখানে কিছু রক্ত লাগিয়াছে কিনা সন্দেহ করবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَخْرُجُ فِيكُمْ قَوْمٌ تَحْقِرُونَ صَلَاتَكُمْ مَعَ صَلَاتِهِمْ وَصِيَامَكُمْ مَعَ صِيَامِهِمْ وَأَعْمَالَكُمْ مَعَ أَعْمَالِهِمْ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ وَلَا يُجَاوِزُ حَنَاجِرَهُمْ يَمْرُقُونَ مِنْ الدِّينِ مُرُوقَ السَّهْمِ مِنْ الرَّمِيَّةِ تَنْظُرُ فِي النَّصْلِ فَلَا تَرَى شَيْئًا وَتَنْظُرُ فِي الْقِدْحِ فَلَا تَرَى شَيْئًا وَتَنْظُرُ فِي الرِّيشِ فَلَا تَرَى شَيْئًا وَتَتَمَارَى فِي الْفُوقِ


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said from Muhammad ibn Ibrahim ibn al-Harith at-Taymi from Abu Salama ibn Abd ar Rahman that Abu Said said that he had heard the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, "A group of people will appear among you whose prayer, fasting and deeds will make you think little of your own prayer, fasting and deeds. They will recite the Qur'an, but it wil not get past their throats, and they will pass through the deen like an arrow passes through game. You look at the arrowhead, and you see nothing, and you look at the shaft, and you see nothing, and you look at the flights, and you see nothing. And you are in doubt about the notch."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কুরআন সম্পৰ্কীয় বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১১. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) সূরা বাকারা শিক্ষা করিতে আট বৎসর অতিবাহিত করিয়াছেন।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ مَكَثَ عَلَى سُورَةِ الْبَقَرَةِ ثَمَانِيَ سِنِينَ يَتَعَلَّمُهَا


Yahya related to me from Malik that he had heard that it took Abdullah ibn Umar eight years to learn Surat al-Baqara. (Sura 2)


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৫. কুরআনের সিজদাসমূহ

রেওয়ায়ত ১২. আবু সালমা ইবনে আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (বা) তাঁহাদের উদ্দেশ্যে (إِذَا السَّمَاءُ انشَقَّتْ) অর্থাৎ সূরা ইনশিকাক পাঠ করিলেন এবং এই সূরায় সিজদা করিলেন। তিনি নামায সমাপ্ত করিলে পর তাহাদিগকে জানাইলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সূরায় সিজদা করিয়াছেন।

بَاب مَا جَاءَ فِي سُجُودِ الْقُرْآنِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ مَوْلَى الْأَسْوَدِ بْنِ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَرَأَ لَهُمْ إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ فَسَجَدَ فِيهَا فَلَمَّا انْصَرَفَ أَخْبَرَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِيهَا


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Yazid, the mawla of al Aswad ibn Sufyan, from Abu Salama ibn Abd ar Rahman that Abu Hurayra recited al-Inshiqaq (Sura 84) to them and prostrated in it. When he had finished he told them that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, had prostrated in it.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৫. কুরআনের সিজদাসমূহ

রেওয়ায়ত ১৩. মিসরের বাসিন্দাদের একজন নাফি (রহঃ)-কে বলিয়াছেন যে, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) একবার সূরা হজ্জ পাঠ করিলেন এবং তিনি এই সূরায় দুইটি সিজদা করিলেন। অতঃপর তিনি বলিলেনঃ নিশ্চয় এই সূরাকে দুইটি সিজদা দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করা হইয়াছে।

بَاب مَا جَاءَ فِي سُجُودِ الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ مِصْرَ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَرَأَ سُورَةَ الْحَجِّ فَسَجَدَ فِيهَا سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ قَالَ إِنَّ هَذِهِ السُّورَةَ فُضِّلَتْ بِسَجْدَتَيْنِ


Yahya related to me from Malik from Nafi, the mawla of Ibn Umar that a man from Egypt told him that Umar ibn al-Khattab recited Surat al-Hajj (Sura 22) and prostrated twice in it, and then said, "This sura has been given special preference by having two prostrations in it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৫. কুরআনের সিজদাসমূহ

রেওয়ায়ত ১৪. আবদুল্লাহ্ ইবনে দীনার (রহঃ) বলেন- আমি আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ)-কে সূরা-এ হজ্জে দুইটি সিজদা করিতে দেখিয়াছি।

بَاب مَا جَاءَ فِي سُجُودِ الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَسْجُدُ فِي سُورَةِ الْحَجِّ سَجْدَتَيْنِ


Yahya related to me from Malik that Abdullah ibn Dinar said, "I saw Abdullah ibn Umar prostrate twice in Surat al-Hajj (Sura 22)."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৫. কুরআনের সিজদাসমূহ

রেওয়ায়ত ১৫. আরজ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) (وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ) অর্থাৎ সূরা আন-নাজম পাঠ করলেন এবং উহাতে সিজদা করিলেন। তিনি দাঁড়াইলেন এবং অন্য একটি সূরা পাঠ করিলেন।

بَاب مَا جَاءَ فِي سُجُودِ الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ الْأَعْرَجِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَرَأَ بِالنَّجْمِ إِذَا هَوَى فَسَجَدَ فِيهَا ثُمَّ قَامَ فَقَرَأَ بِسُورَةٍ أُخْرَى


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from al-Araj that Umar ibn al Khattab recited Surat an-Najm (Sura 53) and prostrated in it, and then got up and recited another sura.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৫. কুরআনের সিজদাসমূহ

রেওয়ায়ত ১৬. উরওয়াহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) একটি সিজদার আয়াত পাঠ করিলেন জুম'আ দিবসে। আর তিনি ছিলেন মিম্বরের উপর। অতঃপর তিনি অবতরণ করিলেন এবং সিজদা করিলেন এবং তাহার সঙ্গে লোকেরাও সিজদা করিলেন।

পরবর্তী জুম'আয় তিনি সেই সূরা পাঠ করিলেন। লোকেরা সিজদার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করিতে লাগিলেন। উমর (রাঃ) তখন বলিলেনঃ আপনারা অপেক্ষা করুন। আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের উপর সিজদা ফরয করেন নাই, তবে আমরা যদি ইচ্ছা করি তা স্বতন্ত্র কথা! (ইহা শুনিয়া) তাহারা আর সিজদা করিলেন না। তিনি তাহাদিগকে সিজদা হইতে বিরত রাখিলেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ সিজদার আয়াত মিম্বরের উপর পাঠ করিলে, ইমামের মিম্বর হইতে অবতরণ করিয়া সিজদা করার প্রতি (আমাদের) আমল নাই (অর্থাৎ মিম্বর হইতে অবতরণ জরুরী নহে)।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের অভিমত এই যে, কুরআন শরীফে সিজদাসমূহের মধ্যে তাকিদী সিজদা হইতেছে এগারটি। ইহাদের একটিও মুফাসসালাতে নাই।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ সুজুদুল কুরআন (কুরআনের সিজদাসমূহ) হইতে কোন সিজদার আয়াত ফজরের নামাযের এবং আসরের নামাযের পর পাঠ করা কাহারও পক্ষে উচিত নহে। কারণ ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর (সূর্য) অস্ত যাওয়া পর্যন্ত নামায পড়িতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করিয়াছেন। আর সিজদাও নামাযে গণ্য, কাজেই কাহারও পক্ষে উচিত নহে যে, সেই দুই সময়ে কোন সিজদার আয়াত পাঠ করা।

মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইয়াছে ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে যিনি একটি সিজদার আয়াত পাঠ করিয়াছেন, আর একজন ঋতুমতী মহিলা উহা শুনিল। তবে সেই মহিলা কি সিজদা করিবে? (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলিলেনঃ পুরুষ বা নারী, পবিত্রাবস্থা ব্যতীত সিজদা করিবে না।

ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হয় একজন মহিলা সম্পর্কে যিনি সিজদার আয়াত পাঠ করিয়াছেন, অন্য এক ব্যক্তি তাহা শুনিতেছে। সেই ব্যক্তির জন্য সিজদা করা জরুরী কি? (উত্তরে) মালিক (রহঃ) বলেনঃ সিজদা করা এই ব্যক্তির জন্য জরুরী নহে। সিজদা ওয়াজিব হয় সেই লোকের উপর যেসব লোক কোন ব্যক্তির সাথে নামাযে শরীক থাকেন এবং তাহার পিছনে ইকতিদা করেন। অতঃপর তাহাদের ইমাম সিজদার আয়াত পাঠ করিলে তাহারাও তাহার সহিত সিজদা করিবেন। আর যে ব্যক্তি সিজদার আয়াত শুনিয়াছে কোন লোকের মুখে (যিনি উহা পাঠ করিতেছেন), কিন্তু সেই ব্যক্তি এই লোকের ইমাম নহেন, তাহার জন্য এই সিজদা জরুরী নহে।

بَاب مَا جَاءَ فِي سُجُودِ الْقُرْآنِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَرَأَ سَجْدَةً وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَنَزَلَ فَسَجَدَ وَسَجَدَ النَّاسُ مَعَهُ ثُمَّ قَرَأَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى فَتَهَيَّأَ النَّاسُ لِلسُّجُودِ فَقَالَ عَلَى رِسْلِكُمْ إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَكْتُبْهَا عَلَيْنَا إِلَّا أَنْ نَشَاءَ فَلَمْ يَسْجُدْ وَمَنَعَهُمْ أَنْ يَسْجُدُوا قَالَ مَالِك لَيْسَ الْعَمَلُ عَلَى أَنْ يَنْزِلَ الْإِمَامُ إِذَا قَرَأَ السَّجْدَةَ عَلَى الْمِنْبَرِ فَيَسْجُدَ
قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ عَزَائِمَ سُجُودِ الْقُرْآنِ إِحْدَى عَشْرَةَ سَجْدَةً لَيْسَ فِي الْمُفَصَّلِ مِنْهَا شَيْءٌ قَالَ مَالِك لَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ يَقْرَأُ مِنْ سُجُودِ الْقُرْآنِ شَيْئًا بَعْدَ صَلَاةِ الصُّبْحِ وَلَا بَعْدَ صَلَاةِ الْعَصْرِ وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَعَنْ الصَّلَاةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَالسَّجْدَةُ مِنْ الصَّلَاةِ فَلَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ أَنْ يَقْرَأَ سَجْدَةً فِي تَيْنِكَ السَّاعَتَيْنِ سُئِلَ مَالِك عَمَّنْ قَرَأَ سَجْدَةً وَامْرَأَةٌ حَائِضٌ تَسْمَعُ هَلْ لَهَا أَنْ تَسْجُدَ قَالَ مَالِك لَا يَسْجُدُ الرَّجُلُ وَلَا الْمَرْأَةُ إِلَّا وَهُمَا طَاهِرَانِ وَسُئِلَ عَنْ امْرَأَةٍ قَرَأَتْ سَجْدَةً وَرَجُلٌ مَعَهَا يَسْمَعُ أَعَلَيْهِ أَنْ يَسْجُدَ مَعَهَا قَالَ مَالِك لَيْسَ عَلَيْهِ أَنْ يَسْجُدَ مَعَهَا إِنَّمَا تَجِبُ السَّجْدَةُ عَلَى الْقَوْمِ يَكُونُونَ مَعَ الرَّجُلِ فَيَأْتَمُّونَ بِهِ فَيَقْرَأُ السَّجْدَةَ فَيَسْجُدُونَ مَعَهُ وَلَيْسَ عَلَى مَنْ سَمِعَ سَجْدَةً مِنْ إِنْسَانٍ يَقْرَؤُهَا لَيْسَ لَهُ بِإِمَامٍ أَنْ يَسْجُدَ تِلْكَ السَّجْدَةَ


Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa from his father that Umar ibn al-Khattab once recited a piece of Qur'an requiring a prostration while he was on the mimbar on the day of jumua, and he came down and prostrated, and everyone prostrated with him. Then he recited it again the next jumua and everybody prepared to prostrate but he said, "At your ease. Allah has not prescribed it for us, unless we wish." He did not prostrate, and he stopped them from prostrating.

Malik said, "The imam does not come down and prostrate when he recites a piece of Qur'an requiring a prostration while he is on the mimbar."

Malik said, "The position with us is that there are eleven prescribed prostrations in the Qur'an, none of which are in the mufassal."

Malik said, "No-one should recite any of the pieces of Qur'an that require a prostration after the prayers of subh and asr. This is because the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, forbade prayer after subh until after the sun had risen, and after asr until the sun had set, and prostration is part of the prayer. So no-one should recite any piece of Qur'an requiring a prostration during these two periods of time."

Malik was asked whether a menstruating woman could prostrate if she heard some-one reciting a passage of Qur'an requiring a prostration, and he said, "Neither a man nor a woman should prostrate unless they are ritually pure."

Malik was asked whether a man in the company of a woman who was reciting a passage of Qur'an requiring a prostration should prostrate with her, and he said, "He does not have to prostrate with her. The prostration is only obligatory for people who are with a man who is leading them. He recites the piece and they prostrate with him. Some one who hears a piece of Qur'an that requires a prostration being recited by a man who is not leading him in prayer does not have to do the prostration."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৬. সূরা মূল্‌ক ও সূরা ইখলাস পাঠ করা প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ১৭. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি এক ব্যক্তিকে, ‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’ পাঠ করিতে শুনিলেন। সে বারবার উহা পাঠ করিতেছিল। ফজরে যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে হাযির হইলেন, তখন তাহার নিকট এই বিষয় উল্লেখ করিলেন- (আবু সাইদ খুদরী) এই সূরা (পাঠ করা)-কে সাধারণ আমল মনে করিতেছিলেন। (ইহা শুনিয়া) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ আমার প্রাণ যাহার হাতে তাহার শপথ, নিশ্চয় এই সূরাটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান মর্যাদা রাখে।

بَاب مَا جَاءَ فِي قِرَاءَةِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ وَتَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَجُلًا يَقْرَأُ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ يُرَدِّدُهَا فَلَمَّا أَصْبَحَ غَدَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ وَكَأَنَّ الرَّجُلَ يَتَقَالُّهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّهَا لَتَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ


Yahya related to me from Malik from Abd ar-Rahman ibn Abdullah ibn Sasaca from his father that Abu Said al-Khudri heard a man reciting Surat al-Ikhlas (Sura 112), repeating it over and over again. In the morning he went to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and mentioned it to him, as if he thought little of it. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Bythe One in whose hand my self is, it is equal to one third of the Qur'an."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৬. সূরা মূল্‌ক ও সূরা ইখলাস পাঠ করা প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ১৮. আল-ই-যায়দ ইবন খাত্তাবের মাওলা ওবায়দ ইবন হুনায়ন (রহঃ) বলেন- আমি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছিঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আগমন করিলাম, তিনি এক ব্যক্তিকে সূরা ইখলাস পড়িতে শুনিলেন। (ইহা শুনিয়) তিনি বললেনঃ ওয়াজিব হইয়াছে। তখন আমি তাঁহাকে প্রশ্ন করলামঃ হে আল্লাহর রসূল, কি ওয়াজিব হইয়াছে? তিনি বলিলেনঃ জান্নাত। (রাবী) বলেন, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ (তারপর) আমি ইচ্ছা করিলাম, সেই ব্যক্তির নিকট যাই এবং তাঁহাকে শুভ সংবাদ শুনাইয়া দেই। কিন্তু আমার আশংকা হইল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে প্রাতঃকালীন আহার ছুটিয়া যাইবে । তাই আমি প্রাতঃকালীন আহার গ্রহণকে অগ্রাধিকার প্রদান করিলাম। অতঃপর সেই ব্যক্তির নিকট গেলাম, কিন্তু তখন তিনি (সে স্থান হইতে) প্রস্থান করিয়াছেন।

بَاب مَا جَاءَ فِي قِرَاءَةِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ وَتَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ مَوْلَى آلِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ أَقْبَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَمِعَ رَجُلًا يَقْرَأُ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَجَبَتْ فَسَأَلْتُهُ مَاذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ الْجَنَّةُ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَأَرَدْتُ أَنْ أَذْهَبَ إِلَيْهِ فَأُبَشِّرَهُ ثُمَّ فَرِقْتُ أَنْ يَفُوتَنِي الْغَدَاءُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَآثَرْتُ الْغَدَاءَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ ذَهَبْتُ إِلَى الرَّجُلِ فَوَجَدْتُهُ قَدْ ذَهَبَ


Yahya related to me from Malik from Ubaydullah ibn Abd ar-Rahman that Ubayd ibn Hunayn, the mawla of the family of Zayd ibn al Khattab, said that he had heard Abu Hurayra say, "I was going along with the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, when he heard a man reciting Surat al-Ikhlas (Sura 112). The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, 'It is obligatory,' and I asked him, 'What is, Messenger of Allah?' and he said, 'The Garden.' I wanted to tell the man the good news but I was afraid that I would miss the midday meal with the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and I preferred to eat with the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace. When I went to the man afterwards I found that he had gone."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৬. সূরা মূল্‌ক ও সূরা ইখলাস পাঠ করা প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ১৯. হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রহঃ) খবর দিয়াছেন ইবনে শিহাব (রহঃ)-কে সূরা ইখলাস কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ আর সূরা মূল্‌ক উহার (পাঠকারী) সাথীর পক্ষে ঝগড়া করবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي قِرَاءَةِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ وَتَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ وَأَنَّ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ تُجَادِلُ عَنْ صَاحِبِهَا


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab that Humayd ibn Abd ar-Rahman ibn Awf had told him that Surat al-Ikhlas (Sura 112) was equal to a third of the Qur'an, and that Surat al-Mulk (Sura 67) pleaded for its owner.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)

পরিচ্ছেদঃ ৭. আল্লাহর যিকরের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ২০. আবূ হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ) এই দোয়াটি দৈনিক একশত বার পাঠ করিবে, ইহা তাঁহার জন্য দশটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য হইবে- তাহার জন্য একশত নেকী হইবে এবং তাহার (আমলনামা) হইতে একশত গুনাহ মিটাইয়া দেওয়া হইবে আর সেইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ইহা তাহার জন্য শয়তান হইতে রক্ষাকবচ হইবে; আর সে যে আমল পেশ করিয়াছে অন্য কেউ উহা হইতে শ্রেষ্ঠ কোন আমল পেশ করে নাই একমাত্র সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে ব্যক্তি (তাহার) এই আমল অপেক্ষা অধিক আমল করিয়াছ।

بَاب مَا جَاءَ فِي ذِكْرِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ سُمَيٍّ مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ فِي يَوْمٍ مِائَةَ مَرَّةٍ كَانَتْ لَهُ عَدْلَ عَشْرِ رِقَابٍ وَكُتِبَتْ لَهُ مِائَةُ حَسَنَةٍ وَمُحِيَتْ عَنْهُ مِائَةُ سَيِّئَةٍ وَكَانَتْ لَهُ حِرْزًا مِنْ الشَّيْطَانِ يَوْمَهُ ذَلِكَ حَتَّى يُمْسِيَ وَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ بِأَفْضَلَ مِمَّا جَاءَ بِهِ إِلَّا أَحَدٌ عَمِلَ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ


Yahya related to me from Malik from Sumayy, the mawla of Abu Bakr, from Abu Salih as-Samman from Abu Hurayra that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Whoever says 'There is no god but Allah, alone, without any partner. The Kingdom and praise belong to Him and He has power over everything' (La ilaha illa'llah, wahdahu la sharika lah, lahu'l mulku wa lahu'l hamd, wa huwa ala kulli shay'in qadir) one hundred times a day, it is the same for him as freeing ten slaves. One hundred good actions are written for him and one hundred wrong actions are erased from him, and it is a protection from Shaytan for that day until the night. No-one does anything more excellent than what he does except someone who does more than that."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৫. কুরআন প্রসঙ্গ (كتاب القرآن)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 পরের পাতা »