আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

تَعَرَّفْ إلى اللهِ في الرَّخاءِ يَعْرِفْكَ في الشِّدَّة

ভাবাৰ্থঃ “সুসময়ে আল্লাহকে চিনে রাখ, তাহলে দুঃসময়ে তিনি তোমাকে চিনবেন।”

কেউ যদি সুসময়ে আল্লাহকে ভয় করে এবং তার আদেশ-নিষেধসমূহ মান্য করে তবে সে আল্লাহকে চিনল। অধিকন্তু তার মাঝে এবং আল্লাহর মাঝে এক বিশেষ সম্পর্ক গড়ে উঠবে। তাহলে আল্লাহ তাকে দুঃসময়ে চিনবেন —এ কথার অর্থ হলো, সুসময়ে আল্লাহর আনুগত্য করার কারণে আল্লাহ তাকে দুঃসময়ে সাহায্য করবেন। “তাঁকে চিন” এবং “তিনি তোমাকে চিনবেন” একথা দুটি এমন এক বিশেষ জ্ঞানের কথা বলে, যা আল্লাহর ও তার বিশ্বাসী (মু’মিন) বান্দার মাঝে নৈকট্যের কথা এবং সে বান্দার জন্য আল্লাহর ভালোবাসার কথা বলে।

সত্যিকারভাবে ধৈর্য ধারণ করলে বিপদাপদ কল্যাণে রূপান্তরিত হয়ে যায়। এটা সম্পূর্ণরূপে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনের ধরনের বিষয়। আল্লাহ আমাদেরকে ধ্বংস করার জন্য পরীক্ষা করেন না বরং আমাদের ধৈর্য ও ঈমানের স্তরের মূল্য নির্ণয় করার জন্যই তিনি আমাদেরকে পরীক্ষা করেন। কারণ সুসময়ে যেমন আল্লাহর ইবাদত (দাসত্ব) পাওয়ার অধিকার আছে দুঃসময়েও ঠিক তেমনিই তার দাসত্ব পাওয়ার অধিকার আছে। অধিকাংশ লোকই এমন যে, যখন তার সবকিছু ভালোভাবে ও তাদের মনমত চলতে থাকে, তখন তারা কর্তব্য পালনে বিশ্বস্ত ও আদেশ পালনে দায়িত্বশীল থাকে। একটি চূড়ান্ত ও জটিল বিষয় বুঝার আছে; আর তা এই যে, নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যে আদেশ তা মান্য করার মাঝেই অধিকাংশ সময়ে প্রকৃত পরীক্ষা থাকে। আর এক্ষেত্রেই মানুষের ঈমানের কম-বেশি হয়। ঐ অবস্থায় কিভাবে তারা ইবাদত করে তার উপর আল্লাহর নিকট তাদের মর্যাদা নির্ধারিত হবে।

দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে