بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
৮২ সূরাঃ আল-ইনফিতার | Al-Infitar | سورة الإنفطار - আয়াত সংখ্যাঃ ১৯ - মাক্কী
৮২:১ اِذَا السَّمَآءُ انۡفَطَرَتۡ ۙ﴿۱﴾

যখন আসমান বিদীর্ণ হবে। আল-বায়ান

যখন আসমান ফেটে যাবে, তাইসিরুল

আকাশ যখন বিদীর্ণ হবে, মুজিবুর রহমান

১. যখন আসমান বিদীর্ণ হবে,

-

তাফসীরে জাকারিয়া

১। আকাশ যখন বিদীর্ণ হবে। [1]

[1] অর্থাৎ, আল্লাহর আদেশ এবং তাঁর ভয়ে (আসমান) ফেটে যাবে এবং ফিরিশতাগণ নিচে অবতরণ করবেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:২ وَ اِذَا الۡکَوَاکِبُ انۡتَثَرَتۡ ۙ﴿۲﴾

আর যখন নক্ষত্রগুলো ঝরে পড়বে। আল-বায়ান

যখন তারকাগুলো বিক্ষিপ্ত হয়ে (ঝরে) পড়বে, তাইসিরুল

যখন নক্ষত্রমন্ডলী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরে পড়বে, মুজিবুর রহমান

২. আর যখন নক্ষত্রমণ্ডলী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরে পড়বে,

-

তাফসীরে জাকারিয়া

২। যখন নক্ষত্ররাজি বিক্ষিপ্তভাবে ঝরে পড়বে,

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:৩ وَ اِذَا الۡبِحَارُ فُجِّرَتۡ ﴿ۙ۳﴾

আর যখন সমুদ্রগুলোকে একাকার করা হবে। আল-বায়ান

সমুদ্রকে যখন উত্তাল করে তোলা হবে, তাইসিরুল

যখন সমুদ্র উদ্বেলিত হবে, মুজিবুর রহমান

৩. আর যখন সাগরগুলো বিস্ফোরিত করা হবে,

-

তাফসীরে জাকারিয়া

৩। যখন সমুদ্রগুলি উদ্বেলিত হবে, [1]

[1] আর সমস্ত সমুদ্রের পানি একটি সমুদ্রে জমা হয়ে যাবে। (অথবা সমস্ত সমুদ্র একটি সমুদ্রে পরিণত হবে। লোনা-মিঠা এক হয়ে যাবে।) তারপর আল্লাহ তাআলা পশ্চিমী হাওয়া প্রেরণ করবেন, যা তাতে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, যার ফলে আকাশ-ছোঁয়া আগুনের শিখা উঠতে থাকবে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:৪ وَ اِذَا الۡقُبُوۡرُ بُعۡثِرَتۡ ۙ﴿۴﴾

আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে। আল-বায়ান

যখন কবরস্থ মানুষদেরকে উঠানো হবে, তাইসিরুল

এবং যখন কাবরসমূহ সমুত্থিত হবে; মুজিবুর রহমান

৪. আর যখন কবরসমূহ উন্মোচিত হবে(১),

(১) প্রথম তিনটি আয়াতে কিয়ামতের প্রথম পর্বের উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই আয়াতে দ্বিতীয় পর্বের কথা বলা হয়েছে। কবর খুলে ফেলার মানে হচ্ছে, তা খুলে তা থেকে মানুষকে আবার নতুন করে জীবিত করে উঠানো। [কুরতুবী]

তাফসীরে জাকারিয়া

৪। এবং যখন কবরসমূহ উন্মোচিত হবে; [1]

[1] অর্থাৎ, কবর থেকে মৃতরা জীবন্ত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসবে। بُعثِرَت এর অর্থ হল, উৎপাটিত হবে অথবা তার মাটিকে উলট-পালট করে দেওয়া হবে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:৫ عَلِمَتۡ نَفۡسٌ مَّا قَدَّمَتۡ وَ اَخَّرَتۡ ؕ﴿۵﴾

তখন প্রত্যেকে জানতে পারবে, সে যা আগে পাঠিয়েছে এবং যা পিছনে রেখে গেছে। আল-বায়ান

তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কী আগে পাঠিয়েছিল, আর কী পেছনে ছেড়ে এসেছিল। তাইসিরুল

যখন প্রত্যেকে যা পূর্বে প্রেরণ করেছে এবং পশ্চাতে পরিত্যাগ করেছে তা পরিজ্ঞাত হবে। মুজিবুর রহমান

৫. তখন প্রত্যেকে জানবে, সে কী আগে পাঠিয়েছে ও কী পিছনে রেখে গিয়েছে।(১)

(১) অর্থাৎ আকাশ বিদীর্ণ হওয়া, নক্ষত্ৰসমূহ ঝরে পড়া, সমুদ্র একাকার হয়ে যাওয়া, কবর থেকে মৃতদের বের হয়ে আসা ইত্যাকার কেয়ামতের ঘটনা যখন ঘটে যাবে, তখন প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে কি অগ্ৰে প্রেরণ করেছে এবং কি পশ্চাতে ছেড়েছে। মূলে বলা হয়েছে, (مَا قَدَّمَتْ وَأَخَّرَتْ) এ শব্দগুলোর কয়েকটি অর্থ হতে পারে এবং সবগুলো অর্থই এখানে প্রযোজ্য। এক. যে ভালো ও মন্দ কাজ করে মানুষ আগে পাঠিয়ে দিয়েছে তাকে مَا قَدَّمَتْ এবং যেগুলো করতে সে বিরত থেকেছে তাকে একে مَا أَخَّرَتْ বলা যায়। সুতরাং কেয়ামতের দিনে প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে সৎ অসৎ কি কর্ম করেছে এবং কি সৎ অসৎ কর্ম করেনি। [তাবারী] দুই. যা কিছু প্ৰথমে করেছে তা مَا قَدَّمَتْ এবং যা কিছু পরে করেছে তা مَا أَخَّرَتْ এর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ সম্পাদনের ধারাবাহিকতা ও তারিখ অনুসারে মানুষের প্রত্যেকটি কাজের হিসেব সম্বলিত আমলনামা তার সামনে এসে যাবে। [মুয়াস্‌সার] তিন. যেসব ভালো বা মন্দ কাজ মানুষ তার জীবনে করেছে সেগুলো (مَا قَدَّمَتْ) এর অন্তর্ভুক্ত। এ মানুষের সমাজে এসব কাজের যে প্রভাব ও ফলাফল সে নিজের পেছনে রেখে এসেছে সেগুলো مَا أَخَّرَتْ এর অন্তর্ভুক্ত। কাজটি সৎ হলে তার সওয়াব সে পেতে থাকবে এবং অসৎ হলে তার গোনাহ আমলানামায় লিখিত হতে থাকবে। হাদীসে আছে “যে ব্যক্তি ইসলামে কোন উত্তম সুন্নত ও নিয়ম চালু করে সে তার সওয়াব সবসময় পেতে থাকবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি কোন কুপ্ৰথা অথবা পাপ কাজ চালু করে যতদিন মানুষ এই পাপ কাজ করবে ততদিন তার আমলনামায় এর গোনাহ লিখিত হতে থাকবে।” [তিরমিযী: ২৬৭৫, ইবনে মাজহ: ২০৭, মুসনাদে আহমাদঃ ২/৫০৪] [আত-তাফসীরুস সহীহ]

তাফসীরে জাকারিয়া

৫। তখন প্রত্যেকেই জানতে পারবে সে পূর্বে যা প্রেরণ করেছে এবং পশ্চাতে কি ছেড়ে এসেছে।[1]

[1] অর্থাৎ, যখন এই উল্লিখিত বিষয়গুলি সংঘটিত হবে, তখন মানুষের কৃত আমল প্রকাশ পেয়ে যাবে। যা কিছু সে ভাল-মন্দ আমল করেছে, তা সামনে উপস্থিত পাবে। পশ্চাতে ছাড়া আমল বলতে উদ্দেশ্য হল, নিজের চাল-চলন এবং আমলের ভাল অথবা মন্দ নমুনা (আদর্শ) যা মানুষ দুনিয়ায় ছেড়ে যায় এবং লোকেরা সেই আদর্শের উপর আমল করে। এবার যদি তার আদর্শ ভাল হয় এবং তার মৃত্যুর পরেও লোকেরা তার আদর্শ অনুসারে আমল করে, তাহলে সেই সওয়াবও তার কাছে পৌঁছতে থাকে। আর যদি সে মন্দ আদর্শ ছেড়ে যায় এবং সেই আদর্শ অনুযায়ী লোকেরা আমল করে, তাহলে সেই পাপের ভাগী সেও হয়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:৬ یٰۤاَیُّہَا الۡاِنۡسَانُ مَا غَرَّکَ بِرَبِّکَ الۡکَرِیۡمِ ۙ﴿۶﴾

হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকা দিয়েছে? আল-বায়ান

হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান প্রতিপালক সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলে দিয়েছে? তাইসিরুল

হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রাব্ব (আল্লাহ) হতে প্রতারিত করল? মুজিবুর রহমান

৬. হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে বিভ্ৰান্ত করল?

-

তাফসীরে জাকারিয়া

৬। হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম প্রতিপালক হতে প্রতারিত করল?[1]

[1] অর্থাৎ, কোন্ বস্তু তোমাকে ধোঁকা ও প্রতারণায় ফেলে রেখেছে? যার কারণে তুমি সেই প্রভুকে অস্বীকার করেছ; যিনি তোমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং তোমাকে অস্তিত্ব প্রদান করেছেন, তোমাকে জ্ঞান ও সমঝ-বোঝ দান করেছেন, জীবন-যাপন করার জন্য নানান উপকরণ দিয়েছেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:৭ الَّذِیۡ خَلَقَکَ فَسَوّٰىکَ فَعَدَلَکَ ۙ﴿۷﴾

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তোমাকে সুসম করেছেন, তারপর তোমাকে সুসমঞ্জস করেছেন। আল-বায়ান

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, অতঃপর তোমাকে করেছেন ভারসাম্যপূর্ণ। তাইসিরুল

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন এবং অতঃপর সুবিন্যস্ত করেছেন, মুজিবুর রহমান

৭. যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন এবং সুসামঞ্জস্য করেছেন(১),

(১) অর্থাৎ মহান আল্লাহ তোমাকে এই পূর্ণাঙ্গ মানবিক আকৃতি দান করেছেন। তোমার সামনে সব রকমের প্রাণী রয়েছে, তাদের মোকাবিলায় তোমার সবচেয়ে সুন্দর শারীরিক কাঠামো এবং শ্রেষ্ঠ ও উন্নত শক্তি একেবারেই সুস্পষ্ট। অন্যত্র বলা হয়েছে, “অবশ্যই আমরা সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতম গঠনে”। [সূরা আত-তীন: ৪] [আদওয়াউল বায়ান]

তাফসীরে জাকারিয়া

৭। যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, [1] অতঃপর তোমাকে সুঠাম করেছেন [2] এবং তারপর সুসমঞ্জস করেছেন। [3]

[1] অর্থাৎ, নিকৃষ্ট বীর্যবিন্দু থেকে, অথচ ইতিপূর্বে তোমার কোন অস্তিত্বই ছিল না।

[2] অর্থাৎ, তোমাকে একটি পূর্ণাঙ্গ মানবরূপে সৃষ্টি করেছেন। তুমি শ্রবণ করতে, দর্শন করতে এবং জ্ঞান-বুদ্ধি প্রয়োগ করতে পার।

[3] তোমাকে মাঝারি গড়নের, লম্বালম্বি সোজা, সুশ্রী ও সুদর্শনময় বানিয়েছেন। অথবা তোমার দুটি চোখ, দুটি কান, দুটি হাত, দুটি পা (এবং অন্য সকল অঙ্গকে) সুসমঞ্জস যথোপযুক্ত আকৃতি দান করেছেন। যদি তোমার এই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সামঞ্জস্যময় না হত, তাহলে তোমার অস্তিত্বে সুশ্রীময়তা প্রকাশ না পেয়ে কুশ্রীময়তা প্রকাশ পেত। এইরূপ সৃষ্টিকেই অন্য স্থানে ‘আহসানে তাক্ববীম’ (সুন্দরতম গঠন) বলে ব্যক্ত করা হয়েছে। (لَقَدْ خَلَقْنَا الإنْسَانَ فِيْ أَحْسَنِ تَقْوِيْم)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:৮ فِیۡۤ اَیِّ صُوۡرَۃٍ مَّا شَآءَ رَکَّبَکَ ؕ﴿۸﴾

যে আকৃতিতে তিনি চেয়েছেন তোমাকে গঠন করেছেন। আল-বায়ান

তিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছেমত আকৃতিতে গঠন করেছেন। তাইসিরুল

যে আকৃতিতে চেয়েছেন, তিনি তোমাকে গঠন করেছেন। মুজিবুর রহমান

৮. যে আকৃতিতে চেয়েছেন, তিনি তোমাকে গঠন করেছেন।(১)

(১) এখানে মানুষ সৃষ্টির প্রারম্ভিক পর্যায় প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, আল্লাহ তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তদুপরি তোমার সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সুবিন্যস্ত করেছেন। এরপর বলা হয়েছে যে, আল্লাহ্ তা'আলা সব মানুষকে, যাকে যেরূপে ইচ্ছা সে আকার-আকৃতিতে সৃষ্টি করতে পারেন। তিনি কোটি কোটি মানুষের আকার আকৃতি এমনভাবে গঠন করেছেন যে, পরস্পরের মধ্যে স্বাতন্ত্র্য ও পার্থক্য সুস্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। আর তা আল্লাহ তা'আলার এক বড় নিদর্শন। [আদওয়াউল বায়ান]

তাফসীরে জাকারিয়া

৮। যে আকৃতিতে চেয়েছেন তিনি তোমাকে গঠন করেছেন। [1]

[1] এর একটা অর্থ এই যে, আল্লাহ ভ্রূণকে যার মত ইচ্ছা তার রূপ ও আকারে সৃষ্টি করেন; তার চেহারা পিতা, মাতা, মামা অথবা চাচাদের মত করেন। দ্বিতীয় অর্থ হল যে, তিনি যার আকার ও আকৃতিতে চান, তার ছাঁচে ঢেলে দেন। এমনকি নিকৃষ্টরূপ জন্তুর আকৃতিতেও পয়দা করতে পারেন। কিন্তু তাঁর অনুগ্রহ, দয়া ও মেহেরবানী এই যে, তিনি তা করেন না; বরং তিনি সুন্দর অবয়ব দিয়ে মানুষকে সৃষ্টি করেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:৯ کَلَّا بَلۡ تُکَذِّبُوۡنَ بِالدِّیۡنِ ۙ﴿۹﴾

কখনো নয়, তোমরা তো প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করে থাক। আল-বায়ান

না (তোমাদের এই বিভ্রান্তি মোটেই সঠিক নয়), তোমরা তো (আখেরাতের) শাস্তি ও পুরস্কারকে অস্বীকার করে থাক; তাইসিরুল

না, কখনই না, তোমরাতো শেষ বিচারকে অস্বীকার করে থাকো; মুজিবুর রহমান

৯. কখনো নয়, তোমরা তো প্রতিদান দিবসে মিথ্যারোপ করে থাক(১);

(১) অর্থাৎ যে জিনিসটি তোমাদেরকে ধোঁকায় ফেলে দিয়েছে, তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে তা হল এই ধারণা যে, দুনিয়ার এই কর্মজগতের পরে আর কোন কর্মফল, প্রতিদান ও বিচারের জগত নেই। এ বিভ্রান্ত ও ভিত্তিহীন ধারণাই তোমাকে আল্লাহ থেকে গাফেল করে দিয়েছে, মহান আল্লাহ সম্পর্কে বিভ্ৰান্তিতে ফেলেছে। [ইবন কাসীর]

তাফসীরে জাকারিয়া

৯। না কখনই না, বরং তোমরা শেষ বিচারকে মিথ্যা মনে করে থাক;[1]

[1] এখানে كلا শব্দটি حقًا শব্দের অর্থেও হতে পারে। (অর্থাৎ, সত্যপক্ষে তোমরা শেষ বিচারকে মিথ্যা মনে করে থাক।) এখানে কাফেরদের সেই আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গির খন্ডন করা হয়েছে, যা দয়াবান আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতের ব্যাপারে ধোঁকায় মগ্ন থাকার ফলে সংঘটিত হয়েছে। অর্থাৎ, এই প্রবৃত্তির প্রতারণায় পড়ার কোন কারণ নেই। বরং আসল কথা হল যে, তোমাদের হৃদয়ে এ কথার প্রত্যয় নেই যে, কিয়ামত সংঘটিত হবে এবং সেখানে প্রতিদান ও শাস্তি দেওয়া হবে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৮২:১০ وَ اِنَّ عَلَیۡکُمۡ لَحٰفِظِیۡنَ ﴿ۙ۱۰﴾

আর নিশ্চয় তোমাদের উপর সংরক্ষকগণ রয়েছে। আল-বায়ান

অবশ্যই তোমাদের উপর নিযুক্ত আছে তত্ত্বাবধায়কগণ; তাইসিরুল

অবশ্যই রয়েছে তোমাদের উপর সংরক্ষকগণ; মুজিবুর রহমান

১০. আর নিশ্চয় নিয়োজিত আছেন তোমাদের উপর সংরক্ষকদল;

-

তাফসীরে জাকারিয়া

১০। অবশ্যই তোমাদের উপর (নিযুক্ত আছে) সংরক্ষকগণ;

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 19 পাতা নাম্বারঃ 1 2 Next »