৫৩ সূরাঃ আন-নাজম | An-Najm | سورة النجم - আয়াতঃ ৯
৫৩:৯ فَکَانَ قَابَ قَوۡسَیۡنِ اَوۡ اَدۡنٰی ۚ﴿۹﴾

তখন সে নৈকট্য ছিল দু’ ধনুকের পরিমাণ, অথবা তারও কম। আল-বায়ান

ফলে [নবী (সাঃ) ও জিবরাঈলের মাঝে] দুই ধনুকের ব্যবধান রইল অথবা আরো কম। তাইসিরুল

ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুকের ব্যবধান রইল, অথবা তারও কম। মুজিবুর রহমান

And was at a distance of two bow lengths or nearer. Sahih International

৯. ফলে তাদের মধ্যে দু ধনুকের ব্যবধান রইল অথবা তারও কম।(১)

(১) دَنَا শব্দের অর্থ নিকটবর্তী হল এবং فَتَدَلَّىٰ শব্দের অর্থ বুলে গেল। অর্থাৎ ঝুঁকে পড়ে নিকটবর্তী হল। ধনুকের কাঠ এবং এর বিপরীতে ধনুকের সুতার মধ্যবর্তী ব্যাবধানকে قاب বলা হয়। এই ব্যবধান আনুমানিক একহাত হয়ে থাকে। [কুরতুবী] আলোচ্য আয়াতসমূহে জিবরীল আলাইহিস সালাম-এর অধিকতর নিকটবর্তী হওয়ার বিষয়টি বর্ণনা করার কারণ এদিকে ইঙ্গিত করা যে, তিনি যে ওহী পৌঁছিয়েছেন তা শ্রবণে কোন সন্দেহ ও সংশয়ের অবকাশ নেই। [দেখুন: কুরতুবী]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৯) ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুকের ব্যবধান রইল অথবা তারও কম। [1]

[1] কেউ কেউ অনুবাদ করেছেন দুই হাত পরিমাণ। এখানে নবী করীম (সাঃ) এবং জিবরীল (আঃ)-এর পারস্পরিক নিকটবর্তিতার কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। মহান আল্লাহ এবং নবী করীম (সাঃ)-এর কাছাকাছি হওয়ার কথা বলা হচ্ছে না। যেমন কেউ কেউ এটাই বুঝাতে চেষ্টা করেন। আয়াতগুলোর প্রাসঙ্গিক আলোচনা থেকে একথা স্পষ্ট যে, এতে কেবল জিবরীল এবং নবী করীম (সাঃ)-এর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এই নিকটবর্তিতার সময়ই নবী করীম (সাঃ) জিবরীল (আঃ)-কে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখেন। আর এটা হল নবুঅত প্রাপ্তির প্রথম দিকের সেই ঘটনা, যার আলোচনা এই আয়াতগুলোতে করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার আসল আকৃতিতে দর্শন করেন মি’রাজের রাতে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান