সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত] হাদিস পাওয়া গেছে 338 টি

পরিচ্ছেদঃ ১৩৭: নারী-পুরুষের পারস্পরিক সালাম

৩/৮৭০। আসমা বিনতে য়্যাযীদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমাদের) একদল মহিলার নিকট অতিক্রম করার সময় আমাদেরকে সালাম দিলেন।’ (আবু দাঊদ)  [1]


তিরমিযীর শব্দগুচ্ছ এরূপঃ ‘একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদ অতিক্রম করছিলেন, মহিলাদের একটা দল বসেছিল, তিনি তাদেরকে হাতের ইঙ্গিতে সালাম দিলেন।’ (এটি সহীহ নয়)

بَابُ سَلَامِ الرَّجُلِ عَلٰى زَؤْجَتِهِ وَالْمَرْأَةِ مِنْ مَحَارِمِهِ وَعَلٰى أَجْنَبِيَّةٍ وَأَجْنَبِيَّاتٍ لَا يُخَافُ الْفِتْنَةُ بِهِنَّ وَسَلَامُهُنَّ بِهٰذَا الشَّرْطِ

وَعَنْ أسماءَ بِنتِ يَزِيدَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: مَرّ عَلَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي نِسوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْنَا . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن ، وهذا لفظ أَبي داود .
ولفظ الترمذي: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مَرَّ في المَسْجِدِ يَوْماً، وَعُصْبَةٌ مِنَ النِّسَاءِ قُعُودٌ، فَأَلْوَى بِيَدِهِ بالتَّسْلِيمِ .


Asma bint Yazid (May Allah be pleased with her) reported: The Prophet (ﷺ) passed by us when we were with a party of women, and he greeted us. [Abu Dawud].


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
৬/ সালামের আদব (كتاب السلام)

পরিচ্ছেদঃ ১৯৪: প্রথম কাতারের ফযীলত, প্রথম কাতারসমূহ পূরণ করা, কাতার সোজা করা এবং ঘন হয়ে কাতার বাঁধার গুরুত্ব

১৫/১১০৩। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা ইমামকে কাতারের ঠিক মাঝখানে কর। আর কাতারের ফাঁক বন্ধ করো।” (আবূ দাউদ, হাদিসের প্রথমাংশ সহীহ নয়।) [1]

بَابُ فَضْلِ الصَفِّ الْأَوَّلِ وَالْأَمْرِ بِإِتْمَامِ الصُّفُوفِ الأَوَّلِ، وَتَسْوِيَتِهَا، وَالتَّرَاصِّ فِيْهَا

وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم «وَسِّطُوا الإِمَامَ، وَسُدُّوا الخَلَلَ». رواه أبُو دَاوُد.


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him)reported: The Messenger of Allah (ﷺ) said, "Let the Imam stand in the middle (so that those praying behind him should be standing both on his right and his left) and close the gaps." [Abu Dawud].


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
৯/ বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে (كتاب الفضائل)

পরিচ্ছেদঃ ২৪৪: যিকির তথা আল্লাহকে স্মরণ করার ফযীলত ও তার প্রতি উৎসাহ দান

৩৫/১৪৫০। সায়াদ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাথে জনৈক মহিলার নিকট গেলেন। তার সম্মুখে তখন খেজুরের বিচি বা কাঁকর ছিল। সেগুলোর সাহায্যে তিনি তাসবীহ গণনা করছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাকে আমি কি এমন বিষয়ের কথা জানাবো যা তোমার জন্য এর চেয়ে সহজ বা এর চেয়ে উত্তম? তা হচ্ছে, “সুবহানাল্লাহি ‘আদাদা মা খালাক্বা ফিস্ সামায়ি” (আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি সেই সব জিনিসের সমসংখ্যক যা তিনি আকাশে সৃষ্টি করেছেন) “ওয়া সুবহানাল্লাহি ‘আদাদা মা খালাক্বা ফিল আরযি” (আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি সেসব বস্তুর সমসংখ্যক যা তিনি দুনিয়াতে সৃষ্টি করেছেন) “ওয়া সুবহানাল্লাহি ‘আদাদা মা বাইনা যালিক” (পবিত্রতা বর্ণনা করছি সেই সকল জিনিসের সমান যা ঐ দু‘টির মাঝে রয়েছে) “ওয়া সুবহানাল্লাহি ‘আদাদা মা হুয়া খালিকুন” (পবিত্রতা বর্ণনা করছি সেই সব জিনিসের সমসংখ্যক তিনি যার স্রষ্টা) আর “আল্লাহু আকবার বাক্যটিও এভাবেই পাঠ করো, “আল-হামদু লিল্লাহি” বাক্যটিও এভাবেই পাঠ কর, “লা- ইলা- হা ইল্লাল্লাহু” বাক্যটিও এভাবেই পাঠ কর, “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি” বাক্যটিও এরূপেই পাঠ কর। (তিরমিযী হাদিসটিকে হাসান বলেছেন)[1]

بَابُ فَضْلِ الذِّكْرِ وَالْحَثِّ عَلَيْهِ

وعن سعد بن أبي وقاص رضي الله عنه أنه دخل مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على امرأة وبين يديها نوى -أو حصى- تسبح به فقال‏:‏ ‏"‏أخبرك بما هو أيسر عليك من هذا - أو أفضل‏"‏ فقال‏:‏ ‏"‏سبحان الله عدد ما خلق في السماء، وسبحان الله عدد ما خلق في الأرض، وسبحان الله عدد ما بين ذلك، وسبحان الله عدد ما هو خالق، والله أكبر مثل ذلك، والحمد لله مثل ذلك، ولا إله إلا الله مثل ذلك، ولا حول ولا قوة إلا بالله مثل ذلك‏"‏‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏)‏‏)‏‏.‏


Sa'd bin Abu Waqqas (May Allah be pleased with him) reported: The Messenger of Allah (ﷺ) and I went to see a woman. She had date- stones or pebbles in front of her, and she was counting and reciting Tasbih. ['Subhan-Allah' (Allah is free from imperfection)]. He said, "Shall I not inform you of what is easier or better than this for you?" You should say: 'Subhan-Allahi 'adada ma khalaqa fis-sama', wa subhan-Allahi 'adada ma khalaqa fil-ardi, wa subhan-Allahi 'adada ma baina dhalika, wa subhan-Allahi 'adada ma Huwa Khaliqun, wallahu Akbaru mithla dhalika, wal-hamdu lillahi mithla dhalika, wa la ilaha illallahu mithla dhalika, wa la hawla wa la quwwata illa billahi mithla dhalika (Subhan-Allah, equal to the number of what He created in the heaven; and Subhan-Allah, equal to the number of His creatures in the earth; and Subhan-Allah, equal to the number in between them; and Subhan-Allah equal to the number of those He will create).' Then say: 'Allahu Akbar' (Allah is Greatest) in the same way. Then say: 'Al-hamdu lillah' (praise be to Allah) in the same way. Then say: 'La ilaha illallah' (there is no true god except Allah) in the same way. Then say: 'La hawla wa la quwwata illa billah' (there is no change of a condition nor power except by Allah) in the same manner." [At-Tirmidhi].


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১৬/ যিকির-আযকার প্রসঙ্গে (كتاب الأذكار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. উযুর জন্য যে পরিমান পানি যথেষ্ট।

৯৫. মুহাম্মাদ ইবনুস সাব্বাহ .... আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে পাত্রের (পানি) দ্বারা উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতেন- তাতে দুই রতল পরিমাণ পানি ধরত এবং তিনি এক ছা’আ পরিমাণ পানি দ্বারা গোসল করতেন। অন্য বর্ণনায় আছেঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাকুক (বা এক মগ) পানি দ্বারা উযূ করতেন এবং উক্ত বর্ণনায় رطلين (দুই রতল) শব্দের উল্লেখ নাই। (নাসাঈ, বুখারী, মুসলিম)।

ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ পাঁচ রতলে এক ছা’আ হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) আরো বলেন, এটা প্রখ্যাত ইমাম ইবনু আবূ যের-এর মতানুযায়ী ছা’আ এবং এটাই নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ছা’আ- এর অনুরূপ।

باب مَا يُجْزِئُ مِنَ الْمَاءِ فِي الْوُضُوءِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَبْرٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ بِإِنَاءٍ يَسَعُ رَطْلَيْنِ وَيَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ آدَمَ عَنْ شَرِيكٍ قَالَ عَنِ ابْنِ جَبْرِ بْنِ عَتِيكٍ ‏.‏ قَالَ وَرَوَاهُ سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى حَدَّثَنِي جَبْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ شُعْبَةُ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَبْرٍ سَمِعْتُ أَنَسًا إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ يَتَوَضَّأُ بِمَكُّوكٍ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ رَطْلَيْنِ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ يَقُولُ الصَّاعُ خَمْسَةُ أَرْطَالٍ وَهُوَ صَاعُ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ وَهُوَ صَاعُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

(حكم : (حديث: كان النبي صلى الله عليه وسلم يتوضأ بإناء.... ويغتسل بالصاع) ضعيف، (حديث: كان النبي صلى الله عليه وسلم يتوضأ بمكوك) صحيح (الألباني


Anas reported : The Prophet (ﷺ) performed ablution with a vessel which contained two rotls (of water) and took a bath with a sa’ (of water).1 Abu Dawud Said : This tradition has berated on the authority of Anas through a different chain. This version mentions: “He performed ablution with one makkuk. “It makes no mention of two rotls. 2 Abu Dawud said : This tradition has also been narrated by Yahya b. Adam from Sharik. But this chain mentions Ibn Jabr b. ‘Atik instead of ‘ Abd Allah b. Jabr. Abu Dawud Said : This tradition has also been narrated by Sufyan from ‘Abd Allah b. ‘Isa. This chain mentions the name Jabr b. ‘Abd Allah instead of ‘Abd Allah b. Jabr. Abu Dawud Said : I heard Ahmad b. Hanbal say : one sa’ measures five rotls. It was the sa’ of Ibn Abi Dhi’b and also of the Prophet (ﷺ). Grade: 1: Da'if 2: Sahih (Al-Albani)


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
১/ পবিত্রতা (كتاب الطهارة )

পরিচ্ছেদঃ ১০৮. রক্ত প্রদরের রোগিণীর বর্ণনা এবং যে ব্যাক্তি বলে – এমন স্ত্রীলোক হায়েযের সমপরিমান সময় নামায ত্যাগ করবে।

২৮১. ইউসুফ ইবনু মূসা .... উরওয়া ইবনুয-যুবায়ের (রহঃ) হতে বর্ণিত। ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়েশ (রাঃ) নিজের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করার জন্য আসমা (রাঃ)-কে অনুরোধ করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে হায়েযকালীন সময়ে নামায ত্যাগ করবে, অতঃপর হায়েযের সীমা শেষে গোসল করবে।

যয়নব বিন্তে উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা (রাঃ) ইস্তেহাযাগ্রস্ত হওয়ার পর মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময়ে নামায ত্যাগ করার নির্দেশ দেন এবং হায়েযের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর গোসল করে নামায আদায় করতে বলেন।

আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। উম্মে হাবীবা (রাঃ) ইতেহাযাগ্রস্ত হওয়ার পর এ সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হায়েযের নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে নামায আদায় না করার নির্দেশ দেন।

ইবনু উয়ায়নার সনদে বর্ণিত হাদীছে “সে হায়েযের সমপরিমাণ সময় নামায ত্যাগ করবে” কথাটার উল্লেখ নাই।

আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ তাদের হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময়ে নামায পরিহার করবে এবং উক্ত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর গোসল করবে। আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত হাদীছে উল্লেখ আছে যে, মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ মহিলাকে হায়েযের কয়দিন নামায ত্যাগ করার নির্দেশ দেন।

আদী ইবনু ছাবেত (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ তাদের জন্য নির্ধারিত হায়েযের দিনগুলিতে নামায ত্যাগ করবে; অতঃপর গোসল করে নামায আদায় করবে।

জাফর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাওদা (রাঃ) ইস্তেহাযাগ্রস্ত হওয়ায় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে নির্দেশ দেন যে, তাঁর জন্য হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলি সমাপ্ত হলে- গোসল করে তাঁকে নামায আদায় করতে হবে।

আলী (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ হায়েযের জন্য নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা হতে বিরত থাকবে।

হাসান, আতা ও অন্যান্যদের মতানুসারে- ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাগণ তাদের জন্য নির্ধারিত হায়েযের সময়ে নামায পরিহার করবে।

আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কাতাদা (রহঃ) উরওয়া (রহঃ)-এর নিকট কিছুই শুনেননি।

باب فِي الْمَرْأَةِ تُسْتَحَاضُ وَمَنْ قَالَ تَدَعُ الصَّلاَةَ فِي عِدَّةِ الأَيَّامِ الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُ

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، - يَعْنِي ابْنَ أَبِي صَالِحٍ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ، أَنَّهَا أَمَرَتْ أَسْمَاءَ - أَوْ أَسْمَاءُ حَدَّثَتْنِي أَنَّهَا، أَمَرَتْهَا فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ - أَنْ تَسْأَلَ، رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهَا أَنْ تَقْعُدَ الأَيَّامَ الَّتِي كَانَتْ تَقْعُدُ ثُمَّ تَغْتَسِلُ ‏.1
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ قَتَادَةُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَدَعَ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلَ وَتُصَلِّيَ ‏.‏
قَالَ أَبُو دَاوُدَ لَمْ يَسْمَعْ قَتَادَةُ مِنْ عُرْوَةَ شَيْئًا ‏.2
وَزَادَ ابْنُ عُيَيْنَةَ فِي حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ كَانَتْ تُسْتَحَاضُ فَسَأَلَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهَا أَنْ تَدَعَ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏.‏
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا وَهَمٌ مِنَ ابْنِ عُيَيْنَةَ لَيْسَ هَذَا فِي حَدِيثِ الْحُفَّاظِ عَنِ الزُّهْرِيِّ إِلاَّ مَا ذَكَرَ سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ وَقَدْ رَوَى الْحُمَيْدِيُّ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ لَمْ يَذْكُرْ فِيهِ ‏"‏ تَدَعُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏"‏ ‏.1
وَرَوَتْ قَمِيرُ بِنْتُ عَمْرٍو زَوْجُ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَتْرُكُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ ‏.3
وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهَا أَنْ تَتْرُكَ الصَّلاَةَ قَدْرَ أَقْرَائِهَا ‏.2
وَرَوَى أَبُو بِشْرٍ جَعْفَرُ بْنُ أَبِي وَحْشِيَّةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ اسْتُحِيضَتْ فَذَكَرَ مِثْلَهُ وَرَوَى شَرِيكٌ عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الْمُسْتَحَاضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي ‏"‏ ‏.1
وَرَوَى الْعَلاَءُ بْنُ الْمُسَيَّبِ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ أَنَّ سَوْدَةَ اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا مَضَتْ أَيَّامُهَا اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ ‏.1
وَرَوَى سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏"‏ الْمُسْتَحَاضَةُ تَجْلِسُ أَيَّامَ قُرْئِهَا ‏"‏ ‏.1
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ عَمَّارٌ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ وَطَلْقُ بْنُ حَبِيبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ 1
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ مَعْقِلٌ الْخَثْعَمِيُّ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ 4
وَكَذَلِكَ رَوَى الشَّعْبِيُّ عَنْ قَمِيرَ امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ رضى الله عنها ‏.
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهُوَ قَوْلُ الْحَسَنِ وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَعَطَاءٍ وَمَكْحُولٍ وَإِبْرَاهِيمَ وَسَالِمٍ وَالْقَاسِمِ إِنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ تَدَعُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ لَمْ يَسْمَعْ قَتَادَةُ مِنْ عُرْوَةَ شَيْئًا ‏.‏ 1

حكم -
1: صحيح
2: صحيح بما قبله
3: صحيح موقوف
4: إسناده ضعيف (الألباني)


'Urwah b. al-Zubair said: Fatimah daughter of Abu Hubaish narrated to me that she asked Asma' (daughter of Abu Bakr), or Asma' narrated to me that Fatimah daughter of Abu Hubaish asked her to question the Messenger of Allah (ﷺ). He advised her to refrain (from prayer) equal to the period she refrained previously. She then should wash herself.1 Abu Dawud said: Qatadah narrated it from 'Urwah b. al-Zubair, from Zainab daughter of Umm Salamah, that Umm Habibah daughter of Jahsh had a prolonged flow of blood. The Prophet (ﷺ) commanded her to abandon prayer for the period of her menses. She then should take a bath, and offer prayer. Abu Dawud said: Qatadah did not hear anything from 'Urwah. 2 And Ibn 'Uyainah added in the tradition narrated by al-Zuhri from 'Umrah on the authority of 'Aishah. Umm Habibah had a prolonged flow of blood. She asked the Prophet (ﷺ). He commanded her to abandon prayer during her menstrual period. Abu Dawud said: This is a misunderstanding on the part of Ibn 'Uyainah. This is not found in the tradition reported by the transmitter from al-Zuhri except that mentioned by Suhail b. Abu Salih. Al-Humaidi also narrated this tradition from Ibn 'Uyainah, but he did not mention the words "she should abandon prayer during her menstrual period."1 Qumair daughter of Masruq reported on the authority of 'Aishah: The woman who has prolonged flow of blood should abandon prayer during her menstrual period.3 'Abd al-Rahman b. al-Qasim reported on the authority of his father: The Prophet (ﷺ) commanded her to abandon prayers equal (to the length of time) that she has her (usual) menses.2 Abu Bishr Ja'far b. Abi Wahshiyyah reported on the authority of 'Ikrimah from the Prophet (ﷺ) saying: Umm Habibah daughter of Jahsh had a prolonged flow of blood; and he transmitted like that.1 Sharik narrated from Abu al-Yaqzan from 'Adi b. Thabit from his father on the authority of his grandfather from the Prophet (ﷺ): The woman suffering from a prolonged flow of blood should abandon prayer during her menstrual period ; she then should was herself and pray. 1 Al-'Ala b. al-Musayyab reported from al-Hakam on the authority of Abu Ja'far, saying: Saudah had a prolonged flow of blood. The Prophet (ﷺ) commanded that when he menstruation was finished, she should take bath and pray.1 Sa'id b. Jubair reported from 'Ali and Ibn 'Abbas : A woman suffering from a prolonged flow of blood should refrain from prayers during her menstrual period.1 'Ammar, the freed slave of Banu Hashim and Talq b. Habib narrated in a similar way.1 Similarly, it was reported by Ma'qil al-Khath'ami from 'Ali4, al-Sha'bi also transmitted it in a similar manner from Qumair, the wife of Masruq, on the authority of 'Aishah.1 Abu Dawud said: Al-Hasan, Sa'id b. al-Musayyab, 'Ata, Makhul, Ibrahim, Salim and al-Qasim also hold that a woman suffering from a prolonged flow of blood should abandon prayer during her menstrual period. Abu Dawud said: Qatadah did not hear anything from 'Urwah.


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ বিন যুবাইর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
১/ পবিত্রতা (كتاب الطهارة )

পরিচ্ছেদঃ ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।

২৮৭. যুহায়ের ইবনু হারব ..... ইব্রাহীম থেকে তার চাচা ইমরানের সূত্রে এবং তিনি তাঁর মাতা হুম্‌না বিনতে জাহশ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমার খুব বেশী রক্তস্রাব হত তখন আমি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অবগত করাতে এবং তাঁর নিকট হতে সমাধান জানতে আসি। আমি তাকে আমার বোন যয়নব বিনতে জাহশের ঘরে পেয়ে জিজ্ঞাসা করি, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার খুব অধিক পরিমাণে ঋতুস্রাব হয়ে থাকে; এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? এই ঋতুস্রাব আমাকে নামায ও রোযা হতে বিরত রাখে। তিনি বলেন, আমি তোমাকে কুরসুফ্ (তুলা) ব্যবহ্যরের পরামর্শ দেই। কেননা তা রক্ত শোষণ করবে। তখন তিনি (মহিলা বলেন, এর পরিমাণ তা হতেও বেশী (কাজেই তুলা দ্বারা বন্ধ করা সম্ভব নয়)।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তবে তুমি এর উপর নেকড়া বাঁধবে। মহিলাটি বলেন, এর পরিমাণ তা থেকেও অধিক। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তা হলে এর উপর একটা কাপড় বেঁধে নিবে। মহিলাটি বলেন, এর পরিমাণ তার চাইতেও আধিক; বরং আমার রক্তস্রাব অত্যধিক পরিমাণে হয়ে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আমি তোমাকে দুইঢি কাজ সম্পাদনের জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। এর যে কোন একটি সম্পন্ন করলেই চলবে। কাজ সস্পাদন করতে তুমি সক্ষম কিনা তা জান।

তিনি বলেন, এটা শয়তানের চক্রান্ত কাজেই (১ম কাজ) প্রতি মাসে ছয় বা সাত দিনের জন্য তোমার হায়েযের নির্ধারিত দিন গণনা করবে। অতঃপর গোসল করবে এবং তুমি যখন বুঝতে পারবে যে, তুমি উল্লেখিত দিনণ্ডলি অতিক্রম করে পবিত্রতা অর্জন করেছ- তখন তুমি প্রত্যেক মাসের ২৩/২৪ দিন নিয়মিতভাবে নামায আদায় করবে এবং রোযা রাখবে।এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট। প্রত্যেক মাসে এরূপই করবে- যেরূপ অন্যান্য মহিলারা হায়েয হতে পবিত্রতা অর্জনের পর করে থাকে।

(২য় কাজ) যদি তোমার সামর্থ থাকে, তবে একই গোসলে ও আসরের নামায একত্রে আদায় করবে- এইরূপে যে, যুহয়ের শেষ সময়ে উক্ত নামায এবং আসরের প্রারম্ভিক সময়ে আসরের নামায পড়ে উভয় নামায একত্রে আদায় করবে। অতঃপর মাগরিবের নামায এর শেষ সময়ে এবং এশার নামায এর প্রথম সময়ে একই গোসলে পরর্যায়ক্রমে আদায় করবে এবং একবার গোসল করে ফজরের নামায আদায় করবে। বর্ণিত উপায়ে সম্ভব হলে, নিয়মিতভাবে নামায আদায় করবে এবং রোযা রাখবে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, এই কাজের মধ্যে আমার নিকট শেষোক্তটি পছন্দনীয়।

ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমর ইবনু ছাবিত থেকে আকীলের সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুমনা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, “এই দু’টি বিকল্প ব্যবস্থার মধ্যে শেষোক্তটি আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।” তিনি (ইবনু আকীল) এটাকে মহানাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেননি, বরং হুমনা (রাঃ) এর কথা হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আহমাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, হায়েয সস্পর্কিত বিষয়ে বর্ণিত ইবনু আকীলের হাদীছের উপর আমার মন আশ্বস্ত হতে পারছে না।

আবূ দাউদ (রহঃ) আরও বলেন, আমর ইবনু ছাবিত একজন রাফিযী, নিকৃষ্ট ব্যক্তি, কিন্তু হাদীছ বর্ণনার ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত। তবে ছাবিত ইবনুল মিকদাম বিশ্বস্ত রাবী। ইয়াহ্ইয়া ইবনু মুঈন থেকে এরূপ বর্ণিত আছে।

باب مَنْ قَالَ إِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ تَدَعُ الصَّلاَةَ

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَغَيْرُهُ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ عَمِّهِ، عِمْرَانَ بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أُمِّهِ، حَمْنَةَ بِنْتِ جَحْشٍ قَالَتْ كُنْتُ أُسْتَحَاضُ حَيْضَةً كَثِيرَةً شَدِيدَةً فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَسْتَفْتِيهِ وَأُخْبِرُهُ فَوَجَدْتُهُ فِي بَيْتِ أُخْتِي زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ حَيْضَةً كَثِيرَةً شَدِيدَةً فَمَا تَرَى فِيهَا قَدْ مَنَعَتْنِي الصَّلاَةَ وَالصَّوْمَ فَقَالَ ‏"‏ أَنْعَتُ لَكِ الْكُرْسُفَ فَإِنَّهُ يُذْهِبُ الدَّمَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ هُوَ أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَاتَّخِذِي ثَوْبًا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ هُوَ أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ إِنَّمَا أَثُجُّ ثَجًّا ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سَآمُرُكِ بِأَمْرَيْنِ أَيَّهُمَا فَعَلْتِ أَجْزَأَ عَنْكِ مِنَ الآخَرِ وَإِنْ قَوِيتِ عَلَيْهِمَا فَأَنْتِ أَعْلَمُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَهَا ‏"‏ إِنَّمَا هَذِهِ رَكْضَةٌ من رَكَضَاتِ الشَّيْطَانِ فَتَحَيَّضِي سِتَّةَ أَيَّامٍ أَوْ سَبْعَةَ أَيَّامٍ فِي عِلْمِ اللَّهِ ثُمَّ اغْتَسِلِي حَتَّى إِذَا رَأَيْتِ أَنَّكِ قَدْ طَهُرْتِ وَاسْتَنْقَأْتِ فَصَلِّي ثَلاَثًا وَعِشْرِينَ لَيْلَةً أَوْ أَرْبَعًا وَعِشْرِينَ لَيْلَةً وَأَيَّامَهَا وَصُومِي فَإِنَّ ذَلِكَ يُجْزِئُكِ وَكَذَلِكَ فَافْعَلِي فِي كُلِّ شَهْرٍ كَمَا تَحِيضُ النِّسَاءُ وَكَمَا يَطْهُرْنَ مِيقَاتَ حَيْضِهِنَّ وَطُهْرِهِنَّ وَإِنْ قَوِيتِ عَلَى أَنْ تُؤَخِّرِي الظُّهْرَ وَتُعَجِّلِي الْعَصْرَ فَتَغْتَسِلِينَ وَتَجْمَعِينَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَتُؤَخِّرِينَ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلِينَ الْعِشَاءَ ثُمَّ تَغْتَسِلِينَ وَتَجْمَعِينَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ فَافْعَلِي وَتَغْتَسِلِينَ مَعَ الْفَجْرِ فَافْعَلِي وَصُومِي إِنْ قَدَرْتِ عَلَى ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَهَذَا أَعْجَبُ الأَمْرَيْنِ إِلَىَّ ‏"‏ ‏.1
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ عَمْرُو بْنُ ثَابِتٍ عَنِ ابْنِ عَقِيلٍ قَالَ فَقَالَتْ حَمْنَةُ فَقُلْتُ هَذَا أَعْجَبُ الأَمْرَيْنِ إِلَىَّ ‏.‏2 لَمْ يَجْعَلْهُ مِنْ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم جَعَلَهُ كَلاَمَ حَمْنَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَعَمْرُو بْنُ ثَابِتٍ رَافِضِيٌّ رَجُلُ سَوْءٍ وَلَكِنَّهُ كَانَ صَدُوقًا فِي الْحَدِيثِ وَثَابِتُ بْنُ الْمِقْدَامِ رَجُلٌ ثِقَةٌ وَذَكَرَهُ عَنْ يَحْيَى بْنِ مَعِينٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ سَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ حَدِيثُ ابْنِ عَقِيلٍ فِي نَفْسِي مِنْهُ شَىْءٌ ‏.‏

1: حسن
2: ضعيف (الألباني


Narrated Hamnah daughter of Jahsh: Hamnah said my menstruation was great in quantity and severe. So I came to the Messenger of Allah (ﷺ) for a decision and told him. I found him in the house of my sister, Zaynab, daughter of Jahsh. I said: Messenger of Allah, I am a woman who menstruates in great quantity and it is severe, so what do you think about it? It has prevented me from praying and fasting. He said: I suggest that you should use cotton, for it absorbs the blood. She replied: It is too copious for that. He said: Then take a cloth. She replied: It is too copious for that, for my blood keeps flowing. The Messenger of Allah (ﷺ) said: I shall give you two commands; whichever of them you follow, that will be sufficient for you without the other, but you know best whether you are strong enough to follow both of them. He added: This is a stroke of the Devil, so observe your menses for six or seven days, Allah alone knows which it should be; then wash. And when you see that you are purified and quite clean, pray during twenty-three or twenty-four days and nights and fast, for that will be enough for you, and do so every month, just as women menstruate and are purified at the time of their menstruation and their purification. But if you are strong enough to delay the noon (Zuhr) prayer and advance the afternoon ('Asr) prayer, to wash, and then combine the noon and the afternoon prayer; to delay the sunset prayer and advance the night prayer, to wash, and then combine the two prayers, do so: and to wash at dawn, do so: and fast if you are able to do so if possible. The Messenger of Allah (ﷺ) said: Of the two commands this is more to my liking.1 Abu Dawud said: 'Amr b. Thabit narrated from Ibn 'Aqil: Hamnah said: Of the two commands this is the one which is more to my liking.2 In this version these words were not quoted as the statement of the Prophet (ﷺ); it gives it as a statement of Hamnah. Abu Dawud said: 'Amr b. Thabit was a Rafidi. This has been said by Yahya b. Ma'in. Abu Dawud said: I heard Ahmad (b. Hanbal) say: I am doubtful about the tradition transmitted by Ibn 'Aqil. Grade : 1: Hasan 2: Da'if (Al-Albani)


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
১/ পবিত্রতা (كتاب الطهارة )

পরিচ্ছেদঃ ১১৩. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের হায়েযান্তে পবিত্রতা (গোসল) অর্জন সম্পর্কে।

৩০০. আহমাদ ইবনু সিনান .... আয়িশা (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীছের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আদী ইবনু ছাবেত, আমাশ ও আইউবের হাদীছটি দুর্বল। আয়িশা (রাঃ) হতে অন্য একটি বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের প্রত্যেক নামাযের পূর্বে গোসল করতে হবে। অপর এক বর্ণনায় আছে, প্রত্যেক নামাযের সময় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে। অপর এক বর্ণনায় আছে, ইস্তেহাযাগ্রস্থ মহিলাদের প্রত্যেহ একবার গোসল করতে হবে।

হিশাম ইবনু উরওয়া (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের ব্যাপারে বর্ণনা করেছেন যে, তাদের প্রত্যেক নামাযের পূর্বে উযূ করতে হবে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) এর বর্ণনা মতে এই হাদীছের সনদ দুর্বল।

باب مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مَنْ طُهْرٍ إِلَى طُهْرٍ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ الْقَطَّانُ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، عَنْ أَيُّوبَ أَبِي الْعَلاَءِ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ، عَنِ امْرَأَةِ، مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدِيثُ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ وَالأَعْمَشِ عَنْ حَبِيبٍ وَأَيُّوبَ أَبِي الْعَلاَءِ كُلُّهَا ضَعِيفَةٌ لاَ تَصِحُّ وَدَلَّ عَلَى ضَعْفِ حَدِيثِ الأَعْمَشِ عَنْ حَبِيبٍ هَذَا الْحَدِيثُ أَوْقَفَهُ حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنِ الأَعْمَشِ وَأَنْكَرَ حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ أَنْ يَكُونَ حَدِيثُ حَبِيبٍ مَرْفُوعًا وَأَوْقَفَهُ أَيْضًا أَسْبَاطٌ عَنِ الأَعْمَشِ مَوْقُوفٌ عَنْ عَائِشَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ ابْنُ دَاوُدَ عَنِ الأَعْمَشِ مَرْفُوعًا أَوَّلُهُ وَأَنْكَرَ أَنْ يَكُونَ فِيهِ الْوُضُوءُ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ وَدَلَّ عَلَى ضَعْفِ حَدِيثِ حَبِيبٍ هَذَا أَنَّ رِوَايَةَ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏ فِي حَدِيثِ الْمُسْتَحَاضَةِ وَرَوَى أَبُو الْيَقْظَانِ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - وَعَمَّارٌ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَرَوَى عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مَيْسَرَةَ وَبَيَانٌ وَالْمُغِيرَةُ وَفِرَاسٌ وَمُجَالِدٌ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ حَدِيثِ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ ‏"‏ تَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلاَةٍ ‏"‏ ‏.‏ وَرِوَايَةُ دَاوُدَ وَعَاصِمٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ ‏"‏ تَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ مَرَّةً ‏"‏ ‏.‏ وَرَوَى هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ الْمُسْتَحَاضَةُ تَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلاَةٍ ‏.‏ وَهَذِهِ الأَحَادِيثُ كُلُّهَا ضَعِيفَةٌ إِلاَّ حَدِيثَ قَمِيرَ وَحَدِيثَ عَمَّارٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ وَحَدِيثَ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ وَالْمَعْرُوفُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ الْغُسْلُ ‏.‏

(حكم : رواية ابن شبرمة عن امرأة مسروق عن عائشة) ضعيف، (رواية عبد الملك بن ميسرة وبيان والمغيرة ومجالد عن الشعبي عن قمير عن عائشة) صحيح، (رواية داود وعاصم عن الشعبي عن قمير عن عائشة) صحيح، (رواية هشام بن عروة عن أبيه) صحيح (الألباني


This tradition has also been narrated by 'Aishah through a different chain of transmitters. Abu Dawud said: All the traditions (on this subject) transmitted by 'Adi b. Thabit and A'mash on the authority of Habib and Ayyub al-'Ala, all of them are weak; none of them is sound. This tradition indicates the tradition reported by al-A'mash a a statement of Companion, i.e. 'Aishah. Hafs b. Ghayath has rejected the tradition transmitted by Habib as the statement (of the Prophet). And Asbat also reported it as a statement of 'Aishah. Abu Dawud said: Ibn Dawud has narrated the first part of this tradition as a statement (of the Prophet), and denied that there was any mention of performing ablution for every prayer. The weakness of the tradition reported by Habib is also indicated by the fact that the version transmuted by al-Zuhri from 'Urwah on the authority of 'Aishah says that she used to wash herself for every prayer; (these words occur) in the tradition about the woman who has a flow of blood. This tradition has been reported by Abu al-Yaqzan from 'Adi b. Thabit from his father from 'Ali, and narrated by 'Ammar, the freed salve of Banu Hashim, from Ibn 'Abbas, and transmitted by 'Abd al-Malik b. Maisarah, Bayan, al-Mughirah, Firas, on the authority of al-Sha'bi, from Qumair from 'Aishah, stating: You should perform ablution for every prayer. The version transmitted by Dawud, and 'Asim from al-Sha'bi from Qumair from 'Aishah has the words: She should take bath only once every day. The version reported by Hisham b. 'Urwah from his father has the words: The woman having a flow of blood should perform ablution for every prayer. All these traditions are weak except the tradition reported by Qumair and the tradition reported by 'Ammar, the freed slave of Banu Hashim, and the tradition narrated by Hisham b. 'Urwah on the authority of his father. What is commonly known from Ibn 'Abbas is bathing (for every prayer).


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
১/ পবিত্রতা (كتاب الطهارة )

পরিচ্ছেদঃ ১১৪. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলা এক যুহর থেকে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত একবার গোসল করবে।

৩০১. আল-কানাবী ....... আল-কাকা এবং যায়েদ ইবনু আসলাম (রহঃ) উভয়ই সুমায়্যিকে সাঈদ ইবনুল মূসায়্যাবের নিকট ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের গোসলের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে প্রেরণ করেন। জবাবে তিনি বলেন, তাকে দৈনিক এক যুহর থেকে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত একবার গোসল করতে হবে (অর্থাৎ প্রত্যহ দুপুরের সময়)। তাকে প্রত্যেক নামাযের জন্য উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে। ইস্তেহাযার সময় অধিক রক্তস্রাব হলে স্ত্রী অংগ নেকড়া দ্বারা মজবুত করে বেঁধে নিতে হবে।

ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) এবং আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের প্রত্যহ দুপুরের সময় এক যুহর থেকে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত একবার গোসল করতে হবে। আয়িশা (রাঃ) হতেও অন্য সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে সেই বর্ণনায় “প্রত্যহ” শব্দটির উল্লেখ দেখা যায়।

রাবী মালিক (রহঃ) বলেন, ইবনুল মূসায়্যাবের হাদীছে আমার ধারণা মতে ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ এর পরিবর্তে طُهْرٍ إِلَى طُهْرٍ বাক্যটি হবে। আব্দুর রহমান ইবনু ইয়ারবু এর বর্ণনায় طُهْرٍ إِلَى طُهْرٍ বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর লোকেরা তাতে ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ পরিবর্তন করেছে।

باب مَنْ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَغْتَسِلُ مَنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ أَنَّ الْقَعْقَاعَ، وَزَيْدَ بْنَ أَسْلَمَ، أَرْسَلاَهُ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ يَسْأَلُهُ كَيْفَ تَغْتَسِلُ الْمُسْتَحَاضَةُ فَقَالَ تَغْتَسِلُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ وَتَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلاَةٍ فَإِنْ غَلَبَهَا الدَّمُ اسْتَثْفَرَتْ بِثَوْبٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرُوِيَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ تَغْتَسِلُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ ‏.‏ وَكَذَلِكَ رَوَى دَاوُدُ وَعَاصِمٌ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنِ امْرَأَتِهِ عَنْ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ إِلاَّ أَنَّ دَاوُدَ قَالَ كُلَّ يَوْمٍ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ عَاصِمٍ عِنْدَ الظُّهْرِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَالْحَسَنِ وَعَطَاءٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ مَالِكٌ إِنِّي لأَظُنُّ حَدِيثَ ابْنِ الْمُسَيَّبِ مِنْ طُهْرٍ إِلَى طُهْرٍ ‏.‏ فَقَلَبَهَا النَّاسُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ وَلَكِنَّ الْوَهَمَ دَخَلَ فِيهِ وَرَوَاهُ الْمِسْوَرُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَرْبُوعٍ قَالَ فِيهِ مِنْ طُهْرٍ إِلَى طُهْرٍ ‏.‏ فَقَلَبَهَا النَّاسُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ ‏.‏

(حكم : ما روي عن سعيد بن المسيب) صحيح، (ما روي عن ابن عمر وأنس بن مالك) صحيح عن أنس، (ما روي عن عائشة من طريق داود) صحيح - مضى قريبا، (ما روي عن عائشة من طريق عاصم والذي هو قول سالم بن عبد الله والحسن وعطاء) صحيح عن الحسن، (رواية المسور بن عبد الملك بن سعيد بن عبد الرحمن بن يربوع) ضعيف (الألباني


Sumayy, the freed slave of Abu Bakr, says that al-Qa'qa and Zaid b. Aslam sent him to Sa'id b. al-Musayyab to ask him as to how the woman who has flow of blood should wash. He replied: She should wash at the time of the Zuhr prayer (the bath will be valid one Zuhr prayer to the next Zuhr prayer); and should perform ablution for every prayer. If there is excessive bleed gin, she should tie a cloth over her private part. Abu Dawud said: It has been narrated by Ibn 'Umar and Anas b. Malik that she should take bath at the time of the Zuhr prayer (being valid) until the next Zuhr prayer. This tradition has also been transmuted by Dawud and 'Asim from al-Sha'bi from his wife from Qumair on the authority of 'Aishah, except that the version of Dawud has the words: "every day," and the version of 'Asim has the words: "at the time of Zuhr prayer". This is the view of Salim b. 'Abd Allah, al-Hassan, and 'Ata. Abu Dawud said: Malik said: I think that the tradition narrated by Ibn a;-Musayyab must contain the words: "from one purification to another". But it was misunderstood and the people changed it to: "for one Zuhr prayer to another". It has also been reported by Miswar b. 'Abd al-Malik b. Sa'id b. 'Abd al-Rahman b. Yarbu', saying: "from one purification to another," but the people changed it to: "from one zuhr to another."


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
১/ পবিত্রতা (كتاب الطهارة )

পরিচ্ছেদঃ ১০৫. কাতারের সামনে ইমামের দাঁড়ানোর স্থান।

৬৮১. জাফর ইবনু মূসাফির .....  আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ইমামকে কাতারের সামনে মধ্যবর্তী স্থানে দাঁড় করাও এবং কাঁতারের মধ্যেকার ফাঁক বন্ধ কর।

باب مُقَامِ الإِمَامِ مِنَ الصَّفِّ

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ بَشِيرِ بْنِ خَلاَّدٍ، عَنْ أُمِّهِ، أَنَّهَا دَخَلَتْ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ فَسَمِعَتْهُ يَقُولُ حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ وَسِّطُوا الإِمَامَ وَسُدُّوا الْخَلَلَ ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuHurayrah: The Prophet (ﷺ) said: Have the imam in the centre and close up the gaps.


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২/ সালাত (নামায) (كتاب الصلاة)

পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।

৭৯২. মূসা ইবনু ইসমাঈল ...... হাযম ইবনু উবাই ইবনু কাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) এর নিকট আসেন। তখন তিনি মাগরিবের নামাযে ইমামতি করছিলেন। রাবী এ হাদীছে বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুআয (রাঃ)-কে ডেকে বলেনঃ হে মুআয! তুমি ফিতনা সৃষ্টিকারী হয়ো না। জেনে রাখ! তোমার পেছনে অক্ষম, বৃদ্ধ, মুসাফির ও কাজে ব্যস্ত লোকেরা নামায পড়ে থাকে।

باب فِي تَخْفِيفِ الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا طَالِبُ بْنُ حَبِيبٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ جَابِرٍ، يُحَدِّثُ عَنْ حَزْمِ بْنِ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّهُ أَتَى مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ وَهُوَ يُصَلِّي بِقَوْمٍ صَلاَةَ الْمَغْرِبِ فِي هَذَا الْخَبَرِ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَا مُعَاذُ لاَ تَكُنْ فَتَّانًا فَإِنَّهُ يُصَلِّي وَرَاءَكَ الْكَبِيرُ وَالضَّعِيفُ وَذُو الْحَاجَةِ وَالْمُسَافِرُ ‏"‏ ‏.‏


Hazm b. Ubayy b. Ka’b said that he came to mu’adh b. jabal who was leading the people in the sunset prayer. According to this version, the Messenger of Allah (ﷺ) said: O mu’adh, do not become a trouble , because the aged, the weak, the needy and the traveler pray behind you.


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২/ সালাত (নামায) (كتاب الصلاة)
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 338 পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 33 34 Next »