আত্বা আল খুরাসানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 3 টি

পরিচ্ছেদঃ ৭৬. পুরুষ যা স্বপ্নে দেখে, যদি স্ত্রীলোক তা স্বপ্নে দেখে (পূরুষের মত স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে) এ সম্পর্কে

৭৮৫. আতা আল খুরাসানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহ. কে বলতে শুনেছি: আমার খালা খাওলাহ বিনতে হাকীম আল সুলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ‘ইহতিলাম’ (স্বপ্নদোষ) হওয়া স্ত্রীলোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি তাকে গোসল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।[1]

 

بَابٌ: فِي الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ يَقُولُ سَأَلَتْ خَالَتِي خَوْلَةُ بِنْتُ حَكِيمٍ الْسُلَمِيَّةُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْمَرْأَةِ تَحْتَلِمُ فَأَمَرَهَا أَنْ تَغْتَسِلَ

إسناده صحيح


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আত্বা আল খুরাসানী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - করমর্দন ও আলিঙ্গন

৪৬৯৩-[১৭] ‘আত্বা আল খুরাসানী (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর করমর্দন করো, এতে অন্তরের হিংসা ও বিদ্বেষ অন্তর্হিত হয় এবং পরস্পরের মধ্যে উপঢৌকন বিনিময় করো, এতে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা বৃদ্ধি পায় এবং শত্রুতা দূরীভূত হয়। [ইমাম মালিক (রহিমাহুল্লাহ) এ হাদীসটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন][1]

 

وَعَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِىِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ:تَصَافَحُوْا يَذْهَبِ الْغِلُّ وَتَهَادَوْا تَحَابُّوا وَتَذْهَبِ الشَّحْنَاءُ رَوَاهُ مَالِكٌ مُرْسَلًا

ব্যাখ্যাঃ (الشَّحْنَاءُ) شين বর্ণে ‘যবর’ যোগে। এর অর্থ অন্তরভর্তি শত্রুতা। তিরমিযীতে রয়েছে, তোমরা পরস্পরে হাদিয়া (উপঢৌকন) আদান-প্রদান কর। তাহলে অন্তরের বিদ্বেষ দূরীভূত হবে। কোন প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীর বকরীর খুর প্রদান করাকে তুচ্ছজ্ঞান না করে।

অন্য এক বর্ণনায় আছে, তোমরা পরস্পরের খাদ্য হাদিয়া লেন-দেন করো। কারণ এতে তোমাদের রিজিক প্রশস্ত হয়। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আত্বা আল খুরাসানী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২০৯. জুমু‘আহর সলাতের ফাযীলাত

১০৫১। ‘আত্বা আল-খুরাসানী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি তার স্ত্রী উম্মু ‘উসমানের মুক্তদাস হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, একদা আমি ‘আলী (রাঃ)-কে কুফার মাসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি- জুমু‘আহর দিন এলে সকালবেলা শয়তানেরা তাদের ঢাল নিয়ে বাজারে ঘুরে বেড়ায় এবং মানুষকে অনর্থক কাজে আটকে রেখে জুমু‘আহয় যেতে বিলম্ব করায়। আর ফিরিশতারাও সকাল সকালবেলা মাসজিদের দরজায় এসে বসে থাকেন এবং ইমামের খুত্ববাহ আরম্ভ না করা পর্যন্ত লিখতে থাকে। অমুক ব্যক্তি প্রথম ঘন্টায় এসেছে, অমুক ব্যক্তি দ্বিতীয় ঘন্টায় এসেছে। কেউ যদি এমন স্থানে বসে যেখান থেকে খুত্ববাহ শুনতে পায় এবং ইমামকেও দেখতে পায়, এমতাবস্থায় সে কোন অনর্থক কাজ না করে চুপ থেকে (খুত্ববাহ শুনলে) সে দ্বিগুণ সওয়াব পাবে।

আর যদি সে যদি দুূরে অবস্থান করে এবং এমন জায়গায় বসে যেখান থেকে খুত্ববাহ শুনতে পায় না, কিন্তু নীরব থাকে ও অনর্থক কিছু না করে, তাহলে সে এক গুণ সওয়াব লাভ করবে। আর যদি সে এমন স্থানে বসে যেখান থেকে খুত্ববাহ শুনতে পায় এবং ইমামকেও দেখতে পায় কিন্তু সে চুপ না থাকে না এবং অনর্থক কাজ করে তাহলে তার গুনাহ হবে। আর যে ব্যক্তি জুমু‘আহর দিন তার সাথীকে বলে, চুপ করো, সেও অনর্থক কাজ করলো। যে ব্যক্তি অনর্থক কাজে লিপ্ত হয়, সে জুমু‘আহর কোন সওয়াব পায় না। অতঃপর সবশেষে ‘আলী (রাঃ) বলেন, একথাগুলো আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি।[1]

দুর্বল।

باب فَضْلِ الْجُمُعَةِ

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عِيسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَطَاءٌ الْخُرَاسَانِيُّ، عَنْ مَوْلَى، امْرَأَتِهِ أُمِّ عُثْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا، - رضى الله عنه - عَلَى مِنْبَرِ الْكُوفَةِ يَقُولُ ‏"‏ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ غَدَتِ الشَّيَاطِينُ بِرَايَاتِهَا إِلَى الأَسْوَاقِ فَيَرْمُونَ النَّاسَ بِالتَّرَابِيثِ أَوِ الرَّبَائِثِ وَيُثَبِّطُونَهُمْ عَنِ الْجُمُعَةِ وَتَغْدُو الْمَلَائِكَةُ فَيَجْلِسُونَ عَلَى أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ فَيَكْتُبُونَ الرَّجُلَ مِنْ سَاعَةٍ وَالرَّجُلَ مِنْ سَاعَتَيْنِ حَتَّى يَخْرُجَ الإِمَامُ فَإِذَا جَلَسَ الرَّجُلُ مَجْلِسًا يَسْتَمْكِنُ فِيهِ مِنَ الاِسْتِمَاعِ وَالنَّظَرِ فَأَنْصَتَ وَلَمْ يَلْغُ كَانَ لَهُ كِفْلَانِ مِنْ أَجْرٍ فَإِنْ نَأَى وَجَلَسَ حَيْثُ لَا يَسْمَعُ فَأَنْصَتَ وَلَمْ يَلْغُ كَانَ لَهُ كِفْلٌ مِنْ أَجْرٍ وَإِنْ جَلَسَ مَجْلِسًا يَسْتَمْكِنُ فِيهِ مِنَ الاِسْتِمَاعِ وَالنَّظَرِ فَلَغَا وَلَمْ يُنْصِتْ كَانَ لَهُ كِفْلٌ مِنْ وِزْرٍ وَمَنْ قَالَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ لِصَاحِبِهِ صَهْ ‏.‏ فَقَدْ لَغَا وَمَنْ لَغَا فَلَيْسَ لَهُ فِي جُمُعَتِهِ تِلْكَ شَىْءٌ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَقُولُ فِي آخِرِ ذَلِكَ سَمِعْتُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ذَلِكَ ‏.‏

- ضعيف

قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ ابْنِ جَابِرٍ قَالَ بِالرَّبَائِثِ وَقَالَ مَوْلَى امْرَأَتِهِ أُمِّ عُثْمَانَ بْنِ عَطَاءٍ


Narrated Ali ibn AbuTalib: Ali said on the pulpit in the mosque of Kufah: When Friday comes, the devils go to the markets with their flags, and involve people in their needs and prevent them from the Friday prayer. The angels come early in the morning, sit at the door of the mosque, and record that so-and-so came at the first hour, and so-and-so came at the second hour until the imam comes out (for preaching). When a man sits in a place where he can listen (to the sermon) and look (at the imam), where he remains silent and does not interrupt, he will receive a double reward. If he stays away, sits in a place where he cannot listen (to the sermon), silent, and does not interrupt, he will receive the reward only once. If he sits in a place where he can listen (to the sermon) and look (at the imam), and he does not remain silent, he will have the burden of it. If anyone says to his companion sitting besides him to be silent (while the imam is preaching), he is guilty of idle talk. Anyone who interrupts (during the sermon) will receive nothing (no reward) on that Friday. Then he (the narrator) says in the end of this tradition: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say so. Abu Dawud said: This tradition has been narrated by al-Walid b. Muslim from Ibn Jabir. This version adds: bi'l-raba'ith (instead of al-raba'ith, needs preventing the people from prayer). Further, this adds: Freed slave of his wife Umm 'Uthman b. 'Ata.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আত্বা আল খুরাসানী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 3 of 3