সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০০. আহমদ ইব্‌ন মুহাম্মদ (রহঃ) .... ইকরামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আলী (রাঃ) ঐ সব লোকদের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন, যারা মুরতাদ হয়েছিল। এ সংবাদ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট পৌছলে, তিনি বলেনঃ যদি আমি তখন সেখানে উপস্থিত থাকতাম, তবে আমি তাদের আগুনে জ্বালাতে দিতাম না। কেননা, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোময়া আল্লাহ্‌ প্রদত্ত শাস্তির (বস্তু) দ্বারা কাউকে শাস্তি দেবে না। অবশ্য আমি তাদেরকে আল্লাহ্‌র রাসূলের নির্দেশ মত হত্যা করতাম। কেননা, তিনি বলেছেনঃ যদি কেউ দীন পরিত্যাগ করে মুরতাদ হয়ে যায়, তবে তোমরা তাকে হত্যা করবে। আলী (রাঃ) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর এ নির্দেশ শুনে বলেনঃ ওয়াহ্‌! ওয়াহ্‌! ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) সত্য বলেহছেন। আর ইহাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশ।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، أَنَّ عَلِيًّا، عَلَيْهِ السَّلاَمُ أَحْرَقَ نَاسًا ارْتَدُّوا عَنِ الإِسْلاَمِ فَبَلَغَ ذَلِكَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ لَمْ أَكُنْ لأَحْرِقَهُمْ بِالنَّارِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تُعَذِّبُوا بِعَذَابِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ وَكُنْتُ قَاتِلَهُمْ بِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَنْ بَدَّلَ دِينَهُ فَاقْتُلُوهُ ‏"‏ ‏.‏ فَبَلَغَ ذَلِكَ عَلِيًّا عَلَيْهِ السَّلاَمُ فَقَالَ وَيْحَ ابْنَ عَبَّاسٍ ‏.‏

حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا أيوب، عن عكرمة، أن عليا، عليه السلام أحرق ناسا ارتدوا عن الإسلام فبلغ ذلك ابن عباس فقال لم أكن لأحرقهم بالنار إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا تعذبوا بعذاب الله ‏"‏ ‏.‏ وكنت قاتلهم بقول رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من بدل دينه فاقتلوه ‏"‏ ‏.‏ فبلغ ذلك عليا عليه السلام فقال ويح ابن عباس ‏.‏


‘Ikrimah said:
‘Ali burned some people who retreated from Islam. When Ibn ‘Abbas was informed of it, he said: If it had been I, I would not have burned them, for the Messenger of Allah (ﷺ) said: Do not inflict Allah’s punishment on anyone, but would have had killed them on account of the statement of the Messenger of Allah (ﷺ). The Apostle said: Kill those who change their religion. When ‘Ali was informed about it he said: How truly Ibn ‘Abbas said!


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইকরিমা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০১. আমর ইব্‌ন আওন (রহঃ) .... আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ মুসলিমের রক্ত হালাল নয়, যে এরূপ সাক্ষ্য দেয় যে, “আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহ্‌র রাসূল”। তবে তিনটি কারণে কোন মুসলিমের রক্ত প্রবাহিত করা হালালঃ (১) যদি কোন বিবাহিত ব্যক্তি যিনা করে; (২) যদি কেউ কাউকে হত্যা করে, তবে এর বিনিময়ে হত্যা এবং (৩) যে ব্যক্তি দীন ত্যাগ করে মুরতাদ হয়ে মুসলিমের জামায়াত থেকে বেরিয়ে যায়।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ دَمُ رَجُلٍ مُسْلِمٍ يَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلاَّ بِإِحْدَى ثَلاَثٍ الثَّيِّبُ الزَّانِي وَالنَّفْسُ بِالنَّفْسِ وَالتَّارِكُ لِدِينِهِ الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَةِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يحل دم رجل مسلم يشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله إلا بإحدى ثلاث الثيب الزاني والنفس بالنفس والتارك لدينه المفارق للجماعة ‏"‏ ‏.‏


`Abd Allah (b. Mas`ud) reported the Messenger of Allah (peace be upon him) as saying:
The blood of a Muslim man who testifies that there is no god but Allah and that I am the Messenger of Allah should not be lawfully shed but only for one of three reasons: married fornicator, soul for soul, and one who deserts his religion separating himself from the community.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০২. মুহাম্মাদ ইব্‌ন সিনান (রহঃ) .... আইশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিমের রক্ত হালাল নয়, যে এরূপ সাক্ষ্য প্রদান করে যে, “আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ্‌র রাসূল, তবে তিনটি মধ্যে যে কোন একটি কারণে তার রক্ত প্রবাহিত করা হালালঃ (১) যদি কেউ বিবাহ করার পর যিনা করে, তবে তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হবে; (২) যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য বের হবে, তাকে হত্যা করা হবে, অথবা শুলী দণ্ড দেওয়া হবে, অথবা দেশ থেকে বের করা হবে এবং (৩) যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করবে, তার জীবনের বিনিময়ে তাকে হত্যা করা হবে।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ يَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ إِلاَّ بِإِحْدَى ثَلاَثٍ رَجُلٌ زَنَى بَعْدَ إِحْصَانٍ فَإِنَّهُ يُرْجَمُ وَرَجُلٌ خَرَجَ مُحَارِبًا لِلَّهِ وَرَسُولِهِ فَإِنَّهُ يُقْتَلُ أَوْ يُصْلَبُ أَوْ يُنْفَى مِنَ الأَرْضِ أَوْ يَقْتُلُ نَفْسًا فَيُقْتَلُ بِهَا ‏"‏ ‏.‏

حدثنا محمد بن سنان الباهلي، حدثنا إبراهيم بن طهمان، عن عبد العزيز بن رفيع، عن عبيد بن عمير، عن عائشة، رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يحل دم امرئ مسلم يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله إلا بإحدى ثلاث رجل زنى بعد إحصان فإنه يرجم ورجل خرج محاربا لله ورسوله فإنه يقتل أو يصلب أو ينفى من الأرض أو يقتل نفسا فيقتل بها ‏"‏ ‏.‏


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Messenger of Allah (ﷺ) Said: The blood of a Muslim man who testifies that there is no god but Allah and that Muhammad is Allah's Apostle should not lawfully be shed except only for one of three reasons: a man who committed fornication after marriage, in which case he should be stoned; one who goes forth to fight with Allah and His Apostle, in which case he should be killed or crucified or exiled from the land; or one who commits murder for which he is killed.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০৩. আহমদ ইব্‌ন হাম্বাল (রহঃ) .... আবূ বুর্‌দা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবু মূসা আশআরী (রাঃ) বলেনঃ একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আগমন করি, যখন আমার সাথে আশ্‌আর গোত্রের দুই ব্যক্তি ছিল। তাদের একজন আমার ডানদিকে এবং অপরজন বামদিকে ছিল। তারা উভয়ই কর্মচারী নিযুক্ত হতে চাইলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ করে থাকেন। এরপর তিনি বলেনঃ হে আবূ মূসা, অথবা হে আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন কায়স! তুমি কি বল? তখন আমি বলিঃ ঐ জাত-পাকের কসম! যিনি আপনাকে সত্য নবী হিসাবে প্রেরণ করেছেন। এই দুই ব্যক্তি তাদের মনের গোপন ইচ্ছা আমাকে অবহিত করেনি এবং আমি জানতাম না যে, তারা চকরীর জন্য দরখাস্ত করবে।

আবূ মূসা (রাঃ) বলেনঃ সে সময় আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিস্‌ওয়াকের দিকে তাকাচ্ছিলাম, যা তাঁর ঠোঁটের নীচে ছিল এবং এ কারণে তাঁর ঠোঁটের উপরের দিকে উঠানো ছিল। এরপর তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজ শাসনভার পেতে চায়, আমি তাকে শাসক হিসাবে নিয়োগ করি না। কাজেই হে আবূ মূসা, অথবা হে আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন কায়স! তুমিই শাসনভার গ্রহণ কর। এরপর তিনি আমাকে ইয়ামনের গভর্নর নিয়োগ করে প্রেরণ করেন। পরে তিনি মু’আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ)-কে ইয়ামনের শাসনকর্তা হিসাবে তার স্থলাভিষিক্ত করেন।

আবূ মূসা (রাঃ) বলেনঃ যখন মু’আয (রাঃ) তার কাছে উপস্থিত হন, তখন তিনি তাকে বসার জন্য অনুরোধ করেন এবং তার জন্য একটি বালিশ রেখে দেন। এ সময় মা’আয (রাঃ) তার নিকট বন্ধনযুক্ত অবস্থায় এক-ব্যক্তিকে দেখতে পান। তিনি জিজ্ঞাসা করেন এ ব্যক্তি কে? তখন আবূ মূসা (রাঃ) বলেনঃ এই ব্যক্তি আগে ইয়াহূদী ছিল, পরে সে ইসলাম কবূল করে, এরপর সে ঐ খারাপ ধর্মে প্রত্যাবর্তন করেছে। তখন মু’আয (রাঃ) বলেনঃ আমি ততক্ষণ বসবো না, যতক্ষণ না এই ব্যক্তিকে আল্লাহ্‌ ও রাসূলের নির্দেশ মত হত্যা করা হয়। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বলেনঃ হ্যাঁ, এরূপই হবে। আপনি বসুন।

তখন মু’আয (রাঃ) তিন বার এরূপ বলেনঃ আমি ততক্ষণ বসবো না, যতক্ষণ না এই ব্যক্তিকে আল্লাহ্‌ ও রাসূলের নির্দেশ মত হত্যা করা হয়। এরপর আবূ মূসা (রাঃ) তাকে হত্যার নির্দেশ দেন এবং তা কার্যকর হয়। পরে তাঁরা রাত্রি জাগরণ সম্পর্কে আলোচনা শুরু করেন। তখন তাঁদের একজন, সম্ভবতঃ মু’আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) বলেনঃ আমি রাতে ঘুমাই এবং উঠে সালাত ও আদায় করি; অথবা আমি রাতে উঠে সালাতও আদায় করি এবং ঘুমাইও। আর আমি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করার জন্য যেরূপ ছাওয়াবের আশা করি, ঐরূপ ছাওয়াব আমি ঘুমিয়ে থাকাবস্থায়ও আশা করি।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَمُسَدَّدٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، - قَالَ مُسَدَّدٌ - حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ هِلاَلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بُرْدَةَ، قَالَ قَالَ أَبُو مُوسَى أَقْبَلْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَعِي رَجُلاَنِ مِنَ الأَشْعَرِيِّينَ أَحَدُهُمَا عَنْ يَمِينِي وَالآخَرُ عَنْ يَسَارِي فَكِلاَهُمَا سَأَلَ الْعَمَلَ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سَاكِتٌ فَقَالَ ‏"‏ مَا تَقُولُ يَا أَبَا مُوسَى ‏"‏ ‏.‏ أَوْ ‏"‏ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أَطْلَعَانِي عَلَى مَا فِي أَنْفُسِهِمَا وَمَا شَعَرْتُ أَنَّهُمَا يَطْلُبَانِ الْعَمَلَ ‏.‏ قَالَ وَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى سِوَاكِهِ تَحْتَ شَفَتِهِ قَلَصَتْ قَالَ ‏"‏ لَنْ نَسْتَعْمِلَ - أَوْ لاَ نَسْتَعْمِلُ - عَلَى عَمَلِنَا مَنْ أَرَادَهُ وَلَكِنِ اذْهَبْ أَنْتَ يَا أَبَا مُوسَى أَوْ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ ‏"‏ ‏.‏ فَبَعَثَهُ عَلَى الْيَمَنِ ثُمَّ أَتْبَعَهُ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ قَالَ فَلَمَّا قَدِمَ عَلَيْهِ مُعَاذٌ قَالَ انْزِلْ ‏.‏ وَأَلْقَى لَهُ وِسَادَةً فَإِذَا رَجُلٌ عِنْدَهُ مُوثَقٌ قَالَ مَا هَذَا قَالَ هَذَا كَانَ يَهُودِيًّا فَأَسْلَمَ ثُمَّ رَاجَعَ دِينَهُ دِينَ السُّوءِ ‏.‏ قَالَ لاَ أَجْلِسُ حَتَّى يُقْتَلَ قَضَاءُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ‏.‏ قَالَ اجْلِسْ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ لاَ أَجْلِسُ حَتَّى يُقْتَلَ قَضَاءُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ‏.‏ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ فَأَمَرَ بِهِ فَقُتِلَ ثُمَّ تَذَاكَرَا قِيَامَ اللَّيْلِ فَقَالَ أَحَدُهُمَا مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ أَمَّا أَنَا فَأَنَامُ وَأَقُومُ - أَوْ أَقُومُ وَأَنَامُ - وَأَرْجُو فِي نَوْمَتِي مَا أَرْجُو فِي قَوْمَتِي ‏.‏

حدثنا أحمد بن حنبل، ومسدد، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، - قال مسدد - حدثنا قرة بن خالد، قال حدثنا حميد بن هلال، حدثنا أبو بردة، قال قال أبو موسى أقبلت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ومعي رجلان من الأشعريين أحدهما عن يميني والآخر عن يساري فكلاهما سأل العمل والنبي صلى الله عليه وسلم ساكت فقال ‏"‏ ما تقول يا أبا موسى ‏"‏ ‏.‏ أو ‏"‏ يا عبد الله بن قيس ‏"‏ ‏.‏ قلت والذي بعثك بالحق ما أطلعاني على ما في أنفسهما وما شعرت أنهما يطلبان العمل ‏.‏ قال وكأني أنظر إلى سواكه تحت شفته قلصت قال ‏"‏ لن نستعمل - أو لا نستعمل - على عملنا من أراده ولكن اذهب أنت يا أبا موسى أو يا عبد الله بن قيس ‏"‏ ‏.‏ فبعثه على اليمن ثم أتبعه معاذ بن جبل قال فلما قدم عليه معاذ قال انزل ‏.‏ وألقى له وسادة فإذا رجل عنده موثق قال ما هذا قال هذا كان يهوديا فأسلم ثم راجع دينه دين السوء ‏.‏ قال لا أجلس حتى يقتل قضاء الله ورسوله ‏.‏ قال اجلس نعم ‏.‏ قال لا أجلس حتى يقتل قضاء الله ورسوله ‏.‏ ثلاث مرات فأمر به فقتل ثم تذاكرا قيام الليل فقال أحدهما معاذ بن جبل أما أنا فأنام وأقوم - أو أقوم وأنام - وأرجو في نومتي ما أرجو في قومتي ‏.‏


Abu Burdah said on the authority of Abu Musa :
I went to the Prophet (ﷺ) while two men who were Ash’ arIs were with me. One of them was on my right and the other on my left side. Bothe of them asked him for employment. The prophet (ﷺ) was silent. He asked : What do you say Abu Musa, or ‘Abd Allah b. Qais (Abu Musa’s name)? I replied: By him who has sent you with truth, they did not inform me of what they had in their hearts, and I did not know that they would ask for an employment. He said : I have the scene before my eyes that he had his toothstick below his lip which receded. He (the prophet) said: We will never or will not put in charge of our work anyone who asks for it. But go, ye, Abu Musa, or ‘Abd Allah b. Qais. He then sent him as a Governor of the Yemen, After him he sent Muadh b. Jabal. When Muadh came to him, he said: come down , and he put a cushion for him. He saw that a man was chained with him. He asked : What is this? He replied: He was a Jew and he accepted Islam. He then converted to his religion, an evil religion. He said: I will not sit until he is killed according to the decision of Allah and his Apostle (ﷺ). He said: Yes, be seated. He said: I will not sit until he is killed according to the decision of Allah and his Apostle (peace be upon him). He said it three times. He then commanded for it and he was killed. Both of them then discussed the question of prayer and vigilance at night. One of them, probably Muadh, said : So far as I am concerned, I sleep and I keep vigilance: I keep vigilance and I sleep: I hope for the same reward for my sleep as for my vigilance.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০৪. হাসান ইব্‌ন আলী (রহঃ) .... আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি যখন ইয়ামনের শাসনকর্তা, তখন মু’আয (রাঃ) আমার নিকট আসেন। এ সময় একজন ইয়াহূদী মুসলিম হয়ে, পরে ইসলাম পরিত্যাগ করে। সে সময় মু’আয (রাঃ) সেখানে উপস্থিত হয়ে বলেনঃ যতক্ষণ না এ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়, ততক্ষণ আমি আমার বাহন থেকে অবতরণ করবো না। পরে তাকে হত্যা করা হয়। এই দুই জনের একজন বলেনঃ হত্যার পূর্বে তাকে তাওবা করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا الْحِمَّانِيُّ، - يَعْنِي عَبْدَ الْحَمِيدِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ - عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، وَبُرَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَدِمَ عَلَىَّ مُعَاذٌ وَأَنَا بِالْيَمَنِ، وَرَجُلٌ، كَانَ يَهُودِيًّا فَأَسْلَمَ فَارْتَدَّ عَنِ الإِسْلاَمِ، فَلَمَّا قَدِمَ مُعَاذٌ قَالَ لاَ أَنْزِلُ عَنْ دَابَّتِي حَتَّى يُقْتَلَ ‏.‏ فَقُتِلَ ‏.‏ قَالَ أَحَدُهُمَا وَكَانَ قَدِ اسْتُتِيبَ قَبْلَ ذَلِكَ ‏.‏

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا الحماني، - يعني عبد الحميد بن عبد الرحمن - عن طلحة بن يحيى، وبريد بن عبد الله بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قدم على معاذ وأنا باليمن، ورجل، كان يهوديا فأسلم فارتد عن الإسلام، فلما قدم معاذ قال لا أنزل عن دابتي حتى يقتل ‏.‏ فقتل ‏.‏ قال أحدهما وكان قد استتيب قبل ذلك ‏.‏


Narrated Mu'adh ibn Jabal:

AbuMusa said: Mu'adh came to me when I was in the Yemen. A man who was Jew embraced Islam and then retreated from Islam. When Mu'adh came, he said: I will not come down from my mount until he is killed. He was then killed. One of them said: He was asked to repent before that.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০৫. মুহাম্মাদ্‌ ইব্‌ন আলা (রহঃ) .... আবূ বুরদা (রহঃ) এ ঘটনা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেনঃ একদা আবূ মূসা (রাঃ)-এর নিকট জনৈক মুরতাদ ব্যক্তিকে হাযির করা হয়। তিনি তাকে প্রায় বিশদিন যাবৎ পুনরায় মুসলিম হওয়ার জন্য অনুরোধ করেতেন। পরে মু’আয (রাঃ)ও সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে দীনের দাওয়াত দেন। কিন্তু সে তা অস্বীকার করলে তাকে হত্যা করা হয়।

ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ আবদুল মালিক ইব্‌ন উমায়র (রহঃ), আবূ বুরদা (রহঃ)-এর নিকট যা বর্ণনা করেছেন, সেখানে তাওবার কথা উল্লেখ নেই।

রাবী ইব্‌ন ফুযায়ল-শায়বানী (রহঃ) হতে, তিনি সাঈদ ইব্‌ন আবূ বুরদা (রহঃ) হতে, তিনি তার পিতা হতে এবং তিনি আবূ মূসা (রাঃ) হতে যা বর্ণনা করেছেন, সেখানে তাওবার কথা উল্লেখ নেই।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ فَأُتِيَ أَبُو مُوسَى بِرَجُلٍ قَدِ ارْتَدَّ عَنِ الإِسْلاَمِ، فَدَعَاهُ عِشْرِينَ لَيْلَةً أَوْ قَرِيبًا مِنْهَا فَجَاءَ مُعَاذٌ فَدَعَاهُ فَأَبَى فَضُرِبَ عُنُقُهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ لَمْ يَذْكُرْ الاِسْتِتَابَةَ وَرَوَاهُ ابْنُ فُضَيْلٍ عَنِ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي مُوسَى وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ الاِسْتِتَابَةَ ‏.‏

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا حفص، حدثنا الشيباني، عن أبي بردة، بهذه القصة قال فأتي أبو موسى برجل قد ارتد عن الإسلام، فدعاه عشرين ليلة أو قريبا منها فجاء معاذ فدعاه فأبى فضرب عنقه ‏.‏ قال أبو داود ورواه عبد الملك بن عمير عن أبي بردة لم يذكر الاستتابة ورواه ابن فضيل عن الشيباني عن سعيد بن أبي بردة عن أبيه عن أبي موسى ولم يذكر فيه الاستتابة ‏.‏


Abu Burdah said:
A man who turned back from Islam was brought to Abu Musa. He invited him to repent for twenty days or about so. Muadh then came and invited him (to embrace Islam) but he refused. So he was beheaded.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০৬. ইব্‌ন মা’আয (রহঃ) .... কাসিম (রহঃ) হতে উপরোক্ত ঘটনা বর্ণিত হয়েছে যে, মু’আয (রাঃ) ততক্ষণ তার বাহন হতে অবতরণ করেননি, যতক্ষণ না সে ব্যক্তির মস্তক দ্বি-খন্ডিত করা হয়। আর তাকে তাওবা করতে বলা হয়নি।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا ابْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنِ الْقَاسِمِ، بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ فَلَمْ يَنْزِلْ حَتَّى ضُرِبَ عُنُقُهُ وَمَا اسْتَتَابَهُ ‏.‏

حدثنا ابن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا المسعودي، عن القاسم، بهذه القصة قال فلم ينزل حتى ضرب عنقه وما استتابه ‏.‏


The tradition mention above has also been transmitted by Abu Musa through a different chain if narrators. But there is no mention of demand of repentance.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০৭. আহমদ ইব্‌ন মুহাম্মদ (রহঃ) .... ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সা’আদ ইব্‌ন আবূ সারাহ্‌ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর লেখক ছিলেন। তিনি শয়তানের প্ররোচনায় গুমরাহ হয়ে পুনরায় কাফিরদের সাথে মিলিত হন। পরে মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হত্যার নির্দেশ দেন। এ সময় উছমান ইব্‌ন আফ্‌ফান (রাঃ) তার নিরাপত্তার জন্য আবেদন পেশ করলে, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নিরাপত্তা প্রদান করেন।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ أَبِي سَرْحٍ يَكْتُبُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَزَلَّهُ الشَّيْطَانُ فَلَحِقَ بِالْكُفَّارِ فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُقْتَلَ يَوْمَ الْفَتْحِ فَاسْتَجَارَ لَهُ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَأَجَارَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا أحمد بن محمد المروزي، حدثنا علي بن الحسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كان عبد الله بن سعد بن أبي سرح يكتب لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأزله الشيطان فلحق بالكفار فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقتل يوم الفتح فاستجار له عثمان بن عفان فأجاره رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Abbas:

Abdullah ibn AbuSarh used to write (the revelation) for the Messenger of Allah (ﷺ). Satan made him slip, and he joined the infidels. The Messenger of Allah (ﷺ) commanded to kill him on the day of Conquest (of Mecca). Uthman ibn Affan sought protection for him. The Messenger of Allah (ﷺ) gave him protection.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০৮. উছমান ইব্‌ন আবূ শায়বা (রহঃ) .... সা’আদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ মক্কা বিজয়ের দিন আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আবূ সারহ্‌ উছমান ইব্‌ন আফ্‌ফান (রাঃ)-এর নিকট আত্মগোপন করেছিল। তিনি তাকে রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির করে বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আবদুল্লাহ্‌কে বায়’আত করান। তখন তিনি তার দিকে তিনবার তাকান এবং তাকে বায়’আত করতে অস্বীকার করেন। পরে তিনি তাকে বায়’আত করাবার পর বলেনঃ তোমাদের মাঝে এমন কোন বুদ্ধিমান লোক কি ছিল না, যে আমাকে তার নিকট হতে বায়’আত গ্রহণের হাত সরিয়ে নিতে দেখে, দাঁড়িয়ে তাকে হত্যা করে ফেলতো? তখন সাহাবীগণ বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমরা আপনার মনের উদ্দেশ্য বুঝতে পারিনি। যদি আপনি চোখের ইশারায় এরূপ ইঙ্গিত করতেন, তবে ভাল হতো। তখন তিনি বলেনঃ কোন নবীর পক্ষে চোখ দিয়ে এ ধরণের ইংগিত করা উচিত নয়।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ زَعَمَ السُّدِّيُّ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ فَتْحِ مَكَّةَ اخْتَبَأَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ أَبِي سَرْحٍ عِنْدَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ فَجَاءَ بِهِ حَتَّى أَوْقَفَهُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَايِعْ عَبْدَ اللَّهِ ‏.‏ فَرَفَعَ رَأْسَهُ فَنَظَرَ إِلَيْهِ ثَلاَثًا كُلُّ ذَلِكَ يَأْبَى فَبَايَعَهُ بَعْدَ ثَلاَثٍ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى أَصْحَابِهِ فَقَالَ ‏"‏ أَمَا كَانَ فِيكُمْ رَجُلٌ رَشِيدٌ يَقُومُ إِلَى هَذَا حَيْثُ رَآنِي كَفَفْتُ يَدِي عَنْ بَيْعَتِهِ فَيَقْتُلَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالُوا مَا نَدْرِي يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا فِي نَفْسِكَ أَلاَّ أَوْمَأْتَ إِلَيْنَا بِعَيْنِكَ قَالَ ‏"‏ إِنَّهُ لاَ يَنْبَغِي لِنَبِيٍّ أَنْ تَكُونَ لَهُ خَائِنَةُ الأَعْيُنِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا أحمد بن المفضل، حدثنا أسباط بن نصر، قال زعم السدي عن مصعب بن سعد، عن سعد، قال لما كان يوم فتح مكة اختبأ عبد الله بن سعد بن أبي سرح عند عثمان بن عفان فجاء به حتى أوقفه على النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله بايع عبد الله ‏.‏ فرفع رأسه فنظر إليه ثلاثا كل ذلك يأبى فبايعه بعد ثلاث ثم أقبل على أصحابه فقال ‏"‏ أما كان فيكم رجل رشيد يقوم إلى هذا حيث رآني كففت يدي عن بيعته فيقتله ‏"‏ ‏.‏ فقالوا ما ندري يا رسول الله ما في نفسك ألا أومأت إلينا بعينك قال ‏"‏ إنه لا ينبغي لنبي أن تكون له خائنة الأعين ‏"‏ ‏.‏


Narrated Sa'd ibn AbuWaqqas:

On the day of the conquest of Mecca, Abdullah ibn Sa'd ibn AbuSarh hid himself with Uthman ibn Affan.

He brought him and made him stand before the Prophet (ﷺ), and said: Accept the allegiance of Abdullah, Messenger of Allah! He raised his head and looked at him three times, refusing him each time, but accepted his allegiance after the third time.

Then turning to his companions, he said: Was not there a wise man among you who would stand up to him when he saw that I had withheld my hand from accepting his allegiance, and kill him?

They said: We did not know what you had in your heart, Messenger of Allah! Why did you not give us a signal with your eye?

He said: It is not advisable for a Prophet to play deceptive tricks with the eyes.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।

৪৩০৯. কুতায়বা ইব্‌ন সাঈদ (রহঃ) .... জাবীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপ বলতে শুনেছি যে, যখন কোন গোলাম শিরকের প্রতি চলে যায়, (অর্থাৎ আল্লাহ্‌কে পরিত্যাগ করে মুরতাদ হয়); তখন তার রক্ত হালাল হয়ে যায়।

باب الْحُكْمِ فِيمَنِ ارْتَدَّ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِذَا أَبَقَ الْعَبْدُ إِلَى الشِّرْكِ فَقَدْ حَلَّ دَمُهُ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حميد بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي إسحاق، عن الشعبي، عن جرير، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إذا أبق العبد إلى الشرك فقد حل دمه ‏"‏ ‏.‏


Jarir reported the prophet (ﷺ) as saying:
When a slave runs away and reverts to polytheism, he may lawfully be killed.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ২. নবী (ﷺ) এর মর্যাদাহানিকারী ব্যক্তির শাস্তি সম্পর্কে।

৪৩১০. আব্বাদ ইব্‌ন মূসা (রহঃ) .... ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন এক অন্ধ ব্যক্তির একটি দাসী ছিল। সে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে বেয়াদবিসূচক কথাবার্তা বলতো। সে অন্ধ ব্যক্তি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতো, কিন্তু সে তা মানতো না। সে ব্যক্তি তাকে ধমকাতো, তবু সে তা থেকে বিরত হতো না। এমতাবস্থায় এক রাতে যখন সে দাসী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শানে অমর্যাদাকর কথাবার্তা বলতে থাকে, তখন ঐ অন্ধ ব্যক্তি একটি ছোরা নিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে, যার ফলে সে দাসী মারা যায়। এ সময় তার এক ছেলে তার পায়ের উপর এসে পড়ে, আর সে যেখানে বসে ছিল, সে স্থানটি রক্তাপ্লুত হয়ে যায়।

পরদিন সকালে এ ব্যাপারে যখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আলোচনা হয়, তখন তিনি সকলকে একত্রিত করে বলেনঃ আমি আল্লাহ্‌র নামে শপথ করে এ ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই এবং ইহা তার জন্য আমার হক স্বরূপ। তাই, যে ব্যক্তি তাকে হত্যা করেছে, সে যেন দাঁড়িয়ে যায়। সে সময় অন্ধ লোকটি লোকদের সারি ভেদ করে প্রকম্পিত অবস্থায় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে গিয়ে বসে পড়ে এবং বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি তার হন্তা।

সে আপনার সম্পর্কে কটুক্তি ও গালি-গালাজ করতো। আমি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতাম ও ধমকাতাম। কিন্তু সে তার প্রতি কর্ণপাত করতো না। ঐ দাসী থেকে আমার দু’টি সন্তান আছে, যারা মনি-মুক্তা সদৃশ এবং সেও আমার প্রিয় ছিল। কিন্তু গত রাতে সে যখন পুনরায় আপনার সম্পর্কে কটুক্তি গাল-মন্দ করতে থাকে, তখন আমি আমার উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি এবং ছোরা দিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে তাকে হত্যা করি। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক যে, ঐ দাসীর রক্ত ক্ষতিপূরণের অযোগ্য বা মূল্যহীন।

باب الْحُكْمِ فِيمَنْ سَبَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مُوسَى الْخُتَّلِيُّ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدَنِيُّ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ عُثْمَانَ الشَّحَّامِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ أَعْمَى، كَانَتْ لَهُ أُمُّ وَلَدٍ تَشْتُمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَتَقَعُ فِيهِ فَيَنْهَاهَا فَلاَ تَنْتَهِي وَيَزْجُرُهَا فَلاَ تَنْزَجِرُ - قَالَ - فَلَمَّا كَانَتْ ذَاتَ لَيْلَةٍ جَعَلَتْ تَقَعُ فِي النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَتَشْتِمُهُ فَأَخَذَ الْمِغْوَلَ فَوَضَعَهُ فِي بَطْنِهَا وَاتَّكَأَ عَلَيْهَا فَقَتَلَهَا فَوَقَعَ بَيْنَ رِجْلَيْهَا طِفْلٌ فَلَطَخَتْ مَا هُنَاكَ بِالدَّمِ فَلَمَّا أَصْبَحَ ذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَمَعَ النَّاسَ فَقَالَ ‏"‏ أَنْشُدُ اللَّهَ رَجُلاً فَعَلَ مَا فَعَلَ لِي عَلَيْهِ حَقٌّ إِلاَّ قَامَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَامَ الأَعْمَى يَتَخَطَّى النَّاسَ وَهُوَ يَتَزَلْزَلُ حَتَّى قَعَدَ بَيْنَ يَدَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَا صَاحِبُهَا كَانَتْ تَشْتِمُكَ وَتَقَعُ فِيكَ فَأَنْهَاهَا فَلاَ تَنْتَهِي وَأَزْجُرُهَا فَلاَ تَنْزَجِرُ وَلِي مِنْهَا ابْنَانِ مِثْلُ اللُّؤْلُؤَتَيْنِ وَكَانَتْ بِي رَفِيقَةً فَلَمَّا كَانَتِ الْبَارِحَةَ جَعَلَتْ تَشْتِمُكَ وَتَقَعُ فِيكَ فَأَخَذْتُ الْمِغْوَلَ فَوَضَعْتُهُ فِي بَطْنِهَا وَاتَّكَأْتُ عَلَيْهَا حَتَّى قَتَلْتُهَا ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَلاَ اشْهَدُوا أَنَّ دَمَهَا هَدَرٌ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عباد بن موسى الختلي، أخبرنا إسماعيل بن جعفر المدني، عن إسرائيل، عن عثمان الشحام، عن عكرمة، قال حدثنا ابن عباس، أن أعمى، كانت له أم ولد تشتم النبي صلى الله عليه وسلم وتقع فيه فينهاها فلا تنتهي ويزجرها فلا تنزجر - قال - فلما كانت ذات ليلة جعلت تقع في النبي صلى الله عليه وسلم وتشتمه فأخذ المغول فوضعه في بطنها واتكأ عليها فقتلها فوقع بين رجليها طفل فلطخت ما هناك بالدم فلما أصبح ذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فجمع الناس فقال ‏"‏ أنشد الله رجلا فعل ما فعل لي عليه حق إلا قام ‏"‏ ‏.‏ فقام الأعمى يتخطى الناس وهو يتزلزل حتى قعد بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أنا صاحبها كانت تشتمك وتقع فيك فأنهاها فلا تنتهي وأزجرها فلا تنزجر ولي منها ابنان مثل اللؤلؤتين وكانت بي رفيقة فلما كانت البارحة جعلت تشتمك وتقع فيك فأخذت المغول فوضعته في بطنها واتكأت عليها حتى قتلتها ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا اشهدوا أن دمها هدر ‏"‏ ‏.‏


Narrated Abdullah Ibn Abbas:

A blind man had a slave-mother who used to abuse the Prophet (ﷺ) and disparage him. He forbade her but she did not stop. He rebuked her but she did not give up her habit. One night she began to slander the Prophet (ﷺ) and abuse him. So he took a dagger, placed it on her belly, pressed it, and killed her. A child who came between her legs was smeared with the blood that was there. When the morning came, the Prophet (ﷺ) was informed about it.

He assembled the people and said: I adjure by Allah the man who has done this action and I adjure him by my right to him that he should stand up. Jumping over the necks of the people and trembling the man stood up.

He sat before the Prophet (ﷺ) and said: Messenger of Allah! I am her master; she used to abuse you and disparage you. I forbade her, but she did not stop, and I rebuked her, but she did not abandon her habit. I have two sons like pearls from her, and she was my companion. Last night she began to abuse and disparage you. So I took a dagger, put it on her belly and pressed it till I killed her.

Thereupon the Prophet (ﷺ) said: Oh be witness, no retaliation is payable for her blood.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ২. নবী (ﷺ) এর মর্যাদাহানিকারী ব্যক্তির শাস্তি সম্পর্কে।

৪৩১১. উছমান ইব্‌ন আবূ শায়বা (রহঃ) .... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জনৈক ইয়াহূদী নারী নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কটুক্তি ও গালি-গালাজ করতো। এ কারণে কোন একব্যক্তি শ্বাসরুদ্ধ করে তাকে মেরে ফেলে। রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ নারীর খুনের বদলা বাতিল বলে ঘোষণা করেন।

باب الْحُكْمِ فِيمَنْ سَبَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَرَّاحِ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ يَهُودِيَّةً، كَانَتْ تَشْتِمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَتَقَعُ فِيهِ فَخَنَقَهَا رَجُلٌ حَتَّى مَاتَتْ فَأَبْطَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَمَهَا ‏.‏

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وعبد الله بن الجراح، عن جرير، عن مغيرة، عن الشعبي، عن علي، رضي الله عنه أن يهودية، كانت تشتم النبي صلى الله عليه وسلم وتقع فيه فخنقها رجل حتى ماتت فأبطل رسول الله صلى الله عليه وسلم دمها ‏.‏


Narrated Ali ibn AbuTalib:

A Jewess used to abuse the Prophet (ﷺ) and disparage him. A man strangled her till she died. The Messenger of Allah (ﷺ) declared that no recompense was payable for her blood.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ২. নবী (ﷺ) এর মর্যাদাহানিকারী ব্যক্তির শাস্তি সম্পর্কে।

৪৩১২. মূসা ইব্‌ন ইসমাঈল (রহঃ) .... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমি আবু বকর (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি কোন এক ব্যক্তির প্রতি খুবই রাগান্বিত হলে, আমি তাকে বলিঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা। আপনি আমাকে তার হত্যার অনুমতি দিন। আমার এ কথা শুনে তার ক্রোধ প্রশমিত হয় এবং তিনি উঠে তার গৃহে চলে যান। এরপর তিনি আমাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি বলেছিলে? তখন আমি বলিঃ আমি আপনার কাছে ঐ ব্যক্তির মস্তক দ্বিখন্ডিত করার অনুমতি চেয়েছিলাম। তিনি বলেনঃ যদি আমি তোমাকে এরূপ অনুমতি দিতাম, তবে কি তুমি তাকে হত্যা করতে? তখন আমি বলিঃ নিশ্চয়ই। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পর, আর কোন ব্যক্তির জন্য এরূপ করার অধিকার নেই।

باب الْحُكْمِ فِيمَنْ سَبَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَنُصَيْرُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطَرِّفٍ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَتَغَيَّظَ عَلَى رَجُلٍ فَاشْتَدَّ عَلَيْهِ فَقُلْتُ تَأْذَنُ لِي يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَضْرِبُ عُنُقَهُ قَالَ فَأَذْهَبَتْ كَلِمَتِي غَضَبَهُ فَقَامَ فَدَخَلَ فَأَرْسَلَ إِلَىَّ فَقَالَ مَا الَّذِي قُلْتَ آنِفًا قُلْتُ ائْذَنْ لِي أَضْرِبْ عُنُقَهُ ‏.‏ قَالَ أَكُنْتَ فَاعِلاً لَوْ أَمَرْتُكَ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ لاَ وَاللَّهِ مَا كَانَتْ لِبَشَرٍ بَعْدَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا لَفْظُ يَزِيدَ

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن يونس، عن حميد بن هلال، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا هارون بن عبد الله، ونصير بن الفرج، قالا حدثنا أبو أسامة، عن يزيد بن زريع، عن يونس بن عبيد، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن مطرف، عن أبي برزة، قال كنت عند أبي بكر رضي الله عنه فتغيظ على رجل فاشتد عليه فقلت تأذن لي يا خليفة رسول الله صلى الله عليه وسلم أضرب عنقه قال فأذهبت كلمتي غضبه فقام فدخل فأرسل إلى فقال ما الذي قلت آنفا قلت ائذن لي أضرب عنقه ‏.‏ قال أكنت فاعلا لو أمرتك قلت نعم ‏.‏ قال لا والله ما كانت لبشر بعد محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو داود هذا لفظ يزيد


AbuBarzah said: I was with AbuBakr. He became angry at a man and uttered hot words. I said: Do you permit me, Caliph of the Messenger of Allah (ﷺ), that I cut off his neck? These words of mine removed his anger; he stood and went in. He then sent for me and said: What did you say just now? I said: (I had said:) Permit me that I cut off his neck. He said: Would you do it if I ordered you? I said: Yes. He said: No, I swear by Allah, this is not allowed for any man after Muhammad (ﷺ).

Abu Dawud said: This is Yazid's version.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।

৪৩১৩. সুলায়মান ইব্‌ন হার্‌ব (রহঃ) .... আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, উকল অথবা উরায়না গোত্রের কিছু নও-মুসলিম লোক রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়। কিন্তু মদীনার আবহাওয়া তাঁদের স্বাস্থ্যের প্রতিকূল হওয়ায় রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কয়েকটি উট প্রদান করেন এবং সে উটের দুধ ও পেশাব তাদের পান করতে বলেন। এরপর তাঁরা জংগলের কাছে গিয়ে বসবাস করতে থাকে। পরে তারা সুস্থ হলে, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌঁছলে তিনি তাদের পশ্চাদধাবনের উদ্দেশ্যে একদল লোক প্রেরণ করেন, যারা দুপুরের সময় তাদের বন্দী করে নিয়ে আসে। তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের হাত ও পা কেটে ফেলার নির্দেশ দেন। তাদের চোখে গরম সূঁচ ঢুকিয়ে দিতে প্রচন্ড গরমের মধ্যে তাদের ফেলে রাখা হয়। যার ফলে তারা পিপাসার্থ পানি পান করতে চায়, কিন্তু তাদের পানি দেওয়া হয়নি।

রাবী আবূ কিলাবা (রহঃ) বলেনঃ তারা চুরি ও হত্যা করেছিল এবং ঈমান আনার পর মুরতাদ হয়ে আল্লাহ্‌ ও রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُحَارِبَةِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ قَوْمًا، مِنْ عُكْلٍ - أَوْ قَالَ مِنْ عُرَيْنَةَ - قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاجْتَوَوُا الْمَدِينَةَ فَأَمَرَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِلِقَاحٍ وَأَمَرَهُمْ أَنْ يَشْرَبُوا مِنْ أَبْوَالِهَا وَأَلْبَانِهَا فَانْطَلَقُوا فَلَمَّا صَحُّوا قَتَلُوا رَاعِيَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاسْتَاقُوا النَّعَمَ فَبَلَغَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَبَرُهُمْ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ فَأَرْسَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي آثَارِهِمْ فَمَا ارْتَفَعَ النَّهَارُ حَتَّى جِيءَ بِهِمْ فَأَمَرَ بِهِمْ فَقُطِعَتْ أَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُمْ وَسُمِّرَ أَعْيُنُهُمْ وَأُلْقُوا فِي الْحَرَّةِ يَسْتَسْقُونَ فَلاَ يُسْقَوْنَ ‏.‏ قَالَ أَبُو قِلاَبَةَ فَهَؤُلاَءِ قَوْمٌ سَرَقُوا وَقَتَلُوا وَكَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ وَحَارَبُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ ‏.‏

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، أن قوما، من عكل - أو قال من عرينة - قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فاجتووا المدينة فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بلقاح وأمرهم أن يشربوا من أبوالها وألبانها فانطلقوا فلما صحوا قتلوا راعي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستاقوا النعم فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم خبرهم من أول النهار فأرسل النبي صلى الله عليه وسلم في آثارهم فما ارتفع النهار حتى جيء بهم فأمر بهم فقطعت أيديهم وأرجلهم وسمر أعينهم وألقوا في الحرة يستسقون فلا يسقون ‏.‏ قال أبو قلابة فهؤلاء قوم سرقوا وقتلوا وكفروا بعد إيمانهم وحاربوا الله ورسوله ‏.‏


Anas b. Malik said:
Some people of ‘Ukl or ‘Urainah’ came to the Messenger of Allah (ﷺ) and found Madinah unhealthy. So the Messenger of Allah (ﷺ) ordered them to go to the camels (of the sadaqah) and ordered them to drink some of their urine and milk. They went there when they became well, they killed the herdsman of the Messenger of Allah (ﷺ) and drove off the camels. The news about them reached the prophet (ﷺ) early in the morning. So he sent people in pursuit of them, and they were brought when they day had risen high. He ordered and their hands and feet were cut off and nails were drawn into their eyes, and they were thrown out of Harrah. They begged for water but were not supplied water. Abu Qilabah said: They were people who had stolen, killed, apostatized after their faith and fought against Allah and his Apostle (ﷺ).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।

৪৩১৪. মূসা ইব্‌ন ইসমাঈল (রহঃ) .... আবূ আইউব তার সনদে এরূপ বর্ণনা করেছেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূঁচ গরম করার নির্দেশ দেন, যা তাদের চোখে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় এবং তাদের হাত-পা কেটে ফেলা হয় এবং তাদের সম্পূর্ণরূপে হত্যা করা হয়নি। (কারণ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাখালকে এভাবে শাস্তি দিয়ে হত্যা করেছিল।)

باب مَا جَاءَ فِي الْمُحَارِبَةِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ أَيُّوبَ، بِإِسْنَادِهِ بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ فِيهِ فَأَمَرَ بِمَسَامِيرَ فَأُحْمِيَتْ فَكَحَلَهُمْ وَقَطَّعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ وَمَا حَسَمَهُمْ ‏.‏

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، عن أيوب، بإسناده بهذا الحديث قال فيه فأمر بمسامير فأحميت فكحلهم وقطع أيديهم وأرجلهم وما حسمهم ‏.‏


The tradition mentioned above has also been transmitted by the narrator Ayyub through different chain. This version has :
So he (the prophet) order nails to be heated and had them blinded with them, and he had their hands and feet cut off, and did not cauterise them to stop the flow of blood.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।

৪৩১৫. মুহাম্মাদ ইব্‌ন সাব্বাহ্‌ (রহঃ) .... আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) এরূপ বর্ণনা করেন, তবে তিনি আরো বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের পেছনে একদল লোক পাঠান, যারা তাদের বন্দী করে নিয়ে আসে। তখন মহান আল্লাহ্‌ তাদের সম্পর্কে এ আয়াত নাযিল করেনঃ যারা আল্লাহ্‌ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং দেশের মধ্যে ফিত্‌না-ফ্যাসাদ ও অশান্তি সৃষ্টি করে, তাদের শাস্তি হলো-তাদের শূলী দণ্ড দিতে হবে, অথবা তাদের এক পাশের হাত এবং অপর পাশের পা কেটে ফেলতে হবে। (শরীআতের বিধান অনুযায়ী ইহাই চোর, ডাকাত ও ছিনতাইকারীদের শাস্তি।)

باب مَا جَاءَ فِي الْمُحَارِبَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ بْنِ سُفْيَانَ، قَالَ أَخْبَرَنَا ح، وَحَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ أَبِي كَثِيرٍ - عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ فِيهِ فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي طَلَبِهِمْ قَافَةً فَأُتِيَ بِهِمْ ‏.‏ قَالَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فِي ذَلِكَ ‏(‏ إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَسْعَوْنَ فِي الأَرْضِ فَسَادًا ‏)‏ الآيَةَ ‏.‏

حدثنا محمد بن الصباح بن سفيان، قال أخبرنا ح، وحدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا الوليد، عن الأوزاعي، عن يحيى، - يعني ابن أبي كثير - عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، بهذا الحديث قال فيه فبعث رسول الله صلى الله عليه وسلم في طلبهم قافة فأتي بهم ‏.‏ قال فأنزل الله تبارك وتعالى في ذلك ‏(‏ إنما جزاء الذين يحاربون الله ورسوله ويسعون في الأرض فسادا ‏)‏ الآية ‏.‏


The tradition mentioned above has also been transmitted by Anas. B. Malik through a different chain of narrators. This version says :
The Messenger of Allah (ﷺ) sent some people who were experts in tracking in pursuit of them and they were brought (to him). Allah , the Exalted, then revealed the verse about it : “ The punishment of those who wage war against Allah and his Apostle and strive for mischief through the land.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।

৪৩১৬. মুসা ইবন ইসমাইল (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) উপরোক্ত হাদিস বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেনঃ আমি তাদের একজনকে দেখেছিলাম যে, পিপাসার কারণে নিজের মুখ দিয়ে মাটি খুঁড়ছিল। এ অবস্থায় তারা মারা যায়।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُحَارِبَةِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، وَقَتَادَةُ، وَحُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، ذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ قَالَ أَنَسٌ فَلَقَدْ رَأَيْتُ أَحَدَهُمْ يَكْدِمُ الأَرْضَ بِفِيهِ عَطَشًا حَتَّى مَاتُوا ‏.‏

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، وقتادة، وحميد، عن أنس بن مالك، ذكر هذا الحديث قال أنس فلقد رأيت أحدهم يكدم الأرض بفيه عطشا حتى ماتوا ‏.‏


The tradition mentioned above has also been transmitted by Anas. B. Malik through a different chain of narrators. This version has :
Anas said : I saw one of them biting the earth with this mouth (teeth) on account of thirst and this they died.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।

৪৩১৭. মুহাম্মদ ইব্‌ন বাশ্‌শার (রহঃ) .... আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) এরূপ বর্ণনা করেছেন যে, এ ঘটনার পর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মুছলা’ করতে, (অর্থাৎ হাত-পা কাটতে ও চোখে গরম সূচ ঢুকাতে) নিষেধ করেন।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُحَارِبَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ نَحْوَهُ زَادَ ثُمَّ نَهَى عَنِ الْمُثْلَةِ وَلَمْ يَذْكُرْ مِنْ خِلاَفٍ ‏.‏ وَرَوَاهُ شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ وَسَلاَّمِ بْنِ مِسْكِينٍ عَنْ ثَابِتٍ جَمِيعًا عَنْ أَنَسٍ لَمْ يَذْكُرَا مِنْ خِلاَفٍ ‏.‏ وَلَمْ أَجِدْ فِي حَدِيثِ أَحَدٍ قَطَعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ مِنْ خِلاَفٍ ‏.‏ إِلاَّ فِي حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، عن هشام، عن قتادة، عن أنس بن مالك، بهذا الحديث نحوه زاد ثم نهى عن المثلة ولم يذكر من خلاف ‏.‏ ورواه شعبة عن قتادة وسلام بن مسكين عن ثابت جميعا عن أنس لم يذكرا من خلاف ‏.‏ ولم أجد في حديث أحد قطع أيديهم وأرجلهم من خلاف ‏.‏ إلا في حديث حماد بن سلمة ‏.‏


A similar tradition has also been transmitted by Anas bin Malik through a different chain of narrators. This version adds:
He then forbade disfiguring. This version does not mention the words “ from opposite sides” . This tradition has been narrated by Shu’bah from Qatadah and Salam bin Miskin from Thabit on the authority of Anas. They did not mention the words “from opposite side”. I did not find these words “their hands and feet were cut off from opposite sides”. In any version except in the version of Hammad bin Salamah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।

৪৩১৮. আহমদ ইব্‌ন সালিহ্‌ (রহঃ) .... ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কিছু লোক মুরতাদ হয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উট লুট করে নিয়ে যায় এবং তার রাখালকেও হত্যা করে, যে মুসলিম ছিল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের পেছনে একদল লোককে পাঠান, যারা তাদের বন্দী করে নিয়ে আসে তখন তাদের হাত-পা কেটে ফেলা হয় এবং তাদের চোখে গরম সূচ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

রাবী বলনঃ তাদের শানেই উপরোক্ত আয়াত নাযিল হয়। এরপর হাজ্জাজ আনাস (রাঃ)-কে উক্ত ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তিনি ঐ সব লোকদের কথা উল্লেখ করেন।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُحَارِبَةِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، - قَالَ أَحْمَدُ هُوَ يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ - عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ نَاسًا أَغَارُوا عَلَى إِبِلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَاقُوهَا وَارْتَدُّوا عَنِ الإِسْلاَمِ وَقَتَلُوا رَاعِيَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُؤْمِنًا فَبَعَثَ فِي آثَارِهِمْ فَأُخِذُوا فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ وَسَمَلَ أَعْيُنَهُمْ ‏.‏ قَالَ وَنَزَلَتْ فِيهِمْ آيَةُ الْمُحَارَبَةِ وَهُمُ الَّذِينَ أَخْبَرَ عَنْهُمْ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ الْحَجَّاجَ حِينَ سَأَلَهُ ‏.‏

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، عن سعيد بن أبي هلال، عن أبي الزناد، عن عبد الله بن عبيد الله، - قال أحمد هو يعني عبد الله بن عبيد الله بن عمر بن الخطاب - عن ابن عمر أن ناسا أغاروا على إبل النبي صلى الله عليه وسلم فاستاقوها وارتدوا عن الإسلام وقتلوا راعي رسول الله صلى الله عليه وسلم مؤمنا فبعث في آثارهم فأخذوا فقطع أيديهم وأرجلهم وسمل أعينهم ‏.‏ قال ونزلت فيهم آية المحاربة وهم الذين أخبر عنهم أنس بن مالك الحجاج حين سأله ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Umar:

Some people raided the camels of the Prophet (ﷺ), drove them off, and apostatised. They killed the herdsman of the Messenger of Allah (ﷺ) who was a believer. He (the Prophet) sent (people) in pursuit of them and they were caught. He had their hands and feet cut off, and their eyes put out. The verse regarding fighting against Allah and His Prophet (ﷺ) was then revealed. These were the people about whom Anas ibn Malik informed al-Hajjaj when he asked him.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।

৪৩১৯. আহমদ ইব্‌ন আমর (রহঃ) .... আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট লুন্ঠনকারী ব্যক্তিদের হাত-পা কেটে ফেলে এবং চোখের মধ্যে গরম শলাকা ঢুকিয়ে শাস্তি দেন, তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হয়ে এ আয়াত নাযিল করেনঃ যারা আল্লাহ্‌ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে, তাদের জন্য এ শাস্তিই যথেষ্ট যে, তাদের হত্যা করবে নয়তো শুলীদণ্ড দেবে।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُحَارِبَةِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَجْلاَنِ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا قَطَعَ الَّذِينَ سَرَقُوا لِقَاحَهُ وَسَمَلَ أَعْيُنَهُمْ بِالنَّارِ عَاتَبَهُ اللَّهُ تَعَالَى فِي ذَلِكَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى ‏(‏ إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَسْعَوْنَ فِي الأَرْضِ فَسَادًا أَنْ يُقَتَّلُوا أَوْ يُصَلَّبُوا ‏)‏ الآيَةَ ‏.‏

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني الليث بن سعد، عن محمد بن العجلان، عن أبي الزناد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما قطع الذين سرقوا لقاحه وسمل أعينهم بالنار عاتبه الله تعالى في ذلك فأنزل الله تعالى ‏(‏ إنما جزاء الذين يحاربون الله ورسوله ويسعون في الأرض فسادا أن يقتلوا أو يصلبوا ‏)‏ الآية ‏.‏


Narrated AbuzZinad:

When the Messenger of Allah (ﷺ) cut off (the hands and feet of) those who had stolen his camels and he had their eyes put out by fire (heated nails), Allah reprimanded him on that (action), and Allah, the Exalted, revealed: "The punishment of those who wage war against Allah and His Apostle and strive with might and main for mischief through the land is execution or crucifixion."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ যিনাদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৩৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 7 পরের পাতা »