রিয়াযুস স্বা-লিহীন ১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

প্রকাশ্য ও গোপনীয় আমল (কর্ম) কথা ও অবস্থায় আন্তরিকতা ও বিশুদ্ধ নিয়ত জরুরী

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ وَمَآ أُمِرُوٓاْ إِلَّا لِيَعۡبُدُواْ ٱللَّهَ مُخۡلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ حُنَفَآءَ وَيُقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤۡتُواْ ٱلزَّكَوٰةَۚ وَذَٰلِكَ دِينُ ٱلۡقَيِّمَةِ ٥ ﴾ [البينة: ٥]

অর্থাৎ “তারা তো আদিষ্ট হয়েছিল আল্লাহর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে একনিষ্ঠভাবে তাঁর ইবাদত করতে এবং নামায কায়েম করতে ও যাকাত প্রদান করতে। আর এটাই সঠিক ধর্ম।” (সূরা বাইয়িনাহ্ ৫নং আয়াত)

তিনি আরো বলেন,

﴿ لَن يَنَالَ ٱللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَآؤُهَا وَلَٰكِن يَنَالُهُ ٱلتَّقۡوَىٰ مِنكُمۡۚ ﴾ [الحج: ٣٧]

অর্থাৎ “আল্লাহর কাছে কখনোও ওগুলির গোশত পৌঁছে না এবং রক্তও না; বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাক্বওয়া (সংযমশীলতা)।” (সূরা হাজ্জ্ব ৩৭ নং আয়াত)

তিনি আরো বলেন,

﴿ قُلۡ إِن تُخۡفُواْ مَا فِي صُدُورِكُمۡ أَوۡ تُبۡدُوهُ يَعۡلَمۡهُ ٱللَّهُۗ ﴾ [ال عمران: ٢٩]

অর্থাৎ “বল, তোমাদের মনে যা আছে তা যদি তোমরা গোপন রাখ কিংবা প্রকাশ কর, আল্লাহ তা অবগত আছেন।” (সূরা আলে ইমরান ২৯ নং আয়াত)


১/১। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘যাবতীয় কার্য নিয়ত বা সংকল্পের উপর নির্ভরশীল। আর মানুষের জন্য তাই প্রাপ্য হবে, যার সে নিয়ত করবে। অতএব যে ব্যক্তির হিজরত (সবদেশত্যাগ) আল্লাহর (সন্তোষ লাভের) উদ্দেশ্যে ও তাঁর রাসূলের জন্য হবে; তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্যই হবে। আর যে ব্যক্তির হিজরত পার্থিব সম্পদ অর্জন কিংবা কোন মহিলাকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যেই হবে, তার হিজরত যে সংকল্প নিয়ে করবে তারই জন্য হবে।”[1]

এই হাদীসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইমাম শাফেয়ী রাহিমাহুল্লাহ ও ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল রাহিমাহুল্লাহ এটিকে ‘এক তৃতীয়াংশ অথবা অর্ধেক দ্বীন’ বলে অভিহিত করেছেন।

এটিকে ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ তাঁর গ্রন্থ সহীহ বুখারীতে সাত জায়গায় বর্ণনা করেছেন। প্রত্যেক স্থানে এই হাদীসটি উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হল কর্মের বিশুদ্ধতা ও কর্মের প্রতিদান নিয়তের সাথে সম্পৃক্ত---সে কথা প্রমাণ করা।

وعَنْ أَميرِ الْمُؤْمِنِينَ أبي حفْصٍ عُمرَ بنِ الْخَطَّابِ بْن نُفَيْل بْنِ عَبْد الْعُزَّى بن رياح بْن عبدِ اللَّهِ بْن قُرْطِ بْنِ رزاح بْنِ عَدِيِّ بْن آَعْبِ بْن لُؤَيِّ بن غالبٍ القُرَشِيِّ العدويِّ . رضي االله عنه ، قال : سمعْتُ رسُولَ االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يقُولُ » إنَّما الأَعمالُ بالنِّيَّات ، وإِنَّمَا لِكُلِّ امرئٍ مَا نَوَى ، فمنْ آانَتْ هجْرَتُهُ إِلَى االله ورَسُولِهِ فهجرتُه إلى االله ورسُولِهِ ، ومنْ آاَنْت هجْرَتُه لدُنْيَا يُصيبُها ، أَو امرَأَةٍ يَنْكحُها فهْجْرَتُهُ إلى ما هَاجَر إليْهِ « متَّفَقٌ على صحَّتِه. رواهُ إِماما المُحَدِّثِين: أَبُو عَبْدِ االله مُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعيل بْن إِبْراهيمَ بْن الْمُغيرة بْن برْدزْبَهْ الْجُعْفِيُّ الْبُخَارِيُّ، وَأَبُو الحُسَيْنِى مُسْلمُ بْن الْحَجَّاجِ بن مُسلمٍ القُشَيْريُّ النَّيْسَابُوريُّ رَضَيَ االله عَنْهُمَا في صَحيحيهِما اللَّذَيْنِ هما أَصَحُّ الْكُتُبِ الْمُصَنَّفَة .


Narrated 'Umar bin Al-Khattab (May Allah be pleased with him), reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "The deeds are considered by the intentions, and a person will get the reward according to his intention. So whoever emigrated for Allah and His Messenger, his emigration will be for Allah and His Messenger; and whoever emigrated for worldly benefits or for a woman to marry, his emigration would be for what he emigrated for".

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: According to some Ahadith, the reason for this Hadith is that a person sent a proposal of marriage to a woman named Umm Qais, which she turned down saying that he should have to emigrate to Al-Madinah for it. Accordingly, he did it for this specific purpose, and the two were married there. On account of this event, the man came to be known among the Companions as Muhajir Umm Qais.

On the basis of this Hadith, 'Ulama' are of the unanimous opinion that the real basis of one's actions is Niyyah (intention) and everyone will be requited according to his Niyyah. It is true that Niyyah is founded in one's heart, that is to say, one has first to make up one's mind for what he intends to do and he should not express it verbally. In fact, the latter is a Bid`ah (innovation in religion) because no proof of it is found in Shariah.

The point which becomes evident from this Hadith is that Ikhlas (sincerity) is a must for every action. In other words, in every righteous deed, one should seek only the Pleasure of Allah; otherwise, it will not be accepted by Allah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

২/২। উম্মুল মু’মেনীন উম্মে আব্দুল্লাহ আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘একটি বাহিনী কা‘বা ঘরের উপর আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে বের হবে। অতঃপর যখন তারা সমতল মরুপ্রান্তরে (বাইদা) পৌঁছবে তখন তাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি সকলকেই যমীনে ধসিয়ে দেওয়া হবে। তিনি (আয়েশা) বলেন যে, আমি (এ কথা শুনে) বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কেমন করে তাদের প্রথম ও শেষ সকলকে ধসিয়ে দেওয়া হবে? অথচ তাদের মধ্যে তাদের বাজারের ব্যবসায়ী এবং এমন লোক থাকবে, যারা তাদের (আক্রমণকারীদের) অন্তর্ভুক্ত নয়। তিনি বললেন, তাদের প্রথম ও শেষ সকলকে ধসিয়ে দেওয়া হবে। তারপর তাদেরকে তাদের নিয়ত অনুযায়ী পুনরুত্থিত করা হবে।’’[1]

وَعَنْ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أُمِّ عَبْدِ اللَّهِ عَائشَةَ رَضيَ االله عنها قالت: قال رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم: »يَغْزُو جَيْشٌ الْكَعْبَةَ فَإِذَا آَانُوا ببيْداءَ مِنَ الأَرْضِ يُخْسَفُ بأَوَّلِهِم وَآخِرِهِمْ «. قَالَتْ : قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، آَيْفَ يُخْسَفُ بَأَوَّلِهِم وَآخِرِهِمْ وَفِيهِمْ أَسْوَاقُهُمْ وَمَنْ لَيْسَ مِنهُمْ ،؟ قَالَ : »يُخْسَفُ بِأَوَّلِهِم وَآخِرِهِمْ ، ثُمَّ يُبْعَثُون عَلَى نِيَّاتِهِمْ « مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ : هذا لَفْظُ الْبُخَارِيِّ .


Narrated 'A'ishah (May Allah be pleased with her) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "An army will raid the Ka'bah and when it reaches a desert land, all of them will be swallowed up by the earth." She asked; "O Messenger of Allah! Why all of them?" He answered, "All of them will be swallowed by the earth but they will be raised for Judgement according to their intentions."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: Everyone will be rewarded or punished according to his aim and intention. This Hadith also proves that the company of depraved persons is extremely dangerous. Whose army would it be, which has been referred to in the Hadith, and when will it invade Ka`bah, is a matter known to Allah Alone. Such prophecies are a part of the Unseen world. Since they come in the category of the miracles of the Prophet (PBUH), it is necessary to believe in their veracity and occurrence. Believing in such prophesies is also essential because they were revealed by Allah).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৩/৩। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মক্কা বিজয়ের পর (মক্কা থেকে) হিজরত নেই; বরং বাকী রয়েছে জিহাদ ও নিয়ত। সুতরাং যদি তোমাদেরকে জিহাদের জন্য ডাক দেওয়া হয়, তাহলে তোমরা (জিহাদে) বেরিয়ে পড়।’’[1]

‘মক্কা বিজয়ের পর আর হিজরত নেই’ এর অর্থ এই যে, মক্কা এখন ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত হল। ফলে এখান থেকে মুসলিমরা আর হিজরত করতে পারবে না।

وعَنْ عَائِشَة رَضِيَ االله عنْهَا قَالَت قالَ النَّبِيُّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : »لا هِجْرَةَ بَعْدَ الْفَتْح،ِ وَلكنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ ، وَإِذَا اسْتُنْفرِتُمْ فانْفِرُوا« مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ . وَمَعْنَاهُ : لا هِجْرَةَ مِنْ مَكَّةَ لأَنَّهَا صَارَتْ دَارَ إِسْلامٍ


A'ishah (May Allah be pleased with her) narrated that the Prophet (ﷺ) said, "There is no emigration after the conquest (of Makkah) but only Jihad [(striving and fighting in the cause of Allah) will continue] and good intention.* So if you are summoned to fight, go forth."

[Al-Bukhari and Muslim].

*. Intention according to An-Nawawi:
It means that goodness which ceased to continue by the cessation of emigration can still be obtained by Jihad and by intending accomplishing good deeds.

Commentary: When a country or a region is regarded as Dar-ul-Islam (land of Islam), it is not necessary to migrate from it to some other place. It is, however, obligatory to emigrate from such regions which are Dar-ul-Kufr (land of infidels) and where it is difficult to adhere to Islamic injunctions. It is also evident from this Hadith that when it is not necessary to migrate from one Islamic country to another then it is also not permitted by the Shari`ah to leave an Islamic country to settle permanently in Dar-ul-Kufr only for the reason that the latter has plenty of wealth and social welfare. Unfortunately, Muslims today are afflicted with this disease. The transfer of their capital and talent to Dar-ul-Kufr is indeed very disturbing because on one side these two factors are lending support to the economy of Bilad-ul-Kufr (countries of infidels) and on the other, obscenity and indecency that are common in such countries,
are becoming increasingly common among the Muslims too.

Another highly important reason for the prohibition of migration of Muslims to Dar-ul-Kufr is that it goes against the spirit as well as their readiness for Jihad fi sabilillah (striving and fighting in the way of Allah). This spirit and readiness must be kept always alive so that the Muslims may respond at once to the call of Jihad whenever the need for it arises anywhere.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৪/৪। আবূ আবদুল্লাহ জাবের ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী রাদিয়াল্লাহু ‘‘আনহু বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে এক অভিযানে ছিলাম। তিনি বললেন, ‘‘মদ্বীনাতে কিছু লোক এমন আছে যে, তোমরা যত সফর করছ এবং যে কোন উপত্যকা অতিক্রম করছ, তারা তোমাদের সঙ্গে রয়েছে। অসুস্থতা তাদেরকে মদ্বীনায় থাকতে বাধ্য করেছে।’’ আর একটি বর্ণনায় আছে যে, ‘‘তারা নেকীতে তোমাদের অংশীদার।’’[1]

وعَنْ أبي عَبْدِ اللَّهِ جابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ رضِيَ االله عنْهُمَا قَالَ :آُنَّا مَع النَّبِيِّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم في غَزَاة فَقَالَ : »إِنَّ بِالْمَدِينَةِ لَرِجَالاً مَا سِرْتُمْ مَسِيراً ، وَلاَ قَطَعْتُمْ وَادِياً إِلاَّ آانُوا مَعكُم حَبَسَهُمُ الْمَرَضُ« وَفِي روايَةِ : »إِلاَّ شَرآُوآُمْ في الأَجْرِ« رَواهُ مُسْلِمٌ .


Jabir bin Abdullah Al-Ansari (May Allah be pleasedwith them) reported:
We accompanied the Prophet (ﷺ) in an expedition when he said, "There are some men in Al-Madinah who are with you wherever you march and whichever valley you cross. They have not joined you in person because of their illness." In another version he said: "They share the reward with you."

[Muslim].

It is narrated by Bukhari from Anas bin Malik (May Allah be pleased with him): We were coming back from the battle of Tabuk with the Prophet (PBUH) when he remarked, "There are people whom we left behind in Al-Madinah who accompanied us in spirit in every pass and valley we crossed. They remained behind for a valid excuse.''

Commentary: What we learn from this Hadith is that if the intention and spirit of Jihad are present in the heart of a Muslim but physically he is unable to take part in it for valid reasons, he will get the reward of Jihad without even his actual participation in it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৫/৫। সহীহ বুখারীতে আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘‘আনহু থেকে এরূপ বর্ণনা রয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তাবূক অভিযান থেকে আমাদের প্রত্যাবর্তনকালে তিনি বললেন যে, ‘‘আমাদের পিছনে মদীনায় এরূপ কিছু লোক আছে যারা প্রত্যেক গিরিপথ বা উপত্যকা অতিক্রমকালে আমাদের সাথে রয়েছে। বিশেষ ওজর তাদেরকে ঘরে থাকতে বাধ্য করেছে।’’

ورواهُ البُخَارِيُّ عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ :رَجَعْنَا مِنْ غَزْوَةِ تَبُوكَ مَعَ النَّبِيِّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم فَقَالَ: »إِنَّ أَقْوَامَاً خلْفَنَا بالمدِينةِ مَا سَلَكْنَا شِعْباً وَلاَ وَادِياً إِلاَّ وَهُمْ مَعَنَا ، حَبَسَهُمْ الْعُذْرُ«


It is narrated by Bukhari from Anas bin Malik (May Allah be pleased with him): We were coming back from the battle of Tabuk with the Prophet (ﷺ) when he remarked, "There are people whom we left behind in Al- Madinah who accompanied us in spirit in every pass and valley we crossed. They remained behind for a valid excuse."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৬/৬। আবূ ইয়াযীদ মা‘ন ইবনু ইয়াযীদ ইবনু আখনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু - তিনি (মা‘ন) এবং তাঁর পিতা ও দাদা সকলেই সাহাবী---তিনি বলেন, আমার পিতা ইয়াযীদ দান করার জন্য কয়েকটি স্বর্ণমুদ্রা বের করলেন। অতঃপর তিনি সেগুলি (দান করতে) মসজিদে একটি লোককে দায়িত্ব দিলেন। আমি (মসজিদে) এসে তার কাছ থেকে (অন্যান্য ভিক্ষুকের মত) তা নিয়ে নিলাম এবং তা নিয়ে বাড়ী এলাম। (যখন আমার পিতা এ ব্যাপারে অবগত হলেন তখন) বললেন, আল্লাহর কসম! তোমাকে দেওয়ার নিয়ত আমার ছিল না। (ফলে এগুলি আমার জন্য হালাল হবে কি না তা জানার উদ্দেশ্যে) আমি আমার পিতাকে নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে উপস্থিত হলাম। তিনি বললেন, ‘‘হে ইয়াযীদ! তোমার জন্য সেই বিনিময় রয়েছে যার নিয়ত তুমি করেছ এবং হে মা’ন! তুমি যা নিয়েছ তা তোমার জন্য হালাল।’’[1]

وَعَنْ أبي يَزِيدَ مَعْنِ بْن يَزِيدَ بْنِ الأَخْنسِ رضي االله عَنْهم،ْ وَهُوَ وَأَبُوهُ وَجَدّهُ صَحَابِيُّون،َ قَال: آَانَ أبي يَزِيدُ أَخْرَجَ دَنَانِيرَ يَتصَدَّقُ بِهَا فَوَضَعَهَا عِنْدَ رَجُلٍ في الْمَسْجِدِ فَجِئْتُ فَأَخَذْتُهَا فَأَتيْتُهُ بِهَا . فَقَالَ : وَاللَّهِ مَا إِيَّاكَ أَرَدْتُ ، فَخَاصمْتُهُ إِلَى رسول اللَّهِ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم فَقَالَ: »لَكَ مَا نويْتَ يَا يَزِيدُ ، وَلَكَ مَا أَخذْتَ يَا مَعْنُ « رواه البخاري


Ma'n bin Yazid bin Akhnas (May Allah be pleased with them) (he, his father and his grandfather, all were Companions) reported:
My father set aside some dinars for charity and gave them to a man in the mosque. I went to that man and took back those dinars. He said: "I had not intended you to be given." So we went to Messenger of Allah (ﷺ), and put forth the matter before him. He said to my father, "Yazid, you have been rewarded for what you intended." And he said to me, "Ma'n, you are entitled to what you have taken."

[Al- Bukhari].

Commentary:
1. This Hadith leads us to the conclusion that if Sadaqah (charity), goes to a needy son of a Muslim, there is no need to take it back from him for the reason that the father had intended to give it to a deserving person. The former gets the reward for it on account of his Niyyah (intention). This however, will be reckoned as Nafli Sadaqah (voluntary charity) because the obligatory Zakat (Sadaqah) cannot be given to the donor's own dependents.

2. It is permissible in Shari`ah to make someone a Wakil (attorney or agent) for Sadaqah.

3. It does not amount to disobedience on the part of a son to take his father to a competent authority or scholar to know the legal position on any issue, in the same way, as mutual discussion and debate on matters of Shari`ah does not amount to insolence. (Fath Al-Bari, chapter on Zakat).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৭/৭। সা‘দ ইবনু আবী অক্কাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, যে দশজন সাহাবীকে জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল ইনি তাঁদের মধ্যে একজন। বিদায় হজ্জ্বের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার রুগ্ন অবস্থায় আমাকে দেখা করতে এলেন। সে সময় আমার শরীরে চরম ব্যথা ছিল। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার (দৈহিক) জ্বালা-যন্ত্রণা কঠিন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে--যা আপনি সচক্ষে দেখছেন। আর আমি একজন ধনী মানুষ; কিন্তু আমার উত্তরাধিকারী বলতে আমার একমাত্র কন্যা। তাহলে আমি কি আমার মাল-সম্পদের দুই তৃতীয়াংশ দান করে দেব?’ তিনি বললেন, ‘‘না।’’ আমি বললাম, ‘তাহলে অর্ধেক মাল হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, ‘‘না।’’ আমি বললাম, ‘তাহলে কি এক তৃতীয়াংশ দান করতে পারি?’ তিনি বললেন, ‘‘এক তৃতীয়াংশ (দান করতে পার), তবে এক তৃতীয়াংশও অনেক। কারণ এই যে, তুমি যদি তোমার উত্তরাধিকারীদের ধনবান অবস্থায় ছেড়ে যাও, তাহলে তা এর থেকে ভাল যে, তুমি তাদেরকে কাঙ্গাল করে ছেড়ে যাবে এবং তারা লোকের কাছে হাত পাতবে।

(মনে রাখ,) আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তুমি যা ব্যয় করবে তোমাকে তার বিনিময় দেওয়া হবে। এমনকি তুমি যে গ্রাস তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দাও তারও তুমি বিনিময় পাবে।’’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার সঙ্গীদের ছেড়ে পিছনে (মক্কায়) থেকে যাব?’ তিনি বললেন, ‘‘তুমি যদি তোমার সঙ্গীদের মরার পর জীবিত থাক এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কোনো কাজ কর, তাহলে তার ফলে তোমার মর্যাদা ও সম্মান বর্ধন হবে। আর সম্ভবতঃ তুমি বেঁচে থাকবে। এমনকি তোমার দ্বারা কিছু লোক (মু’মিনরা) উপকৃত হবে। আর কিছু লোক (কাফেররা) ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহ! তুমি আমার সাহাবীদেরকে হিজরতে পরিপূর্ণতা দান কর এবং তাদেরকে (হিজরত থেকে) পিছনে ফিরিয়ে দিও না। কিন্তু মিসকীন সা‘দ ইবনু খাওলা।’’ তাঁর মৃত্যু মক্কায় হওয়ার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন।[1]

وَعَنْ أبي إِسْحَاقَ سعْدِ بْنِ أبي وَقَّاصٍ مَالك بن أُهَيْبِ بْنِ عَبْدِ مَنَافِ بْنِ زُهرةَ بْنِ آِلابِ بْنِ مُرَّةَ بْنِ آعْبِ بنِ لُؤىٍّ الْقُرشِيِّ الزُّهَرِيِّ رضِي اللَّهُ عَنْه،ُ أَحدِ الْعَشرة الْمَشْهودِ لَهمْ بِالْجَنَّة ، رضِي اللَّهُ عَنْهُم قال: » جَاءَنِي رسولُ االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يَعُودُنِي عَامَ حَجَّة الْوَداعِ مِنْ وَجعٍ اشْتدَّ بِي فَقُلْتُ : يا رسُول اللَّهِ إِنِّي قَدْ بلغَ بِي مِن الْوجعِ مَا تَرى ، وَأَنَا ذُو مَالٍ وَلاَ يَرثُنِي إِلاَّ ابْنةٌ لِي ، أَفأَتصَدَّق بثُلُثَىْ مالِي؟ قَالَ: لا ، قُلْتُ : فالشَّطُر يَارسوُلَ االله ؟ فقالَ : لا، قُلْتُ فالثُّلُثُ يا رسول اللَّه؟ قال: الثُّلثُ والثُّلُثُ آثِيرٌ أَوْ آَبِيرٌ إِنَّكَ إِنْ تَذرَ وَرثتك أغنِياءَ خَيْرٌ مِن أَنْ تذرهُمْ عالَةً يَتكفَّفُونَ النَّاس ، وَإِنَّكَ لَنْ تُنفِق نَفَقةً تبْتغِي بِهَا وجْهَ االله إِلاَّ أُجرْتَ عَلَيْهَا حَتَّى ما تَجْعلُ في في امْرَأَتكَ قَال: فَقلْت: يَا رَسُولَ االله أُخَلَّفَ بَعْدَ أَصْحَابِي؟ قَال: إِنَّك لن تُخَلَّفَ فتعْمَل عَمَلاً تَبْتغِي بِهِ وَجْهَ االله إلاَّ ازْددْتَ بِهِ دَرجةً ورِفعةً ولعَلَّك أَنْ تُخلَّف حَتَى ينْتفعَ بكَ أَقَوامٌ وَيُضَرَّ بك آخرُونَ. اللَّهُمَّ أَمْضِ لأِصْحابي هجْرتَهُم، وَلاَ ترُدَّهُمْ عَلَى أَعْقَابِهم، لَكن الْبائسُ سعْدُ بْنُ خـوْلَةَ » يرْثى لَهُ رسولُ االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم« أَن مَاتَ بمكَّةَ « متفقٌ عليه


Abu Ishaq Sa'd bin Abu Waqqas (May Allah be pleased with him) (one of the ten who had been given the glad tidings of entry into Jannah) narrated:
Messenger of Allah (ﷺ) visited me in my illness which became severe in the year of Hajjat-ul-Wada' (Farewell Pilgrimage). I said, "O Messenger of Allah, you can see the pain which I am suffering and I am a man of means and there is none to inherit from me except one daughter. Should I give two-thirds of my property in charity?" He (ﷺ) said, "No". I asked him, "Then half?" He said, "No". Then I asked, "Can I give away one-third". He said, "Give away one-third, and that is still too much. It is better to leave your heirs well-off than to leave them poor, begging people. You will not expend a thing in charity for the sake of Allah, but you will be rewarded for it; even the morsel of food which you feed your wife". I said, "O Messenger of Allah, would I survive my companions?" He said, "If you survive others and accomplish a thing for the sake of Allah, you would gain higher ranking and standing. You will survive them ... your survival will be beneficial to people (the Muslim) and harmful to others (the enemies of Islam). You will survive others till the people will derive benefit from you, and others would be harmed by you." Messenger of Allah (ﷺ) further said, "O Allah, complete for my Companions their emigration and do not cause them to retract." Sa'd bin Khaulah was unfortunate. Messenger of Allah (ﷺ) lamented his death as he died in Makkah.

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: In spite of all their love for it, the Companions of the Prophet (PBUH) did not like to die in a city from which they emigrated for the sake of Allah. For this reason Sa`d (May Allah be pleased with him) was afraid of dying in Makkah. The Prophet (PBUH) prayed for the accomplishment of Sa`d's emigration and expressed regret over the misfortune of Sa`d bin Khaulah. The latter died in Makkah.

Conclusion:
1. The Hadith lays down that in the course of a disease which seems to prove fatal, one cannot give more than onethird of the property in charity.
2. It is also emphasized that one gets reward even for what he spends on his wife and children.
3. One can report to others his ailment or to seek treatment and ask them to supplicate from him.
4. In the matter of Sadaqah (charity), which one gives to seek the Pleasure of Allah, his closest relatives. should
always have priority and preference over others.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৮/৮। আবূ হুরাইরাহ আব্দুর রহমান ইবনু সাখর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের দেহ এবং তোমাদের আকৃতি দেখেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন।’’[1]

وَعَنْ أبي هُريْرة عَبْدِ الرَّحْمن بْنِ صخْرٍ رضي االله عَنْهُ قال : قالَ رَسُولُ االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم: »إِنَّ االله لا يَنْظُرُ إِلى أَجْسامِكْم ، وَلا إِلى صُوَرِآُمْ ، وَلَكِنْ يَنْظُرُ إِلَى قُلُوبِكُمْ وَأَعمالِكُمْ « رواه مسلم


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) narrated:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "Allah does not look at your figures, nor at your attire but He looks at your hearts and accomplishments".

[Muslim].

Commentary: This Hadith highlights the importance of sincerity and good intention. It is, therefore, essential that every noble action should be based on these two virtues; and heart should be free from all such things that destroy noble deeds. Hypocrisy, ostentation, greed for wealth, riches and other wordly things fall in the category of such evils. Since the true condition of heart is known to Allah alone, the true position of one's actions will be known on the Day of Resurrection when one will be requited for them by Alah. In this world, one will be treated according to his apparent condition while his insight will be left to Allah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৯/৯। আবূ মূসা আব্দুল্লাহ ইবনু কায়স আশআরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল, যে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে, অন্ধ পক্ষপাতিত্বের জন্য যুদ্ধ করে এবং লোক প্রদর্শনের জন্য (সুনাম নেওয়ার উদ্দেশ্যে) যুদ্ধ করে, এর কোন্ যুদ্ধটি আল্লাহর পথে হবে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কালেমাকে উঁচু করার উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে, একমাত্র তারই যুদ্ধ আল্লাহর পথে হয়।’’[1]

وعَنْ أبي مُوسَى عبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ الأَشعرِيِّ رضِي االله عنه قالَ: سُئِلَ رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم عَنِ الرَّجُلِ يُقاتِلُ شَجَاعَةً ، ويُقاتِلُ حَمِيَّةً ويقاتِلُ رِياءً ، أَيُّ ذلِك في سَبِيلِ اللَّهِ؟ فَقَالَ رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : » مَنْ قاتَلَ لِتَكُون آلِمةُ اللَّهِ هِي الْعُلْيَا فهُوَ في سَبِيلِ اللَّهِ « مُتَّفَقٌ عليه


Abu Musa Al-Ash'ari (May Allah be pleased with him) reported that Messenger of Allah (ﷺ) was asked about who fights in the battlefield out of valour, or out of zeal, or out of hypocrisy, which of this is considered as fighting in the cause of Allah? He said:
"He who fights in order that the Word of Allah remains the supreme, is considered as fighting in the cause of Allah".

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: Since one's action will be evaluated in terms of intention, so he alone would be a Mujahid (warrior in the cause of Deen) who fights to glorify the Name of Allah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

১০/১০। আবূ বাক্‌রাহ নুফাই ইবনু হারেস সাক্বাফী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যখন দু’জন মুসলিম তরবারি নিয়ে আপোসে লড়াই করে, তখন হত্যাকারী ও নিহত দু’জনই জাহান্নামে যাবে।’’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! হত্যাকারীর জাহান্নামে যাওয়া তো স্পষ্ট; কিন্তু নিহত ব্যক্তির ব্যাপার কী?’ তিনি বললেন, ‘‘সেও তার সঙ্গীকে হত্যা করার জন্য লালায়িত ছিল।’’[1]

وعن أبي بَكْرَة نُفيْعِ بْنِ الْحارِثِ الثَّقفِي رَضِي االله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم قال: »إِذَا الْتقَى الْمُسْلِمَانِ بسيْفيْهِمَا فالْقاتِلُ والمقْتُولُ في النَّارِ« قُلْتُ : يَا رَسُول اللَّهِ ، هَذَا الْقَاتِلُ فمَا بَالُ الْمقْتُولِ ؟ قَال: »إِنَّهُ آَانَ حَرِيصاً عَلَى قَتْلِ صَاحِبِهِ« متفقٌ عليه


Abu Bakrah Ath-Thaqafi (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) said: "When two Muslims are engaged in a combat against each other with their sword's and one is killed, both are doomed to Hell". I said, "O Messenger of Allah! As to the one who kills, it is understandable, but why the slain one?" He (ﷺ) replied: "He was eager to kill his opponent".

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith leads to the conclusion that one would be punished for such sinful intention for which he has made a firm determination, and for the commitment of which he has adopted necessary measures, even if he does not succeed in committing it because of certain obstruction. Thus determination is different from a suggestion of the devil. The latter is excusable while one is accountable for his determination. However, what is mentioned in the Hadith will happen when Muslims fight among themselves for worldly honour and prejudices, and no religious issue would be the cause of their conflict, because in the latter case, it is possible that both might be depending on their own Ijtihad (exercise of opinion) for which they may be excused.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

১১/১১। আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মানুষের জামাআতের সঙ্গে নামায পড়ার নেকী, তার বাজারে ও বাড়ীতে নামায পড়ার চেয়ে (২৫ বা ২৭) গুণ বেশী। আর তা এ জন্য যে, যখন কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে আসে এবং সালাতই তাকে মসজিদে নিয়ে যায়, তখন তার মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত প্রত্যেক পদক্ষেপের বিনিময়ে একটি মর্যাদা উন্নত হয় ও একটি পাপ মোচন করা হয়।

অতঃপর যখন সে মসজিদে প্রবেশ করে, তখন যে পর্যন্ত সালাত তাকে (মসজিদে) আটকে রাখে, সে পর্যন্ত সে নামাযের মধ্যেই থাকে। আর ফিরিশতারা তোমাদের কোন ব্যক্তির জন্য সে পর্যন্ত রহমতের দো‘আ করতে থাকেন---যে পর্যন্ত সে ঐ স্থানে বসে থাকে, যে স্থানে সে সালাত আদায় করেছে। তাঁরা বলেন, ‘হে আল্লাহ! এর প্রতি দয়া কর, হে আল্লাহ! একে ক্ষমা কর, হে আল্লাহ! এর তওবাহ কবুল কর।’ (ফিরিশতাদের এই দো‘আ সে পর্যন্ত চলতে থাকে) যে পর্যন্ত সে কাউকে কষ্ট না দেয়, যে পর্যন্ত তার ওযূ নষ্ট না হয়।’’[1]

وَعَنْ أبي هُرَيْرَةَ رَضِيَ االله عنه قال: قال رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : »صَلاَةُ الرَّجُلِ في جماعةٍ تزيدُ عَلَى صَلاَتِهِ في سُوقِهِ وَبَيْتِهِ بضْعاً وعِشْرينَ دَرَجَةً ، وذلِكَ أَنَّ أَحَدَهُمْ إِذا تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ، ثُمَّ أَتَى الْمَسْجِد لا يُرِيدُ إِلاَّ الصَّلاَةَ ، لا يَنْهَزُهُ إِلاَّ الصَّلاَةُ ، لَمْ يَخطُ خُطوَةً إِلاَّ رُفِعَ لَهُ بِها دَرجةٌ ، وَحُطَّ عَنْهُ بِهَا خَطيئَةٌ حتَّى يَدْخلَ الْمَسْجِدَ ، فَإِذَا دخل الْمَسْجِدَ آانَ في الصَّلاَةِ مَا آَانَتِ الصَّلاةُ هِيَ التي تحبِسُهُ ، وَالْمَلائِكَةُ يُصَلُّونَ عَلَى أَحَدآُمْ ما دام في مَجْلِسهِ الَّذي صَلَّى فِيهِ ، يقُولُونَ : اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ ، اللَّهُمَّ تُبْ عَلَيْهِ ، مالَمْ يُؤْذِ فِيهِ ، مَا لَمْ يُحْدِثْ فِيهِ « متفقٌ عليه ،وهَذَا لَفْظُ مُسْلمٍ . وَقَوْلُهُ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : »ينْهَزُهُ « هُوَ بِفتحِ الْياءِ وَالْهاءِ وَبالزَّاي : أَي يُخْرِجُهُ ويُنْهِضُهُ .


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported that:
The Messenger of Allah (ﷺ) said: "The reward for Salat performed by a person in congregation is more than 20 times greater than that of the Salat performed in one's house or shop. When one performs Wudu' perfectly and then proceeds to the mosque with the sole intention of performing Salat, then for every step he takes towards the mosque, he is upgraded one degree in reward and one of his sins is eliminated until he enters the mosque, and when he enters the mosque, he is considered as performing Salat as long as it is the Salat which prevents him (from leaving the mosque); and the angels keep on supplicating Allah for him as long as he remains in his place of prayer. They say: 'O Allah! have mercy on him; O Allah! forgive his sins; O Allah! accept his repentance'. This will carry on as long as he does not pass wind".

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith shows that although it is permissible to perform Salat individually in market places and houses, but its collective performance in the mosque is 25, 26, or 27 times more meritorious, as mentioned in other Ahadith.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

১২/১২। আবূল আব্বাস আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস ইবনু আব্দুল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বরকতময় মহান প্রভু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ পুণ্যসমূহ ও পাপসমূহ লিখে দিয়েছেন। অতঃপর তিনি তার ব্যাখ্যাও করে দিয়েছেন। যে ব্যক্তি কোনো নেকী করার সংকল্প করে; কিন্তু সে তা কর্মে বাস্তবায়িত করতে পারে না, আল্লাহ তাবারাকা অতা‘আলা তার জন্য (কেবল নিয়ত করার বিনিময়ে) একটি পূর্ণ নেকী লিখে দেন।

আর সে যদি সংকল্প করার পর কাজটি করে ফেলে, তাহলে আল্লাহ তার বিনিময়ে দশ থেকে সাতশ গুণ, বরং তার চেয়েও অনেক গুণ নেকী লিখে দেন। পক্ষান্তরে যদি সে একটি পাপ করার সংকল্প করে; কিন্তু সে তা কর্মে বাস্তবায়িত না করে, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নিকট একটি পূর্ণ নেকী হিসাবে লিখে দেন। আর সে যদি সংকল্প করার পর ঐ পাপ কাজ করে ফেলে, তাহলে আল্লাহ মাত্র একটি পাপ লিপিবদ্ধ করেন।’’[1]

11وَعَنْ أبي الْعَبَّاسِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَِّلب رَضِي االله عنهما، عَنْ رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِوسَلَّم ، فِيما يَرْوى عَنْ ربِّهِ ، تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ : »إِنَّ االله آتَبَ الْحسناتِ والسَّيِّئاتِ ثُمَّ بَيَّنَ ذلك : فمَنْ همَّبِحَسَنةٍ فَلمْ يعْمَلْهَا آتبَهَا اللَّهُ عِنْدَهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى عِنْدَهُ حسنةً آامِلةً وَإِنْ همَّ بهَا فَعَمِلَهَا آَتَبَهَا اللَّهُ عَشْرحَسَنَاتٍ إِلَى سَبْعِمَائِةِ ضِعْفٍ إِلَى أَضْعَافٍ آثيرةٍ ، وَإِنْ هَمَّ بِسيِّئَةِ فَلَمْ يَعْمَلْهَا آَتَبَهَا اللَّهُ عِنْدَهُ حَسَنَةً آامِلَةً ،وَإِنْ هَمَّ بِها فعَمِلهَا آَتَبَهَا اللَّهُ سَيِّئَةً وَاحِدَةً« متفقٌ عليه .


'Abdullah bin 'Abbas (May Allah be pleased with them) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said that Allah, the Glorious, said: "Verily, Allah (SWT) has ordered that the good and the bad deeds be written down. Then He explained it clearly how (to write): He who intends to do a good deed but he does not do it, then Allah records it for him as a full good deed, but if he carries out his intention, then Allah the Exalted, writes it down for him as from ten to seven hundred folds, and even more. But if he intends to do an evil act and has not done it, then Allah writes it down with Him as a full good deed, but if he intends it and has done it, Allah writes it down as one bad deed".

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: What the Prophet (PBUH) relates to Allah is called Hadith Qudsi (Sacred Tradition). Such Hadith isrevealed to the Prophet (PBUH) by means of Ilham (inspiration). This Hadith mentions the magnitude of Divineblessings which He bestows upon His faithful slaves on the Day of Resurrection.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবুল আব্বাস (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

১৩/১৩। আবূ আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনু উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের পূর্বে (বানী ইসরাঈলের যুগে) তিন ব্যক্তি একদা সফরে বের হল। চলতে চলতে রাত এসে গেল। সুতরাং তারা রাত কাটানোর জন্য একটি পর্বত-গুহায় প্রবেশ করল। অল্পক্ষণ পরেই একটা বড় পাথর উপর থেকে গড়িয়ে নীচে এসে গুহার মুখ বন্ধ করে দিল। এ দেখে তারা বলল যে, ‘এহেন বিপদ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে এই যে, তোমরা তোমাদের নেক আমলসমূহকে অসীলা বানিয়ে আল্লাহর কাছে দো‘আ কর।’ সুতরাং তারা সব সব আমলের অসীলায় (আল্লাহর কাছে) দো‘আ করতে লাগল।

তাদের মধ্যে একজন বলল, ‘‘হে আল্লাহ! তুমি জান যে, আমার অত্যন্ত বৃদ্ধ পিতা-মাতা ছিল এবং (এও জান যে,) আমি সন্ধ্যা বেলায় সবার আগে তাদেরকে দুধ পান করাতাম। তাদের পূর্বে স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও কৃতদাস-দাসী কাউকে পান করাতাম না। একদিন আমি গাছের খোঁজে দূরে চলে গেলাম এবং বাড়ী ফিরে দেখতে পেলাম যে পিতা-মাতা ঘুমিয়ে গেছে। আমি সন্ধ্যার দুধ দহন করে তাদের কাছে উপস্থিত হয়ে দেখলাম, তারা ঘুমিয়ে আছে। আমি তাদেরকে জাগানো পছন্দ করলাম না এবং এও পছন্দ করলাম না যে, তাদের পূর্বে সন্তান-সন্ততি এবং কৃতদাস-দাসীকে দুধ পান করাই। তাই আমি দুধের বাটি নিয়ে তাদের ঘুম থেকে জাগার অপেক্ষায় তাদের শিয়রে দাঁড়িয়ে থাকলাম। অথচ শিশুরা ক্ষুধার তাড়নায় আমার পায়ের কাছে চেঁচামেচি করছিল। এভাবে ফজর উদয় হয়ে গেল এবং তারা জেগে উঠল। তারপর তারা নৈশদুধ পান করল। হে আল্লাহ! আমি যদি এ কাজ তোমার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য করে থাকি, তাহলে পাথরের কারণে আমরা যে গুহায় বন্দী হয়ে আছি এ থেকে তুমি আমাদেরকে উদ্ধার কর।’’

এই দো‘আর ফলস্বরূপ পাথর একটু সরে গেল। কিন্তু তাতে তারা বের হতে সক্ষম ছিল না।

দ্বিতীয়-জন দো‘আ করল, ‘‘হে আল্লাহ! আমার একটি চাচাতো বোন ছিল। সে আমার নিকট সকল মানুষের চেয়ে প্রিয়তমা ছিল। (অন্য বর্ণনা অনুযায়ী) আমি তাকে এত বেশী ভালবাসতাম, যত বেশী ভালবাসা পুরুষরা নারীদেরকে বাসতে পারে। একবার আমি তার সঙ্গে যৌন মিলন করার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু সে অস্বীকার করল। পরিশেষে সে যখন এক দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ল, তখন সে আমার কাছে এল। আমি তাকে এই শর্তে ১২০ দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) দিলাম, যেন সে আমার সঙ্গে যৌন-মিলন করে। সুতরাং সে (অভাবের তাড়নায়) রাজী হয়ে গেল। অতঃপর যখন আমি তাকে আয়ত্তে পেলাম। (অন্য বর্ণনা অনুযায়ী) যখন আমি তার দু’পায়ের মাঝে বসলাম, তখন সে বলল, তুমি আল্লাহকে ভয় কর এবং অবৈধভাবে (বিনা বিবাহে) আমার পবিত্রতা নষ্ট করো না। সুতরাং আমি তার কাছ থেকে দূরে সরে গেলাম; যদিও সে আমার একান্ত প্রিয়তমা ছিল এবং যে স্বর্ণমুদ্রা আমি তাকে দিয়েছিলাম তাও পরিত্যাগ করলাম। হে আল্লাহ! যদি আমি এ কাজ তোমার সন্তুষ্টির জন্য করে থাকি, তাহলে তুমি আমাদের উপর পতিত মুসীবতকে দূরীভূত কর।’’

সুতরাং পাথর আরো কিছুটা সরে গেল। কিন্তু তাতে তারা বের হতে সক্ষম ছিল না।

তৃতীয়জন দো‘আ করল, ‘‘হে আল্লাহ! আমি কিছু লোককে মজুর রেখেছিলাম। (কাজ সুসম্পন্ন হলে) আমি তাদের সকলকে মজুরী দিয়ে দিলাম। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন মজুরী না নিয়ে চলে গেল। আমি তার মজুরীর টাকা ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করলাম। (কিছুদিন পর) তা থেকে প্রচুর অর্থ জমে গেল। কিছুকাল পর একদিন সে এসে বলল, ‘হে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার মজুরী দিয়ে দাও।’ আমি বললাম, ‘এসব উঁট, গাভী, ছাগল এবং গোলাম (বাঁদি) যা তুমি দেখছ তা সবই তোমার মজুরীর ফল।’ সে বলল, ‘হে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার সঙ্গে উপহাস করবে না।’ আমি বললাম, ‘আমি তোমার সঙ্গে উপহাস করিনি (সত্য ঘটনাই বর্ণনা করছি)।’ সুতরাং আমার কথা শুনে সে তার সমস্ত মাল নিয়ে চলে গেল এবং কিছুই ছেড়ে গেল না। হে আল্লাহ! যদি আমি এ কাজ একমাত্র তোমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য করে থাকি, তাহলে যে বিপদে আমরা পড়েছি তা তুমি দূরীভূত কর।’’ এর ফলে পাথর সম্পূর্ণ সরে গেল এবং সকলেই (গুহা থেকে) বের হয়ে চলতে লাগল।[1]

وعن أبي عَبْد الرَّحْمَن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخطَّاب،ِ رضي االله عنهما قال: سَمِعْتُ رسول االله صَلّى االلهُعَلَيْهِ وسَلَّم يَقُولُ: »انْطَلَقَ ثَلاَثَةُ نفر مِمَّنْ آَانَ قَبْلَكُمْ حَتَّى آوَاهُمُ الْمبِيتُ إِلَى غَارٍ فَدَخَلُوهُ، فانْحَدَرَتْ صَخْرةٌمِنَ الْجبلِ فَسَدَّتْ عَلَيْهِمْ الْغَار،َ فَقَالُوا : إِنَّهُ لا يُنْجِيكُمْ مِنْ الصَّخْرَةِ إِلاَّ أَنْ تَدْعُوا االله تعالى بصالح أَعْمَالكُمْ .قال رجلٌ مِنهُمْ : اللَّهُمَّ آَانَ لِي أَبَوانِ شَيْخَانِ آَبِيرانِ ، وآُنْتُ لاَ أَغبِقُ قبْلهَما أَهْلاً وَلا مالاً فنأَى بي طَلَبُالشَّجرِ يَوْماً فَلمْ أُرِحْ عَلَيْهمَا حَتَّى نَامَا فَحَلبْت لَهُمَا غبُوقَهمَا فَوَجَدْتُهُمَا نَائِميْنِ ، فَكَرِهْت أَنْ أُوقظَهمَا وَأَنْأَغْبِقَ قَبْلَهُمَا أَهْلاً أَوْ مَالا،ً فَلَبِثْتُ وَالْقَدَحُ عَلَى يَدِى أَنْتَظِرُ اسْتِيقَاظَهُما حَتَّى بَرَقَ الْفَجْرُ وَالصِّبْيَةُ يَتَضاغَوْنَعِنْدَ قَدَمى فَاسْتَيْقظَا فَشَربَا غَبُوقَهُمَا . اللَّهُمَّ إِنْ آُنْتُ فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فَفَرِّجْ عَنَّا مَا نَحْنُ فِيهِ مِنْ هَذِهِالصَّخْرَة ، فانْفَرَجَتْ شَيْئاً لا يَسْتَطيعُونَ الْخُرُوجَ مِنْهُ .قال الآخر : اللَّهُمَّ إِنَّهُ آَانتْ لِيَ ابْنَةُ عمٍّ آانتْ أَحَبَّ النَّاسِ إِلَيَّ « وفي رواية : » آُنْتُ أُحِبُّهَا آَأَشد مَا يُحبُّالرِّجَالُ النِّسَاءِ ، فَأَرَدْتُهَا عَلَى نَفْسهَا فَامْتَنَعَتْ مِنِّى حَتَّى أَلَمَّتْ بِهَا سُنَةٌ مِنَ السِّنِينَ فَجَاءَتْنِى فَأَعْطَيْتُهِاعِشْرينَ وَمِائَةَ دِينَارٍ عَلَى أَنْ تُخَلِّىَ بَيْنِى وَبَيْنَ نَفْسِهَا ففَعَلَت ، حَتَّى إِذَا قَدَرْتُ عَلَيْهَا « وفي رواية : » فَلَمَّاقَعَدْتُ بَيْنَ رِجْليْهَا ، قَالتْ : اتَّقِ االله ولا تَفُضَّ الْخاتَمَ إِلاَّ بِحَقِّهِ ، فانْصَرَفْتُ عَنْهَا وَهِىَ أَحَبُّ النَّاسِ إِليَّ وَترآْتُالذَّهَبَ الَّذي أَعْطَيتُهَا ، اللَّهُمَّ إِنْ آُنْتُ فَعْلتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فافْرُجْ عَنَّا مَا نَحْنُ فِيهِ ، فانفَرَجَتِ الصَّخْرَةُغَيْرَ أَنَّهُمْ لا يَسْتَطِيعُونَ الْخُرُوجَ مِنْهَا .وقَالَ الثَّالِثُ : اللَّهُمَّ إِنِّي اسْتَأْجَرْتُ أُجرَاءَ وَأَعْطَيْتُهمْ أَجْرَهُمْ غَيْرَ رَجُلٍ وَاحِدٍ تَرَكَ الَّذي لَّه وذهب فثمَّرت أجرهحتى آثرت منه الأموال فجائنى بعد حين فقال يا عبد االله أَدِّ إِلَيَّ أَجْرِي ، فَقُلْتُ : آُلُّ مَا تَرَى منْ أَجْرِكَ : مِنَالإِبِلِ وَالْبَقَرِ وَالْغَنَم وَالرَّقِيق فقال: يا عَبْدَ اللَّهِ لا تَسْتهْزيْ بي ، فَقُلْتُ : لاَ أَسْتَهْزيُ بك، فَأَخَذَهُ آُلَّهُ فاسْتاقَهُفَلَمْ يَتْرُكْ مِنْه شَيْئاً ، اللَّهُمَّ إِنْ آُنْتُ فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتغَاءَ وَجْهِكَ فافْرُجْ عَنَّا مَا نَحْنُ فِيهِ ، فَانْفَرَجَتِ الصَّخْرَةُفخرَجُوا يَمْشُونَ « متفقٌ عليه.


'Abdullah bin 'Umar bin Al-Khattab (May Allah be pleased with them) narrated that:
He heard Messenger of Allah (ﷺ) as saying: "Three men, amongst those who came before you, set out until night came and they reached a cave, so they entered it. A rock fell down from the mountain and blocked the entrance of the cave. They said: 'Nothing will save you from this unless you supplicate to Allah by virtue of a righteous deed you have done.' Thereupon, one of them said: 'O Allah! I had parents who were old, and I used to offer them milk before any of my children or slaves.

One day, I went far away in search of grazing and could not come back until they had slept. When I milked as usual and brought the drink I found them both asleep. I hated to disturb them and also disliked to give milk to my children before them. My children were crying out of hunger at my feet but I awaited with the bowl in my hand for them to wake up. When they awoke at dawn, they drank milk. O Allah! If I did so to seek Your Pleasure, then deliver us from the distress caused by the rock'. The rock moved slightly but they were unable to escape. The next said: 'O Allah! I had a cousin whom I loved more than any one else (in another version he said: as a man can love a woman). I wanted to have sexual intercourse with her but she refused. Hard pressed in a year of famine, she approached me. I gave her one hundred and twenty dinars on condition that she would yield herself to me. She agreed and when we got together (for sexual intercourse), she said: Fear Allah and do not break the seal unlawfully. I moved away from her in spite of the fact that I loved her most passionately; and I let her keep the money I had given her. O Allah! If I did that to seek Your Pleasure, then, remove the distress in which we are.' The rock moved aside a bit further but they were still unable to get out. The third one said: 'O Allah! I hired some labourers and paid them their wages except one of them departed without taking his due. I invested his money in business and the business prospered greatly.

After a long time, he came to me and said: O slave of Allah! Pay me my dues. I said: All that you see is yours - camels, cattle, goats and slaves. He said: O slave of Allah! Do not mock at me. I assured him that I was not joking. So he took all the things and went away. He spared nothing. O Allah! If I did so seeking Your Pleasure, then relieve us of our distress.' The rock slipped aside and they got out walking freely".

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary:
1. It is permissible to pray through our virtuous deeds. But to make someone a medium for it, is an innovation in Deen which should be avoided for two major reasons. Firstly, there is no evidence in Shari`ah to support this.Secondly, it is against the practice of Khair-ul-Qurun, the best of generations. (This term is used for the first three generations of Muslims, the one in which the Prophet (PBUH) lived and the two following).

2. Preference should be given to the service of parents, even over the service of one's own wife and children.
3. To abstain from sins out of fear of Allah is a highly meritorious act.
4. Labourers should always be treated fairly. If someone has paid to a labourer less than his due, it should be paid to him in a decent manner.
5. Any supplication which is made sincerely, and with real sense of humbleness is granted by Allah.
6. Allah sometimes helps His pious men even in an unusual manner, which is termed as Karamat (wonder or marvel). Thus, like the miracles of the Prophets, wonders of the righteous people are also true. But miracles and wonders both appear with the Will of Allah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২: তওবার বিবরণ

উলামা সম্প্রদায়ের উক্তি এই যে, প্রত্যেক পাপ থেকে তওবা করা (চিরতরে প্রত্যাবর্তন করা) ওয়াজেব (অবশ্য-কর্তব্য)। যদি গোনাহর সম্পর্ক আল্লাহর (অবাধ্যতার) সঙ্গে থাকে এবং কোন মানুষের অধিকারের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকে, তাহলে এ ধরনের তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে।
১। পাপ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।
২। পাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে।
৩। ঐ পাপ আগামীতে দ্বিতীয়বার না করার দৃঢ় সঙ্কল্প করতে হবে। সুতরাং যদি এর মধ্যে একটি শর্তও লুপ্ত হয়, তাহলে সেই তওবা বিশুদ্ধ হবে না।

পক্ষান্তরে যদি সেই পাপ মানুষের অধিকার সম্পর্কিত হয়, তাহলে তা গ্রহণীয় হওয়ার জন্য চারটি শর্ত আছে। উপরোক্ত তিনটি এবং চতুর্থ শর্ত হল, হকদারদের হক ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি অবৈধ পন্থায় কারো মাল বা অন্য কিছু নিয়ে থাকে, তাহলে তা ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যদি কারো উপর মিথ্যা অপবাদ দেয় অথবা অনুরূপ কোনো দোষ করে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে শাস্তি নিতে নিজেকে পেশ করতে হবে অথবা তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। যদি কারো গীবত করে থাকে, তাহলে তার কাছে তা বৈধ করে নেবে ।

সমস্ত পাপ থেকে তওবাহ করা ওয়াজেব। আংশিক পাপ থেকে তওবাহ করলে সেই তওবাহ হকপন্থী আলেমগণের নিকট গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হবে এবং অবশিষ্ট পাপ রয়ে যাবে। তওবা ওয়াজেব হওয়ার ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসে প্রচুর প্রমাণ রয়েছে এবং এ ব্যাপারে উম্মতের ঐকমত্যও বিদ্যমান।

আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

﴿ وَتُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ ﴾ [النور: ٣١]

অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।” (সূরা নূর ৩১ আয়াত)

﴿ وَأَنِ ٱسۡتَغۡفِرُواْ رَبَّكُمۡ ثُمَّ تُوبُوٓاْ إِلَيۡهِ ﴾ [هود: ٣]

অর্থাৎ “তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট (পাপের জন্য) ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তাঁর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর।” (সূরা হূদ ৩ আয়াত)

তিনি আরো বলেছেন,

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ تُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ تَوۡبَةٗ نَّصُوحًا ﴾ [التحريم: ٨]

অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর বিশুদ্ধ তওবা।” (সূরা তাহরীম ৮ আয়াত)


১/১৪। আবূ হুরাইরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, ‘‘আল্লাহর কসম! আমি প্রত্যহ ৭০ বারের অধিক আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা ও তওবা করি।’’[1]

وعَنْ أبي هُرَيْرَةَ رضي االله عنه قال : سمِعتُ رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يَقُولُ : » واللَّه إِنِّيلأَسْتَغْفرُ االله ، وَأَتُوبُ إِليْه ، في اليَوْمِ ، أَآثر مِنْ سَبْعِين مرَّةً « رواه البخاري .


Scholars said: It is necessary to repent from every sin. If the offense involves the Right of Allah, not a human, then
there are three condition to be met in order that repentance be accepted by Allah:
1- To desist from committing it.
2- To feel sorry for committing it.
3- To decide not to recommit it.
Any repentance failing to meet any of these three conditions, would not be sound.
But if the sin involves a human's right, it requires a fourth condition, i.e., to absolve onself from such right. If it is a
property, he should return it to its rightful owner. If it is slandering or backbiting, one should ask the pardon of the
offended.
One should also repent from all sins. If he repents from some, his repentance would still be sound according to the
people of sound knowledge. He should, however, repent from the rest. Scriptural proofs from the Book and the
Sunnah and the consensus of the scholars support the incumbency of repentance.
Allah, the, Exalted says:
"And all of you beg Allah to forgive you, O believers, that you may be successful". (24:31)
"Seek the forgiveness of your Rubb, and turn to Him in repentance". (11:3)
"O you who believe! Turn to Allah with sincere repentance!". (66:8)
---------
Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
I heard Messenger of Allah (ﷺ) saying: "By Allah, I seek Allah's forgiveness and repent to Him more than seventy times a day."

[Al-Bukhari].

Commentary:
1. It is an inducement for seeking pardon and forgiveness. The Prophet (PBUH), whose past and future sins were
forgiven, asked Allah's forigveness - then how about us, who commit sins on regular basis, not to seek pardon and
forgiveness from Allah?

2. Sincere and ceaseless prayer for pardon is essential so that sins committed by us unintentionally are also forgiven. The above Hadith lays great emphasis on seeking pardon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২: তওবার বিবরণ

২/১৫। আগার্র ইবনু ইয়াসার মুযানী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর সমীপে তওবা কর ও তাঁর নিকট ক্ষমা চাও! কেননা, আমি প্রতিদিন ১০০ বার করে তওবাহ করে থাকি।’’[1]

وعن الأَغَرِّ بْن يَسار المُزنِيِّ رضي االله عنه قال : قال رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : » يا أَيُّها النَّاستُوبُوا إِلى اللَّهِ واسْتغْفرُوهُ فإِني أَتوبُ في اليَوْمِ مائة مَرَّة « رواه مسلم


Al-Agharr bin Yasar Al-Muzani (May Allah be pleased with him) narrated that: The Messenger of Allah (PBUH) said: "Turn you people in repentance to Allah and beg pardon of Him. I turn to Him in repentance a hundred times a day".
[Muslim]


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আগার আল-মুযানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২: তওবার বিবরণ

৩/১৬। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খাদেম, আবূ হামযাহ আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় বান্দার তওবা করার জন্য ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা বেশী আনন্দিত হন, যে তার উট জঙ্গলে হারিয়ে ফেলার পর পুনরায় ফিরে পায়।’’(বুখারী ৬৩০৯, মুসলিম ২৭৪৭, আহমাদ ১২৮১৫)

মুসলিমের অন্য বর্ণনায় এইভাবে এসেছে যে, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দার তওবায় যখন সে তওবা করে তোমাদের সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশী খুশী হন, যে তার বাহনের উপর চড়ে কোনো মরুভূমি বা জনহীন প্রান্তর অতিক্রমকালে বাহনটি তার নিকট থেকে পালিয়ে যায়। আর খাদ্য ও পানীয় সব ওর পিঠের উপর থাকে। অতঃপর বহু খোঁজাখুঁজির পর নিরাশ হয়ে সে একটি গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে বাহনটি হঠাৎ তার সম্মুখে দাঁড়িয়ে যায়। সে তার লাগাম ধরে খুশীর চোটে বলে ওঠে, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার দাস, আর আমি তোমার প্রভু!’ সীমাহীন খুশীর কারণে সে ভুল করে ফেলে।’’

وعنْ أبي حَمْزَةَ أَنَس بن مَالِكٍ الأَنْصَارِيِّ خَادِمِ رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم ، رضي االله عنه قال :قال رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : للَّهُ أَفْرحُ بتْوبةِ عَبْدِهِ مِنْ أَحَدِآُمْ سقطَ عَلَى بعِيرِهِ وقد أَضلَّهُ في أَرضٍفَلاةٍ متفقٌ عليه .وفي رواية لمُسْلمٍ : » للَّهُ أَشدُّ فرحاً بِتَوْبةِ عَبْدِهِ حِين يتُوبُ إِلْيهِ مِنْ أَحَدِآُمْ آان عَلَى راحِلَتِهِ بِأَرْضٍ فلاةٍ ،فانْفلتتْ مِنْهُ وعلَيْها طعامُهُ وشرَابُهُ فأَيِسَ مِنْهَا ، فأَتَى شَجَرةً فاضْطَجَعَ في ظِلِّهَا ، وقد أَيِسَ مِنْ رَاحِلتِهِ ،فَبَيْنما هوَ آَذَلِكَ إِذْ هُوَ بِها قَائِمة عِنْدَهُ ، فَأَخذ بِخطامِهَا ثُمَّ قَالَ مِنْ شِدَّةِ الفَرحِ : اللَّهُمَّ أَنت عبْدِي وأَنا ربُّك،َأَخْطَأَ مِنْ شِدَّةِ الفرح «


Anas bin Malik Al-Ansari (MayAllah be pleased with him) the servant of the Messenger of Allah narrated: Messenger of Allah (PBUH) said, "Verily, Allah is more delighted with the repentance of His slave than a person who lost his camel in a desert land and then finds it (unexpectedly)".
[Al-Bukhari and Muslim].

In another version of Muslim, he said: "Verily, Allah is more pleased with the repentance of His slave than a person
who has his camel in a waterless desert carrying his provision of food and drink and it is lost. He, having lost all
hopes (to get that back), lies down in shade and is disappointed about his camel; when all of a sudden he finds thatcamel standing before him. He takes hold of its reins and then out of boundless joy blurts out: 'O Allah, You are my slave and I am Your Rubb'.He commits this mistake out of extreme joy".

Commentary:
1. This Hadith also deals with the inducement and merit of repentance and pardon for sins. Allah is highly pleased
with repentance.
2 One will not have to account for a mistake made without any purpose and intention.
3. It is permissible to take an oath to stress on one's pardon.
4. One can quote an instance for the purpose of understanding and elaboration.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২: তওবার বিবরণ

৪/১৭। আবূ মূসা আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা নিজ হাত রাতে প্রসারিত করেন; যেন দিনে পাপকারী (রাতে) তওবা করে এবং দিনে তাঁর হাত প্রসারিত করেন; যেন রাতে পাপকারী (দিনে) তওবাহ করে। যে পর্যন্ত পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় না হবে, সে পর্যন্ত এই রীতি চালু থাকবে।’ [1]

وعن أبي مُوسى عَبْدِ اللَّهِ بنِ قَيْسٍ الأَشْعَرِيِّ ، رضِي االله عنه ، عن النَّبِيَّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم قال: »إِن االله تعالى يبْسُطُ يدهُ بِاللَّيْلِ ليتُوب مُسيءُ النَّهَارِ وَيبْسُطُ يَدهُ بالنَّهَارِ ليَتُوبَ مُسِيءُ اللَّيْلِ حتَّى تَطْلُعَالشَّمْسُ مِن مغْرِبِها « رواه مسلم


Abu Musa Al-Ash'ari (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) said: "Allah, the Exalted, will continue to stretch out His Hand in the night so that the sinners of the day may repent, and continue to stretch His Hand in the daytime so that the sinners of the night may repent, until the sun rises from the west".

[Muslim].

Commentary: This Hadith confirms an essential Attribute of Allah, i.e., the Hand which He stretches out anytime
He wishes without drawing similarity to it, nor interpretation. Such was the attitude of the pious predecessors with regards to all of the essential Attributes of Allah. It is deduced from this Hadith that if one commits a sin during any hour of day or night, he should immediately seek the forgiveness of Allah as a result.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২: তওবার বিবরণ

৫/১৮। আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় হওয়ার পূর্বে তওবা করবে, আল্লাহ তার তওবা গ্রহণ করবেন।’’[1]

وعَنْ أبي هُريْرةَ رضي االله عنه قال : قال رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : » مَنْ تاب قَبْلَ أَنْ تطلُعَالشَّمْسُ مِنْ مغْرِبِهَا تَابَ االله علَيْه « رواه مسلم


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) narrated:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "He who repents before the sun rises from the west, Allah will forgive him".

[Muslim].

Commentary: Taubah means returning to Allah from sins. When a person commits a sin, he goes away from Allah. When he repents, he returns to Allah and desires for being pardoned by Him, and getting near Him. This returning towards Him is Taubah. When it is said that `Allah turns towards him', it means that Allah accepts his repentance.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২: তওবার বিবরণ

৬/১৯। আবূ আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা বান্দার তওবাহ সে পর্যন্ত কবুল করবেন, যে পর্যন্ত তার প্রাণ কণ্ঠাগত না হয়।”[1]

وعَنْ أبي عَبْدِ الرَّحْمن عَبْدِ اللَّهِ بن عُمرَ بن الخطَّاب رضي االله عنهما عن النَّبيِّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّمقال: »إِنَّ االله عزَّ وجَلَّ يقْبَلُ توْبة العبْدِ مَالَم يُغرْغرِ« رواه الترمذي وقال: حديث حسنٌ


'Abdullah bin 'Umar bin Al-Khattab (May Allah be pleased with them) reported that:
The Prophet (ﷺ) said, "Allah accepts a slave's repentance as long as the latter is not on his death bed (that is, before the soul of the dying person reaches the throat)".

[At-Tirmidhi, who categorised it as Hadith Hasan].

Commentary: The word Ghargharah means the stage when soul is about to leave the body and reaches the hroat.
In other words, the time when one suffers the agony of death. Hadith Hasan means that Hadith the authenticity of which is connected without any technical defect. Their narrators, however, are next to those of Hadith Sahih. In the opinion of Muhaddithin (Hadith scholars), Hadith Hasan is also reliable as Hadith Sahih.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২: তওবার বিবরণ

৭/২০। যির্র ইবনু হুবাইশ বলেন যে, আমি মোজার উপর মাসাহ করার মাসআলা জিজ্ঞাসা করার জন্য সাফওয়ান ইবনু আস্‌সালের নিকট গেলাম। তিনি বললেন, ‘হে যির্র! তোমার আগমনের উদ্দেশ্য কি?’ আমি বললাম, ‘জ্ঞান অন্বেষণ।’ তিনি বললেন, ‘নিশ্চয় ফিরিশতামণ্ডলী ঐ অন্বেষণের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে বিদ্যার্থীর জন্য নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন।’

অতঃপর আমি বললাম, ‘পেশাব-পায়খানার পর মোজার উপর মাসাহ করার ব্যাপারে আমার মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একজন সাহাবী, তাই আপনার নিকট জানতে এলাম যে, আপনি এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন কি না?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ! যখন আমরা বিদেশ সফরে বের হতাম, তখন তিনি আমাদেরকে (সফরে) তিনদিন ও তিন রাত মোজা না খোলার আদেশ দিতেন (অর্থাৎ আমরা যেন এই সময়সীমা পর্যন্ত মাসাহ করতে থাকি), কিন্তু বড় অপবিত্রতা (সঙ্গম, বীর্যপাত ইত্যাদি) হেতু অপবিত্র হলে (মোজা খুলতে হবে)। কিন্তু পেশাব-পায়খানা ও ঘুম থেকে উঠলে নয়। (এ সবের পর রীতিমত মাসাহ করা জায়েয)।’ আমি বললাম, ‘আপনি কি তাঁকে ভালবাসা সম্পর্কে কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ। আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সফরে ছিলাম।

আমরা তাঁর সঙ্গে বসেছিলাম, এমন সময় এক বেদুঈন অতি উঁচু গলায় ডাক দিল, ‘‘হে মুহাম্মাদ!’’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাকে উঁচু আওয়াজে জবাব দিলেন, ‘‘এখানে এস!’’ আমি তাকে বললাম, ‘‘আরে তুমি নিজের আওয়াজ নীচু কর! কেননা, তুমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আছ। তাঁর নিকট এ রকম উঁচু গলায় কথা বলা তোমার (বরং সকলের) জন্য নিষিদ্ধ।’’ সে (বেদুঈন) বলল, ‘‘আল্লাহর কসম! আমি তো আস্তে কথা বলবই না।’’ বেদুঈন বলল, ‘‘কোন ব্যক্তি কিছু লোককে ভালবাসে; কিন্তু সে তাদের (মর্যাদায়) পৌঁছতে পারেনি? (এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?)।’’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যুত্তরে বললেন, ‘‘মানুষ কিয়ামতের দিন ঐ লোকদের সঙ্গে থাকবে, যাদেরকে সে ভালবাসবে।’’ পুনরায় তিনি আমাদের সাথে কথাবার্তা বলতে থাকলেন। এমনকি তিনি পশ্চিম দিকের একটি দরজার কথা উল্লেখ করলেন, যার প্রস্থের দূরত্ব ৪০ কিংবা ৭০ বছরের পথ অথবা তিনি বললেন, ওর প্রস্থে একজন আরোহী ৪০ কিম্বা ৭০ বছর চলতে থাকবে। (সুফইয়ান এই হাদীসের একজন বর্ণনাকারী বলেন যে, এই দরজা সিরিয়ার দিকে অবস্থিত।) আল্লাহ তা‘আলা এই দরজাটি আসমান-যমীন সৃষ্টি করার দিন সৃষ্টি করেছেন এবং সেই সময় থেকে তা তওবার জন্য খোলা রয়েছে। পশ্চিমদিক থেকে সূর্য না উঠা পর্যন্ত এটা বন্ধ হবে না।’[1]

وعَنْ زِرِّ بْنِ حُبْيشٍ قَال : أَتيْتُ صفْوانَ بْنِ عسَّالٍ رضِي االله عنْهُ أَسْأَلُهُ عن الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ فقال :مَا جَاءَ بِكَ يَا زِرُّ ؟ فقُلْتُ : ابْتغَاءُ الْعِلْمِ ، فقَال: إِنَّ الْملائِكَةَ تَضَعُ أَجْنِحتِها لِطَالِبِ الْعِلْمِ رِضاء بمَا يَطلُبُ ،فَقلْتُ : إِنَّه قدْ حَكَّ في صدْرِي الْمسْحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ بَعْدَ الْغَائِطِ والْبوْلِ ، وآُنْتَ امْرَءاً مِنْ أَصْحاب النَّبِيِّ صَلّىااللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم ، فَجئْت أَسْأَلُكَ : هَلْ سمِعْتَهُ يذْآرُ في ذَلِكَ شيْئاً ؟ قال : نعَمْ آانَ يأْمُرنا إذا آُنا سفراً أوْمُسافِرين أَن لا ننْزعَ خفافَنا ثلاثة أَيَّامٍ ولَيَالِيهنَّ إِلاَّ مِنْ جنَابةٍ ، لكِنْ مِنْ غائطٍ وبْولٍ ونْومٍ . فقُلْتُ : هَلسمِعتهُ يذآُر في الْهوى شيْئاً ؟ قال : نعمْ آُنَّا مَع رسول االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم في سفرٍ ، فبيْنا نحنُ عِنْدهُإِذ نادَاهُ أَعْرابي بصوْتٍ له جهوريٍّ : يا مُحمَّدُ ، فأَجَابهُ رسولُ االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم نحْوا مِنْ صَوْتِه :»هاؤُمْ« فقُلْتُ لهُ : وَيْحَكَ اغْضُضْ مِنْ صَوْتِكَ فإِنَّك عِنْد النَّبيِّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم وقدْ نُهِيت عَنْ هذا ،فقال : واللَّه لا أَغضُضُ : قَالَ الأَعْرابِيُّ : الْمَرْءُ يُحِبُّ الْقَوم ولَمَّا يلْحق بِهِمْ؟ قال النَّبِيُّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم: »الْمرْءُ مع منْ أَحَبَّ يَوْمَ الْقِيامةِ « فما زَالَ يُحدِّثُنَا حتَّى ذآر باباً من الْمَغْرب مَسيرةُ عرْضِه أوْ يسِيرالرَّاآِبُ في عرْضِهِ أَرْبَعِينَ أَوْ سَبْعِينَ عَاماً. قَالَ سُفْيانُ أَحدُ الرُّوَاةِ . قِبل الشَّامِ خلقَهُ اللَّهُ تعالى يوْم خلقالسموات والأَرْضَ مفْتوحاً لِلتَّوبة لا يُغلقُ حتَّى تَطلُعَ الشَّمْسُ مِنْهُ « رواه التِّرْمذي وغيره وقال : حديثحسن صحيح


Zirr bin Hubaish reported:
I went to Safwan bin 'Assal (May Allah be pleased with him) to inquire about wiping with wet hands over light boots while performing Wudu'. He asked me, "What brings you here, Zirr?" I answered: "Search for knowledge". He said, "Angels spread their wings for the seeker of knowledge out of joy for what he seeks". I told him, "I have some doubts in my mind regarding wiping of wet hands over light boots in the course of performing Wudu' after defecation or urinating. Now since you are one of the Companions of the Prophet (ﷺ), I have come to ask you whether you heard any saying of the Prophet (ﷺ) concerning it?". He replied in the affirmative and said, "He (ﷺ) instructed us that during a journey we need not take off our light boots for washing the feet up to three days and nights, except in case of major impurity (after sexual intercourse). In other cases such as sleeping, relieving oneself or urinating, the wiping of wet hands over light boots will suffice."
I, then, questioned him, "Did you hear him say anything about love and affection?" He replied, "We accompanied the Messenger of Allah (ﷺ) in a journey when a bedouin called out in a loud voice, 'O Muhammad.' The Messenger of Allah (ﷺ) replied him in the same tone, 'Here I am.' I said to him (the bedouin), 'Woe to you, lower your voice in his presence, because you are not allowed to do so.' He said, 'By Allah! I will not lower my voice,' and then addressing the Prophet (ﷺ) he said, 'What about a person who loves people but has not found himself in their company.' Messenger of Allah (ﷺ) replied, 'On the Day of Resurrection, a person will be in the company of those whom he loves.' The Messenger of Allah then kept on talking to us and in the course of his talk, he mentioned a gateway in the heaven, the width of which could be crossed by a rider in forty or seventy years".

Sufyan, one of the narrators of this tradition, said: "This gateway is in the direction of Syria. Allah created it on the day He created the heavens and the earth. It is open for repentance and will not be shut until the sun rises from that direction (i.e., the West) (on Doomsday)".

[At-Tirmidhi, who categorised it as Hadith Hasan Grade: Sahih]

Commentary:

1. We learn from this Hadith that in ablution, it is permissible to wipe over light boots rather than washing the feet.It is called Mash. The period, in which Mash is intact, in case of travellers it is three days and three nights; while forthe residents, it is one day and one night only. A precondition for it is that light boots should be clean and worn afterfull Wudu'. Ankles should also be covered. In case of breach of ablution, the wiping over the socks is sufficient, andthere is no need for washing the feet. Wudu' is invalidated by sleeping, call of nature and passing of wind. This iscalled Hadath Asghar. In the case of Hadath Akbar, which occurs because of coitus, menses and wet dream, washingof the whole body becomes obligatory. It means that the privilege of wiping over the light boots is also finished inthis case, in the same way as it does after the expiry of period specified for it.

2. One should associate himself with the pious people so that he is counted among them. One also comes to knowmany other points from this Hadith which every intelligent person can understand with a little effort.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ যির ইবন হুবায়শ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬৮৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 34 35 পরের পাতা »