মুয়াত্তা মালিক ১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ১. শৌচকার্যে গমন করিলে তখন কিবলাকে সামনে রাখা নিষেধ

রেওয়ায়ত ১. নাফি ইবন ইসহাক (রহঃ) বলেন- নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ)-কে আমি মিসরে বলিতে শুনিয়াছিঃ আল্লাহর কসম, আমি জানি না এই শৌচাগারগুলি কি করিব। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন তোমাদের কেউ যদি শৌচকার্যের জন্য যায় তবে কিবলাকে সামনেও করিবে না এবং পিছনেও করিবে না।

بَاب النَّهْيِ عَنْ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ وَالْإِنْسَانُ عَلَى حَاجَتِهِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ رَافِعِ بْنِ إِسْحَقَ مَوْلًى لِآلِ الشِّفَاءِ وَكَانَ يُقَالُ لَهُ مَوْلَى أَبِي طَلْحَةَ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيَّ صَاحِبَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ بِمِصْرَ يَقُولُ وَاللَّهِ مَا أَدْرِي كَيْفَ أَصْنَعُ بِهَذِهِ الْكَرَابِيسِ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَهَبَ أَحَدُكُمْ الْغَائِطَ أَوْ الْبَوْلَ فَلَا يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ وَلَا يَسْتَدْبِرْهَا بِفَرْجِهِ

حدثني يحيى عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن رافع بن إسحق مولى لآل الشفاء وكان يقال له مولى أبي طلحة أنه سمع أبا أيوب الأنصاري صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بمصر يقول والله ما أدري كيف أصنع بهذه الكرابيس وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب أحدكم الغائط أو البول فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها بفرجه


Yahya related to me from Malik from Ishaq ibn Abdullah ibn Abi Talha that Rafiibn Ishaq, a mawla of the family of ash-Shifa who was known as the mawla of Abu Talha, heard Abu Ayyub al-Ansari, one of the companions of the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, while he was in Egypt, "By Allah! I don't know how to deal with these lavatories." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "When you go to defecate or urinate, do not expose your genitals towards the qibla, and do not put your back to it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ১. শৌচকার্যে গমন করিলে তখন কিবলাকে সামনে রাখা নিষেধ

রেওয়ায়ত ২. জনৈক আনসার সাহাবী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, শৌচকার্যের সময় কিবলাকে সামনে করিয়া বসিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদিগকে নিষেধ করিয়াছেন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ وَالْإِنْسَانُ عَلَى حَاجَتِهِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْ الْأَنْصَارِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ تُسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةُ لِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ

وحدثني عن مالك عن نافع عن رجل من الأنصار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن تستقبل القبلة لغائط أو بول


Yahya related to me from Malik from one of the Ansar that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, forbade defecating or urinating while facing the qibla.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ২. শৌচকার্যের সময় কিবলাকে সামনে রাখার ব্যাপারে অনুমতি

রেওয়ায়ত ৩. ওয়াসি ইবন হাব্বান (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ কিছুসংখ্যক লোক বলিয়া থাকেঃ তুমি যখন তোমার আবশ্যকের জন্য (প্রস্রাব ও পায়খানার জন্য) বস, তখন কিবলা ও বায়তুল মুকাদ্দাসকে সামনে করিবে না। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ (একবার) আমি আমাদের গৃহের ছাদে চড়িলাম, তখন আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (তাহার আবশ্যকের জন্য) দুইটি ইটের উপর উপবিষ্ট দেখিলাম, বায়তুল মুকাদ্দাসকে সামনে রাখিয়া। অতঃপর তিনি বলেনঃ সম্ভবত তোমরা তোমাদের পাছার উপর নামায পড়। রাবী (ওয়াসি ইবন হাব্বান) বলেন- আমি বলিলামঃ আল্লাহর কসম, আমি জানি না আপনি ইহা দ্বারা কি বুঝাইয়াছেন। তখন তিনি বললেনঃ অর্থাৎ যে জমির সাথে পাছা লাগাইয়া সিজদা করে (সে পাছার উপর নামায পড়ে)।

بَاب الرُّخْصَةِ فِي اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ لِبَوْلٍ أَوْ غَائِطٍ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ عَنْ عَمِّهِ وَاسِعِ بْنِ حَبَّانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ إِنَّ أُنَاسًا يَقُولُونَ إِذَا قَعَدْتَ عَلَى حَاجَتِكَ فَلَا تَسْتَقْبِلْ الْقِبْلَةَ وَلَا بَيْتَ الْمَقْدِسِ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَقَدْ ارْتَقَيْتُ عَلَى ظَهْرِ بَيْتٍ لَنَا فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى لَبِنَتَيْنِ مُسْتَقْبِلَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ لِحَاجَتِهِ ثُمَّ قَالَ لَعَلَّكَ مِنْ الَّذِينَ يُصَلُّونَ عَلَى أَوْرَاكِهِمْ قَالَ قُلْتُ لَا أَدْرِي وَاللَّهِ قَالَ مَالِك يَعْنِي الَّذِي يَسْجُدُ وَلَا يَرْتَفِعُ عَلَى الْأَرْضِ يَسْجُدُ وَهُوَ لَاصِقٌ بِالْأَرْضِ

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن عمه واسع بن حبان عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول إن أناسا يقولون إذا قعدت على حاجتك فلا تستقبل القبلة ولا بيت المقدس قال عبد الله لقد ارتقيت على ظهر بيت لنا فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم على لبنتين مستقبل بيت المقدس لحاجته ثم قال لعلك من الذين يصلون على أوراكهم قال قلت لا أدري والله قال مالك يعني الذي يسجد ولا يرتفع على الأرض يسجد وهو لاصق بالأرض


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said from Muhammad ibn Yahya ibn Habban from his paternal uncle, Wasi ibn Habban, that Abdullah ibn Umar said, "People say, 'When you sit to relieve yourself, do not face the qibla or the Bayt al-Maqdis.' "

Abdullah continued, "I went upon top of a house of ours and saw the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, (squatting) on two unfired bricks facing the Bayt al-Maqdis, relieving himself."

Ibn Umar added, "Perhaps you are one of those who pray folded on their haunches."

Wasi replied, "I don't know, by Allah!"

Malik said that he meant someone who, when he prostrated, kept his body close to the ground.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৩. কিবলার দিকে খুধু নিক্ষেপ করা নিষেধ

রেওয়ায়ত ৪. আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) কিবলার দিকে দেওয়ালে থুথু দেখিতে পাইয়া উহাকে ঘষিয়া তুলিয়া ফেলিলেন। তারপর তিনি মুখমণ্ডল লোকের দিকে করিলেন। অতঃপর তিনি বলিলেনঃ তোমাদের কেউ যখন নামায পড়ে, সে যেন সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কারণ যখন নামায পড়ে তখন অবশ্যই সামনের দিকে আল্লাহ্ তা'আলা থাকেন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْبُصَاقِ فِي الْقِبْلَةِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى بُصَاقًا فِي جِدَارِ الْقِبْلَةِ فَحَكَّهُ ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي فَلَا يَبْصُقْ قِبَلَ وَجْهِهِ فَإِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قِبَلَ وَجْهِهِ إِذَا صَلَّى

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى بصاقا في جدار القبلة فحكه ثم أقبل على الناس فقال إذا كان أحدكم يصلي فلا يبصق قبل وجهه فإن الله تبارك وتعالى قبل وجهه إذا صلى


Yahya related to me from Malik from Nafi from Abdullah ibn Umar that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, saw spittle on the wall of the qibla and scraped it off. Then he went up to the people and said, "Do not spit in front of you when you are praying, because Allah, the Blessed and Exalted, is in front of you when you pray."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৩. কিবলার দিকে খুধু নিক্ষেপ করা নিষেধ

রেওয়ায়ত ৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কিবলার দিকে দেওয়ালে থুথু অথবা কাশ বা নাকের পানি (কোনটি বলিয়াছেন এই বিষয়ে রাবীর সন্দেহ হইয়াছে) দেখিতে পাইলেন, তিনি উহা ঘষিয়া পরিষ্কার করিয়াছিলেন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْبُصَاقِ فِي الْقِبْلَةِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى فِي جِدَارِ الْقِبْلَةِ بُصَاقًا أَوْ مُخَاطًا أَوْ نُخَامَةً فَحَكَّهُ

وحدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى في جدار القبلة بصاقا أو مخاطا أو نخامة فحكه


Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa from his father from A'isha, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, that the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, saw spittle, or mucus or phlegm, on the wall of the qibla and scraped it off.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কিবলার বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যখন লোকজন কাবাগৃহে ফজরের নামাযে ছিলেন এমন সময় একজন আগন্তুক তাহদের নিকট আসিলেন। তিনি (আসিয়া) বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর (গত) রাত্রে কুরআন নাযিল হইয়াছে। তাহাকে নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে (নামাযে) কাবা’র দিকে মুখমণ্ডল করার জন্য। অতএব আপনারাও কাবার দিকে মুখ করুন। ইহা শুনিয়া তাহারা কাবা’-র দিকে ঘুরিয়া গেলেন অথবা তাহাদের মুখ ছিল শামের দিকে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقِبْلَةِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ بَيْنَمَا النَّاسُ بِقُبَاءٍ فِي صَلَاةِ الصُّبْحِ إِذْ جَاءَهُمْ آتٍ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ قُرْآنٌ وَقَدْ أُمِرَ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الْكَعْبَةَ فَاسْتَقْبَلُوهَا وَكَانَتْ وُجُوهُهُمْ إِلَى الشَّامِ فَاسْتَدَارُوا إِلَى الْكَعْبَةِ

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال بينما الناس بقباء في صلاة الصبح إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة قرآن وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Dinar that Abdullah ibn Umar said, "On one occasion when the people were praying subhat Quba a man came to them and said, 'A piece of Qur'an was sent down to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, last night, and he was ordered to face the Kaba, so face it.' They had been facing ash-Sham, so they turned round and faced the Kaba.''


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কিবলার বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৭. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় শুভাগমন করার পর ষোল মাস যাবত বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায পড়িয়াছেন। অতঃপর বদরের (যুদ্ধের) দুই মাস পূর্বে কিবলা পরিবর্তিত হয়।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقِبْلَةِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ أَنْ قَدِمَ الْمَدِينَةَ سِتَّةَ عَشَرَ شَهْرًا نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ حُوِّلَتْ الْقِبْلَةُ قَبْلَ بَدْرٍ بِشَهْرَيْنِ

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد أن قدم المدينة ستة عشر شهرا نحو بيت المقدس ثم حولت القبلة قبل بدر بشهرين


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that Said ibn al-Musayyab said, "The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, prayed towards the Baytal-Maqdis for sixteen months after arriving in Madina. Then the qibla was moved, two months before the battle of Badr. "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৪. কিবলার বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৮. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করিলেই হয়, পূর্বে ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান কিবলা বলিয়া গণ্য করা হয়। (মদীনা হইতে মক্কা দক্ষিণ-পশ্চিমে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান বলিতে ইহাই বুঝানো হইয়াছে।)

بَاب مَا جَاءَ فِي الْقِبْلَةِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَةٌ إِذَا تُوُجِّهَ قِبَلَ الْبَيْتِ

وحدثني عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب قال ما بين المشرق والمغرب قبلة إذا توجه قبل البيت


Yahya related to me from Malik from Nafi that Umar ibn al-Khattab said, "Any direction that is between east and west can be taken as a qibla if the person praying is face-on to the House."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৫. মসজিদুন-নবী (ﷺ) এর ফযীলত

রেওয়ায়ত ৯. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ আমার এই মসজিদের এক নামায মসজিদুল হারাম ব্যতীত অন্য মসজিদের হাজার নামায অপেক্ষা উত্তম।

بَاب مَا جَاءَ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ رَبَاحٍ وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ سَلْمَانَ الْأَغَرِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن رباح وعبيد الله بن أبي عبد الله عن أبي عبد الله سلمان الأغر عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلاة في مسجدي هذا خير من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام


Yahya related to me from Malik from Zayd ibn Rabah and Ubaydullah ibn Abi Abdullah Salman al-Agharr from Abu Hurayra that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "A prayer in this mosque of mine is better than a thousand prayers in any other mosque, except the Masjid al-Haram (in Makka)."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৫. মসজিদুন-নবী (ﷺ) এর ফযীলত

রেওয়ায়ত ১০. হাফস ইবন আসিম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) অথবা আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগিচাসমূহের একটি বাগিচা। আর আমার মিম্বর হাওযের উপর অবস্থিত।

بَاب مَا جَاءَ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَوْ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ وَمِنْبَرِي عَلَى حَوْضِي

وحدثني عن مالك عن خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي هريرة أو عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة ومنبري على حوضي


Yahya related to me from Malik from Khubayb ibn Abd ar-Rahman from Hafs ibn Asim from Abu Hurayra or from Abu Said al-Khudri that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "What is between my house and my mimbar is one of the meadows of the Garden, and my mimbar is on my watering-place (al-Hawd)."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৫. মসজিদুন-নবী (ﷺ) এর ফযীলত

রেওয়ায়ত ১১. আবদুল্লাহ ইবন যায়দ মাযনী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান রিয়াজুল-জান্নাতের একটি বাগিচা।

بَاب مَا جَاءَ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

وحدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عباد بن تميم عن عبد الله بن زيد المازني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة

وحدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عباد بن تميم عن عبد الله بن زيد المازني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr from Abbad ibn Tamim from Abdullah ibn Zayd al-Mazini that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "What is between my house and my mimbar is one of the meadows of the Garden."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৬. মহিলাদের মসজিদে গমন

রেওয়ায়ত ১২. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ আল্লাহর দাসিগণকে তোমরা আল্লাহর মসজিদসমূহ হইতে বিরত রাখিও না।

بَاب مَا جَاءَ فِي خُرُوجِ النِّسَاءِ إِلَى الْمَسَاجِدِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَمْنَعُوا إِمَاءَ اللَّهِ مَسَاجِدَ اللَّهِ

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه عن عبد الله بن عمر أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تمنعوا إماء الله مساجد الله


Yahya related to me from Malik that he had heard that Abdullah ibn Umar said, "The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, 'Do not forbid the female slaves of Allah from (going into) the mosques of Allah.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৬. মহিলাদের মসজিদে গমন

রেওয়ায়ত ১৩. বুসর ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ তোমাদের (মহিলাদের) কেউ যদি ইশার নামাযে হাজির হয়, তবে সে অবশ্য খুশবু স্পর্শ করিবে না।

بَاب مَا جَاءَ فِي خُرُوجِ النِّسَاءِ إِلَى الْمَسَاجِدِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا شَهِدَتْ إِحْدَاكُنَّ صَلَاةَ الْعِشَاءِ فَلَا تَمَسَّنَّ طِيبًا

وحدثني عن مالك أنه بلغه عن بسر بن سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شهدت إحداكن صلاة العشاء فلا تمسن طيبا


Yahya related to me from Malik that he had heard from Busr ibn Said that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "None of you women should use perfume when you are present at the isha prayer."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৬. মহিলাদের মসজিদে গমন

রেওয়ায়ত ১৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর (রাঃ)-এর স্ত্রী আতিকা বিনতে যায়দ ইবনে আমর ইবন নুফয়ল (রহঃ) মুসজিদে যাওয়ার জন্য উমর (রাঃ)-এর নিকট অনুমতি চাহিতেন। তিনি কোন উত্তর দিতেন না। ইহাতে তাহার স্ত্রী বলিতেনঃ আল্লাহর কসম, যতদিন আপনি আমাকে নিষেধ না করেন, ততদিন আমি যাইতে থাকিব। কিন্তু তিনি (তবুও) নিষেধ করিতেন না।

بَاب مَا جَاءَ فِي خُرُوجِ النِّسَاءِ إِلَى الْمَسَاجِدِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَاتِكَةَ بِنْتِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ امْرَأَةِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّهَا كَانَتْ تَسْتَأْذِنُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ إِلَى الْمَسْجِدِ فَيَسْكُتُ فَتَقُولُ وَاللَّهِ لَأَخْرُجَنَّ إِلَّا أَنْ تَمْنَعَنِي فَلَا يَمْنَعُهَا

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عاتكة بنت زيد بن عمرو بن نفيل امرأة عمر بن الخطاب أنها كانت تستأذن عمر بن الخطاب إلى المسجد فيسكت فتقول والله لأخرجن إلا أن تمنعني فلا يمنعها


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that Atika bint Zayd ibn Amr ibn Nufayl, the wife of Umar ibn al-Khattab, used to ask Umar ibn al-Khattab for permission to go to the mosque. He would keep silent, so she would say, "By Allah, I will go out, unless you forbid me," and he would not forbid her.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)

পরিচ্ছেদঃ ৬. মহিলাদের মসজিদে গমন

রেওয়ায়ত ১৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ মেয়েরা যেসব নুতন (চালচলন ও তরীকা) সৃষ্টি করিয়াছে, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহা দেখিতেন, তবে অবশ্যই তাহাদিগকে মসজিদ হইতে বিরত রাখিতেন যেমন বনি ইসরাইলের মেয়েদিগকে বিরত রাখা হইয়াছিল।

ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ (রহঃ) বলেনঃ আমি আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণনাকারিণী আমরা-এর নিকট প্রশ্ন করিলামঃ বনি ইসরাইলের মেয়েদিগকে মসজিদে গমন করিতে নিষেধ করা হইয়াছিল কি? আমরা (রাঃ) বলিলেনঃ হ্যাঁ।

بَاب مَا جَاءَ فِي خُرُوجِ النِّسَاءِ إِلَى الْمَسَاجِدِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ لَوْ أَدْرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا أَحْدَثَ النِّسَاءُ لَمَنَعَهُنَّ الْمَسَاجِدَ كَمَا مُنِعَهُ نِسَاءُ بَنِي إِسْرَائِيلَ قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ فَقُلْتُ لِعَمْرَةَ أَوَ مُنِعَ نِسَاءُ بَنِي إِسْرَائِيلَ الْمَسَاجِدَ قَالَتْ نَعَمْ

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت لو أدرك رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أحدث النساء لمنعهن المساجد كما منعه نساء بني إسرائيل قال يحيى بن سعيد فقلت لعمرة أو منع نساء بني إسرائيل المساجد قالت نعم


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said from Amra bint Abd ar-Rahman that A'isha, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, said, "If the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, had seen what women do now, he would have forbidden them to go into the mosques, just as the women of the Bani Israil were forbidden."

Yahya ibn Said said that he asked Amra, "Were the women of the Bani Israil forbidden to go into the mosques?" and she said, "Yes."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
১৪. কিবলা প্রসঙ্গ (كتاب القبلة)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৫ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে