হাদীস সম্ভার ৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ স্বলাতের জায়গা

(৫৭৮) আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা তোমাদের গৃহসমূহকে কবর বানিয়ে নিয়ো না।

عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ لاَ تَجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ مَقَابِرَ

عن أبى هريرة أن رسول الله ﷺ قال لا تجعلوا بيوتكم مقابر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ স্বলাতের জায়গা

(৫৭৯) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কবরস্থান, প্রস্রাব-পায়খানা ও গোসল করার স্থান ছাড়া পৃথিবীর সমস্ত জায়গাই মসজিদ। (তাতে নামায পড়া চলে।)

عَن أَبِى سَعِيدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ الأَرْضُ كُلُّهَا مَسْجِدٌ إِلاَّ الْحَمَّامَ وَالْمَقْبُرَةَ

عن أبى سعيد قال قال رسول الله ﷺ الأرض كلها مسجد إلا الحمام والمقبرة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ স্বলাতের জায়গা

(৫৮০) জুনদুব কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সাবধান! তোমরা কবরগুলোকে মসজিদ বানিয়ে নিয়ো না। এরূপ করতে আমি তোমাদেরকে নিষেধ করছি।

عَن جندب عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ أَلاَ فَلاَ تَتَّخِذُوا الْقُبُورَ مَسَاجِدَ إِنِّى أَنْهَاكُمْ عَن ذَلِكَ

عن جندب عن النبي ﷺ قال ألا فلا تتخذوا القبور مساجد إنى أنهاكم عن ذلك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ স্বলাতের জায়গা

(৫৮১) খালেদ বিন মা’দান হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় উট শয়তানী উপাদান থেকে সৃষ্ট এবং নিশ্চয় প্রত্যেক উটের পশ্চাতে শয়তান থাকে।

عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ(إِنَّ الِإبِلَ خُلِقَتْ مِنَ الشَّيَاطِينِ وَ إِنَّ وَرَاءَ كُلّ بَعِيْرٍ شَيْطَانًا

عن خالد بن معدان(إن الإبل خلقت من الشياطين و إن وراء كل بعير شيطانا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ স্বলাতের জায়গা

(৫৮২) বারা’ বিন আযেব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে উটের আস্তাবলে নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তোমরা উটের আস্তাবলে নামায পড়ো না, কারণ উট শয়তানী উপাদান থেকে সৃষ্ট। আর ছাগল-ভেড়ার গোয়ালে নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, ছাগল-ভেড়ার গোয়ালে নামায পড়, কারণ তা হল বরকত।

عَن الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللهِ ﷺ عَن الصَّلاَةِ فِى مَبَارِكِ الإِبِلِ فَقَالَ لاَ تُصَلُّوا فِى مَبَارِكِ الإِبِلِ فَإِنَّهَا مِنَ الشَّيَاطِينِ وَسُئِلَ عَن الصَّلاَةِ فِى مَرَابِضِ الْغَنَمِ فَقَالَ صَلُّوا فِيهَا فَإِنَّهَا بَرَكَةٌ

عن البراء بن عازب قال سئل رسول الله ﷺ عن الصلاة فى مبارك الإبل فقال لا تصلوا فى مبارك الإبل فإنها من الشياطين وسئل عن الصلاة فى مرابض الغنم فقال صلوا فيها فإنها بركة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ কবরের দিকে মুখ করে নামায পড়া নিষেধ

(৫৮৩) আবূ মারসাদ কান্নায ইবনে হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা কবরের দিকে মুখ করে নামায পড়ো না এবং তার উপর বসো না।

عَنْ أَبيْ مَرْثَدٍ كَنَّازِ بْنِ الحُصَيْنِ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ لاَ تُصَلُّوا إِلَى القُبُورِ وَلاَ تَجْلِسُوا عَلَيْهَا رواه مسلم

عن أبي مرثد كناز بن الحصين قال : سمعت رسول الله ﷺ يقول لا تصلوا إلى القبور ولا تجلسوا عليها رواه مسلم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

(৫৮৪) উসমান বিন আফফান (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর (সন্তুষ্টি লাভের) উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেয়, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানিয়ে দেন।

عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ (রাঃ) قاَلَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ بَنَى مَسْجِدًا لِلهِ تَعَالَى (يَبْتَغِى بِهِ وَجْهَ اللهِ) بَنَى اللهُ لَهُ بَيْتًا فِى الْجَنَّةِ

عن عثمان بن عفان (রাঃ) قال قال رسول الله ﷺ من بنى مسجدا لله تعالى (يبتغى به وجه الله) بنى الله له بيتا فى الجنة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

(৫৮৫) জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পানির কোন কূপ খনন করে এবং তা হতে মানব, দানব পশু-পক্ষী (প্রভৃতি) পিপাসার্ত জীব পানি পান করে তবে সেই ব্যক্তিকে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার প্রতিদান প্রদান করবেন। আর যে ব্যক্তি তিতির পাখীর (পোকামাকড় খোঁজার উদ্দেশ্যে) আঁচড়ানো স্থান (বা তার বাসা) পরিমাণ আয়তনের অথবা তদপেক্ষা ছোট আকারের মসজিদ নির্মাণ করবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি গৃহ নির্মাণ করবেন।

عَن جَابِرٍ بْنِ عَبْدِ اللهِ عَن رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ حَفَرَ مَاءً لَمْ يَشْرَبْ مِنْهُ كَبِدٌ حَرَّى مِنْ جِنٍّ وَلاَ إِنْسٍ وَلاَ طَائِرٍ إِلاَّ آجَرَهُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ بَنَى مَسْجِدًا كَمَفْحَصِ قَطَاةٍ أَوْ أَصْغَرَ بَنَى اللهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ

عن جابر بن عبد الله عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من حفر ماء لم يشرب منه كبد حرى من جن ولا إنس ولا طائر إلا آجره الله يوم القيامة ومن بنى مسجدا كمفحص قطاة أو أصغر بنى الله له بيتا في الجنة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

(৫৮৬) আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মসজিদের ভিতর থুথু ফেলা পাপ। আর তার কাফফারা (প্রায়শ্চিত্ত) হল তা মাটিতে পুঁতে দেওয়া।

[অর্থাৎ, মসজিদের মেঝে কাঁচা মাটি বা বালির হলে তা মাটি বা বালি ঢাকা দিতে হবে। আমাদের (শাফেয়ী) মযহাবের আলেম আবুল মাহাসিন রুয়ানী তাঁর ‘আল-বাহর’ গ্রন্থে বলেন, বলা হয়েছে যে, দাফন করার অর্থ হল, তা মসজিদ থেকে দূর ক’রে দেওয়া। কিন্তু মসজিদের মেঝে যদি মোজাইক করা বা পাকা হয়, তাহলে তা জুতা বা অন্য কিছু দিয়ে রগড়ে দেওয়া—যেমন বহু জাহেল করে থাকে—দাফন করা নয়। বরং তাতে পাপ বৃদ্ধি করা এবং মসজিদকে বেশি নোংরা করা হয়। যে কেউ এমন ক’রে থাকে, তার উচিত হল, তা কাপড়, হাত অথবা অন্য কিছু দিয়ে মুছে দেওয়া অথবা পানি দিয়ে ধুয়ে দেওয়া।]

عَن أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ البُزَاقُ فِي المَسْجِدِ خَطِيئَةٌ وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا متفق عليه

عن أنس أن رسول الله ﷺ قال البزاق في المسجد خطيئة وكفارتها دفنها متفق عليه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

(৫৮৭) আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, একদা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকের দেওয়ালে পোঁটা, থুথু কিংবা শ্লেষ্মা দেখতে পেলেন। সুতরাং তিনি রগড়ে পরিষ্কার করে দিলেন।

وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ رَأَى فِي جِدَارِ القِبْلَةِ مُخَاطاً أَوْ بُزَاقاً أَوْ نُخَامَةً فَحَكَّهُ متفق عَلَيْهِ

وعن عائشة رضي الله عنها : أن رسول الله ﷺ رأى في جدار القبلة مخاطا أو بزاقا أو نخامة فحكه متفق عليه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

(৫৮৮) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুর কাঁদির ডাঁটা হাতে নিতে পছন্দ করতেন। একদা ঐ ডাঁটা হাতে তিনি মসজিদ প্রবেশ করলেন এবং মসজিদের কিবলায় (দেওয়ালে) কিছু শ্লেষ্মা লেগে আছে তা লক্ষ্য করলেন। তিনি ঐ (ডাঁটা দ্বারা) তা রগড়ে পরিষ্কার করে দিলেন। অতঃপর রাগের সাথে লোকেদেরকে সম্বোধন করে বললেন, তোমাদের মধ্যে কেউ কি একথা পছন্দ করে যে, কোন ব্যক্তি তাকে সামনে করে তার চেহারায় থুথু মারে?! তোমাদের মধ্যে যখন কেউ কেবলামুখে নামায পড়তে দাঁড়ায়, তখন তার মহান প্রতিপালক (আল্লাহ) তার সামনে থাকেন এবং তার ডানে থাকেন ফিরিশতা। সুতরাং সে যেন তার সামনের (কেবলার) দিকে অথবা ডান দিকে থুথু না ফেলে...।

عَنْ أَبيْ سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُحِبُّ الْعَرَاجِينَ وَلاَ يَزَالُ فِي يَدِهِ مِنْهَا فَدَخَلَ الْمَسْجِدَ فَرَأَى نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ فَحَكَّهَا ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ مُغْضَبًا فَقَالَ أَيَسُرُّ أَحَدَكُمْ أَنْ يُبْصَقَ فِي وَجْهِهِ إِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا اسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَإِنَّمَا يَسْتَقْبِلُ رَبَّهُ جَلَّ وَعَزَّ وَالْمَلَكُ عَن يَمِينِهِ فَلاَ يَتْفُلْ عَن يَمِينِهِ وَلاَ فِي قِبْلَتِهِ

عن أبي سعيد الخدري أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يحب العراجين ولا يزال في يده منها فدخل المسجد فرأى نخامة في قبلة المسجد فحكها ثم أقبل على الناس مغضبا فقال أيسر أحدكم أن يبصق في وجهه إن أحدكم إذا استقبل القبلة فإنما يستقبل ربه جل وعز والملك عن يمينه فلا يتفل عن يمينه ولا في قبلته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

(৫৮৯) ইবনে উমার (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কিবলার দিকে যে কফ্ ফেলে তার চেহারায় ঐ কফ্ থাকা অবস্থায় সে ব্যক্তিকে কিয়ামতের দিন পুনরুত্থিত করা হবে।

عَنْ اِبْنِ عُمَرَ قال : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُبْعَثُ صَاحِبُ النُّخَامَةِ فِي الْقِبْلَةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَهِيَ فِي وَجْهِهِ

عن ابن عمر قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يبعث صاحب النخامة في القبلة يوم القيامة وهي في وجهه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

(৫৯০) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় এ মসজিদসমূহ পেশাব ও নোংরা-আবর্জনার উপযুক্ত স্থান নয়। এসব তো মহান আল্লাহর যিকর এবং কুরআন তেলাঅত করার জন্য। অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপ কিছু বলেছেন।

وَعَن أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ إِنَّ هَذِهِ المَسَاجِدَ لاَ تَصْلُحُ لِشَيءٍ مِنْ هَذَا البَوْلِ وَلاَ القَذَرِ إنَّمَا هي لِذِكْرِ اللهِ تَعَالَى وَقِراءةِ القُرْآنِ أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ رواه مسلم

وعن أنس أن رسول الله ﷺ قال إن هذه المساجد لا تصلح لشيء من هذا البول ولا القذر إنما هي لذكر الله تعالى وقراءة القرآن أو كما قال رسول الله ﷺ رواه مسلم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ

(৫৯১) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি কাউকে হারানো জিনিস সন্ধান (ঘোষণা) করতে শোনে, সে যেন বলে, আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন। কারণ, মসজিদ এর জন্য বানানো হয়নি।

وَعَنْ أَبيْ هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ ﷺ يَقُولُ مَنْ سَمِعَ رَجُلاً يَنْشُدُ ضَالَّةً فِي المَسْجِدِ فَلْيَقُلْ : لاَ رَدَّها اللهُ عَلَيْكَ فَإِنَّ المَسَاجِدَ لَمْ تُبْنَ لِهَذَا رواه مسلم

وعن أبي هريرة أنه سمع رسول الله ﷺ يقول من سمع رجلا ينشد ضالة في المسجد فليقل : لا ردها الله عليك فإن المساجد لم تبن لهذا رواه مسلم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ

(৫৯২) উক্ত রাবী (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমরা কাউকে মসজিদের মধ্যে কেনা-বেচা করতে দেখবে, তখন বলবে, আল্লাহ তোমার ব্যবসায় যেন লাভ না দেন। আর যখন কাউকে হারানো জিনিস খুঁজতে দেখবে, তখন বলবে, আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।

وَعَنْهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ إِذَا رَأيْتُمْ مَنْ يَبِيعُ أَوْ يَبْتَاعُ فِي المَسْجِدِ فَقُولُوا : لاَ أَرْبَحَ اللهُ تِجَارَتَكَ وَإِذَا رَأَيْتُمْ مَنْ يَنْشُدُ ضَالَّةً فَقُولُوا : لاَ رَدَّهَا الله عَلَيْكَ رواه الترمذي وقال حديث حسن

وعنه : أن رسول الله ﷺ قال إذا رأيتم من يبيع أو يبتاع في المسجد فقولوا : لا أربح الله تجارتك وإذا رأيتم من ينشد ضالة فقولوا : لا ردها الله عليك رواه الترمذي وقال حديث حسن

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ

(৫৯৩) বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, একটি লোক মসজিদের মধ্যে (হারানো বস্তু সম্পর্কে) ঘোষণা পূর্বক বলল, আমাকে আমার লাল উটের সন্ধান কে দিতে পারবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যেন তা না পাও। মসজিদ সেই কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে, যে কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে। (অর্থাৎ, ইবাদতের জন্য, হারানো জিনিস খোঁজার জন্য নয়।)

وَعَن بُرَيْدَةَ أَنَّ رَجُلاً نَشَدَ فِي المَسْجِدِ فَقَالَ : مَنْ دَعَا إِلَى الجَمَلِ الأَحْمَرِ ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ لاَ وَجَدْتَ إِنَّمَا بُنِيَتِ المََسَاجِدُ لِمَا بُنِيَتْ لَهُ رواه مسلم

وعن بريدة أن رجلا نشد في المسجد فقال : من دعا إلى الجمل الأحمر ؟ فقال رسول الله ﷺ لا وجدت إنما بنيت المساجد لما بنيت له رواه مسلم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ

(৫৯৪) আমর ইবনে শুআইব (রহঃ) স্বীয় পিতা থেকে, তিনি তাঁর (আমরের) দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মসজিদের মধ্যে কেনা-বেচা করতে, হারানো বস্তু সন্ধান করতে অথবা তাতে (অবৈধ) কবিতা আবৃত্তি করতে।

وَعَن عَمرِو بنِ شُعَيبٍ عَنْ أَبيْ هِ عَن جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَى عَن الشِّرَاءِ وَالبَيْعِ فِي المَسْجِدِ وَأَنْ تُنْشَدَ فِيهِ ضَالَّةٌ أَوْ يُنْشَدَ فِيهِ شِعْرٌ رواه أَبُو داود والترمذي وقال حديث حسن)

وعن عمرو بن شعيب عن أبي ه عن جده أن رسول الله ﷺ نهى عن الشراء والبيع في المسجد وأن تنشد فيه ضالة أو ينشد فيه شعر رواه أبو داود والترمذي وقال حديث حسن)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ

(৫৯৫) সাহাবী সায়েব ইবনে ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মসজিদে (নববীতে) ছিলাম। এমন সময় একটি লোক আমাকে কাঁকর ছুঁড়ে মারল। আমি তার দিকে তাকাতেই দেখি, তিনি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)। তিনি বললেন, যাও, ঐ দু’জনকে আমার নিকট নিয়ে এস। আমি তাদেরকে নিয়ে তাঁর কাছে এলাম। তিনি বললেন, তোমরা কোথাকার? তারা বলল, আমরা তায়েফের অধিবাসী। তিনি বললেন, তোমরা যদি এই শহর (মদীনার) লোক হতে, তাহলে আমি তোমাদেরকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মসজিদে উচ্চস্বরে কথা বলছ!

وَعَن السَّائِبِ بنِ يَزِيدَ الصَّحَابِي قَالَ : كُنْتُ فِي المَسْجِدِ فَحَصَبَنِي رَجُلٌ فَنَظَرْتُ فَإِذَا عُمَرُ بْنُ الخَطَّابِ فَقَالَ : اِذْهَبْ فَأْتِنِي بِهَذَينِ فَجِئْتُهُ بِهِمَا فَقَالَ : مِنْ أَيْنَ أَنْتُمَا ؟ فَقَالاَ : مِنْ أَهْلِ الطَّائِفِ فَقَالَ : لَوْ كُنْتُمَا مِنْ أَهْلِ البَلَدِ لأَوْجَعْتُكُمَا تَرْفَعَانِ أَصْوَاتَكُمَا فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللهِ ﷺ رواه البخاري

وعن السائب بن يزيد الصحابي قال : كنت في المسجد فحصبني رجل فنظرت فإذا عمر بن الخطاب فقال : اذهب فأتني بهذين فجئته بهما فقال : من أين أنتما ؟ فقالا : من أهل الطائف فقال : لو كنتما من أهل البلد لأوجعتكما ترفعان أصواتكما في مسجد رسول الله ﷺ رواه البخاري

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ

(৫৯৬) ইবনে মাসঊদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আখেরী যামানায় এক শ্রেণীর লোক হবে যারা মসজিদে (সাংসারিক) কথা-বার্তা বলবে। এদেরকে নিয়ে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।

عَن ابنِ مَسْعُوْدٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: سَيَكُوْنُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ قَوْمٌ يَكُوْنُ حَدِيْثهُمْ فِي مَسَاجِدِهِمْ لَيْسَ للهِ فِيهِمْ حَاجَةٌ

عن ابن مسعود رضي الله عنه قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: سيكون في آخر الزمان قوم يكون حديثهم في مساجدهم ليس لله فيهم حاجة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)

পরিচ্ছেদঃ মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ

(৫৯৭) আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শেষ জামানায় এমন এক শ্রেণীর লোক হবে, যারা মসজিদে গোল হয়ে বসবে; যাদের ইমাম হবে দুনিয়া (তারা জাগতিক কথা আলোচনা করবে)। সুতরাং তোমরা তাদের সাথে বসবে না। কারণ তাদেরকে নিয়ে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।

عَن عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ سَيَكُوْنُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ قَوْمٌ يَجْلِسُونَ فِي الْمَسَاجِدِ حُلَقًا حُلَقًا إِمَامُهُمُ الدُّنْيَا فَلا تُجَالِسُوهُمْ فَإِنَّهُ لَيْسَ لِلهِ فِيهِمْ حَاجَةٌ

عن عبد الله بن مسعود قال: قال رسول الله ﷺ سيكون في آخر الزمان قوم يجلسون في المساجد حلقا حلقا إمامهم الدنيا فلا تجالسوهم فإنه ليس لله فيهم حاجة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩২৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 16 17 পরের পাতা »