সহীহ শামায়েলে তিরমিযী ৪৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ৰন্দন (باب ما جاء في بكاء رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায়কালে ক্ৰন্দন করতেন:

২৪৭. আবদুল্লাহ ইবনে শিখখীর হতে বর্ণিত, তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলাম যে, তিনি সালাত আদায় করছেন। এমতাবস্থায় তাঁর বক্ষদেশ হতে কান্নার এমন শব্দ বের হচ্ছে, যেমন চুলার উপর রাখা পাত্র হতে টগবগ শব্দ শোনা যায়।[1]

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارِكِ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ مُطَرِّفٍ وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ : " أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُصَلِّي , وَلِجَوْفِهِ أَزِيزٌ كَأَزِيزِ الْمِرْجَلِ مِنَ الْبُكَاءِ " .

حدثنا سويد بن نصر ، قال : حدثنا عبد الله بن المبارك ، عن حماد بن سلمة ، عن ثابت ، عن مطرف وهو ابن عبد الله بن الشخير ، عن أبيه ، قال : " أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي , ولجوفه أزيز كأزيز المرجل من البكاء " .


'Abdullah bin Shikh-kheer Radiyallahu 'Anhu says: ''I attended the noble assembly of Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam. He was performing salaah. Because of his crying, such sound emmitted from his chest, like that of a boiling pot''.

This was due to the total humbleness of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam. Some mashaa-ikh have written that this state of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam occurred when both the jalaali and jamaali attribute of Allah appeared together. None can control the jalaali attributes. Certainly, when the jamaali attributes appeared, at that time a sort of happiness and contentment became apparent. Through the tufayl (mediation/means) of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam the mashaa-ikh of suluk also experience these two conditions.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৪৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ৰন্দন (باب ما جاء في بكاء رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন শ্রবণ করেও ক্ৰন্দন করতেন:

২৪৮. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, আমাকে কুরআন পাঠ করে শুনাও। আমি বললাম, আমি আপনাকে পাঠ করে শুনাব, যা আপনার উপর নাযিল হয়েছে! তিনি বললেন, আমি তা অপরের কাছ থেকে শুনতে পছন্দ করি। ফলে আমি সূরা নিসা পাঠ করতে শুরু করলাম। অতঃপর যখন আমি এ আয়াত পর্যন্ত পৌছলাম-وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلاءِ شَهِيدًا

অর্থাৎ আপনাকে ডাকব তাদের উপর সাক্ষীরূপে।[1]

তখন আমি দেখতে পেলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চক্ষুদ্বয় হতে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে।[2]

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عُبَيْدَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، قَالَ : قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " اقْرَأْ عَلَيَّ " فَقُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، أَقْرَأُ عَلَيْكَ وَعَلَيْكَ أنزل ، قَالَ : " إِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَسْمَعَهُ مِنْ غَيْرِي " ، فَقَرَأْتُ سُورَةَ النِّسَاءِ ، حَتَّى بَلَغْتُ وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلاءِ شَهِيدًا سورة النساء آية 41 ، قَالَ : فَرَأَيْتُ عَيْنَيْ رَسُولِ اللَّهِ تَهْمِلانِ .

حدثنا محمود بن غيلان ، قال : حدثنا معاوية بن هشام ، قال : حدثنا سفيان ، عن الأعمش ، عن إبراهيم ، عن عبيدة ، عن عبد الله بن مسعود ، قال : قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم : " اقرأ علي " فقلت : يا رسول الله ، أقرأ عليك وعليك أنزل ، قال : " إني أحب أن أسمعه من غيري " ، فقرأت سورة النساء ، حتى بلغت وجئنا بك على هؤلاء شهيدا سورة النساء آية 41 ، قال : فرأيت عيني رسول الله تهملان .


'Abdullah bin Mas'ud Radiyallahu 'Anhu says: ''Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam once asked me to recite the Qur-aan to him. (He might have said this because one might be able to concentrate more when one is listens, or he may have said this for another reason, which may include many reasons. For example, the hearing of the recital of the Qur-aan is regarded as a
sunnah, as a result of this deed of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam) I said: ''O Messenger of Allah, should I recite it to you when it has been revealed to you?' (Sayyidina ibn Mas'ud Radiyallahu 'Anhu may have thought this recital was for tabligh as a reminder) Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam said: 'I love to hear it from another person'' Thereupon I
began reciting Surah Nisaa (which begins from the last quarter of the 4th juz). When I reached this aayah: ''But how (will it be with them) when We bring of every people a witness, and We bring thee (O Muhammed) a witness against these?''-Surah Nisaa,41 I saw tears flowing from both eyes of Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam"

This crying of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam was due to the listening of the words of Allah, and this befits the dignity of the Qur-aan. Imaam Nawawi writes that to cry whilst reciting the Qur-aan is the quality of the 'aarifeen and a sign of the saaliheen. Allah Ta'aala has praised these people in the Qur-aan at many places. Allah Ta'aala says: "When the
revelations of the Beneficent were recited unto them, they fell down (into sajdah), adoring and
weeping".-Surah Maryam, 58.

"Lo! those who were given knowledge before it, when it is read unto them, fall down prostrate on
their faces, adoring".-Surah Israa (Bani Israa-eel), 107.

By this it.is clear that who can confirm more to these aayaat than Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam. It is not imaginable that the crying of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam was due to the greatness and Jalal of the Qur-aan. In this case, it is possible that Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam must have been crying from before and Sayyidina 'Abdullah bin Mas'ud Radiyallahu 'Anhu must have observed it only after Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam had been crying for some time. It may also be possible that he began crying specially after the reciting of the aayah. The translation of this aayah is:
"But how (will it be with them) when We bring of every people a witness, and We bring thee (0
Muhammad) a witness against these?'-Suratun Nisaa, 41.
 

Sayyidina Rasulullah Saliallahu 'Alayhi Wasallam will be called to give evidence on these people. This is the scene of qiyaamah. On that day every nabi will be called upon to give evidence as a witness. The events of which are described in detail in the ahaadith of the day of mah-shar. In this manner it is possible that this crying of Sayyidina Rasuluilah Sallallahu 'Alayhi Wasallam will be due to the difficult times on the day of qiyaamah and mah-shar. Every person will be engrossed and worried of one's self only. It is possible that in this aayah Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam is being commanded to appear as a witness. And he fears the intense burden of being called up as a witness. It is stated in a hadith that at the time when this aayah was revealed, Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam said: 'O Allah, how can I be a witness of those who were not in my presence?' Some of the 'ulama have written that at the mentioning of this aayah, the scene of qiyaamah came before him, and the fikr of the ummah was always with Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam. He may have cried because of the sins of the ummah. For this, every event is such, that it can be the cause of crying. All this and besides this, there could be other reasons too for his crying.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৪৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ৰন্দন (باب ما جاء في بكاء رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদাতে গেলেও ক্ৰন্দন করতেন:

২৪৯. আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে একবার সূর্য গ্রহণ হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সালাতে দণ্ডায়মান হন। এতে তিনি এত বিলম্ব করলেন যে, মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর রুকূতে যাবেন না। যখন রুকূতে গেলেন, তখন মনে হচ্ছিল, তিনি যেন আর মাথা তুলবেন না। তারপর যখন মাথা উঠালেন, তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর সিজদায় যাবেন না। তারপর তিনি যখন সিজদায় গেলেন, তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর মাথা উঠাবেন না। তারপর যখন মাথা উঠালেন, তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর সিজদায় যাবেন না। তারপর যখন সিজদায় গেলেন। তখন মনে হচ্ছিল তিনি যেন আর মাথা উঠবেন না। তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলছিলেন আর ক্ৰন্দন করছিলেন এবং দুআ পাঠ করছিলেন যে, হে আমার রব! তুমি কি এ মর্মে প্রতিশ্রুতি দাওনি যে, আমার উপস্থিতিতে আমার উম্মতকে শাস্তি দেবে না? আমরা তোমার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি। রাসূলুল্লাহ যখন ২ রাক’আত সালাত শেষ করলেন, তখন সূর্যও বের হয়ে আসল। অতঃপর তিনি কিছু বলার জন্য দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর হামদ ও ছানার পর বললেন, চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর দুটি নিদর্শন। কারো জন্ম বা মৃত্যুর সঙ্গে চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণের কোন সম্পর্ক নেই। যখন চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণ হয়, তখন তোমরা আল্লাহর যিকর-এ লিপ্ত হও।[1]

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ ، قَالَ : حَدَّثَنَا جَرِيرٌ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : انْكسفَتِ الشَّمْسُ يَوْمًا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي ، حَتَّى لَمْ يَكَدْ يَرْكَعُ ثُمَّ رَكَعَ ، فَلَمْ يَكَدْ يَرْفَعُ رَأْسَهُ ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ ، فَلَمْ يَكَدْ أَنْ يَسْجُدَ ، ثُمَّ سَجَدَ فَلَمْ يَكَدْ أَنْ يَرْفَعَ رَأْسَهُ ، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ ، فَلَمْ يَكَدْ أَنْ يَسْجُدَ ، ثُمَّ سَجَدَ فَلَمْ يَكَدْ أَنْ يَرْفَعَ رَأْسَهُ ، فَجَعَلَ يَنْفُخُ وَيَبْكِي ، وَيَقُولُ : " رَبِّ أَلَمْ تَعِدْنِي أَنْ لا تُعَذِّبَهُمْ وَأَنَا فِيهِمْ ؟ رَبِّ أَلَمْ تَعِدْنِي أَنْ لا تُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ؟ وَنَحْنُ نَسْتَغْفِرُكَ " . فَلَمَّا صَلَّى رَكْعَتَيْنِ انْجَلَتِ الشَّمْسُ ، فَقَامَ فَحَمِدَ اللَّهَ تَعَالَى , وَأَثْنَى عَلَيْهِ ، ثُمَّ قَالَ : " إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لا يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلا لِحَيَاتِهِ ، فَإِذَا انْكَسَفَا , فَافْزَعُوا إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ تَعَالَى " .

حدثنا قتيبة ، قال : حدثنا جرير ، عن عطاء بن السائب ، عن أبيه ، عن عبد الله بن عمرو ، قال : انكسفت الشمس يوما على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم , فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي ، حتى لم يكد يركع ثم ركع ، فلم يكد يرفع رأسه ، ثم رفع رأسه ، فلم يكد أن يسجد ، ثم سجد فلم يكد أن يرفع رأسه ، ثم رفع رأسه ، فلم يكد أن يسجد ، ثم سجد فلم يكد أن يرفع رأسه ، فجعل ينفخ ويبكي ، ويقول : " رب ألم تعدني أن لا تعذبهم وأنا فيهم ؟ رب ألم تعدني أن لا تعذبهم وهم يستغفرون ؟ ونحن نستغفرك " . فلما صلى ركعتين انجلت الشمس ، فقام فحمد الله تعالى , وأثنى عليه ، ثم قال : " إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته ، فإذا انكسفا , فافزعوا إلى ذكر الله تعالى " .


'Abdullah bin 'Umar Radiyallahu 'Anhu reports: ''In the time of Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam there once occurred a solar eclipse Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam went into the masjid, commenced salaah, and stood in qiyaam for so long that it was felt that he did not intend
to perform the ruku'. (In another narration it is stated that he recited the Surah Baqarah.) He then performed such a long ruku as if he did not want to come up from the Ruku'. Then in the same manner after standing up from the ruku' he stood up for such a long time as if he did not want to
perform sajdah, here too he kept his mubaarak head on the ground for such a long time as if he was not going to lift his mubaarak head . In this manner he did the same after lifting the head and sitting in jalsa, and after the jalsa in the second sajdah.In short, in every rukn of the salaah this was done, that every rukn was so long, as if this rukn was going to be performed till the end, and there is nothing after it. (In the same manner he performed the second rak'ah, and in the last sajdah), due to the intense fear he began taking heavy breaths and crying, and began pleading to
the Almighty Allah that 'O Allah, it is only You that have promised that when these people make istighfaar there will be no punishment'. This saying of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam refers to the aayah that is at the end of the ninth juz: ''But Allah would not punish them while thou was with them, nor will He punish them while they seek forgiveness;;.-Surah AlAnfaal,33.

When Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam completed the salaah, the sun had cleared already. Rasulullah Sallahu 'Alayhi Wasallam delivered a sermon after this. After uttering the hamd and thanaa, he talked o this subject, that the sun and moon does not eclipse because of the death or
birth of anyone, but both are from among the signs of Allah Ta'aala. (That gives His creation a warning so that they may fear Him). When the eclipses occurs then immediately turn towards Allah (begin istighfaar and performing salaah)''.

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সূর্য গ্রহণের ঘটনায় জীবনে একবার সালাত আদায় করেছিলেন, তা ছিল দশম হিজরী সনে। আবার কেউ কেউ এটি নবম হিজরী সনে সংঘটিত হয়েছিল বলে মত প্রকাশ করেছেন। আর চন্দ্রগ্রহণের সালাত আদায় করেছিলেন পঞ্চম হিজরী সনে।

জাহেলী যুগে লোকেরা বিশ্বাস করত যে, কোন বড় ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যুর কারণে সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্র গ্রহণ হয়। তাই রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর প্রকৃত রহস্য বর্ণনা করে বলেছেন, চন্দ্ৰ-সূৰ্য আল্লাহ তা’আলার নিদর্শন। কারো জীবন বা মৃত্যুর সাথে চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণের কোন সম্পর্ক নেই।


The reason for delivering this sermon was that in the days of jaahiliyyah it was a general understanding that the eclipse of the sun and moon were due to the death or birth of a great personality. Coincidently it so happened that when Sayyidina Ebrahim Radiyallahu 'Anhu, the son of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam passed away, an eclipse took place. Therefore this nurtured the view held during the days of jaahiliyyah. People began saying that the eclipse was the result of the death of Sayyidina Ebrahim Radiyallahu 'Anhu. The a-immah differ in that during the solar eclipse should one or more than one ruku' be performed in one rak'ah. The Hanafis say that only one ruku' should be performed (in one rak'ah). This hadith strengthens their view. However scholarly differences and the proofs of the opposing schools are not relevant here.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৪৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ৰন্দন (باب ما جاء في بكاء رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কন্যার মৃত্যুশোকে অশ্রুসিক্ত হয়েছিলেনঃ

২৫০. ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর। এক কন্যা মূমুর্ষ অবস্থায় ছিলেন। তিনি তাকে কোলে তুলে সামনে রাখলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। তখন উম্মে আয়মান (রাঃ) চিৎকার করে কাঁদতে লাগলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আল্লাহর রাসূলের সামনেই তুমি ক্ৰন্দন করছ? উম্মে আয়মান বললেন, আমি আপনাকেও কি অশ্রুসিক্ত দেখতে পাচ্ছি না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি যে কান্না করছি তা নিষেধ নয়, তা আল্লাহর রহমত। অতঃপর তিনি বললেন, একজন মুমিন সর্বাবস্থায় মঙ্গলজনক অবস্থায় থাকে। এমনকি তাঁর জীবন নিয়ে যাওয়ার সময়ও আল্লাহর প্রশংসা করে।[1]

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ابْنَةً لَهُ تَقْضِي فَاحْتَضَنَهَا فَوَضَعَهَا بَيْنَ يَدَيْهِ , فَمَاتَتْ وَهِيَ بَيْنَ يَدَيْهِ وَصَاحَتْ أُمُّ أَيْمَنَ , فَقَالَ يَعْنِي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " أَتَبْكِينَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ؟ " فَقَالَتْ : أَلَسْتُ أَرَاكَ تَبْكِي ؟ قَالَ : " إِنِّي لَسْتُ أَبْكِي ، إِنَّمَا هِيَ رَحْمَةٌ ، إِنَّ الْمُؤْمِنَ بِكُلِّ خَيْرٍ عَلَى كُلِّ حَالٍ ، إِنَّ نَفْسَهُ تُنْزَعُ مِنْ بَيْنِ جَنْبَيْهِ ، وَهُوَ يَحْمَدُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ " .

حدثنا محمود بن غيلان ، قال : حدثنا أبو أحمد ، قال : حدثنا سفيان ، عن عطاء بن السائب ، عن عكرمة ، عن ابن عباس ، قال : أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم ابنة له تقضي فاحتضنها فوضعها بين يديه , فماتت وهي بين يديه وصاحت أم أيمن , فقال يعني صلى الله عليه وسلم : " أتبكين عند رسول الله ؟ " فقالت : ألست أراك تبكي ؟ قال : " إني لست أبكي ، إنما هي رحمة ، إن المؤمن بكل خير على كل حال ، إن نفسه تنزع من بين جنبيه ، وهو يحمد الله عز وجل " .


Ibn 'Abbaas Radiyallahu 'Anhu reports that one of the daughters of Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam was on her death bed. Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam picked her up and put her before him. She passed away in his presence. Ummi Ayman (who was a slave girl of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam) began wailing aloud. Rasulullah Sallallahu
'Alayhi Wasallam said: "Are you crying before the Messenger of Allah?" (because tears were also flowing from the eyes of Sayyidina Rasulullah Sallallahu'Alayhi Wasallam). She said: 'Do I not see you cry?' Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam replied: "This crying is not prohibited.
It is a mercy of Allah". (He softens the hearts of His servants, and creates love and mercy in them). Rasulullah Sallallahu'Alayhi Wasallam then said: "A Muslim is at peace at all times. even when his soul is being taken out, he is busy uttering the hamd (praises) of Allah".

এ হাদীস থেকে বুঝা গেল, বিলাপ করে কাঁদা নিষিদ্ধ। তবে চোখ দিয়ে অশ্র প্রবাহিত হওয়া নিষেধ নয়। এটা আল্লাহর রহমত এবং মন নরম হওয়ার লক্ষণ। সন্তানের প্রতি দয়া-মায়া নবী (সাঃ) এর সুন্নাত।


The 'ulama differ in that with which daughter did this incident take place. According to the muhadditheen and historians this did not take place with any of his daughters but with that of a grandson or grandaughter. It is also possible that this took place with one of the sons. Such incidents took place with his male offspring. With whomsoever this incident may have taken place, the object here is to describe the softheartedness of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi 'Wasallam, and that stone heartedness is contrary to kindness. To have natural love for children is not against the dignity and sanctity of Prophethood. To be soft hearted is praiseworthy.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৪৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ৰন্দন (باب ما جاء في بكاء رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ

উসমান ইবনে মাযউন (রাঃ) এর মৃত্যুতেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেঁদেছিলেন:

২৫১. আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উসমান ইবনে মাযউন (রাঃ) মারা গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কপালে চুম্বন দিলেন। তিনি কাদছিলেন অথবা (রাবী) বলেন, তখন তাঁর চোখ হতে অশ্রু পড়ছিল।[1]

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَائِشَةَ ، " أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , قَبَّلَ عُثْمَانَ بْنَ مَظْعُونٍ وَهُوَ مَيِّتٌ وَهُوَ يَبْكِي " أَوْ قَالَ : " عَيْنَاهُ تُهْرَاقَانِ " .

حدثنا محمد بن بشار ، قال : حدثنا عبد الرحمن بن مهدي ، قال : حدثنا سفيان ، عن عاصم بن عبيد الله ، عن القاسم بن محمد ، عن عائشة ، " أن رسول الله صلى الله عليه وسلم , قبل عثمان بن مظعون وهو ميت وهو يبكي " أو قال : " عيناه تهراقان " .


'Aayeshah Radiyallahu 'Anha reports: "Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam kissed the forehead of 'Uthmaan bin Maz'oon after his death. At that time tears were flowing from his eyes".

উসমান ইবনে মাযউন (রাঃ) ছিলেন কুরাইশ বংশের লোক। আবার তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দুধ ভাই। ইসলামের প্রথম যুগে ১৩ জনের পর তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। আবিসিনিয়ায় হিজরতের পর এবং জান্নাতুল বাকীতে সমাহিত হন। তিনি ছিলেন মুহাজিরদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইন্তেকালকার সাহাবী।


This great Sahaabi was a foster brother of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam. He was the thirteenth person to accept Islaam in its early stages. He first migrated to Abyssynia then to Madinah. He was very pious and devoted. At the time when it was still lawful to drink intoxicants, he had already abstained from imbibing it, He was the first among the Muhaajireen to pass away. He passed away in Sha'baan in the second year hijri and was buried in the Jannatul Baqi.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৪৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ৰন্দন (باب ما جاء في بكاء رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যাকে কবরের শোয়োনোর সময়ও কেঁদেছিলেন:

২৫২. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যার কবরের পার্শ্বে উপস্থিত হন। তিনি সেখানে বসেন। আমি দেখতে পেলাম, তাঁর চোখ হতে অশ্রু বেরোচ্ছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছে, যে গত রাতে স্ত্রীর নিকটবর্তী হওনি? আবু তালহা (রাঃ) বললেন, আমি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি কবরে অবতরণ করো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশে আবু তালহা (রাঃ) কবরে অবতরণ করলেন।[1]

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ وَهُوَ ابْنُ سُلَيْمَانَ ، عَنْ هِلالِ بْنِ عَلِيٍّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : شَهِدْنَا ابْنَةً لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , وَرَسُولُ اللَّهِ جَالِسٌ عَلَى الْقَبْرِ , فَرَأَيْتُ عَيْنَيْهِ تَدمَعَانِ ، فَقَالَ : " أَفِيكُمْ رَجُلٌ لَمْ يُقَارِفِ اللَّيْلَةَ ؟ " ، قَالَ أَبُو طَلْحَةَ : أَنَا ، قَالَ : " أنزل " فَنَزَلَ فِي قَبْرِهَا .

حدثنا إسحاق بن منصور ، قال : أخبرنا أبو عامر ، قال : حدثنا فليح وهو ابن سليمان ، عن هلال بن علي ، عن أنس بن مالك ، قال : شهدنا ابنة لرسول الله صلى الله عليه وسلم , ورسول الله جالس على القبر , فرأيت عينيه تدمعان ، فقال : " أفيكم رجل لم يقارف الليلة ؟ " ، قال أبو طلحة : أنا ، قال : " أنزل " فنزل في قبرها .


Anas Radiyallahu 'Anhu reports: "Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam was sitting at the grave of his daughter (Sayyiditina Ummi Kulthum Radiyallahu 'Anha) and tears were flowing from his eyes. Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam said: 'That person should enter the grave who did not have sexual relations that (previous) night'. Abu Talhah Radiyallahu 'Anhu
replied: 'I did not'. At the request of Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam he entered her grave"

It is said that this was an obscure hint to Sayyidina 'Uthmaan Radiyallahu 'Anhu and that is, although his wife, the daughter of Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam being very ill, that she passed away that same day, he was with one of his slave girls that night. Some 'ulama did not translate the word 'Lam Yuqaarif' as 'the one who did not commit sexual relations' but as 'the one who did not commit a sin'. Some 'ulama have translated it as 'did not speak' as Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam did not like to speak after 'eshaa. The most famous explanation is the one used above. There is no difficulty in explaining 'Ta'reed' (an obscure hint) too, a person does hint to one with whom one has a strong relationship. If Sayyidina 'Uthmaan Radiyallahu 'Anhu did this because of a strong urge, then there is no harm, also who knows when one will die. It is possible that Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam wanted to mildly bring it to his notice, but not scold him. It may not be surprising that the reason for this is that the marriage of Sayyiditina Ummi Kulthum Radiyallahu 'Anha was important, as this took place at the commandment of Allah Ta'aala. When the first wife of Sayyidina 'Uthmaan Radiyallahu 'Anhu, the elder sister of Siyyiditina Ummi Kulthum Radiyallahu 'Anha passed away, Sayyidina Rasulullah Sallallahu 'Alayhi Wasallam said: 'if I had a hundred daughters, and if every one died one after another, I would have married each one of them one after the other to'Uthmaan. 'Jibra-eel 'Alayhis Salaam says that Allah Ta'aala has commanded that I give the hand of Sayyidtina Ummi Kulthum Radiyallahu 'Anha in the marriage of Sayyidina 'Uthmaan Radiyallahu 'Anhu.' In this manner it will surely warrant that at the time of the illness of such a wife like Sayyiditina Ummi Kulthum Radiyallahu 'Anha, a mild and obscure hint be given. And Allah knows best.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৪৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর ক্ৰন্দন (باب ما جاء في بكاء رسول الله ﷺ)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে