সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ কিয়ামত প্রসঙ্গে।

২৪১৮. হান্নাদ (রহঃ) ...... আদী ইবন হাতিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে এমন কোন ব্যক্তি নেই যার সঙ্গে তার রব কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। তখন তার এবং তার রবের মাঝে কোন অনুবাদকও থাকবে না।

পরে সে তার ডান পার্শ্বে তাকাবে কিন্তু যা সে আগে করে পাঠিয়েছিল তা ছাড়া আর কিছুই সে দেখবে না। এরপর সে তার বাম দিকে তাকাবে কিন্তু যা সে আগে করে পাঠিয়েছিল তা ছাড়া আর কিছুই সে দেখবে না। অতঃপর সে তার সামনের দিকে তাকাবে সামনে তখন জাহান্নামকে পাবে সে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একটি খেজুরের সামান্য অংশ দান করেও তোমাদের যে ব্যক্তি নিজেকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করতে পারে সে যেন তা করে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৮৫, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবুস সাইব (রহঃ) বলেনঃ একদিন ওয়াকীস (রহঃ) এই হাদীসটি আ‘মাশ (রহঃ) এর বরাতে আমাদের বর্ণনা করলেন। বর্ণনা শেষ করে বললেনঃ এখানে খুরাসানের যদি কেউে থেকে থাকে তবে সেখানে এই হাদীসটির প্রচার প্রসারকে খুবই ছওয়াবের কাজ বলে গণ্য করবে।

ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ জাহমিয়্যা মতাদর্শীরা এটা (আল্লাহর কালাম করা) অস্বীকার করে। (তৎকালে খুরাসানের অনেকেই জাহমিয়্যা অনুসারী ছিল)। রাবী আবূ সাইব-এর নাম হল, সালম ইবন জুনাদা ইবন সালম ইবন খালিদ ইবন জাবির ইবন সামুরা কুফী।

بَابٌ فِي الْقِيَامَةِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ خَيْثَمَةَ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا مِنْكُمْ مِنْ رَجُلٍ إِلاَّ سَيُكَلِّمُهُ رَبُّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ تَرْجُمَانٌ فَيَنْظُرُ أَيْمَنَ مِنْهُ فَلاَ يَرَى شَيْئًا إِلاَّ شَيْئًا قَدَّمَهُ ثُمَّ يَنْظُرُ أَشْأَمَ مِنْهُ فَلاَ يَرَى شَيْئًا إِلاَّ شَيْئًا قَدَّمَهُ ثُمَّ يَنْظُرُ تِلْقَاءَ وَجْهِهِ فَتَسْتَقْبِلُهُ النَّارُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ يَقِيَ وَجْهَهُ حَرَّ النَّارِ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ فَلْيَفْعَلْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
حَدَّثَنَا أَبُو السَّائِبِ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، يَوْمًا بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنِ الأَعْمَشِ، فَلَمَّا فَرَغَ وَكِيعٌ مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ قَالَ مَنْ كَانَ هَا هُنَا مِنْ أَهْلِ خُرَاسَانَ فَلْيَحْتَسِبْ فِي إِظْهَارِ هَذَا الْحَدِيثِ بِخُرَاسَانَ لأَنَّ الْجَهْمِيَّةَ يُنْكِرُونَ هَذَا ‏.‏ اسْمُ أَبِي السَّائِبِ سَلْمُ بْنُ جُنَادَةَ بْنِ سَلْمِ بْنِ خَالِدِ بْنِ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ الْكُوفِيُّ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن خيثمة، عن عدي بن حاتم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما منكم من رجل إلا سيكلمه ربه يوم القيامة وليس بينه وبينه ترجمان فينظر أيمن منه فلا يرى شيئا إلا شيئا قدمه ثم ينظر أشأم منه فلا يرى شيئا إلا شيئا قدمه ثم ينظر تلقاء وجهه فتستقبله النار ‏"‏ ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من استطاع منكم أن يقي وجهه حر النار ولو بشق تمرة فليفعل ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ حدثنا أبو السائب، حدثنا وكيع، يوما بهذا الحديث عن الأعمش، فلما فرغ وكيع من هذا الحديث قال من كان ها هنا من أهل خراسان فليحتسب في إظهار هذا الحديث بخراسان لأن الجهمية ينكرون هذا ‏.‏ اسم أبي السائب سلم بن جنادة بن سلم بن خالد بن جابر بن سمرة الكوفي ‏.‏


'Adi bin Hatim narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"There is no man among you except that his Lord shall converse with him on the Day Of Judgement, there being no interpreter between him and Him(Allah). Then he looks to the south (his right) and does not see anything ."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ কিয়ামত প্রসঙ্গে।

২৪১৯. হুমায়দ ইবন মাসআদা (রহঃ) .... ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পাঁচটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামতের দিন প্রভুর নিকট থেকে আদম সন্তানের পা সরবে নাঃ জিজ্ঞাসা করা হবে তার বয়স সম্পর্কে, কি কাজে সে তা অতিবাহিত করেছে, তার যৌবন সম্পর্কে কি কাজে সে তা বিনাশ করেছে; তার সম্পদ সম্পর্কে, কোথা থেকে সে তা অর্জন করেছে আর কি কাজে সে তা ব্যয় করেছে এবং সে যা শিখেছিল তদনুযায়ী কি আমল সে করেছে? সহীহ, সহিহাহ ৯৪৬, তা'লীকুর রাগীব ১/৭৬, রওযুন নাযীর ৬৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি গারীব। হুসায়ন ইবন কায়স-এর সূত্র ছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে হুসায়ন হচ্ছে যঈফ রাবী।

এ বিষয়ে আবূ বারযা ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

بَابٌ فِي الْقِيَامَةِ

حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا حُصَيْنُ بْنُ نُمَيْرٍ أَبُو مِحْصَنٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ قَيْسٍ الرَّحَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَ أَنْفَقَهُ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ مَسْعُودٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ الْحُسَيْنِ بْنِ قَيْسٍ ‏.‏ وَحُسَيْنُ بْنُ قَيْسٍ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ وَأَبِي سَعِيدٍ ‏.‏

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا حصين بن نمير أبو محصن، حدثنا حسين بن قيس الرحبي، حدثنا عطاء بن أبي رباح، عن ابن عمر، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تزول قدما ابن آدم يوم القيامة من عند ربه حتى يسأل عن خمس عن عمره فيما أفناه وعن شبابه فيما أبلاه وماله من أين اكتسبه وفيم أنفقه وماذا عمل فيما علم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث ابن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا من حديث الحسين بن قيس ‏.‏ وحسين بن قيس يضعف في الحديث من قبل حفظه ‏.‏ وفي الباب عن أبي برزة وأبي سعيد ‏.‏


Ibn Mas'ud narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"The feet of the son of Adam shall not move from before his Lord on the Day of Judgement, until he is asked about five things: about his life and what he did with it, about his youth and what he wore it out in, about his wealth and how he earned it and spent it upon, and what he did with what he knew."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ কিয়ামত প্রসঙ্গে।

২৪২০. আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ..... আবূ বারযা আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দার পা (কিয়ামতের দিন) নড়বে না যতক্ষণ না তাকে প্রশ্ন করা হবে তার বয়স সম্পর্কে যে, কি কাজে সে তা শেষ করেছে; তার ইলম সম্পর্কে তদনুযায়ী কি আমল করেছে সে; তার সম্পদ সম্পর্কে কোথা সে তা অর্জন করেছে এবং কোথায় তা ব্যয় করেছে; তার শরীর সম্পর্কে সে কিসে তা বিনাশ করেছে। সহীহ, প্রাগুক্ত, তাখরিজ ইকতিযাউল ইলমি আল আমল ১৫/১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ। সাঈদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন জুবায়র (রহঃ) হলেন আবূ বারযা আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মাওলা বা আযাদকৃত গোলাম। আবূ বারযা আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নাম হল নাযলা ইবন উবায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু।

بَابٌ فِي الْقِيَامَةِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا الأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَزُولُ قَدَمَا عَبْدٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ عُمْرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ عِلْمِهِ فِيمَا فَعَلَ وَعَنْ مَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَا أَنْفَقَهُ وَعَنْ جِسْمِهِ فِيمَا أَبْلاَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَسَعِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جُرَيْجٍ هُوَ بَصْرِيٌّ وَهُوَ مَوْلَى أَبِي بَرْزَةَ وَأَبُو بَرْزَةَ اسْمُهُ نَضْلَةُ بْنُ عُبَيْدٍ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا الأسود بن عامر، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن الأعمش، عن سعيد بن عبد الله بن جريج، عن أبي برزة الأسلمي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تزول قدما عبد يوم القيامة حتى يسأل عن عمره فيما أفناه وعن علمه فيما فعل وعن ماله من أين اكتسبه وفيما أنفقه وعن جسمه فيما أبلاه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وسعيد بن عبد الله بن جريج هو بصري وهو مولى أبي برزة وأبو برزة اسمه نضلة بن عبيد ‏.‏


Abu Barzah Al-Aslami narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"The feet of the slave of Allah shall not move [on the Day of Judgement] until he is asked about five things: about his life and what he did with it, about his knowledge and what he did with it, about his wealth and how he earned it and where he spent it on, about his body and for what did he wear it out."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হিসাব এবং অন্যায়ের বদলা।

২৪২১. কুতায়বা (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি জান মুফলিস (কপর্দক শূণ্য ব্যক্তি) কে? সাহাবীগণ বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাদের মাঝে মুফলিস তো হল সে ব্যক্তি যার কোন দিরহাম (মুদ্রা) নেই, কোন সম্পদ নেই।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার উম্মতের মুফলিস হল সে ব্যক্তি যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন সালাত (নামায), সাওম যাকাত বহু আমলসহ উপস্থিত হবে, এরই সঙ্গে ওকে সে গালি-গালাজ করেছে, তাকে সে অপবাদ দিয়েছে, অমুকের মাল আত্মসাত করেছে, তমুককে খুন করেছে, কাউকে মেরেছে ইত্যাদি ধরণের অপরাধসহও সে উপস্থিত হবে।

অনন্তর তার নেক আমল থেকে অমুককে তমুককে বদলা দেওয়া হতে থাকবে। তার যিম্মায় সে সব অপরাধ আছে সে সবের বদলা নেওয়া শেষ হওয়ার পূর্বেই যদি তার নেক আমল ফুরিয়ে যায় তবে ঐ সব মজলুম ব্যক্তিদের গুনাহসমূহ এনে তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। শেষে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। সহীহ, সহিহাহ ৮৪৫, আহকামুল জানাইয ৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।

ابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الْحِسَابِ وَالْقَصَاصِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ أَتَدْرُونَ مَا الْمُفْلِسُ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا الْمُفْلِسُ فِينَا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ لاَ دِرْهَمَ لَهُ وَلاَ مَتَاعَ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الْمُفْلِسُ مِنْ أُمَّتِي مَنْ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِصَلاَتِهِ وَصِيَامِهِ وَزَكَاتِهِ وَيَأْتِي قَدْ شَتَمَ هَذَا وَقَذَفَ هَذَا وَأَكَلَ مَالَ هَذَا وَسَفَكَ دَمَ هَذَا وَضَرَبَ هَذَا فَيَقْعُدُ فَيَقْتَصُّ هَذَا مِنْ حَسَنَاتِهِ وَهَذَا مِنْ حَسَنَاتِهِ فَإِنْ فَنِيَتْ حَسَنَاتُهُ قَبْلَ أَنْ يُقْتَصَّ مَا عَلَيْهِ مِنَ الْخَطَايَا أُخِذَ مِنْ خَطَايَاهُمْ فَطُرِحَ عَلَيْهِ ثُمَّ طُرِحَ فِي النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أتدرون ما المفلس ‏"‏ ‏.‏ قالوا المفلس فينا يا رسول الله من لا درهم له ولا متاع ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المفلس من أمتي من يأتي يوم القيامة بصلاته وصيامه وزكاته ويأتي قد شتم هذا وقذف هذا وأكل مال هذا وسفك دم هذا وضرب هذا فيقعد فيقتص هذا من حسناته وهذا من حسناته فإن فنيت حسناته قبل أن يقتص ما عليه من الخطايا أخذ من خطاياهم فطرح عليه ثم طرح في النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"DO you know who the bankrupt is?" They said: "O Messenger of Allah! The bankrupt among us is the one who has no Dirham nor property." The Messenger of Allah (s.a.w) said: "The bankrupt in my Ummah is the one who comes with Salat and fasting and Zakat on the Day of Judgement, but he comes having abused this one, falsely accusing that one, wrongfully consuming the wealth of this one, spilling the blood of that one, and beating this one. SO he is seated, and this one is requited from his rewards. If his rewards are exhausted before the sins that he committed are requited, then some of their sins will be taken and cast upon him, then he will be cast into the Fire."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হিসাব এবং অন্যায়ের বদলা।

২৪২২. হান্নাদ ও নাসর ইবন আবদুর রহমান কুফী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ রহম করুন বান্দার উপর, যার যিম্মায় তার কোন ভাইয়ের সম্মান ও সম্পদ বিনষ্ট করার মত যুলুম জনিত অপরাধ রয়ে গেছে সে যেন এই অপরাধগুলো পাকড়াও হওয়ার আগেই মাফ করিয়ে নেয়। সেখানে (কিয়ামতের ময়দানে) কোন দীনার (স্বর্ণ মুদ্রা) বা কোর দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা) থাকবে না। যদি তার নেক আমল থাকে (মযলুমের বদলায়) তবে নেক আমল নিয়ে যাওয়া হবে। আর তার যদি নেক আমল না থাকে তবে মযলুমদের বদ আমল এনে তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। সহীহ, সহিহাহ ৩২৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) সাঈদ মাকবুরী-আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

ابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الْحِسَابِ وَالْقَصَاصِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، وَنَصْرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكُوفِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ، يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رَحِمَ اللَّهُ عَبْدًا كَانَتْ لأَخِيهِ عِنْدَهُ مَظْلَمَةٌ فِي عِرْضٍ أَوْ مَالٍ فَجَاءَهُ فَاسْتَحَلَّهُ قَبْلَ أَنْ يُؤْخَذَ وَلَيْسَ ثَمَّ دِينَارٌ وَلاَ دِرْهَمٌ فَإِنْ كَانَتْ لَهُ حَسَنَاتٌ أُخِذَ مِنْ حَسَنَاتِهِ وَإِنْ لَمْ تَكُنْ لَهُ حَسَنَاتٌ حَمَّلُوا عَلَيْهِ مِنْ سَيِّئَاتِهِمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ ‏.‏ وَقَدْ رَوَاهُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏

حدثنا هناد، ونصر بن عبد الرحمن الكوفي، قال حدثنا المحاربي، عن أبي خالد، يزيد بن عبد الرحمن عن زيد بن أبي أنيسة، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رحم الله عبدا كانت لأخيه عنده مظلمة في عرض أو مال فجاءه فاستحله قبل أن يؤخذ وليس ثم دينار ولا درهم فإن كانت له حسنات أخذ من حسناته وإن لم تكن له حسنات حملوا عليه من سيئاتهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من حديث سعيد المقبري ‏.‏ وقد رواه مالك بن أنس عن سعيد المقبري عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"May Allah have mercy upon a servant who has wronged his brother in his honor of his wealth, then he comes to him to seek his pattern before (his right) is taken, when he has no Dinar nor Dirham. Then if he has any rewards, it will be taken from his rewards, and if he have no rewards, Then some of his (brothers) bad deeds will be levied upon him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হিসাব এবং অন্যায়ের বদলা।

২৪২৩. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক হকওয়ালার হক অবশ্যই আদায় করা হবে। এমনকি শিংহীন ছাগলের পক্ষে শিংওয়ালা ছাগলের পক্ষ থেকেও বদলা নেওয়া হবে। সহীহ, সহিহাহ ১৫৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আবূ যার ও আবদুল্লাহ ইবন উনায়স রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।

ابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الْحِسَابِ وَالْقَصَاصِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لَتُؤَدَّنَّ الْحُقُوقُ إِلَى أَهْلِهَا حَتَّى يُقَادَ لِلشَّاةِ الْجَلْحَاءِ مِنَ الشَّاةِ الْقَرْنَاءِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُنَيْسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لتؤدن الحقوق إلى أهلها حتى يقاد للشاة الجلحاء من الشاة القرناء ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أبي ذر وعبد الله بن أنيس ‏.‏ قال أبو عيسى وحديث أبي هريرة حديث حسن صحيح ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Rights will be given to their due, such that the hornless sheep would get its claim from the horned sheep."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হিসাব এবং অন্যায়ের বদলা।

২৪২৪. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ..... রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী মিকদাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন সূর্য বান্দাদের নিকটবর্তী হয়ে যাবে এমন কি তা এক মাইল বা দুই মাইল বলতে যমীনের দুরত্ব জ্ঞাপক মাইল বুঝানো হয়েছে না চোখে সুরমা লাগানো সলা বুঝানো হয়েছে জানি না।

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সূর্যতাপে তারা গলতে থাকবে। তারা স্ব-স্ব আমল অনুসারে ঘামের প্রবাহে অবস্থান করবে। কারো তো গোড়ালী পর্যন্ত, কারো দুই হাটু পর্যন্ত, কারো কোমর পর্যন্ত কারো মুখ পর্যন্ত ঘাম পৌছে লাগামের মত বেষ্টন করবে।

মিকদাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি তিনি তাঁর হাত দিয়ে মুখের দিকে ইশারা করলেন অর্থাৎ লাগামের মত বেষ্টন করাকে বুঝিয়ে দিলেন। সহীহ, সহিহাহ ১৩৮২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে আবূ সাঈদ ও ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

ابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الْحِسَابِ وَالْقَصَاصِ

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا الْمِقْدَادُ، صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ أُدْنِيَتِ الشَّمْسُ مِنَ الْعِبَادِ حَتَّى تَكُونَ قِيدَ مِيلٍ أَوِ اثْنَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سُلَيْمٌ لاَ أَدْرِي أَىَّ الْمِيلَيْنِ عَنَى أَمَسَافَةَ الأَرْضِ أَمِ الْمِيلَ الَّذِي تُكْتَحَلُ بِهِ الْعَيْنُ قَالَ ‏"‏ فَتَصْهَرُهُمُ الشَّمْسُ فَيَكُونُونَ فِي الْعَرَقِ بِقَدْرِ أَعْمَالِهِمْ فَمِنْهُمْ مَنْ يَأْخُذُهُ إِلَى عَقِبَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَأْخُذُهُ إِلَى رُكْبَتَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَأْخُذُهُ إِلَى حَقْوَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يُلْجِمُهُ إِلْجَامًا ‏"‏ ‏.‏ فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُشِيرُ بِيَدِهِ إِلَى فِيهِ أَىْ يُلْجِمُهُ إِلْجَامًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏

حدثنا سويد بن نصر، أخبرنا ابن المبارك، أخبرنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، حدثني سليم بن عامر، حدثنا المقداد، صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إذا كان يوم القيامة أدنيت الشمس من العباد حتى تكون قيد ميل أو اثنين ‏"‏ ‏.‏ قال سليم لا أدري أى الميلين عنى أمسافة الأرض أم الميل الذي تكتحل به العين قال ‏"‏ فتصهرهم الشمس فيكونون في العرق بقدر أعمالهم فمنهم من يأخذه إلى عقبيه ومنهم من يأخذه إلى ركبتيه ومنهم من يأخذه إلى حقويه ومنهم من يلجمه إلجاما ‏"‏ ‏.‏ فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يشير بيده إلى فيه أى يلجمه إلجاما ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وفي الباب عن أبي سعيد وابن عمر ‏.‏


Sulaim bin 'Amir narrated from Al-Miqdad, a Companion of the Messenger of Allah (s.a.w) who said:
"I heard the Messenger of Allah (s.a.w) saying: 'On the Day of Judgement, the sun will be drawn near the servants, until it has come a mile or two (away).'" Sulaim bin 'Amir said: " I do not know if it is miles that refer to distance on the lnd, or Al-Mil which is used to apply Kuhl for the eyes." He (the Prophet (s.a.w)): "The sun will melt them, until they will be in sweat according to their deeds. Among them one will be covered up to his ankles, and among them will be one who is covered upto his knees, and among them will be one who is covered up to his waist, and among them will be one who is bridled with it.' I saw the Messenger ODF Allah (s.a.w) indicating with his hand toward his mouth, meaning that one would be bridled with it.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হিসাব এবং অন্যায়ের বদলা।

২৪২৫. আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া ইবন দুরুস্ত বাসরী (রহঃ) .... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে,يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ - যেদিন লোকেরা রাব্বুল আলামিনের জন্য দাঁড়াবে (মুতাফফিফীন ৮৩ঃ ৬) প্রসঙ্গে তিনি বলেনঃ কানের অর্ধেক পর্যন্ত ঘামের মধ্যে তারা দাঁড়াবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৭৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

রাবী হাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ উক্ত রিওয়ায়াতটি আমাদের মতে মারফু'। হাদীসটি হাসান-সহীহ। হান্নাদ (রহঃ) ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছ।

ابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الْحِسَابِ وَالْقَصَاصِ

حَدَّثَنَا أَبُو زَكَرِيَّا، يَحْيَى بْنُ دُرُسْتَ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ حَمَّادٌ وَهُوَ عِنْدَنَا مَرْفُوعٌ ‏(‏يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ)‏ قَالَ يَقُومُونَ فِي الرَّشْحِ إِلَى أَنْصَافِ آذَانِهِمْ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏

حدثنا أبو زكريا، يحيى بن درست البصري حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال حماد وهو عندنا مرفوع ‏(‏يوم يقوم الناس لرب العالمين)‏ قال يقومون في الرشح إلى أنصاف آذانهم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ حدثنا هناد، حدثنا عيسى بن يونس، عن ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏


Hammad bin Zayd narrated from Ayub, from Nafi', from Ibn 'Umar – Hammad said - :
“And it is Marfu` in our view.” (He said): “The Day when all mankind will stand before the Lord of all that exists. They will be standing in their sweat up to the middle of their ears.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হাশরের হাল।

২৪২৬. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন খালি পা, খালি গা এবং খাতনাহীন অবস্থায় যেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল তেমনিভাবে মানুষের হাশর হবে। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ

كَمَا بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُعِيدُهُ وَعْدًا عَلَيْنَا إِنَّا كُنَّا فَاعِلِينَ

যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করবো; ওয়াদা পালন আমার উপর ন্যস্ত, আমি তা পালন করবই। (আম্বিয়া ২১ঃ ১০৪)

সমস্ত সৃষ্টির মাঝে প্রথম ইবরাহীম (আঃ)-কে কাপড় পরানো হবে। আমার সঙ্গীদের কতক লোককে ধরে ডানে বামে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি বলব, হে আমার রব, এরা তো আমার সঙ্গী। আমাকে তখন বলা হবে, আপনি জানেন না আপনার পর এরা কি যে বেদআত ঘটিয়েছে! যেদিন থেকে আপনি এদের থেকে পৃথক হয়েছেন সেদিন থেকেই এরা মুরতাদ হয়ে পশ্চাতে ফিরে যেতে থেকেছে। অনন্তর আমি আল্লাহর নেক বান্দা [ঈসা (আঃ)] এর মত বলবঃ

إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ‏

আপনি যদি এদেরকে শাস্তি দেন তবে এরা তো আপনারই বান্দা, আর যদি এদের ক্ষমা করে দেন তবে আপনি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (মাইদা ৫ঃ ১১৮)।

সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

মুহাম্মদ ইবন বাশশার ও মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ... মুগীরা ইবন নু‘মান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الحَشْرِ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ النُّعْمَانِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يُحْشَرُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حُفَاةً عُرَاةً غُرْلاً كَمَا خُلِقُوا ثُمَّ قَرَأََ ‏(‏كَمَا بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُعِيدُهُ وَعْدًا عَلَيْنَا إِنَّا كُنَّا فَاعِلِينَ)‏ وَأَوَّلُ مَنْ يُكْسَى مِنَ الْخَلاَئِقِ إِبْرَاهِيمُ وَيُؤْخَذُ مِنْ أَصْحَابِي بِرِجَالٍ ذَاتَ الْيَمِينِ وَذَاتَ الشِّمَالِ فَأَقُولُ يَا رَبِّ أَصْحَابِي ‏.‏ فَيُقَالُ إِنَّكَ لاَ تَدْرِي مَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ إِنَّهُمْ لَمْ يَزَالُوا مُرْتَدِّينَ عَلَى أَعْقَابِهِمْ مُنْذُ فَارَقْتَهُمْ ‏.‏ فَأَقُولُ كَمَا قَالَ الْعَبْدُ الصَّالِحُْ‏:‏ ‏(‏إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ‏)‏ ‏"‏‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو أحمد الزبيري، حدثنا سفيان، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يحشر الناس يوم القيامة حفاة عراة غرلا كما خلقوا ثم قرأ ‏(‏كما بدأنا أول خلق نعيده وعدا علينا إنا كنا فاعلين)‏ وأول من يكسى من الخلائق إبراهيم ويؤخذ من أصحابي برجال ذات اليمين وذات الشمال فأقول يا رب أصحابي ‏.‏ فيقال إنك لا تدري ما أحدثوا بعدك إنهم لم يزالوا مرتدين على أعقابهم منذ فارقتهم ‏.‏ فأقول كما قال العبد الصالح‏:‏ ‏(‏إن تعذبهم فإنهم عبادك وإن تغفر لهم فإنك أنت العزيز الحكيم‏)‏ ‏"‏‏.‏


Ibn 'Abbas narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"The people will be gathered on the Day of Resurrection bare-foot, naked and uncircumcised as they were created." Then he recited: "As we begin the first creation, we shall repeat it: A promise binding upon Us. Truly We shall do it. And the first of people to be clothed will be Ibrahim. Among my companions will be some men who are taken to the right and to the left. I will say: 'O my Lord! My companions!' It will be said: 'You do not know what they innovated after you, they continued to be apostates since you parted from them.' So I will say as the righteous worshipper said: If you punish them, they are your slaves, and if You forgive them, indeed You, only You are the Almighty, the All-Wise."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হাশরের হাল।

২৪২৭. আহমাদ ইবন মানী‘ (রহঃ) .... বাহয ইবন হাকীম তার পিতা তার পিতামহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, পায়ে হেঁঠে, আরোহী অবস্থায় তোমাদের হাশর হবে। তোমাদের অনেককে চেহারার উপর উপুড় করে ছেচড়িয়ে টেনে নিয়ে আসা হবে। ফাযায়েলুশশাম ১৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الحَشْرِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّكُمْ مَحْشُورُونَ رِجَالاً وَرُكْبَانًا وَتُجَرُّونَ عَلَى وُجُوهِكُمْ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إنكم محشورون رجالا وركبانا وتجرون على وجوهكم ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏


Bahz bin Hakim narrated from his father, from his grandfather, that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Yyou shall be gathered walking, riding, and dragged upon your faces."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্‌র সামনে উপস্থাপন।

২৪২৮. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে মানুষকে তিনবার পেশ করা হবে। প্রথম দুইবারের উপস্থাপন তো হবে বিবাদ ও উযর সংক্রান্ত। আর তৃতীয়বারের উপস্থাপনের সময়েই হাতে হাতে আমলনামা উড়তে থাকবে। কেউতো ডান হাতে তা ধরবে আর কেউ ধরবে বাম হাতে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৪২৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি সহীহ নয়। কারণ হাসান (রহঃ) সরাসরি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কিছু শোনেন নি। কেউ কেউ এটিকে আলী ইবন আলী রিফাঈ-হাসান-আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।

بَابُ مَا جَاءَ فِي العَرْضِ

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يُعْرَضُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثَلاَثَ عَرَضَاتٍ فَأَمَّا عَرْضَتَانِ فَجِدَالٌ وَمَعَاذِيرُ وَأَمَّا الْعَرْضَةُ الثَّالِثَةُ فَعِنْدَ ذَلِكَ تَطِيرُ الصُّحُفُ فِي الأَيْدِي فَآخِذٌ بِيَمِينِهِ وَآخِذٌ بِشِمَالِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَلاَ يَصِحُّ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ قِبَلِ أَنَّ الْحَسَنَ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَقَدْ رَوَاهُ بَعْضُهُمْ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ الرِّفَاعِيِّ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي مُوسَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَلاَ يَصِحُّ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ قِبَلِ أَنَّ الْحَسَنَ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ أَبِي مُوسَى ‏.‏

حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن علي بن علي، عن الحسن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يعرض الناس يوم القيامة ثلاث عرضات فأما عرضتان فجدال ومعاذير وأما العرضة الثالثة فعند ذلك تطير الصحف في الأيدي فآخذ بيمينه وآخذ بشماله ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى ولا يصح هذا الحديث من قبل أن الحسن لم يسمع من أبي هريرة ‏.‏ وقد رواه بعضهم عن علي بن علي الرفاعي عن الحسن عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى ولا يصح هذا الحديث من قبل أن الحسن لم يسمع من أبي موسى ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"The people will face three presentations on the Day of Judgement. As for (the first) two presentations, they are the arguments and the excuses, as for the third presentation, upon that the records will fly into the hands. Some will take them in their right hand, and some will take them in their left hand."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ এতদসম্পর্কে আরেকটি অনুচ্ছেদ।

২৪২৯. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যার চুল-চেরা হিসাব নেওয়া হবে সে তো ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আল্লাহ তো ইরশাদ করেছেনঃ

فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ * فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا

আর যার আমল নামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে তার হিসাব-নিকাশ তো সহজেই হবে। (সূরা ইনশিকাক ৮৪ঃ ৭,৮)।

তিনি বললেনঃ এতো হল সামনে পেশ করা মাত্র। সহীহ, যিলালুল জান্নাত ৮৮৫, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ। আয়্যূব (রহঃ)-ও এটিকে আবূ মূলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

بَابٌ مِنْهُ

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ مَنْ نُوقِشَ الْحِسَابَ هَلَكَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولَُ‏:‏ ‏(‏فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ * فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا)‏ قَالَ ‏"‏ ذَلِكَ الْعَرْضُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ حَسَنٌ وَرَوَاهُ أَيُّوبُ أَيْضًا عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ‏.‏

حدثنا سويد بن نصر، أخبرنا ابن المبارك، عن عثمان بن الأسود، عن ابن أبي مليكة، عن عائشة، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من نوقش الحساب هلك ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله إن الله تعالى يقول‏:‏ ‏(‏فأما من أوتي كتابه بيمينه * فسوف يحاسب حسابا يسيرا)‏ قال ‏"‏ ذلك العرض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث صحيح حسن ورواه أيوب أيضا عن ابن أبي مليكة ‏.‏


Ibn 'Abi Mulaikah narrated that 'Aishah said:
"I heard the Messenger of Allah (s.a.w) saying: 'Whoever his account is questioned about , he shall be ruined.' I said: 'O Messenger of Allah! Indeed Allah [Most High] has said: Then as for him who shall be given his Record in his right hand. He surely will receive an easy reckoning.' Then he said: 'That is the presentation.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ এতদ্বিষয়ে আরেকটি অনুচ্ছেদ।

২৪৩০. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আদম সন্তানকে ভেড়ার বাচ্চার মত অসহায় অবস্থায় আনা হবে। তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে। আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ তোমাকে তো (জীবন স্বাস্থ্য ও সুখ) দিয়েছিলাম। তোমাকে চাকর-নফর, ধন-দৌলত দিয়েছিলাম। আরো বহু নিয়ামত দিয়েছিলাম কি আমল করে এসেছ তুমি?

সে বলবেঃ তা সব সঞ্চয় করেছি, তা বৃদ্ধি করেছি এবং যা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশী রেখে এসেছি। আমাকে (দুনিয়ায়) ফিরত যেতে দিন সেই সব কিছুই আপনার কাছে নিয়ে আসছি। আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ আগে কি নিয়ে এসেছ তা আমাকে দেখাও, সে বলবেঃ হে রব, আমি তো সব সঞ্চয় করেছি, তা বাড়িয়েছি এবং যা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশী রেখে এসেছি, আমাকে ফেরত যেতে দিন, সবকিছুই আপনার কাছে নিয়ে আসছি। অনন্তর বান্দার অবস্থা যখন এই হবে যে সে কোন নেক আমল আগে পাঠায়নি তখন জাহান্নামেই তাকে নিয়ে যাওয়া হবে। যঈফ, তা'লীকুর রাগীব ৩/১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ একাধিক রাবী হাদীসটি হাসান (রহঃ) থেকে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তরা এটিকে মুসনাদ করেন নি। ইসমাঈল ইবন মুসলিম হাদীসরে ক্ষেত্রে যঈফ। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

بَابٌ مِنْهُ

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ، وَقَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يُجَاءُ بِابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهُ بَذَجٌ فَيُوقَفُ بَيْنَ يَدَىِ اللَّهِ فَيَقُولُ اللَّهُ لَهُ أَعْطَيْتُكَ وَخَوَّلْتُكَ وَأَنْعَمْتُ عَلَيْكَ فَمَاذَا صَنَعْتَ ‏.‏ فَيَقُولُ يَا رَبِّ جَمَعْتُهُ وَثَمَّرْتُهُ فَتَرَكْتُهُ أَكْثَرَ مَا كَانَ فَارْجِعْنِي آتِكَ بِهِ ‏.‏ فَيَقُولُ لَهُ أَرِنِي مَا قَدَّمْتَ ‏.‏ فَيَقُولُ يَا رَبِّ جَمَعْتُهُ وَثَمَّرْتُهُ فَتَرَكْتُهُ أَكْثَرَ مَا كَانَ فَارْجِعْنِي آتِكَ بِهِ ‏.‏ فَإِذَا عَبْدٌ لَمْ يُقَدِّمْ خَيْرًا فَيُمْضَى بِهِ إِلَى النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ الْحَسَنِ قَوْلَهُ وَلَمْ يُسْنِدُوهُ ‏.‏ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ‏.‏

حدثنا سويد بن نصر، أخبرنا ابن المبارك، أخبرنا إسماعيل بن مسلم، عن الحسن، وقتادة، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يجاء بابن آدم يوم القيامة كأنه بذج فيوقف بين يدى الله فيقول الله له أعطيتك وخولتك وأنعمت عليك فماذا صنعت ‏.‏ فيقول يا رب جمعته وثمرته فتركته أكثر ما كان فارجعني آتك به ‏.‏ فيقول له أرني ما قدمت ‏.‏ فيقول يا رب جمعته وثمرته فتركته أكثر ما كان فارجعني آتك به ‏.‏ فإذا عبد لم يقدم خيرا فيمضى به إلى النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روى هذا الحديث غير واحد عن الحسن قوله ولم يسندوه ‏.‏ وإسماعيل بن مسلم يضعف في الحديث من قبل حفظه ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة وأبي سعيد الخدري ‏.‏


Anas narrated that the Prophet (s.a.w)said:
"The son of Adam will be brought on the Day of Judgement as if he is a goat kid to be stood before Allah, Most High. Allah will say to him: 'I gave to you, I granted you, and I bestowed favors upon you. So what did you do?' So he says: 'I collected it, increased it, and left it as more than what it was. So return me and I shall give it all to You.' So He will say to him: 'Show me what you have prepared.'So he says: 'My Lord! I collected it, increased it and left it more than it was, So return me and I shall give it all to You.' So when the servant does not present any good he will be entered into the Fire."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ এতদ্বিষয়ে আরেকটি অনুচ্ছেদ।

২৪৩১. আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ যুহরী বাসরী (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তাঁরা বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন এক বান্দাকে আনা হবে। আল্লাহ তাআলা তাকে বলবেনঃ তোমাকে আমি কি চোখ-কান দেইনি, ধন-দৌলত, সন্তান-সন্তুতি দেইনি, পশু-সম্পদ ও শস্য-সামগ্রী তোমার করতলগত করিনি; তোমাকে তো সরদারী করতে লোকদের সম্পদের এক চতুর্থাংশ ভোগ করতে ছেড়ে রেখেছিলাম। তুমি কি ধারণা করতে যে, আজকের এই দিনে আমার সঙ্গে তোমার মূলাকাত করতে করতে হবে? সে বলবেঃ না। আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ আজ তোমাকে আমি ভুলে গেলাম যেভাবে আমাকে তুমি ভুলে গিয়েছিলে। সহীহ, যিলালুল জান্নাত ৬৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-গারীব।

‘‘তোমাকে আমি ভুলে গেলাম’’-কথাটির মর্ম হল তোমাকে আজ আযাবে ছেড়ে দিলাম। কোন কোন আলিমالْيَوْمَ نَنْسَاهُمْ (আজ তাদের ভুলে গেছি-আল আ‘রাফ ৭ঃ ৫১) আয়াতটির উক্তরূপ তাফসীর করেছেন। তারা বলেনঃ তাদেরকে আমি আযাবে ছেড়ে রেখেছি।

بَابٌ مِنْهُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ سُعَيْرٍ أَبُو مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالاَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يُؤْتَى بِالْعَبْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَقُولُ اللَّهُ لَهُ أَلَمْ أَجْعَلْ لَكَ سَمْعًا وَبَصَرًا وَمَالاً وَوَلَدًا وَسَخَّرْتُ لَكَ الأَنْعَامَ وَالْحَرْثَ وَتَرَكْتُكَ تَرْأَسُ وَتَرْبَعُ فَكُنْتَ تَظُنُّ أَنَّكَ مُلاَقِيَّ يَوْمَكَ هَذَا قَالَ فَيَقُولُ لاَ ‏.‏ فَيَقُولُ لَهُ الْيَوْمَ أَنْسَاكَ كَمَا نَسِيتَنِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَمَعْنَى قَوْلِهِ ‏"‏ الْيَوْمَ أَنْسَاكَ ‏"‏ ‏.‏ يَقُولُ الْيَوْمَ أَتْرُكُكَ فِي الْعَذَابِ ‏.‏ هَكَذَا فَسَّرُوهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ فَسَّرَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ هَذِهِ الآيَةَ‏:‏ ‏(‏ الْيَوْمَ نَنْسَاهُمْ ‏)‏ قَالُوا إِنَّمَا مَعْنَاهُ الْيَوْمَ نَتْرُكُهُمْ فِي الْعَذَابِ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن محمد الزهري البصري، حدثنا مالك بن سعير أبو محمد التميمي الكوفي، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، وعن أبي سعيد، قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يؤتى بالعبد يوم القيامة فيقول الله له ألم أجعل لك سمعا وبصرا ومالا وولدا وسخرت لك الأنعام والحرث وتركتك ترأس وتربع فكنت تظن أنك ملاقي يومك هذا قال فيقول لا ‏.‏ فيقول له اليوم أنساك كما نسيتني ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث صحيح غريب ‏.‏ ومعنى قوله ‏"‏ اليوم أنساك ‏"‏ ‏.‏ يقول اليوم أتركك في العذاب ‏.‏ هكذا فسروه ‏.‏ قال أبو عيسى وقد فسر بعض أهل العلم هذه الآية‏:‏ ‏(‏ اليوم ننساهم ‏)‏ قالوا إنما معناه اليوم نتركهم في العذاب ‏.‏


Abu Salih reported from Aabil Huraurah and Abu Sa;eed that the Messenger of allah (s.a.w)said:
"The servant will be brought on the Day of Judgement, and He will say to hi: 'Did I not give you hearing. Sight, wealth, children, and did I not make the cattle and tillage subservient to you, and did I not leave you as the head of people taking from their wealth? Did you not think that you would have to meet with Me on this Day of yours?' So he will say: 'No.' So it will be said to him: 'Today you shall be forgotten just as you have forgotten Me.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ এতদ্বিষয়ে আরেকটি অনুচ্ছেদ।

২৪৩২. সওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করলেনঃيَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا (সেদিন পৃথিবী তার খবর বিবৃতি করবে - যিলযাল ৯৯ঃ ৪)। বললেনঃ পৃথিবীর বৃত্তান্ত কি তা জান? সাহাবীগণ বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এর বৃত্তান্ত হল, প্রত্যেক বান্দা ও বান্দীর সে এই কথার সাক্ষ্য দিবে যে তারা তার উপর কি আমল করেছে? বলবে, অমুক অমুক দিনে সে অমুখ অমুক আমল করেছে। এই হল তার বৃত্তান্ত প্রদান, এই হল তার প্রতি আল্লাহর নির্দেশ এর এগুলিই হল তার বৃত্তান্তসমুহ। যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গরীব।

بَابٌ مِنْهُ

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلمْ ‏(‏يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا ‏)‏ قَالَ ‏"‏ أَتَدْرُونَ مَا أَخْبَارُهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّ أَخْبَارَهَا أَنْ تَشْهَدَ عَلَى كُلِّ عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ بِمَا عَمِلَ عَلَى ظَهْرِهَا أَنْ تَقُولَ عَمِلَ كَذَا وَكَذَا يَوْمَ كَذَا وَكَذَا قَالَ فَهَذِهِ أَخْبَارُهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏

حدثنا سويد بن نصر، أخبرنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا سعيد بن أبي أيوب، حدثنا يحيى بن أبي سليمان، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏يومئذ تحدث أخبارها ‏)‏ قال ‏"‏ أتدرون ما أخبارها ‏"‏ ‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإن أخبارها أن تشهد على كل عبد أو أمة بما عمل على ظهرها أن تقول عمل كذا وكذا يوم كذا وكذا قال فهذه أخبارها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


"Abu Hurairah narrated:
"The Messenger of Allah (s.a.w) recited: That Day it will declare its information. And said: 'Do you know what its information is?' they said: 'Allah and His Messenger know best.' He said: 'Indeed its information is that it will testify against every servant, male and female, It will say that he did such and such, on such and such a day.' He said: 'With this it shall be ordered.'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ শিঙ্গা।

২৪৩৩. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক মরুবাসী আরব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললঃ শিঙ্গা কি? তিনি বললেনঃ একটি শিঙ্গা যাতে ফুৎকার দেওয়া হবে। সহীহ, সহিহাহ ১০৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ। একাধিক রাবী এটিকে সুলায়মান তায়মী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।

بَابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الصُّورِ

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَسْلَمَ الْعِجْلِيِّ، عَنْ بِشْرِ بْنِ شَغَافٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي، قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَا الصُّورُ قَالَ ‏ "‏ قَرْنٌ يُنْفَخُ فِيهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِهِ ‏.‏

حدثنا سويد بن نصر، أخبرنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا سليمان التيمي، عن أسلم العجلي، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو بن العاصي، قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ما الصور قال ‏ "‏ قرن ينفخ فيه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وقد روى غير واحد عن سليمان التيمي ولا نعرفه إلا من حديثه ‏.‏


"'Abdullah bin 'Amr bin Al-'As said:
"A Bedouin came to the Prophet (S.a.w) and said: 'What is the Sur?' He said: 'A horn that will be blown into'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ শিঙ্গা।

২৪৩৪. সুওয়ায়াদ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি করে আনন্দ উপভোগ করতে পারি অথচ শিঙ্গাওয়ালা ফিরিশতা মুখে শিঙ্গা লাগিয়ে রেখেছেন এবং কখন তাকে শিঙ্গা ফুৎকারের নির্দেশ দেওয়া হবে আর তখনই তিনি তাতে ফুৎকার দিবেন সে জন্য কান পেতে আছেন! সাহাবীদের বিষয়টি কঠিন ভীতিপ্রদ অনুভুত হল। তখন তিনি তাদেরকে বললেনঃ তোমরা বল,حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ عَلَى اللَّهِ تَوَكَّلْنَا আল্লাহ্‌ই আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক তিনি। আল্লাহর উপর আমরা ভরসা করছি।

সহীহ, সহিহাহ ২০৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান। এ হাদীসটি একাধিকভাবে আতিয়্যা-আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الصُّورِ

حَدَّثَنَا سُوَيْدٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ أَبُو الْعَلاَءِ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كَيْفَ أَنْعَمُ وَصَاحِبُ الْقَرْنِ قَدِ الْتَقَمَ الْقَرْنَ وَاسْتَمَعَ الإِذْنَ مَتَى يُؤْمَرُ بِالنَّفْخِ فَيَنْفُخُ ‏"‏ ‏.‏ فَكَأَنَّ ذَلِكَ ثَقُلَ عَلَى أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُمْ ‏"‏ قُولُوا حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ عَلَى اللَّهِ تَوَكَّلْنَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ عَطِيَّةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏

حدثنا سويد، أخبرنا عبد الله، أخبرنا خالد أبو العلاء، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كيف أنعم وصاحب القرن قد التقم القرن واستمع الإذن متى يؤمر بالنفخ فينفخ ‏"‏ ‏.‏ فكأن ذلك ثقل على أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقال لهم ‏"‏ قولوا حسبنا الله ونعم الوكيل على الله توكلنا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وقد روي من غير وجه هذا الحديث عن عطية عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏


Abu Sa'eed narrated:
"The Messenger of Allah (s.a.w) said: 'How can I be comfortable when the one with the horn is holding it to his lip, his ears listening for when he will be ordered to blow, so he can blow.' It was as if that was very hard upon the Companions of the Prophet (s.a.w), so he said to them: 'Say: "Allah is sufficent for us and what a good protector He is, and upon Allah we rely."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ সিরাত।

২৪৩৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... মুগীরা ইবন শু‘বা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সিরাতের উপর মু‘মিনদের বিশেষ সংকেত হবে,رَبِّ سَلِّمْ سَلِّمْ (হে রব রক্ষা কর, রক্ষা কর)। যঈফ, যইফা ১৯৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদিসটি গারীব। আবদুর রহমান ইবন ইসহাক (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الصِّرَاطِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ شِعَارُ الْمُؤْمِنِ عَلَى الصِّرَاطِ رَبِّ سَلِّمْ سَلِّمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا علي بن مسهر، عن عبد الرحمن بن إسحاق، عن النعمان بن سعد، عن المغيرة بن شعبة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ شعار المؤمن على الصراط رب سلم سلم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب من حديث المغيرة بن شعبة لا نعرفه إلا من حديث عبد الرحمن بن إسحاق ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة ‏.‏


Al-Mughirah bin Shu'bah narrated that The Messenger of Allah (s.a.w) said:
"The sign of the believers upon the Sirat is: O lord, protect (us), protect (us).'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ সিরাত।

২৪৩৬. আবদুল্লাহ ইবন সাব্বাহ হাশিমী (রহঃ) ... নাযর ইবন আনাস ইবন মালিক তার পিতা আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিয়ামতের দিন আমার জন্য সাফা‘আত করার প্রার্থনা জানিয়েছিলাম। তিনি বললেন আমি তা করব।

বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, কোথায় আমি আপনাকে তালাশ করব? তিনি বললেনঃ প্রথম তুমি তালাশ করবে সিরাতে। বললামঃ যদি সিরাতে আপনার সাক্ষাৎ না পাই? তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে মীযানে তালাশ করবে। বললামঃ যদি মীযানে আপনার তালাশ না পাই? তিনি বললেনঃ আমাকে হাওযে কাউছারে তালাশ করবে। এই তিনটি স্থানে আমি হারাব না।

সহীহ, মিশকাত ৫৫৯৫, তা'লিকুর রাগীব ৪/২২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।

بَابُ مَا جَاءَ فِي شَأْنِ الصِّرَاطِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الصَّبَّاحِ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا بَدَلُ بْنُ الْمُحَبَّرِ، حَدَّثَنَا حَرْبُ بْنُ مَيْمُونٍ الأَنْصَارِيُّ أَبُو الْخَطَّابِ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَشْفَعَ لِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَقَالَ ‏"‏ أَنَا فَاعِلٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَيْنَ أَطْلُبُكَ قَالَ ‏"‏ اطْلُبْنِي أَوَّلَ مَا تَطْلُبُنِي عَلَى الصِّرَاطِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ فَإِنْ لَمْ أَلْقَكَ عَلَى الصِّرَاطِ قَالَ ‏"‏ فَاطْلُبْنِي عِنْدَ الْمِيزَانِ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ فَإِنْ لَمْ أَلْقَكَ عِنْدَ الْمِيزَانِ قَالَ ‏"‏ فَاطْلُبْنِي عِنْدَ الْحَوْضِ فَإِنِّي لاَ أُخْطِئُ هَذِهِ الثَّلاَثَ الْمَوَاطِنَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن الصباح الهاشمي، حدثنا بدل بن المحبر، حدثنا حرب بن ميمون الأنصاري أبو الخطاب، حدثنا النضر بن أنس بن مالك، عن أبيه، قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم أن يشفع لي يوم القيامة فقال ‏"‏ أنا فاعل ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله فأين أطلبك قال ‏"‏ اطلبني أول ما تطلبني على الصراط ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإن لم ألقك على الصراط قال ‏"‏ فاطلبني عند الميزان ‏"‏ ‏.‏ قلت فإن لم ألقك عند الميزان قال ‏"‏ فاطلبني عند الحوض فإني لا أخطئ هذه الثلاث المواطن ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.‏


An-Nadr bin Anas bin Malik narrated from his father who said:
"I asked the Prophet (s.a.w) to intercede for me on the Day of Judgement. He said: 'I am the one to do so.'" [He said:] "I said: 'O Messenger of Allah! Then where shall I seek you?' He said: 'Seek me, the first time you should seek me is on the Sirat.'" [He said:] "I said: 'If I do not meet you upon the Sirat?' He said: 'Then seek me at the Mizan.' I said:'And if I do not meet you at the Mizan?' He said: 'Then seek me at the Hawd, for indeed I will not me missed at these three locations.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ নাযর ইবন আনাস (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ শাফাআত প্রসঙ্গে।

২৪৩৭. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লা্হ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একবার কিছু গোশত আনা হল। তাঁর কাছে একটি সামনের রান তুলে ধরা হল। তিনি তা খেতে লাগলেন। সামনের গোশত তাঁর পছন্দনীয় ছিল। তিনি তা থেকে এক কামড় খেলেন। পরে বললেনঃ কিয়ামতের দিন আমিই হলাম সকল মানুষের সর্দার। তোমরা কি জান তা কেন? শুরুর এবং শেষের সব মানুষকে আল্লাহ তাআলা একই মাঠে একত্রিত করবেন। একজনের ডাকই সকলের শ্রুত হবে এবং একজনের দৃষ্টিতেই সকলের পরিলক্ষিত হবে। সূর্য তাদের নিকটবর্তী হয়ে যাবে। এমন উদ্বেগ-পেরেশানী ও কষ্ট লোকদের হবে যা তাদের সহ্য হবে না এবং যা তারা বইতেও পারবে না। লোকদের একজন আরেকজনকে বলবে তোমাদের কি যাতনা পৌছছে লক্ষ্য করছ না? এমন কাউকে দেখছ না যিনি তোমাদের প্রভুর কাছে তোমাদের জন্য সুপারিশ করবেন।

লোকেরা পরস্পর পরস্পরকে বলবেঃ চল, আদম (আঃ)-কে গিয়ে ধর। তারা আদম (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবে, আপনি মানবকুলের আদি পিতা। আল্লাহ আপনাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন, আপনার মাঝে রূহ ফুঁকেছেন, ফিরিশতাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তাই তারা আপনার সিজদা করেছিল। আপনি আমাদের জন্য আপনার প্রভুর দরবারে সুপারিশ করুন। আপনি কি লক্ষ্য করছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আপনি কি দেখছেন না কষ্টের কোন সীমায় আমরা পৌছেছি?

আদম (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার তো আজ এমন ক্রোধান্বিত যে পূর্বেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হয়নি ভবিষ্যতেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। তিনি তো আমাকে একটি বৃক্ষ সম্পর্কে নিষেধ করেছিলেন কিন্তু আমি তা লংঘন করে ফেলেছি, নাফসী, নাফসী, নাফসী-আজ আমার চিন্তাই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা নূহের কাছে যাও।

তারা নূহ (আঃ) এর নিকট আসবে। বলবেঃ হে নূহ, আপনি পৃথিবীর প্রথম রাসূল। আল্লাহ আপনাকে ’‘আবদান শাকুরা’’ চিরকৃতজ্ঞ বান্দা বলে উপাধি দিয়েছেন। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?

নূহ (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার তো আজ এমন ক্রোধান্বিত যে পূর্বেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হয়নি ভবিষ্যতেও এমন ক্রোধান্বিত আর কখনো হবেন না। তিনি আমাকে একটি দুআ কবূলের প্রতিশ্রুত দিয়েছিলেন। তা আমি আমার কওমের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করে ফেলেছি। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে যাও।

তারা ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে ইবরাহীম, আপনি আল্লাহর নবী, পৃথিবীবাসীদের মধ্যে আপনি আল্লাহর খলীল ও অন্তরঙ্গ বন্ধু। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?

ইবরাহীম (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার আজ এত ক্রোধান্বিত অবস্থায় আছেন যে আগেও এমন ক্রোধান্বিত কখনও হন নাই আর পরেও কখনও এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। আমার পক্ষ থেকে তিনটি (বাহ্যিক) অসত্য কথন হয়ে গিয়েছিলেন। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা মূসার কাছে যাও।

তারা মূসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে মূসা, আপনি আল্লাহর রাসূল, তিনি আপনাকে তাঁর রিসালাত ও কালাম প্রদান করে মানুষের উপর মর্যাদা দিয়েছেন। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?

মূসা (আঃ) বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার আজ এত ক্রেধান্বিত অবস্থায় আছেন যে আগেও এমন ক্রোধান্বিত কখনও হন নাই আর পরেও কখনও এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। আমি তাঁর হুকুম ছাড়াই এক ব্যক্তিকে কতল করে ফেলেছিলাম; নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা ঈসার নিকট যাও।

এরপর তারা ঈসা (আঃ)-এর নিকট আসবে; বলবেঃ হে ঈসা, আপনি আল্লাহর রাসূল, আপনি আল্লাহর দেওয়া বাণী যা তিনি মারইয়াম (আঃ)-এর গর্ভে ফেলেছেন; আপনি তাঁর দেওয়া আত্মা, দোলনায় অবস্থানকালেই আপনি মানুষের সাথে বাক্যলাপ করেছেন। আপনি আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?

ঈসা (আঃ) বলবেনঃ আজ আমার পরওয়ারদিগার এত ক্রেধান্বিত অবস্থায় আছেন যে, এরূপ ক্রোধান্বিত পূর্বে কখনও ছিলেন না এমন ক্রোধান্বিত কখনও হবেন না। উল্লেখ্য যে, ঈসা (আঃ) এখানে নিজের কোন অপরাধের কথা উল্লেখ করবেন না। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায় আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো কাছে যাও, তোমরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাও।

তখন তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে মুহাম্মদ, আপনি আল্লাহর রাসূল, শেষ নবী, মাফ করে দেওয়া হয়েছে আপনার পূর্বেকার সব ত্রুটি। আপনি আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য শাফা‘আত করুন। আপনি কি দেখছেন না আমরা কোন অবস্থায় আছি?

এরপর (আমি সুপারিশ করার জন্য) যাব এবং আরশের নীচে এসে আমার পরওয়ারদিগারের উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হব। আল্লাহ তাআলা আমার জন্য তাঁর হামদ ও সর্বোত্তম প্রশংসার এমন কিছু উদ্ভাসিত করে দিবেন যা আমার পূর্বে আর কারো জন্য উদ্ভাসিত করা হয়নি। অতঃপর বলা হবেঃ হে মুহাম্মদ, আপনার মাথা উত্তোলন করুন। প্রার্থনা করুন আপনার প্রার্থনা কবূর করা হবে, শাফা‘আত করুন, আপনার শাফা‘আত গ্রহণ করা হবে।

অনন্তর আমি মাথা তুলব। বলবঃ হে পরওয়ারদিগার, আমার উম্মতকে রক্ষা করুন।

আল্লাহ বলবেনঃ হে মুহাম্মদ, আপনার উম্মতের মধ্যে যাদের কোন হিসাব নাই তাদেরকে জান্নাতের দরওয়াজা ডানদিকের দরওয়াজা দিয়ে জান্নাতে দাখিল করে দিন। অবশ্য অন্যান্য দরওয়াজার ক্ষেত্রেও তারা অপরাপর লোকদের সঙ্গেও জান্নাতে দাখিল করতে পারবে। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলবেনঃ কসম সেই যাতের যাঁর হাতে আমার প্রাণ, জান্নাতের দুই চৌকাঠের মধ্যকার দুরত্ব মক্কা ও হাজারের দুরত্বের মত এবং মক্কা ও বুসরার দুরত্বের মত। সহীহ, তাখরিজ তাহাভিয়া ১৯৮, যিলালুল জান্নাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আবূ বাকর সিদ্দীক, আনাস, উকবা ইবন আমির এবং আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উক্ত হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ হাইয়ান তায়মীর নাম হল ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ইবন হাইয়ান কুফী। তিনি বিশ্বস্ত। আর আবূ যুরআ ইবন আমর ইবন জারীরের নাম হল হারিম।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الشَّفَاعَةِ

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَيَّانَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِلَحْمٍ فَرُفِعَ إِلَيْهِ الذِّرَاعُ فَأَكَلَهُ وَكَانَتْ تُعْجِبُهُ فَنَهَسَ مِنْهَا نَهْسَةً ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ أَنَا سَيِّدُ النَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ هَلْ تَدْرُونَ لِمَ ذَاكَ يَجْمَعُ اللَّهُ النَّاسَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ فِي صَعِيدٍ وَاحِدٍ فَيُسْمِعُهُمُ الدَّاعِي وَيَنْفُذُهُمُ الْبَصَرُ وَتَدْنُو الشَّمْسُ مِنْهُمْ فَيَبْلُغُ النَّاسُ مِنَ الْغَمِّ وَالْكَرْبِ مَا لاَ يُطِيقُونَ وَلاَ يَحْتَمِلُونَ فَيَقُولُ النَّاسُ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ أَلاَ تَرَوْنَ مَا قَدْ بَلَغَكُمْ أَلاَ تَنْظُرُونَ مَنْ يَشْفَعُ لَكُمْ إِلَى رَبِّكُمْ فَيَقُولُ النَّاسُ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَلَيْكُمْ بِآدَمَ ‏.‏ فَيَأْتُونَ آدَمَ فَيَقُولُونَ أَنْتَ أَبُو الْبَشَرِ خَلَقَكَ اللَّهُ بِيَدِهِ وَنَفَخَ فِيكَ مِنْ رُوحِهِ وَأَمَرَ الْمَلاَئِكَةَ فَسَجَدُوا لَكَ اشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّكَ أَلاَ تَرَى مَا نَحْنُ فِيهِ أَلاَ تَرَى مَا قَدْ بَلَغَنَا فَيَقُولُ لَهُمْ آدَمُ إِنَّ رَبِّي قَدْ غَضِبَ الْيَوْمَ غَضَبًا لَمْ يَغْضَبْ قَبْلَهُ مِثْلَهُ وَلَنْ يَغْضَبَ بَعْدَهُ مِثْلَهُ وَإِنَّهُ قَدْ نَهَانِي عَنِ الشَّجَرَةِ فَعَصَيْتُ نَفْسِي نَفْسِي نَفْسِي اذْهَبُوا إِلَى غَيْرِي اذْهَبُوا إِلَى نُوحٍ ‏.‏ فَيَأْتُونَ نُوحًا فَيَقُولُونَ يَا نُوحُ أَنْتَ أَوَّلُ الرُّسُلِ إِلَى أَهْلِ الأَرْضِ وَقَدْ سَمَّاكَ اللَّهُ عَبْدًا شَكُورًا اشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّكَ أَلاَ تَرَى مَا نَحْنُ فِيهِ أَلاَ تَرَى مَا قَدْ بَلَغَنَا فَيَقُولُ لَهُمْ نُوحٌ إِنَّ رَبِّي قَدْ غَضِبَ الْيَوْمَ غَضَبًا لَمْ يَغْضَبْ قَبْلَهُ مِثْلَهُ وَلَنْ يَغْضَبَ بَعْدَهُ مِثْلَهُ وَإِنَّهُ قَدْ كَانَ لِي دَعْوَةٌ دَعَوْتُهَا عَلَى قَوْمِي نَفْسِي نَفْسِي نَفْسِي اذْهَبُوا إِلَى غَيْرِي اذْهَبُوا إِلَى إِبْرَاهِيمَ ‏.‏ فَيَأْتُونَ إِبْرَاهِيمَ فَيَقُولُونَ يَا إِبْرَاهِيمُ أَنْتَ نَبِيُّ اللَّهِ وَخَلِيلُهُ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ اشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّكَ أَلاَ تَرَى مَا نَحْنُ فِيهِ فَيَقُولُ إِنَّ رَبِّي قَدْ غَضِبَ الْيَوْمَ غَضَبًا لَمْ يَغْضَبْ قَبْلَهُ مِثْلَهُ وَلَنْ يَغْضَبَ بَعْدَهُ مِثْلَهُ وَإِنِّي قَدْ كَذَبْتُ ثَلاَثَ كَذَبَاتٍ فَذَكَرَهُنَّ أَبُو حَيَّانَ فِي الْحَدِيثِ نَفْسِي نَفْسِي نَفْسِي اذْهَبُوا إِلَى غَيْرِي اذْهَبُوا إِلَى مُوسَى ‏.‏ فَيَأْتُونَ مُوسَى فَيَقُولُونَ يَا مُوسَى أَنْتَ رَسُولُ اللَّهِ فَضَّلَكَ اللَّهُ بِرِسَالَتِهِ وَبِكَلاَمِهِ عَلَى الْبَشَرِ اشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّكَ أَلاَ تَرَى مَا نَحْنُ فِيهِ فَيَقُولُ إِنَّ رَبِّي قَدْ غَضِبَ الْيَوْمَ غَضَبًا لَمْ يَغْضَبْ قَبْلَهُ مِثْلَهُ وَلَنْ يَغْضَبَ بَعْدَهُ مِثْلَهُ وَإِنِّي قَدْ قَتَلْتُ نَفْسًا لَمْ أُومَرْ بِقَتْلِهَا نَفْسِي نَفْسِي نَفْسِي اذْهَبُوا إِلَى غَيْرِي اذْهَبُوا إِلَى عِيسَى ‏.‏ فَيَأْتُونَ عِيسَى فَيَقُولُونَ يَا عِيسَى أَنْتَ رَسُولُ اللَّهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِنْهُ وَكَلَّمْتَ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ اشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّكَ أَلاَ تَرَى مَا نَحْنُ فِيهِ فَيَقُولُ عِيسَى إِنَّ رَبِّي قَدْ غَضِبَ الْيَوْمَ غَضَبًا لَمْ يَغْضَبْ قَبْلَهُ مِثْلَهُ وَلَنْ يَغْضَبَ بَعْدَهُ مِثْلَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ ذَنْبًا نَفْسِي نَفْسِي نَفْسِي اذْهَبُوا إِلَى غَيْرِي اذْهَبُوا إِلَى مُحَمَّدٍ ‏.‏ قَالَ فَيَأْتُونَ مُحَمَّدًا فَيَقُولُونَ يَا مُحَمَّدُ أَنْتَ رَسُولُ اللَّهِ وَخَاتَمُ الأَنْبِيَاءِ وَقَدْ غُفِرَ لَكَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ اشْفَعْ لَنَا إِلَى رَبِّكَ أَلاَ تَرَى مَا نَحْنُ فِيهِ فَأَنْطَلِقُ فَآتِي تَحْتَ الْعَرْشِ فَأَخِرُّ سَاجِدًا لِرَبِّي ثُمَّ يَفْتَحُ اللَّهُ عَلَىَّ مِنْ مَحَامِدِهِ وَحُسْنِ الثَّنَاءِ عَلَيْهِ شَيْئًا لَمْ يَفْتَحْهُ عَلَى أَحَدٍ قَبْلِي ثُمَّ يُقَالُ يَا مُحَمَّدُ ارْفَعْ رَأْسَكَ سَلْ تُعْطَهُ وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ ‏.‏ فَأَرْفَعُ رَأْسِي فَأَقُولُ يَا رَبِّ أُمَّتِي يَا رَبِّ أُمَّتِي يَا رَبِّ أُمَّتِي ‏.‏ فَيَقُولُ يَا مُحَمَّدُ أَدْخِلْ مِنْ أُمَّتِكَ مَنْ لاَ حِسَابَ عَلَيْهِ مِنَ الْبَابِ الأَيْمَنِ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ وَهُمْ شُرَكَاءُ النَّاسِ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ مِنَ الأَبْوَابِ ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّ مَا بَيْنَ الْمِصْرَاعَيْنِ مِنْ مَصَارِيعِ الْجَنَّةِ كَمَا بَيْنَ مَكَّةَ وَهَجَرَ وَكَمَا بَيْنَ مَكَّةَ وَبُصْرَى ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ وَأَنَسٍ وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ وَأَبِي سَعِيدٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو حَيَّانَ التَّيْمِيُّ اسْمُهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدِ بْنِ حَيَّانَ كُوفِيٌّ وَهُوَ ثِقَةٌ وَأَبُو زُرْعَةَ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ اسْمُهُ هَرِمٌ ‏.‏

أخبرنا سويد بن نصر، أخبرنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا أبو حيان التيمي، عن أبي زرعة بن عمرو بن جرير، عن أبي هريرة، قال أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بلحم فرفع إليه الذراع فأكله وكانت تعجبه فنهس منها نهسة ثم قال ‏ "‏ أنا سيد الناس يوم القيامة هل تدرون لم ذاك يجمع الله الناس الأولين والآخرين في صعيد واحد فيسمعهم الداعي وينفذهم البصر وتدنو الشمس منهم فيبلغ الناس من الغم والكرب ما لا يطيقون ولا يحتملون فيقول الناس بعضهم لبعض ألا ترون ما قد بلغكم ألا تنظرون من يشفع لكم إلى ربكم فيقول الناس بعضهم لبعض عليكم بآدم ‏.‏ فيأتون آدم فيقولون أنت أبو البشر خلقك الله بيده ونفخ فيك من روحه وأمر الملائكة فسجدوا لك اشفع لنا إلى ربك ألا ترى ما نحن فيه ألا ترى ما قد بلغنا فيقول لهم آدم إن ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله وإنه قد نهاني عن الشجرة فعصيت نفسي نفسي نفسي اذهبوا إلى غيري اذهبوا إلى نوح ‏.‏ فيأتون نوحا فيقولون يا نوح أنت أول الرسل إلى أهل الأرض وقد سماك الله عبدا شكورا اشفع لنا إلى ربك ألا ترى ما نحن فيه ألا ترى ما قد بلغنا فيقول لهم نوح إن ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله وإنه قد كان لي دعوة دعوتها على قومي نفسي نفسي نفسي اذهبوا إلى غيري اذهبوا إلى إبراهيم ‏.‏ فيأتون إبراهيم فيقولون يا إبراهيم أنت نبي الله وخليله من أهل الأرض اشفع لنا إلى ربك ألا ترى ما نحن فيه فيقول إن ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله وإني قد كذبت ثلاث كذبات فذكرهن أبو حيان في الحديث نفسي نفسي نفسي اذهبوا إلى غيري اذهبوا إلى موسى ‏.‏ فيأتون موسى فيقولون يا موسى أنت رسول الله فضلك الله برسالته وبكلامه على البشر اشفع لنا إلى ربك ألا ترى ما نحن فيه فيقول إن ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله وإني قد قتلت نفسا لم أومر بقتلها نفسي نفسي نفسي اذهبوا إلى غيري اذهبوا إلى عيسى ‏.‏ فيأتون عيسى فيقولون يا عيسى أنت رسول الله وكلمته ألقاها إلى مريم وروح منه وكلمت الناس في المهد اشفع لنا إلى ربك ألا ترى ما نحن فيه فيقول عيسى إن ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله ولم يذكر ذنبا نفسي نفسي نفسي اذهبوا إلى غيري اذهبوا إلى محمد ‏.‏ قال فيأتون محمدا فيقولون يا محمد أنت رسول الله وخاتم الأنبياء وقد غفر لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر اشفع لنا إلى ربك ألا ترى ما نحن فيه فأنطلق فآتي تحت العرش فأخر ساجدا لربي ثم يفتح الله على من محامده وحسن الثناء عليه شيئا لم يفتحه على أحد قبلي ثم يقال يا محمد ارفع رأسك سل تعطه واشفع تشفع ‏.‏ فأرفع رأسي فأقول يا رب أمتي يا رب أمتي يا رب أمتي ‏.‏ فيقول يا محمد أدخل من أمتك من لا حساب عليه من الباب الأيمن من أبواب الجنة وهم شركاء الناس فيما سوى ذلك من الأبواب ثم قال والذي نفسي بيده إن ما بين المصراعين من مصاريع الجنة كما بين مكة وهجر وكما بين مكة وبصرى ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أبي بكر الصديق وأنس وعقبة بن عامر وأبي سعيد ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وأبو حيان التيمي اسمه يحيى بن سعيد بن حيان كوفي وهو ثقة وأبو زرعة بن عمرو بن جرير اسمه هرم ‏.‏


Abu Hurairah narrated:
""Some meat was brought to the Prophet (s.a.w) and a foreleg was presented to him, and he used to like it, so he bit from it. Then he said: 'I will be the 'Leader' of the people on the Day of Resurrection. Do you know why that is? Allah will gather the people, the first and the last, on one level ground where they will (all) be able to hear a caller, and all of them will be visible, and the sun will be brought near such that the people will suffer distress and trouble that they cannot tolerate nor bear. Then some people will say: "Don't you see the state you have reached? Why don't you look for a person who can intercede for you with your Lord? " Some of them will say to others: " You should go to Adam." So they will go to Adam and say, "You are the father of all mankind, Allah created you with His Own Hands, and breathed into you from His spirit (which He creted for you) and ordered the angels to prostrate for you. Will you not intercede for us with your Lord? Don't you see what has happened to us? Don't you see the state we have reached?" On that Adam will reply, "Today my Lord has become angry such that He has never before been angry, and will never be thereafter. He forbade me (to eat from) the tree, but I disobeyed(Him), Myself! Myself! Myself! Go to somebody else; Go to Nuh." They will go to Nuh and say: "O Nuh! You are the first among the Messengers to the people of the earth, and Allah named you a thankful slave. Will you not intercede for us with your Lord? Don't you see what has happened to us? Don't you see the state we have reached?" Nuh will say to them : "Today my Lord has become angry as He has never before been angry, and will never be thereafter. I had been given one supplication, and I supplicated against my own people. Myself! Myself! Myself! Go to someone else! Go to Ibrahim." They will go to Ibrahim and say: "O Ibrahim! You are Allah's Prophet and His Khalil among the people of the earth, so intercede for us with your Lord, don't you see what hads happened to us?" He will say: "Today my Lord has become angry as He has never before been angry and will never be thereafter. Indeed I uttered three lies."- Abu Hayyyan (a narrator) mentioned them in his narration - " Myself! Myself! Myself! Go to someone else! Go to Musa." So they will go to Musa and say: "O Musa! You are the Messenger of Allah who Allah distinguished above the people with His Message and His Speech, intercede for us with your Lord. Don't you see what has happened to us?" So he will say "Today my Lord has become angry as He has never before been angry and will never be thereafter. Indeed I killed a person whom I was ordered not to kill. Myself! Myself! Myself! Go to someone else; Go to 'Eisa." They will go to 'Eisa and say: "O 'Eisa ! You are the Messenger of Allah and His Word which He placed into Mariam, and a Spirit from Him, and you spoke to the people in the cradle. Intercede for us with your Lord. Don't you see what has happened to us?" Then 'Eisa will say: "Today my Lord has become angry as He has never before been angry and will never be thereafter." He will not mention a sin, but will say: "Myself! Myself! Myself! Go to someone else! Go to Muhammad." He said: 'They will go to Muhammad(s.a.w) and they say: "O Muhammad! You are the Messenger of Allah and the last of the Prophets, and your past and future sins have been pardoned. Will you not intercede for us with your Lord, don't you see what has happened to us?" Then I will depart until I come to under the Throne to fall prostrating before my Lord. Then Allah will guide me to such praises and beautiful statements of glorification which He did not guide anyone to before me. Then He will say: "O Muhammad! Raise your head. Ask,so that you may be granted and intercede so that your intercession may be accepted." I will raise my head and say: "O Lord! My Ummah! O Lord! My Ummah! O Lord! My Ummah!" He will say: "O Muhammad! Let those of your Ummah who have no accounts enter the gate on the right among the gates of Paradise, and they shall share in the gates other than that with the people.'" Then he (s.a.w) said: 'By the One in Whose Hand is my soul! What is between every two gate-posts in Paradise is as what is between Makkah and Hajar, and what is between Makkah and Busra.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১০৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 পরের পাতা »