মানুষের উপর অনেক অধিকার রয়েছে। তাতে রয়েছে: আল্লাহ তা‘আলার হক বা অধিকার, অপরদিকে রয়েছে পরিবারের হক বা অধিকার আর তৃতীয়তে রয়েছে স্বীয় আত্মার অধিকার, তারপরও রয়েছে বান্দাদের অনেক অধিকার। তারপরও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সময়কে কিভাবে ভাগ করে দিনের প্রতিটি মূহুর্তকে কাজে লাগিয়েছেন?!

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন:

جاء ثلاثة رهط إلى بيوت النبي - صلى الله عليه وسلم - يسألون عن عبادته فلما أخبروا كأنهم تقالوها، وقالوا: أين نحن من النبي - صلى الله عليه وسلم - وقد غفر له ما تقدم من ذنبه وما تأخر، قال أحدهم: أما أنا فأصلي الليل أبدًا، وقال الآخر: وأنا أصوم الدهر ولا أفطر، وقال الآخر: وأنا أعتزل النساء فلا أتزوج أبدًا، فجاء رسول الله - صلى الله عليه وسلم - إليهم فقال: «أنتم الذين قلتم كذا وكذا؟ أما والله إني لأخشاكم لله وأتقاكم له لكني أصوم وأفطر، وأصلي وأرقد وأتزوج النساء، فمن رغب عن سنتي فليس مني».

একদা তিন ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে এসে তাঁর ইবাদাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, সে সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর তারা তা অতি নগন্য মনে করল। তারা বলে উঠল, রাসূলের মর্যাদায় আমরা তো নগন্য, কেননা তাঁর জীবনের পূর্বাপর সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বলল: আমি সারা রাত্রি ধরে সালাত আদায় করব। অন্যজন বলল: আমি সারা জীবন ধরে রোযা রাখব, কখনো ছাড়ব না। অন্যজন বলল: [আমি মহিলার ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকব], আমি বিবাহ করব না। অত:পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট এসে বললেন: তোমরাই এসব কথা-বার্তা বলেছিলে? আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি: আমিই সর্বাপেক্ষা আল্লাহকে বেশী ভয় করে থাকি, তারপরও আমি মাঝে মধ্যে রোযা রাখি আবার মাঝে মধ্যে রোযা রাখি না, রাত্রির কিছু অংশ সালাত আদায় করি আবার কিছু অংশে ঘুমাই, আর আমি বিবাহ করেছি। ওহে! তোমরা জেনে রেখো! যে ব্যক্তি আমার সুন্নাতকে অবজ্ঞা করল, সে আমার উম্মতের দলভুক্ত নয়।[1]

[1] বুখারী, হাদিস: ৫০৬৩; মুসলিম, হাদিস: ১৪০১
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে