মিনায় হাদী বিক্রির হাট বসে। মক্কায়ও কোথাও কোথাও বসে। তবে সাধারণ হাজির পক্ষে এসব হাটে গিয়ে হাদী ক্রয় করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তাই হাদী জবাই করার ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতিসমূহের যে কোনো একটি অবলম্বন করুন।

এক. ব্যাংকের মাধ্যমে হাদী জবেহ করার ব্যবস্থা করা। এ ক্ষেত্রে, হজ্জের পূর্বে যে কোনো এক সুযোগে আল-রাজী ব্যাংক (بنك الراجحي) অথবা অন্য কোনো ব্যাংক, যেখানে হাদীর টাকা নেয়া হচ্ছে বলে শুনবেন, টাকা জমা করে রসিদ নিয়ে নেবেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, ১০ জিলহজ্জ, সকাল দশটার পর হাদী জবাই শুরু করেন। সকাল ১০টা ১১টার দিকে আপনার হাদী জবাই হয়ে গেছে বলে ধরে নিতে পারেন ও মাথা মুন্ডন করতে পারেন। এটাই হল হাদী জবেহ করার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মাধ্যম। বিশেষ করে ব্যালটি হাজিদের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি বেশি উপযোগী। কেননা ব্যালটি হাজিদের কোরবানির পয়সা যার যার কাছে ফেরত দেয়া হয়। এই সুযোগে অনেক অসৎ লোক হাজিদের টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য নানা প্রলোভন দেখায়, ও হাদী জবেহ না করেই ফোনের মাধ্যমে জবেহ হয়ে গিয়েছে বলে খবর দিয়ে দেয়। তাই ব্যালটি হাজিদের জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে হাদী জবেহ করাই হল সর্বোত্তম পন্থা।

দুই. নন ব্যালটি হাজিগণ বিভিন্ন কাফেলার আওতায় থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাফেলার লিডাররা হাদী জবেহ করার দায়িত্ব নেন। এ ক্ষেত্রে নিশ্চিত হওয়ার জন্য করণীয় হল বিশ্বস্ত কয়েকজন যুবক-হাজি কাফেলার লিডারের সাথে দিয়ে দেয়া, যারা সরেজমিনে হাদী ক্রয় ও জবাই প্রক্রিয়া স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবেন ও সহযাত্রী অন্যান্য হাজিদেরকে এ মর্মে অবহিত করবেন। এরূপ না করে কেবল কাফেলা লিডারকে টাকা দিয়ে দেওয়া ও হাদী জবেহ হল কি-না ফোনের মাধ্যমে যেনে নেয়া উচিৎ হবে না।

তিন. মক্কায় কারও বিশ্বস্ত আত্মীয়-স্বজন কর্মরত থাকলে তাদের মাধ্যমেও হাদী জবেহ করা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যে যার মাধ্যমে হাদী জবেহ করানো হচ্ছে তার যথেষ্ট সময় আছে কি-না। কেননা হজ্জ মৌসুমে মক্কায় অবস্থানকারীরা নানা ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে