আল্লাহ মহাদাতা বিষয়ক আয়াতসমূহ ৩ টি
আলে-ইমরান
৩:৮ رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ ہَدَیۡتَنَا وَ ہَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ رَحۡمَۃً ۚ اِنَّکَ اَنۡتَ الۡوَہَّابُ ﴿۸﴾

হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা। আল-বায়ান

হে আমাদের প্রতিপালক! সৎ পথ প্রদর্শনের পরে তুমি আমাদের অন্তরগুলোকে বক্র করে দিও না, আমাদেরকে তোমার নিকট হতে রহমত প্রদান কর, মূলতঃ তুমিই মহান দাতা। তাইসিরুল

হে আমাদের রাব্ব! আমাদেরকে পথ প্রদর্শনের পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আমাদেরকে আপনার নিকট হতে করুণা প্রদান করুন, নিশ্চয়ই আপনি প্রভূত প্রদানকারী। মুজিবুর রহমান

৮. হে আমাদের রব সরল পথ দেয়ার পর আপনি আমাদের অন্তরসমূহকে সত্য লঙ্ঘনপ্রবণ করবেন না। আর আপনার কাছ থেকে আমাদেরকে করুণা দান করুন, নিশ্চয়ই আপনি মহাদাতা।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৮) হে আমাদের প্রতিপালক! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে বক্র করে দিও না এবং তোমার নিকট থেকে আমাদেরকে করুণা দান কর। নিশ্চয় তুমি মহাদাতা।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৩৮ সোয়াদ
৩৮:৯ اَمۡ عِنۡدَہُمۡ خَزَآئِنُ رَحۡمَۃِ رَبِّکَ الۡعَزِیۡزِ الۡوَہَّابِ ۚ﴿۹﴾

তাদের কাছে কি তোমার রবের রহমতের ভান্ডার রয়েছে যিনি মহাপরাক্রমশালী, অসীম দাতা। আল-বায়ান

(রহমতের ভান্ডার আছে আমার কাছে, তাত্থেকে যাকে যতখানি ইচ্ছে আমি দেই) তাদের কাছে কি তোমার প্রতিপালকের রহমতের ভান্ডার আছে যিনি মহা প্রতাপশালী, অসীম দাতা? তাইসিরুল

তাদের নিকট কি রয়েছে অনুগ্রহের ভান্ডার তোমার রবের, যিনি পরাক্রমশালী, মহান দাতা? মুজিবুর রহমান

৯. নাকি তাদের কাছে আছে আপনার রবের অনুগ্রহের ভাণ্ডার, যিনি পরাক্রমশালী, মহান দাতা?

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৯) ওদের নিকট কি তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহের ভান্ডার আছে, যিনি পরাক্রমশালী, মহাদাতা?[1]

[1] অতএব তারা যাকে ইচ্ছা দেবে, আর যাকে ইচ্ছা দেবে না, আর সেই ভান্ডারের একটি সম্পদ নবুঅতও? পক্ষান্তরে যদি তা না হয়, বরং প্রভুর অনুগ্রহের ভান্ডারের মালিক সেই মহাদাতা হন; যিনি অতি দানশীল, তাহলে মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর নবুঅতকে তারা অস্বীকার করে কেন? যা সেই মহাদাতা প্রভু তাঁর বিশেষ অনুগ্রহে তাঁকে দান করেছেন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৩৮ সোয়াদ
৩৮:৩৫ قَالَ رَبِّ اغۡفِرۡ لِیۡ وَ ہَبۡ لِیۡ مُلۡکًا لَّا یَنۡۢبَغِیۡ لِاَحَدٍ مِّنۡۢ بَعۡدِیۡ ۚ اِنَّکَ اَنۡتَ الۡوَہَّابُ ﴿۳۵﴾

সুলাইমান বলল, ‘হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজত্ব দান করুন যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয়ই আপনি বড়ই দানশীল। আল-বায়ান

সে বলল- হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা কর, আর আমাকে এমন রাজ্য দান কর যা আমার পরে আর কারো জন্য শোভনীয় হবে না। তুমি হলে পরম দাতা। তাইসিরুল

সে বললঃ হে আমার রাব্ব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং এমন এক রাজ্য দান করুন যার অধিকারী আমি ছাড়া আর কেহ না হয়। আপনিতো পরম দাতা। মুজিবুর রহমান

৩৫. তিনি বললেন, হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে দান করুন এমন এক রাজ্য(১) যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয় আপনি পরম দাতা।

(১) অধিকাংশ তাফসীরবিদের মতে এ দোআর অর্থ এই যে, আমার পরেও কেউ যেন এরূপ সাম্রাজ্যের অধিকারী না হয়। সুতরাং বাস্তবেও তাই দেখা যায় যে, সুলাইমান আলাইহিস সালাম-কে যেরূপ সাম্রাজ্য দান করা হয়েছিল, তেমন রাজত্বের অধিকারী পরবর্তীকালে কেউ হতে পারেনি। কেননা, বাতাস অধীনস্থ হওয়া, জিন জাতি বশীভূত হওয়া এগুলো পরবর্তীকালে কেউ লাভ করতে পারেনি। সুলাইমান আলাইহিস সালাম জিনদের উপর যেরূপ সর্বব্যাপী রাজত্ব কায়েম করেছিলেন তদ্রূপ কেউ কায়েম করতে পারেনি। এক হাদীসে এসেছে, এক দুষ্ট জিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত নষ্ট করতে চাইলে তিনি সেটাকে বেঁধে রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সুলাইমান আলাইহিস সালামের এ দোআর কথা স্মরণ করে তার সম্মানে তা করা ত্যাগ করেন। [দেখুন: বুখারী: ৩৪২৩]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৫) সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা কর এবং আমাকে এমন এক রাজ্য দান কর, যার অধিকারী আমার পরে অন্য কেউ হতে পারবে না।[1] নিশ্চয়ই তুমি মহাদাতা।’

[1] অর্থাৎ, তোমার হিকমত ও ইচ্ছায় আমার মুজাহিদ বাহিনী জন্ম দানের আশা পূর্ণ হয়নি, কিন্তু যদি আমাকে এমন স্বচ্ছন্দ সাম্রাজ্য দান কর, যা আমি ছাড়া বা আমার পরে ঐরূপ সাম্রাজ্যের মালিক অন্য কেউ না হয়, তাহলে সন্তানের প্রয়োজনই থাকবে না। এই দু’আও আল্লাহ তাআলার দ্বীনকে সমুন্নত করার উদ্দেশ্যেই ছিল।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৩ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে