উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 5 টি

পরিচ্ছেদঃ ২৩০০. আল্লাহর বাণীঃ তোমাদের কেউ কি চায় যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান থাকবে, যার পাদদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে এবং যাতে সর্বপ্রকার ফলমূল বিরাজ করে। যখন সে ব্যক্তি বার্ধক্যে উপনীত হয় এবং তার সন্তান-সন্তুতি দুর্বল, তারপর উক্ত বাগানের উপর এক অগ্নিক্ষরা ঘূর্ণিঝড় আপতিত হয় এবং তা জলে পুড়ে যায়। এভাবে আল্লাহ তা’আলা তার নিদর্শন তোমাদের জন্য সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেন, যাতে তোমরা অনুধাবন করতে পার। (২ঃ ২৬৬)

৪১৮২। ইবরাহীম ... উবায়দ ইবনু উমায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একদা উমর (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণদের জিজ্ঞাসা করলেন যে, ‏أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تَكُونَ لَهُ جَنَّةٌএ আয়াতটি যে উপলক্ষে অবতীর্ণ হয়েছে, সে ব্যাপারে আপনাদের মতামত কি? তখন তারা বললেন, আল্লাহই জানেন। উমর (রাঃ) এতে রেগে গিয়ে বললেন, আমরা জানি অথবা জানিনা এদুটোর একটি বল। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ ব্যাপারে আমার অন্তরে কিছুটা ধারণা আছে। উমর (রাঃ) বলেন, বৎস! বলে ফেল এবং নিজেকে তুচ্ছ ভেবো না। তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, এটা কর্মে দৃষ্টান্ত হিসাবে পেশ করা হয়েছে। উমর (রাঃ) বললেন, কোন কর্মের? ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, একটি কর্মের। উমর (রাঃ) বললেন, এটি উদাহরণ হচ্ছে সেই ধনবান ব্যাক্তির, যে আল্লাহর ইবাদত করতে থাকে, এরপর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর প্রতি শয়তানকে প্রেরণ করেন। অনন্তর সে পাপ কার্যে লিপ্ত হয় এবং তার সকল সৎকর্ম নষ্ট করে দেয়।

باب قوله أيود أحدكم أن تكون له جنة من نخيل وأعناب إلى قوله لعلكم تتفكرون

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي مُلَيْكَةَ، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ،‏.‏ قَالَ وَسَمِعْتُ أَخَاهُ أَبَا بَكْرِ بْنَ أَبِي مُلَيْكَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ قَالَ عُمَرُ ـ رضى الله عنه ـ يَوْمًا لأَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِيمَ تَرَوْنَ هَذِهِ الآيَةَ نَزَلَتْ ‏(‏أَيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تَكُونَ لَهُ جَنَّةٌ‏)‏ قَالُوا اللَّهُ أَعْلَمُ‏.‏ فَغَضِبَ عُمَرُ فَقَالَ قُولُوا نَعْلَمُ أَوْ لاَ نَعْلَمُ‏.‏ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فِي نَفْسِي مِنْهَا شَىْءٌ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ‏.‏ قَالَ عُمَرُ يَا ابْنَ أَخِي قُلْ وَلاَ تَحْقِرْ نَفْسَكَ‏.‏ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ضُرِبَتْ مَثَلاً لِعَمَلٍ‏.‏ قَالَ عُمَرُ أَىُّ عَمَلٍ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لِعَمَلٍ‏.‏ قَالَ عُمَرُ لِرَجُلٍ غَنِيٍّ يَعْمَلُ بِطَاعَةِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ، ثُمَّ بَعَثَ اللَّهُ لَهُ الشَّيْطَانَ فَعَمِلَ بِالْمَعَاصِي حَتَّى أَغْرَقَ أَعْمَالَهُ‏.‏ ‏(‏فَصُرْهُنَّ‏)‏ قَطِّعْهُنَّ‏.‏


Narrated Ubaid bin Umair: Once `Umar (bin Al-Khattab) said to the companions of the Prophet (ﷺ) "What do you think about this Verse:--"Does any of you wish that he should have a garden?" They replied, "Allah knows best." `Umar became angry and said, "Either say that you know or say that you do not know!" On that Ibn `Abbas said, "O chief of the believers! I have something in my mind to say about it." `Umar said, "O son of my brother! Say, and do not under estimate yourself." Ibn `Abbas said, "This Verse has been set up as an example for deeds." `Umar said, "What kind of deeds?" Ibn `Abbas said, "For deeds." `Umar said, "This is an example for a rich man who does goods out of obedience of Allah and then Allah sends him Satan whereupon he commits sins till all his good deeds are lost."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪. আত্মাভিমান

৩৯৬০. হাসান ইবন মুহাম্মদ জা'ফরানী (রহঃ) ... উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ) থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষণ যয়নব বিনত জাহাশ (রাঃ) এর কাছে অবস্থান করতেন এবং তাঁর কাছে মধু পান করতেন, আমি এবং হাফসা পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, তিনি আমাদের যার কাছেই আসবেন, সেই বলবেঃ আপনি 'মাগাফীর' পান করেছেন। (মাগাফীর এক প্রকার বিশেষ দুর্গন্ধযুক্ত আঠাকে বলা হয়)।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাদের একজনের কাছে প্রবেশ করলে যা বলার সিদ্ধান্ত ছিল তা বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি যয়নব বিনত জাহাশ-এর কাছে মধুই তো পান করলাম এবং বললেন, আর কোন দিন তা করব না। অর্থাৎ মধু পান করব না। এ কারণে নাযিল হলঃ (يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ) "হে নবী! আল্লাহ্‌ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন তা আপনি নিজের জন্য হারাম করেছেন কেন? (إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ) "তোমরা উভয়ে যদি তওবা কর" এটা আয়িশা এবং হাফসা (রাঃ) এর উদ্দেশ্যে নাযিল করেছেনঃ (وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا) "যখন নবী তার একজন স্ত্রীর কাছে একটি কথা গোপন করলেন" এটা তার উক্তি 'আমি মধু পান করেছি এবং আর করব না।' এর পরিপ্রেক্ষিতে নাযিল হয়েছে।

بَاب الْغَيْرَةِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَزْعُمُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَمْكُثُ عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَيَشْرَبُ عِنْدَهَا عَسَلًا فَتَوَاصَيْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ أَنَّ أَيَّتُنَا دَخَلَ عَلَيْهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلْتَقُلْ إِنِّي أَجِدُ مِنْكَ رِيحَ مَغَافِيرَ أَكَلْتَ مَغَافِيرَ فَدَخَلَ عَلَى إِحْدَاهُمَا فَقَالَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ لَا بَلْ شَرِبْتُ عَسَلًا عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ وَلَنْ أَعُودَ لَهُ فَنَزَلَتْ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ لِعَائِشَةَ وَحَفْصَةَ وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا لِقَوْلِهِ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلًا


'Aishah said that the Messenger of Allah used to stay with Zainab bint Jahsh and drink honey at her house. Hafsah and I agreed that if the Prophet entered upon either of us, she would say: "I perceive the smell of Maghafir (a nasty-smelling gum) on you; have you eaten Maghafir?" He came in to one of them, and she said that to him. He said: "No, rather I drank honey at the house of Zainab bint Jahsh, but I will never do it again." Then the following was revealed: 'O Prophet! Why do you forbid (for yourself) that which Allah has allowed to you.' 'If you two turn in repentance to Allah, (it will be better for you)' about 'Aishah and Hafsah, 'And (remember) when the Prophet disclosed a matter in confidence to one of his wives' refers to him saying: "No, rather I drank honey."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. কবীরা গুনাহর বর্ণনা

৪০১৩. আব্বাস ইবন আবদুল আযীম (রহঃ) ... উবাউদ ইবন উমায়র (রহঃ) তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। আর তিনি ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একজন সাহাবী। তিনি বলেছেনঃ এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! কবীরা গুনাহ কি কি? তিনি বললেনঃ তা সাত প্রকারের পাপ। এর মধ্যে সবচাইতে নিকৃষ্ট হলো আল্লাহর সাথে শরীক করা, অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা এবং কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করার সময় পলায়ন করা। (সংক্ষিপ্ত)

ذِكْرُ الْكَبَائِرِ

أَخْبَرَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ قَالَ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هَانِئٍ قَالَ حَدَّثَنَا حَرْبُ بْنُ شَدَّادٍ قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ سِنَانٍ عَنْ حَدِيثِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَبُوهُ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْكَبَائِرُ قَالَ هُنَّ سَبْعٌ أَعْظَمُهُنَّ إِشْرَاكٌ بِاللَّهِ وَقَتْلُ النَّفْسِ بِغَيْرِ حَقٍّ وَفِرَارٌ يَوْمَ الزَّحْفِ مُخْتَصَرٌ


It was narrated from 'Ubaid bin 'Umair that : His father - who was one of the Companions of the Prophet [SAW] - told him: "A man said: 'O Messenger of Allah, what are the major sins?' He said: 'They are seven; the most grievous of which are associating others with Allah, killing a soul unlawfully and fleeing (from the battlefield) on the day of the march.'" It is abridged.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১. মধুর শরবত

৩৭১৪। ‘উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাইনাব বিনতু জাহশ (রাঃ)-এর ঘরে আসতেন এবং সেখানে মধু খেতেন। একদিন আমি ও হাফসাহ পরামর্শ করলাম যে, আমাদের দু’জনের যার ঘরেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করবেন। সে যেন বলে, আমি আপনার মুখ থেকে মাগাফীরের গন্ধ পাচ্ছি। তিনি তাদের কোনো একজনের ঘরে ঢুকলে তিনি তাঁকে ঐ কথা বললেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বরং আমি যাইনাব বিনতু জাহশের ঘরে মধু পান করেছি। ঠিক আছে আমি আজ থেকে তা কখনো পান করবো না।

অতঃপর কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন তা কেন হারাম করছেন? আপনি কি স্ত্রীদের সন্তুষ্টি লাভ করতে চান? ... তোমরা উভয়ে যদি আল্লাহর নিকট তওবা করো’’ (সূরা তাহরীমঃ ১-৫), এ আয়াতগুলোতে আয়িশাহ ও হাফসাহ (রাঃ)-কে তওবা করতে বলা হয়েছে। ‘‘যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা কথা স্বীয় এক স্ত্রীর নিকট সংগোপনে বলেছিলেন’’ এ আয়াতটি ‘বরং আমি মধু পান করেছি’ কথার ব্যাখ্যায় অবতীর্ণ।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي شَرَابِ الْعَسَلِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: عَنْ عَطَاءٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تُخْبِرُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَمْكُثُ عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ فَيَشْرَبُ عِنْدَهَا عَسَلًا، فَتَوَاصَيْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ أَيَّتُنَا مَا دَخَلَ عَلَيْهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلْتَقُلْ: إِنِّي أَجِدُ مِنْكَ رِيحَ مَغَافِيرَ، فَدَخَلَ عَلَى إِحْدَاهُنَّ، فَقَالَتْ لَهُ ذَلِكَ، فَقَالَ: بَلْ شَرِبْتُ عَسَلًا عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ وَلَنْ أَعُودَ لَهُ فَنَزَلَتْ: (لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكَ تَبْتَغِي) [التحريم: ١] إِلَى (إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللَّهِ) [التحريم: ٤] لِعَائِشَةَ وَحَفْصَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا (وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا) [التحريم: ٣] لِقَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلًا

صحيح


A’ishah said that the prophet (ﷺ) used to stay with Zainab, daughter of Jahsh, and drink honey. I and Hafsah counseled each other that if the Prophet (ﷺ) enters upon any of us, she must say : I find the smell of gum (maghafir) from you. He then entered upon one of them; she said that to him. Thereupon he said : No, I drank honey at (the house of) Zainab daughter of jahsh, and I will not do it again. Then the following verse came down :’’O Prophet !why holdest thou to be forbidden that which Allah has made lawful to thee ? ‘’Thou seekest. . . If you two turn in repentance to Allah ‘’ refers to Hafsah and A’ishah , and the verse: ‘’When the Prophet disclosed a matter in confidence to one of his consorts’’ refers to the statements of the Prophet (ﷺ) disclosed a matter in confidence to one of his consorts’’ refers to the statement of the Prophet (ﷺ) :No, I drank honey.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ কান্না করার হাদীসসমূহ

(৩৮৩) উবাইদ বিন উমাইর (রহঃ) বলেন, একদা আমি আয়েশা (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবনে সবচেয়ে বড় আশ্চর্যময় ঘটনা কী দেখেছেন, তা আমাদেরকে বলুন। তিনি ক্ষণকাল নীরব থেকে বললেন, এক রাত্রে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, আয়েশা! আজ রাতে আমাকে আমার প্রতিপালকের ইবাদতের জন্য ছেড়ে দাও। আমি বললাম, আল্লাহর কসম! আমি আপনার নৈকট্য চাই এবং তাই চাই, যা আপনাকে আনন্দ দান করে। সুতরাং তিনি উঠে ওযূ করলেন এবং নামায পড়তে শুরু করলেন। নামাযে তিনি কাঁদতে লাগলেন।

তিনি বসে ছিলেন, (চোখের পানিতে) তাঁর কোল ভিজে গেল। তারপরও কাঁদতে লাগলেন। (সিজদায় গেলে অশ্রুতে) মাটি ভিজে গেল! (ফজরের আগে) বিলাল নামাযের খবর দিতে এলেন। তিনি যখন তাঁকে কাঁদতে দেখলেন, তখন বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কাঁদছেন? অথচ আল্লাহ আপনার পূর্বাপর সমস্ত গোনাহ মাফ করে দিয়েছেন! তিনি বললেন, আমি কি (আল্লাহর) শোকরগুযার বান্দা হব না? আজ রাত্রে আমার উপর কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। ধ্বংস তার জন্য, যে তা পড়েছে, অথচ তা নিয়ে একটু চিন্তা-ভাবনা করে দেখেনি।

إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَاخْتِلاَفِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لآيَاتٍ لِّأُوْلِي الألْبَابِ

অর্থাৎ, নিশ্চয় আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনে জ্ঞানী লোকেদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। (আলে ইমরানঃ ১৯০ এর পরবর্তী সকল আয়াত)।

قال عُبَيْدُ بْنُ عُمَيْرٍلِعَائِشَة : : أَخْبِرِينَا بِأَعْجَبِ شَيْءٍ رَأَيْتِهِ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَسَكَتَتْ ثُمَّ قَالَتْ: لَمَّا كَانَ لَيْلَةٌ مِنَ اللَّيَالِي، قَالَ: «يَا عَائِشَةُ ذَرِينِي أَتَعَبَّدُ اللَّيْلَةَ لِرَبِّي» قُلْتُ: وَاللَّهِ إِنِّي لَأُحِبُّ قُرْبَكَ، وَأُحِبُّ مَا يُسِرُّكَ قَالَتْ : فَقَامَ فَتَطَهَّرَ، ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي، قَالَتْ: فَلَمْ يَزَلْ يَبْكِي حَتَّى بَلَّ حِجْرَهُ، قَالَتْ وَكَانَ جَالِساً فَلَمْ يَزَلْ يَبْكِي حَتَّى بَلَّ لِحْيَتَهُ، قَالَتْ: ثُمَّ بَكَى حَتَّى بَلَّ الْأَرْضَ فَجَاءَ بِلَالٌ يُؤْذِنُهُ بِالصَّلَاةِ فَلَمَّا رَآهُ يَبْكَي قَالَ : يَا رَسُوْلَ الله تَبْكَي وَقَدْ غَفَرَ اللهَ لَكَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ؟ قَالَ أَفَلَا أَكُوْنَ عَبْداً شَكُوْراً ؟ لَقَدْ أُنْزِلَتْ عليَّ اللَيْلَةَ آيةٌ ( آيات) ويلٌ لِمَنْ قَرَأَهَا وَلَمْ يَتَفَكَّرَ فِيْهَا إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ الآيَة كُلَّهَا


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উবায়দ ইবন উমায়র (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৫ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে