আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 58 টি

পরিচ্ছেদঃ ১০৫৮. মাগরিব এবং ‘ইশা উভয় সালাতের জন্য আযান ও ইকামাত দেওয়া

১৫৭০। ‘আমর ইবনু খলিদ (রহঃ) ... ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করলেন। তখন ‘ইশার আযানের সময় বা তার কাছাকাছি সময় আমরা মুযদালিফা পৌঁছালাম। তিনি এক ব্যাক্তিকে আদেশ দিলেন। সে আযান দিল এবং ইকামত বলল। তিনি মাগরিব আদায় করলেন এবং এরপর আরো দু’ রাক’আত আদায় করলেন। তারপর তিনি রাতের খাবার আনালেন এবং তা খেয়ে নিলেন। (রাবী বলেন) তারপর তিনি একজনকে আদেশ দিলেন। আমার মনে হয়, লোকটি আযান দিল এবং ইকামত বলল।

‘আমর (রহঃ) বলেন, আমার বিশ্বাস এ সন্দেহ যুবাইর (রহঃ) থেকেই হয়েছে। তারপর তিনি দু’ রাক’আত ‘ইশার সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। ফজর হওয়ামাত্রই তিনি বললেনঃ এ সময়, এ দিনে, এ স্থানে, এ সালাত (নামায/নামাজ) ব্যতীত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কোন সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেননি। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এ দু’টি সালাত (নামায/নামাজ) তাঁদের প্রচলিত ওয়াক্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই লোকেরা মুযদালিফা পৌঁছার পর মাগরিব আদায় করেন এবং ফজরের সময় হওয়ামাত্র ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এইরূপ করতে দেখেছি।

باب مَنْ أَذَّنَ وَأَقَامَ لِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ حَجَّ عَبْدُ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ فَأَتَيْنَا الْمُزْدَلِفَةَ حِينَ الأَذَانِ بِالْعَتَمَةِ، أَوْ قَرِيبًا مِنْ ذَلِكَ، فَأَمَرَ رَجُلاً فَأَذَّنَ وَأَقَامَ، ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ، وَصَلَّى بَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ دَعَا بِعَشَائِهِ فَتَعَشَّى، ثُمَّ أَمَرَ ـ أُرَى رَجُلاً ـ فَأَذَّنَ وَأَقَامَ ـ قَالَ عَمْرٌو لاَ أَعْلَمُ الشَّكَّ إِلاَّ مِنْ زُهَيْرٍ ـ ثُمَّ صَلَّى الْعِشَاءَ رَكْعَتَيْنِ، فَلَمَّا طَلَعَ الْفَجْرُ قَالَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يُصَلِّي هَذِهِ السَّاعَةَ إِلاَّ هَذِهِ الصَّلاَةَ، فِي هَذَا الْمَكَانِ، مِنْ هَذَا الْيَوْمِ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ هُمَا صَلاَتَانِ تُحَوَّلاَنِ عَنْ وَقْتِهِمَا صَلاَةُ الْمَغْرِبِ بَعْدَ مَا يَأْتِي النَّاسُ الْمُزْدَلِفَةَ، وَالْفَجْرُ حِينَ يَبْزُغُ الْفَجْرُ‏.‏ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُهُ‏.‏


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: `Abdullah;- performed the Hajj and we reached Al-Muzdalifa at or about the time of the `Isha' prayer. He ordered a man to pronounce the Adhan and Iqama and then he offered the Maghrib prayer and offered two rak`at after it. Then he asked for his supper and took it, and then, I think, he ordered a man to pronounce the Adhan and Iqama (for the `Isha' prayer). (`Amr, a sub-narrator said: The intervening statement 'I think', was said by the sub-narrator Zuhair) (i.e. not by `Abdur-Rahman). Then `Abdullah offered two rak`at of `Isha' prayer. When the day dawned, `Abdullah said, "The Prophet never offered any prayer at this hour except this prayer at this time and at this place and on this day." `Abdullah added, "These two prayers are shifted from their actual times -- the Maghrib prayer (is offered) when the people reached Al-Muzdalifa and the Fajr (morning) prayer at the early dawn." `Abdullah added, "I saw the Prophet (ﷺ) doing that."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০৬০. মুযদালিফায় ফজরের সালাত কোন সময় আদায় করবে?

১৫৭৮। ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাজা (রহঃ) ... ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) এর সঙ্গে মক্কা রওয়ানা হলাম। এরপর আমরা মুযদালিফায় পৌঁছালাম। তখন তিনি পৃথক পৃথক আযান ও ইকামতের সাথে উভয় সালাত (নামায/নামাজ) (মাগরিব ও ‘ইশা) আদায় করলেন এবং এই দু’ সালাতের মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিলেন। তারপর ফজর হতেই তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। কেউ কেউ বলছিল যে, ফজরের সময় হয়ে গেছে, আবার কেউ বলছিল যে, এখনো ফজরের সময় আসেনি। এরপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দু’ সালাত অর্থাৎ মাগরিব ও ‘ইশা এ স্থানে তাদের নিজ সময় থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ‘ইশার ওয়াক্তের আগে কেউ যেন মুযদালিফায় না আসে। আর ফজরের সালাত এই মুহূর্তে। এরপর তিনি ফর্সা হওয়া পর্যন্ত সেখানে উকূফ করেন। এরপর বললেন, আমীরুল মুমিনীন যদি এখন রওয়ানা হন তাহলে তিনি সুন্নাত মুতাবিক কাজ করলেন। (রাবী বলেন) আমার জানা নেই, তাঁর কথা দ্রুত ছিল, না ‘উসমান (রাঃ) এর রওয়ানা হওয়াটা। এরপর তিনি তালবিয়া পাঠ করতে থাকলেন, কুরবানীর দিন জামরায়ে ‘আকাবাতে কংকর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত।

باب مَنْ يُصَلِّي الْفَجْرَ بِجَمْعٍ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ إِلَى مَكَّةَ، ثُمَّ قَدِمْنَا جَمْعًا، فَصَلَّى الصَّلاَتَيْنِ، كُلَّ صَلاَةٍ وَحْدَهَا بِأَذَانٍ وَإِقَامَةٍ، وَالْعَشَاءُ بَيْنَهُمَا، ثُمَّ صَلَّى الْفَجْرَ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ، قَائِلٌ يَقُولُ طَلَعَ الْفَجْرُ‏.‏ وَقَائِلٌ يَقُولُ لَمْ يَطْلُعِ الْفَجْرُ‏.‏ ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ هَاتَيْنِ الصَّلاَتَيْنِ حُوِّلَتَا عَنْ وَقْتِهِمَا فِي هَذَا الْمَكَانِ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ، فَلاَ يَقْدَمُ النَّاسُ جَمْعًا حَتَّى يُعْتِمُوا، وَصَلاَةَ الْفَجْرِ هَذِهِ السَّاعَةَ ‏"‏‏.‏ ثُمَّ وَقَفَ حَتَّى أَسْفَرَ، ثُمَّ قَالَ لَوْ أَنَّ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَفَاضَ الآنَ أَصَابَ السُّنَّةَ‏.‏ فَمَا أَدْرِي أَقَوْلُهُ كَانَ أَسْرَعَ أَمْ دَفْعُ عُثْمَانَ ـ رضى الله عنه ـ فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ يَوْمَ النَّحْرِ‏.‏


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: I went out with `Abdullah , to Mecca and when we proceeded to am' he offered the two prayers (the Maghrib and the `Isha') together, making the Adhan and Iqama separately for each prayer. He took his supper in between the two prayers. He offered the Fajr prayer as soon as the day dawned. Some people said, "The day had dawned (at the time of the prayer)," and others said, "The day had not dawned." `Abdullah then said, "Allah's Messenger (ﷺ) said, 'These two prayers have been shifted from their stated times at this place only (at Al-Muzdalifa); first: The Maghrib and the `Isha'. So the people should not arrive at Al-Muzdalifa till the time of the `Isha' prayer has become due. The second prayer is the morning prayer which is offered at this hour.' " Then `Abdullah stayed there till it became a bit brighter. He then said, "If the chief of the believers hastened onwards to Mina just now, then he had indeed followed the Sunna." I do not know which proceeded the other, his (`Abdullah's) statement or the departure of `Uthman . `Abdullah was reciting Talbiya till he threw pebbles at the Jamrat-Al- `Aqaba on the Day of Nahr (slaughtering) (that is the 10th of Dhul-Hijja).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০৯৫. বাতন ওয়াদী (উপত্যকার নীচুস্থান) থেকে কংকর মারা

১৬৩৬। মুহাম্মদ ইবনু কাসীর (রহঃ) ... ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বাতন ওয়াদী থেকে কংকর মারেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! লোকেরা তো এর উচ্চুস্থান থেকে কংকর মারে। তিনি বলেলেন, সে সত্তার কসম! যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ লেই, এটা সে স্থান, যেখানে সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ওয়ালীদ (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) থেকে এরূপ বর্ণনা করেন।

باب رَمْىِ الْجِمَارِ مِنْ بَطْنِ الْوَادِي

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ رَمَى عَبْدُ اللَّهِ مِنْ بَطْنِ الْوَادِي، فَقُلْتُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، إِنَّ نَاسًا يَرْمُونَهَا مِنْ فَوْقِهَا، فَقَالَ وَالَّذِي لاَ إِلَهَ غَيْرُهُ هَذَا مَقَامُ الَّذِي أُنْزِلَتْ عَلَيْهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ صلى الله عليه وسلم‏.‏ وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ بِهَذَا‏.‏


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: `Abdullah, did the Rami from the middle of the valley. So, I said, "O, Abu `Abdur-Rahman! Some people do the Rami (of the Jamra) from above it (i.e. from the top of the valley)." He said, "By Him except whom none has the right to be worshipped, this is the place from where the one on whom Surat-al-Baqara was revealed (i.e. Allah's Messenger (ﷺ)) did the Rami."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০৯৭. বায়তুল্লাহকে বাম দিকে রেখে জামরায়ে ‘আকাবায় কংকর মারা।

১৬৩৮। আদম (রহঃ) ... ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন মাস’ঊদ (রাঃ) এর সঙ্গে হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করলেন। তখন তিনি বায়তুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে বড় জামরাকে সাতটি কংকর মারতে দেখেছেন। এরপর তিনি বললেন, এ তাঁর দাঁড়াবার স্থান যাঁর প্রতি সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে।

باب مَنْ رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ فَجَعَلَ الْبَيْتَ عَنْ يَسَارِهِ

حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّهُ حَجَّ مَعَ ابْنِ مَسْعُودٍ ـ رضى الله عنه ـ فَرَآهُ يَرْمِي الْجَمْرَةَ الْكُبْرَى بِسَبْعِ حَصَيَاتٍ، فَجَعَلَ الْبَيْتَ عَنْ يَسَارِهِ، وَمِنًى عَنْ يَمِينِهِ، ثُمَّ قَالَ هَذَا مَقَامُ الَّذِي أُنْزِلَتْ عَلَيْهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ‏.‏


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: I performed Hajj with Ibn Mas`ud , and saw him doing Rami of the big Jamra (Jamrat-ul-Aqaba) with seven small pebbles, keeping the Ka`ba on his left side and Mina on his right. He then said, "This is the place where the one on whom Surat-al-Baqara was revealed (i.e. Allah's Messenger (ﷺ) ) stood."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১০৭. আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) এর মর্যাদা

৩৪৯০। সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হুযায়ফা (রাঃ) কে এমন এক ব্যাক্তির সন্ধান দিতে অনুরোধ করলাম যার আকার আকৃতি, চাল-চলন, আচার-ব্যবহার এবং স্বভাব-চরিত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সর্বাধিক সাদৃস্য আছে, আমরা তাঁর থেকে শিক্ষা গ্রহণ করব। হুযায়ফা (রাঃ) বললেন, আকার-আকৃতি, চাল-চলন, আচার-ব্যবহার এবং স্বভাব-চরিত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সর্বাধিকাদৃশ্য রাখেন এমন ব্যাক্তি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) ব্যতীত অন্য কাউকে আমি জানিনা।

باب مَنَاقِبُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضى الله عنه

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ،، قَالَ سَأَلْنَا حُذَيْفَةَ عَنْ رَجُلٍ، قَرِيبِ السَّمْتِ وَالْهَدْىِ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى نَأْخُذَ عَنْهُ فَقَالَ مَا أَعْرِفُ أَحَدًا أَقْرَبَ سَمْتًا وَهَدْيًا وَدَلاًّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنِ ابْنِ أُمِّ عَبْدٍ‏.‏


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: We asked Hudhaifa to tell us of a person resembling (to some extent) the Prophet (ﷺ) in good appearance and straight forward behavior so that we may learn from him (good manners and acceptable conduct). Hudhaifa replied, "I do not know anybody resembling the Prophet (to some extent) in appearance and conduct more than Ibn Um `Abd.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৪৫৮. স্ত্রীলোকের সৎ পুরুষের কাছে নিজকে (বিবাহের জন্য) পেশ করা

৪৭৬৩। ইসহাক (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ এবং মুজাম্মি ইবনু ইয়াযীদ উভয়েই বর্ণনা করেন যে, ‘খিযামা’ নামক এক ব্যাক্তি একটা মেয়েকে তার অনুমতি ছাড়া অন্যের সঙ্গে শাদী দেন। পরবর্তী অংশ পূর্ববর্তী হাদীসের বর্ণনার ন্যায়।

باب عَرْضِ الْمَرْأَةِ نَفْسَهَا عَلَى الرَّجُلِ الصَّالِحِ

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى، أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ وَمُجَمِّعَ بْنَ يَزِيدَ حَدَّثَاهُ أَنَّ رَجُلاً يُدْعَى خِذَامًا أَنْكَحَ ابْنَةً لَهُ‏.‏ نَحْوَهُ‏.‏


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid and Majammi bin Yazid: The same ,Hadith above: A man called Khidam married a daughter of his (to somebody) against her consent. 'If you fear that you shall not be able to deal justly with the orphan girls then marry (other) women of your choice.' (4.3) And if somebody says to the guardian (of a woman), "Marry me to soand- so," and the guardian remained silent or said to him, "What have you got?" And the other said, "I have so much and so much (Mahr)," or kept quiet, and then the guardian said, "I have married her to you," then the marriage is valid (legal). This narration was told by Sahl on the authority of the Prophet.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. মিনায় সালাত কসর করা

১৪৬৯। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসমান (রাঃ) মিনায় আমাদের নিয়ে চার রাকআত সালাত আদায় করেছেন। এই কথাটি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর নিকট বলা হলে, তিনি "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজিউন" পাঠ করলেন। অতঃপর বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মিনায় দু' রাক'আত সালাত আদায় করেছি, আবূ বকর (রাঃ) এর সঙ্গে মিনায় দু' রাক'আত সালাত আদায় করেছি। উমর (রাঃ) এর সঙ্গেও মিনায় দু' রাক'আত সালাত আদায় করেছি। চার রাক'আতের স্থলে আমার ভাগ্যে যদি গ্রহণযোগ্য দু' রাক'আতই থাকত!

باب قَصْرِ الصَّلاَةِ بِمِنًى ‏‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، عَنِ الأَعْمَشِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ صَلَّى بِنَا عُثْمَانُ بِمِنًى أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ فَقِيلَ ذَلِكَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ فَاسْتَرْجَعَ ثُمَّ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّيْتُ مَعَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّيْتُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ فَلَيْتَ حَظِّي مِنْ أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ رَكْعَتَانِ مُتَقَبَّلَتَانِ ‏.‏


Ibrahim reported: I heard 'Abd al-Rahman as saying; 'Uthman led us four rak'ahs of prayer at Mina. It was reported to Abdullah b. Mas'ud and he recited:" Surely we are Allah's and to Him shall we return," and then said: I prayed with the Messenger of Allah (ﷺ) at Mina two rak'ahs of prayer. I prayed along with Abu Bakr al-Siddiq two rak'ahs of prayer at Mina. I prayed along with 'Umar b. Khattab two rak'ahs of prayer at Mina. I wish I had my share of the two rak'ahs acceptable (to God) for the four rak'ahs.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯. সূরা ফাতিহা ও সূরা বাকারার শেষ অংশের ফযীলত, সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তিলাওয়াতে উৎসাহ দান

১৭৫১। আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ... আব্দুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহর নিকটে আমি আবূ মাসউদ (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বললাম, সূরা বাকারার দুটি আয়াত সম্পর্কে আপনার পক্ষ হতে এক হাদীসের খবর আমার কাছে পৌছেছে। তিনি বলেন, হ্যাঁ, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সূরা বাকারার শেষ দু’আয়াতে যে ব্যাক্তি কোন রাতে তিলাওয়াত করবে আয়াত দুটি তার জন্য যথেষ্ট হবে।

اب فَضْلِ الْفَاتِحَةِ وَخَوَاتِيمِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ وَالْحَثِّ عَلَى قِرَاءَةِ الآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ الْبَقَرَةِ

وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ يَزِيدَ قَالَ لَقِيتُ أَبَا مَسْعُودٍ عِنْدَ الْبَيْتِ فَقُلْتُ حَدِيثٌ بَلَغَنِي عَنْكَ فِي الآيَتَيْنِ فِي سُورَةِ الْبَقَرَةِ ‏.‏ فَقَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الآيَتَانِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ مَنْ قَرَأَهُمَا فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ ‏"‏ ‏.‏


'Abd al-Rahman b. Yazid reported: I met Abu Mas'ud near the House (Ka'ba) and said to him: A hadith has been conveyed to me on your authority about the two (concluding verses of Surah al-Baqara. He said: Yes. The Messenger of Allah (ﷺ) (in fact) said: Anyone who recites the two verses at the end of Surah al-Baqara at night, they would suffice for him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা

২৫১৯। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশ’আস ইবনু কায়স (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) এর নিকট গেলেন। তখন তিনি দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, হে আবূ মুহাম্মদ! তুমি খাবারের জন্য কাছে এসো। তিনি বললেন, আজ কি আশূরার দিন নয়? তিনি বললেন, তুমি কি জানো আশূরা (আশুরা/আসুরা/আসূরা) দিবস কি? আশ’আস (রহঃ) বললেন, সে আবার কি? তিনি বললেন, রমযানের সিয়াম ফরয হওয়ার পূর্বে এ দিনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম পালন করতেন। যখন রমযানের সিয়াম ফরয হল তখন তা ছেড়ে দেয়া হ’ল। রাবী আবূ কুরায়ব (রহঃ) تُرِكَ এর স্থলে تَرَكَهُ বলেছেন।

باب صَوْمِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ جَمِيعًا عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ وَهُوَ يَتَغَدَّى فَقَالَ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ ادْنُ إِلَى الْغَدَاءِ ‏.‏ فَقَالَ أَوَلَيْسَ الْيَوْمُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ قَالَ وَهَلْ تَدْرِي مَا يَوْمُ عَاشُورَاءَ قَالَ وَمَا هُوَ قَالَ إِنَّمَا هُوَ يَوْمٌ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُهُ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ شَهْرُ رَمَضَانَ فَلَمَّا نَزَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ تُرِكَ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو كُرَيْبٍ تَرَكَهُ ‏.‏


Abd al-Rahman b. Yazid said: When al-Ash'ath b. Qais entered the house of 'Abdullah he was having his breakfast. He ('Abdullah b. Umar) said: Abd Muhammad (al-Asha'th), come near to the breakfast. Thereupon he said: Is not today the day of 'Ashura? He ('Abd al-Rahman) said: Do you know what the day of 'Ashura is? He said: What is it? He said: It is a day on which the Messenger of Allah (ﷺ) used to observe fast before the (fasting) in the month of Ramadan (became) obligatory. But when it became obligatory the (fasting of 'Ashura) was abandoned (as compulsory). Abu Kuraib said: He (the Holy Prophet) abandoned it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪১. কুরবানীর দিন জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হজ্জ পালনকারীর তালবিয়া পাঠ করা মুস্তাহাব

২৯৬১। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমরা মুযদালিফায় (সমবেত) ছিলাম। এ সময় আমি যার উপর সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে, তাকে এই স্থানে বলতে শুনলামঃ “লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা।”

باب اسْتِحْبَابِ إِدَامَةِ الْحَاجِّ التَّلْبِيَةَ حَتَّى يَشْرَعَ فِي رَمْىِ جَمْرَةِ الْعَقَبَةِ يَوْمَ النَّحْرِ

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُدْرِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَنَحْنُ بِجَمْعٍ سَمِعْتُ الَّذِي أُنْزِلَتْ عَلَيْهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ يَقُولُ فِي هَذَا الْمَقَامِ ‏ "‏ لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ ‏"‏ ‏.‏


'Abdullah narrated to us as we had gathered (at Muzdalifa): I have heard from one upon whom Surah al-Baqara was revealed (the Holy Prophet) pronouncing Talbiya at this place.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ 1 to 10 of 58 পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 Next »