ইবনু উমার (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ৩২ টি

পরিচ্ছেদঃ ৮৬৯. কবর আযাব প্রসংগে।

১২৮৭। আলী ইবনু আবদুল্লাহ ... ইবনু উমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বদরে নিহত) গর্তবাসীদের* দিকে ঝুঁকে দেখে বললেনঃ তোমাদের সাথে তোমাদের রব যে ওয়াদা করেছিলেন, তা তোমরা বাস্তব পেয়েছো তো? তখন তাঁকে বলা হল, আপনি মৃতদের ডেকে কথা বলছেন? (ওরা কি তা শুনতে পায়?) তিনি বললেনঃ তোমরা তাদের চাইতে বেশী শুনতে পাও না, তবে তারা সাড়া দিতে পারছে না।

باب مَا جَاءَ فِي عَذَابِ الْقَبْرِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَخْبَرَهُ قَالَ اطَّلَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى أَهْلِ الْقَلِيبِ فَقَالَ ‏"‏ وَجَدْتُمْ مَا وَعَدَ رَبُّكُمْ حَقًّا ‏"‏‏.‏ فَقِيلَ لَهُ تَدْعُو أَمْوَاتًا فَقَالَ ‏"‏ مَا أَنْتُمْ بِأَسْمَعَ مِنْهُمْ وَلَكِنْ لاَ يُجِيبُونَ ‏"‏‏.‏


Narrated Ibn `Umar: The Prophet (ﷺ) looked at the people of the well (the well in which the bodies of the pagans killed in the Battle of Badr were thrown) and said, "Have you found true what your Lord promised you?" Somebody said to him, "You are addressing dead people." He replied, "You do not hear better than they but they cannot reply."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৬: অন্যায়-অত্যাচার করা হারাম এবং অন্যায়ভাবে নেওয়া জিনিস ফেরৎ দেওয়া জরুরী

১৮/২২৫। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মু’মিন ব্যক্তি তার দ্বীনের প্রশস্ততায় থাকে; যতক্ষণ না সে অবৈধ রক্তপাতে লিপ্ত হয়।’’[1]

بَابُ تَحْرِيْمِ الظُّلْمِ وَالْأَمْرِ بِرَدِّ الْمَظَالِمِ - (26)

وعن ابنِ عمرَ رضي اللَّه عنهما قال قال رسولُ اللَّه صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم : » لَنْ يَزَالَ الْمُؤمِنُ فِيفُسْحَةٍ مِنْ دِينِهِ مَالَمْ يُصِبْ دَماً حَراماً « رواه البخاري .

(26) Chapter: Unlawfulness of Oppression and Restoring Others Rights


Ibn `Umar (May Allah bepleased with them) reported: Messenger of Allah (PBUH) said, "A believer continuesto guard his Faith (and thus hopes for Allah's Mercy) so long as he does not shed blood unjustly". [Al-Bukhari]. Commentary: This Hadith has two meanings. Firstly, so long as a Muslim does not kill another Muslim withoutvalid reason, he remains, by the Grace of Allah, capable of acting upon the Deen. That is to say, he is more hopefulof the Mercy of Allah, and deserves it also, as long as he does not commit murder. When he kills an innocentperson, the gate of Allah's Compassion is closed on him. Ibn Al-Arabi interpretted this Hadith as follows: A Muslim will still have ample chance for accomplishing good deeds to face evil deeds until he sheds blood. Or, he has the chance of forgiveness until he sheds blood. (M.R.M.)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৭: মুসলিমদের মান-মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধা-প্রদর্শন ও তাদের অধিকার-রক্ষা এবং তাদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্যের গুরুত্ব

১২/২৩৮। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মুসলিম মুসলিমের ভাই, সে তার উপর অত্যাচার করবে না এবং তাকে অত্যাচারীর হাতে ছেড়ে দেবে না। যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রয়োজন পূর্ণ করবে, আল্লাহ তার প্রয়োজন পূর্ণ করবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের কোনো এক বিপদ দূর করে দেবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার বহু বিপদের একটি বিপদ দূর করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন করবে, আল্লাহ কিয়ামতে তার দোষ-ত্রুটি গোপন করবেন।’’ বুখারী, মুসলিম) [1]

بَابُ تَعْظِيْمِ حُرُمَاتِ الْمُسْلِمِيْنَ وَبَيَانِ حُقُوْقِهِمْ وَالشَّفْقَةِ عَلَيْهِمْ وَرَحْمَتِهِمْ - (27)

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ الله عَنهُمَا : أنَّ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «المُسْلِمُ أَخُو المُسْلِم، لا يَظْلِمهُ، وَلاَ يُسْلِمُهُ. مَنْ كَانَ في حَاجَة أخيه، كَانَ اللهُ في حَاجَته، وَمَنْ فَرَّجَ عَنْ مُسْلِم كُرْبَةً، فَرَّجَ اللهُ عَنْهُ بها كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَومِ القِيَامَةِ، وَمَنْ سَتَرَ مُسْلِماً سَتَرَهُ اللهُ يَومَ القِيامَةِ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

(27) Chapter: Reverence towards the Sanctity of the Muslims


Ibn 'Umar (May Allah bepleased with them) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "A Muslim is a brother of another Muslim. So he should not oppress him nor should he hand him over to (his satan or to his self which is inclined to evil). Whoever fulfills the needs of his brother, Allah will fulfill his needs; whoever removes the troubles of his brother, Allah will remove one of his troubles on the Day of Resurrection; and whoever covers up the fault of a Muslim, Allah will cover up his fault on the Day of Resurrection". [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith is extremely important for the reason that it advises Muslims to live like family members. It says that one does not like to subject one's own son, brother, etc, to suppression, nor leaves him helpless in trouble, but helps him when he is in need of it, endeavors to relieve him of hardship and admonishes him when he does anything wrong. Almighty Allah is pleased with such behavior and gives him best reward for it in this world and the next.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৯: মুসলিমদের প্রয়োজন পূরণ করার গুরুত্ব

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَٱفۡعَلُواْ ٱلۡخَيۡرَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ﴾ [الحج: ٧٧]

অর্থাৎ “উত্তম কাজ কর; যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।” (সূরা হাজ্জ ৭৭ আয়াত)


১/২৪৯। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মুসলিম মুসলিমের ভাই, সে তার উপর অত্যাচার করবে না এবং তাকে অত্যাচারীর হাতে ছেড়ে দেবে না। যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রয়োজন পূর্ণ করবে, আল্লাহ তার প্রয়োজন পূর্ণ করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের কোন এক বিপদ দূর করে দেবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার বহু বিপদের একটি বিপদ দূর করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন করবে, আল্লাহ কিয়ামতে তার দোষ-ত্রুটি গোপন করবেন।’’ (বুখারী, মুসলিম) [1]

بَابُ قَضَاءِ حَوَائِجِ الْمُسْلِمِيْنَ - (29)

عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ الله عَنهُمَا : أنَّ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «المُسْلِمُ أَخُو المُسْلِم، لا يَظْلِمهُ، وَلاَ يُسْلِمُهُ. مَنْ كَانَ في حَاجَة أخيه، كَانَ اللهُ في حَاجَته، وَمَنْ فَرَّجَ عَنْ مُسْلِم كُرْبَةً، فَرَّجَ اللهُ عَنْهُ بها كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَومِ القِيَامَةِ، وَمَنْ سَتَرَ مُسْلِماً سَتَرَهُ اللهُ يَومَ القِيامَةِ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

(29) Chapter: Fulfillment of the needs of the Muslims


Allah, the Exalted, says: "... and do good that you may be successful". (22:77). Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "A Muslim is a brother of (another) Muslim, he neither wrongs him nor does hand him over to one who does him wrong. If anyone fulfills his brother's needs, Allah will fulfill his needs; if one relieves a Muslim of his troubles, Allah will relieve his troubles on the Day of Resurrection; and if anyone covers up a Muslim (his sins), Allah will cover him up (his sins) on the Resurrection Day". [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith tells us that we should fulfill the needs of Muslims for the Pleasure of Allah only, regardless of any vested interest or worldly motive. It is a very meritorious approach. The needs of people who adopt this attitude in life are fulfilled by Allah, and the reward they get for it in the Hereafter will be greater than that to be given in this world.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৫: স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার

৪/২৮৯। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘প্রতিটি মানুষই দায়িত্বশীল, সুতরাং প্রত্যেকেই অবশ্যই তার অধীনস্থদের দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। দেশের শাসক জনগণের দায়িত্বশীল, সে তার দায়িত্বশীলতা ব্যাপারে জবাবদিহী করবে। একজন পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল, অতএব সে তার দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী তার স্বামী ও সন্তানের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তার দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিতা হবে। তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। অতএব প্রত্যেকেই নিজ নিজ অধীনস্থের দায়িত্বশীলতা ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।’’ (বুখারী ও মুসলিম)[1]

بَابُ حَقِّ الزَّوْجِ عَلَى الْمَرْأَةِ - (35)

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ الله عنهما، عَن النَّبيّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «كُلُّكُم رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ: وَالأمِيرُ رَاعٍ، والرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أهْلِ بَيتِهِ، وَالمَرْأةُ رَاعِيةٌ عَلَى بَيْتِ زَوْجها وَوَلَدهِ، فَكُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

(35) Chapter: Husband's rights concerning his Wife


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: The Prophet (ﷺ) said, "All of you are guardians and are responsible for your subjects. The ruler is a guardian of his subjects, the man is a guardian of his family, the woman is a guardian and is responsible for her husband's house and his offspring; and so all of you are guardians and are responsible for your subjects." [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith ordains every individual in society, whether he is a ruler or ruled citizen or even a woman who leads her life within the four walls of her house, to perform his duties within his own sphere. Not only that, every person has been made responsible to reform the state of affairs in his control and establish equity and justice because he will be held accountable for any negligence on his part in this respect.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. পরিবার-পরিজন, স্বীয় জ্ঞানসম্পন্ন সন্তান-সন্ততি ও আপন সমস্ত অধীনস্থদেরকে আল্লাহর আনুগত্যের আদেশ দেওয়া, তাঁর অবাধ্যতা থেকে তাদেরকে নিষেধ করা, তাদেরকে আদব শেখানো এবং শর‘য়ী নিষিদ্ধ জিনিস থেকে তাদেরকে বিরত রাখা ওয়াজিব

৩/৩০৫। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, ‘‘প্রতিটি মানুষই দায়িত্বশীল, সুতরাং প্রত্যেকে অবশ্যই তার অধীনস্থদের দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। দেশের শাসক জনগণের দায়িত্বশীল, সে তার দায়িত্বশীলতা ব্যাপারে জবাবদিহী করবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল, অতএব সে তার দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী তার স্বামীগৃহের দায়িত্বশীলা, কাজেই সে তার দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিতা হবে। গোলাম তার মনিবের সম্পদের দায়িত্বশীল, সে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। অতএব প্রত্যেকেই নিজ নিজ অধীনস্থের দায়িত্বশীলতা ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَيَانُ وُجُوْبِ أَمْرِهِ وَأَوْلاَدِهِ الْمُمَيِّزِيْنَ وَسَائِرِ مَنْ فِيْ رَعِيَّتِهِ بِطَاعَةِ اللهِ تَعَالٰى وَنَهْيِهِمْ عَنْ المُخَالَفَةِ، وَتَأْدِيْبِهِمْ، وَمَنْعِهِمْ عَنْ اِرْتِكَابِ مَنْهِيٍّ عَنْهُ - (38)

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ : سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتهِ : الإمَامُ رَاعٍ وَمَسْؤولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، والرَّجُلُ رَاعٍ في أهْلِهِ وَمَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالمَرْأةُ رَاعِيَةٌ في بَيْتِ زَوْجِهَا وَمَسْؤُولَةٌ عَنْ رَعِيَّتِهَا، وَالخَادِمُ رَاعٍ في مَالِ سَيِّدِهِ وَمَسؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، فَكُلُّكُمْ رَاعٍ وَمَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ. مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

(38) Chapter: Urging one's kith and kin to Obey Allah and refrain from evils


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "All of you are guardians and are responsible for your subjects. The ruler is a guardian and responsible for his subjects; the man is a guardian of his family; the woman is guardian in her husband's house and responsible for her wards; a servant is guardian of his master's property and responsible for his ward. So all of you are guardians and are responsible for your subjects". [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith ordains every individual in society, whether a ruler or ruled or even a woman who leads her life within the four walls of her house, to perform one's duties within one's own sphere.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪০ : পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার এবং আত্মীয়তা অক্ষুণ্ণ রাখার গুরুত্ব

২২/৩৩৮। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, ‘আমার বিবাহ বন্ধনে এক স্ত্রী ছিল, যাকে আমি ভালবাসতাম। কিন্তু (আমার পিতা) উমার তাকে অপছন্দ করতেন। সুতরাং তিনি আমাকে বললেন, ‘‘তুমি ওকে ত্বালাক দাও।’’ কিন্তু আমি (তা) অস্বীকার করলাম। অতঃপর উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন এবং এ কথা উল্লেখ করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমাকে) বললেন, ‘‘তুমি ওকে ত্বালাক দিয়ে দাও।’’ (সুতরাং আমি তাকে ত্বালাক দিয়ে দিলাম।) (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, হাসান সহীহ সূত্রে) [1]


* (উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ঐ মহিলার চরিত্রে এমন কিছু দেখেছিলেন, যার জন্য তাঁর কথা মেনে ত্বালাক দেওয়া জরুরী ছিল। অনুরূপ কারো পিতা দেখলে বা জানতে পারলে তাঁর কথা মেনে পুত্রের উচিত স্ত্রীকে ত্বালাক দেওয়া। নচেৎ পিতামাতার কথা শুনে ভালো স্ত্রীকে অকারণে ত্বালাক দেওয়া পিতৃমাতৃভক্তির পরিচয় নয়।)

بَابُ بِرِّ الْوَالِدَيْنِ وَصِلَةِ الأَرْحَامِ - (40)

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كَانَتْ تَحْتِي امْرَأةٌ، وَكُنْتُ أحِبُّهَا، وَكَانَ عُمَرُ يَكْرَهُهَا، فَقَالَ لي : طَلِّقْهَا، فَأبَيْتُ، فَأتَى عُمَرُ رضي الله عنه النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، فَذَكَرَ ذلِكَ لَهُ، فَقَالَ النَّبيّ صلى الله عليه وسلم: «طَلِّقْهَا». رواه أَبُو داود والترمذي، وَقالَ: حديث حسن صحيح»

(40) Chapter: Kind Treatment towards Parents and establishment of the ties of Blood Relationship


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: I had a wife whom I loved but 'Umar (May Allah be pleased with him) disliked her. He asked me to divorce her and when I refused, 'Umar (May Allah be pleased with him) went to Messenger of Allah (ﷺ) and mentioned the matter to him. Messenger of Allah (ﷺ) asked me to divorce her. [At-Tirmidhi and Abu Dawud]. Commentary: If parents' order to divorce one's wife is based on the principles of Shari`ah and morality, it must be obeyed, as is evident from this Hadith. If their order is founded on other factors, then one should try to convince them politely so that they agree with one's view on the issue. Here Ibn `Umar (May Allah be pleased with him) loved his wife for love's sake, but his father `Umar bin Khattab (May Allah be pleased with him) disliked her basing his decision on religious grounds. This is why the Prophet (PBUH) ordered Ibn `Umar to obey his father.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৩ : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বংশধরের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা এবং তাঁদের মাহাত্ম্যের বিবরণ

২/৩৫১। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মাওকূফ সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, ‘‘তোমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি তাঁর পরিবারবর্গের মাধ্যমে সম্মান প্রদর্শন কর।’’ (বুখারী)[1]

* (অর্থাৎ তাঁদেরকে শ্রদ্ধা করলে তাঁকে শ্রদ্ধা করা হবে।)

بَابُ إِكْرَامِ أَهْلِ بَيْتِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبَيَانِ فَضْلِهِمْ - (43)

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، عَن أَبي بَكرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنه - مَوقُوفاً عَلَيهِ - أنَّهُ قَالَ : ارْقَبُوا مُحَمداً صلى الله عليه وسلم في أهْلِ بَيْتِهِ . رواه البخاري

(43) Chapter: Showing reverence to the Family of Allah's Messenger (pbuh)


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: Abu Bakr (May Allah be pleased with him) said: "Show reverence to Messenger of Allah (ﷺ) by honouring the members of his family." [Al- Bukhari]. Commentary: In this Hadith, the love and respect for the members of the Prophet's (PBUH) family has been tied with the love and respect of the Prophet (PBUH). In other words, a person who loves and respects the descendants of the Prophet (PBUH) will be deemed to be a lover and admirer of the Prophet (PBUH). On the contrary, one whose heart is devoid of the love of the descendants of the Prophet (PBUH), will be considered devoid of the love and respect of the Prophet (PBUH). But love and respect here does not mean that they are taken for sinless persons and their status is exaggerated beyond reason, as is the case with the Shiites. Their whole religious thinking is founded on the exaggeration of the qualities of the members of the family of Messenger of Allah (PBUH) and they have exhausted their imagination in proving them sinless. While their love and respect lies in adopting the noble features of their character and cherishing their piety. Their love and respect does not lie in sentimental attachment with a particular family and exaggerating its praise beyond all limits.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৪ : উলামা, বয়স্ক ও সম্মানী ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করা, তাঁদেরকে অন্যান্যদের উপর প্রাধান্য দেওয়া, তাঁদের উচ্চ আসন দেওয়া এবং তাঁদের মর্যাদা প্রকাশ করার বিবরণ

৬/৩৫৭। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমি নিজেকে স্বপ্নে দাঁতন করতে দেখলাম। অতঃপর দু’জন লোক এল, একজন অপরজনের চেয়ে বড় ছিল। আমি ছোটজনকে দাঁতনটি দিলাম, তারপর আমাকে বলা হল, ‘বড়জনকে দাও।’ সুতরাং আমি তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ লোকটিকে (দাঁতন) দিলাম।’’ (মুসলিম, বুখারী ছিন্ন সনদে) [1]

(44)- بَابُ تَوْقِيْرِ الْعُلَمَاءِ وَالْكِبَارِ وَأَهْلِ الْفَضْلِوَتَقْدِيْمِهِمْ عَلٰى غَيْرِهِمْ، وَرَفْعِ مَجَالِسِهِمْ، وَإِظْهَارِ مَرْتَبَتِهِمْ

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أرَانِي فِي المَنَامِ أتَسَوَّكُ بِسِوَاكٍ، فَجَاءَنِي رَجُلاَنِ، أحَدُهُما أَكبَرُ مِنَ الآخَرِ، فَنَاوَلْتُ السِّوَاكَ الأصْغَرَ، فَقِيلَ لِي : كَبِّرْ، فَدَفَعْتهُ إِلَى الأكْبَرِ مِنْهُمَا». رواه مسلم مسنداً والبخاري تعليقاً.

(44) Chapter: Revering the Scholars and Elders, Preferring them to others and raising their Status


'Abdullah bin 'Umar (May Allah be pleased with tehm) reported: The Prophet (ﷺ) said, "It was shown to me in my dream that I was cleaning my teeth with a Miswak and two men came to me, one being older than the other. I gave the Miswak to the younger one, but I was asked to give it to the older, which I did". [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: A Musnad Hadith is one in which the full chain of its narrators is mentioned while the Mu`allaq Hadith is that in which the first one or two or more or all its narrators are omitted. This Hadith has been mentioned in Al-Bukhari without any authority. We learn two things from this Hadith. First, one can use Miswak of another person with his permission. Second, the eldest people should have precedence over others in every matter, except in cases where a younger one excels them in some merit.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৯: লোকের বাহ্যিক অবস্থা ও কার্যকলাপের ভিত্তিতে বিধান প্রয়োগ করা হবে এবং তাদের আভ্যন্তরীণ অবস্থা আল্লাহকে সঁপে দেওয়া হবে।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ فَإِن تَابُواْ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٰةَ فَخَلُّواْ سَبِيلَهُمۡۚ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٞ رَّحِيمٞ ٥ ﴾ [التوبة: ٥]

অর্থাৎ “কিন্তু যদি তারা তওবা করে, যথাযথ নামায পড়ে ও যাকাত প্রদান করে, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও।” (সূরা তওবাহ ৫ আয়াত)


১/৩৯৫। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমাকে লোকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে; যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেবে যে, আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। আর তারা নামায প্রতিষ্ঠা করবে ও যাকাত প্রদান করবে। যখন তারা এ কাজগুলো সম্পাদন করবে, তখন তারা আমার নিকট থেকে তাদের রক্ত (জান) এবং মাল বাঁচিয়ে নেবে; কিন্তু ইসলামের হক ব্যতীত (অর্থাৎ সে যদি কাউকে হত্যা করে, তবে তার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তাকে হত্যা করা হবে।) আর তাদের হিসাব আল্লাহর উপর ন্যস্ত হবে।’’[1] (বুখারী ও মুসলিম)

بَابُ إِجْرَاءِ أَحْكَامِ النَّاسِ عَلَى الظَّاهِرِ وَسَرَائِرِهِمْ إِلَى اللهِ تَعَالٰى - (49)

وَعنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: »أُمِرْتُ أنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أنْ لاَ إِلٰهَ إلاَّ الله، وَأنَّ مُحَمَّداً رَسُولُ الله، وَيُقيمُوا الصَّلاةَ، وَيُؤتُوا الزَّكَاةَ، فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءهُمْ وَأمْوَالَهُمْ إلاَّ بحَقِّ الإسْلاَمِ، وَحِسَابُهُمْ عَلَى الله تَعَالَى». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

(49) Chapter: Making Judgment of people keeping in view their evident actions and leaving their hidden Actions to Allah (swt)


Allah, the Exalted, says: "But if they repent and perform As-Salat (Iqamat-As-Salat), and give Zakat, then leave their way free. Verily, Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful.'' (9:5) ---- 'Abdullah bin 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "I have been commanded (by Allah) to fight people until they testify that there is no true god except Allah, and that Muhammad is the Messenger of Allah, and perform Salat and pay Zakat. If they do so, they will have protection of their blood and property from me except when justified by Islam, and then account is left to Allah". [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith brings out the following three points: 1. The objective of Jihad. This objective warrants that one must struggle against Kufr (disbelief) and Shirk (polytheism) and the worship of falsehood in all its forms. Jihad has to continue until this objective is achieved. This contention is supported by a Hadith, to the effect that Jihad will continue till the Day of Resurrection. In this Hadith the word (An-Nas) translated above as "people" stands for the polytheists and idolaters. The reason being that other Nasus (pl. of Nass, meaning `text') confirm the exemption of Ahl-ul-Kitab (people of the Scriptures) from it subject to the condition that they agree to pay Jizyah (dues imposed by Islam on the people of the Book living under the protection of an Islamic state) and submit to the Muslim rule. The Arab pagans have only the choice to either embrace Islam or face war. In the latter case, it is incumbent on the Mulsims to wage Jihad against them to wipe out Kufr and Shirk and raise the banner of Tauhid everywhere. This Hadith strongly refutes the people who distort the Islamic concept of Jihad and hold that Islam preaches defensive war only. It is an apologetic approach because defensive war has to be fought in any case by every nation and country. Thus, it is a compulsion and needs no justification. The real distinction of Islam lies in its enjoining Muslims to wage war for upholding the truth beside fighting for their own defense. The domination of Kufr, Shirk and falsehood is darkness, heresy and tyranny, and the objective of Islam is to purge the world of all these evils. It aims at liberating man from the worship of man, set them on the path of worship of Allah, and to provide a just and equitable society to mankind. Wherever in the world there is tyranny, ignorance and heresy, Muslims are bound to fight such evils and finish them by means of Jihad. There is also a third form of Jihad which is waged against countries where Muslims are victims of aggression, suppression and cruelties of the non-Muslims. It is incumbent upon Muslims to liberate their brethren in Faith from the clutches of the non-Muslims by means of Jihad. So long Muslims performed this obligation with a sense of duty, Islam and its followers were dominant in the world and ever since they have ignored this obligation, both are in subjugation and disgrace. In other words, the secret of power and stability of Muslims lies in Jihad. Muslims need to understand this secret like their ancestors. 2. Life and property of every person is secured after his joining the fold of Islam. He will, however, be subject to the law of Islam, one of which is payment of Zakat. If he murders any Muslim, he will also be killed in return, unless the heirs of the victim pardon the murderer or accept blood-money (Diyah) for it. 3. When a person embraces Islam, the laws of Shari`ah apply to him according to his apparent condition only. His heart will not be probed for this purpose. In case, he is not sincere or he has some design in joining the fold of Islam, no action will be taken against him until guilt is fully proved. What he has in his heart will be left to Allah Who will pass judgement on his intention on the Day of Resurrection. This Hadith is related to this chapter for its third point. In their debate on this point, some `Ulama' have contended that such people who believe in Tauhid and obey the injunctions of Shari`ah are not to be declared as infidels.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫০: আল্লাহ ও তাঁর আযাবকে ভয় করা

৫/৪০৫। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘কিয়ামতের দিন লোকেরা বিশ্বজাহানের প্রতিপালকের সামনে দণ্ডায়মান হবে (এবং তাদের এত বেশি ঘাম হবে যে,) তাদের মধ্যে কেউ তার ঘামে তার অর্ধেক কান পর্যন্ত ডুবে যাবে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ الْخَوْفِ - (50)

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ العَالَمِينَ حَتَّى يَغِيبَ أحَدُهُمْ في رَشْحِهِ إِلَى أنْصَافِ أُذُنَيهِ ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

(50) Chapter: Fear (of Allah)


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: I heard Messenger of Allah (ﷺ) as saying, "Mankind will stand before Allah, the Rubb of the worlds (on the Day of Resurrection), some of them will stand submerged in perspiration up to half of their ears". [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith gives us a glimpse of the horrible scene of the Resurrection when people will stand in awe before Allah


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২৯: মজলিস ও বসার সাথীর নানা আদব-কায়দা

১/৮২৯। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘কোন ব্যক্তি অন্য কাউকে তার জায়গা থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে যেন অবশ্যই না বসে। বরং তোমরা জায়গা প্রশস্ত করে ও নড়ে-সরে জায়গা করে বসো।’’ ইবনে উমারের জন্য মজলিস থেকে কেউ উঠে গেলে সেখানে তিনি বসতেন না। (বুখারী ও মুসলিম) [1]

(129) بَابُ فِيْ آدَابِ الْمَجْلِسِ وَالْجَلِيْسِ

عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: « لاَ يُقِيمَنَّ أحَدُكُمْ رَجُلاً مِنْ مَجْلِسِهِ ثُمَّ يَجْلِسُ فِيهِ، وَلَكِنْ تَوَسَّعُوا وَتَفَسَّحُوا ». وكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا قَامَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ مَجْلِسِهِ لَمْ يَجْلِسْ فِيهِ . متفقٌ عَلَيْهِ

(129) Chapter: Etiquette of Attending company and sitting with Companions


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "Do not ask someone to give up his seat in order to take it, but make accommodation wide and sit at ease." It was Ibn 'Umar's habit that if a person left his seat for him, he would not take it. [Al-Bukhari and Muslim].


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২০. মদ হারাম হওয়ার সময় যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরি হতো তার বর্ণনা

৫৫৮০. আহমাদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদ পাঁচ বস্তু দ্বারা প্রস্তুত হয়, খেজুর, গম, যব, মধু এবং আঙ্গুর।

ذِكْرُ أَنْوَاعِ الْأَشْيَاءِ الَّتِي كَانَتْ مِنْهَا الْخَمْرُ حِينَ نَزَلَ تَحْرِيمُهَا

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي حَصِينٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ الْخَمْرُ مِنْ خَمْسَةٍ مِنْ التَّمْرِ وَالْحِنْطَةِ وَالشَّعِيرِ وَالْعَسَلِ وَالْعِنَبِ


It was narrated that Ibn 'Umar said: "Khamr is made from five things: From dates, wheat, barley, honey and grapes."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬/২৭. ত্বওয়াফে যিয়ারাতের পর স্ত্রীলোকের হায়য শুরু হওয়া।

৩৩০। এর পূর্বে ইব্‌নু উমার (রাঃ) বলতেনঃ সে যেতে পারবে না। তারপর তাঁকে বলতে শুনেছি যে, সে যেতে পারে। কারণ, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের জন্য (যাওয়ার) অনুমতি দিয়েছিলেন। (১৭৬১ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩১৮ শেষাংশ, ই.ফা. ৩২৩ শেষাংশ)

بَاب الْمَرْأَةِ تَحِيضُ بَعْدَ الْإِفَاضَةِ

وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ فِي أَوَّلِ أَمْرِهِ إِنَّهَا لاَ تَنْفِرُ‏.‏ ثُمَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ تَنْفِرُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَخَّصَ لَهُنَّ‏.‏


Ibn `Umar formerly used to say that she should not leave but later on I heard him saying, "She may leave, since Allah's Messenger (ﷺ) gave them the permission to leave (after Tawaf-Al-Ifada)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৭/৬৫. দাড়ি বড় রাখা প্রসঙ্গে।

عَفَوْا كَثُرُوا وَكَثُرَتْ أَمْوَالُهُمْ.

‘আফাও’ অর্থ বর্ধিত করা। তাদের মাল বর্ধিত হয়েছে।

৫৮৯৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা গোঁফ অধিক ছোট করবে এবং দাড়ি ছেড়ে দিবে (বড় রাখবে)। [৫৮৯২] (আধুনিক প্রকাশনী- ,৫৪৬৫ ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৬১)

بَاب إِعْفَاءِ اللِّحَى

حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدَةُ، أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ انْهَكُوا الشَّوَارِبَ، وَأَعْفُوا اللِّحَى ‏"‏‏.‏


Narrated Ibn `Umar: Allah's Messenger (ﷺ) said, "Cut the moustaches short and leave the beard (as it is).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৪/২. উমার (রাঃ)-এর মর্যাদা।

১৫৫৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা গেল, তখন তার ছেলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে আসলেন এবং তার পিতাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জামাটি দিয়ে কাফন দেবার আবেদন করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামা প্রদান করলেন, এরপর তিনি জানাযার সালাত আদায়ের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আবেদন জানালেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযার সালাত পড়ানোর জন্য (বসা থেকে) উঠে দাঁড়ালেন, ইত্যবসরে ‘উমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড় টেনে ধরে আবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি তার জানাযার সালাত আদায় করতে যাচ্ছেন? অথচ আপনার রব আপনাকে তার জন্য দুআ করতে নিষেধ করেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তা’আলা এ ব্যাপারে আমাকে (দু'আ) করা বা না করার সুযোগ দিয়েছেন। আর আল্লাহ তে ইরশাদ করেছেন, “তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না কর; যদি সত্তরবারও তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর তবু আমি তাদের ক্ষমা করব না। সুতরাং আমি তার জন্য সত্তরবারের চেয়েও বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করব। উমার (রাঃ) বললেন, সে তো মুনাফিক, শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযার সালাত আদায় করলেন, এরপর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়। তাদের (মুনাফিকদের) কেউ মারা গেলে আপনি কক্ষনো তাদের জানাযার সালাত আদায় করবেন না এবং তাদের কবরের কাছেও দাঁড়াবেন না।

من فضائل عمر رضي الله تعالى عنه

حديث ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: لَمَّا تُوُفِّيَ عَبْدُ اللهِ، جَاءَ ابْنُهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلَهُ أَنْ يُعْطِيَهُ قَمِيصَهُ يُكَفِّنُ فِيهِ أَبَاهُ، فَأَعْطَاهُ ثُمَّ سَأَلَهُ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَامَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لِيُصَلِّيَ، فَقَامَ عُمَرُ فَأَخَذَ بِثَوْبِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ تُصَلِّي عَلَيْهِ وَقَدْ نَهَاكَ رَبُّكَ أَنْ تُصلِّي عَلَيْهِ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّمَا خَيَّرَنِي اللهُ فَقَالَ (اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لاَ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً) وَسَأَزِيدُهُ عَلَى السَّبْعِينَ قَالَ: إِنَّهُ مُنَافِقٌ قَالَ: فَصَلَّى عَلَيْهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَنْزَلَ اللهُ (وَلاَ تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلاَ تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৪-[৩] ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পাঁচটি স্তম্ভের উপর ইসলামের ভিত্তি স্থাপিত। এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রসূল, সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) ক্বায়িম করা, যাকাত আদায় করা, হাজ্জ (হজ/হজ্জ) পালন করা এবং রমাযান মাসের সিয়াম পালন করা। (বুখারী, মুসলিম)[1]

الفصل الاول

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالْحَجِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ

Chapter - Section 1


Ibn ‘Umar reported God's messenger as saying, “Islam is based on five things: the testimony that there is no god but God and that Muhammad is His servant and messenger, the observance of the prayer, the payment of zakat, the Pilgrimage, and the fast during Ramadan.” (Bukhari and Muslim.)

ব্যাখ্যা : এ হাদীসে ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভকে এমন দালানের বা তাঁবুর সাথে তুলনা করা হয়েছে যা পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামের স্তম্ভগুলোর কেন্দ্রবিন্দু হলো শাহাদাহ্ তথা আল্লাহর একত্ববাদ ও তার রসূলের রিসালাতের সাক্ষ্য দেয়া। যেমনটি তাঁবুর পাঁচটি খুঁটির মধ্যে তার মধ্যস্থলের খুঁটিটি অন্যান্য খুঁটির কেন্দ্রবিন্দু। ঈমানের অন্যান্য শাখা প্রশাখা তাঁবুর পেরেকের ন্যায় যা তাকে পূর্ণতা দান করে। যদি তাঁবুর পেরেকগুলোর কোন একটি নাও থাকে তাহলে তাঁবুর মধ্যে অসম্পূর্ণতা থাকবে যদিও তা দন্ডায়মান  থাকবে। তবে পাঁচটি খুঁটির একটিও না থাকে তবে তাঁবু আর দন্ডায়মান  থাকবে না। অনুরূপভাবে ইসলামের সবগুলো স্তম্ভ হারিয়ে গেলে ইসলাম থাকবে না। তেমনি আল্লাহর একত্ববাদ ও রসূলের রিসালাতের সাক্ষ্য বাদ দিলে ইসলাম বিদূরীত হয়ে যাবে।

তবে সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) পরিত্যাগের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। কিছুসংখ্যক পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বিদ্বানের মতে সালাত পরিত্যাগ করা কুফরী। তারা একাধিক হাদীস দ্বারা এর প্রমাণ পেশ করেছেন যা সালাত পরিত্যাগকারীকে কাফির বলে প্রমাণ করে। মুহাম্মাদ বিন নাসর বলেনঃ অধিকাংশ হাদীস বিশারদের অভিমতও তাই। আর তাদের একদলের মতে, যে ব্যক্তি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের কোন একটি ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করে সে কাফির হয়ে যাবে।

ইমাম নাবাবী বলেনঃ শাহাদাতায়নের মাধ্যমেই বাহ্যিকভাবে কোন লোক ইসলামের গণ্ডীরমধ্যে আছে বলে সাব্যস্ত হয়। এই শাহাদাতায়নের সাথে সালাত ও অন্যান্য স্তম্ভকে তার দিকে নিসবাত করা হয়েছে এজন্য যে, তা ইসলামের সর্বাপেক্ষা বাহ্যিক আলামত। তা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই তার ইসলাম পূর্ণতা লাভ করে। কোন ব্যক্তি তা পরিত্যাগ করলে সে ইসলামের বন্ধন খুলে ফেলেছে বলে অনুভূত হয়। যদি প্রশ্ন করা হয় যে, ভিত্তি ও তার উপর প্রতিষ্ঠিত বস্তু এক নয়। তাহলে এর জবাব হলো সবগুলো স্তম্ভের সমন্বয়েই ইসলাম প্রতিষ্ঠিত। এর কোন একটি বাদে সবগুলো পাওয়া সম্ভব নয়। অথবা বলা যায় যে, ইসলাম অর্থ সাধারণভাবে আত্মসমপর্ণের নাম, বিশেষ কোন আত্মসমর্পণের নাম নয়। যাতে এটা আবশ্যক হয় যে, ভিত্তি ও তার উপর প্রতিষ্ঠিত বস্তু একই। অর্থাৎ- সাধারণ আত্মসমর্পণ সঠিক হওয়া নির্ভর করে ঐ সমস্ত কাজ সম্পাদনের উপর যা করণীয় আবশ্যক।

হাদীসে শুধুমাত্র পাঁচটি জিনিসের উল্লেখের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে এজন্য যে, ‘ইবাদাত হয়তো শুধুমাত্র কথার দ্বারা পালন হয় যেমন শাহাদাতায়ন। অথবা পরিত্যাগ করার মাধ্যমে পালন হয় যেমন সওম অথবা কর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে পালন হয়। তা হয়ত শারীরিক কর্ম যেমন- সালাত, অথবা আর্থিক কর্ম যেমন যাকাত অথবা শারীরিক ও আর্থিক উভয়টিই যেমন হাজ্জ (হজ/হজ্জ)।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

১২-[১১] ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর পক্ষ হতে আমাকে হুকুম দেয়া হয়েছে যতক্ষণ পর্যন্ত লোকেরা এ কথা স্বীকার করে সাক্ষ্য না দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই, আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর প্রেরিত রসূল এবং সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) ক্বায়িম করবে ও যাকাত আদায় করবে- ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার। যখন তারা এরূপ কাজ করবে আমার পক্ষ হতে তাদের জান ও মাল নিরাপদ থাকবে। কিন্তু ইসলামের বিধান অনুযায়ী কেউ যদি কোন দণ্ড পাওয়ার উপযোগী কোন অপরাধ করে, তবে সে দণ্ড তার ওপর কার্যকর হবে। তারপর তার অদৃশ্য বিষয়ের (অন্তর সম্পর্কে) হিসাব ও বিচার আল্লাহর ওপর ন্যাস্ত। (বুখারী, মুসলিম)[1]

তবে সহীহ মুসলিমে ‘‘কিন্তু ইসলামের বিধান অনুযায়ী’’ বাক্যটি উল্লেখ করেননি।

الفصل الاول

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَيُقِيمُوا الصَّلَاةَ وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَق الْإِسْلَام وحسابهم على الله. إِلَّا أَنَّ مُسْلِمًا لَمْ يَذْكُرْ» إِلَّا بِحَقِّ الْإِسْلَام

Chapter - Section 1


Ibn ‘Umar reported God’s messenger as saying, "I am commanded to fight with men till they testify that there is no god but God and that Muhammad is God's messenger, observe the prayer and pay the zakat. When they do that they will keep their lives and their property safe from me, except for what is due to Islam; and their reckoning will be at God’s hands.” (Bukhari and Muslim, but Muslim did not mention, "except for what is due to Islam”.)

ব্যাখ্যা: এ হাদীসে যুদ্ধ পরিচালনার সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহর একত্ববাদ ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রিসালাতের সাক্ষ্য দেয়ার পর সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) কায়িম করবে ও যাকাত আদায় করবে তার রক্ত পবিত্র। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে না।

আর রিসালাতের সাক্ষ্য নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক আনীত সকল বিষয়ের সত্যতার সাক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত করে। তা সত্ত্বেও সালাত ও যাকাতের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করার কারণ এ দু’টির গুরুত্ব অন্যগুলোর তুলনায় বেশী। এ দু’টি শারীরিক ও আর্থিক ‘ইবাদাতের মূল।

এ হাদীস দ্বারা এ মতের পক্ষে দলীল পেশ করা হয়ে থাকে যে, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত পরিত্যাগ করবে তাকে শাস্তি স্বরূপ মৃত্যুদণ্ড দেয়া যাবে। অনুরূপভাবে এ মতেরও দলীল পেশ করা হয় যে, সালাত পরিত্যাগকারী কাফির বিধায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া যাবে।

وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ অংশে এ কথার প্রমাণ মেলে যে, যারা যাকাত দিতে অস্বীকার করবে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে। আর এ কারণেই আবূ বাকর সিদ্দীক্ব (রাঃ) যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। আর সাহাবীগণ এ ব্যাপারে সবাই একমত পোষণ করেন।

হাদীসের মর্ম হলো হাদীসে বর্ণিত কাজগুলো যারা করবে তাদের জান ও মাল নিরাপদ। ইসলামের কোন হক অথবা জরিমানা ব্যতীত তাদের রক্ত প্রবাহ করা এবং সম্পদ নেয়া অবৈধ। ‘‘তাদের হিসাব আল্লাহর নিকট’’ অর্থাৎ- তাদের বাহ্যিক কাজের উপর নির্ভর করেই মু‘আমলাহ্ (আচরণ) করতে হবে। আভ্যন্তরীণ বিষয় আল্লাহর নিকট সোপর্দ করা হবে।

হাদীসের শিক্ষাঃ

(১) ঈমান ‘আমলের মুখাপেক্ষী

(২) ‘আমল ঈমানের অংশ

(৩) হাদীসটি আল্লাহ তা‘আলার বাণী ‘‘তারা যদি তাওবাহ্ করে, সালাত প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত আদায় করে তবে তাদের রাস্তা ছেড়ে দাও’’ এর অনুকূল।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রথম অনুচ্ছেদ - কাবীরাহ্ (কবিরা) গুনাহ ও মুনাফিক্বীর নিদর্শন

৫৭-[৯] ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুনাফিক্বের দৃষ্টান্ত সে বকরীর ন্যায়, যে দুই ছাগপালের মধ্যে থেকে (নরের খোঁজে) একবার এ পালে ঝুঁকে আর একবার ঐ পালের দিকে দৌড়ায়। (মুসলিম)[1]

بَابُ الْكَبَائِرِ وَعَلَامَاتِ النِّفَاقِ- الفصل الأول

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مثل الْمُنَافِق كَمثل الشَّاة الْعَائِرَةِ بَيْنَ الْغُنْمَيْنِ تَعِيرُ إِلَى هَذِهِ مَرَّةً وَإِلَى هَذِه مرّة» . رَوَاهُ مُسلم

Chapter: Major Sins and the Signs of Hypocrisy - Section 1


Ibn ‘Umar reported God's messenger as saying, “The hypocrite is like a ewe which goes to and fro between two flocks, turning at one time to the one and at another time to the other.” Muslim transmitted it.

ব্যাখ্যা: (الْعَائِرَةِ) এমন ছাগলকে বলা হয় যে পাঁঠা চায় ফলে তা দু’টি পালের মাঝে দৌড়াদৌড়ি করে। কোন একটি দলের সাথে স্থায়ীভাবে থাকে না। তদ্রূপ মুনাফিক্ব বাহ্যিকরূপে মু’মিনের সঙ্গী অথচ তার অন্তর মুশরিকের সাথে। সে এমনটি করে তার প্রবৃত্তির তাড়নায় ও অসৎ উদ্দেশে এবং তার প্রবৃত্তি যা চায় তার দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণে। ফলে সে দুই পাল ছাগলের মাঝে যাতায়াতকারী ছাগলের মতই।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. প্রথম অনুচ্ছেদ - তাকদীরের প্রতি ঈমান

৮০-[২] ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেকটি জিনিসই আল্লাহর ক্বদর (কদর) (তাক্বদীর/ভাগ্য) অনুযায়ী রয়েছে, এমনকি নির্বুদ্ধিতা ও বিচক্ষণতাও। (মুসলিম)[1]

بَابُ الْإِيْمَانِ بِالْقَدْرِ

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كُلُّ شَيْءٍ بِقَدَرٍ حَتَّى الْعَجز والكيس» . رَوَاهُ مُسلم

Chapter: Belief in the Divine Decree - Section 1


Ibn ‘Umar reported God’s messenger as saying, “Everything is decreed, even backwardness and shrewdness.” Muslim transmitted it.

ব্যাখ্যা: (حَتّى الْعَجْزِ وَالْكَيْسِ) অর্থাৎ- বুদ্ধিমত্তা ও অপারগতা- এ দু’টিও আল্লাহর তাক্বদীর অনুযায়ী হয়ে থাকে। অর্থাৎ- বান্দার উপার্জন ও কাজকর্মের বিষয়ে তা’ শুরুর ব্যাপারে ইচ্ছা বা অবগতি থাকলেও তা আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত তাদের দ্বারা সম্পাদন হয় না। সবকিছুই স্রষ্টার নির্ধারণ বা তাক্বদীর অনুযায়ীই হয়। এমনকি বুদ্ধিমত্তা যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি তার অভিষ্ঠ লক্ষে পৌঁছে অথবা অপারগতা যার কারণে তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছতে বিলম্ব ঘটে বা পৌঁছতে পারে না- এটিও আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু উমার (রা.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »