আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 2 টি

পরিচ্ছেদঃ ৮/২৮. কিবলামুখী হবার ফযীলত, পায়ের আঙ্গুলকেও কিবলামুখী রাখবে।

৩৯৩. ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হুমায়দ হতে (রহ.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মায়মূন ইবনু সিয়াহ আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আবূ হামযাহ! কিসে মানুষের জান-মাল হারাম হয়? তিনি জবাব দিলেন, যে ব্যক্তি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ্’র সাক্ষ্য দেয়, আমাদের ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হয়, আমাদের মত সালাত আদায় করে, আর আমাদের যবেহ করা প্রাণী খায়, সেই মুসলিম। অন্য মুসলমানের মতই তার অধিকার রয়েছে। আর অন্য মুসলমানদের মতই তাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে। ইবনু আবূ মারইয়াম, ইয়াহ্ইয়া ইবনু আয়ুব (রহ.).....আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে (অনুরূপ) বর্ণনা করেন। (৩৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৯ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৫ শেষাংশ)

بَاب فَضْلِ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ

قَالَ ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ حَدَّثَنَا أَنَسٌ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ قَالَ سَأَلَ مَيْمُونُ بْنُ سِيَاهٍ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ يَا أَبَا حَمْزَةَ مَا يُحَرِّمُ دَمَ الْعَبْدِ وَمَالَهُ فَقَالَ مَنْ شَهِدَ أَنْ لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَاسْتَقْبَلَ قِبْلَتَنَا وَصَلَّى صَلاَتَنَا وَأَكَلَ ذَبِيحَتَنَا فَهُوَ الْمُسْلِمُ لَهُ مَا لِلْمُسْلِمِ وَعَلَيْهِ مَا عَلَى الْمُسْلِمِ.


Narrated Maimun bin Siyah that he asked Anas bin Malik, "O Abu Hamza! What makes the life and property of a person sacred?" He replied, "Whoever says, 'None has the right to be worshipped but Allah', faces our Qibla during the prayers, prays like us and eats our slaughtered animal, then he is a Muslim, and has got the same rights and obligations as other Muslims have."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮০/৬৩. আমীন বলা।

৬৪০২. ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) আবূ হরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী বলেছেন, যখন ক্বারী ‘আমীন’ বলবে তখন তোমরাও আমীন বলবে। কারণ এ সময় ফেরেশতা আমীন বলে থাকেন। সুতরাং যার আমীন বলা ফেরেশতার আমীন বলার সঙ্গে মিলে যাবে, তার পূর্বের সব গুনাহক্ষমা করে দেয়া হবে। [৭৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৮৪৭)

بَاب التَّأْمِينِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ الزُّهْرِيُّ حَدَّثَنَاهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا أَمَّنَ الْقَارِئُ فَأَمِّنُوا، فَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ تُؤَمِّنُ، فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏"‏‏.‏


Narrated Abu Huraira: The Prophet (ﷺ) said, "When the Imam says 'Amin', then you should all say 'Amin', for the angels say 'Amin' at that time, and he whose 'Amin' coincides with the 'Amin' of the angels, all his past sins will be forgiven."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২ পর্যন্ত, সর্বমোট ২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে