সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৪. সিয়াম ফরয হওয়া।

২৩০৭. আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন শাবওয়া ..... ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। (আল্লাহ বাণীঃ) (অর্থ) ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেমন তা পূর্বববতীদের জন্য ফরয করা হয়েছিল।’’ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে লোকেরা যখন এশার নামায আদায় করতো, তখন তাদের জন্য পানাহার ও স্ত্রী সহবাস হারাম হয়ে যেত এবং তারা পরবর্তী রাত পর্যন্ত রোযা রাখত। তখন এক ব্যক্তি নিজের নফসের প্রতি খিয়ানত করে স্বীয় স্ত্রীর সাথে সহবাস করে। অথচ সে এশার নামায আদায় করেছিল, কিন্তু ইফতার করেনি, (অর্থাৎ সন্ধ্যার পর কোন খাদ্য গ্রহণ করেনি)। এরপর আল্লাহ্ তা‘আলা এ নির্দেশ অন্যদের জন্য সহজ, স্বেচ্ছাধীন ও উপকারী করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেনঃ (অর্থ) ‘‘আল্লাহ্ জানেন, তোমরা তোমাদের নফসের প্রতি (পানাহার ও সহবাসের দ্বারা) খিয়ানত করেছিলে।’’ আর এ নির্দেশ দ্বারা আল্লাহ্ মানুষের উপকার করেছেন এবং এটা তাদের জন্য সহজ ও স্বেচ্ছাধীন করেছেন।

باب مَبْدَإِ فَرْضِ الصِّيَامِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَبُّويَةَ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، ‏(‏ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ ‏)‏ فَكَانَ النَّاسُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّوُا الْعَتَمَةَ حَرُمَ عَلَيْهِمُ الطَّعَامُ وَالشَّرَابُ وَالنِّسَاءُ وَصَامُوا إِلَى الْقَابِلَةِ فَاخْتَانَ رَجُلٌ نَفْسَهُ فَجَامَعَ امْرَأَتَهُ وَقَدْ صَلَّى الْعِشَاءَ وَلَمْ يُفْطِرْ فَأَرَادَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يَجْعَلَ ذَلِكَ يُسْرًا لِمَنْ بَقِيَ وَرُخْصَةً وَمَنْفَعَةً فَقَالَ سُبْحَانَهُ ‏(‏ عَلِمَ اللَّهُ أَنَّكُمْ كُنْتُمْ تَخْتَانُونَ أَنْفُسَكُمْ ‏)‏ ‏.‏ وَكَانَ هَذَا مِمَّا نَفَعَ اللَّهُ بِهِ النَّاسَ وَرَخَّصَ لَهُمْ وَيَسَّرَ ‏.‏

حدثنا أحمد بن محمد بن شبوية، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا كتب عليكم الصيام كما كتب على الذين من قبلكم ‏)‏ فكان الناس على عهد النبي صلى الله عليه وسلم إذا صلوا العتمة حرم عليهم الطعام والشراب والنساء وصاموا إلى القابلة فاختان رجل نفسه فجامع امرأته وقد صلى العشاء ولم يفطر فأراد الله عز وجل أن يجعل ذلك يسرا لمن بقي ورخصة ومنفعة فقال سبحانه ‏(‏ علم الله أنكم كنتم تختانون أنفسكم ‏)‏ ‏.‏ وكان هذا مما نفع الله به الناس ورخص لهم ويسر ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Abbas:

Ibn Abbas explained the following Qur'anic verse: "O ye who believe! fasting is prescribed for you as it was prescribed for those before you" During the lifetime of the Prophet (ﷺ), when the people offered night prayer, they were asked to abstain from food and drink and (intercourse with) women, they kept fast till the next night. A man betrayed himself and had intercourse with his wife after he had offered the night prayer, and he did not break his fast. So Allah, the Exalted, intended to make it (fasting) easy for those who survived, thus providing a concession and utility. Allah, the Glorified, said: "Allah knoweth what ye used to do secretly among yourselves." By this Allah benefited the people and provided concession and ease to them.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৪. সিয়াম ফরয হওয়া।

২৩০৮. নাসর ইবন আলী ..... আল-বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা যখন রোযা রাখত তখন যদি কেউ না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ত তবে তাকে পরবর্তী রাত পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে হতো। একদা সুরামা ইবন কায়স সারাদিন রোযা রাখার পর রাতে তার স্ত্রীর নিকট আগমন করে তাকে বলে, তোমার নিকট কোন খাদ্য আছে কি? সে বলে, না। তবে আমি যাই, তোমার জন্য খাদ্যের যোগাড় করে আনি। সে (স্ত্রী) যাওয়ার পর, সে (স্বামী) গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এরপর খাদ্য নিয়ে ফেরার পর তাকে নিদ্রিত দেখে সে বলে, তোমার জন্য বঞ্চিত থাকা ব্যতীত আর কিছুই নেই। পরের দিন সে যখন তার যমীনে কর্মরত ছিল, তখন দ্বিপ্রহর হয়ে পড়ে। এরপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যখন তা উল্লেখ করা হয়, তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থ) ‘‘তোমাদের জন্য রামাযানের রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস হালাল করা হল ... (হতে) সকাল পর্যন্ত’’ পূর্ণ আয়াত।

باب مَبْدَإِ فَرْضِ الصِّيَامِ

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ الْجَهْضَمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ، أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ كَانَ الرَّجُلُ إِذَا صَامَ فَنَامَ لَمْ يَأْكُلْ إِلَى مِثْلِهَا وَإِنَّ صِرْمَةَ بْنَ قَيْسٍ الأَنْصَارِيَّ أَتَى امْرَأَتَهُ وَكَانَ صَائِمًا فَقَالَ عِنْدَكِ شَىْءٌ قَالَتْ لاَ لَعَلِّي أَذْهَبُ فَأَطْلُبُ لَكَ شَيْئًا ‏.‏ فَذَهَبَتْ وَغَلَبَتْهُ عَيْنُهُ فَجَاءَتْ فَقَالَتْ خَيْبَةً لَكَ ‏.‏ فَلَمْ يَنْتَصِفِ النَّهَارُ حَتَّى غُشِيَ عَلَيْهِ وَكَانَ يَعْمَلُ يَوْمَهُ فِي أَرْضِهِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَنَزَلَتْ ‏(‏ أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ ‏)‏ قَرَأَ إِلَى قَوْلِهِ ‏(‏ مِنَ الْفَجْرِ ‏)‏ ‏.‏

حدثنا نصر بن علي بن نصر الجهضمي، أخبرنا أبو أحمد، أخبرنا إسرائيل، عن إسحاق، عن البراء، قال كان الرجل إذا صام فنام لم يأكل إلى مثلها وإن صرمة بن قيس الأنصاري أتى امرأته وكان صائما فقال عندك شىء قالت لا لعلي أذهب فأطلب لك شيئا ‏.‏ فذهبت وغلبته عينه فجاءت فقالت خيبة لك ‏.‏ فلم ينتصف النهار حتى غشي عليه وكان يعمل يومه في أرضه فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فنزلت ‏(‏ أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم ‏)‏ قرأ إلى قوله ‏(‏ من الفجر ‏)‏ ‏.‏


Al Bara’ (bin Azib) said “When a man fasted and slept, he could not eat till (another nigh) like it.” Sarmah bin Qais Al Ansari came to his wife while he was fasting and asked her Do you have something (to eat)? She replied “No”. Let me go and seek something for you. So, she went out and sleep overcame him. She came (back) and said (to him) .You are deprived (of food). He fainted before noon. He used to work all day long at his land. This was mentioned to the Prophet (ﷺ). So the following verse was revealed. “Permitted to you on the nights of the fasts, is the approach to your wives. They are your garments and ye are their garments. Allah knoweth what yes used to do secretly amongst yourselves. But he turned to you and forgave you. So now associate with them and seek what Allaah hath ordained for you. And eat and drink until the white thread of dawn appears to you. He recited up to the words “of dawn”.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৫. ‘‘যারা রোযার সামর্থ্য রাখে অথচ রোযা রাখে না তারা ফিদ্য়া দিবে’’ আ্লাহ্ তা‘আলার এ বাণী মানসূখ্ ( রহিত) হওয়া।

২৩০৯. কুতায়বা ইবন সাঈদ ..... সালমা ইবনুল আকওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থ) ‘‘যারা সামর্থবান (অথচ রোযা রাখে না বা রোযা রাখার ক্ষমতা রাখে না) তারা মিসকীনদের ফিদিয়া দিবে’’। আমাদের মধ্যে যারা রোযা না রেখে ফিদিয়া দেওয়ার ইচ্ছা করতো, তারা তা করতো। এরপর পরবর্তী আয়াত নাযিল হওয়ায় পূর্ববর্তী আয়াতের হুকুম মানসূখ (রহিত) হয়ে যায়।

باب نَسْخِ قَوْلِهِ ‏{‏ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ ‏}‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بَكْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُضَرَ - عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏(‏ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ‏)‏ كَانَ مَنْ أَرَادَ مِنَّا أَنْ يُفْطِرَ وَيَفْتَدِيَ فَعَلَ حَتَّى نَزَلَتِ الآيَةُ الَّتِي بَعْدَهَا فَنَسَخَتْهَا ‏.‏

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - عن عمرو بن الحارث، عن بكير، عن يزيد، مولى سلمة عن سلمة بن الأكوع، قال لما نزلت هذه الآية ‏(‏ وعلى الذين يطيقونه فدية طعام مسكين ‏)‏ كان من أراد منا أن يفطر ويفتدي فعل حتى نزلت الآية التي بعدها فنسختها ‏.‏


Salamah bin Al Akwa said “After the revelation of the verse “For those who can do it(with hardship) is a ransom, the feeding of one, that is indigent, is one of us intended to leave fast and pay ransom, he could do so.” until the verse following it was revealed and abrogated the (previous) verse.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৫. ‘‘যারা রোযার সামর্থ্য রাখে অথচ রোযা রাখে না তারা ফিদ্য়া দিবে’’ আ্লাহ্ তা‘আলার এ বাণী মানসূখ্ ( রহিত) হওয়া।

২৩১০. আহমদ ইবন মুহাম্মদ ...... ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যারা সামর্থবান, তারা মিসকীনদের ফিদয়া দিবে। এরপর তাদের মধ্যে যে মিসকীনদের ফিদিয়া দিতে ইচ্ছা করতো, সে তা প্রদান করতো এবং সে নিজের রোযা পূর্ণ করতো। এরপর আল্লাহ্ বলেনঃ যে ব্যক্তি অধিক দান খয়রাত করবে, তা তার জন্য উত্তম। আর যদি তোমরা রোযা রাখ, তবে তা অধিক উত্তম। আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি রামাযান মাসে উপনীত হয়, সে যেন অবশ্যই রোযা রাখে। আর যে অসুস্থ হবে বা সফরে থাকবে সে তা অন্য দিনে গণনা করবে, অর্থাৎ রোযা আদায় করবে।

باب نَسْخِ قَوْلِهِ ‏{‏ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ ‏}‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، ‏(‏ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ‏)‏ فَكَانَ مَنْ شَاءَ مِنْهُمْ أَنْ يَفْتَدِيَ بِطَعَامِ مِسْكِينٍ افْتَدَى وَتَمَّ لَهُ صَوْمُهُ فَقَالَ ‏(‏ فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ ‏)‏ وَقَالَ ‏(‏ فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ‏)‏ ‏.‏

حدثنا أحمد بن محمد، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، ‏(‏ وعلى الذين يطيقونه فدية طعام مسكين ‏)‏ فكان من شاء منهم أن يفتدي بطعام مسكين افتدى وتم له صومه فقال ‏(‏ فمن تطوع خيرا فهو خير له وأن تصوموا خير لكم ‏)‏ وقال ‏(‏ فمن شهد منكم الشهر فليصمه ومن كان مريضا أو على سفر فعدة من أيام أخر ‏)‏ ‏.‏


Ibn ‘Abbas explain the Qur’anic verse “For those who can do it(with hardship) is a ransom, the feeding of one, that is indigent” said “If one of them wished to pay ransom by providing food to an indigent person he could pay ransom.. Thus, his fast was complete. Allaah, the Exalted pronounced “But he that will give more of his own free will, it is better for him”. Again he pronounced “So every one of you who is present (at his home) during that month should spend it in fasting.” But, if anyone is ill or on a journey the prescribed period (should be made up) by days later.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৬. বৃদ্ধ ও গর্ভবতীর জন্য রোযা না রেখে ফিদ্য়া দেয়ার ব্যাপারে নির্দেশ বহাল রয়েছে বলে যারা মত পোষণ করেন।

২৩১১. মূসা ইবন ইসমাঈল ...... ইকরামা (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, এ (ঐচ্ছিক ব্যাপারে) নির্দেশ কেবল দুগ্ধ প্রদানকারিণী ও গর্ভবতীদের জন্য বহাল রয়েছে।

باب مَنْ قَالَ هِيَ مُثْبَتَةٌ لِلشَّيْخِ وَالْحُبْلَى

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ عِكْرِمَةَ، حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ أُثْبِتَتْ لِلْحُبْلَى وَالْمُرْضِعِ ‏.‏

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، أن عكرمة، حدثه أن ابن عباس قال أثبتت للحبلى والمرضع ‏.‏


Ibn ‘Abbas said “The verse concerning the payment of ransom stands valid for pregnant and sucking woman.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইকরিমা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৬. বৃদ্ধ ও গর্ভবতীর জন্য রোযা না রেখে ফিদ্য়া দেয়ার ব্যাপারে নির্দেশ বহাল রয়েছে বলে যারা মত পোষণ করেন।

২৩১২. ইবন আল্ মুসান্না .... ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ বাণীঃ (অর্থ) সামর্থবান তারা মিসকীনদের ফিদিয়া প্রদান করবে। তিনি বলেন, এ আয়াতটি অতি বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা লোকের জন্য ঐচ্ছিক ব্যবস্থা সবরূপ। যদি তারা রোযা রাখতে সমর্থ হয়, তবে রোযা রাখবে, অন্যথায় প্রত্যহ একজন মিসকীনকে খাদ্য খাওয়াবে। আর গর্ভবতী ও দৃগ্ধদানকারীণী স্ত্রীলোকগণ যদি সন্তানের ক্ষতির আশংকা বোধ করে, তবে তাদের জন্যও এ নির্দেশ বহাল রয়েছে।

ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যদি তারা তাদের সন্তানের ব্যাপারে শংকিত হয়, তবে তারা রোযা না রেখে (মিসকীনকে) খাদ্য খাওয়াতে পারে।

باب مَنْ قَالَ هِيَ مُثْبَتَةٌ لِلشَّيْخِ وَالْحُبْلَى

حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَزْرَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، ‏(‏ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ‏)‏ قَالَ كَانَتْ رُخْصَةً لِلشَّيْخِ الْكَبِيرِ وَالْمَرْأَةِ الْكَبِيرَةِ وَهُمَا يُطِيقَانِ الصِّيَامَ أَنْ يُفْطِرَا وَيُطْعِمَا مَكَانَ كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا وَالْحُبْلَى وَالْمُرْضِعُ إِذَا خَافَتَا - قَالَ أَبُو دَاوُدَ يَعْنِي عَلَى أَوْلاَدِهِمَا - أَفْطَرَتَا وَأَطْعَمَتَا ‏.‏

حدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن عزرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، ‏(‏ وعلى الذين يطيقونه فدية طعام مسكين ‏)‏ قال كانت رخصة للشيخ الكبير والمرأة الكبيرة وهما يطيقان الصيام أن يفطرا ويطعما مكان كل يوم مسكينا والحبلى والمرضع إذا خافتا - قال أبو داود يعني على أولادهما - أفطرتا وأطعمتا ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Abbas:

Explaining the verse; "For those who can do it (with hard-ship) is a ransom, the feeding of one, that is indigent," he said: This was a concession granted to the aged man and woman who were able to keep fast; they were allowed to leave the fast and instead feed an indigent person for each fast; (and a concession) to pregnant and suckling woman when they apprehended harm (to themselves).


হাদিসের মানঃ শা'জ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৭. মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।

২৩১৩. সুলায়মান ইবন হরব ...... ইবন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ আমরা উম্মী জাতির অর্ন্তভূক্ত। আমরা লিখতে জানি না এবং মাসের হিসাবও করতে পারি না। এপর তিনি এরূপ, এরূপ বলে (তিনবার) নিজের (দশ) আঙ্গুলি প্রসারিত করেন। রাবী সুলায়মান তৃতীয়বারে তার একটি আঙ্গুল সংকুচিত করেন, অর্থাৎ রোযার মাস উনত্রিশ বা তিরিশ দিনে হয় (এর প্রতি ইশারা করেন।)

باب الشَّهْرِ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَمْرٍو، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ - عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّا أُمَّةٌ أُمِّيَّةٌ لاَ نَكْتُبُ وَلاَ نَحْسُبُ الشَّهْرُ هَكَذَا وَ هَكَذَا وَهَكَذَا ‏"‏ ‏.‏ وَخَنَسَ سُلَيْمَانُ أُصْبَعَهُ فِي الثَّالِثَةِ يَعْنِي تِسْعًا وَعِشْرِينَ وَثَلاَثِينَ ‏.‏

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن الأسود بن قيس، عن سعيد بن عمرو، - يعني ابن سعيد بن العاص - عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنا أمة أمية لا نكتب ولا نحسب الشهر هكذا و هكذا وهكذا ‏"‏ ‏.‏ وخنس سليمان أصبعه في الثالثة يعني تسعا وعشرين وثلاثين ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Umar:

The Prophet (ﷺ) said: The month consists of twenty-nine days, but do not fast till you sight it (the moon) and do not break your fast till you sight it. If the weather is cloudy, calculate it thirty days. When the twenty-ninth of Sha'ban came, Ibn Umar would send someone (who tried) to sight the moon for him. If it was sighted, then well and good; in case it was not sighted, and there was no cloud and dust before him (on the horizon), he would not keep fast the next day. If there appeared (on the horizon) before him cloud or dust, he would fast the following day. Ibn Umar would end his fasting alone with the people, and did not follow this calculation.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৭. মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।

২৩১৪. সুলায়মান ইবন দাঊদ ..... ইবন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ রোযার মাস উনত্রিশ দিনেও হয়। কাজেই তোমরা চাঁদ না দেখে রোযা রাখবে না এবং চাঁদ (শাওয়ালের) না দেখে ইফতার করবে না। আর তোমাদের আকাশ যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তবে তোমরা ত্রিশ রোযা পূর্ণ করবে। রাবী বলেন, এরপর ইবন উমার (রাঃ) যখন শা‘বানের উনত্রিশ তারিখ হতো, তখন তিনি রামাযানের চাঁদ অন্বেষণ করতেন। যদি তিনি তা দেখতে পেতেন, তবে তিনি রোযার রাখতেন। আর যদি তিনি তা মেঘের প্রতিবন্ধকতা বা ধূলিচ্ছন্নতা না থাকা অবস্থায় খোলা আকাশে চাঁদ দেখতে না পেতেন, তবে তিনি পরদিন সকালে রোযা না রেখে খানা খেতেন। আর মেঘাচ্ছন্নতার বা অন্য কোন কারণে, যদি তিনি চাঁদ (রামাযানের) দেখতে সক্ষম না হতেন তবে পরদিন রোযা রাখতেন। রাবী বলেন, ইবন উমার (রাঃ) লোকদের সাথে ইফতার করতেন, আর তিনি একে (রামাযানের) রোযা হিসাবে গণনা করতেন না, (বরং তা হতো তার নফল রোযা)।

باب الشَّهْرِ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ ثَلاَثِينَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا كَانَ شَعْبَانُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ نُظِرَ لَهُ فَإِنْ رُؤِيَ فَذَاكَ وَإِنْ لَمْ يُرَ وَلَمْ يَحُلْ دُونَ مَنْظَرِهِ سَحَابٌ وَلاَ قَتَرَةٌ أَصْبَحَ مُفْطِرًا فَإِنْ حَالَ دُونَ مَنْظَرِهِ سَحَابٌ أَوْ قَتَرَةٌ أَصْبَحَ صَائِمًا ‏.‏ قَالَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُفْطِرُ مَعَ النَّاسِ وَلاَ يَأْخُذُ بِهَذَا الْحِسَابِ ‏.‏

صحيح قد دون قوله فكان ابن عمر (الألباني

حدثنا سليمان بن داود العتكي، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الشهر تسع وعشرون فلا تصوموا حتى تروه ولا تفطروا حتى تروه فإن غم عليكم فاقدروا له ثلاثين ‏"‏ ‏.‏ قال فكان ابن عمر إذا كان شعبان تسعا وعشرين نظر له فإن رؤي فذاك وإن لم ير ولم يحل دون منظره سحاب ولا قترة أصبح مفطرا فإن حال دون منظره سحاب أو قترة أصبح صائما ‏.‏ قال فكان ابن عمر يفطر مع الناس ولا يأخذ بهذا الحساب ‏.‏ صحيح قد دون قوله فكان ابن عمر (الألباني


Ibn ‘Umar reported the Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “The month consists of twenty nine days, but do not fast till you sight it (the moon) and do not break your fast till you sight it. If the weather is cloudy, calculate it thirty days. When the twenty-ninth of Sha’ban came, Ibn ‘Umar would send someone (who tried) to sight the moon for him. If it was sighted then well and good, in case it was not sighted and there was no cloud and dust before him (on the horizon) he would not keep fast the next day. If there appeared (on the horizon) before him cloud or dust, he would fast the following day. Ibn ‘Umar would end his fasting alone with the people and did not follow this calculation.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৭. মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।

২৩১৫. হুমাইদ ইবন মাস্আদা .... আইইয়ুব বলেন, উমার ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) বসরার অধিবাসীদের নিকট এ মর্মে পত্র লিখেন যে, ইবন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীসটি আমাদরে নিকট পৌঁছেছে। তবে তিনি (উমার ইবন আবদুল আযীয) অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, আর গণনার জন্য উত্তম পন্থা হল, আমরা শা‘বানের নতুন চাঁদকে অমুক বা অমুক তারিখে দেখি, কাজেই রোযা ইনশাআল্লাহ্ অমুক তারিখ হবে তা বলতে পারি। অবশ্য যদি উনত্রিশে শাবানের পর রামাযানের চাঁদ দেখা যায় তবে (ত্রিশের জন্য অপেক্ষা না করে) রোযা রাখতে হবে।

باب الشَّهْرِ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ

حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنِي أَيُّوبُ، قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَهْلِ الْبَصْرَةِ بَلَغَنَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم زَادَ وَإِنَّ أَحْسَنَ مَا يُقَدَّرُ لَهُ إِذَا رَأَيْنَا هِلاَلَ شَعْبَانَ لِكَذَا وَكَذَا فَالصَّوْمُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ لِكَذَا وَكَذَا إِلاَّ أَنْ تَرَوُا الْهِلاَلَ قَبْلَ ذَلِكَ ‏.‏

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا عبد الوهاب، حدثني أيوب، قال كتب عمر بن عبد العزيز إلى أهل البصرة بلغنا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ نحو حديث ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم زاد وإن أحسن ما يقدر له إذا رأينا هلال شعبان لكذا وكذا فالصوم إن شاء الله لكذا وكذا إلا أن تروا الهلال قبل ذلك ‏.‏


Narrated Ayyub :
'Umar b. 'Abd al-'Aziz wrote (a letter) to the people of Basrah: It has reached us from the Messenger of Allah (ﷺ), like the tradition narrated by Ibn 'Umar from the Prophet (ﷺ). This version adds: The best calculation is that when we sight the moon of Sha'ban on such-and-such date, fasting will being on such-and-such dates, Allah willing, except they they sight the moon before that (date).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৭. মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।

২৩১৬. আহমদ ইবন মানী' ..... ইবন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে পূর্ণ ত্রিশদিন রোযা রাখার চাইতে উনত্রিশ রোযা বেশি রেখেছি।

باب الشَّهْرِ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ عِيسَى بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ بْنِ أَبِي ضِرَارٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ لَمَا صُمْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تِسْعًا وَعِشْرِينَ أَكْثَرُ مِمَّا صُمْنَا مَعَهُ ثَلاَثِينَ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، عن ابن أبي زائدة، عن عيسى بن دينار، عن أبيه، عن عمرو بن الحارث بن أبي ضرار، عن ابن مسعود، قال لما صمنا مع النبي صلى الله عليه وسلم تسعا وعشرين أكثر مما صمنا معه ثلاثين ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Mas'ud:

We kept fast for twenty-nine days along with the Prophet (ﷺ) more often than we kept fast for thirty days.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৭. মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।

২৩১৭. মুসাদ্দাদ ...... আবদুর রহমান ইবন আবূ বাকরা তাঁর পিতা হতে, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, দু‘ ঈদের মাস সাধারণত (ত্রিশ দিনের) কম হয় না এবং তা হল রামাযান ও যিলহাজ্জ মাস। (অর্থাৎ একই বছর উভয় মাস ২৯ দিনের হয় না। বরং একটি ৩০ দিনের ও অপরটি ২৯ দিনেরও হতে পারে। )

باب الشَّهْرِ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، أَنَّ يَزِيدَ بْنَ زُرَيْعٍ، حَدَّثَهُمْ حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ شَهْرَا عِيدٍ لاَ يَنْقُصَانِ رَمَضَانُ وَذُو الْحِجَّةِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا مسدد، أن يزيد بن زريع، حدثهم حدثنا خالد الحذاء، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال شهرا عيد لا ينقصان رمضان وذو الحجة ‏"‏ ‏.‏


Narrated Abu Bakrah:
The Prophet (ﷺ) as saying: The two months of 'Id (festival), Ramadan and Dhu al-Hijjah, are not defective.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৮. নতুন চাঁদ দেখতে লোকেরা ভুল করলে।

২৩১৮. মুহাম্মাদ ইবন উবায়দ ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নতুন চাঁদ দর্শনে লোকজনের ভুলত্রুটির কথা উল্লেখ করা হলে তিনি ইরশাদ করেনঃ যেদিন তোমরা সকলে রোযা রাখবে না সেদিন হল ঈদুল ফিতর আর কুরবানীর ঈদ সে দিন যেদিন তোমরা কুরবানী করবে। আর আরাফাতের ময়দানের সর্বত্রই অবস্থানের জায়গা। মিনার পূর্ণ অংশই কুরবানীর স্থান। আর মক্কার প্রতিটি রাস্তাই কুরবানীর স্থান এবং পুরো মুযদালিফাই অবস্থানস্থল। (অর্থাৎ আরাফাতের যে কোন স্থানে কিয়াম করা যায় আর মুযদালিফার যে কোন স্থানে রাত্রিযাপন করা যায় এবং মিনা ও মক্কার রাজপথে যে কোন স্থানে কুরবানী করা যায়।)

باب إِذَا أَخْطَأَ الْقَوْمُ الْهِلاَلَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - فِي حَدِيثِ أَيُّوبَ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، ذَكَرَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِيهِ قَالَ ‏ "‏ وَفِطْرُكُمْ يَوْمَ تُفْطِرُونَ وَأَضْحَاكُمْ يَوْمَ تُضَحُّونَ وَكُلُّ عَرَفَةَ مَوْقِفٌ وَكُلُّ مِنًى مَنْحَرٌ وَكُلُّ فِجَاجِ مَكَّةَ مَنْحَرٌ وَكُلُّ جَمْعٍ مَوْقِفٌ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد، - في حديث أيوب - عن محمد بن المنكدر، عن أبي هريرة، ذكر النبي صلى الله عليه وسلم فيه قال ‏ "‏ وفطركم يوم تفطرون وأضحاكم يوم تضحون وكل عرفة موقف وكل منى منحر وكل فجاج مكة منحر وكل جمع موقف ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuHurayrah:

The Prophet (ﷺ) said: The end of Ramadan is on the day when you end it, and the 'Id (festival) of sacrifice is on the day when you sacrifice. The whole of Arafah is the place of staying, and the whole of Mina is the place of sacrifice, and all the roads of Mecca are the place of sacrifice, and the whole of Muzdalifah is the place of staying.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৯. মেঘাচ্ছন্নতার জন্য নতুন চাঁদ না দেখার কারনে, রোযার মাস যদি গোপন থাকে।

২৩১৯. আহমদ ইবন হাম্বল ..... আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ কায়স বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শা‘বান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসের দিন উত্তমভাবে মুখস্থ রাখতেন না। এরপর রামাযানের চাঁদ দেখে রোযা শুরু করতেন। যদি (উনত্রিশে শাবান) আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকত তবে তিনি ত্রিশ দিন পূর্ণ করতেন। এরপর রোযা রাখতেন।

باب إِذَا أُغْمِيَ الشَّهْرُ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَيْسٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - تَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَحَفَّظُ مِنْ شَعْبَانَ مَا لاَ يَتَحَفَّظُ مِنْ غَيْرِهِ ثُمَّ يَصُومُ لِرُؤْيَةِ رَمَضَانَ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْهِ عَدَّ ثَلاَثِينَ يَوْمًا ثُمَّ صَامَ ‏.‏

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثني عبد الرحمن بن مهدي، حدثني معاوية بن صالح، عن عبد الله بن أبي قيس، قال سمعت عائشة، - رضى الله عنها - تقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتحفظ من شعبان ما لا يتحفظ من غيره ثم يصوم لرؤية رمضان فإن غم عليه عد ثلاثين يوما ثم صام ‏.‏


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

The Messenger of Allah (ﷺ) used to count the days in Sha'ban in a manner he did not count any other month; then he fasted when he sighted the new moon of Ramadan; but if the weather was cloudy he counted thirty days and then fasted.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ১৯৯. মেঘাচ্ছন্নতার জন্য নতুন চাঁদ না দেখার কারনে, রোযার মাস যদি গোপন থাকে।

২৩২০. মুহাম্মদ ইবনুল সাববাহ্ ..... হুযায়ফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ রামাযারে চাঁদ না দেখা গেলে অথবা শা‘বানের ত্রিশ দিন পূর্ণ না হলে তোমরা রোযাকে এগিয়ে আনবে না। রোযার চাঁদ দেখা গেলে অথবা শা‘বানের (ত্রিশ) দিন পূর্ণ হলেই রোযা রাখা আরম্ভ করবে এবং যে পর্যন্ত শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যায় অথবা রোযার (ত্রিশ) দিন পূর্ণ না হয় সে পর্যন্ত রোযা রেখে যাবে। অর্থাৎ চাঁদ দেখে রোযা শুরু করবে এবং চাঁদ দেখেই রোযা শেষ করবে।

باب إِذَا أُغْمِيَ الشَّهْرُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الضَّبِّيُّ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ الْمُعْتَمِرِ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تُقَدِّمُوا الشَّهْرَ حَتَّى تَرَوُا الْهِلاَلَ أَوْ تُكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثُمَّ صُومُوا حَتَّى تَرَوُا الْهِلاَلَ أَوْ تُكْمِلُوا الْعِدَّةَ ‏"‏ ‏.

حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا جرير بن عبد الحميد الضبي، عن منصور بن المعتمر، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تقدموا الشهر حتى تروا الهلال أو تكملوا العدة ثم صوموا حتى تروا الهلال أو تكملوا العدة ‏"‏ ‏.


Narrated Hudhayfah:

The Prophet (ﷺ) said: Do not fast (for Ramadan) before the coming of the month until you sight the moon or complete the number (of thirty days); then fast until you sight the moon or complete the number (of thirty days).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হুযাইফাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ২০০. যদি রামাযানের ঊনত্রিশ তারিখে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যায় তবে তোমরা ত্রিশ রোযা পূর্ণ করবে।

২৩২১. আল্ হাসান ইবন আলী ...... ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা রামাযানের মাস আগমনের এক বা দু‘দিন পূর্বে রোযা রাখবে না, অবশ্য যদি কেউ এরূপ রোযা রাখায় অভ্যস্ত থাকে, তবে স্বতন্ত্র ব্যাপার। আর রামাযানের চাঁদ দেখার পূর্বে তোমরা রোযা রাখবে না এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখার পূর্ব পর্যন্ত রোযা রাখবে। আর যদি এর মধ্যে মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তবে ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে এবং পরে ইফতার করবে। আর সাধারণত চন্দ্রমাস হয় উনত্রিশ দিনে।

باب مَنْ قَالَ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَصُومُوا ثَلاَثِينَ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تُقَدِّمُوا الشَّهْرَ بِصِيَامِ يَوْمٍ وَلاَ يَوْمَيْنِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ شَىْءٌ يَصُومُهُ أَحَدُكُمْ وَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ ثُمَّ صُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ حَالَ دُونَهُ غَمَامَةٌ فَأَتِمُّوا الْعِدَّةَ ثَلاَثِينَ ثُمَّ أَفْطِرُوا وَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ حَاتِمُ بْنُ أَبِي صَغِيرَةَ وَشُعْبَةُ وَالْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ عَنْ سِمَاكٍ بِمَعْنَاهُ لَمْ يَقُولُوا ‏"‏ ثُمَّ أَفْطِرُوا ‏"‏ ‏.

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا حسين، عن زائدة، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تقدموا الشهر بصيام يوم ولا يومين إلا أن يكون شىء يصومه أحدكم ولا تصوموا حتى تروه ثم صوموا حتى تروه فإن حال دونه غمامة فأتموا العدة ثلاثين ثم أفطروا و الشهر تسع وعشرون ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه حاتم بن أبي صغيرة وشعبة والحسن بن صالح عن سماك بمعناه لم يقولوا ‏"‏ ثم أفطروا ‏"‏ ‏.


Narrated Abdullah ibn Abbas:

The Prophet (ﷺ) said: Do not fast one day or two days just before Ramadan except in the case of a man who has been in the habit or observing a fast (on that day); and do not fast until you sight it (the moon). Then fast until you sight it. If a cloud appears on that day (i.e. 29th of Ramadan) then complete the number thirty (days) and then end the fasting: a month consists of twenty-nine days.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ২০১. রামাযানের আগমনের পূর্বে রোযা রাখা।

২৩২২. মূসা ইবন ইসমাঈল ..... ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন, তুমি কি শা‘বানের রোযা রাখ? সে বলে, না। তিনি বললেনঃ যখন তুমি রামাযানের রোযা শেষ করবে, তখন একদিন বা, দু‘দিন রোযা রাখবে।

باب فِي التَّقَدُّمِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، وَسَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِرَجُلٍ ‏"‏ هَلْ صُمْتَ مِنْ سَرَرِ شَعْبَانَ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِذَا أَفْطَرْتَ فَصُمْ يَوْمًا ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ أَحَدُهُمَا ‏"‏ يَوْمَيْنِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن ثابت، عن مطرف، عن عمران بن حصين، وسعيد الجريري، عن أبي العلاء، عن مطرف، عن عمران بن حصين، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل ‏"‏ هل صمت من سرر شعبان شيئا ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فإذا أفطرت فصم يوما ‏"‏ ‏.‏ وقال أحدهما ‏"‏ يومين ‏"‏ ‏.‏


Narrated 'Imran bin Husain:
The Messenger of Allah (ﷺ) asked a man: Did you fast the last day of Sha'ban ? He replied: No. He said: If you did not observe a fast, you must fast for a day. One of the two narrators said: For two days.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ২০১. রামাযানের আগমনের পূর্বে রোযা রাখা।

২৩২৩. ইব্রাহীম ইবন আল-‘আল যুবায়দী ..... আবূল আযহার আল-মুগীরা ইবন ফারওয়া হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মু‘আবিআ লোকদের সম্মুখে খুতবা দেয়ার জন্য এমন একটি গৃহে দন্ডায়মান হন যেখানে হিমসের বৈরাগীরা বসবাস করতো। এরপর তিনি বলেন, হে জনগণ! আমরা অমুক দিন চাঁদ দেখেছি। কাজেই আমরা রোযা রাখতে যাচ্ছি। আর যে ব্যক্তি এরূপ করতে ভালবাসে, সে যেন তা করে। রাবী বলেন, তখন তাঁর সম্মুখে মালিক ইবন হুবায়রা আল্ সাবায়ী দন্ডায়মান হয়ে বলেন, হে মু‘আবিয়া! তুমি তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শ্রবণ করেছ, না এটা তোমার নিজের অভিমত? তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ তোমরা (শা‘বান) মাসে রোযা রাখবে এবং বিশেষভাবে এর শেষের দিকে।

باب فِي التَّقَدُّمِ

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْعَلاَءِ الزُّبَيْدِيُّ، مِنْ كِتَابِهِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِي الأَزْهَرِ الْمُغِيرَةِ بْنِ فَرْوَةَ، قَالَ قَامَ مُعَاوِيَةُ فِي النَّاسِ بِدَيْرِ مِسْحَلٍ الَّذِي عَلَى بَابِ حِمْصَ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا قَدْ رَأَيْنَا الْهِلاَلَ يَوْمَ كَذَا وَكَذَا وَأَنَا مُتَقَدِّمٌ بِالصِّيَامِ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَفْعَلَهُ فَلْيَفْعَلْهُ ‏.‏ قَالَ فَقَامَ إِلَيْهِ مَالِكُ بْنُ هُبَيْرَةَ السَّبَئِيُّ فَقَالَ يَا مُعَاوِيَةُ أَشَىْءٌ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمْ شَىْءٌ مِنْ رَأْيِكَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ صُومُوا الشَّهْرَ وَسِرَّهُ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا إبراهيم بن العلاء الزبيدي، من كتابه حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الله بن العلاء، عن أبي الأزهر المغيرة بن فروة، قال قام معاوية في الناس بدير مسحل الذي على باب حمص فقال يا أيها الناس إنا قد رأينا الهلال يوم كذا وكذا وأنا متقدم بالصيام فمن أحب أن يفعله فليفعله ‏.‏ قال فقام إليه مالك بن هبيرة السبئي فقال يا معاوية أشىء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم أم شىء من رأيك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ صوموا الشهر وسره ‏"‏ ‏.‏


Narrated Mu'awiyah:

AbulAzhar al-Mughirah ibn Farwah said: Mu'awiyah stood among the people at Dayr Mustahill lying at the gate of Hims. He said: O people, we sighted the moon on such-and-such day. We shall fast in advance. Anyone who likes to do so may do it. Malik ibn Hubayrah as-Saba'i stood up and asked: Mu'awiyah, did you hear the Messenger of Allah (ﷺ) say something (about this matter), or is this something on the basis of your opinion? He replied: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) as saying: Fast the month (in the beginning) and in the last.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ২০১. রামাযানের আগমনের পূর্বে রোযা রাখা।

২৩২৪. সুলায়মান ইবন আবদুর রহমান দিমাশকী বর্ণনা করেন যে, ওয়ালীদ বলেন, আমি আবূ আমর আল আওয়াযী হতে শুনেছি হাদীসে বর্ণিত "সাররাহ" অর্থ মাসের প্রথমভাগ।

باب فِي التَّقَدُّمِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيُّ، - فِي هَذَا الْحَدِيثِ - قَالَ قَالَ الْوَلِيدُ سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو - يَعْنِي الأَوْزَاعِيَّ - يَقُولُ سِرُّهُ أَوَّلُهُ ‏.‏

حدثنا سليمان بن عبد الرحمن الدمشقي، - في هذا الحديث - قال قال الوليد سمعت أبا عمرو - يعني الأوزاعي - يقول سره أوله ‏.‏


Sulaiman b. 'Abd al-Rahman al-Dimashqi said about this tradition that al-Walid said:
I heard Abu 'Amr al-Auza'i say: The word sirrahu means beginning of the month.


হাদিসের মানঃ শা'জ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ২০১. রামাযানের আগমনের পূর্বে রোযা রাখা।

২৩২৫. আহমদ ইবন আবদুল ওয়াহেদ সূত্রে বর্ণিত আবূ মাসহার বলেন, অর্থাৎ সাঈদ ইবনু আবদুল আযীয বলতেন, "সাররাহ" শব্দের অর্থ প্রথমাংশ। (অর্থাৎ শা‘বানের প্রথমাংশে রোযা রাখার তাগিদ দিয়েছেন।)

باب فِي التَّقَدُّمِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، قَالَ كَانَ سَعِيدٌ - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ - يَقُولُ سِرُّهُ أَوَّلُهُ ‏.‏

حدثنا أحمد بن عبد الواحد، حدثنا أبو مسهر، قال كان سعيد - يعني ابن عبد العزيز - يقول سره أوله ‏.‏


Narrated Ahmad b. 'Abd al-Wahid:
On the authority of Abu Mushir. He said: Sa'id, that is, Ibn 'Abd al-'Aziz said: The meaning of the word sirraha is "in the beginning of it (the month)"


হাদিসের মানঃ শা'জ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )

পরিচ্ছেদঃ ২০২. যদি কোন শহরে অন্যান্য শহরের এক রাত পূর্বে চাঁদ দেখা যায়।

২৩২৬. মূসা ই্ন ইসমাঈল ..... কুরায়ব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মে ফাযল বিনত আল হারিস তাঁকে মু‘আবিয়ার নিকট শাম (সিরিয়া) দেশে প্রেরণ করেন। তিনি বলেন, আমি সিরিয়া পৌঁছে, তার প্রয়োজন পূর্ণ করি। আমি সিরিয়া থাকাবস্থায় রামাযানের চাঁদ ওঠে এবং আমরা উহা জুমু‘আর রাত্রিতে অবলোকন করি। এরপর আমি রামাযানের শেষর দিকে মদীনায় প্রত্যাবর্তন করি। ইবন আব্বাস (রাঃ) আমাকে সফর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন এবং বিশেষ করে চাঁদ দেখা সম্পর্কে বলেন, তোমরা রামাযানের চাঁদ কখন দেখেছিলে? আমি বলি, আমি তা জুমু‘আর রাতে দেখেছি। এরপর তিনি জিজ্ঞাসা করেন, তুমি নিজেও কি তা দেখেছিলে? আমি বলি, হ্যাঁ এবং অন্যান্য লোকেরাও দেখে এবং তারা রোয়া রাখে, এমনকি মু‘আবিয়াও রোযা রাখেন। তিনি বলেন, আমরা তো তা শনিবারে দেখেছি। কাজেই আমরা ত্রিশ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত রোযা রাখব অথবা শাওয়ালের চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোযা রেখে যাবো। আমি জিজ্ঞসা করি, মু‘আবিয়ার দর্শন ও রোযা রাখা কি এ ব্যাপরে যথেষ্ট নয়? তিনি বলেন, না। আমাদেরকে রাসৃলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

باب إِذَا رُؤِيَ الْهِلاَلُ فِي بَلَدٍ قَبْلَ الآخَرِينَ بِلَيْلَةٍ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَرْمَلَةَ، أَخْبَرَنِي كُرَيْبٌ، أَنَّ أُمَّ الْفَضْلِ ابْنَةَ الْحَارِثِ، بَعَثَتْهُ إِلَى مُعَاوِيَةَ بِالشَّامِ قَالَ فَقَدِمْتُ الشَّامَ فَقَضَيْتُ حَاجَتَهَا فَاسْتُهِلَّ رَمَضَانُ وَأَنَا بِالشَّامِ فَرَأَيْنَا الْهِلاَلَ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ ثُمَّ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فِي آخِرِ الشَّهْرِ فَسَأَلَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ ثُمَّ ذَكَرَ الْهِلاَلَ فَقَالَ مَتَى رَأَيْتُمُ الْهِلاَلَ قُلْتُ رَأَيْتُهُ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ ‏.‏ قَالَ أَنْتَ رَأَيْتَهُ قُلْتُ نَعَمْ وَرَآهُ النَّاسُ وَصَامُوا وَصَامَ مُعَاوِيَةُ ‏.‏ قَالَ لَكِنَّا رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ السَّبْتِ فَلاَ نَزَالُ نَصُومُهُ حَتَّى نُكْمِلَ الثَّلاَثِينَ أَوْ نَرَاهُ ‏.‏ فَقُلْتُ أَفَلاَ تَكْتَفِي بِرُؤْيَةِ مُعَاوِيَةَ وَصِيَامِهِ قَالَ لاَ هَكَذَا أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن جعفر - أخبرني محمد بن أبي حرملة، أخبرني كريب، أن أم الفضل ابنة الحارث، بعثته إلى معاوية بالشام قال فقدمت الشام فقضيت حاجتها فاستهل رمضان وأنا بالشام فرأينا الهلال ليلة الجمعة ثم قدمت المدينة في آخر الشهر فسألني ابن عباس ثم ذكر الهلال فقال متى رأيتم الهلال قلت رأيته ليلة الجمعة ‏.‏ قال أنت رأيته قلت نعم ورآه الناس وصاموا وصام معاوية ‏.‏ قال لكنا رأيناه ليلة السبت فلا نزال نصومه حتى نكمل الثلاثين أو نراه ‏.‏ فقلت أفلا تكتفي برؤية معاوية وصيامه قال لا هكذا أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Narrated Kuraib:
That Umm al-Fadl, daughter of al-Harith, sent him to Mu'aqiyah in Syria. He said: I came to syria and performed her work. The moon of Ramadan appeared while I was in Syria. We sighted the moon on the night of Friday. When I came to Median towards the end of the month (of Ramadan), Ibn 'Abbas asked me about the moon. He said: When did you sight the moon ? I said: I sighted it on the night of Friday. He asked: Did you sight it yourself ? I said: Yes, and the people sighted it. They fasted and Mu'awiyah also fasted. He said: But we sighted it on the night of saturday. Since then we have been fasting until we complete thirty days or we sight it. Then I said: Are the sighting of the moon by Mu'awiyah and his fasts not sufficient for us? He replied: No. The Messenger of Allah (ﷺ) commanded us to do so.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কুরায়ব (রহ.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৮/ সওম (كتاب الصوم )
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৬২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 8 9 পরের পাতা »