সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪২। মুহাম্মদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এ হচ্ছে (সে সব হাদিস) যা আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। এ কথা বলে তিনি কয়েকটি হাদিস উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে একটি হাদিস হচ্ছে এই যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বনী ইসরাইলদের বলা হয়েছিল, তোমরা (বিজিত নগরীতে) দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সময় সিজদাবনতঃ হয়ে প্রবেশ কর এবং বলে حِطَّةٌ (তউবা—মাফ করে দাও) তাহলে আমি তোমাদের গুনাহসমুহ মাফ করে দেব, কিন্তু তাঁরা শব্দটি পরিবর্তন করে নিতম্বের উপর হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে প্রবেশ করল এবং বললحَبَّةٌ فِي شَعَرَةٍ “যবের শিষে দানা দাও, যব চাই, গম চাই”।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قِيلَ لِبَنِي إِسْرَائِيلَ ‏(‏ ادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَقُولُوا حِطَّةٌ يُغْفَرْ لَكُمْ خَطَايَاكُمْ‏)‏ فَبَدَّلُوا فَدَخَلُوا الْبَابَ يَزْحَفُونَ عَلَى أَسْتَاهِهِمْ وَقَالُوا حَبَّةٌ فِي شَعَرَةٍ"‏ ‏.‏

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قيل لبني إسرائيل ‏(‏ ادخلوا الباب سجدا وقولوا حطة يغفر لكم خطاياكم‏)‏ فبدلوا فدخلوا الباب يزحفون على أستاههم وقالوا حبة في شعرة"‏ ‏.‏


Hammim b. Munabbih reported:
This is what Abu Huraira reported to us from Allah's Messenger (ﷺ) and in this connection he narrated some of the ahadith and Allah's Messenger (ﷺ) said: It was said to people of Israel: Enter this land saying Hitta (Remove Thou from us the burden of our sins), whereupon We would forgive you your sins, but they twisted (this statement) and entered the gate dragging upon their breech and said: The" grain in the ear."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪৩। আমর ইবনু মুহাম্মদ ইবনু বুকায়র আন-নাকিদ, হাসান ইবনু আলী আল-হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওফাতের পূর্ব (সময়) হতে ওফাত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আল্লাহ্‌ তা’আলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি অনবরত ওহী নাযিল করেন। যে দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন সেদিন তাঁর প্রতি বিপুল পরিমান ওহী নাযিল হয়।

حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بُكَيْرٍ النَّاقِدُ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ، حُمَيْدٍ - قَالَ عَبْدٌ حَدَّثَنِي وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - يَعْنُونَ ابْنَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ - حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، - وَهُوَ ابْنُ كَيْسَانَ - عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ، مَالِكٍ أَنَّ اللَّهَ، عَزَّ وَجَلَّ تَابَعَ الْوَحْىَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ وَفَاتِهِ حَتَّى تُوُفِّيَ وَأَكْثَرُ مَا كَانَ الْوَحْىُ يَوْمَ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثني عمرو بن محمد بن بكير الناقد، والحسن بن علي الحلواني، وعبد بن، حميد - قال عبد حدثني وقال الآخران، حدثنا يعقوب، - يعنون ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، - وهو ابن كيسان - عن ابن شهاب، قال أخبرني أنس بن، مالك أن الله، عز وجل تابع الوحى على رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل وفاته حتى توفي وأكثر ما كان الوحى يوم توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Anas b. Malik reported that Allah, the Exalted and Glorious, sent revelation to Allah's Messenger (ﷺ) just before his death in quick succession until he left for his heavenly home, and the day when he died, he received the revelation profusely.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪৪। আবূ খায়সামা যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... তারিক ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহুদী লোকেরা উমার (রাঃ) কে বললো, তোমরা এমন একটি আয়াত পাঠ করে থাকো তা যদি আমাদের সম্পর্কে নাযিল হতো, তবে এ দিনটিকে আমরা উৎসবের দিন হিসাবে গ্রহণ করতাম। উমার (রাঃ) বললেন, আমি জানি, ঐ আয়াতটি কখন (কোথায়) ও কোন দিন নাযিল হয়েছিল। আর যখন তা নাযিল হয়েছিল তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় কোথায় অবস্থান করছিলেন (তাও জানি)। আয়াতটি আরাফার দিন নাযিল হয়েছিল; রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আরাফাতেই অবস্থান করছিলেন।

রাবী সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আয়াতটি যেদিন নাযিল নাযিল হয়েছে তা জুমু'আর দিন ছিল কিনা এ ব্যাপারে আমি সন্দিহান। অর্থাৎ এ আয়াতالْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي (আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং পূর্ণ করে দিলাম তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহকে।)

حَدَّثَنِي أَبُو خَيْثَمَةَ، زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، - وَهُوَ ابْنُ مَهْدِيٍّ - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ، بْنِ شِهَابٍ أَنَّ الْيَهُودَ، قَالُوا لِعُمَرَ إِنَّكُمْ تَقْرَءُونَ آيَةً لَوْ أُنْزِلَتْ فِينَا لاَتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ إِنِّي لأَعْلَمُ حَيْثُ أُنْزِلَتْ وَأَىَّ يَوْمٍ أُنْزِلَتْ وَأَيْنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَيْثُ أُنْزِلَتْ أُنْزِلَتْ بِعَرَفَةَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاقِفٌ بِعَرَفَةَ ‏.‏ قَالَ سُفْيَانُ أَشُكُّ كَانَ يَوْمَ جُمُعَةٍ أَمْ لاَ ‏.‏ يَعْنِي ‏(‏ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي‏)‏

حدثني أبو خيثمة، زهير بن حرب ومحمد بن المثنى - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا عبد الرحمن، - وهو ابن مهدي - حدثنا سفيان، عن قيس بن مسلم، عن طارق، بن شهاب أن اليهود، قالوا لعمر إنكم تقرءون آية لو أنزلت فينا لاتخذنا ذلك اليوم عيدا ‏.‏ فقال عمر إني لأعلم حيث أنزلت وأى يوم أنزلت وأين رسول الله صلى الله عليه وسلم حيث أنزلت أنزلت بعرفة ورسول الله صلى الله عليه وسلم واقف بعرفة ‏.‏ قال سفيان أشك كان يوم جمعة أم لا ‏.‏ يعني ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي‏)‏


Tariq b. Shihab reported that a Jew said to'Umar:
You recite a verse which, if it had been revealed in relation to us, we would have taken that day as the day of rejoicing. Thereupon 'Umar said: I know where it was revealed and on the day when it was revealed and where Allah's Messenger (ﷺ) had been at that time when it was revealed. It was revealed on the day of 'Arafa (ninth of Dhu'l Hijjah) and Allah's Messenger (ﷺ) had been staying in 'Arafat. Sufyan said: I doubt, whether it was Friday or not (and the verse referred to) is this:" Today I have perfected your religion for you and completed My favours upon you" (v. 4).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪৫। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... তারিক ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহুদী উমার (রাঃ) কে বললো,‏ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا (আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং পূর্ণ করে দিলাম তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহকে...) এ আয়াতটি আমাদের ইয়াহুদী সম্প্রদায় সম্পর্কে নাযিল হলে এ দিনটিকে আমরা উৎসব দিবস হিসাবে পালন করতাম। আমরা জানি, কোন দিন এ আয়াতটি নাযিল হয়েছে। রাবী বলেন, এ কথা শুনে উমার (রাঃ) বললেন, যে দিন, যে সময় এ আয়াতটি নাযিল হয়েছে সে দিন ও সে সময় সম্পর্কে আমি সম্যক অবগত আছি। এ আয়াতটি নাযিল হওয়ার সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় ছিলেন, তাও আমি জানি। এ আয়াতটি মুযদালিফার রাতে নাযিল হয়েছে। তখন আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আরাফাতে ছিলাম।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ - وَاللَّفْظُ لأَبِي بَكْرٍ - قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ، اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ قَالَتِ الْيَهُودُ لِعُمَرَ لَوْ عَلَيْنَا مَعْشَرَ يَهُودَ نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏(‏ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا‏)‏ نَعْلَمُ الْيَوْمَ الَّذِي أُنْزِلَتْ فِيهِ لاَتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا ‏.‏ قَالَ فَقَالَ عُمَرُ فَقَدْ عَلِمْتُ الْيَوْمَ الَّذِي أُنْزِلَتْ فِيهِ وَالسَّاعَةَ وَأَيْنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ نَزَلَتْ نَزَلَتْ لَيْلَةَ جَمْعٍ وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعَرَفَاتٍ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لأبي بكر - قال حدثنا عبد، الله بن إدريس عن أبيه، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال قالت اليهود لعمر لو علينا معشر يهود نزلت هذه الآية ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا‏)‏ نعلم اليوم الذي أنزلت فيه لاتخذنا ذلك اليوم عيدا ‏.‏ قال فقال عمر فقد علمت اليوم الذي أنزلت فيه والساعة وأين رسول الله صلى الله عليه وسلم حين نزلت نزلت ليلة جمع ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرفات ‏.‏


Tariq b. Shihab reported that a Jew said to 'Umar:
If this verse were revealed in relation to the Jews (i e. "This day I have perfected your religion for you and have completed My favours for you and have chosen for you al-Islam as religion") we would have taken the day of rejoicing on which this verse was revealed. Thereupon 'Umar said: I know the day on which it was revealed and the hour when it was revealed and where Allah's Messenger (ﷺ) had been when it was revealed. It was revealed on the night of Friday and we were in 'Arafat with Allah's Messenger (ﷺ) at that time.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪৬। আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... তারিক ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহুদী ব্যক্তি উমার (রাঃ) এর নিকট এসে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনাদের কিতাবের মধ্যে এমন একটি আয়াত আপনারা পাঠ করে থাকেন। যদি তা আমাদের ইয়াহুদী সম্প্রদায় সম্পর্কে নাযিল হত তাহলে ঐ দিনটিকে আমরা উৎসব দিবস হিসাবে গ্রহণ করতাম। উমার (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, আয়াতটি কি? সে বলল, আয়াতটি হলঃالْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا (আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং পূর্ণ করে দিলাম তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহকে।)

এ কথা শুনে উমার (রাঃ) বললেন, যে দিন, যে স্থানে আয়াতটি নাযিল হয়েছে অবশ্যই আমি তা জানি। আয়াতটি জুমুআর দিন আরাফাতের ময়দানে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে।

وَحَدَّثَنِي عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، عَنْ قَيْسِ، بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنَ الْيَهُودِ إِلَى عُمَرَ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ آيَةٌ فِي كِتَابِكُمْ تَقْرَءُونَهَا لَوْ عَلَيْنَا نَزَلَتْ مَعْشَرَ الْيَهُودِ لاَتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا ‏.‏ قَالَ وَأَىُّ آيَةٍ قَالَ ‏(‏ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا‏)‏ فَقَالَ عُمَرُ إِنِّي لأَعْلَمُ الْيَوْمَ الَّذِي نَزَلَتْ فِيهِ وَالْمَكَانَ الَّذِي نَزَلَتْ فِيهِ نَزَلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعَرَفَاتٍ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ ‏.‏

وحدثني عبد بن حميد، أخبرنا جعفر بن عون، أخبرنا أبو عميس، عن قيس، بن مسلم عن طارق بن شهاب، قال جاء رجل من اليهود إلى عمر فقال يا أمير المؤمنين آية في كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا ‏.‏ قال وأى آية قال ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا‏)‏ فقال عمر إني لأعلم اليوم الذي نزلت فيه والمكان الذي نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرفات في يوم جمعة ‏.‏


Tariq b. Shihab reported that a Jew came to 'Umar and said:
Commander of the Faithful, there is a verse in your Book, which you recite. Had it been revealed in connection with the Jews, we would have taken it as the day of rejoicing. Thereupon he said: Which verse do you mean? He replied:" This day I have perfected your religion for you and I have completed My favours upon you and I have chosen al-Islam as religion for you." Umar said, I know the day when it was revealed and the place where it was revealed. It was revealed to Allah's Messenger (ﷺ) at 'Arafat on Friday.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪৭। আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ ও হারামালা ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... উরওয়া ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশা (রাঃ) কে মহান আল্লাহর ইরশাদঃ তোমরা যদি আশংকা কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তবে বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের মনঃপুত হয়, দুই, তিন অথবা চার এর ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, হে ভাগ্নে! যে সব ইয়াতীম মেয়েরা তাদের (তত্ত্বাবধানকারী) অভিভাবকদের লালন পালনে থাকত এবং তার সম্পদের অংশীদার হতো তার সম্পদের লোভ ও রুপ-যৌবনের আকর্ষণ হেতু উক্ত অভিভাবকরা তাকে অন্যরা যে পরিমাণ মোহরানা দিয়ে বিয়ে করতে প্রস্তুত ইনসাফের দাবী অনুযায়ী উক্ত পরিমাণ মোহরানা দিয়ে বিয়ে করতে চাইতো না। এ আয়াতে তাদেরকে ঐসব ইয়াতীমদের বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে।

তবে তাদের মোহরানা প্রদানের ব্যাপারে সর্বোত্তম রীতি (মোহরে মিছাল) অনুসরণ করলে তা স্বতন্ত্র কথা। অন্যথায় তাদের পছন্দমত অন্য মেয়েদের বিয়ে করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উরওয়া (রাঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর কিছু লোক বিষয়টি সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জানতে চাইলে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেনঃ এবং লোকেরা আপনার নিকট নারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানতে চায়। বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের সম্বন্ধে আইনের ব্যবস্থা জানাচ্ছেন এবং ইয়াতীম নারী সম্পর্কে-যাদের প্রাপ্য তোমরা প্রদান কর না অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে চাও ও অসহায় শিশুদের সমন্ধে এবং ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ন্যায়বিচার সম্পর্কে যা কিতাবে তোমাদেরকে শুনান হয় তাও পরিস্কারভাবে জানিয়ে দেন। এবং যে সৎকাজ তোমরা কর আল্লাহ তা সবিশেষ অবহিত।”

আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর ইরশাদঃ وَمَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ এর দ্বারা প্রথম আয়াতটিকে বুঝানো হয়েছে, যার মধ্যে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমরা যদি আশংকা কর যে ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না তবে বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভাল লাগে দুই, তিন অথবা চার।

আয়িশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর ইরশাদঃ وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ এর মানে হচ্ছে, অর্থ-সম্পদ ও রূপ-যৌবন কম থাকার কারণে তোমাদের লালন পালনে থাকা ইয়াতীম মেয়েদেরকে বিবাহ করতে অপছন্দ করলে-তাদেরকে অর্থ সম্পদ ও রূপ যৌবনবতী ইয়াতীম নারীদের পছন্দ হলেও বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। ইনসাফের ভিত্তিতে (মোহরানা দেয়া হয়) তবে বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ বিধান (ধনহীনা, রূপহীনা) ইয়াতিম মেয়ের প্রতি অনীহার কারণে দেয়া হয়েছে।

حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى التُّجِيبِيُّ - قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ حَدَّثَنَا وَقَالَ، حَرْمَلَةُ أَخْبَرَنَا - ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ قَوْلِ اللَّهِ، ‏(‏ وَإِنْ خِفْتُمْ أَنْ لاَ، تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ مَثْنَى وَثُلاَثَ وَرُبَاعَ‏)‏ قَالَتْ يَا ابْنَ أُخْتِي هِيَ الْيَتِيمَةُ تَكُونُ فِي حَجْرِ وَلِيِّهَا تُشَارِكُهُ فِي مَالِهِ فَيُعْجِبُهُ مَالُهَا وَجَمَالُهَا فَيُرِيدُ وَلِيُّهَا أَنْ يَتَزَوَّجَهَا بِغَيْرِ أَنْ يُقْسِطَ فِي صَدَاقِهَا فَيُعْطِيَهَا مِثْلَ مَا يُعْطِيهَا غَيْرُهُ فَنُهُوا أَنْ يَنْكِحُوهُنَّ إِلاَّ أَنْ يُقْسِطُوا لَهُنَّ وَيَبْلُغُوا بِهِنَّ أَعْلَى سُنَّتِهِنَّ مِنَ الصَّدَاقِ وَأُمِرُوا أَنْ يَنْكِحُوا مَا طَابَ لَهُمْ مِنَ النِّسَاءِ سِوَاهُنَّ ‏.‏ قَالَ عُرْوَةُ قَالَتْ عَائِشَةُ ثُمَّ إِنَّ النَّاسَ اسْتَفْتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ هَذِهِ الآيَةِ فِيهِنَّ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ وَيَسْتَفْتُونَكَ فِي النِّسَاءِ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِيهِنَّ وَمَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ فِي يَتَامَى النِّسَاءِ اللاَّتِي لاَ تُؤْتُونَهُنَّ مَا كُتِبَ لَهُنَّ وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ‏)‏ ‏.‏ قَالَتْ وَالَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ تَعَالَى أَنَّهُ يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ الآيَةُ الأُولَى الَّتِي قَالَ اللَّهُ فِيهَا ‏(‏ وَإِنْ خِفْتُمْ أَنْ لاَ تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ‏)‏ ‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ وَقَوْلُ اللَّهِ فِي الآيَةِ الأُخْرَى ‏(‏ وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ‏)‏ رَغْبَةَ أَحَدِكُمْ عَنِ الْيَتِيمَةِ الَّتِي تَكُونُ فِي حَجْرِهِ حِينَ تَكُونُ قَلِيلَةَ الْمَالِ وَالْجَمَالِ فَنُهُوا أَنْ يَنْكِحُوا مَا رَغِبُوا فِي مَالِهَا وَجَمَالِهَا مِنْ يَتَامَى النِّسَاءِ إِلاَّ بِالْقِسْطِ مِنْ أَجْلِ رَغْبَتِهِمْ عَنْهُنَّ ‏.‏

حدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح وحرملة بن يحيى التجيبي - قال أبو الطاهر حدثنا وقال، حرملة أخبرنا - ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، أنه سأل عائشة عن قول الله، ‏(‏ وإن خفتم أن لا، تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء مثنى وثلاث ورباع‏)‏ قالت يا ابن أختي هي اليتيمة تكون في حجر وليها تشاركه في ماله فيعجبه مالها وجمالها فيريد وليها أن يتزوجها بغير أن يقسط في صداقها فيعطيها مثل ما يعطيها غيره فنهوا أن ينكحوهن إلا أن يقسطوا لهن ويبلغوا بهن أعلى سنتهن من الصداق وأمروا أن ينكحوا ما طاب لهم من النساء سواهن ‏.‏ قال عروة قالت عائشة ثم إن الناس استفتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد هذه الآية فيهن فأنزل الله عز وجل ‏(‏ ويستفتونك في النساء قل الله يفتيكم فيهن وما يتلى عليكم في الكتاب في يتامى النساء اللاتي لا تؤتونهن ما كتب لهن وترغبون أن تنكحوهن‏)‏ ‏.‏ قالت والذي ذكر الله تعالى أنه يتلى عليكم في الكتاب الآية الأولى التي قال الله فيها ‏(‏ وإن خفتم أن لا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء‏)‏ ‏.‏ قالت عائشة وقول الله في الآية الأخرى ‏(‏ وترغبون أن تنكحوهن‏)‏ رغبة أحدكم عن اليتيمة التي تكون في حجره حين تكون قليلة المال والجمال فنهوا أن ينكحوا ما رغبوا في مالها وجمالها من يتامى النساء إلا بالقسط من أجل رغبتهم عنهن ‏.‏


'Urwa b. Zubair reported that he asked 'A'isha about the words of Allah:
" If you fear that you will not be able to maintain equity amongst the orphan girls, then marry (those) you like from amongst the women two, three or four." She said: O, the son of my sister, the orphan girl is one who is under the patronage of her guardian and she shares with him in his property and her property and beauty fascinate him and her guardian makes up his mind to marry her without giving her due share of the wedding money and is not prepared (to pay so much amount) which anyone else is prepared to pay and so Allah has forbidden to marry these girls but in case when equity is observed as regards the wedding money and they are prepared to pay them the full amount of the wedding money and Allah commanded to marry other women besides them according to the liking of their heart. 'Urwa reported that 'A'isha said that people began to seek verdict from Allah's Messenger (ﷺ) after the revelation of this verse about them (orphan girls) and Allah, the Exalted and Glorious, revealed this verse:" They asked thee verdict about women; say: Allah gives verdict to you in regard to them and what is recited to you in the Book about orphan woman, whom you give not what is ordained for them while you like to marry them" (iv. 126). She said: The wording of Allah" what is recited to you" in the Book means the first verse, i. e." if you fear that you may not be able to observe equity in case of an orphan woman, marry what you like in case of woman" (iv. 3). 'A'isha said: (And as for this verse [iv. 126], i. e. and you intend" to marry one of them from amongst the orphan girls" it pertains to one who is in charge (of orphans) having small amount of wealth and less beauty and they have been forbidden that they should marry what they like of her wealth and beauty out of the orphan girls, but with equity, because of their disliking for them.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪৮। হাসান হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশা (রাঃ) কে আল্লাহর ইরশাদঃ "তোমরা যদি আশংকা কর যে, ইয়াতীম মেহোদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না" এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। ...... অতঃপর রাবী ইউনুসের সুত্রে যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসের শেষাংশে তিনি مِنْ أَجْلِ رَغْبَتِهِمْ عَنْهُنَّ إِذَا كُنَّ قَلِيلاَتِ الْمَالِ وَالْجَمَالِ বাক্যটি অধিক বর্ণনা করেছেন। (অর্থাৎ তারা (ইয়াতীম মেয়েরা) কম সম্পদ ও কম রূপ-গুনের হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের প্রতি তাদের অনীহার কারণে এ বিধান।)

وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، جَمِيعًا عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ عَنْ قَوْلِ اللَّهِ، ‏(‏وَإِنْ خِفْتُمْ أَنْ لاَ، تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى‏)‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ يُونُسَ عَنِ الزُّهْرِيِّ وَزَادَ فِي آخِرِهِ مِنْ أَجْلِ رَغْبَتِهِمْ عَنْهُنَّ إِذَا كُنَّ قَلِيلاَتِ الْمَالِ وَالْجَمَالِ ‏.‏

وحدثنا الحسن الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني عروة، أنه سأل عائشة عن قول الله، ‏(‏وإن خفتم أن لا، تقسطوا في اليتامى‏)‏ وساق الحديث بمثل حديث يونس عن الزهري وزاد في آخره من أجل رغبتهم عنهن إذا كن قليلات المال والجمال ‏.‏


'Urwa reported that he asked 'A'isha about the words of Allah:
" If you fear that you will not be able to observe equity in case of orphan girls" ; the rest of the hadith is the same but with a slight variation of wording.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৪৯। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা ও আবূ কুবায়র (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আল্লাহ্‌র ইরশাদ, “তোমরা যদি আশংকা কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবেনা” সম্পর্কে বলেন, এ আয়াতটি ঐ পুরুষ সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে; যার তত্ত্বাবধানে রয়েছে একজন ইয়াতীম মহিলা এবং এ পুরুষই হচ্ছে তাঁর অভিভাবক ও ওয়ারীস। আর এ মেয়েটির আছে কিছু ধন-সম্পদ। কিন্তু তার পক্ষ অবলম্বন করার জন্য তার কেউই অভিভাবক (অলী) এই ধরনের মেয়েকে তার সম্পদের উদ্দেশ্যে বিয়ে করে তাকে কষ্ট দিতে এবং তার সাথে নিষ্ঠুরভাবে জীবন যাপন করতে পারবে না। এ ব্যক্তি সম্পর্কেই আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ তোমরা যদি আশংকা কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না তবে বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভাল লাগে দুই, তিন অথবা চার অর্থাৎ যে মহিলাদেরকে আমি তোমদের জন্য হালাল করেছি তাদেরকে বিবাহ কর এবং এই (ইয়াতীম মেয়েকে) ছেড়ে দাও যার প্রতি তুমি নিষ্ঠুর আচরণ করেছ।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قَوْلِهِ ‏(‏ وَإِنْ خِفْتُمْ أَنْ لاَ تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى‏)‏ قَالَتْ أُنْزِلَتْ فِي الرَّجُلِ تَكُونُ لَهُ الْيَتِيمَةُ وَهُوَ وَلِيُّهَا وَوَارِثُهَا وَلَهَا مَالٌ وَلَيْسَ لَهَا أَحَدٌ يُخَاصِمُ دُونَهَا فَلاَ يُنْكِحُهَا لِمَالِهَا فَيَضُرُّ بِهَا وَيُسِيءُ صُحْبَتَهَا فَقَالَ ‏(‏ إِنْ خِفْتُمْ أَنْ لاَ تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَى فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ‏)‏ يَقُولُ مَا أَحْلَلْتُ لَكُمْ وَدَعْ هَذِهِ الَّتِي تَضُرُّ بِهَا ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، في قوله ‏(‏ وإن خفتم أن لا تقسطوا في اليتامى‏)‏ قالت أنزلت في الرجل تكون له اليتيمة وهو وليها ووارثها ولها مال وليس لها أحد يخاصم دونها فلا ينكحها لمالها فيضر بها ويسيء صحبتها فقال ‏(‏ إن خفتم أن لا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء‏)‏ يقول ما أحللت لكم ودع هذه التي تضر بها ‏.‏


'A'isha said that as for the words of Allah:
" If you fear that you would not be able to observe equity in case of orphan girls)," it was revealed in reference to a person who had an orphan girl (as his ward) and he was her guardian, and her heir, and she possessed property, but there was none to contend on her behalf except her ownself. And he (her guardian) did not give her in marriage because of her property and he tortured her and ill-treated her, it was in relation to her that (Allah said: )" If you fear that you would not be able to observe equity in case of orphan girls, then marry whom you like among women," i. e. whatever I have made lawful for you and leave her whom you are putting to torture.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫০। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর ইরশাদ করেছেনঃ “এবং ইয়াতীম নারী সম্পর্কে তাদের প্রাপ্য তোমরা প্রদান কর না- অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে চাও ও অসহায় শিশুদের সমন্ধে এবং ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ন্যায় বিচার সম্পর্কে যা কিতাবে তোমাদেরকে শুনান হয় তাও পরিস্কারভাবে জানিয়ে দেয়” সম্পর্কে বলেন, এ আয়াতটি ঐ ইয়াতীম মেয়ে সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে, যে এমন এক পুরুষের তত্ত্বাবধানে রয়েছে, যার সাথে সে সম্পদের মধ্যে শরীক আছে। কিন্তু সে তাকে বিয়ে করা পছন্দ করছে না এবং অন্য কোন ব্যক্তির সাথে তার বিবাহ হোক এটাও পছন্দ করছে না এই আশংকায় যে, সে তার সস্পদের অংশীদার হয়ে যাবে। অবশেষে সে তাকে এমনই ছেড়ে রাখছে; নিজেও তাকে বিয়ে করছে না এবং অন্য কারো নিকট বিবাহ দিচ্ছেও না।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قَوْلِهِ ‏(‏ وَمَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ فِي يَتَامَى النِّسَاءِ اللاَّتِي لاَ تُؤْتُونَهُنَّ مَا كُتِبَ لَهُنَّ وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ‏)‏ قَالَتْ أُنْزِلَتْ فِي الْيَتِيمَةِ تَكُونُ عِنْدَ الرَّجُلِ فَتَشْرَكُهُ فِي مَالِهِ فَيَرْغَبُ عَنْهَا أَنْ يَتَزَوَّجَهَا وَيَكْرَهُ أَنْ يُزَوِّجَهَا غَيْرَهُ فَيَشْرَكُهُ فِي مَالِهِ فَيَعْضِلُهَا فَلاَ يَتَزَوَّجُهَا وَلاَ يُزَوِّجُهَا غَيْرَهُ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، في قوله ‏(‏ وما يتلى عليكم في الكتاب في يتامى النساء اللاتي لا تؤتونهن ما كتب لهن وترغبون أن تنكحوهن‏)‏ قالت أنزلت في اليتيمة تكون عند الرجل فتشركه في ماله فيرغب عنها أن يتزوجها ويكره أن يزوجها غيره فيشركه في ماله فيعضلها فلا يتزوجها ولا يزوجها غيره ‏.‏


'A'isha said in connection with His words (those of Allah):
" What is recited to you in the Book about orphan women whom you give not what is ordained for them, while you like to marry them," these were revealed in connection with an orphan girl who was in the charge of the person and she shared with him in his property and he was reluctant to marry her himself and was also unwilling to marry her to someone else (fearing) that (that person) would share in his property (as the husband of that girl), preventing her to marry, neither marrying her himself nor marrying her to another person.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫১। আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর বাণীঃ "এবং লোকেরা আপনার নিকট নারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানতে চায়, বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের সমন্ধে ব্যবস্থা জানিয়ে দিচ্ছেন" এর ব্যাখ্যায় বলেন, আয়াতটি ঐ ইয়াতীম মেয়ে সম্পর্কে নাযিল হয়েছে, যে রয়েছে এমন এক পুরুষের তত্ত্বাবধানে যার সম্পদের এমনকি খেজুর বাগানেরও উক্ত নারী অংশীদার। সে তাকে বিয়ে করতেও আগ্রহী নয় এবং অন্যের নিকট বিয়ে দিতেও ইচ্ছ্বুক নয়। কেননা তাহলে সে তার সম্পদের অংশীদার হয়ে যাবে। ফলে সে তাকে (এমনিই) ফেলে রাখছে।

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قَوْلِهِ ‏(‏ ويَسْتَفْتُونَكَ فِي النِّسَاءِ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِيهِنَّ‏)‏ الآيَةَ قَالَتْ هِيَ الْيَتِيمَةُ الَّتِي تَكُونُ عِنْدَ الرَّجُلِ لَعَلَّهَا أَنْ تَكُونَ قَدْ شَرِكَتْهُ فِي مَالِهِ حَتَّى فِي الْعَذْقِ فَيَرْغَبُ يَعْنِي أَنْ يَنْكِحَهَا وَيَكْرَهُ أَنْ يُنْكِحَهَا رَجُلاً فَيَشْرَكُهُ فِي مَالِهِ فَيَعْضِلُهَا ‏.‏

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، أخبرنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، في قوله ‏(‏ ويستفتونك في النساء قل الله يفتيكم فيهن‏)‏ الآية قالت هي اليتيمة التي تكون عند الرجل لعلها أن تكون قد شركته في ماله حتى في العذق فيرغب يعني أن ينكحها ويكره أن ينكحها رجلا فيشركه في ماله فيعضلها ‏.‏


Hisham reported that 'A'isha said in connection with the words of Allah:
" They ask thee the religious verdict about women, say: Allah gives you the verdict about them" (iv. 126), that these relate to an orphan girl who is in charge of the person and she shares with him in his property (as a heir) even in the date-palm trees and he is reluctant to give her hand in marriage to any other person lest he (her husband) should partake of his property, and thus keep her in a lingering state.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫২। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর ইরশাদঃ "এবং যে বিত্তহীন সে যেন সঙ্গত পরিমাণ ভোগ করে" এর ব্যাখ্যায় বলেন- এ আয়াতটি ইয়াতীমের মালের ঐ অবিভাবক সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে, যে তার সম্পদের তত্ত্বাবধান করছে এবং উহা দেখাশুনা করছে। যদি তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তি মুখাপেক্ষী হয় তবে সে তা হতে সঙ্গত পরিমাণ ভোগ করবে।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قَوْلِهِ ‏(‏ وَمَنْ كَانَ فَقِيرًا فَلْيَأْكُلْ بِالْمَعْرُوفِ‏)‏ قَالَتْ أُنْزِلَتْ فِي وَالِي مَالِ الْيَتِيمِ الَّذِي يَقُومُ عَلَيْهِ وَيُصْلِحُهُ إِذَا كَانَ مُحْتَاجًا أَنْ يَأْكُلَ مِنْهُ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، في قوله ‏(‏ ومن كان فقيرا فليأكل بالمعروف‏)‏ قالت أنزلت في والي مال اليتيم الذي يقوم عليه ويصلحه إذا كان محتاجا أن يأكل منه ‏.‏


Hisham reported on the authority of his father that 'A'isha said in connection with His (Allah's) words:
" And whoever is poor let him take reasonably (out of it)" that it was revealed in connection with the custodian of the property of an orphan, who is in charge of her and looks after her; In case he is poor, he is allowed to eat out of that.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫৩। আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর ইরশাদঃ "যে সচ্ছল সে যেন নিবৃত থাকে এবং যে বিত্তহীন সে যেন সঙ্গত পরিমাণ ভোগ করে" এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ইয়াতীমের তত্তাবধানকারী ব্যক্তি সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, সে যদি বিত্তহীন হয় তবে সে যেন তার সম্পদ হতে সঙ্গত পরিমাণ ভোগ করতে পারে।

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى ‏(‏ وَمَنْ كَانَ غَنِيًّا فَلْيَسْتَعْفِفْ وَمَنْ كَانَ فَقِيرًا فَلْيَأْكُلْ بِالْمَعْرُوفِ‏)‏ قَالَتْ أُنْزِلَتْ فِي وَلِيِّ الْيَتِيمِ أَنْ يُصِيبَ مِنْ مَالِهِ إِذَا كَانَ مُحْتَاجًا بِقَدْرِ مَالِهِ بِالْمَعْرُوفِ ‏.‏

وحدثناه أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، في قوله تعالى ‏(‏ ومن كان غنيا فليستعفف ومن كان فقيرا فليأكل بالمعروف‏)‏ قالت أنزلت في ولي اليتيم أن يصيب من ماله إذا كان محتاجا بقدر ماله بالمعروف ‏.‏


'A'isha reported in connection with the words of Allah, the Exalted:
" He who is rich should abstain, and he who is poor may reasonably eat (out of it)" that this was revealed in relation to the guardian of an orphan who is poor; he may get out of that what is reasonable keeping in view his own status of solvency.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫৪। আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... হিশামের সুত্রে এ সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، بهذا الإسناد ‏.‏


This hadith has been narrated on the authority of Hisham with the same chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫৫। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর ইরশাদঃ "যখন তারা তোমাদের বিরুদ্ধে সমাগত হয়েছিল উচ্চাঞ্চল ও নিন্মাঞ্চল হতে- তোমাদের চক্ষু বিস্ফারিত হয়েছিল, তোমাদের প্রাণ হয়েছিল কণ্ঠাগত এবং তোমরা আল্লাহ সমন্ধে নানাবিধ ধারনা পোষণ করছিলে" এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি খন্দকের দিন অবতীর্ণ হয়েছে।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ إِذْ جَاءُوكُمْ مِنْ فَوْقِكُمْ وَمِنْ أَسْفَلَ مِنْكُمْ وَإِذْ زَاغَتِ الأَبْصَارُ وَبَلَغَتِ الْقُلُوبُ الْحَنَاجِرَ‏)‏ قَالَتْ كَانَ ذَلِكَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، في قوله عز وجل ‏(‏ إذ جاءوكم من فوقكم ومن أسفل منكم وإذ زاغت الأبصار وبلغت القلوب الحناجر‏)‏ قالت كان ذلك يوم الخندق ‏.‏


'A'isha reported that these words of Allah:
" When they came upon you from above you and from below you and when the eyes turned dull and the hearts rose up to the throats" (xxxiii. 10) pertain to the day of Ditch.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫৬। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি (আল্লাহর ইরশাদঃ) "কোন স্ত্রী যদি তার স্বামীর দুর্ব্যবহার ও উপেক্ষার আশংকা করে তবে তারা আপোষ-নিষ্পত্তি করতে চাইলে তাদের কোন দোষ নেই এবং আপোষ-নিষ্পত্তিই শ্রেয়" এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ মহিলা সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে, যে এমন একজন পুরুষের নিকট ছিল, যার সাহচর্যে সে দীর্ঘ দিন ছিল। এখন সে তাকে তালাক দিতে চাচ্ছো আর মছিলা বলছে, আমাকে তালাক দিওনা বরং আমাকে তোমার কাছে থাকতে দাও। তবে তুমি আমার পক্ষ হতে মুক্ত। তখন এ আয়াতটি নাযিল হয়।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، ‏(‏ وَإِنِ امْرَأَةٌ خَافَتْ مِنْ بَعْلِهَا نُشُوزًا أَوْ إِعْرَاضًا‏)‏ الآيَةَ قَالَتْ أُنْزِلَتْ فِي الْمَرْأَةِ تَكُونُ عِنْدَ الرَّجُلِ فَتَطُولُ صُحْبَتُهَا فَيُرِيدُ طَلاَقَهَا فَتَقُولُ لاَ تُطَلِّقْنِي وَأَمْسِكْنِي وَأَنْتَ فِي حِلٍّ مِنِّي ‏.‏ فَنَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، ‏(‏ وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا أو إعراضا‏)‏ الآية قالت أنزلت في المرأة تكون عند الرجل فتطول صحبتها فيريد طلاقها فتقول لا تطلقني وأمسكني وأنت في حل مني ‏.‏ فنزلت هذه الآية ‏.‏


'A'isha said in connection with the verse:
" And if a woman has reason to fear ill-treatment from her husband or that he might turn away from her" (iv. 128) that it was revealed in case of a woman who had long association with a person (as his wife) and now he intends to divorce her and she says: Do not divorce me, but retain me (as wife in your house) and you are permitted to live with another wife. It is in this context that this verse was revealed.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫৭। আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর বানীঃ “কোন স্ত্রী যদি তার স্বামীর দুর্ব্যবহার ও উপেক্ষার আশংকা করে তবে তারা আপোষ-নিষ্পত্তি করতে চাইলে তাদের কোন দোষ নেই এবং আপোষ-নিষ্পত্তিই শ্রেয়” এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ মহিলা সম্পর্কে নাযিল হয়েছে, যে এমন একজন পুরুষের নিকট ছিল, সম্ভবত সে তার প্রতি বড় একটা ভালবাসা ও আকর্ষণ অনুভব করে না। অথচ সে তার দীর্ঘ সাহচর্যে ছিল এবং তার সন্তান-সন্ততিও রয়েছে। এদিকে স্বামীও তাকে তালাক দিক, তাও সে পছন্দ করছে না। তখন সে (স্ত্রী) তাকে বলছে, তুমি আমার পক্ষ হতে দায় মুক্ত।

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ وَإِنِ امْرَأَةٌ خَافَتْ مِنْ بَعْلِهَا نُشُوزًا أَوْ إِعْرَاضًا‏)‏ قَالَتْ نَزَلَتْ فِي الْمَرْأَةِ تَكُونُ عِنْدَ الرَّجُلِ فَلَعَلَّهُ أَنْ لاَ يَسْتَكْثِرَ مِنْهَا وَتَكُونُ لَهَا صُحْبَةٌ وَوَلَدٌ فَتَكْرَهُ أَنْ يُفَارِقَهَا فَتَقُولُ لَهُ أَنْتَ فِي حِلٍّ مِنْ شَأْنِي ‏.‏

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، في قوله عز وجل ‏(‏ وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا أو إعراضا‏)‏ قالت نزلت في المرأة تكون عند الرجل فلعله أن لا يستكثر منها وتكون لها صحبة وولد فتكره أن يفارقها فتقول له أنت في حل من شأني ‏.‏


'A'isha said in connection with these words of Allah, the Exalted and Glorious:
" And if a woman has reason to fear ill-treatment from her husband or that he might turn away from her" that it was revealed in case of a woman who lived with a person and perhaps he does not want to prolong (his relationship with her) whereas she has had sexual relationship with him (and as a result thereof) she got a child from him and she does not like that she should be divorced, so she says to him: I permit you to live with the other wife.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫৮। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ) আমাকে বলেছেনঃ হে ভাগ্নে! লোকদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার আদেশ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তাদের সমালোচনা করেছে।

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَتْ لِي عَائِشَةُ يَا ابْنَ أُخْتِي أُمِرُوا أَنْ يَسْتَغْفِرُوا، لأَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَبُّوهُمْ ‏.‏

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو معاوية، عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت لي عائشة يا ابن أختي أمروا أن يستغفروا، لأصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فسبوهم ‏.‏


'Urwa reported on the authority of his father that 'A'isha said to him:
O, the son of my sister, the Muslims were commanded to seek forgiveness for the Companions of Allah's Apostle (ﷺ) but they reviled them.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৫৯। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... হিশামের সুত্রে এ সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.‏

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


This hadith has been transmitted on the authority of Abu Usama with the same chain of narrators.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৬০। উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয আনবারী (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কুফাবাসী লোকেরা আল্লাহর ইরশাদঃ “কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম; সেখানে সে স্থায়ি হবে এবং আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে লানত করবেন এবং তার জন্য মহা শাস্তি প্রস্তুত করবেন ” সম্পর্কে মতবিরোধ করলে আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকট আসলাম এবং তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এ আয়াত শেষ পর্যায়ে অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং কোন আয়াত উহাকে রহিত করতে পারেনি।

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ النُّعْمَانِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْكُوفَةِ فِي هَذِهِ الآيَةِ ‏(‏ وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ‏)‏ فَرَحَلْتُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ عَنْهَا فَقَالَ لَقَدْ أُنْزِلَتْ آخِرَ مَا أُنْزِلَ ثُمَّ مَا نَسَخَهَا شَىْءٌ ‏.‏

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، قال اختلف أهل الكوفة في هذه الآية ‏(‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم‏)‏ فرحلت إلى ابن عباس فسألته عنها فقال لقد أنزلت آخر ما أنزل ثم ما نسخها شىء ‏.‏


Sa'id b. Jubair reported:
The inhabitants of Kufa differed in regard to this verse:" But whoever slays another believer intentionally, his requital shall be Hell" (iv. 92), so I went to Ibn 'Abbas and asked him about it, whereupon he said: This has been revealed and nothing abrogated it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৭২৬১। মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (অন্য সনদে) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... শু'বা (রহঃ) থেকে এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে মুহাম্মাদ ইবন জা'ফারের বর্ণনায় আছে آخِرِ مَا أُنْزِلَ আর নযরের হাদীসের মধ্যে রয়েছে إِنَّهَا لَمِنْ آخِرِ مَا أُنْزِلَتْ --।

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَخْبَرَنَا النَّضْرُ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ فِي حَدِيثِ ابْنِ جَعْفَرٍ نَزَلَتْ فِي آخِرِ مَا أُنْزِلَ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ النَّضْرِ إِنَّهَا لَمِنْ آخِرِ مَا أُنْزِلَتْ ‏.‏

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا النضر، قالا جميعا حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ في حديث ابن جعفر نزلت في آخر ما أنزل ‏.‏ وفي حديث النضر إنها لمن آخر ما أنزلت ‏.‏


This hadith has been transmitted on the authority of Shu'ba with the same chain of narrators but with a slight variation of wording.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শু'বা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫৭/ তাফসীর (كتاب التفسير)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৪০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »