সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৬৭। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কোন এক সফরে আমরা বের হলাম। এ সফরে লোকজন ভীষণ কষ্টে পড়ে। তখন আবদুল্লাহ ইবনু উবাই তার সঙ্গীদেরকে বললো, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গীদের জন্য তোমরা কিছু ব্যয় করো না, যাতে তারা তাঁর চারপাশ থেকে সরে পড়ে। [যুহায়র (রহঃ) বলেন, এ হলো ঐ ব্যক্তির কিরাআত যে, حَوْلَهُ কে যের দিয়ে পড়ে।] আর সে এও বললো, আমরা মদীনায় ফিরে গেলে সেখান থেকে অবশ্যই প্রবল দুর্বলকে বহিস্কৃত করব। এ কথা শুনে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তার এ কথাবার্তা সম্পর্কে তাঁকে অবিহিত করলাম। তখন তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উবাইকে ডেকে পাঠালেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন। সে জোরদার কসম খেয়ে বললো যে, সে এমন কাজ করেনি। আর বলল, যায়িদ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মিথ্যা কথা বলেছে। যায়িদ (রাঃ) বলেন, তাদের এ কথায় আমি মনে ভীষণ কষ্ট পেলাম। তখন আল্লাহ তাআলা আমার সত্যবাদিতার পক্ষে নাযিল করেন, إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের ডাকলেন যাতে তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, তখন তারা তাদের মাথা ফিরিয়ে নিল। আল্লাহ তাআলা তাদের সম্পর্কে বলেছেনঃكَأَنَّهُمْ خُشُبٌ مُسَنَّدَةٌ তারা দেয়ালে ঠেকাল কাঠের স্তম্ভ সদৃশ। যায়িদ (রাঃ) বলেন, বাহ্যত তারা ছিল মানুষ খুবই সুন্দর চেহারার মানুষ।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، أَنَّهُ سَمِعَ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ، يَقُولُ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ أَصَابَ النَّاسَ فِيهِ شِدَّةٌ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ لأَصْحَابِهِ لاَ تُنْفِقُوا عَلَى مَنْ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى يَنْفَضُّوا مِنْ حَوْلِهِ ‏.‏ قَالَ زُهَيْرٌ وَهِيَ قِرَاءَةُ مَنْ خَفَضَ حَوْلَهُ ‏.‏ وَقَالَ لَئِنْ رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ لَيُخْرِجَنَّ الأَعَزُّ مِنْهَا الأَذَلَّ - قَالَ - فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ بِذَلِكَ فَأَرْسَلَ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ فَسَأَلَهُ فَاجْتَهَدَ يَمِينَهُ مَا فَعَلَ فَقَالَ كَذَبَ زَيْدٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَوَقَعَ فِي نَفْسِي مِمَّا قَالُوهُ شِدَّةٌ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ تَصْدِيقِي ‏(‏ إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ‏)‏ قَالَ ثُمَّ دَعَاهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِيَسْتَغْفِرَ لَهُمْ - قَالَ - فَلَوَّوْا رُءُوسَهُمْ ‏.‏ وَقَوْلُهُ ‏(‏ كَأَنَّهُمْ خُشُبٌ مُسَنَّدَةٌ‏)‏ وَقَالَ كَانُوا رِجَالاً أَجْمَلَ شَىْءٍ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا زهير بن معاوية، حدثنا أبو إسحاق، أنه سمع زيد بن أرقم، يقول خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر أصاب الناس فيه شدة فقال عبد الله بن أبى لأصحابه لا تنفقوا على من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى ينفضوا من حوله ‏.‏ قال زهير وهي قراءة من خفض حوله ‏.‏ وقال لئن رجعنا إلى المدينة ليخرجن الأعز منها الأذل - قال - فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأخبرته بذلك فأرسل إلى عبد الله بن أبى فسأله فاجتهد يمينه ما فعل فقال كذب زيد رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فوقع في نفسي مما قالوه شدة حتى أنزل الله تصديقي ‏(‏ إذا جاءك المنافقون‏)‏ قال ثم دعاهم النبي صلى الله عليه وسلم ليستغفر لهم - قال - فلووا رءوسهم ‏.‏ وقوله ‏(‏ كأنهم خشب مسندة‏)‏ وقال كانوا رجالا أجمل شىء ‏.‏


Zaid b. Arqam reported:
We set out on a journey along with Allah's Messenger (ﷺ) in which we faced many hardships. 'Abdullah b. Ubayy said to his friends: Do not give what you have in your possession to those who are with Allah's Messenger (ﷺ) until they desert him. Zubair said: That is the reciting of that person who recited as min haulahu (from around him) and the other reciting is man haulahia (who are around him). And in this case when we would return to Medina the honourable would drive out the meaner therefrom (lxiv. 8). I came to Allah's Apostle (ﷺ) and informed him about that and he sent someone to 'Abdullah b. Ubayy and he asked him whether he had said that or not. He took an oath to the fact that he had not done that and told that it was Zaid who had stated a lie to Allah's Messenger (ﷺ). Zaid said: I was much perturbed because of this until this verse was revealed attesting my truth:" When the hypocrites come" (lxiii. 1). Allah's Apostle (ﷺ) then called them in order to seek forgiveness for them, but they turned away their heads as if they were hooks of wood fixed in the wall (lxiii. 4), and they were in fact apparently good-looking persons.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৬৮। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা, যুহায়র ইবনু হারব ও আহমাদ ইবনু আবদা (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এর কবরের নিকট আসলেন এবং তাকে তার কবর হতে উঠিয়ে তার হাঁটুর উপর রাখলেন এবং তিনি তার উপর থুথু দিলেন এবং তাকে স্বীয় জামা পরালেন। আল্লাহই এ সম্পর্কে ভাল জানেন।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ أَبِي شَيْبَةَ - قَالَ ابْنُ عَبْدَةَ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا، يَقُولُ أَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَبْرَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ فَأَخْرَجَهُ مِنْ قَبْرِهِ فَوَضَعَهُ عَلَى رُكْبَتَيْهِ وَنَفَثَ عَلَيْهِ مِنْ رِيقِهِ وَأَلْبَسَهُ قَمِيصَهُ فَاللَّهُ أَعْلَمُ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأحمد بن عبدة الضبي، - واللفظ لابن أبي شيبة - قال ابن عبدة أخبرنا وقال الآخران، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، أنه سمع جابرا، يقول أتى النبي صلى الله عليه وسلم قبر عبد الله بن أبى فأخرجه من قبره فوضعه على ركبتيه ونفث عليه من ريقه وألبسه قميصه فالله أعلم ‏.‏


Jabir reported Allah's Apostle (ﷺ) came to the grave of 'Abdullah b. Ubayy, brought him out from that, placed him on his knee and put his saliva in his mouth and shrouded him in his own shirt and Allah knows best.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৬৯। আহমাদ ইবনু ইউসূফ আযদী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উবাইকে তার গর্তে (কবরে) ঢুকানোর পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট আসলেন। পরবর্তী অংশ সুফিয়ানের অনুরূপ বর্ননা করেছেন।

حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ بَعْدَ مَا أُدْخِلَ حُفْرَتَهُ ‏.‏ فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ سُفْيَانَ ‏.‏

حدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عمرو بن دينار، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول جاء النبي صلى الله عليه وسلم إلى عبد الله بن أبى بعد ما أدخل حفرته ‏.‏ فذكر بمثل حديث سفيان ‏.‏


Jabir b. 'Abdullah reported that Allah's Messenger (ﷺ) came to the grave of 'Abdullah b. Ubayy as he was placed in that. The rest of the hadith is the same.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭০। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এর মৃত্যুর পর তার ছেলে আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলেন এবং তার পিতার কাফনের জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জামাটি চাইলেন। তিনি তাঁকে জামাটি দিয়ে দিলেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার পিতার সালাতে জানাযা পড়ানোর জন্য অনুরোধ করলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাতে জানাযা আদায়ের জন্য দাঁড়ালেন। এমতাবস্থায় উমার (রাঃ) দাঁড়িয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাপড় চেপে ধরে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! তার জানাযা কি আপনি পড়াবেন? আর আল্লাহ তাআলা তার সালাতে জানাযা পড়াতে আপনাকে নিষেধ করেছেন।

(একথা শুনে) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বিষয়ে তো আল্লাহ তাআলা আমাকে ইখতিয়ার দিয়েছেন এবং বলেছেনঃ আপনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন অথবা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না করুন উভয়ই সমান, আপনি সত্তরবার তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি সত্তরেরও অধিকবার আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবো। উমার (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! সে তো মুনাফিক ছিল। এরপরও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সালাতে জানাযা আদায় করলেন। তখন আল্লাহ তায়াআলা নাযিল করলেনঃ “তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে আপনি কখনো তার জন্য জানাযার সালাত আদায় করবেন না এবং তার কবর পাশে দাঁড়াবেনও না।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ لَمَّا تُوُفِّيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ ابْنُ سَلُولَ جَاءَ ابْنُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ أَنْ يُعْطِيَهُ قَمِيصَهُ يُكَفِّنُ فِيهِ أَبَاهُ فَأَعْطَاهُ ثُمَّ سَأَلَهُ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَامَ عُمَرُ فَأَخَذَ بِثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُصَلِّي عَلَيْهِ وَقَدْ نَهَاكَ اللَّهُ أَنْ تُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّمَا خَيَّرَنِي اللَّهُ فَقَالَ اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لاَ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً وَسَأَزِيدُهُ عَلَى سَبْعِينَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ إِنَّهُ مُنَافِقٌ ‏.‏ فَصَلَّى عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ وَلاَ تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلاَ تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ‏)‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال لما توفي عبد الله بن أبى ابن سلول جاء ابنه عبد الله بن عبد الله إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله أن يعطيه قميصه يكفن فيه أباه فأعطاه ثم سأله أن يصلي عليه فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي عليه فقام عمر فأخذ بثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أتصلي عليه وقد نهاك الله أن تصلي عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنما خيرني الله فقال استغفر لهم أو لا تستغفر لهم إن تستغفر لهم سبعين مرة وسأزيده على سبعين ‏"‏ ‏.‏ قال إنه منافق ‏.‏ فصلى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنزل الله عز وجل ‏(‏ ولا تصل على أحد منهم مات أبدا ولا تقم على قبره‏)‏


Ibn 'Umar reported that when 'Abdullah b. Ubayy b. Salul died. His son 'Abdullah b. 'Abdullah (b. Ubayy) came to Allah's Messenger (ﷺ) and begged him that he should give him his shirt which he would use as a coffin for his father, he gave him that. He then begged that he should conduct funeral prayer for him. Allah's Messenger (ﷺ) had hardly got up to observe the prayer for him that 'Umar stood up and caught hold of the garment of Allah's Messenger (ﷺ) and said:
Allah's Messenger, are you going to conduct prayer for this man, whereas Allah has forbidden you to offer prayer for him? Thereupon Allah's Messenger (ﷺ) said: Allah has given me an option as He has said:" You may beg pardon for them or you may not beg pardon for them, and even if you beg pardon for them, seventy times" (ix. 80), and I am going to make an addition to the seventy. He was a hypocrite and Allah's Messenger (ﷺ) offered prayer for him and Allah, the Exalted and Glorious, revealed this verse:" Do not offer prayer for any one of them at all and do not stand upon their graves for (offering prayer over them)" (ix. 84).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭১। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে উক্ত সুত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এতে অধিক রয়েছে যে, এরপর থেকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মুনাফিকদের) সালাত (জানাযা) আদায় করা সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ করলেন।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ وَزَادَ قَالَ فَتَرَكَ الصَّلاَةَ عَلَيْهِمْ ‏.‏

حدثنا محمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، بهذا الإسناد نحوه وزاد قال فترك الصلاة عليهم ‏.‏


This hadith has been narrated on the authority of 'Abdullah with the same chain of transmitters but with this addition:
" He then abandoned offering (funeral) prayer for them."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭২। মুহাম্মদ ইবনু আবূ উমার মাক্কী (রহঃ) ... ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহর নিকট তিন ব্যক্তি একত্রিত হলো। এদের দু'জন ছিল কুরায়শী এবং একজন ছিল সাকাফী অথবা দু'জন ছিল সাকাফী এবং একজন ছিল কুয়ায়শী। তাদের হৃদয়ে বুদ্ধিমত্তা খুব সামান্যই ছিল। তবে পেটে যথেষ্ট চর্বী ছিল। তাদের একজন বললো, আমরা যা বলি আল্লাহ সব শুনেন, একথা কি তোমরা জানো না? তখন দ্বিতীয় ব্যক্তি বললো, আমরা উচ্চস্বরে কথা বললে আল্লাহ তা শুনতে পান। তবে আস্তে কথা বললে আল্লাহ তা শুনেন না। তখন তৃতীয় ব্যক্তি বললো, উচ্চস্বরে কথা বললে যদি শুনতে পান তবে আস্তে কথা বললেও শুনতে পাবেন। এ কথা শুনে আল্লাহ তাআলা নাযিল করলেন, "তোমরা গোপন করতে পারতে না এই কারণে যে, তোমাদের কর্ণ, চক্ষু এবং ত্বক তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে। (কিন্তু তোমরা মনে করতে যে, তোমরা যা করতে এর অনেক কিছু আল্লাহ জানেন না।)”

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي، مَعْمَرٍ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ اجْتَمَعَ عِنْدَ الْبَيْتِ ثَلاَثَةُ نَفَرٍ قُرَشِيَّانِ وَثَقَفِيٌّ أَوْ ثَقَفِيَّانِ وَقُرَشِيٌّ قَلِيلٌ فِقْهُ قُلُوبِهِمْ كَثِيرٌ شَحْمُ بُطُونِهِمْ فَقَالَ أَحَدُهُمْ أَتَرَوْنَ اللَّهَ يَسْمَعُ مَا نَقُولُ وَقَالَ الآخَرُ يَسْمَعُ إِنْ جَهَرْنَا وَلاَ يَسْمَعُ إِنْ أَخْفَيْنَا وَقَالَ الآخَرُ إِنْ كَانَ يَسْمَعُ إِذَا جَهَرْنَا فَهُوَ يَسْمَعُ إِذَا أَخْفَيْنَا ‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ وَمَا كُنْتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَنْ يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلاَ أَبْصَارُكُمْ وَلاَ جُلُودُكُمْ‏)‏ الآيَةَ ‏.‏

حدثنا محمد بن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، عن منصور، عن مجاهد، عن أبي، معمر عن ابن مسعود، قال اجتمع عند البيت ثلاثة نفر قرشيان وثقفي أو ثقفيان وقرشي قليل فقه قلوبهم كثير شحم بطونهم فقال أحدهم أترون الله يسمع ما نقول وقال الآخر يسمع إن جهرنا ولا يسمع إن أخفينا وقال الآخر إن كان يسمع إذا جهرنا فهو يسمع إذا أخفينا ‏.‏ فأنزل الله عز وجل ‏(‏ وما كنتم تستترون أن يشهد عليكم سمعكم ولا أبصاركم ولا جلودكم‏)‏ الآية ‏.‏


Ibn Mas'ud reported that there gathered near the House three persons amongst whom two were Quraishi and one was a Thaqafi or two were Thaqafis and one was a Quraishi. They lacked understanding but wore more flesh. One of them said:
Do you think that Allah hears as we speak? The other one said: He does hear when we speak loudly and He does not hear when we speak in undertones, and still the other one said: If He listens when we speak loudly, He also listens when we speak in undertones. It was on this occasion that this verse was revealed:" You did not conceal yourselves lest your ears, your eyes and your skins would stand witness against you" (xli. 22).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭৩। আবূ বকর খাল্লাদ বাহিলী (রহঃ) ... ইয়াহইয়া আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ وَهْبِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، ح

وَقَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، بِنَحْوِهِ ‏.‏

وحدثني أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - حدثنا سفيان، حدثني سليمان، عن عمارة بن عمير، عن وهب بن ربيعة، عن عبد الله، ح وقال حدثنا يحيى، حدثنا سفيان، حدثني منصور، عن مجاهد، عن أبي معمر، عن عبد الله، بنحوه ‏.‏


This hadith has been narrated on the authority of 'Abdullah through another chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭৪। উবায়দুল্লাহ ইবনু মু’আয আল-আনবারী (রহঃ) ... যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহুদ যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তখন কিছু লোক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গ ত্যাগ করে চলে এলো। তাদের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবাগণ দু'দলে বিভক্ত হয়ে পড়লো। কেউ বললো, আমরা তাদের হত্যা করে ফেলবো, আর কেউ বললো, না (আমরা তাদের হত্যা করব না)। তখন নাযিল হল, “তোমাদের কি হলো, তোমরা মুনাফিকদের সমন্ধে দু'দল হয়ে গেলে, যখন আল্লাহ তাদের কৃতকর্মের জন্য পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তোমরা কি তাকে সৎ পথে পরিচালিত করতে চাও এবং আল্লাহ কাউকে পথভ্রষ্ট করলে তুমি তার জন্য কখনো কোন পথ পাবে না।”

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَدِيٍّ، - وَهُوَ ابْنُ ثَابِتٍ - قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ يَزِيدَ، يُحَدِّثُ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى أُحُدٍ فَرَجَعَ نَاسٌ مِمَّنْ كَانَ مَعَهُ فَكَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِيهِمْ فِرْقَتَيْنِ قَالَ بَعْضُهُمْ نَقْتُلُهُمْ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ ‏.‏ فَنَزَلَتْ ‏(‏ فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِينَ فِئَتَيْنِ‏)‏

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - قال سمعت عبد الله بن يزيد، يحدث عن زيد بن ثابت، أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج إلى أحد فرجع ناس ممن كان معه فكان أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيهم فرقتين قال بعضهم نقتلهم ‏.‏ وقال بعضهم لا ‏.‏ فنزلت ‏(‏ فما لكم في المنافقين فئتين‏)‏


Zaid b. Thabit reported that Allah's Apostle (ﷺ) set out for Uhud. Some of those persons who were with them came back. The Companions of Allah's Apostle (ﷺ) were divided in two groups. One group said:
We would kill them, and the other one said: No, this should not be done, and it was on this occasion that this verse was revealed:" Why should you, then, be two parties in relation to hypocrites?" (iv. 88).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭৫। যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু নাফি (রহঃ) ... শু'বা (রহঃ) থেকে এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


This hadith has been narrated on the authority of Shu'ba with the same chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শু'বা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭৬। হাসান ইবনু আলী হুলওয়ানী ও মুহাম্মদ ইবনু সাহল তামীমী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় কতিপয় মুনাফিক ব্যক্তির অভ্যাস এই ছিল যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন যু্দ্ধের জন্যে বের তখন তারা পশ্চাতে থাকতো এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিরুদ্ধাচরণ করে বসে থাকাতেই তারা আনন্দ লাভ করতো। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যাগমন করলে তারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে ওজুহাত পেশ করতো, শপথ করতো এবং আশা করতো যেন তারা যা করেনি এমন কার্যের প্রশংসা করা হয়। তখন নাযিল হলঃ "যারা নিজেরা যা করেছে তাতে আনন্দ প্রকাশ করে এবং যা নিজেরা করেনি এমন কাজের জন্য প্রশংসিত হতে ভালবাসে, তারা শাস্তি থেকে মুক্তি পাবে আপনি কখনো এরূপ মনে করবেন না। তাদের জন্য রয়েছে মর্মান্তিক শাস্তি।"

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ التَّمِيمِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي، مَرْيَمَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، الْخُدْرِيِّ أَنَّ رِجَالاً، مِنَ الْمُنَافِقِينَ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانُوا إِذَا خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْغَزْوِ تَخَلَّفُوا عَنْهُ وَفَرِحُوا بِمَقْعَدِهِمْ خِلاَفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم اعْتَذَرُوا إِلَيْهِ وَحَلَفُوا وَأَحَبُّوا أَنْ يُحْمَدُوا بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا فَنَزَلَتْ ‏(‏ لاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَفْرَحُونَ بِمَا أَتَوْا وَيُحِبُّونَ أَنْ يُحْمَدُوا بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا فَلاَ تَحْسَبَنَّهُمْ بِمَفَازَةٍ مِنَ الْعَذَابِ‏)‏

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، ومحمد بن سهل التميمي، قالا حدثنا ابن أبي، مريم أخبرنا محمد بن جعفر، أخبرني زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد، الخدري أن رجالا، من المنافقين في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا إذا خرج النبي صلى الله عليه وسلم إلى الغزو تخلفوا عنه وفرحوا بمقعدهم خلاف رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا قدم النبي صلى الله عليه وسلم اعتذروا إليه وحلفوا وأحبوا أن يحمدوا بما لم يفعلوا فنزلت ‏(‏ لا تحسبن الذين يفرحون بما أتوا ويحبون أن يحمدوا بما لم يفعلوا فلا تحسبنهم بمفازة من العذاب‏)‏


Abu Sa'id Khudri reported that during the lifetime of Allah's Messenger (ﷺ) the hypocrites behaved in this way that when Allah's Apostle (ﷺ) set out for a battle, they kept themselves behind, and they became happy that they had managed to sit in the house contrary to (the act of) Allah's Messenger (ﷺ), and when Allah's Apostle (may peace he upon him) came back, they put forward excuses and took oath and wished that people should laud them for the deeds which they had not done. It was on this occasion that this verse was revealed:
" Think not that those who exult in what they have done, and love to be praised for what they have not done-think not them to be safe from the chastisement; and for them is a painful chastisement" (iii. 18).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭৭। যুহায়র ইবনু হারব ও হারুন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ... হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মারওয়ান তার দারোয়ান রাফিকে বললেন, তুমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকট যাও এবং বল, কেউ নিজে যা করেছে তাতে আনন্দিত হওয়া এবং যা করেনি তাতে প্রশংসিত হতে চেয়ে আমাদের কেউ যদি শাস্তি পায় তবে আমরা সকলেই শাস্তি পাব। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, এ আয়াতের সাথে তোমাদের কি সম্পর্ক? এ আয়াত তো আহলে কিতাব সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। তারপর ইবনু আব্বাস (রাঃ) এ আয়াত পাঠ করলেন "স্মরণ কর, যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল আল্লাহ তাদের থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়ে ছিলেন, তোমরা মানুষের নিকট স্পষ্টভাব প্রকাশ করবে এবং তা গোপন করবে না।" এরপর ইবনু আব্বাস (রাঃ) পাঠ করলেন, তিনি যা দিয়েছেন তাকে যারা অগ্রাহ্য করে ও তুচ্চ মূল্যে বিক্রয় করে; সুতরাং তারা যা ক্রয় করে তা কত নিকৃষ্ট।

অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাঃ) পাঠ করলেন, ‘যারা নিজেরা যা করেছে তাতে আনন্দ প্রকাশ করে এবং যা নিজেরা করে নাই তার জন্য প্রশংসিত হতে ভালবাসে, তারা শাস্তি হতে মুক্তি পাবে, এরূপ আপনি কখনো মনে করবেন না। তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে।

অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, কিতাবীদেরকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করার পর তারা তা গোপন করে এবং পরিবর্তে তারা তাঁকে অন্য কথা বলে দিল। এরপর তারা এমন ভান করে বের হল যে, জিজ্ঞাসিত বিষয়ের যথাযথ উত্তর তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রদান করেছেন এ কারণে তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রশংসা কামনা করল এবং জিজ্ঞাসিত বিষয়টি গোপন করার মাধ্যমে তারা যে কাজ আঞ্জাম দিয়েছে এতে খুবই আনন্দিত হল। (এদের সম্পর্কেই আল্লাহ তাআলা মর্মন্তুদ শাস্তির কথা ঘোষণা দিয়েছেন।

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَهَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ، بْنُ مُحَمَّدٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّ حُمَيْدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ مَرْوَانَ قَالَ اذْهَبْ يَا رَافِعُ - لِبَوَّابِهِ - إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَقُلْ لَئِنْ كَانَ كُلُّ امْرِئٍ مِنَّا فَرِحَ بِمَا أَتَى وَأَحَبَّ أَنْ يُحْمَدَ بِمَا لَمْ يَفْعَلْ مُعَذَّبًا لَنُعَذَّبَنَّ أَجْمَعُونَ ‏.‏ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَا لَكُمْ وَلِهَذِهِ الآيَةِ إِنَّمَا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ فِي أَهْلِ الْكِتَابِ ‏.‏ ثُمَّ تَلاَ ابْنُ عَبَّاسٍ ‏(‏ وَإِذْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَتُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلاَ تَكْتُمُونَهُ‏)‏ هَذِهِ الآيَةَ وَتَلاَ ابْنُ عَبَّاسٍ ‏(‏ لاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَفْرَحُونَ بِمَا أَتَوْا وَيُحِبُّونَ أَنْ يُحْمَدُوا بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا‏)‏ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ سَأَلَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ شَىْءٍ فَكَتَمُوهُ إِيَّاهُ وَأَخْبَرُوهُ بِغَيْرِهِ فَخَرَجُوا قَدْ أَرَوْهُ أَنْ قَدْ أَخْبَرُوهُ بِمَا سَأَلَهُمْ عَنْهُ وَاسْتَحْمَدُوا بِذَلِكَ إِلَيْهِ وَفَرِحُوا بِمَا أَتَوْا مِنْ كِتْمَانِهِمْ إِيَّاهُ مَا سَأَلَهُمْ عَنْهُ ‏.‏

حدثنا زهير بن حرب، وهارون بن عبد الله، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا حجاج، بن محمد عن ابن جريج، أخبرني ابن أبي مليكة، أن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أخبره أن مروان قال اذهب يا رافع - لبوابه - إلى ابن عباس فقل لئن كان كل امرئ منا فرح بما أتى وأحب أن يحمد بما لم يفعل معذبا لنعذبن أجمعون ‏.‏ فقال ابن عباس ما لكم ولهذه الآية إنما أنزلت هذه الآية في أهل الكتاب ‏.‏ ثم تلا ابن عباس ‏(‏ وإذ أخذ الله ميثاق الذين أوتوا الكتاب لتبيننه للناس ولا تكتمونه‏)‏ هذه الآية وتلا ابن عباس ‏(‏ لا تحسبن الذين يفرحون بما أتوا ويحبون أن يحمدوا بما لم يفعلوا‏)‏ وقال ابن عباس سألهم النبي صلى الله عليه وسلم عن شىء فكتموه إياه وأخبروه بغيره فخرجوا قد أروه أن قد أخبروه بما سألهم عنه واستحمدوا بذلك إليه وفرحوا بما أتوا من كتمانهم إياه ما سألهم عنه ‏.‏


Humaid b. 'Abd al-Rahman b. 'Auf reported that Marwan said to Rafi', his chamberlain, that he should go to Ibn 'Abbas and ask him:
If every one of us be punished for his being happy upon his deed and for his being praised for what he has not done, nobody would be saved from the torment. Ibn 'Abbas said: What you have to do with this verse? It has been in fact revealed in connection with the people of the Book." Then Ibn Abbas recited this verse:" When Allah took a covenant from those who had been given the Book: You shall explain it to people and shall not conceal this" (iii. 186), and then Ibn 'Abbas recited this verse:" Think not that those who exult in what they have done and love to be praised for what they have not done" (iii. 186). Ibn 'Abbas (further) said: Allah's Apostle (ﷺ) asked them about something and then they concealed that and they told him something else and they went out and they thought that they had informed him as lie had asked them and they felt happy of what they had concealed.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭৮। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আম্মার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আলী (রাঃ) এর বিষয়টিতে আপনারা যে পন্থা অবলম্বন করলেন, একি আপনাদের (নিজস্ব) রায় না এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কোন নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্ব সাধারণকে যে কথা বলেননি, এমন কোন কথা তিনি আমাকে বলে যাননি। তবে হুযায়ফা (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার সাহাবাদের মধ্যে বারজন মুনাফিক লোক আছে। এদের আটজন জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না; যতক্ষন না সূচের ছিদ্রপথে উট প্রবেশ করে। 'দুবায়লা' (আগুনের পলিতা) আট ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট হবে। আসওয়াদ (রহঃ) বলেন, অবশিষ্ট চার ব্যক্তি সমন্ধে শু'বা কি বলেছেন, আমার তা মনে নেই।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ قُلْتُ لِعَمَّارٍ أَرَأَيْتُمْ صَنِيعَكُمْ هَذَا الَّذِي صَنَعْتُمْ فِي أَمْرِ عَلِيٍّ أَرَأْيًا رَأَيْتُمُوهُ أَوْ شَيْئًا عَهِدَهُ إِلَيْكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَا عَهِدَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا لَمْ يَعْهَدْهُ إِلَى النَّاسِ كَافَّةً وَلَكِنْ حُذَيْفَةُ أَخْبَرَنِي عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فِي أَصْحَابِي اثْنَا عَشَرَ مُنَافِقًا فِيهِمْ ثَمَانِيَةٌ لاَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ حَتَّى يَلِجَ الْجَمَلُ فِي سَمِّ الْخِيَاطِ ثَمَانِيَةٌ مِنْهُمْ تَكْفِيكَهُمُ الدُّبَيْلَةُ وَأَرْبَعَةٌ ‏"‏ ‏.‏ لَمْ أَحْفَظْ مَا قَالَ شُعْبَةُ فِيهِمْ ‏.‏

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أسود بن عامر، حدثنا شعبة بن الحجاج، عن قتادة، عن أبي نضرة، عن قيس، قال قلت لعمار أرأيتم صنيعكم هذا الذي صنعتم في أمر علي أرأيا رأيتموه أو شيئا عهده إليكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما عهد إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس كافة ولكن حذيفة أخبرني عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ في أصحابي اثنا عشر منافقا فيهم ثمانية لا يدخلون الجنة حتى يلج الجمل في سم الخياط ثمانية منهم تكفيكهم الدبيلة وأربعة ‏"‏ ‏.‏ لم أحفظ ما قال شعبة فيهم ‏.‏


Qais reported:
I said to 'Ammar: What is your opinion about that which you have done in case (of your siding with Hadrat 'Ali)? Is it your personal opinion or something you got from Allah's Messenger (ﷺ)? 'Ammar said: We have got nothing from Allah's Messenger (ﷺ) which people at large did not get, but Hudhaifa told me that Allah's Apostle (ﷺ) had especially told him amongst his Companion, that there would be twelve hypocrites out of whom eight would not get into Paradise, until a camel would be able to pass through the needle hole. The ulcer would be itself sufficient (to kill) eight. So far as four are concerned, I do not remember what Shu'ba said about them.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৭৯। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না এবং মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... কায়স ইবনু উবাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আম্মার (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনাদের এ লড়াই সম্পর্কে বলুন তো, তা কি আপনাদের (নিজস্ব) মতের ভিত্তিতে? তবে মত তো ভুলও হতে পারে, ঠিকও হতে পারে। অথবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে বিশেষভাবে আপনাদের নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন? তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বসাধারণকে যে নির্দেশ দেননি, এমন কিছু তিনি বিশেষভাবে আমাদেরও দেননী। তিনি বলেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে ......। বর্ণনাকারী শু'বা (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয়, তিনি বলেছেন, আমার উম্মাতের মধ্যে বারজন মুনাফিক হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং জান্নাতের ঘ্রানও পাবে না, যতক্ষন না সূঁচের ছিদ্রপথে উট প্রবেশ করবে। তাদের মধ্যে আট জনের (ধ্বংসের) জন্য “দুবায়লা” যথেষ্ট হবে। “দুবায়লা” হল আগুনের পলিতা, যা কাঁধের মধ্যে প্রকাশ পেয়ে বুকে ভেদ করে বেরোবে।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عُبَادٍ، قَالَ قُلْنَا لِعَمَّارٍ أَرَأَيْتَ قِتَالَكُمْ أَرَأْيًا رَأَيْتُمُوهُ فَإِنَّ الرَّأْىَ يُخْطِئُ وَيُصِيبُ أَوْ عَهْدًا عَهِدَهُ إِلَيْكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَا عَهِدَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا لَمْ يَعْهَدْهُ إِلَى النَّاسِ كَافَّةً ‏.‏ وَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِنَّ فِي أُمَّتِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ وَأَحْسِبُهُ قَالَ حَدَّثَنِي حُذَيْفَةُ ‏.‏ وَقَالَ غُنْدَرٌ أُرَاهُ قَالَ ‏"‏ فِي أُمَّتِي اثْنَا عَشَرَ مُنَافِقًا لاَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلاَ يَجِدُونَ رِيحَهَا حَتَّى يَلِجَ الْجَمَلُ فِي سَمِّ الْخِيَاطِ ثَمَانِيَةٌ مِنْهُمْ تَكْفِيكَهُمُ الدُّبَيْلَةُ سِرَاجٌ مِنَ النَّارِ يَظْهَرُ فِي أَكْتَافِهِمْ حَتَّى يَنْجُمَ مِنْ صُدُورِهِمْ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي نضرة، عن قيس بن عباد، قال قلنا لعمار أرأيت قتالكم أرأيا رأيتموه فإن الرأى يخطئ ويصيب أو عهدا عهده إليكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما عهد إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس كافة ‏.‏ وقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إن في أمتي ‏"‏ ‏.‏ قال شعبة وأحسبه قال حدثني حذيفة ‏.‏ وقال غندر أراه قال ‏"‏ في أمتي اثنا عشر منافقا لا يدخلون الجنة ولا يجدون ريحها حتى يلج الجمل في سم الخياط ثمانية منهم تكفيكهم الدبيلة سراج من النار يظهر في أكتافهم حتى ينجم من صدورهم ‏"‏ ‏.‏


Qais b. 'Ubad reported:
We said to 'Ammar: Was your fighting (on the side of 'Ali in the Battle of Siffin) a matter of your own choice or you got its hints from Allah's Messenger (ﷺ) for it, is likely for one to err in one's own discretion or was it because of any covenant that Allah's Messenger (ﷺ) got from you? He said: It was not because of any covenant that Allah's Messenger (ﷺ) got from us which he did get from other people, and he further said that Allah's Messenger (ﷺ) said:" In my Ummah." And I think that Hudhaifa reported to me and according to Ghundar (the words are) that he said: In my Ummah, there would be twelve hypocrites and they would not be admitted to Paradise and they would not smell its odour, until the camel would pass through a needle's hole. Dubaila (ulcer) would be enough to (torment them) -a kind of flame of Fire which would appear in their shoulders and it would protrude from their chest.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৮০। যুহারয়র ইবনু হাবর (রহঃ) ... আবূ তুফায়ল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আকাবায় উপস্থীত এক জন ও হুযায়ফা (রাঃ) এর মধ্যে মানুষের মাঝে যেমন মনোমালিন্য হয়ে থাকে তেমন কিছু ছিল। সে তাকে প্রশ্ন করলো, তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, বল, আকাবায় উপস্থিত লোকদের সংখ্যা কত ছিল? হুযায়ফা (রাঃ) কে লোকেরা বলল, সে যেহেতু জিজ্ঞাসা করেছে, তাই আপনি বলে দিন। তিনি বললেন, আমাদের অবহিত করা হয়েছে যে, তাদের সংখ্যা ছিল চৌদ্দ। আর যদি তুমিও তাদের মধ্যে হয়ে থাক, তবে তাদের সংখ্যা হবে পনের। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি যে, এদের বারজন পার্থিব জীবনে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং যেদিন সাক্ষীগণ দাঁড়াবে সেদিনও। বার জন ওযর পেশ করে বলেছিল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আহবানকারীর আওয়াজ আমরা শুনিনি এবং কাওমের লোকদের প্রয়াসও আমাদের জানা ছিল না। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্তরময় ময়দানে ছিলেন। অতঃপর তিনি সেখান থেকে এগিয়ে চললেন এবং বললেন, (আমাদের গন্তব্যস্থলের) পানি অতি সামান্য। কেউ আমার আগে সেখানে যাবে না। কিন্তু তিনি সেখানে গিয়ে দেখলেন যে, কতিপয় লোক তার আগেই চলে এসেছে। সেদিন তিনি তাদের প্রতি অভিসম্পাত করলেন।

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ جُمَيْعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الطُّفَيْلِ، قَالَ كَانَ بَيْنَ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الْعَقَبَةِ وَبَيْنَ حُذَيْفَةَ بَعْضُ مَا يَكُونُ بَيْنَ النَّاسِ فَقَالَ أَنْشُدُكَ بِاللَّهِ كَمْ كَانَ أَصْحَابُ الْعَقَبَةِ قَالَ فَقَالَ لَهُ الْقَوْمُ أَخْبِرْهُ إِذْ سَأَلَكَ قَالَ كُنَّا نُخْبَرُ أَنَّهُمْ أَرْبَعَةَ عَشَرَ فَإِنْ كُنْتَ مِنْهُمْ فَقَدْ كَانَ الْقَوْمُ خَمْسَةَ عَشَرَ وَأَشْهَدُ بِاللَّهِ أَنَّ اثْنَىْ عَشَرَ مِنْهُمْ حَرْبٌ لِلَّهِ وَلِرَسُولِهِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ يَقُومُ الأَشْهَادُ وَعَذَرَ ثَلاَثَةً قَالُوا مَا سَمِعْنَا مُنَادِيَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلاَ عَلِمْنَا بِمَا أَرَادَ الْقَوْمُ ‏.‏ وَقَدْ كَانَ فِي حَرَّةٍ فَمَشَى فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّ الْمَاءَ قَلِيلٌ فَلاَ يَسْبِقُنِي إِلَيْهِ أَحَدٌ ‏"‏ ‏.‏ فَوَجَدَ قَوْمًا قَدْ سَبَقُوهُ فَلَعَنَهُمْ يَوْمَئِذٍ ‏.‏

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا أبو أحمد الكوفي، حدثنا الوليد بن جميع، حدثنا أبو الطفيل، قال كان بين رجل من أهل العقبة وبين حذيفة بعض ما يكون بين الناس فقال أنشدك بالله كم كان أصحاب العقبة قال فقال له القوم أخبره إذ سألك قال كنا نخبر أنهم أربعة عشر فإن كنت منهم فقد كان القوم خمسة عشر وأشهد بالله أن اثنى عشر منهم حرب لله ولرسوله في الحياة الدنيا ويوم يقوم الأشهاد وعذر ثلاثة قالوا ما سمعنا منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا علمنا بما أراد القوم ‏.‏ وقد كان في حرة فمشى فقال ‏ "‏ إن الماء قليل فلا يسبقني إليه أحد ‏"‏ ‏.‏ فوجد قوما قد سبقوه فلعنهم يومئذ ‏.‏


Abu Tufail reported that there was a dispute between Hudhaifa and one from the people of Aqaba as it happens amongst people. He said:
I adjure you by Allah to tell me as to how many people from Aqaba were. The people said to him (Hudhaifa) to inform him as he had asked. We have been informed that they were fourteen and If you are to be counted amongst them, then they would be fifteen and I state by Allah that twelve amongst them were the enemies of Allah and of His Messenger (ﷺ) in this world. The rest of the three put forward this excuse: We did not hear the announcement of Allah's Messenger (ﷺ) and we were not aware of the intention of the people as he (the Holy Prophet) had been in the hot atmosphere. He (the Holy Prophet) then said: The water is small in quantity (at the next station). So nobody should go ahead of me, but he found people who had gone ahead of him and he cursed them on that day.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবুত্ব তুফায়ল (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৮১। উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয আনবারী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুরার ঘাঁটিতে কে আরোহণ করবে? যে আরোহণ করবে, তার গুনাহ মাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে, যেমন বনী ইসরাঈলকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিল। জাবির (রাঃ) বলেন, প্রথমে ঐ ঘাঁটিতে আরোহণ করলো আমাদের বনী খাযরাজের ঘোড়াগুলি। তারপর লোকেরা পিছনে আসল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের সকলকেই ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে, লাল উষ্ট্রের মালিক ব্যতীত। তখন আমরা ঐ লোকটির নিকট গিয়ে বললাম, এস, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। সে বললো, আমি যদি আমার হারানো উটটি পেয়ে যাই তবে অবশ্য আমার জন্য তোমাদের সঙ্গীর দুআর থেকে শ্রেয়। জাবির (রাঃ) বলেন, এ লোকটি তার হারানো উষ্ট্রী তালাশে ছিল।

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ يَصْعَدُ الثَّنِيَّةَ ثَنِيَّةَ الْمُرَارِ فَإِنَّهُ يُحَطُّ عَنْهُ مَا حُطَّ عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَكَانَ أَوَّلَ مَنْ صَعِدَهَا خَيْلُنَا خَيْلُ بَنِي الْخَزْرَجِ ثُمَّ تَتَامَّ النَّاسُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَكُلُّكُمْ مَغْفُورٌ لَهُ إِلاَّ صَاحِبَ الْجَمَلِ الأَحْمَرِ ‏"‏ ‏.‏ فَأَتَيْنَاهُ فَقُلْنَا لَهُ تَعَالَ يَسْتَغْفِرْ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ وَاللَّهِ لأَنْ أَجِدَ ضَالَّتِي أَحَبُّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ يَسْتَغْفِرَ لِي صَاحِبُكُمْ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ رَجُلٌ يَنْشُدُ ضَالَّةً لَهُ ‏.‏

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا قرة بن خالد، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من يصعد الثنية ثنية المرار فإنه يحط عنه ما حط عن بني إسرائيل ‏"‏ ‏.‏ قال فكان أول من صعدها خيلنا خيل بني الخزرج ثم تتام الناس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وكلكم مغفور له إلا صاحب الجمل الأحمر ‏"‏ ‏.‏ فأتيناه فقلنا له تعال يستغفر لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال والله لأن أجد ضالتي أحب إلى من أن يستغفر لي صاحبكم ‏.‏ قال وكان رجل ينشد ضالة له ‏.‏


Jabir b. Abdullah reported that Allah's Messenger (ﷺ) said:
He who climbed this hill, the hill of Murar, his sins would be obliterated as were obliterated the sins of Bani Isra'il. So the first to take their horses were the people of Banu Khazraj. Then there was a ceaseless flow of persons and Allah's Messenger (ﷺ) said to them: All of you are those who have been pardoned except the owner of a red camel. We came to him and said to him: You also come on, so that Allah's Messenger (ﷺ) may seek forgiveness for you. But he said: By Allah, so far as I am concerned, the finding of something lost is dearer to me than seeking of forgiveness for me by your companion (the Holy Prophet), and he remained busy in finding out his lost thing.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৮২। ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারিসী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুরার ঘাঁটিতে কে আরোহণ করবে? ...... পরবর্তী অংশ মুআযের হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে অতিরিক্ত রয়েছে যে, তখন তিনি এক বেদুঈনকে দেখলেন, সে তার হারানো উট সন্ধান করছিল।

وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا قُرَّةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ يَصْعَدُ ثَنِيَّةَ الْمُرَارِ أَوِ الْمَرَارِ ‏"‏ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ مُعَاذٍ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَإِذَا هُوَ أَعْرَابِيٌّ جَاءَ يَنْشُدُ ضَالَّةً لَهُ ‏.‏

وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا قرة، حدثنا أبو الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يصعد ثنية المرار أو المرار ‏"‏ ‏.‏ بمثل حديث معاذ غير أنه قال وإذا هو أعرابي جاء ينشد ضالة له ‏.‏


Jabir b. Abdullah reported Allah's Messenger (ﷺ) as saying:
He who would climb this hill of Murar. The rest of the hadith is the same but with this variation that it was a desert Arab who was finding out his lost thing.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৮৩। মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনী নাজ্জারের এক ব্যক্তি আমাদের মাঝে ছিল। সে সূরা বাকারা এবং সূরা আলে-ইমরান পড়েছিল। সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর লেখার দায়িত্ব পালন করতো। পরে পালিয়ে সে কিতাবীদের সাথে মিলে যায়। রাবী বলেন, তারা তাকে খুব সম্মান করল এবং বললো, এ লোকটি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাতিব ছিল। এতে তারা খুবই আনন্দিত হলো। তারপর বিলম্ভ হয়নি, আল্লাহ তাআলা তাদের মধ্যেই তাকে ধ্বংস করে দিলেন। এরপর তারা তার জন্য গর্ত করে তাকে তাকে পুঁতে দিল। সকালে দেখা গেল যে, যমীন তার লাশ মাটির উপরে নিক্ষেপ করেছে। এরপর আবার তারা গর্ত করে তাকে পুঁতে দিল। সকালে এবার দেখা গেল যে, যমীন তার লাশ মাটির উপর নিক্ষেপ করেছে। তারপর আবার তারা তার জন্য গর্ত করে তাকে তাতে গেড়ে রাখলো। সকালে দেখা গেল, এবারও যমীন তার লাশ মাটির উপর ছুঁড়ে দিয়েছে। কাজেই তারা তাকে নিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছেড়ে দিল।

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - وَهُوَ ابْنُ الْمُغِيرَةِ - عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ مِنَّا رَجُلٌ مِنْ بَنِي النَّجَّارِ قَدْ قَرَأَ الْبَقَرَةَ وَآلَ عِمْرَانَ وَكَانَ يَكْتُبُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَانْطَلَقَ هَارِبًا حَتَّى لَحِقَ بِأَهْلِ الْكِتَابِ - قَالَ - فَرَفَعُوهُ قَالُوا هَذَا قَدْ كَانَ يَكْتُبُ لِمُحَمَّدٍ فَأُعْجِبُوا بِهِ فَمَا لَبِثَ أَنْ قَصَمَ اللَّهُ عُنُقَهُ فِيهِمْ فَحَفَرُوا لَهُ فَوَارَوْهُ فَأَصْبَحَتِ الأَرْضُ قَدْ نَبَذَتْهُ عَلَى وَجْهِهَا ثُمَّ عَادُوا فَحَفَرُوا لَهُ فَوَارَوْهُ فَأَصْبَحَتِ الأَرْضُ قَدْ نَبَذَتْهُ عَلَى وَجْهِهَا ثُمَّ عَادُوا فَحَفَرُوا لَهُ فَوَارَوْهُ فَأَصْبَحَتِ الأَرْضُ قَدْ نَبَذَتْهُ عَلَى وَجْهِهَا فَتَرَكُوهُ مَنْبُوذًا ‏.‏

حدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو النضر، حدثنا سليمان، - وهو ابن المغيرة - عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان منا رجل من بني النجار قد قرأ البقرة وآل عمران وكان يكتب لرسول الله صلى الله عليه وسلم فانطلق هاربا حتى لحق بأهل الكتاب - قال - فرفعوه قالوا هذا قد كان يكتب لمحمد فأعجبوا به فما لبث أن قصم الله عنقه فيهم فحفروا له فواروه فأصبحت الأرض قد نبذته على وجهها ثم عادوا فحفروا له فواروه فأصبحت الأرض قد نبذته على وجهها ثم عادوا فحفروا له فواروه فأصبحت الأرض قد نبذته على وجهها فتركوه منبوذا ‏.‏


Anas b. Malik reported:
There was a person amongst us who belonged to the tribe of Bani Najjar and he recited Sura al-Baqarah and Surat Al-i-'Imran and he used to transcribe for Allah's Messenger (ﷺ). He ran away as a rebel and joined the People of the Book. They gave it much importance and said: He is the person who used to transcribe for Muhammad and they were much pleased with him. Time rolled on that Allah caused his death. They dug the grave and buried him therein, but they found to their surprise that the earth had thrown him out over the surface. They again dug the grave for him and buried him but the earth again threw him out upon the surface. They again dug the grave for him and buried him but the earth again threw him out upon the surface. At last they left him unburied.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৮৪। আবূ কুরায়ব মুহাম্মদ ইবনু আলা (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সফর হতে প্রত্যাগমন করে মদীনার নিকটবর্তী স্থানে পৌছলে এমনভাবে প্রবল বায়ু প্রবাহিত হয় যে, মনে হচ্ছিল যেন আরোহীকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন মুনাফিকের মৃত্যুর কারণে এ বাতাস প্রবাহিত হয়েছে যখন তিনি মদীনায় পৌছলেন, তখন দেখা গেল, এক বড় মুনাফিকের মৃত্যু হয়েছে।

حَدَّثَنِي أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا حَفْصٌ، - يَعْنِي ابْنَ غِيَاثٍ - عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ فَلَمَّا كَانَ قُرْبَ الْمَدِينَةِ هَاجَتْ رِيحٌ شَدِيدَةٌ تَكَادُ أَنْ تَدْفِنَ الرَّاكِبَ فَزَعَمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ بُعِثَتْ هَذِهِ الرِّيحُ لِمَوْتِ مُنَافِقٍ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ فَإِذَا مُنَافِقٌ عَظِيمٌ مِنَ الْمُنَافِقِينَ قَدْ مَاتَ ‏.‏

حدثني أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا حفص، - يعني ابن غياث - عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم من سفر فلما كان قرب المدينة هاجت ريح شديدة تكاد أن تدفن الراكب فزعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بعثت هذه الريح لموت منافق ‏"‏ ‏.‏ فلما قدم المدينة فإذا منافق عظيم من المنافقين قد مات ‏.‏


Jabir reported that Allah's Messenger (ﷺ) came back from a journey and as he was near Medina, there was such a violent gale that the mountain seemed to be pressed. Allah's Messenger (ﷺ) said:
This wind has perhaps been made to blow for the death of a hypocrite, and as he reached Medina a notorious hypocrite from amongst the hypocrites had died.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৮৫। আব্বাস ইবনু আবদুল আযীম আনবারী আয়াস (রহঃ) ... আয়স (রহঃ) বলেন যে, আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে জ্বরে আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে দেখতে গেলাম। আমি আমার হাত তার শরীরে রেখে বললাম, কসম! আজকের মত এমন তাপমাত্রা আমি আর কোন ব্যক্তির দেখিনি। এ কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কিয়ামতের দিন এর থেকেও অধিক তাপমাত্রা সম্পন্ন ব্যক্তিটির সংবাদ আমি কি তোমাদের দিব না? তারা ঐ সওয়ার ব্যক্তি যারা ঘাড় ফিরিয়ে চলে যাচ্ছে। একথা তিনি বললেন, সে সময়কার তাঁর সঙ্গীদের মধ্য থেকে দুইজনের প্রতি লক্ষ্য করে।

حَدَّثَنِي عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ النَّضْرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ، مُوسَى الْيَمَامِيُّ حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ، حَدَّثَنَا إِيَاسٌ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، عُدْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً مَوْعُوكًا - قَالَ - فَوَضَعْتُ يَدِي عَلَيْهِ فَقُلْتُ وَاللَّهِ مَا رَأَيْتُ كَالْيَوْمِ رَجُلاً أَشَدَّ حَرًّا ‏.‏ فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِأَشَدَّ حَرًّا مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ هَذَيْنِكَ الرَّجُلَيْنِ الرَّاكِبَيْنِ الْمُقَفِّيَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ لِرَجُلَيْنِ حِينَئِذٍ مِنْ أَصْحَابِهِ ‏.‏

حدثني عباس بن عبد العظيم العنبري، حدثنا أبو محمد النضر بن محمد بن، موسى اليمامي حدثنا عكرمة، حدثنا إياس، حدثني أبي قال، عدنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا موعوكا - قال - فوضعت يدي عليه فقلت والله ما رأيت كاليوم رجلا أشد حرا ‏.‏ فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ألا أخبركم بأشد حرا منه يوم القيامة هذينك الرجلين الراكبين المقفيين ‏"‏ ‏.‏ لرجلين حينئذ من أصحابه ‏.‏


Iyas reported on the authority of his father:
We went along with Allah's Messenger (ﷺ) to visit a person suffering from fever. When I placed my hand upon him, I said: By Allah, I have never seen, till this day, a person running higher temperature than he. Thereupon Allah's Apostle (ﷺ), turning his face to his companions, said: May I not inform you of a severer temperature than this which these two persons would run on the Day of Resurrection? And they were two hypocrites riding upon the camel turning their back towards (the Muslims).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৬৭৮৬। মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মুনাফিকের উপমা ঐ বকরীর ন্যায়, যা দুই পালের মাঝে উদ্ভ্রান্তের ন্যায় ঘুরতে থাকে। একবার এ দিকে আবার ঐ দিকে।

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، - يَعْنِي الثَّقَفِيَّ - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَثَلُ الْمُنَافِقِ كَمَثَلِ الشَّاةِ الْعَائِرَةِ بَيْنَ الْغَنَمَيْنِ تَعِيرُ إِلَى هَذِهِ مَرَّةً وَإِلَى هَذِهِ مَرَّةً ‏"‏ ‏.‏

حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، قالا حدثنا عبيد الله، ح وحدثنا محمد بن المثنى، - واللفظ له - أخبرنا عبد الوهاب، - يعني الثقفي - حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ مثل المنافق كمثل الشاة العائرة بين الغنمين تعير إلى هذه مرة وإلى هذه مرة ‏"‏ ‏.‏


Ibn Umar reported Allah's Apostle (ﷺ) as saying:
The similitude of a hypocrite is that of a sheep which roams aimlessly between two flocks. She goes to one at one time and to the other at another time.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫২/ মুনাফিকদের আচরন এবং তাদের সম্পর্কে বিধান (كتاب صفات المنافقين وأحكامهم)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »