আল-লুলু ওয়াল মারজান ৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১. আল্লাহ তা'আলার যিক্‌রের প্রতি উৎসাহ প্রদান।

১৭১৩. আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা ঘোষণা করেন, আমি সেরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে, আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তবে আমিও তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে তাকে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তবে আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই, যদি সে আমার দিকে এক বাহু অগ্রসর হয়; আমি তার দিকে দু বাহু অগ্রসর হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।

الحث على ذكر الله تعالى

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَقُولُ اللهُ تَعَالَى: أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي، وَأَنَا مَعَهُ إِذَا ذَكَرَنِي فَإِنْ ذَكَرَنِي فِي نَفْسِهِ، ذَكَرْتُهُ فِي نَفْسِي وَإِنْ ذَكَرَنِي فِي مَلإٍ، ذَكَرْتُهُ فِي مَلإٍ خَيْرٍ مِنْهُمْ وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ بِشِبْرٍ، تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ ذِرَاعًا، تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ بَاعًا وَإِنْ أَتَانِي يَمْشِي، أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً

حديث أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: يقول الله تعالى: أنا عند ظن عبدي بي، وأنا معه إذا ذكرني فإن ذكرني في نفسه، ذكرته في نفسي وإن ذكرني في ملإ، ذكرته في ملإ خير منهم وإن تقرب إلي بشبر، تقربت إليه ذراعا وإن تقرب إلي ذراعا، تقربت إليه باعا وإن أتاني يمشي، أتيته هرولة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/২. আল্লাহ তা’আলার নামসমূহ এবং যে তা আয়ত্ব করলে তার মর্যাদা।

১৭১৪. আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা'আলার নিরানব্বই নাম আছে (এক কম একশ’ নাম)। যে ব্যক্তি এগুলোর হিফাযত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আল্লাহ্ তা'আলা বেজোড় তাই তিনি বেজোড়ই পছন্দ করেন।

في أسماء الله تعالى وفضل من أحصاها

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِنَّ للهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا، مائَةً إِلاَّ وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ وَزَادَ فِي رِوَايَةٍ أُخْرَى وَهُوَ وِترٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ

حديث أبي هريرة رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: إن لله تسعة وتسعين اسما، مائة إلا واحدا من أحصاها دخل الجنة وزاد في رواية أخرى وهو وتر يحب الوتر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৩. দুআ কবূলে দৃঢ় আশা রাখা এবং এ কথা না বলা 'তুমি যদি চাও'।

১৭১৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ দুআ করলে দু'আর সময় ইয়াকীনের সঙ্গে দুআ করবে এবং এ কথা বলবে না হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে কিছু দান করুন। কারণ আল্লাহকে বাধ্য করার মত কেউ নেই।

العزم بالدعاء ولا يقل إِن شئت

حديث أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُول اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا دَعَا أَحَدُكُمْ، فَلْيَعْزِمِ الْمَسْئَلَةَ وَلاَ يَقُولَنَّ: اللهُمَّ إِنْ شِئْتَ فَأَعْطِنِي فَإِنَّهُ لاَ مُسْتَكْرِهَ لَهُ

حديث أنس رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إذا دعا أحدكم، فليعزم المسئلة ولا يقولن: اللهم إن شئت فأعطني فإنه لا مستكره له

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৩. দুআ কবূলে দৃঢ় আশা রাখা এবং এ কথা না বলা 'তুমি যদি চাও'।

১৭১৬. আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো এ কথা বলবে না যে, হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন। বরং দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে দুআ করবে। কারণ আল্লাহকে বাধ্য করার মত কেউ নেই।

العزم بالدعاء ولا يقل إِن شئت

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ اللهُمَّ اغْفِرْ لِي اللهُمَّ ارْحَمْنِي، إِنْ شِئْتَ لِيَعْزِمَ الْمَسْئَلَةَ، فَإِنَّهُ لاَ مُكْرِهَ لَهُ

حديث أبي هريرة رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: لا يقولن أحدكم اللهم اغفر لي اللهم ارحمني، إن شئت ليعزم المسئلة، فإنه لا مكره له

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৪. কোন বিপদে পড়ে মৃত্যু কামনা না করা।

১৭১৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন বিপদের কারণে মৃত্যু কামনা করবে না। আর যদি কেউ এমন অবস্থাতে পতিত হয় যে, তাকে মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে (মৃত্যু কামনা না করে) দুআ করবেঃ হে আল্লাহ! যতদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকা আমার জন্য মঙ্গলজনক হয়, ততদিন আমাকে জীবিত রাখো, আর যখন আমার জন্য মৃত্যুই মঙ্গলজনক হয় তখন আমার মৃত্যু দাও।

كراهة تمني الموت لضر نزل به

حديث أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لاَ يَتَمَنَّيَنَّ أَحَدٌ مِنْكُمُ الْمَوْتَ لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ فَإِنْ كَانَ لاَ بُدَّ مُتَمَنِّيًا لِلْمَوْتِ، فَلْيَقُلِ اللهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي

حديث أنس رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يتمنين أحد منكم الموت لضر نزل به فإن كان لا بد متمنيا للموت، فليقل اللهم أحيني ما كانت الحياة خيرا لي وتوفني إذا كانت الوفاة خيرا لي

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৪. কোন বিপদে পড়ে মৃত্যু কামনা না করা।

১৭১৮. কায়স (রহঃ) বলেন, আমি খাঝাব (রাঃ)-এর নিকট গেলাম তিনি তার পেটে সাতবার দাগ দিয়েছিলেন। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলামঃ যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মৃত্যুর জন্য দুআ করতে নিষেধ না করতেন, তবে আমি এর জন্য দু'আ করতাম।

كراهة تمني الموت لضر نزل به

حديث خَبَّابٍ عَنْ قَيْسٍ، قَالَ: أَتَيْتُ خَبَّابًا، وَقَدِ اكْتَوَى سَبْعًا فِي بَطْنِهِ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: لَوْلاَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَانَا أَنْ نَدْعُوَ بِالْمَوْتِ، لَدَعَوْتُ بِهِ

حديث خباب عن قيس، قال: أتيت خبابا، وقد اكتوى سبعا في بطنه فسمعته يقول: لولا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت، لدعوت به

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৫. যে আল্লাহ তা’আলার সাক্ষাৎকে পছন্দ করবে আল্লাহ তা'আলা তার সাক্ষাৎকে পছন্দ করবেন আর যে আল্লাহ তা'আলার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করবে আল্লাহ তা'আলা তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করবেন।

১৭১৯. উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ করা ভালবাসে, আল্লাহ্ তা'আলাও তাঁর সাক্ষাৎ লাভ করা ভালবাসেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ করা পছন্দ করে না, আল্লাহ্ তা'আলাও তাঁর সাক্ষাৎ লাভ করা পছন্দ করেন না।

من أحب لقاء الله أحب الله لقاءه، ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه

حديث عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللهِ، أَحَبَّ اللهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللهِ، كَرِهَ اللهُ لِقَاءَهُ

حديث عبادة بن الصامت، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: من أحب لقاء الله، أحب الله لقاءه ومن كره لقاء الله، كره الله لقاءه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৫. যে আল্লাহ তা’আলার সাক্ষাৎকে পছন্দ করবে আল্লাহ তা'আলা তার সাক্ষাৎকে পছন্দ করবেন আর যে আল্লাহ তা'আলার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করবে আল্লাহ তা'আলা তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করবেন।

১৭২০. আবূ মূসা আশ'আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎকে ভালবাসে, আল্লাহ্ তা'আলাও তাঁর সাক্ষাতকে ভালবাসেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ কে ভালবাসে না, আল্লাহ্ তা'আলাও তাঁর সাক্ষাৎ ভালবাসেন না।

من أحب لقاء الله أحب الله لقاءه، ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه

حديث أَبِي مُوسى، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللهِ، أَحَبَّ اللهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللهِ، كَرِهَ اللهُ لِقَاءَهُ

حديث أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: من أحب لقاء الله، أحب الله لقاءه ومن كره لقاء الله، كره الله لقاءه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৬. যিকর আযকার, দুআ ও আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভের ফযীলত।

১৭২১. আবূ‌ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা ঘোষণা করেন, আমি সেরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সঙ্গে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে; আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তবে আমিও তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে তাকে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তবে আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই, যদি সে আমার দিকে এক বাহু অগ্রসর হয়; আমি তার দিকে দু’ বাহু অগ্রসর হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।

فضل الذكر والدعاء والتقرب إِلى الله تعالى

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَقُولُ اللهُ تَعَالَى: أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي وَأَنَا مَعَهُ إِذَا ذَكَرَنِي فَإِنْ ذَكَرَنِي فِي نَفْسِهِ، ذَكَرْتُهُ فِي نَفْسِي وَإِنْ ذَكَرَنِي فِي مَلإٍ، ذَكَرْتُهُ فِي مَلإٍ خَيْرٍ مِنْهُمْ وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ بِشِبْرٍ، تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ ذِرَاعًا، تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ بَاعًا وَإِنْ أَتَانِي يَمْشِي، أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً

حديث أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: يقول الله تعالى: أنا عند ظن عبدي بي وأنا معه إذا ذكرني فإن ذكرني في نفسه، ذكرته في نفسي وإن ذكرني في ملإ، ذكرته في ملإ خير منهم وإن تقرب إلي بشبر، تقربت إليه ذراعا وإن تقرب إلي ذراعا، تقربت إليه باعا وإن أتاني يمشي، أتيته هرولة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৮. যিকরের মাজলিসের ফযীলত।

১৭২২. আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর একদল ফেরেশতা আছেন, যারা আল্লাহর যিকরে রত লোকদের তালাশে রাস্তায় রাস্তায় ঘােরাফেরা করেন। যখন তারা কোথাও আল্লাহর যিকরে রত লোকদের দেখতে পান, তখন তাদের একজন অন্যজনকে ডাকাডাকি করে বলেন, তোমরা নিজ নিজ কর্তব্য সম্পাদনের জন্য এদিকে চলে এসো। তখন তারা সবাই এসে তাদের ডানাগুলো দিয়ে সেই লোকদের ঢেকে ফেলেন নিকটস্থ আসমান পর্যন্ত। তখন তাঁদের রব তাঁদের জিজ্ঞেস করেন (অথচ এ সম্পর্কে ফেরেশতাদের চেয়ে তিনিই অধিক জানেন) আমার বান্দারা কী বলছে? তখন তারা জবাব দেন, তারা আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছে, তারা আপনার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করছে, তারা আপনার প্রশংসা করছে এবং তারা আপনার মাহাত্ম বর্ণনা করছে। তখন তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তারা কি আমাকে দেখেছে? তখন তারা বলবেনঃ হে আমাদের রব, আপনার কসম! তারা আপনাকে দেখেনি। তিনি বলবেন, আচ্ছা, তবে যদি তারা আমাকে দেখত? তাঁরা বলবেন, যদি তারা আপনাকে দেখত, তবে তারা আরও অধিক আপনার ইবাদাত করত, আরো অধিক আপনার মাহাত্ম বর্ণনা করত, আরো অধিক অধিক আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করত।

বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বলবেন, তারা আমার কাছে কী চায়? তারা বলবেন, তারা আপনার কাছে জান্নাত চায়। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, তারা কি জান্নাত দেখেছে? ফেরেশতারা বলবেন, না। আপনার সত্তার কসম! হে রব! তারা তা দেখেনি। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, যদি তারা দেখত তবে তারা কী করত? তারা বলবেন, যদি তারা তা দেখত তাহলে তারা জান্নাতের আরো অধিক লোভ করত, আরো অধিক চাইত এবং এর জন্য আরো অতিশয় উৎসাহী হয়ে উঠত। আল্লাহ্ তা'আলা জিজ্ঞেস করবেন, তারা কিসের থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায়? ফেরেশতাগণ বলবেন, জাহান্নাম থেকে। তিনি, জিজ্ঞেস করবেন, তারা কি জাহান্নাম দেখেছে? তারা জবাব দেবেন, আল্লাহর কসম! হে রব! তারা জাহান্নাম দেখেনি। তিনি জিজ্ঞেস করবেন, যদি তারা তা দেখত তখন তাদের কী হত? তাঁরা বলবেন, যদি তারা তা দেখত, তবে তারা এ থকে দ্রুত পালিয়ে যেত এবং একে সাংঘাতিক ভয় করত। তখন আল্লাহ্ তাআলা বলবেন, আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি, আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম। তখন ফেরেশতাদের একজন বলবেন, তাদের মধ্যে অমুক ব্যক্তি আছে, যে তাদের অন্তর্ভুক্ত নয় বরং সে কোন প্রয়োজনে এসেছে। আল্লাহ্ তা'আলা বলবেন, তারা এমন উপবেশনকারীরা যাদের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বিমুখ হয় না।

فضل مجالس الذكر

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ للهِ مَلاَئِكَةً يَطُوفُونَ فِي الطُّرُقِ، يَلْتَمِسُونَ أَهْلَ الذِّكْرِ فَإِنْ وَجَدُوا قَوْمًا يَذْكُرُونَ اللهَ، تَنَادَوْا: هَلُمُّوا إِلَى حَاجَتِكُمْ قَالَ: فَيَحُفُّونَهُمْ بِأَجْنِحَتِهِمْ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا قَالَ: فَيَسْأَلُهُمْ رَبُّهُمْ، وَهُوَ أَعْلَمُ مِنْهُمْ مَا يَقُولُ عِبَادِي قَالُوا: يَقُولُونَ، يُسَبِّحُونَكَ، وَيُكَبِّرُونَكَ، وَيَحْمَدُونَكَ، وَيُمَجِّدُونَكَ قَالَ: فَيَقُولُ هَلْ رَأَوْنِي قَالَ: فَيَقُولُونَ، لاَ وَاللهِ مَا رَأَوْكَ قَالَ: فَيَقُولُ وَكَيْفَ لَوْ رَأَوْنِي قَالَ: يَقُولُونَ، لَوْ رَأَوْكَ كَانُوا أَشَدَّ لَكَ عِبَادَةً، وَأَشَدَّ لَكَ تَمْجِيدًا، وَأَكْثَرَ لَكَ تَسْبِيحًا قَالَ: يَقُولُ فَمَا يَسْأَلُونِي قَالَ: يَسْئَلُونَكَ الْجَنَّةَ قَالَ: يَقُولُ وَهَلْ رَأَوْهَا قَالَ: يَقُولُونَ، لاَ وَاللهِ يَا رَبِّ مَا رَأَوْهَا قَالَ: يَقُولُ فَكَيْفَ لَوْ أَنَّهُمْ رَأَوْهَا قَالَ: يَقُولُونَ لَوْ أَنَّهُمْ رَأَوْهَا، كَانُوا أَشَدَّ عَلَيْهَا حِرْصًا، وَأَشَدَّ لَهَا طَلَبًا، وَأَعْظَمَ فِيهَا رَغْبَةً قَالَ: فَمِمَّ يَتَعَوَّذُونَ قَالَ: يَقُولُونَ مِنَ النَّارِ قَالَ: يَقُولُ وَهَلْ رَأَوْهَا قَالَ: يَقُولُونَ لاَ وَاللهِ مَا رَأَوْهَا قَالَ: يَقُولُ فَكَيْفَ لَوْ رَأَوْهَا قَالَ: يَقُولُونَ لَوْ رَأَوْهَا كَانُوا أَشَدَّ مِنْهَا فِرَارًا، وَأَشَدَّ لَهَا مَخَافَةً قَالَ: فَيَقُولُ فَأُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُمْ قَالَ: يَقُولُ مَلَكٌ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ: فِيهِمْ فُلاَنٌ، لَيْسَ مِنْهُمْ إِنَّمَا جَاءَ لِحَاجَةٍ قَالَ: هُمُ الْجُلَسَاءُ، لاَ يَشْقَى بِهِمْ جَلِيسُهُمْ

حديث أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن لله ملائكة يطوفون في الطرق، يلتمسون أهل الذكر فإن وجدوا قوما يذكرون الله، تنادوا: هلموا إلى حاجتكم قال: فيحفونهم بأجنحتهم إلى السماء الدنيا قال: فيسألهم ربهم، وهو أعلم منهم ما يقول عبادي قالوا: يقولون، يسبحونك، ويكبرونك، ويحمدونك، ويمجدونك قال: فيقول هل رأوني قال: فيقولون، لا والله ما رأوك قال: فيقول وكيف لو رأوني قال: يقولون، لو رأوك كانوا أشد لك عبادة، وأشد لك تمجيدا، وأكثر لك تسبيحا قال: يقول فما يسألوني قال: يسئلونك الجنة قال: يقول وهل رأوها قال: يقولون، لا والله يا رب ما رأوها قال: يقول فكيف لو أنهم رأوها قال: يقولون لو أنهم رأوها، كانوا أشد عليها حرصا، وأشد لها طلبا، وأعظم فيها رغبة قال: فمم يتعوذون قال: يقولون من النار قال: يقول وهل رأوها قال: يقولون لا والله ما رأوها قال: يقول فكيف لو رأوها قال: يقولون لو رأوها كانوا أشد منها فرارا، وأشد لها مخافة قال: فيقول فأشهدكم أني قد غفرت لهم قال: يقول ملك من الملائكة: فيهم فلان، ليس منهم إنما جاء لحاجة قال: هم الجلساء، لا يشقى بهم جليسهم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/৯. হে আল্লাহ! এ দুনিয়ার কল্যাণ দান কর, আখিরাতের কল্যাণ দান কর এবং জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর - এ দু'আর ফযীলত।

১৭২৩. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময়ই এ দুআ পড়তেনঃ “হে আমাদের প্রতিপালক। আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখিরাতেও কল্যাণ দাও। এবং আমাদের অগ্নিযন্ত্রণা থেকে রক্ষা কর” (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২০১)।

فضل الدعاء باللهم آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار

حديث أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ النَبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: اللهُمَّ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً، وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

حديث أنس، قال: كان أكثر دعاء النبي صلى الله عليه وسلم: اللهم ربنا آتنا في الدنيا حسنة، وفي الآخرة حسنة، وقنا عذاب النار

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১০. 'লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ', 'সুবহানাল্লাহ' বলা ও দু'আর ফযীলত।

১৭২৪. আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লোক একশ বার এ দু'আটি পড়বেঃ আল্লাহ ব্যতীত প্ৰকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোন শরীক নেই; রাজত্ব একমাত্র তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও একমাত্র তাঁরই জন্য, আর তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান। তাহলে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সাওয়াব তার হবে। তার জন্য একটি সাওয়াব লেখা হবে এবং আর একশটি গুনাহ মিটিয়ে ফেলা হবে। ঐদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তানের নিকট হতে মাহফুজ থাকবে। কোন লোক তার চেয়ে উত্তম সাওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে ঐ দুআটির আমল বেশি পরিমাণ করবে।

فضل التهليل والتسبيح والدعاء

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَنْ قَالَ لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ فِي كُلِّ يَوْمٍ، مَائَةَ مَرَّةٍ كَانَتْ لَهُ عَدْلَ عَشْرِ رِقَابٍ، وَكُتِبَتْ لَهُ مَائَةُ حَسَنَةٍ، وَمُحِيَتْ عَنْهُ مَائَةُ سَيِّئَةٍ، وَكَانَتْ لَهُ حِرْزًا مِنَ الشَّيْطَانِ، يَوْمَهُ ذلِكَ، حَتَّى يُمْسِي وَلَمْ يَأْتِ أَحَدٌ بِأَفْضَلَ مِمَّا جَاءَ بِهِ، إِلاَّ أَحَدٌ عَمِلَ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ

حديث أبي هريرة رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: من قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير في كل يوم، مائة مرة كانت له عدل عشر رقاب، وكتبت له مائة حسنة، ومحيت عنه مائة سيئة، وكانت له حرزا من الشيطان، يومه ذلك، حتى يمسي ولم يأت أحد بأفضل مما جاء به، إلا أحد عمل أكثر من ذلك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১০. 'লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ', 'সুবহানাল্লাহ' বলা ও দু'আর ফযীলত।

১৭২৫. আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যহ একশ’বার সুবাহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি বলবে তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেয়া হবে তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হলেও।

فضل التهليل والتسبيح والدعاء

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: مَنْ قَالَ سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ، فِي يَوْمٍ مَائَةَ مَرَّةٍ، حَطَّتْ خَطَايَاهُ، وَإِنْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ

حديث أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: من قال سبحان الله وبحمده، في يوم مائة مرة، حطت خطاياه، وإن كانت مثل زبد البحر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১০. 'লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ', 'সুবহানাল্লাহ' বলা ও দু'আর ফযীলত।

১৭২৬. আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দশবার (لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ) পাঠ করল সে যেন ইসমাঈলের বংশের একজন গোলাম আযাদ করার ন্যায় (সওয়াব অর্জন করল)।

فضل التهليل والتسبيح والدعاء

حديث أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ قَالَ عَشْرًا، لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ كَانَ كَمنْ أَعْتَقَ رَقَبَةً مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ

حديث أبي أيوب الأنصاري، عن النبي صلى الله عليه وسلم: من قال عشرا، لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد، وهو على كل شيء قدير كان كمن أعتق رقبة من ولد إسماعيل

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১০. 'লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ', 'সুবহানাল্লাহ' বলা ও দু'আর ফযীলত।

১৭২৭. আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’টি বাক্য এমন যে, মুখে তার উচ্চারণ অতি সহজ, পাল্লায় অনেক ভারী, আর আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। তা হলো (سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ، سبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ)।

فضل التهليل والتسبيح والدعاء

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: كَلِمَتَانِ خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ، ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ، حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمنِ: سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ، سبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

حديث أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: كلمتان خفيفتان على اللسان، ثقيلتان في الميزان، حبيبتان إلى الرحمن: سبحان الله العظيم، سبحان الله وبحمده

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১৩. যিকরে আওয়াজ আস্তে করা মুস্তাহাব।

১৭২৮. আবু মূসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খাইবার যুদ্ধের জন্য বের হলেন কিংবা রাবী বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খাইবারের দিকে যাত্রা করলেন, তখন সাথী লোকজন একটি উপত্যকায় পৌঁছে এই বলে উচ্চস্বরে তাকবীর দিতে শুরু করল- আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু। (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ ব্যতীত কোন প্রকৃত ইলাহ নেই)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা নিজেদের প্রতি দয়া কর। কারণ তোমরা এমন কোন সত্তাকে ডাকছ না যিনি বধির বা অনুপস্থিত। বরং তোমরা তো ডাকছ সেই সত্তাকে যিনি শ্রবণকারী ও অতি নিকটে অবস্থানকারী, যিনি আমাদের সঙ্গেই রয়েছেন। (আবু মূসা আশআরী (রাঃ) বলেন) আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাওয়ারীর পেছনে ছিলাম। তিনি আমাকে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলতে শুনে বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি বললাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, আমি তোমাকে এমন একটি কথা শিখিয়ে দেব কি যা জান্নাতের ভাণ্ডারসমূহের মধ্যে একটি ভাণ্ডার? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তা হল ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

استحباب خفض الصوت بالذكر

حديث أَبِي مُوسى الأَشْعَرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: لَمَّا غَزَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْبَرَ، أَوْ قَالَ: لَمَّا تَوَجَّهَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَشْرَفَ النَّاسُ عَلَى وَادٍ فَرَفَعُوا أَصْوَاتَهُمْ بِالتَّكْبِيرِ: اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ لاَ إِله إِلاَّ اللهُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ارْبَعُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ إِنَّكُمْ لاَ تَدْعُونَ أَصَمَّ وَلاَ غَائِبًا إِنَّكُمْ تَدْعُونَ سَمِيعًا قَرِيبًا، وَهُوَ مَعَكُمْ وَأَنَا خَلْفَ دَابَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَمِعَنِي وَأَنَا أَقُولُ: لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ فَقَالَ لِي: يَا عَبْدَ اللهِ بْنَ قَيْسٍ قُلْتُ: لَبَّيْكَ رَسُولَ اللهِ قَالَ: أَلاَ أَدُلُّكَ عَلَى كَلِمَةٍ مِنْ كَنْزٍ مِنْ كُنُوزِ الْجَنَّةِ قُلْتُ: بَلَى يَا رَسُولَ اللهِ فَدَاكَ أَبِي وَأُمِّي قَالَ: لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ

حديث أبي موسى الأشعري رضي الله عنه، قال: لما غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر، أو قال: لما توجه رسول الله صلى الله عليه وسلم، أشرف الناس على واد فرفعوا أصواتهم بالتكبير: الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: اربعوا على أنفسكم إنكم لا تدعون أصم ولا غائبا إنكم تدعون سميعا قريبا، وهو معكم وأنا خلف دابة رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعني وأنا أقول: لا حول ولا قوة إلا بالله فقال لي: يا عبد الله بن قيس قلت: لبيك رسول الله قال: ألا أدلك على كلمة من كنز من كنوز الجنة قلت: بلى يا رسول الله فداك أبي وأمي قال: لا حول ولا قوة إلا بالله

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১৩. যিকরে আওয়াজ আস্তে করা মুস্তাহাব।

১৭২৯. আবু বাকর সিদ্দীক (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা তিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আরয করলেন, আমাকে সালাতে পাঠ করার জন্য একটি দুআ শিখিয়ে দিন। তিনি বললেন, এ দুটি বলবেঃ

اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ، وَارْحَمْنِي، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! আমি নিজের উপর অধিক যুলম করেছি। আপনি ছাড়া সে অপরাধ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। আপনার পক্ষ হতে আমাকে তা ক্ষমা করে দিন এবং আমার উপর রহমত বর্ষণ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।

استحباب خفض الصوت بالذكر

حديث أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنه، أَنَّهُ قَالَ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: عَلِّمْنِي دُعَاءً أَدْعُو بِهِ فِي صَلاَتِي قَالَ: قُلِ اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ، وَارْحَمْنِي، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

حديث أبي بكر الصديق رضي الله عنه، أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم: علمني دعاء أدعو به في صلاتي قال: قل اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا، ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفر لي مغفرة من عندك، وارحمني، إنك أنت الغفور الرحيم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১৩. যিকরে আওয়াজ আস্তে করা মুস্তাহাব।

১৭৩০. আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে লক্ষ্য করে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি দুআ শিখিয়ে দিন যা দিয়ে আমি আমার সালাতে দু'আ করতে পারি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল,

اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظلْمًا كَثِيرًا، وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مِنْ عِنْدَكَ مَغْفِرَةً، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

হে আল্লাহ্! আমি আমার নফসের ওপর অত্যধিক যুলুম করেছি। অথচ আপনি ব্যতীত আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করার কেউই নেই। সুতরাং আপনার পক্ষ থেকে আমাকে সম্পূর্ণভাবে ক্ষমা করে দিন। নিশ্চয়ই আপনিই অধিক ক্ষমাপরায়ণ ও দয়াবান।

استحباب خفض الصوت بالذكر

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ رضي الله عنه، قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا رَسُولَ اللهِ عَلِّمْنِي دُعَاءً أَدْعُو بِهِ فِي صَلاَتِي قَالَ: قُلِ اللهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظلْمًا كَثِيرًا، وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مِنْ عِنْدَكَ مَغْفِرَةً، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

حديث عبد الله بن عمرو، أن أبا بكر الصديق رضي الله عنه، قال للنبي صلى الله عليه وسلم: يا رسول الله علمني دعاء أدعو به في صلاتي قال: قل اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا، ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفر لي من عندك مغفرة، إنك أنت الغفور الرحيم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১৪. ফিতনা ইত্যাদির ক্ষয়-ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাওয়া।

১৭৩১. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুআ পাঠ করতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে দোযখের সংকট, দোখের আযাব, কবরের সংকট, কবরের আযাব, প্রাচুর্যের ফিতনা ও অভাবের ফিতনা থেকে পানাহ চাই। হে আল্লাহ! আমার অন্তরকে বরফ ও শীতল পানি দিয়ে ধুয়ে দিন। আর আমার অন্তর গুনাহ থেকে এমনভাবে সাফ করে দিন, যেভাবে আপনি সাদা কাপড়ের ময়লা পরিষ্কার করে থাকেন এবং আমাকে আমার গুনাহ থেকে এতটা দূরে সরিয়ে রাখুন, পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তকে পশ্চিম প্রান্ত থেকে যত দূরে রেখেছেন। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট পানাহ চাই অলসতা, গুনাহ এবং ঋণ থেকে।

التعوذ من شر الفتن وغيرها

حديث عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ اللهُمَّ اغْسِلْ قَلْبِي بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا، كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ، كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ، وَالْمَأْثَمِ، وَالْمَغْرَمِ

حديث عائشة قالت: كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول: اللهم إني أعوذ بك من فتنة النار، وعذاب النار، وفتنة القبر، وعذاب القبر، وشر فتنة الغنى، وشر فتنة الفقر اللهم إني أعوذ بك من شر فتنة المسيح الدجال اللهم اغسل قلبي بماء الثلج والبرد ونق قلبي من الخطايا، كما نقيت الثوب الأبيض من الدنس وباعد بيني وبين خطاياي، كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم إني أعوذ بك من الكسل، والمأثم، والمغرم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)

পরিচ্ছেদঃ ৪৮/১৫. অক্ষমতা ও অলসতা থেকে আশ্রয় চাওয়া।

১৭৩২. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই বলতেনঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় চাইছি অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা এবং অতিরিক্ত বাৰ্ধক্য থেকে। আরও আশ্রয় চাইছি, কবরের আযাব থেকে। আর আশ্রয় চাইছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে।

التعوذ من العجز والكسل وغيره

حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ نَبِيُّ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالجُبْنِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ

حديث أنس بن مالك رضي الله عنه، قال: كان نبي الله صلى الله عليه وسلم يقول: اللهم إني أعوذ بك من العجز والكسل، والجبن والهرم وأعوذ بك من عذاب القبر، وأعوذ بك من فتنة المحيا والممات

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-লুলু ওয়াল মারজান
৪৮/ যিক্‌র, দুআ, তাওবাহ এবং ক্ষমা প্রার্থনা (كتاب الذكر والدعاء والتوبة والاستغفار)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩৩ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »