সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ তিনটি কারনের কোন একটি ছাড়া মুসলিম ব্যক্তির খুন হালাল নয়।

২১৬১. আহমাদ ইবন আবদা যাববী (রহঃ) ..... আবূ উমামা ইবন সাহল ইবন হুনায়ফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উসমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন (বিদ্রোহীদের দ্বারা) ঘরে অবরুদ্ধ ছিলেন তখন একদিন উকি মেরে বলেছিলেনঃ তোমাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তোমরা কি জান না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ এই তিন কারণে একটি ছাড়া মুসলিম ব্যক্তির খুন হালাল নয়- বিবাহিত হয়েও যদি যিনা করে বা ইসলাম গ্রহণের পর যদি মুরতাদ হয়ে যায় বা অন্যায়ভাবে যদি কাউকে হত্যা করে আর সেজন্য তাকে হত্যা করা হয়। আল্লাহর কসম জাযেলী যুগে এবং ইসলামের পরও কখনো আমি যিনায় লিপ্ত হইনি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বায়আতের পর থেকে কখনো মুরতাদ হইনি আর আল্লাহ তাআলা যে প্রাণ-বধ হারাম করেছেন তা-ও আমি হত্যা করেনি। সুতরাং কি কারণে তোমরা আমাকে হত্যা করতে চাও? সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৫৩৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে ইবন মাসউদ, আয়িশা ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এ হাদীসটিকে ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান প্রমুখ (রহঃ)-ও এ হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তারা মারফু‘ করেননি, মাওকুফ রূপে রিওয়ায়াত করেছেন। ’উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একাধিক সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে।

باب ما جاء لا يحل دم امرئ مسلم إلا بإحدى ثلاث

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، أَشْرَفَ يَوْمَ الدَّارِ فَقَالَ أَنْشُدُكُمُ اللَّهَ أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ إِلاَّ بِإِحْدَى ثَلاَثٍ زِنًا بَعْدَ إِحْصَانٍ أَوِ ارْتِدَادٍ بَعْدَ إِسْلاَمٍ أَوْ قَتْلِ نَفْسٍ بِغَيْرِ حَقٍّ فَقُتِلَ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَوَاللَّهِ مَا زَنَيْتُ فِي جَاهِلِيَّةٍ وَلاَ فِي إِسْلاَمٍ وَلاَ ارْتَدَدْتُ مُنْذُ بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلاَ قَتَلْتُ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ فَبِمَ تَقْتُلُونَنِي قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَرَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ فَرَفَعَهُ ‏.‏ وَرَوَى يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ هَذَا الْحَدِيثَ فَأَوْقَفُوهُ وَلَمْ يَرْفَعُوهُ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ عُثْمَانَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَرْفُوعًا ‏.

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى بن سعيد، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، أن عثمان بن عفان، أشرف يوم الدار فقال أنشدكم الله أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل دم امرئ مسلم إلا بإحدى ثلاث زنا بعد إحصان أو ارتداد بعد إسلام أو قتل نفس بغير حق فقتل به ‏"‏ ‏.‏ فوالله ما زنيت في جاهلية ولا في إسلام ولا ارتددت منذ بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا قتلت النفس التي حرم الله فبم تقتلونني قال أبو عيسى وفي الباب عن ابن مسعود وعائشة وابن عباس ‏.‏ وهذا حديث حسن ‏.‏ ورواه حماد بن سلمة عن يحيى بن سعيد فرفعه ‏.‏ وروى يحيى بن سعيد القطان وغير واحد عن يحيى بن سعيد هذا الحديث فأوقفوه ولم يرفعوه وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن عثمان عن النبي صلى الله عليه وسلم مرفوعا ‏.


Abu Umamah bin Sahl bin Hunaif narrated that on the day of siege, 'Uthman bin 'Affan stood overlooking the people, and he said:
"I swear to you by Allah! You know that the Messenger of Allah (s.a.w) said: 'The blood of a Muslim man is not lawful, except for one of three (cases):Illegitimate sexual relations after Ihsan (having been married), or apostasy after Islam, or taking a life without right, for which he is killed.' By Allah! I have never committed illegitimate sexual relations, not during Jahiliyyah nor during Islam, and I have not committed apostasy since I gave my pledge to the Messenger of Allah (s.a.w), and I have not taken a life that Allah had made unlawful. So for what do you fight me?"'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ রক্ত ও সম্পদ হারাম।

২১৬২. হান্নাদ (রহঃ) ...... সুলায়মান ইবন আমর ইবন আহওয়াস তার পিতা ’আমর ইবন আহওয়াস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিদায় হজ্জের সময় লোকদের সম্বোধন করে বলতে শুনেছিঃ এটা কোন দিন? লোকেরা বললঃ আজ হজ্জে আকবারের দিন। তিনি বললেনঃ নিশ্চয় তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের সম্ভ্রম পরস্পরের জন্য হারাম যেমন আজকের এ দিন ও এ শহর হারাম। শুনে রাখ, অপরাধী তার নাফসের উপরই অপরাধ করে থাকে; শুনে রাখ, অপরাধী তার সন্তানের উপর আর সন্তান তার জনকের উপর অপরাধ বর্তায় না। শুনে রাখ, তোমাদের এ শহরে আর কখনো শয়তানের ইবাদত করা হবে সে সম্পর্কে শয়তান অবশ্যই নিরাশ হয়ে গেছে। তবে যে সমস্ত কাজকে তোমরা খুবই ছোট বলে মনে করে থাক সে ধরণের কাজ অচিরেই তার আনুগত্য করা হবে। আর তাতেই সে সন্তুষ্ট হবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩০৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ বাকরা, ইবন আব্বাস, জাবির এবং হুযায়ম ইবন আমর সা‘দী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীস হাসান-সহীহ। যাইদা (রহঃ)-ও এটিকে শাবীব ইবন গারকাদা (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। শাবীব ইবন গারকাদা (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।

باب ما جاء دماؤكم وأموالكم عليكم حرام

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ شَبِيبِ بْنِ غَرْقَدَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي حِجَّةِ الْوَدَاعِ لِلنَّاسِ ‏"‏ أَىُّ يَوْمٍ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَوْمُ الْحَجِّ الأَكْبَرِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا أَلاَ لاَ يَجْنِي جَانٍ إِلاَّ عَلَى نَفْسِهِ أَلاَ لاَ يَجْنِي جَانٍ عَلَى وَلَدِهِ وَلاَ مَوْلُودٌ عَلَى وَالِدِهِ أَلاَ وَإِنَّ الشَّيْطَانَ قَدْ أَيِسَ مِنْ أَنْ يُعْبَدَ فِي بِلاَدِكُمْ هَذِهِ أَبَدًا وَلَكِنْ سَتَكُونُ لَهُ طَاعَةٌ فِيمَا تَحْتَقِرُونَ مِنْ أَعْمَالِكُمْ فَسَيَرْضَى بِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَجَابِرٍ وَحُذَيْمِ بْنِ عَمْرٍو السَّعْدِيِّ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَرَوَى زَائِدَةُ عَنْ شَبِيبِ بْنِ غَرْقَدَةَ نَحْوَهُ وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ شَبِيبِ بْنِ غَرْقَدَةَ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا أبو الأحوص، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الأحوص، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في حجة الوداع للناس ‏"‏ أى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا يوم الحج الأكبر ‏.‏ قال ‏"‏ فإن دماءكم وأموالكم وأعراضكم بينكم حرام كحرمة يومكم هذا في بلدكم هذا ألا لا يجني جان إلا على نفسه ألا لا يجني جان على ولده ولا مولود على والده ألا وإن الشيطان قد أيس من أن يعبد في بلادكم هذه أبدا ولكن ستكون له طاعة فيما تحتقرون من أعمالكم فسيرضى به ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أبي بكرة وابن عباس وجابر وحذيم بن عمرو السعدي ‏.‏ وهذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وروى زائدة عن شبيب بن غرقدة نحوه ولا نعرفه إلا من حديث شبيب بن غرقدة ‏.‏


Sulaiman bin 'Amr bin Al-Ahwas narrated from his father who said:
"During the Farewell Pilgrimage, I heard the Messenger of Allah(s.a.w) saying: 'Which day is this?' They said:'The day of Al-Hajj Al-Akbar.'He said:'Indeed your blood, your wealth, your honour is sacred to each other, just as this day of yours is sacred in this city of yours. Indeed, no one commits a crime except against himself. Indeed none commits a crime for which his son is accountable, nor does a child commit a crime for which his father is held accountable. Indeed Ash-Shaitan has lost hope of ever being worshipped in this city of yours, but he will have compliance in what deeds of yours you consider insignificant, which he will be content with."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলিমকে আতংকিত করা কোন মুসলিমের জন্য জায়েয নয়।

২১৬৩. বুন্দার (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবন সাইব ইবন ইয়াযীদ তার পিতা তার পিতামহ ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কৌতুক ভাবেই হোক বা সত্যিকার অর্থেই হোক কোন অবস্থাতেই তোমাদের কেউ তার ভায়ের লাঠিতে হাত দিবে না। কেউ যদি তার ভাইয়ের লাঠি নেয় তবে সে যেন তাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দেয়। -সহিহ লিগাইরিহি, সহিহা ৯২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে ইবন উমার, সুলায়মান ইবন সুরাদ, জা‘দা এবং আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবন আবূ যি‘ব (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমারা জানি না। সাইব ইবন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সংসর্গ পেয়েছেন। শৈশবস্থায় তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা শুনেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যখন ইন্তিকাল হয় তখন সাইব এর বয়স ছিল সাত বছর। তাঁর পিতা ইয়াযীদ ইবন সাইব রাদিয়াল্লাহু আনহুও সাহাবী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তিনি কিছু হাদীসও বর্ণনা করেছেন। সাইব ইবন ইয়াযীদ নামির-এর বোনের ছেলে।

باب ما جاء لا يحل لمسلم أن يروع مسلما

حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَأْخُذْ أَحَدُكُمْ عَصَا أَخِيهِ لاَعِبًا أَوْ جَادًّا فَمَنْ أَخَذَ عَصَا أَخِيهِ فَلْيَرُدَّهَا إِلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَسُلَيْمَانَ بْنِ صُرَدَ وَجَعْدَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ ‏.‏ وَالسَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ لَهُ صُحْبَةٌ قَدْ سَمِعَ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَحَادِيثَ وَهُوَ غُلاَمٌ وَقُبِضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ وَوَالِدُهُ يَزِيدُ بْنُ السَّائِبِ لَهُ أَحَادِيثُ هُوَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ رَوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالسَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ هُوَ ابْنُ أُخْتِ نَمِرٍ

حدثنا بندار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا ابن أبي ذئب، حدثنا عبد الله بن السائب بن يزيد، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يأخذ أحدكم عصا أخيه لاعبا أو جادا فمن أخذ عصا أخيه فليردها إليه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن ابن عمر وسليمان بن صرد وجعدة وأبي هريرة ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث ابن أبي ذئب ‏.‏ والسائب بن يزيد له صحبة قد سمع من النبي صلى الله عليه وسلم أحاديث وهو غلام وقبض النبي صلى الله عليه وسلم وهو ابن سبع سنين ووالده يزيد بن السائب له أحاديث هو من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وقد روى عن النبي صلى الله عليه وسلم والسائب بن يزيد هو ابن أخت نمر


'Abdullah bin As-Sa'ib bin Yazid narrated from his father, from his grandfather who said:
"The Messenger of Allah (s.a.w) said: 'Let one of you not take his brother's staff, neither in play nor seriousness. Whoever took his brother's staff, then let him return it to him."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ কোন মুসলিমকে আতংকিত করা কোন মুসলিমের জন্য জায়েয নয়।

২১৬৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... সাইব ইবন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, (আমার পিতা) ইয়াযীদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বিদায় হজ্জে অংশ গ্রহণ করেন তখন আমি ছিলাম সাত বছরের বালক।

আলী ইবনুল মাদানী ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ কাত্তান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, বারী মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ নির্ভরযোগ্য, সাইব ইবন ইয়াযীদ ছিলেন তাঁর মাতামহ। মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ বলতেন, সাইব ইবন ইয়াযীদ আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমার মাতামহ। হাসান, মাওকূফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

باب ما جاء لا يحل لمسلم أن يروع مسلما

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ حَجَّ يَزِيدُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَجَّةَ الْوَدَاعِ وَأَنَا ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ ‏.‏ فَقَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ كَانَ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ ثَبْتًا صَاحِبَ حَدِيثٍ وَكَانَ السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ جَدَّهُ وَكَانَ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ يَقُولُ حَدَّثَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ وَهُوَ جَدِّي مِنْ قِبَلِ أُمِّي

حدثنا قتيبة حدثنا حاتم بن إسماعيل عن محمد بن يوسف عن السائب بن يزيد قال حج يزيد مع النبي صلى الله عليه وسلم حجة الوداع وأنا ابن سبع سنين ‏.‏ فقال علي بن المديني عن يحيى بن سعيد القطان كان محمد بن يوسف ثبتا صاحب حديث وكان السائب بن يزيد جده وكان محمد بن يوسف يقول حدثني السائب بن يزيد وهو جدي من قبل أمي


Muhammad bin Yusuf narrated that As-Sa'ib bin Yazid said:
"Yazid performed Hajj in the Farewell Pilgrimage with the Prophet (s.a.w) when I was seven years old." So 'Ali bin Al-Madini narrated from Yahya bin Sa'eed Al-Qattan: "Muhammad bin Yusuf was a very reliable narrator of Hadith, and As-Sa'ib bin Yazid was his grandfather, and Muhammad bin Yusuf would say: 'As-Sa'ib bin Yazid narrated to me- and he is my grandfather from my mother's side."'


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র দিয়ে ইশারা করা।

২১৬৫. আবদুল্লাহ ইবন সাব্বাহ হাশিমী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রতি ধারালো কিছু দিয়ে ইশারা করে ফিরিশতাগণ তার উপর লানত করেন। সহীহ, গায়াতুল মারাম ৪৪৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ বাকরা, আয়িশা ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ সূত্রে গারীব। খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ) এর রিওয়ায়াত হিসাবে এটিকে গারীব বলে মনে করা হয়। আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু এটিকে মুহাম্মদ ইবন সীরীন (রহঃ)- আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি মারফূ করেননি। এতে আরো আছে ’‘যদিও সে তার সহোদর ভাই হয়।’’ কুতায়বা (রহঃ) ... আয়্যূব (রহঃ) থেকে তা বর্ণিত হয়েছে।

باب ما جاء في إشارة المسلم إلى أخيه بالسلاح

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الصَّبَّاحِ الْعَطَّارُ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا مَحْبُوبُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَنْ أَشَارَ عَلَى أَخِيهِ بِحَدِيدَةٍ لَعَنَتْهُ الْمَلاَئِكَةُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ وَعَائِشَةَ وَجَابِرٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ يُسْتَغْرَبُ مِنْ حَدِيثِ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ ‏.‏
وَرَوَاهُ أَيُّوبُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، نَحْوَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ وَزَادَ فِيهِ ‏"‏ وَإِنْ كَانَ أَخَاهُ لأَبِيهِ وَأُمِّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَأَخْبَرَنَا بِذَلِكَ قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ بِهَذَا ‏.‏

حدثنا عبد الله بن الصباح العطار الهاشمي، حدثنا محبوب بن الحسن، حدثنا خالد الحذاء، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من أشار على أخيه بحديدة لعنته الملائكة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أبي بكرة وعائشة وجابر ‏.‏ وهذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه يستغرب من حديث خالد الحذاء ‏.‏ ورواه أيوب عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، نحوه ولم يرفعه وزاد فيه ‏"‏ وإن كان أخاه لأبيه وأمه ‏"‏ ‏.‏ قال وأخبرنا بذلك قتيبة حدثنا حماد بن زيد عن أيوب بهذا ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Prophet (s.a.w) said:
"Whoever points a piece of iron at his brother, the angels curse him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ খাপ থেকে বের করা অবস্থায় তলওয়ার আদান-প্রদান নিষেধ।

২১৬৬. আবদুল্লাহ ইবন মুআবিয়া জুমাহী বাসরী (রহঃ) ..... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খাপ থেকে খোলা অবস্থায় পরস্পর তলোয়ার আদান-প্রদান করা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৩৫২৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাম্মাদ ইবন সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর রিওয়ায়াত হিসাবে হাদীসটি গারীব। ইবন লাহীয়া (রহঃ) এ হাদীসটি আবুয-যুবায়র, জাবির ও বাননা জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ ইবন সালামা-এর রিওয়ায়াতটি আমার কাছে অধিকতর সহীহ।

باب ما جاء في النهي عن تعاطي السيف مسلولا

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُتَعَاطَى السَّيْفُ مَسْلُولاً ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ‏.‏ وَرَوَى ابْنُ لَهِيعَةَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ عَنْ بَنَّةَ الْجُهَنِيِّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَحَدِيثُ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عِنْدِي أَصَحُّ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي البصري، حدثنا حماد بن سلمة، عن أبي الزبير، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتعاطى السيف مسلولا ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أبي بكرة ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من حديث حماد بن سلمة ‏.‏ وروى ابن لهيعة هذا الحديث عن أبي الزبير عن جابر عن بنة الجهني عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وحديث حماد بن سلمة عندي أصح ‏.‏


Jabir narrated :
"The Messenger of Allah(s.a.w) prohibited passing an unsheathed sword."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল সে আল্লাহ্‌র যিম্মায় চলে গেল।

২১৬৭. বুনদার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ফজরের সালাত (নামায) আদায় করল সে আল্লাহর যিম্মায় চলে এলো। আল্লাহ যেন তার যিম্মার বিষয়ে তোমাদেরকে কোনরূপ অভিযুক্ত না করেন। সহীহ, সহীহুত তারগিব ৪৬১, তা'লিকুর রাগিব ১/১৪১, ১৫৫, ১৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে জুনদুব ও ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান এ সূত্রে গারীব।

باب ما جاء من صلى الصبح فهو في ذمة الله

حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا مَعْدِيُّ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَجْلاَنَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ فَلاَ يُتْبِعَنَّكُمُ اللَّهُ بِشَيْءٍ مِنْ ذِمَّتِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ جُنْدَبٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا بندار، حدثنا معدي بن سليمان، حدثنا ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا يتبعنكم الله بشيء من ذمته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن جندب وابن عمر ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Prophet (s.a.w) said:
"Whoever prays Subh, then he is under the protection of Allah's covenant, so do not infringe at all upon Allah's covenant."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ মুসলিমদের জামাআত আকড়ে থাকা।

২১৬৮. আহমাদ ইবন মানী (রহঃ) ....... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে জাবিয়া নামক স্থানে ভাষণ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হে লোকেরা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমন আমাদের মাঝে দাঁড়াতেন তেমনি আমি আজ তোমাদের মাঝে দাঁড়িয়েছি। তিনি বলেছেন, আমি তোমাদেরকে আমার সাহাবীগণ সম্পর্কে ওয়াসীয়ত করে যাচ্ছি। এরপর যারা তাদের পরে আসবে, এরপর হল তারা যারা তাদেরও পরে আসবে। এরপর মিথ্যার বিস্তৃতি ঘটবে। এমনকি একজন কসম করে বসবে অথচ তাকে কসম করতে বলা হয়নি। কোন সাক্ষী দিয়ে বসবে অথচ তাকে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়নি। শুনে রাখ, কোন পুরুষ যেন কোন মহিলার সঙ্গে নিভৃতে একত্রিত না হয় অন্যথায় শয়তান অবশ্যই তৃতীয় জন হিসাবে হাযির থাকে। তোমরা অবশ্যই মুসলিম জামাআতকে আকড়ে ধরে থাকবে। বিচ্ছিন্নতা থেকে বেঁচে থাকবে। শয়তান একাকী জনের সাথে থাকে। আর দুই জন থেকে সে আরো দূরে থাকে। যে ব্যক্তি জান্নাতের সর্বোত্তম স্থান কামনা করে সে যেন জামাআতকে আকড়ে ধরে থাকে। নেক আমল যাকে আনন্দিত করে এবং মন্দ আমল যাকে দুঃখিত করে সেই হল মু’মিন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৩৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ এ সূত্রে গারীব। ইবন মুবারক (রহঃ) এটি মুহাম্মদ ইবন সূকা (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।

باب ما جاء في لزوم الجماعة

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَبُو الْمُغِيرَةِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ خَطَبَنَا عُمَرُ بِالْجَابِيَةِ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي قُمْتُ فِيكُمْ كَمَقَامِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِينَا فَقَالَ ‏ "‏ أُوصِيكُمْ بِأَصْحَابِي ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ يَفْشُو الْكَذِبُ حَتَّى يَحْلِفَ الرَّجُلُ وَلاَ يُسْتَحْلَفُ وَيَشْهَدَ الشَّاهِدُ وَلاَ يُسْتَشْهَدُ أَلاَ لاَ يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلاَّ كَانَ ثَالِثَهُمَا الشَّيْطَانُ عَلَيْكُمْ بِالْجَمَاعَةِ وَإِيَّاكُمْ وَالْفُرْقَةَ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ مَعَ الْوَاحِدِ وَهُوَ مِنَ الاِثْنَيْنِ أَبْعَدُ مَنْ أَرَادَ بُحْبُوحَةَ الْجَنَّةِ فَلْيَلْزَمِ الْجَمَاعَةَ مَنْ سَرَّتْهُ حَسَنَتُهُ وَسَاءَتْهُ سَيِّئَتُهُ فَذَلِكَ الْمُؤْمِنُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رَوَاهُ ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا النضر بن إسماعيل أبو المغيرة، عن محمد بن سوقة، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال خطبنا عمر بالجابية فقال يا أيها الناس إني قمت فيكم كمقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فينا فقال ‏ "‏ أوصيكم بأصحابي ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يفشو الكذب حتى يحلف الرجل ولا يستحلف ويشهد الشاهد ولا يستشهد ألا لا يخلون رجل بامرأة إلا كان ثالثهما الشيطان عليكم بالجماعة وإياكم والفرقة فإن الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين أبعد من أراد بحبوحة الجنة فليلزم الجماعة من سرته حسنته وساءته سيئته فذلك المؤمن ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه وقد رواه ابن المبارك عن محمد بن سوقة وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Ibn 'Umar narrated:
" 'Umar delivered a Khutbah to us at Al-Jabiyah. He said: 'O you people! Indeed I have stood among you as the Messenger of Allah(s.a.w) stood among us, and he said: "I order you (to stick to) my Companions, then those who come after them, then those who come after them. Then lying will spread until a man will take an oath when no oath was sought from him, and a witness will testify when his testimony was not sought. Behold! A man is not alone with a woman but the third of them is Ash-Shaitan. Adhere to the Jama'ah, beware of separation, for indeed Ash-Shaitan is with one, and he is further away from two. Whoever wants the best place in Paradise, then let him stick to the Jama'ah. Whoever rejoices with his good deeds and grieves over his evil deeds, then that is the believer among you.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ মুসলিমদের জামাআত আকড়ে থাকা।

২১৬৯. ইয়াহইয়া ইবন মূসা (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর হাত হল জামাআতের উপর। সহীহ, তাখরিজু ইসলাহিল মাসাজিদ ৬১, যিলালুল জান্নাত ১-৮, মিশকাত ১৭৩, বিদায়াতুস সূল ৭০/১৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়াত হিসাবে এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।

باب ما جاء في لزوم الجماعة

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَدُ اللَّهِ مَعَ الْجَمَاعَةِ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا إبراهيم بن ميمون، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يد الله مع الجماعة ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث ابن عباس إلا من هذا الوجه ‏.‏


Ibn 'Abbas narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Allah's Hand is with the Jama'ah."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ মুসলিমদের জামাআত আকড়ে থাকা।

২১৭০. আবূ বাকর ইবন নাফি‘ বাসরী (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা আমার উম্মাতকে (বর্ণনান্তরে উম্মতে মুহাম্মদীকে) কখনো গুমরাহীর উপর অবশ্যই একত্রিত করবেন না। আল্লাহর হাত হল জামাআতের উপর। যে ব্যক্তি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে সে একাকী জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। হাদিসে বর্ণিত "মান শাযযা শাযযা ফিননারি" অংশটুকু ব্যাতিত হাদিসটি সহিহ। মিশকাত ১৭৩, আয যিলাল ৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। আমার মতে সুলায়মান মাদীনী (রহঃ) হলেন, সুলায়মান ইবন সুফইয়ান। তার নিকট থেকে আবূ দাউদ তায়ালিসী, আবূ আমির উকদী প্রমুখ আলিম হাদীস বর্ণনা করেছেন।

باب ما جاء في لزوم الجماعة

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنِي الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الْمَدَنِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ لاَ يَجْمَعُ أُمَّتِي - أَوْ قَالَ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم - عَلَى ضَلاَلَةٍ وَيَدُ اللَّهِ مَعَ الْجَمَاعَةِ وَمَنْ شَذَّ شَذَّ إِلَى النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَسُلَيْمَانُ الْمَدَنِيُّ هُوَ عِنْدِي سُلَيْمَانُ بْنُ سُفْيَانَ وَقَدْ رَوَى عَنْهُ أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ وَأَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ وَغَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ

حدثنا أبو بكر بن نافع البصري، حدثني المعتمر بن سليمان، حدثنا سليمان المدني، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله لا يجمع أمتي - أو قال أمة محمد صلى الله عليه وسلم - على ضلالة ويد الله مع الجماعة ومن شذ شذ إلى النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه ‏.‏ وسليمان المدني هو عندي سليمان بن سفيان وقد روى عنه أبو داود الطيالسي وأبو عامر العقدي وغير واحد من أهل العلم


Ibn 'Umar narrated that the Messenger of Allah(s.a.w) said:
'Indeed Allah will not gather my Ummah " - or he said: "[Muhammad's]Ummah upon deviation, and Allah's Hand is over the Jama'ah, and whoever deviates, he deviates to the Fire."


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ অন্যায় কাজ প্রতিহত না করা হলে আযাব নাযিল হবে।

২১৭১. আহমাদ ইবন মানী‘ (রহঃ) ..... আবূ বাকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হে লোকেরা তোমরা এ আয়াতটি পড়ে থাক-

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لاَ يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ

হে মুমিনগণ, তোমাদের নিজেদের সংশোধনই তোমাদের কর্তব্য। তোমরা যতি হিদায়েতের পথে চল তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (সূরা মায়িদা ৫ঃ ১০৫)

অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ মানুষ যখন যালিমকে যুলুম করতে দেখে তখন তারা যদি তার হাত ধরে প্রতিহত না করে তবে আল্লাহ তাআলা অচিরেই তাদের সবাইকে তার ব্যাপাক আযাবে নিপতিত করবেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪০০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... ইসমাঈল ইবন খালিদ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এ বিষয়ে আয়িশা, উম্মূল সালামা, নুমান ইবন বাশীর, আবদুল্লাহ ইবন উমার এবং হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

একাধিক রাবী এ হাদীসটিকে ইসমাঈল (রহঃ) এর বরাতে ইয়াযীদ (রহঃ)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ ইসমাঈল (রহঃ) থেকে মারফু রূপে আর কেউ কেউ মাওকুফ রূপে এটির রিওয়ায়াত করেছেন।

باب ما جاء في نزول العذاب إذا لم يغير المنكر

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، أَنَّهُ قَالَ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّكُمْ تَقْرَءُونَ هَذِهِ الآيَةَ ‏:‏ ‏(‏يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لاَ يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ)‏ وَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ إِنَّ النَّاسَ إِذَا رَأَوُا الظَّالِمَ فَلَمْ يَأْخُذُوا عَلَى يَدَيْهِ أَوْشَكَ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللَّهُ بِعِقَابٍ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ، وَأُمِّ سَلَمَةَ وَالنُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَحُذَيْفَةَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهَكَذَا رَوَى غَيْرُ، وَاحِدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، نَحْوَ حَدِيثِ يَزِيدَ وَرَفَعَهُ بَعْضُهُمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ، وَأَوْقَفَهُ، بَعْضُهُمْ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن أبي بكر الصديق، أنه قال أيها الناس إنكم تقرءون هذه الآية ‏:‏ ‏(‏يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم)‏ وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن الناس إذا رأوا الظالم فلم يأخذوا على يديه أوشك أن يعمهم الله بعقاب منه ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يزيد بن هارون، عن إسماعيل بن أبي خالد، نحوه ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن عائشة، وأم سلمة والنعمان بن بشير وعبد الله بن عمر وحذيفة ‏.‏ وهذا حديث صحيح ‏.‏ وهكذا روى غير، واحد، عن إسماعيل، نحو حديث يزيد ورفعه بعضهم عن إسماعيل، وأوقفه، بعضهم ‏.‏


Abu Bakr As-Siddiq said:
"O you people! You recite this Ayah: Take care of yourselves! If you follow the guidance no harm shall come to you. I indeed heard the Messenger of Allah (s.a.w) saying: 'When the people see the wrongdoer and they do not take him by the hand, then soon Allah shall envelope you in a punishment from him.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ।

২১৭২. কুতায়বা (রহঃ) ...... হুযায়ফা ইবন ইয়ামান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ সে সত্তার কসম, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ করতে থাক। নতুবা অচিরেই আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর তাঁর আযাব নিপতিত করবেন। তখন তোমরা তাঁর নিকট দুআ করবে কিন্তু তিনি তোমাদের দুআ কবুল করবেন না। সহীহ, সহিহাহ ২৮৬৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

আলী ইবন হজর (রহঃ) ... আমর ইবন আবূ ’আমর (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে।

এ হাদীসটি হাসান।

باب ما جاء في الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَتَأْمُرُنَّ بِالْمَعْرُوفِ وَلَتَنْهَوُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ أَوْ لَيُوشِكَنَّ اللَّهُ أَنْ يَبْعَثَ عَلَيْكُمْ عِقَابًا مِنْهُ ثُمَّ تَدْعُونَهُ فَلاَ يُسْتَجَابُ لَكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عبد الله الأنصاري، عن حذيفة بن اليمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده لتأمرن بالمعروف ولتنهون عن المنكر أو ليوشكن الله أن يبعث عليكم عقابا منه ثم تدعونه فلا يستجاب لكم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ حدثنا علي بن حجر، أخبرنا إسماعيل بن جعفر، عن عمرو بن أبي عمرو، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


Hudhaifah bin Al-Yaman narrated that the Prophet (s.a.w) said:
"By the One in Whose Hand is my soul! Either you command good and forbid evil, or Allah will soon send upon you a punishment from Him, then you will call upon Him, but He will not respond to you. "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হুযাইফাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ।

২১৭৩. নাসর ইবন আলী (রহঃ) ..... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ বাহিনীর কথা আলোচনা করলেন যারা ভূমিতে (জীবন্ত) ধ্বসে যাবে। তখন উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, তাদের মধ্যে হয়ত এমন লোকও থাকবে যাকে জবরদস্তি করে ঐ বাহিনীতে শামিল করা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাদের নিয়্যাত অনুসারে তাদেরকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করা হবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৪০৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদীসটি নাফি ইবন জুবায়র আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।

باب ما جاء في الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِيُّ الأَشْهَلِيُّ عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَقْتُلُوا إِمَامَكُمْ وَتَجْتَلِدُوا بِأَسْيَافِكُمْ وَيَرِثَ دُنْيَاكُمْ شِرَارُكُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ إِنَّمَا نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عبد الله، وهو ابن عبد الرحمن الأنصاري الأشهلي عن حذيفة بن اليمان، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده لا تقوم الساعة حتى تقتلوا إمامكم وتجتلدوا بأسيافكم ويرث دنياكم شراركم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن إنما نعرفه من حديث عمرو بن أبي عمرو ‏.‏


Hudhaifah bin Al-Yaman narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"By the One in Whose Hand is my soul! The Hour will not be established until you fight your A'immah, and you strike each other with your swords, and your world will be inherited by the evilest among you."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

২১৭৪. নাসর ইবন আলী (রহঃ) ... উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ বাহিনীর কথা আলোচনা করলেন যারা ভূমিতে (জীবন্ত) ধ্বসে যাবে। তখন উম্মু সালামা (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে হয়ত এমন লোকও থাকবে যাকে জবরদস্তী করে সেই বাহিনীতে শামিল করা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাদের নিয়্যাত অনুসারে তাদেরকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করা হবে। সহীহ, তা'লীক আলা ইবনু মাজাহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদিসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদিসটি নাফি'-ইবন জুবায়র-আইশা (রাঃ) সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।

باب

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ ذَكَرَ الْجَيْشَ الَّذِي يُخْسَفُ بِهِمْ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ لَعَلَّ فِيهِمُ الْمُكْرَهَ ‏.‏ قَالَ ‏ "‏ إِنَّهُمْ يُبْعَثُونَ عَلَى نِيَّاتِهِمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ عَائِشَةَ أَيْضًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا سفيان، عن محمد بن سوقة، عن نافع بن جبير، عن أم سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه ذكر الجيش الذي يخسف بهم فقالت أم سلمة لعل فيهم المكره ‏.‏ قال ‏ "‏ إنهم يبعثون على نياتهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد روي هذا الحديث عن نافع بن جبير عن عائشة أيضا عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Umm Salamah narrated that the Prophet (s.a.w) mentioned the army that the earth would swallow, so Umm Salamah said:
'Perhaps there are those among them who are averse to it." He said: "They will be resurrected on their intentions."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ হাত বা যবানে অথবা মনে মনে হলেও অন্যায় কর্ম প্রতিহত করা।

২১৭৫. বুনদার (রহঃ) ...... তারিক ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, (ঈদে) সালাতের পূর্বে খুৎবা প্রদানের প্রথম রেওয়াজ শুরু করে মারওয়ান। তখন জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে মারওয়ানকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন, তুমি সুন্নার বিপরীত আচরণ করছ। মারওয়ান বললঃ হে অমুক, ঐ পদ্ধতি পরিত্যাক্ত হয়ে গেছে। এরপর আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, এই ব্যক্তি (প্রতিবাদকারী ব্যক্তি) তার দায়িত্ব পালন করেছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অন্যায় কাজ হতে দেখবে সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিহত করে, তাতে যে সামর্থ নয় সে যেন তার যবান দিয়ে তা প্রতিহত করে, তাতেও যে সমর্থ নয় সে যেন মনে মনে তা ঘৃণা করে। আর এ হল দুর্বলতম ঈমান। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১২৭৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

باب ما جاء في تغيير المنكر باليد أو باللسان أو بالقلب

حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَوَّلُ مَنْ قَدَّمَ الْخُطْبَةَ قَبْلَ الصَّلاَةِ مَرْوَانُ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ لِمَرْوَانَ خَالَفْتَ السُّنَّةَ ‏.‏ فَقَالَ يَا فُلاَنُ تُرِكَ مَا هُنَالِكَ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو سَعِيدٍ أَمَّا هَذَا فَقَدْ قَضَى مَا عَلَيْهِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ رَأَى مُنْكَرًا فَلْيُنْكِرْهُ بِيَدِهِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال أول من قدم الخطبة قبل الصلاة مروان فقام رجل فقال لمروان خالفت السنة ‏.‏ فقال يا فلان ترك ما هنالك ‏.‏ فقال أبو سعيد أما هذا فقد قضى ما عليه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من رأى منكرا فلينكره بيده ومن لم يستطع فبلسانه ومن لم يستطع فبقلبه وذلك أضعف الإيمان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Tariq bin Shihab said:
"The first to advance the Khutbah before the Salat was Marwan. A man stood to say to Marwan: 'You have contradicted the Sunnah.' So he said: 'O so-and-so! What was there it has been left.' So Abu Sa'eed said: 'As for this, he has fulfilled what is upon him. I heard the Messenger of Allah (s.a.w) saying: 'Whomever among you sees an evil, then let him stop it with his hand. Whomever is not able,then with his tongue, and whomever is not able, then with his heart. That is the weakest of faith."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ এ বিষয়ে আরেকটি অনুচ্ছেদ।

২১৭৬. আহমাদ ইবন মানী‘ (রহঃ) ...... নু‘মান ইবন বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর হুদুদের উপর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি এবং এ বিষয়ে অবহেলা প্রদর্শনকারীর উদাহরণ হল এমন এক সম্প্রদায়ের মত, যারা লটারীর মাধ্যমে সমুদ্রের মাঝে জাহাজে নিজ নিজ আসন নির্ধারণ করল। কতকজন তো পেল উপর তলার আসন আর কতক জন পেল নীচ তলার আসন, যারা নীচ তলার ছিল তারা উপর তলায় চড়ত সেখানে তারা পানি পান করত এবং উপর তলার লোকদের উপরও তা পড়ত। সুতরাং উপর তলার লোকেরা বলল, তোমাদের জন্য আমরা উপরের উঠার সুযোগ ছাড়তে পারি না। কারণ, তোমরা আমাদের কষ্ট দিচ্ছ। নীচের তলার এরা বললঃ তা হলে আমরা জাহাজের নীচ দিয়ে ছিদ্র করে নিব এবং পানি লাভ করব। এমতাবস্থায় উপর তলার লোকেরা যদি তাদের হাত ঝাপটে ধরে এবং এ কাজ থেকে তাদের বিরত রাখে তবে সকলেই মুক্তি পাবে কিন্তু তারা যদি এদেরকে ছেড়ে রাখে তবে সকলেই ডুববে। সহীহ, সহিহাহ ৬৯, তা'লিকুর রাগিব ২/১৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

باب منه

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَثَلُ الْقَائِمِ عَلَى حُدُودِ اللَّهِ وَالْمُدْهِنِ فِيهَا كَمَثَلِ قَوْمٍ اسْتَهَمُوا عَلَى سَفِينَةٍ فِي الْبَحْرِ فَأَصَابَ بَعْضُهُمْ أَعْلاَهَا وَأَصَابَ بَعْضُهُمْ أَسْفَلَهَا فَكَانَ الَّذِينَ فِي أَسْفَلِهَا يَصْعَدُونَ فَيَسْتَقُونَ الْمَاءَ فَيَصُبُّونَ عَلَى الَّذِينَ فِي أَعْلاَهَا فَقَالَ الَّذِينَ فِي أَعْلاَهَا لاَ نَدَعُكُمْ تَصْعَدُونَ فَتُؤْذُونَنَا فَقَالَ الَّذِينَ فِي أَسْفَلِهَا فَإِنَّا نَنْقُبُهَا مِنْ أَسْفَلِهَا فَنَسْتَقِي فَإِنْ أَخَذُوا عَلَى أَيْدِيهِمْ فَمَنَعُوهُمْ نَجَوْا جَمِيعًا وَإِنْ تَرَكُوهُمْ غَرِقُوا جَمِيعًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مثل القائم على حدود الله والمدهن فيها كمثل قوم استهموا على سفينة في البحر فأصاب بعضهم أعلاها وأصاب بعضهم أسفلها فكان الذين في أسفلها يصعدون فيستقون الماء فيصبون على الذين في أعلاها فقال الذين في أعلاها لا ندعكم تصعدون فتؤذوننا فقال الذين في أسفلها فإنا ننقبها من أسفلها فنستقي فإن أخذوا على أيديهم فمنعوهم نجوا جميعا وإن تركوهم غرقوا جميعا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


An-Nu'man bin Bashir narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"The parable of the one who upholds Allah's laws and the one who breaches them, is that of a people who drew lots on a ship at sea. Some of them got the upper part, and some of them the lower part. Those on the lower part ascended to get water, spilling it upon those upper part. So those in the upper part say: 'We will not leave you to come up here and bother us.' Then those on the lower part say: 'We should make a hole in the lower part, so we can get water.' If they take them by the hand and stop them, then they will save all of them, and if they leave them, they will all drown."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ যালিম কর্তৃপক্ষের সামনে ন্যায়ের কথা বলা সর্বোত্তম জিহাদ।

২১৭৭. কাসিম ইবন দীনার কুফী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সব চেয়ে বড় জিহাদ হল অত্যাচারী কর্তৃপক্ষের সামনে ন্যায় কথা বলা। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪০১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি এ সূত্রে হাসান-গারীব।

باب ما جاء أفضل الجهاد كلمة عدل عند سلطان جائر

حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ دِينَارٍ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُصْعَبٍ أَبُو يَزِيدَ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ مِنْ أَعْظَمِ الْجِهَادِ كَلِمَةَ عَدْلٍ عِنْدَ سُلْطَانٍ جَائِرٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا القاسم بن دينار الكوفي، حدثنا عبد الرحمن بن مصعب أبو يزيد، حدثنا إسرائيل، عن محمد بن جحادة، عن عطية، عن أبي سعيد الخدري، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن من أعظم الجهاد كلمة عدل عند سلطان جائر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أبي أمامة ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏


Abu Sa'eed Al-Khudri narrated that the Prophet (s.a.w) said:
"Indeed, among the greatest types of Jihad is a just statement before a tyrannical ruler."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ এ উম্মতের বিষয়ে নবী (ﷺ) এর তিনটি প্রার্থনা।

২১৭৮. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবন খাব্বাব ইবন আরত তার পিতা খাব্বাব ইবন আরাত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায) আদায় করেন এবং তা দীর্ঘ করেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এমন সালাত (নামায) আজ আদায় করলেন যা আর কখনো করেননি। তিনি বললেন, হ্যাঁ, ঠিকই। এ হল আশা ও ভয়ের সালাত (নামায)। এতে আমি আল্লাহর নিকট তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেছিলাম। আমাকে দুটি বিষয় দিয়ে দিয়েছেন আর একটি বিষয় মানা করে দিয়েছেন। আমি তাঁর কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে না দেন। আমার এই প্রার্থনা কবুল করেন। আমি প্রার্থনা করেছিলাম, তাদের বিজাতীয় শত্রুকে তাদের উপর যেন ব্যাপক ভাবে চাপিয়ে না দেন। আমার এ প্রার্থনাও কবুল করেন। প্রার্থনা করেছিলাম তারা পরস্পরে যেন যুদ্ধবিগ্রহের আস্বাদ না নেয়, আমার প্রার্থনা মানা করে দেন। সহীহ, সিফাতুস সালাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে সা‘দ এবং ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

باب ما جاء في سؤال النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثا في أمته

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، سَمِعْتُ النُّعْمَانَ بْنَ رَاشِدٍ، يُحَدِّثُ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَبَّابِ بْنِ الأَرَتِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةً فَأَطَالَهَا قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّيْتَ صَلاَةً لَمْ تَكُنْ تُصَلِّيهَا قَالَ ‏ "‏ أَجَلْ إِنَّهَا صَلاَةُ رَغْبَةٍ وَرَهْبَةٍ إِنِّي سَأَلْتُ اللَّهَ فِيهَا ثَلاَثًا فَأَعْطَانِي اثْنَتَيْنِ وَمَنَعَنِي وَاحِدَةً سَأَلْتُهُ أَنْ لاَ يُهْلِكَ أُمَّتِي بِسَنَةٍ فَأَعْطَانِيهَا وَسَأَلْتُهُ أَنْ لاَ يُسَلِّطَ عَلَيْهِمْ عَدُوًّا مِنْ غَيْرِهِمْ فَأَعْطَانِيهَا وَسَأَلْتُهُ أَنْ لاَ يُذِيقَ بَعْضَهُمْ بَأْسَ بَعْضٍ فَمَنَعَنِيهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعْدٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت النعمان بن راشد، يحدث عن الزهري، عن عبد الله بن الحارث، عن عبد الله بن خباب بن الأرت، عن أبيه، قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة فأطالها قالوا يا رسول الله صليت صلاة لم تكن تصليها قال ‏ "‏ أجل إنها صلاة رغبة ورهبة إني سألت الله فيها ثلاثا فأعطاني اثنتين ومنعني واحدة سألته أن لا يهلك أمتي بسنة فأعطانيها وسألته أن لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فأعطانيها وسألته أن لا يذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏ وفي الباب عن سعد وابن عمر ‏.‏


'Abdullah bin Khabbab bin Al-Aratt narrated from his father:
"The Messenger of Allah (s.a.w) performed Salat, making it long. They said: 'O Messenger of Allah! You have performed Salat (in a manner) which you do not ordinarily perform it.' He said: 'Yes, It was a prayer of hope and fear. In it I asked Allah for three things. He granted me two, and withheld one from me. I asked him that my Ummah not be destroyed by drought. He granted that. I asked him that they not be overcome by enemies from other then them. He granted that. And I asked him that some of them not suffer from the harm of others, and He withheld that."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ এ উম্মতের বিষয়ে নবী (ﷺ) এর তিনটি প্রার্থনা।

২১৭৯. কুতায়বা (রহঃ) ...... ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা আমার জন্য যমীন সংকুচিত করে দেন। এতে আমি এর পূর্ব-পশ্চিম সব দিক প্রত্যক্ষ করি। পৃথিবীর যতটুকু আমার জন্য সংকোচিত করে দেওয়া হয় আমার উম্মাতের সাম্রাজ্য অচিরেই ততদুর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। আমাকে লাল (স্বর্ণ) ও সাদা (রৌপ্য) উভয় খাজানায়ই প্রদান করা হয়। আমি আমার প্রভুর নিকট আমার উম্মাতের জন্য দুআ করেছিলাম তিনি যেন তাদেরকে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে না দেন, তিনি যেন এমন কোন বিজাতি শত্রু তাদের উপর কর্তৃত্বাধিকারী করে না দেন যারা তাদের সমূলে উৎপাটিত করে দিবে।

আমার রব বললেনঃ হে মুহাম্মসদ, আমি যখন কোন ফায়সালা করি তখন তা রদ হওয়ার নয়। আমি আপনার উম্মাতের বিষয়ে আপনাকে দিয়ে দিলাম যে, তাদেরকে আমি ব্যাপক দূর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে দিব না, বিজাতি শত্রুকে তাদের উপর এমন কর্তৃত্বাধিকারী করব না যে তাদের সমূলে উৎখাত করে দিতে পারবে যদিও সব দিক থেকে সকলেই তারা একত্রিত হয়ে আসে। তবে তাদের কতক কতককে ধবংশ করবে এবং কতক কতকককে বন্দী করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৯৫২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

باب ما جاء في سؤال النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثا في أمته

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ الرَّحَبِيِّ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ زَوَى لِيَ الأَرْضَ فَرَأَيْتُ مَشَارِقَهَا وَمَغَارِبَهَا وَإِنَّ أُمَّتِي سَيَبْلُغُ مُلْكُهَا مَا زُوِيَ لِي مِنْهَا وَأُعْطِيتُ الْكَنْزَيْنِ الأَحْمَرَ وَالأَصْفَرَ وَإِنِّي سَأَلْتُ رَبِّي لأُمَّتِي أَنْ لاَ يُهْلِكَهَا بِسَنَةٍ عَامَّةٍ وَأَنَّ لاَ يُسَلِّطَ عَلَيْهِمْ عَدُوًّا مِنْ سِوَى أَنْفُسِهِمْ فَيَسْتَبِيحَ بَيْضَتَهُمْ وَإِنَّ رَبِّي قَالَ يَا مُحَمَّدُ إِنِّي إِذَا قَضَيْتُ قَضَاءً فَإِنَّهُ لاَ يُرَدُّ وَإِنِّي أَعْطَيْتُكَ لأُمَّتِكَ أَنْ لاَ أُهْلِكَهُمْ بِسَنَةٍ عَامَّةٍ وَأَنْ لاَ أُسَلِّطَ عَلَيْهِمْ عَدُوًّا مِنْ سِوَى أَنْفُسِهِمْ فَيَسْتَبِيحَ بَيْضَتَهُمْ وَلَوِ اجْتَمَعَ عَلَيْهِمْ مَنْ بِأَقْطَارِهَا أَوْ قَالَ مَنْ بَيْنَ أَقْطَارِهَا حَتَّى يَكُونَ بَعْضُهُمْ يُهْلِكُ بَعْضًا وَيَسْبِي بَعْضُهُمْ بَعْضًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله زوى لي الأرض فرأيت مشارقها ومغاربها وإن أمتي سيبلغ ملكها ما زوي لي منها وأعطيت الكنزين الأحمر والأصفر وإني سألت ربي لأمتي أن لا يهلكها بسنة عامة وأن لا يسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم وإن ربي قال يا محمد إني إذا قضيت قضاء فإنه لا يرد وإني أعطيتك لأمتك أن لا أهلكهم بسنة عامة وأن لا أسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم ولو اجتمع عليهم من بأقطارها أو قال من بين أقطارها حتى يكون بعضهم يهلك بعضا ويسبي بعضهم بعضا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Thawban narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Indeed Allah gathered the earth for me so that I saw its east and its west. And surely my Ummah's authority shall reach over all that was shown to me of it. And I have been granted the two treasures; the red and the white. I asked my Lord that my Ummah is not to be destroyed by a universal drought, and that He does not overcome them by enemies outside of them, reaching to their heart of power. My Lord said: 'O Muhammad! When I issue a decree it is not reversed. I have granted for your Ummah that they shall not be destroyed by universal drought. And that they not be overcome by enemies outside of themselves reaching to their heart of power- even if they gather against them from all the regions."' Or he said: "Among the regions. But some of them will destroy others, and some will capture others."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সাওবান (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি ফিতনার যুগে থাকবে।

২১৮০. ইমরান ইবন মূসা কাযযায বাসরী (রহঃ) ...... উম্মু মালিক বাহযিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং তা অত্যন্ত নিকটবর্তী বলে বর্ণনা দেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এতদপ্রেক্ষিতে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে হবেন? তিনি বললেন, এক ব্যক্তি হল যে তার পশুপালের মাঝে অবস্থান করবে এবং এগুলোর হক আদায় করবে আর তার রবের ইবাদত করবে। আরেক জন হল সেই ব্যক্তি যে তার ঘোড়ার মাথা ধরে থাকবে এবং শত্রুদের ভয় দেখাবে আর তারাও তাকে ভয় দেখাবে। সহীহ, সহিহাহ ৬৯৮, তা'লিকুর রাগীব ২/১৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে উম্মু মুবাশশির, আবূ সাঈদ খুদরী এবং ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম এটিকে তাউস উম্মু মালিক বাহযিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।

باب ما جاء كيف يكون الرجل في الفتنة

حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى الْقَزَّازُ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ أُمِّ مَالِكٍ الْبَهْزِيَّةِ، قَالَتْ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِتْنَةً فَقَرَّبَهَا قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ خَيْرُ النَّاسِ فِيهَا قَالَ ‏ "‏ رَجُلٌ فِي مَاشِيَتِهِ يُؤَدِّي حَقَّهَا وَيَعْبُدُ رَبَّهُ وَرَجُلٌ آخِذٌ بِرَأْسِ فَرَسِهِ يُخِيفُ الْعَدُوَّ وَيُخِيفُونَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ مُبَشِّرٍ وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رَوَاهُ اللَّيْثُ بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ أُمِّ مَالِكٍ الْبَهْزِيَّةِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا عمران بن موسى القزاز البصري، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا محمد بن جحادة، عن رجل، عن طاوس، عن أم مالك البهزية، قالت ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم فتنة فقربها قالت قلت يا رسول الله من خير الناس فيها قال ‏ "‏ رجل في ماشيته يؤدي حقها ويعبد ربه ورجل آخذ برأس فرسه يخيف العدو ويخيفونه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أم مبشر وأبي سعيد الخدري وابن عباس ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد رواه الليث بن أبي سليم عن طاوس عن أم مالك البهزية عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Umm Malik Al-Bahziyyah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) mentioned Fitnah, such that it was drawing near. She said:
"I said: 'O Messenger of Allah! Who is the best of people during it?' He said: 'A man among his livestock, who pays what is due on them, and worships his Lord. And a man clutching a head of his horse, terrified of his enemy, and they terrified oh him."'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১১২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 পরের পাতা »