মানহাজ (আল-আজবিবাতুল মুফীদাহ) শাইখ ড. ছলিহ ইবনে ফাওযান আল ফাওযান ৩ টি অধ্যায় ১২০ টি অনুচ্ছেদ সম্পূর্ণ বইটি একসাথে পড়তে
মানহাজ (আল-আজবিবাতুল মুফীদাহ) শাইখ ড. ছলিহ ইবনে ফাওযান আল ফাওযান ৩ টি অধ্যায় ১২০ টি অনুচ্ছেদ সম্পূর্ণ বইটি একসাথে পড়তে
অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ তালিকা
ভূমিকা অনুচ্ছেদ ৩ টি গ্রন্থাকারের ভূমিকা তৃতীয় সংস্করণের ভূমিকা এই পুস্তিকার ৩য় সংস্করণ প্রকাশের ব্যাপারে শায়খের অনুমতি শায়েখ ড. সলিহ ইবনে ফাওযান আল ফাওযান হাফিযাহুল্লাহর সংক্ষিপ্ত জীবনী অনুচ্ছেদ ১ টি সংক্ষিপ্ত জীবনী নিত্য নতুন মানহাজ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উপকারী জবাব অনুচ্ছেদ ১১৬ টি প্রশ্ন-১ : গ্রীষ্মকালীন কেন্দ্রসমূহে অংশগ্রহণকারী ভাইদের প্রতি আপনার উপদেশ কী? যখন শায়খ ও আলিমগণের ক্লাস এবং গ্রীষ্মকালীন কেন্দ্রের কোর্সের সময় পরস্পর বিরোধী হয়, তখন তারা কি ক্লাসে অংশগ্রহণ করবে নাকি কেন্দ্রসমূহে অবস্থান করবে? যুবকদের মাঝে এ বিষয় নিয়ে বেশি বেশি আলোচনা হওয়ায় বিষয়টি সবিস্তারে জানাবেন প্রশ্ন-২ : গ্রীষ্মকালীন কেন্দ্রসমূহে অভিনয় ও সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়; এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী? প্রশ্ন-০৩ : ফিকহুল ওয়াক্বে‘ (فقه الواقع)[1] দ্বারা কী উদ্দেশ্য? এর সুস্পষ্ট বিশ্লেষণ জানতে চাই। কারণ তার শারঈ অর্থ গ্রহণ না করে আভিধানিক অর্থ গ্রহণ করা হয়। প্রশ্ন-৪ : বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধরনের ইসলামী জামাত বা দলের নাম শুনতে পাই। এসব নামের ভিত্তি কী? তারা যদি কোন বিদআত না করে তাহলে তাদের সাথে অংশগ্রহণ করা কি বৈধ হবে? প্রশ্ন-৫ : কে তুলনামূলক বেশি কষ্টদায়ক আযাবপ্রাপ্ত হবে: সাধারণ পাপী নাকি বিদাতী? প্রশ্ন-৬ : বিভিন্ন দলের সাথে যারা সম্পৃক্ত হয় তারাও কি বিদাতী বলে গণ্য হবে? প্রশ্ন-৭ : বিভিন্ন জামাত বা দল সম্পর্কে আপনার মতামত কী? প্রশ্ন-৮ : বিভিন্ন জামাত বা দলের সাথে মেশা যাবে নাকি সেগুলো পরিত্যাগ করতে হবে? প্রশ্ন-৯ : আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত বিরোধী এ সকল ফিরকা থেকে (জনগণকে) সতর্ক করাতে কোন সমস্যা আছে কি? প্রশ্ন-১০ : যাদের থেকে (জনগণকে) সতর্ক করব তাদের ভালো দিকগুলোও কি উল্লেখ করা জরূরী? প্রশ্ন-১১ : তাবলীগ জামাত বলে যে, তারা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আদর্শের উপর চলতে ইচ্ছুক। কিন্তু তাদের কেউ ভুল করতেই পারে। সেজন্য তারা বলে, তোমরা কীভাবে আমাদের উপর হুকুম লাগাও এবং আমাদের থেকে সতর্ক করো? প্রশ্ন-১২ : এ জামাতগুলো কি ধ্বংসপ্রাপ্ত ৭২ ফিরকার অন্তর্ভুক্ত হবে? প্রশ্ন-১৩ : কেউ সালাফী নাম ধারণ করলে এর দ্বারা কি বুঝায় যে, সে ফিরকাবাজী করছে? প্রশ্ন-১৪ : এ কথা সুবিদিত যে, আল্লাহর পথে দাওয়াত করার জন্য শারঈ জ্ঞান প্রয়োজন, এ ইলম কি কুরআন হাদীছ মুখস্থ করা? মাদরাসা এবং বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে যে ইলম দেয়া হয়, আল্লাহর পথে দাওয়াত দেয়ার জন্য তা কি যথেষ্ট? প্রশ্ন-১৫ : কেউ কেউ মনে করে, শুধু আলিমগণই আল্লাহর পথে দাওয়াত দিবেন। অন্য সাধারণ লোকেরা যে জ্ঞান রাখে তা দ্বারা তাদের জন্য দাওয়াত দেয়া আবশ্যক নয়। এ ব্যাপারে আপনার নির্দেশনা কী? প্রশ্ন-১৬ : বর্তমানে দাওয়াতী সংগঠন ও দাঈ ইলাল্লাহ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু মানুষের পক্ষ থেকে সাড়া কমে গেছে। এর রহস্য কী? প্রশ্ন-১৭: দাওয়াতের পদ্ধতি কী তাওক্বীফিয়্যাহ (অপরিবর্তনীয়) নাকি ইজতিহাদিয়্যাহ (গবেষণার মাধ্যমে পরিবর্তনযোগ্য)? প্রশ্ন-১৮ : উপদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে উত্তম পন্থা কী? বিশেষতঃ শাসকদের উপদেশ দেয়ার ক্ষেত্রে মঞ্চে তাদের মন্দ কাজের দুর্নাম করা নাকি গোপনে উপদেশ প্রদান করা? এ মাসআলায় সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট জানতে চাই প্রশ্ন-১৯ : বর্তমানে যুবকদের মাঝে এ মত ছড়িয়ে পড়েছে যে, সমালোচনার ক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করা অত্যাবশ্যক। তারা বলে ‘‘যখন তুমি কোন মানুষকে তার বিদআতের ব্যাপারে সমালোচনা করবে, তার দোষত্রুটি বর্ণনা করবে তখন তোমার জন্য আবশ্যক হবে যে, তুমি তার ভালো দিকগুলোও উল্লেখ করবে’’। সমালোচনার ক্ষেত্রে এই কর্মপদ্ধতি কি সঠিক? সমালোচনার ক্ষেত্রে দোষত্রুটি উল্লেখ করা কি ওয়াজিব? প্রশ্ন-২০ : অনেক লোক বলে যে, ‘‘ইয়াহূদীদের সাথে আমাদের বিরোধ কোন ধর্মীয় বিরোধ নয়: কেননা আল-কুরআনুল কারীমে তাদের বন্ধুত্ব গ্রহণ করা ও আন্তরিক হওয়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।’’ এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?[1] প্রশ্ন-২১ : পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের ভুল ভ্রান্তির সমালোচনা করা ও জনগণকে সতর্ক করার জন্য মাসজিদে সেগুলো পাঠ করা যাবে কি? প্রশ্ন-২২ : যদি কোন পত্রিকায় ভুল-ভ্রান্তি থাকে তাহলে কি আমরা তার প্রতিবাদ করতে পারবো? পারবো কি মানুষের নিকট বর্ণনা করতে? প্রশ্ন-২৩ : ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) সম্পর্কে বলা হয় যে ‘‘তিনি জাহমিয়্যাহদের পেছনে সালাত আদায় করেছেন’’ একথা কি সঠিক? প্রশ্ন-২৪ : আমাদের নিকট আগত বিভিন্ন জামা‘আতে যোগ দেওয়া, তাদেরকে সাহায্য করা ও প্রতিরক্ষা করার বিধান কী? প্রশ্ন-২৫ : একদিকে একদল মানুষ কোন মাযহাব বা আলিমকে নিয়ে গোঁড়ামি করে। অন্যদিকে আরেকদল মাযহাব মেনে চলা বা কোন আলিমের অনুসরণ করাকে দেয়ালে নিক্ষেপ করার মত প্রত্যাখ্যান করে, ইমাম ও আলিমগণের দিকনির্দেশনা থেকে বিমুখ থাকে। এ ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন-২৬ : অনেক লোকের, বিশেষত অনেক প্রাথমিক ছাত্রের মনে উদ্রেক হয় যে, ইলমী মাজলিসে বেশি বেশি অংশগ্রহণ করলে, বেশি বেশি দলীল-প্রমাণ জানলে, সে এই ‘ইলমের কতখানি তাবলীগ করেছে, কতটুকুই বা নিজে ‘আমল করেছে এ ব্যাপারে বেশি জিজ্ঞাসিত হবে। সুতরাং তারা এই জিজ্ঞাসিত হওয়ার ভয়ে শারঈ ‘ইলম অর্জন করা থেকে দূরে সরে যায়। এ সকল লোকদের ব্যাপারে আপনাদের দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন নং ২৭: ছাত্রদের ইলম অর্জনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে- এমন কতিপয় বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দলাদলির সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে তারা কোন কোন আলেমের সম্মানের হানি করছে; আবার কারো কারো ব্যাপারে অতিভক্তি দেখাচ্ছে। সম্মানিত শায়েখ! অনুগ্রহপূর্বক আমাদের জন্য বিষয়টি স্পষ্ট করবেন। কারণ এই মাসআলাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ; তাছাড়া বর্তমানে ছাত্রদের মাঝে এ সমস্যাটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অতএব, এ ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন-২৮ : এ বক্তব্য সম্পর্কে আপনাদের বক্তব্য কি? আমি মুহাম্মাদ সুরুর ইবনে নায়েফ যায়নুল আবিদীনের ‘মানহাজুল আম্বিয়া ফিদ দাওয়াতি ইলাল্লাহ’ নামক বইটি পড়েছি। সেখানে লেখক বলেছেন, ‘‘আমি ‘আকীদার বই-পুস্তক দেখেছি। লক্ষ্য করেছি সেগুলো আমাদের যুগের আগে অন্য যুগে লিখিত। সেগুলো যে যুগে লেখা হয়েছিল সে যুগের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান সেখানে স্থান পেয়েছে। কিন্তু আমাদের যুগের সমস্যাগুলোর নতুনভাবে সমাধান করা প্রয়োজন। বলা চলে, ‘আকীদার বই সমূহের অনেক নিয়মে জড়তা রয়েছে। কেননা সেগুলো মূলতঃ কতগুলো নস ও আহকামের সমষ্টি। আর এ কারণেই অধিকাংশ যুবক এ বই-পুস্তক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এ কথায় আপনার মন্তব্য কী?[1] প্রশ্ন-২৯ : মুহাম্মাদ সুরুর তার ‘‘মানহাজুল আম্বিয়া ফিদ্ দাওয়াতি ইলাল্লাহ’’ নামক গ্রন্থে বলেছেন, ‘ক্বওমে লূত যদি তাদের পাপে অব্যাহত থাকত, তবে লা ইলাহা ইলাল্লাহ বললেও তা তাদের কোন উপকারে আসত না’। এই মত খণ্ডনে আপনার অভিমত কী? প্রশ্ন-৩০ : ‘মানহাজুল আম্বিয়া’ নামক পূর্বোক্ত কিতাবের ব্যাপারে অবস্থান কী হওয়া দরকার? প্রশ্ন-৩১ : বর্তমানে ইসলামী সমাজকে জাহিলী সমাজ বলা কি জায়েয? প্রশ্ন-৩২ : যারা বলে যে বর্তমানে ইসলামী উম্মাহ অনুপস্থিত, তাদের ব্যাপারে আপনার মতমত কী? প্রশ্ন-৩৩ : আল ক্বুত্বুবিয়্যাহ নামক কিতাবের ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? আপনি কি আমাদেরকে তা পাঠ করার জন্য নছীহত করবেন? সমালোচনা গ্রন্থ লেখা কি সালাফে সালেহীনের মানহাজ অনুযায়ী সঠিক? প্রশ্ন-৩৪ : বর্তমানের কিছু যুবকের মাঝে আকীদা শিক্ষা করা, এ ব্যাপারে পড়াশুনা করা ও এর উপর গুরুত্ব প্রদানের প্রতি অনীহা ও বিমুখতা পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং তাদেরকে অন্যান্য ব্যাপারে মশগূল থাকতে দেখা যাচ্ছে। এ জাতীয় যুবকদের ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন-৩৫ : অনেক যুবক সালাফে সালেহীনের ‘আকীদা বিশুদ্ধকারী বই-পুস্তক থেকে বিমুখ হয়েছে। যেমন ইবনু আবি আছিমের আস-সুন্নাহ নামক গ্রন্থ ও সালাফদের অন্যান্য গ্রন্থ, যেগুলো আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মানহাজ, সুন্নাত ও সুন্নাতপন্থীদের ব্যাপারে তাদের ভূমিকা এবং বিদআত ও বিদাতীদের ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়। এগুলো ছেড়ে তারা কথিত চিন্তাবিদ ও দাঈদের বই-পুস্তক পাঠে মগ্ন হয়, যাদের লিখনি ও কথা-বার্তায় সালাফদের বিরোধিতা রয়েছে। সুতরাং ঐ সকল যুবকদের ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা কী? তাদের আকীদা বিশুদ্ধ করতে সালাফদের কোন কোন বই পড়তে উপদেশ দিবেন? প্রশ্ন-৩৬ : যুবকদের মধ্যে কেউ কেউ (আলেম-উলামার) ধারণকৃত (অডিও/ভিডিও) ইলমী দারস ও বিশ্বস্ত আলেমগণের চলমান দারস নিয়মিত গ্রহণ করা থেকে বিমুখ হয়েছে। তারা এ কাজকে গুরুত্বহীন ও কম উপকারী মনে করে বর্তমান যুগের রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় ঝুঁকে পড়েছে। তারা মনে করছে, যেহেতু উক্ত আলোচনা সভাগুলোতে সমকালীন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাই সেগুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ রকম যুবকদের প্রতি আপনার দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন-৩৭ : গ্রীষ্মকালীন কেন্দ্রসমূহে কিছু যুবক কথিত দ্বীনী অভিনয় ও ইসলামী সংগীতের আয়োজন করে থাকে, এগুলোর হুকুম কী? প্রশ্ন-৩৮ : যে সকল যুবকেরা তাদের মাজলিস সমূহে এদেশের শাসকদেরকে গালিগালাজ করে, অপবাদ দেয় তাদের ব্যাপারে আপনার মত কী? প্রশ্ন-৩৯ : মুহাম্মাদ কুতুব ‘হাওলা তাত্ববীকিশ শরী‘আহ’ নামক গ্রন্থে বলেছেন যে, ‘‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর অর্থ হলো আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বুদ বা উপাস্য নেই, আল্লাহ ছাড়া কোন হাকিম বা বিচার ফায়ছালাকারী নেই’’ এই তাফসীর কি সহীহ? [1] প্রশ্ন-৪০ : শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব (রহ.) এর দাওয়াত কী জামা‘আতুল ইখওয়ান, তাবলীগ জামাতের মত কোন দলীয় ইসলামী দাওয়াত? যারা কথায় ও লেখায় শায়খ এর দাওয়াতকে দলীয় দাওয়াত বলে তাদের প্রতি আপনার উপদেশ কী? প্রশ্ন-৪১ : অনেকে আত-ত্বয়িফাহ আল-মানছুরাহ এবং আল-ফিরকা আন-নাজিয়াহের মাঝে পার্থক্য করে থাকে। এ রকম পার্থক্য করা কি সহীহ? আর যদি তাই হয় তা হলে কারা ‘আল-ফিরকা আন-নাজিয়াহ’ এবং কারা ‘আত-ত্বয়িফাহ আল-মানছুরাহ’? প্রশ্ন-৪২ : যদি কোন ব্যক্তি ‘আল-ওয়ালা ওয়াল বারা’র (সম্পর্ক রাখা ও সম্পর্ক ছিন্ন করা) মাসআলায় ‘আল-ফিরকা আন-নাজিয়াহ’ বা ‘আত-ত্বয়িফাহ আল-মানছুরাহ’ এর বিরোধিতা করে অথবা শ্রবণ করা ও আনুগত্য করার মাসআলায় শাসকের বিরোধিতা করে; শাসক চাই সৎ হোক বা না হোক যিনি কোন অবাধ্যতা ও পাপাচারের আদেশ প্রদান করেন না। এমতাবস্থায় উক্ত ব্যক্তি আকীদার বাকি মাসআলায় আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের সাথে একমত হলেও কি সে ফিরকা নাজিয়াহ থেকে বের হয়ে যাবে? প্রশ্ন-৪৩ : যে ব্যক্তি অশ্লীল ও নিকৃষ্ট কাজকে মানুষের জন্য আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করে তাকে কি কাফির বলা যাবে? প্রশ্ন-৪৪ : আকীদা ও মানহাজের মাঝে কোন পার্থক্য আছে কী? প্রশ্ন-৪৫ : আলিমদের উপর যুবক ও সাধারণ মানুষদের জন্য দলাদলি ও ফিরকাবাজীর ভয়াবহতা আলোচনা করা কী ওয়াজিব? প্রশ্ন-৪৬ : ফুটবল টুর্নামেন্ট ও অন্যান্য প্রতিযোগিতা মূলক খেলা দেখার হুকুম কী? প্রশ্ন-৪৭ : মানহাজ সহীহ হওয়ার উপর কী জান্নাত বা জাহান্নাম নির্ভর করে? প্রশ্ন-৪৮ : বিদাতীদের বই-পুস্তক পড়া বা তাদের ক্যাসেট (অডিও-ভিডিও লেকচার) শোনার হুকুম কী? প্রশ্ন-৪৯ : বর্তমান যুগে আল-ফিরকা আন-নাজিয়াহ, আত-ত্বয়িফাহ আল-মানছুরাহ কোনটি? তাদের গুণ এবং বৈশিষ্ট্যাবলি কী কী? প্রশ্ন-৫০ : ছাত্র হয়ে শায়খকে পরামর্শ দেয়ার পদ্ধতি কী? প্রশ্ন-৫১ : সম্মানিত শায়খ, প্রাথমিক ছাত্রদের প্রতি আপনার নছীহত কামনা করছি প্রশ্ন-৫২ : দাঈদের মর্যাদার কথা শ্রবণের পর জাগরণপ্রেমী কিছু যুবকের মাঝে দাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক চেতনা[1] ও উদ্যম পরিলক্ষিত হয়। এরপর অতিদ্রুতই এই উৎসাহ কেটে যায়। এ ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন-৫৩ : আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মানহাজ বিরোধী মানহাজসমূহ থেকে সতর্ক করা কি ওয়াজিব? প্রশ্ন-৫৪ : কোনটি উত্তম? ‘ইলম অন্বেষণ করা নাকি দাওয়াহ ইলাল্লাহ তে (আল্লাহর পথে দাওয়াতে) আত্মনিয়োগ করা প্রশ্ন-৫৫ : বিভিন্ন দলীয় বই-পুস্তক অথবা এদেশে বহিরাগত জামাত সমূহের ভুল-ত্রুটি বর্ণনা করার দ্বারা কি দাঈদের দাওয়াতী কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বুঝায়? প্রশ্ন-৫৬ : কোন ব্যক্তির সমালোচনা করা এবং সমালোচনা করার সময় তার নাম উল্লেখ করার ক্ষেত্রে আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মানহাজ কী? কোন বিশেষ দাঈর দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করা কী ফিতনার অন্তর্ভুক্ত? প্রশ্ন-৫৭ : আহলুস-সুন্নাহ ওয়াল জামাত বিরোধী মানহাজসমূহ ও সে সকল মানহাজের দাঈদের থেকে সতর্ক করার দ্বারা কি মুসলিম উম্মাহর মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করা বুঝায়? প্রশ্ন-৫৮ : কিছু লোক নিদিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে ক্রুটিমুক্ত মনে করে এবং তাদের ব্যাপারে গোঁড়ামি করে। -আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে হিদায়াত দান করুন-। তাদের ব্যাপারে আপনার নছীহত কী? প্রশ্ন-৫৯ : বিদাতী, বিধ্বংসী চেতনালালনকারী ও ভ্রান্ত ‘আক্বীদায় বিশ্বাসী লোকদের সাথে যুবকেরা কীভাবে কাজ করতে পারে? প্রশ্ন-৬০ : শাসকদের নছীহত বা কল্যাণকামিতার শারঈ পদ্ধতি কী? প্রশ্ন-৬১ : আল-হামদুলিল্লাহ সালাফে সালেহীনের মানহাজের দিকে দাওয়াত প্রদান ও তা আঁকড়ে ধরার প্রতি আহবান বর্তমানে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তবে কিছু লোক বলছে যে, এই দাওয়াত মূলতঃ মুসলিমদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টির দাওয়াত, যাতে মুসলিমেরা তাদের প্রকৃত শত্রু থেকে গাফিল থেকে নিজেরা পরস্পরে মারামারিতে লিপ্ত হয়। তাদের এ কথা কী সহীহ? এ ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন-৬২ : সালাফিয়্যাহ কী? সালাফী মানহাজের উপর চলা এবং তা আঁকড়ে ধরা কী সকল মুসলিমের উপর ওয়াজিব? প্রশ্ন-৬৩ : বর্তমানে একটি নতুন মতবাদ ও চিন্তাধারা ছড়িয়ে পড়েছে যে, কোন ব্যক্তি বিদআত প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধে দলীল-প্রমাণ পেশ না করা পর্যন্ত এবং সে কোন আলিম বা মুফতীর শরণাপন্ন না হয়ে নিজে নিজের বিদআত নিয়ে পরিতৃপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিদাতী বলা যাবে না। এ ব্যাপারে সালাফদের মানহাজ কী? প্রশ্ন-৬৪ : আমাদের আশেপাশে বসবাসরত কেউ যদি সালাফে সালেহীনের মূলনীতির বিরোধিতা করে এবং অন্যান্য মানহাজের সাহায্য করে। অন্য মানহাজের প্রতিষ্ঠাতা বা চিন্তাবিদদের প্রশংসা করে। তাহলে সাধারণ জনগণকে তার থেকে সতর্ক করার জন্য এবং তার দ্বারা যাতে ধোঁকায় পতিত না হয় এ উদ্দেশ্যে কি তাকে সেই মানহাজের দিকে সম্বন্ধ করা ওয়াজিব হবে? প্রশ্ন-৬৫ : যদি কারো নিকট হক না পৌঁছা অবস্থায় সে অজ্ঞতা বশতঃ ইবাদতের নিয়্যাতে কোন বিদআত করে তাহলে কি সে প্রতিদান পাবে? তার উক্ত আমল কি কবুল হবে? প্রশ্ন-৬৬ : বর্তমানের কিছু ছাত্রের মাঝে আল্লাহভীরুতার নামে বাড়াবাড়ি ছড়িয়ে পড়েছে। তা হলো এই যে, তারা যদি নছীহত প্রদানকারী কোন আলিম বা ছাত্রকে বিদাতী অথবা বিদাতীদের মানহাজের হাকীকত বা বাস্তব অবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে, তাদের ভ্রান্ত মতামত খণ্ডন করতে এবং ক্ষেত্র বিশেষে দীনের প্রতিরক্ষা ও সন্দেহ সংশয়বাদী ফিরকাবাজদের মুখোশ উন্মোচন করতে বিদাতী ব্যক্তি মৃত হলেও তার নাম উল্লেখপূর্বক সমালোচনা করতে দেখে তাহলে তারা তা হারাম গীবত মনে করে, এ ব্যাপারে আপনার দিকনির্দেশনা কী? প্রশ্ন-৬৭ : ঐ ব্যক্তির হুকুম কী, যে কোন আলিম বা দাঈকে ভালোবাসে। আর বলে, আমি তাকে খুব ভালোবাসি, আমি কখনও তার বিরুদ্ধে সমালোচনা শুনতে চাই না। তার কথা দলীল বিরোধী হলেও আমি গ্রহণ করি। কেননা আমাদের শায়খ আমাদের থেকে দলীল প্রমাণ ভালো বোঝেন প্রশ্ন-৬৮ : আসমা ওয়াস ছিফাত বা আল্লাহর নাম ও গুণাবলি সম্বন্ধীয় মাসআলায় আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মানহাজ বিরোধী শায়খের নিকট ইলম অর্জন করার হুকুম কী? প্রশ্ন-৬৯ : আশ‘আরী (الأشاعرة), মু’তাযিলাহ (المعتزلة) ও তাদের সমআকীদা সম্পন্নদেরকে কাফির বলা যাবে কী? আকীদা, ফিক্বহ ও তাফসীর বিষয়ে তাদের শায়খদের মারপ্যাঁচ সম্পর্কে জানা থাকলেও কি উক্ত শায়খদের নিকট ইলম অর্জন করা জায়েয হবে? প্রশ্ন-৭০ : যদি কোন ছাত্র বিদাতী কথা বলে, বিদআতের প্রতি আহবান করে এবং সে ফিক্বহ ও হাদীছের জ্ঞানে জ্ঞানী হয়, তাহলে কি তার বিদআতের প্রতি আহবানের কারণে ইলম ও হাদীছ অগ্রহণযোগ্য হয়ে যাবে? তার দ্বারা কি একেবারেই দলিল গ্রহণ করা যাবে না? প্রশ্ন-৭১ : মুসলিম উম্মাহ বর্তমানে দ্বীনী বিষয়ে বিশৃঙখলায় পতিত হয়েছে। দলাদলি, ফিরকাবাজী বৃদ্ধি পেয়েছে। আর প্রত্যেক ফিরকা ও দলই দাবি করছে যে, তাদের দল ও মানহাজই সহীহ ও অবশ্যপালনীয় মানহাজ। এ নিয়ে মুসলিমগণ বিভ্রান্তিতে পতিত হয়েছে যে কোন দল হক এবং তারা কোন দলের অনুসারী হবেন? প্রশ্ন-৭২ : বিশেষ করে সাউদী ‘আরবে সালাফে সালেহীনের মানহাজ বিরোধী কোন মানহাজ রয়েছে কী? যদি থেকে থাকে তাহলে সেই মানহাজের সাথে ও এর দাঈদের সাথে কেমন আচরণ করতে হবে? প্রশ্ন-৭৩ : কতিপয় দাঈ এদেশ এবং এদেশের আলিমগণের সমালোচনায় উঠে পড়ে লেগেছে। তারা বলে ‘এ দেশের আলিমেরা দরবারী ও তোষামোদী আলিম। তারা বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারে না।’ একই সাথে তারা কিছু রাষ্ট্রের ইসলাম বাস্তবায়নের দাবির কারণে সেসকল রাষ্ট্রের প্রশংসা করে। তারা ঐ সকল রাষ্ট্রের ইসলাম বিরোধিতা দেখতে পায় না। এমনিভাবে তারা কতিপয় দাঈ, বিদাতী ও আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মানহাজ বিরোধীর প্রশংসা করে থাকে। তাদের দাবি খণ্ডনে আপনার মতামত কী? প্রশ্ন-৭৪ : বর্তমানে উচ্চ উলামা পরিষদের উপর গালিগালাজ ও অপবাদের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদেরকে কাফির, ফাসিক পর্যন্ত বলা হচ্ছে। বিশেষত বিষ্ফোরণের ব্যাপারে উচ্চ উলামা পরিষদের কিছু ফাতওয়া প্রকাশ পাওয়ার পর এ গালিগালাজের মাত্রা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা বলে যে ‘‘আল ওয়ালা ওয়াল বারা’’ বা আল্লাহর জন্য সম্পর্ক স্থাপন এবং তার জন্যই ঘৃণা পোষণের আমাদের আলেম-উলামার দুর্বলতা রয়েছে। উল্লেখিত বিষয়ে আমরা আপনার দিকনির্দেশনা কামনা করছি। যে যুবকেরা এহেন কথা বলে তাদের মতামত খণ্ডনের বিধান কী? প্রশ্ন-৭৫ : কিছু ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর জনৈক ছাত্রের ফাতওয়ায় কিছু মুসলিম অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করেছে, এর বিধান কী? প্রশ্ন-৭৬ : কাফিরদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকার জন্য তাদেরকে ধন-সম্পদ উপহার দেয়ার বিধান কী? প্রশ্ন-৭৭ : বর্তমানে কিছু পত্রিকায় আমেরিকান পণ্য বর্জন করার কথা লেখা হচ্ছে এবং আলিমগণও এসব পণ্য বর্জনের আহবান জানাচেছন। তারা বলছেন, ‘‘আমেরিকান পণ্য বর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরযে আইন এবং এসব পণ্যের কেনা-বেচা হারাম। যে ব্যক্তি এসব পণ্যের বেচা-কেনা করবে সে কাবীরাহ গুনাহগার হবে। সে ব্যক্তি যুদ্ধে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ইয়াহূদী খ্রিষ্টানদের সাহায্যকারী বিবেচিত হবে। মুহতারাম শায়খ, আমি আপনার নিকট থেকে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা কামনা করছি? এসব পণ্য বর্জন করলে কি নেকী হবে? প্রশ্ন-৭৮ : সম্মানিত শায়খ, আপনারা এদেশের সালাফী আলিম (ওয়া লিল্লাহিল হামদ), শাসকদেরকে উপদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে আপনাদের মানহাজ শরী‘আত সম্মত, ঠিক যেমনভাবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা করেছেন। -আমরা আল্লাহ তা‘আলার উপর কাউকে পরিশুদ্ধ ঘোষণা করব না-। তবে কিছু লোককে পাওয়া যায়, যারা শরী‘আত পরিপন্থী কর্মকান্ড ঘটা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে তার বিরোধিতা না করার কারণে আপনাদের দোষারোপ করে। কেউ কেউ বলে যে, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আপনাদের উপর চাপ রয়েছে। তাদের জন্য আপনি কিছু উপদেশ প্রদান করবেন কি? প্রশ্ন-৭৯ : উচ্চ উলামা পরিষদকে হেয় প্রতিপন্ন করা তাদেরকে তোষামোদকারী ও চাকর বলা কি ঐক্যের অন্তর্ভুক্ত? প্রশ্ন-৮০ : যে ব্যক্তি বলে যে, ‘‘এই দেশ (সাউদী আরব) দীনের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং দাঈদের ক্ষেত্রকে সংকীর্ণ করে’’ তাদের প্রতি আপনার উপদেশ কী? প্রশ্ন-৮১ : বর্তমানের কিছু যুবক মনে করে { وَلا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لائِمٍ } (তারা কোন নিন্দুকের নিন্দার পরোয়া করে না) এর অর্থ হলো ঐ সকল লোক যারা মঞ্চে এবং জনসম্মুখে শাসকদের দোষত্রুটি আলোচনা করে অথবা অডিও ক্যাসেটে সমালোচনা করে এবং তারা আল-আমরু বিল মা‘রূফ ওয়ান নাহয়ু আনিল মুনকার অর্থাৎ সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধকে শুধু প্রকাশ্যে শাসকদের দোষত্রুটি আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ গণ্য করে। শায়খ আপনার নিকট আমরা আবেদন করছি, আপনি তাদেরকে সহীহ মানহাজের পথনির্দেশিকা প্রদান করুন, এই আয়াতের সহীহ অর্থ বর্ণনা করুন এবং যারা প্রকাশ্যভাবে শাসকদের সমালোচনা করে তাদের বিধান বর্ণনা করুন প্রশ্ন-৮২ : সালাতে কুনুত (কুনুতে নাযিলা) পাঠ করার জন্য কি শাসকদের অনুমতি নেয়া অত্যাবশ্যক? প্রশ্ন-৮৩ : যেহেতু মুজাহিদদের প্রথম ফোটা রক্তের সাথে সাথেই তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়, সেহেতু শাসকদের অনুমতি ব্যতিরেকে জিহাদে গমন করার বিধান কী? শাসকের অনুমতি ছাড়া জিহাদে যোগদানকারী কি শহীদ বলে গণ্য হবে? প্রশ্ন-৮৪ : মুহতারাম শায়খ জামাত আঁকড়ে ধরা এবং ইমামের নির্দেশনা শ্রবণ করা ও আনুগত্য করার ব্যাপারে সংক্ষিপ্তাকারে নির্দেশনা দিবেন কি? প্রশ্ন-৮৫ : মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ভিত্তি কী? প্রশ্ন-৮৬ : ঐক্য গঠন এবং নির্দেশ শ্রবণ ও আনুগত্যের ব্যাপারে হকদার ব্যক্তি কে? প্রশ্ন-৮৭ : সাধারণ জনগণের অন্তরে শাসকদের বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ সৃষ্টি করা এবং বিশৃঙখলা সৃষ্টি করা কি ঐক্যের অন্তর্ভুক্ত? প্রশ্ন-৮৮ : শাসকদের ব্যাপারে দাঈ এবং ছাত্রদের উপর ওয়াজিব কী? কী? প্রশ্ন-৮৯ : বায়‘আত গ্রহণ করা কি ওয়াজিব, নাকি মুস্তাহাব, নাকি মুবাহ? জামাত্বদ্ধ থাকা, ইমামের নির্দেশ শ্রবণ করা এবং আনুগত্য করার ক্ষেত্রে বায়‘আতের অবস্থান কী? প্রশ্ন-৯০ : কোন হারাম বা পাপাচারমূলক কাজ ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে শাসকবর্গের সাথে মতবিরোধ করা অথবা বিরোধিতা করার হুকুম কী? প্রশ্ন-৯১ : শাসকদের আনুগত্যে ফাটল সৃষ্টি করা ও তাদের অনুমতি ছাড়া সংস্থা ও প্রকল্প সৃষ্টি করার হুকুম কী? প্রশ্ন-৯২ : সাধারণ লোকজনের নিকট জুলুম-অত্যাচারের বিপক্ষে বিচার চাওয়া কি প্রজ্ঞার মধ্যে পড়ে? এক্ষেত্রে সহীহ পদ্ধতি কী? প্রশ্ন-৯৩ : ‘আকীদা ও মানহাজের ইখতিলাফ সত্ত্বেও কি ঐক্য সম্ভব? প্রশ্ন-৯৪ : দলাদলির বিদ্যমানতা সত্ত্বেও ঐক্য গড়া সম্ভব কি? কোন মূলনীতির উপর ঐক্য গঠন করা ওয়াজিব? প্রশ্ন-৯৫ : আত্মহত্যামূলক আক্রমণ করা কি জায়েয? এ কাজ সহীহ হওয়ার জন্য কোন শর্ত বা পদ্ধতি আছে কি? প্রশ্ন-৯৬ : কাফির রাষ্ট্রে গুপ্তহত্যা চালানো অথবা বিষ্ফোরক দ্বারা তাদের সরকারী স্থাপনা সমূহ উড়িয়ে দেয়া কি জরুরী? এ কাজগুলো কি জিহাদী কাজের অন্তর্ভুক্ত হবে? প্রশ্ন-৯৭ : কাফিরদের দ্বারা মুসলিম উম্মাহর যে ক্ষতি সাধিত হচ্ছে তার প্রতিশোধ গ্রহণ ও তাদেরকে ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে আছ ছ‘ব ইবনে জুছামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীছকে নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা করা এবং স্থাপনাদিতে বিষ্ফোরণের পক্ষের দলীল হিসাবে পেশ করা যাবে কি? প্রশ্ন-৯৮ : মুসলিম উম্মাহর সমস্যা সমাধান করার জন্য মিছিল-লংমার্চ করা কি দাওয়াতের অন্তর্ভুক্ত হবে? প্রশ্ন-৯৯ : যদি উম্মাহর উপর কোন বিপদ-আপদ/মুছীবত এসে পড়ে তাহলে কতিপয় ব্যক্তি জনগণকে জোট গঠন করে শাসক ও আলিমদের বিরুদ্ধে মিছিল করতে আহবান করে, যাতে তারা এই চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়াহ কবুল করে। দাবি আদায়ের জন্য এই মাধ্যম গ্রহণের ব্যাপারে আপনার মতামত কী? প্রশ্ন-১০০ : কতিপয় ব্যক্তি ইবনু হাজার আল আসক্বলানী, ইমাম নববী, ইবনু হাযম, ইমাম শাওকানী, বাইহাকী (রহ.) প্রমুখ ইমামকেও বিদাতী আখ্যা দেয়। তাদের এ কাজ কী সহীহ? প্রশ্ন-১০১ : শায়খের নিকট আমার আবেদন হলো, মাদীনার আলিমগণের ব্যাপারে সুস্পষ্ট মতামত চাচ্ছি অর্থাৎ যাদেরকে সালাফী বলা হয় তারা কি তাদের কাজে-কর্মে সঠিক মানহাজের উপর রয়েছেন? প্রশ্ন-১০২ : মুহতারাম শায়খ! সালাফে সালেহীন গল্পকারদের নামোল্লেখ করে করে তাদের সমালোচনা করেন। তাদের কর্মপদ্ধতি কেমন এবং তাদের ব্যাপারে আমাদের মানহাজ কী? প্রশ্ন-১০৩ : বর্তমানকালের বিভিন্ন দল এবং ফিরকা নিজেদেরকে ইসলামের দিকে সম্বন্ধ করে ইসলামী দল, ইসলামী ফিরকা, ইসলামী জামাত বলে; এভাবে বলা কি সহীহ? ইসলামী জামাত তো একক জামাত হওয়ার কথা যেমনটি হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহ আনহুর হাদীছে বর্ণিত রয়েছে প্রশ্ন-১০৪ : মোটেও ইলম অর্জন করেনি এমন ব্যক্তি যারা দাওয়াত প্রদানের উদ্দেশ্যে সউদী আরবের বাইরে যায় এবং তারা অন্যদেরকে বের হওয়ার প্রতি উৎসাহিত করে। তারা অদ্ভূত সব শ্লোগানের বুলি আওড়ায় এবং দাবি করে ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে দাওয়াত প্রদানের উদ্দেশ্যে বের হয় আল্লাহ তার প্রতি ইলহাম (গোপনে ইলম প্রদান) করেন। বরং তারা দাবি করে যে দাওয়াত প্রদানের জন্য ইলম কোন মৌলিক শর্ত নয়। শায়খ আপনি অবগত আছেন, যে ব্যক্তি সউদী আরব থেকে বাইরে যায় সে বিভিন্ন মাযহাব-মতবাদ ও দীনের সম্মুখীন হয় এবং তার নিকট অনেক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। শায়খ আপনি কি মনে করেন না যে, আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াতী কাজে বের হওয়ার জন্য অস্ত্র (ইলম) আবশ্যক যাতে লোকজনের মুখোমুখি দাঁড়াতে পারে। বিশেষত পূর্ব এশিয়ায় যেখানের লোকেরা মুজাদ্দিদুদ দাওয়াহ শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব (রহ.) এর দাওয়াতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে থাকে। আমি আমার প্রশ্নের উত্তর চাচ্ছি যাতে সকলে জানতে পারে প্রশ্ন-১০৫ : তাবলীগ জামাত কী? তাদের মানহাজ কেমন? তাদের সাথে যুক্ত হওয়া, দাওয়াতী কাজে বের হওয়া কি জায়েয? যেমনটি তারা বলে যদি ছাত্রও হয় এবং এদেশবাসীদের মত সহীহ আকীদার অনুসারীও হয় তবুও তাকে তাবলীগে বের হতেই হবে।[1] প্রশ্ন-১০৬ : মুসলিম বিশ্বে বিশেষত আমাদের দেশে তাবলীগ জামাত এবং ইখওয়ানুল মুসলিমীনের মত ফিরকা থাকার হুকুম কী? প্রশ্ন-১০৭ : বর্তমান যামানার এসব দলের ব্যাপারে একজন যুবকের ভূমিকা কী, যারা তাকে দলে ভিড়াতে চায়? প্রশ্ন-১০৮ : যে সকল যুবকেরা এ জামাতগুলোর দ্বারা ধোঁকাগ্রস্থ হয়েছে এবং যারা তাদের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের পথে আহবান করছে, তাদের প্রতি আপনার অভিভাবকমূলক নির্দেশনা কামনা করছি প্রশ্ন-১০৯ : আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত (أهل السنّة والجماعة) কে এ নামে নামকরণ করার কারণ কী? প্রশ্ন-১১০ : অনেকে দাবি করে যে, সালাফীরাও অন্যান্য দলের মত একটি দল, যারা ময়দানে কাজ করছে। তাদের হুকুমও ঐসব দলের হুকুমের মত। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী? প্রশ্ন-১১১ : জামা‘আতে সালাফিয়্যাহ কী অন্যান্য দলের মত একটি দল? এর দিকে নিজেকে সম্বন্ধ করা কি নিন্দনীয়? প্রশ্ন-১১২ : সম্মানিত শায়খ! সুন্নাহকে ও সুন্নাহপ্রেমীকে সম্মান করা, সুন্নাহ শিক্ষা লাভ করা এবং সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা এবং বিদআত ও বিদআতপন্থীদেরকে ঘৃণা করার বিষয়ে আপনার দিকনির্দেশনা চাচ্ছি প্রশ্ন-১১৩ : সালাফী মানহাজ আঁকড়ে ধরা এবং তা থেকে বিচ্যুত না হওয়া ও বিভিন্ন অনুপ্রবেশকারী মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া থেকে একজন মুসলিমের নিজেকে হিফাযতের ব্যাপারে শারঈ নিয়ম-কানুন কী? প্রশ্ন-১১৪ : বর্তমানে দাওয়াতী কাজে নিজেকে যুক্তকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে নির্ভরযোগ্য আলেমগণ সম্পর্কে জানার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, যারা মুসলিম উম্মাহকে এবং উম্মাহর যুবকদেরকে হক মানহাজের দিকনির্দেশনা দিবেন। আপনি তন্মধ্যে কাদের নিকট থেকে উপকৃত হওয়া, কাদের দারস ও ক্যাসেট গ্রহণ করা এবং কাদের নিকট থেকে ইলম অর্জন করা ও বিভিন্ন ফিতনার সময় তাদের নিকট প্রত্যাবর্তন করার নছীহত করবেন? প্রশ্ন-১১৫ : অনুসরণযোগ্য আলিমগণের গুণাবলি কী কী? প্রশ্ন-১১৬ : শিক্ষার্থীদের জন্য আপনার কোন দিকনির্দেশনা আছে কি?