নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ হাফেয বিন আহমাদ আল-হাকামী (রহঃ) ১ টি অধ্যায় ২২৩ টি অনুচ্ছেদ সম্পূর্ণ বইটি একসাথে পড়তে
নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ হাফেয বিন আহমাদ আল-হাকামী (রহঃ) ১ টি অধ্যায় ২২৩ টি অনুচ্ছেদ সম্পূর্ণ বইটি একসাথে পড়তে
অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ তালিকা
প্রশ্ন এবং তাঁর উত্তরসমুহ অনুচ্ছেদ ২২৩ টি (১) বান্দার উপর সর্বপ্রথম ওয়াজিব কোনটি? (২) সুতরাং ঐ বিষয়টি কি, যার জন্য আল্লাহ্ তাআ’লা মানুষ সৃষ্টি করেছেন? (৩) আব্দ অর্থ কি? (৪) এবাদত কাকে বলে?  (৫) বান্দার আমল কখন এবাদতে পরিণত হয়? (৬) বান্দা যে আল্লাহ্কে ভালবাসে, তার আলামত কী? (৭) বান্দা কিভাবে আল্লাহর প্রিয় ও সন্তুষজনক কাজগুলো জানতে পারবে? (৮) ইবাদতের শর্ত কয়টি? ‘সিদকুল আযীমাহ’ তথা সুদৃঢ় ইচ্ছা বলতে কি বুঝায়? (১০) নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়ার তাৎপর্য কী? (১১) যেই শরীয়ত (দ্বীন) অনুযায়ী আল্লাহর এবাদত করতে বলা হয়েছে, তা কোনটি? (১২) দ্বীনের স্তর কয়টি? (১৩) ইসলাম কাকে বলে? (১৪) ইসলাম শব্দটি যখন এককভাবে ব্যবহৃত হবে, তখন দ্বীনের সকল স্তরকে অন্তর্ভূক্ত করার দলীল কী? (১৫) ইসলামকে পাঁচটি রুকনের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার দলীল কী? (১৬) দ্বীনের মধ্যে শাহাদাতাইন তথা لاإله إلا الله محمد رسول الله)) এর মর্যাদা কতটুকু? (১৭) (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ) আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মা’বুদ নেই এ কথার দলীল কী? (১৮) ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ) এ কথার সাক্ষ্য দেয়ার অর্থ কি? (১৯) যে সমস্ত শর্ত ব্যতীত ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ) পাঠ করাতে কোন লাভ নেই সেগুলো কি কি? (২০) ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ)এর সাক্ষ্য দেয়ার পূর্বে তার অর্থ সম্পর্কে অবগত হওয়া যে শর্ত, কুরআন ও সুন্নাহ্ হতে তার দলীল কী? (২১) ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’এর মর্মার্থ যে অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করা শর্ত তার দলীল কি? (২২) ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ)এর অন্যতম শর্ত হচ্ছে, এর অর্থের প্রতি অনুগত থাকা। কুরআন ও হাদীছ থেকে এর দলীল কী? (২৩) ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ)এর অন্যতম শর্ত হচ্ছে, এর মর্মার্থকে কবুল করে নেয়া। কুরআন ও সুন্নাহ্ থেকে এর দলীল কী? (২৪) কুরআন ও হাদীছ থেকে ইখলাস বা একনিষ্ঠতার দলীল কী? (২৫) অন্তরের গভীর থেকে (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ)এর মর্মকে সত্য বলে মেনে নেয়ার পক্ষে কুরআন ও হাদীছের দলীল কি? (২৬) (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ-লা-ইলাহা ইললাল্লাহ)এর মর্মার্থকে ভালবাসা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর অন্যতম শর্ত। কুরআন ও হাদীছ থেকে এর কোন দলীল আছে কী? (২৭) (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ)এর কারণে কারও সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে আবার এর কারণেই কারও সাথে শত্রুতা পোষণ করতে হবে- এ কথার দলীল কি? (২৮) মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল- এ কথার সাক্ষ্য দেয়ার দলীল কি? (২৯) মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল- এ কথার সাক্ষ্য দেয়ার অর্থ কী? (৩০) ‘‘মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল’’ একথার সাক্ষ্য দেয়ার শর্ত কি? ‘‘মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল’’- এ কথার সাক্ষ্য দেয়া ব্যতীত কি لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللّهُ-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহএর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে? (৩১) নামায এবং যাকাত ফরজ হওয়ার দলীল কী? (৩২) রোজা ফরজ হওয়ার দলীল কি? (৩৩) হজ্জ ফরজ হওয়ার দলীল কী? (৩৪) যদি কেউ ইসলামের কোন একটি রুকন অস্বীকার করে অথবা স্বীকার করে; কিন্তু অহংকার বশতঃ তা প্রত্যাখ্যান করে, তবে তার হুকুম কী? (৩৫) যদি কেউ ইসলামের রুকনসমূহ স্বীকার করে; কিন্তু অলসতা বশতঃ কিংবা অপব্যাখ্যার মাধ্যমে তা প্রত্যাখ্যান করে তবে তার হুকুম কী? (৩৬) ঈমান কাকে বলে (৩৭) স্বীকারোক্তি এবং আমল- এ দু’টির সমষ্টির নাম ঈমান, এর কোন দলীল আছে কি? (৩৮) ঈমান যে বাড়ে ও কমে তার দলীল কী? (৩৯) ঈমানের ক্ষেত্রে মু’মিনগণ যে পরস্পর সমান নয়, তার দলীল কী? (৪০) ঈমান শব্দটি এককভাবে উল্লেখিত হলে তা দ্বারা পূর্ণ দ্বীন উদ্দেশ্য- এর পক্ষে কোন দলীল আছে কি? (৪১) বিস্তারিতভাবে ছয়টি রুকনের মাধ্যমে ঈমানের সংজ্ঞা দেয়ার দলীল কী? (৪২) ঈমানের ছয়টি রুকনের ব্যাপারে কুরআন মজীদে সংক্ষিপ্ত কোন দলীল আছে কি? (৪৩) আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়নের বিস্তারিত ব্যাখ্যা কি? (৪৪) তাওহীদে উলুহিয়্যাহ কাকে বলে? (৪৫) তাওহীদে উলুহিয়্যাহর বিপরীত বিষয়টি কী? (৪৬) শির্কে আকবর কাকে বলে? (৪৭) শির্কে আসগার বা ছোট শির্ক কাকে বলে? (৪৮) উপরের প্রশ্নের উত্তর থেকে বুঝা গেল যে ‘‘আল্লাহ যা চান এবং আপনি যা চান’’ বলা নিষিদ্ধ, কিন্তু ‘‘আল্লাহ যা চান অতঃপর আপনি যা চান’’- এ কথা বলা জায়েয। এখন কথা হলঃ ‘‘এবং ও অথবা’’- এ দু’টি শব্দে মধ্যে পার্থক্যটা কী? (৪৯) তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ কাকে বলে? (৫০) তাওহীদে রুবুবিয়্যার বিপরীত কী? (৫১) তাওহীদুল আসমা ওয়াস্ সিফাত কাকে বলে? প্রশ্নঃ (৫২) কুরআন ও হাদীছ থেকে আল্লাহর সুন্দর নামগুলোর দলীল কী? প্রশ্নঃ (৫৩) কুরআন থেকে আল্লাহর সুন্দর সুন্দর কতিপয় নামের উদাহরণ দিন? প্রশ্নঃ (৫৪) হাদীছ থেকে আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ থেকে কতিপয় সুন্দর নাম উল্লেখ করুন প্রশ্নঃ (৫৫) আল্লাহর সুন্দর নামগুলো কোন্ বিষয়ের প্রমাণ বহন করে? প্রশ্নঃ (৫৬) উপরোক্ত বিষয়গুলো উদাহরণের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিন? প্রশ্নঃ (৫৭) বিভিন্ন অর্থকে শামিল করার দিক থেকে আসমায়ে হুস্না তথা আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ কত প্রকার ও কি কি? প্রশ্নঃ (৫৮) আল্লাহ্ তা’আলার জন্য যে সমস্ত আসমায়ে হুস্না ব্যবহার করা হয়, তা কত প্রকার? প্রশ্নঃ (৫৯) পূর্বে আলোচিত হয়েছে যে, আল্লাহর সিফাতসমূহ দুই প্রকার। সিফাতে যাতিয়া বা সত্বাগত গুণ ও সিফাতে ফে’লীয়া বা কর্মগত গুণ। কুরআন মজীদ থেকে সিফাতে যাতিয়ার কতিপয় উদাহরণ দিন? প্রশ্নঃ (৬০) হাদীছ থেকে সিফাতে যাতিয়া বা সত্বাগত গুণের কতিপয় উদাহরণ দিন? প্রশ্নঃ (৬১) কুরআন মজীদ থেকে সিফাতে ফে’লীয়া বা কর্মগত গুণের কতিপয় উদাহরণ দিন? প্রশ্নঃ (৬২) হাদীছ থেকে সিফাতে ফে’লীয়া বা কর্মগত গুণের কতিপয় উদাহরণ দিন? প্রশ্নঃ (৬৩) আল্লাহ্ তা’আলার প্রত্যেক সিফাতে ফে’লীয়া হতে কি নাম নির্ধারণ করা জায়েয? না কি নামগুলো আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে? প্রশ্নঃ (৬৪) আল্লাহ্ তা’আলার নাম العَلِي (সমুন্নত) ও الأَعْلَى (সর্বোচ্চ) এবং এ অর্থে অন্যান্য নাম যেমন الظَاهِر (প্রকাশমান), القَاهِر (পরাক্রমশালী) এবং المُتَعَالِي (সুউচ্চ) ইত্যাদি কোন্ জিনিষের প্রমাণ বহন করে? প্রশ্নঃ (৬৫) আল্লাহ তা’আলা উপরে আছেন- কুরআন মজীদ থেকে এ কথার দলীল দিন প্রশ্নঃ (৬৬) আল্লাহ তা’আলা উপরে আছেন- হাদীছ থেকে এ কথার দলীল দিন প্রশ্নঃ (৬৭) সালাফে সালেহীন তথা পূর্ববর্তী সৎকর্মশীল ইমামগণ الاستواء অর্থাৎ আরশের উপর আল্লাহ্ তা’আলার সমুন্নত হওয়া সম্পর্কে কি বলেছেন? প্রশ্নঃ (৬৮) আল্লাহর ক্ষমতা সবার উপরে, কিতাবুল্লাহ্ থেকে এর দলীল কি? প্রশ্নঃ (৬৯) আল্লাহর ক্ষমতা সবার উপরে- হাদীছ থেকে এর দলীল কি? প্রশ্নঃ (৭০) আল্লাহর শান তথা মর্যাদা সবার উপরে- এর দলীল কি? আল্লাহ্ তা’আলাকে কোন্ কোন্ জিনিষ হতে পাক ও পবিত্র বিশ্বাস করতে হবে? প্রশ্নঃ (৭১) আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাণীঃ আল্লাহ তা‘আলার নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে উহা গণনা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে- একথার অর্থ কি? প্রশ্নঃ (৭২) তাওহীদুল আসমা ওয়াস্ সিফাতের বিপরীত কি? প্রশ্নঃ (৭৩) প্রত্যেক প্রকারের তাওহীদের একটি কি অন্যটিকে আবশ্যক করে? তাওহীদের কোন এক প্রকারের বিরোধী বিষয় কি সকল প্রকার তাওহীদের পরিপন্থী? প্রশ্নঃ (৭৪) ফেরেশতাদের প্রতি ঈমান আনয়ন করা আবশ্যক- এই মর্মে কুরআন ও হাদীছ থেকে দলীল দিন প্রশ্নঃ (৭৫) ফেরেশতাদের প্রতি ঈমান আনয়নের অর্থ কি? প্রশ্নঃ (৭৬) ফেরেশতাদেরকে আল্লাহ যে উদ্দেশ্যে তৈরী করেছেন এবং তাদেরকে যে কাজে নিয়োজিত করেছেন, সে অনুসারে কয়েক প্রকার ফেরেশতার বর্ণনা দিন? প্রশ্নঃ (৭৭) আসমানী কিতাবের প্রতি ঈমান আনয়নের দলীল কী? প্রশ্নঃ (৭৮) কুরআনে কি সমস্ত আসমানী কিতাবের উল্লেখ আছে? প্রশ্নঃ (৭৯) আল্লাহর কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের অর্থ কী? প্রশ্নঃ (৮০) পূর্ববর্তী কিতাবসমূহের তুলনায় কুরআনের মর্যাদা কতটুকু? প্রশ্নঃ (৮১) কুরআনের প্রতি মুসলিম উম্মাতের করণীয় কী? প্রশ্নঃ (৮২) কুরআনকে আঁকড়ে ধরা এবং তার হক আদায় করার অর্থ কী? প্রশ্নঃ (৮৩) যারা কুরআনকে মাখলুক বলে তাদের হুকুম কী? প্রশ্নঃ (৮৪) কালাম কি আল্লাহর সত্বাগত সিফাত না কর্মগত সিফাত? প্রশ্নঃ (৮৫) واقفة (ওয়াকেফা) সম্প্রদায় কারা? তাদের হুকুম কী? প্রশ্নঃ (৮৬) যে ব্যক্তি বলেঃ ( لََفْظ) লফযের মাধ্যমে আমার কুরআন পড়া মাখলুক অর্থাৎ কুরআন পাঠ করার সময় আমার মুখ থেকে উচ্চারিত বাক্যগুলো মাখলুক, তার হুকুম কি? প্রশ্নঃ (৮৭) রাসূলদের প্রতি ঈমান আনার দলীল কি? প্রশ্নঃ (৮৮) রাসূলদের প্রতি ঈমান আনয়নের অর্থ কি? প্রশ্নঃ (৮৯) রাসূলগণ যে বিষয়ের আদেশ দিতেন এবং যা থেকে নিষেধ করতেন সে ক্ষেত্রে কি সকলের দাওয়াত এক ছিল? প্রশ্নঃ (৯০) এবাদতের মূল বুনিয়াদের ক্ষেত্রে সকল রাসূলের দাওয়াত যে এক ছিল, তার দলীল কি? প্রশ্নঃ (৯১) হালাল ও হারামের ক্ষেত্রে প্রত্যেক উম্মতের শরীয়ত যে বিভিন্ন রকম ছিল তার দলীল কি? প্রশ্নঃ (৯২) কুরআনে কি আল্লাহ্ তাআ’লা সকল রাসূলের ঘটনা বর্ণনা করেছেন? প্রশ্নঃ (৯৩) কুরআনে কতজন নবীর নাম উল্লেখ আছে? প্রশ্নঃ (৯৪) রাসূলদের মধ্যে উলুল আয্ম (সুদৃঢ় ইচ্ছাশক্তি সম্পন্ন) কতজন? প্রশ্নঃ (৯৫) সর্বপ্রথম রাসূল কে? প্রশ্নঃ (৯৬) মানুষের মধ্যে কখন মতভেদ সৃষ্টি হয়েছিল? প্রশ্নঃ (৯৭) সর্বশেষ নবী কে? প্রশ্ন (৯৮) নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশেষ নবী হওয়ার দলীল কী? প্রশ্নঃ (৯৯) অন্যান্য নবীর তুলনায় আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর বৈশিষ্ট কী? প্রশ্নঃ (১০০) নবীদের মু’জিযাগুলো কি কি? প্রশ্নঃ (১০১) কুরআন যে একটি চিরন্তন মু’জিযা তার দলীল কি? প্রশ্নঃ (১০২) পরকালের প্রতি ঈমান আনয়নের দলীল কি? প্রশ্নঃ (১০৩) আখেরাতের প্রতি ঈমান আনয়নের অর্থ কি? কি কি বিষয়ে আখেরাতের প্রতি ঈমান আনয়নের অন্তর্ভূক্ত হবে? প্রশ্নঃ (১০৪) কেউ কি জানে কিয়ামত কখন হবে? প্রশ্নঃ (১০৫) কুরআন মাজীদ থেকে কিয়ামতের আলামতের কয়েকটি উদাহরণ দিন প্রশ্নঃ (১০৬) হাদীছ থেকে কিয়ামতের আলামতের কয়েকটি উদাহরণ পেশ করুন প্রশ্নঃ (১০৭) মওতের প্রতি ঈমান আনয়নের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১০৮) কবরের ফিতনা, নেয়ামত ও আযাবের ব্যাপারে কুরআনে কোন দলীল আছে কি? প্রশ্নঃ (১০৯) কবরের আযাবের ব্যাপারে সুন্নাতে রাসূল হতে দলীল দিন প্রশ্নঃ (১১০) কবর থেকে পুনরুত্থানের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১১১) কবর থেকে পুনরুত্থানকে অস্বীকার করবে তার হুকুম কি? প্রশ্নঃ (১১২) সিঙ্গায় ফুঁ দেয়ার দলীল কি? কয়বার ফু দেয়া হবে? প্রশ্নঃ (১১৩) কুরআন মাজীদে কিভাবে হাশরের বর্ণনা এসেছে? প্রশ্নঃ (১১৪) হাদীছ শরীফে হাশরের কি পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে? প্রশ্নঃ (১১৫) কুরআন মযীদে বর্ণিত হাশরের মাঠে অবস্থানের কিছু দৃশ্য বর্ণনা করুন প্রশ্নঃ (১১৬) হাদীছে বর্ণিত হাশরের মাঠে অবস্থানের কিছু দৃশ্য বর্ণনা করুন প্রশ্নঃ (১১৭) কুরআন মাজীদে আমলনামা পেশ ও হিসাবের ধরণ কিভাবে বর্ণনা করা হয়েছে? প্রশ্নঃ (১১৮) হাদীছ শরীফে আমলনামা পেশ ও হিসাবের ধরণ কিভাবে বর্ণনা করা হয়েছে? প্রশ্নঃ (১১৯) কুরআন মাজীদে আমলনামা প্রদানের পদ্ধতি কিভাবে বর্ণনা করা হয়েছে? প্রশ্নঃ (১২০) হাদীছ শরীফে আমলনামা প্রদানের পদ্ধতি কিভাবে বর্ণনা করা হয়েছে? প্রশ্নঃ (১২১) কুরআন মজীদে দাড়িপাল্লা স্থাপনের দলীল কি? আমল মাপার পদ্ধতি বর্ণনা করুন প্রশ্নঃ (১২২) হাদীছ শরীফে দাঁড়িপাল্লা স্থাপনের দলীল কি? আমল মাপার পদ্ধতি বর্ণনা করুন প্রশ্নঃ (১২৩) কুরআন মাজীদে পুলসিরাত পার হওয়ার দলীল কি? প্রশ্নঃ (১২৪) হাদীছ শরীফে পুলসিরাত পার হওয়ার দলীল কী? প্রশ্নঃ (১২৫) কিয়ামতের দিন পারস্পরিক জুলুমের বদলা নেয়ার ব্যাপারে কুরআন মজীদের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১২৬) কিয়ামতের দিন পারস্পরিক যুলুমের বদলা নেয়ার ব্যাপারে সুন্নাত থেকে দলীল দিন। হাদীছ শরীফে বদলা নেয়ার পদ্ধতি কিভাবে বর্ণিত হয়েছে? প্রশ্নঃ (১২৭) হাউজে কাউছারের ব্যাপারে কুরআন মাজীদের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১২৮) হাউজে কাউছারের ব্যাপারে হাদীছের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১২৯) জান্নাত ও জাহান্নামের উপর ঈমান আনয়নের দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৩০) জান্নাত ও জাহান্নামের প্রতি ঈমান আনয়নের মর্মার্থ কি? প্রশ্নঃ (১৩১) জান্নাত ও জাহান্নাম এখনও প্রস্ত্তত আছে-এর দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৩২) জান্নাত ও জাহান্নাম চিরদিন থাকবে, কখনও ধ্বংস হবে না- এর দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৩৩) মু’মিনগণ কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা’আলাকে দেখতে পাবে এর দলীল কী? প্রশ্নঃ (১৩৪) শাফাআতের প্রতি ঈমান আনয়নের দলীল কি? কে কার জন্য এবং কখন শাফাআত করবেন? প্রশ্নঃ (১৩৫) শাফাআত কত প্রকার? সবচেয়ে বড় শাফাআত কোন্টি? প্রশ্নঃ (১৩৬) কেউ কি তার আমলের বিনিময়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে কিংবা জাহান্নাম হতে রেহাই পাবে? প্রশ্নঃ (১৩৭) উপরের হাদীছ এবং আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ (وَنُودُوا أَنْ تِلْكُمُ الْجَنَّةُ أُورِثْتُمُوهَا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ) ‘আর তাদেরকে ডেকে বলা হবেঃ তোমরা যে আমল করতে তার বিনিময়ে তোমাদেরকে এই জান্নাতের উত্তরাধিকারী বানানো হয়েছে’ (সূরা আ’রাফঃ ৪৩) এর মধ্যে কিভাবে সমন্বয় করা যাবে? প্রশ্নঃ (১৩৮) তাকদীরের উপর ঈমান আনয়নের সংক্ষিপ্ত দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৩৯) তাকদীরের উপর ঈমান আনয়নের স্তর কয়টি ও কি কি? প্রশ্নঃ (১৪০) তাকদীরের প্রথম স্তর অর্থাৎ আল্লাহর ইল্মের (জ্ঞানের) প্রতি ঈমান আনয়নের দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৪১) তাকদীরের উপর ঈমান আনয়নের দ্বিতীয় স্তর তথা তাকদীর লিখনের দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৪২) তাকদীর লিখার স্তরে কয়টি তাকদীর লিখা হয়েছে? প্রশ্নঃ (১৪৩) তাকদীরে আযালী তথা চিরস্থায়ী তাকদীর কাকে বলে? প্রশ্নঃ (১৪৪) অঙ্গিকার গ্রহণের দিবসে সমগ্র মানব জাতির তাকদীর নির্ধারণের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১৪৫) তাকদীরে উমরী, যা মাতৃগর্ভে বীর্য থেকে সন্তান তৈরী হওয়ার সময় সম্পন্ন হয় তার দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৪৬) লাইলাতুল কদরে যে বাৎসরিক তাকদীর নির্ধারণ হয়, তার দলীল কি? প্রশ্নঃ (১৪৭) التقدير اليومي অর্থাৎ দৈনন্দিন তাকদীর নির্ধারণের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১৪৮) দুর্ভাগা না সৌভাগ্যবান এটি পূর্বেই লিখে দেয়া হয়েছে - এর দলীল কী? প্রশ্নঃ (১৪৯) তাকদীরের তৃতীয় স্তর তথা ‘আল্লাহ্ স্বীয় ইচ্ছা অনুযায়ী তাকদীর নির্ধারণ করেন’’ এর দলীল কী? প্রশ্নঃ (১৫০) আল্লাহর কিতাব, রাসূলের সুন্নাত ও আল্লাহর সিফাতের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে, তিনি সৎকর্মশীল, মুত্তাকী এবং ধৈর্যশীলদেরকে ভালবাসেন, ঈমানদার ও সৎকর্ম সম্পাদনকারীদের প্রতি সন্তুষ্ট হন, কাফের ও যালেমদেরকে ভালবাসেন না, তাঁর বান্দাদের কুফরী পছন্দ করেন না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করা ভালবাসেন না। অথচ উপরোক্ত সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়ে থাকে। আর তিনি যদি চাইতেন কুফরী ও ফাসাদ হত না। কেননা তাঁর রাজ্যে তাঁর ইচ্ছার বিরোধী কিছুই হতে পারে না। সুতরাং ঐ লোকের কথার উত্তর কি যে বলেঃ আল্লাহ্ কিভাবে এমন জিনিষের ইচ্ছা পোষণ করেন যা তিনি পছন্দ করেন না এবং ভালবাসেন না? প্রশ্নঃ (১৫১) তাকদীরের প্রতি ঈমানের চতুর্থ স্তর তথা সৃষ্টি করার স্তরের দলীল কী? প্রশ্নঃ (১৫২) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর বাণীঃ ‘সকল প্রকার কল্যাণ আপনার উভয় হাতে। অকল্যাণ আপনার দিকে সম্পৃক্ত নয়’ এর অর্থ কি? অথচ আল্লাহ্ তাআলা ভালমন্দ সবকিছুর সৃষ্টিকারী প্রশ্নঃ (১৫৩) বান্দারা যে সমস্ত কাজ করে থাকে, তাতে কি তাদের ক্ষমতা ও ইচ্ছার স্বাধীনতা রয়েছে? প্রশ্নঃ (১৫৪) আল্লাহ্ তাআলা কি স্বীয় ক্ষমতা বলে তাঁর সমস্ত বান্দাকে হেদায়াতপ্রাপ্ত এবং আনুগত্যকারী মুমিনে পরিণত করতে পারেন না? শরীয়তগতভাবে তিনি তো তাদের নিকট থেকে এটাই পছন্দ করেন। যে এ কথা বলে তার উত্তর কী? প্রশ্নঃ (১৫৫) দ্বীনে তাকদীরের প্রতি ঈমান আনয়নের গুরুত্ব কতটুকু? প্রশ্নঃ (১৫৬) ঈমানের শাখা কয়টি? প্রশ্নঃ (১৫৭) আলেমগণ ঈমানের শাখাগুলোর কি ব্যাখ্যা করেছেন? প্রশ্নঃ (১৫৮) আলেমগণ ঈমানের যে সমস্ত শাখা বর্ণনা করেছেন, তার সারাংশ বর্ণনা করুন? প্রশ্নঃ (১৫৯) কুরআন ও হাদীছ থেকে দ্বীনের তৃতীয় স্তর তথা ‘ইহসান’এর দলীল দিন? প্রশ্নঃ (১৬০) এবাদতের মধ্যে ‘ইহসান’ কাকে বলে? প্রশ্নঃ (১৬১) ঈমানের বিপরীত কি? প্রশ্নঃ (১৬২) কুফরে كفر اعتقادي বিশ্বাসে কুফর কিভাবে ঈমানের সম্পূর্ণ বিপরীত হয়? কিভাবেই বা ঈমান নষ্ট করে দেয়? বিস্তারিত আলোচনা করুন প্রশ্নঃ (১৬৩) كفر أكبرতথা বড় কুফরী, যা দ্বীন থেকে বের করে দেয়, তা কত প্রকার ও কি কি? প্রশ্নঃ (১৬৪) মূর্খ ও মিথ্যা প্রতিপন্নকারীদের কুফরী কোন্টি? প্রশ্নঃ (১৬৫) অস্বীকার কারীদের কুফরী কোনটি? প্রশ্নঃ (১৬৬) অবাধ্যতা, হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার ও হটকারীতামূলক কুফরী কাকে বলে? প্রশ্নঃ (১৬৭) নিফাকীর কুফরী কাকে বলে? প্রশ্নঃ (১৬৮) كفر عملي তথা কর্মে কুফরী, যা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয় না তা কোনটি? প্রশ্নঃ (১৬৯) মূর্তিকে সিজ্দা করা, আল্লাহর কিতাবকে অপমান করা, রাসূলকে গালি দেয়া, দ্বীন নিয়ে উপহাস করা বা অনুরূপ বিষয়সমূহ বাহ্যিক দৃষ্টিতে كفرعملي তথা আমলে কুফরীর অন্তর্ভূক্ত। তাহলে এগুলো মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে কেন? কেননা আপনারা তো ছোট কুফরীর সংজ্ঞায় বলেছেন যে, উহা হচ্ছে كفرعملي তথা আমলে কুফরী। প্রশ্নঃ (১৭০) যুলুম, ফিস্‌ক এবং নিফাক কত প্রকার ও কি কি? প্রশ্নঃ (১৭১) বড় যুলুম ও ছোট যুলুমের উদাহরণ দিন? প্রশ্নঃ (১৭২) বড় ফিসক ও ছোট ফিস্ক এর উদাহরণ দিন প্রশ্নঃ (১৭৩) বড় নিফাক ও ছোট নিফাক এর উদাহরণ কী? প্রশ্নঃ (১৭৪) যাদু ও যাদুকরের হুকুম কী? প্রশ্নঃ (১৭৫) যাদুকরের শাস্তি কী? প্রশ্নঃ (১৭৬) নুশরা কাকে বলে? নুশ্রার হুকুম কি? প্রশ্নঃ (১৭৭) শরীয়ত সম্মত ঝাড়ফুঁক কী কী? প্রশ্নঃ (১৭৮) নিষিদ্ধ ঝাড়ফুঁক কী কী? প্রশ্নঃ (১৭৯) রোগীর শরীরে তাবীজ লটকানো, তাগা পরিধান করা, হাতে লোহা বা রাবারের আংটা লাগানো, সুতা, পুঁতির মালা বা অনুরূপ বস্ত্ত ব্যবহারের হুকুম কী? প্রশ্নঃ (১৮০) কুরআনের আয়াত দিয়ে তাবীজ লিখে রোগীর শরীরে ব্যবহারের হুকুম কি? প্রশ্নঃ (১৮১) গণকের হুকুম কি? প্রশ্নঃ (১৮২) যে ব্যক্তি গণকের কথা বিশ্বাস করে তার হুকুম কী? প্রশ্নঃ (১৮৩) জ্যোতিষশাস্ত্রের হুকুম কী? প্রশ্নঃ (১৮৪) তারকার প্রভাব দ্বারা ইস্তেস্কা বা বৃষ্টি প্রার্থনা করার হুকুম কী? প্রশ্নঃ (১৮৫) طيرة পাখি উড়িয়ে ভাগ্য পরীক্ষা করা বা কোন জিনিষকে শুভ-অশুভ লক্ষণ মনে করার হুকুম কী? এ সব কুসংস্কার দূর করার পদ্ধতি কী? প্রশ্নঃ (১৮৬) মানুষের উপর কি বদ নজর লাগে? বদ নযরের হুকুম কী? প্রশ্নঃ (১৮৭) গুনাহ্ কত প্রকার ও কি কি? প্রশ্নঃ (১৮৮) কোন্ আমলের মাধ্যমে সগীরা গুনাহ্ মোচন হয়? প্রশ্নঃ (১৮৯) কবীরা গুনাহ্ কাকে বলা হয়? প্রশ্নঃ (১৯০) কি কি আমল করলে কবীরা ও সগীরা উভয় প্রকার গুনাহ্ মোচন হয়ে যাবে? প্রশ্নঃ (১৯১) তাওবায়ে নাসুহা কাকে বলে? প্রশ্নঃ (১৯২) প্রত্যেক মানুষের জন্য তাওবার দরজা কখন বন্ধ হয়ে যায়? প্রশ্নঃ (১৯৩) দুনিয়ার কোন্ বয়সে তাওবার দরজা বন্ধ হবে? প্রশ্নঃ (১৯৪) তাওহীদপন্থী কোন লোক কবীরা গুনাহ্তে লিপ্ত থাকাবস্থায় মৃত্যু বরণ করলে তার হুকুম কী? প্রশ্নঃ (১৯৫) যার উপর হদ্দ তথা ইসলামী দন্ডবিধান প্রয়োগ করা হয়েছে, সেই হদ্দ কি তার গুনাহের কাফ্ফারা হবে? প্রশ্নঃ (১৯৬) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর বাণীঃ ‘‘ব্যাপারটি আল্লাহর ইচ্ছাধীন। ইচ্ছা করলে তিনি ক্ষমা করে দিবেন আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দিবেন- এই হাদীছ এবং অন্য একটি হাদীছ যেখানে বলা হয়েছে, যার গুনাহ নেকীর তুলনায় বেশী হবে সে জাহান্নামে যাবে। প্রকাশ্যভাবে উভয় হাদীছের মধ্যে দ্বন্দ পরিলক্ষিত হয়। এই দ্বন্দের সমাধান কী? প্রশ্নঃ (১৯৭) সীরাতে মুস্তাকীম তথা সেই সঠিক পথ কোন্টি, যার উপর চলার জন্যে আল্লাহ্ তাআলা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেই পথ ব্যতীত অন্য পথে চলতে নিষেধ করেছেন? প্রশ্নঃ (১৯৮) কিভাবে সীরাতুল মুস্তাকীমে চলা সম্ভব? তা থেকে বিপদগামী হওয়া থেকে বাঁচার উপায় কী? প্রশ্নঃ (১৯৯) সুন্নাতের বিপরীত কী? প্রশ্নঃ (২০০) দ্বীনের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি করার দিক থেকে বিদ্আত কত প্রকার ও কী কী? প্রশ্নঃ (২০১) বিদআতে মুকাফ্ফিরা তথা যে বিদআত মানুষকে কাফের বানিয়ে দেয় তা কোনটি? প্রশ্নঃ (২০২) বিদআতে গাইরে মুকাফফেরা বা যেসমস্ত বিদআত মানুষকে কাফেরে পরিণত করে না সেগুলো কি কি? প্রশ্নঃ (২০৩) বর্তমান সমাজে কত প্রকার বিদআত দেখা যায়? প্রশ্নঃ (২০৪) ইবাদতের ক্ষেত্রে বিদআত কত প্রকার? প্রশ্নঃ (২০৫) ইবাদতের মধ্যে বিদআতের কয়টি অবস্থা হতে পারে? প্রশ্নঃ (২০৬) মুআমালাত তথা পার্থিব লেন-দেনের মধ্যে বিদআতগুলো কী কী? প্রশ্নঃ (২০৭) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর পরিবার ও তাঁর সাহাবীদের প্রতি আমাদের করণীয় কী? প্রশ্নঃ (২০৮) সর্বশ্রেষ্ঠ সাহাবী কারা? সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করুন প্রশ্নঃ (২০৯) সর্বশ্রেষ্ঠ সাহাবী কারা? বিস্তারিতভাবে আলোচনা করুন? প্রশ্নঃ (২১০) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পর খেলাফতের সময়কাল কত বছর? প্রশ্নঃ (২১১) চার খলীফার খেলাফতের দলীল কী? প্রশ্নঃ (২১২) সংক্ষিপ্তভাবে আবু বকর, উমার ও উছমান (রাঃ)এর খেলাফতের দলীল পেশ করুন প্রশ্নঃ (২১৩) আবু বকর ও উমার (রাঃ)এর খেলাফতের উপর দলীল কী? প্রশ্নঃ (২১৪) আবু বকর (রাঃ)এর খেলাফত এবং তাঁর প্রথম খলীফা হওয়ার দলীল কী? প্রশ্নঃ (২১৫) আবু বকরের পরে উমার (রাঃ)এর খেলাফতের দলীল কি? প্রশ্নঃ (২১৬) আবু বকর ও উমারের পর উছমান (রাঃ)এর খেলাফতের দলীল কী? প্রশ্নঃ (২১৭) আবু বকর, উমার এবং উছামান (রাঃ)এর পর আলী (রাঃ)এর খেলাফতের দলীল কী? প্রশ্নঃ (২১৮) শাসক ও বাদশাদের প্রতি আমাদের কর্তব্য কি? প্রশ্নঃ (২১৯) শাসকদের প্রতি অনুগত থাকার দলীল কী? প্রশ্নঃ (২২০) কার উপর সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ ওয়াজিব? সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধের স্তর কয়টি? প্রশ্ন (২২১) কারামতে আওলীয়া বা আলেমদের অলৌকিক ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান কি? প্রশ্নঃ (২২২) আল্লাহর অলী কারা? প্রশ্নঃ (২২৩) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ (وَلاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ لاَ يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللَّهِ عَزَّ وَجَل) ‘আমার উম্মাতের একটি দল সবসময় হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। যেসমস্ত লোক তাদের বিরোধীতা করবে তারা কিয়ামত পর্যন্ত সেই দলটির কোন ক্ষতি করতে পারবে না’। এখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দলটির কথা বলেছেন সেটি কোন্ দল?