হজ্জ, উমরা ও যিয়ারত গাইড বাংলাদেশ থেকে হজ্জযাত্রা : কিছু দিকনির্দেশনা ইসলামহাউজ.কম
মিনায়-আরাফায়

৭ জিলহজ্জ দিবাগত রাতে অথবা ৮ জিলহজ্জ সকালে এহরাম অবস্থায় মুয়াল্লিম কর্তৃক সরবরাহ-কৃত বাসে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। সাথে হালকা কিছু কাপড়-চোপড়, শুকনো খাবার ও সামান্য টাকা পয়সা নেবেন। মূল্যবান জিনিসপত্র সাবধানে ঘরে রেখে যাবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে টাকা পয়সা মুয়াল্লিমের অফিসের কর্মকর্তার নিকট জমা রাখতে পারেন। তবে টাকা আমানত রেখে রসিদ নিতে ভুলবেন না। শক্ত-সবল এবং মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে অতিক্রম করায় অভ্যস্ত না হলে মিনা আরাফায় পায়ে হেঁটে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন না।

কঙ্কর মারার সময় কখনো পায়ের স্যান্ডেল খুলে গেলে অথবা হাত হতে কঙ্কর পড়ে গেলে তা উঠাতে চেষ্টা করবেন না। নিজেরা হাদী জবেহ করার পরিকল্পনা করলে সবার পক্ষ থেকে সবল ও তরুণ ২/৩ জনকে প্রতিনিধি করে হাদী জবেহ করবেন। তবে এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হওয়ায় মক্কা মদিনায় যে কোনো ব্যাংকে অগ্রিম টাকা জমা দিয়ে রসিদ সংগ্রহ করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হজ্জযাত্রীদের পক্ষ থেকে হাদী জবেহ করে দেবেন। এই প্রক্রিয়াটি সহজ্জ ও নিশ্চিত। তাই অতি লোভনীয় অন্যসব প্রস্তাব বাদ দিয়ে এটাই বেছে নিন। মিনায় বা আরাফায় কখনও নিজের তাঁবু হারিয়ে ফেললে বাংলাদেশ হজ্জ মিশনের তাঁবুতে পৌঁছার চেষ্টা করুন। সেখান থেকে কোনো না কোনো উপায়ে নিজ তাঁবুতে ফিরে আসার ব্যবস্থা হবে, অথবা আপনার হজ্জ পালনে কোনো সমস্যা হবে না।

আরাফার ময়দানে জাবালে আরাফায় উঠার চেষ্টা করবেন না এমনকি তার কাছেও যাওয়ার চেষ্টা থেকেও বিরত থাকুন। আরাফায় হারিয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে নিজ তাঁবুতে ফিরে আসা খুবই কঠিন। তাই নিজ তাঁবুতেই অবস্থান করুন। টয়লেট ব্যবহার করতে হলেও কাউকে সঙ্গে নিয়ে বের হোন। মুযদালেফাতেও টয়লেট ব্যবহারের প্রয়োজন হলে একই পন্থা অবলম্বন করুন।