বর্তমান যুগের টিভি চ্যানেলগুলোতে যে কোনো অনুষ্ঠান, নাটক, গান কিংবা ছায়াছবিই দেখানো হোক না কেন তার অধিকাংশই প্রেম-ভালোবাসা, ফ্যামিলিগত অশ্লীলতা, স্বামী-স্ত্রীর যৌন কেলেঙ্কারী, উলঙ্গতা, নির্লজ্জতা, চুমোচুমি, শরী‘আতের বিরোধিতা কিংবা শরী‘আতের কোনো ব্যাপার নিয়ে ঠাট্টা-মশকারা করা ছাড়া তেমন আর গুরুত্বপূর্ণ কিছুই নয়। যেমন, বহু বিবাহ নিয়ে ঠাট্টা করা কিংবা মহিলাদের ওপর পুরুষের কর্তৃত্ব নিয়ে তামাশা করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

সুতরাং কোনো যুবক-যুবতী দীর্ঘ সময় এ সমস্ত অশ্লীলতা, উলঙ্গতা ও নির্লজ্জতা তথা প্রেম-ভালোবাসার আবেগ তাড়িত রকমারি ডায়ালগ শুনে নিজের সাধুতা ও সতীত্ব কীভাবে রক্ষা করতে পারবে ?

নিচে এ সম্পর্কে জনৈকা যুবতীর সুস্পষ্ট হুবহু উক্তি উল্লেখ করা হয়েছে, যা শুনে আমরা প্রত্যেকেই সময় থাকতে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারি।

সে একদা নাম উল্লেখ না করার শর্তে এবং চিকিৎসা পরামর্শ নেওয়ার উদ্দেশ্যে বলে: “আমি ছোট বেলা থেকেই প্রেম জনিত ছায়াছবি দেখতে অভ্যস্ত। এমনকি তা দেখতে এখন আমার খুবই ভালো লাগে। এতে করে এখন আমার মধ্যে এমন এক ধরনের অদম্য যৌন স্পৃহা জন্ম নিয়েছে যা সত্যিই অস্বাভাবিক। আর এটা আমার জন্য নতুন কিছুই নয়। কারণ, আমি সাবালক হওয়ার বহু পূর্বেই যৌন সংক্রান্ত সব কিছুই জেনে ফেলি। ...এখন আমি আমার মধ্যে এক অদম্য যৌন আবেগ অনুভব করছি। যা আমার পুরো অনুভূতিকে এখন কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। আমি এখন রাত্রি বেলায় এতটুকুও ঘুমোতে পারছি না। ঘুমোতে গেলে অনেক ধরনের চিন্তা ও স্বপ্ন আমাকে ঘিরে নেয়। যখনই আমি আবেগ তাড়িত কোনো ফিল্ম দেখি অথবা এ জতীয় কোনো উপন্যাস পড়ি তখনই আমার আবেগ ও যৌন উত্তেজনা অত্যধিক বেড়ে যায়। তখনই আমার মনে হয়, আহ্! কেউ যদি এখন আমার সাথে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হতো। এ পরিস্থিতিতে আমি এখন কি করতে পারি দয়া করে সুন্দর পরামর্শ দিয়ে আমাকে কৃতার্থ করবেন”

দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে