বিবাহের ক্ষেত্রে অভিভাবকের অনুমতি

নাবী (সাঃ) হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি ঐ অকুমারী মহিলার বিবাহ বাতিল করেছেন, যার মর্জী ব্যতীত তার পিতা তাকে বিবাহ দিয়েছিল।[1] সুনানের কিতাবসমূহে তাঁর থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, এক কুমারী মহিলার পিতা তার অনুমতি ছাড়াই বিবাহ দিয়েছিল। বালিকাটি নাবী (সাঃ) এর কাছে আগমণ করে অভিযোগ পেশ করলে তিনি মহিলাকে বিবাহ বন্ধন ঠিক রাখা বা না রাখার অধিকার প্রদান করলেন। হাদীছে আরও বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন- কুমারী মহিলার অনুমতি ব্যতীত তাকে বিবাহ দেয়া যাবেনা। চুপ থাকাই তার অনুমতি। অন্য এক হাদীছে এসেছে, নাবী (সাঃ) এর ফয়সালা হচ্ছে ইয়াতীম বালিকার মর্জীর বাইরে তাকে বিবাহ দেয়া যাবেনা। নাবী (সাঃ) বলেছেন- বালেগ হওয়ার পর কেউ ইয়াতীম থাকেনা। এতে প্রমাণিত হয় যে, ইয়াতীম নারীর বিবাহ জায়েয আছে। এ বিষয়টি কুরআনেও বর্ণিত হয়েছে।

[1]. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুন নিকাহ।
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে